এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪

বরবটি কিভাবে আবাদ চাষাবাদ করবেন,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #বরবটি_কিভাবে_আবাদ_চাষাবাদ_করবেন:


#জলবায়ুঃ

অপেক্ষাকৃত উচ্চ তাপমাত্রায় বরবটি ভালো জন্মে। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় বরবটি গাছ ভালো জন্মে। 


#মাটিঃ

দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি বরবটি চাষের জন্য উপযোগী। মাটির পিএইচ ৫.৫ থেকে ৭.৫-এর মধ্যে হলে সেসব মাটিতে বরবটি চাষ করা যায়।


বীজ বপনের সময়ঃ

বরবটির বীজ বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে উপযুক্ত সময়। 

তবে আশ্বিন-কার্তিক মাসেও বীজ বপন করা যায়।


#বরবরি_জাতঃ

নাইস গ্রীন/ বান্টি/ লালতীর -১০৭০/শক্তি / কেগরনাটকি/আলো/ তন্নী/বারি বরবটি-১/সবুজ সংকেত/কেগর নাটকী/ গ্রীন ফিল্ড/ ইউনাইটেড-৫৮/ ইউনাইটেড-৫৭০/ /স্টিকলেস/গ্রীণ-১১২০/বরবটি-৫০৫


#জমি_তৈরিঃ

জমি পরিষ্কার করে ৪ থেকে ৫টি চাষ ও মই দিয়ে ভালোভাবে জমি তৈরি করতে হবে। সার মিশিয়ে জমি সমান করার পর তা বেড আকারে খন্ড করতে হবে। 


#বেড তৈরিঃ

বেডের আকার হবে ১ মিটার চওড়া ও জমির দৈর্ঘ্য অনুযায়ী লম্বা। প্রতি বেডের মাঝে ৫০ সেন্টিমিটার চওড়া নালা থাকবে। নালার গভীরতা হবে ১৫ থেকে ২০ সেন্টিমিটার। নালার মাটি তুলে দুপাশের বেড উঁচু করে দিতে হবে। প্রতি বেডের মাঝে ৬০ সেন্টিমিটার দূরত্ব রেখে জোড়া সারি দাগ টানতে হবে। 


#বীজ_বপনঃ

 সারিতে ৩০ সেন্টিমিটার পর পর ১টি করে বীজ বুনে দিতে হবে। একই সময় পলিব্যাগে কিছু চারা তৈরি করে রাখলে যেসব জায়গায় বীজ গজাবে না সেসব ফাঁকা জায়গায় পলিব্যাগের চারা রোপণ করে পূরণ করা যাবে। মার্চ থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে সাধারণত বরবটির বীজ বোনা হয়।


#বীজ হারঃ

শতক প্রতি ৪০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন।


#রোপণ দূরত্বঃ

বরবটি সারি থেকে সারি ৬০ সেন্টিমিটার দূরত্বে বীজ/চারা ৩০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে বীজ বুনতে হয়।


#সার পরিমান

প্রতি শতকে সারের পরিমান:

গোবর ৪০ কেজি

ইউরিয়া ৮০০ গ্রাম 

টিএসপি ৮০০ গ্রাম 

পটাশ ৭৫০ গ্রাম 

জিপসাম ৩০০ গ্রাম

জিংক ৩০ গ্রাম 

বোরন ৩০ গ্রাম 


বিঘা প্রতি ৩৩ শতকে সারের পরিমান:

গোবর ১২০০ কেজি

ইউরিয়া ২৫ কেজি

টিএসপি ২৫ কেজি

পটাশ ২২ কেজি

জিপসাম ১০ কেজি

জিংক ১ কেজি

বোরন ১ কেজি


#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ

জমি তৈরির সময় সম্পূর্ণ গোবর সার, টিএসপি, জিপসাম, বোরন, জিংক অক্সাইড এবং ১/৩ ভাগ এমওপি সার বীজ বপনের পূর্বে জমির সাথে ভাল ভাবে মিশিয়ে দিতে হবে । পরবর্তীতে ইউরিয়া এবং এমওপি সার বীজ বপনের ২০ এবং ৪০ দিন পর অর্থাৎ চারার বৃদ্ধি পর্যায়ে, ফুল- ফল ধরার সময় দুই ভাগ করে প্রয়োগ করতে হবে।


#সেচঃ

জমিতে পানির যাতে অভাব না হয় সেজন্য প্রয়োজন অনুসারে শুকনার সময় সেচ দিতে হবে। নালার মধ্যে পানি ঢুকিয়ে সেচ দিলে গাছের শিকড় সে পানি টেনে নিতে পারে। 


#পানি_নিষ্কাশনঃ

বৃষ্টির পানি যাতে আটকে না থাকে সেজন্য নালার আগাছাও পরিষ্কার করে দিতে হবে ।


#আগাছা_পরিষ্কারঃ


জমি সব সময় আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে। বিশেষ করে গাছের গোড়ার আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে।


