এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৬ মার্চ, ২০২৪

ফ্রি বুদ্ধি ۔۔۔AANP ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ফ্রি বুদ্ধি ۔۔۔AANP

==============

ফায়ার সার্ভিসের কথা মতে বেইলী রোডের ভবনটিতে অগ্নি নিরাপত্তার বিষয়টি ভবন মালিক ও রেষ্টুরেন্ট মালিকদের বার বার নোটিশ করে জানানো সত্ত্বেও তারা তা মেনে চলেন নাই নাই । 


    ফায়ার সার্ভিস -কে একটা ভালো বুদ্ধি দিতে চাই । সেটা করলে বহু মানুষের প্রাণ বেঁচে যাবে ভবিষ্যতে । 


  তা হলো , সে সব ভবনে , বাড়িতে , মার্কেটে অগ্নি নিরাপত্তা নাই সেসব স্থানে ফায়ার ব্রিগেড কষ্ট করে একটি সাইন বোর্ড লাগিয়ে দিবে যেখানে লেখা থাকবে ,


   “ এই স্থানটি নিরাপদ নয় । এখানে আগুন লাগলে আপনার জীবন বাঁচানো কঠিন হবে ।” 


   বাকী কাজটি জনগনই করবে । ঐ মার্কেট , ভবন , হোটেল -রেষ্টুরেন্টের আশে পাশেও কেউ যাবে না । সাইন বোর্ডের লেখাটি তখন হাজার হাজার মানুষ ভাইরাল করে দিবে । ডিজিটাল যুগে শাস্তি এমন করেই দিতে হবে ।


   ফায়ার সার্ভিস যদি সেটি করতে না পারে তাহলে চলুন আমরাই তা করি ভিন্ন ভাবে । কোন স্থানে অগ্নি নিরাপত্তা লক্ষ্যনীয় না হলে Facebook post এ তা বলে দেই ভদ্র ভাষায় । দেখবেন কেউ যাবে না সেখানে তা জানার পর । 


 শেয়ার করুন ॥

AANP ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

নেতৃত্বের ফেতনা (খলিফা কি কোরাইশী হতে হবে?),,,,,salsabil ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নেতৃত্বের ফেতনা (খলিফা কি কোরাইশী হতে হবে?)


সাহাবী, তাবেয়ী এবং তার পরবর্তী বহু যুগ এমন ছিল সহীহ হাদীস পেলে মুমিনরা যুক্তি-তর্কের উর্ধ্বে গিয়ে মেনে নিত। বর্তমানে যে কোন কিছুকে অনেকে যুক্তি ও ইতিহাস বা নিজেদের প্রিয় আলেমের ব্যাখার সাথে মিললে গ্রহণ করবে নাহলে পরিত্যাগ করবে এমনটাই পরিলক্ষিত হয়।


আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা ইবনু কানাব, কুতায়বা ইবনু সাঈদ, যুহায়র ইবনু হারব ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “জনগণ এর বিষয়ে (প্রশাসনিক ব্যাপারে) কুরায়শদের অনুসারী। মুসলিমরা তাদের মুসলিমদের এবং কাফেররা তাঁদের কাফেরদের (অনুসারী)। (মুসলিম)


মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) … হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে যে সকল হাদীস রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেন তন্মধ্যে একটি হল যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকজন এই ব্যাপারে কোরায়শের অনুসারী মুসলিমরা মুসলিমদের অনুসারী এবং কাফেররা কাফেরদের অনুসারী। (মুসলিম)


ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব হারেসী (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকজন ভাল-মন্দ (উভয় ব্যাপারেই) কুরায়শের অনুসারী।


আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ কর্তৃত্ব (খেলাফত)

সর্বদা কুরায়শের মধ্যেই থাকবে যতক্ষন পর্যন্ত (দুনিয়ার) দুটি লোকও বেঁচে থাকবে। (মুসলিম)


কুতায়বা ইবনু সাঈদ ও রিফা’আ ইবনু হায়সাম ওয়াসেতী (রহঃ) … সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি আমার পিতার সঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলাম। তখন আমরা তাঁকে বলতে শুনলাম, শাসন ক্ষমতার ব্যাপারটা চলতে থাকবে যতক্ষন না উম্মাতের মধ্যে বারজন খলীফা অতিবাহিত হবেন। তারপর তিনি কিছু বললেন, যা আমার কাছে অস্পষ্ট ছিল। তখন আমি আমার-পিতাকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বললেন? তিনি বললেন যে, তিনি বলেছেন, তাদের সকলেই হবে কুরায়শ বংশোদ্ভূত। (মুসলিম)


সবগুলো হাদীস মুসলিম শরীফে রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রশাসন অধ্যায়ে পাবেন।


রসুলের (সা:) ওফাতের পর খলিফা নির্বাচন নিয়ে সাহাবীরা জড়ো হলে- আবু বকর (রা:) বলেছিলেন, তবে খিলাফাতের ব্যাপারটি কেবল এই কুরাইশ বংশের জন্য নির্দিষ্ট। তারা হচ্ছে বংশ ও আবাসভূমির দিক দিয়ে সর্বোত্তম আরব। আর আমি এ দু’জন হতে যে কোন একজনকে তোমাদের জন্য নির্ধারিত করলাম। তোমরা যে কোন একজনের হাতে ইচ্ছা বায়’আত করে নাও। (সহীহ বুখারী, বায়াত ও বংশীয় শাসন পোস্টে পুরাটা পাবেন)।


সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ


তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতের ভিত্তিতে পরিচালিত খিলাফত ত্রিশ বছর অব্যাহত থাকবে। অতঃপর আল্লাহর যাকে ইচ্ছা রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমাকে সাফীনাহ (রাঃ) বলেছেন, হিসেব করো, আবূ বকর (রাঃ) দুই বছর, ‘উমার (রাঃ) দশ বছর, ‘উসমান (রাঃ) বারো বছর ও আলী (রাঃ) এতো বছর খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমি সাফীনাহ (রাঃ) -কে বললাম, এরা ধারণা করে যে, ‘আলী (রাঃ) খলীফাহ ছিলেন না। তিনি বলেন, বনী যারকা অর্থাৎ মাওয়ানের বংশধরগণ মিথ্যা বলেছে।


সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৬৪৬

হাদিসের মান: হাসান সহিহ


অনেকে হাসান (রা:) এর ছয় মাস পর্যন্ত খেলাফতের সময়কাল ধরেন। আর ১২ জন ন্যায়পরায়ন খলিফার মধ্যে ৫ জন হাসান (রা:) পর্যন্ত। উমর বিন আবদুল আজিজ (রহ:) এবং শেষ খলিফা মাহাদী (হাফি:) হবেন আলেমরা ঐক্যমত।


এছাড়া আর কিছু হাদীসে কোরাইশ হতে খলিফা হবে প্রমাণ পাওয়া যায়। একথা বললে অনেকে ইহুদিদের দালাল, আহলে খবিশ, রাজতন্ত্রের সমর্থনকারী আবার অনেকে এটা হিন্দুদের জাতপ্রথার মতো হয়ে গেছে বলে অভিহিত করে।


আল্লাহর কসম!! আমাদের উদ্দেশ্য সত্য জানানো! ফেতনা ছড়ানো বা অর্থ উপার্জন, জনপ্রিয়তা অর্জন নয়। বরং আমরা এমন কিছু জানাতে চাই যা অন্যরা সাধারণত বলে না। ফলে উপহাস, গালির শিকার হতে হচ্ছে!! আপনাদের সাথে মতে না মিললে হয়তো আমাদের বুঝিয়ে দেন, মেনে নিবো। আর আমাদের গালি দিলে, আপনাদের নেকী হবে এমন কোন দলিল যদি থাকে হাসিমুখে মেনে নিবো।


এবার আসি ব্যাখা-


আল্লাহ সকল সৃষ্টির উপর মানবজাতিকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এটা আল্লাহর সিদ্ধান্ত, বান্দা মেনে নেওয়া উচিত। ইবলিস আদম (আ:) সহ মানবজাতির শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিতে অস্বীকার করে ধ্বংসপ্রাপ্তের অন্তর্ভুক্ত হয়।


আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা হলেন আল-আলীম (সর্বজ্ঞ)। তিনি জানেন কি এবং কি হতে পারে, কি ছিল এবং কি হতে পারে। “এর পরিপূর্ণতা জ্ঞান দ্বারা সবকিছু বোঝার মধ্যে নিহিত – প্রকাশ এবং গোপন, ছোট এবং বড়, প্রথম এবং শেষ, শুরু এবং ফলাফল।”


আমরা আমাদের চারপাশে যা দেখি এবং অভিজ্ঞতা করি তার দ্বারা অবশ্যই আমাদের জ্ঞান অর্জন করি। অন্যদিকে, আল্লাহর জ্ঞানের কোন শুরু বা শেষ নেই এবং এটি পরীক্ষা ও ত্রুটির উপর ভিত্তি করে নয়।


আল্লাহর জ্ঞান পরিপূর্ণ ও নিখুঁত। এটি অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতকে বোঝায় এবং সর্বদা বাস্তবতার সাথে মিলে যায়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেনঃ


“তিনি কি জানেন না যে তিনি কি সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি সূক্ষ্ম, অবহিত।”


আল-মুলক ৬৭:১৪

সূরা আল-আনআম আয়াত ৫৯-এ তিনি বলেন,


“এবং তাঁর কাছেই রয়েছে অদৃশ্যের চাবি; তিনি ছাড়া তাদের কেউ জানে না। আর তিনি জানেন স্থলে ও সমুদ্রে যা আছে। একটি পাতাও পড়ে না কিন্তু তিনি তা জানেন।”


সূরা আল আনআম, ৫৯

আল্লাহ জানতেন মুমিনরা তার আমল দ্বারা আল্লাহর কাছে অতি প্রিয় হবে ও সৃষ্টির মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করবে যা ফেরেশতারা জানতো না। তাই আল্লাহ মুমিনদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি ঘোষণা করেন। তেমনি আল্লাহ জানতেন – কোরাইশরা নেতৃত্ব দানে সবচেয়ে উপযোগী হবে বা শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের কোরাইশ হতে তিনি পাঠাবেন বা নেতৃত্বের উপযোগী করবেন। তাই কোরাইশদের নেতৃত্ব দানের নির্দেশ দিয়েছেন। আবার এটা ইব্রাহিম (আঃ) এর দোয়ার ফসল।


কুরআনে বর্নিত –


‘যখন ইবরাহীমকে তার পালনকর্তা কয়েকটি বিষয়ে পরীক্ষা করলেন, অতঃপর তিনি তাতে উত্তীর্ণ হ’লেন, তখন আল্লাহ বললেন, আমি তোমাকে মানবজাতির নেতা করব। তিনি বললেন, আমার বংশধর থেকেও। তিনি বললেন, আমার অঙ্গীকার যালেমদের পর্যন্ত পৌঁছবে না’


বাক্বারাহ ২/১২৪

বস্ত্ততঃ আল্লাহ ইবরাহীম (আ) ও তাঁর বংশধরগণের মধ্যেই বিশ্ব নেতৃত্ব সীমিত রেখেছেন। যেমন অন্যত্র আল্লাহ বলেন,


‘নিশ্চয়ই আল্লাহ আদম, নূহ, ইবরাহীম-এর বংশধর ও ইমরানের বংশধরকে নির্বাচিত করেছেন’। ‘যারা ছিল পরস্পরের বংশজাত। আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ’


