এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২

বিয়ের শর্ত,,,,,,,,,,,,,

 বিয়ের শর্ত, 💕


১| বিনা কারণে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ত্যাগ করা যাবে না। 


২| ফরজ রোজা ও নফল রোজা রাখতে হবে। 💖


৩| সব সময় পর্দায় থাকতে হবে ও মাথা থেকে কখনও কাপড় যেন না পড়ে।💓


৪| পর পুরুষের সামনে যাওয়া বা তাদের সাথে কথা বলা যাবে না। 💗


৫| উচ্চস্বরে কথা বলা বা হাসা হাসি করা যাবে না।💖


৬| স্বামীর সকল কথা মেনে চলতে হবে।💕 


৭| কারো গিবত করা বা শোনা যাবে না।❣️


৮| আপনার স্বামী চাইলে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না হলে পারবে না।🧡


৯| কোরআন সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে হবে। 

💚

১০| ফজর নামাজ পড়ার পড় সুরা ইয়াসিন ও রাতে সুরা মুলক ও সুরা ওয়াকিয়া তিলাওয়াত করতে হবে।💝


১১| সময় পেলে ইসলামিক বই, পড়তে হবে। ও বিভিন্ন মাছনুন দুয়া পড়তে হবে।💖


১২| অন্য কারোর মোবাইল এ নিজের ছবি তোলা যাবে না। 💓


১৩| গান, ছবি, নাটক, সিরিয়াল দেখা যাবে না, ওয়াজ ও গজল শুনতে হবে।💕


১৪| সবার সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে ও মেহমানদের আপ্পায়ন করতে হবে।💞


এমন শর্ত যদি কোনো ছেলে দেয় পারবা তো বিয়ে করতে


ইংশা আল্লাহ আমি পারবো❤️❤️

বিশ্বে গেইটস এর চেয়ে ও বড় ধনী কে,,,,

 একবার এক লোক বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বিল গেটসকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "পৃথিবীতে তোমার চেয়ে ধনী আর কেউ আছে কি?"


বিল গেটস জবাব দিয়েছিল, "হ্যাঁ, এমন একজন আছেন যিনি আমার চেয়েও ধনী”।


তারপর তিনি একটি গল্প বললেন-


“এই সময়টি ছিল যখন আমি ধনাঢ্য বা বিখ্যাত ছিলাম না।


“একবার নিউইয়র্ক বিমান বন্দরে একজন সংবাদপত্র বিক্রেতার সাথে আমার সাক্ষাত হলো।’’


“আমি একটি সংবাদপত্র কিনতে চেয়েছিলাম কিন্তু দেখেছি আমার কাছে যথেষ্ট টাকা নেই। তাই আমি কেনার সিদ্ধান্ত ছেড়ে পেপারটি বিক্রেতার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।


“আমি তাকে আমার অবস্থার কথা বলেছি। বিক্রেতা বললেন, ‘আমি আপনাকে বিনামূল্যে দিচ্ছি।’ আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম।


“দুই থেকে তিন মাস পরে, আমি একই বিমান বন্দরে আবার অবতরণ করেছি এবং কাকতালীয়ভাবে আবারও সেই পত্রিকা বিক্রেতার সাথে দেখা হলো। বিক্রেতা আমাকে আজও একটি পত্রিকা অফার করলেন। আমি অপারগতা প্রকাশ করেছিলাম এবং বলেছিলাম যে আমি এটি নিতে পারি না কারণ এখনও আমার পরিবর্তন আসেনি। তিনি বললেন, ‘আপনি এটি নিতে পারেন, আমি এটি আমার লাভাংশ থেকে আপনাকে দিচ্ছি, আমার ক্ষতি হবে না’। বিক্রেতার আগ্রহে আমি পত্রিকাটি নিয়েছিলাম।


“ঐ ঘটনার ১৯ বছর পরে আমি বিখ্যাত এবং মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠি। হঠাৎ একদিন মনে পড়ে গেল সেই পত্রিকা বিক্রেতার কথা। আমি তাকে খুঁজতে শুরু করে দিলাম এবং প্রায় দেড় মাস অনুসন্ধানের পরে আমি তাকে খুঁজে পেলাম।


“আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম,‘ আপনি কি আমাকে চেনেন? ’তিনি বলেছিলেন,‘ হ্যাঁ, আপনি বিল গেটস। ’


“আমি তাকে আবার জিজ্ঞাসা করলাম,‘ আপনার কি মনে আছে একবার আমাকে বিনামূল্যে একটি পত্রিকা দিয়েছিলেন? ’


“বিক্রেতা বললেন,‘ হ্যাঁ, মনে আছে। আপনাকে দু’বার দিয়েছি। ’


“আমি বললাম,‘ আপনি যে আমাকে বিনামূল্যে পত্রিকা দিয়েছিলেন তা আমি ফিরিয়ে দিতে চাই। আপনি আপনার নিজের জন্য যা চান বলুন? আমি এটি পূরণ করব। ’'


“বিক্রেতা বললেন,‘ স্যার, আপনি এমন কিছু দিতে পারবেন না, যা আমার সাহায্যের সমান হবে। ’


“আমি জিজ্ঞাসা করলাম,‘ কেন? ’


“তিনি বলেছিলেন,‘ আমি আপনাকে সংবাদপত্র দিয়েছিলাম আমার দরিদ্র অবস্থান থেকে । আর আপনি এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হয়ে আমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছেন। আপনার সাহায্য কীভাবে আমার সাহায্যের সমান হবে? ’


"সেদিন আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে সংবাদপত্রের বিক্রেতা আমার চেয়ে বেশি ধনী, কারণ তিনি কাউকে সাহায্য করার জন্য ধনী হওয়ার অপেক্ষা করেন নি।"


মানুষের বুঝতে হবে যে সত্যিকারের ধনী ব্যক্তি হলো তাঁরাই যাদের প্রচুর অর্থের চেয়ে প্রাচুর্যপূর্ণ হৃদয় রয়েছে।


সত্যিকারের ধনী হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

জমি জমা সংক্রান্ত জরুরী তথ্য,,,,

 = ''খতিয়ান'' কি?

= ''সি এস খতিয়ান'' কি?

= ''এস এ খতিয়ান'' কি?

= ''আর এস খতিয়ান'' কি?

= ''বি এস খতিয়ান'' কি?

=“দলিল” কাকে বলে?

=“খানাপুরি” কাকে বলে?

