এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২

আকবরের বিশ্বাসঘাতকতা ও কাশ্মীরের পরাধীনতা,,,,,,ইন্ত বাংল ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ‘আকবরের বিশ্বাসঘাতকতা ও কাশ্মীরের পরাধীনতা’

             

সেটা ছিল ১৫৮৫ সালের ডিসেম্বর মাস। সেই সময়ে তুষারাবৃত কাশ্মীরের সীমানায় দাঁড়িয়ে ছিল বিরাট এক সৈন্যবাহিনী। ওই বাহিনীর সার সার অশ্বারোহী, পদাতিক সৈন্যরা তাঁদের তিন সেনাপতির আদেশের অপেক্ষা করছিলেন। বাহিনীর শিবিরের সামনে যে পতাকা উড়ছিল, তাতে ছিল তৎকালীন মোঘল সম্রাট ‘জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর’-এর প্রতীক। খোদ মোঘল সম্রাটের আদেশ ছিল যে, সেবার মোঘল বাহিনীকে কাশ্মীর জয় করতেই হবে, এবং সেখানকার স্বাধীন শাসক ‘ইউসুফ শাহ চাক’কে যেভাবে হোক বন্দী করতে হবে। ইউসুফ শাহ চাক আবার যে সে শাসক ছিলেন না। তিনি ছিলেন কাশ্মীরের বিখ্যাত ‘চাক’ রাজবংশের শাসক, যে চাক বংশ বিগত ত্রিশ বছর ধরে কাশ্মীর শাসন করেছিল। 


তাঁদের আগে ‘সুলতান জয়নুল আবেদিন’ ও ‘শাহমিরি’ রাজবংশ কাশ্মীরের শাসক ছিলেন। জয়নুল আবেদিন ধর্মে মুসলিম হয়েও কাশ্মীরের হিন্দুদের ওপর থেকে ‘জিজিয়া কর’ লোপ করেছিলেন, তিনি হিন্দুজের পুজোআচ্চা ও উৎসবেও যোগ দিতেন। ঝিলাম নদীর ওপর প্রথম কাঠের সেতুটি তাঁর আমলেই তৈরী করা হয়েছিল। কাশ্মীরে কারিগর এনে কার্পেট তৈরি, কাগজের মণ্ডের শিল্প, রেশমশিল্প তাঁরই ঐতিহাসিক অবদান। এর অনেক আগে, শাহেনশাহ আকবরের ঠাকুরদা ‘বাবর’ যখন মধ্য এশিয়া থেকে যখন ভারতে এসেছিলেন, তখন তিনি ও তাঁর সঙ্গীরাও কাশ্মীরের শিল্পীদের দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে বাবরের ভাই ‘মির্জা হায়দার দৌলগত’ তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন, “সমরখন্দ, বোখারার কিছু জায়গায় চমৎকার কারিগর দেখা যায়। কিন্তু কাশ্মীরে তাঁরা ঘরে ঘরে রয়েছে।” তবে বাবর বা ‘হুমায়ুন’ - কেউই কাশ্মীর অধিকার করতে চাননি। কিন্তু ‘পীরপঞ্জাল’ পর্বতের নীচে অবস্থিত সেই রাজ্যকে আকবর যেভাবে হোক নিজের হস্তগত করতে চেয়েছিলেন। আকবর কাশ্মীরের শিল্পের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ওই স্বাধীন রাজ্যকে নিজের অধিকারে নিতে চাননি। তাঁর কাশ্মীর জয়ের জেদের পিছনে থাকা আসল কারণ অন্যত্র ছিল। আসলে সুলতান ইউসুফ শাহ চাক খোদ মোঘল সম্রাটকে অপমান করেছিলেন। আকবর চেয়েছিলেন যে, কাবুল থেকে দক্ষিণে সমুদ্র অবধি শুধুমাত্র মোঘল জয়পতাকা উড়বে, কাশ্মীরও সেই পতাকার আওতা থেকে বাদ যাবে না। সেই কারণে তিনি দু’-দু’বার ইউসুফকে নিজের দরবারে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ইউসুফ এমনই বদতমিজ ছিলেন যে তিনি খোদ সম্রাটের তলব পেয়েও তাঁর সামনে হাজির হননি! তাঁর বেয়াদবির উচিত শিক্ষা দিতেই ১৫৮৫ সালের শেষদিকে কাশ্মীরের দোরগোড়ায় মুঘল সৈন্য উপস্থিত হয়েছিল।


তবে ইউসুফ শাহ চাক, কাশ্মীরের প্রকৃত শেষ স্বাধীন শাসক, সেবার বীরের মতো মুঘল সেনাকে প্রতিহত করতে পেরেছিলেন। ডিসেম্বরের কাশ্মীরে হাড়-কাঁপানো ঠান্ডা আর বরফের জন্য মোঘল সেনারা সেবার খুব একটা সুবিধে করতে পারেনি। তবে ইউসুফ শাহ চাক সেবারের মতো কাশ্মীরকে বাঁচাতে পারলেও, তৎকালীন মোঘল সেনাপতি ‘মানসিংহ’ তাঁকে একটি হুমকি-চিঠিতে জানিয়েছিলেন যে, হয় তাঁকে দিল্লীতে গিয়ে সম্রাটের সামনে আত্মসমর্পণ করতেই হবে, নয়তো পরের বার কাশ্মীরকে আর কোন ছাড় দেওয়া হবে না। সত্যিই আর ছাড় মেলেনি। স্বাধীন রাজ্য কাশ্মীর পরাধীন হয়েছিল, দিল্লীর সম্রাটের সামনে কাশ্মীরকে নতিস্বীকার করতে হয়েছিল। কিন্তু মুঘলদের জন্য সেই ইতিহাস যত না গর্বের, তার থেকেও বেশি প্রতারণার ও বিশ্বাসঘাতকতার। 


