এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

আমের মুকুল ও গুটি ঝরা রোধে করণীয়,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমের মুকুল ও গুটি ঝরা রোধে করণীয়


আমের মুকুল ও গুটি ঝরা রোধে কী করবেন, সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস। এতে বলা হয়েছে, মাটিতে রসের অভাবে আমের গুটি ঝরে গেলে গাছের চার পাশে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। আমের গুটি মটরদানার মতো হলেই প্রথমে একবার গাছের গোঁড়ায় পানি দিতে হবে।


প্রথম সেচ দেওয়ার পর থেকে বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত ১৫ দিন পর পর সেচ দিতে হবে। অর্থাৎ আম গাছে ভরা মুকুলের সময় থেকে শুরু করে ১৫ দিন অন্তর অন্তর গাছের গোড়ায় চারবার সেচ দিতে হবে।


স্প্রের মাধ্যমে আম ঝরা রোধ>> আম ঝরা রোধের জন্য আমের গুটি মটরদানার মতো হলে প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া সার অথবা প্রতি লিটার পানিতে ৬ গ্রাম হারে বোরিক এসিড স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। স্প্রে আমের ওপর সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে করতে হবে।


>> প্রতি সাড়ে চার লিটার পানিতে দুই মিলিলিটার হারে প্লানোফিক্স হরমোন পানিতে মিশিয়ে আমের গুটিতে স্প্রে করলে গুটি ঝরা কমে যায়।


>> ফুল ফোটা অবস্থায় জিবেরেলিক অ্যাসিড প্রতি লিটার পানিতে ৫০ মিলিগ্রাম হারে স্প্রে করলেও আমের গুটি ঝরা কমে যায়।




ন্যাচারাল ফারমিং এ আমের পরিচর্যা করুন,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যাচারাল ফারমিং এ আমের পরিচর্যা করুন। 

ফুল আসার পর  তরল জিবাম্রুত  ১০ লিটার পানিতে ৩,৪ শ মিলি হারে স্প্রে করুন। 

ফল মটর দানার মতো হলে  আরার স্প্রে করুন। 

 ৩, ৪ দিন  পর আগ্নাস্র (পোকা তাড়ানোর জন্য)  স্প্রে করুন। ৭ দিন  পর আর-একবার। 

১৫ দিন পর পর  আবার জিবাম্রুত দিন   ২,৩ বার।

ফল ঝরা কমবে, পোকা হবে না, ফল বড় হবে। 


গাছে নালা না থাকলে রিং পদ্ধতি তে পানি দিন। 

গাছের গোরা খরকুটা, লতাপাতা দিয়ে ঢেকে দিন। 

নিচ থেকে  ২ হাত চুন দিয়ে দিন।

ইনশাআল্লাহ ভালো ফলন হবে। 


ন্যাচারাল ফারমিং বাংলাদেশ


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


করলা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সবজি

 করলা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সবজি। স্বাদে তিক্ত হলেও বাংলাদেশের সকলের নিকট এটি প্রিয় সবজি হিসেবে পরিচিত। ১০০ গ্রাম ভক্ষণ যোগ্য করলায় ১.৫-২.০ ভাগ আমিষ, ২০-২৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১.৮-২.০ মিলিগ্রাম লৌহ এবং ৮৮.৯৬ মিলিগ্রাম খাদ্যপ্রাণ সি আছে। 

 উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় করলা ভাল জন্মে। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে পরাগায়ন বিঘ্নিত হতে পারে। সব রকম মাটিতেই করলার চাষ করা যেতে পারে। জৈব সার সমৃদ্ধ দো-আঁশ বেলে দো-আঁশ মাটিতে ভাল জন্মে। 

 

জীবন কাল  

মোট জীবনকাল প্রায় চার থেকে সারে চার মাস। তবে জাত ও আবহাওয়াভেদে কোন কোন সময় কম বেশী হতে পারে। 


উৎপাদন মৌসুম

ফেব্র্বয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে যে কোন সময় করলার বীজ বোনা যেতে পারে। কেউ কেউ জানুয়ারী মাসেও বীজ বুনে থাকেন কিন্তু এ সময় তাপমাত্রা কম থাকায় গাছ দ্র্বত বাড়তে পারে না, ফলে আগাম ফসল উৎপাদনে তেমন সুবিধা হয় না। 