#বাউনি_দেয়াঃ


চারা বড় হলে মাচা বা বাউনি দিতে হবে। ঠিকমতো বাইতে পারলে বীজ বোনার ৪০-৪৫ দিন পরই ফুল-ফল ধরে। না হলে ফল ধরতে দেরি হয়ে যায়। প্রতি বেডের ঠিক মাঝখানে বা বরবটির দুটির সারির মাঝে বেডের দুপাশে ১.৫ মিটার লম্বা দুটি বাঁশের খুঁটি পুঁতে তার মাথায় শক্ত জিআই তার টেনে বাউনির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সারিতে প্রতি দুটি বরবটি গাছের মাঝে একটি করে কাঠি বা কঞ্চি পুঁতে সেসব কাঠির মাথা জিআই তারের সাথে ইংরেজী ‘এ’ অক্ষরের মতো বেঁধে তার সাথে গাছ লতিয়ে দেয়া যেতে পারে। বরবটির জন্য বাউনি খুব গুরুত্বপূর্ণ। বরবটির লতা যত বেশি মুক্তভাবে বাইতে পারে তত বেশি ফলন বাড়ে।


#ফসল তোলাঃ

বীজ বোনার ৪০ থেকে ৪৫ দিন পর থেকেই বরবটি তোলা শুরু করা যায়। হাত দিয়ে বোঁটা ছিঁড়ে বরবটি তোলা যায়। তবে ছুরি দিয়ে বোঁটা কেটে তোলা ভালো। এতে গাছের ক্ষতি কম হয়। কচি অবস্থায় ফল তুলতে হবে। যখন দেখা যাবে ফলে বীজ গঠিত হয়েছে কিন্তু বীজ পুষ্ট ও পরিপূর্ণভাবে বড় হয়নি, খোসার রং স্বাভাবিক সবুজ আছে, বরবটির খোসা মসৃণ আছে, বীজ ফুলে যাওয়ায় বরবটি গিঁট গিঁট ও কুঁচকানো হয়নি এরূপ অবস্থায় বরবটি তুলতে হবে।


#ফলনঃ

হেক্টরপ্রতি ১৬ থেকে ১৭ টন।


নতুন কোন ভালো জাত থাকলে কমেন্টে জানাবেন


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা

ব্লকঃ ভোটমারী,কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



আগের দিনের কবিতা












 

অনেকেই নতুন বাগান করতে চাচ্ছেন তারা জিজ্ঞেস করেন ভাই কিভাবে শুরু করব,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অনেকেই নতুন বাগান করতে চাচ্ছেন তারা জিজ্ঞেস করেন ভাই কিভাবে শুরু করব? আমার অভিজ্ঞতা নেই। আমার বাগান করার শখ কেউ পরামর্শ দিলে আমি বাগান শুরু করতে চাই।

তাদের জন্য পরামর্শ ( যারা ১ম বাগান শুরু করবেন)


১. যে সবজী গুলি বীজ থেকে সহজেই হয়, রোগ বালাই কম, যত্ন ও পরিচর্যা কম সে গুলি দিয়ে শুরু করেন। 

যেমনঃ সিম,করলা, লাউ, ধুন্দল,শসা,কুমড়া, বরবটি, চাল কুমড়া,ডেরস,মুলা ও গাজর।

২. শাকের বীজ এর জার্মিনেট ভাল হয়, পরিচর্যা কম, অল্প সময়ে খাওয়া যায়।বড় ও ছোট পাত্রে অল্প মাটিতে করতে পারেন।

পানি দেয়া ছাড়া তেমন কিছু করতে হয় না।

যেমনঃ লাল শাক, ডাটা, পালং শাক, পাট শাক, কলমি শাক, ধনে পাতা, লেটুস ইত্যাদি। 

৩. ফুলের বীজ থেকে অনেকেই চারা করতে পারেন না তারা বাল্ব/ কন্দ জাতীয় ফুল লাগাতে পারেন ১ম দিকে। বাল্ব থেকে সাধারণত ১০০% চারাই হয় এবং দ্রুত ফুল আসে। 

যেমনঃ রজনীগন্ধার ও গ্লাডিওলাস বাল্ব। 


উপরের লিস্টের ম্যাক্সিমাম ই আপনি সারা বছর জুড়ে করতে পারবেন।




বাড়ির টবে লাগান এলাচ গাছ, ফলন হবে দুর্দান্ত, শিখে নিন বিশেষ পদ্ধতি,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাড়ির টবে লাগান এলাচ গাছ, ফলন হবে দুর্দান্ত, শিখে নিন বিশেষ পদ্ধতি। 


সুগন্ধি মশলা হিসেবে এলাচের (Cardamom) বেশ খ্যাতি রয়েছে। অনেকেই বাজার থেকে এলাচ কিনে থাকেন। তবে বাড়িতেও সহজেই এই মশলা চাষ করা সম্ভব। এটি যেমন রান্নার কাজে লাগবে তেমনি এলাচের গাছ বাড়ির শোভাও বৃদ্ধি করবে।


এলাচ যে শুধুমাত্র স্বাদ এবং গন্ধেই ভরপুর তাই নয় এর মধ্যে পুষ্টিগুণও বর্তমান। এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, কার্বোহাড্রেট, কোলেস্টেরল, ক্যালোরি, ফ্যাট, ফাইবার, নিয়াসিনের মত উপাদান। হৃদযন্ত্রের জন্য এলাচ খুব উপকারী। এছাড়া সর্দি কাশি কিংবা ফুসফুসের সমস্যা এবং রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। এলাচ হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। এমনকি এলাচের খাদ্যগুণের কারণে ক্যান্সারের অনেক কোষ বৃদ্ধি পায়না। বাড়ির সাধারণ পাত্রেই এলাচ চাষ করা সম্ভব। কারণ এলাচ গাছ তেমন বড় হয় না।


