এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪

১৫ রকম ভর্তার রেসিপি

 ❤️১৫ রকম ভর্তার রেসিপি❤️


১)কাচা কলার খোসা ভর্তা___


👉উপকরণ___

২ টি কাঁচা কলার খোসা

৮-১০ কোয়া রসুন

৫-৬ টি কাঁচা লঙ্কা

স্বাদ মত নুন

১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়া

৩-৪ টেবিল চামচ সর্ষের তেল

ফোঁড়নের জন্য

১ টেবিল চামচ কালোজিরা

১-২ টি শুকনো লঙ্কা


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী ____


👉 কাঁচা কলার খোসা সিদ্ধ করে নিতে হবে যাতে কালো জল বেরিয়ে যায়।


👉 তারপর খোসা, রসুন, কাঁচা লঙ্কা একসঙ্গে বেটে নিতে হবে।কড়াই এ তেল গরম করে ফোঁড়ন দিন ও মিশ্রন টি ঢেলে দিন।


👉 তারপর নুন হলুদ দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকুন।


👉 মাখামাখা হলে নামিয়ে নিন ও গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।


২) 🍀👉 টমেটো ও বেগুন ভর্তা____


👉 উপকরণ____


১ টা বেগুন

১ টা টমেটো

২ টা শুকনো লঙ্কা

২ টা কাঁচা লঙ্কা

২ টা পেঁয়াজ কুচি

১টেবিল চামচ সর্ষের তেল

স্বাদ মত নুন


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী____


👉 প্রথমে টমেটো ও বেগুন ভালো করে ধুয়ে সর্ষের তেল মাখিয়ে রাখুন।


👉 টমেটো ও বেগুন গ্যাসে ভালো করে পুড়িয়ে নিন। ভালো করে পরিষ্কার করে একটা পাত্রে রাখুন।


👉 টমেটো ও বেগুন পরিস্কার করে একটা পাত্রে রাখুন। সব উপকরণ একসঙ্গে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন।


👉 বেগুন ও টমেটো এর মধ্যে নুনও সর্ষের তেল দিয়ে ভালো করে মেখে নিন।


👉 মাখা হলে কড়াইতে দিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন ।জল শুকিয়ে গেলে চুলার আঁচ বন্ধ করে দিন


👉 একটা প্লেটে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।


৩) 🍀👉 চিকেন ভর্তা_____


👉 উপকরণ___


২৫০গ্রাম চিকেন

২ টেবিল চামচ টক দই

৬টা কাজু

১ টেবিল চামচ মগজ

১ টেবিল চামচ ফ্রেশ ক্রিম

৪টি কাঁচা লঙ্কা

১/২ চা চামচ শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো

স্বাদ মত নুন

১/২ চা চামচ চিনি

পরিমাণ মত হলুদ গুঁড়ো

১/২ চা চামচ ধনে গুঁড়ো

১/২ চা চামচ জিরে গুঁড়ো

১ চিমটি কসুরি মেথি

১ চা চামচ বাটার

২ টো পেঁয়াজ বাটা

১ চা চামচ রসুন বাটা

১/২ চা চামচ আদা বাটা

১ টা বড় টমেটো বাটা

৫টেবিল চামচ সাদা তেল


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী_____


👉 আদা,রসুন,পেঁয়াজ,টমেটো,কাচা লঙ্কা আলাদা ভাবে পেস্ট করে নিয়েছি।কাজু আর মগজ পেস্ট করে নিয়েছি। চিকেন গুলোকে নুন দিয়ে ৫-৭ মিনিট সেদ্ধ করে নিয়েছি।


👉 সেদ্ধ করা চিকেন গুলো টুকরো করে রেখে কড়াইয়ে সাদা তেল দিয়ে পেঁয়াজ পেস্ট দিয়ে কিছুটা কষিয়ে রসুন,আদা, কাঁচালঙ্কা পেস্ট দিয়ে কিছুক্ষন কষাতে হবে।


👉 তারপর একে একে হলুদ, জিরেগুঁড়ো,নুন,ধনে গুঁড়ো, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে নাড়িয়ে নিয়ে টমেটো পেস্ট দিয়ে আবার ভাল করে কষিয়ে নিতে হবে।


👉 কষে গেলে চিকেন টুকরোগুলো দিয়ে মগজ বাটা আর আরেকটু চিকেন স্টক দিয়ে ঢেকে কিছুক্ষণ রেখে দেবো।


👉 তারপর ঢাকনা সরিয়ে কসৌরি মেথি, ফ্রেশ ক্রিম, বাটার দিয়ে একটু নাড়িয়ে নিয়ে ডিমের টুকরোগুলো দিয়ে ৪-৫ মিনিট কম আঁচে রেখে তারপর নামিয়ে নিয়ে উপরে বাটার পরিবেশন করলাম চিকেন ভর্তা


৪) 🍀👉 লোটে শুঁটকির ভর্তা____


৫ টা লটে শুঁটকি

১/২ বেগুন

২ টা পেঁয়াজ

৫ টা কাঁচা পাকা লঙ্কা

৬ কোয়া রসুন

১/২ টেবিল চামচ কাশ্মীরী লঙ্কার গুঁড়ো

স্বাদ মত নুন

৩ টেবিল চামচ সাদা তেল

১ টা শুকনো লঙ্কা

১ চা চামচ গোটা জিরে

১ চা চামচ জিরে গুঁড়ো


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী_____


👉 প্রথমে শুটকি ও সব উপকরণ একসঙ্গে সাজিয়ে রাখুন।


👉 শুটকি পরিস্কার করে নুন দিয়ে ভালো করে সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ হলে জল ঝরিয়ে নিয়ে শুটকি মাছ থেঁতো করে হাফ গুড়ো করে নিন।


👉 বেগুন ধুয়ে কেটে নিন।পেঁয়াজ ও রসুন লঙ্কা সব নিন।বেগুন টা হালকা করে ভেজে নিন।


👉 কড়াই বসিয়ে ফোড়ন দিন।সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে ভাজতে থাকুন।


👉 কড়াইতে শুটকি ও সব মশলা নুন,হলুদ,লঙ্কা গুড়ো,জিরে গুড়ো সব দিয়ে ভালো কষিয়ে নিয়ে সামান্য জল দিয়ে ঢেকে রাখুন চুলার আঁচ কম রেখে।


👉 ৩ থেকে ৪ মিনিট পরে ঢাকনা খুলে ভালো করে নেড়ে থাকুন ।নাড়তে নাড়তে সব মিক্স করে দিতে হবে। বেশ কিছুক্ষণ এভাবে নাড়তে নাড়তে শুটকি একটা মন্ড মতো হয়ে যাবে।তখন চুলার আঁচ বন্ধ  করে দিন।


👉 শুটকি হয়ে গেলে একটা পাত্রে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।


৫) 🍀👉 কালো জিরা ভর্তা___


👉 উপকরণ___


১/২ কাপ কালো জিরা

টি কাঁচা মরিচ ৩

টি শুকনো মরিচ ৩

১/২ কাপ পেঁয়াজ কুচি

টি রুসুন ১

লবণ স্বাদ মতো


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী____


👉 চুলার আঁচ বাড়িয়ে রেখে একটি প্যানে আধা কাপ পরিমাণ কালোজিরা দিয়ে নাড়তে থাকুন।


👉 কালো জিরার থেকে সুগন্ধ বের না হওয়া পর্যন্ত এটা ভাঁজতে হবে। ভাঁজা হয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন।


👉 এবার প্যানে এক চামচ পরিমাণ তেল গরম করে তিনটি কাঁচা মরিচের বোটা ছাড়িয়ে তেলে ঝলসে নিন।


👉 সেইসঙ্গে ৩ টি শুকনো মরিচ বোটা না ছাড়িয়ে ভেঁজে নিন। কালো জিরা ভর্তায় অনেকেই ঝাল বেশি দিয়ে থাকে।


👉 এবার আধা কাপের মতো পেঁয়াজ ও একটি রসুনের কোঁয়া দিয়ে ভেঁজে নিন। এবার একটি মিক্সারে ভাঁজা কালো জিরা ঠান্ডা অবস্থায় ভালো করে গ্রান্ড করে নিন।


👉 তারপর শুকনো মরিচ, ভাজা কাঁচা মরিচ ও ভেঁজে রাখা পেঁয়াজ রসুনগুলো মিক্সারে নিয়ে সঙ্গে গুঁড়ো করা কালো জিরা ও আধা চা চামচ লবণ দিয়ে ভালো করে গ্রান্ড করে নিন।


👉 আপনি চাইলে শিল পাটায় বেটেও নিতে পারেন। এই ভর্তায় আলাদাভাবে তেল দেয়ার প্রয়োজন দরকার নেই। কারণ কালো জিরায় আলাদা একটা তেল থাকে, আর মসলাগুলো সব তেলে ভেঁজে নেয়া হয়েছে।


👉 এবার হাতে সামান্য তেল মাখিয়ে ভর্তার ছোট ছোট বল বানিয়ে পরিবেশন করুন। এভাবে খুব সহজেই স্বাস্থ্যসম্মত কালোজিরা ভর্তা তৈরি করে নিতে পারেন।


৬) 🍀👉 নিরামিষ বেগুন ভর্তা_____


👉উপকরণ___


১টি লম্বা সাইজের বেগুন

১টেবিল চামচ সরষের তেল

স্বাদ মত লবণ

১ চা চামচ ধনে পাতা কুচি

১ টা বড়ো সাইজের কাঁচা লঙ্কা

১/২ মাঝারি সাইজের পেয়াঁজ


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী____


👉 প্রথমে গোটা বেগুন টা খুব ভালো করে ধুয়ে নিন, তারপর বেগুনটা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নিন।


👉 গ্যাস ওভেন  মাঝারি আঁচে বেগুন পুড়িয়ে নিন ভালো করে।


👉 তারপর বেগুন পড়ানো হলে অন্য একটি পাত্রে রেখে  পুরো ঠাণ্ডা করে নিন। পোড়া খোসা ছাড়িয়ে ফেলে দিয়ে হাত দিয়ে চটকে চটকে ভর্তা করে নিন। পেয়াঁজ কুচানো, ধনে পাতা, স্বাদ মতো লবণ ও কাঁচা লঙ্কা কুচিয়ে মাখিয়ে নিন সুন্দর করে।


