এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২২

৮৬ সূরা আত-তারিক্ব,,,, রাতের আগন্তুক,,,,


بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।



সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ১


وَٱلسَّمَآءِ وَٱلطَّارِقِ


উচ্চারণঃ ওয়াছ ছামাই ওয়াততা-রিক।


অর্থঃ শপথ আকাশের এবং রাত্রিতে আগমনকারীর।



সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ২


وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلطَّارِقُ


উচ্চারণঃ ওয়া মাআদরা-কা মাত্তা-রিক।


অর্থঃ আপনি জানেন, যে রাত্রিতে আসে সেটা কি?



সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ৩


ٱلنَّجْمُ ٱلثَّاقِبُ


উচ্চারণঃ আন্নাজমুছছা-কিব।


অর্থঃ সেটা এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।



সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ৪


إِن كُلُّ نَفْسٍ لَّمَّا عَلَيْهَا حَافِظٌ


উচ্চারণঃ ইন কুল্লুনাফছিল লাম্মা-‘আলাইহা-হা-ফিজ।


অর্থঃ প্রত্যেকের উপর একজন তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে।



সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ৫


فَلْيَنظُرِ ٱلْإِنسَٰنُ مِمَّ خُلِقَ


উচ্চারণঃ ফালইয়ানযুরিল ইনছা-নুমিম্মা খুলিক।


অর্থঃ অতএব, মানুষের দেখা উচিত কি বস্তু থেকে সে সৃজিত হয়েছে।



সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ৬


خُلِقَ مِن مَّآءٍ دَافِقٍ


উচ্চারণঃ খুলিকা মিম্মাইন দা-ফিকি।


অর্থঃ সে সৃজিত হয়েছে সবেগে স্খলিত পানি থেকে।



সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ৭


يَخْرُجُ مِنۢ بَيْنِ ٱلصُّلْبِ وَٱلتَّرَآئِبِ


উচ্চারণঃ ইয়াখরুজুমিম বাইনিসসুলবি ওয়াত্তারাইব।


অর্থঃ এটা নির্গত হয় মেরুদন্ড ও বক্ষপাজরের মধ্য থেকে।


 সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ৮


إِنَّهُۥ عَلَىٰ رَجْعِهِۦ لَقَادِرٌ

উচ্চারণঃ ইন্নাহূ‘আলা-রাজ‘ইহী লাকা-দির।

অর্থঃ নিশ্চয় তিনি তাকে ফিরিয়ে নিতে সক্ষম।


সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ৯

يَوْمَ تُبْلَى ٱلسَّرَآئِرُ

উচ্চারণঃ ইয়াওমা তুবলাছ ছারাইর।

অর্থঃ যেদিন গোপন বিষয়াদি পরীক্ষিত হবে,

সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ১০

فَمَا لَهُۥ مِن قُوَّةٍ وَلَا نَاصِرٍ

উচ্চারণঃ ফামা-লাহূমিন কুওওয়াতিওঁ ওয়ালা-না-সির।

অর্থঃ সেদিন তার কোন শক্তি থাকবে না এবং সাহায্যকারীও থাকবে না।


সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ১১

وَٱلسَّمَآءِ ذَاتِ ٱلرَّجْعِ

উচ্চারণঃ ওয়াছ ছামাই যা-তির রাজ‘ই।

অর্থঃ শপথ চক্রশীল আকাশের


সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ১২

وَٱلْأَرْضِ ذَاتِ ٱلصَّدْعِ

উচ্চারণঃ ওয়াল আরদিযা-তিসসাদ‘ই।

অর্থঃ এবং বিদারনশীল পৃথিবীর


সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ১৩

إِنَّهُۥ لَقَوْلٌ فَصْلٌ

উচ্চারণঃ ইন্নাহূলাকাওলুন ফাসল।

অর্থঃ নিশ্চয় কোরআন সত্য-মিথ্যার ফয়সালা।


সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ১৪

وَمَا هُوَ بِٱلْهَزْلِ

উচ্চারণঃ ওয়ামা-হুওয়া বিল হাঝলি।

অর্থঃ এবং এটা উপহাস নয়।


সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ১৫

إِنَّهُمْ يَكِيدُونَ كَيْدًا

উচ্চারণঃ ইন্নাহুম ইয়াকীদূনা কাইদাওঁ।

অর্থঃ তারা ভীষণ চক্রান্ত করে,


সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ১৬

وَأَكِيدُ كَيْدًا

উচ্চারণঃ ওয়া আকীদুকাইদা-।

অর্থঃ আর আমিও কৌশল করি।


সূরা আত-তারিক্ব (الطّارق), আয়াত: ১৭

فَمَهِّلِ ٱلْكَٰفِرِينَ أَمْهِلْهُمْ رُوَيْدًۢا

উচ্চারণঃ ফামাহহিলিল কা-ফিরীনা আমহিলহুম রুওয়াইদা-।

অর্থঃ অতএব, কাফেরদেরকে অবকাশ দিন, তাদেরকে অবকাশ দিন, কিছু দিনের জন্যে।

,,,,,,,,,,,,,,,

বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২

সাধারণ মুসলমানদের হকসমূহ....

সাধারণ মুসলমানদের হকসমূহঃ


১.মুসলমান ভাইয়ের ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করবে।

২.সে কাঁদলে তার প্রতি দয়া করবে।

৩.তার দোষ-ত্রুটি গোপন করবে। ইসলাহের জন্য বলতে হলে গোপনে বলবে।

৪.তার ওজর-আপত্তি মেনে নিবে।

৫.তার কষ্ট লাঘব করবে।

৬.সব সময় তার কল্যাণ কামনা করবে।

৭.তার দেখাশোনা করবে ও তাকে ভালোবাসবে।

৮.তার দায়িত্বের ক্ষেত্রে ছাড় দিবে।

৯.অসুস্থ হলে সেবা-শুশ্রূষা করবে।

১০.মৃত্যুবরণ করলে জানাযায় অংশ নিবে।

১১.তার দা’ওয়াত কবুল করবে। কোন বিষয়ে সাহায্য চাইলে তাউফীক থাকলে সাহায্য করবে।

১২.ওজর না থাকলে তার হাদিয়া কবুল করবে।

১৩.তার সদাচরণের প্রতিদান দিবে।

১৪.তার নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে।

প্রয়োজন হলে তাকে সাহায্য করবে।

১৫.তার পরিবার-পরিজনের হেফাযত করবে।

১৬.তার অভাব মোচন করবে।

১৭.তার ভালো আবেদন পূরণ করবে।

১৮.তার বৈধ সুপারিশ গ্রহণ করবে।

১৯.তার বৈধ আশা পূরণ করবে।

২০.সে হাঁচি দিয়ে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বললে উত্তরে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলবে।

২১.তার হারানো জিনিস পেলে তার কাছে পৌঁছে দিবে।

২২.তার সালামের উত্তর তাকে শুনিয়ে দিবে।

২৩.নম্রতার সাথে ও হাসিমুখে তার সাথে কথা বলবে।

তার প্রতি সদাচরণ করবে।

২৪.তোমার উপর ভরসা করে কসম খেলে তা পূরণ করবে।

২৫.তার উপর কেউ জুলুম করলে তাকে সাহায্য করবে। সে কারো উপর জুলুম করলে তাকে বাধা দিবে।

২৬.তার প্রতি ভালোবাসা পোষণ করবে। শত্রুতা করবে না।

২৭.তাকে লাঞ্ছিত করবে না। যে জিনিস নিজের জন্য পছন্দ করো, তা তার জন্যও পছন্দ করবে।

২৮.সাক্ষাত হলে সালাম করবে, সম্ভব হলে মুসাফাহা করবে।

২৯.ঘটনাচক্রে পরস্পরে মনোমালিন্য হলে তিন দিনের বেশি কথা বন্ধ রাখবে না।

৩০.তার প্রতি মন্দ ধারণা পোষণ করবে না।

৩১.তার প্রতি হিংসা ও বিদ্বেষ পোষণ করবে না।

৩২.সামর্থ্যানুযায়ী সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করবে।

৩৩.ছোটদের প্রতি স্নেহ ও বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করবে।