১. বাজার থেকে এলাচের বীজ পাওয়া যাবে।এলাচের বীজ মুলত সাধারন এলাচই। তবে সবুজ ভাব এলাচ হলে চারা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিনে নিয়ে আসার পরে একটি বায়ুরোধক পাত্রে সারারাত বীজগুলিকে ভিজিয়ে রাখতে হবে।


২. বীজ থেকে চারা বের করার জন্য একটা পাত্রে বীজ জলের মধ্যে ভিজিয়ে রেখে এর মধ্যে কালো এবং লাল মাটি মেশাতে হবে। তবে এর পরিবর্তে গোবর ব্যবহার করা যেতে পারে। ১৫ দিনের মধ্যেই চারা বড় হতে শুরু করবে।


৩. গাছে যাতে পোকামাকড় না হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ পোকামাকড়ের কারণে গাছের বৃদ্ধি বাধা পায়।


৪. সকাল এবং সন্ধ্যের সময় নিয়মিত গাছে জল দিতে হবে। এইভাবে গাছের সঠিক পরিচর্যা করলে ১ মাসের পর থেকেই গাছটি বৃদ্ধি পেতে থাকবে।


ঘরোয়া পদ্ধতিতে এইভাবে এলাচ চাষ করলে বাড়িতে বসেই এই সুগন্ধি মশলা পাওয়া যাবে।


পোষ্টটি শেয়ার করে দিন। 

যে কোন জিজ্ঞেসায় কমেন্ট করুন।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


PABL-টাটাক্সন ২০ এস এল (প্যারাকোয়াট ২০% এস এল),,,, কৃষিবিদ শুভ ইসলাম ফেইসবুক থেকে

 PABL-টাটাক্সন ২০ এস এল (প্যারাকোয়াট ২০% এস এল)


জৈব-রসায়ন (Bio-Chemistry): সালোকসংশ্লেষণের সময় সুপারঅক্সাইড উৎপন্ন হয় যা কোষের ঝিল্লি এবং সাইটোপ্লাজমকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, ফলে কোষের গঠন এবং ব্যাপ্তিযোগ্যতা নষ্ট হয়ে যায় ফলে আগাছা মরে যায়।


কাজের ধরন/Mode of Actionঃ

সবুজ উদ্ভিদের ক্লোরোপ্লাস্টে PABL-টাটাক্সন ২০ এস এল কাজ করে। এখানে, সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতি উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য শর্করা তৈরি করতে হালকা শক্তি শোষণ করে। PABL-টাটাক্সন ২০ এস এল সঠিকভাবে ফটোসিস্টেম  নামে পরিচিত জৈব রাসায়নিক সিস্টেমকে লক্ষ্য করে। এটি বিনামূল্যে ইলেকট্রন তৈরি করে, যা সালোকসংশ্লেষণকে পরিচালিত করে। PABL-টাটাক্সন ২০ এস এল আয়ন এই ইলেকট্রনের সাথে বিক্রিয়া করে "মুক্ত র‌্যাডিক্যাল" গঠন করে। অক্সিজেন দ্রুত মুক্ত র‌্যাডিক্যালকে সুপারঅক্সাইডে রূপান্তরিত করে। এগুলি কোষের ঝিল্লির অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড উপাদানগুলির সাথে সহজেই প্রতিক্রিয়া জানায়। এই নাটকীয় রাসায়নিক  পরিবর্তনের ফলে, ঝিল্লি ধ্বংস হয়ে যায় এবং কোষের বিষয়বস্তু ফুটো হয়ে মিশে যায় এবং আরও ধ্বংসের কারণ হয়। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি এত দ্রুত ঘটে যে PABL-টাটাক্সন ২০ এসএল এর কোন পরিমাপযোগ্য স্থানান্তর ঘটে না।




কৃষিবিদ শুভ ইসলাম ফেইসবুক থেকে 


কৃষিতে দিনে দিনে মালচিং এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কৃষিতে দিনে দিনে মালচিং এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে, মালচিং ব্যবহারে কৃষক তার জমি থেকে আশানুরুপ ফলন পাচ্ছেন।


সবজি চাষে মালচিং ফিল্ম ব্যাবহারের সূবিধাসমূহঃ

★মালচিং ব্যবহারে জমিতে আগাছা কম হয়

★সারের অপচয় কম হওয়াতে উৎপাদন খরচে সাশ্রয় 

★গাছ দ্রুত বাড়ে এবং সুস্থ-সবল থাকতে সাহায্য করে

★সেচ কম লাগে, কমে উৎপাদন খরচ

★আগাছা কম হওয়ায় লেবার খরচ কমে যায়

★পোকামাকড় কম হওয়ায় বালাইনাশকের ব্যাবহার কমে

★আশানুরূপভাবে ফলন বাড়ে

★১ টা মালচিং পেপারে ৩ বার চাষ করা যায়


কিন্তু এই সুবিধাগুলো পেতে হলে অবশ্যই বিশ্বস্ত একটি প্রতিষ্ঠান থেকে অরজিনাল মালচিং পেপার ক্রয় করতে হবে, যেখানে ঠকার কোনো ভয় নেই।

ম্যাক্সিম এগ্রো ২০১৯ সাল থেকে কৃষকদের বিশ্বস্ততার সাথে উন্নতমানের  চারা এবং মালচিং পেপারসহ অনান্য কৃষি উপকরণ বিক্রয় করে আসছে।