👉 তাহলেই বেগুন ভর্তা বানানো কমপ্লিট।পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।


৭) 🍀👉 ফুলকপির পাতার ভর্তা____


👉 উপকরণ___


৩ মুঠো ফুলকপির পাতা

২ মুঠোর থেকে একটু বেশি কচি মূলোর শাক

৩-৪ টে ধনেপাতার ডাল

৮-৯ টা রসুন কোয়া

৭-৮ টা কাঁচালঙ্কা

১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো

স্বাদ মত লবণ

১/৪ চা চামচ চিনি

১/২ চা চামচ কালোজিরে

৫-৬ টেবিল চামচ সর্ষের তেল


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী _____


👉 সবার আগে কপির পাতা ও মূলোর শাক বেছে নিয়ে একটু ছোট করে কেটে ধুয়ে নিন। ধনেপাতা গোঁড়া বাদ দিয়ে ধুয়ে নিয়ে সবকিছু জল ঝরিয়ে নিন। বাকি সব হাতের কাছে জোগাড় করে নিবেন।


👉 এবার চুলায় কড়াই বসিয়ে তাতে বেশ কিছুটা জল দিয়ে কুচিয়ে ধুয়ে রাখা কপি পাতা ও মুলোর শাক দিয়ে খুন্তি দিয়ে নেড়ে ঢাকা দিয়ে মিডিয়াম আঁচে ৬/৭ মিনিট ফুটিয়ে নিন।


👉 ৬ মিনিট পর জল ছেঁকে ঠান্ডা করে নিয়ে কপি পাতা মূলোর শাক রসুন কাঁচালঙ্কা আর ধনেপাতা একসঙ্গে গ্রাইন্ডার জারে নিয়ে একদম মিহি পেস্ট করে নিন।


👉 এবার আবার চুলায় কড়াই বসিয়ে তেল দিয়ে কালোজিরে ফোড়ন দিয়ে ৩০ সেকেন্ড মতো নাড়াচাড়া করে সুগন্ধি ছাড়লে পাতা ও শাকের পেস্ট টা দিয়ে দিন।


👉 একটু নেড়েচেড়ে নিয়ে পরিমাণ মতো নুন, হলুদ আর চিনি দিয়ে ঢিমে আঁচে রান্না করেছি ততক্ষণ, যতক্ষণ না পাতা পেস্ট থেকে তেল না ছেড়েছে বা কড়াই এর গা ছেড়েছে


👉 কড়াই এর গা ছেড়ে দিলে বা একদম শুকনো শুকনো হয়ে এলে নামিয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।


৮) 🍀👉 মিষ্টি কুমড়া ভর্তা____


👉 উপকরণ___


১০০ গ্রাম কুমড়ো

১টি কাঁচা পেঁয়াজ

১.৫ চা চামচ সরষের তেল

স্বাদ মত লবণ

১টি কাঁচা লঙ্কা


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী____


👉 কুমড়ো ছোট টুকরো করে কেটে অল্প নুন দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।


👉 কাঁচা পেঁয়াজ ও লঙ্কা মিহি করে কুচি কুচি করে নিন।


👉 এরপর একটি পাত্রে সেদ্ধ করা কুমড়ো কাঁচা লঙ্কা পেঁয়াজ নুন সর্ষের তেল দিয়ে কুমড়ো ভালো করে হাত দিয়ে চটকে মেখে নিন।


👉 এরপর গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন কুমড়োর ভর্তা।


৯) 🍀👉 বেগুন ভর্তা____


👉 উপকরণ___


১ টা বেগুন

১ টা টমেটো

২ টো কাঁচা মরিচ

১ টা পেঁয়াজ কুচি

১ চা চামচ পাঁচফোড়ন

১/৪ চা চামচ লাল লঙ্কার গুঁড়ো

১/৪ চা চামচ আদা রসুন বাটা

১/৪ চা চামচ ধনে গুঁড়ো

১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো

স্বাদ মত নুন ও চিনি

পরিমাণ মত তেল


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী____


👉 বেগুন ও টমেটো গায়ে একটু তেল লাগিয়ে গ্যাসের চুলায় ভাল করে পুড়িয়ে নিন।


👉 টমেটো ও বেগুন পড়ানো হলে একটু ঠাণ্ডা হলে, ভালো করে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবারে একসাথে টমেটো ও বেগুন হাত দিতে মেখে নিন।


👉 তেল গরম করে তাতে পাঁচ ফোড়ন ও কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে নেড়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে ভাজুন।


👉 চটকে রাখা বেগুন ও টমেটো  দিয়ে দিন এবং ভাল করে ভাজুন নুন হলুদ দিয়ে ভেজে মশলা গুঁড়ো ও চিনি দিয়ে মিশিয়ে নামিয়ে নিন।


👉 এবারে গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।


১০) 🍀👉 লাউ এর পাতার ভর্তা___


👉 উপকরণ___


৫ টা কচি লাউ পাতা

৭কোয়া রসুন

১ চা চামচ কালো জিরে

স্বাদ অনুযায়ী নুন

২ টো শুকনো লঙ্কা

৪ টে কাঁচা লঙ্কা

১টেবিল চামচ সর্ষের তেল


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী____


👉 প্রথমে লাউ পাতা ভালো করে ধুয়ে নুন জলে ভিজিয়ে রাখুন। জল ঝরিয়ে নিয়ে ভালো করে কুচিয়ে নিন।


👉 গ্যাস জ্বালিয়ে একটা কড়াই বসিয়ে গরম হলে তেল দিয়ে ভালো করে কালো জিরে,শুঁকনো লঙ্কা,রসুন কুচি দিয়ে ভালো করে নেড়ে ভাজতে নিন।


👉 রসুন কুচি ও অন্য মসলা ভাজা হলে পাতা দিয়ে একটু নেড়ে ঢেকে রাখুন, জল শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত।


👉 জল শুকিয়ে গেলে স্বাদ অনুযায়ী নুন দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন।


👉 ভাজা হলে একটা পাত্রে নামিয়ে নিয়ে, একটু ঠাণ্ডা হলে এবার মিক্সতে পেষ্ট করে নিন।


👉 চুলায় কড়াই বসিয়ে আবার একটু তেল দিয়ে ভালো করে নেড়ে দিতে হবে।একটা পাত্রে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।


১১) 🍀👉 টমেটো ভর্তা___


👉উপকরণ___


২টো মাঝারি টমেটো

১টা বড় পেঁয়াজ কুচি

২টো কাঁচালঙ্কা কুচি

৪-৫টা রসুনের কোয়া

স্বাদ মত নুন

২ চা চামচ সর্ষের তেল

পরিমাণ মত ধনেপাতা কুচি


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী____


👉 প্রথমে কড়াই চুলায় বসিয়ে তেল দিয়ে কেটে রাখা টমেটো আর রসুনের কোয়া গুলো দিয়ে দিন।তারপর ঢাকা দিয়ে ৩-৪মিনিট রাখুন।ঢাকা খুলে আবার একটু উল্টে দিন আরেক দিক।এই ভাবে টমেটো টা সেদ্ধ হলে নামিয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন।


👉 আবার কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি, লঙ্কা কুচি দিয়ে একটু নেড়ে নিন।আমি এখানে শুকনো লঙ্কা ব্যবহার করিনি।আপনারা চাইলে ব্যবহার করতে পারেন।


👉 এবার টমেটোর মিশ্রন টা দিয়ে নাড়তে থাকুন।স্বাদ মতো নুন ও ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে ভালো ভাবে নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিলেই তৈরী টমেটোর ভর্তা।চটপটা টেস্ট।ভীষন ভালো লাগে।


১২) 🍀👉 মুসুর ডাল ভর্তা____


👉 উপকরণ___


১ কাপ মুসুর ডাল

১টি ছোটো পেঁয়াজ কুচি

১কোয়া রসুন

১টি শুকনো লংকা

১চা চামচ ধনেপাতা কুচি

১টি কাঁচা লংকা

স্বাদমতো নুন

২চা চামচ সর্ষে তেল


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী____


👉 প্রথমে মুসুর ডাল নুন দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।


👉 একটি প্যান চুলায় বসিয়ে তেল গরম করে শুকনো লঙ্কা আর রসুন দিয়ে একটু ভেজে নিন।


👉 ডাল সেদ্ধ হয়ে জল শুকিয়ে গেলে নামিয়ে নিয়ে ভাজা শুকনো লঙ্কা, রসুন, পিয়াজ, ধনেপাতা, নুন,কাঁচা লঙ্কা দিয়ে ভালো করে মেখে নিন ।


👉 মাখা হয়ে গেলে উপর থেকে সরষে তেল ছড়িয়ে দিয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।


১৩) 🍀👉 ডিম আলু ভর্তা____


👉 উপকরণ___


৩ টে সেদ্ধ আলু

২ টো ডিম সেদ্ধ

১ টা বড় পেঁয়াজ কুচি

১ চা চামচ কাঁচা লঙ্কা কুচি

২ টেবিল চামচ টমেটো কুচি

২ টো গোটা শুকনো লঙ্কা

স্বাদ মত নুন

২ টেবিল চামচ সর্ষের তেল


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী____


👉 প্রথমে সিদ্ধ আলু পরিষ্কার হাতে খুব ভালো করে মেখে নিন।


👉 সিদ্ধ ডিম টাকে হাত দিয়ে কুচি কুচি করে নিন।


👉 এবারে ফ্রাইং প্যানে ১ চাচামচ সর্ষের তেল গরম করে তাতে গোটা শুকনো লঙ্কা এবং অর্ধেক পেঁয়াজ কুচি দিয়ে লাল করে ভেজে নিন, তারপর তাতে টমেটো কুচি দিয়ে আবারও মিডিয়াম আঁচে রেখে ১  মিনিট মতো নেড়ে নিন।


👉 শুকনো লঙ্কা, পেঁয়াজ কুচি এবং টমেটো কুচি লাল করে ভাজা হলে নামিয়ে নিন একটা প্লেটে এবং তাতে স্বাদমতো লবণ দিয়ে আগে ভালো করে শুকনো লঙ্কা টাকে মেখে নিন।


