এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০২৪

যৌবনাশ্রম খুঁজে দেখো!"

 " বাড়ি ঘর জায়গা জমি সন্তানদের লিখে দিবেন না । আপনার ঘরে আপনি বসবাস করবেন । দরকার হলে ছেলে মেয়েরা  বাড়ি ঘর তৈরি করে 'যৌবনাশ্রমে ' থাকবে "  :


পরিণত বয়সে এসে আমাদের অনেকেরই হয়তো কাজেও লাগতে পারে গল্পটি!!!


"যৌবনাশ্রম খুঁজে দেখো!"


আব্দুর রহমান সাহেব ক'মাস ধরেই কিছু আঁচ করছিলেন। উনি তিন বছর হয় রিটায়ার করেছেন। সরকারী উচ্চপদে ছিলেন। ভাল অঙ্কের পেনশন পান। স্ত্রী গত হয়েছেন বহুদিন আগে।


দুটি ছেলেকে বড় যত্নে মানুষ করেছেন। বাবা এবং মায়ের দুজনের স্নেহ দিয়ে ভালভাবে লেখাপড়া করে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারপর বড় ছেলের বিয়ে দিলেন। একটি নাতি হল। উনার মনে আর আনন্দ ধরে না ।


এরপর ছোট ছেলে নিজের পছন্দের মেয়ে খুঁজে বাবাকে জানালে তিনি সানন্দে সেই মেয়েকে ঘরে নিয়ে এলেন। রিটায়ারের আগেই বড় ছেলের বিয়ে হয়েছিল। তারপর ছোট বৌমা এল।


আব্দুর রহমান সাহেব এখন নাতিকে নিয়ে বেশ সময় কাটান। সংসারের অনেকটা ব্যয় ভার বহন করেন।


একদিন ইজি চেয়ারে বসে সকালে কাগজ পড়ছেন বড় বৌমার গলা পেলেন, আজ বাজার শর্ট আছে.রাতে রান্না হবে না। সে চাকরী করে। বলছে জা কে।


এ বাড়িতে ছেলেদের জন্মের আগে থেকে কাজের মেয়ে জয়নব আছে। সে তাঁর ছেলেদের থেকে বেশ কিছুটা বড়। জয়নব মাতৃহারা দুই ছেলেকে অপার স্নেহে আগলে রেখেছিল।


সে বলল--ভাইজানরা কেউ এনে দেবে।


বড় বৌ বলল--কেন বাবা তো বসে আছেন বাজারটা রোজ করলেই পারেন।


আব্দুর রহমান সাহেবের কানে কথাটা বাজল। বুঝলেন সংসারে তাঁর প্রয়োজন ফুরিয়েছে।


নিজের মনকে বললেন-- মন তুই তৈরী থাক।


এরপর থেকে বৌদের নানা আচরণে তাঁর প্রতি বিরূপতা প্রকাশ পেতে থাকল।


একদিন সকালে বড় ছেলে রাগত গলায় বৌকে বলছে--আমার শার্টটা লণ্ড্রী থেকে আনা হয়নি?


বড় বৌ বললো-- না যাবার সময় হয়নি।


বড় ছেলে -বাবা একটু আনতে পারল না? সারাদিন তো বসেই থাকে।


আব্দুর রহমান সাহেবের কানে গেলে ভাবলেন-- যুগধর্ম!


এরপর একদিন এক ছুটির দিনে সকালে ব্রেকফাস্ট টেবিলে এসে দেখলেন--সবাই আগে ভাগেই উপস্থিত।


জয়নব প্লেটে গরম লুচি, আলু ভাজি আর সন্দেশ পরিবেশন করছে।


বড় ছেলে বলল --বাবা একটা কথা ছিল।


আব্দুর রহমান সাহেব বুঝলেন এরা সকলে কিছু প্ল্যান করেছে। বললেন, বল।


বড় ছেলে বললো, জানো বাবা কাল অফিসের কাজে গাজীপুর গিয়েছিলাম। কাজের ফাঁকে সময় পেয়ে ওখানকার দর্শনীয় জায়গা গুলো দেখতে বেড়িয়েছিলাম। দেখলাম নদীর ধারে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে একটা সুন্দর বৃদ্ধাশ্রম চালু হয়েছে। দেখেই ভাবলাম তুমি ওখানে মনোরম পরিবেশে শেষ জীবনটা থাকতে পারো। আমরা যাব আসব। কিরে ভাই কি বলিস?


ছোট ছেলে বলল, বেশ ভালো হবে।


আব্দুর রহমান সাহেব হেসে বললেন--সব তো শুনলাম। কিন্তু বাবারা তোমরা যেমন আমার জন্য ভাবো, আমিও তোমাদের জন্য ভাবি। তাই আমারও একটা প্রস্তাব আছে তোমাদের জন্য। তোমরাই বরং যুতসই এবং মনোরম পরিবেশের একটা যৌবনাশ্রমের খোঁজ করে নিয়ে সেখানে গিয়ে থাকোনা কেন। বাড়ীটাতো আমারই, পেনশনও পাই ভাল। জয়নব মাকে নিয়ে আমরা বাপ বেটিতে বেশ ভালই থাকব। তোমরাও আসবে যাবে।


এই ভাবে তিনি এক ছক্কায় বাজীমাত করে দিলেন। জয়নবকে বললেন--জয়নব মা, লুচিগুলো ঠাণ্ডা হয়ে গেল। গরম গরম নিয়ে আয় তো।


ছেলেরা আর ছেলেদের বৌয়েরা রীতিমতো হতভম্ব হয়ে গেল, বাকরুদ্ধ হয়ে বসে রইলো.....!!


দিন কাল পালটাচ্ছে। তাই যোগ্য জবাব দেবার জন্য তৈরী থাকা উচিৎ ........


তা নাহলে ভবিষ্যতে বড় বিপদে পড়বেন।

©❤️

অভ্যাস এবং দাম্পত্য ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 এক সাথে একই বিছানায় ঘুমালেই কিন্তু !!

মানুষটার কাছে যাওয়া যায়না। দুজন মানুষ একশো স্কয়ার ফিটের একটা রুমের ভেতর বছরের পর বছর থেকেও মাঝে মাঝে কাছে আসতে পারেনা।


আমি এরকম বেশ কিছু দম্পতিকে চিনি, যারা বহু বছর পরও সংসারের মানে বুঝে উঠতে পারেনি। সংসার করতে করতে একসময় মানুষ ধরে নেয়, একই বালিশে ঘুমানো, একই টেবিলে খাওয়া, একই রুমে ঘুরাঘুরি করা আর মাঝে মাঝে সঙ্গমে অংশগ্রহন করাটাই সংসার।


ব্যপারটা কি আসলে তাই? তাহলে, কিছু সংসার কখনো কখনো টিকে না কেন? তারাও তো একই বিছানায় ঘুমায়, একই টেবিলে খাবার খায়, একজন অন্যজনকে সঙ্গমে কো-অপারেট করে। তবুও, সংসারগুলো ভাঙে কেন?


তুমি একটা মানুষের সাথে আছো, পাশে আছো, চোখের সামনে আছো। তবুও মাঝখানে একটা দূরত্ব থাকে, এই দূরত্বটা অন্যরকম। বলা যায় না, বুঝানো যায় না, সহ্যও করা যায় না। কারো বুকের উপর শুয়েও মাঝে মাঝে নিজেকে একা লাগে। দাম্পত্য জীবনে আমি আসলে কি চাই?


সবই চাই, যা যা সবাই করে। আমি সেটাও চাই, যেটা অনেকেই করে না। সংসার মানে আসলে অভ্যাস, এই কনসেপ্টটা থেকে আমরা কেন জানি বের হতে পারি না। অভ্যাস অবশ্যই, তবুও সবই কি অভ্যাস?

নতুন কিছুই কি থাকে না? আমরা একই ছাদের নিচে থাকি, অথচ কখনো একসাথে আকাশ দেখি না।


কখনো সমুদ্র পাড়ে বসে কফির মগ হাতে নিয়ে নির্ভরশীলতার কাঁধে মাথা রাখি না। আমরা কখনো জিজ্ঞেস করিনা " তুমি কেমন আছো? তোমার মন খারাপ কেন? আমরা হাত ধরে বসে থাকি না। আমরা সঙ্গম ছাড়া একজন অন্যজনকে জড়িয়ে ধরি না।


আমরা বুঝি না, আমার সমস্ত সময় তার সাথে কাটানোর পরও তাকে সময় দেওয়া প্রয়োজন। আমরা শরীরের দিক থেকে কাছে আসি রোজ রোজ। অথচ, আমাদের মনের দূরত্ব বেড়ে চলে। রান্না করার জন্য বুয়া রাখলেও হয়, সঙ্গমের জন্য পতিতাই এনাফ। তবুও সংসার কেন করা লাগে?


