এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪

ত্রিদ্রাঙ্গভিটি (Tridrangaviti) লাইট হাউজ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাঝ সমুদ্র  এটি হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম বিচ্ছিন্নতম লাইট হাউজ !


ত্রিদ্রাঙ্গভিটি (Tridrangaviti) লাইট হাউজ।


 আইসল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল থেকে 4.5 মাইল দূরে ভেস্টমানেজার দ্বীপপুঞ্জে পাথরের উপর অবস্থিত একটি বাতিঘর , যা প্রায়শই বিশ্বের সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন বাতিঘর হিসাবে বর্ণনা করা হয়।


ত্রিদ্রাঙ্গভিটি, লাইট হাউজে শুধুমাত্র হেলিকপ্টার দ্বারা প্রবেশযোগ্য।

লাইট হাউস টি, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে  110 ফুট উপরে অবস্থিত।


বাতিঘর বা লাইট হাউজ হচ্ছে এমন এক ধরনের সুউচ্চ মিনার আকৃতির দালান যা থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় আলো ফেলে সমুদ্রের জাহাজের নাবিকদের দিক নির্দেশনা দেয়া হয় এবং সেই সাথে সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল সম্পর্কে নাবিকদের সতর্ক করতে বাতিঘর ব্যবহার করা হয়।


Photographer: Ernie Seberg

Source: Wikipedia



কুরআনের সব শব্দ ছোট ২টি বইয়ে,,,ফেইসবুকর বিজ্ঞাপন

 কুরআনের সব শব্দ ছোট ২টি বইয়ে


যারা কুরআন পড়ে সরাসরি আরবি থেকে এর অর্থ বুঝতে চান, তাদের জন্য এই প্যাকেজটি।


✅বইটি সেল্ফ লার্নিং পদ্ধতিতে সাজানো হয়েছে। 

✅হিফজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কুরআন/আরবি শেখানোর পাঠ্য হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। 

✅‘শতভাগ কুরআনের ভোকাবুলারি, লেভেল ১’ বইটি আমাদের প্রায় ১০০০ (কুরআনের প্রায় ৮০% শব্দ)

✅আর লেভেল-২ এ নতুন আরও ৩৮০০ শব্দ শেখা যাবে। যার মাধ্যমে আমরা কুরআনের প্রায় শতভাগ শব্দ জানতে পারবো। 

✅প্রতিটি আরবি শব্দের বাংলা অর্থ দেওয়ার পাশাপাশি ঐ শব্দটি দ্বারা কুরআনের একটি আয়াত অর্থসহ দেয়া হয়েছে। 

✅কুরঅনের অব্যয়, সর্বনাম, বিশেষ্য ও ক্রিয়া আলাদা আলাদাভাবে বিন্যাস করা হয়েছে। 

✅প্রতিটি পাঠের পরে পাঠ চর্চা এবং কয়েকটি পাঠ শেষে ‘নিজেকে যাচাই করি’ মূল্যায়ণ ব্যবস্থা রয়েছে। 

✅ক্রিয়ার বিভিন্ন প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।


'শতভাগ কুরআনের ভোকাবুলারি প্যাকেজ' এর লিংক: https://www.wafilife.com/?p=795765


পাগলা পুল বা মোগল আমালের সেতু, নারায়নগঞ্জ,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পাগলা পুল বা মোগল আমালের সেতু, নারায়নগঞ্জ

===============================


পাগলা সেতু  একটি মুগল স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ যা ঢাকার ৪.৫ কিমি পূর্বে পাগলার ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কে অবস্থিত। সেতুটি সম্ভবত ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আরঙ্গজেবের সময় বাংলার সুবাদার মির্জা মওলার (মীর জুমলা) আমলে শীতালক্ষ্যা-বুড়িগঙ্গা নদীর সংযোগ স্থল দুলাই নদীর উপর নির্মিত হয়। মীর জুমলা তাঁর আসাম অভিযানের সময় সেতুটি নির্মাণ করেন।

১৬৬৬ সালে ট্যাভারনিয়ার যখন ঢাকায় এসেছিলেন তখন লিখেছিলেন ভাটিতে আছে আরেকটি নদী পাগলা। 


নদীর ওপর আছে সুন্দর একটি পুল, যা তৈরি করেছিলেন মীর জুমলা। তিনি আরো লিখেছিলেন, নদীর দুই পাশে ছিল বেশকিছু টাওয়ার, যেখানে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল ডাকাতদের কাটা মুণ্ড।


