এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০২৪

কীভাবে বুঝবেন শরীরে টক্সিন আছে!,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 😲 কীভাবে বুঝবেন শরীরে টক্সিন আছে! 🦠


🫵 আসুন জেনে নিই:


১) কোষ্ঠকাঠিন্য

২) ওজন বেড়ে যাওয়া

৩) একটুতেই ক্লান্ত লাগা

৪) চর্ম রোগ

৫) মাথা ব্যথা

৬) মুড সুইং

৭) পেশিতে ব্যথা

৮) শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া

৯) প্রচুর ঘামা

১০) অনিদ্রা

১১) নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ

১২) হজমে সমস্যা

.

🦠 নীরব ঘাতক টক্সিন 🦠

.

টক্সিন হচ্ছে এক ধরণের জৈব বিষ যা দীর্ঘ সময় নিয়ে শরীরে প্রবেশ করে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অর্গানগুলোকে আক্রান্ত করে ফেলে। শরীর থেকে টক্সিন বের হতে না পারলে তা আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষকে আক্রমণ করে বসে যা পরবর্তীতে বিভিন্ন জটিল রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

.

🧑‍ ⚕️ শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য এইসব টক্সিন শরীর থেকে দূর করা খুবই প্রয়োজন। অর্থাৎ, শরীরকে ডিটক্স (Detox) করা প্রয়োজন। তাই সহজ উপায়ে শরীর থেকে টক্সিন বের করার জন্য আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ডিটক্স ফুট প্যাড। ডিটক্স ফুট প্যাড, ডিটক্সিফিকেশন ফুট প্যাচ নামেও পরিচিত, যা সাধারণত পায়ের তলায় ব্যবহার করা হয়।

.

✨ আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো আমরা সরাসরি চায়না থেকে আমদানি করে থাকি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো উৎপাদন করা হয়ে থাকে বিধায় বাজারের অন্যান্য ডিটক্স ফুট প্যাচ থেকে আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো স্বাস্থ্যকর ও মানসম্মত। আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো আঠা দিয়ে সংযুক্ত থাকায় আপনি ঝামেলাহীনভাবে খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন।

.

🌮 🍕 🍺 🏭 প্রতিদিনই খাদ্য, পানীয় ও দূষণ নানা উপায়ে আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে টক্সিন। এটি শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক। ☠️

.

🦠 টক্সিনের মাত্রা বেড়ে গেলে স্বাস্থ্যহানি হতে পারে। 🛌 💊 🩺

.

🛍️ বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ 👇


https://etcshopbd.com/


"Detox Foot Patch ব্যবহার করে শরীর থেকে Toxin দূর করুন, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকুন।"


ফেইসবুক থেকে নেওয়া গল্প

 ছোট খাটো একটা চাকরি করি। গত মাসে বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি, প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে। আজ ইফতারি দিয়েছি জামাইয়ের বাড়িতে, প্রায় ১৫,০০০৳ টাকা খরচ করে। একটু আগে মেয়ের ফোন।


- বাবা, কেমন আছেন?


- হ্যাঁ, মা ভালো। তুই ভালো আছিস ত?


- আছি বাবা ভালো।


- এইভাবে বলছিস কেনো? তোর শ্বশুররা খুশি হয়েছে তো?


- ওরা কিছু বলেনি। ফুফু (জামাইয়ের ফুফু) বলেছে ইফতারি একটু কম হয়েছে।


- (তখন আমার চোখের পানি টলটল করছিল) আচ্ছা মা বলিস, পরের বার থেকে আরো বাড়িয়ে দিবো।


- বাবা শুনো। তুমি আমাদের বাড়িতে ঈদে কাপড় দিবে না?


- হ্যাঁ মা, দিবো। কেনো?


