এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৪

মাতৃভূমি অনুরাগী কাজী নজরুল ইসলাম।,,,

মাতৃভূমি অনুরাগী কাজী নজরুল ইসলাম।

তার অসংখ্য সংগীত বিভাগের মধ্যে ছয় ঋতু  নিয়ে একটি সংগীত পরিবেশন  করেছেন মাতৃভূমি রুপ বর্ণনায়।

প্রকৃতির বুকে নিঃশব্দে যে প্রেমের লীলা চলে তার ঐ রূপ দর্শণে  বিভোর কবি—গেয়ে উঠলেন:—


      একি অপরূপ রূপে মা তোমারে

             হেরুনী পল্লী  জননী

                    ফুলেও ফসলে কাদামাটি জলে

                            ঝলমল করে লাবণী।

                                     হেরুনি পল্লী জননী ।


প্রকৃতির বৈচিত্র রূপ রূপায়ণে যে বিস্ময়কর ভাষা নির্মাণ কৌশল এবং ছন্দের সহস্র দল পদ্মের উপর তার কাব্য বাণীর চঞ্চল লীলা পদচারণা  সৌন্দর্য কল্পনায় নতুন সাহিত্য সাধনার অনুপ্রেরণা ও সাহস যোগায় বিস্মীতির অন্তরালে বিরল প্রতিভাবান কবির সাহিত্য সৃষ্টি আমাদের মুগ্ধ করে। মাতৃভূমির মাতৃভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভক্তিও গভীর অনুরাগের পরিচয় পাওয়া যায়।

মেঘ বিহীন খর বৈশাখে উত্তপ্ত দগ্ধ কাতর বসুন্ধরা চাতকের কাছে আর্জি বৃষ্টি পাওয়ার জন্য। 


   রৌদ্রতাপ্ত বৈশাখে তুমি 

        চাতকের সাথে চহো জল 

              আম কাঁঠালের মধুর গন্ধে 

                     জ্যৈষ্ঠ মাতায় তরুতল 

                           ঝঞ্ঝার সাথে প্রান্তরে মাঠে 

                                 কভু খেল লয়ে অসনী।

                                         হেরুনি পল্লী জননী।


প্রকৃতির সৃষ্ট ও সৌন্দর্য কবি মুগ্ধ, তাঁর কল্পনায় রোমান্টিক ভাবা বেগের লালিত শ্যামলী বাংলার স্বরসতা /কমলতা /পূর্ণশ্রী ও স্নিগ্ধ লাবণ্য তার কাব্য লক্ষীর কাননে বিকশিত। শীতের শেষে বসন্তের আগমনী সংগীতটির ভূমিকা পাঠক বৃন্দ কে আকৃষ্ট করে।।


    শীতের শূন্যে মাঠে ফেরো তুমি 

         উদাসী বাউলের সাথে মা

               ভাটিয়ালি গাও মাঝিদের সাথে 

                    কীর্তন শোন  রাতে মা

                        ফাগুনের রাঙা ফুলের আবিরে

                              রাঙাও নিখিল ধরণী ।

                                    হেরুনী পল্লী জননী।।

গোপন প্রিয়া" --------- কাজী নজরুল ইসলাম

 "গোপন প্রিয়া"

--------- কাজী নজরুল ইসলাম


পাইনি ব’লে আজো তোমায় বাসছি ভালো, রাণি,

মধ্যে সাগর,এ-পার ও-পার করছি কানাকানি!

আমি এ-পার, তুমি ও-পার,

মধ্যে কাঁদে বাধার পাথার

ও-পার হ’তে ছায়া-তরু দাও তুমি হাত্ছানি,

আমি মরু, পাইনে তোমার ছায়ার ছোঁওয়াখানি।


নাম-শোনা দুই বন্ধু মোরা, হয়নি পরিচয়!

আমার বুকে কাঁদছে আশা, তোমার বুকে ভয়!

এই-পারী ঢেউ বাদল-বায়ে

আছড়ে পড়ে তোমার পায়ে,

আমার ঢেউ-এর দোলায় তোমার ক’রলো না কূল ক্ষয়,

কূল ভেঙেছে আমার ধারে-তোমার ধারে নয়!


চেনার বন্ধু, পেলাম না ক’ জানার অবসর।

গানের পাখী ব’সেছিলাম দু’দিন শাখার’ পর।

গান ফুরালো যাব যবে,

গানের কথাই মনে রবে,

পাখী তখন থাকবো না ক’-থাকবে পাখীর স্বর!

