এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪

বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানীর লেখা বই পৃথিবীর বিখ্যাত বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে রাখা

 ভাবা যায়!!! 

বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানীর লেখা বই পৃথিবীর বিখ্যাত বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে রাখা হয়। আর সেখানে, তাঁকে বাঙালি চিনেও না, নামও শুনেনি হয়তো অনেকে। নিচের লেখাগুলোতে সেটাই স্পষ্ট-


"বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানী সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, "সে সেরা। আমি তার কাছে কিছুই না।"


"সায়েন্স ওয়ার্ল্ড" নামে একটি বিজ্ঞান ম্যাগাজিন ২০০৭ সালে জামাল নজরুল ইসলামকে নিয়ে একটি ফিচার ছাপিয়েছিল। বাংলাদেশের কোনো ম্যাগাজিনে উনাকে নিয়ে লেখা এটিই ছিলো প্রথম ও শেষ ফিচার।


"কৃষ্ণবিবর" নামে উনার একটি বই আছে যেটা বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর ।


শুধু এটাই নয়, "কৃষ্ণবিবর" "দ্য আল্টিমেট ফেইট অব ইউভার্স" "রোটেটিং ফিল্ডস ইন জেনারেল রিলেটিভিটি" বইগুলো অক্সফোর্ড কেমব্রিজ আর হার্ভার্ড এর মত বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও ১০০ টারও বেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো পড়ানো হয়।

কিন্তু যে দেশে তিনি জন্মেছিলেন, সেই বাংলাদেশের কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বই থেকে কোন লেকচার দেয়া হয় বলে আমার জানা নেই...


২০০১ সালে যখন পৃথিবী ধ্বংস হবার একটা গুজব উঠেছিল তখন জামাল নজরুল ইসলাম অংক কষে বলেছিলেন পৃথিবী তার কক্ষপথ থেকে ছুটে চলে যাবার কোনো সম্ভাবনা নেই।


স্টিফেন হকিং কে চিনে না এমন মানুষ খুব কম আছে। উনার লেখা "আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম" বইটি এক কোটি কপিরও বেশী বিক্রি হয়েছে সারাবিশ্বে । সে বইটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৮ সালে।


কিন্তু এই বইটি প্রকাশের প্রায় ৫ বছর আগেই ১৯৮৩ সালে জামাল নজরুল ইসলাম "দ্যা আল্টিমেট ফেইট অব দ্য ইউনিভার্স" বইটি লিখেছিলেন। দুটো বই-ই প্রায় একই সব টপিকের উপর লিখা। ব্লাকহোল, ওয়ার্ম হোল, সুপারনোভা, কসমিক রেডিয়েশন, প্যারালাল ইউনিভার্স, বাটারফ্লাই ইফেক্ট ইত্যাদি সব জোতিপদার্থর্বিজ্ঞানীয় ব্যাপারগুলোই ঘুরেফিরে দুটো বইতেই উঠে এসেছে। কিন্তু তুলনামূলক বিচারে জামাল নজরুল ইসলামের বইটিকেই বিশ্বখ্যাত বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকগন অধিক মূল্যায়ন করেছেন, যেটি প্রকাশিত হয়েছিল হকিং এর বইয়েরও প্রায় ৫ বছর পূর্বে।

অথচ হকিং এর বই নিয়ে যতটা না মাতামাতি সারাবিশ্বে হয়েছে, তার ছিঁটেফোঁটাও হয়নি জামাল নজরুল ইসলামের কোন বই নিয়ে.. কেনো? পরে বলছি।

বলা হয়ে থাকে, বিশ্বের ৭ জন শ্রেষ্ট বিজ্ঞানীর নাম বলতে গেলে সে তালিকায় নাকি জামাল নজরুলের নামও চলে আসবে।

বিশ্বের বুকে বাংলার গর্ব জামাল নজরুল ইসলাম। 


১৯৮১ সালে লন্ডনের লাখ টাকা বেতনের চাকরি এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধা ছেড়ে মাত্র ৩ হাজার (২৮ শত) টাকা বেতনের চাকরি নিয়ে তিনি চলে আসেন মাতৃভূমি বাংলাদেশে। বাংলাদেশের বিজ্ঞান শিক্ষা এবং বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তিনি। তাই সব সুযোগ সুবিধা ছেড়ে দেশে চলে এসেছিলেন।


সংগৃহীত: মহাকাশের যত কথা

পিরামিড রহস্য ৪

 পিরামিড রহস্য ৪


৭ পিরামিড তৈরির সবচেয়ে সমস্যা ছিল পাথর বহন। বিশাল বিশাল পাথরের চাঁই বহুদূর থেকে নিয়ে আসার মতো যন্ত্রপাতি আর প্রযুক্তি সেকালে আদৌ কি ছিল?


 এ প্রশ্নের উত্তর মিলতে সময় লেগেছে। তাই হয়তো মিসর নিয়ে মানুষ এত এত রহস্যের জাল বুনেছে।


 বেশির ভাগ পিরামিড তৈরি হয়েছে এমন সব জায়গায়, যার আশপাশে প্রচুর পাথরের জোগান আছে।


বহুদূর থেকে আসলে বয়ে আনা হয়নি পাথর। আনা হয়েছে আশপাশ থেকে। যেমন খুফু গ্রেট পিরামিড কেন গিজায় বানালেন। তাঁর বাবা স্নেফেরুর পিরামিডগুলো বানিয়েছিলেন।


দাশুরে। এর কাছাকাছি কোনো জায়গায় খুফু পিরামিড বানাতে পারতেন। তা না করে তিনি কেন গিজায় পিরামিড বানালেন, তার কারণ আগেই বলেছি —


 পাথরের পর্যাপ্ত জোগান। আসলে দাশুরের আশপাশের খনিগুলোতে পাথরের জোগান শেষ হয়ে গিয়েছিল।