- তুমি কাপড় দিওনা। খালা (জামাইয়ের খালা) বলেছে, কাপড় দিলে সবার পছন্দ হবে না। কাপড় না দিয়ে টাকা দিয়ে দিতে। ৩০,০০০৳ টাকা দিলে, সবার নাকি হয়ে যাবে।


- আচ্ছা মা। তুই চিন্তা করিস না। আমি এখনও বেঁচে আছি।


(আমার বুঝতে দেরী হলো না, এতক্ষণে মেয়ের চোখের অনেক জল গড়িয়ে পড়েছে।)


- আচ্ছা বাবা, এখন রাখি।


- আচ্ছা মা, ভালো থাকিস।


রাতে ছোট ছেলে নামাজ থেকে আসলো।


- বাবা, তুমি আছো?


- হ্যাঁ, আছি। কিছু বলবি?


হ্যাঁ, ঈদের পর ২য় সপ্তাহে সেমিস্টার ফাইনাল। বেতন, ফর্ম ফিলাপ ও অন্যান্য সহ ২৫ হাজার টাকা লাগবে। আমার টিউশনির কিছু টাকা আছে। আপনি ২০ হাজার দিলে হবে।


- আচ্ছা দেখি। খেয়ে ঘুমিয়ে পর।


না বাবা, লেট হলে এক্সাম দিতে পারবো না।


নতুন জামাই! বাড়িতে মৌসুমী ফলমূল দিতে হবে। তাতে ১০-১৫ হাজার টাকা দরকার। ঈদের পরে আবার কোরবানি, মেয়ের বাড়িতে গরু দিতে হবে। গরুর যে দাম, কমপক্ষে ৫০,০০০৳ টাকা তো লাগবে। আবার নিজের জন্য ও একটা লাগবে।


এইখানে শেষ নয়, আরো রয়েছে মেয়ের বাড়িতে দেওয়ার বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন আয়োজন।


এই সব চিন্তা করতে করতে না খেয়ে শুয়ে পড়েছি। নাবিলার মা অনেক কিছু জিজ্ঞেস করেছিলো, কিছু না বলে শুয়ে পড়েছি। 


মাথায় একটা বিষয় কাজ করছে। টাকা! টাকা! আর মেয়ের সুখ।


এইভাবে রাত ১২ টা। হঠাৎ করেই বুকের ব্যথাটা বেড়ে গেছে। ধীরে ধীরে আমি দুর্বল হয়ে যাচ্ছি। আমার হাত-পা গুলো অকেজো হয়ে আসছে। আমার সারা জীবনের অনেক স্বপ্ন অসমাপ্ত রয়ে গেছে। সেই চিন্তা গুলো এখনো আমার পিছু ছাড়ছে না। 


পরদিন সকাল বেলা। সবাই কান্নাকাটি করছে। আমার ছোট মেয়ে আর আমার প্রিয় স্ত্রী সব চেয়ে বেশি কাঁদছে। শুনলাম বড় মেয়ে ইতি এরই মধ্যে এসে গেছে। সবার দিকে চেয়ে থাকলাম। অনেক কিছু বলতে চাচ্ছি। কিন্তু কিছুই বলতে পারতেছিনা। ঠিক ২ মিনিট পর আর কিছু জানি না।


এইভাবে হারিয়ে যাচ্ছে অনেক বাবা। আর বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শত শত ছেলে-মেয়ে। হয়তো অনেকে এখন ও জানে না, তাদের বাবার মৃত্যুর রহস্য।


এইভাবে প্রতিনিয়ত আমরা হারাচ্ছি আমাদের প্রিয় বাবাদের।


আমাদের এই কু-প্রচলন কি পরিবর্তন হবে না? হচ্ছে না কেনো? কেন হচ্ছে না?