ইউসুফ শাহ চাক অতি উদার ও সংস্কৃতিমনা ছিলেন। কিন্তু একই সাথে তিনি দুর্বল ও সিদ্ধান্ত নিতে-না-পারা এক শাসকও ছিলেন। একদিন তিনি ঘোড়ায় চড়ে বেরিয়ে দেখেছিলেন যে, আখরোটের বাগানে একজন সুন্দরী নারী আপনমনে গান গাইছেন। সেই সুন্দরী ছিলেন এক চাষিঘরের বউ, কিন্তু একই সাথে তিনি কবিও ছিলেন। এরপরে প্রেমের কী আর বাকি থাকে? যথাসময়ে তিনি সুলতানের বেগম হয়েছিলেন। সেই নারী হলেন কাশ্মীরের অন্যতম মহিলা কবি - ‘হাব্বা খাতুন’। সুন্দরী বউ পেয়ে ও শিল্পসাধনায় মগ্ন থাকবার ফলে ইউসুফ ভুলেই গিয়েছিলেন যে তাঁর কিছু প্রশাসনিক কর্তব্যও রয়েছে। ফলে তিনি প্রশাসনের কাজে ঢিলেমি দিতে শুরু করেছিলেন। এর ফলে প্রজারা তাঁর উপরে নাখোশ হয়েছিলেন। সুযোগ বুঝে শত্রু রাজারা কাশ্মীর আক্রমণ করতে শুরু করেছিলেন। শেষমেশ ইউসুফ শাহ চাক তাঁর ভাই ‘লোহার চাক’-এর হাতে কাশ্মীরের সিংহাসন ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। লোহার চাক টেনেটুনে তেরো মাস কাশ্মীরের মসনদে ছিলেন। 

তারপরেই ইউসুফ তাঁর হৃত রাজ্য ফিরে পাওয়ার জন্য ফের ময়দানে নেমেছিলেন। নিজের কার্যসিদ্ধির জন্য তিনি ‘লাহৌরের’ তৎকালীন শাসক ও আকবরের প্রধান সেনাপতি মানসিংহের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। মানসিংহ তাঁকে আগ্রায় খোদ সম্রাট আকবরের সঙ্গে দেখা করে তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করবার উপদেশ দিয়েছিলেন। এরপরে ইউসুফ সেটাই করেছিলেন, তিনি ‘ফতেপুর সিক্রি’তে আকবরের দরবারে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন। আকবরও তখন কাশ্মীরকে হস্তগত করবার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন, তাই তিনি তৎক্ষণাৎ রাজা মানসিংহকে প্রচুর সৈন্যসামন্ত নিয়ে ইউসুফের সঙ্গে কাশ্মীর অভিযান করবার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আগ্রা থেকে কাশ্মীর ফেরত যাওয়ার পথেই ইউসুফ চাক বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি মস্ত ভুল করে ফেলেছেন। তিনি বুঝেছিলেন যে আকবর সেই সুযোগে নিজেই কাশ্মীরের দখল নেবেন। তাই তখন তিনি বুদ্ধি করে মানসিংহকে বলেছিলেন, আমার সেনার সঙ্গে এখনই আপনার কাশ্মীর ঢোকার দরকার নেই, আমি বরং একাই দেশের মানুষের কাছে পৌঁছতে পারা যায় কি না দেখি!


তিনি পেরেছিলেন। মোঘল সাহায্য ছাড়াই লোহার চাক-এর মন্ত্রী ‘আবদাল ভাট’কে ইউসুফ চাকের বাহিনী যুদ্ধে পরাজিত করেছিল। ইউসুফ ফের কাশ্মীরে তখতে আসীন হয়েছিলেন। কিন্তু মোঘল সম্রাটের সামনে ইউসুফ কথা দিয়েছিলেন যে, তাঁর সাহায্যের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ তিনি মানসিংহকে কাশ্মীরে আমন্ত্রণ জানাবেন। ইউসুফ কাশ্মীরের তখতে বসলেও মানসিংহকে আর কাশ্মীরে আমন্ত্রণ জানান নি। এতে মানসিংহ বুঝে গিয়েছিলেন যে, ইউসুফ শাহ চাক মোঘল সম্রাটের বশ্যতা স্বীকার করতে চান না। ওদিকে সম্রাট আকবর চেয়েছিলেন যে একটাই ভারত, একটাই মোঘল সাম্রাজ্য থাকবে। সেখানে অন্য শাসকেরা থাকবেন বটে, কিন্তু তাঁরা কেবলমাত্র মোঘল শাসনের  প্রতিনিধি হিসেবেই নিজেদের দায়িত্ব সামাল দেবেন। তাই ইউসুফের স্বাধীনচেতা মনোভাবকে তিনি ভাল চোখে দেখেন নি। তবুও তৎক্ষণাৎ কোন বাবদ না বাঁধিয়ে তিনি কাশ্মীররাজকে সন্ধিপ্রস্তাব দিয়ে নিজের দরবারে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। ইউসুফ তাঁর সেই তলব প্রায় প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। প্রায় কেন? কারণ, তিনি নিজে না গিয়ে তাঁর ছোট ছেলে ‘ইয়াকুব চাক’কে আকবরের কাছে পাঠিয়েছিলেন। তাতে মোঘল সম্রাট তাঁর উপরে আরো খেপে উঠেছিলেন। ১৫৮৫ সালের আগস্ট মাসে তিনি কাবুলে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে অক্টোবর মাসে পাঞ্জাবে ফিরে তিনি তাঁর দু’জন প্রতিনিধিকে ইউসুফের কাছে পাঠিয়ে জানিয়েছিলেন যে, তিনি যেন পত্রপাঠ তাঁর কাছে হাজিরা দেন। সেবার ইউসুফের মন্ত্রী-সেনাপতিরাই তাঁকে আকবরের আমন্ত্রণে সারা দিতে নিষেধ করেছিলেন। ফলে ইউসুফ মোঘল সম্রাটের সামনে উপস্থিত হননি। 


