এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪

গৃহদাহ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু,,, অনার্স তৃতীয় পর্ব

 অনার্স তৃতীয় বর্ষ♥️ 


👉👉গৃহদাহ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু ♥️♥️


গৃহদাহ’ শরৎচন্দ্রের এক অমর সৃষ্টি। এ উপন্যাস আবহমান বাংলার প্রণয় সঙ্কটে ভুগতে থাকা তিনজন নর-নারীর ত্রিভুজ প্রেমের আখ্যান। ‘গৃহদাহ’ উপন্যাসে শরৎচন্দ্র সমসাময়িক বাঙালির আত্মিক বৈশিষ্ট্য, পারিপার্শ্বিক অবস্থা, ব্যক্তিমানসের পারস্পরিক সম্পর্ক, তাদের প্রেম-পরিণয়, বিশ্বাসকে তুলে ধরতে চেয়েছেন। সমাজ-সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় ন্যায়-নীতি যে কীভাবে সম্পূর্ণরূপে এ সমাজের হাতে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে, তা এ উপন্যাসের মূল উপজীব্য।


এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মূলত অচলা। তাকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান দুটি চরিত্র- মহিম এবং সুরেশ। পুরো কাহিনী বর্ণিত হয়েছে অচলার মনোজাগতিক সিদ্ধান্তহীনতাকে কেন্দ্র করে। অচলার চিত্তজাগতিক দোলাচলবৃত্তি ও সিদ্ধান্তহীনতা নষ্ট করেছে তার মনোভারসাম্য, দগ্ধ করেছে তার অন্তরালয়। অচলা আসলে কাকে চায়? মহিম, নাকি সুরেশ? এই অন্তর্দ্বন্দ্ব কেন্দ্রিক অচলার চারিত্রিক সিদ্ধান্তহীনতার সমাপ্তি পাঠক কখনোই খুঁজে পাবেন না। মাঝখানে পাবেন অচলা চরিত্রের প্রতি দগ্ধ-বিদগ্ধ ক্ষোভ-হতাশা আর ভারসাম্যহীনতা।


ভালোবেসে মহিমকে বিয়ে করে অচলা সুখী হতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি। শহুরে আধুনিকা অচলা গ্রামীণ পরিবেশে তার ভালোবাসার মহিমকে খুঁজে পায়নি। এ সুযোগে তার সাক্ষাৎ হয়েছে মহিমেরই ধনাঢ্য বন্ধু সুরেশের সঙ্গে। সেখান থেকেই মহিম-অচলার প্রেমত্রিভুজের আরেক কোণে যুক্ত হয় সুরেশ। অষ্টাদশ পরিচ্ছেদে সুরেশের কাছে অচলার সংলাপে ধরা পড়েছে সিদ্ধান্তহীনতাজাত তার এই চিত্তদাহ,

“সুরেশবাবু, আমাকে তোমরা নিয়ে যাও- যাকে ভালোবাসিনে, তার ঘর করবার জন্যে আমাকে তোমরা ফেলে রেখে দিয়ো না।”

সমগ্র উপন্যাস জুড়ে শরৎচন্দ্র পাঠককে চরম উৎকণ্ঠা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং ভারসাম্যহীন অবস্থানে রেখেছেন। স্বামী মহিমের প্রতি যে অচলার সম্মান বিদ্যমান রয়েছে, তার প্রমাণ উপন্যাসের বিভিন্ন অংশ থেকে জানা যায়। কিন্তু একইসাথে প্রাণচঞ্চল সুরেশের জন্য তার হৃদয়ের প্রধান অংশ থেকেছে সদা তৃষিত। দোলাচলে থাকা অচলার ব্যক্তিক সঙ্কট সুরেশ-মহিমের দ্বৈরথ আকর্ষণে নিজেকে উদ্ধারের চেষ্টা করে।

অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে হাওয়াবদলে যাওয়ার সময়ে অচলা আহ্বান জানায় সুরেশকে, তা কি কেবল ভদ্রতাসুলভ? এ সিদ্ধান্ত পাঠকই নিতে পারবেন। সুরেশের প্রতি অচলা আকাঙ্ক্ষা পোষণ করত, তা স্পষ্ট হয়েছে এখানে। ট্রেনে অপরিচিত মেয়েটিকে কেনই বা অচলা স্বামী হিসেবে সুরেশকে পরিচয় করিয়ে দিল? পাঠকের একসময় মনে হবে, হয়তো চাইলেই অচলা এই দোলাচল অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে পারত। কিন্তু, আসেনি।

