এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০৭-০৩-২০২৪,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০৭-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:


আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ - বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ স্মরণে নানা কর্মসূচিতে পালিত হচ্ছে দিনটি।


রমজানকে সামনে রেখে খাদ্য মজুদ ও জাল টাকার বিরুদ্ধে অভিযান আরো জোরদারে র‌্যাবের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।


জনগণের কাছে গিয়ে তাদের জন্য কাজ করতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি শেখ হাসিনার আহ্বান।


বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান।


দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকদের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের নির্দেশনা ভূমিমন্ত্রীর।


ইউক্রেনে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক শহরে হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত।


সিলেটে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো বাংলাদেশ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

মাঠের আল, ধানক্ষেতের ধারে ধারে  জন্মানো, বর্ষাশেষে নজরে আসা বর্ষজীবী এই গাছটি আমাদের খুব‌ই পরিচিত।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাঠের আল, ধানক্ষেতের ধারে ধারে  জন্মানো, বর্ষাশেষে নজরে আসা বর্ষজীবী এই গাছটি আমাদের খুব‌ই পরিচিত। শীতে, সবুজ ফাঁপা নলাকৃতি কাণ্ডের গোড়ার দিকে  ফুল ও ফল ধরে। ধূসর-বাদামী রঙের বীজাধারে, অনেকটা নটেবীজের মতো অসংখ্য বীজদানা জন্মায়।      

     দানাগুলো ভাজলে নাকছাবির মতো খৈ হয়, যা খুব‌ই পুষ্টিকর। পেটখারাপ, বিবমিষা সারাতে ও  স্নায়ু সতেজ করাসহ সমগ্ৰ গাছের‌ই বহু ভেষজগুণ‌ আছে, যা একসময় লোকায়তভাবে ব্যবহৃত হতো। এর বীজ অত্যন্ত বলদায়ক ও পুষ্টিবিধানকারী। গাছটির নাম চেঁচড়া/চিঁচড়া/চেঁচকো/ পটপটি ইত্যাদি। বৈজ্ঞানিক নাম – Schoenoplectiella articulata.

     আসুন, আপনাদের কাছ থেকে অঞ্চলভেদে চেঁচড়ার বিভিন্ন নাম, উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি জানার চেষ্টা করি। সমৃদ্ধ হোক এই সামান্য প্রতিবেদন।

                    সৌরেন্দুশেখর বিশ্বাস

                         ০৫/০৩/২০২৪



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


কি মর্মান্তিক!!,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কি মর্মান্তিক!!


হারিয়ে যাওয়া কয়েকটি খাতা! আর তাতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। সময় নষ্ট না করে বিশেষ দলও তৈরি করে ফেলেছিল কলকাতা পুলিশ। তন্নতন্ন করে খুঁজে শেষপর্যন্ত কলেজস্ট্রীট বই পাড়ায় পুরোনো বইয়ের দোকান থেকে উদ্ধার হয়েছিল কয়েকটি খাতা। তাও সবকটা না। বইয়ের দোকানদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পৌঁছে গেছিল বইপাড়ারই এক মুদি দোকানে। সেখানে দেখা গেল হারানো খাতার পৃষ্ঠা ছিঁড়ে তৈরী ঠোঙায় জিরে, সরষে বিক্রি করছেন ঐ দোকানদার। তিনি জানালেন সাত কিলো ওজনের কাগজপত্র তিনি কিনেছিলেন সাড়ে বারো টাকায়। শেষপর্যন্ত যেটুকু অক্ষত ছিল উদ্ধার হল। যিনি খাতা হারানোর অভিযোগ করে ছিলেন, হারানো জিনিষ উদ্ধারের খুশিতে পুলিশকর্তাকে নিজের বাবার লেখা একটি বই উপহার দিয়েছিলেন। বইয়ের নাম রুপসী_বাংলা। কবির নাম জীবনানন্দ_দাশ। বইয়ের উপরে লেখা ছিল ‘কৃতজ্ঞতার সাথে মঞ্জুশ্রী দাশ’। ১০ই সেপ্টেম্বর ১৯৮০। 


শহরের প্রাণঘাতী ট্রামলাইনে তাঁর পথ চলা থেমেছিল, কিন্তু আবহমানের শব্দস্রোত থামেনি। ছড়িয়ে পড়েছে দুই বাংলার বিস্তীর্ণ চরাচরে।


“সব পাখি ঘরে আসে — সব নদী”

আসেন না জীবনানন্দ। 

বিনম্র শ্রদ্ধা 🙏


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


রবীন্দ্রনাথ ও মৃণালিনীর সন্তান ছিলেন পাঁচ জন,,,,,,,ফেইসবুক থেক নেওয়া

 ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর (২৪ অগ্রহায়ণ, ১২৯০ বঙ্গাব্দ) ঠাকুরবাড়ির অধস্তন কর্মচারী বেণীমাধব রায়চৌধুরীর কন্যা ভবতারিণীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের বিবাহ সম্পন্ন হয়।বিবাহিত জীবনে ভবতারিণীর নামকরণ হয়েছিল মৃণালিনী দেবী (১৮৭৩–১৯০২ )।


 রবীন্দ্রনাথ ও মৃণালিনীর সন্তান ছিলেন পাঁচ জন: 

মাধুরীলতা (১৮৮৬–১৯১৮),

রথীন্দ্রনাথ (১৮৮৮–১৯৬১), 

রেণুকা (১৮৯১–১৯০৩), 

মীরা (১৮৯৪–১৯৬৯) এবং

 শমীন্দ্রনাথ (১৮৯৬–১৯০৭)।

দুঃখজনক ঘটনা হলো এঁদের মধ্যে অতি অল্প বয়সেই রেণুকা ও শমীন্দ্রনাথের মৃত্যু ঘটে।


ছবি: 

স্ত্রী মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ, ১৮৮৩



এনহেদুয়ান্না: বিশ্বের প্রাচীনতম লেখক?,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এনহেদুয়ান্না: বিশ্বের প্রাচীনতম লেখক?


