এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০২৪

ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি নাম সুলতানা রাজিয়া।,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া ৭77

 ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি নাম সুলতানা রাজিয়া। তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের প্রথম নারী শাসক। যুদ্ধক্ষেত্রে একজন দক্ষ সৈনিক হিসেবে তার ছিল সুখ্যাতি। সুলতানা রাজিয়া জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১২০৫ সালে। দৃপ্ত কঠিন ক্ষণজন্মা এই নারীর জীবন প্রদীপ নিভে গিয়েছিল ১২৪০ সালে। রাজকার্য পরিচালনার জন্য নামের আগে সুলতানা না হয়ে সুলতান হওয়াই হয়তো যুক্তিযুক্ত ছিল। সুলতানা রাজিয়ার বাবা শামস-উদ-দীন ইলতুিমশ ছিলেন দিল্লির সুলতান। ১২১০ সাল থেকে ১২৩৬ সাল পর্যন্ত সুলতানি আমলে ইলতুিমশ নিজেও একজন দক্ষ শাসকের খ্যাতি অর্জন করেন। বিভিন্ন অঞ্চলের বিক্ষোভ, বিদ্রোহ দমন করা ছিল তার কাজ। মৃত্যুর আগে নিজের উত্তরাধিকারী মনোনয়নের বিষয়ে সুলতান ইলতুিমশ চিন্তায় পড়ে যান। কারণ ইতিমধ্যে তার বড় ছেলে নাসিরুদ্দিন মাহমুদ মারা গেছেন। সুলতান নিজ সন্তানদের মধ্যে নাসিরুদ্দিনের ওপর বেশি ভরসা করতেন। বাকি যে দুই ছেলে আছেন তাদের কেউই সিংহাসনে বসার যোগ্য ছিলেন না। এমন অবস্থায় চিন্তায় পড়ে গেলেন সুলতান। এরই মধ্যে তার জ্যেষ্ঠ মেয়ে রাজিয়া বেশ বুদ্ধিমতী, চৌকস, প্রজাপ্রীতি ও যুদ্ধকৌশল শিখে গেছেন। তখন রাজ্য চালানোর দায়িত্ব মেয়ে সুলতানার ওপর দিয়ে নির্ভার হন।


ইলতুৎমিশের মৃত্যুর পর নারীবিদ্বেষী আমির-ওমরাহগণ রাজিয়ার বিরোধিতা শুরু করেন। তাদের যুক্তি হলো, ইলতুৎমিশের পুত্র থাকার কারণে কন্যা উত্তরাধিকারী হতে পারে না। উত্তরাধিকারসূত্রে জেষ্ঠ্য পুত্র সিংহাসনে স্থলাভিষিক্ত হন। কিন্তু সুলতান ইলতুৎমিশ উইলে রাজিয়াকে উত্তরাধিকারী মনোনীত করায় তার ভাইয়েরা কোন আপত্তি করতে পারেননি। কিন্তু নারী শাসনের বিরোধী আমির-ওমরাহগণ প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেন। ফলে রাজিয়া তার অধিকার ছেড়ে দেন। তার সৎভাই রুকুনুদ্দিনকে সুলতান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। রুকুনুদ্দিন রাজকার্যে অবহেলা করে বিলাসিতায় দিন যাপন করতে থাকেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হলে আমির-ওমরাহগণ রাজিয়াকে সুলতানা হিসেবে মেনে নিতে রাজি হলেন। কিন্তু প্রাসাদ ষড়যন্ত্র করে রুকুনুদ্দিনের মা রাজিয়াকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু এই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়। এই ষড়যন্ত্রের কথা জানার পর সভাসদেরা রাজিয়া সুলতানার প্রতি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করেন।

১২৩৬ খ্রিষ্টাব্দে রাজিয়া সুলতানা সিংহাসনে বসেন। রাজিয়া একজন বিচক্ষণ ও দক্ষ শাসক ছিলেন। তার সময়ে দাসবংশের শাসনকাল খুব সুদৃঢ় হয় এবং রাজ্যের সর্বত্র শান্তি ও নিরাপত্তা বিরাজ করে। তার সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে উন্নতি সাধিত হয়। তিনি যাতায়াতের সুবিধার্থে রাস্তা-ঘাট নির্মাণ করেন। রাস্তার দুই পাশে বৃক্ষ লাগানো হয় এবং পানি সরবরাহের জন্য অসংখ্য কুয়ো খনন করা হয়। তিনি সাহিত্যিক, শিল্পী ও কারিগরদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। তার শাসনামলে সঙ্গীত ও চিত্রকলারও প্রভূত বিকাশ সাধিত হয়। রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বিদ্যোৎসাহী ছিলেন এবং নারীদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের লক্ষে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তিনি কবি ছিলেন এবং কুরআন পাঠ করতে পারতেন।

রাজিয়া সুলতানা অন্তঃপুরিকা ছিলেন না। তিনি প্রকাশ্য দরবারে রাজকীয় পোশাক পরিধান করে সিংহাসনে আরোহন করতেন। তিনি কোন ঘোমটা ব্যবহার করতেন না। পুরুষের বেশে তিনি আলখাল্লা এবং পাগড়ি পরে জনসম্মুখে আসতেন। তিনি সভাসদ, আমির-ওমরাহদের রাজ্য শাসন প্রসঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতেন এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করে আইন বা নির্দেশ জারি করতেন। তিনি দক্ষ অশ্বারোহী ছিলেন এবং বর্ম ও শিরস্ত্রাণ পরে যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করতেন। দুর্ভাগ্যবশত রাজিয়া সুলতানার খোলামেলা রাজকীয় আচার-আচরণ রক্ষণশীল আমিরগণ মোটেই পছন্দ করতেন না। তিনি খুবই উদার ও জনদরদি শাসক ছিলেন। তিনি হিন্দুদের ওপর অর্পিত বর্ধিত কর বিলোপ করেন; কিন্তু তার এই পদক্ষেপ অনেক আমির মোটেও পছন্দ করেননি।