বীজের হার

করলা ও উচ্ছের জন্য হেক্টর প্রতি যথাক্রমে ৬-৭.৫ও ৩-৩.৫ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়। 


জমি তৈরী ও বপন পদ্ধতি 

উচ্ছে ও করলার বীজ সরাসরি মাদায় (৪০x৪০x৪০ সেমি) বোনা যেতে পারে। এৰেত্রে প্রতি মাদায় কমপক্ষে ২টি বীজ বপন অথবা পলিব্যাগে উৎপাদিত ১৫-২০ দিন বয়সের চারা রোপণ করতে হবে। উচ্ছের ক্ষেত্রে সারিতে ১.০ মিটার এবং করলার জন্য ১.৫ মিটার দূরত্বের মাদা তৈরী করতে হবে। মাদা বীজ বুনতে বা চারা রোপণ করতে হলে অন্তত: ১০ দিন আগে মাদা নির্ধারিত সার প্রয়োগ করে তৈরী করে নিতে হবে।          

 

ফসল সংগ্রহ ও ফলন

চারা গজানোর ৪৫-৪৫ দিন পর উচ্ছের গাছ ফল দিতে থাকে। করলার বেলায় প্রায় ২ মাস লেগে যায়।

স্ত্রীফুলের পরাগায়নের ১৫-২০ দিনের মধ্যে ফল খাওয়ার উপযুক্ত হয়।

ফল আহরণ একবার শুরু হলে তা দুমাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকে ফলন। উন্নত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করলে উচ্ছে ও করলার হেক্টর প্রতি ফলন যথাক্রমে ৭-১০ টন (৩০-৪০ কেজি/শতাংশ) এবং ২০-২৫ টন (৮০-১০০ কেজি/শতাংশ) পাওয়া যায়।

©® দেশবাংলা এগ্রো



টমেটো ফল ধরলে করনীয়:

 টমেটো ফল ধরলে করনীয়:


উপরের দিকের কয়েকটা পাতা রেখে 

নিচের দিকের সব পাতা ও সাকার কেটে ফেলতে হবে তাইলে ফলের সাইজ বড় হবে এবং ফলন বাড়বে।


এক চিমটি পান খাবার চুন পানিতে গুলে গোড়ার মাটিতে দিয়ে দিবেন  তাইলে টমেটো নিচ কালো হয়ে পঁচবে না।


কাটা সাকার(শাখা কান্ড) পানিতে ভিজিয়ে রেখে শিকড় গজিয়ে আবার চারা তৈরি করতে পারেন।


হ্যাপি গার্ডেনিং 


ছবি সংগৃহীত



কাকেইবো: টাকা জমানোর জাপানি কৌশল (১ম পর্ব),,,, city alo ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কাকেইবো: টাকা জমানোর জাপানি কৌশল

(১ম পর্ব)


টাকাপয়সা সামলানো জটিল কাজই মনে হয় আমাদের বেশিরভাগের কাছে। কেউ কেউ এ বিষয়ে সারাজীবনও সংগ্রাম করে যান। এর একটা কারণ, বেশিরভাগ সময়ই আমরা কাজটা করি কোনো নির্দিষ্ট পদ্ধতি ছাড়াই। 


অর্থাৎ, আপনার কাছে যদি এর কোনো কার্যকর কৌশল থাকে, মানি ম্যানেজমেন্ট অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। এই কাজকে সহজ করে তোলার অনেক উপায় আছে। তার মধ্যে একটি হল, জাপানি ‘কাকেইবো’ পদ্ধতি। 


জাপানিরা জীবনে শৃঙ্খলা আনতে নানান কৌশল অবলম্বন করে। এরকম কিছু কৌশলের কথা আমরা শুনে থাকবে। যেমন গত কয়েক বছরে আমরা ‘ওয়াবি-সাবি’ নামের জাপানি ধারণার কথা শুনেছি, যেটা শেখায় দৈনন্দিন জীবনের অপূর্ণতাকে মেনে নিতে। 


এই তালিকায় নতুন সংযোজন হিসেবে দেখে নিতে পারেন টাকা সঞ্চয়ের জাপানি কৌশল কাকেইবো। টাকা পয়সা সামাল দেওয়া বা গুছিয়ে তুলতে হিমশিম খেলে কাকেইবো আপনাকে সহজ পথ দেখাতে পারে। 

.


