এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪

তারাবীর নামাজ আদায় করার নিয়ম,,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔲 তারাবীর নামাজ ২০ রাকাত আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন, তাবে তাবেঈন ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করেছেন। সুতরাং বিনা কারনে ইচ্ছাকৃতভাবে অলসতার ধরুন তারাবীর নামাজ ত্যাগ করা জায়েজ নেই, এতে সুন্নত তরক করার কারনে গুনাহ হবে। [মুসান্নাফে ইবনে আবি শাঈবা- ৭৭৭৪]


🔸 হাদীসে পাকে বর্ণিত আছে, রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাদানের ভিতরে এবং বাহিরে (রাত্রিবেলায়) সর্বমোট ১১ রাকাত নামাজ আদায় করতেন। আর সেটি হচ্ছে ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ এবং ৩ রাকাত বেতের। [সহীহ বুখারী- ৩৫৬৯]


⭕ উপরোক্ত হাদীসে রমাদানের “ভিতরে এবং বাহিরে” শব্দটির উল্লেখ রয়েছে। তাহলে রমাদানের বাহিরে যেটা তাহাজ্জুদ, সেটা রমাদানের ভিতরে তারাবী হয় কিভাবে..?? আমাদের দেশের আহলে হাদীস ভাইয়েরা এখানে এসে হাদীসের ভুল ব্যাখ্যা করে থাকেন, আর তাহাজ্জুদের হাদীসকে তারাবীর হাদীস বলে প্রচার করে দেন.!!


🔹 এতে মানুষ ভুল জেনে কম আমল করে আর বেশি সওয়াব অর্জন করার ফজিলত থেকে বঞ্চিত হয়.!! তাই এই ব্যাপারে খুব বেশি সাবধানতা অবলম্বন করা চাই। তারাবীর নামাজ ২০ রাকাত আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা যেটা কিনা ১০০ এরও অধিক সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানিত.!


🔲 আর রমাদান মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০-৭০০ গুনের চেয়েও বেশি পরিমান বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তাই রমাদান মাসে আমলের ব্যাপারে কোনো প্রকার অলসতা, অবহেলা কিংবা গাফলতি করা যাবে না।


🔸 সুতরাং তারাবীর নামাজ ২ রাকাত করে সর্বমোট ২০ রাকাত আদায় করতে হবে। তবে অসুস্থতার ধরুন কারো পক্ষে যদি ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে সে সাধ্য মোতাবেক ৪/৮/১০/১২...২০ রাকাত নামাজ আদায় করতে পারবে।


 ⭕ মৌখিকভাবে আরবীতে কোনো প্রকার নিয়ত করার কথা কুরআন হাদীসে বর্ণিত নেই। কারন নিয়ত অন্তরের সাথে সংশ্লিষ্ট, মুখের সাথে নয়। তাই নিয়ত করার ক্ষেত্রে মনে মনে স্মরণ করতে হবে, আমি ২ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায়ের নিয়ত করলাম, আল্ল-হু আকবার..।


🔹 তারাবীর নামাজের ২ অথবা ৪ রাকাত পর পর কিংবা একেবারে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করা শেষে দোয়া করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো দোয়া নেই, নিজের মতো করে যে কোনো প্রকার দোয়া করা যাবে ইন শা আল্লাহ ✅


🔲 এশার ৪ রাকাত ফরজ, ২ রাকাত সুন্নত এবং ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করে সর্বশেষ ৩ রাকাত বেতের নামাজ আদায় করতে হবে। তবে নিয়মিত তাহাজ্জুদ আদায়ের অভ্যাস থেকে থাকলে শেষ রাত্রিতে তাহাজ্জুদ আদায় করে এরপরে বেতের নামাজ আদায় করতে হবে।




শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪

হোম মেইড চিপস,,,,, মাগুর অনলাইন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌙হোম মেইড চিপস 🌙


🌙১ কেজি অর্ডারে ডেলিবারি চার্জ ফ্রি😱


🌙ছোট থেকে বড় সবাই আমরা চিপস খেতে খুব পছন্দ করি তাই আপনাদের জন্য হোমমেড চিপস নিয়ে হাজির হলাম 😋😋


অগ্রিম কোন টাকা দিতে হবে না!!

সারাদেশে ডেলিভারি হোম চার্জ ফ্রি।

সাথে আরো 50 গ্রাম মসলা ফ্রি - ফ্রি- ফ্রি


🌙আবার আকর্ষণীয় মূল্যে পাচ্ছেন,  তার মধ্যে আমাদের প্যাকেজিং ও সার্ভিস খুব ভালো পাবেন চিপস ভেঙ্গে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার কোনো চান্স নেই🥰


🌙১ কেজি কেমিক্যাল মুক্ত হোমমেড চিপস বাজারের ৯০+ প্যাকেট এর সমান 🍅 এই চিপস বাচ্চারা নিমিষেই শেষ করে দিতে পারে। সাথে থাকছে কুরমুরে চিপস এর সাথে বাজারের ক্ষতিকারক মুক্ত মশলা বিট লবণ, টেস্টিং সল্ট ও কেমিক্যাল এসিড ফ্লেভার মুক্ত মজাদার হোম মেইড মসলা ফ্রি।


উপাদান: আলু, সাবুদানা, ভুট্টা ও ময়দা।


🕌আমি মরিয়ম সুলতানা কাজ 

করছি হোমমেড ফুড নিয়ে,

 অনার অফ মরিয়ম ফুড গ্যালারি🕌


আমার পণ্যের দায়ভার সম্পূর্ণ আমার, গ্রুপ কতৃপক্ষ কোনভাবেই এরজন্য দায়ী নয়।



কাঁঠাল দিয়েই সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উম্মোচিত হবে বাংলাদেশে,,, Dhanmondi organic hous ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কাঁঠাল দিয়েই সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উম্মোচিত হবে বাংলাদেশে। শুধু কাঁচা কাঁঠাল রপ্তানি করেই আয় করা সম্ভব বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। one country one priority product হিসেবে বাংলাদেশের product হলো Jackfruit- কাঁঠাল। 

