এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪

আানোয়ার ভাই

 ভাই আনোয়ার চাচতো চাচতো ভাই



বিদ্যাসাগরেরও আগে তিনি বিধবা বিবাহের জন্য সচেষ্ট হয়েছিলেন

 বিদ্যাসাগরেরও আগে তিনি বিধবা বিবাহের জন্য সচেষ্ট হয়েছিলেন। তাঁর দেওয়া জমির ওপর দাঁড়িয়ে আছে কলকাতা মেডিকেল কলেজ। কে তিনি? 


আজ শোনাব এমন একজনের কাহিনি যাঁর সম্পর্কে হিন্দু ইন্টেলিজেন্সার লিখেছিল দি মোস্ট ভারচুয়াস বাবু। বলা যায় তিনি ছিলেন ‘রথসচাইল্ড অফ ক্যালকাটা‘। শিবনাথ শাস্ত্রীর মতে তাঁর মতো সত্‍ ও বিনয়ী ব্যবসায়ী ছিলেন বিরল। তিনি মতিলাল শীল। ১৭৯২ সালে, কলকাতায়, এক সুবর্ণবণিক পরিবারে জন্ম তাঁর। পিতা চৈতন্যচরণ শীল ছিলেন চীনাবাজারে কাপড়ের ব্যবসায়ী। কিন্তু মাত্র পাঁচ বছরে পিতৃহীন হয়ে পড়ায় বেশিদূর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভের সুযোগ হয়নি তাঁর। খুব অল্প বয়সেই ইংরেজ কোম্পানির অধীনে সামান্য বেতনের চাকরি দিয়ে জীবন শুরু। সতেরো বছর বয়সে ১৮০৯ সালে বিয়ে হল সুরতী বাগানের মোহন চাঁদ দে-র কন্যা নাগরী দাসীর সঙ্গে। শ্বশুরের পরামর্শে ১৮১৫ সালে ফোর্ট উইলিয়ামে কর্মচারী হয়ে যোগ দেন। পরে গুদাম-সরকার হন। এরপরে ফোর্ট উইলিয়ামের চাকরি ছেড়ে কিছুদিনের জন্য বালিখালের কাস্টমস দারোগার চাকরি করেন। কিন্তু বাণিজ্য তাঁর জন্মগত। তাই ১৮১৯ সালে পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা সামান্য কিছু মূলধন নিয়ে শুরু করলেন ব্যবসা। কীসের? বোতল-ছিপির কারবার। বিয়ার রপ্তানীকারী হাডসন সাহেবকে বোতল ছিপি জোগাতেন মতিলাল। পাশাপাশি সুতির কাপড় আর লোহা আমদানির বিনিময়ে ব্রিটিশদের রপ্তানি করতেন নীল, চিনি, রেশম, চাল, নুন। এইভাবে মতিলাল এদেশীয় ও বিদেশীয় বাণিজ্যিক লেনদেনে একটা যোগসূত্রের কাজ করে অর্থ রোজগার করেছিলেন প্রচুর। তাঁর দক্ষতার কারণে ব্রিটিশরা তাঁকে 'বানিয়ান' পদে নিয়োগ করল। আপন উপার্জিত অর্থে কিনে ফেললেন প্রায় বারো-তেরোটা কার্গো জাহাজ যা পাড়ি দিত সূদুর অস্ট্রেলিয়ার উপকূল পর্যন্ত। শুধু তাইই নয়, তিনিই এদেশে প্রথম স্টিম ইঞ্জিন তৈরি করিয়ে ছিলেন। 


মতিলাল শীল শুধু উপার্জনই করেননি, তাঁর খ্যাতির কারণই ছিল অকাতরে দান করার জন্য। ঊনবিংশ শতকের বাংলায় সমাজকল্যাণে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ১৮৪১ খ্রিস্টাব্দে বেলঘরিয়ায় তৈরি করেছিলেন ভিক্ষাজীবীদের জন্য আশ্রম। দৈনিক পাত পড়ত অন্তত পাঁচশো জনের। এখনও আছে সেই আশ্রম, যেমন আছে হুগলীর গঙ্গাপাড়ে বাবু মতিলাল শীল ঘাট। অন্যদিকে শেয়ার কেনাবেচা, নগদ ও সুদের কারবারও করতেন কিন্তু তা মোটেও সমকালীন সুদখোরদের বাণিজ্যের মতো ছিল না। বরং মতিলালের টাকা ধার দেওয়ার পদ্ধতিটি ছিল অনেকটাই আজকের ব্যাঙ্কিং ও বিমা ব্যবস্থার পূর্বসূরী। ব্যাঙ্ক অফ ইণ্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যেও মতিলাল ছিলেন অন্যতম উদ্যোক্তা। মিশনারী-বিমুখ হিন্দু ছাত্রদের শিক্ষিত করে তোলার জন্য স্বনির্ভর উদ্যোগে ১৮৪২ খ্রিস্টাব্দে গড়ে তোলেন বাবু মতিলাল শীল ফ্রি কলেজ। পরে এর সঙ্গে যোগ হয় স্কুল। শিক্ষাদান ও পাঠ্যক্রম কিন্তু ছিল আধুনিক। প্রথমে ফাদার ফ্রান্সিস জেভিয়ারের (আজকের সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ) প্রতিষ্ঠান দেখত এর পঠন-পাঠন। কিন্তু নির্দেশ ছিল ধর্মের দিক দিয়ে ছাত্রদের প্রভাবিত করা যাবে না। কাজেই পরে যখন অভিযোগ ওঠে যে জেসুইট পাদ্রীরা সে নিয়ম মানছেন না তখন মতিলাল শীল পরিচালনার দায়িত্ব দেন রেভারেন্ড কৃষ্ণমোহন ব্যানার্জিকে। কলেজের ব্যয় তখনকার দিনে বার্ষিক ১২ হাজার টাকা আসত মতিলাল শীলের ট্রাস্ট থেকে। পড়ুয়া পিছু নেওয়া হত বার্ষিক এক টাকা সাম্মানিক ব্যয়।

