এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪

রাসায়নিক_সার এবং কীটনাশক কতটা ক্ষতিকর?,,,,,

 জানেন কি??#রাসায়নিক_সার এবং #কীটনাশক কতটা ক্ষতিকর?


#কীটনাশক 

কীটনাশক মূলত বিষ। সময়ের অভাবে কৃষক বেশিরভাগ সময় কৃষি কর্মকর্তার কাছে যেতে পারেন না।।। কৃষকের অজ্ঞতার কারণে আর মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে নানা ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে । 


 ১. #কীটনাশক উদ্ভিদের মূল ও পাতার সাহায্যে উদ্ভিদের ভেতর প্রবেশ করে খাদ্যদ্রব্যকে বিষাক্ত করে। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ওই শাক-সবজি কৃষক বাজারে বিক্রি করছে। এতে মানুষের লিভার আক্রান্ত হওয়াসহ স্নায়ুরোগ, রক্তচাপ, হৃদরোগ, ক্যান্সার, গর্ভপাত, পঙ্গু সন্তান জন্ম ইত্যাদি হচ্ছে।


২. #প্রবাহমান (সিস্টেমিক) রাসায়নিক কীটনাশক এক গাছে দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে নির্দিষ্ট পোকা ঐ কীটনাশকের বিরুদ্ধে সহনশীল হয়ে যায়। ফলে কীটনাশকের কার্যকারিতা লোপ পায়। তখন ঐ কীটনাশক আর কাজ করে না।


>>#বর্তমানে বেশিরভাগ কৃষকের প্রশ্ন -গত বছর যে  কীটনাশক ব্যবহারে ফল পেয়েছে, এবার পোকা দমন হচ্ছে না। কারণ কি?কারণ হলো- পোকা প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। 


৩. #প্রকৃতিতে বেশ কিছু উপকারী পোকা আছে, যারা পরাগায়নে সাহায্য করে। ফলন বাড়ায়।  কীটনাশক ব্যবহারের ফলে শস্যের উপকারী পোকা-মাকড় শেষ হওয়ার পথে। ফলে কীটনাশক প্রয়োগ করেও আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাচ্ছে না।


৪.#কীটনাশক স্প্রে করার সময় ৭৫ ভাগ কৃষকের ওপর সরাসরি ছিটকে পড়েছে এবং জমি থেকে এক কিলোমিটারের চেয়ে কম দূরত্বে বসবাস করেন ৮৭ ভাগ কৃষক। ৫৪ ভাগ কৃষক কখনোই কীটনাশক ছিটানোর সময় প্রতিরোধমূলক পোশাক পরেন না। তাঁদের মধ্যে ৬১ দশমিক ৫৩ ভাগ কৃষক ক্যান্সার, লিভারের সমস্যা, ডায়াবেটিস, শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়া, কানে শোনার সমস্যা, কিডনির সমস্যাসহ নানা রোগে আক্রান্ত।


৫.#কীটনাশক ব্যবহারের যন্ত্র বা কৃষক তাঁর হাত-পা বা শরীর ধৌত করেন চাপকল, সেচনালা, পুকুর, ডোবা কিংবা নদীতে। এর মাধ্যমেও বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে জলজ মাছ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে।


৬.কীটনাশক সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ না করলে অতিরিক্ত বিষক্রিয়ায় গাছ মারা যেতে পারে।এতে সম্পূর্ণ ফসলী জমি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।


কৃষি বিভাগের নিয়মানুযায়ী সহনীয় পর্যায়ে কীটনাশক প্রয়োগ করা উচিত। সরকারিভাবে কৃষকদের সচেতন করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও অনেক কৃষক নির্দেশনা মেনে প্রয়োগ করেন না। 


#করণীয়

 বিকল্প হিসেবে জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। এতে উপকারী পোকা রক্ষা পাবে। রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করে ও নির্দেশনা মেনে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। 


#রাসায়নিক_সার 

 রাসায়নিক সার (যেমন- ইউরিয়া, টিএসপি পটাশ)  সহজলভ্য, গাছের জন্য সহজে গ্রহণ উপযোগী এবং প্রয়োগে তাড়াতাড়ি ফলাফল পাওয়া যায় বলে কৃষকদের কাছে এর চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। সাময়িক ভাবে উপকৃত হলেও দীর্ঘদিন রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে রয়েছে অসংখ্য ক্ষতিকর দিক।


১. মাটির স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে যায়,উর্বরতা হারায়। অতিরিক্ত ব্যবহারে এক সময় সার ঐ মাটিতে কাজ করে না। ফলে জমি চাষাবাদের অনুপযুক্ত হয়ে পরে।


২.গাছপালা কার্যত ইউরিয়া সারের মাত্র অর্ধেক বা তার কম নাইট্রোজেন ব্যবহার করে থাকে আর বাকি অর্ধেক নানা ধরনের বিক্রিয়ায় নাইট্রোজেন অণুতে রূপান্তরিত হয়ে মাটি, পানি ও বাতাসে মিশে যায়। এভাবে বিক্রিয়াক্ষম নাইট্রোজেন দিন দিন বাড়তে থাকে আর শুরু হয় পরিবেশ দূষণের নতুন মাত্রার নাইট্রোজেন দূষণ।


৩. গাছের জন্য অত্যাবশকীয় পুষ্টি উপাদান ১৭ টি৷ রাসায়নিক সারে মাত্র ২-৩ টি পুষ্টি উপাদান থাকে।  জৈব সার ব্যবহার করলে উদ্ভিদ ৮-১০ টি পুষ্টি উপাদান পেয়ে থাকে।