👉 এবার মেখে রাখা আলু ও ডিম , কাঁচা লঙ্কা কুচি এবং ভাজা শুকনো লঙ্কা মাখা দিয়ে খুব ভালো করে সমস্ত টা মেখে নিন।


👉 সমস্ত মাখা হয়ে গেলে উপর থেকে কাঁচা সর্ষের তেল দিয়ে আবারও ভালো করে মেখে গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।


১৪) 🍀👉 চিংড়ি মাছ ভর্তা___


👉 উপকরণ___


১০০ গ্রাম চিংড়ি মাছ

৪ টে কাঁচা লঙ্কা

২ টো শুকনো লঙ্কা

১ চিমটি হলুদ গুঁড়ো

স্বাদ মত নুন

১টেবিল চামচ সর্ষের তেল

১টেবিল চামচ সাদা তেল

২ টা পেঁয়াজ কুচি

৭ টা রসুন কোয়া


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী____


👉 প্রথমে মাছ ধুয়ে ভালো করে বেছে নিয়ে একটা প্লেটে সজিয়ে নিন।সব উপকরণ একসঙ্গে সাজিয়ে নিতে হবে।


👉 চুলায় কড়াই বসিয়ে তেল দিয়ে গরম হলে চিংড়ি মাছ গুলো সব উপকরণ দিয়ে নুন,হলুদ,দিয়ে ভালো করে ভেজে নিন।


👉 ভালো করে ভেজে নিয়ে একটা বাটিতে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন ।ঠান্ডা হলে মিক্স তে ঢেলে নিয়ে পেষ্ট বানিয়ে নিন।


👉 চুলায় কড়াই বসিয়ে পেষ্ট টা দিয়ে ভালো করে নাড়তে নাড়তে বেশ মাখো মাখো করতে হবে।সর্ষের তেল দিয়ে ভালো করে নেড়ে নেড়ে একটা মন্ড মতো করে নিন।


👉 চিংড়ি ভর্তা হয়ে গেলে একটা প্লেটে নামিয়ে গরম গরম ভাতে পরিবেশন করুন।


১৫) 🍀👉 শিম ভর্তা____


👉 উপকরণ___


২০০ গ্রাম শিম

১/২ কাপ নারকেল কোরা

২/৩ টে কাঁচা মরিচ

২ টেবিল চামচ সর্ষে

১ টেবিল চামচ পোস্তদানা

স্বাদ মত নুন ও চিনি

পরিমাণ মত তেল


🍀👉 প্রস্তুত প্রণালী____


👉 শিম ও ধনে পাতা কুচি করে কেটে নিন।


👉 ব্লেন্ডারে নারকেল কোরা কাঁচা মরিচ,সর্ষে, পোস্ত ও শিম, ধনেপাতা দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন


👉 চুলায় কড়াই বসিয়ে তেল গরম করে তাতে কালো জিরা ও কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে নেড়ে বাটা শিম দিয়ে দিন এবং ভাল করে কষিয়ে নিন নুন হলুদ দিয়ে।


👉 সব শেষে চিনি দিয়ে মিশিয়ে নিন এবং কাঁচা তেল দিয়ে মিশিয়ে নামিয়ে নিন এবং  সিম ভর্তা পরিবেশন করুন।


মসজিদে নামাজ পড়ার ফযীলত",,,,,,,

 "মসজিদে নামাজ পড়ার ফযীলত"


১। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সকাল অথবা সন্ধ্যায় মসজিদে গমন করে, আল্লাহ তার জন্য আপ্যায়ন সামগ্রী জান্নাতের মধ্যে প্রস্তুত করেন। সে যতবার সকাল অথবা সন্ধ্যায় যাওয়া আসা করে, আল্লাহও তার জন্য ততবার আতিথেয়তার সামগ্রী প্রস্তুত করেন।” (বুখারী-মুসলিম) 


২।আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি বাড়ি থেকে ওযু করে আল্লাহর কোনো ঘরের দিকে এই উদ্দেশ্যে যাত্রা করে যে, আল্লাহর নির্ধারিত কোনো ফরয ইবাদত (নামায) আদায় করবে, তাহলে তার কৃত প্রতি দুইটি পদক্ষেপের মধ্যে একটিতে একটি করে গুনাহ মিটাবে এবং অপরটিতে একটি করে মর্যাদা বৃৃদ্ধি করবে"(মুসলিম)


৫/১০৬৪। আবূ মুসা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “(মসজিদে জামাতসহ) নামায পড়ার ক্ষেত্রে, সেই ব্যক্তি সর্বাধিক বেশী নেকী পায়, যে ব্যক্তি সব চাইতে দূর-দূরান্ত থেকে আসে। আর যে ব্যক্তি (জামাতের সাথে) নামাযের অপেক্ষা না করেই একা নামায পড়ে শুয়ে যায়, তার চাইতে সেই বেশী নেকী পায়, যে নামাযের জন্য প্রতীক্ষা করে ও ইমামের সাথে জামাত সহকারে নামায আদায় করে।”(বুখারী, মুসলিম)


৬/১০৬৫। বুরাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রাত্রির অন্ধকারে মসজিদে যাতায়াতকারী লোকদেরকে কিয়ামতের দিনে পরিপূর্ণ জ্যোতির শুভ সংবাদ জানিয়ে দাও।” (আবূ দাউদ, তিরমিযী)

ভাগ্যিস বিজ্ঞান এসব আবিষ্কার করেছিল; নইলে জানাই যেত না যে কোরানে আগেভাগেই এতকিছু বলা আছে!!!

 ভাগ্যিস বিজ্ঞান এসব আবিষ্কার করেছিল; নইলে জানাই যেত না যে কোরানে আগেভাগেই এতকিছু বলা আছে!!!

১ – বিজ্ঞান কিছুদিন আগে জেনেছে চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। সূরা ফুরক্বানের ৬১ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

২ – বিজ্ঞান মাত্র দুশো বছর আগে জেনেছে

চন্দ্র এবং সূর্য কক্ষ পথে ভেসে চলে... সূরা

আম্বিয়া ৩৩ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

৩ – সূরা কিয়ামাহ’র ৩ ও ৪ নং আয়াতে ১৪০০ বছর আগেই জানানো হয়েছে; মানুষের আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে মানুষকে আলাদা ভাবে সনাক্ত করা সম্ভব। যা আজ প্রমাণিত।

৪ - ‘ বিগ ব্যাং’ থিওরি আবিষ্কার হয় মাত্র

চল্লিশ বছর আগে। সূরা আম্বিয়া ৩০ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

৫ – পানি চক্রের কথা বিজ্ঞান জেনেছে বেশি দিন হয় নি... সূরা যুমার ২১ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

৬ – বিজ্ঞান এই সেদিন জেনেছে লবণাক্ত পানি ও মিষ্ঠি পানি একসাথে মিশ্রিত হয় না। সূরা ফুরকানের ২৫ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

৭ – ইসলাম আমাদেরকে ডান দিকে ফিরে ঘুমাতে উৎসাহিত করেছে; বিজ্ঞান এখন বলছে ডান দিকে ফিরে ঘুমালে হার্ট সব থেকে ভাল থাকে।

৮ – বিজ্ঞান এখন আমাদের জানাচ্ছে পিপীলিকা মৃত দেহ কবর দেয়, এদের বাজার পদ্ধতি আছে। কুরআনের সূরা নামল এর ১৭ ও ১৮ নং আয়াতে এই বিষয়ে ধারণা দেয়।

৯ – ইসলাম মদ পানকে হারাম করেছে , চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে মদ পান লিভারের জন্য ক্ষতিকর।

১০ – ইসলাম শুকরের মাংসকে হারাম করেছে। বিজ্ঞান আজ বলছে শুকরের মাংস লিভার, হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

১১- রক্ত পরিসঞ্চালন এবং দুগ্ধ উৎপাদন এর ব্যাপারে আমাদের চিকিৎসা বিজ্ঞান জেনেছে মাত্র কয়েক বছর আগে। সূরা মুমিনূনের ২১ নং আয়াতে কুরআন এই বিষয়ে বর্ণনা করে গেছে।

১২ - মানুষের জন্ম তত্ব ভ্রুন তত্ব সম্পর্কে

বিজ্ঞান জেনেছে এই কদিন আগে। সূরা আলাকে কুরআন এই বিষয়ে জানিয়ে গেছে ১৪০০ বছর আগে।

১৩ - ভ্রন তত্ব নিয়ে বিজ্ঞান আজ জেনেছে

পুরুষই ( শিশু ছেলে হবে কিনা মেয়ে হবে) তা নির্ধারণ করে। ভাবা জায়... কুরআন এই কথা জানিয়েছে ১৪০০ বছর আগে।

( সূরা নজমের ৪৫, ৪৬ নং আয়াত, সূরা

কিয়ামাহ’র ৩৭- ৩৯ নং আয়াত)

১৪ - একটি শিশু যখন গর্ভে থাকে তখন সে আগে কানে শোনার যোগ্যতা পায় তারপর পায় চোখে দেখার। ভাবা যায়?

১৪০০ বছর আগের এক পৃথিবীতে ভ্রুনের বেড়ে ওঠার স্তর গুলো নিয়ে কুরআন বিস্তর আলোচনা করে। যা আজ প্রমাণিত !

( সূরা সাজদাহ আয়াত নং ৯ , ৭৬ এবং সূরা ইনসান আয়াত নং ২ )

১৫ – পৃথিবী দেখতে কেমন? এক সময় মানুষ মনে করত পৃথিবী লম্বাটে, কেউ ভাবত পৃথিবী চ্যাপ্টা, সমান্তরাল... কোরআন ১৪০০ বছর আগে জানিয়ে

গেছে পৃথিবী দেখতে অনেকটা উট পাখির ডিমের মত গোলাকার।

১৬ – পৃথিবীতে রাত এবং দিন বাড়া এবং কমার রহস্য মানুষ জেনেছে দুশ বছর আগে। সূরা লুকমানের ২৯ নং আয়াতে কুরআন এই কথা জানিয়ে গেছে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে !!