কিন্তু আমাদের দেশে কাঁঠাল মৌসুমি ফল হওয়ায় বারোমাসি জাত (বারি কাঁঠাল-৬) সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যেন সারা বছর নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করা যায়। 

অসাধারণ জাত ... ২-৩ বছরেই ফল আসে এবং সারাবছরই গাছে ফল থাকে।   

যারা বারোমাসি কাঁঠালের বাগান করতে চান তাঁরা নিকটস্থ হর্টিকালচার সেন্টারে যোগাযোগ করুন। 

কৃষি মন্ত্রণালয়ের টিস্যু কালচার & হর্টিকালচার উন্নয়ন প্রকল্পের (THEDP) আওতায় বারোমাসি কাঁঠাল সহ কয়েক হাজার মিশ্র ফলের বাগান করা হচ্ছে। বাগানগুলো হবে বিশেষকরে গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, টাংগাইল, ঢাকা, কুমিল্লা, ভোলা এবং বান্দরবান এলাকায়। 

যারা বাগান করতে চান এই এলাকার সরকারি হর্টিকালচার সেন্টারে যোগাযোগ করুন।  

কৃষিই সমৃদ্ধি।



পাকিস্তানের জাতির জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ'র পূর্ব পুরুষ  সনাতনী ব্রাম্মন ছিলেন,,,, ঝিনেদার লিয়াকত ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 👉 পাকিস্তানের জাতির জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ'র পূর্ব পুরুষ  সনাতনী ব্রাম্মন ছিলেন। তেনার পিতা পুঞ্জলাল ঠাকুর ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পুঞ্জলাল ঠাকুরের মেঝো ছেলে।

👉 একমাত্র মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছাড়া পরিবারের সকলেই ভারতের গুজরাট রাজ্যের পানেলি মতি গ্রামে ও বোস্বেতে সমাহিত এবং জীবিত বসবাস করছেন।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


ভারতের গুজরাট রাজ্যের পানেলি মতি গ্রামে মেঘজিভাই ঠাকুর নামে এক ব্রাক্ষণ মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন। সমুদ্রপাড়ের শহর। মাছের ব্যবসাপাতি ভালোই চলছিলো। রুজি রোজগার বেশ। এসব দেখে হঠাৎ বাধ সাধলো লোকাল পুরোহিতরা। ব্রাহ্মণ কিভাবে মাছের ব্যবসা করে ! এজন্য অনেকটা হুট করেই মাছ ব্যবসা আর আমিষ গ্রহণের অজুহাতে সপরিবারে সেই ব্রাহ্মণকে সমাজচ্যুত করেন সমাজপতিরা। ধোপা-নাপিত বন্ধ। পূজা আর্চণা-সামাজিক নিমন্ত্রণ বন্ধ। এভবে চলতে থাকলে একসময় সেই ব্রাক্ষণ মাছের ব্যবসা বন্ধ করে দিয়ে আবার তার বর্ণে ফিরে আসার চেষ্টা করলেন, তবুও বাকিরা তাকে অচ্ছুৎ করে একঘরে ফেলে রেখে দিলো। ফলস্বরূপ, সেই ব্রাহ্মণের পুত্র পুঞ্জলাল ঠাকুর এইসব অবমাননায় এতটাই ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন যে তিনি নিজে সহ তাঁর চার ছেলেকে নিয়ে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হন এবং বোম্বেতে স্থায়ীভাবে চলে আসেন। এই পুঞ্জলাল ঠাকুরের মেজো ছেলের সাথে আমরা পরিচিত। তিনি কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 

তবে এই লেখাটা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে না। জিন্নাহর একমাত্র উত্তরাধিকার, তার মেয়ে দিনা জিন্নাহকে নিয়ে। 

জিন্নাহ নিজে বিয়ে করেছিলেন এক পার্সী রমনী রতনবাঈকে। তাদের একমাত্র কন্যা দিনার জন্ম ১৯১৯ সালের ১৫ই আগস্ট। ঠিক ভারত-পাকিস্তানের ভাগের দিন এবং গণিতের হিসেবে দেশভাগের আটাশ বছর আগে। ১৯৩৮ সালে এক পার্সি যুবকের প্রেমে পড়েন উনিশ বছর বয়সী দিনা। নিজে অমুসলিম বিয়ে করলেও একমাত্র মেয়ে এক অমুসলিমকে বিয়ে করবে এইটা কখনোই মেনে নিতে পারেননি কায়েদে আজম। পাকিস্তানের সর্বেসর্বা হতে চলছেন তিনি, ক্ষমতার মোহে বিভোর সবকিছু। তবে মেয়ে ছিলেন অনড়। বাবার নিষেধ সত্ত্বেও তিনি পার্সী- বংশোদ্ভূত ভারতীয় নেভিল ওয়াদিয়াকে বিয়ে করেন। ১৯৪৩ সালে তার স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বোম্বেতে নিজের পিতামহের বানানো পৈত্রিক নিবাসে বসবাস শুরু করেন। 

এরপর কালে কালে দেশ ভাগ হয়। এপারের মানুষ ওপারে যায়, ওপারের মানুষ এপারে। জিন্নাহ তখন পাকিস্তানের গর্ভনর জেনারেল। প্রবল পরাক্রমশালী ব্যক্তি। মেয়েকে বললেন তার কাছে চলে আসতে করাচিতে। তখন মেয়ে বাবাকে প্রশ্ন করেন- "আমার মায়ের কি হবে ? তুমি কি মায়ের কবর বোম্বে থেকে পাকিস্তানে নিয়ে যেতে পারবে?"। স্পষ্ট জানিয়ে দেন বাবাকে যে ভারতেই থাকছেন তিনি। আমৃত্যু বলে গিয়েছেন- Bombay is my city. 

