এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

টুইটার থেকে নেওয়া

  প্রস্তুত তো ???

ধেয়ে আসছে গাজওয়াতুল হিন্দ! পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় যে ধর্মযুদ্ধ হবে সেটাই হল "গাজওয়ায়ে হিন্দ" তথা হিন্দুস্থান ভারতের বিরুদ্ধে মুসলমান উম্মাহদের যুদ্ধ। এই সম্মানিত যুদ্ধে নিশ্চিত মুসলমান উম্মাহরা বিজয় লাভ করবেন। সুবহানআল্লাহ.! কিন্তু এই সম্মানিত যুদ্ধে এক তৃতীয়াংশ মুসলমান শাহাদাত বরন করবেন এবং শেষাংশ যুদ্ধ শেষ করে বিজয় লাভ করবেন। সুবহানাল্লআহ.! যারা এই সম্মানিত যুদ্ধে শাহাদাত বরন করবেন উনারা নিশ্চিত জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.! এবং যেসব মুসলমানগন এই সম্মানিত যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে গাজী হয়ে ফিরবেন উনারা ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরন করে জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.! আবার এই সম্মানিত যুদ্ধ থেকে যেসব নামধারী মুসলমানরা পালিয়ে যাবে তারা বেইমান হয়ে মৃত্যুবরন করবে। নাউজুবিল্লাহ! পবিত্র হাদিস শরীফে গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটা হবে কাফির মুশরিকদের সাথে মুসলমানদের পৃথিবীর ভিতর বৃহত্তম জি"হ|দ/যুদ্ধ। এই যুদ্ধে হিন্দুস্তানের মোট মুসলিমদের এক তৃতীয়াংশই শহীদ হবে, আরেক অংশ পালিয়ে যাবে আর শেষ অংশ জি"হ|দ চালিয়ে যাবে। মুসলমানদের নিশ্চিত জয় হবে কিন্তু এটা এতোটাই ভয়াবহ যে হয়তো অল্প কিছু সংখ্যক মুসলিমই বেঁচে থাকবেন বিজয়ের খোশ আমদেদ করার জন্য। অন্য বর্ণনায় আছে, গাজওয়াতুল হিন্দ হিন্দুস্তানের (চুড়ান্ত) যুদ্ধ। রাসুল (ﷺ) একদিন পুর্ব দিকে তাকিয়ে বড় বড় নিশ্বাস নিচ্ছিলেন, এমন সময় এক সাহাবি রাসুল (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করলেন, "ইয়া রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আপনি এমন করছেন কেন!" রাসুল (ﷺ) বললেন, "আমি পুর্ব দিকে বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছি।" সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহুম উনারা জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ(ﷺ) আপনি কিসের বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছেন? রাসুল (ﷺ) বললেন, পুর্ব দিকে মুসলিম ও মুশরিকদের (যারা মুর্তিপুজা করেন) সাথে যুদ্ধ শুরু হবে। যুদ্ধটা হবে অসম। মুসলিম সেনাবাহিনী থাকবে সংখ্যায় সীমিত, কিন্তু মুশরিক সেনাবিহিনী থাকবে সংখ্যায় অধিক। ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা এত বেশি মারা যাবে যে রক্তে মুসলিমদের পায়ের টাকুনি পর্যন্ত ডুবে যাবে। ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা তিন ভাগে বিভক্ত থাকবে; এক ভাগ বিশাল মুশরিক বাহিনি দেখে ভয়ে পালিয়ে যাবে, তারাই হলো জাহান্নামী! আর এক ভাগ সবাই যুদ্ধে শহীদ হবেন। শেষ ভাগ আল্লাহর ওপর ভরসা করে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে এবং শেষ পর্যন্ত জয় লাভ করবেন। রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, এই যুদ্ধ বদর যুদ্ধের সমতুল্য!(সুবহানাল্লাহ) RJ Al-amin✍️ অপর এক বর্ণনায় এসেছে : এই যুদ্ধের শহীদরা বদরের শহীদদের মর্যাদা পাবেন।( সুবহানাল্লাহ্!)
টুইটার থেকে নেওয়া

নিমন্ত্রণ __ জসীম উদ্‌দীন---(ধান ক্ষেত কাব্যগ্রন্থ),,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নিমন্ত্রণ

__ জসীম উদ্‌দীন---(ধান ক্ষেত কাব্যগ্রন্থ)

তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে,আমাদের ছোট গাঁয়,

গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়;

মায়া মমতায় জড়াজড়ি করি

মোর গেহখানি রহিয়াছে ভরি,

মায়ের বুকেতে, বোনের আদরে, ভাইয়ের স্নেহের ছায়,


তুমি যাবে ভাই - যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,

ছোট গাঁওখানি- ছোট নদী চলে, তারি একপাশ দিয়া,

কালো জল তার মাজিয়াছে কেবা কাকের চক্ষু নিয়া;

ঘাটের কিনারে আছে বাঁধা তরী

পারের খবর টানাটানি করি;

বিনাসুতি মালা গাথিছে নিতুই এপার ওপার দিয়া;

বাঁকা ফাঁদ পেতে টানিয়া আনিছে দুইটি তটের হিয়া।


তুমি যাবে ভাই- যাবে মোর সাথে, ছোট সে কাজল গাঁয়,

গলাগলি ধরি কলা বন; যেন ঘিরিয়া রয়েছে তায়।

সরু পথ খানি সুতায় বাঁধিয়া

দূর পথিকেরে আনিছে টানিয়া,

বনের হাওয়ায়, গাছের ছায়ায়, ধরিয়া রাখিবে তায়,

বুকখানি তার ভরে দেবে বুঝি, মায়া আর মমতায়!