তারপরেই ডিসেম্বর মাসে আকবরের বিশাল সৈন্যবাহিনী কাশ্মীরের দরজায় উপস্থিত হয়েছিল। বিরাট সেই মোঘল সৈন্যবাহিনীর দায়িত্বে তিন সেনাপতি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন ইতিহাস বিখ্যাত ‘বীরবল’। আকবরের ‘নবরত্ন সভা’র কবি, পরামর্শদাতা ও গায়ক বীরবল। আকবরের আশা করেছিলেন যে, আট হাজার সেনা পাঠিয়ে ইউসুফের মন গলানো সম্ভব না হলেও, বীরবল নিশ্চয়ই সেকাজ করতে পারবেন। কিন্তু সম্রাটের প্রিয় সভাসদও সেবারে কিছু করতে পারেননি।


শেষেমেষে অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পরে, আকবরের আরেক সেনাপতি, ‘রাজা ভগবানদাস’ ইউসুফ চাককে তাঁর সামনে উপস্থিত করতে পেরেছিলেন। কিন্তু মোঘল দরবারে আসার আগে ভগবানদাস আর ইউসুফ চাক-এর মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল, আকবর সেসব মানেন নি। কোথায় তিনি মোঘল সম্রাট, কোথায় কাশ্মীরের শাসক ইউসুফ! তাই তিনি নিয়ম ভেঙে ইউসুফকে বন্দী করেছিলেন। মোঘল সম্রাটের এহেন বিশ্বাসঘাতকতায় বিরক্ত ও বিষণ্ণ ভগবানদাস আত্মহত্যা করেছিলেন। ইউসুফ শাহ চাকও আর কোনদিন নিজের প্রিয় রাজ্যে ফিরে যেতে পারেননি। আকবর তাঁকে ‘টোডরমলের’ অধীনে বন্দী রেখেছিলেন। প্রথমে তিনি গৃহবন্দী দশায় বঙ্গদেশে ছিলেন, পরে তাঁকে মনসবদার করে বিহারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই তাঁর মৃত্যু ঘটেছিল। আজও ‘নালন্দা’ জেলার ‘বিসওয়াক’-এ তাঁর সমাধি রয়েছে।


ওদিকে আকবরের হাতে ইউসুফের বন্দিদশার খবর পেয়ে কাশ্মীরের মানুষ তাঁর ছেলে ‘ইয়াকুব শাহ চাক’কে কাশ্মীরের সিংহাসনে বসিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। ইয়াকুব দক্ষ শাসক ছিলেন না, এর ফলে রাজ্যে অরাজকতা দেখা দিয়েছিল। সেই সুযোগেই মোঘলরা আবার কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছিল। তবে এমনও শোনা যায় যে, কাশ্মীরে যখন ওই অরাজকতা চলছিল, তখন সেখানকার দু’জন সুন্নি ধর্মগুরু নাকি আকবরের ‘সাহায্য’ প্রার্থনা করে তাঁকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। যাই হোক, এরপরে আকবরের আদেশে ১৫৮৬ সালের ২৮শে জুন তারিখে ‘কাশিম খান’ ৪০ হাজার অশ্বারোহী আর ২০ হাজার পদাতিক সৈন্য নিয়ে কাশ্মীর আক্রমণের জন্য যাত্রা শুরু করেছিলেন। তারপরে মোঘল বাহিনী প্রথমে ‘রাজৌরি’, পরে ‘শ্রীনগর’ অধিকার করে নিয়েছিল। সেই সঙ্গেই কাশ্মীর নিজের স্বাধীনতা হারিয়েছিল। একই সাথে ভবিষ্যতের অগুনতি বিদেশি আক্রমণের জন্য কাশ্মীরের দরজা খুলে গিয়েছিল। ইউসুফের ছেলের দশাও পরে তাঁর পিতার মতোই হয়েছিল। পরে বিহারে পিতা পুত্রের দেখা হয়েছিল, তাঁদের দু’জনেই তখন বন্দি। কোথায় ভূস্বর্গ কাশ্মীর আর কোথায় গনগনে গরমের বিহার! ওদিকে প্রাক্তন রাজরানি হাব্বা খাতুন কাশ্মীরেই থেকে গিয়েছিলেন। তিনি ইউসুফ চাক-এর বিরহে গান লিখে একাকী নিজের মনে গাইতেন; তাঁর শেষ পরিণতি কি হয়েছিল, সে খবর ইতিহাস রাখেনি।