......আমাদের সমস্যা হল আমরা সব কিছুই জানি... যারা নাস্তিক তারাও জানে... পার্থক্য টা হল ' বোধ' যেমন ধরুন একজন নেশাকর জানে যে নেশা করলেই তার জীবন নষ্ট হয়ে যাবে, যে ছেলে বাবা কে খুন

করেছে সে জানে যে এই মানুষটি তাকে জন্ম

দিয়েছে... সব জেনে শুনেই আমরা সব থেকে খারাপ কাজ গুলো করি... ব্যাপারটা অজ্ঞানতার না ব্যাপারটা ' বোধ' এর।

... আপনার এই বোধটা থাকতে হবে

--- সবার কাছে অনুরোধ শেয়ার করতে ভুলবেন না প্লিজ,কারন এটা আপনার পবিত্র দ্বায়িত্ব। আল্লাহ্ বলেন.. ঐ ব্যাক্তির কথার চেয়ে কার কথা উওম যে নিজে সৎকর্ম করে এবং অন্যকে সৎকর্মের জন্য আহবান করে।____ সূরা হা-মিম সিজদাহ্--(৩৩)......। নবী সা.বলেন. আমার পরে সবচেয়ে বড় দানশীল ব্যাক্তি তিনি,যে কোন বিষয়ে জানলো এবং অন্যকে তা জানালো.....( বায়হাকী)(সংগৃহীত)


শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ - ১১-১০-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ - ১১-১০-২০২৪

আজকের সংবাদ শিরোনাম


‘রিসেট বাটন’ চাপার অর্থ দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতি থেকে বেরিয়ে নতুনভাবে শুরু করা --- স্পষ্ট করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

          

দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমী আজ --- শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

          

জনগণের অধিকার রক্ষা ও দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর --- বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

        

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সকলের সহযোগিতা চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।

        

লিবিয়া থেকে গতকাল দেশে ফিরেছেন আটকেপড়া আরও দেড়শো জন প্রবাসী বাংলাদেশী।

      

গাজায় হাসপাতালগুলোতে হামলার জন্য ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ জাতিসংঘের।

       

এবং শারজায় নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ।

বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪

তুমি যাকেই বিয়ে করো না কেন,. তার খুঁত থাকবেই,,,,,,,৷

 ১: তুমি যাকেই বিয়ে করো না কেন,. তার খুঁত থাকবেই। নিখুঁত কোনো মানুষ মানবেতিহাসে জন্মায়নি.। দাম্পত্যসাথীর খুঁতের দিকে তাকিয়ে থাকলে, তার যোগ্যতাকে তুমি দেখতে পাবে না .কোনোদিনই।


তোমার এই বদভ্যাস থেকে থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়.।


০২.

প্রত্যেক মানুষেরই অতীত-গল্প আছে.। ভালোমন্দ মিলিয়েই তার অতীতের ইতিহাস। দাম্পত্যসাথীর অতীত নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করলে, দাম্পত্যের. বর্তমানকে হারিয়ে ফেলবে তুমি.।


তোমার এই বদভ্যাস থেকে থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়.।


০৩.

প্রত্যেক দাম্পত্যই বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হবে রোজই। দাম্পত্য ফুলবাগানও নয়, .যুদ্ধক্ষেত্রও নয়। ল্যভ-ম্যারেজ বা সেটল্ড, যে-প্রক্রিয়াতেই সংসারটি তৈরি হোক না কেন, নির্দিষ্ট কিছু সমস্যা থাকবেই। প্রক্রিয়ার দোষ নয় এটি, দাম্পত্যজীবনই এরকম.। এই সমস্যাগুলোকে দু'জনে মিলে সমাধানে এগিয়ে যাওয়াটাই দাম্পত্যপ্রেম। দাম্পত্য-সমস্যায় পরস্পরকে দোষারোপ দাম্পত্যের অপমান.।


দাম্পত্য-সমস্যায় সংসারসাথীকে দোষারোপ করার বদভ্যাস থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়.।


০৪.

প্রত্যেক দাম্পত্যই আলাদা.। নিজের সংসারের সাথে অন্য সংসারের তুলনা কোরো না.। কোনো সংসারই ব্যর্থ নয়, প্রত্যেক সংসারই নিজের যোগ্যতার নিরিখে সফল। অন্যের সংসারের জৌলুসকে সুখ ভেবে নিয়ে, নিজের সংসারকে অসুখের আখড়ায় পরিণত কোরো না.। 


পরিশ্রমহীন এই পরশ্রীকাতরতার বদভ্যাস থেকে থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়.।


০৫.

সংসার করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অর্থ হলো.─ তুমি তোমার জীবন থেকে সংসার-বিরুদ্ধ ভাবনা ও অভ্যাসগুলি চিরতরে বর্জন করার. সিদ্ধান্ত নিচ্ছ। উল্লিখিত সংসার-বিরুদ্ধ অভ্যাসগুলি─.

ক. মূর্খতা,.

খ. উচ্ছৃঙ্খলতা,.

গ. শৃঙ্খলাহীনতা,.

ঘ. পরচর্চা,.

ঙ. পরশ্রীকাতরতা,.

চ. তৃতীয় পক্ষের কথায় বিশ্বাস,.

ছ. আলস্য,.

জ. অশ্রদ্ধা,.

ঝ. প্রেমহীনতা,.

ঞ. ভাষার বাজে ব্যবহার,.

ট. বিশ্বাসের সাথে প্রতারণা,.

ঠ. পারস্পরিক আলাপে অনীহা।.


উল্লিখিত বদভ্যাসগুলো পরিত্যাগ করতে না-পারলে, সংসার তোমার জন্য নয়.।


০৬.

নিখুঁত দাম্পত্যজীবন বলে কিছু নেই.। রেডিমেড সংসার বলে কিছু নেই। শর্টকাট দাম্পত্যসুখ বলে কিছু নেই.। সংসার অর্থ─ দু'টি মানুষের একইমাত্রার পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, বিশ্বাস, প্রেম, এবং উভয়ের সর্বোচ্চ শ্রমের সমষ্টি। দাম্পত্যজীবন হলো সেই .চারাটি, যাকে নিয়মিত পরিচর্যা করলে একটি মহীরুহে পরিণত হবে একসময়; পরিচর্যা না-করলে, ধুঁকতে-ধুঁকতে, .দ্রুতই মরে যাবে।


তুমি যদি পরিচর্যার মানসিকতাহীন একজন খামখেয়ালি ব্যক্তি হয়ে থাকো,. সংসার তোমার জন্য নয়।


০৭.

সংসার ও আর্থিক সক্ষমতা পরস্পরের .পরিপূরক। সংসার রক্ষা করার জন্য, সংসার শুরু করার আগেই তোমাকে উপার্জনের ব্যবস্থা করতে হবে। উপার্জন ছাড়া সংসার করার ভাবনাটিই তামাশা।. এ অপরাধ। আর, উপার্জনের ব্যবস্থা নিশ্চিত থাকলে, তবে, সংসার শুরু করার আগে, কখনোই উদ্বিগ্ন হয়ো না─ .এই উপার্জনে সংসার আমি রক্ষা করতে পারবো কিনা! নিজের যোগ্যতার চেয়ে বেশি যোগ্য, নিজের .অবস্থানের চেয়ে বেশি উচ্চ অবস্থানের, কারও সাথে দাম্পত্য করতে যেয়ো না; কাছাকাছি সামাজিক অবস্থানের ও মানসিকতার দু'জন মানুষের দাম্পত্যে .আর্থিক চাহিদা সমস্যা ঘটায় না। সংসার মানেই আর্থিক বিবেচনা, এবং সংসার মানেই ঝুঁকি নেওয়ার চ্যালেঞ্জ.।


এই ঝুঁকি নেওয়ার সাহস না-থাকলে, .সংসার তোমার জন্য নয়।


০৮.

প্রেমভালোবাসাহীন সংসার একটি. অভ্যাসমাত্র। এই অভ্যাস একসময় পরিণত হয় দাসত্ব. ও মালিকানায়। এই পরিস্থিতির নামই─ চুক্তি। এই চুক্তির, বাজারে পরিণত হতে বেশি সময় লাগে না। বাজারেই থাকে গণিকালয়। অর্থাৎ, প্রেমভালোবাসাহীন. সংসার চুক্তিভিত্তিক গণিকাবৃত্তি মাত্র। এসব সংসারে, ডিভোর্স না-হওয়া মানে এই নয় যে─ এরা সুখী; .কারণ─ ডিভোর্স সবসময় কাগজেকলমে হয় না, ডিভোর্স মূলত আরম্ভ হয় মনে, এবং চিরকাল মনের ভিতরেই এই ডিভোর্স ঘৃণার সাথে রয়ে যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই.।


তুমি যদি প্রেমহীন হয়ে থাকো, .সংসার তোমার জন্য নয়।


০৯.

সংসার আরম্ভ করার আগেই,. অতীতের তৃতীয় কারও প্রেমকে, বান্ধবকে, হারানো প্রেমস্মৃতিকে, চিরতরে অতীতেই ফেলে আসতে হবে। বর্তমান দাম্পত্যসাথীর সাথে প্রতারণার আরেক নাম─ .প্রাক্তন প্রেমসাথীকে মনের ভিতরে জিইয়ে রাখা।


এ বদভ্যাস পরিত্যাগ করতে না-.পারলে, সংসার তোমার জন্য নয়।


১০.

সংসার করো। সংসারই পরিপূর্ণতা.। কিন্তু, সংসার তখনই কোরো, যখন তুমি সংসার করার যোগ্য হয়ে উঠবে। অন্যথায়, আরেকটি .মানুষের সুন্দর জীবনটিকে নষ্ট করে দিয়ো না।

ভালো লাগলে শেয়ার দিবেন

#সংগৃহীত

বিয়ে,স্বামী-স্ত্রী গুরুত্ব হক না বোঝার দাম্পত্য জীবনে অশান্তির করুণ বাস্তবতা!!,,,,,,,

 বিয়ে,স্বামী-স্ত্রী গুরুত্ব হক না বোঝার দাম্পত্য জীবনে অশান্তির করুণ বাস্তবতা!!


