এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর, ২০২২

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২২ মঙ্গলবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(২২-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* প্রকৃতির ক্ষতি করে না এমন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ। 


* জঙ্গিবাদের বিশ্বস্ত পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের। 


* বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায় - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। 


* বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে পয়লা ডিসেম্বর থেকে সপ্তাহব্যাপী পরিচালিত হবে বিশেষ কোভিড টিকাদান অভিযান - জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। 


* আগামীকাল ঢাকায় প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে দু’দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী উদ্যোক্তা সম্মেলন। 


* ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৮ - এখনও বহুলোক নিখোঁজ। 


* এবং কাতারে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথম অঘটনের ম্যাচে ফেবারিট আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারালো সৌদি আরব।

আমি ও উপন্যাস,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

আমি ও উপন্যাস

আচ্ছা নিবেদিতা, কেমন হতো যদি আমি হতাম একটি প্রেমের উপন্যাস?

রাত জেগে কাঁথা মুড়ি দিয়ে ফোনের স্বল্প আলোতে আমাকে পড়তে। গভীর মনযোগ দিয়ে পড়তে। মাঝখানের এক-দুইটা লাইন বাদ দিয়ে অন্য লাইনে চলে যেতে। বেশকিছু লাইন পড়ার পরে বুঝতে পাড়তে দুটো লাইন বাদ পরেছে। বিরক্তির সাথে আবার ফিরে যেতে সেই দুই লাইনে।

সপ্তম পৃষ্ঠার সবচেয়ে আবেগী লাইনটা পড়ে তোমার চোখে নোনা জলের ছোট খাটো ঝর্ণার সৃষ্টি হতো। এক ফোটা নোনা জল তোমার গাল গড়িয়ে পরত লাইনটির একটি শব্দের উপর। তুমি জল মুছতে গিয়ে শব্দটাই মুছে দিতে! নীল হয়ে পরে থাকত মুছে যাওয়া শব্দটির স্থানটি। ঠিক সেভাবে যেভাবে তোমার চোখের জল নীল করেছে একটি কিশোরকে।

ছাব্বিশতম পৃষ্ঠায় রয়েছে উপন্যাসটির সবচেয়ে সুন্দর লাইনটি। এই লাইনটিতে আশ্রয় নেই কোন আবেগের। বাস্তব ধর্মী একটি লাইন। তোমার জীবনধারার বহিঃপ্রকাশ করে এই একটা লাইন। একটি কিশোরের দেওয়া হলদে রাঙ্গা নোটবুকটায় যত্ন করে লিখে রাখতে লাইনটি। 

প্রত্যেকটি লাইন তুমি আঙ্গুল দিয়ে ছুঁয়ে ছুঁয়ে পড়তে। আমি অনুভব করতাম তোমার উষ্ণ স্পর্শ। ভালোই হতো যদি হতাম একটি উপন্যাস! আঙ্গুল দিয়ে মার্ক করে পড়তে পড়তে ছিষট্টিতম পৃষ্ঠায় এসে বাচ্চা মেয়েটার মতো খিল খিল করে হাসতে। এই পৃষ্ঠাটি সার্থক। তোমার অপরূপ হাসি দেখে আমি হতাম মুগ্ধ। 

এভাবেই হাসি কান্না আর তোমার স্পর্শের মাঝে একটা সময় শেষ হয়ে যেত উপন্যাসটি। তুমি চোখে জল নিয়ে বলতে ইস! উপন্যাসটি যদি আরো একটু বড় হতো। 

🍅🍅🍅🍅

 

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২২ বুধবার

 সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২২-১১-২০২২ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম :


* মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে গড়ে তোলা ও মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য - সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী। 


* সকলের সহযোগিতায় বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলা করে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ - সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আশাবাদ শেখ হাসিনার। 

 

* জনসমাবেশ দিয়ে রাজনৈতিক দলের জনপ্রিয়তা যাচাই হয়না, বরং নির্বাচনেই তার প্রমাণ হবে - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


* বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গীরা আবারও মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে --   বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


* এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে আগামী  ২৮শে নভেম্বর।


* ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬২ জনে।


* এবং কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবলে ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের নিজ নিজ ম্যাচে জয়লাভ।

এ দেশের ফুটবলপ্রেমীরা মূলত আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থক,,,,Bangla natok Facebook

এ দেশের ফুটবলপ্রেমীরা মূলত আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থক। কাউকে আবার জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগাল, স্পেনের সাপোর্ট করতেও দেখা যায়। দেশের বেশির ভাগ মানুষের মতো দেশের শোবিজের তারকারাও দুই শিবিরেই বিভক্ত।

#শাকিব_খান : বতর্মান সময়ের বাংলার সিনেমার কিং 

শাকিব খান ২০১৪ তার বক্তব্যে অনুযায়ী তিনি ব্রাজিল এর সাপোর্ট করেছিলন এবং ২০১৮ সালে তার বক্তব্যে তিনি আর্জেন্টিনা সাপোর্ট করেছিলেন কিন্তু এবার তিনি কোন দলের সাপোর্ট করবেন তার দেখার অপেক্ষায় তার ভক্তরা।

#মৌসুমী : তিনি ব্রাজিল এর সাপোর্টার।

গায়ক #আসিফ_আকবর : ব্রাজিল এর সাপোর্টার।

পরিচালক ও নাট্য নির্মাতা : #মোস্তফা_সরয়ার_ফারুকী তিনি ব্রাজিল এর সমর্থন করে।

#আরেফিন_শুভ আর্জেন্টিনা সাপোর্টার।

বিউটি কুইন #জয়া_আহসান ব্রাজিল কে সমর্থন করেন।

#চঞ্চল_চৌধুরী আর্জেন্টিনা সাপোর্ট করেন।

#অপু_বিশ্বাস ব্রাজিল সমর্থন করেন।

#বিদ্যা_সিনহা_মিম ব্রাজিল এর সাপোর্টার।

#নিরব আর্জেন্টিনা সাপোর্টার।

#ফেরদৌস আর্জেন্টিনা কে সমর্থন করেন।

বাংলা নাটকের বতর্মান সময়ের রোমান্টিক খ্যাত কিং 

#জিয়াউল_ফারক_অপূর্ব ব্রাজিল কে সাপোর্ট করছে।

#নুসরাত_ইমরোজ_তিশা আর্জেন্টিনা তার প্রিয় দল।

সংগীত শিল্পী #আঁখি_আলমগীর ব্রাজিল কে সাপোর্ট করে।

#ইমন তিনি আর্জেন্টিনার সমর্থক। 

#সিয়াম_আহমেদ : তার পছন্দ একটু ভিন্ন তিনি স্পেন কে সাপোর্ট করছে।

#সাবিলা_নূর : তিনি জার্মানির সমর্থক।

#পূজা_চেরি : তার পছন্দের দল আর্জেন্টিনা।

এইরকম আরও অনেক তারকা আছে তারা তাদের পছন্দের দলকে সাপোর্ট করছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন। 

যাদের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়,,,,, Facebook

যাদের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়, 

তাদের জন্য

.