আলে ইমরান ৩/৩৩, ৩৪

বস্তুত ইবরাহীম (আঃ)-এর পরবর্তী সকল নবী তাঁর বংশধর ছিলেন। আলে ইমরান বলতে ইমরান-পুত্র মূসা ও হারূণ ও তাঁদের বংশধর দাঊদ, সুলায়মান, ঈসা (আ) প্রমুখ নবীগণকে বুঝানো হয়েছে। যাঁরা সবাই ছিলেন ইবরাহীমের (আ) পুত্র ইসহাকের (আ) বংশধর। অপরপক্ষে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মাদ (সা) ছিলেন ইবরাহীমের (আ) জ্যেষ্ঠ পুত্র ইসমাঈলের (আ) বংশধর। সে হিসাবে আল্লাহ ঘোষিত ইবরাহীমের (আ) বিশ্ব নেতৃত্ব যেমন বহাল রয়েছে, তেমনি নবীদের প্রতি অবাধ্যতা, বংশীয় অহংকার এবং জেদ ও হঠকারিতার জন্য যালেম ইহুদী-নাছারাগণ আল্লাহর অভিশাপ কুড়িয়ে বিশ্বের সর্বত্র ধিকৃত ও লাঞ্ছিত হয়েছে।


ইব্রাহিমের (আঃ) দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। অধিকাংশ নবী, রসুলগণ ইব্রাহিম (আঃ) এর পুত্র ইসহাকের (আ) বংশধর ও তার বংশধর ইয়াকুব (আ:) হতে এসেছিল বা আল্লাহ পাঠিয়েছিলেন।


ইয়াকুব (আ:) এর উপাধি ছিল ইসরায়েল মানে আল্লাহর বান্দা আর তার বংশধরদের বনী ইসরায়েল বলা হতো।

আলেমদের মতে, তার এক ছেলে ইয়াহুদের নামে একটা মতবাদ চালু করে বনী ইসরায়েল এবং নিজেকে ইহুদি পরিচিত দিত। পরবর্তীতে তা ধর্মীয় ও বংশগত পরিচয় হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।


বনী ইসরায়েলের মন্দলোকদের হেদায়েত ও প্রতিহিত করার জন্য তাদের বংশধর হতে নবী, রসুল ও কিতাব দিয়েছিলেন। ফলে ক্যাবলাহ বায়তুল আকসা ছিল আর তারা দ্বীন হতে সরে যায় এবং আল্লাহ নেতৃত্ব দেন ইব্রাহিম (আ:) এর পুত্র বনী ইসমাইল এর বংশধরদের বা কোরাইশদের। এই বংশ হতে সর্বশ্রেষ্ঠ রসুল মুহাম্মদ (সা:) কে পাঠানো হয়, আর বনী ইসরায়েলের অধিকাংশই তার বিরোধিতা করে। অথচ অনেকে বিশেষ করে কোরাইশ সাহাবীরা রসুল (সা:) ও আল কুরআনের প্রতি ঈমান আনে। ফলে বনী ইসরায়েল হতে নেতৃত্ব চলে আসে বনী ইসমাইলের (কোরাইশ) কাছে এবং ক্যাবলাহও পরিবর্তন করা হয়।


মুসলিমরা কোরাইশের মুসলিমদের অনুসারী হবে। তাদের ভালোরা ভালোর নেতৃত্ব ও মন্দরা মন্দের নেতৃত্ব মেনে নিবে। যেমন – সাহাবীরা রসুলের (সা:) নেতৃত্ব মেনেছিল আর আবু জাহেলদের নেতৃত্ব মেনেছিল কাফেররা। আবার ইয়াজিদের অনুসারী বা সেনাদের অধিকাংশ ছিল মন্দ তারা তার নেতৃত্ব মেনে ছিল অপরদিকে হোসেন (রা:) ও আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা:) অনুসারীরা তার নেতৃত্ব মেনে জালেমের বিরোধিতা করেছিল। ঈসা (আ:) পর্যন্ত হয়তো এভাবে চলবে। শেষ জমানার হাদীসে পাবেন – মাহাদীর (আ) বিরুদ্ধে যে বাহিনী পাঠাবে তিনি হবেন কোরাইশি। (মুসলিম, আবুদাউদ)।


অপরদিকে আহলে বায়াত (কোরাইশ) হতে হবেন মাহাদী (হাফি:)। উম্মাহর শ্রেষ্ঠলোকগুলো তাকে মেনে নিবে।


মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪

ভারনিক্স,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "ভারনিক্স"


বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পরে প্রায় সকল বাচ্চার শরীরে যে সাদা ময়লার মত পদার্থ দেখা যায় সেটাকে "ভারনিক্স "বলে।  "ভারনিক্স " নামের পদার্থটি প্রায় সকল বাচ্চার শরীরেই  দেখা যায়। কোন কোন বাচ্চা শরীরে এত ভারনিক্স নিয়ে জন্মগ্রহণ করে আবার কোন কোন বাচ্চা একেবারে পরিষ্কার থাকে।


এই ভারনিক্স টা সম্পর্কে অনেকে অবগত নয়, বাচ্চাকে মুছে যখন অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয় তখন শরীরে ভারনিক্স থাকলে তারা ভাবেন বাচ্চাকে ক্লিয়ারলি ক্লিন করা হয়নি বা নিজেরাই মুছতে বসে যান।


সৃষ্টির সবকিছুর পিছনেই গভীর রহস্য লুকায়িত আছে, তাঁর অসীম জ্ঞান বুঝার ক্ষমতা আমাদের কারোরি নেই! 


সদ্যজাত শিশুর শরীরে ভারনিক্স নামের এক ধরণের তেল জাতীয় পদার্থ থাকে যা মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তরল পদার্থ থেকে শিশুর ত্বককে রক্ষা করে। এটি অ্যান্টিবডির মত শিশুর রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।


জন্মের পর পরই শিশুকে পরিষ্কার বা মোছার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভারনিক্স ওঠে না যায়। (WHO) এর মতে শিশুর শরীরে ভারনিক্স কমপক্ষে ৬ ঘন্টা রাখা এবং সবচেয়ে ভালো হয় ২৪ ঘন্টা রাখলে।


World Health Organization❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️


আদা চাষ পর্ব ৩,,, ,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আদা চাষ পর্ব ৩


বস্তায় আদা চাষের এপ্রিল-মে (চৈত্র- বৈশাখ) মাসে আদা লাগাতে হয়। তবে এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহ আদা লাগানোর উপযুক্ত সময়।