পরিচিত বড় ভাই। বিয়ের প্রথম বছর। টানা কয়েক মাসের ইফোর্টে নতুন সংসার গুছিয়ে এনেছেন। একরকম ক্লান্ত হয়েই অফিসের কয়েকজন কলিগের ফ্যামিলির সাথে কুয়াকাটা ট্যুরে গেলেন। যাকে বলা চলে 'বিলম্বিত হানিমুন'।


ট্যুরের উদ্দেশ্য ছিলো ফ্রেশ হয়ে আসা। 

ট্যুরের পরে অদ্ভুত কিছু ঘটলো। ভাবী একদম অন্যমনস্ক, মুখ ভার করে থাকেন সবসময়। ভাই জিজ্ঞেস করলে কিছু বলে না। ঘরের কাজও করে দায়সারাভাবে।

মহা ঝামেলা। পরে ভাবীর আত্মীয়ের মাধ্যমে জানা গেলো ঘটনাটা।


ট্যুরের জন্য ভাইয়ের একজন কলিগকে লিডার বানানো হয়েছিলো। ভাবীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই লিডার কলিগের সবকিছু নিজ হাতে ম্যানেজ করা, যেকোনো ইস্যুতে সবার আগে এগিয়ে যাওয়া, স্থানীয়দের সাথে ঝামেলা হয়েছিল - সেটা এগিয়ে গিয়ে সমাধান করা, হোটেলে সবার খাওয়া নিশ্চিত করে তারপর নিজে খাওয়া - ব্যাপারগুলো তাকে খুব প্রভাবিত করেছে।


ব্যাপারটা আরো কন্ট্রাস্ট হয়ে গেছে তার নিজের স্বামীর কারণে। তার স্বামী, মানে ভাই পুরোটা সময় ব্যস্ত ছিলেন ফোনে। ছোটখাটো ব্যপার যেগুলো নিজে সমাধান করা যেত সেগুলোর জন্যও সেই লিডারের শরণাপন্ন হয়েছেন। ইভেন তার স্ত্রী বাথরুমে যাবে, সেটাও সেই লিডারকে বলে ব্যবস্থা করেছেন।


ভাবীর ব্যপারটা ইউনিক। তিনি যদি বলতেন, ওই লিডার কলিগকে তার ভালো লেগেছে, তাহলে ব্যাপারটা সিম্পল হতো, পরকীয়া টাইপ। কিন্তু তার কথা হলো, তিনিও তো সেইম ফিনান্সিয়াল ব্যাকগ্রাউন্ডের মধ্যেই একজন ওরকম মাসকুলিন স্বামী পেতে পারতেন। সেটা পাননি এবং এরকম দায় এড়ানো কারো সাথেই তার বাকি জীবন কাটাতে হবে ভেবে আপসেট।


পরে ভাইকে বলা হলো, আপনি কী আশা করেছিলেন আসলে? নিজের স্ত্রীকে এতগুলো পরপুরুষের সাথে এত ক্লোজ প্রক্সিমিটিতে রাখলেন, যেখানে আপনি নিজেই ইন্ট্রোভার্ট।  এখন হয় একজন মেন্টরের কাছ থেকে এসব সংশোধন করেন, নইলে বউকে নিয়ে আরেকটা ট্যুরে যান, সংসার আর করা লাগবে না।


■■ ভাই একা দায়ী?


এই ধরণের পরিস্থিতির জন্য উক্ত ভাই একা দায়ী, এটা ভুল। মাস্কুলিনিটি-লিডারশীপ ২৫ বছরের শিক্ষাজীবনের কোথায় শেখানো হলো? 

আর ফ্যামিলি? বলেই দিয়েছে, 'কোনো ঝামেলায় জড়াবি না'। ছেলেরা দায়িত্ব নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া শিখবে কিভাবে?


এরপরে রয়েছে সংসার। ইউনিভার্সিটিগুলোতে এত ধরণের প্রোগ্রাম হয়, 'নকশীকাথার ইতিহাস', 'কেচো চাষের গুরুত্ব', 'দেশে ব্যান্ড সংগীতের বিবর্তন' - আচ্ছা এগুলো তো অলমোস্ট ইউজলেস। কিন্তু এই ভার্সিটি থেকে বেরোনো মাত্রই যে স্বামী হওয়া লাগবে, এবং তা সবারই - সে বিষয়ে কতটুকু পড়ানো হয়?

জিরো।


এখানে অনেকে বলে, সব শিখিয়ে দিতে হবে কেন? বা ফ্যামিলির ভাষায়, 'বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে'।

হ্যাঁ, ছেলে শিখছে ঠিকই, বিয়ের প্রিপারেশন নিচ্ছে চটি পড়ে আর সংসার করা শিখছে ফেসবুক গ্রুপ আর প্রথম আলো থেকে।


পৃথিবীতে এমন কিছু নেই যা শিখতে হয় না - জুতো পরা থেকে আগুন ধরানো। এখন লাইফের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া বড় ব্যাপারগুলোতে তরুনকে যদি নিশ্চিতভাবে সঠিক শিক্ষা না দেওয়া যায়, কোনো গ্যারান্টি নেই সে ঠিকমত শিখেছে কিনা। এটা কেবল ভুল করার পরেই জানা যায়।


এর পরিণতি ভালো হচ্ছে না, স্বাভাবিকভাবেই। পরের পয়েন্টটি দেখুন। 


■■ কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই পরীক্ষা


আধুনিক বিয়ে মানে ব্যাপারটা এরকম - দুটো ছেলে-মেয়েকে চোখ বেঁধে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের আগে কিন্তু বলা হয়নি কোথায় পা ফেলতে হবে বা ফেলা যাবে না - একদম কিছু না। কিন্তু তারা ভুল করামাত্রই পাশ থেকে স্বজনেরা হা-রে-রে করে তেড়ে আসছে শাস্তি দিতে। নবদম্পতির কোন আইডিয়াই নেই তারা কী ভুল করেছে, বা আদৌ ভুল করেছে কিনা। কেবল জানে কালকের খুবই ফ্রেন্ডলি কয়েকজন আত্মীয় আজকে থেকে হঠাৎ খুবই আপসেট।


একটা ঘটনা শেয়ার করি। আমার একজন পরিচিত মজলুম আলেম, হাসিনার পুলিশ তার লাইফটাই এলোমেলো করে দিয়েছে। জেলে ছিলেন। সময়মত লাইফ গোছাতে পারেননি। এত অসহায় আর লোনলি ছিলেন, দেখে খুব কষ্ট হতো। আমাকে অসম্ভব স্নেহ করেন।

একদিন ভাইয়ের বিয়ের দাওয়াত পেলাম। কত খুশি ছিলাম, শুধু আমি না, উনাকে যারা চিনতেন- সবাই। 

বিয়েতে যেতে পারিনি। পরে একদিন দেখা। বললাম, এতদিন পর লাইফের একটা গতি হলো, আপনি নিশ্চয় হ্যাপি।

উনি যা শোনালেন, স্পিচলেস হয়ে গেলাম। বিয়ের দিন মধ্যরাতে তার কয়েক ঘন্টা আগে বিয়ে করা স্ত্রীকে দিয়ে তার বড় ভাবীর পায়ে ধরতে বাধ্য করা হয়েছে। তার ভাবী নাকি কী কারণে খেতে আসেনি, সেই রাগ ভাঙ্গাতে।


হোয়াট!?


■■ ছেলেরাই চূড়ান্ত ভিকটিম


আমার কিছু বিবাহিত ভাই-বন্ধুর কনসোলিংয়ের অভিজ্ঞতা হয়েছে। কী নিয়ে সেটা আপনারা জানেন, মা-বৌ ইমব্যালান্স।

ফেসবুক গ্রুপগুলোতে এরকম পরিস্থিতি কেউ জানালে তার নিচে কমেন্টগুলো খুবই কমন থাকে - 'মা-বৌ ব্যালান্স না করতে পারলে বিয়ের দরকার কী?' 'কারো দিকে ঝুঁকে পড়বেন না' ইত্যাদি ইত্যাদি।


কিন্তু কেউ বলছে না, হাউ? দুইজন নারীর মধ্যের এই অত্যন্ত কমপ্লেক্স পরিস্থিতি ম্যানেজ করার জ্ঞান সে কি গায়েব থেকে পাবে? এ এমন এক পরিস্থিতি, সারাজীবনের মেন্টর বাবা-মা আপনাকে এ ব্যাপারে কিছু বলবে না, বৌ তার নিজের ডিমান্ড নিয়ে দরজা আটকে পড়ে রইলো, আর ত্রিমুখি ঝগড়ার সমস্ত ব্লেইম এসে পড়বে ছেলেটার উপর।

সব তার দোষ। 


এক ২৫-৩০ বছর রক্ত জল করে বিয়ে করার পর কোথায় একটু আনন্দে থাকবে, উলটো বাড়ির বাতাসটাও যেন তিতে লাগে।


মেয়েদের বেলায় অন্ততঃ তার বাবার ফ্যামিলিটা রয়েছে। তাদের কাছে হেল্প চাইতে পারে, পরামর্শ নেয়। ছেলে যাবে কোথায়? একটা মানিব্যাগ কেনার আগেও যেই বাবাকে জানানো যেত সেখানে তাকে এ ব্যাপারে কিছুই বলা যায় না।


মা জ্বর হলে ছেলের আগে টের পান, অথচ এই ব্যালান্স করতে গিয়ে ছেলে যে তীব্র যন্ত্রণায় মানসিক রোগী হবার পথে, মা বুঝতেই চান না।

আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে, মা ছেলের কাছে ফোন করেছে। রিসিভ হয়নি। মা বললো, দেখেছিস, বিয়ের পর কেমন কথা বলা বাদ দিয়েছে। আমি বললাম, আচ্ছা, বিয়ের আগে ফোন না ধরলে কী মনে করতেন? বললেন, হয় মিটিঙয়ে আছে, কিংবা গাড়িতে। বললাম, একই ঘটনা কী এখনও ঘটতে পারে না? 


বউ মানবে না, মা-বাবাকে কিছু বলা যায় না, ভাইয়েরাও ইন্টারেস্টেড পার্টি, তাদের বলা মানে ভাবীদের মুখ ঘুরে আরেক পরিস্থিতি। বিবাহিত ছেলেরা শেষমেষ আসে আমাদের মত বন্ধুদের কাছে। পরামর্শ চায়, এদিকে আমরা নিজেরাই ব্যাচেলর। সংসারে এক বছরের মাথায় হাঁপিয়ে উঠেছে, বলে তোর ওখান থেকে একদিন ঘুরে আসা যাবে? 


