এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০২৪

আগামী ৩ মাসের জন্য  গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তৈরীর ফর্মুলেশন খুঁজছিলেন  খাদ্য তালিকা বা ফিড ফর্মুলেশন 

 আগামী ৩ মাসের জন্য 

গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তৈরীর ফর্মুলেশন খুঁজছিলেন  খাদ্য তালিকা বা ফিড ফর্মুলেশন করার খুবই  চ্যালেঞ্জের। প্রিয়   খামারি ভাই আপনি নিশ্চয়ই আমার সাথে একমত হবেন যে সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা ছাড়া গরু মোটাতাজাকরণ খামারে লাভ বা প্রফিট করা সম্ভব নয়।

কারন একটি খামারে সবচেয়ে বেশি টাকা যে খাতে ব্যয় হয় তাহলো খাদ্য ব্যবস্থাপনা।

তার উপর ইদানীংকালের গরু বাজারদর যেমন কম আর গো-খাদ্যের বাজার দর তেমনি বেশি। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের cost-effective ফিডিং পলিসি অবলম্বন না করলে নিশ্চিত লক্ষন লোকসান।


আর তাই আপনার গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তালিকা সকল উপকরনের পুষ্টিগুণ ও দাম সম্পর্কে যেমন সঠিক ধারণা থাকা দরকার তেমনি আধুনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সাথে পরিচিত হওয়া দরকার।

তবে আপনি cost-effective ফিড অর্থাৎ সবচেয়ে কম খরচে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানের গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য করতে পারবেন। 


➡️গরু মোটাতাজাকরণে খাদ্য তালিকা।

ভুট্টা সয়াবিন মিলচাগমের ভুসি  চাউল এর খুদখৈল মটর খেসারি ইত্যাদি আমাদের দেশের প্রধান দানাদার খাদ্যের উপাদান।

পরিমাণ মতো বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট ভিটামিন ও মিনারেল মিশিয়ে সুসম দানাদার খাদ্য তৈরি করা হয়।

গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তৈরিতে খাদ্যের গুনাগুন মানের দিকে বেশি নজর দিতে হবে।


খাদ্যে প্রোটিন ফ্যাট কার্বাইড ইত্যাদি পরিমাণ চাহিদা অনুযায়ী খাদ্যের মধ্যে সর্ব হচ্ছে কিনা দেখতে হবে। গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য মোটাতাজাকরণে গরুকে নিয়মিত খাওয়ার মাধ্যমে আশানুরূপ উৎপাদন পাওয়া সম্ভব হয়। 


➡️গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তালিকা বা ফর্মুলেশন।

কম খরচ এবং সবখানে পাওয়া যায় এমন ১০০ কেজি গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তৈরীর ফর্মুলেশন দেওয়া হল।


ভুট্টা ভাঙ্গা      ৩৫ কেজি

গম ভাঙ্গা       ১৫ কেজি

ধান ভাঙ্গা       ২৫ কেজি

সয়াবিন খৈল  ২০ কেজি

শুটকির গুড়া    ৩

DCP/MCP      ২  কেজি


সাথে পরিমাণ মতো লবণ, এমাইনো এসিড, ফ্যাট, ভিটামিন মিনারেল প্রিমিক্স,  

সোডিয়াম বাই কার্বনেট বা খাবার সোডা দিয়ে দিবেন।

আপনাদের প্রয়োজনের জন্য কিছু সাপ্লিমেন্ট নাম এবং পরিমাণ দিয়ে দিলাম। 

১/এমসিপি পাউডার ১.৫ কেজি

২/ক্যাটল প্রিমিক্স ২৫০ গ্রাম

৩/লাইমস্টোন ১.৫ কেজি

৪/ফ্যাট ২৫০ গ্রাম

৫/সিআর ৫০ গ্রাম

৬/রুমেইন টনিক ১০০ গ্রাম

৭/লাইসিন ৫০০ গ্রাম

৮/টক্সিন বাইন্ডার ২০০ গ্রাম

৯/মেথিওনিন ৩০০ গ্রাম

১০/এনজাইম ২৫০ গ্রাম

১১/কলিন ২০০ গ্রাম

১২/ফিশ প্রোটিন  ৩ কেজি

এগুলো প্রতি ১০০ কেজি খাদ্যে ব্যবহার করতে পারেন। 

এই টেবিল অনুযায়ী যদি আমরা গরুকে খাবার গ্রহণ করাই তবে অতি সহজে আমরা লাভবান হতে পারব । 