= ''নামজারি'' কাকে বলে ?

=“তফসিল” কাকে বলে?

=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?

= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?

= ''পর্চা'' কাকে বলে ?

= ''চিটা'' কাকে বলে ?

= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?

= “খাজনা” ককে বলে?

= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?

= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?

= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?

= ''DCR'' কাকে বলে ?

=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?

= “ফারায়েজ” কাকে বলে?

= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?

= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?

= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?

= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?

= “আমিন” কাকে বলে?

= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?

= “সিকস্তি” কাকে বলে ?

= “পয়ন্তি” কাকে বলে?

''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''

=খতিয়ানঃ

মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। 

.

= সি এস খতিয়ানঃ

১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।

.

=এস এ খতিয়ানঃ

১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র

খতিয়ান নামেও পরিচিত।

.

= আর এস খতিয়ানঃ

একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।

.

= বি এস খতিয়ানঃ

সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।

.

= “দলিল” কাকে বলে?

যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।

.

= “খানাপুরি” কাকে বলে?

জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

.

= নামজারি কাকে বলে ?

ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।

.

= “তফসিল” কাকে বলে?

জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।

.

= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? /  কিত্তা কি ?

দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।

যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।

.

= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?

ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।

.

= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?

ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।

.

= চিটা কাকে বলে?

একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।

.

= দখলনামা কাকে বলে?

দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।

সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।

.

= “খাজনা” ককে বলে?

সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.

.

= বয়নামা কাকে বলে?

১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।

বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।

যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।

.

= জমাবন্দিঃ

জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।

.

= দাখিলা কাকে বলে?

সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।

দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।

.

= DCR কাকে বলে?

ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।

.

=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?

সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।

.

= “ফারায়েজ” কাকে বলে?

ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।

.

= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?

ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।

.

= হুকুমনামা কাকে বলে?

আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।

.

= জমা খারিজ কিঃ

জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।  অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

.

= “মৌজা” কাকে বলে?

CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।

.

= “আমিন” কাকে বলে?

ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।

.

= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?

ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।

.

= “সিকস্তি” কাকে বলে?

নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।


= “পয়ন্তি” কাকে বলে?

নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।

--------------------------

আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য

জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।

---------------------------

আপনি আপনার বন্ধুদের তথা আপনজনদেরকে উপরোক্ত আইনটি/ তথ্যটি জানাতে অগ্রহী হলে  #শেয়ার করুন.

আইন জানুন, সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।

পরবর্তী আপডেট পেতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে একটিভ থাকুন,

Share...... 

Share..... 

Share...

কপি
পেস্ট 

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৮ সোমবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

(২৮-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ - পাশের হার ৮৭ দশমিক চার-চার শতাংশ। 


* পরীক্ষার ফল গ্রহণ করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে যথাযথ শিক্ষা ও প্রযুক্তি জ্ঞান অর্জনের ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্ব আরোপ। 


* বিশেষ পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের বিধান রেখে জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২২ এর খসড়ায় মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন। 


* শান্তিরক্ষা মিশনে নারীদের ভূমিকা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে - বললেন শেখ হাসিনা। 


*  ১০ই ডিসেম্বর বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে বাধা নেই, তবে আগুন ও লাঠি নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সমুচিত জবাব দেয়া হবে - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 


* তারেক রহমান হচ্ছে দুর্নীতি, লুটপাট, হাওয়া ভবন ও খোয়াব ভবনের প্রতীক - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


* ইউক্রেনের জাপোরিঝঝিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখনও রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে - জানিয়েছে ক্রেমলিন। 


* এবং কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে আজ রাতে সুইজারল্যান্ডের মোকাবেলা করবে ফেভারিট ব্রাজিল।

সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২

এস.এস.সি তে জিপিএ-৫ ২০০১-২০২২ সাল পর্যন্ত,,,,,,,,,

 এস.এস.সি তে জিপিএ-৫ ২০০১-২০২২ সাল পর্যন্ত।

...

♦২০০১ সালে ৭৬ জন,

♦২০০২ সালে ৩২৭ জন,

♦২০০৩ সালে ১ হাজার ৩৮৯ জন,

♦২০০৪ সালে ৮ হাজার ৫৯৭ জন,

♦২০০৫ সালে ১৫ হাজার ৬৩১ জন,

♦২০০৬ সালে ২৪ হাজার ৩৮৪ জন,

♦২০০৭ সালে ২৫ হাজার ৭৩২ জন,

♦২০০৮ সালে ৪১ হাজার ৯১৭ জন,

♦২০০৯ সালে ৪৫ হাজার ৯৩৪ জন,

♦২০১০ সালে ৬২ হাজার ১৩৪ জন,

♦২০১১ সালে ৬২ হাজার ২৮৮ জন,

♦২০১২ সালে ৮২ হাজার ২১২ জন,

♦২০১৩ সালে ৯১ হাজার ২৬৬ জন,

♦২০১৪ সালে ১ লক্ষ ৪২ হাজার ২৭৬ জন,

♦২০১৫ সালে ১ লক্ষ ১১ হাজার ৯০১ জন,

♦২০১৬ সালে ১ লক্ষ ০৯ হাজার ৭৬৮ জন,

♦২০১৭ সালে ১ লক্ষ ০৪ হাজার ৭৬১ জন,

♦২০১৮ সালে ১ লক্ষ ১০ হাজার ৬২৯ জন,

♦২০১৯ সালে ১ লক্ষ ০৫ হাজার ৫৯৪ জন,

♦২০২০ সালে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন,

♦২০২১ সালে ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪০ জন,

♦২০২২ সালে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জন।

কপি
পেস্ট 

ফেইসবুক থেকে নেওয়া তিন টি জিনিস

 ☘️তিনটি কাজে বিলম্ব করিও না🍀

🔳১. নামাজের ওয়াক্ত হলে।
🔳২. মেয়ে-ছেলে বিয়ের উপযুক্ত হলে। 
🔳৩. লাশ এর জানাযা হয়ে গেলে।

🍀 তিনটি জিনিস একবার আসে🍀
🔳১. মাতা-পিতা।
🔳২. সৌন্দর্য্য। 
🔳৩. যৌবন।

🍀 তিনটি জিনিস ফিরে আনা যায় না🍀
🔳১. বন্দুকের গুলি।
🔳২. মুখের কথা।
🔳৩. শরীরের রূহ।