এক ব্যক্তি হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) এর সাথে তর্ক করছিলো যে- 

'বরকত' বলতে কিছুই নেই।

.

তিনি বললেন, তুমি কি ছাগল ও কুকুর দেখেছো?

লোকটি বলল, জি দেখেছি।

শায়খ লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন- 

বলতো কুকুর আর ছাগল এর মধ্যে 

কে বেশি বাচ্চা দেয়?

লোকটি বললো, কুকুর।

.

শায়খ বললেন, 

এদের মধ্যে তুমি কোন জন্তুটিকে 

বেশি দেখতে পাও, কুকুর না ছাগল?

লোকটি বললো, ছাগল।

.

শায়খ ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) বললেন, 

"ছাগলকে জবেহ করা হয়, 

এরপর ও ছাগলের সংখ্যায় বেশি দেখা যায়, কমে না। 

এটা কি বরকত নয়?

.

লোকটি বললো, এর কারণ কি- 

ছাগলের মধ্যে বরকত হয়, 

আর কুকুরের মধ্যে বরকত হয় না?

শায়খ বললেন, ছাগল সন্ধ্যা হতেই ঘুমিয়ে যায়, 

আর ভোরে জাগ্রত হয়, 

এই সময়টাই হয় রহমত ও বরকত বর্ষণের মুহূর্ত। 

ফলে তার মধ্যে বরকত হয়। 

.

আর কুকুর সারা রাত জাগ্রত থাকে 

ফজরের আগে ঘুমায়। 

তাই সে বরকত থেকে বঞ্চিত থাকে।


একটু চিন্তার বিষয়, 

নবীজি (সঃ) এর সুন্নাত হলো- 

এশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যাওয়া। 

শেষ রাতে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ পড়া, 

কেননা আল্লাহ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে 

প্রথম আসমানে নেমে এসে 

বান্দাদের কে দোয়া করার জন্য 

ক্ষমা চাওয়ার জন্য ডাকতে থাকেন।

.

আর আমরা? 

সাড়া রাত মোবাইলে, ইন্টারনেটে হারাম কাজে ব্যস্ত থেকে ঠিক এই সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি। 

আর ফজরের তো খবরই নেই।


অথচ রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন, 

ফজরের কেবল দুই রাকাত সুন্নাত সালাত 

পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা আছে সবকিছুর চাইতে উত্তম, সুবহানআল্লাহ। 

তাহলে দুই রাকাত ফরজের কতটা মর্যাদা হতে পারে? এমন অতি মূল্যবান সময় 

আমরা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেই। 

তাহলে আমাদের কাজ কর্মে 

আল্লাহ বরকত দিবেন কিভাবে? 

.

আবার আমরাই দোয়া করে অস্থির হয়ে যাই 

আর ভাবি - 

আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করেন না কেনো?


তাই আসুন আমরা এখনই নিজেকে পরিবর্তন করি, আল্লাহর বিধান সমূহকে যথাযথভাবে গুরুত্বের সাথে পালন করি। তাহলে আশা করা যায়, 

তিনি আমাদের দোয়া কবুল করবেন এবং 

কাজকর্মে বরকত দিবেন, ইনশাআল্লাহ। 

.

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে 

বুঝার তৌফিক দান করুন, 

আল্লাহুম্মা আমিন।


আমরা কেন ব্রাজিল সাপোর্ট করি,,,, Brazil fan club Facebook

 আমরা কেন ব্রাজিল সাপোর্ট করি??


১.ব্রাজিলের খেলা দেখে আমরা সেই বিনোদনটা পাই, যা আমরা সাধারণত অন্য টিমের খেলা দেখে পাই না।🥰

২.বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল কখনোই ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ খেলার সুযোগ পায়নি। তার একটি বড় কারণ হলো ভালো কোচিং।তবে এই ব্যাপারে যখন আলোচনা করা হয়, তখন আর্জেন্টিনা বা অন্য কোনো দল এগিয়ে না আসলেও,ব্রাজিল বাংলাদেশকে ৯ বছরের মধ্যে ফিফা বিশ্বকাপ খেলানোর আশা দেয়।🥰

৩.ব্রাজিল হলো এমন একটি দল যে দলে খেলে গেছে অনেক কিংবদন্তীও প্লেয়ার।অন্য দলে ভালো প্লেয়ার থাকলেও ব্রাজিলে তার সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।🥰

৪.ব্রাজিল হলো ফিফা রেংকিং এ দীর্ঘসময় পর্যন্ত এক নম্বর স্থান ধরে রাখা দল।এখনও এক নম্বরেই আছে।🥰

৫.এবার আসা যাক জার্মানির সাথে সাত গোল খাওয়ার ব্যাপার নিয়ে।সেইদিন ছিল সেমিফাইনাল ম্যাচ।যেখানে,জার্মানি ছিল সম্পূর্ণ সক্রিয়।কিন্তু সেইদিন নেইমারের মতো সেরা প্লেয়ার ম্যাচটিতে ছিল না। জয় পরাজয় স্বাভাবিক বিষয়।এরপর বাংলাদেশি কিছু আর্জেন্টিনার সমর্থক ব্রাজিলকে সেভেন আপ বলে ক্ষেপাচ্ছিল।তবে ব্রাজিলের সমর্থকেরা তো পাগল নয় যে চিল্লাবে।🤣

৬.কোপা আমেরিকায় ব্রাজিল সক্রিয় থাকলেও ডি মারিয়ার দূর্দান্ত গোলের কারণে ব্রাজিল হেরে যায়।তারপর আর কি শুরু হলো আর্জেন্টিনার পাগলামি।🤣🤣।২০১৯ এর কোপা আমেরিকায় ব্রাজিল ৩-০ গোলে খুব বাজেভাবে আর্জেন্টিনাকে হারায়। কিন্তূ আমরা ব্রাজিল সাপোর্টাররা তো পাগল না।যে একটা জিতলে চিল্লাব।আমাদের জিতার অভ্যাস আছে।🥰