➡️গরু মোটাতাজাকরণে খাদ্য সরবরাহ পদ্ধতি

গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প  গাবাদিপশুসহ পরিমানমতো সুষম মোটাতাজা খাদ্য সরবরাহ সবচেয়ে গুরুত্ব।

খাবারের তালিকায় শর্করা আমিষ চর্বি ভিটামিন মিনারেল এর পরিমাণ সাধারণত খাদ্যের চেয়ে বেশি থাকতে হবে।

সাথে প্রচুর পরিমাণ টিউবয়েলে টাটকা পানি সরবরাহ করা প্রয়োজন।


গরু মোটাতাজাকরণ দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি খরকে প্রক্রিয়াজাত করে UMS বানিয়ে খাওয়াতে হবে।


প্রতিদিন একই সময়ে একই ধরনের  খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। খাদ্য ও খাদ্য প্রদানের সময় কোনটা পরিবর্তন করা যাবেনা।

খাদ্য ধুলোবালিমুক্ত হতে হবে, খাদ্য সহজপাচ্য হতে হবে।


➡️মোটাতাজাকরণ গরুর আঁশযুক্ত খাদ্য

মোটাতাজাকরণ গরু কে তার চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত খাদ্য অবশ্যই দিতে হবে। কিছু কিছু খামারি মনে করে খর বিচালী বা ঘাস কম খাইয়ে দানাদার খাবার বেশি খাইয়ে গরুকে দ্রুত মোটাতাজা করন করা সম্ভব।

কিন্তু আসলে তা সঠিক নয়, কখনো কখনো প্রচুর ঔষধ পত্র প্রয়োগ করে হয়তো সম্ভব কিন্তু এতে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি পড়ে।


গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য এ পর্যন্ত ফাইবার বা আঁশ এর অভাব থাকলে নিম্নে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হতে পারে।


🔸পেটে এসিডিটি তৈরি হয়

🔸হজম ক্ষমতা কমে যায়

🔸খাদ্যের অরুচি দেখা দেয়


➡️কম খরচে গরু মোটাতাজাকরণ।

গরু মোটাতাজাকরণের শুরুর দিকে ১০০ বডি ওয়েট এর জন্য ১.৫ কেজি দানাদার খাদ্য দিতে হবে।

গরু যখন অনেকটা মোটাতাজা হয়ে যাবে তখন ১০০ কেজির জন্য এক কেজি দানাদার খাদ্য দিতে হবে।

গরুর পেটে গ্যাস সৃষ্টি হয় এমন খাদ্য যেমন ভাত বা খুদের যাও বেশি পরিমাণে খাওয়ানো উচিত নয় এর ফলে গরুর পেট ফুলে যেতে পারে।

যার ফলে গরু অসস্তি বোধ করবে কিছু খেতে চাইবে না এবং তার স্বাস্থ্য কমে যাবে ।


১০০ কেজি জন্য প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ কেজি কাঁচা ঘাস খাওয়াতে হবে।

কাঁচা ঘাস না থাকলে বিকল্প হিসেবে UMS ব্যবহার করতে দেখতে হবে।

শুধু UMS খাওয়ানোর ফলে প্রতিদিন একটি গরু ৮০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজন বাড়ে। 

সাথে গরুকে প্রতিদিন গোসল করাতে হবে এতে গরুর শরীর সতেজ থাকবে।


➡️গরু মোটাতাজাকরণে দানাদার খাদ্যের ভূমিকা।

গরু মোটাতাজাকরণ দানাদার খাদ্যের ভূমিকা অনেক গুরুত্ব।

কারন একটা গরুকে যদি আমরা মোটাতাজা করতে চাই তবে দানাদার খাদ্য অবশ্যই তাকে খাওয়াতে হবে।

তবেই সে মোটাতাজা হয়ে গড়ে উঠবে। মোটাতাজাকরণে অনেক লাভবান হওয়া যায় কম খরচে তৈরি দানাদার খাদ্য খাওয়ানোর ফলে।

শুধুমাত্র ভুসি অথবা একটি খাদ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় সব উপাদান পাওয়া সম্ভব নয়।

তাই মোটাতাজাকরণের ক্ষেত্রে আমাদের কম খরচে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য মিক্সিং এর মাধ্যমে একটি সুষম খাদ্য তৈরি করতে হবে তাহলে আমরা লাভবান হতে পারবো।