🍀 তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসে🍀
🔳১. সু-সন্তান।
 🔳২. সদকা।
🔳৩. ইসলাম। 

🍀 তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করে🍀
🔳১. চুরি করা।
🔳২. মিথ্যা কথা বলা।
🔳৩. চোগোলখুরি করা।

🍀 তিনটি জিনিস চিন্তায় রাখে🍀
🔳১. হিংসা। 
🔳২. অভাব।
🔳৩. সন্দেহ। 

🍀 তিনটি জিনিসকে সব সময় মনে রেখো🍀
🔳১. উপদেশ। 
🔳২. উপকার। 
🔳৩. মৃত্যু। 

🍀 তিনটি জিনিসকে আয়ত্তে রেখো🍀
🔳১. রাগ। 
🔳২. জিহবা।
🔳৩. অন্তর।

🍀 তিনটি জিনিস অভ্যাস করো🍀
🔳১. নামাজ পড়া।
🔳২. সত্য বলা।
🔳৩. হালাল রিযিক। 

🍀 তিনটি জিনিস থেকে দূরে থাকো🍀
🔳১. মিথ্যা। 
🔳২. অহংকার। 
🔳৩. আভিশাপ।

🍀 তিনটি জিনিসের জন্য যুদ্ধ করো🍀
🔳১. দেশ। 
🔳২. জাতি।
🔳৩. সত্য। 

🍀 তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করো🍀
🔳১. কলম।
🔳২. কসম। 
🔳৩. কদম।

🍀 তিনটি জিনিসে ধ্বংস হয়ে যায়🍀
🔳১. লোভ।
🔳২. হিংসা। 
🔳৩. অহংকার।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে এগুলোর উপর আমল করার তাওফীক দান করুন...🤲🤲🤲‌,,

        মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ( বাহার)❤️❤️❤️
কপি

পেস্ট

এক মুঠো কাঁচের চুড়ি,,,, অপ্রেম অধ্যায় ফেইসবুকে থেকে

 এক মুঠো কাঁচের চুরি

পর্ব_১৬

লেখিকা_Fabiha_bushra_nimu


মাঝরাতে থেকে পেটের অসহ্য যন্ত্রনায় ছটফট করছে তানহা।দাঁতের ওপরে দাঁত চেপে সকাল হবার অপেক্ষা করছে'।সময়ের সাথে পেটের ব্যথা দ্রুত গতিতে বাড়ছে।একবার এই কাত হচ্ছে,তো' আরেকবার ওই কাত।এপাশ-ওপাশ করতে করতে ফজরে'র আজান দিয়ে দিল।তানহা দেওয়ালের সাথে নিজের হাত বারি মারলো'।চোখ বন্ধ করে জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছে,আর আল্লার কাছে ধৈর্য চাচ্ছে।


তানহা'র ছটফটানি দেখে আজানের একটু আগে জাগা পেয়ে যায় ইফাদ।তানহা'র কি' হয়েছে।তা' বোঝার চেষ্টা করছে।মেয়েটা এমন কেনো?কি' সমস্যা হচ্ছে আমাকে ডেকে বলতে পারলো না'।তখন-ই ইফাদের মাথায় আসলো।আজান হয়ে গেছে।তানহা এখনো নামাজ পড়তে উঠলো না।ইফাদের আর বুঝতে বাকি রইলো না।আল্লাহ তায়ালা তানহা'কে সাময়িক সময়ের জন্য ছুটি দিয়েছে।ইফাদ তড়িঘড়ি করে উঠে বসলো।দ্রুত রুম থেকে বেড়িয়ে গেলো'।


পেটের ওপরে গরম কিছু অনুভব করতে-ই চোখ মেলে তাকালো তানহা।ইফাদ'কে দেখে একটু অবাক হলো'।তার থেকে বেশি অবাক হলো'।ইফাদ তার পাশে শুইয়ে ছিল।উঠে গেলো কি' করে?


--আপনি কখন উঠলেন।


--যখন বউ ডেকে তুলে না।তখন নিজেকেই উঠতে হয়।


তানহা অসহায় দৃষ্টিতে ইফাদের দিকে তাকালো।


--তোমার সমস্যা হচ্ছে,আমাকে ডেকে দিলেই তো' পারতে।এভাবে কষ্ট করছো কেনো?


--আপনি ঘুমিয়ে ছিলেন।তাই আপনাকে বিরক্ত করি নাই।আমার সহ্য করার অভ্যাস আছে।


--কেমন আছে দেখতেই পাচ্ছি।কেমন গলা কাটা মুরগীর মতো ছটফট করছো।


--গরম পানি পেটে ধরে রাখো একটু হলে-ও আরাম পাবে।আমি নামাজ পড়ে আসি।বলেই ইফাদ চলে গেলো'।ইফাদের ব্যবহার দেখে তানহা খুব খুশি হলো'।ইফাদ তানহার দিকে নজর দিয়েছে।তার খেয়াল রাখছে।তার কষ্টটা অনুভব করেছে।ভেবেই মনে প্রশান্তি বইয়ে গেলো।ইফাদ অজু করে এসে বাসায় নামাজ পড়ে নিল।


--আপনি আজকে মসজিদে গেলেন না।


--তোমার ব্যথার ঔষধ নেই।


--না।


--আমাকে বলো নাই কেনো?


--আপনি মনে হয় ছিলেন।আসছেন তো' কয়দিন হলো।


--আচ্ছা আমি সকালে কিনে এনে দিব।একটু বসো আমি আসছি।বলেই ইফাদ চলে গেলো'।তানহা কপালে হাত দিয়ে দু-চোখ বন্ধ করে নিল'।বেশ কিছুক্ষণ পরে হাতে একটা বাটি নিয়ে রুমে প্রবেশ করলো ইফাদ।বাটিটা বিছানায় রেখে তানহাকে বলল।


--তানহা উঠে বসো তো'।


--উঠতে ভালো লাগছে না।একটু পরে উঠে রান্না করবো।এত সকালে তো' আপনারা খান না।


--আমি তোমাকে রান্না করতে বলছি।আমি রেগে যাওয়া'র আগে উঠে বসো'।


ইফাদের কথা শুনে তানহা চোখ মেলে তাকালো'।ইফাদ তানহাকে তুলে আধশোয়া করে বসালো।তানহার পিঠের নিচে বালিশ রেখে দিল।তানহা বালিশে পিঠ ঠেকিয়ে বসলো।ইফাদ কি করতে চাইছে।তা' বোঝার চেষ্টা করছে।খাবারের গন্ধ পেয়ে তানহা নিজের ডান পাশে ডাকলো।ধোঁয়া ওঠা গরম নুডুলসের বাটির দিকে তাকিয়ে আছে।অবাক হয়ে বলল।


--কে রান্না করেছে?