বন্ধুদের যাদের সাথে এক মিনিটের বেশী কোনোদিন ফোনে কথা হয়নি, তাদের সাথেই এখন ২০-৩০মিনিট পার হয়ে যায়। সবার একই ইস্যু।


থাম্বনেইলে যে ছবিটা দিয়েছি এটার সাথে একটা সত্য ঘটনার সম্পর্ক আছে। 

মাঠের পাশে এভাবে গাছতলায় বসে  আমাকে ফোন করতো। মা-বৌ দুইজন দুই ঘরে মন খারাপ করে বসে আছে, দুজনের কাছেই সে ভিলেন। এমন একটা অবস্থা, লাইফের আপন মানুষদের বলা যায় না, মা-বৌ বুঝতে চায় না, নিজের ভাইকেও বলা যায় না - ভাই নিজেও এক পক্ষ। শেষমেষ ভরসা বন্ধুরা।


ওকে বললাম, তোর সাথে যেসব ইস্যু নিয়ে কথা হয় সেগুলো নিয়ে কিছু একটা লিখি। থাম্বনেইলটা ওর সামনেই বানানো।


■■ আধুনিক মায়েদের ডুয়ালিটি


ছেলের বৌয়ের বেলায় কারারক্ষীর মত হলেও একটা ব্যাপারে মায়েদের আচরণ পুরো উল্টো। সেটা হলো ছেলের গার্লফ্রেন্ড। অনেক ফ্যামিলিতে দেখেছি, মা ছেলের গার্লফ্রেন্ডের সাথে নিয়মিত ভিডিওকলে কথা বলে। সে কি হৃদ্যতার সম্পর্ক!

ভ্যালেন্টাইন ডে-তে প্রথম আলো শিরোনাম করেছিলো, মা তার ছেলের গার্লফ্রেন্ডকে বলছে, 'আমার পাগলটারে দেখে রাইখো মা'


ছেলে প্রকাশ্য ব্যাভিচারে জড়িয়ে রয়েছে, মা উলটো উৎসাহ দিচ্ছে! এই মা-ও নাকি সংসারে শান্তি চায়!


এবার ভাবুন তো এই মেয়েটাই যখন তার পুত্রবধু হচ্ছে তখন তার ওই ক্রিম মাখানো আচরণ কোথায় পালালো? মমতাময়ী মা থেকে হয়ে উঠলেন কম্পিটিটর শাশুড়ী!


শুধু ফ্যামিলিতে মা-ভাবীর ক্যাচাল দেখেও বহু ছেলে বিয়ের আগ্রহ হারাচ্ছে।


এক সিনিয়রকে বলা হলো বিয়ে করেন না কেন? বলল, মা আমাকে এখনও খাইয়ে দেয়। মা ওর সাথে আমি বাদেই অনেকক্ষণ ফোনে কথা বলে। একদিকে আমার সেক্সুয়াল লাইফ ঠিকঠাক, কোনো দায়িত্ব নেই-গ্যাঞ্জাম নেই, মায়ের আদরও পাচ্ছি। আমি জানি বিয়ের পরদিনই এসব উধাও হয়ে যাবে। সেধে এই লাইফ হারাতে যাবো কেন?


মানে বিয়েকে ঠিক আর কত কঠিন করা হবে! 


■■ সংসার শিখবো কোথায়? উদাহরণ সামনেই আছে


কিছু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার পেলাম প্রি-ম্যারেজ কোর্স এবং কাউন্সেলিংয়ের উপর


 > ইরানে ১৯৯৩ সাল থেকে গ্রাজুয়েশন লেভেলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য প্রি-ম্যারেজ কোর্স ও কাউন্সেলিং করানো হয়। এসব কোর্সের টপিক থাকেঃ

 - স্বাস্থ্য,

 - ধর্মীয় ও আইনি বিধান,

- বিবাদ মেটানো,

- স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট ও

- কমিউনিকেশন স্কিল।

কোর্সগুলো তৈরি করা হয় অত্যন্ত অভিজ্ঞ কিছুর প্রফেসর এবং সংশ্লিষ্ট প্রফেশনালদের দিয়ে। 

একটা রিসার্স পেপার পেলাম, যেখানে দেখিয়েছে কিভাবে এসব কোর্স ডিভোর্সের হার তাৎপর্যপূর্ণভাবে কমিয়েছে। 


> মালেশিয়াতেও সিমিলার কোর্স রয়েছে। এছাড়া ভার্সিটিভিত্তিক নানান সংগঠন এরকম ওয়ার্কশপ ও কোর্সের আয়োজন করে। একটা কোর্সের পোস্টারের ছবি দেখলে আইডিয়া পাবেন।


> বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়পর্যায়ে এই ধরনের প্রি-ম্যারেজ কোর্স অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর পাশাপাশি এখনই কিছু সংগঠন কর্মসূচি হাতে নিতে পারে।


> যারা শাশুড়ী হতে যাচ্ছেন তাদের জন্য ছেলে-মেয়ের বিয়ের আগে অবশ্যই তাদের করণীয় সম্পর্কিত কর্মশালার ব্যবস্থা করতে হবে। 

বাংলাদেশে ফ্লোর মোছার জন্যও কোর্স আছে, কিন্তু শ্বাশুড়ি হওয়াটা নারীরা শিখছে কোথায়? তাদের মনগড়া কাজের কারণে পুত্রবধু তো বটেই, ছেলের উপরও মারাত্মক জুলুম করেন। যা তাদের নিজেদেরকেও মানসিক শান্তি দেয় না। এই ধরণের আয়োজন সব পক্ষের জন্যই উইন-উইন হবে।


> সর্বশেষ, বিয়ের প্রস্ততিতে সবাই যে পার্টটা স্কিপ করে যায় সেটা হলো বাচ্চার কেয়ার। বিয়ের পর ইভেনচুয়ালি বাচ্চা হবেই। ইউনিভার্সিটি পাশ গর্বিত মা-ও দেখা যায় বাচ্চার নিউট্রিশন ও সাইকোলজি সম্পর্কে নুন্যতম জ্ঞান নেই, সারাদিন বাচ্চাকে ভাত গেলানোর ট্রাই করে যাচ্ছে। এটাও শিখতে হবে। 


পড়ার জন্য ধন্যবাদ।


- আহমাদ খান


রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৮-১০-২০২৪ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৮-১০-২০২৪ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আগামীকাল মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা --- সারাদেশে  নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার।

         

দুর্গা পূজা উদযাপনের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

         

ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকদের ২০ হাজার অনিষ্পন্ন ভিসা আবেদন নিষ্পত্তির আশ্বাস ইতালির।

       

বাজার স্থিতিশীল করতে সরকারের সাড়ে চার কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন।

       

সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে বাঘের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫।

      

মেশিন লার্নিং নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন জিওফ্রে হিন্টন ও জন হপফিল্ড।

       

এবং আগামীকাল দিল্লিতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪

বইপড়া" কিভাবে শিশু-কিশোরদের জীবন বদলে দেয়,,,,..

 "বইপড়া" কিভাবে শিশু-কিশোরদের জীবন বদলে দেয়?


'বইপড়া' সব বয়সী মানুষেরই শ্রেষ্ঠ অভ্যাস। আর এই অভ্যাস যদি গড়ে তোলা যায় শিশু-কিশোরদের মধ্যে, তাহলে তা সর্বশ্রেষ্ঠ। বইপড়ার অভ্যাস একবার গড়ে তুলতে পারলে তা শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যৎ জীবনের উপর অনেক বড় প্রভাব ফেলে।

বই পড়ার ফলে শিশুদের মধ্যে বেশকিছু পরিবর্তন গড়ে ওঠে। চলুন দেখা যাক কি কি ধরণের ভালোদিক বই পড়ার ফলে শিশুর মধ্যে আসেঃ


১। কল্পনাশক্তিঃ "কল্পনাশক্তি জ্ঞানের থেকেও বেশি শক্তিশালী" - আইনস্টাইন। বইয়ের প্রতিটি লাইন শিশুকে ভাবতে শেখায়, কল্পনা করতে শেখায়। এই কল্পনা কোনো ভিডিও বা ভিজুয়াল থেকে পাওয়া সম্ভব না। প্রতিটি দৃশ্য শিশু-কিশোররা কল্পনা করার যে সুযোগ পায়, তাতে তাদের মনোজগতে বড় ধরণের পরিবর্তন আনে।


২। সৃজনশীলতাঃ শিশু-কিশোর বইপড়ার সময়ে তাদের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা হয়, বিভিন্ন জিনিস সম্পর্কে ভাবতে হয়, এর ফলে তাদের মধ্যে সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পায়। নির্দিষ্ট গন্ডির বাইরে চিন্তা করার শক্তি এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা লাভ করে।


৩। ভাষার দক্ষতাঃ বইপড়ার মাধ্যমে শিশুরা নতুন নতুন শব্দ, বাচনভঙ্গির সাথে পরিচিত হওয়ায় তাদের শব্দভান্ডার বৃদ্ধি পায়। এতে তাদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়ে। ইংরেজি, বাংলা উভয় ক্ষেত্রেই তাদের এই উন্নতি ঘটে।


৪। মনোযোগ ও ফোকাসঃ বই পড়তে এবং বুঝতে শিশু-কিশোরদের মনোযোগ দিতে হয়। এতে তাদের মধ্যে মনোযোগ শক্তি বৃদ্ধি পায় যা তার পরবর্তী জীবনে অনেক বড় ভূমিকা রাখে।


৫। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সঃ বই পড়ার মাধ্যমে অনেক চরিত্র এবং তাদের ইমোশন এর ব্যাপারে বিভিন্নভাবে জানা যায়, যা অন্যদের ইমোশন বুঝতে শিশু-কিশোরদের সাহায্য করে। এতে সামাজিকতা এবং মানুষের প্রতি সহমর্মিতা জন্মায়।


৬। শেখার আগ্রহঃ যেসব শিশুরা বই পড়ে, তাদের মধ্যে শেখার আগ্রহ, জানার আগ্রহ বহুগুণে বেশি থাকে। যা ভবিষ্যৎ জীবনে তাদের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে আসে।