তাই গিজাকে বেছে নেন খুফু। পর্যাপ্ত পাথরখনির কারণেই। সবাই এ সুবিধাটা পায়নি। দূর থেকেও পাথর বহনের নজির আছে পিরামিডগুলোতে। পাথর সহেজ নৌপথে পরিবহন করা যায়।


ভেলাজাতীয় জিনিস কিংবা বড় বড় নৌকা তৈরি করতে পারত মিসরীয়রা। ভাসমান কাঠ দিয়ে তৈরি করত ভেলা বা নৌকা। তার ওপর পাথরগুলো বেঁধে ছেড়ে দেওয়া হতো নদীতে। সেসব ভেলার সঙ্গে দড়ি বেঁধে গুন টানার মতো টেনে নেওয়া হতো নদীর কিনার থেকে। কখনো কখনো গবাদিপশুও ব্যবহার করা হতো গুন টানার কাজে। তাই চুনাপাথরের খনি অনেক দূরে হলেও সমস্যা ছিল না।


তবে অল্প দূরত্বে নেওয়াও কম কঠিন কাজ নয়। এই কঠিন কাজটা মিসরীয়রা করার জন্য একটা বিশেষ জিনিস তৈরি করেছিল। পাথরের চেয়ে বড় মাপের কাঠের মাচা তৈরি করা হয়েছিল। মাচাগুলো অনেকটা বিশালাকার স্লেজ গাড়ির মতো। পাথরের চাঁইগুলো ঢালু জায়গা থেকে গড়িয়ে তোলা হতো মাচার ওপর।


 নৌকার নিচে পানি আছে। পানি ঠেলে সহজেই নৌকা বাওয়া যায়। মাচাগুলো চলে কীভাবে? তা-ও আবার শুকনা বালুর ওপর।


প্রথমে মাচা চলার রাস্তায় পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে বালুকে শক্তপোক্ত করা হতো, যাতে ধসে না যায়, তার ওপর রাখা হতো গাছের গুঁড়ি। সেই গুঁড়িগুলোর ওপর দিয়ে চালিয়ে দড়ি বেঁধে টেনে নেওয়া হতো। বহু লোক একসঙ্গে দড়ি বেঁধে কিংবা ঠেলে পাথর গড়িয়ে নিত।


 তাই কাজটা কঠিন হলেও অসাধ্য ছিল না। মনে রাখতে হবে, একেকটা বড় আকারের পিরামিড বানাতে ১০ হাজারের বেশি লোক কাজ করেছেন একসঙ্গে।


 তাঁদের মিলিত শক্তি কম নয়। তা সত্ত্বেও পিরামিড যখন উঁচু হতে হতে কয়েক শ ফুট হয়ে গেছে, তখন অত উঁচুতে কীভাবে তোলা হতো পাথর?


আসলে এ নিয়ে প্রত্নতত্ত্ববিদেরাও দ্বিধাবিভক্ত। অনেকগুলো তত্ত্ব তাঁরা খাড়া করেছেন। সেগুলোর প্রতিটিই যুক্তিযুক্ত। তবে এটা ঠিক, সব পিরামিড একই পদ্ধতিতে তৈরি হয়নি। দিন যত এগিয়েছে, বদলেছে কৌশলের ধরন।


পিরামিড তৈরির একটা জনপ্রিয় তত্ত্ব হলো র‌্যাম্প থিওরি। এ পদ্ধতিতে নির্মাণ করা হতো ঢালু পথ, যা পিরামিড কাঠামোর সঙ্গে লাগানো। এটা দেখতে গ্যারেজে গাড়ি ঢোকানোর জন্য পথের মতো। সমতল ঢালু পথ। এই পথে পাথরগুলোকে টেনে ওপরে ওঠানো হতো।


আরেকটা হলো সুইচব্যাক পদ্ধতি। এ পদ্ধতি অনেকটা জিগজ্যাগ পদ্ধতিতে পিরামিডের চারপাশে তৈরি করা হতো র্যাম্পগুলো। অনেকটা প্যাঁচানো ধাপহীন সিঁড়ির মতো। পিরামিডের নির্মাণকাজ শেষ হলে ধ্বংস করে ফেলা হতো সব কটি র‌্যাম্প।


অন্যদিকে পিরামিডের চারপাশে পরিখা খননেরও একটা কারণ বের করে ফেলেছেন গবেষকেরা।


 পিরামিডের চারপাশে বড় পাথরগুলো সরানোর কাজটাও কম ঝক্কির ছিল না। তাই ভেলায় বেঁধে সহজেই এপাশ থেকে ওপাশ করানো যেত পরিখার পানিতে ভাসিয়ে।

সংগৃহীত. 

১০০ টি কালজয়ী ভারতীয় বাংলা ছবি, শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দেখতে পারেন

 ♦️( ১০০ টি কালজয়ী ভারতীয় বাংলা ছবি, শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দেখতে পারেন)

অন্যতম সেরা একশত ভারতীয় বাংলা সিনেমা: আমার দেখা ভারতীয় উওমহাদেশে সবচেয়ে সমৃদ্ধ সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি। সেইখান থেকে একশত সিনেমা তালিকা করা ককষ্টসাধ্য ব্যাপার(নিচের সিরিয়াল মান অনুযায়ী নয়) 