# কাকেইবো কী? 


জাপানি ভাষায় কাকেইবো (Kakeibo) এর অর্থ ‘পরিবারের আর্থিক হিসাব’। এই ধারণাটি তৈরি করেছিলেন জাপানের প্রথম নারী সাংবাদিক হানি মোতোকো, ১৯০৪ সালে। মোতোকোর বানানো এই ধারণাটি পাঠকদের অনেক পছন্দ হয়েছিল। এই পাঠকদের একটা বড় অংশ ছিলেন গৃহিণীরা, পরিবারের বাজেট বানানো যাদের দায়িত্ব ছিল। 


লেখক ফুমিকো চিবা ২০১৮ সালে যখন ‘কাকেইবো: দ্য জাপানিজ আর্ট অফ সেভিং মানি’ লেখেন, তখন এই ধারণাটি বাদবাকি বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।  


চিবা ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সঞ্চয়ের ব্যাপারে জাপানি সমাজে প্রচলিত প্রথাগত ধ্যানধারণা ও বিশ্বাস তুলে ধরে। জাপানি সমাজে টাকার সাথে উৎসবের বেশ ভাল সম্পর্ক আছে। বাচ্চারা ছুটির উপহার হিসেবে টাকা পায়। পছন্দের জিনিস কেনার জন্য এই টাকা জমিয়ে রাখার শিক্ষা দেওয়া হয় তাদের। ছোটবেলা থেকেই টাকাপয়সাকে গুরুত্ব দিতে শেখে তারা। 


বড়দের কাছেও টাকার গুরুত্ব কোনো অংশে কম না। অন্যান্য দেশের তুলনায়, জাপানে নগদ টাকার ব্যবহার বেশি। 


কাকেইবো পদ্ধতিতে একটা ডায়েরিতে সব রকমের আয় ও ব্যয়ের হিসাব লিখতে হয়, যাতে করে কোথায় অপ্রয়োজনীয় টাকা খরচ হচ্ছে তা দেখা যায়। বাজেটিং-এর অন্যান্য উপায়ের তুলনায় এই পদ্ধতি অনেকটা অভিনব। এটা আপনাকে টাকা খরচের আগে ভাবতে বাধ্য করে, কেন এই ক্ষেত্রে খরচ করছেন। 


এই পদ্ধতিতে সচেতনভাবে খরচের দিকে মনোযোগ দেয়া হয়, ফলে অপ্রয়োজনে খরচের পরিমাণ কমে। এখানে ধীরেসুস্থে নিজের ব্যয়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র না কিনে পছন্দের ও প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার দিকে গুরুত্ব দেয়া হয় বেশি। 


কাকেইবো এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা টাকাপয়সার সাথে আপনার সম্পর্ক কী তা ভাবতে উৎসাহ দেয়, কিছু কেনার আগে তা কেন কিনছেন, বুঝতে সাহায্য করে। 


তাহলে কাকেইবো কীভাবে কাজ করে?

.


১. একটি হিসাবের খাতা খুলুন


আমাদের হাতের কাছেই কাগজ-কলম থাকে। কাকেইবোর উৎপত্তি বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে, তাই হাতে লেখাকেই এই পদ্ধতিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বুলেট জার্নালেও কাজ হবে, তবে যেকোনো ধরনের খাতা বা ডায়েরি ব্যবহার করলেই চলবে। 

.


২. মাসিক আয় হিসাব করুন, পূর্ব নির্ধারিত খরচ বাদ দিন 


এই ধাপে ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারেন। পরিবারের হিসাব করার সময় পরিবারের সদস্যদের সাহায্য নিতে পারেন। কারণ অনেককিছুই আমাদের মনে থাকে না, তখন পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য পেলে হিসাব পরিপূর্ণভাবে করা যাবে।

.