৭.সম্প্রতি আর্জেন্টিনার ৬০০০ সমর্থকের উপর স্টেডিয়ামে প্রবেশ করার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।এর কারণ তারা স্টেডিয়ামের মধ্যে বিপরীত দলের সাপোর্টারের সাথে মারামারি,খাবার খেয়ে টাকা না দেওয়া,পাগলামি ইত্যাদি আরও অনেক কিছু। ফিফা নিজেও এই সমর্থকগুলোকে পছন্দ করে না।আর আমি ভুলেও এই পাগলের দলে জেতে চাই না🤣🤣

শেষে শুধু একটাই কথা বলবঃ বিটিএস ফ্যানদের মতো না চিল্লাইয়া,ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা দেন

বিঃদ্রঃ সকল আর্জেন্টিনার সাপোর্টাররা পাগল না💖

Best of luck for all team❣


সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০২২

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২১ সোমবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(২১-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


  * যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনায় আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত - সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা। 


* মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে গড়ে তোলা ও মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য - সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী। 


* সকলের সহযোগিতায় বৈশি^ক সংকট মোকাবেলা করে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ - সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আশাবাদ শেখ হাসিনার। 


* সিলেটে বিএনপির সমাবেশে যত মানুষ হয়েছে তার দেড়গুন বেশি হয়েছে উত্তরায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে, বাকীটা নির্বাচনে প্রমাণ হবে - বললেন ওবায়দুল কাদের। 


* বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গীরা আবারও মাথাচাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা করছে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


* এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে আগামী ২৮শে নভেম্বর।


* ইন্দোনেশিয়ার জাভায় ভূমিকম্পে অন্তত ৫৬ জনের প্রাণহানি, আহত সাত শতাধিক। 


* এবং কাতারে ফিফা বিশ^কাপ ফুটবলে ইরানের বিরুদ্ধে এখন তিন-শূন্য গোলে এগিয়ে ইংল্যান্ড।

মৃত্যুর পর মানুষের ৯টি আকাঙ্খা /আফসোস,,,,,

 মৃত্যুর পর মানুষের ৯টি আকাঙ্খা /আফসোস :


 ● "হায়! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।" (সূরাহ নাবা, আয়াত : ৪০)

((সূরা আন নাবা (النّبا), আয়াত: ৪০


إِنَّآ أَنذَرْنَٰكُمْ عَذَابًا قَرِيبًا يَوْمَ يَنظُرُ ٱلْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ وَيَقُولُ ٱلْكَافِرُ يَٰلَيْتَنِى كُنتُ تُرَٰبًۢا


উচ্চারণঃ ইন্নাআনযারনা-কুম ‘আযা-বান কারীবাইঁ ইয়াওমা ইয়ানযু রুল মারউ মা-কাদ্দামাত ইয়াদা-হু ওয়া ইয়াকূলুল কা-ফিরু ইয়া-লাইতানী কুনতুতুরা-বা।


অর্থঃ আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম, যেদিন মানুষ প্রত্যেক্ষ করবে যা সে সামনে প্রেরণ করেছে এবং কাফের বলবেঃ হায়, আফসোস-আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।))

 ● "হায়! যদি পরকালের জন্য কিছু করতাম।" (সূরাহ ফজর, আয়াত : ২৪)

((সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২৪


يَقُولُ يَٰلَيْتَنِى قَدَّمْتُ لِحَيَاتِى


উচ্চারণঃ ইয়াকূ লুইয়া-লাইতানী কাদ্দামতুলিহায়া-তী।


অর্থঃ সে বলবেঃ হায়, এ জীবনের জন্যে আমি যদি কিছু অগ্রে প্রেরণ করতাম!))

 ● "হায়! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো।" (সূরাহ আল-হাক্কা, আয়াত : ২৫)

((সূরা আল-হাক্কাহ (الحآقّة), আয়াত: ২৫


وَأَمَّا مَنْ أُوتِىَ كِتَٰبَهُۥ بِشِمَالِهِۦ فَيَقُولُ يَٰلَيْتَنِى لَمْ أُوتَ كِتَٰبِيَهْ


উচ্চারণঃ ওয়া আম্মা-মান ঊতিয়া কিতা-বাহূবিশিমা-লিহী ফাইয়াকূলুইয়া- লাইতানী লাম ঊতা কিতা-বিয়াহ।


অর্থঃ যার আমলনামা তার বাম হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ হায় আমায় যদি আমার আমল নামা না দেয়া হতো।))

 ● "হায়! আমি যদি ওকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।" (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৮)

((সূরা আল ফুরকান (الفرقان), আয়াত: ২৮


يَٰوَيْلَتَىٰ لَيْتَنِى لَمْ أَتَّخِذْ فُلَانًا خَلِيلًا


উচ্চারণঃ ইয়া-ওয়াইলাতা-লাইতানী লাম আত্তাখিযফুলা-নান খালীলা-।


অর্থঃ হায় আমার দূর্ভাগ্য, আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।))

 ● "হায়! আমরা যদি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল ﷺ এর আনুগত্য করতাম।" (সূরা আহযাব, আয়াত : ৬৬)


 ● "হায়! আমি যদি রাসূল ﷺ এর পথ অবলম্বন করতাম।" (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৭)

((সূরা আল ফুরকান (الفرقان), আয়াত: ২৭


وَيَوْمَ يَعَضُّ ٱلظَّالِمُ عَلَىٰ يَدَيْهِ يَقُولُ يَٰلَيْتَنِى ٱتَّخَذْتُ مَعَ ٱلرَّسُولِ سَبِيلًا


উচ্চারণঃ ওয়া ইয়াওমা ইয়া‘আদ্দুজ্জা-লিমু‘আলা-ইয়াদাইহি ইয়াকূ লুইয়া-লাইতানিততাখাযতু মা‘আর রাছূলি ছাবীলা-।


অর্থঃ জালেম সেদিন আপন হস্তদ্বয় দংশন করতে করতে বলবে, হায় আফসোস! আমি যদি রসূলের সাথে পথ অবলম্বন করতাম।))

 ● "হায়! আমিও যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম, তা হলে বিরাট সফলতা লাভ করতে পারতাম।" (সূরাহ আন-নিসা, আয়াত : ৭৩)

((সূরা আন নিসা (النّساء), আয়াত: ৭৩


وَلَئِنْ أَصَٰبَكُمْ فَضْلٌ مِّنَ ٱللَّهِ لَيَقُولَنَّ كَأَن لَّمْ تَكُنۢ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُۥ مَوَدَّةٌ يَٰلَيْتَنِى كُنتُ مَعَهُمْ فَأَفُوزَ فَوْزًا عَظِيمًا


উচ্চারণঃ ওয়া লাইন আসা-বাকুমফাদলুমমিনালল-হি লাইয়াকূলান্না কাআল লাম তাকুম বাইনাকুমওয়া বাইনাহূমাওয়াদ্দাতুইঁ ইয়া-লাইতানী কুনতুমা‘আহুম ফাআফূঝা ফাওঝান ‘আজীমা-।