ঐতিহাসিকেরা মনে করেন যে, নিজেদের সাম্রাজ্যের সীমানা আরও বাড়াতেই মুঘলরা কাশ্মীর দখল করেছিলেন। সমতলের ঝাঁ-ঝাঁ গরম থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য তাঁরা কাশ্মীরে গিয়ে শরীর জুড়োতেন। পরবর্তীকালে আফগান আর শিখরাও কাশ্মীরের দখল নিয়েছিলেন। ‘ডোগরা’র শাসক ‘গুলাব সিং’ তো ৮৫ লক্ষ ‘নানকশাহি’ শিখদের বসবাসের জন্য কাশ্মীরকে আক্ষরিক অর্থে কিনেই নিয়েছিলেন। তিনি কাশ্মীরের সীমানা প্রসারিত করেছিলেন এবং সেখানে নিজের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। তারপরে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত এভাবেই চলেছিল। গুলাব সিংয়ের উত্তরসূরিরা কাশ্মীরি মুসলিম প্রজাদের উপরে কম অত্যাচার করেন নি। কাশ্মীরি মুসলিমরা তো সেই ১৫৮৬ সালেই নিজেদের স্বাধীনতা হারিয়েছিলেন। 


তাই ১৯৩১ সালে যখন তাঁরা ডোগরা রাজাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন, তখন সেটা তাঁদের আরেক স্বাধীনতার লড়াই হয়ে উঠেছিল। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে সেই লড়াইয়ের প্রত্যক্ষ কোন যোগ ছিল না। কিন্তু রাজনীতির খেলায় যেমনটা হয়ে থাকে - কাশ্মীর যথারীতি ভারত-পাকিস্তান দেশভাগের মধ্যে জড়িয়ে গিয়েছিল। আজও কাশ্মীরকে নিয়ে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে দড়ি টানাটানি অব্যাহত রয়েছে।


আকবরের সঙ্গে ইউসুফের লড়াইয়ের কাহিনীতেও কিন্তু চমকের কোন অভাব নেই। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন যে, ইউসুফের নিজেরও দোষ ছিল, নিজের পতনের পথ তিনি নিজেই তৈরি করেছিলেন। কিন্তু আসল কথা হল যে, যুদ্ধে আকবরের বাহিনী ইউসুফ শাহ চাকের সৈন্যদের হাতে দুরমুশ হয়েছিল, আর যদি ইউসুফ আকবরের ফন্দিতে বন্দী না হতেন, তাহলে আকবরের কাশ্মীর বিজয়ও কখনো সম্ভব হত না। আকবর সেদিন প্রতারণা না করলে, কাশ্মীরের ইতিহাস হয়তো অন্য রকমের হতে পারত।


লেখা- রানা চক্রবর্তী  


(তথ্যসূত্র:

১- আকবর, রাহুল সাংকৃত্যায়ন, আবরার পাবলিকেশন্স (২০১৭)।

২- HISTORY OF KASHMIR BY HAIDAR MALIK CHADURAH (Haidar Malik’s Tarikh-i-Kashmir {completed in 1620-21}), Dr. Raja Bano, Jay Kay Books, Srinagar (২০১৬)।

৩- Akbar: The Great Mogul (1542-1605), Vincent Arthur Smith, Alpha Edition (২০১৯)।)

কপি
পেস্ট 

রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২

৯০ সুরা আল বালাদ নগতথ

 



بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির জড়।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।


সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১


لَآ أُقْسِمُ بِهَٰذَا ٱلْبَلَدِ


উচ্চারণঃ লাউকছিমুবিহা-যাল বালাদ।


অর্থঃ আমি এই নগরীর শপথ করি



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ২


وَأَنتَ حِلٌّۢ بِهَٰذَا ٱلْبَلَدِ


উচ্চারণঃ ওয়া আনতা হিল্লুম বিহা-যাল বালাদ।


অর্থঃ এবং এই নগরীতে আপনার উপর কোন প্রতিবন্ধকতা নেই।



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৩


وَوَالِدٍ وَمَا وَلَدَ


উচ্চারণঃ ওয়া ওয়া-লিদিওঁ ওয়ামা-ওয়ালাদ।


অর্থঃ শপথ জনকের ও যা জন্ম দেয়।



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৪


لَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ فِى كَبَدٍ


উচ্চারণঃ লাকাদ খালাকনাল ইনছা-না ফী কাবাদ।


অর্থঃ নিশ্চয় আমি মানুষকে শ্রমনির্ভররূপে সৃষ্টি করেছি।



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৫


أَيَحْسَبُ أَن لَّن يَقْدِرَ عَلَيْهِ أَحَدٌ


উচ্চারণঃ ওয়া ইয়াহছাবুআল্লাইঁ ইয়াকদিরা ‘আলাইহি আহাদ।


অর্থঃ সে কি মনে করে যে, তার উপর কেউ ক্ষমতাবান হবে না ?



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৬


يَقُولُ أَهْلَكْتُ مَالًا لُّبَدًا


উচ্চারণঃ ইয়াকূ লুআহলাকতুমা-লাল লুবাদা-।


অর্থঃ সে বলেঃ আমি প্রচুর ধন-সম্পদ ব্যয় করেছি।



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৭


أَيَحْسَبُ أَن لَّمْ يَرَهُۥٓ أَحَدٌ


উচ্চারণঃ আইয়াহছাবুআল্লাম ইয়ারাহূআহাদ।


অর্থঃ সে কি মনে করে যে, তাকে কেউ দেখেনি?