--আমি রান্না করেছি।কথা কম বলো চুপচাপ খাও।


--আমি খাব না।আমার কিছু খেতে ইচ্ছে করছে না।


--এই সময় এমন একটু হবেই।খালি পেটে একদম থাকা যাবে না।সব সময় পেট ভরা রাখবে।তাহলে ব্যথা কম করবে।খালি পেট পেলেই ব্যথা করবে।চুপচাপ খাও কথা কম।বলেই ইফাদ তানহাকে খাইয়ে দিল।ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও খেয়ে নিল তানহা।ইফাদ তানহাকে খাইয়ে দিয়ে।আবার ঘুমোতে বলল।


--এখন ঘুমালে রান্না করবো কখন?


--এখনো অনেক সময় আছে।পরে রান্না করবে।


--সত্যি একটু ব্যথা কমেছে।


--আমি কি নিজের ভালোর জন্য খেতে বললাম।তোমার ভালোর জন্যই বলেছি।কথা না বলে,দু-চোখ বন্ধ করো।একটু ঘুমিয়ে নাও।শান্তিতে থাকতে পারবে।ইফাদ তানহা'কে শুইয়ে দিয়ে।গায়ে কম্বল টেনে দিল।তারপরে তানহার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো।এক পর্যায়ে তানহা ঘুমিয়ে যায়।


রোকেয়া বেগম রুম থেকে বেড়িয়ে রান্না ঘরে তানহা'র কাছে আসছিল।রান্না ঘরে এসে অবাক হয়ে গেলো।


--ইফাদ তুই এত সকালে রান্না ঘরে কি করছিস।


--আম্মু আমি একটা নতুন রেসিপি শিখেছি।সারাদিন বাসায় থাকতে পারি না।আজকে ছুটির দিন।তাই ভাবলাম আজকে তোমাদের রান্না করে খাওয়াই।


রোকেয়া বেগম সন্দেহের দৃষ্টিতে ছেলের দিকে তাকালেন।ছেলে কি সুন্দর করে মিথ্যা কথা বলছে।তিনি মুহূর্তেই বুঝে ফেললেন।ইফাদের একটা অভ্যাস আছে।ইফাদ মিথ্যা কথা বলতে পারে না।প্রয়োজনে যদি দুই একটা বলে-ও থাকে।তাহলে চোখের দিকে তাকিয়ে বলতে পারে না।মিথ্যা বলার সময় ইফাদের দৃষ্টি সব সময় নত থাকে।


--মায়ের কাছে মিথ্যা কথা বলছিস।


ইফাদ অসহায় দৃষ্টিতে মায়ের দিকে তাকালো।


--আম্মু আসলে তানহা অসুস্থ।তাই ভাবলাম আমি আজকের রান্নাটা করি।তুমি যদি তানহা'কে ভুল বুঝো।আজকালর সবাই না কিছু কিছু শাশুড়ী আছে।স্বামী যদি বউদের কোনো কাজ করে দেই।তখন শাশুড়ীরা বউদের অনেক কথা শুনায়।তুমি যদি তানহাকে ভুল বুঝো।তাই মিথ্যা কথা বলেছি।আম্মু তানহা তো' প্রতিদিন রান্না করে।তানহা-ও তো' একটা মানুষ তানহা'র-ও শরীর আছে।মানুষের মাত্রই শরীর খারাপ হতে পারে।এখন তার কাজ যদি অন্য কেউ করে দেয়,তাহলে সমস্যা কোথায়।


--আমাকে তুই এতটা খারাপ ভাবিস ইফাদ।আমাকে তোর এতটা খারাপ মা মনে হয়।তুই যখন ছিলি না।তখন তানহা অসুস্থ থাকলে আমি নিজেই রান্না করেছি।চৈতালি সাহায্য করেছে।আমি এতটা খারাপ মানুষ নই রে ইফাদ।এতিম মেয়েটার ওপরে অত্যাচার করবো।


ইফাদ নিজের মায়ের ব্যবহারে মুগ্ধ হলো।পৃথিবীতে সব মানুষ খারাপ হয় না।ভালো মানুষ আছে বলেই পৃথিবী এখানো টিকে আছে।


--আমি খুব গর্বিত জানো আম্মু।আমি তোমার মতো মা পেয়েছি।তুৃমি আর তানহা আমাকে রান্না করে খাইয়েছো।আজকে আমি তোমাদের রান্না করে খাওয়াবো।


--রান্না করতে পারবি তো'।হাত পুড়িয়ে ফেলিস না আবার।না পারলে আমাকে বল।আমি রান্না করে দিচ্ছি।


--লাগবে না তোমার বয়স হয়েছে।এখন তুমি বসে বসে খাবে।যখন দেখবে তানহা অসুস্থ তখন চৈতালি রান্না করবে।আর চৈতালি না পারলে তুমি করবে।চৈতালি বড় হয়েছে।এখন ওকে বাসার কাজ শিখতে হবে।


--বড় হতেই পারলাম না।বাড়ির বোঝা হয়ে গেলাম।বলল চৈতালি।


--দু'টো থাপ্পড় বসিয়ে দিব।বড়দের মুখে মুখে কথা বলিস।সবাই মা-ভাই ভাবি না।তুই কাজ করবি না।তোকে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াবে।মেয়ে হয়েছিস।একদিন পরের ঘরে যেতে হবে।তোকে দু’কথা শোনালে আমাদের বুকে এসে আঘাত লাগবে।তাই তোকে এমন ভাবে তৈরি করতে চাই।যেনো লোকে তোকে দু’কথা শোনানোর রাস্তা খুঁজে না পায়।তুই পারিস শুধু কথার মানে না বুঝে ভুল বুঝতে।


--রাগ করছো কেনো ভাইয়া।আমি মজা করলাম।আমি জানি তোমরা আমার ভালো চাও।তবু্ও এমন কথা বললে,আমার মন খারাপ হয়ে যায়।আমি এখনই বিয়ে করবো না।আমি আগে চাকরি করবো।নিজের পায়ে দাঁড়াবো।তারপরে বিয়ে করবো।আমি অন্যের ওপরে নির্ভরশীল হয়ে হতে চাই না।