অর্থঃ পক্ষান্তরে তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন অনুগ্রহ আসলে তারা এমন ভাবে বলতে শুরু করবে যেন তোমাদের মধ্যে এবং তাদের মধ্যে কোন মিত্রতাই ছিল না। (বলবে) হায়, আমি যদি তাদের সাথে থাকতাম, তাহলে আমি ও যে সফলতা লাভ করতাম।))

 ● "হায়! আমি যদি আমার রবের সঙ্গে কাউকে শরীক না করতাম।" (সূরা কাহফ, আয়াত : ৪২)

((সূরা আল কাহফ (الكهف), আয়াত: ৪২


وَأُحِيطَ بِثَمَرِهِۦ فَأَصْبَحَ يُقَلِّبُ كَفَّيْهِ عَلَىٰ مَآ أَنفَقَ فِيهَا وَهِىَ خَاوِيَةٌ عَلَىٰ عُرُوشِهَا وَيَقُولُ يَٰلَيْتَنِى لَمْ أُشْرِكْ بِرَبِّىٓ أَحَدًا

উচ্চারণঃ ওয়া উহীতাবিছামারিহী ফাআছবাহা ইউকালিলবুকাফফাইহি ‘আলা-মাআনফাকা ফীহা-ওয়াহিয়া খা-বিয়াতুন ‘আলা-‘উরূশিহা-ওয়া ইয়াকূ লুইয়া-লাইতানী লাম উশরিক বিরাববীআহাদা-।

অর্থঃ অতঃপর তার সব ফল ধ্বংস হয়ে গেল এবং সে তাতে যা ব্যয় করেছিল, তার জন্য সকালে হাত কচলিয়ে আক্ষেপ করতে লাগল। বাগনটি কাঠসহ পুড়ে গিয়েছিল। সে বলতে লাগলঃ হায়, আমি যদি কাউকে আমার পালনকর্তার সাথে শরীক না করতাম।)) 


 ● "হায়! এমন যদি কোনো সুরত হতো ― আমাদেরকে আবার দুনিয়াতে পাঠানো হতো, আমরা আমাদের প্রভুকে মিথ্যা প্রতিপন্ন না করতাম আর আমরা হতাম ঈমানদারদের শামিল।" (সূরাহ আনআম, আয়াত : ২৭)

((সূরা আল আনআম (الانعام), আয়াত: ২৭


وَلَوْ تَرَىٰٓ إِذْ وُقِفُوا۟ عَلَى ٱلنَّارِ فَقَالُوا۟ يَٰلَيْتَنَا نُرَدُّ وَلَا نُكَذِّبَ بِـَٔايَٰتِ رَبِّنَا وَنَكُونَ مِنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ

উচ্চারণঃ ওয়া লাও তারা ইযউকিফূ‘আলান্না-রি ফাকা-লূইয়া-লাইতানা-নুরাদ্দুওয়ালানুকাযযিবা বিআ-য়া-তি রাব্বিনা-ওয়া নাকূনা মিনাল মু’মিনীন।

অর্থঃ আর আপনি যদি দেখেন, যখন তাদেরকে দোযখের উপর দাঁড় করানো হবে! তারা বলবেঃ কতই না ভাল হত, যদি আমরা পুনঃ প্রেরিত হতাম; তা হলে আমরা স্বীয় পালনকর্তার নিদর্শনসমূহে মিথ্যারোপ করতাম না এবং আমরা বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতাম।))

 হে আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার তৌফিক দান করুন আমিন।😥😥🤲

জল স্বপ্ন,,,, অতীত পাস্ট ফেইসবুক থেকে

 গায়ত্রী ছিল আমার প্রথম প্রেম। আমার স্ত্রী সে। কিন্তু আজকাল গায়ত্রী‌কে আমার একদমই ভা‌লো লাগে না। ভা‌লো লা‌গে না বল‌লে ভুল হ‌বে। ও‌কে আমার আর সহ্য হয় না। ও ভা‌লো খারাপ যাই করুক না কেন আমার অসহ্য বোধ হয়। ভা‌লো না লাগ‌লে হয়ত মা‌নি‌য়ে চলা যায়। কিন্তু য‌দি সহ্যই না হয় তাহ‌লে মানুষ কত‌দিনই বা একসা‌থে থাক‌তে পা‌রে। অথচ হুট ক‌রে থাকব না বলে‌লেই তো আর চ‌লে না। প্রেম ভা‌লোবাসার ব্যাপার হ‌লে না হয় ছে‌ড়ে যে‌তে পারতাম। ওই যা‌কে ব্রেকআপ ব‌লে আর কি। কিন্তু পাঁচ বছর সংসার করার পর তো একটা মে‌য়ে‌কে অকার‌নে ছে‌ড়ে দেয়া যায় না। অবশ্য কারন তো একটা আ‌ছেই যে আমি ও‌কে সহ্য কর‌তে পা‌রি না। কিন্তু এই কারন দে‌খি‌য়ে ডি‌ভোর্স নেয়া যায় না। 

অ‌ফিস থে‌কে বাসায় ফেরার প‌থে এসবই ভাব‌ছিলাম। আজকাল কা‌জের ফাঁ‌কে একটু অবসর পে‌লেই কিংবা কাজ কর‌তে কর‌তেও আ‌মি এসবই ভা‌বি। কি ভা‌বি? গায়ত্রী‌কে আমার জীবন থে‌কে তাড়া‌নোর উপায়। এই মে‌য়েটা‌কে নি‌য়ে আমি সবসময়ই ভা‌বি। প্রে‌মের তিন বছর তারপর এই সংসা‌রের পাঁচটা বছর কেবল ভেবেই চ‌লে‌ছি। শুধু ভাবনার বিষয়ে প‌রিবর্তন হ‌য়ে‌ছে। প্রে‌মের সময় ভাবতাম কি ক‌রে ও‌কে আমার ঘ‌রে আনব। আর এখন ভাব‌ছি কি ক‌রে ও‌কে তাড়াব! অদ্ভুত না? 