বিদ্যাসাগরের আবির্ভাবের পূর্বেই মতিলাল শীল নিজের মতো করে বিধবা বিবাহ প্রবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন। ১৮৩৭ সালে ঘোষণা করেছিলেন প্রথম বিধবা বিবাহকারীকে তিনি বিশ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন। সোচ্চার হয়েছিলেন বাল্যবিবাহ রোধে। ছিলেন সতীদাহ প্রথার ঘোরতর বিরোধী। নারীকল্যাণ ও নারীশিক্ষার সমর্থক ছিলেন প্রবলভাবে। হীরা বুলবুল নামে এক পতিতার পুত্রের হিন্দু কলেজে ভর্তি হওয়াকে কেন্দ্র করে তৎকালীন সমাজে বেশ আলোড়ন উঠেছিল। তখন মতিলাল শীল বউবাজারের রাজা রাজেন্দ্র দত্তের সঙ্গে পরামর্শ করে গড়ে তুললেন হিন্দু মেট্রোপলিটান কলেজ। কতটা ব্যতিক্রমী ও নিজের সময়ের থেকে এগিয়ে থাকলে একজন মানুষ এই দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নিতে পারেন! 


মতিলাল শীলের কাছে কলকাতাবাসী তথা বাঙালির যে কতখানি ঋণ, তার জ্বলন্ত প্রমাণ কলকাতা মেডিকেল কলেজ। যে জমির ওপর বর্তমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল অবস্থিত, সেই পুরো ভূখণ্ডটাই এবং সঙ্গে এককালীন ১২ হাজার টাকা দান করেছিলেন মতিলাল শীল। পরিবর্তে তাঁর নামাঙ্কিত ওয়ার্ডে দেশীয় লোকজনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিল ব্রিটিশ সরকার। পরে ফিমেল ওয়ার্ড শুরু করার জন্য আবারও দিয়েছিলেন এক লক্ষ টাকা। কুষ্ঠরোগীদের পৃথক চিকিৎসার জন্য গড়ে তুলেছিলেন ডিস্ট্রিক্ট চ্যারিটেবল ট্রাস্ট। 


১৮৫৪ সালের ২০ মে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বঙ্গসন্তান। কিন্তু শেষ জীবনে নানা প্রকার আইনি ঝামেলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তবুও তাঁর ভূমিকার কথা শিরোধার্য। তিনি ছিলেন রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের মধ্যবর্তী কালের মানুষ। তৎকালীন সমাজ গঠনে তাঁর ভূমিকা ছিল অনেকটাই। সমাজকল্যাণ থেকে চিকিৎসার উন্নতি, নারীকল্যাণ থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে স্বনির্ভর উদ্যোগ - বঙ্গজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ছিল মতিশীলের অবদান। আর তাঁর এই অর্থের উৎস ছিল দাপুটে বাণিজ্য। ব্রিটিশ বণিকদের সাথে আপন বুদ্ধির জোরে সমানে সমানে পাল্লা লড়ে এই বাঙালি ব্যবসাকে দিয়েছিলেন সাফল্যের নতুন সংজ্ঞা। তবুও ব্যবসায়ী মতিলাল শীলের থেকে দানবীর মতিলাল শীল সর্বদাই অধিক স্মরণীয় কারণ আজও তাঁর ট্রাস্টের টাকাতেই বেলঘরিয়ার আশ্রম ও মতিলাল শীল ফ্রি কলেজ পরিচালিত হয়।


তথ্যসূত্র - 

ক্যালকাটা, দ্য লিভিং সিটি -সুকান্ত চৌধুরী (সংকলিত)


হিস্ট্রি অফ দি বৈশ্যজ অফ বেঙ্গল-প্রমথনাথ মল্লিক

উইকিপিডিয়া


সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৩-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৩-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে আজ রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে বাংলাদেশ।


জনগণের কল্যাণে কাজ করতে বৌদ্ধ নেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান - বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত। 


গাজায় গণহত্যার সমর্থকদের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই - জানালেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। 


বাংলাদেশ উচ্চ কার্বন নি:সরণকারী দেশ নয়, বরং শিল্পপ্রধান দেশগুলোর উচ্চ কার্বন নি:সরণজনিত কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের অসহায় শিকার - বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