রাজিয়া সুলতানা জামালুদ্দিন ইয়াকুত নামের অতুর্কি বংশোদ্ভুত এক ব্যক্তিকে পছন্দ করতেন এবং তাকে আস্তাবলের প্রধান নিযুক্ত করেন। এই পদটি তুর্কি বংশোদ্ভূত কোন প্রভাবশালী ব্যক্তির জন্য নির্দিষ্ট ছিল। ঐতিহাসিকগণ বলেন যে, জামালুদ্দিনের প্রতি রাজিয়ার এমন দুর্বলতা ছিল যে, তিনি শাসনকার্য পরিচালনায় কেবলই তার পরামর্শ গ্রহণ করতেন। অনেকে তাকে রাজিয়া সুলতানার প্রেমিক বলে অভিহিত করেন। জামালুদ্দিন ইয়াকুতের প্রতি মাত্রাধিক দুর্বলতা ও তাকে অধিক সুযোগ-সুবিধা দানের জন্য আলতুনিয়া নামের একজন গভর্নর রাজিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করেন। জামালুদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে রাজিয়া সুলতানা অশ্বপৃষ্ঠে চেপে যুদ্ধযাত্রা করেন। কিন্তু বিদ্রোহী দলে অধিকসংখ্যক সৈন্য জামালুদ্দিন ও রাজিয়া পরাজিত হন। জামালুদ্দিন যুদ্ধে নিহত হন এবং রাজিয়া আলতুনির হাতে বন্ধি হন। দিল্লিতে আমির-ওমরাহগণ রাজিয়ার এই বিপর্যয়ের সংবাদ পেয়ে তার সৎভাইকে সুলতান হিসেবে ঘোষণা দেন। এদিকে বন্ধি অবস্থায় রাজিয়া আলতুনিয়াকে বিয়ে করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ১২৪০ খ্রিষ্টাব্দে নিজের এবং আলতুনিয়ার সৈন্যবাহিনীসহ রাজকীয় বাহিনী দিল্লি অভিমুখে যাত্রা করেন। কিন্তু দিল্লির উপকণ্ঠে নতুন সুলতানের বাহিনীর সঙ্গে আলতুনিয়া ও রাজিয়ার বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষে রাজিয়া পরাজিত ও নিহত হন। এজন্য রাজিয়াকে বীর রানী বলা যায়। দিল্লির উপকণ্ঠে একটি সমাধি নির্মাণ করে সুলতানা রাজিয়াকে সমাহিত করা হয়।


১২৩৬ সাল থেকে ১২৪০ সাল পর্যন্ত মোট চার অথবা সাড়ে চার বছর রাজিয়া ভারতবর্ষ শাসন করেছিলেন। ভারতবর্ষের সমৃদ্ধ ইতিহাসের ভিড়ে এই সময়টুকুর কথা হয়তো তেমন আলোচনাতেই আসতো না। কিন্তু সম্রাজ্ঞী রাজিয়া সুলতানা নিজ যোগ্যতাবলেই এই সময়টুকুকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে পেরেছিলেন। ভারতবর্ষের প্রথম নারী সুলতান হিসেবে অবশ্যই তিনি নিজেকে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করছেন। কারণ একজন নারী হিসেবে তিনি যে সময় সিংহাসনে বসেছিলেন, সে সময় তা কল্পনাও করা যেতো না। ইসলাম ও ভারতবর্ষের ইতিহাসে যে কয়জন নারী খুব বেশি আলোচিত হন, রাজিয়া সুলতানা তাদের মধ্যে অন্যতম, যিনি শুধুমাত্র নিজ যোগ্যতাবলে ভারতবর্ষের পরাক্রমশালী সব রাজা, মহারাজা, বাদশাহ আর সম্রাটদের পাশে নিজের অবস্থান গড়ে নিতে পেরেছিলেন। আর তাই ভারতবর্ষের শাসকদের তালিকায় আজও তার নামটি নক্ষত্রের মতই জ্বলজ্বল করছে।


শাসক হিসেবে কেমন ছিলেন রাজিয়া? এ প্রশ্নের উত্তরে দ্বিধাহীনভাবে বলা যায়, তিনি একাধারে একজন দক্ষ প্রশাসক আর সেনাপতি হিসেবে নিজের গুরুত্ব তুলে ধরতে পেয়েছিলেন। তিনি ছিলেন মেধাবী, বুদ্ধিমতী, রূপবতী এবং পরিশ্রমী। পিতা ইলতুৎমিশ যখন যুদ্ধের জন্য রাজধানী ত্যাগ করতেন, তখন মূলত রাজ্য পরিচালনা করতেন তার কন্যা এই রাজিয়াই। সত্যিকার অর্থে রাজপরিবারে সেই সময় রাজিয়ার চেয়ে যোগ্য আর দক্ষ কেউ ছিলেন না। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রেও নিজের সাহসিকতা প্রদর্শন করতে পেরেছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রে হাতির পিঠে চড়ে একেবারে সামনে থেকে তিনি যুদ্ধের নেতৃত্ব দিতেন।


তার মৃত্যু নিয়ে বেশ কয়েকটি কথা রয়েছে। একটি পক্ষ দাবি করেছেন, ১২৪০ পলায়নকালে তার একজন ভৃত্য যে কিনা এই চক্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল, তাকে খাদ্যে বিষ দিয়ে হত্যা করে। এই ভৃত্যই তাকে আশ্রয় দিয়েছিল।


আরেকটি পক্ষ দাবি করেছেন, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে ক্লান্ত আর ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাজিয়া এক কৃষকের বাড়িতে আশ্রয় নেন। খাওয়া-দাওয়ার পর তিনি ঘুমালে কৃষক তার শরীরে


রাজকীয় পোশাক দেখতে পায়। পোষাকে প্রচুর রত্ন লাগানো ছিলো। কৃষক সহজেই বুঝে যায় তাঁর সামনে ঘুমিয়ে থাকা নারী সাধারণ কেউ নন। কৃষকটি ধন-সম্পদের লোভে পড়ে ঘুমন্ত রাজিয়াকে হত্যা করে এবং রত্ন নিয়ে পালিয়ে যায়।


সৌজন্যে – ইতিহাসের পাতা


হাইওয়ে পুলিশের কথা ২০২৪ ঈদ উপলক্ষে

 যারা ঈদে বাড়ি ফিরবেন তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা। সম্প্রতি একটা কেমিক্যাল এর ব্যবহার তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে কিছু অসৎ মানুষের হাতে পড়েছে। কেমিক্যাল টার নাম হচ্ছে স্কোপোলামিন। এটা সাধারণত সাড়ে তিন ফিট দূর থেকেও বাতাসের মাধ্যমে একজন মানুষকে আসক্ত করতে পারে। এই কেমিক্যালটা আমাদের ন্যাসাল রুটের মাধ্যমে যখন ভেতরে প্রবেশ করে তখন মানুষের মস্তিষ্কের প্রাইমারি ইনিশিয়াল স্টেজ অফ থিংকিং সহজ বাংলায় বললে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। যে কারণে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে সামনে থাকা মানুষের নাচের পুতুলে পরিণত হয়। তখন আপনাকে ওই লোক যা কমান্ড দেবে আপনি সেটাই করবেন। এটা থেকে বাঁচতে আমি কিছু বিষয়ের কথা বলছি এগুলো মাথায় রাখবেন।


১. অপরিচিত কারো থেকে কোন কিছু খাবেন না সে যত ভালই মনে হোক না কেন।


২. সব সময় মাস্ক পরবেন।


৩. আপনার মুখের সামনে অপরিচিত কোন লোকের হাত আনতে দিবেন না হাতটা আপাত দৃষ্টিতে খালি মনে হলেও।