৩৪.দু’জন মুসলমানের মাঝে কলহ হলে তাদেরকে পরস্পরে মিলিয়ে দিবে।

৩৫.তার গীবত করবে না।

৩৬.তার ধন সম্পদ বা মান-সম্মানের কোন ক্ষতি করবে না।

৩৭.যদি বাহনে আরোহণ করতে না পারে বা বাহনের উপর সামানাপত্র উঠাতে না পারে, তাহলে তার সহায়তা করবে।

৩৮.তাকে তুলে দিয়ে তার স্থানে বসবে না।

৩৯.তৃতীয় ব্যক্তিকে একা ছেড়ে দু’জনে কথা বলবে না।

৪০. আল্লাহর কাছে তার জন্য দোয়া করবে। 

৫৩ টি পেশার ইংরেজি ও উচ্চারণ,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ৫৩ টি পেশার ইংরেজি ও উচ্চারণ 😀


1. Scuba Diver (স্কুবা-ডাইভা) – ডুবুরী

2. Farmer (ফা-মা) – কৃষক

3. Teacher (ঠিচা) – শিক্ষক

4. Advocate (এ্যাডভোকেট) – উকিল

5. Ambassador (এম-ব্যা-সা-ডা) – রাষ্ট্রদূত 3

6. Goldsmith (গৌল্ড-স্মিথ) – স্বর্ণকার

7. Lawyer (লইয়া) – আইনজীবী 

8. Journalist (জা-না-লিস্ট) – সাংবাদিক

9. Blacksmith (ব্ল্যাকস্মিথ) – কামার

10. Scientist (সায়েন-ঠিস্ট) – বিজ্ঞানী

11. Cobbler (খব-লা) – মুচি

12. Barber (বা-বা) – নাপিত

13. Pilot (ফাই-লাট) – বিমানচালক

14. Shop-keeper (শপ-খিপা) – দোকানদার

15. Hawker (হকা) – ফেরিওয়ালা

16. Jeweller (জুলা) – জহুরী

17. Politician (ফলি-ঠি-শান) – রাজনীতিবিদ

18. Painter (ফেইন-ঠা) – চিত্রকার

19. Postman (ফৌস্ট-ম্যান) – ডাকপিওন

20. Doctor (ডক-টা) – চিকিৎসক

21. Soldier (সোলজা) – সেনা

22. Fisherman (ফিশা-ম্যান) – জেলে

23. Designer (ডিজাইনা) – নকশাকার

24. Editor (এডি-ঠা) – সম্পাদক

25. Taylor (ঠেইলা) – দর্জি

26. Boatman (বৌট-ম্যান) – মাঝি

27. Confectioner (খন-ফেক-শ-না) – মিষ্টান্ন কারিগর 

28. Examiner (ইগ-যা-মি-না) – পরীক্ষক

29. Butcher (বুচা) – কসাই

30. Accountant (এ্যাখা-উন-ঠেন্ট) – হিসাবরক্ষক

31. Actor (এক-ঠা) – অভিনেতা

32. Actress (এক-ঠ্রিস) – অভিনেত্রী

33. Athlete (এথ-লিট) – ক্রীড়াবিদ

34. Cartographer (খা-ঠা-গ্রা-ফা) – মানচিত্রকার

35. Composer (খম-ফৌ-যা) – গীতিকার

36. Director (ডিরেক-ঠা) – পরিচালক

37. Doorman (ডো-ম্যান) – দারোয়ান

38. Economist (ই-খ-ন-মিস্ট) – অর্থনীতিবিদ

39. Gardener (গা-ডে-না) – মালী

40. Hunter (হান-টা) – শিকারী

41. Judge (জাজ) – বিচারক

42. Worker (ওয়া-কা) – শ্রমিক

43. Rickshaw puller - (রিকসা-ফু-লা)

44. Landlord (ল্যান্ড-লোড) – জমিদার

45. Mason (মেই-সন) – রাজমিস্ত্রি

46. Mechanic (মেখা-নিক) – মিস্ত্রি

47. Woodcarver (উড-খা-ভা) – কাঠ ভাস্কর

48. Translator (ট্রান্স-লেই-ঠা) – অনুবাদক

49. Violinist (ভাই-য়া-লি-নিস্ট) – বেহালাবাদক

50. Tutor (ঠিউ-ঠা) – গৃহশিক্ষক

51. Builder (বিল-ডা) – নির্মাতা

52. Warden (ওয়া-ডেন) – প্রহরী

53. Home maker (হৌম-মেই-খা) - গৃহিণী


English Therapy

কপি
পেস্ট 

ভালোবাসার ফোড়ন ফেইসবুক থেকে

 বিয়ের সাজে খাটের এক কোণে গুটিসুটি মেরে বসে আছি আমি, আর দেখে যাচ্ছি আমার সামনে চেয়ারে বসে থাকা লোক'টার দিকে। লোকটা তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে আর সিগারেট খাচ্ছে। আমি এতো ভয়ের মধ্যেও গুনে দেখলাম উনি এই ২০ মিনিটে ৮ সিগারেট খেয়ে ফেলেছে, এবার ৯ নাম্বার টা মুখে দিয়েছে। এতোক্ষণ যে বিয়ে বাড়ি বিয়ের সাজে সেজে ওঠেছিল এখন তা নিস্তব্ধ হয়ে আছে। খানিকক্ষণ আগেও দরজার বাইরে থেকে আমার মামী'র আওয়াজ শুনতে পারছিলাম কিন্তু এখন আর পাচ্ছি না। বোধহয় উনার লোকগুলো মামা আর মামী কে ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে রেখেছেন। 


হ্যাঁ লোকটা কে আমি চিনি, উনার নাম আহিয়ান চৌধুরী। দেশের একজন বড় বিজনেসম্যান কবীর চৌধুরী'র ছোট ছেলে। কিন্তু আমি এটাই বুঝে ওঠতে পারছি না উনি আমাকে এভাবে এখানে কেন আটকে রেখেছেন? কি চাইছেন উনি? উনাকে দেখে ভয়ে আমার মুখ থেকে কোনো কথাই আসছে না। 

কিছুক্ষণ আগে...

বিয়ের আসরে বসে ছিলাম। আজ আমার বিয়ে কিন্তু বিয়েটা আমার অমতে দেওয়া হচ্ছিল। তবুও ভাগ্যের এই পরিহাস কে মেনে নিয়েছিলাম কারন একটাই আমি অনাথ।‌‌ আর আমার মতো অনাথ মেয়ে'টা এতো দিন আমার মামা মামী বড় করেছে আর এখন এই বোঝা কে সরানোর জন্য তারা ব্যাকুল হয়ে ওঠেছে, তাই তো আমার থেকে বয়সে ৩ গুন বড় একজন লোকের সাথে টাকার লোভে আমার বিয়ে ঠিক করেন। আমি না চেয়েও বিয়েতে রাজি হয়ে গেলাম। ভাগ্যের হাতে সবকিছু ছেড়ে দিলাম। 

কবুল বলতে যাবো ঠিক তখন'ই কতো গুলো কালো রঙের গাড়ি এসে থামে। সবাই অবাক! আর অবাক হবার'ই কথা কারন হলো আমাদের মতো বাড়িতে এতো দামি গাড়ি এসে থামল কেন? এর মানেই কিছু গন্ডগোল আছে? সবাই সমালোচনা করতে ব্যস্ত হয়ে গেল। 
গাড়ি থেকে কয়েকজন লোক নামল, সকলের পোশাক এক। মনে হচ্ছে তারা গার্ড। তারা গাড়ির দরজা খুললে একটা লোক বের হন। তিনি হাঁটতে হাঁটতে আমার সামনে এসে দাঁড়ান,আমি রীতিমতোতাকে দেখে চোখ কপালে তুলে গেল কারন এটা আহিয়ান ছিলেন। উনি আমার অবাকের সীমা পার করে দিলেন যখন সবার সামনে আমার বাহু ধরে বিয়ের আসর থেকে নামিয়ে দিলেন। আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম। বোঝার চেষ্টা করতে লাগলাম আমার ভাগ্য আমাকে নতুন কি দেখায়। 

এভাবে সকলের সামনে আমার বাহু ধরে নামানোতে আমার মামা এসে উনা'র কাছে যেতে নিলে গার্ড'রা আমার মামা কে আটকে দেন। সকলের সামনে আমাকে টেনে নিয়ে আসেন আমার ঘরে। আমার কোনো চিৎকার'ই হয়তো উনার কানে পৌঁছায় নি নয়তোবা উনি কানে তুলেন নি। 