উড়ব আমি,-কাঁদবে তুমি ব্যথার বালুচর!


তোমার পারে বাজ্ল কখন আমার পারের ঢেউ,

অজানিতা! কেউ জানে না, জানবে না ক’ কেউ।

উড়তে গিয়ে পাখা হ’তে

একটি পালক প’ড়লে পথে

ভুলে’ প্রিয় তুলে যেন খোঁপায় গুঁজে নেও!

ভয় কি সখি? আপনি তুমি ফেলবে খুলে এ-ও!


বর্ষা-ঝরা এমনি প্রাতে আমার মত কি

ঝুরবে তুমি এক্লা মনে, বনের কেতকী?

মনের মনে নিশীথ্-রাতে

চুম্ দেবে কি কল্পনাতে?

স্বপ্ন দেখে উঠবে জেগে, ভাববে কত কি!

মেঘের সাথে কাঁদবে তুমি, আমার চাতকী!


দূরের প্রিয়া! পাইনি তোমায় তাই এ কাঁদন-রোল!

কূল মেলে না,-তাই দরিয়ায় উঠতেছে ঢেউ-দোল!

তোমায় পেলে থাম্ত বাঁশী,

আস্ত মরণ সর্বনাশী।

পাইনি ক’ তাই ভ’রে আছে আমার বুকের কোল।

বেণুর হিয়া শূন্য ব’লে উঠবে বাঁশীর বোল।


বন্ধু, তুমি হাতের-কাছের সাথের-সাথী নও,

দূরে যত রও এ হিয়ার তত নিকট হও।

থাকবে তুমি ছায়ার সাথে

মায়ার মত চাঁদনী রাতে!

যত গোপন তত মধুর-নাই বা কথা কও!

শয়ন-সাথে রও না তুমি নয়ন-পাতে রও!


ওগো আমার আড়াল-থাকা ওগো স্বপন-চোর!

তুমি আছ আমি আছি এই তো খুশি মোর।

কোথায় আছ কেম্নে রাণি

কাজ কি খোঁজে, নাই বা জানি!

ভালোবাসি এই আনন্দে আপনি আছি ভোর!

চাই না জাগা, থাকুক চোখে এমনি ঘুমের ঘোর!


রাত্রে যখন এক্লা শোব-চাইবে তোমার বুক,

নিবিড়-ঘন হবে যখন একলা থাকার দুখ,

দুখের সুরায় মস্ত্ হ’য়ে

থাকবে এ-প্রাণ তোমায় ল’য়ে,

কল্পনাতে আঁক্ব তোমার চাঁদ-চুয়ানো মুখ!

ঘুমে জাগায় জড়িয়ে র’বে, সেই তো চরম সুখ!


গাইব আমি, দূরের থেকে শুনবে তুমি গান।

থাম্বে আমি-গান গাওয়াবে তোমার অভিমান!

শিল্পী আমি, আমি কবি,

তুমি আমার আঁকা ছবি,

আমার লেখা কাব্য তুমি, আমার রচা গান।

চাইব না ক’, পরান ভ’রে ক’রে যাব দান।

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দাড়িতে হাত দিয়ে রবীন্দ্রনাথ বুঝতে পারলেন তাঁর দাড়িতে কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছে। 

 সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দাড়িতে হাত দিয়ে রবীন্দ্রনাথ বুঝতে পারলেন তাঁর দাড়িতে কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছে। আয়নাতে মুখ দেখে কবি রাগে অগ্নিশর্মা। গোটা ঘটনা ঘটে রবীন্দ্রনাথের অগোচরে। ভয়ঙ্কর রেগে গিয়েছিলেন কবি। অমন রাগতে তাঁর ঘনিষ্ঠরা অতীতে কোনওদিন দেখেন নি।

ধ্রুবতারাদের খোঁজে  


কলকাতা থেকে স্বনামধন্য চিকিৎসকের দল আসে। ডাঃ নীলরতন সরকার,ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় প্রমুখ। তারা কবিকে দিনের বেলায় ভালভাবে পরীক্ষা করে শারীরিক যন্ত্রনার কারণ শনাক্ত করতে পারলেন না।রবীন্দ্রনাথ মাথা থেকে ঘাড় পর্যন্ত যন্ত্রনা অনুভব করছিলেন।