--তুই চাকরি করবি।আমাদের কোনো আপত্তি নেই।নিজেকে সংযত রেখে যা করার করবি।তোর যতদূর ইচ্ছে তুই পড়াশোনা করবি।তোকে কেউ বিয়ের জন্য চাপ দিতে পারবে না।আমি যতদিন আছি।তুই  নিশ্চিন্তে থাকতে পারিস।


--আমি ভালো ছেলে পেলে চৈতালিকে বিয়ে দিয়ে দিব।


--দেখছো ভাইয়া আম্মু কি বলে।


--আম্মু চৈতালির মাথার মধ্যে এসব দিবে না।পড়াশোনা করছে।আপাতত পড়াশোনায় মন দিক।বিয়ের সময় আসলে,তখন দেখা যাবে।


তিনজন বসে বসে জমিয়ে আড্ডা দিল।ইফাদ রান্না শেষ করে সবাইকে খেতে দিল।নিজেও খেয়ে নিল।বাসার সামনের দোকান থেকে ব্যথার ঔষধ কিনে নিয়ে আসলো।ঘড়িতে দশটা বাজতে যায়।তানহা এখনো ঘুমাচ্ছে।ইফাদের কথা মতো কেউ তানহাকে ডাকে নাই।চৈতালি আজকে বাসায়।মায়ের সাথে হাতে হাতে কাজ করছে।বিশটা এতিম বাচ্চাকে খাওয়াবেন রোকেয়া বেগম।ইফাদ কালকেই মাদ্রাসায় বলে আসছিলো।তারা বিকেলে আসবে বলেছে।ইফাদ সকালে গিয়ে বাজার করে নিয়ে এসেছে।


তানহা ছোট ছোট করে দু-চোখ মেলে তাকালো।ঘড়ির দিকে চোখ পড়তেই ধড়ফড়িয়ে উঠে বসলো।


--আমি এত ঘুমালাম কি করে।সকালের রান্না হয়েছে কি' না।সবাই কি' খেয়েছে।তার শাশুড়ীর সকালে ঔষধ খেতে হয়।তানহা দ্রুত বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল।তখনই ইফাদ খাবার নিয়ে রুমে প্রবেশ করলো।


--আমার ম্যাডামের ঘুম ভেঙেছে তাহলে।


--এত বেলা হয়ে গেছে।আপনি আমাকে ডাকেন নাই কেনো?সবাই কি' না খেয়ে আছেন।আম্মার সকালে ঔষধ খেতে হয়।আম্মা কি রাগ করেছে।


--আমার আম্মুকে তোমার এতটা খারাপ মনে হয়।


--এমা ছিঃ না একদম না।ওনার তো' বয়স হয়েছে।ওনার-ও তো ইচ্ছে করে এখন বসে বসে খাবে।ছেলের বউ হয়েছে।ছেলের বউ যেনো মেয়ের মতো আচরণ করে।প্রতিটা শাশুড়ী_ই এমনটা চায়।আমার জন্য উনি কষ্ট পাক তা' আমি চাই না।


--দেখো মেয়ের কথা।তুমি আমাকে মা' ভাবতে পারলে।আমি কেনো তোমাকে মেয়ে ভাবতে পারবো না।তুমি অসুস্থ জেনে-ও তোমাকে দিয়ে অমানুষের মতো কাজ করাবো।


--আম্মা সত্যি আমি অনেক ভাগ্যবান।আমি আপনার মতো শাশুড়ী পেয়েছি।


--আমি'ও অনেক ভাগ্যবান তোমার মতো মেয়ে পেয়েছি।আজকে বাসায় অনেক মানুষ আসবে।সব সময় মাথায় কাপড় দিয়ে রেখো আচ্ছা মা।খেয়ে রান্না ঘরে আসো।হাতে হাতে সাহায্য করবে।আজকের রান্না আমি করবো।তুমি অসুস্থ ভারি কাজ করাবো না।


--আচ্ছা আম্মা।রোকেয়া বেগম চলে গেলেন।তানহা ফ্রেশ হতে চলে গেলো।ফ্রেশ হয়ে এসে বিছানায় বসলো।


--তানহা খেয়ে নাও।না খেয়ে রুমের বাহিরে এক-পা রাখবে না।


--আমার খেতে ইচ্ছে করছে না।


--পিঠে মার পড়লেই খেতে ইচ্ছে করবে।


--আমি কি' ছোট বাচ্চা আমাকে মারবেন।


--তুমি কি' ছোট বাচ্চা তোমাকে খাওয়ার জন্য এত করে বলতে হবে।


--পারলে খাইয়ে দিন।না হলে খাব না।


--বললেই পারতে আমার হাতে খাবে।এত ঢং করার কি ছিল।


--বললেই পারতেন আমাকে খাইয়ে দেওয়ার জন্য বসে আসেন।এত নাটক করার কি আছে।


তানহার কথা শুনে ইফাদ হেসে দিল।তারপরে তানহাকে খাইয়ে দিয়ে,ঔষধ খাইয়ে দিল।দু'জন মিলে রান্না ঘরের দিকে গেলো।চৈতালি মায়ের কাজে সাহায্য করছে।ইফাদ আর তানহা তাদের সাথে যোগ দিল।


--চৈতালি ডালটা দেখিস মা।আমি রুম থেকে আসি।


--আম্মা আমি দেখছি।বলল তানহা।রোকেয়া বেগম রুমে চলে গেলো।


--এই ভাইয়া দাঁড়িয়ে আছো কেনো?ভদ্রলোকের মতো পেঁয়াজ ছিলো।আমাকে আবার চাল ধুইতে হবে।


--তোমাকে চাল ধুইতে হবে না।আমি ধুইয়ে দিব।


--তানহা আমি চাল ধুইয়ে দেই।বলল ইফাদ।


--আপনি ছেলে মানুষ আপনার মেয়েদের কাজ করতে হবে না।


--তুমি অসুস্থ তোমাকে-ও ভারি কাজ করতে হবে না।এই সময়ে ভারি কাজ করতে হয় না।


ইফাদের কথা শুনে চৈতালি মুচকি মুচকি হাসছে।তানহা লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে ফেললো।ইফাদ বলল।


