এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

কুড়াল হারানো সেই সৎ কাঠুরে অনেকদিন পর তার স্ত্রীকে নিয়ে বনে বেড়াতে গেছে।

 কুড়াল হারানো সেই সৎ কাঠুরে অনেকদিন পর তার স্ত্রীকে নিয়ে বনে বেড়াতে গেছে।


কাঠুরের স্ত্রী সেই নদীটি দেখতে ইচ্ছা প্রকাশ করলো।নদীর ধারে গিয়ে হঠাৎ কাঠুরের স্ত্রী পানিতে পড়ে ডুবে গেল। কাঠুরে কান্না শুরু করেছে।


তার কান্না শুনে আবারও সেই জলপরীটা এলো এবং নদীতে বউ ডুবে যাওয়ার বিষয়টি বললো। তারপর জলপরী নদীতে ডুব দিয়ে অতি রূপবতী রাজকন্যার মতো এক মেয়েকে পানি থেকে তুলে বলল, "এই কি তোমার স্ত্রী?"


কাঠুরে বলল, "জ্বি এই আমার স্ত্রী।" জলপরী বলল, "ভালো করে দেখে তারপর বলো।"


কাঠুরে বলল, "আর দেখতে হবে না। এই আমার স্ত্রী।" 


জলপরী বলল, " আগের বার তোমার সততা দেখে মুগ্ধ

হয়েছিলাম।  এখন তুমি এটা কী করলে? রূপবতী মেয়ে দেখে নিজের স্ত্রীকে ভুলে গেলে?" 


তখন কাঠুরে বলল, "আমি বাধ্য হয়ে বলেছি এইটাই আমার স্ত্রী। যদি না বলতাম, আপনি এরচেয়ে একটু কম সুন্দর আরেকটা মেয়ে তুলতেন।


আমি যদি বলতাম এই মেয়ে না। আপনি সবশেষে আমার স্ত্রীকে তুলতেন এবং আগের বারের মতো আমার সততায় মুগ্ধ হয়ে তিনজনকেই আমাকে দিয়ে দিতেন।এই কারণে প্রথমবারই বলেছি এটা আমার স্ত্রী।\


আমি নিতান্তই গরিব মানুষ। তিন বউকে পালবো

কীভাবে?আর একটা বউকেই সামলাতে পারিনা, সেখানে তিনটা বউ হলে তো আমাকেই নদীতে ঝাপ দিয়ে আ'ত্ম'হ'ত্যা করতে হবে।


এবারও কাঠুরের সততা দেখে জলপরী মুগ্ধ হলো এবং পানি থেকে তুলে তিনটাকে তো দিলোই সাথে নিজেও তাকে বিবাহের প্রস্তাব দিলো! সৎ কাঠুরিয়া ৪ স্ত্রী নিয়ে ঘরে ফিরলো!🤭


[ নিত্যনতুন এরকম রম্য অণুগল্প পেতে পেজটি ফ'লো করে রাখুন! ]

 সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৩-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৩-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অভিন্ন স্বার্থে সার্ককে কার্যকর করার আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা।


বাংলাদেশে আরও বেশি সুইডিশ বিনিয়োগ চাইলেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটিশ প্রতিবেদন একপেশে, বিষয়টি নিয়ে লন্ডনের সঙ্গে কথা বলবে ঢাকা - জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


ভারতীয় গণমাধ্যমের অপপ্রচারের বিপরীতে সত্য তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার আহ্বান।


আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতি ও লুটপাটের টাকায় ১৪টি মেট্রোরেল কিংবা ২৪টি পদ্মাসেতু করা যেতো - জানালো অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটি।


ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে আগামী মার্চে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করবে নির্বাচন কমিশন।


গাজায় গত বছর ৭ই অক্টোবর থেকে নিজেদের বিমান হামলায় নিহত হয়েছে ৩৩জন ইসরাইলী - জানালো হামাস।


কিংসটনে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ১৯৩ রান করে ২১১ রানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৪

বৌদির শিকল" ফেইসবুক থেকে নেওয়া

কলেজে পড়ি তখন। সেকেণ্ড ইয়ার। একদিন পল্টু হন্তদন্ত হয়ে আমার কাছে এসে বলল,


-ভাই একটা টিউশন খুঁজে দিতে হবে, ভীষণ দরকার।


পল্টু মানে আমার স্কুল জীবনের বন্ধু। দুজনের সাবজেক্ট আলাদা হওয়ার দরুণ দুজনে তখন আলাদা কলেজে পড়ছি।দেখা সাক্ষাৎ এমনিতেই কম হত। তবে পল্টুর টিউশান খুঁজে দিতে বলার কথা শুনে একটু অবাকই হলাম। বললাম,


-তুই পড়াবি?


বলল,


-নতুন প্রেম করছি। গার্লফ্রেন্ডের পিছনে খরচ তো আছেই। খরচ না করলে গার্লফ্রেন্ড থাকবে?


বললাম,


-ঠিকই তো, কত আর বাবার পকেট কাটবি?