তুমি যাবে ভাই যাবে মোর সাথে – নরম ঘাসের পাতে

চম্বন রাখি অধরখানিতে মেজে লয়ো নিরালাতে।

তেলাকুচা – লতা গলায় পরিয়া

মেঠো ফুলে নিও আঁচল ভরিয়া,

হেথায় সেথায় ভাব করো তুমি বুনো পাখিদের সাথে,

তোমার গায়ের রংখানি তুমি দেখিবে তাদের পাতে।


তুমি যদি যাও আমাদের গাঁয়ে, তোমারে সঙ্গে করি

নদীর ওপারে চলে যাই তবে লইয়া ঘাটের তরী।

মাঠের যত না রাখাল ডাকিয়া

তোর সনে দেই মিতালী করিয়া

ঢেলা কুড়িইয়া গড়ি ইমারত সারা দিনমান ধরি,

সত্যিকারের নগর ভুলিয়া নকল নগর গড়ি।


তুমি যদি যাও – দেখিবে সেখানে মটর লতার সনে,

সীম আর সীম – হাত বাড়াইলে মুঠি ভরে সেই খানে।

তুমি যদি যাও সে – সব কুড়ায়ে

নাড়ার আগুনে পোড়ায়ে পোড়ায়ে,

খাব আর যত গেঁঢো – চাষীদের ডাকিয়া নিমন্ত্রণে,

হাসিয়া হাসিয়া মুঠি মুঠি তাহা বিলাইব দুইজনে।

তুমি যদি যাও – শালুক কুড়ায়ে, খুব – খুব বড় করে,

এমন একটি গাঁথিব মালা যা দেখনি কাহারো করে,

কারেও দেব না, তুমি যদি চাও

আচ্ছা না হয় দিয়ে দেব তাও,

মালাটিরে তুমি রাখিও কিন্তু শক্ত করিয়া ধরে,

ও পাড়াব সব দুষ্ট ছেলেরা নিতে পারে জোর করে;


সন্ধ্যা হইলে ঘরে ফিরে যাব, মা যদি বকিতে চায়,

মতলব কিছু আঁটির যাহাতে খুশী তারে করা যায়!

লাল আলোয়ানে ঘুঁটে কুড়াইয়া

বেঁধে নিয়ে যাব মাথায় করিয়া

এত ঘুষ পেয়ে যদি বা তাহার মন না উঠিতে চায়,

বলিব – কালিকে মটরের শাক এনে দেব বহু তায়।


খুব ভোর ক’রে উঠিতে হইবে, সূয্যি উঠারও আগে,

কারেও ক’বি না, দেখিস্ পায়ের শব্দে কেহ না জাগে

রেল সড়কের ছোট খাদ ভরে

ডানকিনে মাছ কিলবিল করে;

কাদার বাঁধন গাঁথি মাঝামাঝি জল সেঁচে আগে ভাগে

সব মাছগুলো কুড়ায়ে আনিব কাহারো জানার আগে।


ভর দুপুরেতে এক রাশ কাঁদা আর এক রাশ মাছ,

কাপড়ে জড়ায়ে ফিরিয়া আসিব আপন বাড়ির কাছ।

ওরে মুখ – পোড়া ওরে রে বাঁদর।

গালি – ভরা মার অমনি আদর,

কতদিন আমি শুনি নারে ভাই আমার মায়ের পাছ;

যাবি তুই ভাই, আমাদের গাঁয়ে যেথা ঘন কালো গাছ।


যাবি তুই ভাই, যাবি মোর সাথে আমাদের ছোট গাঁয়।

ঘন কালো বন – মায়া মমতায় বেঁধেছে বনের বায়।

গাছের ছায়ায় বনের লতায়

মোর শিশুকাল লুকায়েছে হায়!

আজি সে – সব সরায়ে সরায়ে খুজিয়া লইব তায়,

যাবি তুই ভাই, যাবি মোর সাথে আমাদের ছোট গায়।

তোরে নিয়ে যাব আমাদের গাঁয়ে ঘন-পল্লব তলে

লুকায়ে থাকিস্, খুজে যেন কেহ পায় না কোনই বলে।

মেঠো কোন ফুল কুড়াইতে যেয়ে,

হারাইয়া যাস্ পথ নাহি পেয়ে;

অলস দেহটি মাটিতে বিছায়ে ঘুমাস সন্ধ্যা হলে,

সারা গাঁও আমি খুজিয়া ফিরিব তোরি নাম বলে বলে।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


২ টাকার লাউ গাছ,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ২ টাকার লাউ গাছ,,


বাজার থেকে ১০ টাকায় ২০ টা বীজ কিনছিলাম,তার থেকে ২ টা গাছ রোপণ করছিলাম। 


আজ সেই গাছ গুলোর রাজত্বে ছাদের কিছু অংশ ওদের দখলে,বাজার মূল্য হিসেবে কম হলেও ১০০ টাকার সাক কাটলাম সকালে।


আর মনের আনন্দ তো কোটি টাকার সমান অনুভব হয়,মজার বিষয় হচ্ছে গাছ গুলো কোন রকম মাটি আর পরিচর্যা ছাড়া বড়ো হইছে আলহামদুলিল্লাহ। 


মাটি ছাড়া কিভাবে হয় সেটা এখন সকলের মনে প্রশ্ন তাই না,


ছাদের সব ময়লা আর পাতা সব জরো করে ড্রাম ভর্তি করে রাখছিলাম আর সেখানে গাছ রোপণ।  


ময়লা পরিষ্কার হলো আবার জৈব সার ও হলো সব শেষে ফ্রী সাক ও খাওয়া হলো।







ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


পালং শাকের পাটিসাপটা পিঠা,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 শীতে নানারকম পিঠার আয়োজন তো করেনই। আজ একটু আনকমন স্বাদের পালং শাকের পাটিসাপটা পিঠা বানিয়ে ফেলুন না! বানানো কঠিন কিছু নয়। আপনার জন্য রেসিপি রইলো এখানে-

যা যা লাগবে-

চাষী চিনিগুঁড়া চালের গুঁড়া ২ কাপ 

ময়দা ১ টেবিল চামচ 

ডিম (ফেটানো) ৪টি 

আদা বাটা ১ টেবিল চামচ

রসুন বাটা ১ চা চামচ 

জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ 

পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ

কাঁচামরিচ বাটা ১ টেবিল চামচ 

রাঁধুনী হলুদের গুঁড়া ১/২ চা চামচ

রাঁধুনী ধনিয়ার গুঁড়া ১/২ চা চামচ

চাট মশলা ১/২ চা চামচ 

লবণ স্বাদমতো 

তেল ভাজার জন্য 

পালং শাক কুচি ১ কাপ 

পানি পরিমাণমতো 

যেভাবে বানাবেন-

একটি বাটিতে পালং শাক, ডিম-সহ সব মশলা একসাথে মেখে নিন। এরপর লবণ দিয়ে আরো একবার ভালো করে মাখান। 