১৮২৪ সালে কলকাতার লর্ড বিশপ হেবার, পাগলা পুলের সৌন্দর্যের খ্যাতি শুনে তা দেখতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখন তা পরিণত হয়েছিল প্রায় ধ্বংসস্তূপে। এখনো নদীর তীরে পুলের একটি অংশ পড়ে আছে।


ঢাকার এগারোতম মোগল সুবেদার মীর জুমলা পাগলা পুলটি নির্মাণ করেন। ড'য়লির আঁকা ছবি থেকে এ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। শক্রদের ওপর নজর রাখার জন্য এতে 'পর্যবেক্ষণ টাওয়ার' যুক্ত ছিল। অ্যাটকিনসন জানান, 'পুলের জায়গাটিতে এক ধরনের আলো-ছায়ার খেলা দেখা যায়। 


দূরের ঢাকার ইউরোপিয়ান অধিবাসীদের সাদা ঘরবাড়িতে সূর্যের আলো ঠিকরে পড়ে যে উজ্জ্বলতার সৃষ্টি করে, তার সঙ্গে পুল ও পুলের নিকটবর্তী ভূমির ছায়া মিলে অদ্ভুত এক ভাবপ্রবণ দৃশ্যের অবতারণা করে।'


সূত্র : ড'য়লির ঢাকা, রিদওয়ান আক্রাম









ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের কেনো মোঘল সাম্রাজ্য ও এর প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবরের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত!?,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের কেনো মোঘল সাম্রাজ্য ও এর প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবরের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত!? 


মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর ১৪৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বর্তমান উজবেকিস্তানের আন্দিজানে জন্মগ্রহণ করেন। ১২ বছর বয়সে রাজসিংহাসনে বসেছিলেন বাবর। বাবরের চিন্তাধারায় হার না মানার একটা মানসিকতা ছিল। উজবেকিস্তানে সমরখন্দ তিনবার দখল করেছিলেন, কিন্তু প্রতিবারই ফিরে আসতে হয়েছিল তাঁকে। তখন যদি তিনি সমরখন্দ দখলে সফল হতেন আর সেখানকার শাসক হিসাবেই থেকে যেতেন, তাহলে হয়তো কাবুল বা ভারত জয় করে রাজত্ব করার কথা তিনি ভাবতেনও না। ১৫২৬ সালে পানিপথের যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে মোগলদের ভারত শাসনের সূত্রপাত ক‌রেন বাবর। 

ভারতীয় উপমহাদেশে ইংরেজ, পর্তুগিজ, ডাচসহ যারাই বাহির থেকে এসে শাসন করেছিলেন তারা সবাই লুটপাট করে এখান থেকে সম্পদ নিজেদের দেশে নিয়ে গেছেন! কিন্তু একমাত্র মোঘলরাই উপমহাদেশ থেকে সম্পদ টাকা পয়সা কোন কিছুই নিজেদের দেশে নিয়ে যান নাই! বরং উপমহাদেশেই নিজেদের বসত করেছিলেন। শুধু তাইনা মোঘলরা এই অঞ্চলের অর্থনীতি এতোটাই ভালো করেছিলো যে মোঘল সাম্রাজ্যের সময় ভারতীয় উপমহাদেশ ছিলো অর্থনৈতিক দিক পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী দেশ! এবং জিডিপির অনুপাতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ছিলো। মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনের সময় ভারতীয় উপমহাদেশে ছিলো আয়তন ও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ। 

ঐতিহাসিক যেসব স্থাপনা উপমহাদেশে আছে তার অধিকাংশই মোঘলদের হাতে তৈরী। পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য এর অন্যতম তাজমহল বানিয়েছিলেন মোঘল সম্রাট শাহজাহান ভারতের আগ্রায় তার প্রিয়তমা স্ত্রীর জন্য। এই তাজমহল ভারতের টুরিজমে আয়ের সবচেয়ে বড় খ্যাত।

বর্তমান ভারতে মোঘলদের অনেককিছুই মুছে ফেলার চেষ্টা করতেছে। মোঘল আমলে নামকরণ করা অনেক জায়গার নাম ইতিমধ্যেই পরিবর্তন করে ফেলা হয়েছে!!


