এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ২৪-০৪-২০২৪

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ২৪-০৪-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:


ছয় দিনের সরকারি সফরে আজ থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


শেখ হাসিনা ও কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত - বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার পাঁচটি চুক্তি ও পাঁচটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।


বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে কাতারের আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন রাষ্ট্রপতি।


দেশের গণতন্ত্র নস্যাত করতে একটি চিহ্নিত মহল নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের প্রতিহত করতে হবে - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের। 


বান্দরবানের থানচি, রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের।


ইসরাইলি অবরোধে ধ্বংসপ্রাপ্ত গাজার দুটি হাসপাতালে গণকবরের সন্ধান পাওয়ায় আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান জানাল জাতিসংঘ।


বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ভারতের জাতীয় নারী ক্রিকেট দল এখন সিলেটে।

সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ২৩-০৪-২০২৪

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ২৩-০৪-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:


ঢাকায় সফররত কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি আজ আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে - স্বাক্ষরিত হতে পারে ছয়টি চুক্তি ও পাঁচটি সমঝোতা স্মারক। 


রাজধানীতে ন্যাপ এক্সপো-২০২৪ শুরু - যুদ্ধে ব্যবহৃত অর্থ বিশ্বকে রক্ষার কাজে ব্যয় করার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ। 


জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করলেন শেখ হাসিনা।


থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ও UNESCAP কমিশনের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে ছয় দিনের সরকারি সফরে আগামীকাল ব্যাংকক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।


৭ই অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের হামলার ঘটনায় ব্যর্থতার দায় নিয়ে দেশটির সামরিক গোয়েন্দা প্রধানের পদত্যাগ।


দেশব্যাপী তাপ প্রবাহের সতর্কতা আরো ৭২ ঘণ্টা বাড়ালো আবহাওয়া অফিস। 


আজ করাচিতে তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ নারী দলের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক পাকিস্তান।

মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪

পদ্মা সেতু থেকে, যত ধরনের প্রশ্ন হয় তা তুলে ধরলাম। 

 পদ্মা সেতু থেকে, যত ধরনের প্রশ্ন হয় তা তুলে ধরলাম। 

নাম: পদ্মা সেতু

দৈর্ঘ্য: ৬.১৫ কিলোমিটার

ভায়াডাক্ট (স্থলভাগে সেতুর অংশ) সহ দৈর্ঘ্য: ৯.৮৩ কিলোমিটার

প্রস্ত: ২১.৬৫ মিটার

মোট পিলারের সংখ্যা: ৪২টি

স্প্যানের সংখ্যা: ৪১টি

প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য: ১৫০ মিটার

স্প্যানগুলোর মোট ওজন: ১,১৬,৩৮৮টন

প্রতিটি পিলারে নিচে পাইলের সংখ্যা: ৬টি (কিছু কিছু পিলারে ৭টি পাইলও দেওয়া হয়েছে)

পাইলের ব্যাস: ৩ মিটার

পাইলের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য: ১২৮ মিটার

মোট পাইলের সংখ্যা: ২৬৪টি ( ভায়াডাক্টের পিলারের পাইলসহ ২৯৪টি)

জমি অধিগ্রহণ: ৯১৮ হেক্টর

ব্যবহৃত স্টিলের পরিমাণ : ১,৪৬,০০০ মেট্রিক টন

নির্মাণ কাজ শুরু: ২৬ নভেম্বর ২০১৪

মূল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু: মাওয়া প্রান্তে ৬ নম্বর পিলারের কাজ দিয়ে

সক্ষমতা: দৈনিক ৭৫ হাজার যানবাহন

পানির স্তর থেকে সেতুর উচ্চতা: ১৮ মিটার

পদ্মা সেতুর আকৃতি: ইংরেজি এস (S) অক্ষরের মতো

ভূমিকম্প সহনশীলতা: রিক্টার স্কেলে ৮ মাত্রার কম্পন

এপ্রোচ রোডের দৈর্ঘ্য: ১২ কিলোমিটার

নদীশাসন: ১৬.২১ কিলোমিটার

সেতুর আয়ুষ্কাল: ১০০ বছর

সেতুর মোট ব্যয়: ৩০,১৯৩.৩৯ কোটি

ঢাকার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবে এমন জেলার সংখ্যা: ২১টি

সরাসরি উপকারভোগী মানুষের সংখ্যা: দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের ৩ কোটি মানুষ

যেসব দেশের বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীরা কাজ করেছেন: বাংলাদেশ, চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, অট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ন্যাদারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, জাপান, ডেনমার্ক, ইতালি, মালয়েশিয়া, কলম্বিয়া, ফিলিপাইন, থাইওয়ান, নেপাল ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রকল্পের অঙ্গ(component) ভিত্তিক ব্যয় বিভাজন:

ক) মূল সেতুর ব্যয়: ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন টাওয়ার ও গ্যাস লাইনের ব্যয়সহ ১১,৯৩৮.৬৩ কোটি টাকা (বরাদ্দ ১২,১৩৩.৩৯ কোটি টাকার বিপরীতে)

খ) নদীশাসন কাজ: ৮,৭০৬.৯১ কোটি টাকা (৯,৪০০ কোটি টাকার বিপরীতে)

গ) অ্যাপ্রোচ রোড: ২টি টোল প্লাজা, ২টি থানা বিল্ডিং ও ৩টি সার্ভিস এরিয়াসহ ১৮৯৫.৫৫ কোটি টাকা (১৯০৭.৬৮ কোটি টাকার বিপরীতে )

ঘ) পুনর্বাসন ব্যয়: ১,১১৬.৭৬ কোটি টাকা (১,৫১৫ কোটি টাকার বিপরীতে)

ঙ) ভূমি অধিগ্রহণ: ২৬৯৮.৭৩ কোটি টাকা

চ) পরিবেশ: ২৬.৭২ কোটি (১২৯.০৩ কোটি টাকা)

ছ) অন্যান্য বেতন ভাতা, পরামর্শক, সেনা নিরাপত্তা ইত্যাদি: ১৩৪৮.৭৮ কোটি (২৪০৯.৫৬ কোটি টাকার বিপরীতে)

প্রকল্পের মোট অনুমোদিত ব্যয়: ২৭,৭৩২.০৮ কোটি টাকা (৩০১৯৩.৩৯ কোটি টাকার বিপরীতে)

নিজ অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ সিন্ধান্ত : ৯ জুলাই ২০১২