সংসারের ডেফিনেশনটা শুধু নিঃশ্বাসের আদ্রতা অনুভব করার মাঝেই সীমাবদ্ধ না, এর বাইরেও অনেক কিছু থাকে। আমি একা, তুমি একা, আমরা একা; প্রচন্ড রকমের একা। একই বিছানায় নগ্ন শরীরের উপরও একা, সঙ্গম শেষেও আমরা একা।


অথচ, দিনশেষে আমার একটা আশ্রয় প্রয়োজন হয়। একজন মানুষ প্রয়োজন হয়, একটা ব্যক্তিগত নির্ভরশীলতার জায়গা প্রয়োজন হয়। সমঝোতা প্রয়োজন হয়, কারো কন্ঠস্বরে আমার জন্য একটু গভীর ভালোবাসা প্রয়োজন হয়। একটা পবিত্র স্পর্শ প্রয়োজন হয়।


এই স্পর্শটা কামনার স্পর্শ নয়, এটা একটা ভালোবাসার স্পর্শ। কাম ছাড়া ভালোবাসা পূর্নতা পায়না এটা ঠিক, তবে কাম ও যে সবসময় ভালোবাসার জন্ম দিতে পারে না, এটাও ঠিক। সংসারকে অভ্যাস বলে চালিয়ে দেওয়া মানুষরা আসলে ভালোবাসার দায়বদ্ধতাকে এড়িয়ে যেতে চায়।


যে দাম্পত্যে প্রেম থাকে না, সেখানে অভিনয় করে বাঁচতে হয়। এরকম অনেক দম্পতিই আছে, যারা শুধু অভিনয় করেই একটা জীবন একটা অপছন্দের মানুষের সাথে একই ছাদের নিচে কাটিয়ে দেয়। সারাদিন কাজ করে ঘরে ফিরে স্ত্রীকে সময় দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করা স্বামীও নিয়ম করে সঙ্গমটা ঠিকঠাক করে।


ব্যস্ততা আসলে একটা অজুহাত, অত'টা ব্যস্ত আসলে মানুষ থাকে না। চাইলেই একটু সময় বের করা যায়। কি জানি, আমরা হয়তো চাই ই না। প্রাক্তন প্রেমিক প্রেমিকার জন্মদিন আমাদের মনে থাকে। অথচ, নিজের স্ত্রীর জন্মদিনটা মাঝে মাঝে ভুলে যাই। সংসারের গুরুত্বটা যেন তেমন কিছুই না।


যার সাথে সারা জীবন কাটাতে হবে, যার জন্য সারাদিন পরিশ্রম করি। যাকে ভালো রাখার চেষ্টা করি,

মাঝে মাঝে বুঝিই না, সে ভালো নেই। দাম্পত্য জীবনে কলহ থাকবেই। এটাকে ইন্সটেন্ট সমাধান করার ক্ষমতা সবার থাকে না। ঝগড়া হওয়ার পর কান্না কাটি না করে, মানুষটাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে বসে থাকলে কেমন হয়।


মানুষ কি এতটাই নি'ষ্ঠুর, যে ভালোবাসাকে অবহেলা করতে পারে। সংসার শুধু একটা অভ্যাস, এটা থেকে বের হতে হবে। সংসার একটা স্বর্গ, এখানে শুধু যো'নী, লি'ঙ্গ, দুবেলা খাবার আর একই বিছানায় ঘুমানোর বাইরেও প্রেম, ভালোবাসা, নির্ভরশীলতা, গুরুত্ব, প্রায়োরিটি, শ্রদ্ধাবোধ, এডজাস্টমেন্ট সব প্রয়োজন হয়, সব মানে সব।


দাম্পত্য জীবন সুন্দর তখনি হয়, যখন আমরা অভ্যাস থেকে বের হতে পারি। মানুষটা একটা অস্তিত্ব হোক! অধিকার হোক, বেঁচে থাকার ডেফিনেশন হোক। একটা এডিকশন হোক, আমাদের সংসার হোক আমাদের নে'শাগ্রস্থ থাকার অ্যালকোহল। আমাদের মাঝে ভালোবাসার মাদকতা থাকাটা জরুরী, ভীষন জরুরী !!


অভ্যাস এবং দাম্পত্য

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

সোমবার, ৬ মে, ২০২৪

দুই বিঘা জমি,,,,

 শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভুঁই   আর সবই গেছে ঋণে।

বাবু বলিলেন, "বুঝেছ উপেন,   এ জমি লইব কিনে।'

কহিলাম আমি, "তুমি ভূস্বামী,   ভূমির অন্ত নাই।

চেয়ে দেখো মোর আছে বড়ো-জোর   মরিবার মতো ঠাঁই।'

শুনি রাজা কহে, "বাপু, জানো তো হে, করেছি বাগানখান

পেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দিঘে   সমান হইবে টানা--

ওটা দিতে হবে।' কহিলাম তবে   বক্ষে জুড়িয়া পাণি

সজল চক্ষে, "করুণ বক্ষে   গরিবের ভিটেখানি।

সপ্ত পুরুষ যেথায় মানুষ   সে মাটি সোনার বাড়া,

দৈন্যের দায়ে বেচিব সে মায়ে   এমনি লক্ষ্মীছাড়া!'

আঁখি করি লাল রাজা ক্ষণকাল   রহিল মৌনভাবে,

কহিলেন শেষে ক্রূর হাসি হেসে,  "আচ্ছা, সে দেখা যাবে।'

পরে মাস দেড়ে ভিটে মাটি ছেড়ে   বাহির হইনু পথে--

করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি   মিথ্যা দেনার খতে।

এ জগতে, হায়, সেই বেশি চায়   আছে যার ভূরি ভূরি--

রাজার হস্ত করে সমস্ত   কাঙালের ধন চুরি।

মনে ভাবিলাম মোরে ভগবান   রাখিবে না মোহগর্তে,

তাই লিখি দিল বিশ্বনিখিল   দু বিঘার পরিবর্তে।

সন্ন্যাসীবেশে ফিরি দেশে দেশে   হইয়া সাধুর শিষ্য

কত হেরিলাম মনোহর ধাম, কত মনোরম দৃশ্য!

ভূধরে সাগরে বিজনে নগরে   যখন যেখানে ভ্রমি

তবু নিশিদিনে ভুলিতে পারি নে   সেই দুই বিঘা জমি।

হাটে মাঠে বাটে এই মতো কাটে   বছর পনেরো-ষোলো--

একদিন শেষে ফিরিবারে দেশে   বড়ই বাসনা হল।

নমোনমো নম সুন্দরী মম   জননী বঙ্গভূমি!

গঙ্গার তীর স্নিগ্ধ সমীর,   জীবন জুড়ালে তুমি।

অবারিত মাঠ, গগনললাট  চুমে তব পদধূলি,

ছায়াসুনিবিড় শান্তির নীড়   ছোটো ছোটো গ্রামগুলি।

পল্লবঘন আম্রকানন   রাখালের খেলাগেহ,

স্তব্ধ অতল দিঘি কালোজল--  নিশীথশীতল স্নেহ।

বুকভরা মধু বঙ্গের বধূ   জল লয়ে যায় ঘরে--

মা বলিতে প্রাণ করে আনচান,   চোখে আসে জল ভরে।

দুই দিন পরে দ্বিতীয় প্রহরে   প্রবেশিনু নিজগ্রামে--

কুমোরের বাড়ি দক্ষিণে ছাড়ি   রথতলা করি বামে,

রাখি হাটখোলা, নন্দীর গোলা, মন্দির করি পাছে

তৃষাতুর শেষে পঁহুছিনু এসে   আমার বাড়ির কাছে।

ধিক্‌ ধিক্‌ ওরে, শতধিক্‌ তোরে,   নিলাজ কুলটা ভূমি!

যখনি যাহার তখনি তাহার,   এই কি জননী তুমি!

সে কি মনে হবে একদিন যবে   ছিলে দরিদ্রমাতা

আঁচল ভরিয়া রাখিতে ধরিয়া   ফল ফুল শাক পাতা!

আজ কোন্‌ রীতে কারে ভুলাইতে   ধরেছ বিলাসবেশ--

পাঁচরঙা পাতা অঞ্চলে গাঁথা, পুষ্পে খচিত কেশ!

আমি তোর লাগি ফিরেছি বিবাগি   গৃহহারা সুখহীন--

তুই হেথা বসি ওরে রাক্ষসী,   হাসিয়া কাটাস দিন!

ধনীর আদরে গরব না ধরে !   এতই হয়েছ ভিন্ন

কোনোখানে লেশ নাহি অবশেষ   সেদিনের কোনো চিহ্ন!

কল্যাণময়ী ছিলে তুমি অয়ি,   ক্ষুধাহরা সুধারাশি!

যত হাসো আজ যত করো সাজ   ছিলে দেবী, হলে দাসী।

বিদীর্ণ হিয়া ফিরিয়া ফিরিয়া   চারি দিকে চেয়ে দেখি--

প্রাচীরের কাছে এখনো যে আছে,   সেই আমগাছ একি!

বসি তার তলে নয়নের জলে   শান্ত হইল ব্যথা,

একে একে মনে উদিল স্মরণে   বালক-কালের কথা।

সেই মনে পড়ে জ্যৈষ্ঠের ঝড়ে  রাত্রে নাহিকো ঘুম,

অতি ভোরে উঠি তাড়াতাড়ি ছুটি   আম কুড়াবার ধুম।

সেই সুমধুর স্তব্ধ দুপুর,   পাঠশালা-পলায়ন--

ভাবিলাম হায় আর কি কোথায়   ফিরে পাব সে জীবন!