অচলা পরিবেশের প্রবাহে নিজেকে ভাসিয়ে দিয়েছে। সুরেশের কাছে স্বেচ্ছায় ধরা দিয়েছে। শেষতক অচলা আবার স্বামী মহিমের কাছেই তার শেষ আশ্রয়ের সন্ধান করেছে। অচলার নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের ঘটনা দিয়ে শরৎচন্দ্র প্রকৃতপক্ষে দাম্পত্য জীবনের পবিত্রতার প্রতিই ইঙ্গিত করেছেন।

উপন্যাসের অন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো মৃণালিনী এবং কেদারবাবু। উপন্যাসের পটপরিবর্তনে এদের ভূমিকা অনেক বেশি। যদিও খুব কম জায়গায় তাদের কথা উঠে এসেছে।

অচলাকে কেন্দ্র করে বৃত্তের চারপাশে ঘুরতে থাকা মহিম এবং সুরেশ চারিত্রিক দিক দিয়ে দুই মেরুর দুই বাসিন্দা। একদিকে চটপটে এবং উৎফুল্ল সুরেশ, যার কাছে ভালোবাসা অর্থ হলো হৃদয়ের চেয়ে শরীর বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে মহিম। পুরোটা গল্প জুড়ে সে ছিল নির্লিপ্ত। তাই তো মৃণালিনী বারবারই সন্দেহ করে বসেছেন, মহিমের আসলেই মন আছে কি না। নির্লিপ্ত মহিমের মধ্যে শরৎচন্দ্র ফুটিয়ে তুলেছেন নিম্নবিত্ত এবং নিরুপায় এক শিক্ষিত যুবকের স্ত্রীর প্রতি অসহায় ভালোবাসা। এক্ষেত্রে বলতে হয় উপন্যাসের নায়ক মূলত মহিম।

সামগ্রিক উপন্যাসের পর্যালোচনা থেকে বোঝা যায়, বাঙালি নারীর চরিত্র উদঘাটন করাই ছিল শরৎচন্দ্রের মূল উদ্দেশ্য। মহিম এবং সুরেশের প্রণয়ের দোলাচলে ভুগতে থাকা অচলাকে দিয়ে শরৎচন্দ্র বাঙালি সমাজের এক সামাজিক ব্যাধি তুলে এনেছেন। এটা করেছেন প্রথাগত সমাজকে রক্ষা করার তাগিদে, কেননা বঙ্কিমের মতো শরৎচন্দ্রও সামাজিক দায়বদ্ধতার বেড়াজাল মাড়াতে পারেননি। তাই অচলা-সুরেশ পরকীয়া প্রণয়ের পরিণতি বিচ্ছেদে; মিলনে নয়। ক্ষণে ক্ষণে পাল্টানো উপন্যাসের বৈপরীত্য বেশ চমকপ্রদ। সুরেশের মৃত্যুর পর পরকীয়ায় ভুগতে থাকা অচলা কতটা অসহায় এবং নিরুপায় হয়ে পড়ে, পাঠককে তা ভাবতে শেখাবে। শরৎচন্দ্রের ভাষায়, দোলাচলে অচলাদের আঁচলেই নির্মিত হয় সংসারের গৃহদাহ।

শরৎচন্দ্রের এ উপন্যাসের গতিপথ গতানুগতিক ধারায় চলেনি। লেখক এখানে ভিন্নমাত্রার ভাবনার ছায়া ফেলেছে। কলম চালিয়েছেন বাঙালি সমাজের এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক বিক্রিয়া নিয়ে। যুগে যুগে পাঠক গৃহদাহ পড়ে বিদগ্ধ হয়েছেন, জ্বলেছেন অন্তর্জ্বালায়। বৈদগ্ধ্যের চূড়ান্ত মুহূর্তে বই বন্ধ করে আকাশপানে চেয়ে কেউ কেউ হয়তো বলেছেন, “কেন এমন হলো?'” পাঠকের এই মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন শরৎচন্দ্রের লেখনীর সফলতারই জানান দিয়েছে।


(আলমাজ আলিফ)


বিয়ার পর কী হয় জানিস?,,,, বিয়ের গল্প ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 'বিয়ার পর কী হয় জানিস? শীত বাড়লে জামাইর আ*দর আরও বেশি বাইড়া যায়। ডেইলি গো"সল ফরজ কইরা ছাড়বো, তখন কী করবি? তখন তো ভোরে এই ঠান্ডা পানি দিয়াই তোর গোসল করা লাগবো, লাগবো না?'


