এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০২৪

সবাই গল্প টা পরবেন 

 👇👇 সবাই গল্প টা পরবেন ♣️😢


√√•••আমি না থাক নামটা না হয় আমি না ই বললাম--আমি একজন নারী ওই যে কবিতাটা আছে না--আমি সেই মেয়ে বাসে ট্রেনে ট্রামে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন--যার শাড়ি কপালের টিপ কানের দুল আর পায়ের গোড়ালি আপনি রোজ দেখেন--হ্যাঁ এমনই একটা নিতান্তই সাধারণ নারী আমি--একটা ছোট মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম আমার--ধীরে ধীরে বড় হতে হতেই বুঝে ছিলাম নারী হয়ে জন্মে ভীষণ বড় ভুল করে ফেলেছি আমি--প্রথম বুঝে ছিলাম যেদিন 08 বছরের অবুঝ আমিকে আমার নিজের নাম বলবো না একজন খারাপ ভাবে ছুঁয়ে ছিল--খুব কষ্ট হয়ে ছিল আমার কেঁদে ছিলাম খুব--মাকে জড়িয়ে ধরে বলে ছিলাম সবটা মা সব শুনে আমার মুখ চেপে বলে ছিলো উনি না তোর গুরুজন হয় গুরুজনের সম্পর্কে অমন কথা বলতে নেই মা--আমি অবাক হয়ে শুনেছিলাম কষ্টটা নিজের মনে চেপে নিজেই গুমরে মরে ছিলাম--আরেকটু বড় হলাম বুঝতে শিখে ছিলাম নারী শরীর সবাই খারাপভাবে ছুঁতে চাই বারংবার--বাসে পাশে বসা যাত্রী টিউশনের স্যার সবাই বারবার ছুঁতে চেয়েছে আমার স্তনযুগল নিম্নাঙ্গ--কেউ একবারের জন্যও তাকায়নি আমার মুখের দিকে--আমার চোখে সে কি ভীতি জমেছে ধীরে ধীরে তাঁরা কেউই লক্ষ্য করেনি--কলেজ জীবনে পা দিয়ে যখন প্রথম প্রেমে পড়লাম ভাসলাম আবেগের সাগরে--তখনও দেখলাম আমার প্রেমিক পুরুষটি কখনোই ভালোবাসেনি আমাকে--আমার চোখের গভীর ভাষা বুঝে ওঠার আগেই সিনেমা হলের গোপন অন্ধকারে সে আবিষ্কার করতে চেয়ে ছিল আমার নগ্ন শরীর--প্রত্যাখ্যান করলে বলে ছিল আমি নাকি ভালোবাসিনা তাঁকে--সত্যিই কি আমি ভালোবাসিনি নাকি সে আমাকে কে জানে--সেই যে প্রেমের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এলাম আর কাউকে কোনো দিন ভালোবাসতে পারিনি--নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে কিনা তাই কলেজ শেষ  হতে না হতেই সম্পূর্ণ অপরিচিত এক মানুষের হাতের সিঁদুর উঠলো আমার সিঁথিতে--এই যে আজ হ্যাঁ আজ আজ আমার ফুলসজ্জা--যেই দিন নিয়ে সব মেয়েদের জীবনে কিছু সুখস্মৃতি থাকে--আমি তো চেয়ে ছিলাম আমার স্বামীকে চিনতে--কিন্তু সে সে যে এসেই আমার শরীরটা ছিঁড়ে খেতে শুরু করলো--আমার নগ্ন শরীর সে দুচোখ ভোরে দেখলো--আজও একটি বারের জন্য তাকালোনা আমার চোখের দিকে--যে চোখ তাঁকে ভরসা করতে চেয়ে ছিল সে চোখে আজ পাহাড় সমান ঘৃণা--আমি ক্লান্ত নারী শরীর বহণ করতে করতে আমি ক্লান্ত--নারী শরীর মানে শুধুই কি তাঁর স্তনযুগল আর নিম্নাঙ্গ--কখনো কি তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে তাঁর মনের কষ্টটা কেউ বুঝবেনা--স্তনের নীচে চাপা পড়ে থাকা মনের খোঁজ কি কেউ কোনো দিন নেবে না--যুগে যুগে নারী ধ'র্ষি'তা নারী শরীর ভোগ্য বস্তু হয়েছে সবার কাছে--নারী মনের খোঁজ কজনই বা রাখে--আমি চাইনা এ শরীর চাইনা এ দেহের গঠন--আমার স্তনযুগল নিম্নাঙ্গ কেউ কেটে বাদ দিয়ে দিক আমার শরীর থেকে--থেকে যাক আমার অশ্রুভরা দুই নয়ন কাউকে ভরসা করে আঁকড়ে ধরতে চাওয়া দুটো হাত আমার ভীত কম্পিত অধরোষ্ঠ--সসম্মানে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাওয়া দুটো পা থেকে যাক!••••❤️‍🩹💔 😔🥹কেউ বাজে কমেন্ট করবেন না জার পছন্দ হবে সে এরিয়ে জাবেন🙏🙏🙏


😢😢🥹💔 সত্যি কি নারী হওয়া অনেক বড় পাপ 😓😔😔😔 কালেক্ট👇👇 

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



এনা ট্রান্সপোর্ট,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⭕ এনা ট্রান্সপোর্ট ⭕

বরিশাল; রুপাতলী কাউন্টার থেকে নথুল্লাবাদ হয়ে ঢাকার সকল রুটের ট্রিপ সিডিউলঃ 


✳️সকাল ৫.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্থান 


✳️সকাল ৫.৩০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্থান 


✳️সকাল ৬.০০

🎴রুপাতলী - পদ্মা সেতু - গাজীপুর 


✳️সকাল ৬.৩০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্থান 


✳️সকাল ৭.০০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - আব্দুল্লাহপুর


✳️সকাল ৭.৩০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - মিরপুর 

 

✳️সকাল ৮.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সকাল ৮.৩০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সকাল ৯.০০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গাজীপুর 