শহরে কিছুটা পরিবর্তন হলেও গ্রামে ৯০% লোক এই কু-প্রচলন থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি। 


চলুন আমরা জেগে উঠি। ধ্বংস করি এই অপসংস্কৃতি।


- লিখা সংগৃহীত আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝার তৌফিক দান করুন আমিন



পঞ্চদশ শতকের পর্তুগীজ দুর্গ সাহেবগঞ্জ পর্তুগীজ সেনাপতি এন্টেনিও ডি সিলভা মেনজিস ১৫৪০-৪৬-এর মধ্যে এ দুর্গটি নির্মাণ করেন,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পঞ্চদশ শতকের পর্তুগীজ দুর্গ সাহেবগঞ্জ পর্তুগীজ সেনাপতি এন্টেনিও ডি সিলভা মেনজিস ১৫৪০-৪৬-এর মধ্যে এ দুর্গটি নির্মাণ করেন। পর্তুগীজরা এ অঞ্চলে জলদস্যুতা করতো। শের শাহের আমলে পাঠান সেনাপতি খিজির খানের সাথে এখানে পর্তুগীজদের যুদ্ধ হয়েছিলো। খিজির খান জলদস্যুদের বিতাড়িত করেছিলেন। তাদেরই (পর্তুগীজ) বংশধরদের বংশধর এখনও এখানে বসবাস করছে।


চাঁদপুর জেলা সদর থেকে ডাকাতিয়া নদী পার হয়ে চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে ষোল কি. মি. দক্ষিণ-পূর্ব দিকে গেলেই ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদর। উপজেলার সর্ব দক্ষিণের ইউনিয়ন ১৬ নং রূপসা। এই রূপসা ইউনিয়নের একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদের নাম সাহেবগঞ্জ। অন্যসব গ্রামের চেয়ে এই গ্রামের স্বকীয়তার পেছনে লুকিয়ে আছে এক ঐতিহাসিক বিশিষ্টতা। এখানে রয়েছে ধ্বংসপ্রাপ্ত এক পর্তুগীজ দুর্গ। এই দুর্গটি পাঁচ শতাধিক বছর পূর্বে স্থাপন করেছিলেন পর্তুগীজ এক দুর্ধর্ষ সেনানায়ক এন্টেনিও ডি সিলভা (মেনজিস)। ১৫৪০ থেকে ১৫৪৬ সালের মধ্যে সিলভা এটি নির্মাণ করেন। তখন সুবে বাংলা পাঠান সম্রাট শের শাহের শাসনাধীনে ছিলো। জনশ্রুতি আছে, পর্তুগীজদের দমনকালে শের শাহের সেনাপতি খিজির সম্রাটের আসল নাম অর্থাৎ ফরিদ এই নামানুসারেই এক নয়াবসতি স্থাপন করেন। এর নাম ফরিদগঞ্জ। তখন ফরিদগঞ্জের অবস্থান ছিলো সমুদ্র তীরবর্তী। পর্তুগীজ সেনা তথা লুটেরাদের তাড়া করতে করতে নৌ-বহর নিয়ে খিজির খান এখানে আসেন। খিজির খান চলে যাওয়ার পর বাংলার অপর পাঠান শাসক, মাহমুদ শাহের সেনাপতি হামজা খানের সহায়তায় পর্তুগীজরা সমুদ্রোপকূলীয় এলাকায় বাণিজ্য কুঠির আড়ালে কিছু সংখ্যক দুর্গ স্থাপন করে। সাহেবগঞ্জ তেমনি একটি দুর্গ। এই দুর্গটি স্থাপনের প্রায় তিনশ’ বছর পরে কিছুদিন নীলকুঠি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই স্থানীয় জনগণ এটিকে সাহেবগঞ্জ নীলকুঠি হিসেবেই জানে। ইতিহাসের একটি অধ্যায় ঢাকা পড়ে যায় নীলকুঠির আবরণে। ঢাকা পড়ে যায় পর্তুগীজদের নির্মম অত্যাচার আর অসহায় বঙ্গবাসীর অনেক করুণ ইতিহাস।