১৯৫০ সালের পর থেকে মাটিতে মৌলিক পুষ্টি উপাদানের অভাব দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের মাটির ৬-৭টি মৌলিক পুষ্টি উপাদানের অভাব দেখা দিয়েছে। নতুন গবেষণায় এ সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। আগামী ২০-৩০ বছর পর আরও  পুষ্টি উপাদানের অভাব দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 


৪.অতিরিক্ত ইউরিয়া সার ব্যবহারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়  মাটিতে বসবাসকারী অনুজীব ও কেচো মারা যায়। অথচ এসকল উপকারী অণুজীব মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


৫.রাসায়নিক সার মাটিতে কম স্থায়ী হয় এবং বেশি অপচয় হয়। ফলে মাটি,পানি,বাতাস, আশেপাশের পরিবেশ দূষিত হয়।


#সমাধান_কি_তাহলে?

জৈব সার ব্যবহার করতে হবে। জৈব সার মাটি ও গাছের জন্য উপকারী। এতে মাটির স্বাস্থ্য ভালো থাকে, উর্বরতা বাড়ে। কৃষকরা অল্প খরচে বাড়িতেই জৈব সার তৈরি করতে পারে।

✔️ মাটি পরীক্ষা করে পরিমিত মাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে হবে।


তাই নিজেরা সচেতন হই, অপরকে সচেতন করি। বলি সবাই -"অযথা #রাসায়নিক সার ও #কীটনাশক নয়

জৈব বালাইনাশক ও জৈব সারে নেই কোন ভয়।"


সঠিক পরামর্শ নিন, নিরাপদ ফসল চাষ করুন

আপনাদের সেবায় আমরা আছি সবসময়। 





বাংলা ভাষার উৎপত্তি,      ইতিহাস ও বিবর্তন ",,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 " বাংলা ভাষার উৎপত্তি, 

    ইতিহাস ও বিবর্তন "


আমরা প্রতিদিন যে ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করে চলেছি, তার উৎপত্তি আর ইতিহাস নিয়ে কখনো ভেবে দেখেছি কি! কয়েক হাজার বছর আগে কেমন ছিলো এই ‘বাংলা ভাষা’? কিভাবে জন্ম হলো এই ভাষার? কিভাবেই বা হাজার বছর ধরে বেড়ে উঠেছে আমাদের প্রাণের ভাষা? 


         যতদূর জানা যায়, বাংলা ভাষা হচ্ছে ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষাবংশের সদস্য। যার উৎপত্তি আজ থেকে প্রায় সাত হাজার বছর আগে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে! খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দে এই ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষাবংশ থেকে জন্ম নেয় ‘শতম’। এর প্রায় এক হাজার বছর পর খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ অব্দে ‘শতম’ ভাষাটি রুপান্তরিত হয় ‘আর্য’ ভাষায়। তবে তখন পর্যন্ত উপমহাদেশে আর্য ভাষার চল হয়ে ওঠেনি। ভারত উপমহাদেশে আর্য ভাষার চল শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে আর্য জাতি আগমনের পর।


         আর্যদের শাসন করা কালীন, ভারতীয় আর্য ভাষা শিখে নিল। তখন ভাষাটি হয়ে গেল "ভারতীয় আর্য" ভাষা। ভারতীয় আর্যভাষা টি ভারতে ভাষার একটি রূপ। তখন সবাই "ভারতীয় আর্য" ভাষার কথা বলতে শুরু করে দিল।

পরবর্তীতে কথা বলা এবং লেখা দুটো আলাদা হয়ে গেল। অঞ্চল ভিত্তিতে যে ভাষায় কথা বলা হত তাকে তাকে মুখের ভাষা বলা হয়, বইয়ের ভাষায় যাকে বলে "প্রাকৃত" ভাষা। 


           তৎকালীন লিখিত ভাষার নাম ছিল "সংস্কৃত"। ভাষাবিজ্ঞানের বিচারে বলা চলে যে সংস্কৃত তথা প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা প্রাকৃতের তথা মধ্যভারতীয় আর্যভাষার অন্ততঃ তিনটি স্তরের মধ্য দিয়ে ক্রমবিবর্তিত হতে হতে আনুমানিক খ্রীঃ দশম শতকের দিকে বাঙলা এবং অপরাপর আঞ্চলিক নব্য ভারতীয় আর্যভাষায় রূপান্তরিত হয়। কাজেই 'বাঙলা ভাষার জননী' বলতে মধ্যভারতীয় আর্যভাষা বা 'প্রাকৃ ভাষা'কেই বুঝিয়ে থাকে, কারণ এই ভাষা থেকেই সরাসরি বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটেছে। 


           বাঙলা ভাষা হাজার বছরে অনেকখানি পরিবর্তিত হওয়ায় ভাষায় পরিবর্তন অনুযায়ী তাকে আদিযুগ, আদিমধ্যযুগ, অন্ত্যমধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ এই চারটি পর্বে বিভক্ত করা হয়। প্রতি পর্বেই ভাষাগত পরিবর্তন লক্ষণীয়।


           বাঙলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'- আনুমানিক খ্রীঃ দশম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে রচিত হয়। এই কালটিকে বলা হয় বাঙলা ভাষা ও সাহিত্যের 'আদিযুগ'। বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ সদ্য-উদ্ভূত বাঙলা তাঁদের সাধন-ভজন-বিষয়ক তদ্বাদি এই গ্রন্থে বিভিন্ন পদের আকারে রচনা করেছিলেন। চর্যাপদ ধর্মীয় সাহিত্য। খ্রীঃ ত্রয়ােদশ থেকে চতুর্দশ শতাব্দীর অর্ধাংশ পর্যন্ত ছিল ক্রান্তিকাল। একালে রচিত কোন রচনার নিদর্শন সুলভ নয়। এরপর ১৩৫০ খ্রীঃ থেকে ১৪০০ খ্রীঃ পর্যন্ত বাঙলা ভাষা ও সাহিত্যের মধ্যযুগ। এর মধ্যে আবার ১৫০০ খ্রীঃ পর্যন্ত আদিমধ্যযুগ বা চৈতন্য-পূর্ব যুগ। এই যুগের উল্লেখযােগ্য সাহিত্য বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন', বিদ্যাপতির বৈষ্ণব পদাবলী কিছু অনুবাদ সাহিত্য এবং কয়টি প্রধান মনসামঙ্গল কাব্য। চৈতন্যদেবের আবির্ভাব বাঙলার সাহিত্যে ও সমাজে প্রচণ্ড প্রভাব বিস্তার করে। ফলে, বাঙলা ভাষা ও সাহিত্যের গুণগত এবং পরিমাণগত পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল অনেকখানি। অন্ত্যমধ্যযুগে তথা চৈতন্যোত্তর যুগে জীবনী সাহিত্য, পদাবলী সাহিত্য, অনুবাদ সাহিত্য, বিভিন্ন ধারার মঙ্গলকাব্য ও নানাজাতীয় লােক সাহিত্যের সৃষ্টি হয় (১৮০০ খ্রীঃ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে গদ্য-সাহিত্যের উদ্ভব এবং তার পরই পাশ্চাত্ত্য জ্ঞানবিজ্ঞানের প্রত্যক্ষ প্রভাবে বাঙলা সাহিত্যে যে বিপুল পরিবর্তন সাধিত হয়, তাকেই বলা হয় 'আধুনিক যুগ'। বাঙলা ভাষা ও সাহিত্যের যুগ বিভক্ত বিভিন্ন পর্যায়ে ভাষাও যুগােপযােগীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে।


           মুখের ভাষা অর্থ প্রাকৃত ভাষা কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হলো গৌড় অঞ্চলের যে ভাষায় কথা বলা হত তাকে বলা হল "গৌড়ীয় প্রাকৃত" এবং মগধ নামে যে এলাকা ছিল তারা যে ভাষায় কথা বলতো সেটির নাম ছিল "মাগধী প্রাকৃত"।

 

           সুনীতিকুমারের মতে বাংলা ভাষা এসেছে "মাগধী প্রাকৃত" থেকে দশম শতাব্দীতে। "গৌড়ীয় প্রাকৃত" থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে সপ্তম শতাব্দীতে, এটি বলেছেন ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। বাংলা ব্যাকরণে সুনীতিকুমারের কথাকে কে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।


            সুনীতিকুমারের মতে "মাগধী প্রাকৃত" হোক বা মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে "গৌড়ীয় প্রাকৃত" একসময় এই ভাষাটি বিকৃতি হয়ে যায়। ভাষা যখন ব্যর্থ হয় তখন সেটাকে বলা হয় "অপভ্রংশ"। এই বিকৃতি ভাষা থেকে সরাসরি একটি ভাষার উৎপন্ন হয় "বঙ্গকামরূপী"। "বঙ্গকামরূপী" যেটি "অপভ্রংশের" একটি রূপ। এখান থেকে সরাসরি কিছু ভাষা তৈরি হয় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বাংলা, এরমধ্যে আবার আছে অসমীয়া যেটা বর্তমানে আসামের ভাষা, আরো আছে উড়িয়া ভাষা যেটা উড়িষ্যাতে কথা বলা হয়।


          উপমহাদেশে আর্য ভাষা চালু হবার পরবর্তী তিনশো বছরে পরিবর্তনের উপমহাদেশীয় হাওয়া লাগে আর্য ভাষায়। প্রচুর পরিমাণ সংস্কৃত ভাষার শব্দ যোগ হয়ে আর্য ভাষা রুপ নেয় ‘প্রাচীন ভারতীয় আর্য’ ভাষায় (খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ)। আর্য জাতির পাশাপাশি ধীরে ধীরে উপমহাদেশর সাধারণ মানুষও আপন করে নেয় এই প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা। তখন আরো কিছুটা রুপান্তরিত হয়ে এ ভাষা হয়ে ওঠে ‘প্রাচীন ভারতীয় আর্য কথ্য’ ভাষায় (খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দ) যা ‘আদিম প্রাকৃত’ নামেও পরিচিত। এরপর খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ অব্দ হতে ৪৫০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে আদিম প্রাকৃতের রুপান্তর ঘটে প্রথমে ‘প্রাচীন প্রাচ্য প্রাকৃত’ এবং পরবর্তীতে ‘গৌড়ি প্রাকৃত’ ভাষা দুটির উৎপত্তি হয়। আর এই গৌড়ি প্রাকৃত থেকে ৪৫০ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে জন্ম হয় ‘গৌড়ি অপভ্রংশ’ ভাষার।