ফ্রাই প্যানে অল্প তেল দিয়ে ১ টেবিল চামচ গোলা ঢেলে দিয়ে দ্রুত ছড়িয়ে দিন। পাটিসাপটা সিদ্ধ হলে একপাশ থেকে মুড়ে যান। আর একটু তেল দিয়ে দু’পিঠ ভালোভাবে ভেজে নামান। 

গরম গরম পরিবেশন করুন।


রান্নাবান্নার কিছু টিপস,,,,,

 """""""রান্নাবান্নার কিছু টিপস """"""


🌹 শুকনো মরিচ বা বিস্কিট - চানাচুর ফ্রিজে রেখে দিলে মচমচে থাকবে ।


🌹 খাবারে কাঁচা পেঁয়াজ দেওয়া না হলে তা অনেক্ষণ ভালো থাকে।


🌹 হাত দিয়ে আচার নাড়বেন না, চামচ ব্যবহার করুন। 


🌹 আচার বয়াম থেকে নেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে, চামচে যেন পানি না থাকে।


🌹 রান্নার সময় খাবার পুড়িয়ে ফেলেছেন। প্যানটি সাবান মেশানো গরম পানিতে সিঙ্কে চুবিয়ে রাখুন ঘণ্টাখানেক। প্যান পরিষ্কার সহজ হয়ে যাবে।


🌹 তরকারীতে হলুদ বেশি হয়ে গেছে ? একটু আটা পানিতে মেখে আস্তে করে তরকারীতে দিয়ে রাখুন । ভয় নেই। ওটা গল্বে না । আস্তে আস্তে সক্ত হয়ে যাবে এবং সে বাড়তি হলুদ কমিয়ে ফেলবে ।


🌹 মোমবাতি ফ্রিজে রাখুন। মোমবাতি ভালো থাকবে এবং ক্ষয়ও হবে কম।


🌹 আলু ও ডিম একসঙ্গে সিদ্ধ করুন। দুটো দুই কাজে ব্যবহার করলেও সিদ্ধ তাড়াতাড়ি হবে।


🌹 খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায় দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভাল করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।


আমার টিপস গুলো যদি আপনাদের একটু ও উপকারে আশে তবে শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন, নিয়মিত আমার দেওয়া পোস্ট গুলো পেতে  কমেন্ট করে সাথেই থাকুন তা না হলে আমার দেওয়া পোস্ট গুলো আপনার ওয়ালে খুজে পাবেন না। সবার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো। 


গতির চেয়েও দ্রুত এই সুপারসনিক বিমান,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ***শব্দের গতির চেয়েও দ্রুত এই সুপারসনিক বিমান, এক দেশ থেকে অন্য দেশে পৌঁছাবে কয়েক মিনিটে***


কার গতিবেগ সবচেয়ে বেশি বলুন তো? এক কথাতেই বলে ফেললেন নিশ্চয়ই আলো। আর আলোর থেকে কিছুটা কম শব্দের গতিবেগ। এবার এই শব্দের গতি থেকেও যদি জোরে ছোটে কোনও বিমান, তাহলে কেমন হবে? এই ভাবনাটারই বাস্তব রূপ দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA) এবং বিমান ও বিমানের যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারক সংস্থা লকহিড মার্টিন সুপারসনিক বিমান X-59 তৈরি করেছে। এটি একটি নতুন প্রজন্মের বাণিজ্যিক বিমান, যা শব্দের গতির চেয়েও দ্রুত।


**বিশ্বের প্রথম সুপারসনিক বিমান কোনটি জানেন?**


বিশ্বের প্রথম দ্রুততম সুপারসনিক যাত্রীবাহী বিমান ছিল কনকর্ড। এই বিমানটি শব্দের দ্বিগুণ গতিতে উড়তে পারতো, কিন্তু এই সুপারসনিক বিমানটি 2003 সালে শেষ ফ্লাইট নিয়ে উড়তে পেরেছিল। ওই দিন থেকেই এই বিমানের ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়।


**X-59-এর গতি শব্দের চেয়েও 1.4 গুণ বেশি:**


X-59-এর একের পর এক পরীক্ষা চলছে। আর তারপরে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা ফ্লাইট নিয়ন্ত্রকদের ডেটা সরবরাহ করবে, যা তাদের বাণিজ্যিক সুপারসনিক ফ্লাইটকে আরও বেশি এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। জানলে অবাক হবেন, X-59 শব্দের 1.4 গুণ বেশি গতিতে উড়তে পারে। এর নকশা, আকার এবং প্রযুক্তিগুলি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যে ওড়ার সময় কোনওরকম আওয়াজ করবে না। নাসার ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর পাম মেলরয় এই বিষয়ে বলেছেন, “এটি একটি বিরাট অর্জন, যা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র নাসা এবং পুরো X-59 টিমের কঠোর পরিশ্রম এবং দক্ষতার কারণে। চলতি বছরের শেষের দিকে বিমানটি প্রথমবারের মতো উড়তে চলেছে। বিমানটিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি নির্বাচিত শহরে চালানো হবে।”


লকহিড মার্টিন স্কাঙ্ক ওয়ার্কসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জেনারেল ম্যানেজার জন ক্লার্ক বলেন, “প্রতিভাবান, নিবেদিতপ্রাণ বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী এবং কারিগররা এই বিমানটি তৈরি করতে সহযোগিতা করেছেন। তাদের জন্যই সবটা সম্ভব হয়েছে। এই বিমান 99.7 ফুট লম্বা এবং 29.5 ফুট চওড়া। বিমানের আকার এবং প্রযুক্তি সুপারসনিক ফ্লাইটটিকে সবার থেকে আলাদা করে। “