৪. যেন তারা লোকের কাছ থেকে মাস্ক কিনবেন না।


৫. একা যাত্রী হয়ে কোন গাড়িতে উঠবেন না।


৬. সিটে অথবা সিটের আশেপাশে পড়ে থাকা পানি কখনোই চোখে মুখে দিবেন না।


৭. অপরিচিত কোন লোক আপনার এড্রেস জানার জন্য কোন কাগজ হাতে দিতে চাইলে সেটা ধরবেন না।


৮. কোন কাগজ ঠিকানা দেখার বাহানা করে আপনার চোখের সামনে আনতে দেবেন না।


৯. গাড়ির ভেতরে কেউ আপনাকে মুখ দিয়ে বাতাস করার সাথে সাথে চিৎকার করে উঠবেন। আশেপাশে থাকা সবাইকে অবহিত করবেন যে আমি যদি অজ্ঞান হয়ে যাই তার জন্য আমার এই পাশে বসা লোক দায়ী।


১০. দেখতে একেবারে হুজুর, দেখে মনে হবে মৃত্যুর পরে ১০ হাজার ফেরেশতা ওনাকে গার্ডও বনা দেবে এরকম কোন লোক ইফতারের সময় ইফতার অথবা খেজুর দিলে খাবেন না। অনেক সময় মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য ছোলা এবং মুড়ির ভেতরে কোন কিছু দেওয়া থাকে না। সেটা আগে নিজেরা খেয়ে মানুষকে বিশ্বাস অর্জন করে ওটার মাঝখান দিয়ে হয়তো খেজুর অথবা পানির ভেতরে কিছু দিয়ে দিতে পারে।


১১. গাড়ির ভেতরে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করবেন না মনে রাখবেন গাড়ি থেকে নেমে গেলেই আপনাদের বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাবে তার চাইতে ভালো গাড়ির ভেতরে বন্ধুত্ব নাই হোক।

১২. মাস্ক বিষয়ে সতর্ক হবেন অবশ্যই কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করবেন


১৩. আমার মোবাইলে ঘড়ির টাইমটা একটু ঠিক করে দেন এ কথা বলে হাতে কোন মোবাইল দিতে চাইলে সেটা নিবেন না। কারন স্কোপোলামিন আপনার হাতে লাগলে আপনি মনের অজান্তেই কখনো মুখের কাছে নেবেন এটা একটা স্বাভাবিক। আর ওটার জন্যই ফাঁদ পেতে ওয়েট করবে ওই লোক।



এই গাছ চাষ করুন আর হয়ে যান কোটিপতি!,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আর নয় চাকুরি অথবা ব্যবসা, এই গাছ চাষ করুন আর হয়ে যান কোটিপতি!

জেট্রোফা গাছ। বিশেষ এই গাছের বীজ থেকে বায়ো ডিজেল পাওয়া যায়। 

উর্বর, অনুর্বর যে কোনো জমিতে এই গাছের বীজ বপন করতে হবে। এরপর এই জেট্রোফা গাছকে চাষ করতে হবে। এর জন্য খুব বেশি লাঙল, সেচ ও অর্থের প্রয়োজন হয় না। এর বীজও বাজারে বেশ সহজলভ্য। একবার এই গাছটি বপন করা হলে প্রথম ৪ থেকে ৬ মাসই প্রয়োজন হয় এই গাছ যত্নের। এরপর যখন গাছ হয়, তখন এটি বছরের পর বছর ধরে বীজ দিতে থাকে।

আর এই বীজ থেকে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ তেল বের করা যায়। এরপর এই জেট্রোফা বীজ থেকে প্রাপ্ত তেলের প্রায় ১৮ শতাংশের সঙ্গে প্রকৃত ডিজেল মিশিয়ে তৈরি করা হয় ‘বায়ো ডিজেল’। বিশেষ এই বায়োডিজেল হল প্রচলিত বা ‘জীবাশ্ম’ জ্বালানির বিকল্প জ্বালানি। এই বায়োডিজেল এক দিকে যেমন পরিবেশের জন্যে ক্ষতিকারক নয় তেমনি অন্যদিকে এর চাহিদাও প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই এই চাষ কর আপনি ডিজেল বানিয়ে লিটার হিসেবে বিক্রি করে এক বিঘা জমি হতে নিট তিন লাখ টাকা লাভ করতে পারেন।



মুসলিম সম্প্রদায় কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মুসলিম সম্প্রদায় কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১) সুন্নী মুসলমান

২) শিয়া মুসলমান

৩) খাওয়ারিজ মুসলমান

আবার সুন্নীকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১) হানাফী মুসলমান

২) Hanbali মুসলমান

৩) Maliki মুসলমান

৪) Shafii মুসলমান

শিয়া সম্প্রদায়ের কে ৩ ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।

১) Isma Ilism মুসলমান

২) Jafri মুসলমান

৩) Zaidiyyah মুসলমান

শিয়া সম্প্রদায় থেকে বিভক্ত 

Isma Ilism  মুসলমান সম্প্রদায়কে

 কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১) Sevener মুসলমান

২) Nizari মুসলমান

৩)  Mustali মুসলমান

Isma Llism থেকে বিভক্ত হয়ে যাওয়া 

Sevener 

Nizari 

Mustali

এদের কেও তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১) Sevener মুসলিম সম্প্রদায়ের নিচে হচ্ছে Qaramita মুসলিম সম্প্রদায়।

২) Nizari মুসলিম সম্প্রদায়ের নিচে হচ্ছে Druze মুসলিম সম্প্রদায়।

৩) Mustali মুসলিম সম্প্রদায়ের নিচে হচ্ছে Tyyibi মুসলিম সম্প্রদায়।

শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের ২ নং বিভক্ত Jafri কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে

১)  Twelver মুসলিম সম্প্রদায়

২) Alawi মুসলিম সম্প্রদায়

৩) Alevi মুসলিম সম্প্রদায়

শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের থেকে বিভক্ত হয়ে যাওয়া Jafri আবার Jafri থেকে বিভক্ত হয়ে যাওয়া Twelver সম্প্রদায় কে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১) Akbari মুসলিম সম্প্রদায়

২) Usuli মুসলিম সম্প্রদায়

শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের তৃতীয় বিভক্ত হলো

১) Zaidiyyah মুসলিম সম্প্রদায়

ইসলামের তৃতীয় বিভক্ত সম্প্রদায় হচ্ছে

১) Khawarji মুসলিম সম্প্রদায়

Khawarji সম্প্রদায়কে একটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে

১) Ibadiyya মুসলিম সম্প্রদায়

Ibadiyya সম্প্রদায় কে আবার ২ ভাগে ভাগ হয়েছে।

১) Nukkur মুসলিম সম্প্রদায়

২) Azzabas মুসলিম সম্প্রদায়

সর্বমোট ২৩ টি বিভক্ত সম্প্রদায় 


আলহামদুলিল্লাহ।


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ৩১-০৩-২০২৪ ।,,,,

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ৩১-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