সিদ্ধান্ত হয় রবীন্দ্রনাথ কে ঘুমের ওষুধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে তাঁর দাড়ির ভেতরটা দেখতে হবে। তাঁর রাতের খাবারের সঙ্গে গোপনে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়।  কবি তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। ডাক্তাররা তাঁর কানের কাছের চুল ও গালের কিছু অংশের দাড়ি কেটে তাঁকে ভালকরে পরীক্ষা করলেন এবং ওষুধপত্র দেওয়া হল। কবির চিকিৎসার জন্য ডাক্তাররা রবীন্দ্রনাথের গালের কাছে কিছু অংশের দাড়ি কেটে দিয়েছিলেন।  


রবীন্দ্রনাথের দাড়ির ওই দশা করে বিধান রায়, নীলরতন সরকার শান্তিনিকেতনে থাকার ভরসা পেলেন না। সেই রাতেই তারা কলকাতা পাড়ি দিলেন।  বনমালীকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন তাঁর দাড়ির এমন দশা কিভাবে হল। বনমালী কাঁদতে, কাঁদতে বললেন তিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন এসব কিছুই জানে না। কবি নিয়মমত কফি খেতেন, কিন্তু সেদিন রাগে কফি খেলেন না। রবীন্দ্রনাথ এরপর বনমালী কে বললেন রথীন্দ্রনাথ কে ডেকে আনতে।  বনমালী ঘুরে এসে খবর দিল জরুরি কাজে ভোরবেলায় রথীন্দ্রনাথ শ্রীনিকেতন গিয়েছেন।

 ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


রবীন্দ্রনাথ আরও গুম হয়ে গেলেন, বনমালী যতবার খাবারের কথা বলে ততবার কবির কাছে ধমক খায়। কেউ রবীন্দ্রনাথের কাছে যেতে সাহস পান না। শেষ পর্যন্ত পুত্রবধূ প্রতিমাদেবী কবির সামনে গিয়ে বললেন তিনি না খেলে বাড়ির অন্যরা কেউ যে খাবার মুখে তুলবে না। তবুও যেন কবির রাগ কমে না। আবার রবীন্দ্রনাথ কে খাওয়ার অনুরোধ করলেন রথীন্দ্রনাথ জায়া। প্রচণ্ড ক্ষোভের সঙ্গে কবি জানালেন তাঁর দাড়িতে হাত দেওয়ার আগে তাঁকে কি একবার জিজ্ঞেস করার দরকার ছিল না। শেষ পর্যন্ত অবশ্য কবি খেয়েছিলেন। কিন্তু বাবার সামনে ভয়ে কয়েকদিন যান নি রথীন্দ্রনাথ। 


কবির জীবনের ভিন্ন ধরনের অনবদ্য এই কাহিনী লিখেছেন নন্দিনী অর্থাৎ পুপে। ঠাকুরবাড়ির মেয়ে না হলেও তাঁকে বুকে টেনে প্রতিমা মিটিয়েছিলেন মাতৃত্বের সাধ। রবীন্দ্রনাথের দেওয়া নাম নন্দিনী, তাঁর শিশুমনে ঘটনাটি এমন দাগ কাটে পরিণত বয়সে দাদামশাইয়ের কথা লিখতে গিয়ে অনবদ্য ছবিটি উপহার দিয়েছেন। 'পিতা পুত্রী' - তে নন্দিনী , রথীন্দ্রনাথ ছাড়াও লিখেছেন দাদামশাই রবীন্দ্রনাথের কথা। নন্দিনী আত্মপ্রকাশে বিমুখ ছিলেন, লিখেছেন কম। যদি আরও একটু বেশি লিখতেন, তাহলে আরও অনেক দুর্লভ ছবি উপহার দিতেন।আদরের নাতনিকে ছেড়ে রবীন্দ্রনাথ যখনই শান্তিনিকেতনের বাইরে গিয়েছেন, তাঁর মন উতলা হয়ে উঠেছে ফিরবার জন্য। ছোট্টো নাতনিটিকে ছেড়ে তিনি বেশীদিন থাকতে পারতেন না।

সংকলনে ✍🏻 অরুণাভ সেন।।

ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


RabindranathTagore 

rathindranathtagore 

PratimaDevi 

dhrubotaraderkhonje 

poupee


পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার, ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল, চিত্রা দেব

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০২-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০২-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আওয়ামী লীগের আমলে প্রতি বছর গড়ে পাচার হয়েছে ১৬ বিলিয়ন ডলার - অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন।


সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মনন সৃষ্টিতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডির ভূমিকার প্রশংসা করলেন প্রধান উপদেষ্টা।


গণমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বে একটি জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যায়িত করতে চাচ্ছে ভারত - মন্তব্য পররাষ্ট্র উপদেষ্টার।


২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমানসহ দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামি খালাস।


তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রিভিউ শুনানি আগামী ১৯শে জানুয়ারি।


গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ২৪ ঘন্টায় নিহত ৪৭, আহত ১০৮।


ঢাকায় এক ম্যাচ হাতে রেখেই বাংলাদেশের মেয়েরা ওডিআই সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে  - আজ তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ।

দাড়ি-বিলাপ """  প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর মতে,দাড়ি শয়তান ও রাখে। দাড়ি নিয়ে কবির কবিতাটা পড়ুন মজা পাবেন সংক্ষিপ্ত   """""" কাজী নজরুল ইসলাম।,,,,

 প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর মতে,দাড়ি শয়তান ও রাখে।

দাড়ি নিয়ে কবির কবিতাটা পড়ুন মজা পাবেন

সংক্ষিপ্ত 


""" দাড়ি-বিলাপ """  

 """""" কাজী নজরুল ইসলাম।


হে আমার দাড়ি!

একাদশ বর্ষ পরে গেলে আজি ছাড়ি

আমারে কাঙাল করি, শূন্য করি বুক!

শূন্য এ চোয়াল আজি শূন্য এ চিবুক!


তোমার বিরহে বন্ধু, তোমার প্রেয়সী

ঝুরিছে শ্যামলী গুম্ফ ওষ্ঠকূলে বসি!

কপোল কপাল ঠুকি করে হাহাকার –

‘রে কপটি, রে সেফটি (safety) গিলেট রেজার!’….


একে একে মনে পড়ে অতীতের কথা –

তখনও ফোটেনি মুখে দাড়ির মমতা!

তখনও এ গাল ছিল সাহারার মরু,

বে-পাল মাস্তুল কিংবা বিপল্লব তরু!


স্বজাতির ভীরুতার ইতিহাস স্মরি

বাহিয়া বি-শ্মশ্রু গণ্ড অশ্রু যেত ঝরি।

নারীসম কেশ বেশ, নারিকেলি মুখ,

নারিকেলি হুঁকা খায়! – পুরুষ উৎসুক


নারীর ‘নেচার’ নিতে, হা ভারত মাতা!

নারী-মুণ্ড হল আজি নর বিশ্বত্রাতা!


চলিত কাবুলিওয়ালা গুঁতো-হস্তে পথে

উড়ায়ে দাড়ির ধ্বজা, আফগানিয়া রথে

সুকৃষ্ণ নিশান যেন! অবাক বিস্ময়ে

মহিলা-মহলে নিজ নারী-মুখ লয়ে


রহিতাম চাহি আমি ঘুলঘুলি-ফাঁকে,

বেচারি বাঙালি দাড়ি, কে শুধায় তাকে?

চলিত মটরু মিয়াঁ চামারুর নানা,

মনে হত, এ দাড়িও ধার করে আনা


কাবুলির দেনা-সাথে! বাঙালির দাড়ি

বাঙালির শৌর্য-সাথে গিয়াছে গো ছাড়ি!

দাড়ির দাড়িম্ব বনে ফেরে নাকো আর

নির্মুক্ত হিড়িম্বা সতী, সে যুগ ফেরার!


জামাতারে হেরি শ্বশ্রু লুকান যেমনি!

‘রেজারে’ হেরিয়া শ্মশ্রু লুকাল তেমনি!…


ভোজপুরি দারোয়ান তারও দাড়ি আছে,

চলিতে সে দাড়ি যেন শিখীপুচ্ছ নাচে!

পাঞ্জাবি, বেলুচি, শিখ, বীর রাজপুত,

দরবেশ, মুনি, ঋষি, বাবাজি অদ্ভুত


বোকেন্দ্র-গন্ধিত ছাগ সেও দাড়ি রাখে,

শিম্পাঞ্জি, গরিলা – হায়, বাদ দিই কাকে!

এমন যে বটবৃক্ষ তারও নামে ঝুরি,

ঝুরি নয় ও যে দাড়ি করিয়াছে চুরি


বনের মানুষ হতে! তাই সে বনস্পতি আজ!

দাড়ি রাখে গুল্মলতা রসুন পেঁয়াজ!

