এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪

টাটাক্সন ২০ এস এল (প্যারাকোয়াট ২০% এস এল,,,

 টাটাক্সন ২০ এস এল (প্যারাকোয়াট ২০% এস এল)


টাটাক্সন ২০ এস এল একটি অনির্বাচিত আগাছানাশক, যা ফল, চা, রাবার বাগানে আগাছার মাটির উপরের সবুজ অংশ মেরে ফেলে


ব্যবহারের সুবিধাঃ

অ-নির্বাচিত এবং স্পর্শক আগাছানাশক, যা সুপারঅক্সাইড তৈরি করে গাছের কোষের পাতলা আবরন ভেঙ্গে দিয়ে কোষের পানি বের করে দিয়ে পাতাকে শুকিয়ে গাছের সবুজ অংশ ধ্বংস করে।

প্রয়োগের ১ ঘন্টার মাঝে আগাছা নেতিয়ে পরে এবং ২-৩ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ আগাছা মারা যায়। 

টাটাক্সন ২০ এস এল আগাছার মাটির উপরের অংশ ধ্বংস করে এবং শিকড়ের বৃদ্ধিতে বাধা দেয় না, ফলে পাহাড়ি এলাকায় মাটির ক্ষয় রোধ করে । 

ইহা গাছ দ্বারা দ্রুত শোষিত হয় ফলে প্রয়োগের আধ ঘন্টা পর বৃষ্টি হলেও কার্যকারীতা ঠিক থাকে ।  

আগাছাঃ অনির্বাচিত সকল আগাছা 

প্রয়োগের সময়ঃ জমি তৈরির আগে ব্যাবহার করুন। চা, রাবার ও ফলের বাগানে আগাছাযুক্ত মাটিতে ব্যবহার করুন এবং খেয়াল রাখুন যেন গাছে না পড়ে।(পরিষ্কার পানির সাথে ব্যবহার করলে অধিক ফলাফল পাওয়া যায়)

প্রয়োগ মাত্রাঃ একরে ১.২ – ১.৫ লিটার



১৮৮০ সালের ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ের সময়সূচি। ভাষাটা খেয়াল করুন।

 ১৮৮০ সালের ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ের সময়সূচি। ভাষাটা খেয়াল করুন। তৎকালীন ভারতের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের মাতৃভাষা - বাংলা। আজকের বাংলায় দাঁড়িয়ে আমরা এরকম একটা রেলওয়ের সময়সূচি কী সত্যিই কল্পনা করতে পারি? আবর্জনা ছাড়া শুধুমাত্র আমাদের ভাষায় ছাপানো একটা চিরকুটও রেল আমাদের দেয় না। আজ প্রায় ১৫০ বছর পর সমগ্র বঙ্গীয় ভূখণ্ড টুকরো টুকরো হয়ে গেলেও আমরা যেন ভুলে না যাই এই বর্তমান ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষিক গোষ্ঠীর নাম বাঙালি। এছাড়াও সবচেয়ে বেশি মানুষের মাতৃভাষার তালিকাতেও বাংলা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।



নক্ষত্রের রাতে রঞ্জু ও মনিষা,,,,,লেখক কবি হুমায়ুন আহমেদ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "আমাদের মায়ের কোন যমজ সন্তান হয় নি। একজনের জন্ম দিয়েছিলেন,আরেকজন কে হাসপাতাল থেকে নিয়ে এসেছিলেন"


নক্ষত্রের রাতে রঞ্জু ও মনিষা ❤️


দুই ভাই বোন,একই দিনে যাদের জন্ম। তবে তারা যমজ ভাই বোন নয়। যাদের জন্মরহস্য নিয়ে নাটকে তৈরি হয়েছিল জটিলতা। এতকাল তারা জেনে এসেছিল তারা যমজ ভাই বোন। কিন্তু রঞ্জু কিভাবে জেনে যায়,যে তাদের একজন কুড়িয়ে পাওয়া,এই বাবা- মায়ের সন্তান নয়। রঞ্জু ভাবে সেইই কুড়িয়ে পাওয়া ছেলে,কিন্তু মনিষা বুঝায় সে পরিবারের সন্তান নয়। কারন এই পরিবারের সবাই ভীষণ বোকা কিন্তু সে বুদ্ধিমান! 