৩. প্রতি মাসে সঞ্চয়ের একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন 


বাসা ভাড়া ও বাজার খরচের পর যে টাকা বাকি থাকবে, তা থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সঞ্চয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। 

.


৪. ব্যয়গুলিকে ক্যাটেগরিতে ভাগ করুন 


কাকেইবো ৪ ধরনের ব্যয় নির্ধারণ করে:


• প্রয়োজন: এখানে বাড়িভাড়া, বাজার খরচ, যাতায়াতের খরচ বা ঋণের কিস্তির মত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত। 

• চাহিদা: পছন্দের কিছু, যার আসলে তেমন প্রয়োজন নেই তা যাবে এই শ্রেণিতে। যেমন, বাইরে খাওয়া, শখের কাজ, বিনোদন ইত্যাদি। 

• সংস্কৃতি: সাংস্কৃতিক কাজে যেকোনো ধরনের ব্যয়, যেমন: বই, জাদুঘর বা কনসার্টের টিকেট, অনলাইন স্ট্রিমিং সার্ভিস ইত্যাদি এই খাতের অন্তর্ভুক্ত। 

• অপ্রত্যাশিত: মেডিকেল বিল বা বাড়ি রিপেয়ারের খরচ ইত্যাদি এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। 

.


৫. যা কিনছেন সবই আলাদা ক্যাটেগরির অন্তর্ভুক্ত করুন 


যখন যা কিনছেন, সবই উপযুক্ত ক্যাটেগরির নিচে লিখে ফেলুন। কত টাকা দিয়ে কিনেছেন তাও লিখুন। অনেকে মনে করেন, বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে সব ধরনের ব্যয় ভাগ করে নেওয়াটা কাকেইবোর সবচেয়ে কার্যকর দিক। 


কোনো কিছুকে ক্যাটেগরি অনুযায়ী আলাদা করতে গেলে তা নিয়ে কিছুক্ষণ ভাবতে হয়, যা হয়ত এমনিতে করা হত না। তাছাড়া চাহিদাকে প্রয়োজন থেকে আলাদা করতে অনেকেই হিমশিম খান। কোন ক্যাটেগরিতে টাকা বেশি খরচ হচ্ছে, তা যখন চোখের সামনে দেখতে পাবেন, তখন অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো সহজ হয়ে যাবে। 

.


৬. প্রতি সপ্তাহে বা মাসে ৪টি প্রশ্নের উত্তর দিন 


প্রতি মাসের শেষে নিজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করুন। মাসের শুরুতে নির্ধারণ করা লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছেন কিনা দেখুন। 


এতে করে কোন বিষয়গুলির দিকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে তা বুঝতে পারবেন। লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারলেও চেষ্টা করার জন্য নিজেকে বাহবা দিন। কোন দিকগুলিতে পরিবর্তন আনতে হবে তা বুঝতে নিজেকে এই প্রশ্নগুলি করুন। 


• এখন আমার কাছে কত টাকা আছে? 

• আমি কত টাকা সঞ্চয় করতে চাই? 

• এই মাসে কত টাকা ব্যয় করেছি? 

• কীভাবে আরও ভাল করা যায়? 


এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে হয়ত আপনার চোখে ধরা পড়ল, প্রতি মাসে বাইরের খাবারের পেছনে অপ্রয়োজনীয় অনেক টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে!

.


নিজের অগ্রগতি প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করলে কোথায় নগদ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে তা সহজেই বুঝতে পারবেন, ফলে কোনো পরিবর্তন আনা দরকার হলে তা করতে পারবেন। 

.