সহসা বাতাস ফেলি গেল শ্বাস   শাখা দুলাইয়া গাছে,

দুটি পাকা ফল লভিল ভূতল   আমার কোলের কাছে।

ভাবিলাম মনে বুঝি এতখনে   আমারে চিনিল মাতা,

স্নেহের সে দানে বহু সম্মানে   বারেক ঠেকানু মাথা।

হেনকালে হায় যমদূত-প্রায়  কোথা হতে এল মালী,

ঝুঁটি-বাঁধা উড়ে সপ্তম সুরে   পাড়িতে লাগিল গালি।

কহিলাম তবে, "আমি তো নীরবে   দিয়েছি আমার সব--

দুটি ফল তার করি অধিকার,   এত তারি কলরব!'

চিনিল না মোরে, নিয়ে গেল ধরে  কাঁধে তুলি লাঠিগাছ--

বাবু ছিপ হাতে পারিষদ-সাথে   ধরিতেছিলেন মাছ।

শুনি বিবরণ ক্রোধে তিনি কন,   "মারিয়া করিব খুন!'

বাবু যত বলে পারিষদ-দলে   বলে তার শতগুণ।

আমি কহিলাম, "শুধু দুটি আম  ভিখ মাগি মহাশয়!'

বাবু কহে হেসে, "বেটা সাধুবেশে   পাকা চোর অতিশয়।'

আমি শুনে হাসি আঁখিজলে ভাসি,   এই ছিল মোর ঘটে--

তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ,   আমি আজ চোর বটে!

রবীন্দ্রনাথের রসবোধ ও বাকচাতুর্য

 || রবীন্দ্রনাথের রসবোধ ও বাকচাতুর্য ||


একবার রবীন্দ্রনাথ ও গান্ধীজি একসাথে বসে প্রাতরাশ করছিলেন। গান্ধীজি খাচ্ছিলেন রোজকারের মত পরিজ এবং রবীন্দ্রনাথ গরম লুচি। গান্ধীজি বললেন, "গুরুদেব তুমি জানো না যে তুমি বিষ খাচ্ছ" উত্তরে রবীন্দ্রনাথ বললেন, "বিষই হবে, তবে এর অ্যাকশন খুব ধীরে, কারণ আমি বিগত ষাট বছর যাবৎ এই বিষই খাচ্ছি।"

রবীন্দ্রনাথ একবার এক ভদ্রলোককে বললেন, "আপনাকে আমি দন্ড দেব।" ভদ্রলোক ভীষণ বিব্রত হ'য়ে বললেন, "কেন গুরুদেব ! আমি কী অপরাধ করেছি ?" রবীন্দ্রনাথ বললেন, "গতকাল আপনার লাঠি, মানে দণ্ডটি আমার বাসায় ফেলে গেছেন, এই নিন আপনার দণ্ড।" 

একবার শরৎচন্দ্র একখানা টেলিগ্রাম পাঠালেন রবীন্দ্রনাথকে। সেকালে সাধারণত কোনও গুরুতর সংবাদ হ'লেই টেলিগ্রাম করা হ'ত। কাজেই টেলিগ্রাম এলে সকলেই কিঞ্চিৎ ভীত হতেন। তা, সেই টেলিগ্রাম খুলে দেখা গেল, শরৎবাবু লিখেছেন "গুরুদেব, আমি ভালোই আছি" অর্থাৎ মস্ত এক ঠাট্টা! 

রবীন্দ্রনাথও কি আর যে সে পাত্র ! তিনিও এর উত্তরে বিশাল এক পাথরখন্ড পার্সেল করলেন শরৎচন্দ্রকে, তার সাথে চিরকুটে লিখলেন, "তব কুশল সংবাদ পাইয়া আমার হৃদয় হইতে এই পাষাণভার  নামিয়া গিয়াছে"। 

একবার রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে তাঁর একটি নাটক পাঠ করছেন, শরৎচন্দ্র সেই আসরে উপস্থিত হলেন। একদা জুতো চুরি হবার কারণে তিনি জুতোজোড়া কাগজে মুড়ে বগলদাবা করে আসরে ঢুকতেন। রবীন্দ্রনাথ জানতে পেরে একদিন বলে উঠলেন,"শরৎ তোমার বগলে ওখানি কী ? পাদুকপুরাণ ?" এ নিয়ে বিস্তর হাসাহাসি হয়েছিল। 

একবার দোলপূর্ণিমার দিনে নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল জামার পকেট থেকে আবির বের করে কবিগুরুকে রাঙিয়ে দিলেন। আবিরে রঞ্জিত রবীন্দ্রনাথ বলে উঠলেন,"এতদিন জানতাম দ্বিজেনবাবু গান ও নাটক লিখে সকলের মনোরঞ্জন করে থাকেন, আজ দেখছি দেহরঞ্জনেও তিনি একজন ওস্তাদ"।

মরিসসাহেব ছিলেন শান্তিনিকেতনে ইংরেজি ও ফরাসি ভাষার অধ্যাপক। একদা তিনি তৎকালীন ছাত্র প্রমথনাথ বিশীকে বললেন, "গুরুদেব চিনির ওপর একটি ভারি মিষ্টি গান লিখেছেন। তারপর গাইতে শুরু করলেন, 'আমি চিনি গো চিনি তোমারে'...প্রমথনাথ জিজ্ঞেস করলেন, "চিনির ওপর, এই ব্যাখ্যা আপনি কোথায় পেলেন?" উত্তরে মরিসসাহেব জানালেন, "কেন স্বয়ং গুরুদেবই আমায় বলেছেন একথা"। 

রবীন্দ্রনাথ একদিন বিকেলে ছেলেমেয়েদের নিয়ে নৃত্যনাট্যের রিহার্সাল করাচ্ছেন, একজন এসে বললেন, "গুরুদেব চা খাবেন ?" রবীন্দ্রনাথ বললেন, আমি না-চা'র দলে ( অর্থাৎ নাচের দল, আবার চা না খাবার দল) সেই ব্যক্তি বুঝলেন রবীন্দ্রনাথের রসিকতা, ভাবলেন গুরুদেবকে ইংরেজিতে প্রশ্ন করে জব্দ করবেন। তিনি বললেন, "won't you have tea?" রবীন্দ্রনাথ তেমনই মুচকি হেসে বললেন, "আমি no-tea'র দলে"(নটী)।

সাহিত্যিক 'বনফুল' তথা শ্রী বলাইচাঁদ-এর এক ভাই অধ্যয়নের জন্য শান্তিনিকেতনে পৌঁছে কার কাছে শুনলেন গুরুদেব কানে একটু কম শোনেন। দেখা করতে গেলে রবীন্দ্রনাথ বললেন, "তুমি কি বলাইয়ের ভাই কানাই নাকি?" তখন বনফুলের ভাই চেঁচিয়ে জবাব দিলেন, "আজ্ঞে না, আমি অরবিন্দ"! রবীন্দ্রনাথ তখন হেসে উঠে বললেন, "না কানাই নয়, এ যে দেখছি একেবারে সানাই !" 


জীবনের শেষদিকে রবীন্দ্রনাথ একটু সামনে ঝুঁকে উপুড় হয়ে লিখতেন। তা দেখে এক শুভাকাঙ্ক্ষী বললেন , "গুরুদেব, আপনার নিশ্চয়ই ওভাবে লিখতে কষ্ট হচ্ছে, একখানা চেয়ারে হেলান দিয়ে তো আয়েশ করে লিখতে পারেন"! চুপচাপ কিছুক্ষণ তাকিয়ে রবীন্দ্রনাথ বললেন, "তা তো পারি, তবে কি জানো, উপুড় হ'য়ে না লিখলে কি আর লেখা বেরোয় ? পাত্রের জল ক'মে তলায় এসে ঠেকলে একটু উপুড় তো করতেই হয়"।...