এক সময় জন্ম রহস্য উন্মোচিত হয়, এতে রঞ্জু বেশ আঘাত পান। নানা ঘটনায় সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে। আর মনিষা এই সংসারে থেকে একের পর এক দুঃখজনক ঘটনার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, মা,বাবা দুইজন ই মারা যান,বিয়ে ভেঙ্গে যায়। তবে  সে ভেঙ্গে পড়ে না, নিজেকে আরো শক্ত করে তোলে। যেন দুঃখের মত আর পরশ পাথর আর নেই। 


প্যাকেজের যুগ যাত্রা করলে হুমায়ূন আহমেদ নিজেও নির্মানে আসেন। উনার নির্মিত প্রথম ধারাবাহিক নাটক হচ্ছে 'নক্ষত্রের রাত'। তবে উপন্যাস নক্ষত্রের রাত থেকে এই ধারাবাহিকের গল্প পুরোই আলাদা। পুরো ধারাবাহিকের গল্প সঙ্গে সবগুলো চরিত্রযেন আপনপয়। অভিনয়শিল্পীরাও নিজেরা উজাড় করে দিয়েছিলেন,অনেক জনপ্রিয় তারকা অভিনয় করছিলেন। তাদের মধ্যে রঞ্জু ও মনিষার চরিত্রে অভিনয় করেন আজিজুল হাকিম ও শমী কায়সার। পুরো নাটকেই যখন এই দুইজন একত্রিত হয়েছেন,চিত্রনাট্য যেন আরো মহিমান্বিত হয়ে গিয়েছিল। পুরো ধারাবাহিকের বাঁক ঘুরে যাওয়ার প্রভাবক ছিল রঞ্জু ও মনিষা।  ইউটিউবের পাশাপাশি এই ধারাবাহিকটি এখন চরকি প্লাটফর্মেও দেখা যাচ্ছে এই 'নক্ষত্রের রাত'।


নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না,,,,,, সোহেল রাজ্জাক ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং নামাজ পড়ায় ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে। ঈমানও তাজা হবে।


আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!


আত্তাহিয়াতু আসলে, আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!


তাহলে কি বলেছিল...?


কারন; আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না, আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন; আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!


মহানবী (সঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-


▪আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু


অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।


উওরে মহান আল্লাহ বলেন:-


▪আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।


অর্থঃ- হে নবী; আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।


এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-


▪আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।


অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।


মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-


▪আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।


অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।

"সুবহানাল্লাহ"।


এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু গুরুত্ব এবং পিছনের ইতিহাস জানতে পারলাম, এবার একটু চিন্তা করুন তো, এই লেখাটি যদি আপনার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষেরাও জানে তাহলে তারাও এই দোয়ার গুরুত্ব বুজতে পারবে! ইনশাআল্লাহ।


গাছে ফসফরাস এর গুরুত্ব।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গাছে ফসফরাস এর গুরুত্ব।

 

উদ্ভিদে ফসফরাসের গুরুত্ব অনেক। এটি গাছের অন্যন্য পুষ্টিগুলোকে গাছের জন্য উপযোগী করতে সহায়তা করে এতে গাছের বৃদ্ধি হয়। এটি NPK সারের P নির্দেশ করে। এটি গাছের বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য তবে মাটিতে ফসফরাসের পরিমাণ বেশি বা কমে গেলে গাছে এর প্রভাব সম্পর্কে জানতে পড়তে থাকুন…


মাটিতে ফসফরাসের ঘাটতি:


আপনার বাগানে ফসফরাসের ঘাটতি আছে কিনা তা কিভাবে বুঝবেন? শুধু আপনার গাছের দিকে তাকান। যদি আপনার গাছটি ছোট হয়, ছোট ফুল-ফল হয় বা না হয়, দুর্বল শিকর এবং গাছের পাতাগুলো হালকা বা উজ্জল সবুজ হয় তবে বুঝে নিতে হবে আপনার গাছের মাটিতে ফসফরাসে ঘাটতি হয়েছ।


এমন অনেক রাসায়নিক সার রয়েছে যা আপনার মাটির ফসফরাসের অভাব কমিয়ে গাছে পুষ্টির ভারসাম্য বাজায় রাখতে সহায়তা করে। অর্থাৎ রাসায়নিক সার ব্যবহার করার সময় আপনি যেসব সারে উচ্চ ফসফরাস(P বা NPK সারের সংখ্যায় ২য় নম্বর) থাকে এমন সার ব্যবহার করুন।