১.পথের পাঁচালী(১৯৫৫)- সত্যজিৎ রায়

২.মেঘে ঢাকা তারা(১৯৬০)- ঋত্বিক ঘটক

৩.অপুর সংসার(১৯৫৯)- সত্যজিৎ রায়

৪.দেবী(১৯৬০)- সত্যজিৎ রায়

৫.নায়ক(১৯৬৬)- সত্যজিৎ রায়

৬.ইন্টারভিউ(১৯৭১)- মৃনাল সেন

৭.অযান্ত্রিক(১৯৫৮)- ঋত্বিক ঘটক

৮.বাঞ্চারামের বাগান(১৯৮০)- তপন সিনহা

৯.অশনী সংকেত(১৯৭৩)- সত্যজিৎ রায়

১০.আকালের সন্ধানে(১৯৮০)- মৃনাল সেন

১১.সাত পাকে বাঁধা(১৯৬৩)-অজয় কর 

১২.গনদেবতা(১৯৭৮)- তরুন মজুমদার

১৩.গল্প হলেও সত্যি(১৯৬৬)- তপন সিনহা

১৪.মহানগর(১৯৬৩)-সত্যজিৎ রায়

১৫.সোনার কেল্লা(১৯৭৪)- সত্যজিৎ রায়

১৬.পরশ পাথর(১৯৫৮)- সত্যজিৎ রায়

১৭.গোপী ঘাইন বাঘা বাইন(১৯৬৯)- সত্যজিৎ রায়

১৮.পদাতিক(১৯৭৩)- মৃনাল সেন 

১৯.যুক্তি তক্কো আর গপ্পো(১৯৭৪)- ঋত্বিক ঘটক

২০.হীরক রাজার দেশে(১৯৮০)- সত্যজিৎ রায়

২১.পারমিতার একদিন(১৯৯৯)- অপর্ণা সেন

২২.বাড়িওয়ালী(১৯৯৯)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

২৩.উৎসব(২০০০)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

২৪.পদ্মা নদীর মাঝি(১৯৯৩)- গৌতম ঘোষ

২৫.অরন্যের দিনরাত্রি(১৯৭০)- সত্যজিৎ রায়

২৬.একদিন প্রতিদিন(১৯৭৯)- মৃনাল সেন

২৭.সতী(১৯৮৯)- অপর্ণা সেন

২৮.আবহমান(২০১০)-  ঋতুপর্ণ ঘোষ

২৯.লাল দরজা(১৯৯৭)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত

৩০.শব্দ(২০১৩)- কৌশিক গাঙ্গুলী

৩১.কাঞ্চনজঙ্ঘা(১৯৬২)- সত্যজিৎ রায়

৩২.সাড়ে ৭৪(১৯৫৩)- অগ্রদূত

৩৩.উত্তর ফাল্গুনী(১৯৬৩)- অসিত সেন 

৩৪.আগুন্তক(১৯৯১)- সত্যজিৎ রায়

৩৫.পরমা(১৯৮৫)- অপর্ণা সেন

৩৬.চোখের বালি(২০০৩)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৩৭.সুবর্ণ রেখা(১৯৬৫)- ঋত্বিক ঘটক

৩৮.চারুলতা(১৯৬৪)- সত্যজিৎ রায়

৩৯.হাঁসুলি বাঁকের উপকথা(১৯৬২)- তপন সিনহা

৪০.ঊনিশে এপ্রিল(১৯৯৫)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৪১.কলকাতা ৭১(১৯৭২)- মৃণাল সেন

৪২.দহন(১৯৯৭)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৪৩.বসন্ত বিলাপ(১৯৭৩)- দিনেন গুপ্ত

৪৪.জলসাঘর(১৯৫৮)- সত্যজিৎ রায়

৪৫.অপুর পাঁচালী(২০১৪)- কৌশিক গাঙ্গুলী

৪৬.এন্টনি ফিরিঙ্গি(১৯৬৭)-  সুনীল বন্দ্যোপাধ্যায় 

৪৭.জতুগৃহ(১৯৬৪)- তপন সিনহা

৪৮.অপরাজিত(১৯৫৬)- সত্যজিৎ রায়

৪৯.জন অরন্য(১৯৭৬)- সত্যজিৎ রায় 

৫০.বেলাশেষে(২০১৫)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৫১.ইচ্ছে(২০১১)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৫২.আমার ভুবন(২০০২)- মৃণাল সেন 

৫৩.সহজ পাঠের গপ্পো(২০১৭)- মানস মুকুল পাল

৫৪.দাদার কীর্তি(১৯৮০)-  তরুন মজুমদার 

৫৫.মুক্তধারা(২০১৩)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৫৬.জাতিস্মর(২০১৪)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়

৫৭.আসা যাওয়ার মাঝে(২০১৫) আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত

৫৮.দ্য জাপানিজ ওয়াইফ(২০১৪)- অপর্ণা সেন 

৫৯.আলো(২০০৩)- তরুন মজুমদার

৬০.কোমল গান্ধার(১৯৬১)- ঋত্বিক ঘটক

৬১.সোনার পাহাড়(২০১৮)- পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়

৬২.চতুষ্কোন(২০১৪)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়

৬৩.অন্তহীন(২০০৯)-অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী

৬৪.প্রাক্তন

৬৫.শুভ মহরত

৬৬.বালিকা বধূ

৬৭.হারানো সুর(১৯৫৭)- অজয় কর

৬৮.আকাশ কুসুম(১৯৬৫)-  মৃনাল সেন

৬৯.কাবুলিওয়ালা(১৯৫৭)- তপন সিনহা 

৭০.ঝিন্দের বন্দী(১৯৬১)- তপন সিনহা

৭১.ঘরে বাইরে(১৯৮৪)- সত্যজিৎ রায়

৭২.গয়নার বাক্স(২০১৩)- অপর্ণা সেন

৭৩.যুগান্ত(১৯৯৫)- অপর্ণা সেন

৭৪.গনশত্রু(১৯৮৯)- সত্যজিৎ রায়

৭৫.আরেকটি প্রেমের গল্প(২০১০)- কৌশিক গাঙ্গুলী

৭৬.চিত্রাঙ্গদা(২০১২)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৭৭.লাঠি(১৯৯৬)- প্রভাত রায়