পরবর্তী সময়ে কোনো পর্যটক বা ইতিহাসবিদ ভেবে দেখলেন না, নীলকুঠি এতো বৃহৎ আকারের হয় না। নীল কুঠিতে হাতীশালা থাকে না, থাকে না সুউচ্চ পর্যবেক্ষণ মিনার অথবা সৈনিকদের জন্যে গার্ড শেড বা সেনাচৌকি, থাকে না কোনো সুড়ঙ্গ পথ। সাহেবগঞ্জ দুর্গটি বিস্তৃত প্রায় দু’শ’ একর। এখানে আজ অবধি বিদ্যমান ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ পথ, একটি পঁয়তাল্লিশ ফুট উঁচু পর্যবেক্ষণ মিনার, পাহারাদারদের ব্যবহৃত চৌকি, বিভিন্ন পর্যায়ের সৈনিকদের আবাসের ভগ্নাংশ। ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ দুর্গ এলাকার ভেতরে অনেক বাড়িঘর উঠেছে। স্থানীয় জনসাধারণ এবং প্রত্নসম্পদ লুণ্ঠনকারী তস্কররা ভেঙ্গে নিয়ে যাচ্ছে এই প্রত্নসম্পদের বিভিন্ন স্থাপনার ইট।

দুর্গে রয়েছে একটি পর্যবেক্ষণ মিনার বা টাওয়ার। এই মিনারটি দুর্গের একমাত্র অক্ষত স্থাপনা। এটির অবস্থান দুর্গের দক্ষিণে এবং দুর্গের বর্ধিত অংশে একটি অনুচ্চ মাটির ঢিবির ওপর। এর বর্তমান উচ্চতা ১৫.৬০ মি. এবং পাদদেশের পরিধি ১০.০৩ মি.। চারটি ধাপে ঊর্ধ্বগামী এ মিনারের প্রতিটি অংশেই এর পরিধি হ্রাস পেয়েছে। এর ছাদ একটি গম্বুজ দিয়ে ঢাকা। প্রতিটি ধাপের পশ্চিম ও পূর্বদিকে খিলান দরজা রয়েছে। মিনারের ভেতরের অংশে চুনা-সুড়কির প্রলেপ রয়েছে। মিনারটির ভেতর অংশে এক সময় একটি শিলালিপি ছিলো। এখন এর অস্তিত্ব না থাকলেও নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া শিলালিপিটির অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব। মিনারটি সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তিনটি বক্তব্য প্রচলিত আছে, প্রথমত, এটি একটি চেরাগদানী>বাতিঘর ছিলো, দ্বিতীয়ত, পর্তুগীজ সেনারা দূরবর্তী জলসীমার স্বপক্ষীয় নৌ-যান অথবা শত্রু নৌ-যান দূরবীনের সাহায্যে পর্যবেক্ষণ করতো, তৃতীয় মত, এটি দুর্গের স্বাভাবিক স্থাপনার একটি অংশ, শত্রুসেনার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করাই এর উদ্দেশ্য ছিলো। এটি সুড়ঙ্গ পথে দুর্গের অন্য অংশের সাথে সম্পৃক্ত ছিলো। Collected






বাংলার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার----ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাংলার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার----


১৯৪৭ সাল | দেশ স্বাধীন হল | প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যয়নে তখন পুরুষদের একচ্ছত্র আধিপত্য | পশ্চিমবাংলার বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ তখন প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যয়নের অন্যতম পীঠস্থান | ১৯৪৭ সালেই পশ্চিমবাংলার তৎকালীন নিকুঞ্জ বিহারী মাইতি বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের দরজা খুলে দিলেন মহিলাদের জন্যে | প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন দুইজন ছাত্রী | ভর্তি হলেন দুজনেই | কিন্তু একজন দ্বিতীয় বর্ষেই কলেজ ছাড়লেন | রইলেন একজন ছাত্রী | ১৯৫১ সালে তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করলেন | তিনিই ছিলেন বাংলার প্রথম ইঞ্জিনিয়ার | গোটা ব্যাচে তিনিই ছিলেন একমাত্র ছাত্রী | বাকি সকলেই ছিলেন ছাত্র |