খ্রীষ্টের জন্মের দুই হাজার তিনশ বছর আগে মেসোপটেমিয়ায় বসবাস করতেন কবি এনহেদুয়ান্না। তাকে পৃথিবীর প্রাচীনতম কবি মনে করা হয়। অলঙ্কারশাস্ত্র ও আত্মজীবনী প্রচলনের কৃতিত্বও দেয়া হয় তাকে। তিনি ছিলেন আক্কাদিয়ান রাজা সারগনের কন্যা। 


তার কবিতার পাণ্ডুলিপি পাওয়া গেছে খ্রীষ্টপূর্ব ১৮ শতাব্দীর, অর্থাৎ প্রাচীন ব্যাবিলনীয় যুগের পাঠশালা থেকে। সময়ের এই পার্থক্যের কারণে এই কবিতাগুলি আসলেই তার লেখা কিনা এ নিয়ে সন্দেহ আছে অনেক গবেষকের। 


প্রায় ৫ হাজার বছর আগে, মেসোপটেমিয়ার সুমের অঞ্চলের বাসিন্দারা কুনিফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন। কুনিফর্ম পৃথিবীর প্রাচীনতম লিখন পদ্ধতি, এর প্রচলন ছিল মধ্যপ্রাচ্যে। কুনিফর্মের আবির্ভাবের প্রায় এক হাজার বছর পর এনহেদুয়ান্না নামের একজন নারী লেখক এই পদ্ধতিকে নতুনভাবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। 


তার অনন্য লেখনী উত্তম পুরুষে (আমি আমি করে) লেখালেখির প্রাচীনতম উদাহরণ। ধারণা করা হয়, নিজের লেখকত্ব দাবি করা প্রথম লেখক তিনি। সব ধরনের ইতিহাসে প্রথম লেখক হিসেবে নাম আসে মেসোপটেমিয়ার কবি, রাজকন্যা ও ধর্মযাজিকা এনহেদুয়ান্নার। 


১৯২৭ সালের আগে আধুনিক সভ্যতাগুলির কাছে এনহেদুয়ান্না ছিল এক অজানা নাম। ১৯২৭ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার লিওনার্ড উলি তার নামযুক্ত বেশ কিছু বস্তু খনন করেন। সুমেরীয় ভাষায় তার নামের অর্থ ‘স্বর্গের গহণা’’। চন্দ্রদেবী নান্না-সুয়েনের প্রধান পুরোহিত এনহেদুয়ান্না ৪২টি স্তোত্র ও ৩টি কবিতা লেখেন। 


গবেষকরা কয়েক যুগ পর তার লেখনীর স্বীকৃতি দেন, যদিও অনেকে এখনও তার লেখকত্বের ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেন। গবেষকদের যারা বিশ্বাস করেন কবিতাগুলির লেখক তিনি, তাদের মতে এই লেখনীগুলির মধ্যে তার ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন ঘটেছে। যেগুলি তার মৃত্যুর বহু বছর পরও প্রাসঙ্গিকতা হারায়নি। 


এনহেদুয়ান্নার জন্ম মেসোপটেমিয়ায় (বর্তমান ইরাক), খ্রিস্টপূর্ব ২৩ শতাব্দীতে। তিনি রাজা সারগনের কন্যা ছিলেন। রাজা সারগন ছিলেন আক্কাদিয়ান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা, এই রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুমেরীয় প্রজাদেরকে একজন শাসকের নেতৃত্বে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছিল। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন সারগন বিশ্বের প্রথম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ধর্মযাজিকা হওয়ার পাশাপাশি, রাজকন্যা হিসেবে রাজনৈতিক ক্ষমতাও ছিল এনহেদুয়ান্নার।


বিশেষ করে, আক্কাদের উত্তর মেসোপটেমিয়ান অঞ্চলকে একত্রিত করায় এনহেদুয়ান্নার ভূমিকা অনস্বীকার্য। এই উত্তরাঞ্চলেই তার বাবা সারগন প্রথম ক্ষমতায় আসেন, পরবর্তীতে দক্ষিণাঞ্চলের সুমেরীয় শহরগুলি দখল করে নেন। 


সুমেরীয় দেবী ইনানার সাথে আক্কাদিয়ান দেবী ইশতারের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার অনুষ্ঠানের সমন্বয় ঘটানোর মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয় জয় করে নেন, যাতে অনেক বড় ভূমিকা রাখেন এনহেদুয়ান্না। পুরো সাম্রাজ্যে একটি সাধারণ ধর্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে সাহায্য করেন তিনি। তার স্তোত্র ও কবিতায়ও এই সমন্বয়ের বিষয়টি দেখা যায়। 


এনহেদুয়ান্না দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ার ৪২টি মন্দিরের জন্য স্তোত্র লেখেন, এগুলির প্রত্যেকটিতে তিনি দেবীর নানারকম গুণাবলির কথা তুলে ধরেন ভক্তদের কাছে। তার মৃত্যুর কয়েকশ বছর পরেও মন্দিরগুলিতে এই স্তোত্র পাঠ করা হত।


প্রাচীন ব্যাবিলনিয়ান লিপিগুলির মধ্যে ৫টি কবিতা এনহেদুয়ান্নার লেখা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। এই কবিতাগুলির মধ্যে আছে: ইনানার উচ্ছ্বাস, ইনানার স্তোত্র, মন্দিরের স্তোত্র ও ২টি আংশিক কবিতা। কয়েকজন আধুনিক গবেষকের মতে, এনহেদুয়ান্না ‘ইনানা’ ও ‘এবিহ’ নামের দুটি কবিতাও লিখেছেন। 


‘দ্য এক্সলটেশন’ এ ইনানাকে যুদ্ধের দেবী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এনহেদুয়ান্না তার নিজের দুর্দশার বর্ণনা দেন সেখানে। 


এরপরে শুরু হয় এনহেদুয়ান্নার সংগ্রামের জীবন। বিদ্রোহী রাজা লুগাল-আনে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেন ও তাকে নির্বাসনে পাঠান। এনহেদুয়ান্না ইনানার কাছে সাহায্য চেয়ে প্রার্থনা করার চেষ্টা করেন, কিন্তু কোনো ভাষা খুঁজে পান না। তার প্রশংসনীয় বাকপটুতা হারিয়ে যায়। এই কবিতার পরিণতির মুহূর্তে রাত্রিকালীন এক আচার অনুষ্ঠানের সময় দেবী ইনানার ঐন্দ্রজালিক দর্শন পান এনহেদুয়ান্না। তিনি তার কাব্যিক ক্ষমতা ফিরে পান ও এই স্তোত্র রচনা করেন। 