ঘরে এসে আমাকে বিছানায় ছুড়ে মেরে দরজা আটকে দিলেন। উনার এমন কাজে আমার ভয়ে আমার শরীর শিউরে উঠলো। কি করতে যাচ্ছেন তিনি। ভয়ে আমি বিছানায় এক কোনে হাত পা গুটিয়ে বসে পরলাম। কিন্তু উনি আমার ভাবনা'র ছেদ ঘটিয়ে উনি একটা চেয়ার টেনে বসে পরলেন আমার সামনে। তারপর এক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে পকেট থেকে একটা সিগারেট বের পরে তাতে আগুন ধরিয়ে দিলেন। আমি উনাকে দেখেই যাচ্ছি। 

ভয় হচ্ছে খুব! হবার'ই কথা, উনি যে আমার ওপর তার ঝাল মিটাচ্ছেন এটা আমি এখন বুঝেছি। প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো কোনো খারাপ মতলব আছে উনার। কিন্তু এতোক্ষণে যখন আমার কাছে আসে নি তারমানে উনি শুধু আমায় কলঙ্কিনী করতে চায় তাই এমন'টা করছে। একটা চড়ের বদলা এভাবে নেবে ভাবতে পারি নি। কিন্তু আমি তো উনার কাছে ক্ষমা চেয়েছি তারপরও এতো রাগ দেখাচ্ছেন উনি। কিন্তু আমাকেও তো কম অপমান করেন নি উনি। তাহলে এতো কিসের অহংকার উনার। 

যাহ এতোকিছুর মধ্যে নিজের পরিচয় টা দেওয়া হয় নি। এতো কিছু বলে ফেললাম আর এটাই বলিনি। তাহলে কি করে হবে.. আমি নিহারিকা নিহা। অর্নাসের বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। প্রথমেই বলেছি আমি অনাথ। ছোটবেলায় কার এক্সিডেন্ট এ মা বাবা দুজনেই মারা যান। আত্নীয়- স্বজন বলতে শুধু দাদি আর মামা মামী ছিলেন। কিন্তু আমার দাদি ও আমাকে ধোঁকা দেন তাই শেষমেষ মামা মামী দের কাছে চলে আসি। আমার একটা মামাতো ভাই ও আছে। ও খুব ছোট। ৭ বছর বয়স ওর। নাম হলো শুভ। এই পৃথিবীতে আমাকে শুধু ও'ই ভালোবাসে। 

আমার ঘোর কাটল যখন দেখলাম উনি আমার কাছে আসছেন। আমি শুকনো ঢোক গিলে পিছনে যেতে লাগলাম। উনি আমার দিকেই আগাচ্ছেন।ভয়ে আমার হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।ভয়ে এখন গলা দিয়ে আওয়াজ বেরুচ্ছে না।‌ উনি খাটের এক পাশে আমি খাটের অন্যপাশে। উনি আমার হাত ধরে নিজের দিকে টানতে লাগলেন। এবার আমি কান্না করে দিলাম। উনি আমার হাত ছেড়ে দিলেন। 

আমি নিঃশব্দে কাঁদছি, উনি হুট করেই খাটের এপাশে চলে এসে আমার বাহু ধরলেন। ভয়ে আমি লাফিয়ে উঠলাম। অনেক ছাড়বার চেস্টা করছি কিন্তু পারছি না। উনার কাছ থেকে সিগারেটের বিছরি গন্ধ আমার নাকে আসছে। অনেক ছোটাছুটি করছি আমি। কিন্তু উনি ছাড়ছেন না। আমার হাত দুটো ধরে নিজের কাছে আনলেন। এখন আরো বেশি করে বাজে গন্ধ'টা পাচ্ছি। খুব কাঁদছি আমি। আমি উনার কাছে কাকুতি মিনতি করেই যাচ্ছি কিন্তু উনা আমায় ধারছেন না। উনার এক হাত আমার দিকে বাড়ালেন আমি ‌ভয়ে চোখ বন্ধ করে নেই। হঠাৎ করেই ঠোঁটে কিছু'র অনুভব করি। সাথে সাথে চোখ খুলে তাকিয়ে দেখি উনি রুমাল দিয়ে আমার ঠোঁটের লিপস্টিক মুছছে। আমি আকস্মিক ভাবে তাকিয়ে দেখছি। 

এই লিপস্টিক মুছার জন্য উনি এরকম করছেন! ব্যাপার টা কেমন কেমন লাগছে। কিন্তু এ্যা মা উনি লিপস্টিক মুছছে কোথায়? উনি তো আমার পুরো মুখে লিপস্টিক ভরিয়ে দিচ্ছেন। বিয়ের জন্য পার্লারে সাজাতে যায়নি সত্যি বলতে কখনো পার্লারে যায়নি। টিউশনি'র টাকায় পড়াশুনা করতাম বলে খুব হিসাব করে চলতে হতো। তাই আজও নিজেই ঘরে সেজেছিলাম। কম দামির সব জিনিসপত্র দিয়ে। যার কারনে উনি লিপস্টিক মুছছে যাওয়ায় তা সহজেই উঠে গেল। 

উনি আমাকে জোকার বানিয়েছে বুঝতে পারছি। কিন্তু উনি হুট করেই যখন আমার চুলে হাত দেন আমি কেঁপে উঠি। আমার খোঁপায় বাধা চুলগুলো উনি ছেড়ে দেন শুধু তাই নয় আমাকে অগোছালো করে দেন। যেখানে আমি খুব পরিপাটি ছিলাম সেখানে উনি এক ঝটকায় আমার সাজ নষ্ট করে দেয়। তারপর আমাকে আবার বিছানায় ছুড়ে মারে। এক মূহুর্ত না দেরি না করে হন হন করে বেরিয়ে যায় রুম‌ থেকে। আমি বিছানা থেকে ওঠে কাঁদতে থাকে। জানি এতো কিছুর পর আমার বিয়েটা আর হবে না ভেঙ্গে যাবে। আমার মান সম্মান সব যাবে শুধু তাই নয় মামী'র হাতে অনেক অত্যাচার ও সহ্য করতে হবে। 

উনি বের হবার সাথে সাথে মামা আর মামী সহ কিছু মেহমান রুমের ভেতরে আসলেন। আমার এমন অবস্থায় দেখে তারা নানান কথা বলতে লাগলেন। আমার মামা আর মামী রাগে ফুঁসছে। আমি গুটিয়ে কান্না করছি। সবার কথা কানে আসছে। বরযাত্রী নাকি চলে গেছে মূলত উনাদের নাকি বের করে দেওয়া হয়েছে।সবাই বলাবলি করছে,

- কি মেয়েরা বাবা জন্মের পর মা বাবা খেলো আর এখন যারা আশ্রয় দিলো তাদের মাথা নিচু করে দিলো।

- বরযাত্রী দের যেভাবে বের করে দেওয়া হয়েছে মনে হচ্ছে না এই বিয়েটা আর হবে। 

- এই বিয়ে কেনো আর কোথায়ও বিয়ে হবে না এই মেয়ের।

- এমন মুখপোড়া মেয়ে দেখি নি বাপু!

- নিশ্চয়ই ওই ছেলের সাথে কোনো সম্পর্ক ছিলো নাহলে ওই ছেলে এতো সাহস পায় কিভাবে?

- আরে দেখো ওই ছেলের কোনো দোষ'ই নেই। সব দোষ এই মেয়ে'র!
.
খুব খারাপ লাগছিলো সবার এরকম কথা শুনে। ইচ্ছে করছিলো এখন'ই মরে যেতে। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকলাম আমি। শুভ দৌড়ে এসে আমার কাছে বসল। চোখের জল মুছিয়ে বলতে লাগল,

- আপ্পি তুমি কাঁদছো কেন? তুমি কেঁদো না কাঁদলে তোমাকে একদম ভালো লাগে না। 

এতো মানুষের কথার মধ্যে একমাত্র ওর কথায় বেঁচে থাকার আশ্বাস পেলাম। হুট করেই মামী এসে আমার বাহু ধরে নিচে নামালেন। রাগি গলায় বলতে লাগলেন,

- কিরে মুখপুড়ি, বলছিস না কেন? কার সাথে কি করেছিস? এখন চুপ কেন? মান সম্মান তো সব খেলি আর কি খাবি। জন্মের পর মা বাবা খেলি, তারপর খেলি দাদি কে, আর এখন আমাদের খেতে এসেছিস? মুখপুড়ি, অলক্ষী, অনামুখো। ( চুলের মুঠি ধরে ) কার সাথে রাত কাটিয়েছিস, কে এই ছেলে বলছিস না কেন?