এবারের ঈদ-উল-ফিতরের জন্য শেষ হলো ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি - ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নানা পদক্ষেপ সরকারের।


আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না এমপিরা - বলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।


তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে মিয়ানমারের আরও ৩ সেনাসদস্য, শিগগিরই সেদেশের সকল সামরিক সদস্যকে নৌপথে ফেরত পাঠানো হবে - জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 


পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে ভাঙ্গা-রূপদিয়া রুটে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল শুরু। 


গাজায় যুদ্ধ বিরতির জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রথম বিবৃতির পর আজ কায়রোতে পুনরায় শুরু হচ্ছে ইসরাইল-হামাস বৈঠক।


ঢাকায় বাংলাদেশ ও সফররত অষ্ট্রেলিয়া নারী দলের মধ্যে ৩ ম্যাচ টি টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হচ্ছে আজ।

শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ৩০-০৩-২০২৪ ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ৩০-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


সারাদেশে জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা - আজ শেষ হচ্ছে ঈদে ঘরমুখী ট্রেন যাত্রার অগ্রিম টিকেট বিক্রি - তেসরা এপ্রিল থেকে মিলবে ফিরতি যাত্রার টিকেট।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‍উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি বিএনপির রাজনীতিকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।


মু্ক্তিযোদ্ধার ছদ্মবেশে পাকিস্তানের হয়ে কাজ করেছেন জিয়াউর রহমান - মন্তব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।


জুন মাসের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে দশ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে - জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। 


ভুটানের রাজার আমন্ত্রণে সেদেশে সফর করছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


গাজায় ইসরায়েলের হামলায় গত ২৪ ঘন্টায় কমপক্ষে ৭১ জন ফিলিস্তিনী নিহত।


আজ চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যেকার দ্বিতীয় ও শেষ ক্রিকেট টেস্ট।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

নার্গিস কে লেখা কাজী নজরুল ইসলাম এর চিঠি ,,,,,,,। ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নার্গিস কে লেখা কাজী নজরুল ইসলাম এর চিঠি


কল্যাণীয়াসু,


♥️তোমার পত্র পেয়েছি সেদিন নব বর্ষার নবঘন-সিক্ত প্রভাতে। মেঘ মেদুর গগনে সেদিন অশান্ত ধারায় বারি ঝরছিল। পনের বছর আগে এমনি এক আষাঢ়ে এমনি এক বারিধারায় প্লাবন নেমেছিল, তা তুমিও হয়তো স্মরণ করতে পারো। আষাঢ়ের নব মেঘপুঞ্জকে আমার নমস্কার। এই মেঘদূত বিরহী যক্ষের বাণী বহন করে নিয়ে গিয়েছিল কালিদাসের যুগে, রেবা নদীর তীরে, মালবিকার দেশে, তার প্রিয়ার কাছে। এই মেঘপুঞ্জের আশীর্বাণী আমার জীবনে এনে দেয় চরম বেদনার সঞ্চার। এই আষাঢ় আমায় কল্পনার স্বর্গলোক থেকে টেনে ভাসিয়ে দিয়েছে বেদনার অনন্ত স্রোতে। যাক, তোমার অনুযোগের অভিযোগের উত্তর দেই। তুমি বিশ্বাস করো, আমি যা লিখছি তা সত্য। লোকের মুখে শোনা কথা দিয়ে যদি আমার মূর্তির কল্পনা করে থাকো, তাহলে আমায় ভুল বুঝবে-আর তা মিথ্যা।


তোমার উপর আমি কোনো ‘জিঘাংসা’ পোষণ করিনা-এ সকল আমি অন্তর দিয়ে বলছি। আমার অন্তর্যামী জানেন তোমার জন্য আমার হৃদয়ে কি গভীর ক্ষত, কি অসীম বেদনা! কিন্তু সে বেদনার আগুনে আমিই পুড়েছি, তা দিয়ে তোমায় কোনোদিন দগ্ধ করতে চাইনি। তুমি এই আগুনের পরশমানিক না দিলে আমি ‘অগ্নিবীণা’ বাজাতে পারতাম না।


আমি ধুমকেতুর বিস্ময় নিয়ে উদিত হতে পারতাম না।তোমার যে কল্যাণ রূপ আমি আমার কিশোর বয়সে প্রথম দেখেছিলাম, যে রূপকে আমার জীবনের সর্বপ্রথম ভালবাসার আঞ্জলি দিয়েছিলাম, সে রূপ আজো স্বর্গের পারিজাত-মন্দারের মতো চির অম্লান হয়েই আছে আমার বক্ষে। অন্তরের সে আগুন-বাইরের সে ফুলহারকে স্পর্শ করতে পারেনি ।


তুমি ভুলে যেওনা আমি কবি, আমি আঘাত করলেও ফুল দিয়ে আঘাত করি। অসুন্দর কুৎসিতের সাধনা আমার নয়। আমার আঘাত বর্বর কাপুরুষের আঘাতের মতো নিষ্ঠুর নয়। আমার অন্তর্যামী জানেন (তুমি কি জান বা শুনেছ জানিনা) তোমার বিরুদ্ধে আজ আমার কোন অনুযোগ নেই, অভিযোগ নেই, দাবীও নেই।


তোমার আজিকার রূপ কি জানিনা। আমি জানি তোমার সেই কিশোরি মুর্তিকে, যাকে দেবীমূর্তির মতো আমার হৃদয় বেদীতে অনন্ত প্রেম, অনন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলাম। সেদিনের তুমি সে বেদী গ্রহণ করলেনা। পাষাণ দেবীর মতই তুমি বেছে নিলে বেদনার বেদিপাঠ … জীবন ভরে সেখানেই চলেছে আমার পূজা আরতি। আজকার তুমি আমার কাছে মিথ্যা, ব্যর্থ; তাই তাকে পেতে চাইনে। জানিনে হয়ত সে রূপ দেখে বঞ্চিত হব, অধিকতর বেদনা পাব, তাই তাকে অস্বীকার করেই চলেছি।


দেখা? না-ই হ’ল এ ধূলির ধরায়। প্রেমের ফুল এ ধূলিতলে হয়ে যায় ম্লান, দগ্ধ, হতশ্রী। তুমি যদি সত্যিই আমায় ভালবাস আমাকে চাও ওখান থেকেই আমাকে পাবে। লাইলি মজনুকে পায়নি, শিরি ফরহাদকে পায়নি, তবু তাদের মত করে কেউ কারো প্রিয়তমাকে পায়নি। আত্মহত্যা মহাপাপ, এ অতি পুরাতন কথা হলেও প্রেম সত্য। আত্মা অবিনশ্বর, আত্মাকে কেউ হত্যা করতে পারেনা। প্রেমের সোনার কাঠির স্পর্শ যদি পেয়ে থাকো, তাহলে তোমার মতো ভাগ্যবতী আর কে আছে? তারি মায়া স্পর্শে তোমার সকল কিছু আলোয় আলোময় হয়ে উঠবে।


