এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০২৪

আজ থেকে ১৯৩ বছর আগে ১৮৩০ সালে যশোরের জজ ছিলেন মিষ্টার প্রিঙ্গাল।,,,,,ফেইসবুক থেকে

 আজ থেকে ১৯৩ বছর আগে ১৮৩০ সালে যশোরের জজ ছিলেন মিষ্টার প্রিঙ্গাল। তার স্ত্রী ক্রিশ্চিয়ানা প্রিঙ্গাল যশোর থেকে ব্রিটেনে তার পরিবারকে ৭টি পত্র লিখেছিলেন। সেই পত্রগুলো পড়লে তৎকালীন যশোরের সমাজচিত্র পাওয়া যায়। প্রিঙ্গাল তার বোনকে প্রথম পত্র লিখেছিলেন ১৮৩০ সালের ৭ জানুয়ারি। তিনি লিখেছেন ‘‘স্থানটি দেখিতে সুন্দর। অধিবাসীদিগের বিভিন্ন প্রকারের আচার-ব্যবহার ও রীতিনীতি জানিবার জন্য আমি একজনকে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করি এবং জানিতে পারিলে সন্তষ্ট হই। জন এখানে জজ হইয়া আসিয়াছেন। ম্যাক্স ওয়েল এই স্থানের কালেক্টর। সম্ভবত: দ্রুত এখানে একজন সহকারী ম্যাজিষ্ট্রেটও প্রেরিত হইবেন। এতদ্ব্যতীত একজন ডাক্তারও আছেন। মাত্র এই কয়জনই স্থায়ী বাসিন্দা। তবে আমরা কলকাতা হইতে ৮০ মাইল এবং ঢাকা হইতে ৭০ মাইল দূরে আছি। ঢাকা একটি বৃহৎ শহর। এ স্থান আমাদের পছন্দ হইলে আমরা কিছুদিন এই স্থানে থাকিব।’’


কার্টেসিঃ সাজেদ রহমান ।



রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ১৭-০৩-২০২৪ ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া  

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১৭-০৩-২০২৪ । 


আজকের শিরোনাম: 


আজ ১৭ই মার্চ - জাতি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস। 


ভারত পাশে ছিল বলেই বাংলাদেশের নির্বাচনে অন্য কোনো বড় রাষ্ট্র অশুভ হস্তক্ষেপ করতে পারেনি - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 


ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তবে এ ব্যাপারে নজর রাখছে সরকার - জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 


হামাসের নতুন প্রস্তাবের পর যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আলোচনার জন্য কাতারে একটি প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে ইসরাইল। 


বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে আজ ঢাকায় আসছে অষ্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল।


আমার চোখে এই মাত্র পড়েছে। মেয়েটা কি বেঁচে আছে নাকি মারা গিয়েছে?,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমার চোখে এই মাত্র পড়েছে। মেয়েটা কি বেঁচে আছে নাকি মারা গিয়েছে? 


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা মেয়ে ঘণ্টা খানেক আগে পোস্ট করেছে সে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে। তাঁর ক্লাসমেট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরকে দায়ী করেছে। সে পরিষ্কার করে লিখেছে- তাঁর ক্লাসমেট আম্মান নাকি তাঁকে নানান ভাবে হয়রানি করে আসছিল। সে প্রক্টরের কাছে অভিযোগ করলে ওই শিক্ষক নাকি বেশ কয়েকবার তাঁকে রুমে ডেকে নিয়ে বাজে ভাষায় গালি দিয়েছে (মেয়েটা নিজের পোস্টে সব লিখেছে। আমি আর এই ভাষা আমার পোস্টে লিখছি না।) 


একজন শিক্ষক কি করে এমন ভাষা ব্যাবহার করতে পারে? এই দেশে বিচার চাইতে গেলে উল্টো অপরাধী বানিয়ে দেয়া হয়। এই যে মেয়েটা আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর দায় কার? তাঁর ক্লাসমেট আর ওই শিক্ষকের কি কোন দিন বিচার হবে? নাকি এদেরকেও ছুটি দেয়া হবে মৌজ-মাস্তি করার জন্য? 