৭৮.কালপুরুষ(২০০৫)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত

৭৯.পরশুরামের কুঠার(১৯৮৯)- নবেন্দু চট্টোপাধ্যায় 

৮০.উত্তরা(২০০০)-বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত 

৮১.সবার উপরে(১৯৫৫)-  অগ্রদূত

৮২.সপ্তপদী(১৯৬১)- অজয় কর 

৮৩.নৌকাডুবি

৮৪.হঠাৎ বৃষ্টি

৮৫.তাহাদের কথা(১৯৯২)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত 

৮৬- অর্ন্তঞ্জলি যাত্রা(১৯৮৭)- গৌতম ঘোষ 

৮৭.যমালয়ে জীবন্ত মানুষ(১৯৫৮)- প্রফুল্ল চক্রবর্তী

৮৮.হসপিটাল(১৯৬০)- সুশীল মজুমদার

৮৯.ভানু গোয়েন্দা জহর এসিট্যান্ট(১৯৭১)- পুর্নেন্দু রায় চৌধুরী

৯০.বিদ্যাসাগর(১৯৫০)- কালী প্রসাদ ঘোষ 

৯১.ভানু পেল লটারি(১৯৫৮)- 

৯২.চৌরঙ্গী(১৯৬৮)- পিনাকি ভূষণ 

৯৩.দ্বীপ জ্বেলে যাই(১৯৫৯)- অসিত সেন 

৯৪.জ্যেষ্টপুত্র(২০১৯)- কৌশিক গাঙ্গুলী 

৯৫.হামি(২০১৮)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৯৬.নিমন্ত্রন(১৯৭১)- তরুন মজুমদার 

৯৭.আদালত ও একটি মেয়ে(১৯৮২)- তপন সিনহা

৯৮.মনের মানুষ(২০১০)- গৌতম ঘোষ 

৯৯.সবুজ দ্বীপের রাজা(১৯৭৩)- তপন সিনহা

১০০.বাইশে শ্রাবণ(২০১১)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়

©হৃদয় সাহা


কোন ছবি গুলো বাদ পরেছে যা এ লিস্টে আসার মত তা কমেন্টে জানিয়ে দিন ❤️

সংগৃহীত

জন্মদিনে স্মরণঃ  ও ম র  খৈ য়া ম

 জন্মদিনে স্মরণঃ  ও ম র  খৈ য়া ম


"রুটি মদ ফুরিয়ে যাবে

প্রিয়ার কালো চোখ ঘোলাটে হয়ে যাবে

বই, সে তো অনন্ত যৌবনা।"


[ সৈয়দ মুজতবা আলী / ওমর খৈয়ামের কবিতার ভাবানুবাদ  ]


গিয়াসউদ্দিন আবুল ফাতেহ ওমর ইবনে ইব্রাহিম আল খৈয়াম নামটি যেমন বড়, ঠিক তেমনি এ নামের মানুষটি অনেক বড় বড় কাজ করে গেছেন। হ্যাঁ, ওমর খৈয়ামের কথাই বলা হচ্ছে।


তিনি একইসাথে একজন দার্শনিক, কবি, গণিতজ্ঞ এবং জ্যোতির্বিদ। রসকষহীন গণিত নিয়ে তিনি কাজ করেছেন। আবার তিনিই লিখেছেন মধুর সব কবিতা। চতুষ্পদী কবিতার সেই অমর সংকলন ‘রুবাইয়াৎ’। 


আধুনিক বীজগণিতের ভিত্তি তৈরি হয়েছে তাঁর হাতে। কাজ করেছেন ইউক্লিডীয় জ্যামিতি নিয়েও। ভূগোল, বলবিদ্যা, খনিজবিজ্ঞান, আইন, এমনকি সঙ্গীতও বাদ যায়নি তাঁর জ্ঞানপিপাসার তালিকা থেকে। জীবনের শেষ দিকে এসে হয়েছেন শিক্ষক; শিক্ষাদান করেছেন ইবনে সিনার দর্শন ও গণিত বিষয়ে। তিনি সত্যি অসাধারণ, অতুলনীয়, অনুপম; তিনি ওমর খৈয়াম।


তাঁর বাবা ইব্রাহিম খৈয়াম ছিলেন বিখ্যাত চিকিৎসক। তাঁর মায়ের নাম জানা যায় না। 


ওমর খৈয়াম ভাগ্যবানই ছিলেন বলা চলে। কারণ তিনি ইসলামের স্বর্ণযুগে জন্মগ্রহণ করেন। সে যুগে ইসলাম ছিল সকল ধরনের গোঁড়ামি, কুসংস্কার, সাম্প্রদায়িকতা বিবর্জিত। আর মুসলমানরাও ছিল মুক্তমনা ও জ্ঞানপিপাসু। 


ওমরের বাবা ইব্রাহিমও তেমনই একজন মুসলিম ছিলেন, যিনি ছেলের জন্য জরাথ্রুস্টর ধর্মে বিশ্বাসী এক শিক্ষক বামান্যর বিন মারযবানকে নিয়োগ দেন। এই বামান্যরই কিশোর ওমরকে গণিত, বিজ্ঞান ও দর্শন বিষয়ে শিক্ষা দেন। 


১০৬৬ সালে, অর্থাৎ যে বছর ওমর আঠারো বছরের কিশোরে পরিণত হন, সে বছরই তাঁর পিতা এবং শিক্ষক উভয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পিতা এবং পিতৃতুল্য শিক্ষকের মৃত্যুতেও ভেঙে না পড়ে সংসারের হাল ধরেন তিনি। 


১০৬৮ সালে তিনি সমরখন্দে চলে আসেন। সেখানে তিনি তাঁর বাবার বন্ধু ও সে শহরের গভর্ণর আবু তাহিরের অধীনে কাজ শুরু করেন। কিছুদিনের মধ্যেই ওমরের অসাধারণ গাণিতিক জ্ঞান দেখে তাঁকে সরকারি অফিসে চাকরি দেন তাহির। এর কয়েক মাস পরই ওমর রাজার কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান। এই সময়ে তিনি বীজগণিত চর্চা করতে থাকেন।


বীজগণিত দিয়েই নিজের গবেষণা জীবন শুরু করেন খৈয়াম। ১০৭০ সালে তিনি তার জীবনের অন্যতম সেরা কাজ, ‘ডেমনস্ট্রেশন অব প্রবলেমস অব অ্যালজেবরা অ্যান্ড ব্যালেন্সিং’ প্রকাশ করেন। 