প্রথম স্প্যান বসানো হয়: ৩০সেপ্টেম্বর ২০১৭।

সেতুতে বসে শেষ স্প্যান: ১০ ডিসেম্বর ২০২০।

সেতু উদ্বোধন: ২৫ জুন ২০২২।

যানবাহন চলাচল শুরু : ২৬ জুন ২০২২।

(তথ্যসূত্র: পদ্মা সেতু প্রকল্প অফিস, ক্যাবিনেট ডিভিশন, সংবাদ সম্মেলনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার কপি; আপডেট: ২৩ জুন ২০২২)


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুঃখ বেদনা - 

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুঃখ বেদনা - 

১. তের বছর বয়সে মাতৃহারা হন।

২. তাঁর বিয়ের রাতে ভগ্নিপতি মারা যান। 

৩. চারমাস পরে  মারা যান যার প্রেরণা ও ভালোবাসায় তিনি কবি হয়ে উঠেছেন, সেই নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী। 

৪. ১৯০২ কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী , মারা গেলেন l রবীন্দ্রনাথ তখন একচল্লিশ। 

৫. দুই মেয়ের বিয়ের সময় শর্ত ছিল জামাইদের বিলেতে ব্যারিস্টারি ও ডাক্তারি পড়াতে বিলেত পাঠালেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই রেনুকা অসুস্থ হয়ে পড়লেন। বাঁচানো গেলনা তাঁকে। 

৫. ১৯০৫-এ চলে গেলেন পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। 

৭.  ১৯০৭ কনিষ্ঠ পুত্রের (১২ বছরের) কলেরায় মৃত্যু। 

৮. ১৯১৩ রবীন্দ্রনাথ নোবেল পেলেন l 

৯.  ১৯১৮ বড়মেয়ে বেলি অসুস্থ, বেলাকে প্রতিদিন গাড়িতে করে দেখতে যেতেন কবি। বাবার হাত ধরে মেয়ে বসে থাকত বিছানায়। আর তখন রবীন্দ্রনাথের জামাই  টেবিলের ওপর পা তুলে সিগারেট খেতে খেতে রবীন্দ্রনাথকে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করতেন। একদিন বেলাকে দেখতে গিয়ে মাঝপথে শুনলেন সে মারা গেছে। মেয়েকে শেষ দেখা না দেখে ফিরে এলেন বাড়ি। পুত্র রথীন্দ্রনাথ লিখেছেন বাড়িতে এসে তিনি কাউকে বুঝতে দিলেন না কি শোকে, কি অপমানে, কি অসহ্য বেদনার মধ্য দিয়ে তিনি সন্তানকে হারিয়েছেন। 

১০. কবির ছোটমেয়ে মীরার বিয়ে দিয়েছিলেন নগেন্দ্রনাথের সঙ্গে যাকে বিলাতে কৃষিবিজ্ঞানী করার জন্য প্রতিমাসে সেইসময় পাঁচশ টাকা করে পাঠাতেন, আর নগেন্দ্র চিঠি লিখে আরও টাকা পাঠানোর তাগাদা দিতেন। প্রত্যুত্তরে কবি লিখতেন, আমার জমিদারী থেকে প্রতিমাসে পাঁচশ টাকাই পাই, তার পুরোটাই তোমাকে পাঠাই। সেই নগেন্দ্র বিলাত থেকে ফিরে দুই সন্তান সহ মীরাকে পরিত্যাগ করে অন্যত্র চলে যান। কবির তিন জামাই যাদের প্রত্যেককে বিদেশে পড়িয়ে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তারা প্রতেকেই কোন না কোন ভাবে কবিকে দুঃখ দিয়েছেন। সারাজীবনে কবি দুঃখ পেয়েছেন বারেবারে, অপমানিত-উপেক্ষিতও হয়েছেন অসংখ্যবার। 

১১. আর্জেন্টিনার কবিপ্রেমী লেখিকা ভিক্টোরিয়া ওকাম্পর সাথে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে কুৎসা করে সংবাদপত্রও প্রকাশিত হয়েছে। 

১২. কবি তখন ৬৪, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশ্ববরেণ্য সাহিত্যিক l কবির নোবেল প্রাপ্তি নিয়েও কিছু লোক তাঁকে ব্যাঙ্গও করেছিলেন। চিঠি লিখে কবির কাছে জানতে চাইছেন নোবেল পুরস্কার পাওয়ার টেকনিক, সেক্ষেত্রে ভাবী পুরস্কারপ্রাপক কবিকে অর্ধেক টাকা দিতেও রাজি। 

১৩.  শান্তিনিকেতনে সাক্ষাৎ করতে এসে কেউ কবিকে বলছেন, রবিবাবু আপনি কি এখনো কবিতা-টবিতা লেখেন নাকি? মানে অতোগুলো টাকা পাওয়ার পর আবার কেউ লেখে নাকি! অথচ অনেকেই জানেননা, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তির খবরটা প্রশান্তচন্দ্র মহলনাবিশ যখন কবিকে দেন তখন কবির প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, ‘ যাক, ওই টাকায় এবার বিশ্বভারতীর সেচখাল কাটার সংস্থানটা হবে’। যারা কবি বা লেখক তারা সকলেই সমাজের কাছে একটা স্বীকৃতি চায়, রবীন্দ্রনাথ বহুদিন সেটা বাঙালি সমাজের কাছে পাননি। তাই নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর তাঁকে যখন সম্বর্ধনা দেওয়া হলো তখন তিনি বললেন, ‘আমি এই সম্মানের পাত্রকে ওষ্ঠ পর্যন্ত তুলব কিন্তু গলা পর্যন্ত যেতে দেবনা’।  কতবড় অভিমান ও দুঃখ থাকলে এ কথা বলা যায়! 