গরুকে মোটাতাজা করনের জন্য দানাদার খাদ্যের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে।


পোস্টটা শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিন যাতে প্রয়োজন এর সময় খুঁজে পেতে সহজ হয়। আসুন 

সবাই মিলে ইনভাইট করি গ্রুপের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করি বেশি বেশি পোস্ট করতে উৎসাহ যোগায় ধন্যবাদ।

পোস্টটা শেয়ার করে রেখে দিন ১০০% কাজে আসবে ইনশাল্লাহ। 

এছাড়া মেডিসিন গুলো খুঁজে না পেলে যোগাযোগ করতে পারেন 01872558444(WhatsApp)


ফেইসবুক থেকে নেওয়া গল্প

 #বুয়েট পাস এমন একজনকে চিনি, যার বিবাহিত

জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায়

কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু

পূর্ণতা নাই।


#ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে চিনি, যার বউ

দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে।

তার জীবনে সফলতা-পূর্ণতা সবই ছিলাে, কিন্তু

ভালােবাসাটা কপালে জুটেনি।


#এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, পড়ালেখা শেষ

করে ভালাে কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের

বাহিরে , তারপর বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের

ভালােবাসার মানুষটির পরিবারে। শুধুমাত্র ছেলে

প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি। ভালাে চাকুরী মানেই কি

সব কিছু??


#প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা

জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায়

বিষ ঢেলে দিলাে। ভালােবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলাে,

সফলতা আসেনি কখনও।


#দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা

জানি। শুধু গায়ের রঙটা কালাে বলে প্রেমিকের বাবা

মায়ের হাজারাে অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে

রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলাে। সেরা

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়েও সে সুখী

হতে পারছে না।


#ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে, তার বাবা মাকে

বিয়ের কথা উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ

পর্যন্ত বিয়েই হয়নি। টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী

সংসার নেই।


#চাকুরী না পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ। বেকার

থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়ােজনটা থামাতে

পারে নাই। চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা

গেলাে। "সফলতা মানেই সুখ" বাক্যটা তার কাছে

সম্পূর্ণ মিথ্যা।


#পুলিশের একজন এসপি-কে জানি, যিনি ভাগ্যের

গেঁড়াকলে পড়ে; সন্তান হারিয়েছেন, স্ত্রীকে হারিয়েছেন,

সংসার ও চাকুরি সব হারিয়ে, এখন ক্ষমতাহীন নিঃস্ব

জীবন-যাপন করছেন। সফলতা তার জীবনে সুখ

আনতে পারেনি।


#একজন প্রফেসরের সাথে আমার কথা হয়েছিলাে।

তিনি বলেছিলেন, "বিবাহের চার বছর পর থেকে স্বামী

অসুস্থ। আজ বারাে বছর হলাে দুই সন্তান ও অসুস্থ

স্বামী নিয়ে সংসার করছি। জীবনে কি পেলাম?" সবই

ছিলাে, ভালাে চাকুরী, দুই সন্তান। শুধু অর্থই জীবনের

সব কিছু, একথা তার কাছে হাস্যকর।


#এক পরিচিত বড় ভাই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হয়েও

এখন হােমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এবং হােমিওপ্যাথিক

কলেজের প্রভাষক।


#একজন এম এ(ফার্স্ট ক্লাস ১৬তম)এলএলবি পাশ

করে ওকালতি প্রাকটিস ও কলেজের প্রভাষক পদ

ছেড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক!

আসলে জগতে কে সুখে আছে? টাকায় সুখ দিয়েছে

কয়জনকে? জীবনে সফলতা মানেই কি সুখ? একটা

জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক'জন!!


