এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪

ওএলইডি: ডিসপ্লে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ

 ওএলইডি: ডিসপ্লে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ


প্রযুক্তির জগতে ওএলইডি (OLED) ডিসপ্লে এক বিপ্লবের নাম। এটা আধুনিক টিভি, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ এবং স্মার্টফোনের মত ডিভাইসগুলির জন্য এক অনন্য ডিসপ্লে প্রযুক্তি, যা গুণগত মানে অন্যদের থেকে এক ধাপ এগিয়ে। 


আপনি কি জানেন কীভাবে এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কাজ করে এবং কেন এটা এত গুরুত্বপূর্ণ?


ওএলইডি-এর পূর্ণরূপ হল "অর্গানিক লাইট-এমিটিং ডায়োড"। একটা উন্নত কার্বন-ভিত্তিক ডিসপ্লে প্রযুক্তি, যা সাধারণ এলইডি থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন। সাধারণ এলইডি যেখানে ছোট আলোর উৎস হিসেবে কাজ করে, সেখানে ওএলইডি পাতলা, নমনীয় শিট আকারে তৈরি হয়, যা সমানভাবে আলো দেয়।


ওএলইডি ডিসপ্লে এর পাতলা গঠন, তীক্ষ্ণ উজ্জ্বলতা ও সহজ নকশার জন্য বিখ্যাত। এর প্রতিটি পিক্সেল নিজেই আলো তৈরি করে, ফলে ব্যাকলাইট প্রয়োজন হয় না। তাই ওএলইডি ডিসপ্লে শুধু শক্তি-সাশ্রয়ী’ই নয়, গভীর কনট্রাস্ট ও নিখুঁত কালো রঙ দেখাতেও সক্ষম।

.


এলইডি এবং ওএলইডি-এর মধ্যে পার্থক্য


এলইডি (LED) এবং ওএলইডি (OLED) উভয়ই আলো উৎপাদনকারী অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। যদিও দুটির কাজ একই রকম বলে মনে হয় তবে এ দুইয়ের গঠন, কার্যপ্রণালী ও ব্যবহারিক ক্ষেত্রে মৌলিক পার্থক্য আছে। কী সেই পার্থক্যগুলি?


১. গঠন


এলইডি: এলইডি আসলে একটা সেমিকন্ডাক্টর ডায়োড, যেটা বিদ্যুৎ পেলে আলো তৈরি করে। সাধারণত এলসিডি স্ক্রিনে ব্যাকলাইট হিসাবে এর ব্যবহার হয়। এলসিডি প্যানেলের পেছনে একটা ব্যাকলাইট সিস্টেম থাকে, যেটা প্যানেলের পিক্সেলগুলিকে আলোকিত করে। তবে এলইডি স্ক্রিনের পুরু গঠন আর জটিল ডিজাইন এটিকে ভাঁজযোগ্য বা নমনীয় ডিসপ্লের জন্য তেমন সুবিধাজনক করে তোলে না।


ওএলইডি: ওএলইডি একদম আলাদা প্রযুক্তি। এটি কার্বন-ভিত্তিক জৈব উপাদান দিয়ে তৈরি, যা দুটি পরিবাহী ইলেকট্রোডের মাঝে থাকে। বিদ্যুৎ দিলে এই উপাদান নিজেই আলো তৈরি করে। ব্যাকলাইটের দরকার হয় না, তাই ওএলইডি প্যানেল হয় অনেক পাতলা আর নমনীয়। এই কারণে ওএলইডি স্ক্রিন ভাঁজ করা, বাঁকানো, এমনকি স্বচ্ছ করে বানানোও সম্ভব!


২. আলোর উৎস


এলইডি: এলইডি ডিসপ্লেতে ব্যাকলাইট মূল আলোর উৎস হিসেবে কাজ করে। এটা একটা নির্দিষ্ট স্তর থেকে আলো দেয়, যা লিকুইড ক্রিস্টাল প্যানেলের মাধ্যমে দেখা যায়। ব্যাকলাইট সবসময় অন থাকায় আলো সমান ভাবে ছড়ায়। তবে, গভীর কালো রঙ দেখাতে এলইডি স্ক্রিনের একটু সীমাবদ্ধতা আছে।


ওএলইডি: ওএলইডি-তে প্রতিটা পিক্সেল নিজেই আলো তৈরি করতে পারে। এতে পারফেক্ট কনট্রাস্ট পাওয়া যায়, কারণ যেসব পিক্সেলের দরকার নেই সেগুলি বন্ধ রাখা যায়। তাই ওএলইডি স্ক্রিনে গভীর কালো আর প্রাণবন্ত রঙের অসাধারণ কম্বিনেশন দেখা যায়।


৩. ডিসপ্লে প্যানেলের গঠন


এলইডি: এলইডি প্যানেল তুলনামূলকভাবে পুরু আর শক্ত গঠনের হয়। এতে একটা ব্যাকলাইট আর একাধিক স্তরের ফিল্টার থাকে, যা আলোর দিক আর উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করে। এই গঠন ভাঁজযোগ্য স্ক্রিন বা ফোল্ডেবল স্ক্রিন তৈরির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা তৈরি করে।


ওএলইডি: ওএলইডি প্যানেল খুবই পাতলা আর নমনীয়। এর জৈব উপাদান আর ব্যাকলাইটবিহীন গঠন একে বিভিন্ন আকৃতি আর আকারে তৈরি করা সহজ করে তোলে। ওএলইডি ডিসপ্লে ফোল্ডেবল স্ক্রিন, কার্ভড টিভি, আর অন্যান্য আধুনিক ডিভাইসে ব্যবহার হয়। এমনকি এটা স্বচ্ছ প্যানেল তৈরি করতেও কাজে লাগে, যা ভবিষ্যতের প্রযুক্তিতে বড় ভূমিকা রাখবে।