লিপি কাঁথার ভেতর থেকে মুখ বের করে দাঁত কটমট করে তাকিয়ে নিয়ে বলে,


- 'ভাবি এই সাত-সকালে আমার গোসল নিয়া পড়লা কেন? যখন ফরজ হইব তখন আমি আমারটা দেখবো। এখন তোমার নিজের ফরজ আদায় করো গিয়া।'


- 'আমার আজকে ফরজ হয়নি।'


- 'কেন আজকে তো অনেক শীত।'


ভাবি ফিক করে হেঁসে লিপির কাঁথা টান দিয়ে সরিয়ে বললেন,


- 'আইজ আমি টাইট হইয়া রইছিলাম। এগুলো তোর জানা লাগবো না। তাড়াতাড়ি গিয়া গোসল কর।'


- 'কিন্তু কেন?'


- 'এহ এমন ভাব দেখাইতেছিস যেন কিচ্ছু জানিস না।'


লিপি বিছানায় উঠে বসে হাই তুলে গা মোড়া দিয়ে বললো,


- 'আমি আসলেই কিচ্ছু জানি না ভাবি।'


- 'কেন তোর বিয়ার আলাপ আইছে জানিস না?'


- 'তা তো জানি, কিন্তু এই ভোরবেলায় কী হইছে?'


- 'জামাই দেখতে আইব। তোর জামাই তো আবার মাস্টারমশাই। তাই স্কুলে যাওয়ার আগে এদিকে তোরে দেইখা যাইব।'


- 'আশ্চর্য বিয়ের আগেই এতো আমার জামাই জামাই করছো কেন ভাবি? আর এই লোক এতো অদ্ভুত কেন? কনে দেখতে আসবে, এটার জন্যও ছুটি নেয়া যায় না? এই ভোরবেলাই আসতে হইব। বুঝলাম না, এতো গুরুত্ব কম!' 


- 'বিকালে স্কুল ছুটির পর না-কি টিউশনি করায়। তাই সকালেই তোরে দেইখা বিয়ার ডেট ফেইলা যাইব।'


- 'এতো তাড়াহুড়া কেন?'


- 'এসব তোর বুঝা লাগবো না। তোর মা-মামী বলে দিছেন তাড়াতাড়ি গোসল করাইয়া রেডি করে দিতে।'


লিপি বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ায়। দেরি করলে মামী এসে গালাগাল শুরু করতে পারেন। এবাড়িতে এখন তার একমাত্র আপনজন এই লুবনা ভাবি। মামাতো ভাই সুজনের বউ। বিয়ে হয়েছে তাদের বছর চারেক আগে। একটা পুত্র সন্তান আছে। লিপির বিয়ে নিয়ে এখন তারা সকলেই বেশ চিন্তিত। মামা-মামীর মাথা খারাপ হবার জোগাড়। প্রতিটি বিয়ের আলাপ তাকে দেখা পর্যন্তই আগায়। দেখে আর এমুখো হয় না। সে দেখতে কি খারাপ? লিপি প্রায়ই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে ভালো করে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে, ভালোই লাগে। একটা গোলগাল মুখ। মাঝে মাঝে শ্যামলা লাগে, আবার প্রায়ই মনে হয় ফরসা। গালে অল্প কিছু ব্রণের দাগ আছে৷ লুবনা ভাবির কাছে এর চিকিৎসা একটাই। বিয়ে। বিয়ের পর বরের চু*মু খেলে না-কি এসব ব্রণ-ফ্রন আর থাকবে না৷ কথাটা বলেই উনি ফিক করে হাসেন। লিপি তখন কৃত্রিম রাগ দেখিয়ে দাঁত কটমট করে তাকায়। কখনও পিঠে কয়েকটা কিল-ঘুসি বসিয়ে দেয়। 