আপনি যদি জৈবসার ব্যবহার করে আপনার গাছের ফসফরাসের ঘাটতি পূরণ করতে চান তবে হাড়ের গুড়া বা রক ফসফেট ব্যবহার করুন। এরা উভয়ে মাটিতে ফসফরাসের ঘাটতি পূরণ করেতে সহায়তা করে। কখনো কখনো মাটিতে কিছু কম্পোস্ট সার ব্যবহার করলেও মাটিতে ইতোমধ্যে থাকা ফসফরাস পূনঃরায় গ্রহণ করতে পারে। তাই অন্যকিছু যুক্ত করার আগে এটি ব্যবহার করে দেখুন।


মাটিতে ফসফরাস আপনি যেভাবে করেন না কেন, খেয়াল রাখতে হবে যেন বেশি হয়ে না যায়। এতে পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে তা চলে যাবে এবং মাটি দূষণ হতে পারে।


ফসফরাসের উপস্থিতি বেশি হলে:


মাটিতে অতিরিক্ত ফসফরাস হলে গাছ ফসফরাস ব্যবহার করতে পারে না। তাই গাছে পরিমিত পরিমাণে ফসফরাস ব্যবহার করতে হবে। তা গাছে প্রকৃতিভেদে ভিন্ন হতে পারে।


উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে ফসফরাসের গুরুত্বকে কোনভাবে ছোট করে দেখা যায় না। এটি ছাড়া, একটি উদ্ভিদ কোনভাবে স্বাস্থ্যকর হতে পারে না। ফসফরাসের কারণে আমাদের বাগানে সুন্দর এবং প্রচুর গাছপালা বাড়তে সহয়তা করে।


অরন্য সীডস-১ ফ্যামিলি



ধোলাই খালের উপর দিয়ে এই লোহার ব্রিজ টি নির্মান কাজ শুরুহয়েছিলো ১৮২৩ সালে,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ধোলাইখালের উপর দিয়ে এই লোহার ব্রিজটি  নির্মান কাজ শুরু হয়েছিলো ১৮২৩ সালে।


সেকালের ঢাকার কালেক্টর ওয়ালটার সাহেবের উদ্যোগে নির্মিত  হয়েছিলো এই ব্রিজ। এর আগে ছিলো খাল পারাপারে  ভীষণ  অসুবিধা।  আবার এই অঞ্চলে কোন বাজার না থাকায় পুলের নিচে একটি বাজার ও করে দিয়েছিলেন ওয়ালটার  সাহেব। ওয়ালটার সাহেবের উদ্যোগে  বিবি মরিয়মের সেই বিখ্যাত  কামান (আসলে তা মীর জুমলার কামান) সেই কামান সোয়ারীঘাট থেকে উত্তোলন করে চকবাজারে স্থাপন হয়েছিলো। তাঁর দূরদর্শী ভূমিকা ছিলো অনন্য।  ধোলাইখাল ব্রিজ নির্মানের বছরই তথা ১৮২৩ সালে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিলো৷ যা পরবর্তীতে ১৮৬৪ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি হিসেবে ঘোষিত হয়েছিলো। 


ঢাকার বাসিন্দারা  তখন ওয়ালটার সাহেবের কর্ম তৎপরতায়  এতোই খুশি হয়েছিলেন যে একটি ছড়া তাদের মুখে লেগেই থাকতো। 


'ওয়ালটার সাহেবনে পুল বানায়া-

উন্ কা নিচে গঞ্জ্ বসায়া-

আওর চাত্তক ধারি কামান,

গুড় গুড় চাল...।'


ঐ অঞ্চলে ওয়ালটার রোড নামে যেই রোডের এখনো নাম আছে তিনিই সেই ওয়ালটার সাহেব।  তবে একসময়ের  সেই প্রবাহমান ধোলাইখাল এখন সরু ক্ষুদ্র নর্দমাই বলা চলে। সেই ধোলাইখালে একসময় ৫২ নৌকার নৌকাবাইচ হতো। একসময় ধোলাইখালের উপর দিয়ে ১০টা ব্রিজ ছিলো। তবে এটিই ছিলো সর্ববৃহৎ।   বর্তমানে  পুরনো  ধোলাইখালের মাত্র ৫ শতাংশ টিকে আছে। 


ছবি: ১৯০৪ সালে ফ্রিৎজ ক্যাপের তোলা ধোলাইখালের উপরে লোহার ব্রিজ।


সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র (ইশতিয়াক)