দুঃখ নিয়ে এক ঘর থেকে অন্য ঘরে গেলেই সেই দুঃখের অবসান হয়না। মানুষ ইচ্ছা করলে সাধনা দিয়ে, তপস্যা দিয়ে ভুলকে ফুল রূপে ফুটিয়ে তুলতে পারে। যদি কোনো ভুল করে থাক জীবনে, এই জীবনেই তাকে সংশোধন করে যেতে হবে; তবেই পাবে আনন্দ মুক্তি; তবেই হবে সর্ব দুঃখের অবসান। নিজেকে উন্নত করতে চেষ্টা করো, স্বয়ং বিধাতা তোমার সহায় হবেন। আমি সংসার করছি, তবু চলে গেছি এই সংসারের বাধাকে অতক্রম করে উর্ধ্ব লোকে। সেখানে গেলে পৃ্থিবীর সকল অপূর্ণতা, সকল অপরাধ ক্ষমা সুন্দর চোখে পরম মনোহর মূর্তিতে দেখা যায়।


… হঠাৎ মনে পড়ে গেল পনর বছর আগের কথা। তোমার জ্বর হয়েছিল, বহু সাধনার পর আমার তৃষিত দুটি কর তোমার শুভ্র ললাট স্পর্শ করতে পেরেছিল; তোমার তপ্ত ললাটের স্পর্শ যেন আজো অনুভব করতে পারি। তুমি কি চেয়ে দেখেছিলে? আমার চোখে ছিলো জল, হাতে সেবা করার আকুল স্পৃহা, অন্তরে শ্রীবিধাতার চরণে তোমার আরোগ্য লাভের জন্য করুন মিনতি। মনে হয় যেন কালকের কথা। মহাকাল যে স্মৃতি মুছে ফেলতে পারলেন না। কী উদগ্র অতৃপ্তি, কী দুর্দমনীয় প্রেমের জোয়ারই সেদিন এসেছিল। সারা দিন রাত আমার চোখে ঘুম ছিল না ।


যাক আজ চলেছি জীবনের অস্তমান দিনের শেষে রশ্মি ধরে ভাটার স্রোতে, তোমার ক্ষমতা নেই সে পথ থেকে ফেরানোর। আর তার চেষ্টা করোনা। তোমাকে লিখা এই আমার প্রথম ও শেষ চিঠি হোক। যেখানেই থাকি বিশ্বাস করো আমার অক্ষয় আশির্বাদ কবচ তোমায় ঘিরে থাকবে। তুমি সুখি হও, শান্তি পাও, এই প্রার্থনা। আমায় যত মন্দ বলে বিশ্বাস করো, আমি তত মন্দ নই, এই আমার শেষ কৈফিয়ৎ।♥️


ইতি-

নিত্য শুভার্থী


পোস্টদাতা--( বিপাশা ইসলাম)

পেজ লিংক----👇👇👇👇👇

https://www.facebook.com/profile.php?id=100082696543842


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


গল্প-রিমুর জয়  পর্ব -১১ লেখক রিহান অরণ্য,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গল্প-রিমুর জয় 

পর্ব -১১

লেখক রিহান অরণ্য 


দরজা খুলা রেখেই  আমি আমার জামাইর কাছে গেলাম,অনেক রাগ অভিমান জমা আছে আমার মনে কিন্তুু এখন যদি রাগ আর অভিমান দেখাতে যাই তাইলে হাইব্রিড মেয়েটা মনে করবে আমার জামাইর সাথে আমার মিল নাই,  তাই রাগ অভিমান ভুলে জামাইর বুকে শুয়ে গেলাম,হাইব্রিড মেয়েটা দরজার সামনে দিয়ে একবার যায় আর আসে, 


এই দিকে আমার জামাই আমাকে কাছে পয়ে মাতাল মতো অবস্থা, জরিয়ে ধরে পাগলের মতো চু'মু খেতে লাগলো, ওর পাগলামি দেখে আমি আর ঠিক থাকতে পারিনি ওঠে দরজা লাগিয়ে দিলাম,  যাতে শান্তি মতো আদর নিতে পারি,, এতোদিনের আদর হিসাব করে সুদেআসলে   পোষিয়ে নিয়েছি,   এক ঘন্টা পর দরজা খুলছি, বাহিরে তাকিয়ে দেখি  হাইব্রিড মেয়েটা  দাঁড়িয়ে আছে, আমাকে কিছু বলে নি তারে দেখিয়ে তার সামনে প্লাজু ঠিক করতে লাগলাম, সে আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে,,   কিছুই যেহেতু বলে না তাই আমি বললাম আমার জামাইর রুমে কিন্তুু যাবি না, জামাইটা আমার ঘুমাচ্ছে অনেক টা দুর্বল হয়ে গেছে, এতোদিনের খাবার একসাথে খাইছিতো তাই,, তার পরও হা'ইব্রিড মেয়েটা   কিছুই বলে না, 


আমি চলে আসলাম রুমে গোসল করবো এখন,  কিন্তুু ফোনটা খুঁজে পাচ্ছি না,  পরে মনে হলো ফোন তো আমার জামাই রুমে,তাই ফোন আনতে আবার জামাই ঘরে গেলাম, গিয়ে দেখি ওই মেয়ে আমার জামাইর রুমে বসে আছে খাটের কোনায়,  দেখেই আমার মাথা গরম হয়ে গেছে, আমি বললান তুই এনে কি করছ,দেহছ না বেচারা কান্ত হয়ে ঘুমাচ্ছে, তুই আসলে কেন রুমে হা,,তর ও কি লাগবে নাকি এই বলে ওর হাত ধরে টান দিয়ে জামাইর কাছে নিয়ে গেলাম আর বললাম নে খা,  কি হলো দারিয়ে আছত কেন জ্বিবে পানি নিয়ে,   খা তুই,  কতো বড় সাহস এই সময় তুই রুমে ডুকলে,  এই সব বলতে বলতে জামাইর উপরে চাদর দিয়ে ওর  সবটা ডেকে দিছি,, আমার জামাইর একটা সবাব ঘুমালে ওটা হাতের মুঠোয় ধরে ঘুমিয়ে থাকে, হাইব্রিড মেয়েটা এতোক্ষণ খাটের কোনায় বসে বসে সব কিছু দেখছিলো,  তাই আবার বললাম খাবার জিনিস দেখলে জ্বিবে পানি চলে আসে  নাকি,, ওই আয় তরে চেক করমো আর কোন কোন জায়গায় পানি আসলো তর, এইবার আর দাঁড়িয়ে থাকেনি সোজা চলে গেছে ওর রুমে, আমি ফোনটা হাতে নিয়ে দরজা লাগিয়ে চলে গেলাম,, গোসল করে রুমে শুয়ে শুয়ে গান শুনতে ছিলাম আর আমি ও একটু একটু গাইতেছিলাম রোকসানা আন্টি এসে দেখে ফেলছে, আন্টি বলে কি রে রিমু তর মনে কি রং লাগছে নাকি,এতোদিন তো  অসুস্থ ছিলে, আমি বললাম আজকে ডক্টর মেডিসিন  দিছে তা ও ২ বার,  আন্টি বুঝতে পারেনি কি বলছি তাই বলে কখন গেলি ডক্টরের কাছে তুই না বলছোত তর জামাইর রুমে যাবি,, আর ডক্টরের কাছে যখন গেছোত আমাকে বলে যাইতে ২ টা গেস্টিকের বড়ি আনাতাম,  আমি বললাম,আবার গেলে আনমো নে,  এখন বলো কি রান্না করছো, আন্টি হাসি দিয়ে বললো আজকে চিংড়ি মাছ বোনা করছি তর যে প্রিয়ো এটা আমি জানি,,আমি বললাম আন্টি ভালো করছো শুধু আমার না আমার জামাইর ও প্রিয়ো,, 