Source: Tv9 Bangla

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

ক্যালেন্ডারের ইতিহাস BBC বাংলা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 



৩০শে ফেব্রুয়ারি - যে দিনটি ইতিহাসে মাত্র একবারই এসেছিল



অবিশ্বাস্য হলেও, তারিখটি এক সময় বিদ্যমান ছিল।


এক ঘন্টা আগে


বহু বছর ধরে প্রতি চার বছর পর পর লিপ ইয়ারের মাধ্যমে বছর গণনাকে সমন্বয় করায় আমরা অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি।


সাধারণত এক বছর বলতে ৩৬৫ দিনের হিসাব করা হলেও এবারে ২০২৪ সালে বছরের গণনা করা হবে ৩৬৬ দিনে। কারণ চলতি বছর হল লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ।


লিপ ইয়ার হল প্রতি চার বছর পর পর ৩৬৫-দিনের ক্যালেন্ডারে ফেব্রুয়ারির শেষে বাড়তি একটি দিন যোগ হওয়া। তাই ২৯শে ফেব্রুয়ারি অবশ্যই বিশেষ একটি দিন।


এই বাড়তি এক দিন যোগ হওয়া মানে মাসের শেষে বিল পরিশোধ করতে যেমন বাড়তি একদিন সময় পাওয়া যায়, তেমনি অনেকের ক্ষেত্রে বেতন আসার জন্য আরেকটা দিন বেশি অপেক্ষা করতে হয়।


যারা এই তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন তারা প্রতি চার বছরে পর পর তাদের প্রকৃত জন্মদিন পালন করতে পারেন।


কিন্তু ইতিহাসে শুধুমাত্র একবার এমন সময় এসেছিল যখন ক্যালেন্ডারে ৩০শে ফেব্রুয়ারি যোগ করতে হয়েছিল।


সুইডেন একটি ডাবল লিপ ইয়ারের অংশ হিসেবে ১৭১২ সালের ক্যালেন্ডারে ৩০শে ফেব্রুয়ারি যুক্ত করেছিল।


তাহলে ভেবে দেখুন, সেই তারিখে যারা জন্মগ্রহণ করেছিলেন তাদের ভাগ্যে কী হয়েছে? তারা তাদের জীবদ্দশায় কখনই সত্যিকারের জন্মদিন উদযাপন করতে পারেননি।


এই ৩০শে ফেব্রুয়ারি কেন যুক্ত করতে হয়েছিল সেই ব্যাখ্যার আগে লিপ ইয়ার কেন আসে, কবে থেকে লিপ ইয়ার যুক্ত হয়েছে সেই ইতিহাস জানা প্রয়োজন।


আরো পড়তে পারেন


দেবতা জানুসের নাম থেকে যেভাবে জানুয়ারি বছরের প্রথম মাস৩১ ডিসেম্বর ২০২৩


১৪ই এপ্রিল দেশে দেশে যেভাবে বর্ষবরণ উৎসব উদযাপিত হয়১৪ এপ্রিল ২০২২


'এপ্রিল ফুল' এর সাথে কি মুসলমানদের ট্র্যাজেডি জড়িয়ে আছে?১ এপ্রিল ২০২৩



জুলিয়াস সিজার একটি ক্যালেন্ডার প্রবর্তন করেছিলেন যা আধুনিক ক্যালেন্ডারের পথ তৈরি করে।


লিপ ইয়ার কেন আসে?


প্রতি চার বছর পর পর ক্যালেন্ডারে যে অসঙ্গতি থাকে, সেটিকে সমন্বয় করতে লিপ ইয়ারের আবির্ভাব।


কখন থেকে এই লিপ ইয়ারের প্রচলন হয়েছে, সে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য দুই সহস্রাব্দেরও বেশি আগে প্রাচীন রোমের ইতিহাসের দিকে তাকাতে হবে।


কারণ সেই সময় প্রথম আবিষ্কার হয়েছিল, তারা যে সৌর ক্যালেন্ডার ধরে বছর গণনা করছেন সেটি সৌর বছরের সাথে সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।


এই ক্যালেন্ডারের প্রাথমিক ধারণা এসেছিল রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের কাছ থেকে।


তিনি সেসময় আলেকজান্দ্রিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী সোসিজেনেসকে রোমান ক্যালেন্ডারের একটি বিকল্প তৈরি করতে সাহায্য করতে বলেছিলেন।


যে ক্যালেন্ডার হবে সূর্যের চারিদিকে পৃথিবীর পরিভ্রমণের সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।


কারো কারো মতে, পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে কাঁটায় কাঁটায় ৩৬৫ দিন সময় নেয় না। এতে ৩৬৫ দিনের সাথে পাঁচ ঘণ্টা, ৪৮ মিনিট এবং ৫৬ সেকেন্ড বেশি সময় লাগে।


এই বাড়তি সময়কে সমন্বয় করতে সোসিজেনেস একটি ক্যালেন্ডার তৈরির প্রস্তাব করেছিলেন, যা মিশরীয়দের ক্যালেন্ডারের সাথে প্রায় হুবহু মিলে যায়।


সৌর বছরের সাথে সন্নিবেশ করতে প্রতি চার বছরে ৩৬৫ দিনের সাথে একটি অতিরিক্ত দিন যোগ করা হয়।


এভাবে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের জন্ম হয়, এর প্রবর্তক জুলিয়াস সিজারের সম্মানে এই নামকরণ করা হয়েছিল।


পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ৩৬৫ দিনের কিছুটা বেশি সময় নেয়।


একটি বাড়তি দিন


কিন্তু এই জুলিয়ান ক্যালেন্ডারও বেশিদিন টেকেনি। ওই ক্যালেন্ডারে কিছু ফাঁক থাকার কারণে ১৫৮২ সাল থেকে ক্রমান্বয়ে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের জায়গা প্রতিস্থাপন করে নেয় আজকের গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার।


জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে বছর শুরু হতো মার্চ থেকে।


যেহেতু প্রতি চার বছরে একটি অতিরিক্ত দিনের প্রয়োজন ছিল, তাই রোমানরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে এটি ফেব্রুয়ারিতে হবে, যা তখন বছরের শেষ মাস ছিল।