৪. রঙ এবং কনট্রাস্ট


এলইডি: এলইডি ডিসপ্লেতে ব্যাকলাইট সবসময় অন থাকায় কালো রঙ পুরোপুরি কালো দেখানো যায় না। পেছনের আলো সক্রিয় থাকায় রঙ তুলনামূলক কম উজ্জ্বল আর কনট্রাস্টও কম মনে হয়।


ওএলইডি: ওএলইডি একদম পারফেক্ট কালো রঙ দেখাতে পারে, কারণ যেখানে দরকার নেই, সেখানে পিক্সেল বন্ধ রাখা যায়। এতে রঙ আরও গাঢ় আর প্রাণবন্ত দেখায়। দ্রুত রঙ পরিবর্তনের ক্ষমতা থাকার কারণে ওএলইডি স্ক্রিন গেমিং বা অ্যাকশনভিত্তিক ভিডিওর জন্য আদর্শ।


৫. শক্তি ব্যবহার


এলইডি: এলইডি ডিসপ্লে তুলনামূলক বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। কারণ ব্যাকলাইট সবসময় অন থাকে, এমনকি স্ক্রিনে কালো রঙ দেখালেও শক্তি ব্যবহৃত হয়।


ওএলইডি: ওএলইডি অনেক বেশি শক্তি সাশ্রয়ী, কারণ এটা শুধুমাত্র সক্রিয় পিক্সেলগুলোতেই বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। তাই কম বিদ্যুৎ খরচ করেও দারুণ মানের ছবি দেখানো যায়।


৬. জীবনকাল


এলইডি: এলইডি ডিসপ্লে দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই। এটা বার্ন-ইন (burn-in) সমস্যামুক্ত ও দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকর থাকে।


ওএলইডি: ওএলইডি ডিসপ্লে তুলনামূলক কম স্থায়িত্বশীল। দীর্ঘ ব্যবহারের পর কিছু ক্ষেত্রে বার্ন-ইন সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেখানে পিক্সেলের আলোক উজ্জ্বলতা কমে যায়।


৭. মূল্য


এলইডি: এলইডি ডিসপ্লে তুলনামূলক সাশ্রয়ী। এর উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় অধিকাংশ ডিভাইসের জন্য সহজলভ্য।


ওএলইডি: ওএলইডি ডিসপ্লে প্রযুক্তি দামি ও উন্নত মানের। উচ্চমানের টিভি, স্মার্টফোন এবং বিশেষায়িত ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।


এলইডি ও ওএলইডি-এর মধ্যে পার্থক্য মূলত গঠন ও কার্যপ্রণালীতে। এলইডি টেকসই ও সাশ্রয়ী হওয়ায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে কার্যকর, তবে ওএলইডি আধুনিক ডিজাইন, নিখুঁত কনট্রাস্ট ও উন্নত রঙ প্রদর্শনের জন্য সবচেয়ে ভাল। 

.


ওএলইডি কীভাবে কাজ করে


ওএলইডি একটা সলিড-স্টেট ডিভাইস, যা ইলেকট্রন আর হোল তৈরি করে আলো উৎপন্ন করে। এই প্রযুক্তি জৈব উপাদান বা অর্গানিক ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে তৈরি হয়, যা দুটি পাতলা-ফিল্ম পরিবাহী ইলেকট্রোডের মাঝে রাখা হয়। পুরো সেটআপটি কাচের স্ক্রিনের পেছনে থাকে।


ওএলইডি স্তরে যখন বৈদ্যুতিক প্রবাহ দেওয়া হয়, তখন এই জৈব উপাদান নিজেই আলো দেয়। আলো কতটা উজ্জ্বল হবে, তা নির্ভর করে ইলেকট্রোডের মাধ্যমে পাঠানো বৈদ্যুতিক প্রবাহের ওপর। এই স্বয়ংক্রিয় আলোকসৃষ্টির পদ্ধতির কারণে ওএলইডি-তে অতিরিক্ত ব্যাকলাইটের প্রয়োজন হয় না, যা এলসিডি-তে অবশ্যই থাকে।


সাধারণ এলসিডি স্ক্রিনে পুরো প্যানেলের পেছনে সমানভাবে আলো সরবরাহের জন্য এলইডি ব্যাকলাইট ব্যবহৃত হয়। তবে, ওএলইডি প্রতিটি পিক্সেলকে সরাসরি আলো প্রদান করতে সক্ষম, যা আরও বেশি নির্ভুল কনট্রাস্ট ও উজ্জ্বলতা দেয়।


ওএলইডি থেকে আলো বের করতে একটা ইলেকট্রোডের স্বচ্ছ হতে হয়। এটা কখনো এনোড (anode), আবার কখনো ক্যাথোড (cathode) হতে পারে। নির্গত আলোর রঙ নির্ভর করে ব্যবহৃত উপাদান ও এর কনফিগারেশনের ওপর।

.


ওএলইডি কনফিগারেশনের ধরন


ওএলইডি ডিসপ্লে বিভিন্ন কনফিগারেশনে পাওয়া যায়, যা ব্যবহারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী রঙ, উজ্জ্বলতা ও কার্যক্ষমতা নির্ধারণ করে। এর প্রধান তিনটি ধরন এরকম:


১. সাইড-বাই-সাইড স্ট্রাইপড


এই কনফিগারেশন সাধারণত উচ্চ রেজোলিউশনের ডিসপ্লে, যেমন স্মার্টফোনের স্ক্রিনের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি পিক্সেলে লাল, সবুজ ও নীল সাব-পিক্সেল পাশাপাশি থাকে, যা রঙ আরও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনের সুযোগ দেয়।


২. সিঙ্গল-স্ট্যাকড


এটা ওএলইডি ডিসপ্লের সবচেয়ে সহজ আর সাশ্রয়ী কনফিগারেশন। এখানে ১, ২, বা ৩টি Emitter ব্যবহার করে আলো আর রঙ তৈরি করা হয়। Emitter হল এমন একটা উপাদান, যা আলো, তাপ বা ইলেকট্রন নির্গত করে।


৩. স্ট্যাকড


এই পদ্ধতিতে প্রতিটি পিক্সেল সাদা আলো তৈরি করে। এরপর রঙিন ফিল্টারের মাধ্যমে এই আলো লাল, সবুজ আর নীল সাব-পিক্সেলে ভাগ করা হয়। যদিও এটা সিঙ্গল-স্ট্যাকড পদ্ধতির চেয়ে কিছুটা জটিল, তবে উজ্জ্বলতা বাড়াতে পারে। সবচেয়ে ভাল দিক হল, এর জন্য অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয় না।

.