শেষ প্রশ্নটি ছিল, “কীভাবে আরও ভাল করা যায়?” এই প্রশ্নটি একটি উন্মুক্ত প্রশ্ন। নিজের ব্যয়ের অভ্যাস পর্যালোচনা করে এই প্রশ্নটির উত্তর দিন। 


আরো ভাল করা বা উন্নতি করার অর্থ এই না যে, ব্যয় কমানোর উপায় খুঁজে বের করতে হবে। বরং পছন্দের জিনিসের পেছনে বেশি টাকা খরচও আরো ভাল করার উদাহরণ হতে পারে। অথবা পছন্দের কিছু কিনতে বেশি সঞ্চয় যদি করেন সেটাও এক ধরনের অগ্রগতি। 


একই ভাবে, অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে বেশি টাকা ব্যয় না করাটা আরো ভাল করার উদাহরণ। কিংবা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির প্রস্তুতি হিসেবে কিছু টাকা জমিয়ে রাখাকেও অগ্রগতি হিসাবে দেখতে পারেন। 


এই পদ্ধতিতে টাকা কোথায় যাচ্ছে তার একটা পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়। যদি টাকা সঞ্চয় করা আপনার লক্ষ্য হয়, তাহলে বাজেটের কোন খাতগুলির জন্য তা সম্ভব হচ্ছে না তা বুঝতে পারবেন। 


তারপর, যা কিছু কিনছেন, সব লিখে রাখুন। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে কষ্টসাধ্য বলে মনে হতে পারে, তবে এই কাজটিকে সহজ করার জন্য নানারকম অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এমনকি এক্সেল শিটও ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন অন্তত একবার ব্যয়ের হিসাব লিখে রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে আপনার কাজ একদম সহজ হয়ে যাবে। তাছাড়া সহজেই নিজের ব্যয়ের ধরনও বুঝতে পারবেন। 


এই পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হল সঞ্চয় বাড়ানো। জাপানি কাকেইবোর হিসাবের খাতায় ‘সেভিংস পিগ’ ও ‘এক্সপেন্স উলফ’ এর লড়াই এর চিত্র আছে। নিজের হিসাবের খাতায়ও সৃজনশীল কোনো ছবি এঁকে নিতে পারেন, যা দেখে সঞ্চয়ের আগ্রহ বাড়বে। 


২য় পর্ব: https://tinyurl.com/3xnk2phv


কাকেইবো  টাকা  বাজেট



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

লাখ টাকার বাগান খায়  এক টাকার ছাগলে,  এই কথাটা আসলেই সত্যি,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 লাখ টাকার বাগান খায় 

এক টাকার ছাগলে, 

এই কথাটা আসলেই সত্যি, 

আপনার সারাজীবনের কষ্টে অর্জিত টাকা জলে যাওয়ার জন্য, আপনার ভুল ডিসিশনই যথেষ্ট,

একটা ছবি দিলাম,

মনে করেন আপনি ইঞ্জিনিয়ার সাহেব থেকে ড্রয়িং আনলেন, টাকা কম হোক বা বেশি হোক,

,

,

,

পরবর্তী কাজ শুরু করলেন, 

১. লে আউট দিলেন, ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে চেক দিলেন না, এখানে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়,

২. ফুটিং ঢালাই দিচ্ছেন,  ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে চেক দিলেন  না,এখানে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়,

৩. সর্ট কলাম ঢালাই দিচ্ছেন, ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে চেক দিলেন  না,এখানে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়,

৪. গ্রেডবীম ঢালাই দিচ্ছেন, ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে চেক দিলেন  না,এখানে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়,

৫. কলাম, ছাদ,সিঁড়ি, ঢালাই দিচ্ছেন, ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে চেক দিলেন  না,এখানে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়,

আচ্ছা মনে করেন, আপনি আপনার ছেলেকে একটা বড় ডাক্তার দেখালেন, ডাক্তার আপনাকে প্রেসক্রিপশন দিলো, কয়েকটি ওসুধ, আর ইনজেকশন, 

আপনি ওসুধ গুলো নিলেন, সবই ভালো ওসুধ,  ইনজেকশন ও ভালো, 

আপনি ওসুধ গুলো হয়তো পড়ে, ছেলেকে খাওয়ালেন, 

আর ইনজেকশন টা কি আপনি নিজেই দিবেন,নাকি ডাক্তার বা নার্স এর সহযোগিতা নিবেন?