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৮


أَلَمْ نَجْعَل لَّهُۥ عَيْنَيْنِ


উচ্চারণঃ আলাম নাজ‘আল্লাহূ‘আইনাইন।


অর্থঃ আমি কি তাকে দেইনি চক্ষুদ্বয়,



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৯


وَلِسَانًا وَشَفَتَيْنِ


উচ্চারণঃ ওয়া লিছা-নাওঁ ওয়া শাফাতাইন।


অর্থঃ জিহবা ও ওষ্ঠদ্বয় ?



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১০


وَهَدَيْنَٰهُ ٱلنَّجْدَيْنِ


উচ্চারণঃ ওয়া হাদাইনা-হুন্নাজদাঈন।


অর্থঃ বস্তুতঃ আমি তাকে দু’টি পথ প্রদর্শন করেছি।



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১১


فَلَا ٱقْتَحَمَ ٱلْعَقَبَةَ


উচ্চারণঃ ফালাকতাহামাল ‘আকাবাহ।


অর্থঃ অতঃপর সে ধর্মের ঘাঁটিতে প্রবেশ করেনি।



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১২


وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلْعَقَبَةُ


উচ্চারণঃ ওয়ামাআদরা-কা মাল ‘আকাবাহ।


অর্থঃ আপনি জানেন, সে ঘাঁটি কি?



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৩


فَكُّ رَقَبَةٍ


উচ্চারণঃ ফাক্কুরাকাবাহ ।


অর্থঃ তা হচ্ছে দাসমুক্তি



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৪


أَوْ إِطْعَٰمٌ فِى يَوْمٍ ذِى مَسْغَبَةٍ


উচ্চারণঃ আও ইত‘আ-মুন ফী ইয়াওমিন যী মাছগাবাহ ।


অর্থঃ অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে অন্নদান।



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৫


يَتِيمًا ذَا مَقْرَبَةٍ


উচ্চারণঃ ইয়াতীমান যা-মাকরাবাহ।


অর্থঃ এতীম আত্বীয়কে



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৬


أَوْ مِسْكِينًا ذَا مَتْرَبَةٍ


উচ্চারণঃ আও মিছকীনান যা-মাতরাবাহ।


অর্থঃ অথবা ধুলি-ধুসরিত মিসকীনকে



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৭


ثُمَّ كَانَ مِنَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَتَوَاصَوْا۟ بِٱلصَّبْرِ وَتَوَاصَوْا۟ بِٱلْمَرْحَمَةِ


উচ্চারণঃ ছু ম্মা কা-না মিনাল্লাযীনা আ-মানূওয়াতাওয়া-সাও বিসসাবরি ওয়াতাওয়া-সাও বিল মারহামাহ।


অর্থঃ অতঃপর তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া, যারা ঈমান আনে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় সবরের ও উপদেশ দেয় দয়ার।



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৮


أُو۟لَٰٓئِكَ أَصْحَٰبُ ٱلْمَيْمَنَةِ


উচ্চারণঃ উলাইকা আসহা-বুল মাইমানাহ।


অর্থঃ তারাই সৌভাগ্যশালী।



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৯


وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا هُمْ أَصْحَٰبُ ٱلْمَشْـَٔمَةِ


উচ্চারণঃ ওয়াল্লাযীনা কাফারূবিআ-য়া-তিনা-হুম আসহা-বুল মাশআমাহ।


অর্থঃ আর যারা আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে তারাই হতভাগা।



সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ২০


عَلَيْهِمْ نَارٌ مُّؤْصَدَةٌۢ


উচ্চারণঃ ‘আলাইহিম না-রুম মু’সাদাহ।


অর্থঃ তারা অগ্নিপরিবেষ্টিত অবস্থায় বন্দী থাকবে।


,,,,,,,,,,

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৭ রবিবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(২৭-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* চলমান প্রকল্পগুলো থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প বাছাই করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে সচিবদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ। 


* ঢাকা মহানগরীতে বিএনপি’র ১০-ই ডিসেম্বরের সমাবেশে বাধা দেবে না সরকার - বললেন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক। 


* ব্যস্ত সড়ক বন্ধ করে বিএনপি জনজীবনে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার - তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি। 


* চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল। 


* উত্তর কোরিয়ার নেতা বললেন, বিশে^র সবচেয়ে ক্ষমতাধর পারমাণবিক শক্তির অধিকারী হওয়াই তার মূল লক্ষ্য। 


* এবং আজ কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে জাপানকে হারিয়েছে কোস্টারিকা - রাতে এক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে পরস্পরের মুখোমুখি হবে স্পেন ও জার্মানি।

আজকের ম্যাচে আর্জেন্টিনা যে বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে ,,,২০২২/১১/২৬ বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় দিনের খেলার আগে

আজকের ম্যাচে আর্জেন্টিনা যে বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে :


১. ভুলেও প্রথমে গোল হজম করা যাবেনা।যদি কোনো মতে মেক্সিকো লিডে যেতে পারে তাহলে তারা তাদের ডিফেন্স শক্তি বাড়িয়ে ফেলবে ও তখন ডিফেন্স ও দানব ওচুয়ার কারনে সাথে চাপে পরে আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফিরতে সমস্যা হয়ে যাবে।


২. কোনো চান্স মিস করা যাবেনা।ওচুয়ার মতো গোলরক্ষক বারবার চান্স দিবেনা।তাই সুযোগ পেলেই সেটি গোলে পরিণত করতে হবে। সম্ভব হলে হাফ চান্সকেও ফুল চান্স বানাতে হবে।