- মামী আমার লাগছে ( ব্যাথায় কুঁকড়ে ওঠে )

- হ্যাঁ এখন তো লাগবেই। এরকম নোংরা কাজ করার আগে মনে ছিলো না এইসব।

- মামী বিশ্বাস করো আমি কিছু করিনি। ( কাঁদতে কাঁদতে )

- আবার মুখে মুখে তর্ক করছিস। তোকে তো আমি...( হাত তুলতে লাগল )

- ( ভয়ে আমি চোখ বন্ধ করে নিলাম। কিন্তু আমার গালে যখন চড় পরলো না তখন আমি চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি কেউ একজন মামী'র হাত ধরে আছে। আমি তাকে একটু দেখার চেষ্টা করলাম। একটা মেয়ে, দেখতে বেশ সুন্দরী। পোশাক - আশাক দেখে মনে হচ্ছে খুব বড় লোক। মামী রাগে ফুঁসছে, চোখ দুটি রাগে লাল হয়ে আছে )

- কে রে তুই? সাহস কি করে হয় আমার হাত ধরার?

- ( অচেনা মেয়ে ) আমি কে সেটা না জানলেও হবে কিন্তু আপনার সাহস হয় কিভাবে উনার গায়ে হাত তোলার।

- কেন রে কি লাগে ও তোর? এতো দরদ দেখাচ্ছিস কেন তুই? তোকে হাত করল কিভাবে এই অনামুখি?( হাত নামিয়ে ) 

- ( অচেনা মেয়ে ) ভদ্র ভাবে কথা বলুন! চৌধুরী বাড়ির বউ ও। 

- চৌধুরী বাড়ির বউ! ( চমকে উঠে )

( উপস্থিত সবাই বড় বড় চোখ করে আমার দিকে তাকাল তাকাল আর আমি বাকরুদ্ধ হয়ে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে আছে। কি বলছে ও? )

- হ্যাঁ চৌধুরী বাড়ির বউ , মানে কবীর চৌধুরী'র পুত্রবধূ আর আহিয়ান চৌধুরী'র স্ত্রী।

- ( আমার অবাকের সীমা এবার চরম পর্যায়ে পৌঁছাল। আমি কবে আহিয়ান কে বিয়ে করলাম। কিছু বলতে যাবো তারমধ্যে মামী বলে উঠল..)

- তুমি কে?

- ( অচেনা মেয়ে ) কবীর চৌধুরী'র বড় মেয়ে, আয়ানা চৌধুরী!

- ( তার মানে এটা আহিয়ান'র বড় বোন। হ্যাঁ উনার একটা বড় বোন আছে শুনেছিলাম কিন্তু উনাকে এমন পরিস্থিতিতে এভাবে দেখবো ভাবিনি। তাই উনাকে বললাম ) আপনি এইসব কি বলছেন? আমি কবে আহিয়ান কে বিয়ে করলাম!

- বিয়ে করোনি তো করবে আজ'কে ( মুচকি হেসে আমার দিকে তাকিয়ে )

- ( ধপাশ করে বিছানায় বসে পরলাম ) কিহহহ? 

- হ্যাঁ!

- ( আমি অবাক হয়ে আয়ানা'র দিকে তাকিয়ে আছি। কি বলছে কি মেয়েটা। পাগল টাগল হয়ে গেল নাকি। আমার মতো একটা মেয়ে'র সাথে নিজের ভাইয়ের বিয়ে দিবে সে।‌ কিছু'ই মাথায় ঢুকছে না আমার। কিন্তু আর যাই হোক আমি বিয়ে করছি না‌। যে ছেলেটার জন্য আজ আমায় এতো অপমানিত হতে হলো তাকে বিয়ে করতে আমি কোনোমতে রাজি না। কিন্তু আমার মামা মামী কে দেখে মনে হচ্ছে তারা আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছে। এতো বড় বাড়িতে আমার বিয়ে'র কথা হবে সেটা তারা ভাবে নি। আমি নিজেই তো ভাবি নি। হঠাৎ করেই মামী পাল্টে গেল। তিনি বলে ওঠলেন...)

- আরে আরে তুমি দাঁড়িয়ে কেন? বসো বসো। বসে কথা বলি আমরা। 

- ( মামা ) হ্যাঁ হ্যাঁ মা বসো তুমি। তা বিয়েটা এখন হবে তো। আমরা কি সব জোগার করবো। আসলে মা দেখতেই তো পারছো কতো গরীব আমরা। তারপরও যতটুকু পারি দেখবো। 

- ( আর পারলাম না। এবার দাঁড়িয়ে বলতে লাগলাম ) কি শুরু করেছো তোমরা। আমি করবো না এই বিয়ে। আর এই লোকটা কে তো কোনোমতে না। 

- ( মামী ) এই মেয়ে কি যা তা বলছিস। হাতের লক্ষী কে এভাবে পায়ে ঢেলে দিছিস তুই!

- মামী তুমি বুঝতে পারছো না আমি...

- ( আয়ানা ) আমি কি তোমার সাথে একটু কথা বলতে পারি। একা....

- ( অবাক হয়ে আয়ানা'র দিকে তাকালাম )

- ( মামী ) হ্যাঁ হ্যাঁ কেনো নয়। তোমরা বল কথা আমরা আসছি। যতক্ষন সময় লাগে বলো।

( মামী আমার বাহু ধরে ফিসফিসিয়ে বলতে লাগল... ) 

- বেশি কথা বলবি না, চুপচাপ হ্যাঁ বলবি বিয়েতে, আগের টা ভেঙেছে এটা যেন না ভাঙ্গে বুঝলি।

- কিন্তু মামী..

- আচ্ছা আমরা আসছি তোমরা কথা বলো!
( বলেই সবাই বের হয়ে গেল রুম থেকে বেরিয়ে গেল। আমি দাঁড়িয়ে আছি।‌ হঠাৎ করেই আয়ানা আমার ঘাড়ে হাত রেখে বিছানায় বসাল। আমি আয়ানা'র দিকে তাকিয়ে আছে। মেয়েটার দেখতে অনেক সুন্দর। দুধ ফর্সা গায়ের রঙ, চুল গুলো অনেক সুন্দর করে স্টাইল করা। পরনে ও খুব ভালো পোশাক। আয়ানা আমার দিকে মুচকি হেসে তার জিন্স এর পকেট থেকে একটা রুমাল বের করে আমার ঠোঁটে থাকা লিপস্টিক মুছতে থাকে। আমি অবাক হয়ে তাকে দেখছি। )

- আমার ভাই কিন্তু ওতোটাও খারাপ না। জানি তোমার সাথে একটু আগে যা করেছে তাতে আমার কথাটা তুমি বিশ্বাস করবে না এটা স্বাভাবিক কিন্তু আর কি কিছু করার আছে। আমি তোমার ভালোর জন্যই বলছি রাজি হও বিশ্বাস করো ঠকবে না। আর না হলে এই সমাজ তোমাকে বেঁচে থাকতে দেবে না। এটার কারনও আমার ভাই সেটা আমি জানি। তাই সবকিছু ঠিক করতে চাইছি। এখন তুমি আমাকে বলো তুমি কি চাও...

চলবে....