কোলকাতায় ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজিম এর মরদেহ উদ্ধার - প্রধানমন্ত্রীর শোক।


চৌঠা জুলাই সাধারণ নির্বাচন আহ্বান করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। 


মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারে আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ দাফন করা হবে ইরানের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে। 


টেক্সাসে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে যুক্তরাষ্ট্রের।

কোনোও জেনারেশনই আর তা দেখতে পাবে না।,,,, টুটুল ভাই এর ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কোনোও জেনারেশনই আর তা দেখতে পাবে না।


আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা গরুর গাড়ি থেকে সুপার সনিক কনকর্ড জেট দেখেছি। পোস্টকার্ড, খাম, ইনল্যান্ড লেটার থেকে শুরু করে আজকের হোয়াটস্যাপ চ্যাটিং, ফেসবুক, ই-মেইল পর্যন্তও করছি। অসম্ভব মনে হওয়া অনেক জিনিসই সম্ভব হতে দেখেছি।


আমরা সেই জেনারেশন, যারা টেলিগ্রাম এসেছে শুনলেই ঘরগুষ্টির মুখ শুকিয়ে যেতে দেখেছি…


আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা মাটিতে বসে ভাত খেয়েছি আর প্লেটে ঢেলে চা খেয়েছি সুরুৎ শব্দে।


আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা ছোটবেলায় বন্ধুদের সাথে লুকোচুরি, বাঘবন্দি, ডাঙ্গুলি, দাড়িয়াবাধা, গোল্লাছুট, মার্বেল খেলেছি, বলার আঠায় বাঁশপাতা কাগজের ঘুড়ি বানিয়ে আকাশে উড়িয়েছি, নাড়া ক্ষেতে ফুটবল বানিয়ে খেলেছি।


আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা হ্যারিকেন আর কূপির আলোতে পড়াশুনা করেছি, বেত থেকে পাখার ডাঁটির চাপকানি খেয়েছি আর চাদরে হাফ বডি ঢুকিয়ে উপুড় হয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে পড়েছি দস্যু বনহুর, কুয়াশা, মাসুদ রানা, স্বপন কুমারের সিরিজ।


আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা ফ্যান, এসি, হিটার, ফ্রীজ, গ্যাস, মাইক্রোওভেনের অস্থাবর সুখ ছাড়াই কাটিয়েছি ছোটবেলা।


আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা ঈগল পেন থেকে বমি করা সুলেখা কালি হাতে মেখে মাথায় মুছে ‘বাবরের যুদ্ধবৃত্তান্ত’ লিখেছি, বড়দের পকেটে বড় নিবের উইংসাঙ দেখেছি আর নতুন বই-খাতার একটা আলাদা গন্ধ আর আনন্দ উপভোগ করেছি।


আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা বিনা টিফিনে স্কুলে গেছি, ইস্কুলে টিচারের হাতে মার খেয়ে, বাড়ি এসে নালিশ করাতে সেকেন্ড-রাউন্ড বেদম ফ্রি-ষ্টাইল ওয়ান-ওয়ে ফাইট সহ্য করেছি, দোষ তো আমার নাহলে টিচার মারবেন কেন?


আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা বড়দের সন্মান করেছি এবং এখনো করে যাচ্ছি।


আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা জোৎস্না রাতে ছাদে ট্রানজিস্টরে বিবিসি’র খবর, অনুরোধের আসর আর বিবিধ ভারতীর শেষ সাক্ষী।


আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা টেলিভিশনে খেলা দেখার জন্য ছাদে উঠে এ্যন্টেনা এডজাস্ট করে স্যিগনাল ধরার চেষ্টা করেছি। আমাদের ছিল তিন লাঠির এন্টেনা, আর ছিল টিভি স্ক্রিনে পার্মানেন্ট ঝিলমিলানি, তাতে কোনও প্রব্লেমই হোত না, ওটা জীবনের অঙ্গ ধরাই ছিল। গন্ডগোল পাকাতো ঐ লোডশেডিং।


আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা আত্মীয় স্বজন বাড়িতে আসার জন্য অপেক্ষা করেছি। ইচ্ছে করে বৃষ্টি ভিজে ইস্কুল থেকে বাড়ি ঢুকেছি।


আমরা সেই শেষ জেনারেশন যাঁরা সূর্য ডোবার আগেই বাড়ি ঢুকেছি।


আমরা সেই শেষ জেনারেশন যারা পূজো বা ঈদের সময় শুধু একটা নুতন জামার জন্য অপারগ বাবার দিকে চেয়ে থেকেছি।


আমরা সেই শেষ প্রজন্ম যারা রাস্তাঘাটে স্কুলের স্যারকে দেখামাত্র রাস্তাতেই নির্দ্বিধায় পায়ে হাত ছুঁয়ে সালাম করেছি।


আমরাই লাষ্ট জেনারেশন এখনও বন্ধু খুঁজি। জীবনের চলার স্রোতে হারিয়েছি জীবনের স্বর্গ।


লস্ট প্যারাডাইস।


এখন পৃথিবী রিটার্ন ব্যাক করবে ধীরে ধীরে সেই পিছনের দিনে ফিরে যাবে। আধুনিকতা বলতে আর কিছু সামনের দিকে আসবে না।