লুবনা ভাবির কথা অনুযায়ী লিপি ভীষণ সুন্দরী। যে ছেলে পাবে তার জীবন ধন্য। কিন্তু ওই ধন্য মানুষটিকে ওর মামা-মামী হন্যে হয়ে খুঁজেও পাচ্ছেন না৷ বহু আলাপ আনা হয়। তাকে দেখে ফেলে চলে যায়। ডি*ভোর্সি মায়ের নানাবাড়িতে বড়ো হওয়া মেয়ে। এমন জীবনবৃত্তান্ত বিয়ের জন্য মোটেও সুখকর নয়৷ এছাড়াও আরেকটা সমস্যা আছে লিপির। ওর ডান পা জ'ন্মগত একটু বাঁ'কা। এবিষয়ে লিপি স্কুলে এক স্যারের থেকে জেনেছিল এটাকে বলে ‘ক্লা'ব ফুট’। পায়ের পাতা গোড়ালির অস্থিসন্ধির হাড়ের অবস্থাগত তারতম্যের জন্য ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে থাকে, যার কারণে পা গলফ খেলার স্টিকের মতো দেখায়। তাই এর নামকরণ হয়েছে ক্লা'ব ফু'ট। হাঁটলে খুবই বিশ্রী লাগে। কিন্তু লিপির এই সমস্যা এতোটাও তীব্র নয়। গোড়ালিও এতো বাঁ'কা না। ব্যথাও করে না৷ কেবল হাঁটার সময় দেখতে ভীষণ বিশ্রী লাগে।


লিপি উঠে রান্নাঘরে গিয়ে বাশে বাঁধা বোতল থেকে বাঁ হাতের তালুতে দাঁত মাজার ছাঁই নেয়। লুবনা সাবান আর বালতি সহ সবকিছু নিয়ে এসে বললো,


- 'মাস্টারমশাইকে আড়াল থাইকা অগ্রীম ধন্যবাদ।'


লিপি দাঁতে আঙুল চালানো থামিয়ে ভ্রু কুঁচকে বললো,


- 'কেন?'


- 'আরে আজকে শনিবার না? আজকে তো বিকালে ছবি আছে। যদি মাস্টারমশাই বিকালে আইতেন তাইলে তো আমার ছবি দেখাই মাটি হইয়া যাইত।'


লিপি ফিক করে হেঁসে ফেললো।


- 'তুমি এতো ছবির পাগল ভাবি।'


লুবনা আসলেই ছবির পাগল৷ এক সপ্তাহ হলো একটা ছোট্ট টিভি এনে দিয়েছে সুজন। বউ পাশের বাড়ি প্রতি শুক্রবার-শনিবারে বিটিভিতে ছবি দেখতে চলে যাবে সেটা ভালো লাগে না তার। একটা টিভি এনে দিয়েছে, এটাই লুবনার কাছে কয়েকদিন থেকে সবচেয়ে বড়ো ঘটনা। 


দু'জন রান্নাঘরের পেছনের দরজা খুলে চাপাকলে চলে এলো। কলতলা পাকা করা। চারটি খুঁটি গেঁড়ে কাপড় দিয়ে গোসল করার জন্য আড়াল করেও দিয়েছে সুজন। 


লুবনা কলে চাপা দিয়ে বালতিতে পানি ভরছে। 


- 'আজকে শাড়ি পরাব তোকে। তোর ভাই আমার লাগি সাজগোজের সব আনছে৷ তোকে সাজাইয়া দিব।'


লিপি আঁজলা ভরে পানি নিয়ে কুলি করে বললো, 


- 'তুমি আমারে শাড়ি পরাইয়া সাজানোর জন্য পাগল কেন? ওইদিন গরমের মাঝে এমন করছো।'


লুবনা ফিক করে হেঁসে ফেললো। 


- 'বস গোসল করাইয়া দেই।'


- 'কেন আমি কি বাচ্চা। তোমার করাইয়া দেয়া লাগবে না। যাও, মেহমান আসলে তো নাশতা-টাশতা বানাতে হবে তোমার।'


লুবনা ওকে টেনে বসাতে বসাতে বললো,


- 'আজকে আমার রান্নাঘর থেকে ছুটি দিছে আম্মা। উনি সব করবে। আমার কাজ সইরে সুন্দর কইরা সাজাইয়া-গুছাইয়া ওর জামাইর সামনে নিয়া যাওয়া।'


লিপি ওর শাড়ির ফাঁকের নগ্ন পে*টে চি*মটি দিয়ে বললো,


- 'এতো জামাইর জামাই করছো যখন তুমি নিজেই বিয়ে বইসা যাও।'


- 'তাইলে আমার ইমতিয়াজের বাপের কি হইব?'