তারাবীর নামাজ আদায় করার নিয়ম,,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔲 তারাবীর নামাজ ২০ রাকাত আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন, তাবে তাবেঈন ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করেছেন। সুতরাং বিনা কারনে ইচ্ছাকৃতভাবে অলসতার ধরুন তারাবীর নামাজ ত্যাগ করা জায়েজ নেই, এতে সুন্নত তরক করার কারনে গুনাহ হবে। [মুসান্নাফে ইবনে আবি শাঈবা- ৭৭৭৪]


🔸 হাদীসে পাকে বর্ণিত আছে, রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাদানের ভিতরে এবং বাহিরে (রাত্রিবেলায়) সর্বমোট ১১ রাকাত নামাজ আদায় করতেন। আর সেটি হচ্ছে ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ এবং ৩ রাকাত বেতের। [সহীহ বুখারী- ৩৫৬৯]


⭕ উপরোক্ত হাদীসে রমাদানের “ভিতরে এবং বাহিরে” শব্দটির উল্লেখ রয়েছে। তাহলে রমাদানের বাহিরে যেটা তাহাজ্জুদ, সেটা রমাদানের ভিতরে তারাবী হয় কিভাবে..?? আমাদের দেশের আহলে হাদীস ভাইয়েরা এখানে এসে হাদীসের ভুল ব্যাখ্যা করে থাকেন, আর তাহাজ্জুদের হাদীসকে তারাবীর হাদীস বলে প্রচার করে দেন.!!


🔹 এতে মানুষ ভুল জেনে কম আমল করে আর বেশি সওয়াব অর্জন করার ফজিলত থেকে বঞ্চিত হয়.!! তাই এই ব্যাপারে খুব বেশি সাবধানতা অবলম্বন করা চাই। তারাবীর নামাজ ২০ রাকাত আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা যেটা কিনা ১০০ এরও অধিক সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানিত.!


🔲 আর রমাদান মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০-৭০০ গুনের চেয়েও বেশি পরিমান বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তাই রমাদান মাসে আমলের ব্যাপারে কোনো প্রকার অলসতা, অবহেলা কিংবা গাফলতি করা যাবে না।


🔸 সুতরাং তারাবীর নামাজ ২ রাকাত করে সর্বমোট ২০ রাকাত আদায় করতে হবে। তবে অসুস্থতার ধরুন কারো পক্ষে যদি ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে সে সাধ্য মোতাবেক ৪/৮/১০/১২...২০ রাকাত নামাজ আদায় করতে পারবে।


 ⭕ মৌখিকভাবে আরবীতে কোনো প্রকার নিয়ত করার কথা কুরআন হাদীসে বর্ণিত নেই। কারন নিয়ত অন্তরের সাথে সংশ্লিষ্ট, মুখের সাথে নয়। তাই নিয়ত করার ক্ষেত্রে মনে মনে স্মরণ করতে হবে, আমি ২ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায়ের নিয়ত করলাম, আল্ল-হু আকবার..।


🔹 তারাবীর নামাজের ২ অথবা ৪ রাকাত পর পর কিংবা একেবারে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করা শেষে দোয়া করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো দোয়া নেই, নিজের মতো করে যে কোনো প্রকার দোয়া করা যাবে ইন শা আল্লাহ ✅


🔲 এশার ৪ রাকাত ফরজ, ২ রাকাত সুন্নত এবং ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করে সর্বশেষ ৩ রাকাত বেতের নামাজ আদায় করতে হবে। তবে নিয়মিত তাহাজ্জুদ আদায়ের অভ্যাস থেকে থাকলে শেষ রাত্রিতে তাহাজ্জুদ আদায় করে এরপরে বেতের নামাজ আদায় করতে হবে।




শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪

হোম মেইড চিপস,,,,, মাগুর অনলাইন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌙হোম মেইড চিপস 🌙


🌙১ কেজি অর্ডারে ডেলিবারি চার্জ ফ্রি😱


🌙ছোট থেকে বড় সবাই আমরা চিপস খেতে খুব পছন্দ করি তাই আপনাদের জন্য হোমমেড চিপস নিয়ে হাজির হলাম 😋😋


অগ্রিম কোন টাকা দিতে হবে না!!