ভালোবাসার_ফোড়ন 💖
লেখনিতে :#মিমি_মুসকান
সূচনা_পর্ব  ❤️
কপি
পেস্ট

একটি হাসির গল্প ফেইসবুক থেকে

 এক ব্যক্তির বৌ হঠাৎ মারা গিয়েছে।তাকে কবরস্থানে নিয়ে যাওয়ার সময়ে লোকটা জোরে জোরে চিৎকার করে কাঁদছিলো।

----ওগো তুমি আমাকে ছেড়ে কোথায় চলে গেলো গো,এখন কে আমাকে ফোন করে জানতে চাইবে আমি কেমন আছি,খেয়েছি কিনা?আর যে আপন বলতে কেউ রইলো না আমার।😭😭

পথে যেতে যেতে এই দৃশ্য দেখে একটা মেয়ে তার বন্ধবীকে বললো-

---আহারে দেখ বেচারার কতো ভালোবাসা,আমি যদি একবার এর মোবাইল নম্বরটা পেতাম ঠিক এর সাথেই প্রেম করতাম।

এটা শুনে লোকটা আরোও জোরে চিৎকার দিয়ে কেঁদে উঠলো-

---ওগো আমায় ছেড়ে কেনো চলে গেলে তুমি,এখন আমাকে জিরো ওয়ান সেভেন ফাইভ ফোর টু ট্রিপল নাইন ডবল জিরো নম্বরে ফোন দিয়ে কে জিজ্ঞেস করবে আমি কেমন আছি,খেয়েছি কিনা।আমার যে আপন বলতে কেউ রইলো না।।🥲🥲©

কপি
পেস্ট 

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১২/০১ বৃহস্পতিবার

সকাল ৭ টার সংবাদ। 

তারিখ: ০১-১২-২০২২ খ্রি:।  


আজকের শিরোনাম :


শুরু হয়েছে বিজয়ের মাস -যথাযথ উদ্দীপনায় মাসটি উদযাপনে নেয়া হয়েছে বিস্তারিত কর্মসূচী। 


প্রতিবেশি হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় - প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বললেন ভারতীয় হাইকমিশনার। 


সমাবেশকে ঘিরে আন্দোলনের নামে বিএনপি যদি কোনো সহিংসতা করে তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তার সমুচিত জবাব দেবে আওয়ামী লীগ - হুঁশিয়ারি ওবায়দুল কাদেরের। 


সরকার কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অনুমতি দিতে পারে না --- মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


আজ শুরু হচ্ছে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ কোর্ভিড টিকাদান অভিযান --- সম্মুখ সারির কর্মী, ষাটোর্ধ্ব নাগরিক ও গর্ভবতী নারীদের চতুর্থ ডোজ প্রদানের সুপারিশ। 


আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।


 দক্ষ শ্রমিকদের আকর্ষন করতে অভিবাসন আইন শিথিল করতে সম্মত জার্মান সরকার।


এবং কাতারে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনা,পোল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্স নকআউট পর্বে উন্নীত। 

বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২

একদিন নবী করিম (সাঃ)-এর একজন সাহাবী মারা গেলেন,,,,

 একদিন নবী করিম (সাঃ)-এর একজন সাহাবী মারা গেলেন। রাসূল পাক (সাঃ) উনার জানাজা পড়ালেনI তারপর একদল সাহাবী মৃতদেহ কবর দেয়ার জন্য কবরস্থানে নিয়ে আসলেনI সবার সাথে আমাদের নবী করিমও (সাঃ) হেঁটে হেঁটে আসলেনI


দুই জন সাহাবী কবর খুঁড়তে শুরু করলেনI

সবাই মৃত দেহকে ঘিরে বসে আছেনI

কবর খনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছেনI

সবাই চুপচাপ, নীরব ও শান্ত একটি পরিস্থিতিI


নবীজি গভীর মনোযোগ দিয়ে কবর খোঁড়া দেখছিলেন একটু পর সবার দিকে তাঁকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমরা কি জানো, মানুষ মারা যাওয়ার পর, তাঁর আত্মার কি হয় ?"


সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে নবীজি কে বললেন,

-ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমাদেরকে বলুনI


নবীজি একটু চুপ করে থাকলেনI সবাই উনার কাছে এসে ঘিরে বসলেনI মৃত্যুর পর আত্মার কি হয়, এই তথ্য তাঁদের জানা ছিল নাI আজ সেটা নবীজির মুখে শুনবেনI কত বড় সৌভাগ্যI শুনার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে নবীজির কাছে এসে বসলেনI


তিনি একবার কবরের দিকে তাকিয়ে মাথাটা তুলে আকাশের দিকে তাকালেন

তারপর তিনি গল্পের মত করে বলতে শুরু করলেনI


"শুনো, যখন মানুষ একেবারেই মৃত্যু শয্যায়, তখন সে মৃত্যুর ফেরেস্তাকে দেখে ভয় পেয়ে যায়I কিন্তু যে বিশ্বাসী ও ভালো মানুষ তাকে মৃত্যুর ফেরেস্তা হাসি মুখে সালাম দেনI তাকে অভয় দেন এবং মাথার পাশে এসে ধীরে ও যত্ন করে বসেনI তারপর মৃত প্রায় মানুষটির দিকে তাকিয়ে বলেন,

-হে পবিত্র আত্মা ! তুমি তোমার পালনকর্তার ক্ষমা ও ভালোবাসা গ্রহণ করো এবং এই দেহ থেকে বের হয়ে আসোI


মুমিনের আত্মা যখন বের হয়ে আসে তখন সে কোন ধরণের ব্যথা ও বেদনা অনুভব করে নাI

নবী আরো একটু ভালো করে উদাহরণ দিয়ে বললেন, 

-মনে করো একটা পানির জগ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর উপর থেকে এক ফোঁটা পানি যেমন নিঃশব্দে উপর থেকে নিচে নেমে আসে ঠিক তেমনি নীরবে ও কষ্ট ছাড়াই আত্মাটি তার দেহ থেকে বের হয়ে আসেI

সেই সময় দুইজন অন্য ফেরেস্তা বেহেস্ত থেকে খুব সুগন্ধি মাখানো একটা নরম সুতার সাদা চাদর নিয়ে আসেন এবং তারা আত্মাটিকে সেই চাদরে আবৃত করে আকাশের দিকে নিয়ে যান I


তারা যখন আকাশে পৌঁছেন তখন অন্য ফেরেস্তারা সেই আত্মাটিকে দেখার জন্য এগিয়ে আসেনI

কাছে এসে সবাই বলেন, সুবহানাল্লাহ ! কত সুন্দর আত্মা, কি সুন্দর তার ঘ্রান !

তারপর সবাই জানতে চান,

-এই আত্মাটি কার ?

উত্তরে আত্মা বহনকারী ফেরেস্তারা বলেন,

-উনি হলেন, "ফুলান ইবনে ফুলান"

(নবী আরবিতে বলেছেন, বাংলায় হলো, "অমুকের সন্তান অমুক" )

বাকি ফেরেস্তাগন তখন আত্মাটিকে সালাম দেয়, তারপর আবার জিজ্ঞেস করে,

-উনি কি করেছেন ? উনার আত্মায় এতো সুঘ্রাণ কেন ?

আত্মা বহন কারী ফেরেস্তা গন তখন বলেন,

-আমরা শুনেছি মানুষজন নিচে বলা-বলি করছে, উনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন, আল্লাহর ভালো বান্দা, অনেক দয়ালু, মানুষের অনেক উপকার করেছেন I


এতটুকু বলার পর নবী একটু থামলেনI


তারপর সবার দিকে ভালো করে দৃষ্টি দিয়ে, উনার কণ্ঠটা একটু বাড়িয়ে বললেন, এই কারণেই বলছি, সাবধান ! তোমরা কিন্তু মানুষের সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার করবে নাI


তুমি মারা যাওয়ার পর মানুষ তোমার সম্পর্কে যা যা বলবে, এই আত্মা বহনকারী ফেরেস্তারাও আকাশে গিয়ে ঠিক একই কথা অন্যদেরকে বলবেI


এই কথা বলে তিনি আবার একটু চুপ করলেন, কবরটার দিকে দৃষ্টি দিলেনI


আবার বলতে শুরু করলেনI


এই সময় মানুষ যখন পৃথিবীতে মৃত দেহকে কবর দেয়ার জন্য গোসল দিয়ে প্রস্তুত করবে তখন আল্লাহ তা'আলা আত্মা বহনকারী ফেরেশতাদেরকে বলবেন, "যাও, এখন তোমরা আবার এই আত্মাকে তার শরীরে দিয়ে আসো, মানুষকে আমি মাটি থেকে বানিয়েছি, মাটির দেহেই তার আত্মাকে আবার রেখে আসো I সময় হলে তাকে আমি আবার পুনরায় জীবন দিবো I"


তারপর মৃতদেহকে কবরে রেখে যাওয়ার পর দুইজন ফেরেস্তা আসবেনI তাদের নাম মুনকার ও নাকিরI

তারা মৃতের সৃষ্টিকর্তা, তার ধর্ম ও নবী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন I


মুনকার নাকির চলে যাওয়ার পর,

আত্মাটি আবার অন্ধকার কবরে একাকী হয়ে যাবেI

সে এক ধরণের অজানা আশংকায় অপেক্ষা করবেI কোথায় আছে? কি করবে? এক অনিশ্চয়তা এসে তাকে ঘিরে ধরবেI


এমন সময় সে দেখবে, খুব সুন্দর একজন তার কবরে তার সাথে দেখা করতে এসেছেনI

তাঁকে দেখার পর আত্মাটি ভীষণ মুগ্ধ হবেI এতো মায়াবী ও সুন্দর তার চেহারা, সে জীবনে কোনদিন দেখেনিI


আত্মাটি তাকে দেখে জিজ্ঞেস করবে,

-তুমি কে ?