✳️সকাল ১০.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সকাল ১০.৩০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সকাল ১১.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সকাল ১১.৩০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️দুপুর ১২.৩০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️দুপুর ১.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️দুপুর ২.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️দুপুর ২.৩০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - মিরপুর


✳️দুপুর ৩.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️বিকাল ৪.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️বিকাল ৪.৩০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গাজীপুর 

 

✳️বিকাল ৫.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সন্ধ্যা  ৬.১৫ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - মিরপুর


✳️রাত ৭.১৫ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গাবতলী 


✳️রাত ৮.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️রাত ৮.৪৫ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - আব্দুল্লাহপুর 


✳️রাত ১০.৩০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গাজীপুর 


🧧ভাড়া

বরিশাল - গুলিস্তান =৫০০৳

বরিশাল - মিরপুর/আব্দুল্লাহপুর = ৬০০৳

বরিশাল - গাজীপুর = ৬৫০৳


🔳এনা পরিবহনের কাউন্টার সমূহের ফোন নাম্বার ☎️

রুপাতলী -  ০১৯৫৮-১৩৫৩২০

আমতলা- ০১৯১১-১০০১১২

বরিশাল টার্মিনাল- ০১৯৫৮-১৩৫২৯৯

বরিশাল বাসস্ট্যান্ড- ০১৯৫৮-১৩৫২৯৮

রহমতপুর- ০১৭৪৯-৩০৬২৫৪

ইচলাদি- ০১৭১৯-৮৬২৪৯৩

টরকি- ০১৮৮২-২০৩২০০

গৌরনদী- ০১৩২৭-৭৪৭৭৭৪

ভূরঘাটা- ০১৮৭৮-৪৪৩২০৩

শানুহার- ০১৭২১-১৬২২৫২

মোস্তফাপুর- ০১৯৫৮-১৩৫২৯৭

টেকেরহাট- ০১৯৮২-০৮০১৭৪


কুয়াকাটা- ০১৯৫৮-১৩৫৩২৩

কুয়াকাটা টার্মিনাল- ০১৯৫৮-১৩৫৩২২

পটুয়াখালী - ০১৯৫৮-১৩৫৩২৪

কলাপারা- ০১৭৫২-৭২৬৩১২

আমতলী- ০১৭১৮-১৫৮২১৬

শাখারিয়া- ০১৭২৯-৬৪৭৪৯৯

পাগলামোড়- ০১৭৯৭-৭২৮২২৯


সায়েদাবাদ- ০১৯৫৮-১৩৫১৩৮

যাত্রাবাড়ী- ০১৯৫৮-১৩৫১৩৭

ধোলাইপার- ০১৯৫৮-১৩৫২৫৩

মানিকনগর- ০১৯৫৮-১৩৫১৩৬

নর্দ্দা- ০১৯৫৮-১৩৫১৪৮


গুলিস্তান (১) - ০১৯৫৮-১৩৫২৫১

গুলিস্তান (২) - ০১৯৫৮- ১৩৫২৫৬

বিষবৃক্ষ

 বিষবৃক্ষ


> বিষবৃক্ষ বঙ্কিমচন্দ্রের চতুর্থ বাংলা উপন্যাস। ১৮৭২ সাল থেকে ১৮৭৩ সাল পর্যন্ত বঙ্গদর্শন পত্রিকায় মোট বারোটি পর্যায়ে বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৩ সালে। 

> এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল সামসময়িক বাঙালি হিন্দু সমাজের দুটি প্রধান সমস্যা – বিধবাবিবাহ ও বহুবিবাহ প্রথা। এই উপন্যাসের নায়িকা বিধবা কুন্দনন্দিনীর চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্রের কনিষ্ঠা কন্যার ছায়া অবলম্বনে রচিত বলে ধারণা করা যায়। 

> ১৮৯১ সালে থেকে উপন্যাসটির হিন্দুস্তানি অনুবাদ প্রকাশিত হয়। ১৮৮৪ সালে মিরিয়ম এস. নাইট The Poison Tree নামে এর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন। ১৮৯৪ সালে বিষবৃক্ষ উপন্যাসের সুইডিশ অনুবাদ প্রকাশিত হয়। অমৃতলাল বসু এই উপন্যাসের নাট্যরূপ দিয়েছিলেন।

## কাহিনি সংক্ষেপ:

* গোবিন্দপুরের জমিদার নগেন্দ্রনাথ দত্ত কলকাতা যাত্রার পথে অনাথা বালিকা কুন্দনন্দিনীর সন্ধান পান। কুন্দকে তিনি কলকাতায় তাঁর ভগিনী কমলমণির কাছে রেখে এসেছিলেন। কিন্তু পরে স্ত্রী সূর্যমুখীর একান্ত অনুরোধে তাঁকে গোবিন্দপুরে নিয়ে আসেন। সূর্যমুখীর দূরসম্পর্কীয় ভাই তারাচরণের সঙ্গে কুন্দের বিবাহ হয়। 

* কিন্তু বিবাহের কিছুকাল পরেই তারাচরণের মৃত্যু হলে কুন্দ বিধবা হয়। এরপর নগেন্দ্রনাথ কুন্দের রূপলাবণ্য দর্শনে তার প্রতি আকৃষ্ট হন, কুন্দও নগেন্দ্রের প্রতি অনুরক্তা হয়ে পড়েন। সূর্যমুখী বিষয়টি অনুধাবন করেন। 

* অন্যদিকে দেবীপুরের দুশ্চরিত্র জমিদার দেবেন্দ্রও তারাচরণের গৃহে কুন্দকে দেখে তার প্রতি আকৃষ্ট হন। হরিদাসী বৈষ্ণবীর ভেক ধরে নগেন্দ্রর বাড়িতে এসে তিনি কুন্দকে কুপ্রস্তাব দিয়ে যান। হীরা দাসী এই ব্যাপারে অনুসন্ধান করে সূর্যমুখীকে হরিদাসীর প্রকৃত স্বরূপ সম্পর্কে অবহিত করে। 