হাটে দাড়ি, মাঠে দাড়ি, দাড়ি চারিধার,

লক্ষ খারে ঝরে যেন দাড়ি-বারিধার!


ঝরে যবে বৃষ্টিধারা নীল নভ বেয়ে

মনে হয় গাড়ি গাড়ি দাড়ি গেছে ছেয়ে

ধরণির চোখে-মুখে, সে সুখ-আবেশে

নব নব পুষ্পে তৃণে ধরা ওঠে হেসে!


মুকুরে হেরিয়া নিত বি-শ্মশ্রু বদন

লজ্জায় মুদিয়া যেত আপনি নয়ন।

হায় রে কাঙালি,

রহিলি তুই-ই হয়ে মাকুন্দা বাঙালি!


এতেক চিন্তিয়া এক ক্ষুর করি ক্রয়

চাঁছিতে লাগিনু গাল সকল সময়।


বহু সাধ্য-সাধনায় বহু বর্ষ পরে

উদিল নবীন দাড়ি!

ফেইসবুক গল্প

 *হাইকোর্টে একটি মামলায় সাক্ষী হিসাবে কাজের মাসি শিলার ডাক পড়েছে।*


বাদীপক্ষের দুঁদে উকিল 'প্রমথ বিশ্বাস' শিলা মাসি কে ঘাবড়ে দেবার জন্য প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলেন: *"আপনি আমায় চেনেন ??"*


শিলা মাসির উত্তর: *“ওমা চিনব না কেন ?? তুমি প্রমথ তো !! তোমায় ন্যাংটা বয়স থেকেই চিনি। পুরো বখে যাওয়া ছেলে ছিলে। মিথ্যা কথা বলতে। লোক ঠকানোয় ওস্তাদ ছিলে। লাগানি ভাঙানি ভালোই করতে। আরো অনেক গুন তোমার ছিল সে সব আর বলছি না। নিজেকে মস্ত কেউকেটা ভাবতে যদিও কানাকড়ির মুরোদ ছিল না। তোমাকে আমি ভালই চিনি।"*


প্রমথ বাবু স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। ভেবে পাচ্ছিলেন না কি করবেন। কোর্ট ঘরের অপর প্রান্তে বিবাদী পক্ষের উকিল "অসিত ধরে"র দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে বললেন: *“ওনাকে চেনেন ??"*


শিলা মাসির উত্তর: *“ওমা চিনব না কেন ?? ওতো অসিত। খুব ভাল করেই চিনি। অলস অকর্মণ্য। কারো সাথে সদ্ভাব ছিল না। পাঁড় মাতাল। শহরের সবচেয়ে পিশাচ উকিল। বৌয়ের চোখে ধুলো দিয়ে তিনটে ছুঁড়ির সাথে ফষ্টিনষ্টি করে। তার মধ্যে একজন তোমার বৌ। ওকেও ছোট থেকেই চিনি।”*


*বিবাদী পক্ষের উকিল অসুস্থ বোধ করতে লাগলেন।*


এমন সময় জজ সাহেব দুই উকিলকে কাছে ডাকলেন। উকিলদ্বয় কাছে যাবার পর নিচু গলায় শান্তস্বরে জজ সাহেব বললেন:


*“দুই গর্দভের একজনও যদি ওই মহিলাকে প্রশ্ন করো যে আমায় চেনে কিনা তাহলে তোমাদের আমি ফাঁসি কাঠে চড়াব।”* 🤣🤣🤣🤣🤣🤣😂

জীবন আপনাকে চমকে দিতে পারে

 জীবন আপনাকে চমকে দিতে পারে


এশিয়ার প্রথম নারী সাহিত্যিক হিসেবে এই বছর নোবেল পেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার সাহিত্যিক হান কাং।৫৩ বছর বয়সী এই লেখিকাকে যখন নোবেল কমিটি থেকে ফোন দিয়ে খবরটা জানানো হয়, তিনি তখন তার ছোট ছেলেকে নিয়ে সবে ডিনার সারছিলেন। খানিকটা হেসে তিনি কমিটিকে ধন্যবাদ জানান। ভীষণ সাদামাটা এবং প্রত্যাশাহীন লেখিকা হান কাং। যে কিনা শুধু ভালো লাগে বলেই লিখেন। পুরস্কারের প্রতিযোগিতার দৌঁড়ে নিজেকে শামিল করেন না।