তিনি ইলা মজুমদার | জন্ম ১৯৩০ সালের ২৪শে জুলাই বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মাদারীপুর গ্রামে | পিতা যতীন্দ্র কুমার মজুমদার ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট | মা ছিলেন গৃহবধূ | যতীন্দ্রবাবু ছোট থেকেই মেয়েকে মুক্ত পরিবেশে বড় করে তোলেন | ১২ বছর বয়সেই ইলা সাইকেল চালাতে পারত | মাত্র ১৬ বছর বয়সে শিখেছিলেন জিপ চালানো | খুলনায় তিনি নবম শ্রেণী অবধি পড়াশোনা করেন | এরপর ১৯৪৫ সালে ইলাদের পুরো পরিবার কলকাতায় চলে আসে | সেই বছর ইলা স্কুলে ভর্তি হতে পারেনি | ভর্তি হন পরের বছর | দ্বিতীয় বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন | এরপর তিনি ভর্তি হন আশুতোষ কলেজে | সেখান থেকে প্রথম বিভাগে আইএসসি তে উত্তীর্ণ হন |


এরই মধ্যে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ইলা ভর্তি হন বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে | প্রচন্ড শারীরিক পরিশ্রম দরকার বলে অধ্যক্ষ তাকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে নিষেধ করেন | শেষে ইলা ভর্তি হন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে | প্রসঙ্গত উল্লেখ্য তিনি ডাক্তারি পড়ার সুযোগও পেয়েছিলেন কিন্তু যাননি | তিনিই ছিলেন ওই কলেজের প্রথম মহিলা ছাত্রী তথা বাংলার প্রথম ইঞ্জিনিয়ার | প্রথম প্রথম মানিয়ে নিতে অসুবিধা হলেও ধীরে ধীরে ছাত্রদের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে যায় তার | তখন ছাত্রীদের জন্যে আলাদা হোস্টেল ছিল না তাই ইলা মজুমদার থাকতেন লাইব্রেরির বাম প্রান্তের একটি ঘরে | সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান পুলিন বিহারী ঘোষ এই সময় তার পাশে দাঁড়ান | কলেজে তিনিই ছিলেন ইলার অভিভাবক |


১৯৫১ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হলেন ইলা। তারপর ট্রেনিং করতে যান গ্লাসগো | ট্রেনিং শেষে ভারতে ফিরে এসে দেরাদুনের অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে কাজে যোগ দেন | তিনি ভারতের প্রথম মহিলা যিনি ভারী যন্ত্রাংশ তৈরীর কারখানায় কাজ করেছেন। সেই সময় ইলা থাকতেন স্টাফ কোয়ার্টারে | ওখানে ছয় মাস চাকরি করার পর দিল্লি পলিটেকনিক কলেজে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন | এরপর কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ জুট টেকনোলজিতে লেকচারার ছিলেন তিনি। কলকাতার প্রথম মহিলা পলিটেকনিক কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি। ইলা মজুমদার ছিলেন ওই কলেজের প্রথম প্রিন্সিপাল | তার কর্মকান্ডে মুগ্ধ হয়ে ১৯৮৫ তে জাতিসংঘের তরফ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ঢাকা শহরে একটি মহিলা পলিটেকনিক কলেজ খোলার। সেই সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে ছাড়তে রাজি ছিলেন না। পরে অবশ্য তিনি সাফল্যের সঙ্গেই কাজটি সম্পন্ন করেন।


ইলা মজুমদার ছিলেন ব্যতিক্রমী এক মহিলা। পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোয় এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম | গড়ে তুলেছেন ইতিহাস । শ্রদ্ধা জানাই 🙏


সংগৃহীত


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ১২-০৩-২০২৪ ।

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১২-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


দেশের আকাশে গতকাল পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে - আজ থেকে শুরু হয়েছে সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। দেশবাসীকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা। 


‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা - চিকিৎসা বিজ্ঞানে আরও গবেষণার ওপর গুরুত্ব আরোপ।


রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি দিলে আরও জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে বিএনপি - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, রমজানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার বদ্ধপরিকর।


ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে দেশে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ শুরু।


মুসলমানদের পবিত্র রমজান মাসে গাজায় যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগ প্রকাশ।


ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে পৃথক ভেন্যুতে আজ তিনটি খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

বাবা সব সময় পিছিয়ে থাকে, জানি না কেন",,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "বাবা সব সময় পিছিয়ে থাকে, জানি না কেন"


১। মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।


২। মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।


৩। মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে।  জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।


৪। ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।


৫। আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।


৬। মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না।  তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।


৭। বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন।


৮। মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না।


৯। বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো।


বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড।আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...