৭। একাডেমিক সাফল্যঃ বই পড়ুয়া শিশু-কিশোররা সাধারণত পড়তে ভালবাসার কারনে, তাদের একাডেমিক শিক্ষাজীবনেও বড় সাফল্য পায়। তাদের ম্যাচুরিটি লেভেল অন্য বাচ্চাদের থেকে বেশি থাকার কারনে তাদের পক্ষে জটিল বিষয়গুলো সহজেই ধরা সম্ভব হয়।


৮। স্বাধীনভাবে চিন্তাঃ শিশুরা সাধারণত অন্যদের উপর নির্ভরশীল থাকে সকল কাজে। বইপড়া অভ্যাস তাদের মধ্যে ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলে, এতে তারা স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে।


৯। বিনোদনঃ বর্তমানে হাজারো রকম ক্ষতিকর বিনোদন মাধ্যম শিশুদের হাতের কাছে আছে, সেই তুলনায় বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে তা ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো থেকে দূরে রাখে।


১০। বাস্তব জ্ঞানঃ শিশু-কিশোর বইয়ের সাথে থাকলে তারা বাস্তবতার সাথে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। অনেক ধরণের জীবন যাপনের কথা বইয়ে জানতে পারে, ফলে মানসিকভাবে তারা বাস্তব জ্ঞানসম্মত হয়।


রাঢ় বাংলার মানব সংস্কৃতি,,,,

 রাঢ় বাংলার মানব সংস্কৃতি

#শিবানন্দ_পাল 

মেদিনীপুরে (অবিভক্ত) কংসাবতীর তীরে সিজুয়ার প্রত্নক্ষেত্রে সেই কোন হোলোসিন যুগে প্রাগৈতিহাসিক হোমো স্যাপিয়েন্স তরুণ, একটি অ্যাশিউলিউ হাত কুঠার নিয়ে পশু শিকারের উদ্দেশ্যে জলাভূমিতে নেমেছিল। বয়স যার ১৭ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে। কিন্তু নিজেই শিকারে পরিণত হয়। এইরকম একটি ছবি আমরা কল্পনা করতে পারি। কংসাবতীর নদী চত্বরে প্রাপ্ত প্রত্নাশ্মীয় হাতিয়ার আমাদের এই গল্প বলে। 

দামোদর উপত্যকার বীরভানপুরে 

অনুকূল আবহাওয়া থাকায় গড়ে উঠেছিল 

শালের গভীর জঙ্গল। শ্যামল শোভা সেই ধরনের জঙ্গল সাধারণত গোষ্ঠী জীবনের সহায়ক। কিন্তু সেই হোলোসিন যুগে

স্থানীয় মানুষের জীবনচর্যা প্রধানত মৃগয়াভিত্তিক হলেও, কৃষিভিত্তিক সমষ্টি জীবন গড়ে উঠেছিল কিনা স্পষ্ট জানা যায় না। বিজ্ঞানীদের কিছুটা সংশয় আছে। যে সংশয় পাণ্ডুরাজার ঢিবিতে নেই।


পাণ্ডুরাজার ঢিবিতে ঘরবাড়ি, মানুষের সমাধি, হাতে চিপে চিপে তৈরি করা মাটির বাসনের সঙ্গে কুমোরের চাকায় নির্মিত মাটির বাসনপত্র পাওয়া গেছে। এমনকি পোড়ামাটির মৃৎপাত্রে রঙের কারুকাজ করা হয়েছে। মৃৎপাত্রের গায়ে ধান ও ধানের খোসা বা ধানের শিসের ছাপ পাওয়া গেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ইকনমিক বোটানিস্ট বিজ্ঞানী এ কে পাল পরীক্ষা করে জানিয়েছিলেন, এই ধান ওরিজা স্যাটিভা "Oryza Sativa L. Graminae" প্রজাতির। 

পাণ্ডুরাজার ঢিবিতে প্রথম যুগের অধিবসতির উপর সাদা এবং হলুদ বালির স্তরে চাপা পড়ে থাকায় বিজ্ঞানীদের ধারণা এখানকার অধিবসতি পরিত্যক্ত হয়নি। অতীতের কোনো প্লাবনে এরকম হতে পারে। সেই প্লাবনের পর হয়তো দীর্ঘদিন, সেটা এক বা একাধিক শতাব্দীও হতে পারে সেখানে আর কোনও গ্রাম সভ্যতা গড়ে ওঠেনি। আবার সেই যুগে এই অঞ্চলে বালু ঝড়ের প্রাবল্য ছিল।


আরও অনেক দিন পর পাণ্ডুরাজার ঢিবিতে দ্বিতীয় অধিবসতির যুগ শুরু হয়। এই পর্বে দেখা যায় তাম্রশ্মীয় সংস্কৃতির পূর্ণ বিকাশ ঘটেছে । এই সময়ের মৃৎপাত্রগুলো আরও সুন্দর হয়েছে। তাতে এসেছে অলংকরণের ছাপ। যা তৎকালীন মিশর, ক্রিট দ্বীপ, এশিয়া মাইনর, ইরান, তুরান, চিন এবং ভারতের অন্যান্য জায়গার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আবার এই সময়ের কারুকার্যময় মৃৎশিল্পের সৌন্দর্য, মানুষের সৌখীন জীবনচর্যার কথা বলে। এই সময়ে তৈরি এখানকার পারফোরেটেড পটারি যা সিন্ধু সভ্যতার কথা মনে করিয়ে দেয়। তামার স্পাইরাল চুড়ি, কাজলকাঠি স্মরণ করিয়ে দেয় ফারাওদের যুগের মিশর কুমারীদের কথা। পাওয়া গেছে হাড়ের তৈরি বর্শাফলক ও তীরের ফলা। সূক্ষ্ম এবং ধারালো হাড় বা মৃগশৃঙ্গে নির্মিত এগুলির সঙ্গে ছিল, তরুণ জলহস্তীর কয়েসের দাঁতে তৈরি বাঘনখ কিংবা মাদুলির মতো একটি অলংকার। বিজ্ঞানীরা বলেন, প্লিস্টোসিন পর্বের পর ভারতে জলহস্তী বিলুপ্ত হয়, আর পাওয়া যায় না। জলহস্তীর বর্তমান বাসভূমি আফ্রিকা এবং সংলগ্ন দেশ মাদাগাস্কার। তাহলে হোলোসিন যুগে রাঢ়বঙ্গে এই দাঁত এলো কিভাবে? এসব প্রশ্নের উত্তর গবেষকদের খোজা উচিত।

ওই দাঁত যে জায়গায় পাওয়া গিয়েছিল, তার ঠিক নীচে প্রথম যুগের স্তরে পাওয়া যায় তেরো বছরের অনূর্ধ্ব দুটি নাবালক কিংবা নাবালিকা হবে হয়তো, এবং তিনটে পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ মানুষের মৃতদেহের অবশেষ।‌ পাণ্ডুরাজার ঢিবিতে দ্বিতীয় যুগের সংস্কৃতি যে উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে উন্নীত হয়েছিল সন্দেহ নাই। মোরামপেটা ঘরের মেঝেতে পাওয়া গেছে শিমুল তুলোর বোনা সাদা কাপড়ের ছিন্ন বিচ্ছিন্ন অংশ অথবা সিল্কের কাপড়ের টুকরো। পাওয়া গেছে পোড়ামাটির চক্রাকৃতি তকলি। যার উপর খোদাই করা কয়েকটি রেখা বা আঁচড়। শিল্পশৈলীর পরিচয়। প্রাগৈতিহাসিক ট্রয় বা আনাতোলিয়ায় এরকম মাটির তৈরি গোলাকার তকলি পাওয়া গেছে। যার গায়েও এরকম উৎকীর্ণ নকশা কাজের দেখা পাওয়া গেছে। কি করে এই সাদৃশ্য এলো ভাবায়। পাণ্ডুরাজার ঢিবিতে মোট ১৪টা মানুষের সমাধি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৬টা প্রথম যুগের, ৮টা দ্বিতীয় যুগের। বোঝা গেছে প্রাথমিক পর্যায়ে মৃতদেহগুলো সরাসরি শোয়ানো হয়েছিল ।  

দ্বিতীয় পর্যায়ে তাদের শেষকৃত্যে মৃতদেহ উন্মুক্ত কোনো জায়গায় অথবা অন্য কোন অবস্থায় রাখার পর, তার কঙ্কালগুলো মাটির কলসিতে পুরে সমাধিস্থ করা হয়েছে। মৃতদেহ সমাধি দেওয়ার এইরকম রীতি প্রথম ও দ্বিতীয় যুগে এক‌ইরকম। সময়ের পার্থক্য থাকলেও ট্রাডিশন ভোলেনি। এসব ভাবনা মনের মধ্যে অনেক প্রশ্নের তৈরি হয়। আবার মৃতদেহগুলোর মাথা রাখা হয়েছে পূর্ব দিকে, পাগুলো পশ্চিম দিকে। ইংরাজিতে যাকে বলে 'ইস্ট-ওয়েস্ট ওরিয়েন্টেসন'। পূর্ব পশ্চিম দিক জ্ঞান, তাহলে সেই জনগোষ্ঠীর মাথায় এসেছিল? দেহগুলো রাখার ব্যাপারটাও অদ্ভুত! প্রথম যুগের কঙ্কালগুলো মুণ্ডহীন। দ্বিতীয় যুগের একটি কঙ্কালের পায়ের পাতা কাটা। দুর্ঘটনার শিকার হলেও হতে পারে। কিন্তু মৃতদেহ কখনও প্রসারিত অবস্থায় (এক্সটেন্ডেড) রাখা হয়েছে, আবার কখনও সঙ্কুচিত দশায় (ফ্লেক্সড)। এরকম কেন করা হলো? এক‌ই জায়গায় দ্বিতীয় পর্বের কঙ্কাল প্রসারিত অবস্থায় রাখা হয়েছে, অন্য কতগুলো সমাধির সঙ্গে। কঙ্কালের মাথা আর পায়ের দিকে রাখা হয়েছে দেহাবশেষের টুকরো ভরা দুটো বড় কলসি। পূর্ব দিকের কলসিতে হাড়ের সংখ্যা বেশি, ঢাকা দেওয়া ছিল লাল কালো রঙের বড়ো একটা গামলা দিয়ে। প্রসারিত শোয়ানো কঙ্কালের শরীরে রাখা ছিল দুটো পুঁতি, একটি তামার অন্যটা অ্যাগেট পাথরের। ভারতীয় নৃতত্ত্ব সর্বেক্ষণের দুজন বিশেষজ্ঞ পবিত্র গুপ্ত, অনাদি পাল সেগুলো পরীক্ষা করে বলেন শায়িত কঙ্কাল ৩০ বছর কিংবা তদূর্ধের কোন পুরুষের। সাড়ে ন'ফুট গভীর একটি গর্তে দ্বিতীয় পর্যায়ের যে সমাধি পাওয়া গেছে, সেটা একজন মহিলার।‌ ৩০ অথবা তার বেশি বয়স হবে। বিচিত্র ধরনের এই সমাধিগুলোতে বিচিত্র ধরনের অন্ত্যেষ্টি রীতি। এক্ষেত্রেও মৃত মহিলাকে অন্য কোনো ভাবে রাখার পর তার কঙ্কালগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো একত্র করে তার উপর করোটি রাখা হয়েছে পশ্চিম দিকে মুখ করে। যেন সে নিজের হাড়গোড়ের উপর বসে, দুচোখে চেয়ে আছে পশ্চিম দিকে, হয়তো কেউ আসবে, সেই প্রতীক্ষায়। আবার তার পাশে রাখা হয়েছে লাল রঙের মাটির সছিদ্র পাত্রের ভাঙ্গা অংশ। যাকে সুললিত ভাষায় বলা হয় সছিদ্র মৃৎভাণ্ড (পারফোরেটেড পটারি)।


