এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪

ক্ষমা করো হে পৃথিবী    - এসকে এম হেলাল উদ্দিন  তারিখ:- ২৬/০২/২০২৪ ইং

 ক্ষমা করো হে পৃথিবী 

  - এসকে এম হেলাল উদ্দিন 

তারিখ:- ২৬/০২/২০২৪ ইং


ক্ষমা করো হে পৃথিবী, ক্ষমা করে দিও আমায় 

কি বলে চাইবো ক্ষমা সে ভাষা জানা নেই তবুও ক্ষমা করো। 

জানি শত সহস্র অভিযোগ জমা আছে, 

হয়তো সবই ক্ষমার অযোগ্য, তবু...

তবুও ক্ষমা চাই তোমার কাছে, 

নিঃশর্ত ক্ষমা দিও আমাকে।  

আমার জন্য প্রেরিত নিয়ামত সযত্নে রেখেছো

যার সবই ভোগ করলাম আমি, 

বিনিময়ে কিছুই দিতে পারিনি তোমায়। 

কেউ না জানলেও তুমি জানো, কতটা..

কতটা স্বার্থপর আমি। 

এত এত অভিযোগ থাকার পরেও.. 

তুমি দিয়েই যাচ্ছো অফুরন্ত অভিযোগ বিহীন ভালোবাসো৷ 

আমিও তোমার ভালোবাসা স্বরণ করি খুব,

কিন্তু তোমাকে কিছুই দিতে পারি না।  

শত ব্যস্ততায় ভুলে থাকি তোমার অবদান অকৃতজ্ঞের মত, 

আমার কোন অভিযোগ নেই, কারন আমি নিজেই..

আমি নিজেই ব্যর্থ, আমিই দূরে সরে আছি তোমার থেকে।  

সৃষ্টির সেরা হয়েও আমি অধম, 

আমি যত সব কাজ করি তোমার বুকে অশান্তি ছড়াতে। 

জানি না কখনো শান্তির বরতা আনতে পারবো কিনা, 

যদি পারি আগলে রেখো তোমার সমস্ত ভালোবাসা দিয়ে, 

আর যদি না পারি, তাহলে ক্ষমা করো 

নিঃশর্তে ক্ষমা করে দিও আমাকে।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া

শিরোনামঃ নিয়মে বাঁধা  কলমেঃ তরুণ চ্যাটার্জ্জী তারিখঃ 28/02/24

 শিরোনামঃ নিয়মে বাঁধা 

কলমেঃ তরুণ চ্যাটার্জ্জী

তারিখঃ 28/02/24


এই জগতের সবই কেমন,

চলছে নিজের ছন্দ তালে।

 সবাই বাজে আপন সুরে,

আপন ভাবে বিভোর চলে।


সূর্য দেখায় দিনের আলো,

জোৎস্না ছড়ায় রাতের চাঁদ।

ওরাও কেমন নিয়ম মানে,

কেউ ভাঙে না নিজের বাঁধ।


আপন তালে ব‌ইছে নদী,

ওঠা নামার ছন্দ জানা।

কোথায় ধীরে কোথয় বেগে,

গতির ছন্দ  চলছে মানা।


মানে না বাতাস বাধার বাঁধ, 

শ্বাস বাতাসে সেই আধার।

যেখান খুশি ব‌ইছে দেখো,

মরু হতে ওই সাগর পাহাড়।


কতো রঙেই ফুটছে ফুল,

সাজিয়ে আপন রূপের বাহার।

সময় ডাকে সাড়া দেওয়ায়,

আসা যাওয়ার ছন্দ তার।


 স্বাদে গন্ধে ধরছে ফল,

ভিন্ন তাদের রকম ফের।

কালের তালে হারিয়ে গিয়ে,

জাগার আশা অন্য একের।


ছন্দ তালের এমন খেলায়,

নাচছে গোটা জগৎ সুরে।

কালের নিয়মে বাঁধা হয়ে,

আসা যাই নিকট দূরে।

          ------0------


গ্রিক পন্ডিত আর্কিমিডিস

 নিজের বাড়ির উঠোনে গণিতের সূত্র আঁকিবুঁকি করছেন গ্রিক পন্ডিত আর্কিমিডিস। তিনি যখন গণিতে ডুবে থাকেন, চারপাশের জগতের কোনো খোঁজ রাখেন না। ঠিক সে সময় রোমানরা আক্রমণ করেছে তার দেশ। যুদ্ধে তার দেশের সম্রাট হেরেও গেছেন। কিন্তু আর্কিমিডিসের সেদিকে খেয়াল নেই। তিনি তার কাজ নিয়েই ব্যস্ত।


ঠিক তখনি একজন সৈন্য এসে আর্কিমিডিসকে আত্মসমার্পণ করতে বলে। হাতে তার ধারালো খোলা তরবারি। তবে আর্কিমিডিস তাকে কোনো পাত্তাই দিলেন না। বরং তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন,আহ, বিরক্ত করো না, দেখছ না ব্যস্ত আছি!