-আরে ওই জন্যই তো তোকে বলা।


পল্টুর কথা রাখতে একটা টিউশান খুঁজে দিলাম ওকে। সাত'শ টাকা দেবে, কিন্তু সপ্তাহে ছ'দিন পড়াতে হবে। দেখলাম, পল্টু তাতেই রাজী হয়ে গেল। সাত'শ টাকা তো কম নয়‍ আর সে বাজারে। তবে পল্টু যে মেয়েটির সাথে প্রেম করত আমি মেয়েটিকে চিনতাম। আমাদের পাশের পাড়াতেই থাকত।শেষমেশ পল্টুর যে একটা হিল্লে করতে পেরেছে এটা জেনেই খুশিই হয়ে ছিলাম। যদিও প্রেম করা নিয়ে পল্টুর একটা আক্ষেপ ছিলই।


সে যাইহোক, মাস তিনেক কেটে গেছে। হঠাৎ একদিন দেখি পল্টুর গার্লফ্রেন্ড অন্য একটি ছেলের সাথে ঘুরছে। প্রথম দিন আমার সন্দেহ হয়নি। দু একদিন পর দেখি,ওই ছেলেটির সাথে রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়া করছে মেয়েটি ,তাতেই সন্দেহটা বাড়ল। ভাবলাম এ কথা পল্টুকে জানাতেই হবে।


দিন তিনেক পর পল্টুর সাথে খেলার মাঠে দেখা। পল্টুকে ব্যাপারটা বলতেই,পল্টু একদম স্বাভাবিক ভাবেই বলল,


-আরে আমার তো ব্রেকাপ হয়ে গেছে।


-ব্রেকাপ মানে?


-আর বলিস না। তুই যে টিউশনিটা দেখে দিলি, ওটাই আমার কাল হল।


-কেন? তোর ভালোর জন্যই তো করলাম। মাস গেলে সাতশ টাক কি কম? এতেও হচ্ছিল না?


-আরে টাকাটা ব্যাপার নয় তো। সর্বনাশটি করল ওই বৌদি মানে আমার ওই ছাত্রের মা। ওনার খপ্পরে না পড়লে আমার গার্ল ফ্রেণ্ড পালাত না।


-মানে? পড়াতে গিয়ে বৌদির পাল্লায় পড়লি?


-দুঃখের কথা কী বলব আর। জানিস ঘরে শিকল তুলে দিয়ে আমাকে আটকে রাখত।


আটকে রাখতে শুনে আমার চোখ তো কপালে?


-আটকে রাখত মানে?


-ঘটনাটা তোকে না বললে বুঝবি না। আমার গার্লফ্রেন্ডের সাথে আমার দেখা হত ওই বিকেলে। ও টিউশন থেকে বাড়ি ফিরত সাড়ে পাঁচটায়। আমি গিয়ে তখনই দেখা করতাম। পড়াতে গিয়েই সমস্যাটা তৈরি হল। চারটের সময় পড়াতে গিয়ে দেড় ঘণ্টা বা তার কম সময় পড়িয়ে চলে আসতাম গার্ল ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করব বলে। ওই টুকু টাইম পড়াতাম এটা ওই ছাত্রের মা খেয়াল রাখত। তার ওপর বাচ্চাটি আবার বিশ বার উঠে বাইরে যেত। বলত,মাস্টারমশাই জল তেষ্টা পেয়েছে, মাস্টারমশাই টয়লেটে যাব, থুথু ফেলতে যাব, পায়খানা যাব এসব করত। আর এই সুয়োগটাকে কাজে লাগাল ওর মা‌।একদিন বৌদি বলল, মাস্টারমশাই,আমার ছেলে খুব দুরন্ত।দরজা খোলা থাকে বলেই বার বার উঠে চলে যায়। এই তো এই টুকু টাইম পড়ে, তার ওপর যদি এই ভাবে উঠে পালায় কী করে হবে বলুন তো? একটা উপায় আমি ভেবেছি, আমি বাইরে থেকে শিকল তুলে রাখব, যাতে ও বেরোতে না পারে, আপনার অসুবিধা নেই তো? আমি বললাম, আমার আর অসুবিধা কি!পরের দিন থেকে আমি পড়াতে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই বাইরে থেকে শিকল তুলে দিত, আর ছ'টা বাজলে তবেই খুলত। পাক্কা দু ঘণ্টা। দশ মিনিট দেরীতে গেলে দরজাও খুলত সেই দু'ঘণ্টা মেপেই। তুই বল ভাই,গার্লফ্রেণ্ডের সাথে দেখা করার টাইম ওই সাড়ে পাঁচটার পর। প্রতিদিন  যদি এভাবে আটকে রাখে, তাহলে কীভাবেই বা দেখা হবে? ও আমার জন্য ওয়েট করে থাকত, আমি টাইমে যেতে পারতাম না। তারপর একদিন বলে দিল, এভাবে সম্ভব নয়। সময় দিতে যখন পারবে না, তখন তোমার সাথে প্রেম করার দরকার নেই। তবু আমি বলেছিলাম,কয়েকটা দিন টাইম দাও। মাস শেষ হলেই মাইনেটা পেয়ে যাব, তারপর টিউশনিটা ছেড়ে দেব। বলল,'কবে মাইনে পাবে, তার জন্য আমি ওয়েট করে বসে থাকব নাকি?' কপাল খারাপ আমার। ছেড়ে গেল তারপর। এখন নতুন বয়ফ্রেন্ডও পেয়ে গেছে।


-ইস!খারাপ লাগছে রে। আমার জন্য তোর খারাপ হল। তা টিউশনিটা ছেড়ে দিয়েছিস তো?