- 'কি আর হইব। দুই বউ যেরকম রাখে। তুমি দুই জামাই রাখবে। পারবা না?'


দু'জন পুনরায় খিলখিল করে হেঁসে উঠলো।

তখনই রান্নাঘর থেকে আলেয়া খাতুনের গলা শোনা গেল। 


- 'কিরে, তোরা এতো খিলখিল করতাছিস কেন। তাড়াতাড়ি গোসল কইরা রেডি হও।'


লুবনা জিভে কা*মড় দিয়ে বললো,


- 'হ আম্মা শেষ।' 


তারপর লিপির দিকে দাঁত কটমট করে ফিসফিসিয়ে বললো,


- 'মা'গী আমাকে বকা শোনাবি না-কি, তাড়াতাড়ি কর।'


আবার রান্নাঘর থেকে আলেয়া খাতুন বললেন,


- 'এইখানে খিলখিল করতাছো, ইমতিয়াজ কোথায় খবর আছেনি?'


- 'হ আম্মা, ওর বাপের লগে গেছে মাঠে গরু দিতে।'


- 'সুজনের আক্কেল কবে অইব। এইটুকু ছেলেরে নিয়া মাঠে যাইবে কেন? এতো পুতুপুতু করলে বাচ্চারা মানুষ হয় না, বুঝলা।'


লুবনা ফিসফিস করে বললো,


- 'হ সুজইন্নারে এরকম পুতুপুতু করে মনে অয় ন*ষ্ট করছেন।'


লিপি ফিক করে হেঁসে বললো,


- 'ভাইয়া নষ্ট? দাঁড়াও আসলে বইলা দিমু।'


- 'তো ন*ষ্ট না? এই শীতের মাঝে...।'


লিপি মুখ চেপে ধরল.... 

পরের পার্ট পেতে লাইক দিয়ে সাথে থাকো

টমেটো ও মরিচ চাষের জন্য স্প্রে সিডিউল

 টমেটো ও মরিচ চাষের জন্য স্প্রে সিডিউল


🔶প্রথম স্প্রেঃ চারা রোপনের ১০-১২ দিন বয়স হতে শুরু করতে পারেন। 



ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

এডমায়ার ২০০এসএল/

ইমিটাফ ২০এসএল/

টিডো ২০এসএল/

গেইন ২০ এসএল/

এডক্লোপ ২০ এসএল/

টিডো প্লাস ৭০ ডাব্লিউ জি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৬ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন সাথে


অটোস্টিন৫০ডাব্লিউপি/ 

নোইন৫০ডাব্লিউপি /

ক্যালিবার৫০ডাব্লিউপি /

এমকোজিম৫০ডাব্লিউপি /

টার্বো৫০ডাব্লিউপি /

সিডাজিম৫০ডাব্লিউপি/

ফরাস্টিন৫০ডাব্লিউপি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶দ্বিতীয়_স্প্রেঃ

স্পাইরোটেট্রামেট গ্রুপের কীটনাশক 

মোভেন্টো ১৫০ ওডি

একটিক ২৪ এসসি

ব্রিনকা ২৫ এসসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


অথবা 

🔸স্প্রাইরোমেসিফেন গ্রুপের কীটনাশক 

🔸ওবেরন ২৪ এসসি

ভিস্তার ২৪ এসসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

সাথে 

🔸ম্যানকোজেব গ্রুপের যে কোন একটি ছত্রাকনাশক যেমন-

এগ্রিজেব ৮০ডব্লিউ পি

জ্যাজ ৮০ ডব্লিউ পি/

নেমিসপোর ৮০ ডব্লিউ পি/

পেনকোজেব ৮০ ডব্লিউ পি/

ইমপালা ৭০ ডব্লিউ জি/ যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে সকালে অথবা বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶তৃতীয়_স্প্রেঃ

এসিফেট গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

এসাটাফ৭৫ এসপি/

ফরচুনেট ৭৫ এসপি/

কুইনফেট ৭৫ এসপি/

পিলারফেট ৭৫ এসপি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

সাথে 

🔸কপার_হাইড্রোঅক্সাইড গ্রুপের বালাইনাশক 

জিবাল ৭৭ ডাব্লিউ পি 

চাম্পিয়ন ৭৭ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 


🔶চর্তুথ_স্প্রে 

(এবামেকটিন২%+ইমিডাক্লোপ্রিড ৩৬%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