আমার বাসা ফোর্থ ফ্লো‌রে। লিফট ব্যবহার কর‌লে সময় কম লাগ‌বে। তাই কষ্ট হ‌লেও সি‌ড়ি দি‌য়ে উ‌ঠি। যতটা বিলম্ব করা যায় আর কি। ঘ‌রে ফির‌তে মন চায় না। কিন্তু সেই তো ফিরতেই হ‌বে। একট‌া সময় ছিল যখন বিকাল চারটা বাজার আ‌গে থে‌কেই আমার চোখ ঘ‌ঁড়ি‌তে থাকত। কখন পাঁচটা বাজ‌বে। কখন অ‌ফিস ছু‌টি হ‌বে। পাঁচটা বাজার পরবর্তী আধঘন্টায় আ‌মি উ‌ড়ে বাসায় চলে আসতাম। গায়ত্রী আমার জন্য অ‌পেক্ষা করত। আমার সারা‌দি‌নের কর্ম ক্লান্ত মু‌খের শেষ ফোঁটা ঘাম ওর আঁচ‌লে মু‌ছে দি‌য়ে ত‌বেই তৃ‌প্তির হা‌সি হাসত। এখনও গায়ত্রী একইভা‌বে অ‌পেক্ষা ক‌রে। কিন্তু আ‌মি বদ‌লে গে‌ছি। গায়ত্রীর অ‌পেক্ষা আমার কা‌ছে স্রেফ আ‌দি‌খ্যেতা ম‌নে হয়। দরজার সাম‌নে দাঁ‌ড়ি‌য়ে বেল টেপার আ‌গে সেই অা‌দি‌খ্যেতা সহ্য করার প্রস্তু‌তি নি‌য়ে নেই। তারপর ধী‌রে সুস্থে বেল টিপলাম। সা‌থে সা‌থে দরজা খুলে গেল। গায়ত্রী হা‌সিমু‌খে দাঁ‌ড়ি‌য়ে আ‌ছে।

: দরজা জু‌ড়ে দাঁ‌ড়ি‌য়ে আছ কেন? স‌রে দাঁড়াও।

আম‌ার কথায় গায়ত্রীর মন খারাপ হয়। আ‌মি জা‌নি। কিন্তু আ‌মি যত দূ‌রে ঠে‌লে দেই, গায়ত্রী তত কা‌ছে আসে। এই জি‌নিসটাই আমার ভা‌লো লা‌গে না। ও জা‌নে আ‌মি ও‌কে ইগ‌নোর ক‌রি তবুও কেন যেন বু‌ঝেও না বোঝার ভান ক‌রে। ত‌বে আজ ও‌কে কেমন যেন শান্ত ম‌নে হল। মহাপ্লাব‌নের আ‌গে প্রকৃ‌তি যেমন আশ্চর্য শান্ত থা‌কে তেম‌নি। চুপচাপ দরজা থে‌কে স‌রে দাঁড়াল। রা‌তে খে‌য়ে দে‌য়ে পাশ ফি‌রে শু‌য়ে পড়লাম। গায়ত্রীর ঘুমা‌নোর জন্য অ‌পেক্ষা কর‌ছি। ফেসবু‌কে সামান্থা না‌মের একটা মে‌য়ের সা‌থে আমার প‌রিচয় হ‌য়ে‌ছে। প্রথম‌দি‌কে চ্যা‌টিং করতাম। এখন ফো‌নে কথা ব‌লি। গায়ত্রী ঘুমা‌লে তবেই কথা শুরু করব। পাশ ফি‌রে থাক‌লেও গায়ত্রীর প্র‌তিটা দীর্ঘশ্বাস আমার কা‌নে লাগ‌ছে। অথচ সামান্যতম অপরাধ‌বোধ কাজ কর‌ছে না। স্রেফ অসহ্য লাগ‌ছে!

২.

রাত তিনটা বা‌জে। তখনও পলক ফো‌নে কারও সা‌থে ফিস‌ফিস ক‌রেই চ‌লে‌ছে। আজকাল প্রায় প্র‌তি রা‌তেই আ‌মি চোখ বন্ধ কর‌লে ও ফো‌নে কথা বলা শুরু ক‌রে। প্রথম প্রথম অস্ব‌স্তি লাগত‌। পলক জা‌নে আ‌মি পা‌শে আ‌ছি। তারপরও সে য‌দি অন্য কারও সা‌থে কথা ব‌লে তো আমি আর কি বলব। মা‌নি‌য়ে নি‌য়ে‌ছি। এখন ওই আলাপন শুন‌তে শুন‌তেই ঘু‌মি‌য়ে প‌ড়ি। অবশ্য দু' এক‌দিন যখন রা‌তের এই সময়টায় ঘুম ভে‌ঙে যায় তখনও শু‌নি কথা চল‌ছে। নিঃশব্দ মাঝরাতে ওর ফিস‌ফি‌সে কথাগু‌লো তীব্রতর হ‌য়ে কা‌নে আঘাত ক‌রে। ম‌নের ম‌ধ্যে কোথায় যেন একটা সূক্ষ্ম ব্যথা কাজ ক‌রে। পলক কাউ‌কে ফো‌নে সঙ্গ দি‌চ্ছে। আর আ‌মি ওর পা‌শে শু‌য়ে থে‌কেও কতটা নিঃসঙ্গ। মন কেন জা‌নি বি‌দ্রোহী হ‌য়ে ও‌ঠে। আ‌মি হঠাৎ ক‌রে উ‌ঠে ব‌সে বেড সাইড ল্যাম্পটা অন ক‌রে দেই। ঘটনার আক‌স্মিকতায় পলক চম‌কে গেল। ফোনটা কা‌নের কাছ থে‌কে সরা‌তে ভু‌লে গেল। কেবল বি‌স্ফো‌রিত চো‌খে তা‌কি‌য়ে আ‌ছে। আমার দৃ‌ষ্টি ওর উপর নিবদ্ধ। নাহ্, কোন প্র‌তিবাদ বা ঝগড়া নয়। স্রেফ ও‌কে জা‌নি‌য়ে দিতে চাই আ‌মি চুপ ক‌রে থা‌কি তার মা‌নে এটা নয় যে আ‌মি অন্ধ, চো‌খে দে‌খি না। কিংবা ব‌ধিরও নই যে কা‌নে শু‌নি না। শীতল কন্ঠ‌কে আরও শীতল করেই বললাম, "পলক, তুমি কথা বলছ সেটা কোন সমস্যা নয়। কিন্তু কি ব‌লো‌তো? মাঝরা‌তে আওয়াজগু‌লো বড্ড কা‌নে লা‌গে। সারা‌দিন সংসা‌রের কা‌জের পর আমার একটু বিশ্রাম চাই। I want to sleep in peace..তাই তু‌মি দয়া ক‌রে বারান্দায় অথবা ড্র‌য়িং রু‌মে গি‌য়ে কথা বল‌বে?"