-মাথা খারাপ নাকি। এক সঙ্গে দুটোকে কেউ হাত ছাড়া করে?মাসে সাতশ টাকা। শোন আমি পল্টু,কোথায় নাটবল্টু আঁটতে হয় সে আমিও জানি। এতটাই বোকা নাকি আমি? তবে এই টিউশনিটা তুই যে দেখে দিলি,এতে আমার খারাপ হয়নি,বরং কপাল খুলেছে। বৌদির শিকলে বাঁধা পড়ে ভালোই হয়েছে। এখন আমি আড়াই ঘণ্টা পড়াই,আধ ঘণ্টা বেশি টাইম দিই আরো।


-কেন,বেশি মাইনে দিচ্ছে? নাকি বৌদির সাথেই ইন্টুমিন্টু করছিস?


-মাইনে সাতশ ই আছে। তবে উপরি পাওনা হচ্ছে পড়াতে গিয়ে প্রেমে মজেছি। হেব্বি দেখতে, পটিয়ে নিয়েছি। এখনো পনেরো দিন থাকবে বলেছে। এই পনেরো দিন আধঘণ্টা বেশি করে টাইম দেব। বৌদির বোন যে এত সুন্দরী, তা কি আমি জানতাম।


-বলিস কি! তো বৌদির শিকলে বলছিস কেন, এ তো বৌদির বোনের শিকলে বাঁধা পড়েছিস? পনেরো দিন পর বোন যখন চলে যাবে তখন কী হবে?


-বোনের সাথে সে সব কথা হয়ে গেছে।


আমি হেসে মজা করে বললুম,


-তোর আবার বোন কী করে হবে, ও তো বৌদির বোন।


-শোন! যা হবে তা ভালোর জন্যই হবে। বৌদির বোন, মানে আমার হবু বৌ। বৌদির বাপের বাড়ি তো আমাদের কলেজের পাশেই। সব জেনে নিয়েছি আমি। ও বলেই দিয়েছে, আগে বাড়ি ফিরি তারপর দেখাও হবে, জমিয়ে কথাও হবে। এখন পড়াতে গেলে পড়ানোর মাঝখানে চায়ের প্লেট নিয়ে ও-ই তো আসে, তখন দু একটা কথা হয়, আর চোখে চোখে ঈশারা। ভাই,আমি পল্টু, কোথায় নাটবল্টু আঁটতে হয় সে আমিও জানি। বৌদির শিকলে বাঁধা পড়ে আখেরে লাভটাই হয়েছে।


কলমে:সরজিৎ ঘোষ। Sarajit Ghosh 

"বৌদির শিকল"

ফেইসবুক গল্প,,,,

 পাত্রীপক্ষের সামনে বসে আছি। সামনে আনা হলো পাত্রীকে। পাত্রী দেখে সবাই অবাক। পাত্রীর এক পায়ে সমস্যা আছে।

খাবার সামনে। পাত্রী দেখে খাবার কেউ মুখে দিলো না।


পাত্রীপক্ষের বুঝতে আর বাকী রইলো না যে পাত্রী আমাদের পছন্দ হয়নি।


আমি ইশারা দিয়ে খেতে বললাম। মা খাবার মুখে নিলো। আর আমার ছোট মামা খাবার খেতে রাজী না। আমাদের ভাব লক্ষন দেখে পাত্রীর চোখে জল আসলো। যেটা আমার চোখ থেকে আড়াল হয়নি। আমি সবার অনুমতি নিয়ে পাত্রী নিয়ে ছাদে গেলাম। দুজনেই চুপ করে দাঁড়িয়ে আছি। নীরবতা ভেঙে পাত্রী ই কথা বলতে শুরু করলো। চোখের জলেতে কাজল গলে গিয়েছে। কিন্তু নিচে পড়তে পারছে না মেয়েটির আটকে রাখার আপ্রান চেস্টায়। কথা বলার আগে ঠোঁট হাজারবার কাঁপছে। গলাটাও কান্না চেপে রাখার জন্য কাঁপছে। আমি মেয়েটাকে পর্যবেক্ষণ করছি। 


- দেখুন আমি জানি এইবারেও আমি রিজেক্টেড হবো। এই পর্যন্ত আমাকে ২৮ বার রিজেক্ট করা হয়েছে। 


- কি কি রান্না পারেন আপনি?? 


- বলেছি আপনি কি কি আইটেম রান্না পারেন? মানে আমি অনেকটা ভোজনরসিক মানুষ। তাই জিজ্ঞেস করছিলাম আর কিহ। রান্না করতে পারেন? 

মেয়েটা কিছুটা অবাক হয়ে বললো,


-আমি সব ধরনের রান্না পারি। ইভেন আজকে আপনাদের দেয়া খাবার গুলোও আমার নিজ হাতে বানানো।


এইবার আমিই অবাক হলাম। এত সুন্দর করে খাবার বানিয়েছে আমি তো ভেবেছিলাম সব অর্ডার করে আনা। 


- বাহ! শাড়ি কি নিজে পরতে পারেন নাকি অন্যের হেল্প লাগে? 