ওমর খৈয়াম একজন অসাধারণ কবি ছিলেন। তাঁর ‘রুবাইয়াৎ’ পড়লে যে কেউ মুগ্ধ হতে বাধ্য। এটি একটি কবিতা নয়, শত শত কবিতার সংকলন। ইতিহাসবিদ সাঈদ নাফসির মতে, ‘রুবাইয়াতে’ প্রায় ২,০০০ চতুষ্পদী কবিতা আছে, যেগুলোর সব বর্তমানে পাওয়া যায় না। তবে সর্বনিম্ন সংখ্যাটিও বলে, ওমর প্রায় ১২০০ এর মতো চতুষ্পদী কবিতা লিখেছেন। তাঁর এই কবিতার সংকলন ১৯ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত অবহেলিতই ছিল। 


১৮৫৯ সালে এডওয়ার্ড ফিটজগেরাল্ড এই কবিতা সংকলনের ইংরেজি অনুবাদ ‘রুবাইয়াৎ অব ওমর’ প্রকাশ করলে ওমরের কবি খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর কবিতাগুলো পশ্চিমা বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়। এমনকি তাঁর নিজ দেশের চেয়েও বেশি!


ওমর খৈয়ামের জীবনের অনেক দিকই আমাদের অজানা। তাঁর অনেক কাজও দুর্ভাগ্যজনকভাবে হারিয়ে গিয়েছে কালের স্রোতে। 


১১৩১ সালের ৪ ডিসেম্বর ওমর খৈয়াম তাঁর জন্মস্থান নিশাপুরে মৃত্যুবরণ করেন। 


দীর্ঘকাল তাঁর কবরের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ১৯৬৩ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে তাঁর কবর খুঁজে পাওয়া যায় এবং তা নিশাপুরে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে সে স্থানটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। 


ওমর খৈয়াম ১০৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১৮ মে পারস্যের বিখ্যাত বাণিজ্যিক শহর নিশাপুরে জন্মগ্রহণ করেন।


সৌদি আরবে লাভা টিউবে ১০ হাজার বছরের মানুষ বসত 

 সৌদি আরবে লাভা টিউবে

১০ হাজার বছরের মানুষ বসত 

**********************

আগ্নেয়গিরির লাভা সমতলে এগোবার সময় বাইরের দিকটি ঠান্ডা ও কঠিন হবার পর  ভেতরের লাভা বয়ে বের হয়ে গেলে ওখানে  সুড়ঙ্গের মতো গুহা রেখে যেতে  পারে। একেই বলা হয় লাভা টিউব।  সাধারণভাবে এমন কোনো কোনো লাভা টিউব যে প্রাচীন মানুষের আশ্রয় হয়েছে , তার প্রমাণ মিলেছে।   সম্প্রতি সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিম  অঞ্চলে উম জিরসান  এলাকায়  মরুর মধ্যে এমনি একটি লাভা টিউবে ১০ হাজার বছর ধরে দফায় দফায় মানুষ বাসের বিস্তারিত প্রমাণ তো মিলেছেই , ওই নানা সময়ে এই এলাকার পরিবেশ নিয়েও জানা গেছে।  বাইরে খাঁ খাঁ রোদের  মরুতে প্রাচীন  জীবনের কোনো চিহ্ন না টিকলেও লাভা টিউবের ভেতর ঠান্ডা ও সুরক্ষিত পরিবেশে তার অভাব  ছিলোনা। আবিষ্কারটি প্রকাশিত হয়েছে প্লস ওয়ান জার্নালের এবছরের এপ্রিল সংখ্যায় ম্যাথু স্টুয়ার্ট প্রমুখের নিবন্ধে। উম জিরসানের লাভা টিউবটি প্রায় দেড় কিলোমিটার লম্বা , সব থেকে চওড়া জায়গায় ৪৫ মিটার প্রশস্ত , আর স্থান  বিশেষে ৮-১২ মিটার উঁচু।  মাঝে দুটি জায়গায় ধস থাকায় এটি তিন টুকরায় বিভক্ত ,  এছাড়া দুই প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ সম্ভব। ভেতরে প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ আর খননে বিভিন্ন স্তর থেকে  পাওয়া গেছে মানুষ ও প্রাণী  হাড়ের ফসিল , পাথর দিয়ে তৈরি নানা  হাতিয়ার, আর গুহার শিলায়  প্রাচীন মানুষের খোদাই করা ছবি। হাড়গুলোর  বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের একটি  ছিল আইসোটোপিক বিশ্লেষণ। কোনো জিনিসে এটমগুলো একাধিক নানা আইসোটোপের রূপে থাকতে  পারে , নিউট্রন কণিকার সংখ্যায় প্রভেদ অনুযায়ী। এতে একই এটমের  বিভিন্ন আইসোটোপ কী অনুপাতে আছে তার সঙ্গে এর জীবৎকালের পরিবেশের সম্পর্ক আছে বলে এই অনুপাত থেকে সেই প্রাচীন পরিবেশের খবর আমরা পাই। ওভাবে উদ্ভিদভোজী প্রাণীর হাড়ের আইসোটোপ অনুপাত  থেকে বোঝা যাচ্ছে তারা   তাজা ঘাস আর গুল্ম খেয়ে বড় হয়েছে। সাত হাজার বছরের মতো  আগের দিকের  মানুষের হাড়ে এই অনুপাত সে সময় প্রচুর   মাংস-নির্ভর   খাদ্য প্রমাণ করছে -তা  পোষা পশু চারণের জীবিকার  আলামতও দিচ্ছে । অর্থাৎ বন্য পশুকে গৃহপালিত করার কৃষি-কৌশলটি ইতিমধ্যেই এই অঞ্চলে এসে গিয়েছিলো, অথবা অন্য জায়গা থেকে গৃহপালিত পশু আনা  হয়েছিল। । আরো কয়েক হাজার বছর পরের মানুষের হাড়ে আইসোটোপ অনুপাত দেখাচ্ছে মানুষের খাবারে খেজুর, ডুমুর, ও গম যোগ হয়েছে। এতে  এ সময় মরুদ্যান- নির্ভর চাষের কৃষি এখানে চালু হয়ে গেছে এমন সাক্ষ্যই মেলে। ফসিল হাড় ও অন্যান্য জিনিসগুলোর বয়স নির্ণয় করা হয়েছে খুব সুক্ষ সব বৈজ্ঞানিক উপায়ে।  কার্বন ডেটিং এবং অপ্টিক্যালি স্টিমুলেটেড লুমিনেসেন্স পদ্ধতিই অনুসরণ করা হয়েছে যেখানে যেটি প্রযোজ্য। সাত হাজার আগের থেকে  মানুষের হাড় পাওয়া  গেছে - খুব সম্ভব বন্য হায়েনা ইত্যাদি এসে কবর ওলোটপালোট করার কারণে। পাথরের হাতিয়ার অবশ্য ১০ হাজার বছর আগে থেকেই পাওয়া গেছে। শিলার ওপরে আঁকা  ছবিগুলোতে মানুষ এবং পোষা ভেড়া ,ছাগল, কুকুর, ও গরুর ছবিই প্রায় সব. বেশ   সরলীকৃত করে আঁকা হলেও গরুর  সোজা সামনের দিকে  লম্বা শিং , ভেড়ার অনেকখানি ঘোরানো বাঁকা শিং ইত্যাদি অতিরঞ্জনের স্টাইলের মধ্য দিয়ে পশুর জাতগুলো ধরা পড়ছে। বিভিন্ন  কালের হলেও মনে হচ্ছে একই রকম অবসিডিয়ান পাথরের ধারালো সরু অস্ত্র দিয়ে শিলার ওপর রেখা খোদাই করে ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে-  বার্নিশ করা কালচে শিলার পিঠে কিছু রঙিন রেখা। ''' মানুষের পায়ের আওয়াজ'' বইটি দুনিয়ার নানা জায়গার নানা প্রত্ন-স্থানে আবিষ্কৃত প্রাগৈতিহাসিক  মানুষের জীবনের এমনি উদ্ঘাটনগুলো সামনে এনেছে তাদের নানা গল্পে। নিচের পেইজ নাম সার্চ করে আমার লেখক পেইজে গিয়ে বইটি সেখানেই পড়তে বা অর্ডার করতে পারবেন। পেইজটি ফলো করে,  পোস্টটি লাইক শেয়ার মন্তব্য করে  যোগ দিলে খুশি হবো।  