সৈনিক জ্যামিতি বা গণিতের কি বোঝে! আর্কিমিডিসকেও সে চেনে না, জানে শুধু যুদ্ধ করতে। আর্কিমিডিসের কথায় তার আঁতে ঘা লাগল।


তিনি বললেন, কী! পরাজিত দেশের নাগরিকের এত বড় স্পর্ধা!


তলোয়ারের এক কোপ বসিয়ে দিল আর্কিমিডিসের ঘাড়ে। সঙ্গে সঙ্গে ধুলোয় লুটিয়ে পড়ল আর্কিমিডিস।


পরে আর্কিমিডিসের কাটা মুন্ডু দেখে বিজয়ী রোমান সম্রাট দুঃখ পেয়েছিলেন। যুদ্ধের আগে সম্রাট বলে দিয়েছিলেন যেন আর্কিমিডিসকে হত্যা করা না হয়। তিনি গুণের কদর করতেন। যদিও আর্কিমিডিসের কারণে বারবার হেরেছিলেন তিনি। তার তৈরি আয়না পুড়িয়ে মেরেছে রোমান সৈন্যদের, তার অদ্ভুত যন্ত্র ডুবিয়ে দিয়েছে বহু জাহাজ। তবু আর্কিমিডিসের প্রতি ক্ষিপ্ত হননি সম্রাট। বরং এই গুণী মানুষটিকে একবার স্বচক্ষে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি।


বাংলা ইনসাইডার/আরকে/রিডার্স ডাইজেস্ট


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪

টুইটার থেকে নেওয়া

 আমি একটা কথা ভেবে অবাক হই, যদি মানুষ একজন আরেকজনকে সত্যি ভালোবাসবে তাহলে বিয়ের পর একজন আরেকজনের এঁটো খাবার খেতে সমস্যা কোথায়? আজ সকালে আমাদের পাশের বাড়িতে এক ভাইয়া ও ভাবি আছেন, তাদের না কি রিলেশন করে বিয়ে হয়েছিল৷ এমনকি ঐ ভাবি না কি এতটাই ভালোবাসতো ঐ ভাইয়াকে, যখন ভাবির প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেয়নি, অন্য জায়গায় ভাবির পরিবার ভাবিকে বিয়ে দিয়েছিল, সেখান থেকেও না কি পালিয়ে এসেছিল ভাইয়ার কাছে, এবং ভাইয়াকে বিয়ে করে সংসার করছেন। অথচ আজ সকালে ভাইয়ার ব্রাশ না কি ভাবি ভুলবশত ব্যবহার করায় ভাবির সাথে ঝগড়া পর্যন্ত হয়েছে। একটা কথা ভাবলাম এটা কি আসলেই ভালোবাসা না কি ভালো লাগা। যদি সত্যি ভালোবাসা থাকে তাহলে বউ এর টুথব্রাশ স্বামী অথবা স্বামীর টুথব্রাশ বউ ব্যবহার করলে দোষ কোথায়? আশ্চর্য হই এগুলো দেখলে---যেখানে স্বামী আমার সবচেয়ে আপনজন, যার সাথে আমি মৃত্যুর পরেও একসাথে থাকতে চাই, তাহলে তার এঁটো খাবার, তার গ্লাসে পানি খাওয়া, তার টুথব্রাশ ব্যবহার করলে দোষ কোথায়? -----

টুইটার থেকে নেওয়া

জয়মালা ২০ এস পি (অ্যাসিটামিপ্রিড ২০%)

 জয়মালা ২০ এস পি (অ্যাসিটামিপ্রিড ২০%)

জয়মালা ২০ এসপি কি?