#সংগৃীত

#রমানাথ_নিশি

মহেরা জমিদার বাড়ি।

 ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কের নাটিয়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই জমিদারবাড়ি। টাঙ্গাইলে অবস্থিত বিভিন্ন জমিদার বাড়ির মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলো মহেরা জমিদার বাড়ি।


আজও চকচক করছে এ বাড়ির দেওয়াল। তখনকার কারিগরদের হাতের ছোঁয়া কি অপূর্ব ছিল তা এই জমিদার বাড়ির সৌন্দর্য ও নজরকাড়া কারুকার্য দেখলেই টের পাওয়া যায়। ১৮৯০ সালেরও আগে নির্মিত হয় এই জমিদার বাড়ি।


জানা যায়, স্পেনের করডোভা নগরের আদলে নির্মিত এই জমিদার বাড়ি। কালীচরণ সাহা ও আনন্দ সাহা নামে দুই ভাই ১ হাজার ১৭৪ শতাংশ জমির উপর এই বাড়ি নির্মাণ করেন।


জমিদার বাড়ির সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও সুন্দর ভবনের নাম কালীচরণ লজ। ইংরেজি ইউ অক্ষরের আদলে করা ভবনটি রানিদের জন্য নির্মাণ করা হয়। তাই একে রানি ভবনও বলা হত এককালে।


জমিদার বাড়ির ভেতরে বাগান, শিশুপার্ক, বিভিন্ন আর্টিফিশিয়াল স্থাপনা আছে। এছাড়া পাখ-পাখালি, বাগান, পুকুর, বিল্ডিং সব মিলিয়ে স্বপ্নপুরীর মতো মনে হয় মহেরা জমিদার বাড়ি।


রাজকীয় এই বাড়িতে প্রবেশের আগেই চোখে পরে ‘বিশাখা সাগর’ নামের বিশাল এক দীঘির। জমিদার বাড়ির উল্টো দিকে আছে পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের একাডেমিক ভবন।


মূল ফটকের পরেই দেখা যায় চৌধুরী লজের। পাশাপাশি আছে আরও দুটি লজ। এর পাশেই আছে আকর্ষণীয় এক ভবন। যার নাম আনন্দ লজ। তার পাশে আছে মহারাজ লজ। ভবনগুলো দেখতে প্রায় একই রকম।


দৃষ্টিনন্দন এই জমিদার বাড়ীর রয়েছে এক কলঙ্কিত স্মৃতি। ১৯৭১ সালের ১৪ই মে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে পাকবাহিনী মহেড়া জমিদার বাড়ীতে হামলা করে এবং জমিদার বাড়ীর কূলবধূ যোগমায়া রায় চৌধুরীসহ পাঁচজন গ্রামবাসীকে চৌধুরী লজের মন্দিরের পেছনে একত্রে দাঁড় করিয়ে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। তন্মধ্যে স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক পন্ডিত বিমল কুমার সরকার, মনিন্দ্র কুমার চক্রবর্তী, অতুল চন্দ্র সাহা এবং নোয়াই বণিক ছিলেন। ইতিহাস কলঙ্কিত সেই রক্তের দাগ এখনো লেগে আছে মহেড়া জমিদার বাড়ীতে। যে দেশের জন্য, যে দেশের মানুষের জন্য মহেড়া জমিদার পরিবার নিজেদের শত প্রাচুর্য ভুলে এলাকার উন্নয়নে সর্বক্ষণ ব্যস্ত থাকতেন, সেই এলাকার রাজাকার আল-বদরদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় পাকিস্থানী বাহিনীর এই চরম হত্যযজ্ঞে জমিদার পরিবার শুধু হতাশ হননি, শত বছরের সাজানো জমিদার বাড়ী আর কোটি টাকার সম্পদ ফেলে চরম ঘৃণা আর ক্ষোভ নিয়ে লৌহজং নদীর নৌপথে নৌকা যোগে চলে যান বাংলাদেশ ছেড়ে। অতঃপর স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বায়েজীদ সাহেবের নেতৃত্বে এক প্লাটুন মুক্তিবাহিনী জমিদার বাড়ীতে মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করে।


১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে পরিত্যাক্ত জমিদার বাড়ীটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পুলিশ ট্রেনিং স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এ মহতী কাজটি করেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আব্দুল মান্নান। পুলিশের প্রশিক্ষণকে আধুনিক এবং যুগোপোযোগী করার লক্ষ্যে ১৯৯০ সালে পুলিশ ট্রেনিং স্কুলকে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে উন্নীত করা হয়। আর পুলিশের ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন হওয়ায় ট্রেনিং পরিচালনার জন্য জমিদার বাড়ীটির যথাযথ রক্ষনাবেক্ষণসহ নতুন নতুন স্থাপনা তৈরী করার কারনে পুরানো স্থাপত্য কলার অপরুপ এই জমিদার বাড়ীটির সৌন্দর্য্য শুধু অক্ষত থাকেনি বরং তার কলরব  আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

কাদম্বরীদেবী মারা যাওয়ার পর স্বজনদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ বলেছিলেন, ‘তাঁকে ভালোবাসি’...

 কাদম্বরীদেবী মারা যাওয়ার পর স্বজনদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ বলেছিলেন, ‘তাঁকে ভালোবাসি’...


১৯০৮ সালের মে মাস! এক ঊনষাট বছরের পুরুষ ব্যক্তিগত ডায়েরির পাতায় আনমনে লিখে রাখছেন কিছু শব্দের কোলাজ—


‘আজ আমার জন্মদিন— ৫৯ বৎসরে পদার্পণ করলুম— মেজো বৌঠানের কাছে ধুতি-চাদর-রুমাল ও পাঞ্জাবী পেলাম— মেজদাদা একটা বই দিয়েছেন— বৈকালে কোলদের নাচ হল— পানিবাবু— নরেন ডাক্তার এসেছিলেন—’


জন্মদিনে এইটুকু পাওয়া? এইটুকু মাত্র স্বীকৃতি হয়তো প্রাপ্য ছিল না মানুষটার। ওই ডায়েরির পাতা থেকে জানা যায়, ডায়েরি লেখকের লেখা ‘কিঞ্চিৎ জলযোগ’ নাটকটিও নাকি অভিনয় করা হয়েছিল সেদিন। অনেকেই এইবার অনুমান করে নিয়েছেন, কার কথা বলছি। এই উদাসী শব্দগুলি যিনি লিখেছিলেন, তিনি জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর। জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির অত্যন্ত প্রতিভাবান এক সদস্য। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সারদা সুন্দরী দেবীর ষষ্ঠ সন্তান ছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ। ১৮৪৯ সালের ৪ মে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম হয়। বহুমুখী প্রতিভা নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন তিনি। রূপে, গুণে, উৎসাহে, উদ্দীপনায় সেই আমলের প্রতিভাবান তরুণ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ একদিকে নাটক লিখছেন, অন্যদিকে অনুবাদ করছেন অদ্ভুত ক্ষিপ্রতায়। ‘সরোজিনী’, ‘অলীকবাবু’— এই নাটক দুটি অত্যন্ত সাড়া ফেলেছিল তখনকার নাট্যমহলে। বাংলা নাট্যসাহিত্যে অদ্ভুতনাট্যের ধারা তিনিই নিয়ে এসেছিলেন। তিনি বহুভাষাবিদ ছিলেন। গান লিখেছেন, ছবি এঁকেছেন, জমিদারি পরিচালনা করেছেন, স্বদেশি স্টিমারের প্রচলন করেছেন। ঠাকুরবাড়ির হিন্দুমেলা, স্বদেশী সভা, ভারতী পত্রিকা, তাঁতের কাপড় কল প্রতিষ্ঠা, শিকার ও বন্দুক চালনা শেখানো, সর্বজনীন পোশাকের প্রচলন— সব তাঁর উদ্যোগে সম্ভব হয়েছে। দেবেন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্মসভার সম্পাদকও ছিলেন তিনি। সেতার, পিয়ানো, ভায়োলিন, হারমোনিয়াম বাজাতেন অনায়াসে। বীণাবাদিনী নামে একটি সঙ্গীত বিষয়ক পত্রিকা  প্রকাশ করতেন। তাঁর আঁকা ছবি দেখে রোটেনস্টাইন মুগ্ধ হয়েছিলেন। বর্তমানে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা অনেক ছবি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।লালন ফকিরের একমাত্র ছবিটি তাঁরই আঁকা। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ নীলচাষ করে অর্থ উপার্জন করেছিলেন একসময়। খুলনা ও বরিশালের ভিতর দিয়ে স্টিমার চলার প্রয়োজনে স্টিমারের শেল কিনেছিলেন তিনি। পরে তা ইঞ্জিনের সঙ্গে যুক্ত করে জাহাজ চালু করেন— সরোজিনী নামে। তারপর ফ্লোটিলা নামের ব্রিটিশ কোম্পানির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং ভাগ্যের পরিহাসে এই জাহাজের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিভাবান  এই যুবক নিজের অজান্তে আরো একটি কাজ করে গিয়েছেন। একটি কিশোর ছেলেকে নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে মুগ্ধ ও আবিষ্ট করে গিয়েছেন। সেই কিশোর ছেলেটি একদিন বিশ্বকবি হবেন। জগৎ জোড়া তাঁর নাম! সেদিনের কিশোর রবি তথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনের শেষে পৌঁছেও জ্যোতিদাদার কথা বলবেন বারবার। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ বালককেও শ্রদ্ধা করতে জানতেন। তাই রবীন্দ্রনাথের প্রতিভা বিকশিত হয়েছিল নিজের মতো করে। একটা সময় জ্যোতিরিন্দ্রনাথই ছিলেন রবীন্দ্রনাথের পরম নির্ভরতার জায়গা। একথা কোনোদিন অস্বীকার করেননি রবীন্দ্রনাথ।