তাই যারা বস্তায় আদা চাষ করতে চান, তারা এই সপ্তাহ হতেই মাটি রেডি করে বস্তায় ভরের কাজ শুরু করবেন।


মাটি তৈরি:


একটি বস্তায় তিন ঝুড়ি মাটি, এক ঝুড়ি বালি, এক ঝুড়ি পচা গোবর সার ও ২৫ গ্রাম ফিউরাডন লাগবে। বালি পানি নিষ্কাশনে সাহায্য করে, ফিউরাডন উইপোকার উপদ্রব থেকে রক্ষা করবে। মাটির সঙ্গে গোবর, বালি ও ফিউরাডন ভালোভাবে মিশিয়ে সিমেন্টের বস্তায় ভরে ঝাঁকিয়ে নিন তাতে মিশ্রনটি ভালোভাবে চেপে যাবে। আলাদা একটি বালি ভর্তি টবে টুকরো অঙ্কুরিত আদা পুঁতে দিন। ২০-২৫ দিন পর ওই আদা থেকে গাছ বের হবে। তখন আদার চারা সাবধানে তুলে বস্তায় মাটির ভিতরে ২ থেকে ৩ ইঞ্চি গভীরে লাগিয়ে দিতে হবে। বীজ লাগানোর পর মাটি দ্বারা ঢেকে দিতে হবে।

দিনের অধিকাংশ সময় রোদ পায় এমন স্থানে বস্তাটি রাখতে হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আদা গাছ বাড়তে থাকবে। চারা লাগানোর দু’মাস পরে ৪ চা চামচ সরিষার খৈল এবং আধা চামচ ইউরিয়া প্রয়োগ করুন মাটিতে। মাঝে খুঁড়ে মাটিটা একটু আলগা করে দিলে ভালো হয়।


ফসল সংগ্রহ:


সাধারনত জানুয়ারি- ফেব্রুয়ারি মাসে বস্তা থেকে আদা উঠানো হয়। আদা পরিপক্বতা লাভ করলে গাছের পাতা ক্রমশ হলুদে হয়ে কা- শুকাতে শুরু করে। এ সময় তুলে মাটি ঝেড়ে ও শিকড় পরিস্কার করে সংরক্ষণ করা হয়।



বেশির ভাগ বাবা মা আদরের সন্তানের খাবারে যে ভুলটা করে....ফেইসবুক থেকে নেওয়া .

 বেশির ভাগ বাবা মা আদরের সন্তানের খাবারে যে ভুলটা করে......


আপনার আদরের সন্তান

👉কেন বছরে ৩ বার এর বেশি অসুস্থ হয় ? কারণ, তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম।

👉কেন অল্প বয়সে বিভিন্ন হাড়জনিত সমস্যায় ভুগে ? যেমন এখন আপনি ভুগছেন ! কারণ, ছোট বেলা থেকে ক্যালসিয়াম এর ঘাটতি থাকে।

👉কেন আপনার সন্তান মেধাবী হয় না ? কারণ, ছোটবেলা থেকে ব্রেইনের সঠিক বিকাশ হয় না।

👉কেন খেতে চায় না ? কারণটা হলো খাওয়ার অরুচি।

কেন জেদ বা খিটখিটে অচরণ করে ? কারণটা হলো গ্যাস এর সমস্যা, হজমে সমস্যা, মাথা ঘোরা, শারীরিক দুর্বলতা।


আপনার আদরের সন্তান, যাকে নিয়ে বাবা মা হিসেবে কত ভবিষ্যৎ চিন্তা !!, সেই আদরের সন্তান কেন এরকম সমস্যায় ভুগছে বা ভুগতে পারে 


যেমন

👉বছরে ৩ বার এর বেশি অসুস্থ হওয়া।

👉হরমোন জনিত সমস্যা।

👉অসুস্থ হলে সুস্থ হতে বেশি সময় লাগা।

👉বয়স অনুযায়ী উচ্চতা বা ওজনের সামঞ্জস্য না  হওয়া।

👉রক্তশূন্যতা।

👉শারীরিক দুর্বলতা।

👉কোষ্ঠ কাঠিন্য।

👉দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া।

👉পড়াশোনায় অমনোযোগিতা।


একজন বাবা মা হিসেবে আদরের সন্তানের এরকম সমস্যা গুলি নিয়ে কি কখনো চিন্তা করেছেন ?


কারণ টি হলো “পরিপূর্ন পুষ্টি” যার অভাবে এই সকল সমস্যা দেখা দেয়।


আমরা ছোট বেলা থেকে পুষ্টির জন্য সন্তান কে অনেক কিছু খাওয়াই কিন্তু তা কি পরিপূর্ণ পুষ্টি সমৃদ্ধ ?

👉আমিষ পায় তো ক্যালসিয়াম কম পায় ।

👉ক্যালসিয়াম পায় তো আয়রন কম পায় ।

👉আয়রন পায় তো ফ্যাটি অ্যাসিড কম পায় ।

👉ফ্যাটি অ্যাসিড পায়  তো কার্বোহাইড্রেড কম পায়।

ফলে আপনার আদরের সন্তান,

👉লম্বা হয় তো হাড়জনিত সমস্যা থাকে।

👉ঠিকমতো খায় কিন্তু হজমে সমস্যা হয়।

👉ত্বক সুন্দর থাকে কিন্তু চোখের সমস্যা থাকে।

👉অনেক কিছু খায় কিন্তু ওজন কম থাকে।

👉এরকম আরো অনেক সমস্যা থাকে।


আশাকরি বুজতে পেরেছেন যে আপনার আদরের সন্তানের মূল সমস্যা কোথায় ? এই রকম সমস্যা থেকে আপনার সন্তানকে মুক্ত রাখতে ও আপনার সন্তান এর সুন্দর ও সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য এখন থেকেই দিতে হবে পরিপূর্ণ পুষ্টি যুক্ত খাবার।