লিপ নামটি ল্যাটিন বাক্য থেকে এসেছে। যার অর্থ মার্চ মাস শুরুর ছয় দিন আগে, অর্থাৎ ২৪শে ফেব্রুয়ারি। সেসময় ওই দিনটি লিপ ইয়ার হিসেবে পালন করা হত।


বাক্যটি কিছুটা দীর্ঘ হওয়ায় একে সংক্ষেপে ‘বিস সেক্সটাস’ বলা হয়ে থাকে যার অর্থ লিপ ইয়ার বা বাংলায় অধিবর্ষ।


কয়েক বছর পরে, ত্রয়োদশ পোপ গ্রেগরি এক ডিক্রি জারির মাধ্যমে ক্যালেন্ডারটিকে 'নিখুঁত' করার সিদ্ধান্ত নেন।


তার আনা পরিবর্তনগুলোর মধ্যে একটি ছিল যে লিপ ইয়ারের অতিরিক্ত দিনটি হবে ২৯শে ফেব্রুয়ারি এবং জুলিয়ান ক্যালেন্ডার দ্বারা নির্ধারিত ২৪ তারিখ নয়।


একটি গাণিতিক সমাধান


জ্যোতির্বিজ্ঞানী ক্রিস্টোফার ক্ল্যাভিয়াসের পরামর্শে, তখনকার জ্ঞানী ব্যক্তিরা বছরের হিসেবে এই সমন্বয় আনার জন্য সিদ্ধান্ত নেন যে, ১৫৮২ সালে চৌঠা অক্টোবরের পরের দিনটি হবে ১৫ই অক্টোবর।


অর্থাৎ মাঝে ১০ দিন গায়েব হয়ে যাবে।


মূলত এই উপায়ে সৌর বছরের মাঝে সময়ের যে ব্যবধান হয়েছিল সেটা দূর করা হয়।


এবং পরবর্তীতে যেন এই ভারসাম্যহীনতা আবার না ঘটে, সেজন্য তখন লিপ ইয়ারের প্রবর্তন করা হয়।



ত্রয়োদশ পোপ গ্রেগরি ১৫৮২ সালে তার ক্যালেন্ডারে থাকা অসঙ্গতিগুলো ঠিক করার জন্য কিছু পরিবর্তন এনেছিলেন।


সময়ের হেরফের


সময়কে মূলত গণনা করা হয়, দিন, মাস এবং বছরের হিসেবে। এই গণনা প্রক্রিয়া মানুষেরই আবিষ্কার।


চন্দ্র আবর্তন অনুসরণ করে দেখা গেছে, দুইটি পূর্ণিমার মধ্যে কমবেশি সাড়ে ২৯ দিনের পার্থক্য থাকে।


অন্যদিকে, সৌর পরিভ্রমণ অনুযায়ী, পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরতে সময় নেয় কমবেশি ৩৬৫ দিন ছয় ঘণ্টার মতো।


তবে এটি এমন এক গণনা পদ্ধতি যা হেরফের হতে পারে।


ইতিহাস জুড়ে বিভিন্ন শাসক এক বছরকে কয়েক মাসে ভাগ করেছেন। অর্থাৎ সব সময়ে ১২ মাসে এক বছর ছিল না, মাসের সংখ্যায় হেরফের ছিল।


ওই শাসকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাহিদা-প্রয়োজন, বা তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছা অনুসারে সেই মাসগুলোয় বাড়তি দিন যোগ করা হতো নাহলে সরিয়ে নেয়া হতো।


ফলে সৌর বছরের সাথে এই ক্যালেন্ডারগুলোকে সমন্বয় করা প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে, যা উপেক্ষা করার উপায় ছিল না।


সম্রাট জুলিয়াস সিজার, প্রায় দুই হাজার বছর আগে, আমরা বর্তমানে যে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করি তার অনুরূপ একটি ক্যালেন্ডার প্রবর্তন করেছিলেন।


সেই তথাকথিত জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১২ মাসে এক বছর ছিল। এবং মাসগুলোর কিছু ৩০ দিন এবং কিছু ৩১ দিনে গণনা করা হতো।


শুধুমাত্র ফেব্রুয়ারি মাস গণনা হতো ২৮ বা ২৯ দিনে।


বছর শুরু হতো মার্চ মাস থেকে। কারণ এটি বসন্তের শুরু। এজন্য বছরের শেষ মাস ফেব্রুয়ারিকে লিপ ইয়ারের জন্য বেছে নেয়া হয়।


এক বছর যেহেতু ৩৬৫ দিন ছয় ঘণ্টায় হয়, তাই বাড়তি এই ছয় ঘণ্টাকে সমন্বয় করার জন্য সেই রোমান সময় থেকে লিপ ইয়ার চিহ্নিত করা হয়েছে।



সম্রাট দ্বাদশ চার্লস ক্যালেন্ডারের আগের সব পরিবর্তন বাতিল করেন।


গ্রেট গ্রেগরিয়ান লিপ


এই গণনা শতাব্দী ধরে চলে আসছে, কিন্তু এই গণনা পদ্ধতি সঠিক নয়। সৌর বছর আসলে একটু ছোট - সুনির্দিষ্টভাবে বললে ১১ মিনিট ১৪ দশমিক ৭৮৪ সেকেন্ড কম।


আদতে মনে হতে পারে এটি এমন কোন বড় পার্থক্য নয়, যা তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।


তবে বছরের পর বছর ধরে, এই বাড়তি মিনিট/ সেকেন্ড যোগ হয়ে সেটি বড় ব্যবধান তৈরি করে।


এ কারণেই ত্রয়োদশ পোপ গ্রেগরি ১৫৮২ সালে তার ক্যালেন্ডারে থাকা অসঙ্গতিগুলো ঠিক করার জন্য কিছু পরিবর্তন এনেছিলেন।


এটি প্রধানত ধর্মীয় কারণে করা হয়েছিল, কেননা এই সময়ের ব্যবধানের কারণে কয়েকশ বছরে ইস্টারের সূচনা তিন দিন আগপিছ হয়ে যায়।