সারাদেশে ডেলিভারি হোম চার্জ ফ্রি।

সাথে আরো 50 গ্রাম মসলা ফ্রি - ফ্রি- ফ্রি


🌙আবার আকর্ষণীয় মূল্যে পাচ্ছেন,  তার মধ্যে আমাদের প্যাকেজিং ও সার্ভিস খুব ভালো পাবেন চিপস ভেঙ্গে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার কোনো চান্স নেই🥰


🌙১ কেজি কেমিক্যাল মুক্ত হোমমেড চিপস বাজারের ৯০+ প্যাকেট এর সমান 🍅 এই চিপস বাচ্চারা নিমিষেই শেষ করে দিতে পারে। সাথে থাকছে কুরমুরে চিপস এর সাথে বাজারের ক্ষতিকারক মুক্ত মশলা বিট লবণ, টেস্টিং সল্ট ও কেমিক্যাল এসিড ফ্লেভার মুক্ত মজাদার হোম মেইড মসলা ফ্রি।


উপাদান: আলু, সাবুদানা, ভুট্টা ও ময়দা।


🕌আমি মরিয়ম সুলতানা কাজ 

করছি হোমমেড ফুড নিয়ে,

 অনার অফ মরিয়ম ফুড গ্যালারি🕌


আমার পণ্যের দায়ভার সম্পূর্ণ আমার, গ্রুপ কতৃপক্ষ কোনভাবেই এরজন্য দায়ী নয়।



কাঁঠাল দিয়েই সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উম্মোচিত হবে বাংলাদেশে,,, Dhanmondi organic hous ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কাঁঠাল দিয়েই সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উম্মোচিত হবে বাংলাদেশে। শুধু কাঁচা কাঁঠাল রপ্তানি করেই আয় করা সম্ভব বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। one country one priority product হিসেবে বাংলাদেশের product হলো Jackfruit- কাঁঠাল। 

কিন্তু আমাদের দেশে কাঁঠাল মৌসুমি ফল হওয়ায় বারোমাসি জাত (বারি কাঁঠাল-৬) সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যেন সারা বছর নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করা যায়। 

অসাধারণ জাত ... ২-৩ বছরেই ফল আসে এবং সারাবছরই গাছে ফল থাকে।   

যারা বারোমাসি কাঁঠালের বাগান করতে চান তাঁরা নিকটস্থ হর্টিকালচার সেন্টারে যোগাযোগ করুন। 

কৃষি মন্ত্রণালয়ের টিস্যু কালচার & হর্টিকালচার উন্নয়ন প্রকল্পের (THEDP) আওতায় বারোমাসি কাঁঠাল সহ কয়েক হাজার মিশ্র ফলের বাগান করা হচ্ছে। বাগানগুলো হবে বিশেষকরে গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, টাংগাইল, ঢাকা, কুমিল্লা, ভোলা এবং বান্দরবান এলাকায়। 

যারা বাগান করতে চান এই এলাকার সরকারি হর্টিকালচার সেন্টারে যোগাযোগ করুন।  

কৃষিই সমৃদ্ধি।



পাকিস্তানের জাতির জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ'র পূর্ব পুরুষ  সনাতনী ব্রাম্মন ছিলেন,,,, ঝিনেদার লিয়াকত ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 👉 পাকিস্তানের জাতির জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ'র পূর্ব পুরুষ  সনাতনী ব্রাম্মন ছিলেন। তেনার পিতা পুঞ্জলাল ঠাকুর ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পুঞ্জলাল ঠাকুরের মেঝো ছেলে।

👉 একমাত্র মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছাড়া পরিবারের সকলেই ভারতের গুজরাট রাজ্যের পানেলি মতি গ্রামে ও বোস্বেতে সমাহিত এবং জীবিত বসবাস করছেন।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