🙂আমরা যারা মানুষ, তাদের মন ভরে সুখ কখনাে

আসে না। আমরা কখনাে পরিপূর্ণভাবে সুখী হতে পারি

। বাস্তবতা বড় ফ্যাকাশে, স্বপ্নের মতাে রঙিন হয় না।


আজ থেকে ১৯৩ বছর আগে ১৮৩০ সালে যশোরের জজ ছিলেন মিষ্টার প্রিঙ্গাল।,,,,,ফেইসবুক থেকে

 আজ থেকে ১৯৩ বছর আগে ১৮৩০ সালে যশোরের জজ ছিলেন মিষ্টার প্রিঙ্গাল। তার স্ত্রী ক্রিশ্চিয়ানা প্রিঙ্গাল যশোর থেকে ব্রিটেনে তার পরিবারকে ৭টি পত্র লিখেছিলেন। সেই পত্রগুলো পড়লে তৎকালীন যশোরের সমাজচিত্র পাওয়া যায়। প্রিঙ্গাল তার বোনকে প্রথম পত্র লিখেছিলেন ১৮৩০ সালের ৭ জানুয়ারি। তিনি লিখেছেন ‘‘স্থানটি দেখিতে সুন্দর। অধিবাসীদিগের বিভিন্ন প্রকারের আচার-ব্যবহার ও রীতিনীতি জানিবার জন্য আমি একজনকে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করি এবং জানিতে পারিলে সন্তষ্ট হই। জন এখানে জজ হইয়া আসিয়াছেন। ম্যাক্স ওয়েল এই স্থানের কালেক্টর। সম্ভবত: দ্রুত এখানে একজন সহকারী ম্যাজিষ্ট্রেটও প্রেরিত হইবেন। এতদ্ব্যতীত একজন ডাক্তারও আছেন। মাত্র এই কয়জনই স্থায়ী বাসিন্দা। তবে আমরা কলকাতা হইতে ৮০ মাইল এবং ঢাকা হইতে ৭০ মাইল দূরে আছি। ঢাকা একটি বৃহৎ শহর। এ স্থান আমাদের পছন্দ হইলে আমরা কিছুদিন এই স্থানে থাকিব।’’


কার্টেসিঃ সাজেদ রহমান ।



রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ১৭-০৩-২০২৪ ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া  

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১৭-০৩-২০২৪ । 


আজকের শিরোনাম: 


আজ ১৭ই মার্চ - জাতি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস। 


ভারত পাশে ছিল বলেই বাংলাদেশের নির্বাচনে অন্য কোনো বড় রাষ্ট্র অশুভ হস্তক্ষেপ করতে পারেনি - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 


ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তবে এ ব্যাপারে নজর রাখছে সরকার - জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 


হামাসের নতুন প্রস্তাবের পর যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আলোচনার জন্য কাতারে একটি প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে ইসরাইল। 


বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে আজ ঢাকায় আসছে অষ্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল।


আমার চোখে এই মাত্র পড়েছে। মেয়েটা কি বেঁচে আছে নাকি মারা গিয়েছে?,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমার চোখে এই মাত্র পড়েছে। মেয়েটা কি বেঁচে আছে নাকি মারা গিয়েছে? 


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা মেয়ে ঘণ্টা খানেক আগে পোস্ট করেছে সে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে। তাঁর ক্লাসমেট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরকে দায়ী করেছে। সে পরিষ্কার করে লিখেছে- তাঁর ক্লাসমেট আম্মান নাকি তাঁকে নানান ভাবে হয়রানি করে আসছিল। সে প্রক্টরের কাছে অভিযোগ করলে ওই শিক্ষক নাকি বেশ কয়েকবার তাঁকে রুমে ডেকে নিয়ে বাজে ভাষায় গালি দিয়েছে (মেয়েটা নিজের পোস্টে সব লিখেছে। আমি আর এই ভাষা আমার পোস্টে লিখছি না।) 


একজন শিক্ষক কি করে এমন ভাষা ব্যাবহার করতে পারে? এই দেশে বিচার চাইতে গেলে উল্টো অপরাধী বানিয়ে দেয়া হয়। এই যে মেয়েটা আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর দায় কার? তাঁর ক্লাসমেট আর ওই শিক্ষকের কি কোন দিন বিচার হবে? নাকি এদেরকেও ছুটি দেয়া হবে মৌজ-মাস্তি করার জন্য? 


এখন শুনতে পাচ্ছি মেয়েটা আর বেঁচে নাই।  আহা জীবন ... তাঁর বন্ধু আম্মান এবং ওই শিক্ষক কি এরপরও বেঁচে যাবে? এই জনপদে কি কোন দিন কিছুর বিচার হবে না? 


এই ঘটনার প্রতিবাদ করুন সবাই। এই মেয়ের জীবনের বিনিময়ে হলেও যেন এইসব জল্লাদ শিক্ষকদের হাত থেকে আমাদের ছেলে-মেয়ে গুলো রক্ষা পায়। এরা মানুষ না। এরা হচ্ছে একেকটা সাক্ষাৎ দানব!