১৪. রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছেন,  'পৃথিবীতে এসে যে ব্যক্তি দুঃখ পেলনা, সে লোক ঈশ্বরের কাছ থেকে সব পাওয়া পেলনা’।

বারেবারে মৃত্যু-দুঃখ-অপমান রবীন্দ্রনাথকে শাণিত করেছে সৃষ্টিপথে, নির্মোহ করেছে জগৎসংসারে, নস্টালজিক করেছে ক্ষণেক্ষণে।

তাই তিনি বলতে পেরেছেন,

‘আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।

তবুও শান্তি, তবুও আনন্দ, তবুও অনন্ত জাগে’।

আমরাও যেন সদা তাঁর সুরে সুর মিলিয়ে বলতে পারি,🙏🙏

“মনেরে আজ কহ যে

ভালো মন্দ যাহাই আসুক

সত্যরে লও সহজে।”

সংগৃহীত।

বিশ্বে বিজ্ঞানীদের একটা অংশ টাইম ট্রাভেলের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না

 বিশ্বে বিজ্ঞানীদের একটা অংশ টাইম ট্রাভেলের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না। তবে আরেকটি অংশ শুধু বিশ্বাসই করেন না, ইতোমধ্যেই নাকি টাইম ট্রাভেল করেছেন। যেমন ইতিহাসে এমন অনেক অদ্ভুত ঘটনা রয়েছে যেগুলো টাইম ট্রাভেলের সত্যতার ব্যাপারে ইঙ্গিত দেয়। চলুন জেনে নেই তেমন ৫টি অবিশ্বাস্য ঘটনা।


চাইনিজ সুইস ওয়াচ: ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে কয়েকজন চীনা প্রত্নতত্ত্ববিদ চারশ বছরের পুরোনো একটি বড় পাথর খণ্ড থেকে একটি ঘড়ি খুঁজে পান। ঘড়িটি ছিল আংটির মতো। সুইজারল্যান্ডে নির্মিত ঘড়িটি ১০টা বেজে ৬ মিনিট নির্দেশ করছিল। ঘড়িটি চলছিল না। প্রশ্ন হলো চারশ বছর আগে সুইজারল্যান্ড নামে কোনো রাষ্ট্রই ছিল না। ঘড়ি তৈরির মতো আধুনিক প্রযুক্তি তখনও আবিষ্কার হয়নি। তাহলে এই ঘড়ি কোথা থেকে এলো? ধারণা করা হয়, টাইম ট্রাভেল করে ভবিষ্যত থেকে কেউ একজন অতীতে গিয়ে এই ঘড়িটি রেখে এসেছেন।


টাইম ট্রাভেলার মমি: মঙ্গোলিয়ার আলতাই পাহাড়ের এক গুহা থেকে ১৫০০ বছরের পুরাতন মমি উদ্ধার করা হয়েছে। মমিটি সাধারণ কোনো মমি নয়। কারণ মমির পায়ে উন্নতমানের একজোড়া জুতা ছিল। জুতাগুলোর মধ্যে তিনটি সাদা স্ট্রাইপ ছিল; দেখতে একেবারে অ্যাডিডাস ব্র্যান্ডের জুতার মতো! এখন প্রশ্ন হলো, ১৫০০ বছর আগে যখন মানুষ জুতার ব্যবহারই শুরু করেনি তখন এই জুতা কোত্থেকে মমির পায়ে এলো? গবেষকদের ধারণা, টাইম ট্রাভেলের ফলেই এরকম সম্ভব হয়েছে। অর্থাৎ ভবিষ্যত থেকে দুর্ভাগা এই মানুষটি অতীতে গিয়ে আর ফিরে আসতে পারেননি।


ফিলাডেলফিয়া এক্সপেরিমেন্ট: ফিলোডেলফিয়া সমুদ্র উপকূলে ইউএস নেভি ২৮ অক্টোবর, ১৯৪৩ সালে ‘ফিলাডেলফিয়া এক্সপেরিমেন্ট’ নামে একটি বিশেষ পরীক্ষা শুরু করে। এর উদ্দেশ্য ছিল শত্রুর রাডারের চোখ6 ফাঁকি দিয়ে জাহাজ নিরাপদে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া এবং আগাম বার্তা না দিয়েই শত্রু শিবিরে আক্রমণ করা। কিন্তু পরীক্ষা চলাকালীন ইউএস নেভির যুদ্ধজাহাজ ইউএস এল্ড্রিজ আচমকা গায়েব হয়ে যায়। অদ্ভুত ব্যাপার, জাহাজটিকে একই সময় ভার্জিনিয়ার নরফল এলাকায় দেখা যায়। এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য ভিন্ন হলেও অজানা কারণে জাহাজটি টাইম ট্রাভেল করে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, ভার্জিনিয়ায় জাহাজটি দৃশ্যমান হওয়ার পর দেখা যায় যারা নাবিক ছিলেন তাদের ছিন্নভিন্ন দেহ জাহাজের বিভিন্ন অংশে আটকে আছে। নাবিকদের অনেকেই আবার চিরতরে গায়েব হয়ে গিয়েছিলেন। আজ পর্যন্ত মানুষগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়নি।


ফ্লাইট ইন টু দ্য ফিউচার: ঘটনাটি ১৯৩৫ সালের, যখন এয়ার মার্শাল স্যার ভিক্টর গর্ডারড বিমান নিয়ে হকার হার্টে একটি এক্সপেরিমেন্ট করছিলেন। স্কটল্যান্ড থেকে দেশে ফেরার সময় তিনি নিয়মিত রুট ছেড়ে অন্য একটি রুট ধরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। রুটটি এডেনবার্গ শহরের কাছাকাছি একটি পরিত্যক্ত এয়ারবেজের উপর দিয়ে গিয়েছিল। এডেনবার্গ শহরের কাছাকাছি আসার পর হঠাৎ করেই বিমানের ইঞ্জিন কাজ করা বন্ধ করে দেয় এবং ক্রমাগত নিচের দিকে নামতে থাকে। তারপর তিনি কোনোমতে বিমানটিকে ওই পরিত্যক্ত এয়ারবেজে ল্যান্ড করান। ল্যান্ড করার পর তার চোখ কপালে ওঠে!


কারণ এয়ারবেজটি সম্পূর্ণ চালু অবস্থায় ছিল তখন। সেখানে তিনি অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তির চারটি বিমানও দেখতে পান। বিমানগুলো হলুদ রঙের। দীর্ঘ কয়েক বছর পর তিনি ওই এয়ারবেজে পুনরায় গিয়েছিলেন এবং তখনও বিমানগুলো ছিল। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, বিমানগুলো তিনি যখন প্রথমবার দেখেন তার বেশ কয়েক বছর পরে বিমানগুলো তৈরি করা হয়েছিল। সুতরাং, স্যার ভিক্টরের সঙ্গে ঘটা এই ঘটনার ব্যাখ্যা টাইম ট্রাভেল ছাড়া আর কী হতে পারে?