‘দ্য হাইম’ সুমেরীয় ভাষায় দেবী ইনানাকে উদযাপনের মৌলিক স্তোত্র। এর ভাষা ‘এক্সলটেশন’ এর তুলনায় অনেক সাহসী। এই স্তোত্রে, ইনানাকে মহাবিশ্বের নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়, দেবলোকের অন্যান্য দেবদেবীর তুলনায় বেশি শক্তিশালী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই স্তোত্রে ইনানার সব ধরনের গুণাবলি ও ক্ষমতার কথা উল্লেখ করা হয়।


‘দ্য টেম্পল হাইম’ সুমেরের বিভিন্ন মন্দিরকে উৎসর্গ করা মোট ৪২টি স্তোত্রের সংগ্রহ। এসব স্তোত্রে মন্দিরের নানা দেবদেবীদের উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে, মন্দিরগুলি যে শহরে অবস্থিত সেসব শহরকে উৎসর্গ করে লেখা হয়েছে। একসাথে মিলে এই স্তোত্রগুলি সুমেরীয় সভ্যতার এক কাব্যিক চিত্র তুলে ধরে। 


দুটি আংশিক কবিতায় এনহেদুয়ান্নার নাম আছে, তবে এর একটি এতটাই বিচ্ছিন্ন যে তেমন কিছু বোঝা যায় না। আরেকটি দেবতা নানাকে উদ্দেশ্য করে লেখা, এনহেদুয়ান্না নিজে যার প্রধান পুরোহিত ছিলেন। এই কবিতায় তার মন্দিরের মহিমা ও তার খাবার প্রস্তুতির বর্ণনা পাওয়া যায়। 


সারগন এনহেদুয়ান্নাকে চন্দ্রদেবতা নানার প্রধান পুরোহিত হিসেবে নিয়োগ দেন। তার মন্দির ছিল সুমেরের উর শহরে।


তিনি লেখেন:


সে আমাকে কাঁটার ওপর হাঁটতে বাধ্য করেছে

সে আমার পবিত্র কর্মস্থলের রাজমুকুট ছিনিয়ে নিয়েছে 

সে আমাকে একটি ছুরি দিয়ে বলেছে, “তোমার জন্য এটাই ঠিক আছে।”


এটি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লেখা।


‘দ্য এক্সলটেশন অফ ইনানা’য় এনহেদুয়ান্না লেখেন, তিনি প্রধান পুরোহিতের পদ ফিরে পেয়েছেন, এর কৃতিত্ব দেন ইনানাকে। এই কবিতায় তিনি নিজের সৃজনশীল প্রক্রিয়ারও বর্ণনা দেন: 


‘আমি জন্ম দিয়েছি, 

হে মহিমান্বিত নারী, (এই গানটি) তোমার জন্য। 

(মধ্য) রাতে আমি এটি আবৃত্তি করেছি 

আশা করি দুপুরে গায়কেরা তোমার উদ্দেশ্যে এটি আবার গাইবে!’ 


‘টেম্পল হাইম’ এর লেখকত্ব দাবি করেন এনহেদুয়ান্না। তিনি লেখেন, 


‘এই শীলালিপিটির সমন্বয়ক এনহেদুয়ান্না। প্রভু, এখানে যা সৃষ্টি করা হয়েছে, তা আগে কেউ কখনও করে নি।’ 


বিশ্লেষক ও এনহেদুয়ান্নার অনুবাদক বেটি ডি শং মিডোর তার বই ‘প্রিন্সেস, প্রিস্টেস, পোয়েট’ এ লেখেন, “এসব স্তোত্রে আমরা একজন প্রতিভাধর কবির কণ্ঠস্বর শুনতে পাই। তিনি অকপটে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন দিক, সতর্কতা ও দেবদেবীদের প্রকৃতি ও তাদের মন্দিরের কথা তুলে ধরেছেন। তার চারপাশে সক্রিয়, আকর্ষণীয় ও অনিয়ন্ত্রিত ঐশ্বরিক সত্তার কথা তুলে ধরেছেন।” 


এই কবিতাগুলি থেকে এনহেদুয়ান্নার গাণিতিক জ্ঞানের পরিচয়ও পাওয়া যায়। ঐতিহাসিকদের মতে, গণিতের সূচনা হয়েছিল মেসোপটেমিয়ায়, সেদিক বিবেচনায় এটি খুব একটা বিস্ময়কর না। কুনিফর্ম ও অন্যান্য প্রাচীন লেখার সূচনাও মেসোপটেমিয়ান সভ্যতায়ই হয়েছিল। লেখা ও গণনার পদ্ধতি সম্ভবত মেসোপটেমিয়ার সক্রিয় কৃষি ও টেক্সটাইল নির্ভর অর্থনীতির কারণেই আবিষ্কৃত হয়েছিল। কারণ, কৃষক ও বণিকরা কী কী পণ্য উৎপাদিত হয়েছে তা গণনা করতেন, কী কেনাবেচা হচ্ছে তা রেকর্ড করতেন। 


আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৪০০ অব্দে শুরু হওয়া এই সময়কালে মেসোপটেমিয়ার শহর অঞ্চলের ব্যাপক বৃদ্ধি হয়েছে, সারা দেশ ও অঞ্চলে পণ্য উৎপাদন ও বাণিজ্যের প্রচলন হয়েছে। বাণিজ্যের প্রসার হওয়া মানে প্রচুর কর্মীর প্রয়োজন হত, যাদের অনেকেই ছিলেন নারী। সাধারণ গৃহস্থালির কাজ ও ধর্মীয় দায়িত্বের বাইরে গিয়ে নারীরা এই দায়িত্ব পালন করতেন। তারা নানারকম বাণিজ্যের সাথে যুক্ত ছিলেন। যেমন সিরামিকস, কাপড় বোনা, বেকিং, পশুপালন, নানারকম পানীয় বানানো ও কারুশিল্প ইত্যাদি। 

 

২০২২ সালের অক্টোবর মাসে, ‘দ্য মরগান লাইব্রেরি ও মিউজিয়াম’ এ এই যুগান্তকারী নারীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীর নাম ছিল, “যে নারী লিখতেন: এনহেদুয়ান্না ও মেসোপটেমিয়ার নারীরা, সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব ৩৪০০-২০০০ অব্দ।” এখানে প্রাচীন ভাস্কর্য, ত্রাণ ও কুনিফর্ম শিলালিপির মাধ্যমে নারীদের ধর্মীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। এই অভিজ্ঞতাগুলির সাথে সমসাময়িক নারীরাও অনেক মিল খুঁজে পাবেন। 