লাহিব ৩৮ ডাব্লিউ ডিজি /

ফ্লের ৩৮ ডাব্লিউ ডিজি /

এবামিড ৩৮ ডাব্লিউ ডিজি/

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.১৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

অথবা

ইমিডাক্লোপ্রিড৬০+অ্যাসিটামিপ্রিড১০%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

ফেম ৭০ ডাব্লিউ ডিজি 

নীলিমা ৭০ ডাব্লিউ ডিজি 

গ্লোরী ২০ এসপি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে  ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

সাথে 


প্রপিকোনাজল গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

টিল্ট ২৫০ ইসি

প্রোটাফ ২৫০ ইসি

প্রাউড ২৫ ইসি

সাদিদ ২৫ ইসি

মিমগোল্ড ২৫ ইসি

প্রোটেন্ট ২৫ ইসি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 


🔶পঞ্চম_স্প্রেঃ

(পাইমেট্রোজিন৬০%+নাইটেনপাইরাম২০%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

সাবা ৮০ ডাব্লিজি/

স্পেলেন্ডর ৮০ডব্লিউজি/

পাইরাজিন ৭০ডব্লিউজি/

নাইজিন ৮০ ডব্লিউজি/

শিখা ৮০ ডব্লিউজি /

পাইমেট্রিকস ৮০ ডব্লিউজি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

সাথে 


(এজোক্সিস্ট্রবিন+সিপ্রোকোনাজল) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

কারিশমা ২৮ এসসি

তারেদ ২৮ এসসি

টিফঅফ ২৮ এসসি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶ষষ্ঠ_স্প্রেঃ

প্রোপাজাইট গ্রুপের বালাইনাশক যেমন-

ওমাইট ৫৭ ইসি

সুমাইট ৫৭ ইসি

ইমিমাইট ৫৭ ইসি

হানা ৪০ ইসি

জিরো মাইট ৪০ ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।  

সাথে 


🔸ম্যানকোজেব৬৩%+কার্বেন্ডাজিম ১২%) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

ম্যানসার ৭৫ ডাব্লিউপি/

গোল্ড হোপ ৭৫ডাব্লিউপি

যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।


🔶সপ্তম_স্প্রেঃ

(এবামেকটি১%+ বেটা সাইপামেথ্রিন২%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

এমিথ্রিন প্লাস ৩ ডাব্লিউ ডিজি 

ফসথ্রিন ৩ ডাব্লিউ ডিজি 

একামাইট প্লাস ৩ ডাব্লিউ ডিজি 

বিন্টা ৩ ডাব্লিউ ডিজি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


সাথে 

(টেবুকোনাজল৫০%+ট্রাইফ্লক্সিস্ট্রবিন২৫%) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

নারিভো ৭৫ ডাব্লিউ পি 

প্রোপেল৭৫ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 


🔶অষ্টম_স্প্রেঃ

এসিফেট+ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

অটোমিডা ৭০ ডাব্লিউ ডিজি /

কারেন্ট ৭০ ডাব্লিউপি

এসিমিডা ৫১.৮ এসপি

ঝটপট ৫১.৮ এসপি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


অথবা

(সাইপারমেথ্রিন১০%+ইমিডাক্লোপ্রিড১০%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

🔸পেসকিল গোল্ড ২০ইসি 

প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। সাথে 


(কাসুগামাইসিন৪%+কার্বেন্ডাজিম৫০%) গ্রুপের ছত্রাকনাশক 

সানপুমা ৫৪ ডব্লিউপি

নেকসুমিন ৫৪ ডাব্লিউ পি

কাসুকার ৫৪ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶নবম_স্প্রেঃ

এবামেকটি গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

ভার্টিমেক ১.৮ ইসি

টক্সিমাইট১.৮ ইসি

লাকাদ১.৮ ইসি

এবম১.৮ ইসি

সানমেকটিন ১.৮ ইসি

একামাইট ১.৮ ইসি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫০ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

সাথে 


(স্ট্রেপ্টোমাইসিন সালফেট৯%+ট্রেট্টাসাইক্লিন হাইড্রোক্লোরাইড১%) গ্রুপের বালাইনাশক যেমন