--আমি চাল ধুইয়ে দেই।


--ধুইয়ে দিবেন দেন।


--আজকে যদি আমার একটা বর থাকতো।তাহলে আমাকে এভাবে কাজে সাহায্য করতো।


ইফাদ রাগী দৃষ্টিতে চৈতালির দিকে তাকালো।চৈতালি লজ্জা পেয়ে জিভে কামড় দিয়ে।মাথা নিচু করে ফেললো।রোকেয়া বেগম এসে তানহাকে সরিয়ে দিল।তানহা চৈতালিকে সাহায্য করছে।ইফাদ মাকে সাহায্য করতে।সবাই মিলেমিশে কাজ করছে।রোকেয়া বেগমের মনে হচ্ছে পৃথিবীতে তার পরিবার সবচেয়ে সুখী পরিবার।আল্লাহ যেনো সারাজীবন তার পরিবারকে এমন হাসিখুশি রাখে।কোনো দুঃখ তার পরিবারকে ছুঁইতে না পারে।ভেবেই অস্থির নিঃশ্বাস ছাড়লো।আদৌ কি তার পরিবার সুখী থাকবে।নাকি কোনো কালো অধ্যায় এসে সবকিছু তছনছ করে দিয়ে যাবে।


চলবে.....,,,,,,

,,,,,,,
.........
কপি
পেস্ট

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৮ সোমবার

 সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২৮-১১-২০২২ খ্রি:। 

আজকের শিরোনাম :


* চলমান প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাছাই করে দ্রুত সম্পন্ন করতে সচিবদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।


* এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ।


* ঢাকা মহানগরীতে বিএনপি’র ১০-ই ডিসেম্বরের সমাবেশে বাধা দেবে না সরকার - বললেন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক।


* ব্যস্ত সড়ক বন্ধ করে বিএনপি জনজীবনে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার - তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি।


* সিলেটের বিয়ানীবাজারের পরিত্যক্ত কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হচ্ছে আজ।


* চীনে কঠোর কোভিড নীতির বিরুদ্ধে বড় বড় শহরে বিক্ষোভ।


* এবং বিশ্বকাপ ফুটবলে স্পেনের সাথে ড্র করে লড়াইয়ে টিকে রইল জার্মানী- ক্রোয়েশিয়ার কাছে ৪-১ গোলে হেরে কানাডার বিদায় ।

৮৮ সূরা আল গাশিয়াহ্,,,, বিহ্বলকর ঘটনা,,,,,

 



بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ১


هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ ٱلْغَٰشِيَةِ


উচ্চারণঃ হাল আতা-কা হাদীছুল গা-শিয়াহ।


অর্থঃ আপনার কাছে আচ্ছন্নকারী কেয়ামতের বৃত্তান্ত পৌঁছেছে কি?



সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ২


وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ خَٰشِعَةٌ


উচ্চারণঃ উজূহুইঁ ইয়াওমাইযিন খা-শি‘আহ।


অর্থঃ অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে লাঞ্ছিত,



সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ৩


عَامِلَةٌ نَّاصِبَةٌ


উচ্চারণঃ ‘আ-মিলাতুন না-সিবাহ।


অর্থঃ ক্লিষ্ট, ক্লান্ত।



সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ৪


تَصْلَىٰ نَارًا حَامِيَةً


উচ্চারণঃ তাসলা-না-রান হা-মিয়াহ।


অর্থঃ তারা জ্বলন্ত আগুনে পতিত হবে।



সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ৫


تُسْقَىٰ مِنْ عَيْنٍ ءَانِيَةٍ


উচ্চারণঃ তুছকা-মিন ‘আইনিন আ-নিয়াহ।


অর্থঃ তাদেরকে ফুটন্ত নহর থেকে পান করানো হবে।



সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ৬


لَّيْسَ لَهُمْ طَعَامٌ إِلَّا مِن ضَرِيعٍ


উচ্চারণঃ লাইছা লাহুম তা‘আ-মুন ইল্লা-মিন দারী‘ই।


অর্থঃ কন্টকপূর্ণ ঝাড় ব্যতীত তাদের জন্যে কোন খাদ্য নেই।



সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ৭


لَّا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِى مِن جُوعٍ


উচ্চারণঃ লা-ইউছমিনুওয়ালা-ইউগনী মিন জু‘ই।


অর্থঃ এটা তাদেরকে পুষ্ট করবে না এবং ক্ষুধায়ও উপকার করবে না।



সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ৮


وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَّاعِمَةٌ


উচ্চারণঃ উজূহুইঁ ইয়াওমাইযিন না-‘ইমাহ।


অর্থঃ অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে, সজীব,



সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ৯


لِّسَعْيِهَا رَاضِيَةٌ


উচ্চারণঃ লিছা‘ইহা-রা-দিয়াহ।


অর্থঃ তাদের কর্মের কারণে সন্তুষ্ট।



সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ১০


فِى جَنَّةٍ عَالِيَةٍ


উচ্চারণঃ ফী জান্নাতিন ‘আ-লিয়াহ।


অর্থঃ তারা থাকবে, সুউচ্চ জান্নাতে।

সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ১১

لَّا تَسْمَعُ فِيهَا لَٰغِيَةً

উচ্চারণঃ লা-তাছমা‘উ ফীহা-লা-গিয়াহ।

অর্থঃ তথায় শুনবে না কোন অসার কথাবার্তা।


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ১২

فِيهَا عَيْنٌ جَارِيَةٌ

উচ্চারণঃ ফীহা-‘আইনুন জা-রিয়াহ।

অর্থঃ তথায় থাকবে প্রবাহিত ঝরণা।


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ১৩

فِيهَا سُرُرٌ مَّرْفُوعَةٌ

উচ্চারণঃ ফীহা-ছুরুরুমমারফূ‘আহ।

অর্থঃ তথায় থাকবে উন্নত সুসজ্জিত আসন।


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ১৪

وَأَكْوَابٌ مَّوْضُوعَةٌ

উচ্চারণঃ ওয়া আকওয়া-বুম মাওদূ‘আহ।

অর্থঃ এবং সংরক্ষিত পানপাত্র


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ১৫

وَنَمَارِقُ مَصْفُوفَةٌ

উচ্চারণঃ ওয়া নামা-রিকুমাসফূফাহ।

অর্থঃ এবং সারি সারি গালিচা


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ১৬

وَزَرَابِىُّ مَبْثُوثَةٌ

উচ্চারণঃ ওয়া ঝারা-বিইয়ুমাবছূছাহ।

অর্থঃ এবং বিস্তৃত বিছানো কার্পেট।


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ১৭

أَفَلَا يَنظُرُونَ إِلَى ٱلْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ

উচ্চারণঃ আফালা-ইয়ানজু রুনা ইলাল ইবিলি কাইফা খুলিকাত।

অর্থঃ তারা কি উষ্ট্রের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে?