এর আগে, প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার নারীদের জীবন নিয়ে বড় কোনো প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়নি। এই প্রদর্শনীর চিত্রকর্মগুলি এসেছে লন্ডন, বার্লিন, প্যারিস ও অন্যান্য জায়গা থেকে। এসব চিত্রকর্ম থেকে তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। 


এসব ছবিতে নারীদের পশুপালন, মাটির তৈজসপত্র তৈরি, তাঁতের কাজ করতে দেখা গেছে। এছাড়া মন্দিরে নারীদের উপস্থিতি, পুরুষ সেবকদের দিকনির্দেশনা দিতে দেখা গেছে। একটি ছবিতে দেখা গেছে একজন লোক তার জমি তার কন্যার হাতে তুলে দিচ্ছেন। 


এই প্রদর্শনীতে এনহেদুয়ান্নার ডিস্ক; তার ভৃত্যদের সিলিন্ডারের সিল ও ‘দ্য এক্সলটেশন অফ ইনানা’ লেখা একটি শিলালিপি দেখা যায়। এই শিলালিপিতে আরও কিছু সূক্ষ্ম খোদাই দেখা গেছে। এগুলি সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত পাওয়া না গেলেও ধারণা করা হয় এগুলি এনহেদুয়ান্নার ছবি, যেখানে দেবদেবীদের ঐশ্বরিক পরিবেশের আভাস পাওয়া যায়। 


এই মূর্তি, ভাস্কর্য ও অন্যান্য চিত্রকর্মগুলি নারীরা মন্দিরে দান করতেন, তাদের নাম খোদাই করা ছিল এসবে। এ ধরনের রীতিনীতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এনহেদুয়ান্না নিজের পরিচয় তুলে ধরেছেন। ‘দ্য এক্সলটেশন’ দেবীকে উৎসর্গ করে লেখা একটি কবিতা। 


বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এসে, গবেষকদের মধ্যে এনহেদুয়ান্নার লেখালেখির ব্যাপারে নানারকম মত দেখা গেছে, “সেই পুরোহিতই কি এসব লিখেছেন?” লেখালেখি শুরুটা হয়েছিল একজন নারীর হাত ধরে, গ্রীসের স্বর্ণালি যুগ শুরুরও দুই হাজার বছর আগে, এমন ধারণাটি অনেকের কাছেই অতিরঞ্জিত বলে মনে হয়। 


যদি এনহেদুয়ান্না এই লেখাগুলি লিখে থাকেন, তাহলে লেখালেখির সূচনা তার হাত ধরেই হয়েছে বলতে হবে। এছাড়া অলঙ্কারশাস্ত্র ও আত্মজীবনীরও আবির্ভাব হয় তার হাত ধরে। তিনি হোমারেরও ১৫০০ বছর আগে, স্যাফোর ১৭০০ বছর আগে ও অ্যারিস্টটলের ২০০০ বছর আগে পৃথিবীতে ছিলেন। সাধারণত অলঙ্কারশাস্ত্রের সূচনার কৃতিত্ব দেয়া হয় অ্যারিস্টটলকে।


এনহেদুয়ান্নার কবিতার বিষয়বস্তু অনেক সমৃদ্ধ। ধর্মপালন থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত প্রতিফলন, রাজনৈতিক মন্তব্য ও পৌরাণিক নানা ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায় তার লেখায়। এছাড়াও তার লেখা থেকে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ধারণা পাওয়া যায়। 


যতই বিতর্ক থাকুক, আমাদের স্বীকার করে নিতেই হয়, বর্তমান যুগের লেখকদের জন্য এনহেদুয়ান্না সৃজনশীল শক্তির একজন পুরোধা। 


 ইতিহাস  নারী  এনহেদুয়ান্না

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বুধবার, ৬ মার্চ, ২০২৪

আমার নিয়তি এতটা খারাপ....,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বিয়ের ১৩ বছর পরে ও যখন সন্তান হচ্ছিলো না। তখন আমার স্বামী ২য় বিবাহ করেন। এবং সে মাসেই টেস্ট করে জানতে পারলাম আমি গর্ভধারণ করেছি।। 


ওই মূহুর্তে আমার মনে হয়েছে আল্লাহ দিলে যখন আর ১ টা মাস আগে দিতে। 

খুব ভেঙে পড়েছিলাম আমি। বুঝতে পারছিলাম না কি করবো৷ 

আমার মা কে বলেছি। তিনি বলেছেন পাশে আছি যা মনে হয় করো তুমি।।


ও বিয়ে করার পর আমাকে বলেছে তোমার ইচ্ছে হলে এখানে ও থাকতে পারো। 

আবার তোমার বাবার বাড়ি ও থাকতো পারো। 

আমার দরজা সবসময় তোমার জন্য খোলা। 

বিয়ে করার পর আমি বাবার বাড়ি যায় কিন্তুু ওখানে ঘুম আসতো না। কোনো কিছু শান্তি লাগতো না।আশেপাশে চাচীদের, আত্মীয় স্বজন এবং প্রতিবেশীদের কথা শুনে খারাপ লাগতো। 

আমাকে সরাসরি কিছু বলতো না তবে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলতো। 

বাপের বাড়িতে আমার কদর কমে যায় একদম। 

ওখানে ২ দিন থাকার পর আবার চলে আসি। 

এখানে আসলে কলিজা ফেটে যেতো। আমার স্বামীকে অন্য কেউ জড়িয়ে ধরছে নাস্তা দিচেছ। আমার সংসার টা সামলাচ্ছে। 

আমার সাথে শশুর বাড়ির সবাই কথা বলা কমিয়ে দিলো। সবাই নতুন বউকে টাকে নিয়ে মাতামাতি করতো। 