এইবার কিছুটা লজ্জা পেয়ে গেল।


- পারি। কিন্তু কুচি ঠিক করার জন্য কারো হেল্প দরকার হয়।  


- ভেরি গুড। আচ্ছা আপনার নাম টা তো জানা হলো না। 


- ছন্দা। 


- বাহ সুন্দর নাম। এখন চোখ মুছে নিচে চলুন। আর হ্যাঁ কাজল যেন মুছে না যায়, সাবধানে। 


এটা বলে আমি নিচে চলে আসলাম। আসার আগে ছন্দার চোখের দিকে একবার তাকিয়ে বিস্ময় আর খুশি দেখতে পেলাম। 


আমি নিচে এসে বিয়ের জন্য হ্যাঁ বলে দিলাম।আমাদের পরিবার মামার কথায় চলে। কিন্তু আমি এইবার মামার বিপক্ষে গেলাম।


সমস্ত আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে আমাদের বিয়েটা সম্পন্ন হলো। কিন্তু বিয়ের দিন মামা আসেননি।


বিয়ের দিন ছন্দা আমাকে জিজ্ঞেস করলো, 


"আচ্ছা আপনি আমাকে বিয়ে করলেন কেন? করুনা করেছেন?" 


আমি ছন্দার দিকে তাকিয়ে একটু মুচকি হাসলাম। 


- আচ্ছা আমাকে এমন একটা মানুষ দেখাও যে সবদিক থেকে পারফেক্ট। পারবে দেখাতে?? 


- না। কিন্তু....


- কিন্তু কি? প্রতিটা মানুষই কোন না কোন দিক থেকে অপূর্ণ। কেউই পারফেক্ট হয়না। শুধু এডজাস্ট করে চলতে হয়। সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতে হয়। তাহলেই সবাইকে সুন্দর আর পারফেক্ট মনে হয়। আর ভালো থাকা যায়। 


- সেটা তো ঠিক। কিন্তু আমাকে কি দেখে পছন্দ করলেন? 


- তোমার চোখ দেখে৷ তোমার চোখে আমি শ্রদ্ধাবোধ আর একটা চাপা কষ্ট দেখেছি। জানিনা কেন তার মায়ায় পড়ে গেছি৷ আর তাছাড়া যে মেয়েটা সব প্রতিবন্ধকতার মধ্যে দিয়ে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে গেছে সে সব রকম সমস্যায় আমার পাশে থাকবে৷ আর তাছাড়া তোমার পায়ের সামান্য সমস্যা কখনোই তোমার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের মাপকাঠি হতে পারে না। তোমার আরো সে সব প্রতিভা আছে সেটা তোমাকে উচ্চতায় নিয়ে যাবে৷ আর এ লড়াইয়ে আমি তোমার পাশে থাকবো আজীবন। 


সেদিন ছন্দা আমার বুকে মাথা রেখে কেঁদেছিলো অনেক সময়। সে এখন কলেজের শিক্ষিকা।  তার অনেক সন্মান।


 আজ আমাদের প্রথম বাচ্চা পৃথিবীতে এসেছে। আমার প্রিয়তমা আমাকে অনেক ভালোবাসে। আমার প্রতি তার ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ আর সম্মান দেখে আমি বারবার অভিভূত হই৷ একজন আদর্শ স্ত্রীর এতগুলো গুন কখনোই একটা সমস্যার কাছে ঠুনকো হতে পারে না। সমস্যা তো আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে। 


সমাজে কিছু মামা কাকা ,দাদার কারনে মাথা উচু করে কিছু করা যায় না। তারা বাধা দিবেই। তাদের এই বাধাকে ইগনোর করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। মানুষকে মানুষের মত সন্মান করতে হবে। বড়কথা হলো আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে।


 [ সংগৃহীত ]

কিয়ামতের আগে মানুষের মধ্যে যে ৫৬ আচরণের প্রকাশ ঘটবে।

 আসসালামু  আলাইকুম

হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে

বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সা. বলেছেন, 'কিয়ামত কায়েম হবে না, যে পর্যন্ত না ইলম ওঠিয়ে নেয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে।

ফিতনা প্রকাশ পাবে, হারজ বৃদ্ধি

পাবে। (হারজ অর্থ খুনখারাবী) তোমাদের সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে, উপচে পড়বে  ।

(বুখারি, শরীফঃ- ৯৭৯)