চার্লি চ্যাপলিনের মুভির টাইম ট্রাভেলার: ১৯২৮ সালে চার্লি চ্যাপলিনের মুভির প্রচারণার সময় ধারণকৃত একটি ফুটেজ বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলে দেয়। ফুটেজটিতে আধুনিক পোশাক পরা একজন মহিলাকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়। শুরুর দিকে বিষয়টি সবার নজর এড়িয়ে যায়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সবাই যখন বিষয়টি বুঝতে পারেন তখন তুলকালাম শুরু হয়ে যায়। কারণ তখনও মোবাইল ফোন আবিষ্কারই হয়নি। ভিডিওটি রেকর্ড করেছিলেন জর্জ ক্লার্ক। তিনি এই ভিডিও অনেককেই দেখিয়েছেন, এমনকি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন পর্যন্ত দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কেউই ওই ভদ্রমহিলাকে চিনতে পারেননি। ধারণা করা হয়, টাইম ট্রাভেল করেই ভবিষ্যত থেকে ১৯২৮ সালে এসেছিলেন ওই ভদ্রমহিলা।

তিনিই ছিলেন প্রথম বাঙালি কোটিপতি যাঁর জাহাজ সাত সমুদ্র পেরিয়ে প্রথম পৌঁছেছিল আমেরিকায়

 তিনিই ছিলেন প্রথম বাঙালি কোটিপতি যাঁর জাহাজ সাত সমুদ্র পেরিয়ে প্রথম পৌঁছেছিল আমেরিকায়। আমেরিকার ব্যবসাতেও বিনিয়োগের কারণে সেই আমলে বঙ্গোপসাগরের বুকে চলা প্রতিটি আমেরিকান জাহাজের তরফ থেকে ব্যবসার লভ্যাংশ অর্জন করতেন রামদুলাল..💫🌷


সত্যি বলতে যে কাজে হাত দিতেন তাতেই সোনা ফলত৷ নিজের বাড়ির পুজোয় পশুবলি বন্ধ করার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন তিনি।  আজও উত্তর কলকাতায় তার নামে রয়েছে এক প্রশস্ত পথ। তিনি রামদুলাল সরকার। অষ্টাদশ শতকের নবজাগ্রত বাংলার অন্যতম বাঙালি উদ্যোক্তা। হিন্দু কলেজের প্রতিষ্ঠায় অকাতরে অর্থসাহায্য করেন।


 পারিবারিক পদবী ছিল দে, উপাধি সরকার। শৈশবে দারিদ্র্য ছিল নিত্যসঙ্গী, সঙ্গে ভাগ্য বিরূপ। কৈশোরে পা দেওয়ার আগেই পিতৃমাতৃহীন রামদুলালকে কলকাতায় নিয়ে আসেন মামাতো দাদু রামসুন্দর বিশ্বাস। দারিদ্র্য ছিল তাঁরও নিত্যসঙ্গী। রামসুন্দর এর স্ত্রী হাটখোলার দত্তবাড়িতে রাঁধুনির কাজ করতেন। তারই সূত্রে মদনমোহন দত্তের কাছেই প্রতিপালিত হন রামদুলাল। লেখাপড়াও শেখেন তাঁর বদান্যতায়। হয়ে ওঠেন দক্ষ লিপিকর। এরপর পাঁচ টাকা বেতনের বিনিময়ে মদনমোহন দত্তের কাছারিতে হিসাবরক্ষক পদে নিযুক্ত হন। 

© এক যে ছিলো নেতা 

সেই সামান্য বেতনের টাকা জমিয়ে দাদুকে সাহায্য করতেন। তাঁর দক্ষতা ও অধ্যবসায়ে ধীরে ধীরে উন্নীত হন মুহুরী পদে। কিছুদিনের মধ্যেই মদনমোহন দত্ত তাঁকে চোদ্দো হাজার টাকা দিয়ে ‘তুলোহ্‌ অ্যাণ্ড কোং’ কোম্পানিতে একটি নিলামে পাঠান কিছু কিনে আনার জন্য। কিন্তু পথিমধ্যে দেরি হয়ে যাওয়ায় সঠিক সময়ে নিলামে উপস্থিত হতে পারেননি তিনি। মনমরা হয়ে ঘুরতে ঘুরতে গঙ্গার মোহনায় তিনি লক্ষ করেন একটি পণ্যবাহী জাহাজ ঘাটের কাছেই নিলাম হচ্ছে। সেই নিলামে যোগ দিয়ে একলক্ষ চোদ্দো হাজার টাকায় সেই জাহাজ তিনি বিক্রি করে দেন এক ইংরেজ সাহেবকে। ফিরে গিয়ে সম্পূর্ণ টাকাটাই মদনমোহনকে ফেরত দিয়ে দেন রামদুলাল। তাঁর এই সততা ও বুদ্ধিমত্তা দেখে  মদনমোহন পুরো এক লক্ষ টাকাই রামদুলালের হাতে দিয়ে নিজস্ব ব্যবসা চালু করার পরামর্শ দেন। 


স্বাধীন ব্যবসার দুনিয়ায় পদার্পণ করে রামদুলাল প্রথম ক্যাপ্টেন হ্যানা নামের এক পর্তুগিজ সাহেবের সঙ্গে বাণিজ্য করে লাভবান হন। শোনা যায়, তিনি যে কাজে হাত দিতেন তাতেই ফলত সোনা। তীক্ষ্ণ ব্যবসায়ী বুদ্ধি, মেধা আর দর কষার দক্ষতার কারণে ক্রমেই ব্যবসার বাজারে তাঁর প্রভাব বাড়ছিল। ইংরেজ বণিকদের বদলে তিনি আমেরিকান বণিকদের সঙ্গেই  ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন করেন। ১৭৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে আমেরিকান বণিকরা বঙ্গোপসাগরের পথে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বাংলায় আগমন শুরু করে।এই সকল আমেরিকান বাণিজ্যতরীর ব্যবসা সম্প্রসারিত করতে সাহায্য করেছিলেন রামদুলাল দে সরকার। আমেরিকার ব্যবসাতেও বিনিয়োগের কারণে বঙ্গোপসাগরের বুকে চলা প্রতিটি আমেরিকান জাহাজের তরফ থেকে ব্যবসার লভ্যাংশ অর্জন করতেন রামদুলাল।