আর আমি রুমে দরজা বন্ধ করে বসে থাকতাম।। 


তখন মনে হতো বাপের বাড়ি চলে যায়। 

এখানে কয়েকদিন থাকার পর বাপের বাড়ি গেলে সেখানে ও ভালো লাগতো না। 

আবার একা একা চলে আসতাম। কান্না ও আসতো না আমার।নামাজ কালামে ও মন বসতো না। 

আমার শাশুড়ী বলতো তুই চলে যা।

সবাই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলতো চলে যাও।


গর্ভধারণ  এর বিষয় টা প্রায় ১৫ দিনের এর মতো কাউকে বলিনি। 

১৫ দিন পর আমার স্বামীকে জানাই।।  

তিনি শুনার পর খুশি হলেন এবং বললেন আমার মোটামুটি সামর্থ্য আছে। আমি দুজনকেই চালাতে পারবো অসুবিধা নাই।। 

তুমি আমার বড় বউ আর ও ছোট বউ। তোমরা দুজনেই থাকো আমার জীবনে।। 

তোমাদের অনেক ভালোবাসি। তোমাদের ছাড়া আমি বাচবো না। 

 

আমি মনে মনে হেসে বলি হারামজাদা তুই আমাকে ছাড়া ঠিকই বাঁচবি শুধু ওরে ছাড়া বাঁচবি সেটা বল। 


তারপর উনি ভাগ করলেন আমার সাথে সপ্তাহে ২ দিন থাকবেন এবং নতুন বউয়ের সাথে বাকি দিন রাএি যাপন করবেন। 

আমার ভাগে বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার গুলো পড়ে ছিলো। 

বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার আসলে আমি আমার বাপের বাড়ি চলে যেতাম।। 

আমি স্বামীকে খুব ভালোবাসি।।তবে এখনকার এই চেহারা  মানুষ টাকে না।


আমার কান্না আসতো না। তবে আমার বিয়ের ছবিগুলো নিলে কান্না আসতো মাঝে মাঝে। আমি বউ সাজ অবস্থায় পাশের শেরওয়ানি পরিহিত স্বামীটাকে অনেক ভালোবাসি। 

আমি তাকে ফিরে পেতে চাই।। 

সুন্দর সময় ছিলো আমাদের জীবনটাতে কিন্তুু একটা সন্তান এর জন্য হাহাকার ছিলো।। 


সময়ের সাথে মানুষের চেহারা, চামড়া,একই থাকলে ও  চামড়ার ভিতরের নফস টা বদলে গিয়েছে। 

ঘৃণা হয়।। 


আমি খেতাম না কেমন শুকিয়ে কালো হয়ে গিয়েছিলাম। মার কাছে গেলে মা ফলমূল খাওয়াতো। আমি খেতাম না।। 

আমার শাশুড়ী তো নতুন বউ ছাড়া কিছু বুঝতো না। আর ননদ ননস গুলো তো আরো বাড়ে।। তাদের নতুন ভাইয়ের বউ অনেক ভালো বউ। 

আজীবন আমি রেঁধে বেড়ে খাওয়াইছি সেটার কোন মূল্যা নাই। 

যে পাতে খেয়েছে সে পাতে মলমূত্র ত্যাগ করেছে এরকম একটা অবস্থা।। 


আমার স্বামী নতুন বউকে নিয়ে ঘুরতে যেতো।। প্রায় সময়ই আর আমি সেটা দেখতাম। কান্না একটু ও আসতো না। 

আমাকে জিজ্ঞেস ও করতো না,,  তোমার কি খেতে মন চাই বা তুমি কি খাবে। 

ওহ ভালো কথা আমার রান্না কেউ খেতো না। কারণ আমার রান্না মজা নাই আমি রান্না করতে জানি না। 

এজন্য নতুন বউ আমার শাশুড়ী দের সাহায্য নিয়ে রান্না করতো। 

আর আমি রুমে বসে বসে টাইমে টাইমে খেতাম। 

আর মানুষ কে বলে বেড়াতো আমাকে অনেক সুখে রাখছে। 


নতুন বউ বয়সে আমার চেয়ে অনেক ছোট। একদিন ও কে বলি বোন বৃষ্টি আসতেছে ছাদ থেকে কাপড়গুলো নিয়ে আয়। 

আমার স্বামী তেলে বেগুনে জ্বলে উঠছে কারণ আমি তার নতুন বউকে কেন তুই করে বলেছি।।। 


আল্লাহর গজব পড়ুক এমন স্বামীর উপর।। 


আমি বুঝতেছিলাম না তখন কি করবো। 

দেখতে দেখতে আমার ডেলিভারি টাইম আসে।। যেদিন আমার পেইন উঠে ওইদিন আমার স্বামী তার নতুন বউয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যায়। তখন মোবাইল এত সহজলভ্য ছিলো না।। 

তাই খবর দিতে পারি নাই। 

আমার এক চাচাত জা আমাকে মেডিকেল নিয়ে যায়। আমার সাথে আর কেউ যায় নি। 

কারণ আমার শাশুড়ী বুড়ো মানুষ উনি নাকি কিছু চিনে না। 

আর আমার ননদ ননস এর জামাইরা বিজি এজন্য। 


 আমার  ডেলিভারির খরচ আমার মা বহন করে।।

আমি নরমালে ২ টি জমজ পুএ সন্তান এর জন্ম দি।।

সরকারি মেডিকেল এ ৩ দিন থাকার পর আমি আমার বাপের বাড়ি যায়। 

মেডিকেল এ তিন দিন ছিলাম আমাকে শশুর বাড়ি একটা কু*ওা ও দেখতে আসে নাই। 

এক বেলা ভাত নিয়ে। 


আমি বাপের বাড়ি যাওয়ার ৭ দিন পর আমার জামাই খবর পাঠায় বাচ্চা দের নিয়ে ওদের ওখানে যেতে। 


আমার জামাইর থেকে শরম লাগতেছে আমার বাড়িতে আসতে।। 


আমি যায় না। আমি বলি এখন যাবো না আরো কয়েকদিন পর যাবো। 

 ৯ দিন পার হওয়ার পরে ও আমি নাম রাখি নাই বাচ্চাদের। মনে করছি শশুর বাড়ির লোকেরা আসলে তখন রাখবো। 

কিন্তুু কেউ আসে নাই। পরে আমার এক চাচা উনি মৌলভী। 

উনি আমার বাচ্চা দের নাম রেখে দেয়।। কোনো আয়োজন অনুষ্ঠান ছাড়া। 

আমার বাপের বাড়িতে সবাই ছি ছি করে। বলে বাচ্চা হয়েছে এত বছর পর অথচ কেউ দেখতে আসে না। 