* এদিকে সূর্যমুখী কমলমণিকে চিঠিতে নগেন্দ্রনাথের কুন্দর প্রতি অনুরাগের কথা জানালে, কমলমণি কুন্দকে কলকাতায় নিয়ে আসতে চায়। কুন্দ আত্মহত্যা করতে গিয়েও ব্যর্থ হয়। হরিদাসী বৈষ্ণবীর ঘটনায় সূর্যমুখী কর্তৃক অপমানিতা হয়ে কুন্দ গৃহত্যাগ করেন। তার অদর্শনে নগেন্দ্র অস্থির এবং সূর্যমুখীর প্রতি রুষ্ট হন। 

* তিনি গৃহত্যাগের সংকল্প করেন। এমতাবস্থায় কুন্দ ফিরে এলে সূর্যমুখী নিজের উদ্যোগে স্বামীর সঙ্গে কুন্দের বিবাহ দেন। তারপর নিজে গৃহত্যাগ করেন। নগেন্দ্রনাথ তাঁকে খুঁজতে সব জায়গায় লোক পাঠান, তিনি নিজেও বেরিয়ে পড়েন। এদিকে ঘুরতে ঘুরতে সূর্যমুখী রোগাক্রান্ত হন। শেষে এক ব্রহ্মচারীর শুশ্রুষায় সুস্থ হয়ে ওঠেন। 

* ব্রহ্মচারীই নগেন্দ্রনাথকে সংবাদ পাঠান। পরে উভয়ের পুনর্মিলন ঘটে। নগেন্দ্রনাথ গৃহে ফিরে কুন্দর সঙ্গে দেখা না করায় কুন্দ বিষপান করে। পরদিন সকালে সূর্যমুখী যখন কুন্দকে দেখতে আসেন, তখন তার অন্তিম সময় আসন্ন। শেষে নগেন্দ্রনাথের পায়ে মাথা রেখে কুন্দ ইহলোক ত্যাগ করে।



বুর্জ খলিফায় একটি ফ্ল্যাটের দাম প্রায় ২০০ কোটি! কী আছে পৃথিবীর উচ্চতম বহুতলের অন্দরে?

 বুর্জ খলিফায় একটি ফ্ল্যাটের দাম প্রায় ২০০ কোটি! কী আছে পৃথিবীর উচ্চতম বহুতলের অন্দরে?


পৃথিবীর উচ্চতম বহুতল। যেন বিস্ময়ের প্রতীক হয়ে মাথা তুলে আছে দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অন্যতম আকর্ষণ গগনচুম্বী এই বহুতলকে নিয়ে পর্যটকদের উৎসাহের শেষ নেই।


বুর্জ খলিফার উচ্চতা ৮২৮ মিটার। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এখানে অ্যাপার্টমেন্ট এবং স্টুডিয়ো মিলিয়ে মোট বাসস্থানের সংখ্যা ৯০০। তাতে ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ থাকেন।


এই বহুতলের নামকরণ করা হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট খলিফা বিন জ়ায়েদ আল নাহ্ইয়ানের নামে। প্রথমে এর নাম ছিল বুর্জ দুবাই। পরে প্রেসিডেন্টের সম্মানার্থে নাম পরিবর্তন করা হয়।


২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি বুর্জ খলিফা তৈরির কাজ শুরু হয়। পৃথিবীর উচ্চতম বহুতল তৈরি হতে সময় লেগেছিল ৫ বছর।


২০০৯ সালের ১ অক্টোবর বুর্জ খলিফার নির্মাণকার্য সম্পন্ন হয়। একে পৃথিবীর উচ্চতম বহুতল হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বহুতলের উদ্বোধন করা হয়।


১৬৩ তলার বুর্জ খলিফা অনেক রেকর্ডের অধিকারী। পৃথিবীর আরও কোনও বহুতলে এতগুলি তল নেই।


কিন্তু, পৃথিবীর উচ্চতম এই বহুতলের ভিতরে কী আছে? কী দিয়ে সাজানো ঝাঁ চকচকে বুর্জ খলিফা? তার অন্দরমহলে উঁকি দিলে বিস্মিত হতে হয়।


বুর্জ খলিফার মধ্যে রয়েছে মোট ৪টি সুইমিং পুল। একটি বহুতলের ৪৩ তলায়, একটি ৭৬ তলায়। বাকি দু’টি সুইমিং পুল রয়েছে ‘দ্য ক্লাব’-এর ছাদ (রুফটপ) এবং এক পাশে। ‘দ্য ক্লাব’ হল বুর্জ খলিফার একটি স্বাস্থ্যচর্চা কেন্দ্র।


বুর্জ খলিফার ১২৩ তলায় রয়েছে একটি লাইব্রেরি। যাঁরা বই পড়তে ভালবাসেন, এখানে বসেই তাঁদের সময় কেটে যায়।


বহুতলের ৪৩, ৭৬ এবং ১২৩ তলায় রয়েছে কাচ দিয়ে মোড়া হল ঘর (স্কাই লবি)। বড়সড় অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য এগুলি ভাড়া নেওয়া হয়।


বুর্জ খলিফার অভ্যন্তরীণ ‘অ্যাটমোসফিয়ার’ পৃথিবীর উচ্চতম রেস্তোরাঁগুলির মধ্যে অন্যতম। ২০২১ সাল পর্যন্ত উচ্চতম রেস্তোরাঁর শিরোপা ছিল এর নামেই। পরে চিনের একটি বহুতলে তৈরি রেস্তোরাঁ মুকুট ছিনিয়ে নেয়।


পৃথিবীর উচ্চতম আউটডোর অবজ়ারভেশন ডেক রয়েছে বুর্জ খলিফার ১৪৮ তলায়। ৫৫৫ মিটার উঁচু এই জায়গাটি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। দুবাই শহরটিকে ছবির মতো দেখায় এখান থেকেই। বুর্জ খলিফা থেকে ১৫৩ কিলোমিটার দূরে ইরানের সমুদ্র উপকূলও এখান থেকে দেখতে পান পর্যটকরা।