ম্যাক্সিম এগ্রোতে মালচিং পেপার পাবেন:-

২৬ মাইক্রন

৩ ফুট x ৪০০ মিটার = ৪০০০ টাকা

৩ ফুট x ৬০০ মিটার = ৫৬০০ টাকা

৪ ফুট x ৪০০ মিটার = ৫৩০০ টাকা

৪ ফুট x ৫০০ মিটার = ৬০০০ টাকা


ম্যাক্সিম এগ্রোর উন্নত ভার্জিন মালচিং পেপার ক্রয় করতে যোগাযোগের ঠিকানা :

                              ম্যাক্সিম এগ্রো

            হাতীবান্ধা, মহাস্থানগড়, বগুড়া সদর

              চুড়ামনকাঠি বাজার, যশোর সদর 

            ময়ামারী রোড, মেহেরপুর সদর এবং

                         সাতগারী , চুয়াডাঙ্গা 


সার্বিক যোগাযোগ :  01322893377

                               01322893378

                               01300682911

                                01322893380









আমের ভালো ফলন পেতে কৃষক ভাইদের এই মূহুর্তে করণীয়: ,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #আমের ভালো ফলন পেতে কৃষক ভাইদের এই মূহুর্তে করণীয়:

 

#ফলন্ত গাছে মুকুল আসার ৩ মাস আগে থেকে সেচ প্রদান বন্ধ রাখতে হবে।

#আমের মুকুল ফুটা অবস্থায় স্প্রে করা যাবে না।


#আমের মুকুল ফোটার শেষ পর্যায়ে কমপক্ষে একবার ও ফল মটর দানা পর্যায়ে একবার সেচ দিতে হবে

#কলম কৃত গাছের ৪ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মুকুল ভেঙ্গে দিতে হবে। এতে আম গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় ও দীর্ঘ দিন ফল দেয়।


#গাছের গোড়া আগাছা মুক্ত ও পরিস্কার রাখতে হবে।

#স্প্রে অব্যশই গাছের পাতা, মুকুল, ও ডালপালা ভালো ভবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে। 


#প্রথম পর্যায়ে মুকুল আসার ১৫-২০ দিন আগেই সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক 

রিপকর্ড ১০ ইসি

সানমেরিন ১০ ইসি

কর্ট ১০ ইসি

শেফা ১০ ইসি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

#সাথে 


#কার্বোডাজিম+মেনকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক 

ক্যাম্পনিয়ন ৭৫ ডাব্লিউ পি 

ক্লাস্টার ৭৫ ডাব্লিউ পি 

কারকোজেব ৭৫ ডাব্লিউ পি

কেমামিক্স ৭৫ ডাব্লিউ পি  

যে কোন একটি ছত্রাক নাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#মুকুল আসার পরে করনীয়:

মুকুল বের হওয়ার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগে হপার পোকা দমনে 

#ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক

এডমায়ার ২০ এসএল

ইমিটাফ ২০ এসএল

ইমপেল ২০ এসএল

টিডো ২০ এসএল

গেইন ২০ এসএল

যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ 

 গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। সাথে 


#অ্যানথ্রাকনোজ রোগ দমনে 


#মেনকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক

#নেমিস্পোর ৮০ ডাব্লিউ পি 

#এগ্রিজেব ৮০ ডাব্লিউ পি 

#ট্রাইকোজেব ৮০ ডাব্লিউ পি 

#কাফা ৮০ ডাব্লিউ পি 

#ইন্ডোফিল এম ৪৫ 

যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।  


উপরিউক্ত বালাইনাশক সমূহ স্প্রে করার ২-৩ দিন পরে সলুবর বোরন লিটারে ১.৫ গ্রাম হারে এবং  

চিলেটেড জিংক লিটারে ০.২৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে করতে হবে।


#ফল মটরদানা/মার্বেল আকৃতি ধারণের পরে:

ফল ঝরা রোধে প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে ফল মটরদানা অবস্থায় একবার এবং মার্বেল আকৃতির হলে দ্বিতীয়বার বার স্প্রে করতে হবে।


প্রাথমিক পর্যায়ে আমের উইভিল ও ফলছিদ্রকারী পোকা দমনের জন্য 

#ক্লোরোপাইরিফস+সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক #নাইট্রো ৫০৫ ইসি

#সাবসাইড ৫০৫ ইসি

#ক্লোরোসাইরিন ৫০৫ ইসি

#জাহিম ৫০৫ ইসি

#এসিমিক্স ৫০৫ ইসি

#সাইপারফস ৫০৫ ইসি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে পাতা ও ডালপালা ভালো ভবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে। 


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা




কোন স্টাফ যদি রিজাইন করে তাহলে তার নিয়ম,,,, অফিশিয়াল হটসএ্যাপ থেকে নেওয়া,,,,,

 Notice :::

এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কোন স্টাফ যদি রিজাইন করে তাহলে তার আবেদন পত্রে

অপারেশন হেডের স্বাক্ষর সহ দিতে হবে। 

এবং নিম্নোক্ত বিষয়সমুহ অব্যহতি পত্রে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে। 

            ১। চাকুরি ছাড়ার নোটিশ দেবার তারিখ

            ২। সর্বশেষ কর্মদিবস

            ৩। কতদিনের বেতন তার পাওনা। পোর্টালে তা দেওয়া আছে কিনা লিখে দিতে হবে।

            ৪। নোটিশ পিরিয়ড জরিমানার টাকা কন্সিডার হবে?  হ্যাঁ/ না

            ৫। প্রতিমাসের ২৫ তারিখ হতে পরের মাসের দুই তারিখ পর্যন্ত কোন রিজাইন প্রসেস করা হবে না।