যদি নিজেই দেয়ার চেষ্টা করেন, হয়তো ইনজেকশন টা রগে না পড়ে মাংসের মধ্যে পুস করে দিলেন। 

এতে কি সমস্যা হতে পারে আপনার হয়তো ধারোনাই নাই, 

রুগীর রোগ আরো বেড়ে যেয়ে মৃত্যুর শয্যায়  চলে যেতে পারে,,,,

এইবার আসেন আসল কথায়,,,, 

ইঞ্জিনিয়ার সাহেব আপনার স্থাপনায় কলাম,বীম,ফুটিং ইত্যাদি এইসবে আপনাকে ১:১.৫:৩ ঢালাই দিতে বললো, 

আপনি নিজের মতো করে বা সিরিয়াস ডিগ্রিধারী সর্বোচ্চ লেভেলের মারাত্মক এম.এমসি করা সুদক্ষ কন্ট্রাক্টর/ জনাব মিস্তিরি সাহেবের পরামর্শে হযবরল করে ১:২.৫:৫ ঢালাই দিয়ে দিলেন, 

ক্লাইন্ট সাহেব আপনি সঠিক অনুপাত এবং সঠিক রড বাইন্ডিং, সঠিক ল্যাপিং,সঠিক ক্লিয়ার কাভারিং না দেয়ার কারনে, আপনার যে বিল্ডিংয়ের কি পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে, আপনি যদি জানতেন, তাহলে হয়তো মিস্তিরি কে আপনি নিজেই বেস ঢালাই দিয়ে দিতেন,  

না হয় নিজেই বেস ঢালাই হয়ে যেতেন। 

আপনার সারাজীবনের রক্তের ঝরা টাকা, নিমেষেই জলে চলে যাবে,  

আপনার ভুল ডিসিশনে

আপনার প্রতিবেশি মানুষের কান কথায় 

আপনার পরিচিত অদক্ষ মিস্তিরি সাহেবের পরামর্শে

বিল্ডিং কঠিন বস্তুুর কাজ, করে ফেললে, চেঞ্জ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

::::


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

কল্পিত স্বর্ণদ্বীপের সন্ধান পেলেন সুমাত্রার জেলেরা?,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔺কল্পিত স্বর্ণদ্বীপের সন্ধান পেলেন সুমাত্রার জেলেরা?

"গত পাঁচবছর ধরে অবিশ্বাস্য সব মূল্যবান জিনিসপত্র উঠে আসছে। বিভিন্ন যুগের মুদ্রা, স্বর্ণ, বুদ্ধমূর্তি, রত্নপাথর সবই আছে। রূপকথা ভেবে সিনবাদের যত কাহিনী পড়েছেন, এসব দেখার পর সেগুলো সত্যি মনে হবে।"

১৪ শতকের কাছাকাছি সময় থেকেই বিলুপ্ত হতে থাকে সুমাত্রার ঐতিহাসিক শ্রীবিজয়া সাম্রাজ্য। ভিনদেশীদের কাছে শ্রীবিজয়া ছিল স্বর্ণদ্বীপ। স্বর্ণের সন্ধানে বহু অভিযাত্রী এদেশে পাড়ি জমালেও শেষ পর্যন্ত নিরাশ হন। সাম্রাজ্যের সঙ্গেই ধীরে ধীরে মলিন হতে থাকে স্বর্ণদ্বীপের উপাখ্যান।


তবে, কয়েক শতাব্দী পর মাছ ধরতে গিয়ে যেন সেই স্বর্ণদ্বীপেরই সন্ধান পেয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় পালেমবাঙের কাছে জলের নিচে সমুদ্র তলদেশে মিলছে পুরাকীর্তির সন্ধান। আর সেগুলো উদ্ধারে রাতের বেলা যথাযথ ব্যবস্থা ছাড়া ঝুঁকি নিয়েই ডুবুরি হিসেবে অভিযানে নামেন জেলেরা।


জেলেদের পাওয়া নিদর্শনগুলোর মধ্যে রয়েছে অষ্টম শতাব্দীর রত্নখচিত বুদ্ধমূর্তি থেকে শুরু করে রাজকীয় মহামূল্যবান সব গহনা।