তবে যাই হোক না কেন, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এখন পর্যন্ত বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মানসম্মত প্রতিষ্ঠিত ক্যালেন্ডার।


যদিও সব দেশ একই সময়ে তা গ্রহণ করেনি।


যারা ক্যাথলিক চার্চের সাথে যুক্ত ছিল, প্রথমে তারা এই ক্যালেন্ডার গ্রহণ করে। পরবর্তী চার দশকে লিপ ইয়ার নির্মূল করার পরিবর্তে, তারা অক্টোবর মাস থেকে এক লাফে ১০ দিন কমিয়ে দেয়।


১৫৮২ সালে ৫ই অক্টোবর বৃহস্পতিবারের পরের দিন ১৪ই অক্টোবর শুক্রবার করা হয়।


অন্যান্য প্রোটেস্ট্যান্ট জাতি এবং সাম্রাজ্যগুলো শুরুতে এই ক্যালেন্ডার গ্রহণে অনিচ্ছুক ছিল, কিন্তু অবশেষে তারাও এই পরিবর্তিত ক্যালেন্ডার গ্রহণ করে।


যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং এর আমেরিকান উপনিবেশগুলো এই পরিবর্তন সাদরে গ্রহণ করে। তবে নতুন ক্যালেন্ডারে সমন্বয় করতে গিয়ে ১৭৫২ সালে তাদেরকেও ১২ দিন কমাতে হয়েছিল।


তারা দোসরা সেপ্টেম্বর থেকে এক লাফে ১৪ই সেপ্টেম্বরে পদার্পণ করে।



ফরাসি বিপ্লবের সময় আধুনিক ক্যালেন্ডার পরিবর্তন করার চেষ্টা করা হয়েছিল।


সুইডিশ পার্সিমনি এবং ৩০শে ফেব্রুয়ারির প্রবর্তন


কিন্তু তার আগে, সুইডেন যখন গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন তারা হঠাৎ করে ওই দিনগুলোকে একসাথে বাদ দিতে চায়নি।


তারা ধীরে ধীরে এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়াকে উপযুক্ত বলে মনে করেছিল।


এজন্য তারা টানা ৪০ বছরের জন্য ফেব্রুয়ারির লিপ দিনগুলো এড়িয়ে যায়, যতক্ষণ না সেগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ হচ্ছে।


তাদের এতদিনের অনুসরণ করা জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ১৭০০ সালে একটি লিপ ইয়ার ছিল, কিন্তু তারা ফেব্রুয়ারি মাস শুধুমাত্র ২৮ দিনেই কাটায়।


একইভাবে ১৭০৪, ১৭০৮ সাল লিপ ইয়ার হলেও তারা ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনেই সীমাবদ্ধ রাখতে চেয়েছিলেন।


কিন্তু, ওই সময়ে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায় এবং অন্যান্য অগ্রাধিকারমূলক কাজের মধ্যে এই লিপ ইয়ার না কাটানোর পরিবর্তনের কথা তারা ভুলে যায়।


কয়েক বছর পরে, সম্রাট দ্বাদশ চার্লস বুঝতে পেরেছিলেন যে সুইডেনের ক্যালেন্ডারটি জুলিয়ান বা গ্রেগরিয়ান কোনটিই নয়।


এরপর তিনি ক্যালেন্ডার প্রণয়নে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং আগের সব পরিবর্তন বাতিল করেন।


কিন্তু, যেহেতু তারা ইতিমধ্যেই ১৭০০ সালের অধিবর্ষ বাদ দিয়েছিল, তাই তিনি আদেশ দেন যেন ১৭১২ অর্থাৎ আরেকটি লিপ ইয়ারে ২৯শে ফেব্রুয়ারির পাশাপাশি আরেকটি অতিরিক্ত দিন যোগ করা হয়।


এভাবে জুলিয়াস সিজারের সময় থেকে ইতিহাসে প্রথম এবং একটিমাত্র বারের জন্য ৩০শে ফেব্রুয়ারি তারিখটি তৈরি করা হয়েছিল।


ওই ৩০শে ফেব্রুয়ারি যারা জন্মগ্রহণ করেছিলেন তাদের জন্ম তারিখ বা জন্ম দিন পালনের বিষয়ে কী হয়েছিল তা জানা যায়নি।


তবে তারা যে কোনদিনই সত্যিকারের জন্মদিন উদযাপন করতে পারেনি তাতে কোন সন্দেহ নেই।


শেষ পর্যন্ত, সুইডেন উত্তর ইউরোপে তার প্রতিবেশী দেশগুলোর উদাহরণ অনুসরণ করে।


দেশটি ১৭৫৩ সালে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার গ্রহণ করে এবং একই পদ্ধতিতে বছরে ১০ দিন এক সাথে ক্যালেন্ডার থেকে বাদ দিয়ে দেয়।


সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপ্লবী ক্যালেন্ডার শিল্প উৎপাদনের দক্ষতা বাড়াতে চেয়েছিল।


অন্যান্য ৩০শে ফেব্রুয়ারি


তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৩০ থেকে ১৯৩১ সালের মধ্যে একটি বিপ্লবী ক্যালেন্ডার চালু করেছিল।


যেখানে পাঁচ দিনে এক সপ্তাহ নির্ধারণ করা হয়েছে। এবং সব মাস ধরা হয় ৩০ দিনে। এতে বছরের শেষে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় দিন বাড়তি থেকে যায়, যা 'ছুটি' হিসাবে বিবেচিত হয়।


সাত দিনের সপ্তাহ বাতিল করার উদ্দেশ্য ছিল সপ্তাহে ছুটির দিনের বাধা ছাড়াই শিল্প উৎপাদন উন্নত করা।


কিন্তু শিগগিরই এটি উপলব্ধি করা হয় যে, রবিবারের প্রথাগত বিশ্রামের অভ্যাস দূর করা কঠিন হবে এবং ধারণাটি এক পর্যায়ে বাতিল হয়ে যায়।


এদিকে, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে ৩০শে ফেব্রুয়ারি তারিখটি ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছে।