জ্যোতিরিন্দ্রনাথের স্ত্রী কাদম্বরী ছিলেন ঠাকুরবাড়ির কর্মচারী শ্যামলালের মেয়ে। সত্যেন্দ্রনাথ ও জ্ঞানদানন্দিনীর তখন অনেক আশা জ্যোতিরিন্দ্রনাথকে নিয়ে। কর্মচারীর মেয়ে  কাদম্বরীকে কোনোদিনই সুনজরে দেখতে পারেননি তাঁরা। নিজেদের অসন্তোষও তাঁরা যথেষ্ট প্রকাশ করেছিলেন। অথচ এই কাদম্বরীকে কেন্দ্র করেই জোড়াসাঁকোর তেতলার ছাদে জন্ম নিল ‘নন্দন কানন’! একসময় জ্যোতিরিন্দ্রনাথের প্রেরণায় কাদম্বরী ঘোড়ায় চড়ে তাঁর সঙ্গে গড়ের মাঠে হাওয়া খেতে যেতেন। কাদম্বরীকে পেয়ে জ্যোতিরিন্দ্রনাথের মন আরও উজ্জীবিত হয়ে উঠেছিল সেই সময়। ঘরোয়া পরিবেশে শুরু হল সাহিত্যচর্চা। কখনও জ্যোতিরিন্দ্রনাথ সস্ত্রীক চলে যেতেন চন্দননগরের গঙ্গাতীরে, মোরান সাহেবের বাগান বাড়িতে। রবীন্দ্রনাথ থাকতেন তাঁর প্রিয় দুটি মানুষের সঙ্গে। খোলা আকাশ, তিনটি উদার শিল্পী মন, তরুণ বয়স, অপার মুগ্ধতা —জ্যোতিরিন্দ্রনাথের জীবন তখন কানায় কানায় পরিপূর্ণ। ‘জীবনস্মৃতি’তে স্মৃতিচারণা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ এই পূর্ণ বিকশিত পদ্মফুলের মতো মুহূর্তগুলির। ঠিক যেন ল রূপকথা! কিন্তু, জীবন বড়ো নিষ্ঠুর। তাই জ্যোতিরিন্দ্রনাথের জীবনটা রূপকথা হতে গিয়েও হল না। কাদম্বরীর একাকিত্ব, জ্যোতিরিন্দ্রনাথের উদাসীনতা, ভাগ্য বিপর্যয়, সন্তানহীনতা, জীবনের ব্যস্ততা— একে একে দুর্ভাগ্যের দূত হয়ে এল জ্যোতিরিন্দ্রনাথের জীবনে।


জ্যোতিরিন্দ্রনাথের মতো অমন নাট্যকার যেন গিরিশ ঘোষকে নিজের আসন ছেড়ে দিলেন। এই প্রসঙ্গে অমৃতলাল বসুকে বলেছিলেন, ‘নাট্যজগতে গিরিশচন্দ্র প্রবেশ করিয়াছেন, আমার নাটক রচনার আর প্রয়োজন নাই।’ ব্যবসায় ভরাডুবি আর স্ত্রীর আত্মহত্যা জ্যোতিরিন্দ্রনাথকে ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছিল। কাদম্বরী যখন মারা যান, জ্যোতিরিন্দ্রনাথের বয়স তখন পঁয়ত্রিশ। অথচ সারাজীবন অন্য কোনো নারী আসেনি তাঁর জীবনে। স্বজনদের প্রশ্নের উত্তরে শুধু বলেছিলেন, ‘তাঁকে ভালোবাসি।’ শুধুই অনুশোচনা? নাকি পথ ভুলে যাওয়া ভালোবাসার স্বীকৃতি? একরকম স্বেচ্ছা নির্বাসনই নিয়েছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ। কাজ পাগল জ্যোতিরিন্দ্রনাথের জীবনের শেষ সময়টা কাটে রাঁচিতে, মোরাদাবাদ পাহাড়ে, শান্তিধামে। বিলাসী এই মানুষটির গৃহসজ্জা বলতে ছিল একটিমাত্র ছবি— নিজের হাতে আঁকা কাদম্বরী দেবীর পেনসিল স্কেচ। এই নির্বান্ধব পুরীতে জীবনের প্রিয় মানুষের ছবি বলে দেয় অনেক না বলা কথা। জ্যোতিরিন্দ্রনাথের বেদনার ইতিহাস বড়ো কম নয়! প্রিয় রবীন্দ্রনাথের চোখে তিনি ছিলেন আদর্শস্থানীয়। অথচ কাদম্বরীর মৃত্যু রবীন্দ্রনাথের মনে এই আদর্শের উচ্চতা থেকে তাঁকে যে নামিয়ে দিয়েছিল— একথা বুঝতেন তিনি। এই বেদনা বুকে নিয়েই তাঁর স্বেচ্ছা নির্বাসন। কবি বিহারীলাল চক্রবর্তী কাদম্বরীর মৃত্যুর পর ‘সাধের আসন’ কাব্যে জ্যোতিরিন্দ্রনাথকে রীতিমত আক্রমণ করেছিলেন কবিতার ভাষায়। রবীন্দ্রনাথও কি দায়ী করেননি তাঁকে? আর তিনি নিজে? হয়তো জীবনের এই পরিহাস তাঁর জন্য বরাদ্দ ছিল। জীবন তাঁকে যা যা দিয়েছে, সব কেড়ে নিয়েছে এক এক করে। সত্যেন্দ্রনাথ, জ্ঞানদানন্দিনীর পরিবারের অংশ হয়ে, নিজের হঠাৎ থেমে যাওয়া জীবনের গতি ছাড়াও নিজের  প্রকাশহীন শিল্পচর্চার গল্পই জ্যোতিরিন্দ্রনাথের জীবনের ট্র্যাজেডি।


১৯০৮ সালে লেখা জোতিরিন্দ্রনাথের ডায়েরি, বসন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়ের লেখা জ্যোতিরিন্দ্রনাথের জীবনী থেকে তাঁর জীবনের ঘটনা জানা যায়। কিন্তু তাঁর ব্যথার কাহিনি কেউ লেখেনি। সত্যেন্দ্রনাথের পৌত্র সুবীরেন্দ্রনাথের প্রতি জীবনের শেষবেলাকার সবটুকু স্নেহ উজাড় করে দিয়েছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ। হয়তো ঠাকুরবাড়ির এই বালকটিকে ফেলে আসা জীবনের অপূর্ণ ভালোবাসা দিয়ে স্বস্তি পেতে চেয়েছিলেন তিনি। ঠাকুরবাড়ির এই প্রতিভা পূর্ণ সিদ্ধি পেল না এক জীবনে। এক সময়ের উজ্জ্বল বহ্নিশিখার দীপ নিভে যাওয়ার গল্পটি সত্যি বড়ো বেদনার। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ যেন এক অভিশপ্ত গন্ধর্ব। ১৯২৫ সালের ৪ মার্চ তাঁর শাপমুক্তি ঘটেছিল। 


সহায়ক গ্রন্থ :-


১. ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল, চিত্রা দেব।

২. ঠাকুরবাড়ির বাহিরমহল, চিত্রা দেব।

৩. কবিমানসী, প্রথম খণ্ড, জগদীশ ভট্টাচার্য।

৪. রবীন্দ্রনাথ ও রবীন্দ্রনাথ, পূর্ণানন্দ চট্টোপাধ্যায়।


(লেখা:- মহুয়া দাশগুপ্ত)

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

গাছ লাগাবেন না বাঁশ লাগাবেন!

 গাছ লাগাবেন না বাঁশ লাগাবেন!

ফেসবুকে গাছ লাগানোর পোস্টের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, আর তাই এই জোয়ারে আসন্ন বর্ষায় বিভিন্ন গাছের সাথে একটা বাঁশ বাগান বা বাশঁঝাড় করলে কেমন হয়?

আগে অবশ্য প্রতিটি বাড়ির সাথেই একটা পুকুর থাকতো সেই পুকুরের একপাশে বসতবাড়ি অন্য পাশে বাশঁঝাড় কিন্তু এখন সারা গ্রাম খুঁজেও একটা বাঁশঝাড়  পাওয়া যায় না।


আসুন বাঁশ সম্পর্কে কিছু দরকারী তথ্য জেনে নেইঃ


 ১. দ্রুত বৃদ্ধি: বাঁশ বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল উদ্ভিদ।  এটি 24 ঘন্টায় 47.6 ইঞ্চি বৃদ্ধিতে রেকর্ড করা হয়েছে। কিছু প্রজাতি অনুকূল পরিস্থিতিতে প্রতিদিন এক মিটারেরও বেশি বৃদ্ধি হতেপারে। একটি নতুন বাঁশের অঙ্কুর এক বছরেরও কম সময়ে তার পূর্ণ উচ্চতায় পৌঁছে।


 ২. অক্সিজেন রিলিজ: বাঁশের একটি গ্রোভ অন্য যে কোনো গাছের তুলনায় 35% বেশি অক্সিজেন নির্গত করে।


 ৩. কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ: বাঁশ প্রতি বছর হেক্টর প্রতি 17 টন হারে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে।  এটি একটি মূল্যবান কার্বন সিঙ্ক হিসাবে কাজ করতে পারে।