দুপুর হয়ে গেলো জামাইটা এখনও ওঠলোনা,, বসে আছি জামাই রাইখা কমনে খাই,এই দিকে হিশাব নিকাশের সুদ তুলতে গিয়ে এখন খিদে ও পেয়েছে,   দূর আর ভালোলাগেনা  খাবার রুমে নিয়ে আগে খেয়ে নেই তার পর টেবিলে এসে বসে থাকমো জামাইর সামনে,  যখন বলবে কি হলো খাওনা কেন তখন বলবো খাবোনা, যদি জিজ্ঞেস করে কেন তখন বলবো তুমি খায়িয়ে দিলে খাবো, তখনতো হাইব্রিড মেয়েটার সামনে আমাকে ওর খায়িয়ে দিতে হবে, ওরে আল্লাহ হাইব্রিড মেয়েটা দেখতেছিনা গেলো কই আবার, 

আবার নি আমার সিন্ধুকে হাত দিতে গেলো এই বলে ওরে খুজতে লাগলাম কোথাও দেখিনা,   মনে মনে বলতে লাগলাম না আবার আমার সিন্ধুকে  তালা খোলার চেষ্টা করছে,  বেডা মানুষ ঘুমের মধ্যে  কাউকে পেলেই হয়,  নিজের বউ না অন্য মেয়ে সেটা তখন ওদের মাথায় আসে না, তাই দৌড়ে হেলাম আমার সিন্ধুকের ঘরে,  গিয়ে দেখি আমার জামাই তো ঘুমে, তাইলে হাইব্রিড গেলো কই তার রুমে ও তো নাই,,  


আন্টি, ওই আন্টি এই দিকে আসো, আন্টি বললো কি হইলো আমি বললাম আন্টি ওই মেয়েকে দেখতেছিনা যে, আন্টি বলে সে তো বাহিরে গেছে,   আমি বললাম বাহিরের কেন গেলো এই দূপুরে,, আন্টি বলে জানিনা আমি কিছু,  আমি বললাম জানতে হবে না এখন খাবার দাও আমার ঘরে, আন্টি বলে কেন টেবিলে খাবিনা আমি বললাম খিদে পেয়েছে আর ওই বেডা কখন ঘুম থেকে উঠে কে জানে, মনে মনে বলতে লাগলাম   ২ ম্যাচ খেলে এই অবস্থা, 😑


রুমে গিয়ে দূপুরের খাবার খেয়ে নিলাম,,  তার পর টেবিলে এসে চেয়ার উপরে পা রেখে বসে আছি, একটু পর মেয়েটা আসলো বাহির থেকে, হাতে কি জানি একটা আছে, 

ওর রুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলো, একটু পর আবার বের হলো, মনে হয় গোসল করছে, টেবলে এসে বসলো খাবার খাইতে, আমিই ওরে খাবার দিলাম সে খাইলো খাবার সময় একটা কথা ও বললো না,৷ খাবার শেষ করে আবার সে তার রুমে চলে গেলো,  মনে মনে ভাবলাম মেয়েটা যদি এই ভাবে থাকতো তাইলে ওর লগে আমার ঝগড়া করা লাগতোনা,,

আবার বসে রইলাম কিন্তুু ওনি আসলো না খেতে, 


দূর ওই বেডা আর কতো ঘুমায় না খেয়ে এটা বলতে বলতে আমার জামাই রুমে গেলাম, গিয়ে দেখি ওনি নাই রুমে, ওয়াশরুমের লাইট অন করা বুঝতে পারছি গোসল করতে গেছে,,    আমি ও রুম থেকে বের হয়ে খাবার রেডি করে দিলাম টেবিলে স্যার  আসলো খাবার খাইতে, আমি বসলাম অল্প একটু নিয়ে,না খেলে বেডায় নানান কথা জিজ্ঞেস করবে তার থেকে অল্প কয়ডা খাই,, 


খাবার শেষ করে  স্যারকে বললাম আমার টাকা লাগবে, অনেক কিছু কিনতে হবে স্যার বলে ঠিক আছে দিচ্ছি,এই বলে ওর রুমে গেলো, রুম থেকে বের হয়ে বলে এই নাও,


 আর রেডি হও একটু পর ডক্টর কাছে যাবো, 


আমি রেডি হয়ে আসলাম স্যার আমাকে নিয়ে ডক্টর কাছে গেলো,  স্যার চাইছিলো আল্টাসোনো করার জন্য, কিন্তুু ডক্টর বললো আরো ৪ সপ্তাহে পরে করেন তাইলে ভালো হবে,,তাই শুধু চেকাপ করে চলে আসলাম,,আসার সময় আমাকে মার্কেট নিয়ে গেছে এই প্রথম আমাকে সে শাড়ি কিনে দিছে আর মেক্সির কাপর,, 


 মার্কেট থেকে বাসায় চলে আসলাম,,   বাসায় এসে শাড়ি পরবো কিন্তুু ব্লাউজ নাই পেডি কোড নাই কিছু নাই কমনে পরি,  ইস ইচ্ছে ছিলো  শাড়ি পরে আজকে জমাইর লগে থাকবো তা আর মনে হয় হবে না,,    স্যার  আমাকে বাসায় দিয়ে আবার বাহিরে গেছিলো, এখনও ফিরে নাই,  এই দিকে আমরা রাতের রান্না ও রেডি করে ফেলছি,,  স্যার আসলো,  ফ্রেস হয়ে খাবার টেবিলে এসে খেতে বসলো সাথে ওই মেয়ে ও,, কোন কথা বলে না শুধু একবার বলছে  আমার জামাই কে আপনি চিটাগং কবে যাবেন, জামাই উত্তর দিলো ঠিক নাই,  তখন মেয়ে টা বললো যাবার সময় আমাকে নিয়ে যাবেন, 