হ্যা দিনা গিয়েছিলেন পাকিস্তানে একবার। ১৯৪৮ সালে। পিতার শেষ্যকৃতি অনুষ্ঠানে। এরপর আর যান নি। ব্যবসাপাতিতে মন দেন। শক্ত হাতে হাল ধরেন। আজও ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনী নাসলি ওয়াদিয়া। দিনা জিন্নাহর ছেলে, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নাতি। নাসলি ওয়াদিয়ার দুই সন্তান- জাহাঙ্গীর এবং নেস। বর্তমানে আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের অন্যতম মালিক নেস ওয়াদিয়া। 

ভাগ্যের এক নির্মম পরিহাস- লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান আদায় করে নেওয়া জিন্নাহর সব উত্তরাধিকারই ভারতীয় নাগরিক। পাকিস্তানে কেউ নেই।


কার্তিক চন্দ্র ধর এর পোস্ট থেকে সংগৃহীত।


আবরন ফেইসবুক স্পন্সর থেকে নেওয়া

 আপনি কি জানেন? অনেকের না জানা ছোট্ট একটি ভুলের কারনে মা-বোনেদের নামাজ হয় না! তাই নামাজ আদায় করেও আল্লাহর কাছে বেনামাজি হিসেবে গণ্য হয়৷ 


নারীদের গোটা শরীরই সতরের অংশ, তাই হাতের কবজি এবং মুখ ছাড়া সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে নামাজ আদায় করা অবশ্যক৷ অন্যথায় তার নামাজ আদায় হবেনা ৷ 


মহান আল্লাহ্ পবিত্র কুরআন এ আমাদের কে নির্দেশ করেছেন, 


স্বলাতের (নামাজের) সময় সুন্দর পোশাক পরিধান করো ( সূরা -আ`রাফ ৩১) 


 রাসূল (সা) বলেন:

 স্বলাতের পোশাক এমন হতে হবে যা দিয়ে পরিপূর্ণ সতর ঢাকবে।


দু’হাতের তালু, তালুর উপরের অংশ ও চেহারা ব্যতীত মহিলাদের সর্বাঙ্গ সতরের অন্তর্ভুক্ত (আবূ দাঊদ, হা/৪১০৪; ছহীহুল জামে, হা/৭৮৪৭)।

 

 অধিকাংশ আলেমের মতে একাকী বা পর্দার মধ্যে মহিলা পরিবেশেও পায়ের পাতা ঢেকে স্বলাত আদায় করতে হবে। 


মহিলাদের জন্য স্বলাতের সময়ে একাকী থাকলেও সতর ঢাকা আবশ্যক।কেননা সতর ঢাকা হলো স্বলাতের একটি শর্ত, যেটি ছাড়া আল্লাহ তাআলা স্বলাত কবুল করবেন না; বরং ইচ্ছাকৃতভাবে সতরের কোনো অংশ না ঢাকলে সেই স্বলাত বাতিল হয়ে যাবে 


(ছহীহ বুখারী, হা/৩৬১; ছহীহ মুসলিম, হা/৩০১০; আবূ দাঊদ, হা/৬৪১; তিরমিযী, হা/৩৭৭)।


অনেক সময় আমাদের প্রিয় মা বোনেরা ওড়না বা শাড়ি পড়ে স্বলাত আদায় করে থাকেন এতে করে দেখা যায় স্বলাতে তাদের পরিপূর্ণ সতর ঢাকেনা আর নামাজও বাতিল হয়ে যায় ভুলের কারনে!


আমাদের নিজস্ব কারখানায় তৈরী পিওর কটন ফেব্রিকের ফুল লেন্থ স্বলাত খিমার গুলো দিয়ে নিশ্চিন্তে পরিপূর্ণ সতর ঢেকে স্বলাত আদায় করতে পারবেন। 

আমাদের খিমারে থুতনিতে এক্সট্রা কাপড়ের পট্টি দেওয়া, হাতায় রাবার দেওয়া এবং মাথা থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ঢেকে যাবে ইন শা আল্লাহ্,ঘের ২২০" তাই পা আটকে পড়ে যাবারও কোন চান্স নেই। 


আমাদের লং স্বলাত খিমারের প্রাইজ: ১৪০০ টাকা


অর্ডার করতে Order Now বাটনে ক্লিক করুন👇

মাটির মৃত্তিকা ফেইসবুক স্পন্সর থেকে নেওয়া

 মাটির পাত্রে আহার সুন্নত।♥️ এর ফযীলত সম্পর্কে হযরত ইবনে আবিদীন মুহম্মদ আমীন ইবনে উমর রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ-১২৫২হিজরী) উনার লিখিত সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার প্রসিদ্ধ ফিক্বাহর কিতাব “রদ্দুল মুহতার আলাদ দুররিল মুখতার শরহি তানউয়ীরিল আবছার” কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-

وَيُكْرَهُ الْأَكْلُ فِي نُحَاسٍ َوْ صُفْرٍ وَالْأَفْضَلُ الْخَزَفُ قَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اتَّخَذَ أَوَانِيَ بَيْتِهٖ خَزَفًا زَارَتْهُ الْمَلَائِكَةُ.

অর্থ: পিতল এবং কাঁসার পাত্রে খাবার খাওয়া মাকরূহ। আর খাবারের জন্য মাটির পাত্র হচ্ছে সর্বোত্তম অর্থাৎ খাবারের জন্য মাটির পাত্র ব্যবহার করা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খাছ সুন্নত মুবারক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, যে ব্যক্তি উনার ঘরে (খাবারের জন্য) মাটির পাত্র গ্রহণ করবেন বা ব্যবহার করবেন, সম্মানিত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা ঐ ব্যক্তির সাথে সম্মানিত যিয়ারত মুবারক করবেন। সুবহানাল্লাহ! (রদ্দুল মুহতার আলাদ দুররিল মুখতার শরহি তানউয়ীরিল আবছার- ২৬ তম খ- ৩৭০ পৃষ্ঠা, আদ দুররুল মুখতার, আল ইখতিয়ারু লি তা’লীলিল মুখতার, মাজমাউল আনহার ফী শরহি মুনতাক্বাল আবহার)

উপরোক্ত দলীলভিত্তিক আলোচনা দ্বারা অকাট্যভাবেই প্রমাণিত যে, মাটির পাত্রে খাবার খাওয়া মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ মাটির পাত্রে পানি পান করা, পানি রাখা অর্থাৎ গামলা, কলসী, সুরাই ইত্যাদি এবং ওজু করা অর্থাৎ বদনা, বড় ডিস এবং হাড়ি, পাতিল, মটকা ইত্যাদি সুন্নাত মুবারক উনার অন্তর্ভূক্ত।