 ৪. সারের প্রয়োজন নেই: বাঁশের বৃদ্ধির জন্য সারের প্রয়োজন হয় না।  এটি তার পাতা ফেলে দিয়ে স্ব-মালচিং করতে পারে এবং বৃদ্ধির জন্য পুষ্টি ব্যবহার করতে পারে।


৫.  প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনার: গ্রীষ্মে বাঁশ তার চারপাশের বাতাসকে 8 ডিগ্রি পর্যন্ত ঠান্ডা করে।


 ৬. খরা প্রতিরোধ: বাঁশ খরা-সহনশীল উদ্ভিদ।  তারা মরুভূমিতে বেড়ে উঠতে পারে।


 ৭. কাঠ প্রতিস্থাপন: বেশিরভাগ নরম কাঠের গাছের 20-30 বছরের তুলনায় বাঁশ 2-3 বছরে কাটা যায়।


 ৮. নির্মাণ সামগ্রী: বাঁশ অবিশ্বাস্যভাবে শক্তিশালী এবং বলিষ্ঠ। এটি কংক্রিটের ভারা, সেতু এবং ঘরবাড়ির কাঠামো  হিসাবে ব্যবহৃত হয়।


 ৯. মাটির স্থিতিশীলতা: বাঁশের ভূগর্ভস্থ শিকড় এবং রাইজোমের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে যা মাটির ক্ষয় রোধ করে।


 ১০. আক্রমণাত্মকতা: কিছু প্রজাতির বাঁশ তাদের বিস্তৃত রুট সিস্টেমের কারণে আক্রমণাত্মক হতে পারে, যা তাদের দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে দেয়। ফলে অন্যান্য উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত ঘটায়।


যাই হোক পৃথিবীতে সুদিন আসবেই...!


আর আমরা অন্যের বাগানের বাশঁ না দিয়ে, নিজের বাগানটাই দেই না কেন....!

ভাল লাগার ১০০ টি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র

 [ভাল লাগার ১০০ টি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ]

 ( রিলিজড ইয়ার / ডিরেক্টর / রেটিং পার্সোনাল ) 

♥শেয়ার করে টাইম লাইনে রেখে দিতে পারেন♥

 

১. বৃহন্নলা (২০১৪, মুরাদ পারভেজ, ৮/১০)

২. সুতপার ঠিকানা (২০১৫, প্রসূন রহমান ৮/১০) 

৩. বাপজানের বায়োস্কোপ (২০১৫, রিয়াজুল রিজু, ৮/১০) 

৪. অজ্ঞাতনামা (২০১৬, তৌকির আহমেদ, ৯/১০) 

৫. নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭, হুমায়ুন আহমেদ, ৮/১০) 


৬. ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২, হুমায়ুন আহমেদ ৭/১০)  

৭. দর্পন বিসর্জন, (২০১৬, সুমন ধর ৭/১০) 

৮. মৃত্তিকা মায়া (২০১৩, গাজী রাকায়েত ৮/১০)

৯. ব্যাচেলর (২০০৪, মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী ৮/১০) 

১০. পদ্মা নদীর মাঝি (১৯৯৩, গৌতম ঘোষ, বাংলা-ভারত উভয়ে মুক্তিপ্রাপ্ত, ৮/১০) 


১১. থার্ড পারসন সিংগুলার নাম্বার (২০০৯, মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী, ৮/১০)

১২. টেলিভিশন (২০১৪, মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী, ৯/১০)

১৩. মেইড ইন বাংলাদেশ (২০০৭, মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী, ৮/১০)

১৪. নেকাব্বরের মহাপ্রয়ান (২০১৪, মাসুদ পথিক, ৭/১০) 

১৫. রানওয়ে (২০১০, তারেক মাসুদ, ৮/১০)


১৬. মাটির ময়না (২০০২, তারেক মাসুদ, ৮/১০) 

১৭. আমার বন্ধু রাশেদ (২০১১, মোরশেদুল ইসলাম, ৯/১০)

১৮. দুই দুয়ারি (২০০০, হুমায়ুন আহমেদ ৭/১০) 

১৯. শ্রাবণ মেঘের দিনে (১৯৯৯, হুমায়ুন আহমেদ ৮/১০) 

২০. জালালের গল্প (২০১৫, আবু শাহেদ ইমন, ৮/১০) 


২১. মনের মানুষ (২০১০, গৌতম ঘোষ, বাংলা-ভারত যৌথ প্রযোজনা, ৮/১০) 

২২. চোরাবালি  (২০১২, রেদোয়ান রনি, ৭/১০) 

২৩. কমলা রকেট (২০১৮, নূর ইমরান মিঠু ৮/১০) 

২৪. ফাগুন হাওয়ায় (২০১৯, তৌকির আহমেদ, ৯/১০) 

২৫. স্বপ্নজাল (২০১৮, গিয়াসউদ্দিন সেলিম, ৮/১০) 


২৬. গহীন বালুচর (২০১৮, বদরুল আলম সৌদ, ৮/১০) 

২৭. মনপুরা (২০০৯, গিয়াসউদ্দিন সেলিম, ৯/১০)

২৮. আয়নাবাজি (২০১৬, অমিতাভ রেজা ৮/১০) 

২৯. কাল সকালে (২০০৫,আমজাদ হোসেন ৮/১০)

৩০. অনিল বাগচির একদিন (২০১৫, মোরশেদুল ইসলাম, ৮/১০) 


৩১. আমার আছে জল (২০০৮, হুমায়ুন আহমেদ, ৮/১০) 

৩২. মেঘমল্লার (২০১৫, জাহিদুর রহমান অঞ্জন ৮/১০) 

৩৩. হাজার বছর ধরে ( ২০০৫, সূচন্দা, ৮/১০) 

৩৪. জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০, জহির রায়হান,  ৯/১০)

৩৫. ডুব (২০১৭, মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী, ৭/১০) 


৩৬. আলফা (২০১৯, নাসিরুদ্দিন ইউসুফ, ৮/১০) 

৩৭. পিপড়াবিদ্যা (২০১৩, মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী, ৭/১০) 

৩৮. শঙ্খচিল (২০১৬, গৌতম ঘোষ, বাংলা-ভারত যৌথ প্রযোজনা, ৮/১০) 

৩৯. দীপু নাম্বার টু (১৯৯৬, মোরশেদুল ইসলাম , ৮/১০)

৪০. জিরো ডিগ্রী (২০১৫, অনিমেষ আইচ, ৮/১০) 


৪১. গেরিলা (২০১১, নাসিরুদ্দিন ইউসুফ, ৮/১০) 

৪২. শ্যামল ছায়া (২০০৫, হুমায়ুন আহমেদ, ৮/১০) 

৪৩. হালদা (২০১৭, তৌকির আহমেদ, ৮/১০) 

৪৪. ভুবন মাঝি (২০১৭, ফখরুল আরেফিন খান, ৮/১০) 

৪৫. জয়যাত্রা (২০০৪, তৌকির আহমেদ, ৮/১০) 


৪৬. আগুনের পরশমণি (১৯৯৪, হুমায়ুন আহমেদ, ৮/১০) 

৪৭. ভয়ংকর সুন্দর (২০১৭, অনিমেষ আইচ, ৭/১০) 

৪৮. ওরা এগারোজন (১৯৭২, চাষী নজরুল ইসলাম, ৮/১০) 

৪৯. দারুচিনি দ্বীপ (২০০৭, তৌকির আহমেদ, ৮/১০) 

৫০. নন্দিত নরকে (৯/১০)

৫১. গুনীন (২০২২, গিয়াসউদ্দিন সেলিম, ৮/১০) 

৫২. কাঠবিড়ালি, (২০১৯, নিয়ামুল হাসান মুক্তা, ৮/১০) 

৫৩.মোল্লা বাড়ির বউ (২০০৫ সালাউদ্দিন লাভলু,৯/১০)

৫৪. ন ডরাই (২০১৯, তানিম রহমান অংশু, ৮/১০) 

৫৫. দেবী (২০১৮, আনাম বিশ্বাস, ৭/১০) 


৫৬. সূর্য দীঘল বাড়ি (১০/১০)

৫৭. মুখ ও মুখোশ (৯/১০)

৫৮. মুখোশ (২০২২, ইফতেখার শুভ, ৭/১০) 

৫৯. মেঘলা আকাশ (নার্গিস আখতার,৮/১০)

৬০. হাওয়া (২০২২, মেজবাউর রহমান সুমন, ৮/১০) 


৬১. বিউটি সার্কাস, (২০২২, মাহমুদ দিদার, সাব্বির সোহাগ, ৮/১০)

৬২. দামাল (২০২২, রায়হান রাফি, ৮/১০) 

৬৩. রাত জাগা ফুল (২০২১, মীর সাব্বির, ৮/১০) 

৬৪. শঙ্খনীল কারাগার (১০/১০)

৬৫.খাইরুন সুন্দরী (২০০৪, এ কে সোহেল ৮/১০)


৬৬. পরাণ (২০২২, রায়হান রাফি, ৮/১০) 

৬৭. দ্যা ডিরেক্টর (২০১৯, কামারুজ্জামান কামু, ইউটিউবভিত্তিক, ৭/১০) 