কিন্তু আমি জানি, আমরা বেশির ভাগ বাবা মা এক সাথে প্রতিদিন সব ধরণের পুষ্টির বেবস্থা করতে পারি না। বা পারলেও, সময় ও প্রাপ্যতার অভাবে সব এক সাথে জোগাড় করা সম্ভব হয় না।


তাই আপনার আদরের সন্তানের জন্য আমি এমন একটা খাবারের কথা বলছি যাতে একসাথে সব ধরণের পুষ্টির উপাদান রয়েছে।


যে খাবারে,

👉ক্যালোরি সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।     

👉ফাইবার সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।

👉আয়রন,  প্রোটিন সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।

👉শর্করা,  ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।

👉ভিটামিন, অ্যামিনো অ্যাসিড  সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।

👉মিলেট সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।

👉এছাড়া জিঙ্ক, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম এর মতো প্রয়োজনীয় খনিজ সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।


কিন্তু চিনির মতো ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার করা হয় নাই। কোনো ধরণের কেমিকাল বা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় নাই। চিনির পরিবর্তে খেজুর ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে  কোনো চিনি মিশানোর প্রয়োজন একেবারেই নাই। খাবার টি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে সম্পূর্ণ ঘরোয়া পরিবেশে তৈরী।


এমন পরিপূর্ণ খাবারের বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে বা অর্ডার করতে নিচের ওয়েবসাইট এ ভিজিট করুন।

https://pustirghor.com/pustimix/


আহারে প্রবাস জীবন,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "মা ৬ বছর হলো বিদেশ এসেছি। এখন দেশে ফিরে যেতে চাই আমি।

-দেশে এসে কি করবি শুনি। এর চেয়ে আরো কয়েক বছর বিদেশে থাক পরবর্তীতে আসিস।

-প্লিজজজ মা আর থাকতে চাইনা। 

-আশ্চর্য তুই দেশে এসে কি করবি সেইটা বুঝতেছি না।

-কি করবো মানে' তোমাদের প্রতিমাসে ৭০ হাজার টাকা করে পাঠাই এই ছয় বছরে অনেক টাকা হয়েছ। এখন গিয়ে ব‍্যবসা করবো।

-তোর কোন টাকা নেই।

-মানে।

-মানুষের কাছে থেকে টাকা ধার নিয়ে তোকে বিদশ পাঠাইছি তাদেরকে দিতেই সব শেষ। আবার তোর ভাইটারে নতুন গাড়ি কিনে দিয়েছি। ছোট্ট বোনটাকে বিয়ে দিয়েছি।

-কি বলো মা। ছোট্ট বোনটার বিয়ে দিয়ে আমি জানিনা।

-তোকে বলিনাই মন খারাপ করবি বলে। এখন ফোন রাখতেছি তুই কাজ কর।

-তোমার সঙ্গে কথা বলতে খুব ইচ্ছে করতেছে একটু বলিনা কথা মা।

-কথা বললে কাজ হবেনা তার। মন দিয়ে কাজ কর এই মাসে অনেক টাকার দরকার।

-মা তোমাকে দেখতে খুব ইচ্ছে করতেছে।

-নাটক বন্ধ কর।

-সত‍্যি মা নাটক করতেছি না। সেই ৬ বছর আগে তোমার মুখটা দেখেছিলাম। 

-তাতে কি হয়েছে।

-দেশে ফিরে যাই সবার সঙ্গে দেখাশুনা করে আবার নাহয় ফিরে আসবো আমি।

-এই ফোন রাখলাম তোর এইসব ফাউল কথা শুনার সময় আমার কাছে নাই।

'কথাটি বলেই মা ফোনটি কেটে দেয়' যা দেখে ছেলেটি অঝরে কান্না করতে থাকে'

'এর পরে ছেলেটি দুঃখো ভরাকান্ত মন নিয়ে রাস্তার পাশে দিয়ে হেটে হেটে কাজে যাচ্ছিলো। এমন সময় একটি মাল বাহি ট্রাক এসে তার উপর দিয়ে চলে যায়। এবং সেখানেই ছেলেটি মারা যায়।

'কিছু লোক তার ফোনটি বের করে সেই মায়ের নাম্বারে কল দেয়, ফোনটি রিসিভ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওপাশ থেকে আওয়াজ আসে।

-এই কু'ত্তা'র বাচ্ছা তোকে বলছিনা এখন দেশে আসা হবেনা। আরো অনেক টাকার দরকার আমাদের। ফোন কেটে দিয়ে কাজ কর। 

'এই সব শুনে লোকটি বলে'

-চাচি আপনার এই কু'ত্তা'র বাচ্ছাটি আর এই পৃথিবীতে নেই। একটি ট্রাক তার উপর দিয়ে চলে গিয়েছে। আপনার টাকার মেশিনটা চিরতরের জন্যে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। 

-কি বল্লেন।

-হ‍্যাঁ আপনার সন্তান মারা গিয়েছে। আমরা তার লাশটি দেশে পাঠাই দিতেছি। যদি পারেন রিসিভ করিয়েন আল্লাহ্ হাফেজ।

"লোকটির কথা শুনেই মা চিৎকার করে কান্না করতে থাকে। আর বলে আল্লাহ্ আমার সন্তান কে ফিরাই দাও।

"আহারে প্রবাস জীবন। পরিবারের মানুষ শুধুমাত্র টাকাই খোজে' এটা জানতে চায়না সে কেমন আছে। কেমন যাচ্ছে তার দিন।

"আর যাই হোক তাদের একটু মানসিক শান্তি দিয়েন?