Why should the people of the Indian subcontinent be grateful to the Mughal Empire and its founder Emperor Babur!?


 Emperor Babur, the founder of the Mughal Empire, was born on February 14, 1483 in Andijan, present-day Uzbekistan.  Babur sat on the throne at the age of 12.  Babur's thinking had a mentality of not giving up.  He captured Samarkand in Uzbekistan three times, but had to return each time.  If he had succeeded in capturing Samarkand and remained the ruler there, he might not have thought of conquering Kabul or India.  By winning the battle of Panipat in 1526, Babur started the rule of the Mughals in India.

 In the Indian subcontinent, including the English, Portuguese, Dutch, who ruled from outside, they all looted and took the wealth from here to their own country!  But only the Mughals from the subcontinent did not take any wealth money money to their own country!  Instead, they settled themselves in the subcontinent.  Not only did the Mughals make the economy of the region so good that during the Mughal Empire, the Indian subcontinent was one of the most powerful countries in the world economically!  And was the largest in the world in proportion to GDP.  During the reign of Mughal emperor Aurangzeb, the Indian subcontinent was the largest in the world in terms of size and economy.

 Most of the historical buildings in the subcontinent were built by the Mughals.  One of the Seven Wonders of the World, the Taj Mahal was built by Mughal Emperor Shah Jahan in Agra, India for his beloved wife.  The Taj Mahal is India's biggest tourism earner.

 Mughals are trying to erase many things in present day India.  Many places named during the Mughal period have already been renamed!!




ঢাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা।,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া


 ঢাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা।

(দ্বিতীয় পর্ব)


চনরিওয়ালা:

ঢাকা ও আশেপাশের অঞ্চলে সাধারণত মাছি তাড়াবার জন্য এক ধরনের তালের পাখা বা চামর (চওনরি) ব্যবহৃত হতো। যারা এই পাখা বা চামর বানাতো তাদের বলা হতো চনরিওয়ালা। এরা সাধারণত ছিল মুসলমান সম্প্রদায়ের লোক। উনিশ শতকের শেষের দিকে ঢাকা থেকে এই পেশা বিলুপ্ত হয়ে যায়।


চিকনদোজ:

চিকনদোজ ছিল একটি শৈল্পিক পেশা। মসলিনের চাহিদা যতদিন ছিল ততদিন চিকনদোজরাও ছিলেন। মসলিনের সুতা দিয়ে যারা নকশা তুলতেন তাদেরকে বলা হতো চিকনদোজ। তখনকার সময়ে মহিলা -পুরুষ উভয়েই এ কাজ করতেন। মসলিনের চাহিদা ও ব্যবহার কমে যাওয়ার সাথে সাথে হারিয়ে যায় এ পেশা।


ছাপড়বন্দ: 

ছাপরবন্দ পেশাটি অনেকটা ঘরামী পেশার মতোই ছিল। উনিশ শতকের শেষার্ধে ঢাকার অধিকাংশ বাড়ি ছিল কুঁড়েঘর। কুঁড়েঘর তৈরির জন্য গরমের সময় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বসতো কুঁড়েঘর তৈরির উপকরণের বাজার যাকে বলা হতো ঘরকাচি মহল। যারা কুঁড়েঘর তৈরি করতো ঢাকায় এদের বলা হতো ছাপড়বন্দ, গ্রামে অবশ্য এদের ছায়াল নামে ডাকা হয়। ইট-পাথরের ঢাকার বুকে কুঁড়েঘর  বিলুপ্তির সাথে সাথে হারিয়ে যায় এ পেশাটিও।


ছিপিগর: 

ঢাকা ছিল বস্ত্র বয়নের জন্য বিখ্যাত একটি কেন্দ্র। একেক ধরনের বস্ত্র বয়নের জন্য প্রয়োজন ছিল একেক ধরনের কর্ম বিন্যাস। এমন এক ধরনের পেশা ছিল, মসলিনে নকশা তোলার আগে নকশার ছাপ দেওয়া। যারা এ কাজ করতো তাদের বলা হতো ছিপিগর। প্রধানত এ কাজটি মেয়ে কারিগরেরাই করতেন। পুরুষ কারিগরেরা এ কাজকে তাচ্ছিল্যের সাথে দেখতেন বা করতে চাইতেন না।


তাম্বুলি:

ইতিহাসবিদ টেইলর ১৮৪০ সালে তার লেখায় উল্লেখ করেছিলেন, তাম্বুলিরা প্রধানত পান-সুপারী ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করতেন। ১৮৮০ সালের দিকে আরেক ইতিহাসবিদ ওয়াইজ ঢাকায় ৫০ ঘর তাম্বুলির বসবাসের কথা উল্লেখ করেন। ঢাকায় আবার যারা খিলিপান বিক্রি করতেন তাদের বলা হতো খিলিওয়ালা। বর্তমানে পান-সুপারী বিক্রির দোকান থাকলেও তাম্বুলি নামটা অপ্রচলিত হয়ে পড়েছে।


তারওয়ালা:

সঙ্গীতের কিছু বাদ্যযন্ত্র যেমন বেহালা অথবা সারেঙ্গীতে তার হিসেবে ব্যবহার করা হতো ছাগল ও ভেড়ার অন্ত্র। অন্ত্রগুলো প্রক্রিয়াজাত করে এগুলো দিয়ে যারা এ যন্ত্রগুলোর তার তৈরি করতেন এদের বলা হতো তারওয়ালা। তারওয়ালারা মূলত মুসলমান সম্প্রদায়ের ছিলেন বলে সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া যায়। 


দোসাদ:

উনিশ শতকেও ঢাকায় প্রায় বিশঘর দোসাদ ছিলেন বলে জানা যায়। এখন অবশ্য আর নেই। দোসাদরা আধা উপজাতীয় বলে ইতিহাসবিদ ওয়াইজ মন্তব্য করেছেন। ঢাকায় এরা গৃহ পরিচারক, কুলি বা পাংখা কুলির কাজ করতেন। তাদের সবগুলো কাজ বিলুপ্ত না হলেও নামটি একেবারেই অপ্রচলিত হয়ে পড়েছে।


নারদিয়া:

এ পেশার উদ্ভব হয়েছে মুঘল আমলে, যখন মসলিনের উদ্ভব হয়। মসলিন তৈরি হয় গিয়ে মাড় দেওয়ার পর পাঠানো হতো এক শ্রেণির কারিগরের কাছে। এদের কাজ ছিল কাপড়ের আলগা সূতা সাফ করে বস্ত্রটিকে পরিপাটি করা। লতার কাঁটা দিয়ে যারা এ কাজটি করতেন তাদের বলা হতো নারদিয়া। মসলিনের ব্যবহার কমে যাওয়ার সাথে সাথে তারাও বিলুপ্ত হয়েছে পেশাজীবীর তালিকা থেকে। 


নালবন্দ:

উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ঢাকায় ঘোড়ার বেশ প্রচলন ছিল। ঘোড়ার গাড়ির উদ্ভব ও বিকাশই ছিল এর মূল কারণ। ঘোড়া এবং ঘোড়ার গাড়িকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছিল নতুন এই পেশার। এদের কাজ ছিল ঘোড়ার পায়ে নাল মারা। এ পেশার সাথে নিযুক্ত শ্রমজীবী মানুষদের বলা হতো নালবন্দ। বর্তমান ঢাকায় তেমন ঘোড়া ও ঘোড়ার গাড়ি না থাকায় পেশাটিও বিস্মৃত হয়ে গিয়েছে।


তথ্যসূত্র:

ক। বাংলাপিডিয়া

খ। ঢাকা: স্মৃতি-বিস্মৃতির নগরী: মুনতাসীর মামুন। 

গ। উইকিপিডিয়া।


Dhaka

ঋষণা রূপকথা-The First Myth


আমাজনে ছোট ছোট আদিবাসী গোষ্ঠীর লোকজন বসবাস করে।,,,,

 🔺যুগ যুগ ধরে মানুষের ধারণা যে, মহাবন আমাজনে ছোট ছোট আদিবাসী গোষ্ঠীর লোকজন বসবাস করে। তাদের পোশাক হিসেবে তারা গাছের ছাল লতাপাতা, পশুর চামড়া ইত্যাদি ব্যবহার করে।  আবার অনেকের ধারনা আমাজনের লোকজন উলঙ্গ থাকত।  কিন্তু সম্প্রতি কিছু গবেষকেরা এই ধারনাকে পাল্টে দিয়েছে। ফ্রান্সের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সায়েন্টফিক  রিসার্চের 'ইনভেস্টিগেশন বিভাগ জানান যে, আমাজনের গহীন জঙ্গলে দেখা মিলল এক শহরের। বন জঙ্গলের ভিতরে লুকিয়ে ছিল হাজার হাজার বছর ধরে এই শহর। পূর্ব ইকুয়েডরের ইউপানো এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত এই শহর। শহরের রাস্তা, খাল, বাড়িঘর সমস্ত কিছু ইউপানো এলাকার সাথে সংযুক্ত ছিল। বহু বছর আগে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে এই শহর ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আমাজনে এ যাবৎ যত গুলো শহর খুঁজে পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে এই শহরটি সবচেয়ে বেশি পুরোনো। এতোবছর ধরে আমাজন নিয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা সম্পূর্ণভাবে বদলে দিলেন এই আবিষ্কার। গবেষক স্টেফান রোস্টারিন বলেন আমাজন  সংস্কৃতি ও সভ্যতা সম্পর্কে আমাদের ভাবনায় পরিবর্তন আশা উচিৎ। অ্যান্তোইন ডোরিসন বলেন, আমাজনের সংস্কৃতি সম্পর্কে এত দিনের ভুল ধারণা কাটিয়ে দিল এই শহর। তিনি আরও জানান এই শহরের রাস্তা গুলো সুপরিকল্পিতভাবে বানানো হয়েছিল। রাস্তাগুলো যথেষ্ট চওড়া এবং বহুদূর যাতায়াতের জন্যই বানানো হয়েছিল। ১৯৭০ দশকে কিছুটা সন্ধান মিলেছিল এই শহরের। অবশেষে দীর্ঘ ২৫ বছর পর গবেষকরা সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হল আমাজনে এই লুকিয়ে থাকা শহর সম্পর্কে। 

তথ্য ঋন 

ইনডিপেনডেন্ট ডেস্ক

Stay Curious SIS 

Siddiqui's International School




প্রশ্নঃপাঙাশ মাছ খেতে নিষেধ করা হয় কেন? পাঙাশ মাছ খেলে কী হয়?,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

প্রশ্নঃপাঙাশ মাছ খেতে নিষেধ করা হয় কেন? পাঙাশ মাছ খেলে কী হয়?


উত্তরঃ পাংগাস মাছ একটি অত্যন্ত সুস্বাদু তেল জাতীয় মাছ। এর পুষ্টির মান অতি উচ্চ। ওমেগা থ্রি ও সিক্স দুটোই ভালো পরিমানে পাওয়া যায়। ওমেগা সিক্সের চেয়ে ওমেগা থ্রি ভালো বেশি। পাংগাস নিয়মিত খান। আমিষ, ওমেগা থ্রি, চোখের জন্য উপকারী মিনারেল সব পাবেন পাংগাস মাছে।


তেল জাতীয় সব মাছ স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। রুই মাছের চেয়ে পাংগাস মাছ দামে কম কিন্তু পুষ্টিতে বেশি। ইলিশ মাছ, পাংগাস মাছ এসব মাছে তেল থাকে অনেক। তাই এই মাছগুলো স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ করে হার্টের জন্য অনেক উপকারী। মাছের তেল সাধারন তেল নয়। এই তেল খেলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। তাই বেশি বেশি তেলযুক্ত মাছ খান তবে অবশ্যই সেটা যেনো মোটা হওয়ার কারন না হয় সেটা লক্ষ্য রেখেই খান।


পাংগাস মাছ কেউ কেউ নিষেধ করে এর চাষের প্রক্রিয়ার কারনে। ময়লা পানিতে পাংগাস মাছ হয় এমন একটা মিথ্যা তথ্য দিয়ে পাংগাস মাছের পুষ্টি থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত করছে ।

রুই, কাতল অন্যান্যও মাছ অবশ্যই ভালো তবে পাংগাস মাছ আরো ভালো পুষ্টিকর মাছ। নোংরা জায়গায় অন্যসব মাছও হতে পারে, তেলাপিয়াও চাষ হতে পারে তাই বলে মাছ খাওয়া বন্ধ করবো? পাংগাস পুকুরে চাষ করা হয় এবং ভালো খাবার খেয়ে বেড়ে উঠে। শুধু শুধু ব্যবসা নষ্ট করতে  মাছ ব্যবসায়ীরা একটা ভুয়া তথ্য দিয়ে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।


তাছাড়া যে কোন মাছ যখন ভালোভাবে পরিষ্কার করে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রান্না করা হবে মাছের মধ্যে খারাপ কিছু থাকলে সব ধ্বংস হয়ে যায়। তাই নিশ্চিন্তে পাংগাস মাছ খান।


পড়াশেষে Done লিখুন***


ফ্রিতে মানসিক স্বাস্থ্য এবং আচরণ (সাইকোলজি) নিয়ে স্টাডি করতে যুক্ত হয়ে জান Study of Psychology গ্রুপে..