আমার বাপের বাড়িতে আমার মূল্যায়ন একদম কমে যায়। 

আমাকে তেমন কেউ সাহায্য করতো না। বাচ্চা দের কাঁথা,জামা কাপড় সব আমি ধুয়তাম।। 

মা ও কেমন যেন অবহেলা করতো।। 


আমার বাচ্চাদের কেউ এক জোড়া কাপড় পযন্ত কিনে দেয় নি।। 

পরে আমার১ ভরি গয়না বিক্রি করে বাচ্চা দের প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো কিনি। 

মার বাড়ি ২০ দিন থাকার পর আমি চলে যায় শশুর বাড়ি। 

কারণ এখানে আমি বাচ্চা দের খরচ বহন করতে পারছিলাম না এজন্য।। 

শশুর বাড়িতে যাওয়ার পর আমার স্বামী বাচ্চাদের কোলে নেয়। 

আমার জামাইর নতুন বউকে ডেকে বলে দেখো তোমার ছেলেদের। 

তার কোলে দিয়ে বলে এগুলো এখন থেকে তোমার সন্তান অবহেলা করো না। 

আমি ওর কোল থেকে আমার বাচ্চা কেড়ে নিতে গিয়ে আমার ছোট বাচ্চা টা নিচে পড়ে যায়।। 

আর সাথে সাথে কান্না করে উঠে। 

আমার স্বামী ওই অবস্থায় আমাকে গালাগালি করে চুল ধরে পিঠের মধ্যে অনেক গুলো ঘুষি মারে। 

আমি কান্না করতে করতে বলি আমার বাচ্চা এগুলো আর কারো বাচ্চা না।। 

আমাকে কেউ একটু ধরতে ও আসে নাই যখন মারছিলো।।। 


মানুষ কতটা অমানুষ এ রুপ নেয় তা আমার স্বামীকে না দেখলে বুঝতাম না।। 


তারপর ওরা চলে যায় আমার রুম থেকে।। আমি আমার বাচ্চা দের নিয়ে অনেক কান্না করে বলি তোদের  মা আছে আমি মরি নাই। 

তোদের আমি ভালোবাসি।। 


কয়েকদিন পর আমার স্বামী যখন আমার রুমে আসে তখন বলি আমার ছেলেদের আকিকা করাবে না। 

উনি বলে এখন টাকা নাই পরে করবো। ওদের মুসলমানির সময়।। 


তারপর বাচ্চাদের আদর করতে করতে আমার দিকে তাকিয়ে বলে কেমন বুড়া হয়ে গেছো। তোমার দিকে তাকাতে ও ঘৃণা লাগে। পেট টা কত বড় হয়ে গেছে।। 

কেমন যেন আমার নানী নানী টাইপ হয়ে গেছো।। 


আমি হেঁসে হেঁসে বলি আমার কথা বাদ দাও নাতি।। তোমার নতুন বউ নিয়ে সুখে থাকো।। 


সে হেঁসে বলে মাশাআল্লাহ আমার নতুন বউ আকাশের চাঁদ।। 

আমি বলি আল্লাহ তোমাদের আরো সুখ দিক।। 


আমি বলি আমার বাচ্চাদের টিকা দিতে হবে কালকে।। 

বলে আচ্ছা ঠিক আছে নিয়ে যাবো।। 


পরেরদিন ও আর ওর নতুন বউ রেডি হয়ে আসে।। আমার বাচ্চাদের নিতে। 

আমি বলি তোদের হাতে তো আমি বাচ্চা ছাড়বো না। আমার বাচ্চা আমি নিয়ে যাবো । 

আমি বাচ্চার মা। 


তখন আমার স্বামী আমাকে বলে তোমার সাথে বাহিরে যেতে আমার শরম লাগে।। 


আমি কিছু বলি না। বলি টাকা দাও আমার বাচ্চাকে আমি নিয়ে যাবো। 

পরে আমাকে ৬০ টাকা দেয়। 

আমি সরকারি মেডিকেল এ নিয়ে টিকা দিয়ে আসি। 

২ বাচ্চা একসাথে কোলে নিয়ে যায় আমার সাথে কেউ যায় না। 

মেডিকেল এর এক আয়া টিকা দেওয়ার সময় সাহায্য করে আমাকে। 

মেডিকেল এ আমার অনেক সময় লাগে। কারণ টিকা দেওয়ার ফলে বাচ্চারা অনেক কাঁদছিলো। 

সবাই বলতেছিলো আমি একা কেন। 

কেউ সাথে আসে নাই কেন।। 

অনেক কষ্টে বাচ্চা দের নিয়ে বাসায় আসি হেঁটে হেঁটে। 

কারণ আসার আর গাড়ি ভাড়া ছিলো না। 

২০ মিনিট হাটতে হয়েছিলো বাচ্চা ২ টা নিয়ে।। 

যাওয়ার সময় ১০ টাকা দিয়ে রিকশা করে গিয়েছি। 

আর একটা টিকার দাম২৫ টাকা।। 

২ জনের ৫০ টাকা নিয়েছে।। 


বাসায় এসে বাচ্চাদের রেখে একটু বাথরুমে যায়। বাথরুম থেকে শুনতে পায় আমার স্বামী আমার শাশুড়ী কে বলছে দুধ রোজ নিতে। 

কারণ আমার স্বামীর নতুন বউ গর্ভধারণ করেছে।। 


আমি বাথরুম থেকে বেড়িয়ে অনেক হাসি বাচ্চা দের কোলে নিয়ে।

রুমে এসে আমার স্বামী আমাকে বকা দিচ্ছে কারণ বাচ্চারা কাঁদছে কেন।

আমি নাকি মা হওয়ার যোগ্যতা রাখি না। আল্লাহ ভুল করে আমি ভুল মানুষকে বাচ্চা দান করছে।  

কারণ আমার বাচ্চারা কাঁদছে টিকার ব্যাথায়। 

সে একটু মায়া মহব্বত ও দেখালো না। 


আমার নিয়তি এতটা খারাপ.... 


চলবে....


অবহেলা 

১ম খন্ড 

Nusrat 

সত্য ঘটনা অবলম্বন.....