জয়মালা ২০ এসপি একটি স্পর্শক ও পাকস্থলীয় ক্রিয়াসম্পন্ন নিয়োনিকোটিনয়েড শ্রেণীর অন্তর্বাহী কীটনাশক যার মধ্যে ট্রান্সল্যামিনার ক্রিয়া বিদ্যমান। এর প্রতি কেজিতে ২০০ গ্রাম সক্রিয় উপাদান ‘অ্যাসিটামিপ্রিড’ আছে।


জয়মালা ২০ এসপি পি কেন ব্যবহার করবেন?

- এটি সিস্টেমিক কীটনাশক এবং এতে ট্রান্সল্যামিনার ক্রিয়া থাকার ফলে পাতার উপরের কোষ ভেদ করে সহজে পাতার নিচে থাকা ডিম এবং নিম্ফ মেরে ফেলতে পারে।

- ধানের বাদামী গাছ ফড়িং দমন করে।

- সব্জির বিভিন্ন চোষক পোকা (Sucking Pest) যেমন- সাদা মাছি, এফিড, জেসিড ও মশা দমনে খুবই কার্যকরী।

- সাদা মাছির (White Fly) ডিম, নিম্ফ এবং পূর্ণ বয়স্ক পোকা দমনে খুবই কার্যকরী কারণ এর মধ্যে ডিম্বাণুনাশক (Ovicidal) ক্রিয়া বিদ্যমান।

- ট্রান্সলেমিনার গুণসম্পন্ন তাই পাতার উভয় পাশেই কার্যকরী।

- অন্যান্য কীটনাশাকের তুলনায় কম পরিমাণে প্রয়োগ করলেই কার্যকরী ফলাফল পাওয়া যায়।


ফসলঃ শিম, পাট, তুলা, আলু, আম, চা, ধান


ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী - বাংলা ভাষার ত্রানকর্তা,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী - বাংলা ভাষার ত্রানকর্তা 


বাংলা ভাষা হাজার বছর ধরে এশিয়ার বিশাল জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষা। আধুনা পৃথিবীতে বাংলা ভাষা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে (আটকে পড়া বাংলাদেশীদের মধ্যে), মিয়ানমারের (পূর্বতন বার্মা) রাখাইন রাজ্যে (পূর্বতন আরাকান) ব্যবহৃত হচ্ছে। এরমধ্যে বাংলাদেশে পেয়েছে রাষ্ট্রীয় ভাষা, ভারতে পেয়েছে প্রাদেশিক ভাষার স্বকৃতী। এই ভাষার জন্য আন্দোলন হয়েছে বিহারের মানভূম, আসামের শিলচর এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। মানুষ এই ভাষার জন্য বিহারে, পূর্বতন পূর্ব পাকিস্তানে ও আসামে নিজের তাজা রক্ত ঢেলেছে। যা পৃথিবীর একমাত্র দৃষ্টান্ত। বর্তমানে ভাষার জন্য আত্মদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারা পৃথিবীতে ২১শে ফেব্রুয়ারী পালন করা হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। উল্লেখ্য ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে প্রোথিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি। 


 হাজার বছর পূর্বেও বাংলা ভাষা নিষিদ্ধ হয়েছিল এই বাংলাতেই। জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছে বাঙালির প্রাণের ভাষা বাংলা। দক্ষিণ ভারত থেকে আগত সেন রাজারা তাদের ধর্মগুরুদের ঘৃণ্য পরিকল্পনায় রাজকীয় ফরমান জারি করে -  “যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা ‘রৌরব’ নামক নরকে যাবে।” কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই সেন রাজবংশ ইতিহাস হয়ে যায়, আর বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে টিকে আছে আজ অবধি। যদিও ভারতে হিন্দীর আগ্রাসনের মুখে বাংলা ভাষা। তবে আশার কথা হলো "বাংলা পক্ষ" একটি সংগঠন সোচ্চার হয়েছে পশ্চিম বঙ্গে বাংলা ভাষা ও বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায়। সেন রাজাদের রাজকীয় ফরমান জারির পর হুমকির মুখে পড়ে বাংলা ভাষা। তখন নির্যাতিত ও নিগৃহীত বাঙালি ও বাংলা ভাষার ত্রানকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হন তুর্কি বংশোদ্ভূত উচ্চাভিলাসী সেনানায়ক ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী। অত্যন্ত দক্ষ এই সেনানায়ক ১২০৪ সালে বাংলার প্রবেশদ্বার রাজমহল ও তেলিয়াগড় এড়িয়ে ঝাড়খণ্ডের শ্বাপদশংকুল অরণ্য দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেন। ঝাড়খণ্ডের শ্বাপদশংকুল অরণ্যের মধ্য দিয়ে এত দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয়েছিলেন যে তার সাথে মাত্র ১৭ জন সৈনিকই তাকে অনুসরণ করতে পেরেছিলেন। বখতিয়ার খিলজী সরাসরি রাজা লক্ষ্মণসেনের প্রাসাদদ্বারে উপস্থিত হন এবং দ্বাররক্ষী ও প্রহরীদের হত্যা করে প্রাসাদের ভিতরে প্রবেশ করেন। এতে প্রাসাদের ভিতরে হইচই পড়ে যায় এবং লক্ষ্মণসেন দিগ্বিদিক হারিয়ে ফেলে প্রাসাদের পেছনের দরজা দিয়ে নৌপথে বিক্রমপুরে আশ্রয় নেন। ঐতিহাসিকগন বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার বিন খিলজীর বাংলা বিজয়ের মাধ্যম দিয়ে সেইদিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সাথে মুক্ত হয়েছিলো বাঙ্গালীদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।


ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, “মুসলমান সম্রাটগণ বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।” অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এদেশে আরো কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকতো, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।”


মধ্যযুগে মুসলিম শাসকরা বাংলা ভাষাকে দেন রাজকীয় মর্যাদা, এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হলেন শাহ্-ই-বাঙালিয়ান, বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা শামস্উদ্দিন ইলিয়াস শাহ্। মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্য চর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করে।


বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা পরবর্তীতে যুগে যুগে আরো হয়। ১৮শ’ সালে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবী ও ফারসী শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্য চর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়, “বাংলা ভাষার সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই”।


উপনিবেশিক শাসকদের প্ররোচনায় মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছে। অথচ ১৮৮৬ সালে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু পূর্বে ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এরা রয়ে গেছে অনেকটা লোকচক্ষুর আড়ালে। এটি নিঃসন্দেহে সত্যি শ্রীযুক্ত গিরিশ চন্দ্র সেন ছিলেন একজন প্রকাশক। ‌তার সহায়তায় কুরআন আল কারীমের বাংলা অনুবাদ প্রকাশিত হয়।


আজ বহুজাতিক ভাষা ইংরেজির আগ্রাসনের শিকার বাংলা ভাষা। আজও স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মুক্ত হতে পারেনি ইংরেজির কবল থেকে। বিচার বিভাগ থেকে সকল রায় ও ফরমান জারি করা হয় ইংরেজি ভাষায়। যদিও বাংলাদেশের জনসাধারণ দীর্ঘ দিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে বিচার বিভাগের বাংলা করনের জন্য। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করা হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় লেখা ফলক। এমনকি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ মঞ্জুরীপত্র লেখা হচ্ছে ইংরেজিতে। এটি অনভিপ্রেত। তাই নীতি নির্ধারণী মহলের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি বাংলা ভাষা রক্ষার্থে পশ্চিম বঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম ও রাখাইনে সকল ধরনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের এবং বাংলাদেশে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার জন্য।


তথ্যসূত্রঃ

১। খন্দকার কামরুল হুদা, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও শেখ মুজিব।

২। বাংলাপিডিয়া


নিবন্ধ - মাহফুয রহমান

শিক্ষাকর্মী এবং ভূতপূর্ব ব্যাংক কর্মকর্তা।

মালয়েশিয়া নিউজ


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


টবের চারা লাগানোর পদ্ধতি,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টবের চারা লাগানোর পদ্ধতি 


টব বাছাই ও সার মাটি নিয়ে আমরা জানলেও টবের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পাকা করা উচিত। টবের তলায় ছিদ্রের ওপর একটি খোলাকুমচি (হাঁড়িভাঙা) উপুড় করে রেখে কাঁকর দিয়ে 

ঢেকে দিতে হবে। কাঁকর স্তরের উপর ২ সেন্টিমিটার পুরু বালির স্তর দিলে টবের বাড়তি পানি সহজে চুইয়ে ছিদ্র দিয়ে বের হয়ে যাবে। বাইরে থেকে ছিদ্রটি যাতে বন্ধ না হয়ে যায় সেদিকে

 লক্ষ্য রাখতে হবে। টবটি মাটির উপর না রেখে ইট বা সিমেন্টের চাতালের উপর রাখা উচিত। 


চারা লাগানোর আগে টবে সারমাটি ভালো করে ভরতে হবে। মাটি যেন আর্দ্র ও ঝুরঝুরে অবস্থায় থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রথম পর্যায়ে যে পরিমাণ মাটি ভরতে হবে তা নির্ভর 