এ ছাড়াও কিয়ামতের আগে মানুষের

মধ্যে যে ৫৬ আচরণের প্রকাশ ঘটবে।

১. নামাজের প্রতি মানুষের গুরুত্ব

থাকবে না।

২. আমানতের খেয়ানত করবে।

৩. সুদের লেনদের করবে।

৪. মিথ্যা কথা বলাকে হালাল মনে করবে।

৫. সামান্য বিষয়ে অন্যের প্রাণ সংহার করবে।

৬. উচু উচু ভবন নির্মাণ করবে।

৭. আত্মীয়তার সর্ম্পক ছিন্ন করবে।

৮. ইনসাফ উঠে যাবে।

৯. জুলুম অত্যাচার ব্যাপক আকার ধারণ করবে।

১০. তালাক বেড়ে যাবে।

১১. আকস্মিক মৃত্যু বেড়ে যাবে।

১২. সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য মনে করা হবে।

১৩. দুর্নীতি পরায়ন মানুষদের সেবক

মনে করা হবে।

১৪. অপবাদ আরোপের পরিমাণ বেড়ে যাবে।

১৫. লোকেরা সন্তান নেয়া বন্ধ করে দিবে।

১৬. নীচ লোকেরা সম্পদশালী হবে।

১৭. ভদ্রলোকেরা নিষ্পষিত, লাঞ্চিত হবে।

১৮. আমানতের খেয়ানত হবে।

১৯. শাসক শ্রেণির লোকেরা অহরহমিথ্যা কথা বলবে।

২০. নেতৃবর্গ জালেম হবে।

২১. আলেম ও কারিগণ বদকার হবে।

২২. স্বর্ণের দামকমে যাবে এবং রুপার দাম বেড়ে যাবে।

২৩. গুনাহের পরিমাণ বেড়ে যাবে।

২৪. জান মালের নিরাপত্তা কমে যাবে।

২৫. শরিয়তের দন্ড বিধি অকার্যকর হবে।

২৬. ব্যাপকভাবে মদ্যপান ছড়িয়ে পড়বে।

২৭. কোরআন শরিফ সঞ্জিত করা হবে।

২৮. দাসি স্বীয় মুনিবকে ভর্ৎসনা দিবে।

২৯. নিচু শ্রেণির লোকেরা দেশের শাসক বনে যাবে।

৩০. নারী-পুরুষ কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করবে।

৩১. পুরুষরা মহিলার বেশ এবং মহিলারা পুরুষের বেশ ধারণ করবে।

৩২. গাইরুল্লাহর নামে শপথ করা হবে।

৩৩. মুসলমানরাও নির্দ্বিধায় মিথ্যা সাক্ষ্য দিবে।

৩৪. সম্মানের রেওয়াজ উঠে যাবে।

৩৫. দুনিয়া লাভের আশায় দ্বীন ইলম

শিক্ষা করা হবে

৩৬. আখেরাতের কাজের দ্বারা দুনিয়া অর্জন করা হবে।

৩৭. জাতীয় ও রাষ্ট্রিয় সম্পদকে নিজের মনে করা হবে।

৩৮. আমানতের মালকে লুটের মাল

মনে করা হবে।

৩৯.সমাজের নিচ ও নিকৃষ্ট লোককে নেতা বানানো হবে।

৪০.সন্তান পিতা-মাতার অবাধ্য হবে।

৪১. বন্ধু বন্ধুর ক্ষতি করবে।

৪২. লোকেরা স্ত্রীর আনুগত্য করবে।

৪৩. বদকার লোকেরা মসজিদে শোরগোল করবে।

৪৪.গায়িকা মহিলাদের শাসন করা হবে।

৪৫. বাদ্য যন্ত্র ও এর উপকরণের যত্ন নেয়া হবে।

৪৬. মদের দোকান বেড়ে যাবে।

৪৭. জুলুম করাকে গর্বের বিষয় মনে

করা হবে

৪৮.আদালতে ন্যায় বিচার বিক্রি হবে।

৪৯. পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

৫০. কোরআনকে গানের সুরে তিলাওয়াত করা হবে।

৫১. হিংস্র পশুর চামড়া ব্যবহার করা হবে।

৫২. উম্মতের শেষ যুগের লোকেরা প্রথম প্রথম যুগের লোকদের উপর অপবাদ আরোপ করবে।

৫৩. আল্লাহর পক্ষ থেকে লাল বর্ণের তুফান আসবে।

৫৪. ভূমিকম্প আসবে।

৫৫. অথবা আকাশ থেকে পাথর বর্ষিত হবে।

৫৬. যাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে।

( সুরা: ইসরা ৫৯, বুখারি, হাদিস ৯৭৯, তিরমিজি, হাদিস ২২১২, সুরা: হজ, আয়াত ১-২, তিরমিজি, হাদিসঃ-১৪৪৭ ।


মাতৃভূমি অনুরাগী কাজী নজরুল ইসলাম।,,,

মাতৃভূমি অনুরাগী কাজী নজরুল ইসলাম।

তার অসংখ্য সংগীত বিভাগের মধ্যে ছয় ঋতু  নিয়ে একটি সংগীত পরিবেশন  করেছেন মাতৃভূমি রুপ বর্ণনায়।

প্রকৃতির বুকে নিঃশব্দে যে প্রেমের লীলা চলে তার ঐ রূপ দর্শণে  বিভোর কবি—গেয়ে উঠলেন:—


      একি অপরূপ রূপে মা তোমারে

             হেরুনী পল্লী  জননী

                    ফুলেও ফসলে কাদামাটি জলে

                            ঝলমল করে লাবণী।

                                     হেরুনি পল্লী জননী ।


প্রকৃতির বৈচিত্র রূপ রূপায়ণে যে বিস্ময়কর ভাষা নির্মাণ কৌশল এবং ছন্দের সহস্র দল পদ্মের উপর তার কাব্য বাণীর চঞ্চল লীলা পদচারণা  সৌন্দর্য কল্পনায় নতুন সাহিত্য সাধনার অনুপ্রেরণা ও সাহস যোগায় বিস্মীতির অন্তরালে বিরল প্রতিভাবান কবির সাহিত্য সৃষ্টি আমাদের মুগ্ধ করে। মাতৃভূমির মাতৃভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভক্তিও গভীর অনুরাগের পরিচয় পাওয়া যায়।

মেঘ বিহীন খর বৈশাখে উত্তপ্ত দগ্ধ কাতর বসুন্ধরা চাতকের কাছে আর্জি বৃষ্টি পাওয়ার জন্য। 


   রৌদ্রতাপ্ত বৈশাখে তুমি 

        চাতকের সাথে চহো জল 

              আম কাঁঠালের মধুর গন্ধে 

                     জ্যৈষ্ঠ মাতায় তরুতল 

                           ঝঞ্ঝার সাথে প্রান্তরে মাঠে 

                                 কভু খেল লয়ে অসনী।

                                         হেরুনি পল্লী জননী।


প্রকৃতির সৃষ্ট ও সৌন্দর্য কবি মুগ্ধ, তাঁর কল্পনায় রোমান্টিক ভাবা বেগের লালিত শ্যামলী বাংলার স্বরসতা /কমলতা /পূর্ণশ্রী ও স্নিগ্ধ লাবণ্য তার কাব্য লক্ষীর কাননে বিকশিত। শীতের শেষে বসন্তের আগমনী সংগীতটির ভূমিকা পাঠক বৃন্দ কে আকৃষ্ট করে।।