নেক্সট পার্টগুলো সবার আগে আইডি তে দেওয়া হবে নিল লেখায় চাপ দিয়ে আইডি ফলো করুন 👉 Mohammad Murad Hossain

এবার সমুদ্র বন্দর চিটাগাং পোর্ট দিয়ে প্রথম বারের মতো মালায়েশিয়া তে বেগুন ও কাঁচামরিচ এক্সপোর্ট হল...,,,,ফেইসবুক ৎেকে নেওয়া

 এবার সমুদ্র বন্দর চিটাগাং পোর্ট দিয়ে প্রথম বারের মতো মালায়েশিয়া তে বেগুন ও কাঁচামরিচ এক্সপোর্ট হল...


এতদিন এই সবজি বা মরিচ গুলা রপ্তানি হত কার্গো বিমানে করে... যা ছিল অনেক কস্টলি। সমুদ্র বন্দর চিটাগাং দিয়ে রপ্তানির ফলে এই কস্টিং কমে আসবে ১০ ভাগের এক ভাগে...


যদি অপেনলি বলি আগে যেখানে বাই এয়ারে করে পাঠাতে কেজি প্রতি খরচ পড়ত ১০০ টাকার বেশি, সেখানে সমুদ্র বন্দর দিয়ে পাঠাতে খরচ পড়বে ১০ টাকার মধ্যে...


অর্থ্যাৎ কস্টিং কমবে অনেক বেশী... আর কস্টিং কমে যাওয়াতে মালায়েশিয়াতে বাংলাদেশী সবজির ডিমান্ড ও বেড়ে যাবে অনেক বেশী।


আমি আমার অনেক লেখাই বলেছি সবজি এক্সপোর্ট এর জন্য মালায়েশিয়া আমাদের বেস্ট চুজিং একটা কান্ট্রি, এখানে অধিকাংশ বাংলা ভাষাভাষীর মানুষের বসবাস... এছাড়া আছে বেশি এশিয়ান।


আর এশিয়ানরা আমাদের সবজি পছন্দ ও করে ভালো।


এছাড়া বাই এয়ারে  বিভিন্ন সবজি মিলায়ে যেখানে এক-দুই টন রপ্তানি করা যেত, সেখানে বাই সি তে ২৫ টন পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের সবজি দিতে পারছি।


এ পর্যন্ত মালায়েশিয়া তে সমুদ্র বন্দর দিয়ে তরমুজ থেকে শুরু করে.. আলু, বাঁধাকপি, ওলকপি, ফুলকপি,কাঁচ কলা , টমেটো সহ নতুন দুই এক ধরনের সবজি রপ্তানি হয়েছে... হচ্ছে ।


আর বাই এয়ারের কথা কি বলব... এয়ারে করে প্রায় সব ধরনের সবজিই রপ্তানি হয়, তবে ঐ যে বললাম কস্টিং বেশি।


আর কস্টিং বেশি হলে চাহিদা ও কম থাকে।


এখানে যদি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কথা বলি তারা মধ্যপ্রাচ্যের দেশে সবচেয়ে বেশী পরিমাণে সবজি রপ্তানি করে থাকে কারন মুন্দ্রা পোর্ট থেকে তাদের দুবাইতে জাহাজ পৌঁছাতে চার-পাঁচ দিন সময় লাগে... ঠিক যেমন আমাদের ক্ষেত্রে মালায়েশিয়ার পোর্ট কেলাং


অথচ  মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুবাইতে বেশীরভাগ বাংলাদেশীরা করছে সবজি, ফল মূলের ব্যবসা... শুধু মাত্র সমুদ্র বন্দর দিয়ে রপ্তানি করতে পারায় বাংলাদেশী ব্যবসায়ী হয়েও দেশ থেকে সবজি নিতে পারেন না।


এমন ভাবে মালায়েশিয়া ও আমাদের জন্য সুযোগ.. সেখানে আমরা কম সময়ে জাহাজ পৌঁছাতে পারি। তাই মালায়েশিয়া নিয়ে ভাবতে পারেন যে কেউ।


আমি আবার ও বলি মালায়েশিয়া এমন একটা দেশ যেখানে আমাদের জন্য সুযোগ অনেক বেশী।


দেশের_রপ্তানী বাড়বে আগামী


imranhossen

Exporter & International Market Researcher


imranexporter

Eggplants

কৃষিই_সমৃদ্ধি

একটা মজার গল্প ১৮+ ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 বন্ধুর স্ত্রীঃ =- আপনার বন্ধু তো

বাড়িতে নেই। আপনি অন্যদিন আসুন।

আমি=- আমার যে অন্যদিন আসলে চলবে

না।

বন্ধুর স্ত্রী:=- ওনিতো বাসায় নেই,

শহরের বাইরে গেছেন কয়েকদিন পর

আসবেন।

আমি=- কিন্তু আমার যে কাল জাতীয়

হাই জাম্প প্রতিযোগিতা, কোন

থাকার জায়গা নেই..সাথে তেমন

টাকাও নেই যে হোটেলে থাকবো...

বলেই করুণ দৃষ্টি নিয়ে থাকলাম।

বন্ধুর বউ=- স্বামীর বন্ধু, জাতীয়

পর্যায়ে খেলাধুলায় অংশ গ্রহন করতে

এসেছে, থাকার জায়গা নেই ভেবে

শেষে থাকতে দিতে রাজী হলেন।

.

রাতে খাবার দাবার শেষ করে

ঘুমানোর সময় পড়লেন বিপদে। এক রুম, এক

খাট, কি করে দু'জনে ঘুমান?

..

ভদ্র মহিলা একবার চিন্তা করলেন

নিচে শুতে দিবেন, আবার ভাবলেন

স্বামীর বন্ধুকে কি করে নিচে শুতে

দেন। নিজে নিচে শু'লে ঠান্ডা

লেগে যায়, ইত্যাদি ভেবে দু'জনেই

উপরে শোবার সিদ্ধান্ত নিলেন।

খাটের মাঝ খানে একটা কোলবালিশ

দিয়ে ভদ্র মহিলা বললেন-

.

বন্ধুর স্ত্রীঃ=- দেখুন আমাদের এই

একটাই খাট, এখানেই আমাদের রাত

কাটাতে হবে। সুতরাং এই বালিশটা

হলো আমাদের দেয়াল, এর এই পাশে

আসা যাবে না।

.