করবে চারার ও শিকড় সংলগ্ন মাটির বলের আকারের ওপর। বলা বাহুল্য চারাটি লাগানো হবে টবের মুখবৃত্তের কেন্দ্রে। ছোট চারা লাগাতে হলে টবের পুরোটাই সারমাটি দিয়ে ভর্তি করে 

চারার শিকড় সংলগ্ন মাটির পরিমাণ অনুযায়ী টবের মাটির একটি গর্ত করতে হবে। ওই গর্তের মধ্যে চারাটিকে খাড়াভাবে রেখে গোড়ায় সার মাটি দিয়ে ধীরে ধীরে চেপে দিতে হবে যেন 

মাটির মধ্যে কোনো ফাঁক ফোকড় না থাকে। এভাবে টবের মাটি চেপে দেওয়ার পর টবের ওপর দিকে কিছুটা জায়গা খালি হবে। আন্ত: পরিচর্যার সুবিধার্থে ওই জায়গাটুকু সারমাটি দিয়ে 

পুরণ করা যাবে না। চারা পাল্টানোর পরপরই টবকে হালকা ছায়ায় রাখতে হবে। টবকে কড়া রোদে রাখা যাবে না। চারা টবের মাটিতে শিকড় না দেওয়া পর্যন্ত টবকে হালকা ছায়ায় রাখা 

উচিত। 


টব পাল্টানো:

 

সাধারণত কচি চারা সরাসরি বড় টবে না লাগিয়ে প্রথমে ৫-৮ সে.মি টবে লাগিয়ে বেশ শক্ত করে নেওয়া হয়। টবের মধ্যে চারার শিকড় যখন জালের মতো হয়ে যায় তখন তা পরীক্ষা 

করতে হলে চারাসহ টটি উলটে ডান হাতের দুটি আঙুলের ফাঁকের মধ্যে ধরে টবের মুড়িটি কোনও শক্ত জিনিসের ওপর ঠুকে দিলে মাটির বলসহ চারাটি টব থেকে বেরিয়ে আসবে। 

এভাবে টবের শিকড় পরীক্ষা করা যায়। 


বীজতলায় চারা লাগানোঃ 


বীজতলা থেকে চারা তুলে সরাসরি লাগাতে হলে তা খুব সাবধানে করা উচিত। লাগানোর সময় মাটির জো যেন ঠিক থাকে অর্থাৎ অল্প আর্দ্র অবস্থায় থাকা উচিত। লক্ষ্য রাখা দরকার, 

কচি চারার শিকড় যেন যতখানি সম্ভব কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চারা কতখানি গভীর করে বসাতে হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। বীজতলায় বা গামলা টবে চারার গোড়া মাটির যে লেভেল-এ 

ছিল টবে সাধারণত তার কিছুটা নিচে লাগাতে হবে। তা না হলে চারা কিছুটা হেলে পড়তে পারে। গভীরতা বেশি হলেও অন্য বিপদ দেখা দিতে পারে অর্থাৎ গোড়া পচে যাওয়ার সম্ভাবনা 

থাকে। কচি চারার শিকড় মাটি না ধরা পর্যন্ত কড়া রোদের তাপে নেতিয়ে পড়তে পারে। কাজেই দিন কয়েক হালকা ছায়ায় রেখে শক্ত করে নিতে হবে।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


এখনকার মতন পেসমেকার থাকলে হয়তো আরও অনেকদিন বাঁচতেন তাঁর মা,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এখনকার মতন পেসমেকার থাকলে হয়তো আরও অনেকদিন বাঁচতেন তাঁর মা, আক্ষেপ করেছিলেন সত্যজিৎ রায়..💫🌻


সত্যজিৎ রায় যখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ওপর ডকুমেন্টারি  তৈরি করছেন তখন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তাঁর মা সুপ্রভা দেবী,ছবিটা তিনি দেখে যেতে পারেন নি, সত্যজিৎ রায়ের ভাষায় গানকে ভালবাসা আর কাজকে ভালবাসা এ দুটো মা তাঁকে দিয়েছেন৷