▪️ মাটির পাত্রে রান্নার উপকারিতা:

স্বাদ ও পুষ্টির বিবেচনায় সব ধরনের রান্নার জন্য মাটির পাত্র উপযোগী। ইউনানীশাস্ত্র অনুযায়ী, মাটির পাত্র রান্না ধীর করে এবং খাবারের স্বাদ ও মান উন্নত করে।

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি (IJEAST) দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, মাটির পাত্রে সংরক্ষণ করা পানি প্লাস্টিকের বোতলে সংরক্ষিত পানির তুলনায় গুণমান বজায় রাখতে সক্ষম অনেকাংশ। 

মাটির পাত্রগুলো সূক্ষ ছিদ্রযুক্ত হয়। এই ধরনের পাত্রে পানি রাখলে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়াটি দ্রুত হয়। যার ফলে পানির উপর প্রাকৃতিকভাবে শীতল প্রভাব পড়ে।  যা গরমের দিনে আপনার তৃষ্ণা মেটাতে আদর্শ। পুষ্টিবিদ এর মতে, মাটির পাত্র থেকে ঠাণ্ডা পানি খাওয়া ঠাণ্ডা ফ্রিজের পানির চেয়ে একটি ভাল বিকল্প। 

▪️ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী: মাটির পাত্র এক ধরনের ক্ষারীয় উপাদান দিয়ে তৈরি যা খাবারের অ্যাসিড প্রক্রিয়াজাতকরণে সাহায্য করে এবং হজমে সহায়তা করে। মাটির প্রাকৃতিক নিরোধক বৈশিষ্ট্য পাত্রের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং পুষ্টি উপাদানের কোনো ক্ষতি করে না। মাটি ক্ষারীয় ও অ্যালকালাইন গোত্রের হওয়ার কারণে মাটির পাত্রে খাবারে আয়রন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামও প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং পিএইচ লেভেল ঠিক থাকে। 

আবার খাবারে থাকা প্রাকৃতিক তেল ও আর্দ্রতা থাকার কারণে খাবারে বেশি পরিমাণে তেল ব্যবহার করার দরকার নেই। যেহেতু খুব বেশি তেল ব্যবহার করা হয় না, এর সহজ অর্থ হল এটি হৃত্‍পিণ্ডের জন্যও উপকারী। মাটির পাত্রে রান্না করলে খুব সহজেই তেলের ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়া যায়। কেননা এর প্রাকৃতিক আর্দ্রতা খাবার ভালোভাবে রান্না করার জন্য উপযোগী। তাই ইউনানী শাস্ত্রে শরীর সুস্থ রাখার জন্য মাটির পাত্রে রান্না করার কথা বলা হয়েছে। 

▪️ প্রাকৃতিক ক্ষারীয় উপাদান: মাটির পাত্র কাদা দিয়ে তৈরি করা হয়। যাতে প্রাকৃতিক ভাবে ক্ষারীযুক্ত হয়। তাপ প্রয়োগে মাটির পাত্র খাবারের অ্যাসিডের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে এবং পিএইচ’য়ের ভারসাম্য বজায় রাখে। যা খাবারকে সহজপাচ্য করে। তাছাড়া এটা খাবারের পুষ্টি উপাদান যেমন- লৌহ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগ্নেসিয়াম এবং সালফার ঠিক রাখে।   

▪️ স্বাদ ও গন্ধ: খাদ্যের পুষ্টিমান বজায় রেখে স্বাদ ও গন্ধ অক্ষুণ্ন রাখে বা বাড়িয়ে দেয় মাটির পাত্র। যা অন্যান্য উপাদানের তৈজস দিয়ে সম্ভব নয়।

সতর্কতা:

চকচকে মাটির পাত্র নয়: পলিশ করা চকচকে কিংবা রং মাখানো মাটির পাত্র ব্যবহার না করা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বা চকচকে ভাব আনার জন্য এতে নানান রাসায়নিক উপাদান মেশানো হয়। যা তাপ প্রয়োগে বিষাক্ত ধোঁয়া তৈরি করে। এমনকি মাটির উপদানকেও নষ্ট করে বিষাক্ত করে তুলতে পারে। ছিত্র


অজুহাত ভুলে গিয়ে নিজের উপর নিজে আত্মবিশ্বাসী হন,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⭕অজুহাত 

লাইট অফ করে চোখের পানি ফেলে বালিশ ভেজানোর নাম জীবন না।।সবকিছু মুখ বুঝে সহ্য করার নাম জীবন না, দাঁত ভাঙা জবাব দেয়ার হিম্মত রাখুন বুকে। দাঁতে দাঁত চেপে জেদ নিয়ে চলার নামই জীবন।।

শচীন টেন্ডুলকার ক্লাস টেন এ ইংরেজিতে ফেল করেছিলেন। আর এখন ইন্ডিয়ার ক্লাস টেন এর ইংরেজি বইয়েত প্রথম চাপ্টারই টেন্ডুলকারের জীবনী। Oh dear, This is called the revenge👈👈

পেছনে যখন পাগলা কুকুর কিংবা হিংস্র বাঘ অথবা বিষাক্ত সাপ আপনাকে তাড়া করে তখন আপনি কী চিন্তা করেন?