ব্রিটিশ সামুদ্রিক প্রত্নতত্ত্ববিদ ড. সিন কিংসলে বলেন, "গত পাঁচবছর ধরে অবিশ্বাস্য সব মূল্যবান জিনিসপত্র উঠে আসছে। বিভিন্ন যুগের মুদ্রা, স্বর্ণ, বুদ্ধমূর্তি, রত্নপাথর সবই আছে। রূপকথা ভেবে সিনবাদের যত কাহিনী পড়েছেন, এসব দেখার পর তা সত্যি মনে হবে।"


শ্রীবিজয়া এক 'জলজ নগরী' ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আধুনিক নৌকাবাসীদের মতোই শ্রীবিজয়ার মানুষ নদীর ওপর বসতি গড়েছিল। প্রাচীন গ্রন্থানুসারে, যখন এই সভ্যতার শেষ হয়, তখন তাদের কাঠের বাড়ি, প্রাসাদ, মন্দির এবং সরঞ্জামাদি সব ডুবে যায়।


সুমাত্রার আধুনিক দ্বীপবাসীরাই শ্রীবিজয়ার রহস্য উন্মোচিত করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


সে সময় স্থল ও জলপথে চীন, আরব ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যকার প্রধান বাণিজ্যপথ ছিল সিল্ক রোড। সমুদ্রে সিল্ক রোডের প্রধান জলপথগুলো নিয়ন্ত্রণ করত শ্রীবিজয়া।


কিংসলে বলেন, "অষ্টম শতাব্দীতে যখন পশ্চিম ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অন্ধকার যুগ শুরু হয়, তখন দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার মানচিত্রে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী একটি সাম্রাজ্যের আবির্ভাব ঘটে। ৩০০ বছরের বেশি সময় ধরে শ্রীবিজয়ার শাসকরা মধ্যপ্রাচ্য ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্যপথ নিয়ন্ত্রণ করে। শ্রীবিজয়া আন্তর্জাতিক উৎপাদন ব্যবস্থার প্রধান সংযোগস্থলে পরিণত হয়। এখানকার বিত্তবান সম্রাটরা কিংবদন্তীতে পরিণত হন।"


অর্থবিত্ত ক্ষমতায় সমৃদ্ধ এই সাম্রাজ্যের পতন কীভাবে ঘটল তা আজও পরিষ্কারভাবে জানা যায় না। কিংসলের ধারণা পম্পেইয়ের মতো ইন্দোনেশিয়ার আগ্নেয়গিরিতেই ধ্বংস হয়েছিল এই সাম্রাজ্য। উত্তাল নদীও যে পুরো শহরকে গ্রাস করে থাকতে পারে, সেই সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।


তবে, আনুষ্ঠানিক প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান শুরু না হলে এই প্রশ্নগুলোও হারিয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন। জেলেরা এখন যেসব পুরাকীর্তি নিদর্শন উদ্ধার করছে তা প্রত্নতত্ত্ববিদরা কিনে নেন। শেষ পর্যন্ত তা অ্যান্টিক ব্যবসায়ীদের হাতে পৌঁছায়। অন্যদিকে, জেলেরাও ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে সমুদ্রে ডুবুরি অভিযান চা্লায়।


কিংসলে বলেন, "পৃথিবী থেকে তারা হারিয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক অ্যান্টিক বাজারে হারিয়ে গেছে তাদের পুরাকীর্তি নিদর্শন। শ্রীবিজয়ার উত্থান ও হারিয়ে যাওয়ার গল্পগুলো নতুন করে বলার আগেই আবারও বিলীন হতে চলেছে।"


সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


https://arkeonews.net/sumatran-fishing-crews-may-have-found-the-legendary-gold-island-in-the-mud-of-the-indonesian-river/?fbclid=IwAR01grrJPyJbXt3S-ZGUyH3rsExrcpYUn0UaUPNZlmNhzXsOUaRehyVm3Z4


TBS বাংলা


Stay Curious SIS 

Siddiqui's International School


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০৭-০৩-২০২৪,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০৭-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:


আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ - বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ স্মরণে নানা কর্মসূচিতে পালিত হচ্ছে দিনটি।


রমজানকে সামনে রেখে খাদ্য মজুদ ও জাল টাকার বিরুদ্ধে অভিযান আরো জোরদারে র‌্যাবের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।