ওএলইডি-এর সুবিধা


ওএলইডি নানা আকার আর মাপে বানানো যায়, এমনকি ফ্লেক্সিবল বা সমতল পৃষ্ঠেও লাগানো সম্ভব। মজার ব্যাপার হল, এটি স্ক্রিনের দুই দিক থেকেই আলো বের করতে পারে!


এতে বাইরের ব্যাকলাইট লাগে না, তাই এলসিডি-র চেয়ে অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ করে। আর, প্রয়োজন মত পিক্সেল বন্ধ করার ক্ষমতা থাকায় অপারেশনের সময় আরও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হয়।


ওএলইডি স্ক্রিন খুব পাতলা আর হালকা, যেটা শুধু চমৎকার ভিউ দেয় না, বরং যেকোনো জায়গায় সেট করা সহজ। এর মাধ্যমে পরিষ্কার, শার্প আর প্রাণবন্ত রঙ দেখা যায়।


আরও ভাল দিক হলো, ওএলইডি পারফেক্ট ব্ল্যাক দেখাতে পারে আর রঙও খুব দ্রুত বদলায়। স্ক্রিন থেকে আলো সরাসরি উপরে আসে, তাই ঝলকানি বা অস্পষ্টতার কোনো ঝামেলা থাকে না।

.


ওএলইডি-এর অসুবিধা


ওএলইডি দারুণ হলেও একটা বড় সমস্যার জায়গা হল এর দাম। জটিল কনফিগারেশন থাকায় এটা বানানো বেশ ব্যয়বহুল। যে কারণে এখনও এটি সাধারণ আলোক ব্যবহারে ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়নি। ওএলইডি যদি ভবিষ্যতে আরও সাশ্রয়ী হয়ে ওঠে, তবে ঘরের বাল্ব বা স্ট্রিটলাইটের মত সাধারণ জায়গায়ও এটি ব্যবহৃত হতে পারে।


আরেকটা সমস্যা হল এর জীবনকাল। বেশি তাপে এর কর্মক্ষমতা দ্রুত কমে যায়, তাই এটা ঠাণ্ডা পরিবেশে বেশি কার্যকর। এর বাইরে পিক্সেলের জীবনকাল নির্ভর করে রঙের ব্যবহারের ওপর। যেমন, নীল রঙের পিক্সেলের আয়ু সাধারণত হলুদ রঙের তুলনায় কম। এই কারণে স্ক্রিন দ্রুত পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।


তৃতীয় সমস্যাটা হল, স্টিকি পিক্সেল বা Image Retention। স্ক্রিনে একই চিত্র বা ভিডিও বার বার চললে পিক্সেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে স্ক্রিনে স্থায়ী দাগ পড়ে যেতে পারে। এই সমস্যা সাধারণত তখন হয়, যখন স্ক্রিন অনেকক্ষণ ধরে একটানা ব্যবহার করা হয়। যেমন, দোকান বা শোরুমে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য স্ক্রিন দীর্ঘ সময় চালু রাখা হয়।

.


ওএলইডি-এর পাতলা ডিজাইন, চমৎকার কনট্রাস্ট আর যেকোনো দিক থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যাওয়ার ক্ষমতা এটিকে টিভি ও মোবাইলের জন্য আদর্শ করে তুলেছে। এছাড়াও, ওএলইডি স্ক্রিন বাঁকানো যায়, যা নতুন ও আকর্ষণীয় ব্যবহার নিশ্চিত করেছে। উদাহরণ হিসেবে LG-এর 'ওয়ালপেপার টিভি' উল্লেখযোগ্য। ধারণা করা যায়, স্বচ্ছ ও নমনীয় স্ক্রিনের উন্নয়ন ওএলইডিকে ভবিষ্যতের অন্যতম প্রধান ডিসপ্লে প্রযুক্তি করে তুলবে।


#ওএলইডি #স্ক্রিন #প্রযুক্তি


ফেইসবুক গল্প

 ছাত্রীকে পড়ানোর পঞ্চম দিনে সে  আমাকে বইয়ের লাষ্ট পেজ দেখিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলো,

"স্যার ৩৩৩/৯৯৯ নাম্বারে বিনা রিচার্জে কল করা যাবে"

আমি বুঝে গিয়েছিলাম সে আমাকেই ওয়ার্নিং দিয়ে দিয়েছে কৌশলে, যাতে তার সাথে ভুল কিছু করার চেষ্টা না করি।আমি যখন পড়াতাম তখন আন্টি আংকেল অফিসে থাকতো।খালি বাসা আমি আর ছাত্রী একা আশেপাশে লোকজন ও তেমন ছিলো না।আমি নিজের উপর বিশ্বাস করলে ও ছাত্রীর তো আর আমার উপরে বিশ্বাস নেই।

আমি আমি পড়াশোনা শেষ করে চাকরির চেষ্টা করছি। অনেক জায়গা ইন্টারভিউ দিয়েছি সব লোক দেখানো কিন্তু আমাদের মতো লোকদের কি আর বিনা মূল্যে চাকরি দেওয়া হয়।হাল ছেড়ে দিয়ে প্রাইভেট পড়ানো শুরু করলাম সাথে নানা স্কুল কলেজে চাকরির চেষ্টা করলাম।