বুর্জ খলিফার ১ থেকে ৮ তলা জুড়ে রয়েছে আরমানি হোটেল। এতে ১৬০টি ঘর রয়েছে। বুর্জ খলিফার বাসিন্দা ছাড়াও বাইরে থেকে মানুষ এসে এই হোটেলে থাকতে পারেন। হোটেলের নিজস্ব স্পা, সুইমিং পুল, লাইব্রেরি এবং জিম রয়েছে।


বুর্জ খলিফায় রয়েছে নিজস্ব দোকান, বাজার, শপিং মল। এখানকার বাসিন্দাদের কিছু কিনতে বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।


পৃথিবীর উচ্চতম বহুতলে থাকার খরচ কম নয়। এখানে ৪ ‌থেকে ৫ বেডরুমের কোনও অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য ২ কোটি ৭ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ২০০ কোটি টাকার বেশি)।


বুর্জ খলিফায় এক একটি স্টুডিয়ো অ্যাপার্টমেন্টের দাম ২০ লক্ষ আরবীয় মুদ্রা (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা)।


বহুতলের বাসিন্দাদের রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ (সার্ভিস চার্জ) বাড়তি টাকাও দিতে হয়। অ্যাপার্টমেন্টের আকারের উপর নির্ভর করে সেই খরচ। কখনও কখনও তা হতে পারে বছরে ৫ লক্ষ আরবীয় মুদ্রা (১ কোটি টাকার বেশি)।


Source: এই সময়


মাটি খুঁড়তেই মিলল কয়েকশ বছরের পুরোনো নৌকা

 মাটি খুঁড়তেই মিলল কয়েকশ বছরের পুরোনো নৌকা


ঝিনাইদহের মহেশপুরে মাটি খুঁড়তে গিয়ে কয়েকশ বছরের পুরোনো নৌকার সন্ধান পাওয়া গেছে। বিরল এ দৃশ্য দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে উৎসুক জনতা ভিড় করছেন।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খ্রিষ্টীয় ঊনবিংশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষে ইউরোপীয় এবং স্থানীয় ধনাঢ্য ব্যক্তিরা নৌবিহারের জন্য এ ধরনের নৌকা ব্যবহার করত। সেই তথ্য অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, নৌকাটি কয়েকশ বছরের পুরোনো।


বুধবার (৮ মে) উপজেলার এসবিকে ইউনিয়নের বজরাপুর গ্রামে এমন দৃশ্য দেখা যায়। মাটির চার ফুট নিচে খনন কাজ চালানোর সময় নৌকাটি সবার নজরে পড়ে।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বজরাপুর গ্রামের নজের আলীর ছেলে মনছের আলী তিন দিন আগে বজরাপুর বাঁওড় থেকে ধানক্ষেতে পানি দেওয়ার জন্য সেচ খাল খনন করছিলেন। খাল খুড়তে খুড়তে তার কোদালের মাথায় নৌকার কিছু অংশ ওঠে আসে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসী নৌকার সন্ধানে খনন করতে থাকে। তিন দিন ধরে খননের পর বধুবার পুরো নৌকার আকৃতি খুঁজে পাওয়া যায়।


চুরি ঠেকাতে রাত জেগে পাহারা, সড়কে চেকপোস্ট

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য পূর্ণিমা রানী বলেন, নৌকার প্রতিশব্দ হচ্ছে ‘বজরা’। এ গ্রামের নামও বজরাপুর। একটা সময় এখানে মানুষের চলাচলের একমাত্র সম্বল ছিল নৌকা। সেই নাম অনুসারে গ্রামটির নামকরণ করা হয়েছে ‘বজরাপুর’।


তিনি বলেন, খবর পেয়ে তিনিও বজরাপুর বাঁওড় এলাকার হালদার পাড়ায় গিয়ে নৌকাটি দেখে এসেছেন। এটি সংরক্ষণের দাবি করেন তিনি।


খননকাজে যুক্ত বজরাপুর গ্রামের ইসমাইল মল্লিক জানান, নৌকাটি লম্বায় প্রায় একশ ফুট লম্বা ও চওড়া ২০ ফুট হবে। নৌকার বেশির ভাগ অংশ বাঁওড়ের মধ্যে ঢুকে আছে। হয়তো নৌকাটি শাল কাঠ দিয়ে তৈরি করা।


বজরাপুর গ্রামের আমজাদ হোসেন বলেন, গ্রামের কৃষক মনছের আলীর জমিতে পাওয়া নৌকাটি বহুকালের পুরোনো। কাঠগুলো পচে নষ্ট হয়ে গেছে। লম্বা কাঠগুলো কিছুটা ভালো আছে। মাটির চার ফুট নিচে এই নৌকাটি পাওয়া গেছে।


তিনি বলেন, নৌকাটি দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছে। তবে এখনো প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে আসেননি।


তথ্য নিয়ে জানা গেছে, বজরা অধিক ওজন বহনকারী বড় ধরনের একটি নৌকা হিসেবে পরিচিত। খ্রিষ্টীয় ঊনবিংশ শতাব্দীতে ব্যবহার করা এ নৌকার দুই-তৃতীয়াংশ জায়গাজুড়ে থাকত ঘুমানো বা বিশ্রামের কক্ষ। ঘরবাড়ির মতো এসব কক্ষে থাকত জানালা। সাধারণভাবে যাত্রীর ধারণক্ষমতা ১০ থেকে ১২ জন। ভেতরে চারজন মাঝির সঙ্গে রান্না ও অন্যান্য কাজের জন্য দুজন সহযোগী থাকতেন।


স্থানীয় পূজা রানী বলেন, বজরাপুর গ্রাম একটি প্রাচীন জনপদ। এই গ্রামটি কপোতাক্ষ নদের সংযোগস্থলে গড়ে ওঠে। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ জমিদার ও আধুনিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিল। ফলে এ নৌকাটি বজরাপুর গ্রামের নামকরণ ও গ্রামের মানুষের জীবনযাপনের সাক্ষ্য বহন করে। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া পূজা রানী নৌকাটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে গবেষণা কাজে লাগানো যায় কিনা সে সরকারের ব্যাপারে সুদৃষ্টি কামনা করেন।


বিষয়টি নিয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুপ দাস জানান, পুরোনো নৌকা পাওয়ার বিষয়টি তিনি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরকে জানাবেন, যাতে তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।


সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২১-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২১-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে আজ ১৫৬টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ।


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে শান্তি পুরস্কার চালু করছে সরকার।


দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।


স্বল্প আয়ের মানুষের কষ্ট বিবেচনায় শুধু রাজধানীতে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচলের অনুমতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী — জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।


আগামী ৫ই জুন শুরু হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় ও বাজেট অধিবেশন।


প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে ইরানে পাঁচ দিনের শোক।


আজ ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ফাইনালে মুখোমুখি হবে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও বসুন্ধরা কিংস।

ডঃ  কুদরাত-ই-খুদাঃ প্রখ্যাত রসায়নবিদ,শিক্ষাবিদ ও লেখক,,,,,

 ডঃ কুদরাত-ই-খুদাঃ

প্রখ্যাত রসায়নবিদ,শিক্ষাবিদ ও লেখক 

-------------------------------------------------------

স্বনামধন্য ড. মুহম্মাদ কুদরাত-ই-খুদা: উপমহাদেশের প্রখ্যাত রসায়নবিদ, শিক্ষাবিদ ও লেখক। ড: কুদরাত ই খুদার জন্ম ১৯০০ সালের ১ ডিসেম্বর নানার বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের মাড়গ্রামের সম্ভ্রান্ত পীর পরিবারে।


 বাবা-মা: সৈয়দ শাহ সুফী খোন্দকার আবদুল মুকিত, সৈয়দা ফাসিয়া খাতুন। বাবা-মায়ের সাত সন্তানের মধ্যে কুদরাত-এ-খুদা ছিলেন দ্বিতীয় সন্তান।


 তখনকার ধর্মপ্রাণ মুসলমান পরিবারের রীতি অনুযায়ী জন্মস্থান মাড়গ্রামে কুদরাত-এ-খুদার লেখাপড়ার হাতেখড়ি হয়েছিল নিজ পরিবারে । এরপর মক্তবে গিয়ে হাফেজ হওয়ার উদ্দেশ্যে পবিত্র কোরান শরীফ মুখস্থ করার কঠিন পর্বটিও আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করেছিলেন তিনি।


এরপর কুদরাত ই খুদা পড়াশোনা করার জন্য গ্রামের স্কুল ছেড়ে কলকাতার মিরজাপুর স্ট্রীটে অবস্থিত উডবার্ণ এম.ই. স্কুলে ভর্তি হন। বাংলা শেখার ব্যবস্থা না থাকায় তিনি উর্দুতে মাইনর স্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন এবং বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে বৃত্তিলাভ করেন। 


মাত্র দু’বছর পর মধ্য ইংরেজি বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন এবং কলকাতা মাদ্রাসায় অ্যাংলো পারশিয়ান বিভাগে ভর্তি হন কুদরাত ই খুদা। সেখানে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় পণ্ডিত মশাইয়ের কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বাংলা পড়তে শুরু করেন তিনি। 


স্কুলে বরাবরই কুদরাত ই খুদা ক্লাসে প্রথম হতেন। ১৯১৮ সালে তিনি কলকাতার আলিয়া মাদ্রাসার অ্যাংলো পারশিয়ান বিভাগ থেকে মেধা তালিকায় প্রথম দশজনের মধ্যে থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।


 এরপর কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন কুদরাত ই খুদা। বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে রসায়নের প্রতি তাঁর আকর্ষণ ছিল বেশি। রসায়নের পরীক্ষণ-সংক্রান্ত কাজগুলি তাঁর মনোযোগ এতটা আকর্ষণ করে যে, পরীক্ষণাগারেই অধিকাংশ সময় কাটাতেন তিনি।


 আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অভিভাবকরা কুদরাত ই খুদাকে  খুব সামান্য পরিমাণ অর্থ পাঠাতেন। এর বাইরে প্রায় সম্পূর্ণভাবে তাঁকে নির্ভর করতে হতো বৃত্তির টাকার ওপর।


 তাই জীবনের প্রয়োজনগুলোকে সীমিত রেখে, অত্যন্ত পরিশ্রম করে তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে কলেজের পাঠ শেষ করেন। এরপর প্রেসিডেন্সি কলেজেই স্নাতক পর্যায়ের পড়াশুনা শুরু করেন কুদরাত ই খুদা।


 ১৯২৪ সালে রসায়নশাস্ত্রে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে এম.এসসি. ডিগ্রি অর্জন এবং ফলাফলের জন্য স্বর্ণপদক লাভ করেন কুদরাত-ই- খুদা।


কুদরাত ই খুদা  ১৯৩১ সালে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে রসায়ন বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। নিজ মেধা ও দক্ষতায় ১৯৩৬: উক্ত বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের পদে উন্নীত।


কুদরাত ই খুদা ১৯৪২ সালে ইসলামিয়া কলেজের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। ১৯৪৬ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজে ফিরে এসে এর অধ্যক্ষ পদে নিযুক্ত হন তিনি । 


দেশবিভাগের পর পূর্ব পাকিস্তান চলে এলে ১৯৪৭ ভারত পূর্ব পাকিস্তান সরকারের প্রথম জনশিক্ষা পরিচালকের (ডিপিআই) দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। 


তিনি  ১৯৪৯: করাচিতে পাকিস্তান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা নিযুক্ত হন। ১৯৫৩: দেশে ফিরে আসেন এবং পূর্ব পাকিস্তানের মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন। 


কুদরাত ই খুদা  ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে এর পূর্বাঞ্চলীয় শাখা গঠনের দায়িত্বে নিযুক্ত হন। ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এই গবেষণাগারের পরিচালকের দায়িত্বে কর্মরত থেকে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। 


কুদরাত ই খুদা ১৯৬৮ সালে তাঁকে কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়, কিন্তু আইয়ুব-মোনায়েম খানের চক্রান্তে সেখান থেকে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়। 


 ১৯৭২ সালে  স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠনের জন্য গঠিত প্রথম শিক্ষা কমিশনের সভাপতি হিসেবে তিনি অল্প সময়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কাছে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেশ করেন।