৩. প্রত্যেক খেলোয়ার তাদের সামর্থ্য থেকে বেশি ভালো খেলতে হবে।ম্যাক্সিকোর কনফিডেন্স শুরুতেই নষ্ট করে দিতে হবে।ম্যাচের শুরুর ১০ মিনিট তাই অনেক গুরুত্বপূর্ণ।


৪. ডিফেন্ডাররা সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। যেনো মেক্সিকো গোলবারে কোনো ভয়ঙ্কর শট দিতে না পারে,সাথে পেনাল্টি যেনো না হয় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।


৫. এমি মার্টিনেজ আজ কোপার ফাইনাল ম্যাচের মতো পারফর্ম উপহার দিতে হবে।


৬. মিড মাঠে যারাই থাকবে আগুন ঝড়াতে হবে।পুরো ম্যাচে মিড মাঠের নিয়ন্ত্রন আর্জেন্টিনার হাতে থাকতে হবে।


৭. সর্বশেষ মেসিকে আজ আরো একবার ভযঙ্কর মেসি রুপে উপস্থিত হতে হবে।


উপরের সবগুলো কাজ করার সামর্থ্য আর্জেন্টাইনদের আছে।ইনশাআল্লাহ আজ থেকেই নিজেদের ভয়ঙ্কর রুপে ফিরবে আর্জেন্টিনা ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েই শেষ করবে কাতার বিশ্বকাপ মিশন।

,,,,,,,,,,
আজকের ম্যাচে আর্জেন্টিনা যে বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে ,,,২০২২/১১/২৬ বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় দিনের খেলার আগে 

কুকুরের বিশ্বাস্ততা,,,,,,

কুকুরটি এতই বিশ্বস্ত ছিল যে মহিলা প্রায়ই তার বাচ্চাকে কুকুরটির সাথে একা বাসায় রেখে টুকটাক কাজ সেরে আসতেন, এবং ফেরার পর প্রতিবারই উনি দেখতে পেতেন বাচ্চাটি কুকুরটির সাথে নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে। এমনই একদিন উনি নিজের বাচ্চাকে তার বিশ্বস্ত কুকুরটির কাছে রেখে শপিং করতে গেলেন।


শপিং সেরে বাসায় ফেরার পর সে দেখতে পায় এক বীভৎস দৃশ্য। সে দেখতে পায় তার পুরো বাসা লন্ডভন্ড হয়ে আছে, বাচ্চাটিও তার নিজের খাটে নেই এবং বাচ্চার ডাইপার ও কাপড়চোপড় ছিন্নভিন্ন হয়ে সারা বাসায় ছড়িয়ে আছে, আর ফ্লোরের জায়গায় জায়গায় লেগে আছে রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। প্রচন্ড আতঙ্কে মহিলাটি তার বাচ্চাকে হন্যে হয়ে খুঁজতে শুরু করে। ঠিক তখনই সে তার সে বিশ্বস্ত কুকুরটিকে খাটের নিচ থেকে বের হতে দেখতে পায়। তার সারা মুখ রক্তে মাখা ছিল। রক্ত তার মুখ বেয়ে বেয়ে এমনভাবে পড়ছিল যেন, এখনই কোন প্রিয় সুস্বাদু খাবার খাওয়া শেষ করে উঠল সে। 


মহিলাটির আর বুঝতে বাকি রইলো না যে কুকুরটি তার বাচ্চাকে খেয়ে ফেলেছে। দ্বিতীয় কোন চিন্তা না করে সে তার কুকুরটিকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে। এরপর সে খুঁজতে থাকে তার বাচ্চার শরীরের কোন অংশ আদৌ বাকি আছে কিনা, আর তখনই সে আবিষ্কার করে আরেক অবাক করা দৃশ্য। সে দেখতে পায় বিছানার ওপাশেই কার্পেটের উপর তার বাচ্চাটি খেলা করছে সম্পুর্ণ সুস্থ অবস্থাতেই। তারপর বিছানার নিচে তাকাতেই মহিলাটি আবিষ্কার করে সেখানে পড়ে আছে একটি সাপের ছিন্নভিন্ন শরীর। মূলত ওখানে সাপটির সাথে কুকুরটির যুদ্ধ হচ্ছিল। বিশ্বস্ত কুকুরটি তার বাচ্চাকে বাঁচাতে তার সর্বশক্তি দিয়ে সাপটিকে প্রতিহত করেছিল। মহিলাটি সবকিছু বুঝতে পারলেও ততক্ষণে অনেক দেরী হয়ে যায়। তার ধৈর্যহীনতা ও সর্বগ্রাসী ক্রোধ ততক্ষণে তার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে তার সবথেকে বিশ্বস্ত বন্ধুকে।


এই সত্য ঘটনাটি একটি পোষা কুকুরের সাথে ঘটলেও,

এমন ভুল কি আমাদেরও আমাদের আপনজনদের সাথে হয়ে যায় না?

Even আমাদের পরিবারের মধ্যেও হয়ে যায়। তাই পরিস্থিতি বিচার করার জন্য সর্বদা ধৈর্য ধরুন এবং অহেতুক ভুলগুলি এড়ান, যাতে আমাদের নিজের ভুলে আমরা আমাদের এমন কোন আপনজনকে আর হারিয়ে না ফেলি,আমাদের পরিবার যাতে ভেঙ্গে না পড়ে।


(🤲🏻)আল্লাহ সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুক. 