ছোট ছোট টিলার বুক চিরে তৈরী করা ইরানের আশ্চর্য গ্রাম,কান্দোভান " The Laleh Kandovan 

 " ছোট ছোট টিলার বুক চিরে তৈরী করা ইরানের আশ্চর্য গ্রাম,কান্দোভান " The Laleh Kandovan 


**********************************************


পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন দেশের মধ্যে এমনই কিছু গ্রাম রয়েছে যা সত্যিই বেশ অদ্ভুত। কোনোটা প্রাকৃতিক কারণে এবং কোনটা মনুষ্য সৃষ্ট কারণে সেই গ্রামগুলি অনন্য এক নজির স্থাপন করেছে। এরকমই আরও একটি গ্রামের অজানা তথ্য শেয়ার করব আপনাদের সঙ্গে।


 কান্দোভান গ্রাম, ইরান ::--


প্রথমবার এই গ্রাম দেখার পর আপনি অবাক হবেন এটা এক রকম নিশ্চিত। চারিদিকে জমাট বাধা পাথরের স্থাপত্য গুলি দেখলে মনে হবে পাথররা আপনাকে বলছে শক্ত নিরেট প্রস্তর শহরে আপনাকে স্বাগত।


ইরানের পূর্ব আজারবাইজানের ওস্কু উপশহরের একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবহুল ও ঐতিহাসিক গ্রামের নাম কান্দোভান। তাব্রিজ শহর থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওস্কু শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে সাহান্দ পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত এই ছোট্ট গ্রামটি।


সাহান্দ পর্বতের চমৎকার আবহাওয়া এই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য গ্রামটির শোভা আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্বের প্রস্তরময় বা পাথুরে গুহাময় তিনটি বিখ্যাত গ্রামের একটি হলো কান্দোভান। এ বিষয়টি কান্দোভানকে নজিরবিহীন সৌন্দর্যে ভূষিত করেছে। কান্দোভনের আরেকটি ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য হলো এখানে মানুষজন ভালোভাবেই বসবাস করে অর্থাৎ এখানে জীবনের সকল আয়োজন রয়েছে।


ইরানের কান্দোভন পল্লীতে জীবনের সাড়া আছে সেই বহুকাল আগে থেকেই। পৃথিবী বিখ্যাত পুরাতাত্ত্বিকগণ এই গ্রামটিকে ইসলাম-পূর্ব যুগ থেকেই মানব বাস উপযোগী ছিল বলে মনে করেন। এখানে রয়েছে বড় বড় টিলা। এসব টিলার কোনো কোনোটির উচ্চতা চল্লিশ মিটারের মতো। 


এইসব সুউচ্চ টিলাগুলির বুক চিরে তৈরি করা হয়েছে বসতবাড়ি ,গোয়ালঘর, গুদাম এবং ছোটো ছোটো কামরা। আক্ষরিক অর্থে দেখতে খুবই সুন্দর এগুলো। আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার পর্যটকগণ এই গ্রামটির পাহাড়ি সৌন্দর্য দেখে এটিকে বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনগুলোর তালিকাভুক্ত করেছেন।


কান্দোভানের গ্রামে মসজিদ, হাম্মাম, মাদ্রাসা, যাঁতাকলসহ সকল প্রয়োজনীয় সুবিধাদি রয়েছে। যে গুহাটিতে মসজিদ আছে ওই গুহাটি এখানকার সবচেয়ে বড় গুহা বা গহ্বর। প্রতিদিন প্রায় নিয়ম করে পাঁচবার নামাজ সম্পন্ন হয় এই মসজিদে।