 এই প্রতিবেদনটি  “কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট” নামে পরিচিত যা তাঁর কর্মজীবনের একটি বিশেষভাবে স্মরণীয় অবদান। 


কুদরাত ই খুদা  ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে যোগদান করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি এই পদে নিযুক্ত ছিলেন।


ড. কুদরাত ই খুদার গবেষণা মূল ক্ষেত্র ছিল জৈব রসায়ন। তিনি পাট, কয়লা, লবণ ও বিভিন্ন ভেষজ ওষুধ নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি চিকিৎসাকাজে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন দেশীয় ভেষজ গাছ,লতা- পাতার নির্যাস বৈজ্ঞানিকভাবে সংগ্রহ করতেন। 


ডক্টর কুদরাত ই খুদা  ও তাঁর সহকর্মীদের ১৮টি বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের পেটেন্ট রয়েছে। পাট কাঠি থেকে উদ্ভাবিত “পারটেক্স”কে তাঁর সেরা আবিষ্কারগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়। 


এছাড়া পাটকাঠি থেকে কাগজ এবং রস ও গুড় থেকে মল্ট ভিনেগার আবিষ্কার উল্লেখযোগ্য। দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন বিখ্যাত গবেষণামূলক পত্রিকায় তাঁর রচিত প্রায় ১০২টি গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।


কুদরাত ই খুদা সম্মাননা এবং স্বীকৃতি:

* ১৯৭৬ সালে শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ড. কুদরাত-এ-খুদাকে একুশে পদক প্রদান করে সম্মানীত করেন। 


 ১৯৭৯ সালে  চট্টগ্রাম বিজ্ঞান পরিষদ ড. কুদরাত-এ-খুদার নামে একটি স্বর্ণপদক প্রবর্তন করে।


 ১৯৮৪ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তাঁকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান স্বাধীনতা পদক (মরণোত্তর) প্রদান করেন। 


 ১৯৯০ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ড. মুহাম্মাদ কুদরাত-এ-খুদার বসতভিটায় প্রতিষ্ঠিত হয় ড. মুহাম্মদ কুদরাত-এ-খুদা গ্রামীণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিকাশ কেন্দ্র ও সংগ্রহশালা। 


একই বছর সেখানে রামপুরহাট থেকে মাড়গ্রাম পর্যন্ত সড়কটি “ড. কুদরাত-এ-খুদা সড়ক” নামকরণ করা হয়। 


 ১৯৯৩ সালে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এই মহান বিজ্ঞানীর প্রতি সম্মান দেখিয়ে ঢাকাস্থ নিউ এলিফ্যান্ট রোডের নাম পরিবর্তন করে “ড. কুদরাত-এ-খুদা সড়ক” নামকরণ করেন।


ড: কুদরাত ই খুদা রচিত জনপ্রিয় গ্রন্থগুলি হলো- বিজ্ঞানের সরস কাহিনী,বিজ্ঞানের বিচিত্র কাহিনী, বিজ্ঞানের সূচনা, জৈব-রসায়ন (৪খন্ড) পূর্ব- পাকিস্তানের শিল্প সম্ভাবনা, পরমাণু পরিচিতি, বিজ্ঞানের পহেলা কথা।


যুদ্ধোত্তর বাংলার কৃষি ও শিল্প,বিচিত্র বিজ্ঞান,পবিত্র কোরআনের পূত কথা,অঙ্গারী জওয়ারা

 সাময়িকী:পুরোগামী বিজ্ঞান, বিজ্ঞানের জয়যাত্রা।

 ইংরেজিতেও বেশ কয়েকটি পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন তিনি।


 স্বনামধন্য বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ এবং লেখক ড: কুদরাত ই খুদাকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

(Alim Al Rashid)❤️

নদীয়ার সন্দেশ বরিশালের ব্র্যান্ড -----

 * নদীয়ার সন্দেশ

বরিশালের ব্র্যান্ড

-----

.


ঘটনাটি ষাটের দশকের। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ায় আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়ে প্রথম পরিচয় হয়েছিল সাদা ধবধবে এক ধরনের মিষ্টির সঙ্গে। কিছুটা নরম, আকৃতিগত দিক থেকে এবড়ো-থেবড়ো। সেই মিষ্টিতে মন ভরেছিল সতীশ চন্দ্র দাসের। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া গ্রামের নিজ এলাকায় ফিরে এসে তৈরি করলেন নদীয়ার সেই সন্দেশ। সঙ্গে স্হানীয় উপকরণ ও পদ্ধতি ব্যবহার করা হলো। নামকরণ করা হয় গুঠিয়ার সন্দেশ।

দূর থেকে দেখতে শিউলি ফুলের মতো। নতুন এই সন্দেশ বাজারজাতকরণে তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী বন্ধু বাদশা হাওলাদারকে। ১৯৬২ সালে তারা দুজনে নতুনভাবে উৎপন্ন সন্দেশ বিক্রি করে সাড়া ফেলে দেন। সতীশ ও বাদশা দুজনের কেউই এখন আর বেঁচে নেই। কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ গুঠিয়ার সন্দেশ বরিশাল অঞ্চলে বিখ্যাত। রীতিমতো বরিশালের ব্র্যান্ড। গুঠিয়ার গ্রাম্য হাটের জৌলুস কমেছে, পাশের বিশাল খালটি তার নাব্য হারিয়েছে। কিন্তু সন্দেশের বাজার আজও জমজমাট। প্রতিদিন দেশ ও দেশের বাইরের ভোজনরসিকরা এই মিষ্টান্নের স্বাদ পেতে ছুটে আসেন গুঠিয়ায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজার পেলে সেখানেও বাজিমাত করবে গুঠিয়ার সন্দেশ। 


বাঙালির খাদ্যপণ্যের তালিকায় সন্দেশ নতুন নয়। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য কৃত্তিবাসী রামায়ণ এবং চৈতন্যের কবিতায় সন্দেশের উল্লেখ রয়েছে।