এখন শুনতে পাচ্ছি মেয়েটা আর বেঁচে নাই।  আহা জীবন ... তাঁর বন্ধু আম্মান এবং ওই শিক্ষক কি এরপরও বেঁচে যাবে? এই জনপদে কি কোন দিন কিছুর বিচার হবে না? 


এই ঘটনার প্রতিবাদ করুন সবাই। এই মেয়ের জীবনের বিনিময়ে হলেও যেন এইসব জল্লাদ শিক্ষকদের হাত থেকে আমাদের ছেলে-মেয়ে গুলো রক্ষা পায়। এরা মানুষ না। এরা হচ্ছে একেকটা সাক্ষাৎ দানব!


[ লেখা : আমিনুল ইসলাম। ]


_________________________

[ মেয়েটির লেখা সুইসাইড নোট____]


আমি যদি কখনো সুইসাইড করে মারা যাই তবে আমার মৃত্যুর জন্য একমাত্র দায়ী থাকবে আমার ক্লাসমেট আম্মান সিদ্দিকী, আর তার সহকারী হিসেবে তার সাথে ভালো সম্পর্ক থাকার কারণে তাকে সাপোর্টকারী জগন্নাথের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম। আম্মান যে আমাকে অফলাইন অনলাইনে থ্রেটের

উপর রাখতো সে বিষয়ে প্রক্টর অফিসে অভিযোগ করে ও আমার লাভ হয় নাই। দ্বীন ইসলাম আমাকে নানান ভাবে ভয় দেখায় আম্মানের হয়ে যে আমাকে বহিষ্কার করা ওনার জন্য হাতের ময়লার মতোব্যাপার। 


আমি জানি এখানে কোনো জাস্টিস পাবো না। কারণ দ্বীন ইসলামের অনেক চামচা ওর পাশে গিয়ে দাঁড়াবে। এই লোককে আমি চিনতাম ও না। আম্মান আমাকে সেক্সুয়ালি এবিউজিভ কমেন্ট করায় আমি তার প্রতিবাদ করলে আমাকে দেখে নেয়ার জন্য দ্বীন ইসলামের শরণাপন্ন করায়। আর দ্বীন ইসলাম আমাকে তখন প্রক্টর অফিসে একা ডেকে নারীজাতিয় গালিগালাজ করে। সেটা অনেক আগের ঘটনা হলেও সে এখনো আমাকে নানাভাবে মানহানি করতেসে বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন কথা বলে। আর এই লোক কুমিল্লার হয়ে কুমিল্লার ছাত্র কল্যাণের তার ছেলেমেয়ের বয়সী স্টুডেন্ট দের মাঝে কী পরিমাণ প্যাঁচ ইচ্ছা করে লাগায় সেটা কুমিল্লার কারো সৎসাহস থাকলে সে স্বীকার করবে। 


এই লোক আমাকে আম্মানের অভিযোগ এর প্রেক্ষিতে ৭ বার প্রক্টর অফিসে ডাকায় নিয়ে " খানকি তুই এই ছেলেরে থাপড়াবি বলসস কেনো? তোরে যদি এখন আমার জুতা দিয়ে মারতে মারতে তোর ছাল তুলি তোরে এখন কে বাঁচাবে?"


আফসোস এই লোক নাকি ঢাবির খুব প্রমিনেন্ট ছাত্রনেতা ছিলো। একবার জেল খেটেও সে এখন জগন্নাথের প্রক্টর। সো ওর পলিটিকাল আর নষ্টামির হাত অনেক লম্বা না হলেও এতো কুকীর্তির পরও এভাবে বহাল তবিয়তো থাকে না এমন পোস্টে। কোথায় এই লোকের কাজ ছিল গার্ডিয়ান হওয়া আর সো কিনা শেষমেশ আমার জীবনটারেই শেষ না হওয়া পর্যন্ত মুক্তি দিলো না আমি উপাচার্য সাদোকা হালিম ম্যামের কাছে আপনি এই প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক হিসেবে আপনার কাছে বিচার চাইলাম।