মামার সাথে জব করতো ছাত্রীর বাবা তিনি মেয়ের জন্য ভালো স্যার খুঁজছে মামা আমার কথা বললেন আমাকে ছাত্রীর ক্লাস সিক্সের ফটো আর ক্লাস ফাইবের বৃত্তির পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে আমি রাজি হয়ে গেলাম স্টুডেন্ট ভালো পড়াতে তেমন কষ্ট হবে না তা ভেবে।সব ঠিকঠাক করার জন্য তাদের বাসায় গেলাম।দেখি মেয়ে যতেষ্ট বড় ক্লাস নাইনে পড়ে আমি ভেবেছিলাম ছোট হবে।

সেদিন থেকে পড়ানো শুরু করলাম।পড়া বুঝানোর সময় আমি তার দিকে তাকিয়ে কথা বললে ও সে কখনো আমার দিকে তাকাতে না, বইয়ের দিকে তাকিয়ে বুঝতো কথা ও তেমন বলতো না জিজ্ঞেস করলে মাথা নাড়তো।অন্য সব স্টুডেন্টকে অংক বুঝাতে গিয়ে আমিই ভুলে যেতাম কি বলছি কিন্তু সে একবারই বুঝে যেত আমার প্রথমে মনে হতো মিথ্যা বলছে কিছু বুঝেনি।আমরা  এক সময় স্যাররা বুঝেছ বললেই বলতাম জ্বি স্যার, যখন স্যার বলতো কি বুঝেছ আমাকে বুঝাও তখন সবার অবস্থা বারোটা। তাই আমিও ওকে জিজ্ঞেস করতাম বলো সে আমাকে বুঝিয়ে দিতো।

মাঝে মাঝে what's app এ কথা হতো তাও ওকে গ্রামারসের রুলস পাঠানোর কথা মনে করিয়ে দিতো আমি পাঠিয়ে দিতাম এইটুকু।আমি নিজ থেকে কি করছো? নাস্তা করেছ?ইত্যাদি জিজ্ঞেস করলে পড়ছি,হ্যা এর বাহিরে আমি কি করছি এটা জিজ্ঞেস করতো না হয়তো ভয়ে স্যার কি মনে করবে এসব ভেবে।এভাবে কথা বলতে বলতে এক একদিন আমাদের ফ্রেন্ডশীপ হয়ে যায় আমি ওকে আমার লাভ স্টোরি বলবো বলেছিলাম।পরের দিন পড়াতে গিয়ে দেখি এমন ভাব করছে যেন আমি শুধু ওর স্যার এর বাহিরে কিছু নেই।পড়া শেষ করে আমি চলে যাওয়ার জন্য উঠলাম সে বলল

"আপনার লাভ স্টোরি বলার কথা ছিলো চলে যাচ্ছেন কেন?আমার না লাভ স্টোরি শুনতে ভালো লাগে বলেন প্লিজ "

আমি পুরো হতভম্ব ভেবেছি সব ভুলে গেছে কিন্তু এটা কি ছিলো সত্যি মেয়েরা বড় অদ্ভুত। তারপর বলতে শুরু করলাম সে খুব মন দিয়ে শুনলো আমার জন্য আপসোস করলো।এরপর থেকে আমরা পুরোপুরি বন্ধুর মতো হয়ে গেলাম সে ও তার সব কথা আমাকে বলা শুরু করলো।আমি যে মেয়েকে সাদাসিধে মনে করতাম সে রিলেশন করে আর আমার দিকে না তাকানোর কারণ তার বফ এর বারণ ছিলো,আর আমাকে নিজ থেকে কিছু জিজ্ঞেস না করার কারণ এতে নাকি মেয়েদের নিজেকে ছোট মনে হয়।এসব জানার পর আমি হাসবো না কান্না করবো বুঝতেই পারছি না এই বয়সে এতটা পজেসিভ কিভাবে হয়। আমি তাকে বলতাম প্রেম করছো ভালো কিন্তু এসব নিয়ে কোনদিন বেশি সিরিয়াস হবে না কোন ফায়দা নেই।জানি না আমার কথা কানে নিয়েছিলো কি না।

স্টুডেন্টের সাথে শিক্ষকের প্রেম বিয়ে এসব অনেক শুনেছি সব সময় এর বিরুদ্ধে ও ছিলাম।অন্য সব স্টুডেন্টের সাথে আমার সম্পর্ক ছিলো পড়া নিয়ে কিন্তু কিভাবে ওর সাথে এতটা ফ্রি হয়ে গেলাম জানি না।ওকে পছন্দ করার কারণ ওর ব্রিলিয়েন্ট মাথা ছিলো নাকি অন্যকিছু তাও জানি না। পড়া সময় মতো দেওয়ার জন্য মাঝে মধ্যে তার প্রিয় আইসক্রিম খাওয়াতাম,চেলেন্জ করে নুডলস, ডিম বাজি করিয়ে আমাকে খাওয়াতে বলতাম।সেসব ছবি তুলে রাখতাম লাভ সেফ দিয়ে তাকে পাঠিয়ে দিতাম।কিন্তু সে বুঝেও না বুঝার ভান করতো।

আমাকে জানিয়েছে তার আগের ২টা বফ আর বর্তমান সহ ৩টা রিলেশন, কথায় কথায় আমি বলে ছিলাম আমিসহ চারটা হবে।কিছু সময় আমার দিকে ভ্রু বাঁকিয়ে তাকিয়ে ছিলো আবার স্বাভাবিকভাবে কথা বলা শুরু করলো।এতে বুঝে গেলাম আমি যাই করি না কেন পাত্তা দিবে না এর চেয়ে ফ্রেন্ড হয়ে থাকা ভালো।মাঝে মধ্যে ওকে পড়ানোর সময় আংকেল বাসায় থাকতো তখন ও মজার কিছু দেখলে বা এমন কিছু যা ওনার সামনে বলা যাবে না সে সব লিখে জিজ্ঞেস করতো। আমিও লিখে বলে দিতাম বিষয়টা প্রেমিক প্রেমিকার লুকোচুরির মতো মনে হতো।

ওর এক্সামের সময় পড়া বাদ দিয়ে দেই এরপর আর যোগাযোগ হয়নি। এখন একটা পাবলিক কলেজে জব করি। যখনই বই হাতে নেই লাষ্ট পেজের সেই নাম্বার গুলো দেখলেই ওর কথা মনে পড়ে।

লেখাটা কেমন লেগেছে, অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন প্লিজ।

এরা হচ্ছে সমুদ্র যাযাবর জাতি যারা কিনা হাঁটতে শেখার আগেই সাঁতার কাটা শেখে !! 