          এই গৌড়ি অপভ্রংশ থেকেই ৯০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে উৎপত্তি হয় ‘বাংলা’ ভাষার । শুরুর দিকে অবশ্য বাংলা ভাষা ঠিক শতভাগ এমন ছিল না। ভাষাবিদগণের ভাষায় সে সময়ের বাংলা কে বলা হয় ‘প্রাচীন বাংলা’। এরপর ১৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে আসে ‘মধ্য বাংলা’ এবং ১৮০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে সেটা রুপ নেয় ‘আধুনিক বাংলা’ ভাষায়। অর্থাৎ, যে ভাষায় আমরা এখন কথা বলি।            


           এই আধুনিক বাংলা ভাষার জন্যেই ১৯৫২ সালের আজকের এই দিনে প্রাণ দিয়েছিলেন বাংলার সূর্য-সন্তান রফিক, বরকত, আব্দুস সালাম, আব্দুল জব্বারেরা। যা আমাদের সবারই জানা। তবে অনেকেই যেটা জানেন না তা হলো, বাংলা ভাষার জন্য শুধু বাংলাদেশিরা নয় আন্দোলন করেছেন দেশের বাইরের অনেক মানুষই। পঞ্চাশ এর দশকে ভারতের বিহার রাজ্যের (এরাও বাঙালি) মানভূম জেলায়ও হয় বাংলা ভাষার জন্য আন্দোলন। ১৯৬১ সালে আমাদের দেশে হয়ে যাওয়া ভাষা আন্দোলনের জের ধরে ভারতের শিলচরে বাংলা ভাষার আন্দোলনে ১১ জন শহীদ হন।


           পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালের ১৭ মে ইউনেস্কো আমাদের ভাষা এবং ভাষা শহীদদের সম্মানে ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ কে আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবসের মর্যাদা দেয়।  শুধু তাই নয় আফ্রিকা মহাদেশের সিয়েরা লিওন নামের দেশটিও সম্প্রতি বাংলা কে তাদের রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়ে। পুরো পৃথিবীজুড়ে প্রায় বিশ কোটির বেশি মানুষ বাংলায় কথা বলে। ভাষাভাষী লোকসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর সপ্তম এবং একই সাথে তিনটি দেশের রাষ্ট্রভাষা ‘‘আমাদের প্রাণের বাংলা’’ !

- হারুন-অর-রশীদ খান। 

newskotha, Wikipedia  millioncontent, Charpoka Mag: Zaik Ahmed)

Syed Marufuzzaman Russell

collect from Facebook 
ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



আমের হপার পোকা কিভাবে ক্ষতি করে,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রিয় আম বাগানী ভাই ও বোনেরা।


আসুন

আমের হপার পোকা কিভাবে ক্ষতি করে তা জেনে নেই , ফুল আসার সময় এই পোকাটি বেশি ক্ষতি করে, একটা হপার পোকা প্রায় ১৫০টা ডিম পাড়তে পারে। এই ডিমগুলা পরে পাঁচ-সাত দিনের মাথায় ডিম ফুটে নিম্ফ হয় এবং এই ডিমগুলো পরে আমগাছের পাতা, ফুল, ফলের রস শুষে খায়, এর ফলে মুকুল শুকিয়ে বিবর্ণ হয়ে ঝরে যায়।


তখন একধরনের রস নিঃসরণ করে, যাকে ‘হানি ডিউ’ বলে। এই আঠালো একটা পদার্থের জন্য আমগাছে শুটি মোল্ড নামে একধরনের ছত্রাক জন্মায়। ফলে সম্পূর্ণ গাছের পাতা, মুকুল কালো হয়ে যায় মরে যায়। তখন বলা হয় মহালাগা। 


এদের থেকে বাঁচাতে হলে মুকুল আসার ১০ দিনের মধ্যে

সাইপামেথ্রিন গ্রুপের অথবা কার্বারিল গ্রুপের কিটনাশক

সাথে ম্যানকোজেব অথবা সালফার মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।


একই প্রক্রিয়ায় 

আম মটর দানা হলে একবার।

মার্বেল আকার হলে আরেকবার।


গুটি যাতে ঝরে না যায় এজন্য প্লানোফিক্স বা বায়োগ্রীন বা বায়োফার্টি নামক ভিটামিন মটর দানা হলে একবার স্প্রে করতে পারেন। 

অথবা 

১০-২০ দিন পর পর বোরিক এসিড ৬ গ্রাম/১০ লি. পানি স্প্রে করলে আমের গুটির পরিমাণ বেড়ে যাবে।


মার্বেল আকার হলে বাড়ন্ত অথবা গ্রীনলিপ বা ইউরিয়া সার ২০ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে দিলে ফল সুন্দর হবে।


মাটিতে নিয়মিত সেচ দিতে হবে।


গাছের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে অবশ্যই।।

ধন্যবাদ।।




এই সেই মীর জাফর!,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এই সেই মীর জাফর!