আর আমি ফাঁসি দিয়ে মরতেসি। আমার উপর দিয়ে কী গেলে আমার মতো নিজেকে এতো ভালোবাসে যে মানুষ সে মানুষ এমন কাজ করতে পারে। আমি জানি এটা কোনো সলিউশন না কিন্তু আমাকে বাঁচতে দিতেসে না বিশ্বাস করেন। আমি ফাইটার মানুষ। আমি বাঁচতে চাইসিলাম! আর পোস্ট মর্টেম করে আমার পরিবারকে ঝামেলায় ফেলবেন না। এমনিতেই বাবা এক বছর হয় নাই মারা গেছেন আমার মা একা। ওনাকে বিব্রত করবেন না। এটা সুইসাইড না এটা মার্ডার। টেকনিক্যালি মার্ডার। আর আম্মান নামক আমার ক্লাসমেট ইভটিজার টা আমাকে এটাই বলছিল যে আমার জীবনের এমন অবস্থা করবে যাতে আমি মরা ছাড়া কোনো গতি না পাই। তাও আমি ফাইট করার চেষ্টা করসি। এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে সহ্য ক্ষমতার....



তারিখ : ১৬-০৩-২০২৪ । আজকের শিরোনাম,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া :

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১৬-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তি। 


নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের সুযোগ নেই - সংবাদ সম্মেলনে বললেন ওবায়দুল কাদের।


 দ্রুততম সময়ে জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশের নাবিকদের মুক্ত করতে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে - জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


দেশের বাজারে ভারত থেকে শিগগিরই ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ প্রবেশ করবে - বললেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।


 মাছ-মাংসসহ ২৯টি কৃষিপণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।


গাজা উপকূলে প্রথমবারের মতো সমুদ্র পথে পৌঁছেছে মানবিক ত্রাণ সহায়তা।


মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভাষা সৈনিক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু। 


চট্টগ্রামে তিন ম্যাচ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজের দ্বিতীয় খেলায় বাংলাদেশকে ৩ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো শ্রীলঙ্কা।


যেসব কারনে রোজা ভেঙে ্যায় :শেষ পর্ব,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যেসব কারণে রোজা ভেঙ্গে যায়: শেষ পর্ব


১২.রোযা অবস্থায় পান তামাক চাবানো ও গুল ব্যবহার করা যাবে না, এর দ্বারা রোযা ভেঙ্গে যাবে। কেননা পান চাবানোর পর তার কিছু অংশ এবং থুথুর সাথে তার রস গলায় চলে যাওয়ার প্রবল আশংকা রয়েছে এবং সেই উদ্দেশ্যেই পান তামাক চাবানো ও গুল ব্যবহার করা হয়। সুতারাং পান-তামাক ও গুল ব্যবহার করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। 


১৩.কুলি করার সময় বা নাকে পানি দেওয়ার সময় যদি আকস্মাৎ গলায় পানি চলে যায় আর রোযার কথা স্মরণ থাকে তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে এবং শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৪.রোযা অবস্থায় পাথরের টুকরা,মাটি ইত্যাদি অখাদ্য বস্তু খেয়ে ফেললে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে এবং শুধু কাযা ওয়াজিব হবে, কাফ্ফারা নয়।