২০১৬ সালে ৪৫ বছর বয়সে তার লেখিকা হিসেবে বলা যায় শুরু। যেখানে হয়তো অনেক নারী জীবনের শেষবেলা বলে এটাকে মনে করেন। "দ্য ভেজিটেরিয়ান" নামক সেই উপন্যাসেই মিলে বুকার পুরস্কার। ২০২৪ এ ৫৩ বছর বয়সে পেলেন নোবেল পুরস্কার।


আসলে আমরা অনেকে জীবনের শুরু বা শেষ বেলা নির্ধারণ করি বয়স দিয়ে।আদৌ কি সেটা হয়? আমি বারবার বলি জীবন যে কোন সময় যে কোন মুহুর্তে শুরু করা যায়। আর জীবন আমাদের চমকে দিতে পারে বারবার।


সংগৃহীত

একই বছর দুটি জুটিতে দুর্দান্ত সফলতার নজীর খুব নেই বললে চলে।

 একই বছর দুটি জুটিতে দুর্দান্ত সফলতার নজীর খুব নেই বললে চলে।

বিশেষ করে কোন নায়িকার ক্ষেত্রে। 


মৌসুমীর ক্রেজ,স্টারডম সে তো শুরুতে সুপারস্টার। 


এ ইতিহাস টাও মৌসুমীর জন্য।


১৯৯৪ সাল।


মৌসুমী সালমান শাহ - অন্তরে অন্তরে


মৌসুমী ওমর সানী - আত্ন অহংকার। 

সুপারহিট, 

বাম্পারহিট দুটি ছবির জুটি।


১৯৯৫ সাল।


মৌসুমী সালমান শাহ- দেনমোহর 


মৌসুমী -ওমর সানী- মুক্তির সংগ্রাম। 

ব্লকবাস্টার, 

সুপারহিট দুটি ছবির জুটি।


পরের বছর গুলোতে সানী,

 কাঞ্চন, 

রুবেল সব জুটির সাথেই বাম্পারহিট, 

সুপারহিট ছবি চলেছে।


একটা সময়ের পর সানী, 

কাঞ্চন জুটির বাইরে মৌসুমী মান্না জুটি  ইতিহাস খ্যাত। 

একই সাথে কখনও আমিন খান,

অমিত হাসান,

রিয়াজ,

ফেরদৌস কিংবা শাকিব খানের সাথে জুটিতেও সুপারহিট এমনকি নায়কবিহীন মৌসুমী বা নতুন নায়ক নিয়েও সুপার স্টারডমের কারনে দুর্দান্ত সফল লেডি মেগাস্টার মৌসুমী। 


যেমন - মেঘলা আকাশ,ইতিহাস।

চেতনাতে  নজরুল 🔥 --- রণজিৎ কুমার দেব।  ২৯/১১/২০২৪

 প্রবন্ধ 


চেতনাতে  নজরুল 🔥

--- রণজিৎ কুমার দেব। 

২৯/১১/২০২৪

------------------------------------


        বাংলাদেশের জাতীয় কবি হইয়াছেন তো অনেক পরে;  ইহার ও আগে, ষাটের দশক হইতে তিনি আমার হৃদয়ের কবি।  কাজী নজরুল ইসলাম।   হ্যাঁ;  নজরুলকে চাক্ষুষ দেখিবার সৌভাগ্য আমার হয় নাই;  কারণ তিনি যখন ভারতে আমি সেই সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে আমার শৈশব-কৈশোর অতিবাহিত করিতেছিলাম আবার আমি যখন ভারতের নাগরিকত্ব লাভ করিয়া  ভারতে চলিয়া আসি নজরুলকে সেই সময়ে বাংলাদেশ লইয়া যাওয়া হয়।  কাজীর কবিতা এবং বিভিন্ন রচনার মাধ্যমেই আমি কাজীকে চিনিয়াছি, জানিয়াছি।  কৈশোরে পাঠ্য বইয়ে যেমন পড়িয়াছি তেমনি রেডিওতে কাউকে গাইতেও শুনিয়াছি কাজীর সেই উদ্দীপনাময় কবিতা -- 'দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার হে, লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুশিয়ার।'  ইহার পর হইতে ক্রমে ক্রমে কবি কাজী আমার চেতনার সাম্রাজ্য দখল করিয়া লইয়াছেন। 

 