পৃথিবীর নানা রকম অবক্ষয় হতেই থাকবে


-কপি

বুধবার, ২২ মে, ২০২৪

হারানো বিজ্ঞপ্তি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গত ৩০ বছর ধরেই খুঁজে চলেছি আমার এই তিন বান্ধবীকে।

ছবির সবচেয়ে বামে বসে আছি আমি (লিপি)। 

আমার পাশে 

টুটু, তার পরে সীমা, আর সবার শেষে সানী। আমরা ১৯৯০ সালে তেজগাঁও কলেজে বিএ পাস কোর্সে ভর্তি হই। ওরা সবাই মগবাজারে থাকতো।  আমি থাকতাম শেওড়াপাড়া।

যতদুর জানি-

বিয়ের পর সানী এলিফেন্ট রোডে ওর শশুর বাড়িতে থাকতো। আর কোন সূত্র আমার হাতে নেই দেশ থেকে বহুদূরে নিউইয়র্কে থাকি। ইচ্ছে হলেও সন্ধান নেওয়ার উপায় নেই ভেবে ভেবে যখন বিষন্ন ভগ্নহৃদয় হয়ে গিয়েছিলাম, আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম- তখনই এই পেজের কথা মনে হলো।  


আমার বন্ধবীদের কেউ, তাদের পরিচিতদের কেউ আছেন এখানে?


আমাকে দিতে পারেন এদের কারো একজনের সন্ধান?


অনেক ধন্যবাদ।



সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২২-০৫-২০২৪ খ্রি

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২২-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা আজ — বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ সকলকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা।


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ — কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে দেশটির সহযোগিতা চাইলেন শেখ হাসিনা।


উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আওয়ামী লীগ সমর্থকদের জয় লাভ। 


দ্বিতীয় ধাপেও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ছিল শান্তিপূর্ণ — মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


নেতিবাচক রাজনীতি ও সংঘাত না থাকলে  আরও এগিয়ে যেত বাংলাদেশ —বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে আগামীকাল দেশে পালিত হবে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক। 


আজ তেহরানে প্রেসিডেন্ট রাইসির স্মরণে মূল শোক র‌্যালী অনুষ্ঠিত হবে - যোগ দেবেন অন্যান্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। 


গতকাল টেক্সাসে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি পর্বে তিন ম্যাচ টি—টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে হারালো স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র।


মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০২৪

১০০ টি কালজয়ী ভারতীয় বাংলা ছবি, শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দেখতে পারেন

 ♦️( ১০০ টি কালজয়ী ভারতীয় বাংলা ছবি, শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দেখতে পারেন)

অন্যতম সেরা একশত ভারতীয় বাংলা সিনেমা: আমার দেখা ভারতীয় উওমহাদেশে সবচেয়ে সমৃদ্ধ সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি। সেইখান থেকে একশত সিনেমা তালিকা করা ককষ্টসাধ্য ব্যাপার(নিচের সিরিয়াল মান অনুযায়ী নয়) 