জনগণের কাছে গিয়ে তাদের জন্য কাজ করতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি শেখ হাসিনার আহ্বান।


বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান।


দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকদের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের নির্দেশনা ভূমিমন্ত্রীর।


ইউক্রেনে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক শহরে হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত।


সিলেটে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো বাংলাদেশ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

মাঠের আল, ধানক্ষেতের ধারে ধারে  জন্মানো, বর্ষাশেষে নজরে আসা বর্ষজীবী এই গাছটি আমাদের খুব‌ই পরিচিত।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাঠের আল, ধানক্ষেতের ধারে ধারে  জন্মানো, বর্ষাশেষে নজরে আসা বর্ষজীবী এই গাছটি আমাদের খুব‌ই পরিচিত। শীতে, সবুজ ফাঁপা নলাকৃতি কাণ্ডের গোড়ার দিকে  ফুল ও ফল ধরে। ধূসর-বাদামী রঙের বীজাধারে, অনেকটা নটেবীজের মতো অসংখ্য বীজদানা জন্মায়।      

     দানাগুলো ভাজলে নাকছাবির মতো খৈ হয়, যা খুব‌ই পুষ্টিকর। পেটখারাপ, বিবমিষা সারাতে ও  স্নায়ু সতেজ করাসহ সমগ্ৰ গাছের‌ই বহু ভেষজগুণ‌ আছে, যা একসময় লোকায়তভাবে ব্যবহৃত হতো। এর বীজ অত্যন্ত বলদায়ক ও পুষ্টিবিধানকারী। গাছটির নাম চেঁচড়া/চিঁচড়া/চেঁচকো/ পটপটি ইত্যাদি। বৈজ্ঞানিক নাম – Schoenoplectiella articulata.

     আসুন, আপনাদের কাছ থেকে অঞ্চলভেদে চেঁচড়ার বিভিন্ন নাম, উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি জানার চেষ্টা করি। সমৃদ্ধ হোক এই সামান্য প্রতিবেদন।

                    সৌরেন্দুশেখর বিশ্বাস

                         ০৫/০৩/২০২৪



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


কি মর্মান্তিক!!,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কি মর্মান্তিক!!


হারিয়ে যাওয়া কয়েকটি খাতা! আর তাতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। সময় নষ্ট না করে বিশেষ দলও তৈরি করে ফেলেছিল কলকাতা পুলিশ। তন্নতন্ন করে খুঁজে শেষপর্যন্ত কলেজস্ট্রীট বই পাড়ায় পুরোনো বইয়ের দোকান থেকে উদ্ধার হয়েছিল কয়েকটি খাতা। তাও সবকটা না। বইয়ের দোকানদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পৌঁছে গেছিল বইপাড়ারই এক মুদি দোকানে। সেখানে দেখা গেল হারানো খাতার পৃষ্ঠা ছিঁড়ে তৈরী ঠোঙায় জিরে, সরষে বিক্রি করছেন ঐ দোকানদার। তিনি জানালেন সাত কিলো ওজনের কাগজপত্র তিনি কিনেছিলেন সাড়ে বারো টাকায়। শেষপর্যন্ত যেটুকু অক্ষত ছিল উদ্ধার হল। যিনি খাতা হারানোর অভিযোগ করে ছিলেন, হারানো জিনিষ উদ্ধারের খুশিতে পুলিশকর্তাকে নিজের বাবার লেখা একটি বই উপহার দিয়েছিলেন। বইয়ের নাম রুপসী_বাংলা। কবির নাম জীবনানন্দ_দাশ। বইয়ের উপরে লেখা ছিল ‘কৃতজ্ঞতার সাথে মঞ্জুশ্রী দাশ’। ১০ই সেপ্টেম্বর ১৯৮০। 


শহরের প্রাণঘাতী ট্রামলাইনে তাঁর পথ চলা থেমেছিল, কিন্তু আবহমানের শব্দস্রোত থামেনি। ছড়িয়ে পড়েছে দুই বাংলার বিস্তীর্ণ চরাচরে।


“সব পাখি ঘরে আসে — সব নদী”

আসেন না জীবনানন্দ। 

বিনম্র শ্রদ্ধা 🙏


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...