          কাজী নজরুল মৃত্যুঞ্জয়ী।  নজরুল বাঁচিয়া রহিয়াছেন আমাদের প্রাণে,  রহিয়াছেন বাংলার প্রতিটি ধূলিকণায়।   নজরুল বাঁচিয়া রহিয়াছেন তাঁহারই সৃষ্টিতে, তাঁহার লেখায় কবিতায় গানে। কখনও দেশাত্মবোধের উদ্যমতায় কখনও প্রেমের মাদকতায় কখনও বা ভক্তিরসাপ্লুত গানে গানে।  


          মানবজাতিকে, --  বিশেষ করিয়া বাংলার মানুষের মধ্যে ইসলাম আর সনাতন ধর্ম্মের সমন্বয়ের দ্বারা বৃহত্তর বাঙ্গালী জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করিতে নজরুল যাহা করিয়াছিলেন বা করিবার জন্য আপ্রাণ প্রচেষ্টা করিয়াছিলেন বাংলার কোনও কবি সাহিত্যিক বা বুদ্ধিজীবী এমন কি রবীন্দ্রনাথও ঠিক ততটা করেন নাই।  ধর্ম্মে ইসলাম কাজী নজরুল ছিলেন যথার্থই একজন আদর্শ মুসলমান।   নজরুল শুধুমাত্র বাঙ্গালীই ছিলেন না --  ছিলেন বাঙ্গলার পথপ্রদর্শক।   সর্বোপরি এই মানুষের সাম্রাজ্যে জাতি-ধর্ম্মের ঊর্ধ্বে কাজী নজরুল ছিলেন এক আদর্শ মানুষ, মহামানব।  আগেকার অনেক কবি লেখক স্বচ্ছল চিন্তাহীন জীবনযাত্রার মধ্য দিয়ে অনেক কিছুই লেখিয়া গিয়াছেন,  কিন্তু দুঃখের নদীতীরে বসিয়া জীবন-সংগ্রামের মধ্য দিয়া দেশ সমাজ বিধ্বংসকারী ধর্মান্ধতা কুসংস্কার আর সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে এবং তৎসহ পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচনে সংগ্রামী চেতনাকে জাগরিত করিয়া নজরুল যাহা লেখিয়াছিলেন তাহা নেহাৎ কাব্য নহে, হৃদয়ের গভীর হইতে উৎসরিত বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।   অনেক কবিই বাঙ্গলাকে লইয়া বাঙ্গালীকে লইয়া ধর্মীয় ভাবধারায় বা সামাজিক প্রেক্ষাপটে কতই মিষ্টি-মধুর কবিতা গান প্রবন্ধ লেখিয়া গিয়াছেন কিন্তু নজরুলের অধিকাংশ লেখাই ছিল বাস্তবধর্মী,  ছিল প্রেরণামূলক বার্তাবহ।   নজরুলের লেখা প্রেম-বিরহের গান যেন বাঙালির হৃদয়ের গান, অতুলনীয়;  তবে সেই সবকিছুর পাশাপাশি তাঁহার লেখনী হইতে মাঝেমাঝে কালির বদলে বারুদ বাহির হইত;  যে বারুদ হইতে আগুন জ্বলিয়া কবিকে ‘বিদ্রোহী’ আখ্যায় ভূষিত করিয়াছিল সেই আগুন আজ পর্যন্ত  আমাদের মনের কলুষতা অজ্ঞানতা ভীরুতাকে অতি কিঞ্চিত হইলেও হয়তো বা পুড়াইতে সক্ষম হইয়াছে।   অদূর ভবিষ্যতে হয়তো সেই আগুন হইতে জ্বালানো বাতি অন্ধকারের নাগপাশ ছিন্ন করিয়া আমাদেরকে আরও অনেকটা পথ দেখাইয়া লইয়া যাইবে।  


আমি সাম্যের গান গাই >


      মানুষ সত্য, খোদা-ঈশ্বর পরম সত্য,

              গাহি সেই সত্যের জয়গান;

      আত্মা হইতে উৎসরিত  

              ধর্ম্মের জয়গান। 

      আমি সাম্যের গান গাই;