[ লেখা : আমিনুল ইসলাম। ]


_________________________

[ মেয়েটির লেখা সুইসাইড নোট____]


আমি যদি কখনো সুইসাইড করে মারা যাই তবে আমার মৃত্যুর জন্য একমাত্র দায়ী থাকবে আমার ক্লাসমেট আম্মান সিদ্দিকী, আর তার সহকারী হিসেবে তার সাথে ভালো সম্পর্ক থাকার কারণে তাকে সাপোর্টকারী জগন্নাথের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম। আম্মান যে আমাকে অফলাইন অনলাইনে থ্রেটের

উপর রাখতো সে বিষয়ে প্রক্টর অফিসে অভিযোগ করে ও আমার লাভ হয় নাই। দ্বীন ইসলাম আমাকে নানান ভাবে ভয় দেখায় আম্মানের হয়ে যে আমাকে বহিষ্কার করা ওনার জন্য হাতের ময়লার মতোব্যাপার। 


আমি জানি এখানে কোনো জাস্টিস পাবো না। কারণ দ্বীন ইসলামের অনেক চামচা ওর পাশে গিয়ে দাঁড়াবে। এই লোককে আমি চিনতাম ও না। আম্মান আমাকে সেক্সুয়ালি এবিউজিভ কমেন্ট করায় আমি তার প্রতিবাদ করলে আমাকে দেখে নেয়ার জন্য দ্বীন ইসলামের শরণাপন্ন করায়। আর দ্বীন ইসলাম আমাকে তখন প্রক্টর অফিসে একা ডেকে নারীজাতিয় গালিগালাজ করে। সেটা অনেক আগের ঘটনা হলেও সে এখনো আমাকে নানাভাবে মানহানি করতেসে বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন কথা বলে। আর এই লোক কুমিল্লার হয়ে কুমিল্লার ছাত্র কল্যাণের তার ছেলেমেয়ের বয়সী স্টুডেন্ট দের মাঝে কী পরিমাণ প্যাঁচ ইচ্ছা করে লাগায় সেটা কুমিল্লার কারো সৎসাহস থাকলে সে স্বীকার করবে। 


এই লোক আমাকে আম্মানের অভিযোগ এর প্রেক্ষিতে ৭ বার প্রক্টর অফিসে ডাকায় নিয়ে " খানকি তুই এই ছেলেরে থাপড়াবি বলসস কেনো? তোরে যদি এখন আমার জুতা দিয়ে মারতে মারতে তোর ছাল তুলি তোরে এখন কে বাঁচাবে?"


আফসোস এই লোক নাকি ঢাবির খুব প্রমিনেন্ট ছাত্রনেতা ছিলো। একবার জেল খেটেও সে এখন জগন্নাথের প্রক্টর। সো ওর পলিটিকাল আর নষ্টামির হাত অনেক লম্বা না হলেও এতো কুকীর্তির পরও এভাবে বহাল তবিয়তো থাকে না এমন পোস্টে। কোথায় এই লোকের কাজ ছিল গার্ডিয়ান হওয়া আর সো কিনা শেষমেশ আমার জীবনটারেই শেষ না হওয়া পর্যন্ত মুক্তি দিলো না আমি উপাচার্য সাদোকা হালিম ম্যামের কাছে আপনি এই প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক হিসেবে আপনার কাছে বিচার চাইলাম।


আর আমি ফাঁসি দিয়ে মরতেসি। আমার উপর দিয়ে কী গেলে আমার মতো নিজেকে এতো ভালোবাসে যে মানুষ সে মানুষ এমন কাজ করতে পারে। আমি জানি এটা কোনো সলিউশন না কিন্তু আমাকে বাঁচতে দিতেসে না বিশ্বাস করেন। আমি ফাইটার মানুষ। আমি বাঁচতে চাইসিলাম! আর পোস্ট মর্টেম করে আমার পরিবারকে ঝামেলায় ফেলবেন না। এমনিতেই বাবা এক বছর হয় নাই মারা গেছেন আমার মা একা। ওনাকে বিব্রত করবেন না। এটা সুইসাইড না এটা মার্ডার। টেকনিক্যালি মার্ডার। আর আম্মান নামক আমার ক্লাসমেট ইভটিজার টা আমাকে এটাই বলছিল যে আমার জীবনের এমন অবস্থা করবে যাতে আমি মরা ছাড়া কোনো গতি না পাই। তাও আমি ফাইট করার চেষ্টা করসি। এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে সহ্য ক্ষমতার....