 *সমস্ত বাবাদেরকে উৎসর্গ করছি*  

সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবা দেরকে!


লেখা ও ছবি সংগৃহীত।

একটি মনবিক আবেদন,,,,, ইলিশ বাড়ি ফেইসবুক স্পন্সর থেক নেওয়া

 https://www.facebook.com/61554140757082/posts/pfbid0joEHW3axDMv7sUEPKYDhgL1bAJAfofiTDErv6YF1KF3v8SdLuoCPg4eQXg8ktoGgl/?app=fbl

আসসালামু আলাইকুম ,

প্রিয় দেশী ও প্রবাসি ভাই ও বোনেরা

আমার এক মাএ ছোট বোন ক্লাস ৮ পড়ে মেধাবী ছাএী তাসমিয়া আক্তার কে বাঁচাতে দেশের ধনী গরীব সকল কে ১০.২০.৫০.১০০.টাকা যে যতটুকু পারেন সাহায্য সহযোগিতা দান করার অনুরোধ রইলো।

আমার বোনের টিউমার টা অপারেশন করাতে ইন্ডিয়া যেতে হবে সম্ভবতো সেখানে ৪ লাখ টাকা মতো লাগবে

এখন বর্তমান ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।

আমি বর্তমান অটো বাইক চালাই।

আমার পরিবারের মোট ৬ জন সদস্য বাবা নেই আমিই এক মাএ উপার্জন কর্মি আমার পরিবারের সদস্যদের বর্তমান ঠিক মতো খাবার ও দিতে পারি না

কিন্তু এতো টা ব্যায়বহুল চিকিৎসা কি ভাবে করাবো 

 আমার কাছে যা ছিল ইতি মধ্য শেষ হয়ে গেছে এখন শুধু বাড়ির ৪ শতাংশ জমি ছাড়া আর অটো বাইক ছাড়া আমাদের কিছু নেই।

    তাই আপনাদের কাছে আমার বোনের চিকিৎসার জন্য ৫০,১০০.টাকা ভিক্ষা চাই ।

          এমন পোস্ট দেখলে কেন যেন কেউ রেসপন্স করে না... লাইক বা স্যাড ইমো দিয়ে চলে যায় ... অথচ ৫০০০ মানুষও যদি ১০০ টাকা করে দিতেন, ৫ লক্ষ টাকা উঠে যেতো ... ১০০ টাকা কি খুব বেশি? 


দয়া করে এগিয়ে আসুন ... একদিন হয়তো আমার দরকার হতে পারে, আপনার দরকার হতে পারে ... সেদিনও অন্যরা এগিয়ে আসবে !!

#মনে_রাখবেন_দান_করলে_কখনো_কমে_যায়না_বরং_আল্লাহপাক_খুশি_হয়ে_আরো_দেই.


                ঠিকানা --

      মজনু সাহেবের মাদ্রাসা পিছনে, শানতলা,

               আরংঘাটা, দৌলতপুর, খুলনা ।

    বর্তমানে ভর্তি আছে PG HOSPITAL

   সি ব্লক  3nd ফলোর,320 নাম্বার রুম, 19 নাম্বার বেড।

          ( সাহায্য পাঠানো মাধ্যম ) 

           

             #bKash Personal No:01777- 263544

            #Nagad personal No:01777- 263544

            

            

    সবাই কে পোস্ট টা শেয়ার করার জন্য বিনীতি অনুরোধ রইলো।আল্লাহ তুমি পৃথিবীর সকল মা বাবা ভাই বোন কে সুস্থ থাকার তাওফিক দান করুন,আমিন।আশাকরি যারা সাহায্য সহযোগিতা করবেন কেউ খালি হাতে ফিরিয়ে দেবেন না।এখনো প্রায় এক লক্ষ টাকা বাকি আছে প্লিজ সবাই সাহায্য সহযোগিতা করুন।।।








সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪

একটা মানবিক আবেদন,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া


 একটা মানবিক আবেদন...