আপনি কি একবারও ভাবেন- এর আগে কেউ কি এদের কাছ থেকে পালাতে পেরেছে কিনা, কিংবা আমি এদের সাথে পারব কিনা,না বস!! এসব ভাবার টাইম কোথায়? ঐ অবস্থায় আপনি ডাইরেক্ট দৌঁড় শুরু করবেন। Yes dear, this is called the theory of success. 'আমার কী হবে' ভাবতে ভাবতে আপনার দিনের অর্ধেক চলে যায়। 'আমাকে দিয়ে কিছু হবে না' চিন্তা চিন্তা করতে করতে আপনার রাতের ঘুম নষ্ট হয়ে যায়। দিনশেষে নিজেকে নিজে কিছুই উপহার দিতে পারেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের এক শহরে জর্জ ক্রাম নামের এক বাবুর্চি একটি রিসোর্টে রান্না করতেন। একদিন ভুলবশত তার তৈরি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আলু বেশ পাতলা হয়ে গিয়েছিল। সেই রিসোর্টের এক অতিথি এটা খাবার অযোগ্য বলে তাকে চরম অপমান করলেন সবার সামনেই। ক্রাম খুব কষ্ট পেলন চোখ মুছলেন। এরকম অপমানিত হওয়ার পর আপনি কী করতেন? কান্না করতে করতে হয়তো বলতেন ''আমরা গরীব বলে....."!! কিন্তু সেই বাবুর্চি সেই অপমান আর দুর্ব্যাবহার এর দাঁতভাঙ্গা জবাব দিলেন। সেই পাতলা আলুর তৈরী পটেটো চিপস বানিয়ে, যা আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ খেতে থাকে। This is called দাঁত ভাঙা জবাব।।ভাঙা সিন্দুকে কেউ টাকা রাখে না। ব্যর্থ কিংবা দুর্বল লোকের সাথে কেউ সম্পর্ক গড়ে না৷ মানুষ সফল লোকের শালা হতেও রাজি কিন্তু ব্যর্থ লোকের দুলাভাইও কেউ হতে চাই না। Sorry dear এটাই বাস্তবতা।

ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় জ্বালা হচ্ছে, একজন অযোগ্য লোকও আপনার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে, স্বয়ং পথভ্রষ্ট নিজেও আপনার পথের ভুল ধরিয়ে দিতে আসবে; এমনকি ব্যর্থ লোকটিও আপনাকে সফলতার পথ দেখাতে চাইবে। জীবনে সার্টিফিকেট চোখে না দেখা লোকটিও আপনার সার্টিফিকেট নিয়ে তামাশা করবে। তখন মনে হবে মাটির নিচে ঢুকে যেতে কখনো কখনো ইচ্ছে হবে মরে যেতে।একজীবনে আপনি কিছু করতে না পারার জন্য কত অজুহাত জমা দিয়েছেন

অজুহাত ভুলে গিয়ে নিজের উপর নিজে আত্মবিশ্বাসী হন।।

আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আজকে এই পর্যন্ত আসতে পেরেছি মাএ ৩০০ টাকা পুঁজি দিয়ে। 

কাজ করছি 👉গরুর মাংসের আচার সহ বিভিন্ন রকমের আচার 

👉খাঁটি গাওয়া ঘি 

👉বগুড়ার বিখ্যাত লাচ্ছা সেমাই নিয়ে 

(সংগৃহীত)



কেন ভার্সিটির শিক্ষকরা সন্তানদেরকে কওমি মাদরাসায় পড়াচ্ছেন,,,,, নেই থেকে নেওয়া

 কেন ভার্সিটির শিক্ষকরা সন্তানদেরকে কওমি

মাদরাসায় পড়াচ্ছেন...!!?

(দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় কওমী মাদরাসা নিয়ে একটি রিপোর্ট করেছেন  সাংবাদিক এসএম মামুন হোসেন, চুম্বক অংশ তুলে ধরেছি..)


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ দেশের অনেক উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ডাক্তার, প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশার উচ্চ শিক্ষিতরা তাদের সন্তানদের সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় না পড়িয়ে বরং কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি করেছেন। এমনকি এসব উচ্চ শিক্ষিতরা অন্যদেরও নিজেদের সন্তানকে কওমি মাদ্রাসায় দেয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। তাদের এমন চেষ্টার কারণ হিসেবে তারা বেশ কিছু কারণ সামনে আনছে। তারা বলছেন, পশ্চিমাদের আদলে তৈরি বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই নৈতিকতার সারসত্তা শূন্য হয়ে পড়েছে। এছাড়া এ শিক্ষা মানুষকে অতি বস্তুবাদি করে তোলার পাশাপাশি সমাজের প্রতি তরুণদের দ্বায়িত্ববোধ, বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ হ্রাস করাসহ নানা অবক্ষয়ের জন্ম দিয়েছে। এ কারণে তারা নিজেরা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তরে পদার্পণ করেও নিজেদের সন্তান বা পরিবারের অন্য সদস্যদের কওমি মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন।


এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রফেসর লিয়াকত সিদ্দিকী যায়যায়দিনকে বলেন, 'আমার মাত্র একটি সন্তান (ছেলে)। তাকে আমরা সাধারণ শিক্ষায় না পড়িয়ে কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করাচ্ছি। এর ফলে আমি নিশ্চিত থাকতে পারছি যে আমার সন্তান এমন কোনো ব্যক্তির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে না যেখান থেকে তার চরিত্র নষ্ট হতে পারে। সে অত্যন্ত নিরাপদে থাকছে ও বেড়ে উঠছে।'


শুধুমাত্র ধর্মীয় কারণে ও মৃত্যুর পরের জীবনে জান্নাতের আশায় সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষায় পড়াচ্ছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আইন বিভাগের সিনিয়র এ শিক্ষক বলেন, 'জান্নাত তো পরকালের বিষয়, এ কালেই আমরা আমাদের সন্তানদের যেসব অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়াতে দেখছি তা থেকেও তো সাধারণ শিক্ষার প্রতি আস্থা রাখতে পারছি না।


চারপাশে এমন কোনো খারাপ কাজ নেই যাতে বর্তমান প্রজন্ম যুক্ত হচ্ছে না। এর বিপরীতে মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত বেশিরভাগ ছেলেমেয়েই আদর্শ চরিত্রবান হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে। উচ্চ নৈতিক মান ধারণ করছে। এ কারণেই ছেলেমেয়েদের কওমি শিক্ষায় শিক্ষিত করছি।'