তারিখ : ১৬-০৩-২০২৪ । আজকের শিরোনাম,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া :

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১৬-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তি। 


নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের সুযোগ নেই - সংবাদ সম্মেলনে বললেন ওবায়দুল কাদের।


 দ্রুততম সময়ে জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশের নাবিকদের মুক্ত করতে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে - জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


দেশের বাজারে ভারত থেকে শিগগিরই ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ প্রবেশ করবে - বললেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।


 মাছ-মাংসসহ ২৯টি কৃষিপণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।


গাজা উপকূলে প্রথমবারের মতো সমুদ্র পথে পৌঁছেছে মানবিক ত্রাণ সহায়তা।


মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভাষা সৈনিক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু। 


চট্টগ্রামে তিন ম্যাচ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজের দ্বিতীয় খেলায় বাংলাদেশকে ৩ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো শ্রীলঙ্কা।


যেসব কারনে রোজা ভেঙে ্যায় :শেষ পর্ব,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যেসব কারণে রোজা ভেঙ্গে যায়: শেষ পর্ব


১২.রোযা অবস্থায় পান তামাক চাবানো ও গুল ব্যবহার করা যাবে না, এর দ্বারা রোযা ভেঙ্গে যাবে। কেননা পান চাবানোর পর তার কিছু অংশ এবং থুথুর সাথে তার রস গলায় চলে যাওয়ার প্রবল আশংকা রয়েছে এবং সেই উদ্দেশ্যেই পান তামাক চাবানো ও গুল ব্যবহার করা হয়। সুতারাং পান-তামাক ও গুল ব্যবহার করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। 


১৩.কুলি করার সময় বা নাকে পানি দেওয়ার সময় যদি আকস্মাৎ গলায় পানি চলে যায় আর রোযার কথা স্মরণ থাকে তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে এবং শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৪.রোযা অবস্থায় পাথরের টুকরা,মাটি ইত্যাদি অখাদ্য বস্তু খেয়ে ফেললে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে এবং শুধু কাযা ওয়াজিব হবে, কাফ্ফারা নয়।


১৫.স্বামী -স্ত্রী উভয়ের ইচ্ছায় রোযা অবস্থায় যদি সহবাস করে তাহলে উভয় জনের রোযা ভেঙ্গে যাবে। এবং উভয়ের উপর কাযা ও কাফ্ফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে। আর যদি স্ত্রীর অনিচ্ছায় স্বামী জোর পূর্বক সঙ্গম করে তাহলে স্বামীর উপর কাযা কাফফারা উভয়টি আবশ্যক হবে। আর স্ত্রীর উপর শুধু কাযা ও ওয়াজিব হবে, কাফ্ফারা নয়। আর যদি স্বামীর অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও স্ত্রী পক্ষ থেকে বাধ্য হয়ে সঙ্গম করে তাহলে স্ত্রীর উপর কাযা ও কাফ্ফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে আর স্বামীর উপর শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৬.রোযা অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা, আলিঙ্গন করা, আদর সোহাগ করা বা একের যৌনাঙ্গ অপরের যৌনাঙ্গকে সম্পর্শ করার ফলে যদি বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। তবে এর দ্বারা কাফফারা ওয়াজিব হবে না, শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৭.ইনহিলার এর মাধ্যমে পেটে ঔষধ পৌছানো হয় তার পরিমান একে বারে অল্প হওয়া সত্বেও ইচ্ছাকৃত ভাবে তা ব্যবহারের কারণে রোযা ভেঙ্গে যাবে, এটাই সাভাবিক মাসয়ালা। কিন্তু এই ঔষধ ভেতরে গিয়ে গ্যাসে পরিনত হয় না খাওয়ার আগে গ্যাসে পরিণত হয় এব্যাপারে ডাক্তারদের দ্বিমত রয়েছে। বিধায় সর্তকতা ও উত্তম হলো এমন রোগী রোযা রাখবে এবং নিজ সামর্থ হিসাবে প্রত্যেক রোযার ফিদিয়াও দিয়ে দিবে, যাতে রোযা না হলে ফেদিয়া দ্বারা তার দ্বায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। আর যদি সম্ভব হয় তাহলে দিনের বেলায় তা ব্যবহার না করে শুধু রাতে ব্যবহার করা আরো ভাল।