আপনারা যারা আম, লিচু, কাঠাল, জাম খাবেন,

খাবার পর তার বীজ/আঠি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে একটি কাগজে মুড়ে রেখে দিন।

যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের অনুর্বর ফাঁকা জমিতে একে একে ছিটিয়ে দিন। আসছে বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নিবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছও বেচেঁ থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবচেয়ে বড় উপহার।

ফলের গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজ রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে। 

যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়।।


তাছাড়া ও এই গাছ হতে যাঁরা ফল খাবে বা ব্যাবহার করবে আপনার জন্য থাকবে নেকি ও সওয়াব ইন শা আল্লাহ🌹🌹


collected


চন্ডীদাস ও রজকিনীর ঐতিহাসিক ঘাট,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া




 চন্ডীদাস ও রজকিনীর ঐতিহাসিক ঘাট। মাগুরা জেলা প্রেমিক প্রেমিকার পবিত্র মনের ভালোবাসার বন্ধন যে কেমন হতে পারে তা এরা শিখিয়ে গেছেন। এই চণ্ডীদাস আর রজকিনীর প্রেমকাহিনী কোনো কিংবদন্তি নয়, এটি একটি সত্য ঘটনা যা এখানেই শুরু হয়েছিল।মাগুরা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে শালিখা উপজেলার শতখালি ইউনিয়নের ধোপাখালী গ্রাম। চণ্ডীদাস-রজকিনীর স্মৃতিঘেরা ধোপাখালী গ্রামটা পাখ-পাখালির ডাকে ছায়া সুনিবিড় সত্যিকারের বাংলার গ্রাম। জনশ্রুতি আছে ১৪ শতকের শেষ ভাগের দিকের ঘটনা। চণ্ডীদাসের বাবা ছিলেন এ এলাকার একজন ছোটখাটো ব্রাহ্মণ জমিদার আর রজকিনী ছিল ধোপার মেয়ে। অপরূপা রজকিনীকে দেখে চণ্ডীদাস জাতপাত ভুলে তার প্রেমে পড়ে যায়। তাদের দুজনের বাড়ির মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে নদী। রজকিনী ওপারের ঘাটে কাপড় ধুতে আসলে চণ্ডীদাস মাছ ধরার ছলে বড়শি নিয়ে এপারে বসে তাকে দেখত। এভাবে চলতে থাকে ১২ বছর। ১২ বছর পর একদিন রজকিনী চণ্ডীদাসকে জিজ্ঞেস করে, ‘বরশিতে কি মাছ ধরে’ আর তখনই শুরু হয় তাদের কথোপকথন। কিন্তু সমাজ তাদের এ প্রেম মেনে নেয় না। নানা অপবাদে জর্জরিত হয়ে প্রেমিক-প্রেমিকা একদিন সব ছেড়ে পালিয়ে যায় ভারতের বাকুরা ছাতনা গ্রামে। সেখানেও সুখ না মিললে তারা বৃন্দাবনে চলে যান, তারপর তাদের কোনো খোঁজ আর পাওয়া যায়নি। ছবি ধোপাখালী গ্রাম মাগুরা৷  


একজন শিক্ষিত "পাঠা"র গল্প শুনুন..,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একজন শিক্ষিত "পাঠা"র গল্প শুনুন...... 

এক গ্রামে একজন লোক ছিল। তার নাম ছিল রিপ্লেস পাঠান। বিয়ের পর তার  একটা ছেলে হইছে। আদর করে  নাম রাখছে "আবু পাঠান"। 


এ গ্রামের ছেলেরা অনেক দুষ্ট ছিল। শয়তানি করে আবু পাঠানের পুরো নাম বলেনা। পাঠানের শেষে ন অক্ষর বাদ দিয়ে সবাই তাকে "আবু পাঠা" বলে ডাকা শুরু করে। একসময় ফাজিল পোলাপান আরো সংক্ষেপে ডাকার জন্য নামের শুরু থেকে আবু শব্দটিও বাদ দিয়ে শুধু "পাঠা" বলে ডাকতে শুরু করে।  কি আজব রে বা! 