খাবার শেষ করে ওরা যার যার রুমে চলে গেলো আমি খেয়ে  টেবিল পরিস্কার করে  রুমে গিয়ে আন্টিকে বললাম আন্টি তুমি ঘুমাও আমি জামাইর কাছে যাবো, আন্টি বলে ঠিক আছে তবে ওই ময়ে যেন টের না পায়,আমি বললাম ও  টের পেলেও সমস্যা নাই, আন্টি তো আর জানে না আজকের ঘটনা ওর লগে কি হইছে তাই বললো জেন হাইব্রিড টা টের না পায়, শাড়িটা হাতে নিয়ে রুম থেকে বের হয়ে গেলাম, জামাই রুমে যাবো,  যাবার সময় ওই ময়ে দেখছে আমি যে স্যারের রুমে গেছি,, কিছু বলে নাই,, 


রুমে ডুকে পরনের কাপড় খুলে শাড়ি পরছি ব্লাউজ পেডি কোড ছাডাই,,  নতুন শাড়ি পরাতে জামাইর  আদর কতে একটু সমস্যা হচ্ছে তাই আর দেরি না  করে শাড়ি ও খুলে ফেলছি,,  এইবার কোন ঝামেলা নাই,,  আজকে কেন জানি আমার ও,,,,,৷ ৷৷৷৷,,,,,  তাই  আর দেরি না করে একবার শেষ করলাম তার পর ওর বুকে শুয়ে আমি জানতে চাইলাম কবে পাবো আমাদের অধিকার, স্যার  বলে আমাদের মানে আমি কি আরো বিয়ে করছি নাকি,, আমি বললাম আরে বেকুব আমাদের বলতে আমি আর আমার পেটের বাচ্চা, স্যার  বলে ও আমি তো ভয় পেয়ে গেছিলাম,,  আমি বললাম ভয় কেন বিয়ে কি আরো করছো নাকি,স্যার বলে দূর কি যে বলো


আমার কথার উত্তর দাও কবে পাবো অধিকার, তখন স্যার বললো এই মূহুর্তে বিয়ের কথা বলা যাবে না কারণ আব্বু চিটাগং গেছে বড় ভাই কে ওই খানের জায়গা রেজিস্ট্রার করে দিতে, তার পর আমার পালা তার  মাঝে যদি ঝামেলা হয় তাইলে কিছুই পাবোনা,  তুমি আর কিছু দিন  অপেক্ষা করো,  আমি ওর বুকে শুয়ে কান্না করছি সে বলে , কি হলো কান্না করো কেন আমি তো আছি এই বলো শক্ত করে জরিয়ে ধরে আমাকে আদর দিতে লাগলো,, তার পর থেকে  

অনেক বার হইছে আমাদের,  আমার নারীত্বের প্রথম সুখ আজকেই পেলাম যে দিন বিয়ে হইছে সেই দিন থেকে টেনশনে ছিলাম স্যারের হলে ও আমার তেমন টা হয়নি কিন্তুু আজকে আমার মনের মতো করে  সব কিছু  নিছি,,


স্যারের রুমে গোসল করে সকাল সকাল বের হয়ে  গেছি রুম থেকে,   আন্টি রান্না করছে আমি গিয়ে ঘুমাইছি, রাতে তো ঘুমাতে পারিনি তাই নাস্তা না খেয়ে ঘুমাচ্ছি, 


 দূপুের আগে আগে আন্টি আমাকে ডেকে বলে তর জামাই লগে ওই মেয়ে কি নিয়ে জানি ঝগড়া করছে, এটা শুনে ওঠেই দৌড়ে গেলাম জামাই রুমে গিয়ে দেখি রুমের  কিছু জিনিস  মেজেতে পরে আছে, আমি জিজ্ঞেস করলাম কি হইছে, স্যার  বলে কিছুনা, তুমি আসলে কেন ঘুম থেকে উঠে,  আমি বললাম কি হইছে জিজ্ঞেস করলাম  না বললে কিন্তুু খবর আছে, 


স্যার কোন কথা না বলে চলে গেলো বাহিরে,  পিছনে পিছনে ওই মেয়ে ও চলে যেতে লাগলো আমি হাত বাড়িয়ে ওর চুলে ধরলাম,  ওই তুই কই যাছ, কি হইছে জানতে চাইলাম বলছ না কেন,,  আমার হাতের টান ওর চুলে লাগতেই সে পরে গেল, আর ওর হাতের কাছে   Tv রিমুট ছিলো ওটা দিয়ে আমার পেট বরাবর ঢিল মারছে,,


চলব

একটি সাবস্টেশনের A to Z ডিজাইন করতে আসলে কি কি জানা দরকার?,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একটি সাবস্টেশনের A to Z ডিজাইন করতে আসলে কি কি জানা দরকার?


ব্যাপারটা যতটা আমরা চ্যালেঞ্জিং ভাবি অতটাও নয়। অন্তত মঙ্গলগ্রহ জয় করার চেয়েও অনেক সহজ। আপনার মালিক আপনাকে প্রবল বিশ্বাস করে আপনার হাতে তুলে দিল সাবস্টেশন ডিজাইনের দায়িত্ব। উনি শুধু অর্থায়ন করবেন। এখন, আপনার সবচেয়ে বড় সফলতা হবে বিশ্বাসের মর্যাদা রেখে প্রজেক্টটি বাস্তবায়ন।


আমাদের দেশে হয়কি ভিনদেশী কোম্পানিদের বা দেশীয় মানসম্মত কোম্পানিকে এই কাজটির টেন্ডার দেয়া হয়। থার্ড পার্টি এসে কাজ করে চলে যায় আর নিয়ে যায় মোটা অংকের ডলার। অথচ ইউরোপ, আমেরিকায় এই কাজগুলো নিজস্ব ইঞ্জিনিয়ারদের দিয়েই করানো হয়।


একটা তালিকা প্রস্তুত করে ফেলা যাকঃ


প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে সাবস্টেশনে কি কি দরকার?


💥প্রথমত ট্রান্সফরমার। এখন ট্রান্সফরমারের মধ্যেও ধরন আছে। যদি 11/132 kV সাবস্টেশন হয় তাহলে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার, যদি 33/11 kV সাবস্টেশন হয় তাহলে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 


💥এরপর ভোল্টেজ বাড়ালে কমালেই শেষ নয়, হাই ভোল্ট মেজারের জন্য লাগবে পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমার। কারেন্ট মেজারের জন্য লাগবে কারেন্ট ট্রান্সফরমার। 


আর রক্ষাকবচ ব্রেকার, আইসোলেটর, রিলে এগুলো ত আছেই।


সাবস্টেশনের ক্যাবল, বাসবার নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রাধান্য পায় লোড।


আমরা একটি লোড ধরে নিলাম = 624.368 KW = 624.368/0.8 = 780.46 KVA সাব-স্টেশন ক্যালকুলেশন করতে ৪ টি ধাপ অনুসরন করতে হবে।


1.Transformer Selection

2. LT Switchgear Selection

3. HT Switchgear Selection

4. PFI Panel Selection


💥Transformer Selection এখানে আমাদের যত KVA লোড তার কাছাকাছি 3 Phase Transformer Selection করতে হবে।


এখানে আমাদের লোড = 780.46 KVA বাজারে সাধারনত নিম্ন মানের KVA Transformer পাওয়া যায়। 


100 kVA, 200 KVA, 250 KVA, 315 KVA,400 KVA, 500 KVA, 630 KVA,750 KVA,800 KVA,1000 KVA, 1250 KVA.