            ৬। প্রতি বুধবার রিজাইন করা বন্ধ থাকবে।

            ৭। অনলাইনে যাদের রিজাইন আবেদন করা হবে ( সকল পারমান্যান্ট আইডি এবং আর এফ এল সকল স্টাফ), 

                 তারা অবশ্যই রিজাইন নিতে আসার ৭-১০ দিন আগে অনলাইনে আবেদন করে 

     ফাস্ট এপ্রভাল এবং ফাইনাল এপ্রভাল নিয়ে নিবেন।                           

            ৮। রিজাইন আবেদনকারী ব্যাক্তি মোটরসাইকেল ব্যবহারকারি হলে অবশ্যই তার মোটরসাইকেলের নামে কোন 

     মামলা আছে কিনা দেখে  নিতে হবে। তার হেলমেট, রেইনকোট এবং লক বুঝে নিবেন তার সুপারভাইজার।

অফিশিয়াল হটস এ্যাপ থেকে নেওয়া 

ফোর স্টোক ইন্জিনের পরিচয়  AKS POWER SOLUTION ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 ৪  স্ট্রোক ইঞ্জিন এ-র পরিচয় 

(ক) ৪-স্ট্রোক সাইকেল ইঞ্জিনের মূল কর্ম পদ্ধতিঃ


অর্থাৎ ৪- স্ট্রোক ইঞ্জিনে প্রতি চার স্ট্রোকে একবার ফুয়েল দগ্ধ করে একবার শক্তি উৎপন্ন করে।


একটি ৪ স্ট্রোক ইঞ্জিন তার সমস্ত প্রক্রিয়া পিস্টনের চারটি স্ট্রোক এবং ক্র্যাংক শ্যাফটের দু'বার ঘূর্ণন সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে। অর্থাৎ ৪- স্ট্রোক ইঞ্জিনে প্রতি চার স্ট্রোকে একবার ফুয়েল দগ্ধ করে একবার শক্তি উৎপন্ন করে। এতে ক্র্যাংক শ্যাফটের আবর্তনের ঘূর্ণয়নমান ৭২০০।


এ ইঞ্জিনের সংকুচিত বায়ুতে (ডিজেল ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে) অথবা সংকুচিত বায়ু-জ্বালানি মিশ্রনে (পেট্রোল ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে) আগুন জ্বালালে গ্যাসের আয়তন প্রচুর পরিমাণে বেড়ে যায়। এ প্রচন্ড চাপ পিস্টনকে নিচের দিকে নামিয়ে দেয়। পিষ্টন কর্তৃক গৃহীত শক্তি কানেকটিং রডের মাধ্যমে ক্র্যাংক শ্যাফটে স্থানান্তরিত হয়। এভাবে পিষ্টনের ওঠা-নামা গতি ক্র্যাংক শ্যাফটের ঘূর্ণন গতিতে রূপান্তরিত হয়। ক্রাংক শ্যাফটে যুক্ত ফ্লাইহুইল (Flywheel) থেকে শক্তিকে পাওয়ার ট্রান্সমিশন সিষ্টেমের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এটা ৪- স্ট্রোক ইঞ্জিনের মূলনীতি।


এ ধরনের ইঞ্জিনে সমস্ত কর্ম পদ্ধতি চারটি ধাপে চক্রাকারে সমাপ্ত হয়। ধাপ চারটি হচ্ছে-


(১) শোষণ ধাপ (Suction Stroke)


(২) সংকোচন ধাপ (Compression stroke)


(৩) শক্তি ধাপ (Power stroke)


(৪) নিষ্কাশন ধাপ (Exhaust stroke)

ফোর স্টোক ইন্জিনের পরিচয়  AKS POWER SOLUTION ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



ইনজেক্টর নজল (Injector Nozzle) বিষয়  AKS power solution ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 ইনজেক্টর নজল (Injector Nozzle) বিষয় 


ডিজেল ইঞ্জিনে সংকোচন ধাপের শেষে এর ভেতরের বায়ুর উপর জ্বালানিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় নিক্ষেপণের জন্য ইনজেক্টরের প্রান্ত দেশে যে যন্ত্রাংশ সংযুক্ত থাকে, সেটাই ইনজেক্টর নজল। জ্বালানি পাম্পের উচ্চ চাপের ফলে নজলের কাজগুলো সম্পন্ন হয়ে থাকে। ইনজেক্টরের নিডিল ভালভের চারদিকে জ্বালানি দিয়ে পূর্ণ হলেই এর স্পিলয়ের ও প্লাজারের বিপরীত দিকে চাপের সৃষ্ট হয়। এ চাপের প্লাজার ও নিভিল ভাল্ভ ওপরে উঠে আসে এবং নজলের প্রান্ত দেশের ছিদ্র খুলে যায়। জ্বালানি

প্রেসার অ্যাডজাটিং

খ. কপার ওয়াসার

ঘ. স্পিন্ডল

স্পিন্ডল ধারক

চ. নজল

ছ. নিডিল ভাল্ডের আসন

জ. নিডিল ভালভ ক. জ্বালানি লাইন

এএ, ক্যাপ নাট

টি. জ্বালানি ফেরত লাইন

পাম্প খাপের শেষ প্রান্তে না পৌঁছানো পর্যন্ত এরা ওপরের দিকে উঠতে থাকে। ভেতরের চাপ কমে যাবার সঙ্গে সঙ্গে নিডিল ভালভ ও প্লাজার এদের আগেকার স্থানে ফিরে আসে এবং কুলানি নিক্ষেপণ বন্ধ হয়ে যায়। নজলের প্রান্ত দেশ এক বা বহু ছিদ্র বিশিষ্ট হতে পার। বহুছিদ্র বিশিষ্ট নজল প্রশস্ত দহন প্রকোষ্ঠে এবং বন্ধ হবার সম্ভাবনা কম হওয়ায় এক ছিদ্র বিশিষ্ট নজল অপেক্ষাকৃত সরু দহন প্রকোষ্ঠে ব্যবহৃত হয়।