তবে মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে ভয় ও আশাও যে এর পেছনে কাজ করছে তাও অস্বীকার করেননি এ শিক্ষক। তিনি জানান, তার জানামতে দেশের অনেক সচিব, অতিরিক্ত সচিব, উপসচিবসহ শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারও তাদের সন্তানদের কওমি মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন, এবং এ প্রবণতা দিনে দিনে আরও বাড়ছে।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ বিভাগের আরেক শিক্ষক ড. মো. গোলাম রব্বানী যায়যায়দিনকে বলেন, তার দুই সন্তানের ছোটজনের বয়স চার বছর। এবং বড়জন এবার নাজেরানা পর্যায়ে পড়াশোনা করছে। তিনি তার ছেলের কথা বলতে গিয়ে বলেন, তার ছেলের মাদ্রাসার খতমে বুখারির (সমাবর্তন) অনুষ্ঠানের হাদিসের সনদ বলার সময়ে শিক্ষকের নাম বলতে গিয়ে শ্রদ্ধায় শিক্ষার্থীদের তিনি কাঁদতে দেখেছেন। 


আর সাধারণ শিক্ষার্থীরা পত্রিকা খুললেই দেখা যায় শিক্ষক, ভিসি, প্রো-ভিসি, রেজিস্ট্রার, অন্য ছাত্র সংগঠনের ওপর, অনেক সময় নিজেরা নিজেরা মারামারি করছে। পড়াশোনা করতে এসে একজন অন্যজনকে আঘাত করার মতো জঘন্য পথেও পা বাড়াতে দ্বিধাবোধ করছে না। তারা একবারও সহপাঠীর মা-বাবার কথা ভাবছে না বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এ শিক্ষক।


তিনি হতাশার সঙ্গে বলেন, 'আমরা শিক্ষক হিসেবে আদর্শ মানুষ তৈরিতে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হচ্ছি। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারছি না।' এ কারণে নিজের সন্তানকেও আধুনিক শিক্ষায় না পড়িয়ে কওমি মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন বলে জানান বিজ্ঞান অনুষদের এ শিক্ষক।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী মুহাম্মদ হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স শেষ করে সরকারি-বেসরকারি চাকরি না খুঁজে যোগদান করেন ময়মনসিংহের এক কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে। সেখানে বাংলা, ইংরেজি ও অংকের ক্লাস নিয়ে থাকেন তিনি। 


অসাধারণ কণ্ঠের অধিকারী এ বক্তির কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, অতীতে এক সময় বড় গায়ক হওয়ার ইচ্ছা থাকলেও তিনি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এর কারণ হিসেবে তিনি কওমি ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িতদের সহজ সরল, কলুষমুক্ত ও আনাড়ম্বর জীবনই তার পছন্দ বলে জানান।


শুধু প্রফেসর লিয়াকত সিদ্দিকী, ড. মো. গোলাম রব্বানী বা সংগীত বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করা মুহাম্মদ হোসেনই শুধু নয়, দেশের অসংখ্য সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তি ক্রমেই কওমিয়া শিক্ষার প্রতি ঝুঁকছে। 


সরকারের সচিব থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের লোকেরা এ শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হচ্ছে। ফলে শিক্ষাবিদরা এ শিক্ষাকে আধুনিক করার জন্যও তাদের দাবি জোরদার করছে।

কপিঃ  মাওঃ ফাইজুল্লাহ শেখ ভাইয়ের ওয়াল থেকে।

ফারুক ভায়ের পোস্ট থেকে সংগৃহীত।



ধানের মাজরা পোকা আক্রমণ লক্ষ্মণ ও সমাধান,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ধানের মাজরা পোকা আক্রম লক্ষণ ও সমাধান।


তিন ধরনের মাজরা পোকা বাংলাদেশের ধান ফসলের ক্ষতি করে। যেমন- হলুদ মাজরা। কালো মাথা মাজরা এবং গোলাপী মাজরা । মাজরা পোকার কীড়াগুলো কান্ডের ভেতরে থেকে খাওয়া শুরু করে এবং ধীরে ধীরে গাছের ডিগ পাতার গোড়া খেয়ে কেটে ফেলে। ফলে ডিগ পাতা মারা যায়। একে  ‘মরা ডিগ’ বা ‘ডেডহার্ট ’ বলে। গাছে শীষ আসার পূর্ব পর্যন্ত এ ধরনের ক্ষতি হলে মরা ডিগ দেখতে পাওয়া যায়। থোড় আসার আগে মরা ডিগ দেখা দিলে বাড়তি কিছু কুশী উৎপাদন করে গাছ আংশিকভাবে ক্ষতি পূরণ করতে পারে। 


শীষ আসার পর মাজরা পোকা ক্ষতি করলে সম্পূর্ণ শীষ শুকিয়ে যায়। একে ‘সাদা শীষ’, ‘মরা শীষ’ বা ‘হোয়াইট হেড’ বলে। খরায় বা ইঁদুরের ক্ষতির নমুনা হোয়াইট হেড-এর মত দেখা যেতে পারে। কীড়া যদি পাতার খোলের ভেতরে খায় এবং কান্ডের ভেতরের অংশ সম্পূর্ণভাবে কেটে না দেয় তাহলে ধানগাছের আংশিক ক্ষতি হয় এবং শীষের গোড়ার দিকের কিছু ধান চিটা হয়ে যায়।


মাজরা পোকার আক্রমণ হলে, কান্ডের মধ্যে কীড়া, তার খাওয়ার নিদর্শন ও মল পাওয়া যায়, অথবা কান্ডের বাইরের রং বিবর্ণ হয়ে যায় এবং কীড়া বের হয়ে যাওয়ার ছিদ্র থাকে। গাছে মাজরা পোকার ডিমের গাদা দেখলে বুঝতে হবে গাছের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। হলুদ মাজরা পোকা পাতার ওপরের অংশে ডিম পাড়ে এবং গোলাপী মাজরা পোকা পাতার খোলের ভিতরের দিকে ডিম পাড়ে। হলুদ মাজরা পোকার ডিমের গাদার ওপর হালকা ধূসর রঙের একটা আবরণ থাকে। কালোমাথা মাজরা পোকার ডিমের গাদার ওপর মাছের আঁশের মত একটা সাদা আবরণ থাকে, যা ডিম ফোটার আগে ধীরে ধীরে গাঢ় রং ধারণ করে।