আমি ঃ=- স্বলজ্জিত ভাবে মাথা নেড়ে

শুয়ে পড়লাম ।

সকালে ঘুম থেকে উঠে, ভদ্র মহিলা

ব্রেক ফাস্ট বানালেন।

আমি স্নান সেরে এসে ব্রেকফাস্ট

টেবিলে বসলাম। ভদ্র মহিলা

ব্রেকফাস্ট দিতে দিতে বললেন-

বন্ধুর স্ত্রী =- আপনি যেন কেন

এসেছেন? মিটিমিটি হেসে টিপ্পনী

কেটে কথাটা বললেন।

.

আমি=- জাতীয় হাই জাম্প

প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করতে।

দোয়া  করবেন যেন

জয়ী হতে পারি।

বন্ধুর স্ত্রী = মুখে ভেংচি কেটে

বললেন- যে রাতের বেলা একটা

মামুলি কোল বালিশ টপকিয়ে আসতে

পারে না, সে হাই জাম্পে জয়ী হবে।

😀?

😂😂# 


নিয়মিত মজার সব গল্প পড়তে পেইজটি ফলো দিয়ে রাখুন 😍

একটা মজার গল্প ১৮+ ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

আমন ধানের লাল চাল,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔰গ্রীন এগ্রো নিয়ে এসেছে আপনাদের জন্য আমন ধানের লাল চাল  ও  দেশি গমের  লাল আটা


✋ উপকারিতা ঃ

উচ্চ ডায়াবেটিস কমাতে লাল চাল 

ওজন কমাতে লাল চাল 

হাটের সুস্থতায় লাল চাল 

হাড় মজবুত করতে লাল চাল 

বয়সের ছাপ রোধ করতে লাল চাল 

ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায় 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।


✅ প্রতিদিন ১ কাপ লাল চালের ভাত খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৬০ ভাগ পর্যন্ত কমে। লাল চালের ভাতে ক্ষুধা কম লাগে। লাল চালের ভাত খেলে আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ফাইবারের ১০ ভাগ পূরণ হয়।


✋ লাল আটা কেন খাবেনঃ

১. লাল আটার অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

২. ডায়াবেটিস রোগী ও স্থুল রোগীর রক্তে চিনি ও শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. লাল আটা আঁশ রক্তে ক্ষতিকারক ফ্যাট কমায় ও উপকারি ফ্যাট বাড়ায়।

৪. লাল আটা ক্ষুধা প্রশমিত করে ও অতিরিক্ত ওজন কমায়।

৫. লাল আটায় রয়েছে থায়ামিন যা স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে। (হাত ও পায়ের নার্ভ সচল রাখে)।

৬. পরির্পূণ পুষ্টি সমৃদ্ধ আঁশযুক্ত গমের আটা সুস্বাস্থের জন্য অপরির্হায।

৭. লাল আটায় লিগনান নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৮. লাল আটা হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারি।

৯.  লাল আটা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

১০. লাল আটায় প্রচুর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।


আইটেম সমূহ ঃ 

১) লাল চাল ( আমন)

২) লাল চাল ( বিরই)

৩) লাল বোরো ( টেপা বোরো)

৪)লাল বিন্নি

৫)সাদা বিন্নি

৬)কালো বিন্নি

৭)ব্ল্যাক রাইস 

৮)কাউন চাল

৯)লাল বাসমতি 

১০)বাংলা মতি ফুল ফাইবার 

১১) লাল আটা


🔰 সুগন্ধি চাল : 

১২) বাশফুল 

১৩)জামাই আদুরি " তুলসী মালা সুগন্ধি চাল "

১৪) বাশফুল

১৫) বাদশাভোগ


🔰 ডাল :

১৬) ফেলন ডাল 

১৭) মাসকলাই ডাল

১৮) রাজমা

১৯ ) কাবলি বুট 

২০) সবুজ মুগ ডাল


🔰 অন্নান্য :

যবের ছাতু 

যবের আটা 

লাল চিড়া 

আখের লাল চিনি  

চিয়া সিডস 


🔰 গ্রিন এগ্রো 

" আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক "


আমরা পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে থাকি প্রয়োজনে

০১৮৪১-১৭২৭৭০ ( WhatsApp)


মাটি শোধন করে ফলন বৃদ্ধির সেরা সমাধান বায়োলিড: আপনার ফসলের জন্য জৈব সমাধান

 মাটি শোধন করে ফলন বৃদ্ধির সেরা সমাধান


বায়োলিড: আপনার ফসলের জন্য জৈব সমাধান!


মাটি শোধন করে এবং ফলন বৃদ্ধি করে, যা আপনাকে আরও ভাল ফসল উৎপাদনে সাহায্য করে । বায়োলিড একটি জৈব বালাইনাশক যা আপনার ফসলকে ক্ষতিকর পোকামাকড় এবং রোগ থেকে রক্ষা করার জন্য প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে।


বায়োলিড ব্যবহারের সুবিধা:


মাটি শোধন করে: বায়োলিড মাটিতে বসবাসকারী ক্ষতিকর জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

মাটিতে জৈব পদার্থ বৃদ্ধি করে: এটি মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, যা মাটির গঠন এবং পানি ধরে রাখার ক্ষমতা উন্নত করে।

ফলন বৃদ্ধি করে: বায়োলিড ব্যবহারে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

পরিবেশবান্ধব: এটি একটি পরিবেশবান্ধব পণ্য যা মানুষ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।


বায়োলিড ব্যবহার করে আপনি যেসব সমস্যার সমাধান করতে পারেন:


নেমাটোড দমন করে: বায়োলিড নেমাটোডের মতো ক্ষতিকর পোকামাকড় দমন করে ।


বায়োলিড কোথায় ব্যবহার করবেন :

বায়োলিড সকল ধরণের ফসলের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি বিশেষভাবে ধান, শাকসবজি, ফল, এবং পাটের জন্য উপকারী।


মূল্য: ৩৫০ টাকা (৫০০ গ্রাম)


🔥🔥অফার: ১ কেজি বা তার অধিক নিলে কুরিয়ার চার্জ একদম ফ্রী!🔥🔥


আজই বায়োলিড ব্যবহার করে আপনার ফসলকে রক্ষা করুন এবং উন্নত ফলন পান!


আরও তথ্যের জন্য আমাদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করুন।


যোগাযোগ করুনঃ ০১৮৪৪-৯০৮৫৪১


বায়োলিড আপনার ফসলের জন্য সেরা বন্ধু!


সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৮-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৮-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: হাওর অঞ্চলে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দে...