ইনজেকটর নজল সাধারণত দু'প্রকার।


ক) পিস্টল নজল (Pintle Nozzle) খ) গর্তযুক্ত নজল (Hole Nozzle)


পিন্টন নজলের প্রান্ত দেশ সরু পিনের মত এবং পিনের চারদিকে কৌণিক ছিদ্রযুক্ত। পিস্টল নজলের ছিদ্র অপেক্ষাকৃত বড় বলে জ্বালানি নিক্ষেপণের সময় তুলনাম লকভাবে কম বাধা প্রাপ্ত হয়। গর্তযুক্ত নজলে দুই বা ততোধিক গর্ত থাকায় তা থেকে ঘন ও অবিচ্ছিন্ন অবস্থায় জ্বালানি নিক্ষেপণের  কাজ হয়ে থাকে।

জ্বালানি ছাঁকনি: এটি ডিজেল ইঞ্জিনের একটি প্রধান ও প্রয়োজনীয় অংশ। এর সাহায্যে ডিজেল ইঞ্জিনে তিন ধাপে জ্বালানি পরিষ্কার করা হয়। যথা-

এটি ডিজেল ইঞ্জিনের একটি প্রধান ও প্রয়োজনীয় অংশ।

ট্যাংকের ফিল্টার স্ক্রীন বড় বড় ময়লার কণা দূরীভূত করে।

প্রাইমারী ফিল্টার ছোট কণা দূরীভূত করে (৫ মাইক্রোন মাপের, ১ মাইক্রো/ ১/১০,০০০ সেঃমিঃ)। সেকেন্ডারী ফিল্টার সুক্ষ্ম কণাগুলিকে দূরীভূত করে (২ মাইক্রোন মাপের)

কোন কোন ইঞ্জিনে আবার চূড়ান্ত ফিল্টার থাকে। আবার কখনও কখনও ফিল্টার পানির কণাগুলিকে আলাদা করতে পারে।

সাধারণত তিন পদ্ধতিতে জ্বালানি পরিষ্কার করা যায়। যথা-

১. শোষণ (Straining)

এটা এক প্রকার যান্ত্রিক পদ্ধতি। এর সাহায্যে অপেক্ষাকৃত বৃহত্তর কণাগুলোকে স্ক্রীনের মাধ্যমে আটকানো যায়। এ স্ক্রীন আবার তারের জাল অথবা কাগজ ও কাপড়ের হতে পারে।

২. শোষন (Absorption)

এই পদ্ধতিতে শক্ত কণাগুলি এবং জল কণাগুলোকে ফিল্টার মাধ্যমের সাথে আটকানোর ব্যবস্থা থাকে। ইহাতে সাধারণত তুলা, সেলুলোজ ও দানা জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা হয়।

৩. ম্যাগনেটিক পৃথকীকরণ

এই পদ্ধতিতে কাগজ ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে জ্বালানি হতে জলীয় কণা পৃথক করা যায়।

ডিজেল ইঞ্জিনের গভর্ণিং পদ্ধতি (Governing System of Diesel Engine)

ট্রাক্টর ও বিভিন্ন প্রকার ডিজেল ইঞ্জিন চালিত গাড়ীতে গভর্ণর ব্যবহৃত হয়। ঐ সমস্ত ইঞ্জিনের গতিবেগের সমতাবিধান করাই হল গভর্ণরের কাজ। বোঝাহ ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতির যাতে কোন পরিবর্তন না হয়, সেজন্য গভর্ণর ব্যবহৃত হয়। ইঞ্জিনের উপর বোঝা বাড়লে হঠাৎ এর ঘূর্ণন গতি কমে যেতে পারে এবং বোকা সরালে ঘূর্ণন গতি বেড়ে যেতে পারে। সেই সময়ের জন্য বৈদ্যুতিক জেনারেটরকে এবং ঘূর্ণন গতিতে রেখে উৎপাদিত ভোল্টেজ ঠিক রাখাও গভর্ণিং পদ্ধতির কাজ। ইঞ্জিন কাজ করবার সময় গভর্ণরকে চালিত করে আপনা আপনি বোঝা অনুযায়ী কম বা বেশি জ্বালানি সিলিন্ডারে সরবরাহ করে। কম জ্বালানিত কম ঘূর্ণন; বেশি জ্বালানিতে বেশি ঘূর্ণন গতি বজায় রাখে। আবার গতিবেগ বেশি হতে থাকলে কম পরিমাণ জ্বালানিকে আস্তে আস্তে উহার দ্বার বাড়িয়ে

সমতাবিধান করা হয়। গভর্ণর সাধারণত তিন প্রকার

১০ সেন্ট্রিফিউগ্যাল বা যান্ত্রিক গভর্ণর

২০ হাইড্রলিক গর্ভর্ণর ৩] বায়ুশূন্য গভর্ণর

অনুশীলনী। ডিজেল ও পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ পদ্ধতির মধ্যে কী ধরনের পার্থক্য রয়েছে? 

পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ পদ্ধতির প্রধান যন্ত্রাংশ হল কার্বুরেটর। এটি একটি জ্বালানি পরিমাপক ও মিশ্রণ যন্ত্র। কার্বুরেটর নিম্নলিখিত কাজগুলো সম্পাদন করে থাকে।

তরল জ্বালানি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় রূপান্তরিত করা।

জ্বালানির অনুকে বাষ্পে পরিণত করা।

বাষ্পীয় জ্বলানিকে সঠিক অনুপাতে বায়ুর সাথে মিশ্রিত করা।

ইঞ্জিনের বোঝা ও গতি অনুসারে জ্বালানির মিশ্রণ প্রজ্বলন প্রকোষ্ঠে যথারীতি ও সঠিক পরিমাণে সরবরাহ করা।


কার্বুরেটরের কার্যপদ্ধতি


প্রথমে ফুয়েল ট্যাংক থেকে জ্বালানি লাইনের মাধমে ফ্লোট চেম্বারে প্রবেশ করে। ফুয়েল ট্যাংক থেকে জ্বালানি ফ্লেট চেম্বারে প্রবেশ করার সাথে সাথে ফ্লোটটি ওপরে উঠতে থাকে। ফুয়েলের ওপরের স্তর একটি নির্দিষ্ট সীমায় পৌছলে ফ্লোটের সাথে সংযুক্ত নিড়ল ভালভ দিয়ে ফুয়েল লাইন বন্ধ হয়ে যায়।


তখন আর ফ্লোট চেম্বারে জ্বালানি প্রবেশ করতে পারে না। ফ্লোট চেম্বারের ফুয়েল ইঞ্জিন কর্তৃক ব্যবহৃত হবার সাথে সাথে ফুয়েলের পরিমাণ কমতে থাকে এবং ফুয়েল কমার সাথে সাথে ফ্লোট নিচে নেমে আসে। ফলে নিল ভালভ খুলে যায় এবং চেম্বারে ফুয়েল আসতে থাকে। অন্যদিকে এয়ার ভেন্ট ফ্লোট চেম্বারের সমতুল্য চাপ বজায় রাখতে সাহায্য করে।


শোষন ধাপের সময় সিলিন্ডারে আংশিক শুন্যতার সৃষ্টি হয়। এ শুন্যতা পরণের জন্য এয়ার ক্লিনার হতে পরিষ্কার বায়ু কার্বুরেটরে প্রবেশ করে। বায়ু ভেনচুরির ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হবার সময় প্রটে এর বেগ বেড়ে যায়। কারণ একই পরিমাণ বায়ু ভেনচুরির ক্ষুদ্রতম প্রস্থচ্ছেদের ভেতর দিয়ে যাবার সময় এর গতিশক্তি বৃহত্তম প্রস্থচ্ছেদের তুলনায় বড়ে যায়। পক্ষান্তরে এর চাপ কমে যায়। আবার ফ্লোট চেম্বারের ঢাকনা প্লেটে একটি ছিদ্র থাকে যার মাধ্যমে এর ভেতরের জ্বালানির উপর বাইরের বাতাস চাপ প্রয়োগ করে। এ কারণে ফ্লোট চেম্বারে অবস্থিত জ্বালানির উপর চাপ ও ভেনচুরিতে (নজলে) অবস্থিত জ্বালানির উপর চাপের পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। চাপের এ পার্থক্যকে ইনটেক ডিপ্রেশন বলে। এর ফলে জ্বালানি ঘুটে অবস্থিত নজল দিয়ে ভেনচুরিতে প্রবেশ করে। ভেনচুরি অঞ্চলে বায়ু প্রবাহের নিচাপ ও উচ্চ গতির প্রভাবে ফুয়েল কণাগুলো বাষ্পীয় আকার ধারণ করে এবং বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়। তারপর এ বায়ু ও ফুয়েলের মিশ্রণ ইনলেট মেনিফোন্ডে প্রবেশ করে এবং এ প্রবেশ থ্রটল ভাল্ভ দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। ইনলেট মেনিফোন্ড হতে মিশ্রণ সিলিন্ডারে প্রবেশ করে। এই জ্বালানি ইঞ্জিনের প্রজ্বলন প্রকোষ্ঠে স্পার্ক প্লাগের সাহায্যে প্রজ্বলিত ও দগ্ধ হয় একসিলেটরের সাহায্যে ধ্রুট ভাল্ভ ঘুরিয়ে প্রবেশ ঢিউবের প্রস্থচ্ছেদ কমানো ও বাড়ানো যায়। যাহার ফলে ইঞ্জিনের গতি ও জ্বালানি সরবরাহের পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত হয়।


১. বায়ু পরিষ্কারক যন্ত্র হতে পরিষ্কার বাতাস, ২. পরিস্কার বাতাস, ৩. চোক, ৪. ভেনচুরি, ৫. জেট, ৬. ফ্লোট, ৭. নিজল ভালভ, ৮. জ্বালানি প্রবেশ পথ, ৯. ফ্লোট লিভার, ১০. ফ্রেটি চেম্বার, ১১. বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণ, ১২. থ্রটল, ১৩. বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণ (কম্বাশন চেম্বারে)