সন্দেশ সাধারণত নরম ও লঘুপাকের হয়। কিন্তু গুঠিয়ার সন্দেশ ঠিক তার উল্টো, কড়াপাকের। এজন্য গুঠিয়ার সন্দেশ হয় কিছুটা শক্ত ও শুষ্ক। অন্যসব জায়গায় ক্ষীর সন্দেশ, সরপুরি, সাদা সন্দেশ, গুড়ের সন্দেশ, পোড়া সন্দেশের মতো হরেক নামে সন্দেশ পেলেও গুঠিয়ার সন্দেশ প্রধানত এক পল্লার ও দুই পল্লার। দুই পল্লার সন্দেশকে ডাকা হয় জোড়া সন্দেশ নামে।

গুঠিয়া বাজারে এখন মাত্র সাতটি সন্দেশের দোকান চালু রয়েছে। এরমধ্যে মাহিয়া মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী টিটুল হাওলাদার জানান, প্রতিদিন যত মানুষ এই বাজারে মিষ্টান্ন নিতে আসেন তার আশি ভাগই সন্দেশ নিতে আসেন। সন্দেশ শুধু নিজে খান এমন না, স্বজনদের জন্যও নিয়ে যান। দেশের বাইরেও অনেকে নিয়ে যান।

এই দোকানের কর্মচারী মিন্টু হাওলাদার বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশ তৈরিতে কোনো ধরনের ভেজাল দ্রব্য দেওয়ার সুযোগ নেই। আমরা গুণগত মান ঠিক রেখেই সন্দেশ বিক্রি করি। তিনি আরও বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশের চাহিদা দেশ ও দেশের বাইরে অনেক। কিন্তু দুধ ও চিনির দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে আর আগের দামে সন্দেশ বিক্রি করতে পারছি না। তার ওপর আয়কর অফিস আমাদের ওপর বিনা কারণেই বাড়তি কর ধার্য করছে।

আরেক কারিগর শ্যামল চন্দ্র বলেন, আমার পূর্বপুরুষ ছিলেন সতীশ চন্দ্র দাস। তিনি যে পদ্ধতিতে সন্দেশ তৈরি করতেন আমরা এখনো সেভাবেই তৈরি করে থাকি। এজন্যই গুঠিয়ার সন্দেশের সঙ্গে দেশের আর কোনো জায়গার সন্দেশ মিলবে না। আমরা খাঁটি দুধ ও চিনি ব্যবহার করি। তিনি আরও বলেন, খাঁটি পণ্য বিক্রি করায় সম্প্রতি ঢাকার চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সরকার আমাকে পুরস্কৃত করেছেন। সরকার আশ্বস্ত করেছে ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপণ্য হিসেবে এই সন্দেশ তারা আন্তর্জাতিকভাবে বাজারজাত করবে। সেই সুযোগ পেলে গুঠিয়ার সন্দেশ নিঃসন্দেহে বিশ্ব বাজারও জয় করবে। বর্তমানে প্রতি কেজি সন্দেশ সাতশ টাকা বিক্রি হচ্ছে। 


এই সন্দেশ সুস্বাদু ও মানসম্পন্ন হওয়ায় এর চাহিদা বেশি। তবে এর উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা না থাকায় সবাই এই মিষ্টি প্রস্তুত করতে পারেন না। প্রতিদিন ৫০০ কেজির বেশি চাহিদা থাকলেও উৎপাদন অর্ধেকের চেয়েও কম।



সোমবার, ২০ মে, ২০২৪

সৈয়দ মুজতবা আলী / ওমর খৈয়ামের কবিতার ভাবানুবাদ,,,,,,,,

 জন্মদিনে স্মরণঃ  ও ম র  খৈ য়া ম


"রুটি মদ ফুরিয়ে যাবে

প্রিয়ার কালো চোখ ঘোলাটে হয়ে যাবে

বই, সে তো অনন্ত যৌবনা।"


[ সৈয়দ মুজতবা আলী / ওমর খৈয়ামের কবিতার ভাবানুবাদ





  ]


গিয়াসউদ্দিন আবুল ফাতেহ ওমর ইবনে ইব্রাহিম আল খৈয়াম নামটি যেমন বড়, ঠিক তেমনি এ নামের মানুষটি অনেক বড় বড় কাজ করে গেছেন। হ্যাঁ, ওমর খৈয়ামের কথাই বলা হচ্ছে।


তিনি একইসাথে একজন দার্শনিক, কবি, গণিতজ্ঞ এবং জ্যোতির্বিদ। রসকষহীন গণিত নিয়ে তিনি কাজ করেছেন। আবার তিনিই লিখেছেন মধুর সব কবিতা। চতুষ্পদী কবিতার সেই অমর সংকলন ‘রুবাইয়াৎ’। 


আধুনিক বীজগণিতের ভিত্তি তৈরি হয়েছে তাঁর হাতে। কাজ করেছেন ইউক্লিডীয় জ্যামিতি নিয়েও। ভূগোল, বলবিদ্যা, খনিজবিজ্ঞান, আইন, এমনকি সঙ্গীতও বাদ যায়নি তাঁর জ্ঞানপিপাসার তালিকা থেকে। জীবনের শেষ দিকে এসে হয়েছেন শিক্ষক; শিক্ষাদান করেছেন ইবনে সিনার দর্শন ও গণিত বিষয়ে। তিনি সত্যি অসাধারণ, অতুলনীয়, অনুপম; তিনি ওমর খৈয়াম।


তাঁর বাবা ইব্রাহিম খৈয়াম ছিলেন বিখ্যাত চিকিৎসক। তাঁর মায়ের নাম জানা যায় না। 


ওমর খৈয়াম ভাগ্যবানই ছিলেন বলা চলে। কারণ তিনি ইসলামের স্বর্ণযুগে জন্মগ্রহণ করেন। সে যুগে ইসলাম ছিল সকল ধরনের গোঁড়ামি, কুসংস্কার, সাম্প্রদায়িকতা বিবর্জিত। আর মুসলমানরাও ছিল মুক্তমনা ও জ্ঞানপিপাসু। 