কান্দোভান গ্রামে ইরানের শীতপ্রধান অন্যান্য পার্বত্য এলাকাগুলোর মতো কোথাও কোথাও মূল কক্ষেও ইরানের বিখ্যাত তন্দুর রুটি তৈরির চুল্লি রয়েছে। তবে কান্দোভানের অধিকাংশ পরিবার সাধারণত ঘরের বাইরেই তন্দুর তৈরির চুল্লি ব্যবহার করেন।


কান্দোভানের উপত্যকাগুলো বিশেষ করে উত্তর এবং দক্ষিণের শ্যামল উপত্যকাগুলো ইরানের পার্বত্য অঞ্চলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো আবহাওয়াময় অঞ্চল। এ উপত্যকায় মোটামুটি বড় একটা নদী এবং অনেকগুলো ঝর্ণাধারা বর্তমানে বহমান। 


এই ঝর্ণাগুলো এই অঞ্চলে বসবাসকারী অধিবাসীদের বিশুদ্ধ জলের প্রধান উৎস। কান্দোভানের ঝর্নার খনিজ জলের কিছু ব্যতিক্রমধর্মী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এখানকার স্থানীয় অধিবাসীরা মনে করেন কিডনির পাথর দূর করার ক্ষেত্রে এই ঝর্ণার জল খুবই কার্যকর। কান্দোভানের আশেপাশের উপত্যকাগুলো পশুপালনের জন্যে খুবই উপযোগী। এই অঞ্চলের বেশ কিছু অধিবাসীদের অন্যতম উপজীবিকা এই পশুপালন।


উন্নত পৌষ্টিক গুনসম্পন্ন মধু এবং দুগ্ধজাত পণ্যাদির জন্যে কান্দোভানের রয়েছে বিশ্বজোড়া সুনাম। এখানকার স্থাপত্যগুলোও অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এটি বর্তমানে ইরানের একটি অন্যতম বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। দূর দূরান্তের পর্যটকরা ইরান ভ্রমণে এলে অবশ্যই এই স্থানটিকে রাখেন তাদের পর্যটনের তালিকায়। ইরানের জাতীয় ঐতিহ্যের তালিকায় কান্দোভানের নাম বহু আগেই স্থান পেয়েছে।


 এই কান্দোভানের সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, পাথরে ঘেরা এই ছোট্ট গ্রামটিতে রয়েছে " The Laleh Kandovan "  নামে পাথরের তৈরি একটি আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারা হোটেল। যে হোটেলটিতে ইরানে আগত বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের কর্মীরা এবং এই স্থানে আগত বিভিন্ন উচ্চপদস্থ অফিসাররা বসবাস করে থাকেন।

#জ্ঞান৷ 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র যখন রিকশা চালক (গর্বিত শিক্ষার্থী)

 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র যখন রিকশা চালক (গর্বিত শিক্ষার্থী)


"রাজশাহীতে প্রাইভেট টিউশনিতে পয়সা কম, তাই প্রতিমাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় এসে রিকশা চালাই।" রিকশার প্যাডেল ঘোরাতে ঘোরাতে খুব সহজেই এ কথাগুলো বললেন মো. মনিরুজ্জামান।


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যায়নরত এই শিক্ষার্থী প্রায় ১০ বছর ধরে এভাবেই নিজের ও ছোট দুই বোনের পড়াশেনার খরচ যোগাড় করছেন। গত মাসের শেষ সপ্তাহে মগবাজার থেকে পরিবাগ যাওয়ার পথে তিনি আরোহী প্রতিবেদককে জীবন যুদ্ধের এই গল্প শোনান।


মনির জানান, রাজশাহীতে নবম-দশম বা একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র- ছাত্রী প্রাইভেট পড়ালেও মাসে দুইশ-পাঁচশো টাকার বেশি পাওয়া যায় না। অথচ ঢাকায় প্রতিদিন রিকশা চালিয়ে তিনি প্রায় হাজার টাকা আয় করেন। মনির বলেন, ‘এক্ষেত্রে শারীরিক পরিশ্রমটা একটু বেশিই হয়। কিন্তু সৎ পথে থেকে কম সময়ে এত টাকা আয় করার অন্য কোনো উপায় আমি পাইনি।’ এরপরও মনিরের আক্ষেপ যে তিনি শুধু টাকার অভাবে বোনদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অনার্স’ পড়াতে পারেননি। বাধ্য হয়ে এখন তারা বাড়ির পাশের কলেজে ‘ডিগ্রি’ পড়ছেন।


এসএসসি পাশ করার পরই মনির প্রতি মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় রিকশা চালানো শুরু করেন। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তিনি শুধু মিরপুর এক নম্বরের তাইজুল মিয়ার গ্যারেজের রিকশাই চালান এবং ওই গ্যারেজেই থাকেন।

মনির বলেন, "এই কাজটি কখনোই আমার খারাপ লাগেনি। কাজ তো কাজই। আমি তো আর চুরি-ছিনতাই করছি না।"


কয়েক বছর আগে মাস তিনেকের জন্য চাকরিও করেছিলেন মনির। কিন্তু পরীক্ষার আগে ছুটি না পাওয়ায় তিনি সেটি ছেড়ে দেন। মনির আরো জানান, এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে মাস্টার্স শেষ হওয়ার পর তিনি বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার প্রস্তুতি নেবেন।


তুমি এই নষ্ট সমাজের একজন আদর্শ শিক্ষার্থী। জীবনে সফলতার চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করো এই কামনা করি।