(ফাতাওয়ায়ে শামী ৩য় খণ্ড, ৩৭৬ পৃষ্টা)


যেসব কারনে রোজা ভেঙে যায় শেষ পর্ব,,,   থেকে নেওয়া 


সকল মাজরা পোকা তাড়াতে এলো  "বায়ো-চমক+বায়ো-বিটিকে" জুটি,,,ইস্পাহানি এ্যাগ্রো ফেইসবুক থেকে নেওয়া


 ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা এবার পাবে ছুটি,

সকল মাজরা পোকা তাড়াতে এলো 

"বায়ো-চমক+বায়ো-বিটিকে" জুটি! 📢 📢


ইস্পাহানি এগ্রোর পরিবেশবান্ধব, আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনার যুগান্তকারী ও তাক লাগানো সমাধান "বায়ো-চমক ও বায়ো-বিটিকে" এর যৌথ ব্যবহারে সকল ধরনের মাজরা পোকা থেকে আপনার ফসল থাকবে নিরাপদ এবং নিশ্চিত হবে বাম্পার ফলন।

🌱ব্যবহার বিধি🌱

** আক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থাৎ ১ম ও ২য় কীড়া দশায় জমিতে প্রয়োগ করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

** ৭-১০ দিন অন্তর দুইবার প্রয়োগে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

☎ তবে আর দেরি কেন? আপনার জেলায় পণ্য পেতে নিজ জেলার নাম লিখে কমেন্ট করুন, অথবা নিকটস্থ ডিলার পয়েন্টে আজই যোগাযোগ করুন।,,,,,,,,

আমাদের সকল পণ্য পেতে ও পণ্যের দাম জানতে এবং আপনার এলাকার ডিলার পয়েন্ট সম্পর্কে জানতে নিচের তালিকা থেকে আমাদের জেলা প্রতিনিধিদের

সাথে যোগাযোগ করুন অথবা ছবি থেকে নিজ জেলার ডিলার পয়েন্ট জেনে নিন:

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3037021756522539&id=1508818882676175&mibextid=Nif5oz


শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪

স্যারের মেসেজ ১৬/০৩/২৪

 ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলা শহরে আমাদের পেস্টিংয়ের নিয়োগ করা হবে আপনাদের পরিচিত কোন লোক থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন আগামী ২০ তারিখে আমাদের লোক নিয়োগ পরীক্ষা আছে।

ক্লাস এইট পাশ ভোটার আইডি কার্ড আছে স্মার্ট ফোন চালাইতে পারে বাংলা ইংরেজি মোটামুটি বুঝে এরকম লোক হইলেও নেওয়া যাবে।

একটা বিষয় সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে আমাদের ওয়ার্ক অর্ডারে একটি নতুন বিষয় অনেকেই হয়তো বুঝতেছেন না সেটা হচ্ছে প্রিন্ট হাউস তাদের সুবিধার জন্য ওয়ার্ক অর্ডারের পতিতহা ঘরকে কাউন্ট করতেছে অর্থাৎ 1 থেকে শুরু করে যতগুলো ঘরে মেজারমেন্ট লেখা আছে সব ঘরকে ১.২.৩.৪ এইভাবে তারা কাউন্ট করে

যদি কেউ এই বিষয়টা না বুঝে থাকেন তাহলে সে আমার কাছে ফোন দিবেন পরবর্তীতে কোনভাবেই বলবেন না যে আমি বিষয়টা বুঝতেছিনা


বিষয়টা একই একেবারে সিম্পল একটি দোকানে যদি চারটা স্টিকার থাকে তাহলে দোকান একটা কিন্তু এই পাশে সিরিয়াল থাকবে চারটা আপনি মেজারমেন্ট এবং সিরিয়াল দুইটা ক্রস ম্যাচ করে তারপর স্টিকার মিলাবেন।