ওমরের বাবা ইব্রাহিমও তেমনই একজন মুসলিম ছিলেন, যিনি ছেলের জন্য জরাথ্রুস্টর ধর্মে বিশ্বাসী এক শিক্ষক বামান্যর বিন মারযবানকে নিয়োগ দেন। এই বামান্যরই কিশোর ওমরকে গণিত, বিজ্ঞান ও দর্শন বিষয়ে শিক্ষা দেন। 


১০৬৬ সালে, অর্থাৎ যে বছর ওমর আঠারো বছরের কিশোরে পরিণত হন, সে বছরই তাঁর পিতা এবং শিক্ষক উভয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পিতা এবং পিতৃতুল্য শিক্ষকের মৃত্যুতেও ভেঙে না পড়ে সংসারের হাল ধরেন তিনি। 


১০৬৮ সালে তিনি সমরখন্দে চলে আসেন। সেখানে তিনি তাঁর বাবার বন্ধু ও সে শহরের গভর্ণর আবু তাহিরের অধীনে কাজ শুরু করেন। কিছুদিনের মধ্যেই ওমরের অসাধারণ গাণিতিক জ্ঞান দেখে তাঁকে সরকারি অফিসে চাকরি দেন তাহির। এর কয়েক মাস পরই ওমর রাজার কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান। এই সময়ে তিনি বীজগণিত চর্চা করতে থাকেন।


বীজগণিত দিয়েই নিজের গবেষণা জীবন শুরু করেন খৈয়াম। ১০৭০ সালে তিনি তার জীবনের অন্যতম সেরা কাজ, ‘ডেমনস্ট্রেশন অব প্রবলেমস অব অ্যালজেবরা অ্যান্ড ব্যালেন্সিং’ প্রকাশ করেন। 


ওমর খৈয়াম একজন অসাধারণ কবি ছিলেন। তাঁর ‘রুবাইয়াৎ’ পড়লে যে কেউ মুগ্ধ হতে বাধ্য। এটি একটি কবিতা নয়, শত শত কবিতার সংকলন। ইতিহাসবিদ সাঈদ নাফসির মতে, ‘রুবাইয়াতে’ প্রায় ২,০০০ চতুষ্পদী কবিতা আছে, যেগুলোর সব বর্তমানে পাওয়া যায় না। তবে সর্বনিম্ন সংখ্যাটিও বলে, ওমর প্রায় ১২০০ এর মতো চতুষ্পদী কবিতা লিখেছেন। তাঁর এই কবিতার সংকলন ১৯ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত অবহেলিতই ছিল। 


১৮৫৯ সালে এডওয়ার্ড ফিটজগেরাল্ড এই কবিতা সংকলনের ইংরেজি অনুবাদ ‘রুবাইয়াৎ অব ওমর’ প্রকাশ করলে ওমরের কবি খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর কবিতাগুলো পশ্চিমা বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়। এমনকি তাঁর নিজ দেশের চেয়েও বেশি!


ওমর খৈয়ামের জীবনের অনেক দিকই আমাদের অজানা। তাঁর অনেক কাজও দুর্ভাগ্যজনকভাবে হারিয়ে গিয়েছে কালের স্রোতে। 


১১৩১ সালের ৪ ডিসেম্বর ওমর খৈয়াম তাঁর জন্মস্থান নিশাপুরে মৃত্যুবরণ করেন। 


দীর্ঘকাল তাঁর কবরের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ১৯৬৩ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে তাঁর কবর খুঁজে পাওয়া যায় এবং তা নিশাপুরে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে সে স্থানটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। 


ওমর খৈয়াম ১০৪৮ খ্রিস্টাব্দের আজকের দিনে (১৮ মে) পারস্যের বিখ্যাত বাণিজ্যিক শহর নিশাপুরে জন্মগ্রহণ করেন।


সাইপ্রেসের চোখ

 সাইপ্রেসের চোখ


পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত জায়গা।

এটি সাদা মরুভূমিতে আল-ফাররা ওয়েসিস এর উত্তরে অবস্থিত, এবং এটি একটি প্রাকৃতিক এবং তাজা জলের উৎস।

আইন আল সারু একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র কারণ এটি একটি ব্যতিক্রমী শান্ত পরিবেশে তার আকর্ষণীয় প্রকৃতি উপভোগ করে, এবং বিশ্বের তল ছাড়া এর দ্বারা কি বিখ্যাত

পানি শুকানোর আগ পর্যন্ত দিনে রাতে পানি পাম্প করে পানি বের হওয়া বন্ধ করা স্বাভাবিক

কিন্তু সাইপ্রেসের চোখের অদ্ভুত ব্যাপার হল এটি শুষ্ক থাকে যতক্ষণ না কোন প্রাণী, মানুষ বা পশু, তার কাছাকাছি আসে, তাই চোখের পানি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় যতক্ষণ না এটি পূর্ণ হয়, যাতে আপনি পান করতে পারেন, ধুয়ে নিতে পারেন এবং আপনার জন্য যা যথেষ্ট তা গ্রহণ করতে পারেন, এবং যখন আপনি চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, এটি আবার শুকিয়ে যেতে শুরু করে যতক্ষণ না এটি ফিরে আসে যে এটি যেমন ছিল।

এই অদ্ভুত ঘটনা বিশ্লেষণে বলা হয়েছিল যে এই অঞ্চলের পৃথিবী স্পঞ্জের মত এক বিশেষ ধরনের ভঙ্গুর এবং সংবেদনশীল নিয়ে গঠিত। পৃথিবীর অন্তস্থলে জলের জন্য সংরক্ষণ করা হয় এবং জীবিত জীব যখন তার উপর সংকুচিত হয় তখন জল সংরক্ষণ করা হয়। 

(কালেক্টেড)

মুখের দুর্গন্ধে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ সমূহ 

 🌿 মুখের দুর্গন্ধে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ সমূহ 🌿 ━━━━━━━━━━━━━━━ 🌿 ১️⃣ Mercurius Solubilis 👉 মুখে অতিরিক্ত লালা 👉 মাড়ি ফোলা ও ...