সকল তথ্য পেতে দেখুন:-

 www.eduicon.com

২০১৪ ইং

নিজ  পারিবারিক চাহিদায় স্বয়ংসম্পূর্ন আনতে যেভাবে পরিকল্পনা করা যেতে পারেঃ

 নিজ পারিবারিক চাহিদায় স্বয়ংসম্পূর্ন আনতে যেভাবে পরিকল্পনা করা যেতে পারেঃ


*খাদ্য চাহিদাঃ


১)২টা গাভী।

২)৬টা মুরগী ১টা মোরগা।

৩)২বিঘা জমি ধান চাষ।

৪)একটা পুকুর।

৫)সবজি আঙিনা চাষ।


*বস্ত্র চাহিদা(উৎপাদন)ঃ


১)সেলাই ম্যাশিন(ম্যানোয়াল)।


*আদর্শ বাসস্থানঃ


১)বাড়ি সীমানা বেড়া/প্রাচীর দিয়ে ঘিরে দেয়া।

২)বাড়িতে উঠান রাখা।

৩)বাড়ির আঙ্গিনায় হালকা পাঁচ মিশালী সবজি চাষের ব্যাবস্থা করন।

৪)বাড়িতে টিউবয়েল স্থাপন/কুপ/হাউজ স্থাপন।

৫)সৌর বিদ্যুৎ শক্তি ও বায়োগ্যাস ব্যাবহার করা যেতে পারে।


*চিকিৎসাঃ


১)ফাস্ট এইড বক্স।

২)ঔষধি গাছ রোপন ও প্রয়োগ।

৩)নানা ঔষধি বই ও ম্যাটারিয়াল সংরক্ষন।

৪)কমন কিছু অসুস্থতা, যেমনঃ জ্বর, সর্দিকাশি,হাত,পা,বুক,মাথা ও শরীর ব্যাথা,কাটাছেড়া,চর্ম,চুলকানি এবং ঘাঁ ও ফোঁড়া ও গোটা ইত্যাদি বিষয়ের প্রাকৃতিক শুশ্রূষাময় প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি জেনে রাখা।


*শিক্ষাঃ


১)পারিবারিক লাইব্রেরী।

২)পারিবারিক হালাকা পয়েন্ট(যেখানে পারিবারিক ভাবে ইলম অর্জনের বা ইলম শেয়ারের ব্যাবস্থা থাকবে)

৩)মাদ্রাসা নির্মান।(সামাজিক ভাবে কয়েকটি পরিবার মিলে)।

সংগৃহীত

স্যারের মেসেজ ২৫/০৫/২০২৪ শনিবার সারাদিন

 স্যারের মেসেজ ২৫/০৫/২০২৪ শনিবার সারাদিন 

যারা টি-শার্টের ছবি দেননি তারা ছবি দেন,,,,,,,
যারা সকাল নয়টার ভিতরে মার্কেট উপস্থিত হবেন না তাদেরকে লিভ অ্যাপ্লিকেশন করে দেবেন সুপারভাইজারদেরকে বিশেষ ভাবে জানানো হলো,,,,,,,,,,,
৯:১০ এর ভিতরে যাদের নোট থাকবে না এবং নির্দিষ্ট রুটে পৌঁছাবে না তাদেরকে বিশেষভাবে লিভ এপ্লিকেশন দিয়ে দিবেন ওইদিনের জন্য,,,,,,
৯:১০ এর ভিতরে যাদের নোট থাকবে না এবং নির্দিষ্ট রুটে পৌঁছাবে না তাদেরকে বিশেষভাবে লিভ এপ্লিকেশন দিয়ে দিবেন ওইদিনের জন্য,,,,,,

একই কাজ যদি একই মাসে দুইয়ের অধিক থাকে তৃতীয় দিন ফুল ডে এপসেন্ট করে দিবেন।,,,,,,,,
রোড প্লান অনুযায়ী লোকেশন চেক করবেন লোকেশনে পাওয়া না গেলে তার বিরুদ্ধে অফিশিয়াল ব্যবস্থা গ্রহণ করেন,,,,,,
উপরের নির্দেশনা শুধু এক মাস বা একদিনের জন্য নয় যতদিন চাকরি করবেন ততদিন নির্দেশনা মেনে চলতে হবে যে মেনে চলবেন না ওকে কোম্পানি নিয়ম অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আসতে হবে।।।,,,,,,
সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে আগামীকাল রবিবার কোম্পানি তরফ হইতে আপনাদের কাছে যেসব লজিস্টিক আছে সেগুলো কি অবস্থায় আছে তার ছবি আমাদের বিএনপি গ্রুপে প্রদান করবেন কোম্পানির তরফ থেকে যা কিছু আছে মোটরসাইকেল ব্যাগ, কাটার ,কাঁচি ,টেপ, ইত্যাদি।,,,,,,,,
যারা sales  করতে পারবেন না তারা প্রতি  শনিবারে ৩০ টা করে মেজারমেন্ট সিট জমা দিবেন...!

রাসেল স্যারের নির্দেশ,,,,,,,,,,,

@⁨PE FAHIM FUHAD D45005⁩ @⁨PE নাজমুল ❌ ভাই ঢাকা গাজীপুর D25729⁩ @⁨~Shohag Hossain⁩...

পরের শনিবারে আপনারা ৩০ টা মেজারমেন্ট জমা দিবেন,,,,,,,,,
RFL SWR, cPVC Pro & Sulov:

Area SWR CPVC Sulov
Dhaka (Motijhil, Jatrabari) 50k
Dhaka (Mirpur ,Mohammadpur ) 50k
Bogra 50k,,,,,,,,
এস ডাবলু আর সিপিভিসি প্রো সুলভ পাইপ ।।যাত্রাবাড়ী মতিঝিল মিরপুর মোহাম্মদপুর ।।বগুড়া ।।এইসব এলাকায় বেশি বেশি মেজারমেন্ট নিতে হবে। প্রতিটা মেজারমেন্টে তিনটে প্রোডাক্টটি দশটা দশটা দশটা মোট ৩০ টা থাকবে।,,,,,,,,


শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৫-০৫-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৫-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


রাজধানীতে বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপনিবিতানসহ ৪টি বড় প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন আজ প্রধানমন্ত্রী।


সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যা মামলায় ৩ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড।


অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক শাস্তি পেতেই হবে - বললেন ওবায়দুল কাদের।


আওয়ামী লীগ সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে - তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য।


নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মজয়ন্তী।


রাফাহতে অবিলম্বে সামরিক হামলা বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায় মানার জন্য ইসরাইলের প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান।


টেক্সাসের প্রেইরি ভিউতে আজ রাতে বাংলাদেশ ও স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...