১.পথের পাঁচালী(১৯৫৫)- সত্যজিৎ রায়

২.মেঘে ঢাকা তারা(১৯৬০)- ঋত্বিক ঘটক

৩.অপুর সংসার(১৯৫৯)- সত্যজিৎ রায়

৪.দেবী(১৯৬০)- সত্যজিৎ রায়

৫.নায়ক(১৯৬৬)- সত্যজিৎ রায়

৬.ইন্টারভিউ(১৯৭১)- মৃনাল সেন

৭.অযান্ত্রিক(১৯৫৮)- ঋত্বিক ঘটক

৮.বাঞ্চারামের বাগান(১৯৮০)- তপন সিনহা

৯.অশনী সংকেত(১৯৭৩)- সত্যজিৎ রায়

১০.আকালের সন্ধানে(১৯৮০)- মৃনাল সেন

১১.সাত পাকে বাঁধা(১৯৬৩)-অজয় কর 

১২.গনদেবতা(১৯৭৮)- তরুন মজুমদার

১৩.গল্প হলেও সত্যি(১৯৬৬)- তপন সিনহা

১৪.মহানগর(১৯৬৩)-সত্যজিৎ রায়

১৫.সোনার কেল্লা(১৯৭৪)- সত্যজিৎ রায়

১৬.পরশ পাথর(১৯৫৮)- সত্যজিৎ রায়

১৭.গোপী ঘাইন বাঘা বাইন(১৯৬৯)- সত্যজিৎ রায়

১৮.পদাতিক(১৯৭৩)- মৃনাল সেন 

১৯.যুক্তি তক্কো আর গপ্পো(১৯৭৪)- ঋত্বিক ঘটক

২০.হীরক রাজার দেশে(১৯৮০)- সত্যজিৎ রায়

২১.পারমিতার একদিন(১৯৯৯)- অপর্ণা সেন

২২.বাড়িওয়ালী(১৯৯৯)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

২৩.উৎসব(২০০০)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

২৪.পদ্মা নদীর মাঝি(১৯৯৩)- গৌতম ঘোষ

২৫.অরন্যের দিনরাত্রি(১৯৭০)- সত্যজিৎ রায়

২৬.একদিন প্রতিদিন(১৯৭৯)- মৃনাল সেন

২৭.সতী(১৯৮৯)- অপর্ণা সেন

২৮.আবহমান(২০১০)-  ঋতুপর্ণ ঘোষ

২৯.লাল দরজা(১৯৯৭)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত

৩০.শব্দ(২০১৩)- কৌশিক গাঙ্গুলী

৩১.কাঞ্চনজঙ্ঘা(১৯৬২)- সত্যজিৎ রায়

৩২.সাড়ে ৭৪(১৯৫৩)- অগ্রদূত

৩৩.উত্তর ফাল্গুনী(১৯৬৩)- অসিত সেন 

৩৪.আগুন্তক(১৯৯১)- সত্যজিৎ রায়

৩৫.পরমা(১৯৮৫)- অপর্ণা সেন

৩৬.চোখের বালি(২০০৩)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৩৭.সুবর্ণ রেখা(১৯৬৫)- ঋত্বিক ঘটক

৩৮.চারুলতা(১৯৬৪)- সত্যজিৎ রায়

৩৯.হাঁসুলি বাঁকের উপকথা(১৯৬২)- তপন সিনহা

৪০.ঊনিশে এপ্রিল(১৯৯৫)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৪১.কলকাতা ৭১(১৯৭২)- মৃণাল সেন

৪২.দহন(১৯৯৭)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৪৩.বসন্ত বিলাপ(১৯৭৩)- দিনেন গুপ্ত

৪৪.জলসাঘর(১৯৫৮)- সত্যজিৎ রায়

৪৫.অপুর পাঁচালী(২০১৪)- কৌশিক গাঙ্গুলী

৪৬.এন্টনি ফিরিঙ্গি(১৯৬৭)-  সুনীল বন্দ্যোপাধ্যায় 

৪৭.জতুগৃহ(১৯৬৪)- তপন সিনহা

৪৮.অপরাজিত(১৯৫৬)- সত্যজিৎ রায়

৪৯.জন অরন্য(১৯৭৬)- সত্যজিৎ রায় 

৫০.বেলাশেষে(২০১৫)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৫১.ইচ্ছে(২০১১)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৫২.আমার ভুবন(২০০২)- মৃণাল সেন 

৫৩.সহজ পাঠের গপ্পো(২০১৭)- মানস মুকুল পাল

৫৪.দাদার কীর্তি(১৯৮০)-  তরুন মজুমদার 

৫৫.মুক্তধারা(২০১৩)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৫৬.জাতিস্মর(২০১৪)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়

৫৭.আসা যাওয়ার মাঝে(২০১৫) আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত

৫৮.দ্য জাপানিজ ওয়াইফ(২০১৪)- অপর্ণা সেন 

৫৯.আলো(২০০৩)- তরুন মজুমদার

৬০.কোমল গান্ধার(১৯৬১)- ঋত্বিক ঘটক

৬১.সোনার পাহাড়(২০১৮)- পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়

৬২.চতুষ্কোন(২০১৪)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়

৬৩.অন্তহীন(২০০৯)-অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী

৬৪.প্রাক্তন

৬৫.শুভ মহরত

৬৬.বালিকা বধূ

৬৭.হারানো সুর(১৯৫৭)- অজয় কর

৬৮.আকাশ কুসুম(১৯৬৫)-  মৃনাল সেন

৬৯.কাবুলিওয়ালা(১৯৫৭)- তপন সিনহা 

৭০.ঝিন্দের বন্দী(১৯৬১)- তপন সিনহা

৭১.ঘরে বাইরে(১৯৮৪)- সত্যজিৎ রায়

৭২.গয়নার বাক্স(২০১৩)- অপর্ণা সেন

৭৩.যুগান্ত(১৯৯৫)- অপর্ণা সেন

৭৪.গনশত্রু(১৯৮৯)- সত্যজিৎ রায়

৭৫.আরেকটি প্রেমের গল্প(২০১০)- কৌশিক গাঙ্গুলী

৭৬.চিত্রাঙ্গদা(২০১২)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৭৭.লাঠি(১৯৯৬)- প্রভাত রায়

৭৮.কালপুরুষ(২০০৫)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত

৭৯.পরশুরামের কুঠার(১৯৮৯)- নবেন্দু চট্টোপাধ্যায় 

৮০.উত্তরা(২০০০)-বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত 

৮১.সবার উপরে(১৯৫৫)-  অগ্রদূত

৮২.সপ্তপদী(১৯৬১)- অজয় কর 

৮৩.নৌকাডুবি

৮৪.হঠাৎ বৃষ্টি

৮৫.তাহাদের কথা(১৯৯২)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত 

৮৬- অর্ন্তঞ্জলি যাত্রা(১৯৮৭)- গৌতম ঘোষ 

৮৭.যমালয়ে জীবন্ত মানুষ(১৯৫৮)- প্রফুল্ল চক্রবর্তী

৮৮.হসপিটাল(১৯৬০)- সুশীল মজুমদার

৮৯.ভানু গোয়েন্দা জহর এসিট্যান্ট(১৯৭১)- পুর্নেন্দু রায় চৌধুরী

৯০.বিদ্যাসাগর(১৯৫০)- কালী প্রসাদ ঘোষ 

৯১.ভানু পেল লটারি(১৯৫৮)- 

৯২.চৌরঙ্গী(১৯৬৮)- পিনাকি ভূষণ 

৯৩.দ্বীপ জ্বেলে যাই(১৯৫৯)- অসিত সেন 

৯৪.জ্যেষ্টপুত্র(২০১৯)- কৌশিক গাঙ্গুলী 

৯৫.হামি(২০১৮)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৯৬.নিমন্ত্রন(১৯৭১)- তরুন মজুমদার 