সম্পূর্ণ নাম সৈয়দ মীর জাফর আলী খান। জন্ম,১৬৯১ – ৫ ফেব্রুয়ারি ১৭৬৫ মৃত্যু। তিনি ছিলেন ইংরেজ প্রভাবিত বাংলার একজন নবাব। তার শাসনামল ভারতে কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠার শুরু এবং সমগ্র উপমহাদেশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।


 নবাব সিরাজউদ্দৌলা নদীয়ার পলাশীর কাছে যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হন। মীর জাফর ছিলেন পলাশী যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এবং প্রধান বিশ্বাসঘাতক। তার অধীনের সৈন্যবাহিনী যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করা ও তার বাংলা-বিরোধী পদক্ষেপের জন্য বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা-কে পরাজয় বরণ করতে হয়। ইংরেজদের সাথে মীর জাফরের পূর্বেই এই মর্মে একটি চুক্তি ছিল যে, যুদ্ধে ইংরেজরা জয়ী হলে মীর জাফর বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব হবেন। বিনিময়ে মীর জাফর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে পাঁচ লক্ষ পাউন্ড ও কলকাতায় বসবাসকারী ইউরোপীয়দের আড়াই লক্ষ পাউন্ড প্রদান করবেন। ১৭৫৭ সালে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত, সিংহাসনচ্যুত ও নিহত হলে মীর জাফর বাংলার নবাব হন। কিন্তু ব্রিটিশদের দাবিকৃত বিপুল অর্থের যোগান দিতে তিনি সমর্থ হননি।


 ১৭৫৮ সালে রবার্ট ক্লাইভ তার প্রতিনিধি খোজা ওয়াজিদের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, মীর জাফর চিনশুরায় ওলন্দাজদের সাথে একটি চুক্তি করেছেন। হুগলি নদীতে ওলন্দাজ জাহাজের আনাগোনা দেখতে পাওয়া যায়। এসব কিছু চুঁচুড়া যুদ্ধের পটভূমি সৃষ্টি করে।ব্রিটিশ কর্মকর্তা হেনরী ভেন্সিটার্ট মীর জাফরের কাজে সহায়তা করার জন্য তার জামাতা মীর কাশিমকে বাংলার সহকারী সুবেদার নিয়োগ করার জন্য প্রস্তাব করেন। ১৭৬০ সালে কোম্পানি মীর জাফরকে মীর কাশিমের নিকট ক্ষমতা অর্পণ করতে বাধ্য করে। মীর কাশিম ছিলেন একজন স্বাধীনচেতা ব্যক্তি এবং তিনি বাংলাকে স্বাধীনভাবে শাসন করার ইচ্ছা পোষণ করতেন। ফলশ্রুতিতে ইংরেজদের সাথে তার দ্বন্দ্ব শুরু হয় এবং ১৭৬৩ সালে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে পুনরায় মীর জাফরকে নবাব করা হয়। ক্ষমতাচ্যুত নবাব এই সিদ্ধান্ত মেনে নেননি। বরং তিনি কোম্পানির বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। মীর জাফর ১৭৬৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।


 ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জাফরগঞ্জ কবরস্থানে তার সমাধি আছে।বর্তমানে ভারতীয় উপমহাদেশে মীর জাফর নামটি বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মুর্শিদাবাদের তার বাড়িটি নিমক হারাম দেউরি (বিশ্বাসঘাতকের ঘর) নামে পরিচিত। মীরজাফর এতটাই বিশ্বাসঘাতক ছিল যে এখনও কেউ অবিশ্বাসী হলে তাকে মীরজাফরের সাথে তুলনা করা হয়।

অনলাইন থেকে নেয়া

collect from Facebook 
ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



আবাবিল ফেরেস্তা থেকে ইবলিশ

 ❝ইবলিশ শয়তান ৬ লক্ষ বছর আল্লাহর ইবাদত করেছিল আর তাকে যখন শয়তান বলে আরশ থেকে নিক্ষিপ্ত করা হচ্ছিল তখন সে বলেছিল আমি যত বছর আপনার ইবাদত করেছি এর পরিবর্তে আমি যা চাই তাই দিতে হবে❞.........


❝আল্লাহ বলেন,, কি চাও❞??


❝উওরে শয়তান বলল,, হে আল্লাহ আপনি আমাকে পৃথিবীতে মারদুদ হিসেবে নিক্ষেপ করেছেন আমার জন্য একটি ঘর বানিয়ে দিন❞,,,,,,,, 


❝আল্লাহ পাক বলেনঃ তোমার ঘর হাম্মাম খানা❞,,,,,


 ❝শয়তানঃ একটি বসার জায়গা দিন❞..


❝আল্লাহ পাক বলেন,, তোমার বসার জায়গা বাজার ও রাস্তা❞,,,,,,,


 ❝শয়তানঃ আমার খাওয়ার প্রয়োজন❞


❝আল্লাহ পাক বলেন,, তোমার খাওয়া ঐ সব জিনিস যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয় না❞,,,,,,


❝শয়তানঃ আমার পানীয় প্রয়োজন❞


❝আল্লাহ পাক বলেন,, নেশাদ্রব তোমার পানি❞


 ❝শয়তানঃ আমার দিকে আহবান করার কোন মাধ্যম দিন❞..........


❝আল্লাহ পাক বলেনঃ নাচ-গান, বাদ্য-বাজনা তোমার দিকে আহবান করার মাধ্যম❞.....


❝শয়তানঃ আমাকে লিখার কিছু দিন❞


❝আল্লাহ পাক বলেনঃ শরীরে দাগ দেওয়া উল্কি ট্যাটু অংকন করা❞,,,,,,


❝শয়তান: আমাকে কিছু কথা দিন❞......


❝আল্লাহ পাক বলেন,, মিথ্যা বলা তোমার কথা❞,,,,


❝শয়তানঃ মানুষকে বন্দি করার জন্য একটি জাল ফাদ দিন❞....