ছায়া  যুক্ত স্থানে শাক সবজি চাষ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ছায়া যুক্ত স্থানে শাক সবজি চাষ।


বাগান করার সময়, আমরা প্রায়শই ছায়াযুক্ত স্থানগুলিকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখি। এইসব জায়গার জন্য এমন গাছ খুঁজে পাওয়া অনেকসময়ই কঠিন হয়ে পারে যা এই অবস্থার সাথে মানিয়ে নিতে পারে।


ছায়াযুক্ত স্থানে শাকসবজি চাষ করা সম্ভব। তবে, সব ধরনের সবজি ছায়াতে বেড়ে উঠতে পারে না। ছায়াযুক্ত স্থানে চাষ করার কিছু ভালো সবজি হলো:


ওলকচু

মানকচু

মেটে আলু

গাছ আলু

ধুন্দল

গ্রীষ্মকালীন টমেটো

সজনে ডাটা

মাশরুম

ঢেঁড়স

ওলকপি


ছায়াযুক্ত স্থানের শাক জাতীয় সবজি:


কলমি শাক

কচু শাক

লেটুস

বিলাতি ধনিয়া

পুদিনা পাতা 


ছায়াযুক্ত স্থানের মসলা জাতীয় গাছ:

ছায়াযুক্ত স্থানে অনেক ধরনের মসলা জাতীয় গাছ জন্মায়। এই গাছগুলোর মধ্যে রয়েছে:


আদা

হলুদ

চুইঝাল

এলাচ

তুলসী

পান




 সংগৃহীত


ঢাকা থেকে বিলুপ্ত/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা। (তৃতীয় পর্ব),,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ঢাকা থেকে বিলুপ্ত/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা।

(তৃতীয় পর্ব)


সায়কালগার:

ধাতব দ্রব্যসামগ্রী তৈরি ও এ সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ছিল এ পেশাজীবীরা। এটি প্রাচীন পেশা, কেননা সে সময় যুদ্ধের সরঞ্জামের জন্য এটা আবশ্যকীয় ছিল। তারা নিজের কর্মপদ্ধতি গোপন রাখতো এবং ঘরেই কাজ করত। ইস্পাত থেকে সারাংশ বের করা,  চকচকে করা, উপাদান ব্যবহার করা ও বন্দুকের নলে ময়ূরের মতো রং করা সবই  তাদের কাজ ছিল; কিন্তু তাদের আরেকটি বড় কাজ ছিল সাধারণ লোহা থেকে ইস্পাত তৈরি করা। অধিকন্তু তারা খঞ্জর, বর্শার ফলক, তলোয়ারের বাঁট, কাটারি  তৈরি করতো।


বিদরি সাজ:

এটি একটি শৈল্পিক পেশা ছিল। ধাতুর ওপরে সুক্ষ্ম কাজকে বলা হতো বিদরির কাজ। এই কাজে দক্ষ পেশাজীবীদের  বলা হতো বিদরি সাজ। বৃটিশ আমলে ঢাকায় এই পেশার বেশ কদর ছিল। জেমস ওয়াইজের বর্ণনায় এর বিশদ বর্ণনা আছে। জেমস ওয়াইজের বর্ণনানুযায়ী, হুঁকাদান, খাটের পায়া, পানদান চিলমচি, কড়াই- এসবের ওপর সুন্দর বিদরির কাজ  হয়। এটা ছিল  বংশপরম্পরায় চালু কাজ। এখন তেমনভাবে এ কারিগরদের দেখা যায় না।


বাজুনিয়া:

এরা ছিল সংগীতজ্ঞ সম্প্রদায়। গান-বাজনার পেশায় নিয়োজিত ছিল এ সম্প্রদায়ের লোকেরা। এদের  সামাজিক মর্যাদা কম ছিল। এদের দলে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরাও অনর্ভুক্ত হয়ে নৃত্য পরিবেশন করতো। বাজুনিয়াদের সাধারণ বাদ্যযন্ত্রের মধ্যে ছিল সানাই, তবলা, ঝনঝনা, মঞ্জুরী ও নাকাড়া প্রভৃতি। এদের দলে বাইজিরাও অন্তর্ভুক্ত হয়ে গান  করতো। ১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দের লোক গণনা অনুযায়ী মুসলিম মহিলা বাদ্যকরদের পরিচিতি দোমনী নামে। বর্তমানে সঙ্গীতের শিল্পী, বাদক এবং নৃত্যশিল্পী থাকলেও পেশার নামটি হারিয়ে গেছে আমাদের মধ্য থেকে।


শিশাগর:

জেমস ওয়াইজের বর্ণনায় অনুযায়ী, পুরনো শিশি-বোতল, চিমনি ইত্যাদি কিনে নতুন করে সেগুলো বানানোর পর ফুঁ দিয়ে সেগুলোকে আকৃতি দিতো তারা। পদ্ধতি সেকেলে হওয়ায় সামগ্রীগুলো ছিল বুদবুুদে ভরা ভঙ্গুর। তবু এদের তৈরি জিনিসের চাহিদা ছিল খুব, বিশেষ করে দুর্গাপূজার  সময়। লোহার একটি নলের মাথা গলানো কাচ নিয়ে তা বারবার ফুঁ দিয়ে এবং ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ইচ্ছামতো যেকোনো আকারের জিনিস বানাতো এরা। ডান হাতে একটি লোহার চিমটা ধরে আর বাঁ হাতে লোহার নল ধরে এরা  জিনিসের বিভিন্ন আকৃতি দিতো। উনিশ শতকের ষাটের দশকে জেমস ওয়াইজ ঢাকার সিভিল সার্জন থাকাকালে এই তথ্য  সংগ্রহ করেন। এরা ছিল মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ।


বহুরূপীয়া:

এককালে ভাঁড় বা সঙ সেজে, নকল দাড়ি-গোঁফ লাগিয়ে মানুষকে আনন্দ দেওয়ার কাজকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছিল কিছু  লোক। এই পেশা মুঘল যুগেও প্রচলিত থাকার কথা অনুমান করা চলে, যেহেতু বৃটিশ আমলের প্রথম ভাগেও এই পেশার সন্ধান মেলে। বহুরূপীরা বিভিন্ন পৌরাণিক ও লৌকিক চরিত্রে সেজে, নেচে-গেয়ে, গলার স্বর পরিবর্তন করে মানুষকে আনন্দ দিতো।


লোহার:

তিন ধরনের লোহারের উল্লেখ পাওয়া যায়। এদের মধ্যে প্রথম দলে ছিল আরবীয় অনুকরণে তালা প্রস্তুতকারী হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত লোকেরা, যারা পরবর্তীতে দা'সহ কৃষি  যন্ত্র তৈরি করতো। দ্বিতীয় দলে ছিল মুঙ্গেরী সম্প্রদায়ের মানুষ, যারা নাল ও বইল গাড়ির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তৈরি করতো। তৃতীয় ধরনের লোহাররা গাড়িখানায় কাজ করতো ও ঘোড়াগাড়ির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তৈরি  করতো। এরা ছিল মুসলমান। এরা বারুদ ও সেকেলে পদ্ধতিতে বন্দুকের গুলি বানাতো এবং একই সঙ্গে বন্দুক নির্মাতা ও কাঠমিস্ত্রি।


পনিরওয়ালা:

উনিশ শতকেও ঢাকার পনির বিখ্যাত ছিল। ঢাকা ও ঢাকার আশপাশে কোথাও পনির তৈরি না হলেও হিন্দু ও মুসলমান পনির সরবরাহকারী অথবা কারিগররা থাকতেন শহরেই। ওয়াইজের বর্ণনা অনুযায়ী, পনির তৈরি ও খাওয়া দুটোতেই অংশ নিতো মুসলিম সম্প্রদায়, তখন গরুর দুধের পনিরের নাম গাইয়া বা দলামা, আর মোষের  দুধের পনিরের নাম ছিল ভাঁয়সা। বর্তমানে পনির আছে কিন্তু এ ব্যবসা চলে গেছে বড় ব্যবসায়ীদের হাতে।