যাইহোক এ "পাঠা"কে তার বাবা মা চেষ্টা করে বাংলাদেশের লেখাপড়া কমপ্লিট করায়। এরপর উচ্চ ডিগ্রী আনার জন্য বাহিরে পাঠায়।   ডিগ্রী নিয়ে দেশে ফেরার পর দেখে যে চোরে দেশটা ভইরা গেছে। তবে চোরদের সাথে চাকরী করার চিন্তাভাবনা না করে সর্বশেষ  বিশাল বড় একটি গাভীর খামার দেয়ার পরিকল্পনা করে খামার দিয়ে দিল।


এলাকার লোকেরা এখামার দেখে অনেক খুশি হয় এবং সেইসাথে তারা  তাদের সন্তানদের জন্য "পাঠা"র ফার্ম থেকে প্রতিদিন দুধও নেয়। 


কিন্ত এ শিক্ষিত পাঠা কিছুদিন পরপর দুধের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের ভেজাল করতে থাকে। যেমন ধরেন - 

▪️প্রথমে ১০কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায়

▪️কিছুদিন পর ৮কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায়

▪️তার কিছুদিন পর ৫ কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায় 

▪️এরও কিছুদিন পর ৫ কেজি দুধে ৫কেজি পানি আর ১টা কনডেন্স মিল্কের  মেশায়। 

▪️সর্বশেষ এবার "পাঠা স্যার" গরুর দুধ পাশের এলাকে সাপ্লাই দিয়ে এলাকার মানুষকে শুধু কনডেন্স মিল্কের সাদা পানি খাওয়াতে শুরু করে


এলাকার লোকেরা পাঠার এমন গোঁজামিলের খবর অনেকে বুঝেও কেউ কোনো উদ্যোগ নেয়না বা কিছু বলেনা এবং প্রতিবাদও করেনা। ফলে পাঠার মহা সুযোগ তৈরি হয়।


পাঠার এমন কাণ্ড দেখে  এলাকার ইমাম সাহেব ২টি গাভী কিনে জনগণকে খাঁটি দুধ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেন। এবার ইমাম সাহেবের এমন উদ্যোগকে সকলে স্বাগত জানায় এবং তার কাছ থেকে এলাকার লোকজন  দুধ সংগ্রহ করতে শুরু করে। 


পাশের এলাকার ইমাম সাহেব এ এলাকার ইমামের সাহেবের কার্যক্রম দেখে উৎসাহ পান। তিনিও তার এলাকাতে একটি খাঁটি দুধের খামার গড়ে তুলেন। একটা পর্যায়ে বহু ইমাম ও আলেমরা খাঁটি দুধের খামার করে। জনগণও তাদের সন্তানদের জন্য হুজুরদের কাছ থেকে এ খাঁটি দুধ নেয়ার দৃঢ় সংকল্প করে। 


আর ঠিক তখনই শিক্ষিত স্যার "পাঠা" সাংবাদিকদের বলে যে, "যত্রতত্র খামার গড়ে উঠে কারণে আজ আমার খামারে ক্রেতার কমতি"। শত হলেও তো সে শিক্ষিত। তাই তার এ উক্তি সকল পত্রিকার হেড লাইনে ছাপা হল। 


সর্বশেষ বলি, আমার লিখা এ গল্পটি কাল্পনিক। তবে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুধের সাথে তুলনা করলে অনেক কিছু উপলদ্ধি করতে পারবেন। আজ এ পর্যন্তই থাক। দুআ চাই। মনে চাইলে শেয়ার কইরেন।

আবু মুহাম্মাদ রেজাউল করীম

Abu Muhammad Rejaul Karim 

মত প্রকাশের স্বাধীন নাগরিক, বাংলাদেশ

05.03.2024

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...