 ❝আল্লাহ পাক বলেন তোমার জাল ফাদ হলো বেপর্দা নারী❞


❝রেফারেন্স: তাবরানী অধ্যায়, মাজমাউজ্জা ওয়ায়েদ,,

হাদিস❞ নঃ ২/১১৯


❝হে আমার রব!আমাদের সবাইকে শয়তানের ধোকার হাত থেকে রক্ষা করো❞।

❝আমিন❞......

কপি পোস্ট


মায়ের আঁচল*,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 *মায়ের আঁচল*


 আমার মনে হয়  যে আঁচল  কী তা আজকের বাচ্চারা জানে না , কারণ হ'ল আজকাল মায়েরা আর শাড়ি পরে না।

 আঁচল অতীতের জিনিস।


 মায়ের আঁচলের মূলনীতি ছিল মাকে মর্যাদা দেওয়া।

    উপরন্তু, উনুন থেকে গরম কোন পাত্র নামানোর সময়, আঁচল গরম পাত্রটি ধরতেও কার্যকর ছিল।


 আঁচল ছিল  এক অনন্য বস্তু ।  আঁচলের মহিমার  উপরে অনেক কিছু লেখা যায়।


    আঁচল শিশুদের ঘাম / চোখের জল মুছাতে, নাকের সর্দি মুছাতে, নোংরা কান / মুখ পরিষ্কার করার জন্যও ব্যবহৃত হত।  মাও  আঁচলকে তোয়ালে হিসাবে ব্যবহার করতেন।  খাবার খেয়ে মায়ের আঁচলে  মুখটা পরিষ্কার করিয়ে দেওয়া আমাদের একটি  খুশীর বিষয় ছিল।


 কখনও কখনও, চোখের ব্যথার ক্ষেত্রে মা তার আঁচলকে গোল করে পাকিয়ে তাতে ফুঁ মেরে , গরম  করে  চোখের উপর রাখতেন, সমস্ত ব্যথা তখন অদৃশ্য হয়ে যেত ।

 মায়ের কোলে  ঘুমন্ত বাচ্চার জন্য কোলটি গদি এবং  মায়ের আঁচল ঢাকার  চাদর হিসাবে কাজ করত ।


 যখনই কোনও অচেনা লোক বাড়ীতে আসত, শিশুটি মায়ের আঁচলের একটি আড়াল নিয়ে তাকে দেখত।  শিশু যখনই কোনও বিষয়ে লজ্জা বোধ করত, তখন সে  ঐ আঁচল দিয়ে মুখটি ঢেকে রাখত এবং  আঁচলের ভেতর লুকিয়ে পড়ত ।


 যখন বাচ্চাদের মায়ের সাথে বাইরে যেতে হত , তখন মায়ের আঁচল গাইড হিসাবে কাজ করেত ।  যতক্ষণ শিশুটির হাত আঁচল ধরে থাকত পুরো জগৎ  তার মুঠোয় থাকত ।


 শীতকালে যখন আবহাওয়া  ঠান্ডা থাকত , তখন মা তাকে  আঁচল দিয়ে চারপাশে জড়িয়ে শীত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করতেন।


 আঁচল এপ্রোন হিসাবেও কাজ করত।  আঁচল গাছ থেকে পড়া আম, জাম, খেজুর এবং মিষ্টি সুগন্ধযুক্ত ফুল  কুড়িয়ে আনতেও  ব্যবহৃত হত।  আঁচল, ঘরে রাখা জিনিস থেকে ধুলো মুছে ফেলতেও খুব সহায়ক ছিল।


 আঁচলে  একটি গিঁট দিয়ে, মা একটি চলন্ত ব্যাঙ্ক সঙ্গে রাখতেন এবং যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকত তবে মাঝে মাঝে তিনি সেই ব্যাঙ্ক থেকে কিছু পয়সা দিতেন ।

 আমার মনে হয় না বিজ্ঞান এত উন্নতি করার পরেও আঁচলের বিকল্প  কিছু খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছে।


 *মায়ের আঁচল এক মায়াবী অনুভূতি ছাড়া আর কিছুই নয়।  আমি পুরানো প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত এবং সর্বদা আমার মায়ের ভালবাসা এবং স্নেহ অনুভব করি, যা  আজকের প্রজন্মের সম্ভবত  বোঝার বাইরে* । 🌻

Collected❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


মুজাদ্দিদ-২ (হোসাইন রা.),,,,,,salsabil,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মুজাদ্দিদ-২ (হোসাইন রা.)


সুলায়মান ইব্‌ন দাউদ (রহঃ) …. আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার জানামতে রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ্‌ এ উম্মতের জন্য প্রতি শতাব্দীতে এমন এক ব্যক্তিকে প্রেরণ করবেন, যিনি দীনের ’তাজ্‌দীদ’ বা সংস্কার সাধন করবেন।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)। বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)। পুনঃনিরীক্ষণঃ সুনান আবূ দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), যুদ্ধ বিগ্রহ – অধ্যায়।


মুজাদ্দিদ অর্থ সংস্কারক। যিনি ইসলামের নামে বিভিন্ন ভুল, ভ্রান্তি, অপবাদ, বিদআত, কুফরের সংস্কার করে দ্বীন ইসলামকে রসুলের (সা:) ও খেলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাহ অনুযায়ী চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন। কিন্তু এই মুজাদ্দিদকে কেন্দ্র করে উম্মত বহুভাগে বিভক্ত। কারো দৃষ্টিতে একজন মুজাদ্দিদ অন্য দলের নিকট তিনি ফেতনাবাজ।