কপি

পেস্ট

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৭ রবিবার

 সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২৭-১১-২০২২ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম :


* বদলে যাওয়া বাংলাদেশের চলমান অগ্রগতি কেউ রুখতে পারবে না-বঙ্গবন্ধু টানেলের দক্ষিণ টিউবের পূর্ত কাজের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী। 


* সরকার বিএনপির আন্দোলনে বাধা দেয় না, তবে আন্দোলনের নামে একজনও আঘাতপ্রাপ্ত হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না - মহিলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শেখ হাসিনার হুঁশিয়ারি।


* দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর   তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর গুরুত্বারোপ।


* বিদেশীদের কাছে ধর্ণা না দিয়ে তৃণমূলের জনগণের কাছে যাওয়ার জন্য বিরোধী দলগুলোর প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহবান।  


* আজ শহীদ ডাক্তার মিলন দিবস - গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে  ডাক্তার শামসুল আলম খান মিলনের শাহাদাৎ বার্ষিকী স্মরণে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে দিবসটি।


* বিশ্বশান্তির জন্য বেইজিং পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে কাজ করতে চায় - উত্তরকোরীয় নেতাকে চীনা প্রেসিডেন্টের বার্তা।


* এবং ডেনমার্ককে  দুই - এক গোলে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে কাতারে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে ফ্রান্স - বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে মেক্সিকোকে দুই - শূন্য গোলে হারালো আর্জেন্টিনা।

কুরআন পড়ার উপকারিতা,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

এক লোক প্রচুর কুরআন পড়ত। কুরআন নিয়েই ডুবে থাকতে ভালবাসত। কিন্তু কেন যেন কুরআনের কিছুই সে মুখস্থ রাখতে পারত না। একদিন লোকটির ছোট ছেলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলল, 'বাবা, আপনি যে এত কুরআন পড়েন, কিছুই তো মনে রাখতে পারেন না। এতে কী লাভ হচ্ছে?' 

.

— তোমার এই প্রশ্নের উত্তরটা দিবো। তার আগে এক কাজ করো, তুমি এই বেতের ঝুড়িটা সমুদ্র তীরে নিয়ে যাও এবং পানি ভরে নিয়ে আসো। 

— এটা তো বেতের তৈরি, পানি কীভাবে ধরবে?

— আহা, চেষ্টা করে দেখো না!

.

সাধারণত কয়লা আনা-নেওয়ার কাজে তারা এই ঝুড়ি ব্যবহার করে। তবুও বাবার কথায় ছেলেটি ঝুড়ি নিয়ে তীরে গেল এবং পানি ভরল। কিন্তু বাড়ি ফিরে আসতে আসতে সব পানি পথেই শেষ। পড়তে পড়তে একদম খালি হয়ে গেছে।

.

'দেখলেন? কোনো লাভ হলো? পানি একটুও বাঁচেনি।' ছেলে আফসোস নিয়ে বলল।

লোকটি আশ্বাস দিলো, 'চেষ্টা চালিয়ে যাও সোনা। আরও কয়েকবার চেষ্টা করো।' 

.

এভাবে দুইবার, তিনবার, চারবার, সবশেষে পাঁচবার পর্যন্ত চেষ্টা করল ছেলেটি। কিন্তু এক মুঠো পানিও আনতে পারল না। অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়ে বাবাকে বলল, 'এই ঝুড়ি দিয়ে আমার পক্ষে পানি আনা অসম্ভব।'

.

এবার লোকটি শান্ত গলায় বলল, 'আচ্ছা, তবে তুমি কি ঝুড়িটার ভিতরের দিকে খেয়াল করেছ? ভিতরের অবস্থার কোনো পরিবর্তন দেখেছ?'

— হ্যাঁ, এটা পানি ধরে রাখতে না পারলেও বার বার পানি ভরার কারণে কয়লার ময়লাগুলো সাফ হয়ে গেছে। ভিতরটা বেশ পরিষ্কার দেখাচ্ছে এখন।

— ঠিক ধরেছ। এবার বলি, কুরআনও ঠিক এই কাজটাই করে তোমার অন্তরের ভিতরে। দুনিয়ার পেছনে ছুটতে ছুটতে তোমার অন্তর যখন কলুষিত হয়ে পড়ে, তখন কুরআন সমুদ্রের পানির মতোই তোমাকে পকুররিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দেয়। অন্তরে মুখস্থ রাখতে না পারলেও সে তোমাকে পবিত্র করে দেয়।

বাবারে, একটা কথা মনে রেখো, কুরআনের প্রথম অবতীর্ণ আয়াত 'পড়ো', 'মুখস্থ করো' না। কাজেই মুখস্থ করতে না পারার কারণে শয়তান যেন তোমাকে ধোঁকায় না ফেলে, কুরআন পড়া থেকে দূরে সরিয়ে দিতে না পারে। 

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৬ শনিবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(২৬-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* বদলে যাওয়া বাংলাদেশের চলমান অগ্রগতি কেউ রুখতে পারবে না - অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী। 


* সরকার বিএনপির আন্দোলনে বাধা দেয় না, তবে আন্দোলনের নামে একজন মানুষও আঘাতপ্রাপ্ত হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না - মহিলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শেখ হাসিনার হুঁশিয়ারি। 


* দেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতি-ঐতিহ্যগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব আরোপ করলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। 


* বিদেশীদের কাছে ধর্ণা না দিয়ে তৃণমূলের জনগণের কাছে যাওয়ার জন্য বিরোধী দলগুলোর প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহবান। 


* ইউক্রেনের খেরসন নগরীতে রুশ গোলাবর্ষণে অন্তত ১৫ জন বেসামরিক লোক নিহত। 


* এবং কাতারে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে আজ রাতে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মেক্সিকোর বিপক্ষে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা।