সাধারণত ১ ভাগ পেট্রোলের সঙ্গে ১৩.১৫ ভাগ বায়ু (১৩৪১ বা ১৫ঃ১) মিশ্রিত হয়ে যে মিশ্রণ তৈরি করে একে যথার্থ মিশ্রণ (Proper Mixture) বলে। কিন্তু যে মিশ্রণে বায়ুর পরিমাণ কম থাকে অর্থাৎ বায়ু ও পেট্রোলের অনুপাত ৮:১ থাকে একে গাড় মিশ্রণ (Rich Mixture) বলে। আবার যে মিশ্রণে বায়ুর পরিমাণ বেশি থাকে অর্থাৎ বায়ু ও পেট্রোলের অনুপাত ২০৪১ থাকে একে পাতলা মিশ্রণ (Lean Miture) বলে। ইঞ্জিনের গতি এবং ক্ষমতা বায়ু ও জ্বালানি মিশ্রণের অনুপাত, মিশ্রিত জ্বালানির প্রবাহ, ঘনত্ব ও এর ব্যবহারিক গুণাবলীর উপর নির্ভর করে। বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণ বিভিন্ন অনুপাতে তৈরি করার জন্য সাধারণ কার্বুরেটর (Simple Carburetor) কমপেনসেটিং জেট টাইপ কার্বুরেটর (Companseting Jet Type Carburetor) এবং প্লেইন টিউব এয়ার ব্লিড টাইপ কার্বুরেটর (Plain Tube Air Bleed Type Carburetor) ব্যবহৃত হয়ে থাকে।


পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ পদ্ধতিতে কার্বুরেটর ছাড়াও তেলাধার, ছাঁকনি, কোন কোন ক্ষেত্রে জ্বালানি পাম্প এবং বায়ু পরিষ্কারক থাকে।


বায়ু পরিষ্কারক যন্ত্র (Air Cleaner)


ধুলাবালি ও অন্যান্য ক্ষতিকারক বস্তু যাতে বায়ুর সাথে ইঞ্জিনে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বাঘ্র পরিষ্কারক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।


ইঞ্জিনের সন্তোষজনক ও দীর্ঘ মেয়াদী কাজের জন্য পরিষ্কার বায়ুর প্রয়োজন। ধুলাবালি ও অন্যান্য ক্ষতিকারক বস্তু যাতে বায়ুর সাথে ইঞ্জিনে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বায়ু পরিষ্কারক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। এটি অপরিষ্কার থাকলে কম পরিমাণ বায়ু ইঞ্জিনে প্রবেশ করে। ফলে ইঞ্জিনের কার্য দক্ষতা কমে যায়। প্রবেশ ভালভ ও পিস্টন রিংয়ের ক্ষয়সাধন, নানা প্রকার কালো ধোঁয়া ও ময়লা জ্বালানির অসম্পূর্ণ দহন ইত্যাদির জন্য অপরিষ্কার বায়ু ও জ্বালানি সম্পূর্ণভাবে দায়ী। বায়ু পরিষ্কার করবার জন্য সাধারণত তেলসিক্ত ও শুষ্ক ছাঁকনি বা বায়ু পরিষ্কারক যন্ত্র ব্যবহৃত হয়। এগুলো প্রায় ৯৫% ময়লা পরিষ্কার করতে পারে।


যেহেতু তেলের পাত্রে ধুলা-বালি ও ময়লা জমিতে থাকে, তাই ইহার ভিতরকার তেল প্রতি ১০ ঘন্টা কাজের পর পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

তেলসিক্ত ছাঁকনিতে বায়ু প্রথমে প্রি-ক্লিনারে প্রবেশ করে। এখানে বায়ুর ঘুর্ণনের ফলে অপেক্ষাকৃত বড় বড় কণাগুলি ময়লা নির্গমন পথ দিয়ে বাহিরে চলে যায়। দ্বিতীয় ধাপে বায়ু একটি নল ও পাত্রের ভিতর পিচ্ছিলকারক তেলের মধ্য দিয়ে যাবার সময় ধুলা-বালি ও ময়লাদি তেলে আটকা পড়ে। এ ভাবে পরিষ্কার বায়ু রবার টিউবের মাধ্যমে প্রবেশ মেনিফোন্ড এবং ইঞ্জিনে প্রবেশ করে। যেহেতু তেলের পাত্রে ধুলা-বালি ও ময়লা জমিতে থাকে, তাই ইহার ভিতরকার তেল প্রতি ১০ ঘন্টা কাজের পর পরিবর্তন করা প্রয়োজন। যদি বায়ুতে ধুলা-বালির পরিমাণ কম থাকে তবে তেলের পাত্রে ৩-৬ মিঃ

মিঃ ময়লা জমলে তেল পরিবর্তন করা উচিৎ। অন্ত তঃঃপক্ষে প্রতি এক বৎসর পর পর সমস্ত ছাঁকনিটি পরিষ্কার করে পুনরায় পাত্রটি তেল দ্বারা পূর্ণ করা প্রয়োজন। দৃষ্টি রাখতে হবে যেন পাত্রে সব সময় পরিমাণ মত তেল থাকে।

শুষ্ক বায়ু পরিষ্কারক যন্ত্রে পাত্রের ভেতরে

 পিচ্ছিলকারক তেল দিয়ে সিক্ত তারের জাল থাকে। বাইরের অপরিষ্কার বায়ু এর ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় ধুলা-বালি ও ময়লাদি তেলে আটকিয়ে যায়। এ প্রকার ছাঁকনি সাধারণতঃ স্থায়ীভাবে স্থাপিত ছোট ইঞ্জিনে ব্যবহৃত হয়। এর যন্ত্রাংশগুলো বায়ু প্রবাহ এবং কেরোসিন দিয়ে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।


ইনজেক্টর নজল (Injector Nozzle) বিষয় 
AKS power solution ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...