শিকড় ছাঁটাই,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 শিকড় ছাঁটাই


টবের বহুবর্ষজীবী গাছের শিকড়ে টব ভরে যেতে পারে। টবের মাটির আয়তনের এক চতুর্থাংশের বেশি শিকড়ের আয়তন হলেই তা ছেঁটে কমিয়ে দেওয়া দরকার। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলা 

যায়, টবের মাটির গঠন হালকা হলে দুই তিন বছর অন্তর শিকড় ছাঁটাইয়ের প্রয়োজন হয়। পক্ষান্তরে, গঠন ভারী হলে শিকড় ছাঁটার প্রয়োজন হয় কম। শিকড় প্রধানত দুই ধরণের হয় মোটা 

ও ঝুরি। পর পর দুই তিনবার ঝুরি শিকড় ছাঁটার পর একবার মোটা শিকড় ছাঁটার প্রয়োজন হতে পারে। মোটা শিকড় ছাঁটা কিন্তু অপেক্ষাকৃত কঠিন।কারণ একটির বেশি মোটা শিকড় কাটা 

যাবে না। তাই কোনটি ও তার কতটুকু ছাঁটা হবে তা ঠিক করা সহজ নয়। কাজেই মোটা শিকড় ছাঁটার কাজটি বাদ দিতে পারলেই ভালো।শিকড় ছাঁটার জন্য আস্ত মাটির বলসহ গাছটিকে 

সাবধানে টব থেকে বের করে নিতে হবে। তারপর লম্বা ধারালো ছুরি বা কাঁচির সাহায্যে শিকড় ছেঁটে দিয়ে গাছটিকে পুনরায় সারমাটি দিয়ে যথারীতি টবে লাগাতে হবে। মোটা শিকড় কাঁটার 

প্রয়োজন হলে প্রথমে কাঁচি দিয়ে অল্প পরিমাণে ঝুরি শিকড় ছেঁটে দিতে হবে তারপর পেন্সিলের সাহায্যে খোঁচা দিয়ে বলের প্রায় অর্ধেক মাটি বের করে দিতে হবে। এখন মোটা শিকড়গুলির 

একটি বেছে নিয়ে কাণ্ড থেকে ১৫ সে.মি দূরে সিকেচার বা করাত দিয়ে কেটে বাদ দিতে হবে। কাটা স্থানে বোর্দো পেস্ট লাগানো উচিত যা ছত্রাক রোগ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করবে। 

এখন যথারীতি সারমাটি দিয়ে পুনরায় টবে গাছটিকে লাগাতে হবে।শিকড় ছাঁটার সঠিক সময় সম্বন্ধে সচেতন হতে হবে। পর্ণমোচী গাছের বেলায় পত্রমোচন ঘটার পর যখন পত্রমুকুল বের 

হতে শুরু করবে তখনই শিকড় ছাঁটা যাবে। অন্যান্য (চিরহরিৎ) গাছের ক্ষেত্রে তা বর্ষাঋতুর শুরুতে করা উচিত এবং শিকড় ছাঁটার সময় গাছের পাতার পরিমাণ যেন কম থাকে। এজন্য 

প্রয়োজন হলে শিকড় ছাঁটার আগে গাছের ডাল বা পাতা ছেঁটে দেওয়া উচিত। গাছের ডাল ছাঁটার মৌসুমেও ডাল ও শিকড় একই সময়ে ছাঁটা যায়।


ঝরা ফুলের ডাঁটি ছাঁটাই: 


ফুল ফুটে পাপড়ি ঝরে যাওয়ার পরই ফুলের ডাঁটি(মঞ্জুরী দণ্ড বা বোঁটা)-সহ ডালের ডগার কিছুটা ছেঁটে দিতে হয়। তবে যেটুকু কাটতে হবে তাতে দুই তিনটির বেশি পর্ব থাকা উচিত নয়। 

কাটার স্থান হবে একটি পাতার ১ সে.মি উপরে। এতে গাছের নতুন শাখা গজিয়ে পুনরায় শিগগির কুঁড়ি দেখা দেবে। তবে বীজের জন্য ফল পাওয়ার আশা করলে এ ধরনের ডগা কাটা বাদ 

দিতে হবে। এক্ষেত্রে ফল না ধরে যদি ফুলের বোঁটা শুকাতে থাকে তখনই ডগা ছেঁটে দেওয়া উচিত। এ ছাড়া রোগ-পোকার আক্রমণে কোনও ডাল যদি শুকিয়ে যায় বা স্বাভাবিক ডাল ছাড়ার 

ক্ষমতা হারায় তা কেটে বাদ দেওয়া উচিত।শুধু ফুলের বেলায় নয়, ফলের গাছের বেলায়ও তাই। ফল তুলে নেওয়ার পর ফলের বোঁটাসহ শাখার কিছুটা কেটে বাদ দিতে হয়।



তারাবি - জসীম উদ্‌দীন,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 তারাবি

- জসীম উদ্‌দীন

তারাবি নামাজ পড়িতে যাইব মোল্লাবাড়িতে আজ,

মেনাজদ্দীন, কলিমদ্দীন, আয় তোরা করি সাজ।

চালের বাতায় গোঁজা ছিল সেই পুরাতন জুতা জোড়া,

ধুলাবালু আর রোদ লেগে তাহা হইয়াছে পাঁচ মোড়া।

তাহারি মধ্যে অবাধ্য এই চরণ দুখানি ঠেলে,

চল দেখি ভাই খলিলদ্দীন, লুন্ঠন-বাতি জ্বেলে।

ঢৈলারে ডাক, লস্কর কোথা, কিনুরে খবর দাও।

মোল্লাবাড়িতে একত্র হব মিলি আজ সার গাঁও।


গইজদ্দীন গরু ছেড়ে দিয়ে খাওয়ায়েছে মোর ধান,

ইচ্ছা করিছে থাপপড় মারি, ধরি তার দুটো কান।

তবু তার পাশে বসিয়া নামাজ পড়িতে আজিকে হবে,

আল্লার ঘরে ছোটোখাটো কথা কেবা মনে রাখে কবে!