 এরা হচ্ছে সমুদ্র যাযাবর জাতি যারা কিনা হাঁটতে শেখার আগেই সাঁতার কাটা শেখে !! 


দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু অঞ্চলে এমন একটি জাতি বাস করে যারা কিনা বাস্তব অর্থে সমুদ্র শাসন করে ! বড় বড় সামুদ্রিক ঝড়, তুফান এবং সুনামি তাদের কিছুই করতে পারে না, বাস্তব অর্থের তারাই সমুদ্রের রাজা !! 


সমুদ্রের প্রায় ৭০ মিটার (২৩১ ফুট) গভীরে ডুব দিয়ে নিজ হাতে মাছ ধরে এই উপজাতির লোকেরা ! এরা প্রায় ১৫ মিনিট পর্যন্ত শ্বাস ধরে রাখতে পারে যেখানে কিনা আধুনিক বিজ্ঞান বলে ৫-৬ মিনিটের বেশি অক্সিজেনের অভাবে  বা শ্বাস বন্ধ থাকলে মস্তিষ্ক পুরোপুরি অকার্যকর (Brain Death) হয়ে যেতে পারে। এদের শারীরিক বৈশিষ্ট্য হোমো স্যাপিয়েন্স থেকে কিন্তু অনেকটাই আলাদা যেমন এদের প্লীহা (spleen) আমাদের থেকে অনেকটাই বড় যার কারণে এরা অধিক সময় শ্বাস আটকে রাখতে পারে !! 


এই যে ছবিগুলো দেখছেন এগুলো এই উপজাতির লোকেদেরই ! এরা হচ্ছে বাজাউ Bajau উপজাতির সদস্য । বাজাউ উপজাতির লোকেরা বছরের বেশিরভাগ সময়েঈ সমুদ্রে ভাসমান নৌকায় বসবাস করে। অনেক বাজাউ জীবনে কখনো স্থলভাগে বা মাটিতেই বাস করেনি ! 


আমি জানতে চাই ~

লেখক লিও তলস্তয় সাইকেল চালানো শিখেছিলেন ৬৭ বছর বয়সে।

 লেখক লিও তলস্তয় সাইকেল চালানো শিখেছিলেন ৬৭ বছর বয়সে।

শিল্পী পাবলো পিকাসো বিয়ে করেছিলেন ছিয়াত্তর বছর বয়সে।


সবচেয়ে বেশি বয়সে নোবেল পাওয়া মানুষটির নাম লিওনিদ হুরউইজ, তিনি বেশি না মাত্র ৯০ বছর বয়সে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন। 

সবচেয়ে বেশি বয়সে অস্কার পুরস্কার পেয়েছেন ইমানুয়েল রিভা, মাত্র ৮৫ বছর বয়সে! 


একটা নির্দিষ্ট বয়সের পরেই আমরা ও আমাদের ছেলেমেয়েদের একটা বড় অংশ বলতে থাকি - আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবেনা। এভারেস্টে উঠবো কীভাবে? বয়স আছে? 


তাদের বলি - সবচেয়ে বেশি বয়সী যে মানুষটি এভারেস্টে উঠেছেন তাঁর নাম ইউকিরো মুইরা, তার বয়স ছিল মাত্র ৮১ বছর! সবচেয়ে বেশি বয়সে সাহিত্যে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন ডরিস লেসিং, মাত্র ৮৮ বছর বয়সে! 


একবার না পারলে হাল ছেড়ে দিয়ে , দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়ার দরকার নেই। দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়ার আগে আমাদের আফসোস হওয়া উচিত - কি কি করিনি? কোথায় কোথায় কোথায় যাইনি ? 

স্নো ফল দেখেছি কি? আইফেল টাওয়ার দেখেছি কি? 


সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় দেখেছি কি? 


হাল ছেড়ে দিলে হবে না। জীবনটা এ প্লাস, বি প্লাসের না। কারণ সফলতার মার্কশিট বলে কিছু নেই। যদি থাকতো তাহলে ড্রপ আউট স্টুডেন্ট বিল গেটস বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হতেন না, মার্ক জুকারবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইস্তফা দেওয়ার দশ বছর পর অনারারি ডক্টরেট পেতেন না অথবা মৃত্যুর পর ভ্যানগঘ পৃথিবীর সবচেয়ে এক্সপেন্সিভ শিল্পী হতেন না। 


জীবনের বেঁচে থাকার দিনগুলো সবচেয়ে আনন্দের হয়, জীবনের সবচেয়ে পরিশ্রম করার দিনগুলিতে, জীবনে বারবার হেরে যাওয়ার দিনগুলিতে। কতো দিন গেছে একটা অংক না পেরে ১৬ পাতা খরচ হয়েছে, মেলেনি! কতো দিন গেছে একটা ভালো লেখা লিখতে না পারার দুঃখে পুরো ডায়েরি কুচি কুচি করে ছিঁড়ে নতুন ডায়েরি নিয়ে বসতে হয়েছে! 


আসলে জীবনটা রেস নয়, জীবনটা জার্নি! জীবনের সবচেয়ে আনন্দ থাকে জীবনে হাল ছেড়ে না দেওয়ায়। আর যাইই হোক - জীবনের শেষদিন পর্যন্ত লেগে থাকার মজাটা কিন্তু জীবন শেষ হয়ে গেলে  পাওয়া যাবে কি? 