১৫.স্বামী -স্ত্রী উভয়ের ইচ্ছায় রোযা অবস্থায় যদি সহবাস করে তাহলে উভয় জনের রোযা ভেঙ্গে যাবে। এবং উভয়ের উপর কাযা ও কাফ্ফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে। আর যদি স্ত্রীর অনিচ্ছায় স্বামী জোর পূর্বক সঙ্গম করে তাহলে স্বামীর উপর কাযা কাফফারা উভয়টি আবশ্যক হবে। আর স্ত্রীর উপর শুধু কাযা ও ওয়াজিব হবে, কাফ্ফারা নয়। আর যদি স্বামীর অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও স্ত্রী পক্ষ থেকে বাধ্য হয়ে সঙ্গম করে তাহলে স্ত্রীর উপর কাযা ও কাফ্ফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে আর স্বামীর উপর শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৬.রোযা অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা, আলিঙ্গন করা, আদর সোহাগ করা বা একের যৌনাঙ্গ অপরের যৌনাঙ্গকে সম্পর্শ করার ফলে যদি বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। তবে এর দ্বারা কাফফারা ওয়াজিব হবে না, শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৭.ইনহিলার এর মাধ্যমে পেটে ঔষধ পৌছানো হয় তার পরিমান একে বারে অল্প হওয়া সত্বেও ইচ্ছাকৃত ভাবে তা ব্যবহারের কারণে রোযা ভেঙ্গে যাবে, এটাই সাভাবিক মাসয়ালা। কিন্তু এই ঔষধ ভেতরে গিয়ে গ্যাসে পরিনত হয় না খাওয়ার আগে গ্যাসে পরিণত হয় এব্যাপারে ডাক্তারদের দ্বিমত রয়েছে। বিধায় সর্তকতা ও উত্তম হলো এমন রোগী রোযা রাখবে এবং নিজ সামর্থ হিসাবে প্রত্যেক রোযার ফিদিয়াও দিয়ে দিবে, যাতে রোযা না হলে ফেদিয়া দ্বারা তার দ্বায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। আর যদি সম্ভব হয় তাহলে দিনের বেলায় তা ব্যবহার না করে শুধু রাতে ব্যবহার করা আরো ভাল।


(ফাতাওয়ায়ে শামী ৩য় খণ্ড, ৩৭৬ পৃষ্টা)


যেসব কারনে রোজা ভেঙে যায় শেষ পর্ব,,,   থেকে নেওয়া 


সকল মাজরা পোকা তাড়াতে এলো  "বায়ো-চমক+বায়ো-বিটিকে" জুটি,,,ইস্পাহানি এ্যাগ্রো ফেইসবুক থেকে নেওয়া


 ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা এবার পাবে ছুটি,

সকল মাজরা পোকা তাড়াতে এলো 

"বায়ো-চমক+বায়ো-বিটিকে" জুটি! 📢 📢


ইস্পাহানি এগ্রোর পরিবেশবান্ধব, আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনার যুগান্তকারী ও তাক লাগানো সমাধান "বায়ো-চমক ও বায়ো-বিটিকে" এর যৌথ ব্যবহারে সকল ধরনের মাজরা পোকা থেকে আপনার ফসল থাকবে নিরাপদ এবং নিশ্চিত হবে বাম্পার ফলন।

🌱ব্যবহার বিধি🌱

** আক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থাৎ ১ম ও ২য় কীড়া দশায় জমিতে প্রয়োগ করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

** ৭-১০ দিন অন্তর দুইবার প্রয়োগে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

☎ তবে আর দেরি কেন? আপনার জেলায় পণ্য পেতে নিজ জেলার নাম লিখে কমেন্ট করুন, অথবা নিকটস্থ ডিলার পয়েন্টে আজই যোগাযোগ করুন।,,,,,,,,

আমাদের সকল পণ্য পেতে ও পণ্যের দাম জানতে এবং আপনার এলাকার ডিলার পয়েন্ট সম্পর্কে জানতে নিচের তালিকা থেকে আমাদের জেলা প্রতিনিধিদের

সাথে যোগাযোগ করুন অথবা ছবি থেকে নিজ জেলার ডিলার পয়েন্ট জেনে নিন:

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3037021756522539&id=1508818882676175&mibextid=Nif5oz


শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪

স্যারের মেসেজ ১৬/০৩/২৪

 ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলা শহরে আমাদের পেস্টিংয়ের নিয়োগ করা হবে আপনাদের পরিচিত কোন লোক থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন আগামী ২০ তারিখে আমাদের লোক নিয়োগ পরীক্ষা আছে।