এমনকি অনেকে তার ভক্ত দ্বারা মুজাদ্দিদ দাবি করে বা ভক্তরা মুজাদ্দিদ বলে প্রচার করে নতুন ফেরকাসহ নতুন ধর্মমত সৃষ্টি করে গেছে। অনেকে শেষে নিজেকে নবী দাবি করেছে। এসবকে কেন্দ্র করে উম্মত মুসলিম পরিচয় ভুলে বহুনামে আজ পরিচয় দিচ্ছে।


গোলাম আহমদ কাদেয়ানীকে মুজাদ্দিদ দাবি করে দুটি দল হয় একদল লাহোরী যারা তাকে শুধু মুজাদ্দিদ মানে আরেকদল তাকে নবী মানে। তথাকথিত ফেতনাবাজ মুজাদ্দিদগণ প্রথমে কিছু চমকপ্রদ কর্ম বা কথা প্রচার করে জনপ্রিয়তা হাসিল করে। কিছু ভক্ত সৃষ্টি হওয়ার পর তারা ফেতনা ছড়াতে শুরু করে।


বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা কুরআন, হাদীসকে ভিন্নরূপে ব্যাখা করে যেরূপ ব্যাখা সাহাবী, তাবেয়ীরা করেননি। বর্তমানেও দেখবেন দাজ্জালকে নিয়ে আধুনিক ব্যাখার নাম দিয়ে সাহাবী, তাবেয়ীদের ব্যাখার বিপরীত বিশ্লেষণ করে অনেকে জনপ্রিয় হচ্ছে। নিশ্চিত এগুলো পরবর্তীতে ফেতনার কারন হবে।


মুজাদ্দিদ মানে এই নয় ইসলামে নতুন কিছু সংযোজন করবেন বরং দ্বীন পূর্নাঙ্গ ও পরিশুদ্ধ। মুজাদ্দিদ দ্বীন রসুল (সা:), খেলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাহ মতে চালাবে, প্রচার করবে ও সুন্নাহকে পুন:প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে।


মুজাদ্দিদ নিয়ে মতানৈক্য থাকলেও প্রায় সকল আলেম ঐক্যমত ইসলামের প্রথম মুজাদ্দিদ উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ:) আর শেষ মুজাহিদ্দ হবেন খলিফা মাহাদী (হাফি:)।


তবে অনেকের অভিমত- উম্মাহর প্রথম মুজাদ্দিদ হলেন হোসাইন (রাঃ)। খেলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাহ ফিরিয়ে আনতে তিনি স্বোচ্চার হোন ও শহীদ হোন। তিনি উম্মাহর বুকে চেপে আসা প্রথম বিদআত রাজতন্ত্রের বিরোধিতা করেন, উম্মত যেন খেলাফায়ে রাশেদীনের মত স্বাভাবিক মত প্রকাশের অধিকার ফিরে পায় এবং খেলাফত আবার ফিরে আসে সেজন্য তিনি উদ্যোগী হোন।


সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ


তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতের ভিত্তিতে পরিচালিত খিলাফত ত্রিশ বছর অব্যাহত থাকবে। অতঃপর আল্লাহর যাকে ইচ্ছা রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমাকে সাফীনাহ (রাঃ) বলেছেন, হিসেব করো, আবূ বকর (রাঃ) দুই বছর, ‘উমার (রাঃ) দশ বছর, ‘উসমান (রাঃ) বারো বছর ও আলী (রাঃ) এতো বছর খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমি সাফীনাহ (রাঃ) -কে বললাম, এরা ধারণা করে যে, ‘আলী (রাঃ) খলীফাহ ছিলেন না। তিনি বলেন, বনী যারকা অর্থাৎ মাওয়ানের বংশধরগণ মিথ্যা বলেছে।


সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৬ ৪৬


আলীর (রা:) সময় মুসলিমদের পরস্পর যুদ্ধ – সংঘাত হতে মক্কা-মদিনা কে সুরক্ষিত রাখতে তিনি দারুল খেলাফা কুফাতে নিয়ে আসেন। কারন মক্কা-মদিনা অত্যন্ত পবিত্র ভূমি, দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের কারনে এর পবিত্রতা যেন বিনষ্ট না হয়। (পরবর্তীতে আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়েরের খেলাফতের সময়, বনু উমাইয়ার রাজত্বকালে মক্কা আক্রমণ হয়েছে, সম্মানহানী হয়েছে।)


প্রকৃত দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে হোসাইন রা. তার প্রিয় নানা রসুলের (সা:) নীতি অনুসরণ করেন। রসুল (সা:) যেমন মক্কা হতে হিজরত করে মদীনায় যান। যেখানে তার শুভাকাঙ্ক্ষী ও সর্মথক ছিল।


রসূল (সা) মদীনা হতে দাওয়াতী ও জেহাদী কার্যক্রমের মাধ্যমে ইব্রাহিম (আ:) এর রেখে যাওয়া তাওহীদ মক্কায় ফিরিয়ে আনেন। তেমনি হোসাইন রা. কুফা যেতে চেয়েছিলেন, ওখানে আহলে বায়াতের অনুরাগী ছিল। হোসাইন (রা:) ঈমানী দৃঢ়তা, দাওয়াতী চেতনায় হয়তো বিপ্লব সৃষ্টি হবে, এই আশাংকায় ইসলামের শত্রুরা তাকে পথে বাধা দেন। ফলশ্রুতিতে তিনি শহীদ হোন।