সুতরাং আমাদের 800 KVA Transformer লাগবে।


💥LT Switchgear Selection:


Transformer Capacity কে 1.6 (approx.) গুন দ্বারা করলে LT Switchgear এর capacity পাওয়া যায়।


সুতরাং 800 KVA Transformer এর জন্য LT Switchgear লাগবে = 800 x 1.6=1280 A


তাহলে 1250 A  MCCB or ACB নিতে হবে। 


💥HT Switchgear Selection :


HT Switchgear Capacity Selection বলতে এখানে মুলত Breaker Selection কে বুঝায় । Transformer 500 KVA এর নিচে হলে LBS আর Transformer 500 KVA বা তার বেশি হলে (VCB- Vacuum Circuit Breaker) ব্যবহার করতে হবে।

সুতরাং এখানে 800 KVA Transformer এর জন্য (VCB- Vacuum Circuit Breaker) ব্যবহার করতে হবে।


💥PFI Panel Selection :


Total Real load Capacity কে 0.6(sine thita) দ্বারা গুন করলে PFI Panel এর capacity পাওয়া যায়। সুতরাং 624 kW এর জন্য PFI Panel হবে = 624 x 0.6= 375 kVAR


এখন অনেকেই বলবেন, 0.6 কিভাবে এল? আমরা জানি, পি এফ আই প্যানেলের ক্যাপাসিটি টোটাল লোডের 60% বা 0.6


আমরা ক্যালকুলেশনে যত এক্সপার্ট হব, কর্মক্ষেত্রেও সবার কাছে তত স্মার্ট হিসেবে পরিচিতি লাভ করব। এর পাশাপাশি আমাদের পাওয়ার সিস্টেম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্যানেল ডিজাইন, অটোমেশন, ট্রান্সফরমার নিয়ে জানাটাও জরুরি।


তাই সবকিছুর যৌথ আস্বাদ পেতে আমার লিখা ইবুকগুলোর তালিকাঃ


📘Ebook1: ইলেকট্রিক্যাল যখন ABC এর মত সহজ


📘Ebook2: সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্ত


📘Ebook3: ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা


📘Ebook4: পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডা


📘Ebook5: চা এর আড্ডায় পি এল সি


📘Ebook6: ট্রান্সফরমার মহাশয়ের খুটিনাটি


📘Ebook7: DC circuit নিয়ে মজার বই


📘Ebook8: Electronics এত মধুর কেন?


কিছু সম্মানির বিনিময়ে ই-বুকগুলো (সফটকপি) ইনবক্সে নক দিন অথবা what's app +8801741994646


পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন এবং রাজউক এপ্রোভাল শীট,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অনেকেই জানেন আবার অনেকেই জানেন না।

পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন এবং রাজউক এপ্রোভাল শীট

আমরা যখন কোনো বাড়ির প্ল্যান করি , এবং এপ্রোভাল করতে চাই তখন আমাদের অনুমোদন ড্রয়িং এর দরকার পরে , নতুন ইঞ্জিনিয়ার এবং আর্কিটেক্ট যারা আছেন তাদের অনেকের ধারণা থাকে না কিভাবে এপ্রোভাল ড্রয়িং করবেন ! এবং কি কি ড্রয়িং দিতে হবে !  এপ্রোভাল  এর ধারণা গুলো  আপনারা পান  তাই একটা স্যাম্পল ড্রয়িং দিয়ে দিচ্ছি যা আপনাদের উপকারে আসতে পারে।

পৌরসভার আওতাধীন কোন ভবন নির্মান করতে চাইলেই আপনি নির্মান করতে পারবেন না, যত বড়ই ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা ড্রইং করান না কেন কাজে আসবেনা যদি কর্তিপক্ষের অনুমুতি না নেন।

চলুন জেনে নেই কি কি লাগবে-

প্রথমে আবেদন ফরমে আবেদন করতে হবে এবং সাথে ৭ কপি ড্রইং জমা দিতে হবে, তবে কোন কোন পৌরসভায় এর কম দিলেও হয়। ড্রইংগুলো ৩০"x২০" সাইজের এমোনিয়া শীট বা ট্রেসিং পেপারে (ব্লু প্রিন্ট ট্রেসিং পেপার সহ) জমা দিতে হয়।

একটি ড্রইং শীটে কি কি ড্রইং থাকতে হবে আসুন জেনে নেই-

১. ফ্লোর প্ল্যান

২. অন্যান্য ফ্লোরের প্লান

৩.সম্মুক্ষ বা ফ্রন্ট এলিভেশন

৪.লে-আউট প্ল্যান

৫.কলাম, বীম, ফাউন্ডেশনের সেকশন

৬.মোট কভার এরিয়া

৭.মৌজা ম্যাপ

৮. ভবনের ক্রস সেকশন

৯.সেপটিক ট্যাংক এবং সোক ওয়েলের প্লান ও সেকশন

১০.সিড়ির প্লান ও ডিটেইল

১১. ছাদের বিস্তারিত ড্রইং

১২. ছাদের পানি নিষ্কাশনের প্ল্যান

১৩. কলাম পজিশন বা কলাম লে-আউট

১৪. গ্রেড বীম ও সেকশন

১৫. ইলেকট্রিক ড্রইং

১৬. সেনেটারী ড্রইং (বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে)

১৭. সেটব্যাক (অত্যন্ত জরুরী), নির্দিষ্ট পরিমানে ভবনের চারপাশের জমি ছেড়ে দেওয়াকে বুঝায়।

আনুষঙ্গিক কাগজ পত্র:

১. পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যভুক্ত প্রকৌশলীর স্বীকৃতপত্র।

২ প্রকৌশলী পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য নাম্বার ও সাক্ষর এবং সীলমোহর।

৩. মূল দলিলের ফটোকপি।

৪. দাগ নম্বর,খতিয়ান নম্বর ও মৌজার নাম।

৫. মালিকের সাক্ষর।

৬. মাটি পরিক্ষার রিপোর্ট (৩ তলার অধিক হলে)।

৭. জমির পরিমান ও তফসিল।

৮.নির্ধারিত ফি।


Building Design & Developments Ltd. 

Engr. Fazlul Islam (MIEB) 


01918-507438 


নোট : নিচের ছবিটি একটা রাজউক অনুমোদিত ড্রয়িং সিট।


কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...