ক্লাস এইট পাশ ভোটার আইডি কার্ড আছে স্মার্ট ফোন চালাইতে পারে বাংলা ইংরেজি মোটামুটি বুঝে এরকম লোক হইলেও নেওয়া যাবে।

একটা বিষয় সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে আমাদের ওয়ার্ক অর্ডারে একটি নতুন বিষয় অনেকেই হয়তো বুঝতেছেন না সেটা হচ্ছে প্রিন্ট হাউস তাদের সুবিধার জন্য ওয়ার্ক অর্ডারের পতিতহা ঘরকে কাউন্ট করতেছে অর্থাৎ 1 থেকে শুরু করে যতগুলো ঘরে মেজারমেন্ট লেখা আছে সব ঘরকে ১.২.৩.৪ এইভাবে তারা কাউন্ট করে

যদি কেউ এই বিষয়টা না বুঝে থাকেন তাহলে সে আমার কাছে ফোন দিবেন পরবর্তীতে কোনভাবেই বলবেন না যে আমি বিষয়টা বুঝতেছিনা


বিষয়টা একই একেবারে সিম্পল একটি দোকানে যদি চারটা স্টিকার থাকে তাহলে দোকান একটা কিন্তু এই পাশে সিরিয়াল থাকবে চারটা আপনি মেজারমেন্ট এবং সিরিয়াল দুইটা ক্রস ম্যাচ করে তারপর স্টিকার মিলাবেন।

এক্ষেত্রে স্টিকার ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম

দুই সুপারভাইজার ভাইকে বলছি যে সব লোক কোন প্রকার সেল করতে পারতেছে না sales  2 হাজার 5000 করে বন্ধ রাখতেছে তাদের এরিয়া চেঞ্জ করার ব্যবস্থা করে এবং তাদের এরিয়ায় নতুন লোকদের ব্যবস্থা করেন আমাদের লোক নিয়োগ হবে আগামী ২০ তারিখ।বিষয়টা একই একেবারে সিম্পল একটি দোকানে যদি চারটা স্টিকার থাকে তাহলে দোকান একটা কিন্তু এই পাশে সিরিয়াল থাকবে চারটা আপনি মেজারমেন্ট এবং সিরিয়াল দুইটা ক্রস ম্যাচ করে তারপর স্টিকার মিলাবেন।বিষয়টা একই একেবারে সিম্পল একটি দোকানে যদি চারটা স্টিকার থাকে তাহলে দোকান একটা কিন্তু এই পাশে সিরিয়াল থাকবে চারটা আপনি মেজারমেন্ট এবং সিরিয়াল দুইটা ক্রস ম্যাচ করে তারপর স্টিকার মিলাবেন।

দুই সুপারভাইজার ভাইকে বলছি যে সব লোক কোন প্রকার সেল করতে পারতেছে না sales  2 হাজার 5000 করে বন্ধ রাখতেছে তাদের এরিয়া চেঞ্জ করার ব্যবস্থা করে এবং তাদের এরিয়ায় নতুন লোকদের ব্যবস্থা করেন আমাদের লোক নিয়োগ হবে আগামী ২০ তারিখ।,,


১ মিনিট ধৈর্য ধরে পড়ুন..ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১ মিনিট ধৈর্য ধরে পড়ুন...

জিবরাঈল (আঃ)কে আল্লাহ তায়ালা তৈরী করলেন।

জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালাকে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আপনি কিসে খুশি হন??

আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হই আমার বান্দা যখন আমাকে সিজদা করে। অত:পর জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে সিজদা করলেন ৩০ হাজার বছর ধরে।

জিবরাঈল (আঃ) মনে মনে খেয়াল করলেন আমার থেকে এত বড় দামি, এত বড় লম্বা সিজদা দুনিয়ার আর কেউ করতে পারবে না।

আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয় আমার প্রতি খুশি হবেন।

জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালার দিকে মুতাহজ্জির হয়ে রইলেন কিন্তু আল্লা তায়ালার পক্ষ থেকে কোন খুশির বাণী জানান হল না, জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আমি যে এত লম্বা সিজদা করলাম আপনি কি আমার সিজদার প্রতি কোন খুশি হন নাই? আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন - জিবরাঈল তোমার জবাব আমি দেব তার আগে তুমি একটু আরশে আজিমের দিকে তাকাও, জিবরাঈল (আঃ) তাকিয়ে দেখলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরশে আল্লাহর কুদরতী নূর দ্বারা লিখা রয়েছে- ''লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ''

জিবরাইল (আঃ) জিজ্ঞাসা করলেন- হে আল্লাহ্!! আমার সিজদার সংগে এই কালিমার কি মিল?? আল্লাহ তায়ালা বললেন, ও জিবরাইল শোন আমি আল্লাহ এ দুনিয়া তৈরী করব ওই দুনিয়ার মানব জাতি ও জিন জাতির হিদায়াতের জন্য লক্ষাধিক নবি-রাসূলগনকে পাঠাব সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ কে পাঠাব

এই নবীর উম্মতের উপরে আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরয করব আর প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে সতেরটা করে রাকাত আমার জন্য ফরয করব প্রত্যেকটা রাকাতের মধ্যে দুটি করে সিজদা হবে আর প্রত্যেকটা সিজদার মধ্যে ওই নবির উম্মত তিনবার করে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" পাঠ করবে। জিবরাইল তুমি জেনে রাখ আমার ওই মাহবুব নবীর উম্মত যখন সিজদায় গিয়ে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" বলে আমাকে ডাক দিবে, জিবরাইল তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে নেকি পেয়েছ, আমি আল্লাহ্ আমার বান্দার আমল নামায় এর থেকেও ৪০ হাজার গুন বেশি নেকি লিখে দিব, সুবহানাল্লাহ...!!

এই জন্য মুসা (আঃ) কাঁদছেন, আল্লাহ!! আমাকে ওই নবীর উম্মত বানাইয়া দাও, যে নবীর উম্মত এক সিজদায় জিবরাঈল (আঃ) এর সারা জীবনের ৩০ হাজার বছরের সিজদার নেকি নিয়ে গেল।।

আমরা সেই নবীর উম্মত আমাদের কি করা উচিত আর আমরা কি করছি...?

আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দিন


আমিন 🤲🤲



রহস্যময় গ্রীক ফায়ার,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রহস্যময় গ্রীক ফায়ার

********************


ইতিহাসে এমন অনেক অস্ত্রের খোঁজ পাওয়া যায় যা ছিল অত্যন্ত বিধ্বংসী , কিন্তু মধ্যযুগে এমন একটি রহস্যময় অস্ত্র ছিল যার কোনো জবাব শত্রুপক্ষের কাছে ছিলোনা। যা মুহূর্তে শত্রুকে ধংস করতে পারতো।

বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ও সমৃদ্ধ একটি সাম্রাজ্য, যে সাম্রাজ্যটি ৩৩০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত, প্রায় ১১০০ বছর টিকে ছিল। এই বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যকে অন্য যে কোনো সাম্রাজ্যের মতোই বারবার বিদেশিদের আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল , কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রায় ১১০০ বছর ধরে এই সাম্রাজ্যের টিকে থাকার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ বলে যাকে মনে করা হয়, তা ছিল তাদের রহস্যময় ও বিধ্বংসী অস্ত্র , যা গ্রিক ফায়ার নামে বিখ্যাত।