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ১৮

وَإِلَى ٱلسَّمَآءِ كَيْفَ رُفِعَتْ

উচ্চারণঃ ওয়া ইলাছ ছামাই কাইফা রুফি‘আত।

অর্থঃ এবং আকাশের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে উচ্চ করা হয়েছে?


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ১৯

وَإِلَى ٱلْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ

উচ্চারণঃ ওয়া ইলাল জিবা-লি কাইফা নুসিবাত।

অর্থঃ এবং পাহাড়ের দিকে যে, তা কিভাবে স্থাপন করা হয়েছে?


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ২০

وَإِلَى ٱلْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ

উচ্চারণঃ ওয়া ইলাল আরদি কাইফা ছুতিহাত।

অর্থঃ এবং পৃথিবীর দিকে যে, তা কিভাবে সমতল বিছানো হয়েছে?


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ২১

فَذَكِّرْ إِنَّمَآ أَنتَ مُذَكِّرٌ

উচ্চারণঃ ফাযাক্কির ইন্নামাআনতা মুযাক্কির।

অর্থঃ অতএব, আপনি উপদেশ দিন, আপনি তো কেবল একজন উপদেশদাতা,


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ২২

لَّسْتَ عَلَيْهِم بِمُصَيْطِرٍ

উচ্চারণঃ লাছাতা ‘আলইহিম বিমুসাইতির।

অর্থঃ আপনি তাদের শাসক নন,


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ২৩

إِلَّا مَن تَوَلَّىٰ وَكَفَرَ

উচ্চারণঃ ইল্লা-মান তাওয়াল্লা-ওয়া কাফার।

অর্থঃ কিন্তু যে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও কাফের হয়ে যায়,


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ২৪

فَيُعَذِّبُهُ ٱللَّهُ ٱلْعَذَابَ ٱلْأَكْبَرَ

উচ্চারণঃ ফাইউ‘আযযিবুহুল্লা-হুল ‘আযা-বাল আকবার।

অর্থঃ আল্লাহ তাকে মহা আযাব দেবেন।


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ২৫

إِنَّ إِلَيْنَآ إِيَابَهُمْ

উচ্চারণঃ ইন্না ইলাইনাইয়া-বাহুম।

অর্থঃ নিশ্চয় তাদের প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট,


সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (الغاشية), আয়াত: ২৬

ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا حِسَابَهُم

উচ্চারণঃ ছু ম্মা ইন্না ‘আলাইনা-হিছা-বাহুম।

অর্থঃ অতঃপর তাদের হিসাব-নিকাশ আমারই দায়িত্ব।

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

৮৯ সূরা আল ফাজ্‌র,,,, ভোরবেলা

 



بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।


সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ১


وَٱلْفَجْرِ


উচ্চারণঃ ওয়াল ফাজর।


অর্থঃ শপথ ফজরের,



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২


وَلَيَالٍ عَشْرٍ


উচ্চারণঃ ওয়া লায়া-লিন ‘আশর


অর্থঃ শপথ দশ রাত্রির, শপথ তার,



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ৩


وَٱلشَّفْعِ وَٱلْوَتْرِ


উচ্চারণঃ ওয়াশশাফা‘ই ওয়াল ওয়াতর ।


অর্থঃ যা জোড় ও যা বিজোড়



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ৪


وَٱلَّيْلِ إِذَا يَسْرِ


উচ্চারণঃ ওয়াল্লাইলি ইযা-ইয়াছর।


অর্থঃ এবং শপথ রাত্রির যখন তা গত হতে থাকে



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ৫


هَلْ فِى ذَٰلِكَ قَسَمٌ لِّذِى حِجْرٍ


উচ্চারণঃ হাল ফী যা-লিকা কাছামুল লিযী হিজর।


অর্থঃ এর মধ্যে আছে শপথ জ্ঞানী ব্যক্তির জন্যে।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ৬


أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ


উচ্চারণঃ আলাম তারা কাইফা ফা‘আলা রাব্বুকা বি‘আ-দ।


অর্থঃ আপনি কি লক্ষ্য করেননি, আপনার পালনকর্তা আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কি আচরণ করেছিলেন,



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ৭


إِرَمَ ذَاتِ ٱلْعِمَادِ


উচ্চারণঃ ইরামা যা-তিল ‘ইমা-দ


অর্থঃ যাদের দৈহিক গঠন স্তম্ভ ও খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ ছিল এবং



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ৮


ٱلَّتِى لَمْ يُخْلَقْ مِثْلُهَا فِى ٱلْبِلَٰدِ


উচ্চারণঃ আল্লাতী লাম ইউখলাকমিছলুহা-ফিল বিলা-দ।


অর্থঃ যাদের সমান শক্তি ও বলবীর্যে সারা বিশ্বের শহরসমূহে কোন লোক সৃজিত হয়নি



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ৯


وَثَمُودَ ٱلَّذِينَ جَابُوا۟ ٱلصَّخْرَ بِٱلْوَادِ


উচ্চারণঃ ওয়া ছামূদাল্লাযীনা জা-বুসসাখরা বিল ওয়া-দ।


অর্থঃ এবং সামুদ গোত্রের সাথে, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ১০


وَفِرْعَوْنَ ذِى ٱلْأَوْتَادِ


উচ্চারণঃ ওয়া ফির‘আউনা যীল আওতা-দ।


অর্থঃ এবং বহু কীলকের অধিপতি ফেরাউনের সাথে



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ১১


ٱلَّذِينَ طَغَوْا۟ فِى ٱلْبِلَٰدِ


উচ্চারণঃ আল্লাযীনা তাগাও ফিল বিলা-দ।


অর্থঃ যারা দেশে সীমালঙ্ঘন করেছিল।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ১২


فَأَكْثَرُوا۟ فِيهَا ٱلْفَسَادَ


উচ্চারণঃ ফাআকছারূ ফীহাল ফাছা-দ।


অর্থঃ অতঃপর সেখানে বিস্তর অশান্তি সৃষ্টি করেছিল।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ১৩


فَصَبَّ عَلَيْهِمْ رَبُّكَ سَوْطَ عَذَابٍ


উচ্চারণঃ ফাসাব্বা ‘আলাইহিম রাব্বুকা ছাওতা ‘আযা-ব।


অর্থঃ অতঃপর আপনার পালনকর্তা তাদেরকে শাস্তির কশাঘাত করলেন।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ১৪