✍️লেখাটি ভালো লাগলে,  লাইক , কমেন্ট, শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।।

মৃত্যু তোর হোক দূরে নিশীথে নির্জনে,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 '' মৃত্যু তোর হোক দূরে নিশীথে নির্জনে,

হোক সেই পথে যেথা সমুদ্রের তরঙ্গগর্জনে--

গৃহহীন পথিকেরই নৃত্যছন্দে নিত্যকাল বাজিতেছে ভেরী; ''


ফিরে দেখছি ৯৭ বছর আগে।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৪ সালে বিদেশে অনেক জায়গা ভ্রমণের পর প্যারিসে এলবার্ট কাহ্নের অতিথিশালায় আসেন ১২ অক্টোবর ১৯২৪। এরপর মার্সেলি বন্দর থেকে ১৮ অক্টোবর এন্ডেস জাহাজে করে তিন সপ্তাহের ল্যাটিন আমেরিকার 'পেরু' র পথে  রওয়ানা হন এবং আর্জেন্টিনার কাছে ইনফ্লুয়েঞ্জায় খুবই অসুস্থ হ'ন এবং এই অবস্থায় ৬ নভেম্বরে বুয়েন্স আয়ের্সে এসে পৌঁছান। 


ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর উদার আতিথ্য ও কবির উপযুক্ত সেবাযত্নের ব্যবস্থায় কবিগুরু সম্পূর্ণরূপে সুস্থ হয়ে ওঠেন।----সে এক অন্য ইতিহাস, আজ আর সেকথা নয়।


পথে তিনি অনেক কবিতা লেখেন, যার মধ্যে স্পষ্টতঃই প্রকাশ পায় কবির অসুস্থতার পরোক্ষ আভাস।  ৩ নভম্বরে' ১৯২৪ এ কবি লেখেন 'পূরবী' কাব্যগ্রন্থের দুটি কবিতা।কবিতা  দু'টি  ''দান'' ও ''মৃত্যুর আহ্বান'' নামে।আসুন,আজ  কবিতা দুটিকে দেখে ও পড়ে এই সৃষ্টিকে স্মরণ করি।--


প্রথম কবিতা--


''দান''


' কাঁকনজোড়া এনে দিলেম যবে

ভেবেছিলেম হয়তো খুশি হবে।

তুলে তুমি নিলে হাতের 'পরে,

ঘুরিয়ে তুমি দেখলে ক্ষণেক-তরে,

পরেছিলে হয়তো গিয়ে ঘরে,

হয়তো বা তা রেখেছিলে খুলে।

এলে যেদিন বিদায় নেবার রাতে

কাঁকন-দুটি দেখি নাই তো হাতে,

হয়তো এলে ভুলে।

দেয় যে জনা কী দশা পায় তাকে।

দেওয়ার কথা কেনই মনে রাখে।

পাকা যে ফল পড়ল মাটির টানে

শাখা আবার চায় কি তাহার পানে।

বাতাসেতে উড়িয়ে-দেওয়া গানে

তারে কি আর স্মরণ করে পাখি।

দিতে যারা জানে এ সংসারে

এমন করেই তারা দিতে পারে

কিছু না রয় বাকি।

নিতে যারা জানে তারাই জানে,

বোঝে তারা মূল্যটি কোন্‌খানে।

তারাই জানে বুকের রত্নহারে

সেই মণিটি কজন দিতে পারে

হৃদয় দিয়ে দেখিতে হয় যারে --

যে পায় তারে পায় সে অবহেলে।

পাওয়ার মতন পাওয়া যারে কহে

সহজ বলেই সহজ তাহা নহে,

দৈবে তারে মেলে।

ভাবি যখন ভেবে না পাই তবে

দেবার মতো কী আছে এই ভবে।

কোন্‌ খনিতে কোন্‌ ধনভাণ্ডারে

সাগরতলে কিম্বা সাগরপারে

যক্ষরাজের লক্ষমণির হারে

যা আছে তা কিছুই তো নয় প্রিয়ে!

তাই তো বলি যা কিছু মোর দান

গ্রহণ করেই করবে মূল্যবান

আপন হৃদয় দিয়ে।'


আণ্ডেস জাহাজ,  ৩ নভেম্বর, ১৯২৪



সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৮-১১-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৮-১১-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ - সবাইকে শান্ত থেকে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানালেন ডক্টর ইউনূস। * দেশব্যাপী অস্থিরতা সৃষ্টির পায়তারা চালাচ্ছে একটি মহল উল্লেখ করে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানালো নাগরিক সমাজ। 


চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ  - তার হত্যার ঘটনায়  ৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। 


নিহত আইনজীবী সম্পর্কে ভারতীয় মিডিয়ার প্রতিবেদনকে অসত্য বলে অভিহিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং । 


বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। 


কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে পর্যটকবাহী নৌ-চলাচল শুরু আজ। 


১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে বিল পাস। 


মাস্কটে যুব এশিয়া কাপে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ পাকিস্তানের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-২১ হকি দল।

বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৭-১১-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৭-১১-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


বাংলাদেশে ব্যবসার সুযোগ নিশ্চিতে সরকারের সঙ্গে কাজ করতে বহুজাতিক কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহীদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান।


চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেপ্তার সম্পর্কে দিল্লির বক্তব্য বন্ধুত্বের চেতনার পরিপন্থী, বলেছে ঢাকা।


দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল সীমিত ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল করে সাংবিধানিক সংস্কার কমিশনে বিএনপির ৬২টি প্রস্তাব।


ইসরাইল ও লেবানন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত - মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ঘোষণা।


আজ মিরপুরে তিন ম্যাচ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটিতে আয়ারল্যান্ড নারী ক্রিকেট দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

যদি তুমি ভালো বউ পাও তাহলে তুমি সুখি হবে, আর না পেলে তুমি দার্শনিক হবে,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 # **"যদি তুমি ভালো বউ পাও তাহলে তুমি সুখি হবে, আর না পেলে তুমি দার্শনিক হবে"**


**সক্রেটিস করেছিলেন দুই বিয়ে। **


**প্রথম স্ত্রী **জ্যানথিপি সুন্দরী ছিলেন বটে! কিন্তু মুখে ছিলো বিষ আর চোখে আগুন। সক্রেটিসের ঘরে ঝগড়া লেগেই থাকতো।


সারাদিন জ্ঞান বিলায় লোকটা। বিনিময়ে একটি কড়িও নেন না। কোনো আয় উপার্জন নেই। ঘরে তিন সন্তান, এক স্ত্রী। এর উপর করেছেন দ্বিতীয় বিয়ে, মির্টো নামের এক মেয়েকে! বাপের কিছু সম্পদ আছে তার। একে বাড়াবে দূরে থাক, গরিবদের দিয়েই শেষ করে চলছেন।


কতো আর সহ্য করবেন জ্যানথিপি?