    শীতের শূন্যে মাঠে ফেরো তুমি 

         উদাসী বাউলের সাথে মা

               ভাটিয়ালি গাও মাঝিদের সাথে 

                    কীর্তন শোন  রাতে মা

                        ফাগুনের রাঙা ফুলের আবিরে

                              রাঙাও নিখিল ধরণী ।

                                    হেরুনী পল্লী জননী।।

গোপন প্রিয়া" --------- কাজী নজরুল ইসলাম

 "গোপন প্রিয়া"

--------- কাজী নজরুল ইসলাম


পাইনি ব’লে আজো তোমায় বাসছি ভালো, রাণি,

মধ্যে সাগর,এ-পার ও-পার করছি কানাকানি!

আমি এ-পার, তুমি ও-পার,

মধ্যে কাঁদে বাধার পাথার

ও-পার হ’তে ছায়া-তরু দাও তুমি হাত্ছানি,

আমি মরু, পাইনে তোমার ছায়ার ছোঁওয়াখানি।


নাম-শোনা দুই বন্ধু মোরা, হয়নি পরিচয়!

আমার বুকে কাঁদছে আশা, তোমার বুকে ভয়!

এই-পারী ঢেউ বাদল-বায়ে

আছড়ে পড়ে তোমার পায়ে,

আমার ঢেউ-এর দোলায় তোমার ক’রলো না কূল ক্ষয়,

কূল ভেঙেছে আমার ধারে-তোমার ধারে নয়!


চেনার বন্ধু, পেলাম না ক’ জানার অবসর।

গানের পাখী ব’সেছিলাম দু’দিন শাখার’ পর।

গান ফুরালো যাব যবে,

গানের কথাই মনে রবে,

পাখী তখন থাকবো না ক’-থাকবে পাখীর স্বর!

উড়ব আমি,-কাঁদবে তুমি ব্যথার বালুচর!


তোমার পারে বাজ্ল কখন আমার পারের ঢেউ,

অজানিতা! কেউ জানে না, জানবে না ক’ কেউ।

উড়তে গিয়ে পাখা হ’তে

একটি পালক প’ড়লে পথে

ভুলে’ প্রিয় তুলে যেন খোঁপায় গুঁজে নেও!

ভয় কি সখি? আপনি তুমি ফেলবে খুলে এ-ও!


বর্ষা-ঝরা এমনি প্রাতে আমার মত কি

ঝুরবে তুমি এক্লা মনে, বনের কেতকী?

মনের মনে নিশীথ্-রাতে

চুম্ দেবে কি কল্পনাতে?

স্বপ্ন দেখে উঠবে জেগে, ভাববে কত কি!

মেঘের সাথে কাঁদবে তুমি, আমার চাতকী!


দূরের প্রিয়া! পাইনি তোমায় তাই এ কাঁদন-রোল!

কূল মেলে না,-তাই দরিয়ায় উঠতেছে ঢেউ-দোল!

তোমায় পেলে থাম্ত বাঁশী,

আস্ত মরণ সর্বনাশী।

পাইনি ক’ তাই ভ’রে আছে আমার বুকের কোল।

বেণুর হিয়া শূন্য ব’লে উঠবে বাঁশীর বোল।


বন্ধু, তুমি হাতের-কাছের সাথের-সাথী নও,

দূরে যত রও এ হিয়ার তত নিকট হও।

থাকবে তুমি ছায়ার সাথে

মায়ার মত চাঁদনী রাতে!

যত গোপন তত মধুর-নাই বা কথা কও!

শয়ন-সাথে রও না তুমি নয়ন-পাতে রও!


ওগো আমার আড়াল-থাকা ওগো স্বপন-চোর!

তুমি আছ আমি আছি এই তো খুশি মোর।

কোথায় আছ কেম্নে রাণি

কাজ কি খোঁজে, নাই বা জানি!

ভালোবাসি এই আনন্দে আপনি আছি ভোর!

চাই না জাগা, থাকুক চোখে এমনি ঘুমের ঘোর!


রাত্রে যখন এক্লা শোব-চাইবে তোমার বুক,

নিবিড়-ঘন হবে যখন একলা থাকার দুখ,

দুখের সুরায় মস্ত্ হ’য়ে

থাকবে এ-প্রাণ তোমায় ল’য়ে,

কল্পনাতে আঁক্ব তোমার চাঁদ-চুয়ানো মুখ!

ঘুমে জাগায় জড়িয়ে র’বে, সেই তো চরম সুখ!


গাইব আমি, দূরের থেকে শুনবে তুমি গান।

থাম্বে আমি-গান গাওয়াবে তোমার অভিমান!