إِنَّ رَبَّكَ لَبِٱلْمِرْصَادِ


উচ্চারণঃ ইন্না রাব্বাকা লাবিলমিরসা-দ।


অর্থঃ নিশ্চয় আপনার পালকর্তা সতর্ক দৃষ্টি রাখেন।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ১৫


فَأَمَّا ٱلْإِنسَٰنُ إِذَا مَا ٱبْتَلَىٰهُ رَبُّهُۥ فَأَكْرَمَهُۥ وَنَعَّمَهُۥ فَيَقُولُ رَبِّىٓ أَكْرَمَنِ


উচ্চারণঃ ফাআম্মাল ইনছা-নুইযা-মাবতালা-হু রাব্বুহু ফাআকরামাহূওয়া না‘‘আমাহূ ফাইয়াকূলু রাববীআকরামান।


অর্থঃ মানুষ এরূপ যে, যখন তার পালনকর্তা তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর সম্মান ও অনুগ্রহ দান করেন, তখন বলে, আমার পালনকর্তা আমাকে সম্মান দান করেছেন।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ১৬


وَأَمَّآ إِذَا مَا ٱبْتَلَىٰهُ فَقَدَرَ عَلَيْهِ رِزْقَهُۥ فَيَقُولُ رَبِّىٓ أَهَٰنَنِ


উচ্চারণঃ ওয়া আম্মাইযা-মাবতালা-হু ফাকাদারা ‘আলাইহি রিঝকাহূ ফাইয়াকূলুরাববী আহা-নান।


অর্থঃ এবং যখন তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর রিযিক সংকুচিত করে দেন, তখন বলেঃ আমার পালনকর্তা আমাকে হেয় করেছেন।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ১৭


كَلَّا بَل لَّا تُكْرِمُونَ ٱلْيَتِيمَ


উচ্চারণঃ কাল্লা-বাল্লা-তুকরিমূনাল ইয়াতীম।


অর্থঃ এটা অমূলক, বরং তোমরা এতীমকে সম্মান কর না।


সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ১৮


وَلَا تَحَٰٓضُّونَ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلْمِسْكِينِ


উচ্চারণঃ ওয়া লা-তাহাদ্দূ না ‘আলা-তা‘আ-মিল মিছকীন।


অর্থঃ এবং মিসকীনকে অন্নদানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না।

সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ১৯


وَتَأْكُلُونَ ٱلتُّرَاثَ أَكْلًا لَّمًّا


উচ্চারণঃ ওয়া তা’কুলূনাত তুরা-ছা আকলাল্লাম্মা-।


অর্থঃ এবং তোমরা মৃতের ত্যাজ্য সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে কুক্ষিগত করে ফেল



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২০


وَتُحِبُّونَ ٱلْمَالَ حُبًّا جَمًّا


উচ্চারণঃ ওয়া তুহিব্বুনাল মা-লা হুব্বান জাম্মা-।


অর্থঃ এবং তোমরা ধন-সম্পদকে প্রাণভরে ভালবাস।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২১


كَلَّآ إِذَا دُكَّتِ ٱلْأَرْضُ دَكًّا دَكًّا


উচ্চারণঃ কাল্লাইযা-দুক্কাতিল আরদুদাক্কান দাক্কা-।


অর্থঃ এটা অনুচিত। যখন পৃথিবী চুর্ণ-বিচুর্ণ হবে



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২২


وَجَآءَ رَبُّكَ وَٱلْمَلَكُ صَفًّا صَفًّا


উচ্চারণঃ ওয়া জাআ রাব্বুকা ওয়াল মালাকুসাফফান সাফফা-।


অর্থঃ এবং আপনার পালনকর্তা ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন,



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২৩


وَجِا۟ىٓءَ يَوْمَئِذٍۭ بِجَهَنَّمَ يَوْمَئِذٍ يَتَذَكَّرُ ٱلْإِنسَٰنُ وَأَنَّىٰ لَهُ ٱلذِّكْرَىٰ


উচ্চারণঃ ওয়া জীআ ইয়াওমাইযিম বিজাহান্নামা ইয়াওমাইযিইঁ ইয়াতাযাক্কারুল ইনছা-নুওয়া আন্না-লাহুযযিকরা-।


অর্থঃ এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২৪


يَقُولُ يَٰلَيْتَنِى قَدَّمْتُ لِحَيَاتِى


উচ্চারণঃ ইয়াকূ লুইয়া-লাইতানী কাদ্দামতুলিহায়া-তী।


অর্থঃ সে বলবেঃ হায়, এ জীবনের জন্যে আমি যদি কিছু অগ্রে প্রেরণ করতাম!



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২৫


فَيَوْمَئِذٍ لَّا يُعَذِّبُ عَذَابَهُۥٓ أَحَدٌ


উচ্চারণঃ ফাইয়াওমাইযিল লা-ইউ‘আযযি বু‘আযা-বাহূআহাদ।


অর্থঃ সেদিন তার শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিবে না।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২৬


وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُۥٓ أَحَدٌ


উচ্চারণঃ ওয়ালা-ইঊছিকুওয়াছা-কাহূআহাদ।


অর্থঃ এবং তার বন্ধনের মত বন্ধন কেউ দিবে না।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২৭


يَٰٓأَيَّتُهَا ٱلنَّفْسُ ٱلْمُطْمَئِنَّةُ


উচ্চারণঃ ইয়াআইয়াতুহান্নাফছুল মুতমাইন্নাহ


অর্থঃ হে প্রশান্ত মন,



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২৮


ٱرْجِعِىٓ إِلَىٰ رَبِّكِ رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً


উচ্চারণঃ ইরজি‘ঈইলা-রাব্বিকি রা-দিয়াতাম মারদিইয়াহ।


অর্থঃ তুমি তোমার পালনকর্তার নিকট ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ২৯


فَٱدْخُلِى فِى عِبَٰدِى


উচ্চারণঃ ফাদখুলী ফী ‘ইবা-দী।


অর্থঃ অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও।



সূরা আল ফাজ্‌র (الفجر), আয়াত: ৩০


وَٱدْخُلِى جَنَّتِى


উচ্চারণঃ ওয়াদখুলী জান্নাতী।


অর্থঃ এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর।


,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১১-০৫-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১১-০৫-২০২৬ আজকের সংবাদ শিরোনাম রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দে...