© এক যে ছিলো নেতা

 ১৮০০ সাল পর্যন্ত কলকাতা বন্দরে আসা সকল জাহাজই রামদুলালকে তাদের মুৎসুদ্দি বা স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত করে। ১৮০০ সালে তিনি কলকাতায় নিজস্ব ক্লিয়ারিং ও ফরোয়ার্ডিং এজেন্সিও প্রতিষ্ঠা করেন। কলকাতার বন্দর থেকে মার্কিন মুলুকে রামদুলালের চারটি জাহাজ চলাচল করত। সেই জাহাজগুলির নাম ছিল কমলা, বিমলা, ডেভিড ক্লার্ক আর রামদুলাল। 


 মার্কিন বাণিজ্য সম্প্রসারণে রামদুলালের এই কৃতিত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ মার্কিন বণিকরা শিল্পী স্টুয়ার্ট গিলবার্টকে দিয়ে জর্জ ওয়াশিংটনের প্রথম একটি তৈলচিত্র আঁকিয়ে উপহারস্বরূপ রামদুলালকে পাঠান। বাঙালিদের মধ্যে তিনিই সর্বপ্রথম নিজের জাহাজ নিয়ে পশ্চিম গোলার্ধ বা আমেরিকায় নৌবাণিজ্য পরিচালনা করেছেন এবং তিনিই ছিলেন প্রথম ভারতীয়, যিনি কলকাতায় পাশ্চাত্য পদ্ধতিতে ব্যবসায়িক হিসাব এবং ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করেন। 


কেবল ব্যবসা নয়, বিবিধ সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন রামদুলাল সরকার। হিন্দু কলেজের প্রতিষ্ঠায় অকাতরে অর্থসাহায্য করেন। সুদূর আয়ারল্যাণ্ডে বন্যার্তদের সাহায্যার্থে প্রভূত অর্থ পাঠান। মাদ্রাজে দুর্ভিক্ষের সময়েও তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বেলগাছিয়ায় দুঃস্থদের জন্য একটি অতিথিশালা নির্মাণ করিয়েছিলেন এবং বারাণসীতে তাঁর উদ্যোগেই তেরোটি শিব মন্দির স্থাপন করা হয়। 


 শোনা যায়, বিডন স্ট্রিটের কাছে তাঁর নিজের বাড়ির দুর্গাপুজোয় রামদুলাল বলিপ্রথা বন্ধ করে দেন। তাঁর বসতবাড়ির অতিথিশালায় প্রত্যহ দুঃস্থদের চাল, ডাল, আলু, ঘি, কাঠ ও মাটির হাঁড়ি বিতরণ করা হত।  অষ্টাদশ শতকের বাংলায় তিনি কোটিপতি ছিলেন৷ ১৮২৫ সালে তিয়াত্তর বছর বয়সে রামদুলাল সরকার এর মৃত্যু হয়। পরবর্তীকালে, তাঁর দুই পুত্র আশুতোষ ও প্রমথনাথ তথা ছাতুবাবু ও লাটুবাবুর বিলাসিতা এবং অকর্মন্যতায় রামদুলাল সরকারের ফলাও ব্যবসার অকালমৃত্যু ঘটে..🌸🌿


♦️তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া, সব বাংলায়, ক্যালকাটা দ্য লিভিং সিটি।


কলমে ✒️ শ্রেয়সী সেন


© এক যে ছিলো নেতা 


| #এক_যে_ছিলো_নেতা |


📌 Facebook এর পাশাপাশি আমরা পথচলা শুরু করেছি YouTube এও.. আমাদের কাজ ভালো লাগলে আমাদের channel টি Subscribe করে পাশে থাকবেন.. এই রইলো link 👇 https://appopener.com/yt/19zgtp0em

রেল লাইনে পাথর রাখা হয় কেন?  এর পিছনে বৈজ্ঞানিক কি কারণ রয়েছে...??

 রেল লাইনে পাথর রাখা হয় কেন? 

এর পিছনে বৈজ্ঞানিক কি কারণ রয়েছে...??

================================

আমরা প্রতিদিন চোখের সামনে নানা জিনিস দেখতে পাই। তবু অনেক সময়েই সেগুলি কেন তার উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেন না অনেকেই। কেউ আবার ব্যাপারটি ভাবলেও তলিয়ে দেখার সময় পান না। আজ এমনই একটি সাধারণ জিনিস নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে, যা কিনা সকলের কাছে পরিচিত। রেল লাইনে থাকা পাথর বা খোয়া সকলেই দেখেছে। কিন্তু সেগুলি কেন সেখানে থাকে, তাঁর রহস্য জানা আছে কি?

ট্রেনে তো আমরা কম বেশি সকলেই চড়েছি। ট্রেনে চড়ার সময় বা কখনও ট্রেন লাইন পারাপার করার সময় আমরা অনেকেই ট্রেন লাইনে পাথর দেখেছি। অনেকেই ভেবেছে, কেন রেল লাইনে পাথর থাকে। যদি আপনি সেই কারণ না জানেন, তবে এখানে সেই কারণ বলা হবে। এই পাথরগুলিকে বলা হয় Track Ballast। এগুলি ট্রেন লাইন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

👉ট্র্যাক ব্যালাস্ট আসলে কি?

ট্রেন লাইনের মাঝে থাকা পাথরগুলিকে ট্র্যাক ব্যালাস্ট বলা হয়। এগুলি ট্র্যাক বেড গঠন করে এবং রেল লাইনের চারপাশেও রাখা হয়। সাধারণ ভাবে কিন্তু এগুলিকে ফেলে রাখা হয় না। এগুলি রেলপথকে সোজা এবং সঠিকভাবে ধরে রাখতে সাহায্য করে। রেল লাইনে থাকা স্ল্যাবগুলিকেও এগুলি ধরে রাখে। এই স্ল্য়াবগুলি আগে কাঠের তৈরি করা হত, এখন এগুলি কংক্রিট সিমেন্ট দিয়ে তৈরি করা হয়।

👉কেন শুধুমাত্র এই পাথর ব্যবহার করা হয়?

রেলের লাইন ঠিক রাখতে কেন শুধুমাত্র Track Ballast রাখা হয়, তাঁর নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে। লক্ষ্য রাখার মতো বিষয় হল এই পাথরগুলি হয় অমসৃণ। যদি মসৃণ, গোলাকার নুড়ি দিয়ে লাইন ভরাট করা হয়, তবে এগুলি ট্রেন যাওয়ার সময় গড়িয়ে যেতে পারে বা স্লাইড করতে পারে। ফলে সেটি রেল লাইনকে সঠিক রাখতে পারবে না।

👉এই পাথর আর অন্য কোন কাজে লাগে?