৯৭.আদালত ও একটি মেয়ে(১৯৮২)- তপন সিনহা

৯৮.মনের মানুষ(২০১০)- গৌতম ঘোষ 

৯৯.সবুজ দ্বীপের রাজা(১৯৭৩)- তপন সিনহা

১০০.বাইশে শ্রাবণ(২০১১)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়

©হৃদয় সাহা


কোন ছবি গুলো বাদ পরেছে যা এ লিস্টে আসার মত তা কমেন্টে জানিয়ে দিন ❤️

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের অটোগ্রাফ দেওয়ার জন্য এক টাকা নিতেন ।

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের অটোগ্রাফ দেওয়ার জন্য এক টাকা নিতেন ।

       আর সেই অটোগ্রাফের টাকা তোলা নিয়ে হয়ে গেল এক ধুন্ধুমার কাণ্ড!

         নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর ভক্তদের কাছে কবির জনপ্রিয়তা  এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছিল, বলার নয়। 

নিজের অটোগ্রাফ দেওয়ার জন্য প্রতিদিন অসংখ্য ভক্ত কবির  অটোগ্রাফ নিতে আসতে শুরু করল।

 

প্রতিদিন অসংখ্য অটোগ্রাফের  খাতা আসত  কবির কাছে।

শুধু নাম সই করলে চলবে না, সঙ্গে দু'এক লাইন কবিতাও চাই।

প্রতিদিন কবিকে প্রচুর অটোগ্রাফের খাতায় সই করতে হত।

এছাড়া আরো অনেক আবদার মাখানো চিঠি আসত প্রতিদিন।

যেমন, 

আমার  ছেলে বা মেয়ের একটা নাম দিন দয়া করে।


সামনে মেয়ের বিয়ে, একটু আশীর্বাণী লিখে  দিন।

ছেলের অন্নপ্রাশন, দু'এক লাইন লিখে দিন আশীর্বাণী।

কার্ডে ছাপা হবে।


 অদ্ভুত সব চিঠি আসত। 

কেউ একটা কবিতার বই ছাপিয়েছে।

সেই কবি আবদার করে  লিখছে, 

আপনি নোবেল কমিটির কাছে  সুপারিশ করে একটা চিঠি  লিখে দিন যাতে  এ বছরের নোবেল প্রাইজটা আমি পেতে পারি। 

কবি এইসব পড়ে কাঁদবেন না হাসবেন, ভেবে পেতেন না।


একটা সময়  ব্যাপারগুলো কবির কাছে  অসহ্য হয়ে  গেল।

কবি ঠিক করলেন এবার থেকে আমি এক টাকা করে নেব  অটোগ্রাফের জন্যে।

এতে ভিড় কিছুটা কমবে।

আর এই টাকা শান্তিনিকেতনের দরিদ্র ভান্ডারের জন্য জমা হবে।

দরিদ্র ভান্ডারের উপকারও হবে।


রবীন্দ্রনাথ এ কাজের দায়িত্ব দিলেন আশ্রমের একজন আলু নামের কর্মীকে।

ভিড় তো কমলোই না উল্টে 

এই আলুর জন্যে কবিকে কত বিড়ম্বনায় যে পড়তে হল, তা বলার নয়।

আলুকে অটোগ্রাফের জন্য টাকা তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

আলু টাকা তুলতে লাগল। 

কিন্তু মুশকিল হল আলু একটু বাড়াবাড়ি শুরু করে  দিল।

আলু শেষে আশ্রমের ছেলেমেয়েরা অটোগ্রাফের জন্যে এলেও, তাদের কাছ থেকেও  টাকা নিত।

এমনকি কবির পরিচিত মানুষদের  কাছ থেকে অটোগ্রাফের জন্য টাকা নিত।

কবি বললেন,

 আরে আলু  করছো  কি? 

ওদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছো কেন? 

আলু বলে,

 আপনিই তো নিয়ম করেছেন, আমি কি করবো?


শেষে কবি বললেন,

 থাক অনেক হয়েছে বাবা, আর তোমাকে টাকা তুলতে হবে না।

এবার থেকে অটোগ্রাফের জন্যে কাউকে টাকা দিতে হবে না।


কবি হয়'ত মনে মনে বলেছিলেন কেন যে মরতে নোবেল প্রাইজটা পেলাম!

এজন্য কবি কি মনের দুঃখে গান লিখেছিলেন? 

" এ মণিহার আমায় নাহি সাজে। "


কে জানে?  


তথ্য সূত্রঃ

কবির স্নেহধন্যা  রাণী চন্দের বই,  "গুরুদেব " থেকে নেওয়া ।

( সংগৃহীত  )

জাতীয় সংগীতের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নন!