আমার এই দীর্ঘ বা‌ক্যের ম‌ধ্যে পলক কোন প্র‌তিবাদ ক‌রে‌নি। সে বারান্দায়ও যায়‌নি কিংবা ড্র‌য়িংরু‌মেও না। সে মোবাইলটা রে‌খে চুপচাপ পাশ ফি‌রে শু‌য়ে পড়ল। আ‌মিও ল্যাম্পটা অফ ক‌রে শু‌য়ে পড়লাম। কিন্তু বা‌কি রাত আর দু'‌চো‌খের পাতা এক কর‌তে পারলাম না। হঠাৎ কো‌থা থে‌কে যেন মহা সমু‌দ্রে জোয়ার আসল। সেই জো‌য়া‌রের পা‌নি উপ‌চে পড়‌ছিল আমার দু'‌চোখ বে‌য়ে। আ‌মি আবারও কাঁদব কখ‌নো ভা‌বি‌নি। ভে‌বে‌ছিলাম আমার চোখ দু'‌টো হয়ত পাথর হ‌য়ে গে‌ছে। কিন্তু নাহ্। আজ অবাক হলাম। সেখা‌নে এখ‌নো জ‌লের অ‌স্তিত্ব আ‌ছে তাহ‌লে! শেষ ক‌বে কেঁ‌দে‌ছিলাম? সময়টা ঠিক ম‌নে নেই। তিন বছর? আরও কিছু বে‌শিও হ‌তে পা‌রে। পল‌কের জন্যই শেষবার কেঁ‌দে‌ছিলাম। বি‌য়ের পাঁচ বছর প‌রেও আমরা একটা বাচ্চার মুখ দেখ‌তে পা‌রি‌নি। অবশ্য সমস্যা আমার না, পল‌কের। তিন বছর আ‌গে আ‌মি যখন ডক্ট‌রের চেম্বা‌রে আমা‌দের টেস্ট রি‌পোর্টস নি‌য়ে ব‌সে‌ছিলাম, তখন পলক ছিল না। ওর অ‌ফি‌সে কি একটা কা‌জে আট‌কে গি‌য়ে‌ছিল। তাই আ‌মি একাই রি‌পোর্টস দেখা‌তে গি‌য়ে‌ছিলাম। সব রি‌পোর্টস পুঙ্খানুপুঙ্খরূ‌পে দেখার পর ডক্টর সেন যখন বল‌লেন, "আপনার হাজ‌বে‌ন্ড সন্তান জন্মদা‌নে অক্ষম। আ‌প‌নি চাই‌লে মা হ‌তে পার‌বেন। কিন্তু সে কখ‌নো বাবা হ‌তে পার‌বে না।" আ‌মি চো‌খে অন্ধকার দে‌খে‌ছিলাম। একই সা‌থে আমার ডাক্তা‌রের প্র‌তি ভীষন রাগ হ‌য়ে‌ছিল। আমার স্বামী য‌দি বাবা হ‌তে নাই পা‌রে তো আ‌মি কিভা‌বে মা হব? পলক ব্যতীত অন্য কাউ‌কে আ‌মি কল্পনাও ক‌রিনা। সন্তানহীনতার ব্যথা কেমন হয় আ‌মি জা‌নি না। কারন আ‌মি সন্তা‌নের সাহচর্য কখ‌নো পাই‌নি। বা‌কি জীবনেও নাহয় ব‌ঞ্চিতই থাকলাম। কিন্তু পলক‌কে আ‌মি কখ‌নো হারা‌তে পারব না। চেম্বার থে‌কে বাসায় ফি‌রে সারাটা দুপুর বিকাল আ‌মি প্রচন্ড কেঁ‌দে‌ছিলাম। পলক অ‌ফিস থে‌কে ফিরেই জান‌তে চাইল,

: ডক্টর কি ব‌লে‌ছে?

আ‌মি পলক‌কে বল‌তে পা‌রি‌নি যে তু‌মি কখ‌নো বাবা হ‌তে পার‌বে না। কথাটা ঘু‌রি‌য়ে ব‌লে‌ছিলাম,

--আ‌মি কখ‌নো মা হ‌তে পারব না, পলক।

পলক বেশ অ‌কেক্ষন আমার দি‌কে অপলক তা‌কি‌য়ে ছিল। তারপর আমা‌কে বু‌কে জ‌ড়ি‌য়ে ব‌লে‌ছিল,

: আ‌মি তোমা‌কে আরও ভাল ডাক্তা‌রের কা‌ছে নি‌য়ে যাব, গায়ত্রী।

আ‌মি চুপচাপ ওর বু‌কে মি‌শে ছিলাম। 

প্রথম প্রথম খারাপ লাগ‌লেও বেশ দ্রুতই সাম‌লে নি‌য়ে‌ছিলাম আমরা। পলক অবশ্য মা‌ঝে ম‌ধ্যে ডাক্তা‌রের কা‌ছে যাওয়ার কথা বলত। কিন্তু আমার অনাগ্র‌হ ছিল সর্বদাই। আ‌মি চাইতাম না ও সত্যটা জানুক। ওর চো‌খে মু‌খে কোন অপরাধ‌বোধ বা হতাশা আ‌মি সহ্য কর‌তে পারব না। পলকও হয়ত একই কথা ভাবত। এই জন্যই ডাক্তা‌রের চেম্বা‌রে আর আমা‌দের পা পড়ল না। আমরা বিষয়টা প্রায় ভু‌লেই গেলাম। সন্তাননামক অধরা স্বপ্নটা ছাড়াও বেশ ভা‌লোই চল‌ছিল আমা‌দের টোনাটু‌নির সংসার। সময় খুব দ্রুত কে‌টে যায়। সব ক্ষত সা‌রি‌য়ে দেয়। হয়ত নতুন ক্ষত সৃ‌ষ্টির জন্যই। নাহ‌লে আমার সু‌খের সংসা‌রে ভাঙন আস‌বে কেন? পলক এখন আর আমা‌কে চায় না। আ‌মি বেশ বুঝ‌তে পা‌রি ও আমা‌কে সহ্য কর‌তে পা‌রে না।‌ কিন্তু আ‌মি ও‌কে ভা‌লোবা‌সি। ভয়ানক ভা‌লোবা‌সি। তাই বারবার কা‌ছে ছু‌টে যাই। যতটা দ্রুততায় আ‌মি ওর কা‌ছে যাই তার থে‌কেও তীব্রতর ওর প্রত্যাখান। কিন্তু আর না। আ‌মি সিদ্ধান্ত নি‌য়ে ফে‌লে‌ছি। ডি‌ভো‌র্সের প্র‌সে‌সিং চল‌ছে। অ‌নেক ইচ্ছা থাকা স‌ত্ত্বেও পলক যেটা কর‌তে পার‌ছে না, সম্পূর্ন অ‌নিচ্ছা নি‌য়েও সেই কাজট‌া আমি করব। কারন আ‌মি পুলক‌কে ভা‌লোবা‌সি। ও‌কে মু‌ক্তির চি‌ঠিটা দি‌য়েই ত‌বে ঘর ছাড়ব। আর ক‌য়েকটা দি‌নের অ‌পেক্ষা মাত্র..