সেই লোকটি বলবে,

-আমি তোমার জন্য অনেক বড় সু- সংবাদ নিয়ে এসেছি, তুমি দুনিয়ার পরীক্ষায় উর্তীর্ণ হয়েছো, তোমার জন্য আল্লাহ তা'আলা জান্নাতের ব্যবস্থা করেছেন, তুমি কি সেটা একটু দেখতে চাও?

আত্মাটি ভীষণ খুশি হয়ে বলবে,

-অবশ্যই আমি দেখতে চাই, আমাকে একটু জান্নাত দেখাওI

লোকটি বলবে,

-তোমার ডান দিকে তাকাওI

আত্মাটি ডানে তাকিয়ে দেখবে কবরের দেয়ালটি সেখানে আর নেইI সেই দেয়ালের দরজা দিয়ে অনেক দূরে সুন্দর বেহেস্ত দেখা যাচ্ছেI

বেহেস্তের এই রূপ দেখে আত্মাটি অনেক মুগ্ধ হবে ও প্রশান্তি লাভ করবেI

এবং সেখানে যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে লোকটিকে জিজ্ঞেস করবে,

-আমি সেখানে কখন যাবো? কিভাবে যাবো?

লোকটি মৃদু হেসে বলবেন,

- যখন সময় হবে, তখনই তুমি সেখানে যাবে ও থাকবেI আপাততঃ শেষ দিবস পর্যন্ত তোমাকে অপেক্ষা করতে হবেI ভয় পেও নাI আমি তোমার সাথেই আছিI তোমাকে আমি সেইদিন পর্যন্ত সঙ্গ দিবোI


আত্মাটি তখন তাকে আবারো জিজ্ঞেস করবে,

-কিন্তু তুমি কে ?

তখন লোকটি বলবে,

-আমি তোমার এতদিনের আমল, পৃথিবীতে তোমার সব ভালো কাজের, তোমার সব পুণ্যের রূপ আমি, আজ তুমি আমাকে একজন সঙ্গীর মত করে দেখছোI আমাকে আল্লাহ তা'আলা তোমাকে সঙ্গ দেয়ার জন্যই এখানে পাঠিয়েছেনI

এই কথা বলে, লোকটি আত্মাটির উপর যত্ন করে হাত বুলিয়ে দিবেন

এবং বলবেন,

-হে পবিত্র আত্মা ! এখন তুমি শান্তিতে ঘুমাওI নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নাওI


এই কথা বলার পর, আত্মাটি এক নজরে বেহেস্তের দিকে তাঁকিয়ে থাকবে এবং একসময় এই তাকানো অবস্থায় গভীর প্রশান্তিতে ঘুমিয়ে পড়বেI


নবীজি এতটুকু বলে আবার একটু থামলেনI

সাহাবীরা তখন গায়ের কাপড় দিয়ে ভেজা চোখ মুছলেনI


(বুখারী ও মুসনাদের দুইটি হাদিস অবলম্বনে)


আল্লাহ আমাদের পবিত্র আত্মা হওয়ার তাওফিক দান করুন.........আমীন।


রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ পরিক্রমা বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/৩০ বুধবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

(৩০-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* প্রতিবেশি হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় - প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বললেন ভারতীয় হাইকমিশনার। 


* সমাবেশকে ঘিরে আন্দোলনের নামে বিএনপি যদি কোনো সহিংসতা করে তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তার সমুচিত জবাব দেবে আওয়ামী লীগ - হুঁশিয়ারি ওবায়দুল কাদেরের। 


* সরকার কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অনুমতি দিতে পারে না - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


* আগামীকাল শুরু হচ্ছে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ কোর্ভিড টিকাদান অভিযান - সম্মুখ সারির কর্মী, ষাটোর্ধ্ব নাগরিক ও গর্ভবতী নারীদের চতুর্থ ডোজ প্রদানের সুপারিশ। 


* আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। 


* আরও অস্ত্র সরবরাহ এবং ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ গ্রিড মেরামতে দ্রুত সহযোগিতার জন্য ন্যাটোর প্রতি ইউক্রেনের আহবান। 


* এবং কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে টিকে থাকার ম্যাচে আজ রাত একটায় পোল্যান্ডের মোকাবেলা করবে ফেভারিট আর্জেন্টিনা।

মুহিউসসুন্নাহ শাহ মুফতি নূরুল আমীন সাহেব দাঃ বাঃ এর- সংক্ষিপ্ত পরিচিতি,,,,মেসবাহউদ্দিন ফেইসবুক থেকে,,,

 মুহিউসসুন্নাহ শাহ মুফতি নূরুল আমীন সাহেব দাঃ বাঃ এর-

 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি :


``আল্লাহর বান্দাগণের মাঝে এমন কিছু বান্দা রয়েছেন, যাঁরা স্বভাবজাত ওলী হয়ে থাকেন।  জন্মের থেকে মুকাল্লাফ হওয়ার পূর্বেই তাঁদের বেলায়েতের আলামত ফুটে ওঠে। 

তাঁদের মাধ্যমে মহান রব্বুল আলামীন নিজ পরিববার, সমাজ ও দেশকে আলোকিত করেন। যুগ-যুগান্তরে এমন মনীষীদের দ্বারা সহি দীনের ধারা চালু রাখেন।  তারা ব্যক্তিজীবনে, পারিবারিক জীবনে ও সামাজিক জীবনে বড় বড় বিষয় ও ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয়ে দীনকে খুঁজে ফেরেন। শত বিপত্তি আর প্রলয়াঙ্করী ঝড়ের মাঝেও দীনের ঝান্ড উঁচু করে রাখেন। যাদের মুহুর্তগুলো কাটে জিকির ও ফিকিরে। এক-একটি মুহুর্ত তাদের কাছে অমূল্য রত্ন তুল্য। উম্মতের দরদে সর্বদাই অস্থির থাকেন। হুব্বুল্লাহ ও হুব্বে রাসূলের দরিয়ায় সর্বদা হাবুডুবু খান। দীন পালনে কোন তিরস্কারকারীর ভ্রুক্ষেপ বা কর্ণপাত কিছুই করেন না। ইলম ও মারেফাতে মত্ত থাকাই আসল কাজ। যাদের অবদান মুসলিম উম্মাহ কখনো ভুলতে পারেনা। আর তাদের নিয়ে লিখতে লিখতে ক্লান্ত হবো তবুও শেষ হবেনা। 

এমনি একজন আল্লাহর খাস বান্দা মাগুরা জেলার কৃতি সন্তান খ্যাতিমান আলেমে দীন, মুহিউসসুন্নাহ শাহ মুফতি নূরুল আমীন সাহেব দাঃ বাঃ এর সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরছি.....''