 জাতীয় সংগীতের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নন!


১৮৯০ থেকে ১৯০০ সাল। এই দশবছর টানা রবীন্দ্রনাথ কুষ্টিয়ার শিলাইদহে কাটিয়েছেন। এখানে বসে লেখা কবিতা ও গল্পগুলোই রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কীর্তি বলে মনে করা হয়। রবিঠাকুর তখন শিলাইদহের জমিদার।

স্ত্রী-ছেলেমেয়ে নিয়ে থাকেন কুঠি বাড়িতে। একদিন গভীর রাত। রবীন্দ্রনাথ জেগে আছেন। হয়তো লিখছিলেন, কিংবা ভাবনার জগতে ছিলেন নিমগ্ন।

হঠাৎ কে যে গান গেয়ে যায়। রবিন্দ্রনাথ ঝুল বারান্দায় আসেন। কুঠিবাড়ির সামনে চওড়া গেঁয়োপথ। সেই পথে কে যেনে গান গেয়ে যাচ্ছে।

লোকটার হাতে লন্ঠন। দূর থেকে ম্লান আলোয় পুরো চেহারা বোঝা যায় না। রবীন্দ্রনাথের মনে ধরে গানটা। যেমন কথা, তেমনি মিঠে সুর। গায়কীও চমৎকার।

পরদিন  রবীন্দ্রনাথ জানতে পারেন, রাতে যিঁনি গান গাইতে গাইতে এই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি শিলাইদহ পোস্ট অফিসের ডাক হরকরা। অর্থাৎ রানার। রাতে ডাক নিয়ে ফেরার পথে উচ্চস্বরে গান গাইতে ভালোবাসেন তিনি। লোকটার নাম গগন। গগন হরকরা।

রবিঠাকুর একদিন ডেকে পাঠান গগনকে। দারিদ্রপীড়িত মানুষ গগন। বয়সেও রবীন্দ্রনাথের চেয়ে বেশ বড়। গান তিনি গান, তবে অন্যের লেখা গান নয়। নিজের লেখা নিজেরই সুর। রবীন্দ্রনাথ  আবার শোনেন সেই গান। বড় ভালো লাগে।

বেশ কয়েক বছর, এদেশের রাজনীতি তখন উত্তাল। বৃটিশ সরকার শাসন আর শোষণের সুবিদার্থে বাংলাকে ভেঙ্গে দুভাগ করতে চাইছেন। কিন্তু রবিন্দ্রনাথসহ দেশের বহু মানুষ তখন এই বাংলা ভাগের বিপক্ষে অবস্থান নেয়, আন্দোলন করে। সেই আন্দলনের সময় রবীন্দ্রনাথ একটা গান লেখেন। সেটাই এখন আমাদের জাতীয় সঙ্গীত। কিন্তু গানটা রবীন্দ্রনাথ লিখলেও, সুরটা তাঁর নিজের নয়, শিলাইদহের সেই ডাক হরকরা সেই রাতে যে গান গাইতে গাইতে ডাকের বস্তা বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই গানটার সুর বসিয়ে দিলেন আমার সোনার বাংলা গানের গায়ে। পেয়ে গেলাম নম নরম করে দেয়া আমাদের জাতীয় সঙ্গিতটা। আর গগন হরকারা সেই গানের কথা ছিল: ''আমি কোথায় পাব তারে

আমার মনের মানুষ যেরে…


রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তার বিশেষ অন্তরঙ্গতা ছিল এবং প্রায়ই দুজনে রসালাপ ও সঙ্গীত চর্চা করতেন।রবীন্দ্রনাথ তার গুণমুগ্ধ ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের "যে তোমায় ছাড়ে ছাড়ুক" ও "আমার সোনার বাংলা" গান দুটি, গগন হরকরার যথাক্রমে "ও মন অসাড় মায়ায় ভুলে রবে" ও "আমি কোথায় পাব তারে" গান দুটির সুর ভেঙে রচিত হয়।


গগন কার কাছ থেকে গানের দীক্ষা নিয়েছিলেন তা জানা সম্ভব হয়নি, তবে গগন লালনের গানের খুব ভক্ত ছিলেন। লালনও গগনের গান এবং গগনের সান্নিধ্য খুব পছন্দ করতেন। গগনের গানের খুব ভক্ত ছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তিনি গগনের কাছে গগন ও লালনের গান শুনতেন। গগনের গান আমি কোথায় পাব তারের সুরে প্রভাবিত হয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশ এর জাতীয় সংগীত লিখেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ডাকঘর নাটকটি গগন হরকরার জীবন থেকে প্রভাবিত হয়ে লিখেছিলেন নাটকের গগেন্দ্রনাথ ঠাকুর চরিত্রটি তা প্রমাণ করে।