মাজরা পোকার কীড়াগুলো ডিম থেকে ফুটে রেরুবার পর আস্তে আস্তে কান্ডের ভেতরে প্রবেশ করে। কীড়ার প্রথমাবস্থায় এক একটি ধানের গুছির মধ্যে অনেকগুলো করে গোলাপী ও কালোমাথা মাজরার কীড়া জড়ো হতে দেখা যায়। কিন্তু হলুদ মাজরা পোকার কীড়া ও পুত্তলীগুলো কান্ডের মধ্যে যে কোন জায়গায় পাওয়া যেতে পারে।


আলোর চার পাশে যদি প্রচুর মাজরা পোকার মথ দেখতে পাওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে ক্ষেতের মধ্যে মথগুলো ডিম পাড়া শুরু করেছে। 


আক্রমণের পূর্বে করণীয়: 


১. সঠিক দূরত্বে (লোগো পদ্ধতিতে) চারা রোপন করুন


২. সঠিক বয়সের চারা রোপন করুন। 


৩. চারা লাগানোর পরপরই জমিতে পর্যাপ্ত পরিমানে খুঁটি পুতে দিন যাতে সেখানে পাখি বসে পোকা খেতে পারে। 


৪. মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সুষম সার দিন।


আক্রমণ হলে করণীয়: 


জমিতে অতিরিক্ত ইউরিয়া সার বা এলোপাথারি বালাই নাশক ব্যবহার করবেন না। নিয়মিতভাবে ক্ষেত পর্যবেক্ষণের সময় মাজরা পোকার মথ ও ডিম সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেললে মাজরা পোকার সংখ্যা ও ক্ষতি অনেক কমে যায়। থোর আসার পূর্ব পর্যন্ত হাতজাল দিয়ে মথ ধরে ধ্বংস করা যায়।


ক্ষেতের মধ্যে ডালপালা (পার্চিং করা) পুঁতে পোকা খেকো পাখির বসার সুযোগ করে দিলে এরা পূর্ণবয়স্ক মথ খেয়ে এদের সংখ্যা কমিয়ে ফেলে। মাজরা পোকার পূর্ণ বয়স্ক মথের প্রাদুর্ভাব যখন বেড়ে যায় তখন ধান ক্ষেত থেকে ২০০-৩০০ মিটার দূরে আলোক ফাঁদ বসিয়ে মাজরা পোকার মথ সংগ্রহ করে মেরে ফেলা যায়।


ধানের জমিতে ১০০ টির মধ্যে ১০-১৫ টি মরা কুশি অথবা ৫ টি মরা শীষ পাওয়া গেলে অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।



মৃত গায়ক সাদি মাহাবুবের উদ্দেশ্য কবির হোসেন তাপস ফেইসবুক

 সাদি মহম্মদঃ তবু সে দেখিল  কোন ভূত? ঘুম কেন ভেঙে গেল তার?


শোনা গেল লাসকাটা ঘরে নিয়ে গেছে তারে;কাল রাতে— ফাল্গুনের রাতের আঁধারে যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ মরিবার হ’লো তার সাধ;


যেন জীবনানন্দের আট বছর আগের সেই  কবিতা দ্বিতীয়বার  লিখে গেলো সংগীতের পরম গুরু সাদি মহম্মদ।


গত পরশু রাতে যখন সে ভয়ানক সংবাদ শুনলাম, হঠাৎ ঝড়ে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলাম। বন্ধু জ্যেতি (জ্যেতি জয়েন উদ্দীন) টেলিফোনেই হাউমাউ করে কেদেঁ উঠলো।ছুটলাম সাদির বাড়ি। শিবলী, নাসরিন, ইয়াসমিন (ওরা তিনজনই সাদির ছোট) ওদের মুখ দেখে শঙ্কায় ফ্যাকাসে হয়ে গেলাম। মানতে পারছিলাম না সাদি চলে যাবার জন্য সব থেকে কঠিনতম পথটি বেছে নেবে।এমন নরম মনের নিরব এক মানুষ কি করে তা পারে। কি ব্যথা ছিলো, কি অভিমান ছিলো? জীবন কতটা দুসঃহ ভার হয়ে উঠেছিলো যে এমন ভাবে ঘুমিয়ে পড়তে হলো 

“কোনোদিন জাগিবে না আর 

জানিবার গাঢ় বেদনার

অবিরাম— অবিরাম ভার 

সহিবে না আর—’ 


মন ভেঙে যাচ্ছিল তবু ভেবেছি যেহেতু এটি তার নিজের সিদ্ধান্ত  তাকে সম্মান জানানো উচিত। কিন্তু মেনে নিলেই কি তার কাছে আমার দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ পরিশোধ হয়ে যাবে? যে সিদ্ধান্ত তার মতো একজন শিল্পী নিতে বাধ্য হলো সে সিদ্ধান্ত নেবার পেছনে কি আমার বা আমাদের দায় নেই? নিশ্চয় আছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে সাদি তার বড় আপাকে (পারভিন আপা,শাওনের মা ) হারায়। তার কিছুদিন পর তার প্রিয়তম মা চলে যান। একাকী হয়ে পড়তে থাকে সাদি।নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়ে ভেতরে বাইরে কিন্তু কাউকে বুঝতে দেয় নি।সাদি ছিল অসম্ভব নরম মনের এক হৃদয় খোলা মানুষ। চাপা স্বভাবের সে ছিলো না।সেই মানুষ কোন অভিমানে এমন পাথর

হয়ে গেলো। খ্যাতির লোভ তার কোনদিন ছিলো না। অন্যের প্রাপ্তিতে নিজেকে উজার করে আনন্দ করতে দেখেছি ।জীবনের সব প্রাপ্তিই তার ছিলো। খ্যাতি ছিলো, অর্থ ছিল কিন্তু তারপরেও কেন?