এন্টিব্যাক ১০ এসপি

ডাইব্যাকটেরিয়া ১০ এসপি

প্লান্টোমাইসিন ১০ এসসি

ক্রিষ্টোমাইসিন ১০ এসসি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

অথবা

টিমসেন/০.৫ গ্রাম /লিটারে

বাহা ৭২ এসপি ০.২ গ্রাম /লিটারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶দশম_স্প্রেঃ

(পাইরিপ্রক্সিফেন ৫%+ফেনপ্রোপ্যাথ্রিন১৫%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন- 

জামির ২০ ইসি

ইউটার্ন২০ ইসি

খল্লাশ২০ ইসি

সুমোপ্রিম্প্ট২০ ইসি

ফেনভেট প্লাস২০ ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


অথবা

🔸ইথিওন গ্রুপের কীটনাশক 

সেথিওন৪৬.৫ ইসি

পিথিওন৪৬.৫ ইসি

ইথিওন৪৬.৫ ইসি

ইথিওসাল ৪৬.৫ ইসি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 

সাথে 


🔸বিসমাথিওজল গ্রুপের বালাইনাশক যেমন-

ব্যাকট্রোবান ২০ ডাব্লিউ পি 

ব্যাকট্রল২০ ডাব্লিউ পি 

অটোব্যাক ২০ ডাব্লিউ পি 

থায়াজল ২০ ডাব্লিউ পি 

রাদি ২০ ডাব্লিউ পি 

বিসমাজল২০ ডাব্লিউ পি 

কিমিয়া ২১.৫ ডাব্লিউ পি 

সানস্কোর ২১.৫ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।  অথবা 


🔶একাদশ_স্প্রেঃ

🔸সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক 

রিপকর্ড ১০ ইসি/

রেলোথ্রিন ১০ ইসি/

কট ১০ ইসি/

পেসকিল ১০ ইসি/

মিমসাইপার ১০ ইসি/

জেনেথ্রিন ১০ ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। সাথে 

     

(ডাইমেথোমর্ফ ৯%+মেনকোজেব ৬০%) গ্রুপের ছত্রাকনাশক 


একরোবেট এম জেড ৬৯ ডাব্লিউ পি/

হাছিন ৬৯ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ৪ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

অথবা


🔶দ্বাদশ_স্প্রেঃ

ক্লোরফেনাপির গ্রুপের কীটনাশক 

ইন্ট্রাপ্রিড ১০ এসসি 

ডাইমেনশন ১২ এসসি

ফেনজেট ৫০ এসসি

পিউনি ২০ ডাব্লিউ ডিজি 

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


অথবা

(বেটাসাইফ্লুথ্রিন+ইমিডাক্লোপ্রিড) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

সলোমন ৩০ ওডি

ফলমন ৯ ওসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


সাথে 

(এজোক্সিস্ট্রবিন২০%+ডাইফেনাকোনাজল১২.৫%) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

এমিস্টার টপ ৩২.৫ এসসি

এমিস্কোর৩২.৫ এসসি

রাই৩২.৫ এসসি

অক্সিফেন৩২.৫ এসসি

সানজক্সি৩২.৫ এসসি

মেমোরি প্লাস ৩২.৫ এসসি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶ত্রয়োদশ_স্প্রেঃ

অ্যাসিটামিপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক 

প্লাটিনাম২০ এসপি/

তুন্দ্রা ২০ এসপি/

নাইজ ২০ এসপি/

বিসমার্ক প্লাস ২০ এসপি/

মানিক ২০ এসপি/

চন্দ্রা ২০ এসপি/

জাফ ২০ এসপি/

সালভো ২০ এসপি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। সাথে 


(প্রপিকোনাজল+ডাইফেনোকোনাজল) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন- 

এক্সট্রা কেয়ার ৩০০ ইসি

পার্ক ৩০০ ইসি

ডিফার ৩০০ ইসি

ক্রুপসেপ ৩০০ ইসি

কম্বি-২ ৩০ ইসি

প্রোডিফেন ৩০ ইসি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶চর্তুদশ_স্প্রেঃ