সাকিব আল হাসান,,,,, খেলা যোগ ফেইসবুক থেকে,,,

 সাকিব আল হাসান নিজের দেশের হয়ে খেলে এটা তার গর্ব।কোনো ভাড়াটিয়া হয়ে সাকিব খেলে না।


২০০৯ সালের ত্রিদেশীয় সিরিজে সাকিব আল হাসান যেইভাবে দলকে ফাইনালে নিয়েছিল মুরালি,মেন্ডিসদের পিটিয়ে।ভাড়াটিয়া স্টোকসদের পুরা ক্যারিয়ারেও এইরকম ইম্পেক্ট ইনিংস নাই।


২০১০ সালের নিউজিল্যান্ড সিরিজ সাকিব যেইভাবে একাই প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল।ভাড়াটিয়া স্টোকসের পুরা ক্যারিয়ারের এইরকম একটা সিরিজ দেখাও।


২০১২ সালে সাকিব যেইভাবে এশিয়াকাপে ৪ ইনিংসে  ৩ ফিফটি ও একটা ৪৯ রানের ইনিংস ও সাথে গুরুত্বপূর্ণ ৬ উইকেট নিয়ে  যেইভাবে দলকে ফাইনালে নিয়েছিল।ভাড়াটিয়া স্টোকসের এইরকম একটা টুর্নামেন্ট দেখাও।


২০১৯ বিশ্বকাপের ৬০৬ রান ও ১১ উইকেট টেনে আনলে ভাড়াটিয়া স্টোকস সাকিবের ফু'র সাথে উড়ে যাবে।


২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রিয়াদকে নিয়ে   সেই ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি বললাম না।দলকে নিয়ে গিয়েছে সেমিতে।


২০১০ সালে দেশের শততম টেস্ট জয়ী ম্যাচে সাকিবের সেঞ্চুরি ও ৬ উইকেট।ভাড়াটিয়া স্টোকস ক্যারিয়া ১/২ ম্যাচ এইরকম খেললেই হাইফের অভাব নাই।অস্ট্রেলিয়া বিপক্ষে টেস্ট জয় সাকিবের ইম্পেক্ট ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জয়ে সাকিবের ইম্পেক্টের কথা বললে ভাড়াটিয়া স্টোকস আশেপাশেও আসতে পারবেনা।


ক্যারিয়ার বাংলাদেশের হয়ে জয়ী ম্যাচে প্রায় ৭০% অবদান এই সাকিবের।

রান,উইকেট,জয়ী ম্যাচে ম্যাচ সেরা,সিরিজ সেরা সাকিবের আশেপাশে কেউ আছে?


সাকিবের দলীয় অর্জন না পাওয়া সতীর্থদের ব্যর্থতা।সেটা সাকিব দায়ভার নিবে কেন?


মাশরাফি বিন মুর্তজার একটা উক্তি দিয়ে লেখেটা শেষ করতে চাই।মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেন,বাংলাদেশ ম্যাচ জিতবে।এইরকম ম্যাচে সাকিবের অবদান থাকবেই।


সাকিব আল হাসান।❤️🇧🇩

বাংলাদেশ।🇧🇩❤️✌️

কপি

পেস্ট

শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২২

রিজিকের টানে,,,,,,, আবু দাউদ শরীফ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 👉রিযিক এমন একটা জিনিস। যেটা আপনার নসীব আছে সেটা পূরন না হয়ে আপনার মৃত্যু হবে না। 

▪️  রিযিকের টানে

______________________

👉এক লোক কূপে পড়ে গেলো। বিকট আওয়াজে চিৎকার করতে লাগলো:


-বাঁচাও! বাঁচাও!


গ্রামের লোকেরা আর্তচিৎকার শুনে উদ্ধার করতে দৌড়ে এলো। একটা রশি নামানো হলো। লোকটা রশি বেয়ে উঠে এলো। সে হাঁপাচ্ছিলো। বুকটা হাপরের মতো ওঠানামা করছিলো। ভীষণ ক্লান্ত আর অবসন্ন দেখাচ্ছিলো তাকে। একজনের কাছে তাজা দুধ ছিলো। সে একগ্লাস দুধ খেতে দিলো। লোকটা ঢকঢক করের দুধটুকু খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুললো। লোকেরা জানতে চাইলো,


-তুমি কূপে পড়ে গেলে কিভাবে?


আমার মেষগুলোকে পানি পান করাতে এসেছিলাম। বালতিটা কূপে ফেলে উপরের দিকে টানছিলাম। তখন আমি এভাবে কূপের কিনারায় দাঁড়িয়েছিলাম ।


লোকটা কিভাবে কূপের কিনারায় দাঁড়িয়েছিলো সেটা হুবহু দেখাতে গিয়ে, আবার কূপে পড়ে গেলো। এবার পড়ে আর বাঁচলো না। বেকায়দায় পড়ে বেমক্কা ঘাড় মটকে মারা গেলো। গ্রামের লোকজনের আফসোসের সীমা রইলো না।

গাঁয়ের ইমাম সাহেব পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বললেন, -লোকটা কূপ থেকে উঠে এসেছিলো মূলতঃ রিযিকের টানে। রিযিকের এক গ্লাস দুধ তার পাওনা রয়ে গিয়েছিলো।🤲


রিযিকের টানে | শায়েখ আতিক উল্লাহ

Servant Of Allah

কপি

পেস্ট

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...