পাণ্ডুরাজার ঢিবি থেকে প্রাপ্ত এইসমস্ত মানব-সমাধিগুলো পরীক্ষা করেন ভারতীয় নৃতত্ত্ব সর্বেক্ষণের তদানীন্তন অধিকর্তা অধ্যাপক নির্মলকুমার বসু এবং নৃবিজ্ঞানী দিলীপকুমার সেন। পরবর্তীকালে তিনি এই সংস্থার অধিকর্তা হয়েছিলেন। সংস্থার বিশিষ্ট নৃতত্ত্ববিদ পবিত্র গুপ্ত এবং অনাদি পাল একের পর এক দেহাবশেষগুলো বের করেন। ওঁদের সহযোগিতা করেছিলেন নৃবিজ্ঞানী বিমল দত্ত। পবিত্র গুপ্ত এবং অনাদি পাল দুই নৃবিজ্ঞানী দেহাবশেষগুলো স্টাডি করেন। তাঁদের বক্তব্য প্রকাশ করেন, "Bulletin of the Anthropology Survey of India. Vol. XIX,Nos. 3 & 4."-তে। "Human Skeletal Materials Excavated At Pandu Rajar Dhibi"। in Bulletin of the Anthropology Survey of India. Vol. XIX,Nos. 3 & 4.


প্রত্নতাত্ত্বিকদের প্রভূত তর্কবিতর্কের মধ্যে ঐক্যমতের ভিত্তিতে বলা যায়, রাঢ় বঙ্গে প্রাগৈতিহাসিক সংস্কৃতির সবচেয়ে পুরনো ইতিহাসের খোঁজ মিলেছে দামোদর উপত্যকার বর্ধমান (পশ্চিম) জেলার বীরভানপুরে। যা ৪০০০ সাধারণ পূর্বাব্দ সময়ের।‌ পূর্ব বর্ধমান জেলার পাণ্ডুরাজার ঢিবির প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় যুগের প্রাচীনত্ব স্থির করা হয়েছে ২০০০ সাধারণ পূর্বাব্দ সময়ের। 


মনে করা হয় কুনুর নদীর তীরে বর্ধমান (পূর্ব) জেলার বসন্তপুর; কুনুর-অজয় নদীর তীরে রাভারডাঙ্গা, মঙ্গলকোট; খড়ি ও মায়া নদীর তীরে মণ্ডল গ্রাম; ভাগীরথী তীরে গঙ্গা ডাঙ্গা; ভাগীরথী ও বেহুলা নদীর তীরে হাতিপোতার ডাঙ্গা সংলগ্ন এলাকার এবং বর্ধমানের ধনটিকরার সংস্কৃতি পাণ্ডুরাজার ঢিবির সমসাময়িক অর্থাৎ ২০০০ সাধারণ পূর্বাব্দ সময়ের শেষের দিকের। 


বীরভূমের কোপাই নদীর তীরে মহিষদলের প্রথম ও দ্বিতীয় যুগের সংস্কৃতির প্রাচীনত্ব থাকলেও সময় নির্ণিত করা সম্ভব হয়নি। বীরভূমের কোপাই ও ময়ূরাক্ষীর উপকূলে পোতাণ্ডা, নানুর-এর সংস্কৃতি পাণ্ডুরাজার ঢিবির সমসাময়িক ২০০০ সাধারণ পূর্বাব্দ সময়ের শেষের দিকের বলে মনে করা হয়। বীরভূমে অজয় নদের তীরে পুরসরাজার ঢিবি, মন্দিরা, হাড়াইপুর; বক্রেশ্বর নদীর তীরে যশপুর এবং বেলুনটি সরস্বতী তলা ইত্যাদি জায়গার সংস্কৃতি পাণ্ডুরাজার ঢিবির সমসাময়িক ২০০০ সাধারণ পূর্বাব্দ সময়ের শেষের দিকের বলে মনে করা হয়। 


মেদিনীপুর জেলার কংসাবতী নদীর উপত্যকায় সিজুয়ার সংস্কৃতি পাণ্ডুরাজার ঢিবির সমসাময়িক ২০০০ সাধারণ পূর্বাব্দ সময়ের শেষের দিকের বলে মনে করা হয়। রূপনারায়ণের তীরে তমলুকের সংস্কৃতি প্রাক মৌর্য ১০০০ সাধারণ পূর্বাব্দ সময়ের।


রাঢ়বঙ্গের ভূখণ্ডে এই সমস্ত জায়গাগুলোর অবস্থান অভিমুখ নির্দিষ্ট করে প্রাচীন সময়ে মানবগোষ্ঠী ছোটনাগপুর মালভূমি থেকে ক্রমশ গাঙ্গেয় সমভূমির দিকে নেমে এসেছিল। প্রত্নবিজ্ঞানী পরেশচন্দ্র দাশগুপ্তের "সুবর্ণরেখার প্রাঙ্গণে অরণ্যকন্যা কংসাবতী" ব‌ইয়ে পরেশচন্দ্র পুত্র দেবপ্রিয় দাশগুপ্ত একটি সুন্দর ম্যাপ এঁকে বোঝাতে চেয়েছেন, রাঢ় বাংলার মানব সংস্কৃতি কিভাবে ধাবিত হয়েছিল নিম্নবঙ্গে গাঙ্গেয় সমভূমির দিকে।

ছবি: দেবপ্রিয় দাশগুপ্ত কৃত ম্যাপের ছবি।

তথ্যসূত্র:

সুবর্ণরেখার প্রাঙ্গণে অরণ্যকন্যা কংসাবতী, পরেশচন্দ্র দাশগুপ্ত। অণিমা প্রকাশনী, কলকাতা। ২০০৭।

 "Human Skeletal Materials Excavated At Pandu Rajar Dhibi" in Bulletin of the Anthropology Survey of India. Vol. XIX,Nos. 3 & 4.

পুরুষের জীবনে এমন একটা সময় আসে,তখন আর শরীরের শক্তি  থাকেনা,পকেটের জোর থাকে না,এতোদিন যাদেরকে খাওয়াইছিলো,যাদের কথায় নাচছিলো তারা কেও পাশে থাকে না।পাশে থাক একমাত্র ঐ অবলা নারী তার স্ত্রী যাকে সে দিনের পর দিন অবহেলা করেছিলো,মানুষের কথায় তার উপর মানসিক, শারীরিক নির্যাতন করেছিলো।

 পুরুষের জীবনে এমন একটা সময় আসে,তখন আর শরীরের শক্তি  থাকেনা,পকেটের জোর থাকে না,এতোদিন যাদেরকে খাওয়াইছিলো,যাদের কথায় নাচছিলো তারা কেও পাশে থাকে না।পাশে থাক একমাত্র ঐ অবলা নারী তার স্ত্রী যাকে সে দিনের পর দিন অবহেলা করেছিলো,মানুষের কথায় তার উপর মানসিক, শারীরিক নির্যাতন করেছিলো।


পুরুষকে জন্ম দেন একজন নারী,আবার সেই পুরুষের শেষ সময়টায় পাশে থেকে সুন্দর একটা মৃত্যু উপহার দেয় একজন নারী।


একজন পুরুষের শারীরিক শক্তি ও পকেটের জোর যতদিন থাকবে ততোদিন সে তার স্ত্রীকে মানুষ মনে করে না।যখন এসবে ভাটা নেমে আসে তখন তার হুশ ফিরে কে তার আপন আর কে তার পর।আসলে তখন আর কিছুই করার থাকে না।


আপনার ভালোবাসার এখন আর তেমন মূল্য থাকে না কারণ আপনার স্ত্রীর কাছে এসবের আর দরকার পড়ে না।সে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে অন্যভাবে,হেলায় অবহেলায়,ভালোবাসায়,যত্নে কোনোকিছুতে সে খুশি অখুশি হতে পারে না।


সংসার এক মায়ার বাঁধন, এখানে ভালো লাগলেও আকঁড়ে ধরে থাকতে হয়,না লাগলেও থাকতে হয়।কত-শত সংসার টিকে থাকে শুধুমাত্র সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে। সেই সন্তানও এক সময় পর হয়ে যায়।


শেষ বয়সে এসে পাওয়া না পাওয়ার হিসেব মিলাতে গিয়েও হিসেব মিলেনা।

সেই অবহেলিত,অযাচিত নারীই আপনার শেষ বয়সে আপনাকে বাহুড়োরে বেঁধে রাখে বিপদে-আপদে, সুখে দুঃখে। 


আজ থেকে সতর্ক হওন,নিজের সহধর্মিণীকে মূল্য দিন,শেষ বয়সে অন্ততঃ লজ্জিত হতে হবে না তার কাছে।। 

পোস্টটি পড়ে কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন।

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...