রেললাইন ঠিক রাখার পাশাপাশি, ভারী ট্রেন চলাচলে সাহায্য করা ছাড়াও এই ট্র্যাক ব্যালাস্ট নামে পাথরের একাধিক কাজ রয়েছে। যেমন, ট্র্যাক ব্যালাস্টগুলি রেল লাইনের উপর আগাছা বা গাছপালা জন্মাতে দেয় না। এরফলে মাটি দুর্বল হতে পারে না। এছাড়াও ট্র্যাক ব্যালাস্ট মাটিতে জল প্রবেশ করতে দেয় না, ফলে মাটি নরম হতে পারে না। ট্র্যাকের নীচে কিছুটা ফাঁকাও থাকে, যাতে বৃষ্টির জল বেরিয়ে যেতে পারে।

👉রেলের কম্পন থামাতে রয়েছে কৌশল

এছাড়াও রেল একাধিক কৌশল অবলম্বন করে। ট্রেন যাওয়ার সময় জোরে শব্দ হয়। যা আসলে আশেপাশের বিল্ডিংয়ের জন্য বিপদের কারণ। রেল EPDM বা ইথিলিন প্রোপিলিন ডায়েন মনোমার রাবার সমন্বিত কম্পন কমাতে একটি ক্ল্যাম্পিং কৌশল ব্যবহার করে যা তাপ, জল এবং অন্যান্য যান্ত্রিক স্ট্রেনের জন্য প্রতিরোধী হিসেবে কাজ করে। এটি শব্দ এবং কাঁপুনি কমাতে সাহায্য করে।

তথ্য সংগৃহীত গুগল থেকে

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

ভাগ্যিস বিজ্ঞান এসব আবিষ্কার করেছিল; নইলে জানাই যেত না যে কোরানে আগেভাগেই এতকিছু বলা আছে!!!

 ভাগ্যিস বিজ্ঞান এসব আবিষ্কার করেছিল; নইলে জানাই যেত না যে কোরানে আগেভাগেই এতকিছু বলা আছে!!!

১ – বিজ্ঞান কিছুদিন আগে জেনেছে চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। সূরা ফুরক্বানের ৬১ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

২ – বিজ্ঞান মাত্র দুশো বছর আগে জেনেছে

চন্দ্র এবং সূর্য কক্ষ পথে ভেসে চলে... সূরা

আম্বিয়া ৩৩ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

৩ – সূরা কিয়ামাহ’র ৩ ও ৪ নং আয়াতে ১৪০০ বছর আগেই জানানো হয়েছে; মানুষের আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে মানুষকে আলাদা ভাবে সনাক্ত করা সম্ভব। যা আজ প্রমাণিত।

৪ - ‘ বিগ ব্যাং’ থিওরি আবিষ্কার হয় মাত্র

চল্লিশ বছর আগে। সূরা আম্বিয়া ৩০ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

৫ – পানি চক্রের কথা বিজ্ঞান জেনেছে বেশি দিন হয় নি... সূরা যুমার ২১ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

৬ – বিজ্ঞান এই সেদিন জেনেছে লবণাক্ত পানি ও মিষ্ঠি পানি একসাথে মিশ্রিত হয় না। সূরা ফুরকানের ২৫ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

৭ – ইসলাম আমাদেরকে ডান দিকে ফিরে ঘুমাতে উৎসাহিত করেছে; বিজ্ঞান এখন বলছে ডান দিকে ফিরে ঘুমালে হার্ট সব থেকে ভাল থাকে।

৮ – বিজ্ঞান এখন আমাদের জানাচ্ছে পিপীলিকা মৃত দেহ কবর দেয়, এদের বাজার পদ্ধতি আছে। কুরআনের সূরা নামল এর ১৭ ও ১৮ নং আয়াতে এই বিষয়ে ধারণা দেয়।

৯ – ইসলাম মদ পানকে হারাম করেছে , চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে মদ পান লিভারের জন্য ক্ষতিকর।

১০ – ইসলাম শুকরের মাংসকে হারাম করেছে। বিজ্ঞান আজ বলছে শুকরের মাংস লিভার, হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

১১- রক্ত পরিসঞ্চালন এবং দুগ্ধ উৎপাদন এর ব্যাপারে আমাদের চিকিৎসা বিজ্ঞান জেনেছে মাত্র কয়েক বছর আগে। সূরা মুমিনূনের ২১ নং আয়াতে কুরআন এই বিষয়ে বর্ণনা করে গেছে।

১২ - মানুষের জন্ম তত্ব ভ্রুন তত্ব সম্পর্কে

বিজ্ঞান জেনেছে এই কদিন আগে। সূরা আলাকে কুরআন এই বিষয়ে জানিয়ে গেছে ১৪০০ বছর আগে।

১৩ - ভ্রন তত্ব নিয়ে বিজ্ঞান আজ জেনেছে

পুরুষই ( শিশু ছেলে হবে কিনা মেয়ে হবে) তা নির্ধারণ করে। ভাবা জায়... কুরআন এই কথা জানিয়েছে ১৪০০ বছর আগে।

( সূরা নজমের ৪৫, ৪৬ নং আয়াত, সূরা

কিয়ামাহ’র ৩৭- ৩৯ নং আয়াত)

১৪ - একটি শিশু যখন গর্ভে থাকে তখন সে আগে কানে শোনার যোগ্যতা পায় তারপর পায় চোখে দেখার। ভাবা যায়?

১৪০০ বছর আগের এক পৃথিবীতে ভ্রুনের বেড়ে ওঠার স্তর গুলো নিয়ে কুরআন বিস্তর আলোচনা করে। যা আজ প্রমাণিত !

( সূরা সাজদাহ আয়াত নং ৯ , ৭৬ এবং সূরা ইনসান আয়াত নং ২ )

১৫ – পৃথিবী দেখতে কেমন? এক সময় মানুষ মনে করত পৃথিবী লম্বাটে, কেউ ভাবত পৃথিবী চ্যাপ্টা, সমান্তরাল... কোরআন ১৪০০ বছর আগে জানিয়ে

গেছে পৃথিবী দেখতে অনেকটা উট পাখির ডিমের মত গোলাকার।

১৬ – পৃথিবীতে রাত এবং দিন বাড়া এবং কমার রহস্য মানুষ জেনেছে দুশ বছর আগে। সূরা লুকমানের ২৯ নং আয়াতে কুরআন এই কথা জানিয়ে গেছে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে !!