এক্ষেত্রে স্টিকার ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম

দুই সুপারভাইজার ভাইকে বলছি যে সব লোক কোন প্রকার সেল করতে পারতেছে না sales  2 হাজার 5000 করে বন্ধ রাখতেছে তাদের এরিয়া চেঞ্জ করার ব্যবস্থা করে এবং তাদের এরিয়ায় নতুন লোকদের ব্যবস্থা করেন আমাদের লোক নিয়োগ হবে আগামী ২০ তারিখ।বিষয়টা একই একেবারে সিম্পল একটি দোকানে যদি চারটা স্টিকার থাকে তাহলে দোকান একটা কিন্তু এই পাশে সিরিয়াল থাকবে চারটা আপনি মেজারমেন্ট এবং সিরিয়াল দুইটা ক্রস ম্যাচ করে তারপর স্টিকার মিলাবেন।বিষয়টা একই একেবারে সিম্পল একটি দোকানে যদি চারটা স্টিকার থাকে তাহলে দোকান একটা কিন্তু এই পাশে সিরিয়াল থাকবে চারটা আপনি মেজারমেন্ট এবং সিরিয়াল দুইটা ক্রস ম্যাচ করে তারপর স্টিকার মিলাবেন।

দুই সুপারভাইজার ভাইকে বলছি যে সব লোক কোন প্রকার সেল করতে পারতেছে না sales  2 হাজার 5000 করে বন্ধ রাখতেছে তাদের এরিয়া চেঞ্জ করার ব্যবস্থা করে এবং তাদের এরিয়ায় নতুন লোকদের ব্যবস্থা করেন আমাদের লোক নিয়োগ হবে আগামী ২০ তারিখ।,,


১ মিনিট ধৈর্য ধরে পড়ুন..ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১ মিনিট ধৈর্য ধরে পড়ুন...

জিবরাঈল (আঃ)কে আল্লাহ তায়ালা তৈরী করলেন।

জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালাকে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আপনি কিসে খুশি হন??

আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হই আমার বান্দা যখন আমাকে সিজদা করে। অত:পর জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে সিজদা করলেন ৩০ হাজার বছর ধরে।

জিবরাঈল (আঃ) মনে মনে খেয়াল করলেন আমার থেকে এত বড় দামি, এত বড় লম্বা সিজদা দুনিয়ার আর কেউ করতে পারবে না।

আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয় আমার প্রতি খুশি হবেন।

জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালার দিকে মুতাহজ্জির হয়ে রইলেন কিন্তু আল্লা তায়ালার পক্ষ থেকে কোন খুশির বাণী জানান হল না, জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আমি যে এত লম্বা সিজদা করলাম আপনি কি আমার সিজদার প্রতি কোন খুশি হন নাই? আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন - জিবরাঈল তোমার জবাব আমি দেব তার আগে তুমি একটু আরশে আজিমের দিকে তাকাও, জিবরাঈল (আঃ) তাকিয়ে দেখলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরশে আল্লাহর কুদরতী নূর দ্বারা লিখা রয়েছে- ''লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ''

জিবরাইল (আঃ) জিজ্ঞাসা করলেন- হে আল্লাহ্!! আমার সিজদার সংগে এই কালিমার কি মিল?? আল্লাহ তায়ালা বললেন, ও জিবরাইল শোন আমি আল্লাহ এ দুনিয়া তৈরী করব ওই দুনিয়ার মানব জাতি ও জিন জাতির হিদায়াতের জন্য লক্ষাধিক নবি-রাসূলগনকে পাঠাব সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ কে পাঠাব

এই নবীর উম্মতের উপরে আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরয করব আর প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে সতেরটা করে রাকাত আমার জন্য ফরয করব প্রত্যেকটা রাকাতের মধ্যে দুটি করে সিজদা হবে আর প্রত্যেকটা সিজদার মধ্যে ওই নবির উম্মত তিনবার করে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" পাঠ করবে। জিবরাইল তুমি জেনে রাখ আমার ওই মাহবুব নবীর উম্মত যখন সিজদায় গিয়ে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" বলে আমাকে ডাক দিবে, জিবরাইল তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে নেকি পেয়েছ, আমি আল্লাহ্ আমার বান্দার আমল নামায় এর থেকেও ৪০ হাজার গুন বেশি নেকি লিখে দিব, সুবহানাল্লাহ...!!

এই জন্য মুসা (আঃ) কাঁদছেন, আল্লাহ!! আমাকে ওই নবীর উম্মত বানাইয়া দাও, যে নবীর উম্মত এক সিজদায় জিবরাঈল (আঃ) এর সারা জীবনের ৩০ হাজার বছরের সিজদার নেকি নিয়ে গেল।।

আমরা সেই নবীর উম্মত আমাদের কি করা উচিত আর আমরা কি করছি...?

আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দিন


আমিন 🤲🤲



সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দে...