মনে করা হয় ৬৭২ সালে সম্রাট কনস্টান্টিন পোগনেটাস এর আমলে আরবদের আক্রমণ ঠেকাতে বাইজান্টাইনএর নৌবাহিনী প্রথমবার এই রহস্যময় গ্রিক ফায়ার ব্যবহার করেছিল। যে অস্ত্র আক্রমণকারীদের মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করেছিল। এই গ্রিক ফায়ার ছিল একপ্রকারের তরল আগুন , যা একজাতীয় যন্ত্রের মাধ্যমে শত্রুপক্ষের নৌকা বা জাহাজের উদ্দেশে ছুড়ে দেওয়া হতো। সেই যন্ত্রটির মধ্যে একটি বিশেষ পাত্রের মধ্যে গ্রিক ফায়ারএর তরল মিশ্রণটি রাখা থাকতো , আর কোনোভাবে সেই মিশ্রণটি থেকে তরল আগুন উৎপন্ন করে নলের মাধ্যমে তা শত্রুপক্ষের দিকে ছুড়ে দেওয়া হতো। এই তরল আগুন মুহূর্তে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুকে জ্বালিয়ে ধংস করে দিতো। এই গ্রিক ফায়ার এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে তা জল দিয়েও নেভানো যেতোনা , এমনকি মনে করা হয় যে এই গ্রিক ফায়ার জলের সংস্পর্শে আরো বেশি জ্বলে উঠতো।

মনে করা হয় কালিনিকস নামের একজন বাইজান্টাইন আর্কিটেক্ট প্রথম এই মারাত্মক অস্ত্রটি তৈরী করেন এবং তা বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের হাতে তুলে দেন। কিন্তু এই তরল আগুনটি কি উপায়ে তৈরী করা হয়েছিল তার রহস্য এতটাই গোপনে সুরক্ষিত রাখা হয়েছিল যে , গ্রিক ফায়ার তৈরী করার ফর্মুলা আজও অজানা। মনে করা হয় যে ন্যাপথা বা পেট্রোলিয়াম এর সাথে সালফার ও আরো অন্য কিছু সামগ্রী মিশিয়ে গ্রিক ফায়ার তৈরী করা হতো। কিন্তু এর আসল রহস্য এখনো কেউ সঠিক জানতে পারেনি।


তথ্য সম্রাট জাহাঙ্গীর  ফটো ক্রেডি জানি না 😌



টাটাক্সন ২০ এস এল (প্যারাকোয়াট ২০% এস এল,,,

 টাটাক্সন ২০ এস এল (প্যারাকোয়াট ২০% এস এল)


টাটাক্সন ২০ এস এল একটি অনির্বাচিত আগাছানাশক, যা ফল, চা, রাবার বাগানে আগাছার মাটির উপরের সবুজ অংশ মেরে ফেলে


ব্যবহারের সুবিধাঃ

অ-নির্বাচিত এবং স্পর্শক আগাছানাশক, যা সুপারঅক্সাইড তৈরি করে গাছের কোষের পাতলা আবরন ভেঙ্গে দিয়ে কোষের পানি বের করে দিয়ে পাতাকে শুকিয়ে গাছের সবুজ অংশ ধ্বংস করে।

প্রয়োগের ১ ঘন্টার মাঝে আগাছা নেতিয়ে পরে এবং ২-৩ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ আগাছা মারা যায়। 

টাটাক্সন ২০ এস এল আগাছার মাটির উপরের অংশ ধ্বংস করে এবং শিকড়ের বৃদ্ধিতে বাধা দেয় না, ফলে পাহাড়ি এলাকায় মাটির ক্ষয় রোধ করে । 

ইহা গাছ দ্বারা দ্রুত শোষিত হয় ফলে প্রয়োগের আধ ঘন্টা পর বৃষ্টি হলেও কার্যকারীতা ঠিক থাকে ।  

আগাছাঃ অনির্বাচিত সকল আগাছা 

প্রয়োগের সময়ঃ জমি তৈরির আগে ব্যাবহার করুন। চা, রাবার ও ফলের বাগানে আগাছাযুক্ত মাটিতে ব্যবহার করুন এবং খেয়াল রাখুন যেন গাছে না পড়ে।(পরিষ্কার পানির সাথে ব্যবহার করলে অধিক ফলাফল পাওয়া যায়)

প্রয়োগ মাত্রাঃ একরে ১.২ – ১.৫ লিটার



সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...