......আমাদের সমস্যা হল আমরা সব কিছুই জানি... যারা নাস্তিক তারাও জানে... পার্থক্য টা হল ' বোধ' যেমন ধরুন একজন নেশাকর জানে যে নেশা করলেই তার জীবন নষ্ট হয়ে যাবে, যে ছেলে বাবা কে খুন

করেছে সে জানে যে এই মানুষটি তাকে জন্ম

দিয়েছে... সব জেনে শুনেই আমরা সব থেকে খারাপ কাজ গুলো করি... ব্যাপারটা অজ্ঞানতার না ব্যাপারটা ' বোধ' এর।

... আপনার এই বোধটা থাকতে হবে

--- সবার কাছে অনুরোধ শেয়ার করতে ভুলবেন না প্লিজ,কারন এটা আপনার পবিত্র দ্বায়িত্ব। আল্লাহ্ বলেন.. ঐ ব্যাক্তির কথার চেয়ে কার কথা উওম যে নিজে সৎকর্ম করে এবং অন্যকে সৎকর্মের জন্য আহবান করে।____ সূরা হা-মিম সিজদাহ্--(৩৩)......। নবী সা.বলেন. আমার পরে সবচেয়ে বড় দানশীল ব্যাক্তি তিনি,যে কোন বিষয়ে জানলো এবং অন্যকে তা জানালো.....( বায়হাকী)

(সংগৃহীত)

কক্সবাজার জেলার এ দর্শনীয় স্থানগুলোর কতটি আপনি দেখেছেন? 

 কক্সবাজার জেলার এ দর্শনীয় স্থানগুলোর কতটি আপনি দেখেছেন? 

০১. দরিয়া নগর বিচ 

০২. কলাতলী সী বিচ 

০৩. লাবনী পয়েন্ট সী বিচ 

০৪. সুগন্ধা বিচ

০৪. ইনানী সী বিচ 

০৫. হিমছড়ি ঝর্ণা ও পাহাড় 

০৬. সেন্ট মার্টিন প্রবাল দ্বীপ 

০৭. সমুদ্র বিলাস, সেন্ট মার্টিন 

০৮. সেন্ট মার্টিন উত্তর বিচ

০৯. ছেড়া দ্বীপ, সেন্ট মার্টিন 

১০. সোনাদিয়া দ্বীপ, মহেশখালী 

১১. শাহ পরীর দ্বীপ, টেকনাফ

১২. রামু রাবার বাগান, 

১৩. রামু বৌদ্ধ মন্দির

১৪. রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড, কক্সবাজার 

১৫. নিভূতে নিসর্গ পার্ক, চকোরিয়া

১৬. ইনানী র‍য়েল রিসোর্ট 

১৭. মাথিনের কূপ, টেকনাফ 

১৮. র‍য়েল টিউলিপ সী পার্ল রিসোর্ট, ইনানী

১৯. মেরিন ড্রাইভ রোড, কক্সবাজার 

২০. মারমেইড বিচ রিসোর্ট, কক্সবাজার 

২১. শামলাপুর সমুদ্র সৈকত, টেকনাফ

২২. ডুলা হাজারা সাফারি পার্ক, চকোরিয়া

২৩. কুতুবদিয়া দ্বীপ, (বাতি ঘর)

২৪. দরিয়া নগর, কক্সবাজার 

২৫. মাহাসিংদোগ্ৰী বৌদ্ধ মন্দির, কক্সবাজার 

২৬. মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, কক্সবাজার 

২৭.  পাতাবাড়ী বৌদ্ধ বিহার, কক্সবাজার 

২৮. বড়ঘোপ সমূদ্র সৈকত, কক্সবাজার 

২৯. রাখাইন পাড়া, কক্সবাজার 

৩০. মহেশখালী দ্বীপ / জেটি 

৩১. বার্মিজ মার্কেট, কক্সবাজার 

৩২. মাতামুহুরী নদী

৩৩. নাফ নদী সাইট

৩৪. এক গম্বুজ মসজিদ, কক্সবাজার 

৩৫. কানা রাজার সুড়ঙ্গ, উখিয়া 

৩৬. আদিনাথ মন্দির, মহেশখালী 

৩৭. বরইতলী মৎস্য খামার, কক্সবাজার 

৩৮. রাডার স্টেশন, কক্সবাজার 

৩৯. বীর কামলা দীঘি, টেকনাফ 

৪০. লামারপাড়া বৌদ্ধবিহার, কক্সবাজার 

৪১. লবণ রপ্তানি বাজার, কক্সবাজার 

৪২. কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন, কক্সবাজার

৪৩. শুটকি মহল নাজিরাটেক 

৪৪.চৌপল দন্ডী লবণের প্রকল্প

🏖️ 🏔️


লিস্টটি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

ফেইসবুক থেকে নেওয়া

ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সেদিন বুয়া এসে ঘর পরিষ্কার  করার সময় বিছানায় কাঁথা দেখে খুব অবাক হয়ে বললো, "আপা, এই গরমে আপনে কাঁথা গায়েত দেন!!"


তারপর নিজেই আবার স্বগতোক্তি করলো, " আপনারার তো এসি আছে, এর লাইগ্যা শীত করে। আমরার বাড়িত টিনের চাল, এমুন গরম পরে.." 


তার চেহারায় প্রচণ্ড গরমের বিদ্ধস্ততা প্রকট ভাবে বিদ্যমান। 


হঠাৎ করে কেন যেন আমার অসম্ভব লজ্জা বোধ হল, বুয়ার দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে কোন সদুত্তর  দিতে পারলাম না।  প্রয়োজন হলে এসি ছাড়তে পারি, গরমের রাতেও শীতের আমেজ পাই, আল্লাহ এর কত বড় রহমত এটা!! 


কোন দিন আই পি এস ফেইল করলে, গরমে যেরকম ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা করে আস্ফালন করি, শীতাতপের শীতল হাওয়াতে কি সেই পরিমান কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি!?


নাকি এই বিলাসীতাকে 'অবশ্য পাওনা" হিসেবে ভেবে নিয়েছি?