৬৮. রূপকথার গল্প (২০০৬, তৌকির আহমেদ, ৮/১০) 

৬৯. চার সতীনের ঘর (২০০৫,নার্গিস আখতার,৮/১০)

৭০. হলুদবনি, (২০২০, তাহের শিপন, মুকুল রায় চৌধুরী, ৮/১০) 


৭১. নিরন্তর (২০০৬,আবু সাইয়ীদ,৯/১০)

৭২. মেঘমল্লার (২০১৪, জাহিদুর রহমান অঞ্জন, ৭/১০)

৭৩. ইতি তোমারি ঢাকা (২০১৮, ভিন্ন ভিন্ন শর্ট ফিল্মের সমন্বয়ে যৌথ পরিচালনা, ৮/১০) 

৭৪. পোড়ামন ২ ( ২০১৮, রায়হান রাফি, ৭/১০)

৭৫. উনপঞ্চাশ বাতাশ (২০২০, মাসুদ হাসান উজ্জ্বল, ৭/১০)

৭৬.তিতাস একটি নদীর নাম (১০/১০)

৭৭.হাঙ্গর নদী গ্রেনেড (৯/১০)

৭৮.কীর্তন খোলা (৯/১০)

৭৯.চাপাঁ ডাঙ্গার বউ (৯/১০)

৮০.গোলাপি এখন ট্রেনে (১০/১০)

৮১.ভাত দে (১০/১০)

৮২.মরনের পরে (৯/১০)

৮৩.অশনি সংকেত (৯/১০)

৮৪.গঙ্গাযাত্রা (৮/১০)

৮৫.শাস্তি (৯/১০)

৮৬.আনন্দ অশ্রু (৯/১০)

৮৭.মাতৃত্ব (৯/১০)

৮৮.দুই নয়নের আলো (৮/১০)

৮৯.গোলাপি এখন ঢাকায় (৮/১০)

৯০.আম্মাজান (৯/১০)

৯১.সারেং বউ (৯/১০)

৯২.নগর কীর্তন (৯/১০)

৯৩.ঘুড্ডি (৯/১০)

৯৪.উত্তরের সুর  (৯/১০)

৯৫.দুই পয়সার আলতা (৯/১০)

৯৬.চিত্রা নদীর পারে (৯/১০)

৯৭.লালসালু (১০/১০)

৯৮.পোকা মাকড়ের ঘর বসতি (৮/১০)

৯৯.ছুটির ঘন্টা (৯/১০)

১০০.পালাবি কোথায় (১০/১০)


[ কমেন্ট থেকে কিছু :মাটির প্রজার দেশে, দূরত্ব,ঢাকা এটাক,বাঙলা,এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী,জন্ম থেকে জ্বলছি,ডুমুরের ফুল,বসুন্ধরা,অন্য জীবন,আয়না,স্বপ্নডানায়,দুখাই,লালসালু, লালসবুজ, মেঘের কোলে রোদ,টান, বিদ্রোহী পদ্মা, দরিয়া পাড়ের দৌলতি, রক্তাক্ত বাংলা, টাকা আনা পাই, এক মুঠো ভাত, মনের মতো বউ, ভেজা চোখ, ঝিনুক মালা, অশিক্ষিত, মাটির ময়না, মৌচোর, সাহেব, ওরা ১১জন,

নন্দিত নরকে,,মৃধা বনাম মৃধা, কালের পুতুল,স্বপ্নডানায়,আহা,কালো মেঘের ভেলা,ছোঁয়ে দিলে মন,সুরঙ্গ, প্রিয়তমা,সূর্যকন্যা , সীমানা পেরিয়ে,ধীরে বহে মেঘনা,মুজিব একটি জাতীর রুপকার,মেঘের অনেক রং ,এপার ওপার,সুপ্রভাত, মা,বাবা কেন চাকর]


ভুলভ্রান্তির জন্য ক্ষমার প্রার্থী 🙏

আসুন জেনে নিই নদীয়া জেলার সকল হারিয়ে যাওয়া নদীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।

 নদী দিয়ে ঘেরা নয়টি দ্বীপ থেকে নবদ্বীপ বা নওদিয়াহ; আর তার থেকে নদীয়া। প্রাচীন নদীয়ায় কতগুলি নদী থাকলে নয়টি দ্বীপ সৃষ্টি হতে পারে, কখনও ভেবে দেখেছেন? আসুন জেনে নিই নদীয়া জেলার সকল হারিয়ে যাওয়া নদীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।


নদীর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নদীয়া জেলার মানুষের জীবন। জেলার আয়তনের তুলনায় এখানে যত সংখ্যক নদী, খাল, বিল, জলাভূমি দেখা যায়, নিম্নবঙ্গের আর কোনও জেলায় তেমনটা দেখা যায় না। ভাগীরথী, জলঙ্গী এবং চূর্ণী এই তিনটি বড় নদী প্রধানতঃ নদীয়ার নদী নামে খ্যাত। জেলার একদিকে ভাগীরথী নদী, ঠিক মাঝামাঝি বয়ে গেছে জলঙ্গী নদী, আর জেলার প্রান্ত দিয়ে মাথাভাঙা, ইছামতী আর চূর্ণী। ব্রিটিশ আমলে সাহেবরা নদীগুলিকে একসাথে বলতেন ‘নদীয়া রিভার্স’। তবে এগুলি ছাড়াও নদীয়া জেলায় ছিল আরও অসংখ্য ছোট ছোট নদী। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: ভৈরব, পাগলাচন্ডী, কুমার, ভৈরববাঁকী, ছোট গঙ্গা, হাউলিয়া, কলিঙ্গ, চকাই, ছোট চকাই, বুড়ি গঙ্গা, খড়ে, অলকানন্দা, অঞ্জনা, গড়াই, ইন্দুমতী, বাচকো, ছোট জলঙ্গী, গুড়গুড়ি, বেহুলা, সুরধনী, হরিনদী, যমুনা, মরালী, গোমতী, সুবর্ণমতী ইত্যাদি। উক্ত ছোট নদীগুলির অধিকাংশই ছিল প্রধান তিনটি বড় নদীর উপনদী অথবা শাখানদী। বর্তমান সময়ে এই সকল নদীগুলি স্রোতহীন বা মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছে অথবা সম্পূর্ণ শুকিয়ে গিয়ে নদীখাতে পরিণত হয়েছে। এতদ্ব্যতীত নদীয়া জেলায় রয়েছে অসংখ্য খাল ও বিল, যেগুলি অতীতে ভাগীরথী, জলঙ্গী ও মাথাভাঙ্গা নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সৃষ্টি হয়েছিল।


নদীয়াবাসীর সঙ্গে নদীগুলির সম্পর্ক ছিল খুবই ঘনিষ্ঠ। রেলপথ প্রতিষ্ঠার পূর্ব্বে এই সকল নদীই ছিল দেশ-দেশান্তরে যাবার একমাত্র পথ এবং বাণিজ্য পরিচালনার একমাত্র উপায়। প্রশস্ত নদীপথে সুবিশাল নৌকা, জাহাজ ইত্যাদি জলযান অবাধে চলাচল করত। ইংরেজ আমলেও বড় বড় বাণিজ্যিক তরী মালদা, মুর্শিদাবাদ থেকে সূক্ষ্ম রেশমী বস্ত্র, চিনি, চাল এবং শান্তিপুর থেকে বস্ত্র, সুতো, আর সারা নদীয়া জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য নীলকুঠী থেকে নীল সংগ্রহ করে এই সমস্ত নদীগুলি দিয়ে চলাচল করত। সেই সময় নদীয়ার বহু স্থানে নৌকার আড্ডা বা গঞ্জ গড়ে উঠেছিল (নদীপথের গঞ্জগুলিকে আমরা আজকের দিনের রেলপথের জংশন স্টেশনের সঙ্গে তুলনা করতে পারি, দুটির কার্যকারিতা অনেকটা একইরকম)। এরমধ্যে কৃষ্ণগঞ্জ, কালীগঞ্জ, সুখসাগর, নবদ্বীপ, স্বরূপগঞ্জ, গোয়াড়ী, হাঁসখালী, রানাঘাট নোকারি বা নৌকাড়ি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।


জীবনের সঙ্গে নদীর জুড়ে থাকার একটি উদাহরণ ছিল নদীয়া জেলা। যুগে যুগে নদীয়ার নদীগুলি নদীয়াকে নতুন করে গড়েছে আর ভেঙেছে। নদীতীরে গড়ে উঠেছে কত বর্ধিষ্ণু শহর, গ্রাম, বন্দর, জনপদ, মন্দির, সমাজ ও কৃষ্টি; আবার কালের আবর্তে এই সবই লুপ্ত হয়ে গিয়েছে নদীর জলে, নদীর চরে, জঙ্গলে আর মাটির তলায়। ব্রিটিশ আমলে সাহেবদের আঁকা বাংলাদেশের নদীর প্রবাহপথের অনেক পুরানো মানচিত্রের সঙ্গে এখনকার প্রবাহপথের তুলনা করলে স্পষ্টই বোঝা যায় কী নিদারুণ পরিবর্তন ঘটেছে এই অল্প সময়ে। বর্তমানে নদীগুলির অধিকাংশই বদ্ধসলিলা, কোথাও ক্ষীণ কলেবরে বইছে আবার কোথাও বা সম্পূর্ণ শুষ্ক নদীখাতে পরিণত হয়েছে। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে নদীয়ার নদীরা। দুঃখজনক তবুও এটিই সত্যি যে, নদীর মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করা ছাড়া মনুষ্য জাতি নদীর জন্য কোনও সদর্থক ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে।