শিল্পী আমি, আমি কবি,

তুমি আমার আঁকা ছবি,

আমার লেখা কাব্য তুমি, আমার রচা গান।

চাইব না ক’, পরান ভ’রে ক’রে যাব দান।

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দাড়িতে হাত দিয়ে রবীন্দ্রনাথ বুঝতে পারলেন তাঁর দাড়িতে কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছে। 

 সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দাড়িতে হাত দিয়ে রবীন্দ্রনাথ বুঝতে পারলেন তাঁর দাড়িতে কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছে। আয়নাতে মুখ দেখে কবি রাগে অগ্নিশর্মা। গোটা ঘটনা ঘটে রবীন্দ্রনাথের অগোচরে। ভয়ঙ্কর রেগে গিয়েছিলেন কবি। অমন রাগতে তাঁর ঘনিষ্ঠরা অতীতে কোনওদিন দেখেন নি।

ধ্রুবতারাদের খোঁজে  


কলকাতা থেকে স্বনামধন্য চিকিৎসকের দল আসে। ডাঃ নীলরতন সরকার,ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় প্রমুখ। তারা কবিকে দিনের বেলায় ভালভাবে পরীক্ষা করে শারীরিক যন্ত্রনার কারণ শনাক্ত করতে পারলেন না।রবীন্দ্রনাথ মাথা থেকে ঘাড় পর্যন্ত যন্ত্রনা অনুভব করছিলেন।

সিদ্ধান্ত হয় রবীন্দ্রনাথ কে ঘুমের ওষুধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে তাঁর দাড়ির ভেতরটা দেখতে হবে। তাঁর রাতের খাবারের সঙ্গে গোপনে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়।  কবি তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। ডাক্তাররা তাঁর কানের কাছের চুল ও গালের কিছু অংশের দাড়ি কেটে তাঁকে ভালকরে পরীক্ষা করলেন এবং ওষুধপত্র দেওয়া হল। কবির চিকিৎসার জন্য ডাক্তাররা রবীন্দ্রনাথের গালের কাছে কিছু অংশের দাড়ি কেটে দিয়েছিলেন।  


রবীন্দ্রনাথের দাড়ির ওই দশা করে বিধান রায়, নীলরতন সরকার শান্তিনিকেতনে থাকার ভরসা পেলেন না। সেই রাতেই তারা কলকাতা পাড়ি দিলেন।  বনমালীকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন তাঁর দাড়ির এমন দশা কিভাবে হল। বনমালী কাঁদতে, কাঁদতে বললেন তিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন এসব কিছুই জানে না। কবি নিয়মমত কফি খেতেন, কিন্তু সেদিন রাগে কফি খেলেন না। রবীন্দ্রনাথ এরপর বনমালী কে বললেন রথীন্দ্রনাথ কে ডেকে আনতে।  বনমালী ঘুরে এসে খবর দিল জরুরি কাজে ভোরবেলায় রথীন্দ্রনাথ শ্রীনিকেতন গিয়েছেন।

 ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


রবীন্দ্রনাথ আরও গুম হয়ে গেলেন, বনমালী যতবার খাবারের কথা বলে ততবার কবির কাছে ধমক খায়। কেউ রবীন্দ্রনাথের কাছে যেতে সাহস পান না। শেষ পর্যন্ত পুত্রবধূ প্রতিমাদেবী কবির সামনে গিয়ে বললেন তিনি না খেলে বাড়ির অন্যরা কেউ যে খাবার মুখে তুলবে না। তবুও যেন কবির রাগ কমে না। আবার রবীন্দ্রনাথ কে খাওয়ার অনুরোধ করলেন রথীন্দ্রনাথ জায়া। প্রচণ্ড ক্ষোভের সঙ্গে কবি জানালেন তাঁর দাড়িতে হাত দেওয়ার আগে তাঁকে কি একবার জিজ্ঞেস করার দরকার ছিল না। শেষ পর্যন্ত অবশ্য কবি খেয়েছিলেন। কিন্তু বাবার সামনে ভয়ে কয়েকদিন যান নি রথীন্দ্রনাথ। 


কবির জীবনের ভিন্ন ধরনের অনবদ্য এই কাহিনী লিখেছেন নন্দিনী অর্থাৎ পুপে। ঠাকুরবাড়ির মেয়ে না হলেও তাঁকে বুকে টেনে প্রতিমা মিটিয়েছিলেন মাতৃত্বের সাধ। রবীন্দ্রনাথের দেওয়া নাম নন্দিনী, তাঁর শিশুমনে ঘটনাটি এমন দাগ কাটে পরিণত বয়সে দাদামশাইয়ের কথা লিখতে গিয়ে অনবদ্য ছবিটি উপহার দিয়েছেন। 'পিতা পুত্রী' - তে নন্দিনী , রথীন্দ্রনাথ ছাড়াও লিখেছেন দাদামশাই রবীন্দ্রনাথের কথা। নন্দিনী আত্মপ্রকাশে বিমুখ ছিলেন, লিখেছেন কম। যদি আরও একটু বেশি লিখতেন, তাহলে আরও অনেক দুর্লভ ছবি উপহার দিতেন।আদরের নাতনিকে ছেড়ে রবীন্দ্রনাথ যখনই শান্তিনিকেতনের বাইরে গিয়েছেন, তাঁর মন উতলা হয়ে উঠেছে ফিরবার জন্য। ছোট্টো নাতনিটিকে ছেড়ে তিনি বেশীদিন থাকতে পারতেন না।

সংকলনে ✍🏻 অরুণাভ সেন।।

ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


RabindranathTagore 

rathindranathtagore 

PratimaDevi 

dhrubotaraderkhonje 

poupee


পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার, ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল, চিত্রা দেব

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০২-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০২-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আওয়ামী লীগের আমলে প্রতি বছর গড়ে পাচার হয়েছে ১৬ বিলিয়ন ডলার - অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন।


সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মনন সৃষ্টিতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডির ভূমিকার প্রশংসা করলেন প্রধান উপদেষ্টা।


গণমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বে একটি জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যায়িত করতে চাচ্ছে ভারত - মন্তব্য পররাষ্ট্র উপদেষ্টার।


২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমানসহ দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামি খালাস।


তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রিভিউ শুনানি আগামী ১৯শে জানুয়ারি।


গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ২৪ ঘন্টায় নিহত ৪৭, আহত ১০৮।


ঢাকায় এক ম্যাচ হাতে রেখেই বাংলাদেশের মেয়েরা ওডিআই সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে  - আজ তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ।

দাড়ি-বিলাপ """  প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর মতে,দাড়ি শয়তান ও রাখে। দাড়ি নিয়ে কবির কবিতাটা পড়ুন মজা পাবেন সংক্ষিপ্ত   """""" কাজী নজরুল ইসলাম।,,,,

 প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর মতে,দাড়ি শয়তান ও রাখে।

দাড়ি নিয়ে কবির কবিতাটা পড়ুন মজা পাবেন

সংক্ষিপ্ত 


""" দাড়ি-বিলাপ """  

 """""" কাজী নজরুল ইসলাম।


হে আমার দাড়ি!

একাদশ বর্ষ পরে গেলে আজি ছাড়ি

আমারে কাঙাল করি, শূন্য করি বুক!

শূন্য এ চোয়াল আজি শূন্য এ চিবুক!


তোমার বিরহে বন্ধু, তোমার প্রেয়সী

ঝুরিছে শ্যামলী গুম্ফ ওষ্ঠকূলে বসি!

কপোল কপাল ঠুকি করে হাহাকার –

‘রে কপটি, রে সেফটি (safety) গিলেট রেজার!’….


একে একে মনে পড়ে অতীতের কথা –

তখনও ফোটেনি মুখে দাড়ির মমতা!

তখনও এ গাল ছিল সাহারার মরু,

বে-পাল মাস্তুল কিংবা বিপল্লব তরু!


স্বজাতির ভীরুতার ইতিহাস স্মরি

বাহিয়া বি-শ্মশ্রু গণ্ড অশ্রু যেত ঝরি।

নারীসম কেশ বেশ, নারিকেলি মুখ,

নারিকেলি হুঁকা খায়! – পুরুষ উৎসুক


নারীর ‘নেচার’ নিতে, হা ভারত মাতা!

নারী-মুণ্ড হল আজি নর বিশ্বত্রাতা!


চলিত কাবুলিওয়ালা গুঁতো-হস্তে পথে

উড়ায়ে দাড়ির ধ্বজা, আফগানিয়া রথে

সুকৃষ্ণ নিশান যেন! অবাক বিস্ময়ে

মহিলা-মহলে নিজ নারী-মুখ লয়ে


রহিতাম চাহি আমি ঘুলঘুলি-ফাঁকে,

বেচারি বাঙালি দাড়ি, কে শুধায় তাকে?

চলিত মটরু মিয়াঁ চামারুর নানা,

মনে হত, এ দাড়িও ধার করে আনা


কাবুলির দেনা-সাথে! বাঙালির দাড়ি

বাঙালির শৌর্য-সাথে গিয়াছে গো ছাড়ি!

দাড়ির দাড়িম্ব বনে ফেরে নাকো আর

নির্মুক্ত হিড়িম্বা সতী, সে যুগ ফেরার!


জামাতারে হেরি শ্বশ্রু লুকান যেমনি!

‘রেজারে’ হেরিয়া শ্মশ্রু লুকাল তেমনি!…


ভোজপুরি দারোয়ান তারও দাড়ি আছে,

চলিতে সে দাড়ি যেন শিখীপুচ্ছ নাচে!

পাঞ্জাবি, বেলুচি, শিখ, বীর রাজপুত,

দরবেশ, মুনি, ঋষি, বাবাজি অদ্ভুত


বোকেন্দ্র-গন্ধিত ছাগ সেও দাড়ি রাখে,

শিম্পাঞ্জি, গরিলা – হায়, বাদ দিই কাকে!

এমন যে বটবৃক্ষ তারও নামে ঝুরি,

ঝুরি নয় ও যে দাড়ি করিয়াছে চুরি


বনের মানুষ হতে! তাই সে বনস্পতি আজ!

দাড়ি রাখে গুল্মলতা রসুন পেঁয়াজ!

হাটে দাড়ি, মাঠে দাড়ি, দাড়ি চারিধার,

লক্ষ খারে ঝরে যেন দাড়ি-বারিধার!


ঝরে যবে বৃষ্টিধারা নীল নভ বেয়ে

মনে হয় গাড়ি গাড়ি দাড়ি গেছে ছেয়ে

ধরণির চোখে-মুখে, সে সুখ-আবেশে

নব নব পুষ্পে তৃণে ধরা ওঠে হেসে!


মুকুরে হেরিয়া নিত বি-শ্মশ্রু বদন

লজ্জায় মুদিয়া যেত আপনি নয়ন।

হায় রে কাঙালি,

রহিলি তুই-ই হয়ে মাকুন্দা বাঙালি!


এতেক চিন্তিয়া এক ক্ষুর করি ক্রয়

চাঁছিতে লাগিনু গাল সকল সময়।


বহু সাধ্য-সাধনায় বহু বর্ষ পরে

উদিল নবীন দাড়ি!

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...