৩.

‌ডি‌ভোর্স পেপারটা হা‌তে নি‌য়ে পলক ব‌সে আ‌ছে। গায়ত্রী চ‌লে গে‌ছে। আজ অ‌ফিস থে‌কে ফি‌রে ওর মুখ দেখ‌তে হয়‌নি। আর কখ‌নোই দেখ‌তে হ‌বে না। পল‌কের কি এখন খু‌শি হওয়া উ‌চিত? কিন্তু সে খু‌শি হ‌তে পার‌ছে না। কেন পার‌ছে না সেটাও বুঝ‌তে পার‌ছে না। রা‌তে শেষ বা‌রের মত গায়ত্রীর হা‌তের রান্না খে‌য়ে‌ছে পলক। যাওয়ার আ‌গে মে‌য়েটা রান্নাও ক‌রে রে‌খে গে‌ছে। সব কিছু আ‌ছে আ‌গেরই মত। নেই শুধু গায়ত্রী স্বয়ং। ঘুমা‌নোর আ‌গে এক মগ ব্ল্যাক ক‌ফি খাওয়া পল‌কের বহু‌দি‌নের অভ্যাস। বারান্দায় ব‌সে অ‌নেকক্ষন ক‌ফির জন্য অ‌পেক্ষা ক‌রে যখনই পল‌কের মেজাজটা চড়‌ছিল তখনই ম‌নে হল রাগ কার প্র‌তি? গায়ত্রী তো নেই। পলক নি‌জেই কি‌চে‌নে গি‌য়ে ক‌ফি বানাল। সে উপল‌ব্ধি করল ব্যাপারটা য‌থেষ্টই বির‌ক্তিকর। রাত বি‌রে‌তে ক‌ফি খাওয়ার অভ্যাসটা ছাড়‌তে হ‌বে। আর গায়ত্রী? এত বছ‌রের বসবা‌সের সূত্র ধ‌রে সেও একটা অভ্যা‌সে প‌রিনত হ‌য়ে‌ছিল। তা‌কেও ঝে‌ড়ে ফেল‌তে হ‌বে মন থে‌কে। এমন ক‌ঠিন কিছু নয় নিশ্চয়ই! আজ সামান্থার সা‌থে সারারাত কথা বলা যা‌বে। একটা নির্ঘুম প্রেমময় রাত হ‌তে চ‌লে‌ছে আজ‌কে। 

রা‌তের এক প্রা‌ন্তে যখন চল‌ছে স্মৃ‌তি ভোলার মহরা, অন্যপ্রা‌ন্তে সেই স্মৃ‌তিই আবার কাউ‌কে দু‌'চো‌খের পাতা এক কর‌তে দেয় না। নির্ঘুম রাত সেও কাটায়। প্রেমময় আলা‌পে র‌ঙিন নয় বরং চো‌খের জ‌লে ভেজা এক স্যাঁত‌সেঁ‌তে রাত। সে রাত দীর্ঘ। ঘঁ‌ড়ির কাঁটাও যেন স্থির। অসহায় সম‌র্পিত রা‌তের কা‌ছে..

সামান্থার সা‌থে পল‌কের প্রেম প্রেম সম্পর্কটা বি‌য়ে পর্যন্ত গ‌ড়ি‌য়ে‌ছিল। তারপরই পলক জান‌তে পা‌রে ‌সে কখ‌নো বাবা হ‌তে পার‌বে না। এতবড় সত্যটা‌কে মে‌নে নি‌য়ে গায়ত্রী তার সা‌থে থাক‌তে রা‌জি হ‌য়ে‌ছিল এমন‌কি কথাটা লু‌কি‌য়েও রে‌খে‌ছিল। কিন্তু সামান্থা মা‌নে‌নি। পলক এখন একা। সে নি‌জে নি‌জে অনুতপ্ত হয়। গায়ত্রীর কা‌ছে ফি‌রতে মন চায়। মোবাইল থে‌কে নাম্বারটা ডি‌লিট তো অ‌নেক আ‌গেই ক‌রে‌ছিল। কিন্তু স্মৃ‌তি‌তে র‌য়ে গে‌ছে। ডায়াল কর‌তেই রিং হল। পলক উৎকন্ঠা নি‌য়ে অ‌পেক্ষা ক‌রে। এই সিমটা যে গায়ত্রীই ব্যবহার ক‌রে এমন নাও হ‌তে পা‌রে। হঠাৎ ওপাশ থে‌কে সেই চেনা কন্ঠ ভে‌সে আ‌সে।

: হ্যা‌লো!

পলক একটা স্ব‌স্তির নিঃশ্বাস ফে‌লে। সিমটা চেঞ্জ ক‌রে‌নি তাহ‌লে।

--আ‌মি পলক।

: হুম, ব‌লো।

‌কোন ভূ‌মিকা না ক‌রেই ব‌লে ফে‌লে,

‌--দেখা কর‌তে পার‌বে?

ওপা‌শে খা‌নিক নীরবতা।

‌: কোথায়?

‌--সেটা তু‌মি জানো।

: হুম।

...

বছর তি‌নেক বা আরও প‌রে পলক গায়ত্রীর সাম‌নে দাঁড়ায়। এত‌দি‌নে একবারও খোঁজ নেয়া হয়‌নি। সেই পুর‌নো জায়গা যেখা‌নে ওরা চু‌টি‌য়ে প্রেম ক‌রে বেড়া‌তো। অবশ্য জায়গাটা আ‌গের মত নেই। সম‌য়ের সা‌থে বদ‌লে‌ছে। তারাই কি আর আ‌গের মত আ‌ছে? গায়ত্রী‌কে দেখ‌তে আরও সুন্দর লাগ‌ছিল। বিপরী‌তে পলক যেন একটু ম‌লিনই ছিল। সেই প্রথম কথা ব‌লে,

--কেমন আছ, গায়ত্রী?

‌: বেশ ভালো আ‌ছি। তোমার কি খবর? এত‌দিন প‌রে কি ম‌নে ক‌রে!

--আ‌মি আমার ভুল বুঝ‌তে পে‌রে‌ছি, গায়ত্রী।‌ তোমার সা‌থে অন্যায় ক‌রে‌ছি আ‌মি। আ‌মি ক্ষমা চা‌চ্ছি তোমার কা‌ছে। ফি‌রে চল, প্লিজ!

গায়ত্রী শব্দ ক‌রে হে‌সে ও‌ঠে।

: পলক, তু‌মি দেখ‌ছি আমা‌কে পু‌রোপু‌রি ভু‌লে গি‌য়ে‌ছি‌লে। কোন খবরই রা‌খো নি।

--মা‌নে?