‘জীবনের এই স্বাদ– সুপক্ব যবের ঘ্রাণ 

হেমন্তের বিকেলের–তোমার অসহ্য বোধ হ’লো;মর্গে কি হৃদয় জুড়োলো মর্গে— গুমোটে থ্যাঁতা ইঁদুরের মতো রক্তমাখা ঠোঁটে।”


তাকে যতো কাছ থেকে আমি জেনেছি দেখেছি আর কেউ তাকে সে ভাবে দেখেছে বলে আমার মনে হয় না।

সাদি যখন খ্যাতির কৈশরে তখন আমি এবং আমরা

তার ছায়া সঙ্গী ছিলাম।আমরা বলতে বন্ধু জ্যোতি, কামরুল আহসান ( এখন আমেরিকা প্রবাসী) কামরুল হাসান মন্জু , হাসান আরিফ, সুজন এবং হায়দার। সুজন ও হায়দার সাদির গানের ছাত্র ছিলো ।

সাদির গানের ক্যাসেট প্রথম এরাই প্রকাশ করেছিলো।সাদির সাথে আমার প্রথম পরিচয় ঘটেছিল বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে সাদির প্রথম এবং একক রবীন্দ্র সংগীত অনুষ্ঠানে।ততদিনে সাদি কবি আসাদ চৌধুরীর উপস্থাপনায় , খ, ম হারুন ভাইয়ের প্রযোজিত বিটিভির প্রচ্ছদ অনুষ্ঠানে  পুরানে দিনের গান গেয়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছে। বিশেষ করে শাকিলা জাফরের সাথে গাওয়া “সুরের এই ঝরঝর ঝর্ণা 

তখন তুমুল জনপ্রিয় । সেই সময় তার রবীন্দ্র সংঙ্গীতের অনুষ্ঠান আমাদেরকে বেশ আগ্রহী করে তোলে।বাংলাদেশে তখন পাপিয়া সারোয়ার আর কাদেরী কিবরিয়া খ্যাতির মধ্য গগনে। বন্যাদিও তখন বেশ ঝড় তুলেছেন।এমন সময় নতুন এক আবেদন নিয়ে এলো সাদি। বিরল শ্রুত গানে মন্ত্র মুগ্ধ করে রাখলো গোটা শ্রোতা দর্শক। সেই অনুষ্ঠানে আমি এক গানের অনুরোধ করেছিলাম। সেই থেকেই সাদির সাথে আমার পরিচয় শুরু । বলেছিল “বাসায় এসো আরো আনকমন গান গেয়ে শোনাব।”

এরপর সাদির বাসায় বহুবার গেছি। সে সময় প্রায়শই

আমার খাবার পয়সা থাকতো না। সাদি গান শুনাতো

খাবার খাওয়াতে। সাদির তখন নিজেরও উপার্জন তেমন ছিলো না তবু আসবার সময় জোর করেই আমার পকেটে টাকা ভরে দিত।আমি থাকতাম জাকির হোসেন রোডে। সাদির বাড়ি তাজমহল রোডে। খুব দূরে নয় তবু সেখান থেকে আমাকে নিয়ে যেয়ে ওদের বাড়ির নীচের তলার বড়ো একটা রুমে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে । পরে সেখানে মন্জু ভাইও উঠে আসেন।সেই থেকে আমার সাথে সাদির বন্ধুত্ব এক পরম বন্ধুর রূপ নেয়। তার মানে এই নয় যে আমার মধ্যে সাদি গানের প্রতিভা দেখেছিলো, একদম তা নয়। সাদি সব সময় একটু শান্ত আশ্রয় খুঁজতো আমরা হয়তো তাকে সেই ছায়াটুকু দিতে সমর্থ  হয়েছিলাম। এমন এক সময় সাদির মাধ্যমেই আমার পরিচয় হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাঈম আলীর সাথে। সাদি ডাকতো মিঠু আপা বলে । আমি ডাকা শুরু করলাম মিঠু আপা ।সাদি ততদিনে গানের সংগঠন রবিরাগের প্রতিষ্ঠা করেছে । মিঠু আপা সেই রবিরাগের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। নিজেও সাদির কাছে রবীন্দ্র সংগীতের তালিম নিতেন।সাদি মিঠু আপাকে বলে আমার জন্য তার বাসায় একটা টিউশনির ব্যবস্থা করে দেয়। মিঠু আপা তার  তিন ছেলে মেয়েকে পড়ানোর বিনিময়ে  আমাকে যে টাকা দিতেন 

তা ছিলো আমার জন্য আলাদীনের  প্রদীপের মতো।এটা আমার একার বলে নয় এরকম কতো মানুষের জন্য সাদির অবদান আছে তা সংখায় নিরুপন করা যাবে না।সাদি শুধু গানের শিল্পী বা সুরকার ছিলো না। সাদি বোধহয় প্রবাদ প্রতিম শিল্পী শ্রদ্ধেয় ওয়াহিদুল হকের পর দ্বিতীয় যে নিজস্ব ঘরানা আর অসংখ্য রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী সৃস্টি করেছেন।

সাদি দেশের মধ্যে যেখানে গান গাইতে যেতো আমি আর জ্যোতি তার সফর সঙ্গী হতাম।আমাদের উপর

তার একটায় একান্ত অনুরোধ ছিলো তার অনুষ্ঠানের দিন আমরা যেন গান না গাই।আমরা গাইলে নাকি সাদি গানের আসল সুর হারিয়ে ফেলতো।

দ্রততম  সময়ের মধ্যে সাদি খ্যাতির মধ্য গগণ স্পর্শ

করে। নিজের কলেজের শিক্ষকতা, গান, সংগঠন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।আমরাও ধীরে ধীরে জীবনের ব্যস্ততায় দূরত্ব রচনা করে তুলি।দূর থেকেই বেশী দেখি 

খুব বেশী কাছে যাইনি। কখনো ভুলেও ভাবিনি ভেতরে ভেতরে মানুষটা এতো একা। এতো নিসংগ।

সব থেকেও কোন কোন শিল্পী মানুষের কিছু থাকে না ।

“অর্থ নয়, কীর্তি নয়, সচ্ছলতা নয়—আরো-এক বিপন্ন বিস্ময় আমাদের অন্তর্গত রক্তের ভিতরে খেলা করে; আমাদের ক্লান্ত করে

ক্লান্ত— ক্লান্ত করে; লাসকাটা ঘরে সেই ক্লান্তি নাই; তাই লাসকাটা ঘরে চিৎ হ’য়ে শুয়ে আছে টেবিলের ’পরে।”


আমরা সেটা বুঝতে বড়ো দেরী করে ফেললাম।


কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...