এখনো মনে পড়ে, যেদিন ঘরে প্রথম আই পি এস লাগানো হয়েছিল, প্রথম বার কারেন্ট যাবার পরেও আমাদের ঘর আলোকিত রয়ে গিয়েছিল। প্রতিবেশীদের অন্ধকার ঘরের মাঝে, নিজ ঘরের আলোয় আম্মু খুব সংকোচ বোধ করছিলেন। এই নতুন পাওয়া সুবিধায় আনন্দিত হবার বদলে বহুদিন দেখেছি মায়ের লজ্জিত, সংকুচিত মুখাবয়ব।  


আশে পাশের সবাইকে ফেলে একা একা আরাম করার সেই লজ্জা থেকে স্বাভাবিক হতে অনেক দিন লেগেছিল। 


আমরা প্রতিনিয়ত কত অজস্র নিয়ামতে যে ডুবে থাকি, তার সঠিক হিসাব নিজেরাও দিতে পারবো না। কি পেলাম না সেই ফিরিস্তি যত সহজে দিতে পারি, কত কিছু না চাইতেই পেয়ে গিয়েছি তা নিয়ে কিন্তু তত সহজে ভাবতে চাই না। 


আর নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাও হয় না। যেমন কল খুললে পানি আসে। এই আপাতদৃষ্টিতে তুচ্ছ বিষয়টি কি বিশাল আশির্বাদ তা কি জানেন? পৃথিবীর অনেক দেশে পানি যেন সোনার মত মূল্যবান। 


বেশ ক'বছর আগে একবার উটের পিঠে চেপে থর মরুভূমিতে যাচ্ছিলাম, আমার উটের মালিক ছিল তের/ চোদ্দ বছরের এক বালক। তার রোদে পোড়া তামাটে চেহারা আজও ভুলি নি। 


শুষ্ক রুক্ষ মরুভূমিতে তাদের বসবাস। তাদের মত মরুভূমির  আরো অনেক গ্রামের বাসিন্দারাই, প্রতিদিনের ব্যবহার্য পানি নিয়ে আসে কয়েক মাইল দূরের নদী থেকে। সকাল হলেই গ্রামের মেয়েরা মাথার উপর অদ্ভুত উপায়ে একাধিক কলসি নিয়ে মাইলের পর মাইল হেঁটে পানি আনতে যায়।


সেদিনের পর থেকে অনেক দিন কলের পানি খুললে আমি কিছুক্ষণের জন্যে হলেও মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতাম। এই সহজলভ্য পানি যে এত মূল্যবান তা এর আগে অনুভব করি নি।


শুধু কলের পানি নয়, ফ্রিজ খুললে খাবার পাওয়া যে একটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয় তা আপনি কখনোই বুঝবেন না, যদি না কখনো খাবারের কষ্ট করে থাকেন। অথবা খাবারের কষ্টে মানুষ কত ত্যাগ, তিতিক্ষা করতে পারে তা না দেখে থাকেন। 


বেশিদূর যেতে হবে না, এরকম মানুষ আশে পাশেই পাবেন। আমার শশুরবাড়িতে নতুন বুয়া রেখেছে কিছুদিন হল। মহিলাটির বার/তের বছরের একটি ছেলে আছে, স্বামী মারা গেছেন। বাচ্চাকে খাওয়াতে পারছেন না দেখে, বুকের ধনকে রেখে এসে অন্যের বাড়িতে কাজ করছেন। 


মা তাকে ফেলে চলে এসেছে, এই অভিমানে বাচ্চাটি দিনের পর দিন মায়ের সাথে কথা বলছে না। এই মায়ের সামনে দিয়ে যখন আমি বাচ্চা কোলে নিয়ে বলতে থাকি, "আমার বাচ্চা খায় না",  সারাদিন পারলে ইউটিউব ঘেঁটে,  রান্না ঘরে গিয়ে বাবুর জন্য এটা সেটা রান্না করি, তখন নিজের আদিখ্যেতায় নিজেই বিরক্ত হই।


এক জন তার কলিজার টুকরার মুখে দুটো ভাত তুলে দেবার জন্য, ঘর বাড়ি ছেড়ে আমাদের ঘর সাজাতে এসেছে... যে খাবার আমার ছেলে হয়তো একবার মুখে তুলে, দ্বিতীয়বার মুখ বাঁকিয়ে ফেলে দেবে, সেই অর্থহীন খাদ্য রান্নার জন্য পেঁয়াজ কুটছে, পুরো ব্যাপারটিই কেমন যেনো হৃদয় বিদারক লাগে।


হায়রে, সন্তানের জন্য খাবার কেনার সামর্থ্যও যে কত বড় প্রাপ্তি, তা কি আমরা জানি? 


মাথার ওপর ছাদ, ভালবাসার মানুষের সান্নিধ্য, এমনকি নিজের সংসারের জন্য খাটতে খাটতে হাঁপিয়ে ওঠার জন্যেও আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত।


নিজের সংসারের জন্যই তো পরিশ্রম করতে হচ্ছে। পরের বাড়িতে যেয়ে তো কাজ করতে হচ্ছে না। তাছাড়া কত মেয়ে একটা সংসার, সন্তান পাবার জন্য দিনের পর দিন দুয়া করে যাচ্ছে, তার খবর কি আমরা রাখি! 


আমাদের অনেকে এই বুড়ো বয়সেও মা বাবার আদর পাচ্ছি। মাঝে মাঝে তাদের কাছে গিয়ে বিশ্রাম নিতে পারছি। কতজনের তো তাও নেই। কিংবা থাকলেও, তাদের কাছে যাওয়া সম্ভব নয়।


আসলে না পাওয়ার হিসেব করতে গেলে, তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে থাকবে। তার চেয়ে কি কি পেয়েছি, তার হিসেব করলে কেমন হয়? সারাজীবিনেও হিসেব শেষ করতে পারবেন না। 


সচেতন বা অবচেতন ভাবে কত নিয়ামতে আমরা আকন্ঠ ডুবে আছি তা আমরা নিজেরাও জানি না। 


জীবন নিয়ে কৃতজ্ঞ হলে, লাভ বই ক্ষতি নেই। 


দুনিয়ার পেছনে, নিরন্তর চাহিদার পেছনে ছুটতে ছুটতে, জীবনে যা আছে তা উপভোগ করার আগেই ওপারে পাড়ি জমায় অনেকে। 


তাই মাঝে মাঝে গন্তব্যহীন ইঁদুর দৌড় থেকে একটু থমকে দাঁড়ালে কেমন হয়? 


নাহলে জানবো কি করে, আমার রব আমাকে কত কিছু দিয়েছেন? 


আমরা উনার কোন নিয়ামতকে অস্বChowdhruy


আমাদের আরো পোস্ট পেতে আমাদের পেজে ফলো দিয়ে সাথে থাকুন Be perfect Girls 


লেখা: Hasneen Chowdhruy

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...