দাওয়াতী কাজে ও সুন্নাহর ফিরানোর পথে বাঁধা, জুলুম – নির্যাতন আসলে প্রয়োজনে জেহাদ করতে হয় হোসাইন (রা:) এই আর্দশ পুনরায় জাগিয়েছিলেন। ফলশ্রুতিতে আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়েকে (রা:) সাহাবীরাসহ অন্যরা খলিফা নিযুক্ত করেন এবং নয় বছর তার ন্যায় শাসন বিদ্যমান থাকে। হোসাইন রা যদি সেদিন মক্কা-মদিনা ফিরে যেতেন উম্মত হয়তো জালেম শাসকের বিরোধিতা করার সাহস ফিরে পেত না।


হোসাইন (রাঃ), আবদুল ইবনে যুবায়ের (রা), ঈমাম আবু হানিফা (রহ:) ও ঈমাম হাম্বল (রহ:) সবাই জালেম শাসকের বিরোধিতা করেন। কেউও স্বৈরাচারী রাজাদের আনুগত্য করেননি বরং জুলুম নির্যাতনের শিকার হোন।


অথচ আজ আমাদের সমাজে এমন কাউকে মুজাদ্দিদ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে – যারা রাজতন্ত্রের সমর্থক, জালেম শাসকের পৃষ্ঠপোষক, উম্মাহকে সুন্নাহ ও খেলাফতের দিকে আহ্বানের বদলে বিভিন্ন বিদআতী কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা/সমর্থন করে গেছেন ও চলছেন।


শেষ মুজাদ্দিদ মাহাদী হাফি ও খেলাফতের দিকে আহ্বান করবে এবং খেলাফত পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিবেন এবং তিনিও আহলে বায়াত হতে আসবেন। তার বিরুদ্ধেও প্রথম সেনা পাঠাবে শাম হতে এক মুনাফেক শাসক।(মুসলিম, আল ফিতান)

ফেইসবুক salsabil থেকে নেওয়া 


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০১-০৩-২০২৪,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০১-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:


রাজধানীর বেইলি রোডের একটি রেস্টুরেন্ট ভবনে লাগা আগুনে ৪৩ জনের মৃত্যু, বহু আহত - জানালেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী।


শুরু হয়েছে অগ্নিঝরা মার্চ - মাসব্যাপী থাকবে নানা আয়োজন।নতুন নতুন অপরাধ মোকাবেলায় পুলিশ বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ।


দেশ ধ্বংসের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নে তৎপর বিএনপি, দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনে তাদের কোন আস্থা নেই - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞে চুপ থেকে গাজায় গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি-জামায়াত - বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


লিটারে ১০ টাকা কমিয়ে সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে আজ। 


গাজায় খাদ্যের জন্য অপেক্ষারত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ১১২ জন নিহত।


মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও ফরচুন বরিশাল।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বাউফলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,,,, পটুয়াখালীর খবর ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাউফলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু 


 পটুয়াখালীর বাউফলে তানজিলা নামের (১৮) এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তানজিলা উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের ছালাম তালুকদারের মেয়ে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় ১ মাস আগে একই ইউনিয়নের উত্তর লক্ষ্মীপাশা গ্রামের সোবাহান মোল্লার ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী সাইদুল ইসলাম ওরফে সোহরাব হোসেনের সঙ্গে তানজিলার বিয়ে হয়।


১ সপ্তাহ আগে তানজিলার স্বামী মালয়েশিয়া চলে যান। এরপর তানজিলা তার বাবার বাড়ি বেড়াতে যেতে চাইলে শ্বশুর সোবাহান মোল্লা বাঁধা দেন। বিয়ের সময় তানজিলার বাবার দেয়া আসবাবপত্র নিয়ে খোঁটা দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এছাড়া গত ৪/৫ দিন পর্যন্ত তানজিলাকে কিছুই খেতে দেয়া হয়নি। শ্বশুর-শাশুড়িকে অনেক অনুরোধের পর ৫ দিনের শর্তে তানজিলাকে বাবার বাড়ি বেড়াতে আসতে দেয়া হয়।


মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন তানজিলা। এরপর তাকে দ্রুত পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তানজিলার মৃত্যু হয়।


তানজিলার চাচাতো বোন হেলেনা বেগম বলেন, বিয়ের পর তানজিলার উপর তার স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুড়ি শাররীক ও মানসিক অত্যাচার করেছে। এ কারনেই তানজিলার মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, বরিশালে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির সময় তানজিলার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।


তানজিলার মা শিউলি বেগম বলেন, আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অবশ্য নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে তানজিলার শ্বশুর সোবাহান মোল্লা বলেন, আমার বাড়িতে কিছুই ঘটেনি। তানজিলা বাবার বাড়ি গিয়ে বিষ জাতীয় কিছু খেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে। বাউফল থানার ওসি শোনিত কুমার গায়েন বলেন, এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


পটুয়াখালীর খবর ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


তরকারী সবজির ফুল ফল বেশি হবে

 ২ লিটার বোতলে ১লিটার পানিতে ৫০০ গ্রাম তরিতরকারির খোসাদিন,১০০ গ্রাম চিটাগুর দিন।সাতদিন পরপর গ্যাস বেরকরুন। ৩ মাস পর ১০০ লিটার পানিতে জৈব হরমন,পিজআর হিসেবে ব্যবহার করুন। ফুল আসার আগে ফল মটর দানার মতো হলে। ফুল ফল বেশি হবে, ফল ঝরা বন্ধ হবে।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দী...