তথ্যসূত্র:

কান্তিচন্দ্র রাঢ়ী - শ্রীশ্রী নবদ্বীপ-তত্ত্ব

অশোক কুমার বসু - পশ্চিমবঙ্গের নদনদী

Van Den Brouck - Golf De Bengale

                                                          (সংগৃহীত পোস্ট)

ফসলের বৃদ্ধি, রোগবালাই দমনে খুবই কার্যকর ও জনপ্রিয় কিছু উপকরণঃ 

 ফসলের বৃদ্ধি, রোগবালাই দমনে খুবই কার্যকর ও জনপ্রিয় কিছু উপকরণঃ 

১) সাফ ছত্রাকনাশক-ম্যানকোজেব ৬৩%+কার্বন্ডাজিম ১২% ডব্লিউপি-১০০ গ্রাম

২) কাকা- কীটপতঙ্গ এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে, উদ্ভিদ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে-৫০ মিলি

৩) সুপার সোনাটা- অত্যন্ত কার্যকরী প্রাকৃতিক অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ভিটামিনের সংমিশ্রণ-৫০ মিলি

৪) মোবোমিন-সবজি ও ফলের বাম্পার ফলনের নিউট্রিশন সাপোর্ট-১০০ গ্রাম


সারাদেশে কুরিয়ারে আমাদের পণ্য পাঠানো হয়। অগ্রিম মূ্ল্য পরিশোধ করে অর্ডার কনফার্ম করতে হবে। কন্ডিশনে নিতে হলে অর্ধেক মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে। আমাদের সাথে যোগাযোগ করার একমাত্র নাম্বার 01779529512(কল, হোয়াটসএপ, ইমো)


কৃষিবিদ মোঃ জিয়াউল হুদা

মানিকগঞ্জ, ঢাকা

ফেসবুক পেজ: Advanced Agriculture

ইউটিউব: KBD ENGR ZIAUL HUDA

মোবাইল: 01779529512

Email: advancedagriculturebd@gmail.com


Advanced Agriculture এর পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। আপনার মাঠকৃষি ও ছাদকৃষির জন্য আমাদের কৃষি পণ্যসমূহঃ

১) সীডলিং ট্রে - (১২০ গ্রাম-৭২/১০৫/১২৮ সেল)

২) ট্রান্সপ্লান্টিং/জার্মিনেটিং/হাইড্রোপনিক ট্রে – ৫৮ সেঃমিঃ * ২৮ সেঃমি * ৩ সেঃমি, ৪৭৫ গ্রাম

৩) মালচিং ফিল্ম- ২৫ মাইক্রন, ৪ ফুট প্রশস্থ-৫০০মিঃ, ৩ ফুট প্রশস্থ-৬০০ মিটার

৪) কোকোপিট ব্লক-৪.৫ কেজি

৫) লুস কোকোপিট

৬) কোকো গ্রোয়িং স্টিক ২৪/৩২/৩৮ ইঞ্চি 

৭) কোকো ওয়াল হ্যাঙ্গিং বাস্কেট 

৮) হাড়ের গুড়া/শিংকুচি

৯) ভার্মিকম্পোস্ট 

১০) মাচার জাল (৮ হাত*৫৫ হাত-১২ ইঞ্চি গ্যাপ)

১১) কাটিং এইড রুট হরমোন- শিকড় গজানোর জাদুকরী হরমোন

১২) হিউমিনল গোল্ড অরগানিক পিজিআর (PGR)

১৩) লিবিনল- বৃদ্ধিকারক জৈব নিয়ন্ত্রক

১৪) ফ্ল্যাশ (Flash)-উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন অনুখাদ্য সমাহার

১৫) মাইটেন্ড ইমপ্রোভ- মাকড়নাশক

১৬) ট্রাপ- সাদামাছি, থ্রিপস ও শোষক পোকা দমনের জন্য 

১৭) প্রহরী প্লাস- বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী লেদাপোকা দমনকারী

১৮) শিল্ড- বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী লেদাপোকা দমনকারী

১৯) ট্রিগার২-স্প্রে কনসেন্ট্রেটর

২০) নিউবুন (ফ্রুট স্পেশাল)-ফল গাছের জন্য বিশেষ নিউট্রিশন সাপোর্ট

২১) বুস্টার১-লাউ জাতীয় ফসলের স্ত্রী ফুল বৃদ্ধি করে ফলন বাড়ায়

২২) বুস্টার২-বেগুন, মরিচ, টমেটো সহ ফল গাছে অধিক পরিমানে ফুল আনে

২৩) বুস্টার৩-শসা ও তরমুজে স্ত্রী ফুল বৃদ্ধি করে ফলন বাড়ায়

২৪) বুস্টার৪-পটল ও কাকরোলের পরাগায়নে সহায়তা করে

২৫) বাম্পার-ফুল ও ফল ঝরে পড়া প্রতিরোধ করে

২৬) প্যানথার টিভি-ফসলের ছত্রাকজনিত পচন প্রতিরোধ করে

২৭) প্যানথার পিএফ- ফসলের ব্যাকড়েরিয়াল উইল্টিংজনিত ঢলে পড়া প্রতিরোধ করে

২৮) সুধা জার্মিনেইড- বীজ সতেজীকরণ ও শোধনের জৈব সমাধান

২৯) থান্ডারস- ব্লাস্ট ও অন্যান্য ছত্রাকঘটিত রোগ দমনে কার্যকরী জৈব সমাধান 

৩০) সাফ ছত্রাকনাশক

৩১) ওয়েস্ট ডিকম্পোজার 

৩২) কাকা- কীটপতঙ্গ এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে, উদ্ভিদ বৃদ্ধিতে সাহায্য করর

৩৩) সুপার সোনাটা- অত্যন্ত কার্যকরী প্রাকৃতিক অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ভিটামিনের সংমিশ্রণ

৩৪) মোবোমিন-সবজি ও ফলের বাম্পার ফলনের নিউট্রিশন সাপোর্ট

৩৫) কেমাইট-জৈব মাকড়নাশক

৩৬) বায়োক্লিন- সবজি ও ফলের ছাতরা পোকা বা মিলিবাগ ও সাদামাছি পোকা দমন করে

৩৭) বায়োট্রিন-থ্রিপস, জাব পোকা, পাতা সুড়ঙ্গকারী পোকা, ধানের কারেন্ট পোকা দমন করে

৩৮) বায়োশিল্ড-জৈব ছত্রাকনাশক

৩৯) বায়ো-চমক-ধানের মাজরা পোকা ও বাদামী গাছ ফড়িং, বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনে কার্যকরী

৪০) বায়ো-এনভির - মোজাইক ভাইরাস, ইয়েলো ভেইন মোজাইক ভাইরাস, লিফ কার্ল ভাইরাস, পিভিওয়াই ভাইরাস দমনে কার্যকরী

৪১) বায়ো-এলিন-জৈব ব্যাকটেরিয়ানাশক

৪২) বায়ো-ভাইরন-জৈব ভাইরাসনাশক

৪৩) বায়োবিটিকে- ছিদ্রকারী পোকা দমনের কীটনাশক

৪৪) বায়োডার্মা পাউডার/সলিড (ট্রাইকোডার্মা হারজিয়ানাম)

৪৫) কিউ-ফেরো/বিএসএফবি/স্পোডো-লিউর ফেরোমন টোপ

৪৬) বলবান-পিজিআর

৪৭) চিলেটেড জিংক

৪৮) সলবোর বোরন

৪৯) হলুদ/নীল/সাদা স্টিকি ট্র্যাপ

৫০) ম্যাঙ্গো/ব্যানানা ফ্রুট ব্যাগ

৫১) সবজি, তরমুজ ও পেঁপেঁর হাইব্রিড বীজ


সারাদেশে কুরিয়ারে আমাদের পণ্য পাঠানো হয়। অগ্রিম মূ্ল্য পরিশোধ করে অর্ডার কনফার্ম করতে হবে। কন্ডিশনে নিতে হলে অর্ধেক মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে। আমাদের সাথে যোগাযোগ করার একমাত্র নাম্বার 01779529512(কল, হোয়াটসএপ, ইমো)


কৃষিবিদ মোঃ জিয়াউল হুদা

মানিকগঞ্জ, ঢাকা

ফেসবুক পেজ: Advanced Agriculture

ইউটিউব: KBD ENGR ZIAUL HUDA

মোবাইল: 01779529512

Email: advancedagriculturebd@gmail.com

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...