নানবাই

খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুতের সাথে সম্পৃক্ত ছিল এ পেশার লোকেরা।বিভিন্ন ধরনের রুটি (শিবুমাল, নানখাতাই, বাকরখানি, পাঞ্জাকাশ, পরোটা  প্রভৃতি), এমনকি পিঠাও বানাত এরা। মুখ্যত মুসলিম সম্প্রদায়ের এসব রুটিওয়ালা  সমুচা এবং ইউরোপীয় কায়দার বিস্কুটও বানাতো। বেকারী ও ফ্যাক্টরির ক্রমবিকশে এ পেশা বিলুপ্ত হয়েছে।


গান্ধী:

সুগন্ধি দ্রব্য প্রস্তুত করতো যে পেশার মানুষ, তারা পরিচিত ছিল গান্ধী নামে।  হাকিম হাবিবুর রহমান উল্লেখ করেছেন যে ঢাকায় এককালে অনেক গান্ধী পরিবারের বাস ছিল এবং চুড়িহাট্টা মহল্লার গান্ধীগলি তাদেরই স্মৃতি বহন করছে। সে সময়ই এটি ছিল একটি প্রায় বিলুপ্ত পেশা। এই পেশার অল্প কিছু লোক আগর-সুগন্ধিযুক্ত বাতি তৈরিতে নিয়োজিত হয়েছিল।


তথ্যসূত্র:

ক। বাংলাপিডিয়া, উইকিপিডিয়া।

খ। নোটস অন রেসেস, কাস্টস অ্যান্ড ট্রেডস অব ইস্টার্ন বেঙ্গল, জেমস ওয়াইজ।

গ। ঢাকা: স্মৃতি-বিস্মৃতির নগরী: মুনতাসীর মামুন। 




লেবু গাছে ফুল আসলেও ফল হয় না বা ফুল ঝরে যায়,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 লেবু গাছ আমাদের অতি জনপ্রিয় সাইট্রাস জাতীয় ফল। লেবু গাছ বারান্দায়, ছাদবাগানে, বাড়ির পাশের খালি জায়গায় সহজেই চাষ করা যায়। লেবু গাছে সাধারণত ফেব্রুয়ারিতে ফুল আসে  এবং মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায়। কিন্তু লেবু গাছে প্রায়ই একটা সমস্যা দেখা যায় যে ফুল আসলেও ফল হয় না বা ফুল ঝরে যায়।

 আজকে এই সমস্যার কারণ ও সমাধান  নিয়ে কিছু লিখছিঃ


১/ গাছে অতিরিক্ত পানি দিলে  নিচের পাতাগুলো হলুদ হয়ে যায়, নতুন পাতা গুলো বাদামি হয়ে যায়, ফুল ঝরে পড়ে। তাই কোনোভাবেই গাছে অতিরিক্ত পানি দেওয়া যাবে না।

২/ গাছে পুষ্টির অভাব হলে ফুল ঝরে যায়। তাই গাছের প্রয়োজন মত সার দিতে হবে। ফুল আসার আগে বা পরে বোরন সার স্প্রে করে দিতে পারবেন।

৩/ গাছের শিকড় অনেক দূর পর্যন্ত যায় বিধায় টবটি আকারে বড় হতে হবে।

৪/ লেবু গাছে কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা সূর্যের আলোর প্রয়োজন হয়।  পরিপূর্ণ আলো না পেলে ফুল ঝরে যায়। তাই সূর্যের আলো নিশ্চিত করতে হবে।

৫/ লেবু গাছের রোগ বা পোকা মাকড়ের আক্রমণে ফুল ঝরে যায়। তাই রোগ ও পোকামাকড়ের জন্য বালাইনাশক ও কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।

৬/ তাছাড়াও বীজ থেকে জন্মানো গাছ হলে ফুল-ফল আসতে ৪-৫ বছর সময় লাগে। এই বিষয়টি অনেকেই জানে না বিধায় ফুল না আসার কারণে চিন্তিত হয়ে পড়েন। 

সেক্ষেত্রে ভালো হয় কলম করা লেবুর চারা সংগ্রহ করা। তাতে দ্রুতই ফুল ও ফলের দেখা পাবেন।


আমাদের অফিসঃ ৫৯, মিয়া টাওয়ার, দ্বিতীয় তলা, পশ্চিম আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭।

ওয়েবসাইটঃ www.thegreensavers.org

কৃষিবিদ মীর রুকাইয়া ইসলাম 

গ্রিন সেভার্স, ঢাকা।



নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...