নাম: 

নূরুল আমীন


জন্ম: 

তিনি ১৯৫৫ ঈ সনে মাগুরা জেলার শাজিরকান্দী গ্রামের ঐতিহাসিক মুন্সি পরিবার ওরফে হাজী বাড়ীতে জন্ম গ্রহন করেন।


পিতা:

জনাব আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিক (রহ.) যিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। যিনি আপন উস্তাদ, শাইখ ও মুরব্বীগণের নেক নজর ও আপন ইখলাস ওয়ালা মেহনতের বদৌলতে ‘বড় উস্তাদজী’ উপধীতে ভুষিত হন।


তাঁর সম্মানিত পিতার জীবনী জানতে এখানে ক্লিক করু।

https://www.assiddik.com/manishi_biography/abu_bakr_siddik_rah/memoir/

https://www.assiddik.com/manishi_biography/abu_bakr_siddik_rah/brief_biography/


মাতা:

তাঁর মাতার নাম ‘চেমন আফরোজ’ জিনি একজন রত্নগর্ভা মহিয়সী রমনী ছিলেন। যিনি মাগুরার শাজিরকান্দী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত দ্বীনি পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। পারিবারিক জীবনে তিনি ছিলেন একজন আদর্শ বধু, আদর্শ মা, সম্ভ্রান্ত ও শিক্ষিত রমনী এবং দ্বীনি পরিবার গঠনের সুদক্ষ কারিগর।


শিক্ষাদীক্ষা:

প্রাথমিক শিক্ষা: তিনি প্রথমিক শিক্ষা অর্জন করেন মাগুরার শিমুলিয়া মাদরাসা ও যশোর রেল স্টেশন মাদরাসা হতে।

দাওরাতুল হাদিস: জামিয়া আহলিয়া দারুল উলুম হাটহাজারী (১৯৭৯) এবং দারুল উলূম দেওবন্দ ভারত (১৯৮০)

উচ্চতর শিক্ষা: উচ্চতর ইসলামী আইন (ইফতা) দারুল উলুম দেওবন্দ (১৯৮১)


কর্মজীবন:

দারুল উলুম খুলনা এ (১৯৮২-২০০২) পর্যন্ত সিনিয়র উস্তাদ ও মুফতী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


সন্তান সন্ততি:

৪ ছেলে ও ৬ মেয়ে। (এক ছেলের ওফাত হয়েছে)

কন্যাদের সকলের বিবাহ হয়ে গেছে এবং তিন ছেলের মাঝে বড় ছেলের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। বাকী দুইজন অধ্যায়রত আছে। তারা দুইজন হাফেজে কুরআন।


ছেলেদের নামের তালিকা:

বড় ছেলে: মরহুম আবরারুল হক

মেজো ছেলে: মিয়াজি মুহাম্মাদুল্লাহ

সেজো ছেলে: হাফেজ আনাস আমীন (অধ্যায়নরত)

ছোট ছেলে: হাফেজ যায়েদ আবরার (অধ্যায়নরত)


মেয়ের জামাতাগন সকলেই যোগ্যতাসম্পন্ন আলেমে দীন


ভাই বোন:

 তাঁরা নয় ভাই ও পাঁচ বোন। (এক বোনের ওফাত হয়েছে) আল্লাহর রহমতে বাকীরা সবাই এখনো জীবিত আছেন।


নিম্নে ভাইদের নামের তালিকা দেওয়া হলো-

(এক) মাওলানা রূহুল আমীন

 ফাজেলে দারুল উলুম হাটহাজারী। 

শিক্ষক: জামিয়া নূরিয়া, কামরাঙ্গীরচর, ঢাকা।

(দুই) পীরে কামেল মুফতী নূরুল আমীন সাহেব

(তিন) মাওলানা ফজলুল করীম যশোরী

ফাজেলে জামিয়া কুরআনিয়া লালবাগ  ১৯৮৮

(চার) মুফতী মুমতাজুল করীম

১. ফাজেলে দারুল উলূম দেওবন্দ ভারত [দাওরা]।

২. ফাজলে দারুল উলূম খুলনা [খুলনা]

৩. কামিল হাদীস, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড।

(পাঁচ) হাফেজ মাওঃ আহমাদ করিম সিদ্দীক সিদ্দীক

১. হাফিযুল কুরআন

২. দাওরায়ে হাদীস [ফার্স্ট ক্লাশ] (দারুল উলূম, দেওবন্দ, ভারত)

৩. উচ্চতর আরবী সাহিত্য, [ফার্স্ট ক্লাশ] (দারুল উলূম দেওবন্দ ভারত)

৪. কামিল হাদীস [ফার্স্ট ক্লাশ] (মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ)

বহু গ্রন্থ প্রনেতা। 

(ছয়) হাফেজ মোহাম্মদ রিজাউল করিম

দারুল খুলনা ও  মাসনা মাদরাসা যশোর।

(সাত) হাফেজ মাও: ইমাম উদ্দীন

দারুল উলুম খুলনা ও মাসনা মাদরাসা যশোর।

(আট) মাওলানা মোসলেহ উদ্দীন

ফাযেলে দারুল উলুম হাটহাজারী।

(নয়) হাফেজ মাওলানা মুফতি মিসবাহুদ্দীন

ফাযেলঃ মারকাজুল ফিকরিল ইসলামী বসুন্ধরা, ঢাকা। 


আসাতিযাগণ:

★ স্বদেশে: মুফতি আব্দুল্লাহ মাগুরার হুজুর দা. বা, মুফতি আলী আকর রহ., মাওলানা রজব আলী রহ., মাওলানা আবুল হাসান রহ., মুফতি ফয়জুল্লাহ রহ, মুফতি আহমাদুল হক রহ. মাওলানা শাহ আহমাদ শফী দা. বা. প্রমুখ যুগশ্রেষ্ঠ বুজুর্গ আলেমগণ।

★ দেওবন্দে: কারী তৈয়্যব রহ. মুফতি মাহমুদুল হাসান গাঙ্গুহী রহ. মাওলানা ফখরুল হাসান রহ., মাওলানা নাসির আহমাদ খাঁন রহ. মাওলানা আনযার শাহ কাশ্মীরী রহ. মাওলানা ওয়াহিদুযযামান কিরানভী রহ. মুফতি সাঈদ আহমাদ পালনপূরী রাহিমাহুমুল্লাহ।


তিনি যার খলীফা:

তিনি আরেফ বিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার (রহ.) ও হযরত মাওলানা শাহ মাহমুদুল হাসান দা. বা. এর খলীফা।


শাইখের সহচর্য:

১৯৮২-৮৩ সালে বাইআত হওয়ার পর থেকে করাচী হযরত রহ. বাংলাদেশে আসলেই তিনি সার্বক্ষণিক তার শাইখের সোহবতে থাকতেন। এছাড়া চারবার করাচীর খানকায় সফর করেছেন। এর মঝে ১৯৯৭ ও ২০০২ করাচীর খানকায় চিল্লা দিয়েছেন। অন্য দুইবার ২০/২২ দিন খানকায় থেকে নিজ শাইখের সোহবতে ধন্য হয়েছেন।


খেলাফত লাভ:

নব্বইয়ের দশকেই যশোর ঝিকরগাছা বাকুড়া মাদরাসায় বসেই করাচী হযরত রহ. তাঁকে খেলাফত প্রদান করেন।পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ীর হযরতও তাঁকে খেলাফত প্রদান করেন।


শাগরেদ:

তিনি যাদেরকে বাইয়াত ও ইসলাহের অনুমতি দিয়েছেন (খেলাফত দিয়েছেন) তাদের সংখ্যা শাতাধিক হবে। যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে আপন আপন যায়গায় ইসলাহে উম্মতের কাজ আঞ্জাম দিচ্ছেন।


ঈর্ষণীয় বিশেষ কিছু গুণাবলি :

 তিনি ইখলাস, তাকওয়া, যুহদ, মুআমালা-মুআশারা, শাওকুল ইলম, তামাসসুক বিদ্-দীন ওয়াস সুন্নাহ, নাশারুদ দীন, ইসলাহে নাফস, মুজাহাদা, তাফাক্কুহ, ইলমি মাহারত সর্বদিক দিয়ে তিনি অগ্রগামী।  দীন জিন্দা করার ফিকিরে নিরলস ভাবে ছুটে যান দেশের আনাচে-কানাচে। 


তিনি আশেকে বাইতুল্লাহ ও আশেকে মদীনা। ঋণ করে হলেও জিয়ারতে বাইতুল্লাহ ও জিয়ারতে মদীনায় গমন তাঁর মন শান্ত হয়না। 


আল্লাহ তা`আলা আমাদের জন্য তাঁর ছায়াকে দীর্ঘ করুন। 


বিস্তারিত জীবনী জানতে: 

https://www.assiddik.com/manishi_biography/muf_nurul_ameen/


খানকাহ ও ঠিকানা:


খানকাহ ইমদাদিয়া আশরাফিয়া, গুলশানে শাইখ হযরত মাওলানা শাহ হাকিম মুহাম্মাদ আখতার সাহেব দা. বা. রহ. ফাতেমাবাগ, জিরো পয়েন্ট, খুলনা।


ওয়েব সাইট: www.nurbd.net

ফেসবুক পেজ: https://facebook.com/khanqahimdadiakhulna


পারিবারিক সংগঠন:

আস-সিদ্দীক ফাউন্ডেশন

শাহজিরকান্দি, মুসাপুর বাজার, মাগুরা।

মোবাইল : 01712-544865, 01712-572359, 01967-119283

ওয়েসবাইট: www.assiddik.com

ইমেইল : info@assiddik.com, assiddik.com@gmail.com

কপি
পেস্ট

মোনালিসা চিত্রকর্মের রহস্য,,,,,,,,,

 মোনালিসা চিত্রকর্মের রহস্য:💮

🔹

🔴 লিওনার্দো ভিঞ্চির সৃষ্টি মোনালিসাকে পৃথিবীর

সবচেয়ে সুন্দরি মেয়ের ছবি বলা হয়। কিন্তু

মোনালিসার ছবিতে টর্চলাইট দিয়ে খুজেও সৌন্দর্য

খুজে পাওয়াটা কঠিন!

কিন্তু মোনালিসার ছবির সৌন্দর্য ঠিক

মোনালিসাতে নয়। সৌন্দর্যটা এই ছবির রহস্যে! রং

তুলিতে এই ছবি আকতে গিয়ে ভিঞ্চি জন্ম দিয়ে

গেছেন অসংখ্য রহস্যের.........

১৫০৩ সালে ভিঞ্চি মোনালিসা আকা শুরু করেন।

১৫১৫ সালে মোনালিসা আকার সময় তিনি রহস্যজনক

ভাবে মৃত্যবরণ করেন। ১২ বছর সময় নিয়ে আকা

মোনালিসার ছবি সম্পূর্ণ না করেই তিনি মারা যান!

অর্থাৎ আমরা মোনালিসার যে ছবিটি এখন দেখি

সেটিতে আরো কিছু আঁকার বাকি ছিল.......

ভিঞ্চি মোনালিসাকে কোন কাগজ বা কাপড়ে নয়,

এঁকেছিলেন পাতলা কাঠের উপর। অবাক করার বিষয়

হলো মোনালিসার ছবিটিকে যদি বিভিন্ন এঙ্গেল

থেকে দেখা হয় তবে মোনালিসা তার হাসি

পরিবর্তন করে!

এ যেন এক রহস্যময়ী মোনালিসা!

১৭৭৪ সালে সর্বপ্রথম প্যারিসের লুভর মিউজিয়ামে

মোনালিসার ছবিটির দেখা মিলে। কিন্তু ছবিটা

মিউজিয়ামে কিভাবে এল কিংবা কে আনল এমন

প্রশ্নের উত্তর মিউজিয়ামের কর্মীরাই জানতোনা!

কারণ তারা কাউকে ছবিটি নিয়ে আসতে দেখিনি!!

রহস্যময়ভাবে লুভর মিউজিয়ামে পৌছানো এই ছবি

১৯১১ সালে চুরি হয়ে যায়! রাতের আধারে চোরকে

দেখে মিউজিয়ামের এক কর্মী পরদিনই চাকড়ি

ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে সে বলেছিল সে চোরকে

দেখেছে। সেই চোর আর কেউ নয়। প্রায় ৩৫০ বছর

আগে মারা যাওয়া ভিঞ্চি!!

১০ বছর পর এই ছবিটি আবার ওই মিউজিয়ামে পাওয়া

যায়। লুভর মিউজিয়াম কতৃপক্ষ ছবিটি সংরক্ষনের

জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা খরচ করে একটি নিরাপদ

কক্ষ তৈরী করে। হয়ত ভাবছেন একটা ছবির জন্য

এতো টাকা খরচ!!

এই ছবির বর্তমান মূল্যের তুলনায় ৫০ কোটি টাকা

কিছুই নয়। মোনালিসা ছবির বর্তমান অর্থমূল্য ৭৯০

মিলিয়ন ডলার।

টাকায় পরিমানটা ৫৩৮০ কোটি টাকা!!

মোনালিসা কে? প্রশ্নটির উত্তর ভিঞ্চি নিজেও

দিয়ে যাননি। ২০০৫ সালে খুজে পাওয়া এক চিঠিতে

অনেকে মোনালিসার পরিচয় খুজে পেয়েছেন বলে

দাবি করেন। ১৫০৩ সালে লেখা এই চিঠিতে

ভিঞ্চির বন্ধু ফ্রান্সিস জিয়াকন্ড তার স্ত্রী লিসা

জিয়াকন্ডের একটি ছবি আঁকতে ভিঞ্চিকে অনুরোধ

করেন। আর ওই সময় ভিঞ্চি মোনালিসার ছবি আঁকা

শুরু করেন।

২০০৪ সালে বিজ্ঞানী পাস্কেল পাটে মোনালিসার

ছবিকে আলাদা ভাগে ভাগ করে হাইডেফিনেশন

ক্যামেরায় ছবি তোলেন। পাস্কেল আবিষ্কার করেন

যে ভিঞ্চি যে রং ব্যাবহার করেছিলেন তার স্তর

৪০ মাইক্রোমিটার।

অর্থাৎ একটি চিকন চুলের থেকেও পাতলা!

পাস্কেল আরো আবিষ্কার করেন যে মোনালিসার

ছবিতে আরো ৩টি চিত্র আছে। তাদের একটি সাথে

লিসা জিয়াকন্ডের মুখের মিল খুজে পাওয়া যায়।

সম্ভবত ভিঞ্চি বন্ধুর অনুরোধে লিসার ছবিটিই

আঁকছিলেন। কিন্তু তিনি এমন কিছু দেখেছিলেন যা

পুরো ছবিতে অন্য এক নতুন মুখের জন্ম দিয়ে

দিয়েছে!

সান্ডারল্যান্ড ইউনিভার্সিটির এক সার্ভেতে

মোনালিসা সম্পর্কে অদ্ভুত কিছু তথ্য পাওয়া যায়।

মোনালিসাকে দূর থেকে দেখলে মনে হয় সে

হাসছে। কিন্তু কাছে গিয়ে তার দিকে তাকালে

মনে হয় সে গভীরভাবে কোন কিছু চিন্তা করছে।

মোনালিসার চোখের দিকে তাকালে তাকে

হাসিখুশি মনে হয়। কিন্তু তার ঠোটের দিকে

তাকালেই সে হাসি গায়েব!

সান্দারলেন্ড ভার্সিটির ছাত্ররা মোনালিসার

ছবির বামপাশ থেকে আল্ট্রা ভায়োলেট পদ্ধতি

ব্যাবহার করে ভিঞ্চির লেখা একটি বার্তা উদ্ধার

করে। বার্তাটি ছিল " লারিস্পোস্তা শ্রী

তোভাকি"। যার অর্থ "উত্তরটা এখানেই আছে।"

যুগের পর যুগ মানুষকে মুগ্ধ করে আসা মোনালিসার

এই ছবি দেখে জন্ম নেয়া হাজার প্রশ্নের মাঝে

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এই ছবি দিয়ে ভিঞ্চি কি

বোঝাতে চেয়েছিলেন?"

প্যারানোরমাল ম্যাগাজিনের একদল তরুন ছাত্র

উত্তরটা বের করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে।

অবশেষে তারা যা জানিয়েছে সেটাও চমকে

দেয়ার মত!

ভিঞ্চি মোনালিসার ছবির বামপাশে গোপন বার্তা

দিয়েছিলেন "উত্তর টা এখানেই আছে"।

সে বাম পাশকে আয়নার কাছে আনলে একটা ছবি

তৈরী হয়। অবাক করার বিষয় এই তৈরী হওয়া ছবির

জীবটিকে ভিঞ্চি ১৫০০ সালের দিকে

দেখেছিলেন!

ছবিটা একটা এলিয়েনের!!

ভিনগ্রহের এলিয়েন.....!!😲😲


কালেক্টেড


কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...