একরাতে ঘরে নেই খাবার, ছেলে-মেয়ে কেঁদেকেটে ঘুমিয়েছে। সক্রেটিস ঘরে বসে ধ্যান করছেন। জ্যানথিপির সহ্য হলো না। শুরু করলেন বকাঝকা।


যেই সেই বকা নয়, ভয়াবহ কিছু!


সক্রেটিস নিরবে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। বাইরে এসে চাঁদের আলোয় শুরু করলেন বইপড়া।


জ্যানথিপি এটা দেখে তো আরো আগুন!


করলেন কী? ঘরে সারা দিনের জমানো ময়লাপানি ছিলো এক গামলায়। সেই গামলার পানি ঢেলে দিলেন সক্রেটিসের উপর!


**সক্রেটিস রাগ করলেন না। বরং হেসে বললেন, এতো গুরুগম্ভীর মেঘের গর্জনের পরে এক পশলা বৃষ্টি না হলে কি আর শোভা পায় ?!

**

গ্রীষ্ম হোক আর শীত হোক, সক্রেটিসের গায়ে থাকতো একটাই কোট। সব ঋতুতে এটাই পরতেন। অন্য কোনো জামা ছিলো না তার। পায়ে ছিলনা কোনো জুতা।


তাকে জিজ্ঞেস করা হল, **সুখের সুযোগ ত্যাগ করে এতো কষ্টের জীবন কেন বেছে নিলেন?**


সক্রেটিস বললেন, **এটা বেছে নিলাম, যাতে লোভের কুকুরগুলো বুঝে- সত্য, জ্ঞান ও স্বাধীনতা এমন এমন এক সুখ, যাকে ক্রয় করতে হয় কষ্ট ও কৃচ্ছ্রতার বিনিময়ে!**


সেখান থেকেই আমরা পাই তাঁর বিখ্যাত উক্তি - **"যদি তুমি ভালো বউ পাও তাহলে তুমি সুখি হবে, আর না পেলে তুমি দার্শনিক হবে"।**

কক্সবাজারে ঘুরতে যাবেন তাদের নিরাপত্তার জন্য এই সতর্কতাগুলো মাথায় রাখবেনঃ,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বর্তমান সময়ে যারা কক্সবাজারে ঘুরতে যাবেন তাদের নিরাপত্তার জন্য এই সতর্কতাগুলো মাথায় রাখবেনঃ 



১. বাস থেকে নামার পর নিজেদের ইচ্ছামত অটোতে উঠবেন, অবশ্যই গন্তব্যস্থল উল্লেখ করে ভাড়া ঠিক করে উঠবেন। অটো ওয়ালাদের কথামতো অটো নিলে ওরা আপনাকে উনাদের নির্ধারিত হোটেলে নিয়ে যাবে। 


২. সম্ভব হলে আগেই হোটেল বুকিং দিয়ে যাবেন। তবে বুকিং দেবার আগে ভাড়া ঠিক করে নেবেন। যারা কক্সবাজার এসে হোটেল ঠিক করতে চান তারা অবশ্যই অটো চালকের কথায় কোন হোটেলে যাবেন না। নিজেরা যাচাই করে, রুম দেখে ভাড়া ঠিক করে হোটেলে উঠবেন। 


৩. হোটেলে উঠার সময় অবশ্যই এনআইডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধন কার্ড সাথে আনবেন এবং হোটেলে কপি জমা দেবেন। 


৪. বিচে নামার সময় মূল্যবান জিনিসপত্র হোটেলে রেখে আসাই উত্তম। 


৫. বিচে বসে কোন ম্যাসেজ বয় কে দিয়ে ম্যাসেজ করাবেন না, ম্যাসেজ বয় দেখলে কিটকটের দায়িত্বে থাকা কর্মিকে সরিয়ে দিতে বলবেন অথবা ট্যুরিস্ট পুলিশকে জানাবেন। ( ম্যাসেজের আড়ালে তারা আপনার মোবাইল, মানিব্যাগ নিয়ে যেতে পারে), ট্যুরিস্ট পুলিশ ম্যাসেজ বয়দের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। 


৬. কোন ভিক্ষুক, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ বিরক্ত করলে ট্যুরিস্ট পুলিশকে অবহিত করুন। 


৭. বিচ থেকে ভ্রাম্যমাণ হকার উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। শীঘ্রই ভ্রাম্যমাণ হকার মুক্ত করা হবে। আপনারা ভ্রাম্যমাণ হকার থেকে কেনাকাটা থেকে বিরত থাকুন। 


৮. ফটোগ্রাফার থেকে ছবি তোলার ক্ষেত্রে আগে থেকেই দরদাম ঠিক করে নিতে হবে। সম্ভব হলে তার লাইসেন্স আছে কিনা সেটা যাচাই করে নিবেন এবং মোবাইল নাম্বার ও ফটোগ্রাফারের ছবি তুলে রাখবেন। 


৯. বিচবাইক, ওয়াটার বাইকে চড়ার ক্ষেত্রে তাদের রেইট নির্ধারণ করে দেয়া আছে, যাচাই করে, দাম ঠিক করে উঠবেন। 


১০. পানিতে নামার ক্ষেত্রে যেখানে লাইফ গার্ড রয়েছে তার আশেপাশে নামার চেষ্টা করবেন। 


১১. কোন ধরনের হয়রানি হবার সম্ভাবনা হলে ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তা নিবেন। 


১২. হোটেলে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে মূল্য তালিকা দেখে নিবেন। 