সত্যজিৎ রায়ের বাবা  সুকুমার রায় কে আমরা চিনি তাঁর মৃত্যুহীন সাহিত্য সৃষ্টির মাধ্যমে৷ তিনি সরস ও সজীবতার মূর্ত প্রতীক৷ আড়াই বছর যমে মানুষে টানাটানি হয়েছে,কালাজ্বরের তখন চিকিৎসাও ছিল না৷ নিজের প্রথম বই 'আবোলতাবোল'  বই আকারে প্রকাশিত হওয়া তিনি দেখে যেতে পারেন নি,যদি পারতেন নিশ্চিতভাবে বলা যায় অসম্ভব খুশিই হতেন কি অনবদ্য সৃষ্টি তিনি করেছেন৷


আবালবৃদ্ধ বনিতা উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী,সুকুমার রায়,সত্যজিৎ রায়,লীলা মজুমদার কে যতটা চেনেন, হয়ত সত্যজিৎ জননী সুপ্রভা দেবী কে একই ভাবে চেনেন না! কালীনারায়ণ গুপ্তর নাতনি সুপ্রভা দেবী অসাধারণ গাইতেন৷ মাসি কণক দাশের থেকে সুপ্রভা দেবীর ভাল গলা ছিল,কিন্তু অকালবৈধব্য ও দারিদ্র্য সব নষ্ট করে দিয়েছিল এই বক্তব্য তাঁর কিংবদন্তি পুত্রের৷


মানিকবাবুদের ব্যবসা তখন উঠে গিয়েছে,পৈত্রিক বাড়ি ছেড়ে সুপ্রভা দেবী  ছেলে কে নিয়ে ছোট ভাইয়ের আশ্রয়ে এলেন৷ লেডি অবলা বসু কে ধরে নিজে চাকরি নিলেন বিদ্যাসাগর বাণীভবনে৷ সেলাইটা জানতেন,এমব্রয়ডারি করে সত্যজিৎ রায় কে বড় করেছেন, পরিশ্রম করতেন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত৷


বহুমুখী প্রতিভার নারী সুপ্রভা দেবীর গুণের শেষ নেই৷ ১৪বছর বয়সে মানিকবাবু ম্যাট্রিক পাশ করেছেন, ৯বছরে তাঁকে  বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে ক্লাস ফাইভে ভর্তি করা হয়৷ এর আগে তাঁর পড়াশোনা শেখা সবটাই মায়ের কাছে৷ অভাব থাকলেও সুপ্রভা দেবী ছেলেকে ভাল স্কুল, কলেজে পড়িয়েছেন৷


মা অবশ্য শেষ পর্যন্ত চাকরি ছেড়েছিলেন, সত্যজিৎ রায় মহাশয় ডি জে কিমারে চাকরি পাওয়ার পর আর তাঁকে আর চাকরি করতে দেন নি৷ প্রথম পদ জুনিয়র ভিসুয়ালাইজার বেতন ৬৫টাকা সঙ্গে ১৫টাকা ডি এ৷

 চাকরি জীবনে উন্নতির শিখরে পৌঁছতে থাকেন,বাড়তে থাকে বেতন,'পথের পাঁচালী'-এর পরে যখন চাকরি ছেড়ে দিলেন তখন বেতন দু'হাজার টাকা৷


১৯৫৫সালে 'পথের পাঁচালী' মুক্তি পাবার পরে সত্যজিৎ রায় বিজ্ঞাপন জগতের কাজ ছেড়ে দেন৷নেপথ্যের কারণ হল বিজ্ঞাপন করতে গেলে ক্লায়েন্টদের চাহিদা অনুযায়ী জিনিস তৈরি করতে হত.আর ঠিক সেই ব্যাপারটায় ক্রমশ আস্থা হারাতে শুরু করেছিলেন৷

কিন্তু ছেলে সায়েব কোম্পানির ভাল চাকরি ছেড়ে ফিল্মের নেশায় মেতে ওঠায় প্রথম দিকে সুপ্রভা দেবী মোটেও প্রসন্ন হন নি,তারপর সাফল্য যখন এল ততদিনে মায়ের মন  নিশ্চিন্ত হয়েছে ৷ ছেলের সব খবরের কার্টিং একটা লাল খাতায় এঁটে রেখে দিতেন৷ একটু চাপা প্রকৃতির ছিলেন,কিন্তু 'পথের পাঁচালী' দেখে তাঁর চোখেও অশ্রুধারা...🌿