ভারতের গুজরাট রাজ্যের পানেলি মতি গ্রামে মেঘজিভাই ঠাকুর নামে এক ব্রাক্ষণ মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন। সমুদ্রপাড়ের শহর। মাছের ব্যবসাপাতি ভালোই চলছিলো। রুজি রোজগার বেশ। এসব দেখে হঠাৎ বাধ সাধলো লোকাল পুরোহিতরা। ব্রাহ্মণ কিভাবে মাছের ব্যবসা করে ! এজন্য অনেকটা হুট করেই মাছ ব্যবসা আর আমিষ গ্রহণের অজুহাতে সপরিবারে সেই ব্রাহ্মণকে সমাজচ্যুত করেন সমাজপতিরা। ধোপা-নাপিত বন্ধ। পূজা আর্চণা-সামাজিক নিমন্ত্রণ বন্ধ। এভবে চলতে থাকলে একসময় সেই ব্রাক্ষণ মাছের ব্যবসা বন্ধ করে দিয়ে আবার তার বর্ণে ফিরে আসার চেষ্টা করলেন, তবুও বাকিরা তাকে অচ্ছুৎ করে একঘরে ফেলে রেখে দিলো। ফলস্বরূপ, সেই ব্রাহ্মণের পুত্র পুঞ্জলাল ঠাকুর এইসব অবমাননায় এতটাই ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন যে তিনি নিজে সহ তাঁর চার ছেলেকে নিয়ে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হন এবং বোম্বেতে স্থায়ীভাবে চলে আসেন। এই পুঞ্জলাল ঠাকুরের মেজো ছেলের সাথে আমরা পরিচিত। তিনি কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 

তবে এই লেখাটা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে না। জিন্নাহর একমাত্র উত্তরাধিকার, তার মেয়ে দিনা জিন্নাহকে নিয়ে। 

জিন্নাহ নিজে বিয়ে করেছিলেন এক পার্সী রমনী রতনবাঈকে। তাদের একমাত্র কন্যা দিনার জন্ম ১৯১৯ সালের ১৫ই আগস্ট। ঠিক ভারত-পাকিস্তানের ভাগের দিন এবং গণিতের হিসেবে দেশভাগের আটাশ বছর আগে। ১৯৩৮ সালে এক পার্সি যুবকের প্রেমে পড়েন উনিশ বছর বয়সী দিনা। নিজে অমুসলিম বিয়ে করলেও একমাত্র মেয়ে এক অমুসলিমকে বিয়ে করবে এইটা কখনোই মেনে নিতে পারেননি কায়েদে আজম। পাকিস্তানের সর্বেসর্বা হতে চলছেন তিনি, ক্ষমতার মোহে বিভোর সবকিছু। তবে মেয়ে ছিলেন অনড়। বাবার নিষেধ সত্ত্বেও তিনি পার্সী- বংশোদ্ভূত ভারতীয় নেভিল ওয়াদিয়াকে বিয়ে করেন। ১৯৪৩ সালে তার স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বোম্বেতে নিজের পিতামহের বানানো পৈত্রিক নিবাসে বসবাস শুরু করেন। 

এরপর কালে কালে দেশ ভাগ হয়। এপারের মানুষ ওপারে যায়, ওপারের মানুষ এপারে। জিন্নাহ তখন পাকিস্তানের গর্ভনর জেনারেল। প্রবল পরাক্রমশালী ব্যক্তি। মেয়েকে বললেন তার কাছে চলে আসতে করাচিতে। তখন মেয়ে বাবাকে প্রশ্ন করেন- "আমার মায়ের কি হবে ? তুমি কি মায়ের কবর বোম্বে থেকে পাকিস্তানে নিয়ে যেতে পারবে?"। স্পষ্ট জানিয়ে দেন বাবাকে যে ভারতেই থাকছেন তিনি। আমৃত্যু বলে গিয়েছেন- Bombay is my city. 

হ্যা দিনা গিয়েছিলেন পাকিস্তানে একবার। ১৯৪৮ সালে। পিতার শেষ্যকৃতি অনুষ্ঠানে। এরপর আর যান নি। ব্যবসাপাতিতে মন দেন। শক্ত হাতে হাল ধরেন। আজও ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনী নাসলি ওয়াদিয়া। দিনা জিন্নাহর ছেলে, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নাতি। নাসলি ওয়াদিয়ার দুই সন্তান- জাহাঙ্গীর এবং নেস। বর্তমানে আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের অন্যতম মালিক নেস ওয়াদিয়া। 

ভাগ্যের এক নির্মম পরিহাস- লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান আদায় করে নেওয়া জিন্নাহর সব উত্তরাধিকারই ভারতীয় নাগরিক। পাকিস্তানে কেউ নেই।


কার্তিক চন্দ্র ধর এর পোস্ট থেকে সংগৃহীত।


কোলেস্টেরল কমাতে প্রকৃতির এই ৮টি অসাধারণ ভেষজ! ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 কোলেস্টেরল কমাতে প্রকৃতির এই ৮টি অসাধারণ ভেষজ! 🌿💚 কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারে এই ভেষজগুলো যোগ করুন। প্রাকৃতিক...