              আমি যখনি গান গাই —

      কবি কাজী মোর জিহ্বাগ্রেতে 

              আসিয়া লহেন ঠাঁই। 

      ধর্ম্মের নামে কূটনীতি বিষে

              ছিঁড়িল নাড়ির টান,

      মানুষে মানুষে ভেদাভেদ রচি

              জাতি হ’ল খানখান। 

      নেই ভক্তি নিষ্ঠা প্রেমের বালাই

              মুখে ধর্ম্মের নাড়া,

      ধরমের নামে শুধু বিদ্বেষ,

              দিল হিংসা যে মাথাচারা। 

       ভণ্ডামি দেখে গরজে উঠিল 

              কন্ঠ সে প্রতিবাদী,

      তা’রি কম্পন লেগে জাগিল যে 

              একবিংশ শতাব্দী। 

     মাটির গন্ধে একে অন্যেরে

              টানিল বক্ষপাতি,

      লুকাইল মুখ ভণ্ড যতেক

              ঘুচিল জাতের বজ্জাতি। 

      কোথায় হিন্দু কোথায় বৌদ্ধ,

              ঈসাই মুসলমান,

      দু’চোখ মেলিয়া যাহারেই দেখি

              দেখি শুধু ইনসান্। 

      হে আমার কবি নজরুল !

              তুমি যদিও আজ অতীত —

      তুমি আমার দেবতা জাতির প্রেরণা,

              বাংলার পথিকৃৎ । 


                                🍀


Poet Kazi Nazrul Islam  ::   enjoying music rendered by Renu Bhowmick  ( 1970 ).

ফেইসবুক গল্প

 একবার এক ইঁদুর লক্ষ্য করল যে বাড়িতে ইঁদুর মারার ফাঁদ পাতা রয়েছে। সে খুবই ভয় পেল। ফাঁদটি অকেজো করার জন্য সে ওই বাড়িতে থাকা মুরগির সাহায্য চাইল। মুরগি ঘটনা শুনে জবাব দিল-

“ ফাঁদটি আমার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। অতএব আমি এখানে কোন সাহায্য করতে পারবনা”।


মুরগির কাছ থেকে এই উত্তর শুনে ইঁদুর খুব দুঃখিত হল এবং ছাগলের কাছে গিয়ে সাহায্য চাইল। ছাগল ফাঁদের কথা শুনে বলল-

“ওই ফাঁদ বড়দের জন্য নয়। আমি এখানে তোমাকে কোন সাহায্য করতে পারবনা”।

ইঁদুর ছাগলের কাছ থেকে একই উত্তর শুনে দুঃখিত হয়ে গরুর কাছে এলো। সব কথা শুনে গরু বলল-

“ইদুরের ফাঁদ আমার মত বড় প্রাণীর কোন ক্ষতিই করতে পারবেনা। যা আমার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা- তাতে আমি সাহায্য করতে পারবনা”।


ইঁদুর শেষ পর্যন্ত নিরাশ হয়ে তার ঘরে ফিরে এলো। রাতের বেলা বাড়ির কর্ত্রী অন্ধকারের ভিতর বুঝতে পারলেন যে ফাঁদে কিছু একটা ধরা পরেছে। অন্ধকারে ফাঁদের কাছে হাত দিতেই উনি হাতে কামড় খেলেন এবং দেখলেন ফাঁদে ইঁদুরের বদলে সাপ ধরা পরেছে। 


তার চিৎকারে কর্তার ঘুম ভাঙল। তাড়াতাড়ি ডাক্তার ডাকা হল। চিকিৎসা শুরু হয়ে গেল। কিন্তু অবস্থা মোটেই ভালো না। পথ্য হিসেবে ডাক্তার মুরগির সূপ খাওয়াতে বল্লেন। সুপের জন্য কর্তা মুরগিকে জবাই করে দিলেন। অবস্থা আস্তে আস্তে আরও খারাপ হতে লাগলো। দূরদূরান্ত থেকে আরও অনেকে আত্মীয় স্বজন আসতে লাগলো। বাধ্য হয়ে কর্তা ছাগলকে জবাই করলেন তাদের আপ্যায়ন করার জন্য।


আরও ভালো চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার দরকার হতে লাগলো। অবশেষে বাড়ির কর্তা তাদের গরুটিকে কসাইখানায় বিক্রি করে দিল। একসময় বাড়ির কর্ত্রী সুস্থ হয়ে উঠল। আর এই সমস্ত কিছু ইঁদুরটি তার ছোট্ট ঘর থেকে পর্যবেক্ষণ করল।


উপদেশঃ কেউ বিপদে সাহায্য চাইলে তাকে সাহায্য করা উচিৎ, হোক সেই বিপদ আপনাকে স্পর্শ করুক বা না করুক। বিপদগ্রস্থকে সাহায্য করা মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...