সবাই গল্প টা পরবেন 

 👇👇 সবাই গল্প টা পরবেন ♣️😢


√√•••আমি না থাক নামটা না হয় আমি না ই বললাম--আমি একজন নারী ওই যে কবিতাটা আছে না--আমি সেই মেয়ে বাসে ট্রেনে ট্রামে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন--যার শাড়ি কপালের টিপ কানের দুল আর পায়ের গোড়ালি আপনি রোজ দেখেন--হ্যাঁ এমনই একটা নিতান্তই সাধারণ নারী আমি--একটা ছোট মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম আমার--ধীরে ধীরে বড় হতে হতেই বুঝে ছিলাম নারী হয়ে জন্মে ভীষণ বড় ভুল করে ফেলেছি আমি--প্রথম বুঝে ছিলাম যেদিন 08 বছরের অবুঝ আমিকে আমার নিজের নাম বলবো না একজন খারাপ ভাবে ছুঁয়ে ছিল--খুব কষ্ট হয়ে ছিল আমার কেঁদে ছিলাম খুব--মাকে জড়িয়ে ধরে বলে ছিলাম সবটা মা সব শুনে আমার মুখ চেপে বলে ছিলো উনি না তোর গুরুজন হয় গুরুজনের সম্পর্কে অমন কথা বলতে নেই মা--আমি অবাক হয়ে শুনেছিলাম কষ্টটা নিজের মনে চেপে নিজেই গুমরে মরে ছিলাম--আরেকটু বড় হলাম বুঝতে শিখে ছিলাম নারী শরীর সবাই খারাপভাবে ছুঁতে চাই বারংবার--বাসে পাশে বসা যাত্রী টিউশনের স্যার সবাই বারবার ছুঁতে চেয়েছে আমার স্তনযুগল নিম্নাঙ্গ--কেউ একবারের জন্যও তাকায়নি আমার মুখের দিকে--আমার চোখে সে কি ভীতি জমেছে ধীরে ধীরে তাঁরা কেউই লক্ষ্য করেনি--কলেজ জীবনে পা দিয়ে যখন প্রথম প্রেমে পড়লাম ভাসলাম আবেগের সাগরে--তখনও দেখলাম আমার প্রেমিক পুরুষটি কখনোই ভালোবাসেনি আমাকে--আমার চোখের গভীর ভাষা বুঝে ওঠার আগেই সিনেমা হলের গোপন অন্ধকারে সে আবিষ্কার করতে চেয়ে ছিল আমার নগ্ন শরীর--প্রত্যাখ্যান করলে বলে ছিল আমি নাকি ভালোবাসিনা তাঁকে--সত্যিই কি আমি ভালোবাসিনি নাকি সে আমাকে কে জানে--সেই যে প্রেমের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এলাম আর কাউকে কোনো দিন ভালোবাসতে পারিনি--নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে কিনা তাই কলেজ শেষ  হতে না হতেই সম্পূর্ণ অপরিচিত এক মানুষের হাতের সিঁদুর উঠলো আমার সিঁথিতে--এই যে আজ হ্যাঁ আজ আজ আমার ফুলসজ্জা--যেই দিন নিয়ে সব মেয়েদের জীবনে কিছু সুখস্মৃতি থাকে--আমি তো চেয়ে ছিলাম আমার স্বামীকে চিনতে--কিন্তু সে সে যে এসেই আমার শরীরটা ছিঁড়ে খেতে শুরু করলো--আমার নগ্ন শরীর সে দুচোখ ভোরে দেখলো--আজও একটি বারের জন্য তাকালোনা আমার চোখের দিকে--যে চোখ তাঁকে ভরসা করতে চেয়ে ছিল সে চোখে আজ পাহাড় সমান ঘৃণা--আমি ক্লান্ত নারী শরীর বহণ করতে করতে আমি ক্লান্ত--নারী শরীর মানে শুধুই কি তাঁর স্তনযুগল আর নিম্নাঙ্গ--কখনো কি তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে তাঁর মনের কষ্টটা কেউ বুঝবেনা--স্তনের নীচে চাপা পড়ে থাকা মনের খোঁজ কি কেউ কোনো দিন নেবে না--যুগে যুগে নারী ধ'র্ষি'তা নারী শরীর ভোগ্য বস্তু হয়েছে সবার কাছে--নারী মনের খোঁজ কজনই বা রাখে--আমি চাইনা এ শরীর চাইনা এ দেহের গঠন--আমার স্তনযুগল নিম্নাঙ্গ কেউ কেটে বাদ দিয়ে দিক আমার শরীর থেকে--থেকে যাক আমার অশ্রুভরা দুই নয়ন কাউকে ভরসা করে আঁকড়ে ধরতে চাওয়া দুটো হাত আমার ভীত কম্পিত অধরোষ্ঠ--সসম্মানে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাওয়া দুটো পা থেকে যাক!••••❤️‍🩹💔 😔🥹কেউ বাজে কমেন্ট করবেন না জার পছন্দ হবে সে এরিয়ে জাবেন🙏🙏🙏


😢😢🥹💔 সত্যি কি নারী হওয়া অনেক বড় পাপ 😓😔😔😔 কালেক্ট👇👇 

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



ওসিয়তনামা(উইল)।

 ⛔ওসিয়তনামা(উইল)।👇 ওসিয়তনামা (উইল) এর নমুনা ফরম্যাট নোট: বাংলাদেশে মুসলিম ব্যক্তির ওসিয়ত সাধারণত মোট সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কার্যকর হয়...