মৈজদ্দীন মামলায় মোরে করিয়াছে ছারেখার,

টুটি টিপে তারে মারিতাম পেলে পথে কভু দেখা তার।

আজকে জামাতে নির্ভয়ে সে যে বসিবে আমার পাশে,

তাহারো ভালর তরে মোনাজাত করিব যে উচ্ছাসে।

মাহে রমজান আসিয়াছে বাঁকা রোজার চাঁদের ন্যায়,

কাইজা ফেসাদ সব ভুলে যাব আজি তার মহিমায়।

ভুমুরদি কোথা, কাছা ছাল্লাম আম্বিয়া পুঁথি খুলে,

মোর রসুলের কাহিনী তাহার কন্ঠে উঠুক দুলে।

মেরহাজে সেই চলেছেন নবী, জুমজুমে করি স্নান,

অঙ্গে পরেছে জোছনা নিছনি আদমের পিরহান।

নুহু আলায়হুছালামের টুপী পরেছেন নবী শিরে,

ইবরাহিমের জরির পাগরী রহিয়াছে তাহা ঘিরে।

হাতে বাঁধা তার কোরান-তাবিজ জৈতুন হার গলে,

শত রবিশশী একত্র হয়ে উঠিয়াছে যেন জ্বলে।

বুরহাকে চড়ে চলেছেন নবী কন্ঠে কলেমা পড়ি,

দুগ্ধধবল দূর আকাশের ছায়াপথ রেখা ধরি।

আদম ছুরাত বামধারে ফেলি চলে নবী দূরপানে,

গ্রহ-তারকার লেখারেখাহীন ছায়া মায়া আসমানে।


তারপর সেই চৌঠা আকাশ, সেইখানে খাড়া হয়ে,

মোনাজাত করে আখেরী নবীজী দুহাত উর্ধ্বে লয়ে।

এই যে কাহিনী শুনিতে শুনিতে মোল্লা বাড়ির ঘরে,

মহিমায় ঘেরা অতীত দিনেরে টানিয়া আনিব ধরে।

"

মোর রসুলের ওফাত কাহিনী দিক সে বয়ান করি।

বিমারের ঘোরে অস্থির নবী, তাঁহার বুকের পরে,

আজরাল এসে আসন লভিল জান কবজের তরে।

আধ অচেতন হজরত কহে, এসেছ দোস্ত মোর,

বুঝিলাম আজ মোর জীবনের নিশি হয়ে গেছে ভোর

একটুখানিক তবুও বিমল করিবারে হবে ভাই!

এ জীবনে কোন ঋণ যদি থাকে শোধ করে তাহা যাই।

***

***

মাটির ধরায় লুটায় নবীজী, ঘিরিয়া তাহার লাশ,

মদিনার লোক থাপড়িয়া বুক করে সবে হাহুতাশ।

আব্বাগো বলি, কাঁদে মা ফাতিমা লুটায়ে মাটির পরে,

আকাশ ধরনী গলাগলি তার সঙ্গে রোদন করে।

এক ক্রন্দন দেখেছি আমরা বেহেস্ত হতে হায়,

হাওয়া ও আদম নির্বাসিত যে হয়েছিল ধরাছায়;

যিশু-জননীর কাঁদন দেখেছি ভেসে-র পায়া ধরে,

ক্রুশ বিদ্ধ সে ক্ষতবিক্ষত বেটার বেদন স্মরে।

আরেক কাঁদন দেখেছি আমরা নির্বাসী হাজেরার,

জমিনের পরে শেওলা জমেছে অশ্রু ধারায় তার;

সবার কাঁদন একত্রে কেউ পারে যদি মিশাবার,

ফাতিমা মায়ের কাঁদনের সাথে তুলনা মেলে না তার।


আসমান যেন ভাঙ্গিয়া পড়িল তাহার মাথায় হায়,

আব্বা বলিতে আদরিয়া কেবা ডাকিয়া লইবে তায়।

গলেতে সোনার হারটি দেখিয়া কে বলিবে ডেকে আর,

নবীর কনের কন্ঠে মাতাগো এটি নহে শোভাদার।

সেই বাপজান জনমের মত গিয়াছে তাহার ছাড়ি।

কোন সে সুদূর গহন আঁধার মরণ নদীর পাড়ি।

জজিরাতুল সে আরবের রাজা, কিসের অভাব তার,

তবু ভুখা আছে চার পাঁচদিন, মুছাফির এলো দ্বার।

কি তাহারে দিবে খাইবারে নবী, ফাতেমার দ্বারে এসে;

চারিটি খোরমা ধার দিবে মাগো কহে এসে দীন বেশে।

সে মাহভিখারী জনমের মত ছাড়িয়া গিয়াছে তায়,

আব্বাগো বলি এত ডাক ডাকে উত্তর নাহি হায়।

এলাইয়া বেশ লুটাইয়া কেশ মরুর ধূলোর পরে,

কাঁদে মা ফাতেমা, কাঁদনে তাহার খোদার আরশ নড়ে।

কাঁদনে তাহার ছদন সেখের বয়ান ভিজিয়া যায়,

গৈজদ্দীন পিতৃ-বিয়োগ পুন যেন উথলায়!