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপর ডকুমেন্টারি যখন ছেলে তৈরি করছেন তখন অসুস্থ হলেন সুপ্রভা দেবী,ছবিটা তিনি দেখে যেতে পারেন নি বলে বড় আপশোস ছেলের৷ একই সঙ্গে ছিল আরও বড় আক্ষেপ৷ সেই আক্ষেপের কথা আমরা শুনি মানিকবাবুর নিজের মুখেই -----


“শেষ বয়সে মায়ের ডায়াবিটিস হল সেই সঙ্গে হার্টের গোলমাল৷ এখনকার মতন পেসমেকার থাকলে হয়তো আরও অনেকদিন বাঁচতেন...”🌷


কলমে ✒️ অরুণাভ সেন


♦️তথ্যসূত্রঃ সত্যজিৎ রায় সাক্ষাৎকার সমগ্র (সন্দীপ রায়)

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বোরো_ধানের_মাজরা_পোকা_কিভাবে_দমন_করবেন,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #বোরো_ধানের_মাজরা_পোকা_কিভাবে_দমন_করবেন:


#সম্মানিত বোরো ধান আবাদি কৃষক/কৃষাণী বৃন্দ বোরো ইদানিং ধান গাছে মরা ডিগ দেখা যাচ্ছে যা হাত দিয়ে টান দিলেই সহজে উঠে আসে। এবং 

শীষ আসার পর আক্রমন করলে শীষ শুকিয়ে যায়। ফলে একে সাদা শীষ/মরা শীষ বা হোয়াইট হেড বলে। এটাকে মাজরা পোকার আক্রমণ বলে। আপনার ধান ক্ষেতে এ রকম সমস্যা হয়ে থাকলে লক্ষ্য করুন


#কোন_সময়:

সাধারণ ধানের জমিতে সর্বোচ্চ কুশি পর্যায়ে থেকে কাইচ থোড় অবস্থায় মাজরা পোকা বেশি আক্রমণ করে অর্থাৎ চারা রোপনের ৪০-৬০ দিনে ধানের জাত ভেদে তাই এ সময় আগাম প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। 


#প্রাথমিক অবস্থায় করণীয়:


#জমিতে অতিরিক্ত ইউরিয়া সার ব্যবহার করবেন না। 

#নিয়মিতভাবে ক্ষেত পর্যবেক্ষণের সময় মাজরা পোকার মথ ও ডিম সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেলতে পারেন।

#ক্ষেতের মধ্যে ডালপালা পুঁতে পোকা খেকো পাখির বসার সুযোগ করে দিতে পারেন।


#আক্রমনের তীব্রতা বেড়ে গেলে করণীয়:


#ধানের জমিতে শতকরা ১০% মরা কুশি অথবা ৫% মরা শীষ পাওয়া গেলে অনুমোদিত কীটনাশক সমূহ যেমন:


আইসোসাইক্লোসিরাম গ্রুপের কীটনাশক 

#ইনসিপিয়ো ২০এস সি প্রতি লিটার পানিতে ০.৬ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


(ফ্লুপাইরাডিফিউরন১০%+ফ্লোনিকামাইড১০%) গ্রুপের কীটনাশক 

#রেডকার্ড২০ডাব্লিডিজি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#টেট্রানিলিপ্রোল গ্রুপের কীটনাশক 

#ভায়েগো২০ এস সি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন। 


#ডাইহ্যালোপাইরাজল এমাইড৪০%+থায়ামেথোক্সাম২০%)

#টাইফুন ৬০ডব্লিউ জি

#ম্যাক্সপ্রো ৪০ ডব্লিউজি যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ০.১৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#কারটাপ৯২%+এসিটামিপ্রিড৩%) গ্রুপের কীটনাশক

যেমন: 

#বাতির৯৫ এসপি

#কার্টাপ্রিড ৯৫ এসপি

#ক্যাপরিড৯৫ এসপি

#কাপ্পা৯৫ এসপি

#এসিপ্রিড প্লাস৯৫ এসপি

#বাইটাপপ্লাসএক্সট্রা ৯৫ এসপি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। অথবা


#কারটাপ গ্রুপের কীটনাশক 

যেমন: 

#সানটাপ৫০ এসপি

#ব্রাভো৫০ এসপি

#ফসলটাপ৫০ এসপি

#কারটাপ৫০ এসপি

#হিনোটাপ৫০ এসপি

#সিকোটাপ৫০ এসপি

#মিমটাপ৫০ এসপি

#হেটাপ৫০ এসপি

#কার্টাপ৫০ এসপি

#জেনেটাপ৫০ এসপি

#সীটাপ৫০ এসপি

#কাটাপ্পা৫০ এসপি

#ব্লেটাপ৫০ এসপি

#পদ্মাটাপ৫০ এসপি

#কেয়ার প্লাস৫০ এসপি

#তেজরী ৫০ এসপি

 যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। অথবা


#ডাইনোটিফিউরান+ফিপ্রোনিল) 