রে ব্র্যাডবিউরির ছোট গল্প "দ্য লাস্ট নাইট অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"-এ ৩০শে ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ ঘটনা ঘটবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।


ব্রিটিশ লেখক জন রোনাল্ড রিয়েল টলকিয়েন তার ফ্যান্টাসি উপন্যাস ‘দ্য হবিট এবং দ্য লর্ড অফ দ্য রিংসে’ ৩০শে ফেব্রুয়ারির কথা উল্লেখ করেছেন।


তার বই অনুযায়ী হবিটরা একটি ক্যালেন্ডার তৈরি করে যেখানে ফেব্রুয়ারি মাস ছিল ৩০ দিনে।


তবে বাস্তব জগতেও এই তারিখের ব্যবহার হতে দেখা গিয়েছে।


যখন কোন মানুষের মৃত্যুর তারিখ অজানা থাকে তখন তাদের সমাধি প্রস্তর বা এপিটাফে জন্ম তারিখ হিসেবে ৩০শে ফেব্রুয়ারি দিনটিকে রেকর্ড করা হয়।

প্রতি চার বছর পর পর আমরা ক্যালেন্ডারে ৩৬৫ দিনের পরিবর্তে ৩৬৬ দিন দেখতে পাই।


ধর্মীয় রেফারেন্স ছাড়া ক্যালেন্ডার


সংস্কারের এ ধারা আধুনিক ক্যালেন্ডারের পথ তৈরি করে দিয়েছে, যা আমরা বর্তমানে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার হিসাবে জানি।


সর্বশেষ সংস্কারের পর থেকে ক্যালেন্ডার ব্যবস্থায় কোনো নতুন পরিবর্তন হয়নি।


যদিও ফ্রান্সের মতো কিছু দেশে নতুন এই ক্যালেন্ডার সংশোধনের জন্য আন্দোলন হয়েছিল।


তবে, ১৭৯২ সালে ফরাসি বিপ্লব চলাকালে দেশটি তাদের গণিতবিদ গিলবার্ট রোমের ডিজাইন করা একটি 'প্রজাতন্ত্রী' ক্যালেন্ডার গ্রহণ করে।


এই ক্যালেন্ডারে ধর্মীয় রেফারেন্স বাদ দেওয়া হয় এবং মাসগুলোর নতুন নাম দেওয়ার চেষ্টা করা হয় – নতুন নামে প্রাকৃতিক ঘটনা এবং কৃষি খাতের নানা বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছিল।


কিন্তু ক্যালেন্ডারের নতুন এ সংস্করণের স্থায়িত্ব ছিল খুব সংক্ষিপ্ত।


এরপর ১৮১৪ সালে নেপোলিয়নের উৎখাতের পর, ফ্রান্স দ্রুতই ত্রয়োদশ গ্রেগরির তৈরি এবং জুলিয়াস সিজারের সংস্করণের ক্যালেন্ডারে ফিরে আসে।

BBC বাংলা ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ২৯-০২-২০২৪,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ২৯-০২-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:


আসন্ন রমজানে অফিস চলবে সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত - মন্ত্রিসভা বৈঠকে সিদ্ধান্ত ।


রমজানে নিত্য পণ্যের মূল্য স্বাভাবিক রাখতে এবং মজুতদারদের কারসাজি রোধে সব ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে সরকার - জাতীয় সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী।


দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ।


পুলিশকে জনগণের বন্ধু হয়ে নিঃস্বার্থ সেবা দেওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির।


ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ১১ই মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ। 


জব্দ রুশ ব্যাংকের সম্পদ ইউক্র্রেনের জন্য অস্ত্র সংগ্রহে ব্যবহারের প্রস্তাব করলেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট ।


রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে ফরচুন বরিশাল ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

কৃষি সম্পর্কিত ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 😲প্রাকৃতিক সার দিয়ে শসার ফলন দ্বিগুণ করুন: 


👉বিস্তারিত জেনে নিন:👇

বাগানের উত্সাহী এবং শসা প্রেমীদের জন্য, আপনার বাগান থেকে সরাসরি তাজা, কুঁচকে যাওয়া শসার প্রচুর ফসল সংগ্রহ করার মতো কিছুই নেই। কিন্তু আপনি কি জানেন যে আপনি প্রাকৃতিক সারের সাহায্যে আপনার শসার ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পারেন? এই বিস্তৃত নির্দেশিকায়, আমরা আপনার শসার ফসল দ্বিগুণ করতে এবং আপনার বাগানের উন্নতি নিশ্চিত করতে সেরা জৈব সার এবং কৌশলগুলি অন্বেষণ করব। আপনার শসা গাছের পূর্ণ সম্ভাবনা উন্মোচন করার জন্য প্রস্তুত হন এবং এই সতেজ সবজির প্রাচুর্য উপভোগ করুন।


1. জৈব সারের শক্তি:

👉প্রাকৃতিক সার ব্যবহার করা শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর উদ্ভিদের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে না বরং প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিয়ে মাটিকে সমৃদ্ধ করে। সিন্থেটিক বিকল্পের বিপরীতে, জৈব সার মাটির গঠন উন্নত করে, উপকারী অণুজীবকে উৎসাহিত করে এবং রাসায়নিক ক্ষয়ের ঝুঁকি কমায়।


2. কম্পোস্ট: দ্য গার্ডেনার্স গোল্ড:

👉কম্পোস্ট হল মালীর গোপন অস্ত্র। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, কম্পোস্ট মাটির উর্বরতা এবং জল ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ায়। আপনার শসার বিছানায় কম্পোস্ট যুক্ত করা ক্রমবর্ধমান ঋতু জুড়ে পুষ্টির একটি অবিচ্ছিন্ন সরবরাহ সরবরাহ করে, যার ফলে উদ্ভিদের প্রবল বৃদ্ধি এবং শসার উৎপাদন বৃদ্ধি পায়


3. ওয়ার্ম কাস্টিংস: প্রকৃতির পুষ্টি-সমৃদ্ধ বুস্ট:

👉কৃমি ঢালাই, যা ভার্মিকম্পোস্ট নামেও পরিচিত, শসা গাছের জন্য একটি পুষ্টির পাওয়ার হাউস। প্রয়োজনীয় খনিজ এবং উপকারী অণুজীব দ্বারা পরিপূর্ণ, কৃমি ঢালাই মাটিকে সমৃদ্ধ করে এবং শক্ত শিকড়ের বিকাশকে উৎসাহিত করে। আপনার বাগানের মাটিতে কীট ঢালাই মিশ্রিত করা বা শীর্ষ ড্রেসিং হিসাবে ব্যবহার করা শসার ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করতে পারে।


4. ফিশ ইমালসন: একটি প্রাকৃতিক নাইট্রোজেন উৎস:

👉ফিশ ইমালসন নাইট্রোজেনের একটি চমত্কার উৎস, যা শসার বৃদ্ধির জন্য একটি অপরিহার্য পুষ্টি। নাইট্রোজেন-সমৃদ্ধ সার লীলা পাতা এবং দ্রাক্ষালতার বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে। ক্রমবর্ধমান ঋতুতে পাতলা মাছের ইমালসন প্রয়োগ করা শসাগুলিকে একটি সমৃদ্ধ ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন বৃদ্ধি করে।


5. তরল সামুদ্রিক নির্যাস: একটি সম্পূর্ণ পুষ্টির প্যাকেজ:

👉তরল সামুদ্রিক শৈবালের নির্যাস একটি জৈব-উত্তেজক যা শসাকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি, বৃদ্ধির হরমোন এবং ট্রেস উপাদানগুলির বিস্তৃত পরিসর সরবরাহ করে। এই জৈব সার শসা গাছের স্থিতিস্থাপকতা, পুষ্টি শোষণ এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করে। তরল সামুদ্রিক শৈবালের নির্যাস দিয়ে ফলিয়ার স্প্রে করা শসার ফলন বাড়াতে পারে।


6. ইপসম সল্ট: শসার স্বাস্থ্যের জন্য ম্যাগনেসিয়াম:

👉ইপসম লবণ, বা ম্যাগনেসিয়াম সালফেট, শসা গাছের জন্য একটি গেম-চেঞ্জার হতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিল উৎপাদন এবং সালোকসংশ্লেষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Epsom লবণের দ্রবণের একটি ফলিয়ার স্প্রে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি রোধ করতে পারে, ফলে স্বাস্থ্যকর শসা গাছপালা এবং প্রচুর ফল উৎপাদন হয়।


7. আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য মালচিং:

👉আপনার শসা গাছের চারপাশে মালচ যুক্ত করা আর্দ্রতা ধরে রাখতে, মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং আগাছা দমন করতে সাহায্য করে। মালচিং গাছের উপর জলের চাপ কমায় এবং শসার বৃদ্ধির জন্য একটি আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে।


8. সঠিক জল এবং সূর্যালোক:

👉যদিও প্রাকৃতিক সার অপরিহার্য, মৌলিক বিষয়গুলি ভুলে যাবেন না। ক্রমাগত জল এবং পর্যাপ্ত সূর্যালোকের সাথে শসাগুলি বৃদ্ধি পায়। নিশ্চিত করুন যে আপনার গাছগুলি প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে 1 ইঞ্চি জল পান এবং সর্বোত্তম বৃদ্ধির জন্য সম্পূর্ণ সূর্যের এক্সপোজার উপভোগ করুন।


🥰কম্পোস্ট, ওয়ার্ম কাস্টিং, ফিশ ইমালসন, তরল সামুদ্রিক শৈবাল নির্যাস এবং ইপসম লবণের মতো প্রাকৃতিক সারের শক্তি ব্যবহার করে আপনি আপনার শসা গাছের ফলন দ্বিগুণ করতে পারেন। সঠিক জল এবং সূর্যালোকের সাথে এই জৈব কৌশলগুলিকে একত্রিত করুন, এবং আপনি একটি চিত্তাকর্ষক শসার ফসল উপভোগ করার পথে ভাল থাকবেন। একটু যত্ন এবং সঠিক সার দিয়ে, আপনার শসা ফুলে উঠবে, আপনাকে সালাদ, আচার এবং আরও অনেক কিছুর জন্য সুস্বাদু, দেশীয় শসা প্রদান করবে। 

সিলেট এগ্রো হাউজ।


 

সাগরের রহস্য,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 > ***ছোট কাঁকড়া আর চিংড়ি খেয়ে বাঁচতে হয় সব থেকে বড় প্রাণী নীল তিমি কে !***


আমরা জানি যে , নীল তিমি ওজনে ২০০ টন পর্যন্ত হতে পারে। তবে গড়ে এরা ১০০ থেকে ১৫০ টন হয়ে থাকে। এবং । নীল তিমির পেট ভরতে ১ টন বা ১০০০ কেজি ক্রিল দরকার হয়। তবে এরা সারা দিনে প্রায় ৩৬০০ কেজি ক্রিল খায় । 


কিন্তু এর সাথে একটা আশ্চর্য হওয়ার মত কথা হলো , নীল তিমির  মুখ এতই বড় যে একটা গাড়ি অনায়াসে  মুখে পুড়ে নিতে পারবে । কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে খাদ্য নালি এতই পাতলা যদি এটি দিনে 2-3 টন ক্রিল নেয়, সম্পূর্ণভাবে প্রসারিত হলে মাত্র 15 থেকে 25 সেমি লম্বা হয়!  চিংড়ির  মত দেখতে ক্রিল  দৈর্ঘ্য 5-6.5 সেমি এবং গড় ওজন 2 গ্রাম  ! মানে আমরা যে ছোট চিংড়ি খাই তার সমান ! এছাড়াও নীল তিমি  কাঁকড়া, গলদা চিংড়ি, ক্রেফিশ  ও খায়  সাইজটা আমরা জানি । ( ২৫–৫০ সেন্টিমিটার ) 


তিমি অনেক মজাদার একটা জীব , যাকে ঘিরে আছে অনেক অনেক মজাদার এবং আশ্চর্য জনক সব তথ্য , যেমন আমাদের প্রিয় ডলফিন ও  এক প্রজাতির তিমি !




সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...