খৈমুদ্দীন মামলায় যারে করে ছিল ছারেখার,

সে কাঁদিছে আজ ফাতিমার শোকে গলাটি ধরিয়া তার।

মোল্লাবাড়ির দলিজায় আজি সুরা ইয়াসিন পড়ি,

কোন দরবেশ সুদূর আরবে এনেছে হেথায় ধরি।

হনু তনু ছমু কমুরে আজিকে লাগিছে নূতন হেন,

আবুবক্কর ওমর তারেখ ওরাই এসেছে যেন।

সকলে আসিয়া জামাতে দাঁড়াল, কন্ঠে কালাম পড়ি,

হয়ত নবীজী দাঁড়াল পিছনে ওদেরি কাতার ধরি।

ওদের মাথার শত তালী দেওয়া ময়লা টুপীর পরে,

দাঁড়াইল খোদা আরশ কুরছি ক্ষনেক ত্যাজ্য করে।


***


মোল্লাবাড়িতে তারাবি নামাজ হয় না এখন আর,

বুড়ো মোল্লাজি কবে মারা গেছে, সকলই অন্ধকার।

ছেলেরা তাহার সুদূর শহরে বড় বড় কাজ করে,

বড় বড় কাজে বড় বড় নাম খেতাবে পকেট ভরে।

সুদূর গাঁয়ের কি বা ধারে ধার, তারাবি জামাতে হায়,

মোমের বাতিটি জ্বলিত, তাহা যে নিবেছে অবহেলায়।

বচন মোল্লা যক্ষ্মা রোগেতে যুঝিয়া বছর চার,

বিনা ঔষধে চিকিৎসাহীন নিবেছে জীবন তার।

গভীর রাত্রে ঝাউবনে নাকি কন্ঠে রাখিয়া হায়,

হোসেন শহিদ পুঁথিখানি সে যে সুর করে গেয়ে যায়।

ভুমুরদি সেই অনাহারে থেকে লভিল শূলের ব্যথা,

চীৎকার করি আছাড়ি পিছাড়ি ঘুরিতে যে যথা তথা।

তারপর সেই অসহ্য জ্বালা সহিতে না পেরে হায়,

গলে দড়ি দিয়ে পেয়েছে শানি- আম্রগাছের ছায়।

কাছা ছাল্লাম পুঁথিখানি আজো রয়েছে রেহেল পরে,

ইদুরে তাহার পাতাগুলি হায় কেটেছে আধেক করে।

লঙ্কর আজ বৃদ্ধ হয়েছে, চলে লাঠিভর দিয়ে,

হনু তনু তারা ঘুমায়েছে গায়ে গোরের কাফন নিয়ে।


সারা গ্রামখানি থম থম করে স্তব্ধ নিরালা রাতে;

বনের পাখিরা আছাড়িয়া কাঁদে উতলা বায়ুর সাথে।

কিসে কি হইল, কি পাইয়া হায় কি আমরা হারালাম,

তারি আফসোস শিহরি শিহরি কাঁপিতেছে সারা গ্রাম।

ঝিঁঝিরা ডাকিছে সহস্র সুরে, এ মূক মাটির ব্যথা,

জোনাকী আলোয় ছড়ায়ে চলিছে বন-পথে যথা তথা।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০৫-০৩-২০২৪,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০৫-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:

সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে আধুনিক ও স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে - বিজিবি দিবস উপলক্ষে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


রাজধানীতে মেট্রোরেল চালুর পর গত বছরের জুন পর্যন্ত মোট আয় প্রায় ১৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা - জাতীয় সংসদে তথ্য প্রকাশ।


রমজানে রাজধানীতে ন্যায্য মূল্যে মাংস ও ডিম বিক্রি এবং ৫০ লাখ পরিবারকে সাশ্রয়ী মূল্যে চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।


চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান বরাদ্দের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


রাজধানীর বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠনে হাইকোর্টের নির্দেশ।


হাইতির একটি বড় কারাগারে সশস্ত্র অপরাধী চক্রের তাণ্ডবের পর ৭২ ঘণ্টার জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।


সিলেটে প্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশকে তিন রানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

গল্প  মনুষ্যত্ব  লেখক  জয়ন্ত_কুমার_জ

 অফিস কলিগ ৫ হাজার টাকা ধার নিলো।দেওয়ার নাম নেই।লজ্জায় চাইতেও পারিনা।উনি আমার সামনে দিব্যি ঘুরে বেড়ান।


হা হুতাশ করতে লাগলাম।টাকা যে বড্ড প্রয়োজন।মুখ ফুটে বলাও যাচ্ছে না লজ্জায়।চিন্তিত হয়ে বিছানায় শুয়ে আছি।রোজ অফিসে যে রিক্সায় যাই তিনি কল দিলেন।বললেন 


" স্যার,রিক্সার টায়ার ফেটে গ্যাছে।রিং ও বেঁকে গেছে।কাল সকালে আমি আসতে পারবো না।আপনি কষ্ট করে অন্য রিক্সায় যাইয়েন "


" আচ্ছা "


কল কে'টে দিলাম।রিক্সাওয়ালা কিছুক্ষণ পর আবার কল করলো।


" স্যার আপনারে খুব মুশকিলে ফেলে দিলাম!ছুডো ছেলেটা রিক্সা গর্তে ফেলে দিয়ে এই অবস্থা করছে "


" সমস্যা নাই।রিক্সা ঠিক করুন,আমি অন্য রিক্সায় যাবোনি এই কয়েকদিন "


" জি স্যার "


কল কাটার কিছুক্ষণ পর আবারো কল।বিরক্ত হয়ে বললাম " কিছু বলতে চাইলে সরাসরি বলো "


" স্যার আমার এক হাজার টাকার প্রয়োজন।দিন মজুর,রিক্সা ঠিক করার টাকা নাই।ঘরে ভাত পানি বন্ধ হয়ে গেছে "


" বাড়ি এসে নিয়ে যাও "


রিক্সাওয়ালা টাকা নিতে আসলো।টাকা দিলাম।মনে মনে ভাবলাম,অফিসের ভদ্রলোক কলিগ যখন টাকা ফেরত দেয়নি এই রিক্সাওয়ালাও দিবে না।টাকা নিয়ে রিক্সাওয়ালা বললো


" স্যার এক সপ্তাহের মধ্যে ফেরত দিবো "


চারদিনের দিন রিক্সাওয়ালা টাকা ফেরত দিলো।সাথে একটা পেঁয়ারা।হেসে বললো " স্যার,আপনে যে এই গরীবের কি যে উপকার করছেন!আপ্নে টাকাটা না দিলে রাস্তায় নামতে হইতো।আমার গাছের পেঁয়ারা স্যার,খান,খুব মিষ্টি "।পেঁয়ারা খাচ্ছি আর ভাবছি মনুষ্যত্ব জিনিসটা অন্যরকম।


আরো ছয় মাস কে'টে গেলো।কলিগ এখনো টাকা ফেরত দেয়নি।বুঝলাম দামী কাপড়,দামী পরিবেশে থেকেও অনেকে মনুষ্যত্বের অধিকারী হতে পারে না।


গল্প  মনুষ্যত্ব 

লেখক  জয়ন্ত_কুমার_জয় 


সামাজিক রোমান্টিক গল্প পেতে পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন। Nita Sha

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৮-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৮-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: হাওর অঞ্চলে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দে...