‌: তোমা‌কে ভা‌লো‌বে‌সে‌ছিলাম। বাবা মার বিরু‌দ্ধে গি‌য়ে বি‌য়েও ক‌রে‌ছিলাম। তার প্র‌তিদান তো তু‌মি দি‌য়েছ। তারপর আমার আর কি করার। ফির‌তে হ‌য়ে‌ছে সেই বাবা মার কা‌ছেই। তাই আ‌মিও বাবা মার বাধ্য মে‌য়ে হ‌য়ে গেলাম। ‌দে‌রি‌তে হ‌লেও তা‌দের ভা‌লোব‌াসার প্র‌তিদান দি‌য়ে‌ছি। 

--মা‌নে?

গায়ত্রীর দৃ‌ষ্টি অনুসরন ক‌রে ঘু‌রে পেছ‌নে তাকা‌তেই পল‌ক দৃশ্যটা দেখল। এক ভদ্র‌লোক একটা বছর দু‌য়ে‌কের বাচ্চা মে‌য়ের সা‌থে খেল‌ছেন।

: আমার হাজ‌বেন্ড তন্ময় আর আমার মে‌য়ে হৃ‌দি। প‌রি‌চিত হ‌বে ও‌দের সা‌থে? ডাকব?

পল‌কের ঠোঁ‌টে এক টুক‌রো তিক্ত হা‌সি ফু‌টে উঠল।

--নাহ্। থাক আর ডাক‌তে হ‌বে না। তোমা‌কে বিরক্ত করার জন্য দু:‌খিত। আ‌মি আস‌ছি।

গায়ত্রীর উত্ত‌রের অ‌পেক্ষা না ক‌রেই পলক দ্রুতপা‌য়ে হাঁট‌তে থা‌কে। ‌সে আর পেছ‌নে ফি‌রে তাকা‌বে না। গায়ত্রী দু'পা হেঁ‌টে স্বামী সন্তা‌নের কা‌ছে যায়। তার চোখ অকার‌নেই জলে ভ‌রে উঠেছিল। কিন্তু সন্তা‌নের আ‌ধো আ‌ধো বু‌লির মা ডা‌কে সে জলভরা চো‌খেও স্বপ্ন খে‌লে যায়। মু‌খের বিষন্নতা ঠোঁ‌টের কো‌নে গি‌য়ে হা‌সি‌তে রূপান্ত‌রিত হয়। তার সমস্তটা জু‌ড়ে এখন তার স্বাম‌ি আর সন্তান। সেখা‌নে কোথাও পল‌কের স্থান নেই। ভা‌লোব‌াসা রং বদলায়। কার‌নে অকার‌নেই বদলায়। বদ‌লে গি‌য়ে‌ছিল পলক। বদ‌লেছে গায়ত্রীও। কিন্তু কা‌রো জীবন কা‌রো জন্য থে‌মে থা‌কে না। কখ‌নোই না..


জল_স্বপ্ন

অরু‌নিমা

ফেসবুকে যে মেয়েটার প্রোফাইল পিক দেখে ক্রাশ খাচ্ছেন,,,,, অতীত পাস্ট ফেইসবুক থেকে

 ফেসবুকে যে মেয়েটার প্রোফাইল পিক দেখে ক্রাশ খাচ্ছেন, 

সে'ও হয়তো তার প্রিয়জনের কাছে অসম্পূর্ণ হওয়াতে অবহেলায় শেষ করে দিয়েছে সম্পর্কটা।


যে মেয়েটার মুক্ত ঝরা হাসির পিক দেখে মুগ্ধ মুগ্ধ বলে কমেন্ট বক্স ভরিয়ে তুলছেন,

সে'ও হয়তো তার হাসিকে ফাসি দিয়ে কান্নার জল মুছে রোজকার নিয়মে।


যে মেয়েটার আইডিতে ফলো দিয়ে রাখছেন প্রতিদিন আনন্দঘন কোনো স্ট্যাটাস পড়বেন বলে,

হতে পারে সে'ও হয়তো বিষাদে জর্জরিত হয়ে আত্মহত্যার মাধ্যমে জীবনটাকে দিচ্ছে বলিদান।


যে কবির প্রেমের কবিতা পড়ে রোজ পড়তে চান তার প্রেমে,

হতে পারে সে'ও হয়তো মনে প্রাণে কোন একজনকে ভালোবেসে ঠকেছিল নির্মমভাবে।


যে মেয়েটাকে অনলাইনে দেখে অশ্লীল কথার জোক নিয়ে নক করেন গভীর রাতে,

হতে পারে সে তখন তাহাজ্জুত সালাত আদায় করার নিয়মাবলী শিখছেন ইউটিউবে।


যে মেয়েটা খিল খিল করে হেসে মাথায় তুলে বাড়িঘর,

যার হাসি শুনে হাসতে বাধ‍্য আরো দশজন,

সেই হয়তো নির্জনে কাঁদে,দিন শেষে তার কেউ নেই এই দীর্ঘশ্বাসের ক্ষত নিয়ে।


যে মেয়েটি রাজপথে করছে প্রতিবাদের মিছিল,

ভাবছেন খুবই সাহসী,

হতে পারে নির্যাতন আর নিপীড়নের ভুক্তভোগী হয়ে তার এই আদম‍্য সাহসিকতার উদয়ের সৃষ্টি।


যে মেয়েটার স্বামীর সাথে তার রোমান্টিক ছবি দেখে ভাবছেন নাইস কাপল,

হতে পারে ভালোবাসাহীন বাধ‍্যতায় আটকে রেখেছে তাকে, সে'ও রোজ মুক্তি চায় কোনো এক ডিভোর্স সাইন পেপারে।


যে মেয়েটাকে দেখছেন পাকা রাঁধুনি, সংসারে অন্নপূর্ণা লক্ষী সাবিত্রী,

হয়তো তারও স্বপ্ন ছিল ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার কিংবা শিক্ষিকা হয়ে নিজের একটা পরিচয় হোক।


প্রতিটা মানুষের বাইরে একটা জীবন থাকলেও ভেতরে ভেতরে আরেকটা জীবন থাকে। যে জীবনটা না বলা কথাগুলো থেকে যায় অপ্রকাশিত। যে জীবনটা সুখ খুঁজে ভিন্ন ভাবে। 

ফেসবুক বা চলমান জীবনকে আমরা যেমন দেখি তা হয়তো সবটা ঠিক না'ও হতে পারে। 


প্রতিটা মানুষের ভেতরে আরেকটা মানুষ বাস করে। 

যা সবাই দেখতে পারেনা, দেখাতেও পারেনা।


~ Salma Akter

কপি
পেস্ট

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...