গ্রুপের কীটনাশক 

#কমরেড৮০ডাব্লিউ ডিজি ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#ফ্লুবেনডায়ামাইড+থায়াক্লোপ্রিড) গ্রুপের কীটনাশক 

#বেল্টএক্সপার্ট৪৮এসসি ০.৫ এমএল হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন।


#কার্বোসালফান) গ্রুপের কীটনাশক

#মারর্শাল ২০ ইসি

#সানসালফান২০ ইসি

#এমকোসাল২০ ইসি

#এডভান্টেজ২০ ইসি

#বেনিফিট২০ ইসি

#হেসালফান২০ ইসি

মিমসালফান২০ ইসি

#অরোসালফান২০ ইসি

#বাইসালফান ২০ ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ এমএল হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। অথবা


#থায়ামেথাক্সম+এমামেকটিন বেনজোয়েট) গ্রুপের কীটনাশক যেমন:

#এন্টিবোরার৪০ ডাব্লিউডিজি 

#ইরিক্স৪০ ডাব্লিউডিজি 

#আলটিমাপ্লাস৪০ ডাব্লিউডিজি 

#এম্পোরিয়র ৪০ ডাব্লিউডিজি 

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.১৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। অথবা

 

(বাইফেনথ্রিন৫%+পাইরিডাবেন১০%+থায়োর্ডিকাব ৫০%)

#এইমগোল৫৬ডাব্লিউ ডিজি

#ওয়ানশট ৫৬ডাব্লিউ ডিজি

#এডাম প্লাস ৫৬ডাব্লিউ ডিজি

#নিডশর্ট ৫৬ডাব্লিউ ডিজি

#টেকশট ৫৬ডাব্লিউ ডিজি

#ওয়ানস্টপ ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

 

#এমামেকটিন বেনজোয়েট+লুফেনিউরন) গ্রুপের কীটনাশক 

#লুমেকটিন ১০ ডাব্লিউডিজি

#ডেনিমফিট১০ ডাব্লিউডিজি

#হিমাম১০ ডাব্লিউডিজি

#দাঙ্গাল১০ ডাব্লিউডিজি

#টিয়ার ১০ ডাব্লিউডিজি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে  ০.৬ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। অথবা


#থায়োমিথোক্সাম+ ক্লোরানট্রনিলিপ্রোল) গ্রুপের কীটনাশক 

যেমন: 

#ভিরতাকো ৪০ ডাব্লিউ জি প্রতি লিটার পানিতে ০.১৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন।


এছাড়াও বেল্ট ৪০ ডাব্লিডিজি/#মাইনেকট্রো এক্সট্রা/ সানটাপ প্লাস ৫০ ডাব্লিউ পি/কার্টাপ্পা ৪৭ ডাব্লিউ ডিজি/ ফেনজেট অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। 

@followers @highlight 

কপি

মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

ব্লকঃ ভোটমারী কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০২-০৩-২০২৪,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০২-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:…


মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলেন আরও সাত প্রতিমন্ত্রী - শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত।


রাজধানীর বেইলি রোডে রেস্টুরেন্ট ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬-এ দাঁড়িয়েছে - দগ্ধ রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।


জনগণকে বীমার আওতায় আনতে সচেতনতা বাড়াতে হবে - জাতীয় বীমা দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বললেন শেখ হাসিনা।


জনগণ দ্বারা বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিএনপি নেতারা তাদের বিদেশি প্রভুদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


গণমাধ্যমকে আরো শক্তিশালী ও মজবুত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠা করতে সরকার প্রস্তুত - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


গাজায় জর্ডানের ত্রাণ তৎপরতা শুরু - বিমানের সাহায্যে মানবিক ত্রাণ ফেলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের।


মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মত শিরোপা লাভ করলো ফরচুন বরিশাল।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ফেইসবুক থেকে নেওয়া,, তিনি ও নিয়েছেন ফেইসবুক থেকে

 নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ছেলেবেলায়, আমি ভাবতাম—নারীর সৌন্দর্যের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ নাকি তার ...