১৩. স্ট্রিট ফুড খাওয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। 


১৪. কক্সবাজার বীচ এলাকা ও এর আশপাশ নিরাপদ। তবে সন্ধ্যার পর ঝাউবন ও অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় না যাওয়ায় উত্তম। 


১৫. জোয়ার-ভাটার সময় দেখে নিন। ভাটার সময় পানিতে নামবেন না। লাল পতাকা দেখলে বীচে গোসল পরিহার করুন। 


১৬. যে কোন আইনী সহায়তা ও হয়রানি প্রতিরোধে যোগাযোগ করুন ডিউটি অফিসার ০১৩২০১৫৯০৮৭, এএসপি ০১৩২০১৫৯২০৯,-কে।


কালেক্টেড💫


ফেইসবুক গল্প FAMILI OF MADHUMITA CARKAR ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 শরীরের সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে আকাশ ধর্ষণ করছে নীভিকে আর নীভী চিৎকার করতেও পারছে না কারণ আকাশ তার সদ্য বিবাহ করা স্বামী।

শরিরের যন্ত্রণায়‌ সে ছটপট করছে ,কিন্তু আকাশের ওই দিকে কোনো খেয়াল নেই সে ব্যস্ত নীভীর বুকের মাংস স্তুপ নিয়ে ব্যস্ত রক্তাক্ত যোনি নিয়ে।

প্রায় দুই ঘণ্টা পরে আকাশ হয়রান হয়ে নীভীকে ছাড়লো।

নীভী আর এই নির্যাতন নিতে না পেরে জ্ঞান হারালো।

,

,

,

জ্ঞান ফিরে যখন নিজের এই অবস্থা দেখলো তখন কেঁদে উঠলো নীভী।

তারপর ওয়াশ রুমে গিয়ে সাওয়ার করে ভাবছে অতীতের কথা---

নীভি আর নীলা দুই বোন তাদের কোনো ভাই নেই।নীভি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াকালীন সময়ে ছিল অনেক দুষ্টু প্রেম ট্রেম সে পছন্দ করে না।

তার কারণও আছে এই প্রেম এর কারনেই আজ তার বড় বোন এই পৃথিবীতে নেই।নীলা ভালোবাসতো রবি নামের এক ছেলেকে,একদিন নীলা বুঝতে পারলো তা গর্ভে রবির সন্তান,রবিকে তা জানালে সে তা অস্বীকার করে। ফলে নীলি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়।

,

,

এদিন নীভিকে একটা ছেলে ডেকে-

,

,

,

এই যে শুনছেন(আকাশ

,

আমাকে বলছ নাকি(নীভি)

,

হুম আপনাকেই বলছি

,

কি বলবে বলো

,

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হবার পর যখন প্রথম আপনাকে দেখলাম তখন থেকেই না আমি আপনাকে ভালোবেসে ফেলেছি

,

তো আমি কি করবো

,

আপনার কিছু করতে হবে না মানে আমি বলতে চাইছি আমি আপনাকে ভালোবাসি

,

তাই নাকি

জী ভালোবাসি খুব ভালোবাসি

,

আমার একটা শর্ত আছে 

,

কি শর্ত

,

তোমাকে ভার্সিটি তে সবার সামনে আমাকে প্রপোজ করতে হবে

,

ওহ এই কথা,আমি রাজি

,

ওকে এখন তাহলে আসি কাল দেখা হবে

,

ওকে বাই

,

(এই বলে নীভি চলে গেলো এবং আকাশও)

,

নীভি বন্ধুদের কাছে এসে হাই কেমন আছিস তোরা?

,

নুরি:হুম ভালো।আচ্ছা দেখলাম আকাশ তোকে কি জেনো বলছে!

,

নীভি:বলছিল আমাকে নাকি ভালোবাসে হা হা হা

,

ইতি:তুই কি বললি

,

নীভি:বলেছি ভার্সিটিতে সবার সামনে আমাকে প্রপোজ করতে পারলে চিন্তা করে দেখবো কি করা যায় হা হা হা

,

নুরি:যাক তাহলে তুই ও প্রেম করছিস

,

নীভি:কি বললি আমি করবো প্রেম হা হা হাসালি

,

ইতি:প্রেম যদি নাই করিস তাহলে বললি কেনো প্রপোজ করতে

,

নীভি:কেনো আবার অপমান করতে হা হা

,

নুরি:দেখ এটা কিন্তু ঠিক হবেনা

,

নীভি:ঠিক হবে না মানে আরে এসব ছেলেরা মেয়েদের প্রেমের নামে ফাঁসিয়ে শরীর ভোগ করায় এদের কাজ।

,

ইতি:সব ছেলেরা এক নয় নীভি আর আকাশ তো এমন ছেলে হতেই পারেনা

,

নীভি:বাহ ছেলেদের সম্পর্কে বিশেষ করে আকাশ এর বিষয়ে তুই বেশি জানিস

,

ইতি:দেখ নীভি আমি কারো বিষয়েয় বেশি জানি না কিন্তু তুই আমার দোস্ত এই কাজ করতে না করলাম তবুও তুই যদি এসব করিস তাহলে আমি তো সাথে নেই

,

নুরি:আমিও

,

নীভি:তোদের কাউকেই থাকতে হবে না

,

(এই বলে নীভি চলে গেলো)

পরের দিন ভার্সিটি তে আসতেই আকাশ নীভির হাত ধরে টেনে মাঠের মাঝখানে নিয়ে চিৎকার করে বলে উঠলো-

I love you nivi

I love you so much

You love me

(সবাই তাকি আছে আকাশ আর নীভির দিকে।আর আকাশ এখনোও ফুল হাতে অপেক্ষা করছে নীভির উওর এর অপেক্ষায়)

হঠাৎ নীভি 

চলবে 

বুঝবে_তুমি

১ম_পর্ব


#সংগৃহীত #yashmita #100k #Madhumita #viralreels #madhumitasarcar #viralpost2024 #followerseveryone #everyoneシ゚,,,,


নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...