ডায়াফেনথিউরন গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

পেগাসাস ৫০ এসসি

পেনাল ৫০ এসসি

পোলাক ৫০ এসসি

ডায়ারন ৫০ এসসি প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।  সাথে 


কার্বেন্ডাজিম+ইপ্রোডিয়ন গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

শেলটার ৫২.৫ ডাব্লিউ পি 

হামা ৫২.৫ ডাব্লিউ পি 

ব্রিপ্রোডাজিম ৫২.৫ ডাব্লিউপি 

হাইপ্রোজিম ৫০ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।


🔶পঞ্চদশঃ

বাইফেথ্রিন৫%+পাইরিডাবান১০%+থায়াডির্কাব৫০% গ্রুপের কীটনাশক যেমন

এইম গোল্ড ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি 

নিড শর্ট ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি 

ওয়ান স্টপ ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি 

এডাম প্লাস ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি 

টেক শর্ট ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি 

হিট শট ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.২৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

সাথে 

🔷কপার_অক্সিক্লোরাইড গ্রুপের বালাইনাশক 

সানভিট ৫০ ডাব্লিউ পি 

ব্লিটক্স ৫০ ডাব্লিউ পি 

সালকক্স ৫০ ডাব্লিউ পি 

কপার ব্লু ৫০ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন


👉বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ

চারা রোপনের দুই থেকে তিন সপ্তাহ পরে থেকে ৭-১০ দিন পরপর স্প্রে করতে পারেন। 


👉মনে রাখবেন আপনার গাছের গ্রোথ রোগবালা ও পোকামাকড় দমনে স্প্রে প্রয়োজন অনুযায়ী করতে হবে। এখানে একটি সম্পূর্ণ পরিপূর্ণ সিডিউল দেখানো হয়েছে। সব স্প্রে করা লাগবে এমনটা নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে। 


👉কৃষি বিষয়ে তথ্য পরামর্শের জন্য নিকটস্থ উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।

মিলিবাগ পোকা দমনে করণীয় কী?

 মিলিবাগ পোকা দমনে করণীয় কী?



🦗পোকা চেনার উপায় : চুনের মত সাদা বর্ণের এবং মোম জাতীয় পাউডার দ্বারা নরম দেহ আবৃত থাকে।


ক্ষতির ধরণ : এরা কচি ফল, পাতা ও ডালের রস চুষে নেয়, ফলে গাছ দুর্বল হয়। পোকার আক্রমণে পাতা, ফল ও ডালে সাদা সাদা তুলার মত দেখা যায়। অনেক সময় পিঁপড়া দেখা যায়।এর আক্রমণে পাতা ঝরে যেতে থাকে এবং ডাল মরে যায়।এভাবে এক সময় পুরো গাছই মরে যায়।


💠💠ব্যবস্থাপনা :


আক্রান্ত গাছ টি, প্রথমেই অন্যান্য গাছ থেকে অনেক দূরে সরিয়ে ফেলতে হবে।


আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ইমিটাফ বা, এডমায়ার বা, টিডো বা, নাইট্রো ) 

১ লিটার পানিতে ২ মিলি কীটনাশক মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে আক্রান্ত স্থানে। 


ওষুধ স্প্রে করার সঠিক সময়: বিকাল/সন্ধ্যা বেলায়। 

(রোদের ভেতরে কখনো কীটনাশক স্প্রে করা যাবে না।এতে পাতা বার্ন হয়ে যাবে।) 


যে ডাল গুলো বেশি মিলিবাগ আক্রান্ত সেই ডাল গুলো গাছ থেকে কেটে ফেলে দিতে হবে।


🔶🔶পূর্ব-প্রস্তুতি :


নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।গাছের ডাল গুলো রেগুলার চেক করুন।সাদা সাদা মতো কিছু দেখলে সেগুলো পরিষ্কার করে ফেলুন।

প্রতি ১০ / ১৫ দিন পর পর নিম তেল স্প্রে করুন সব গাছে।


💠💠মিলিবাগ দমনে ঘরোয়া উপায়:


সাবানযুক্ত পানি স্প্রে করা যায় (ডিটারজেন্ট বা লিকুইড ভিম বা স্যাম্পু মেশানো পানি বেশি ভালো হয়)

অথবা আধাভাঙ্গা নিমবীজের পানি (১ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম নিমবীজ ভেঙ্গে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ছেঁকে নিতে হবে) আক্রান্ত গাছে ১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করলে পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

এছাড়াও তামাকের গুড়া (১০গ্রাম), সাবানের গুঁড়া (৫গ্রাম) ও নিমের পাতার রস  প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। 

আক্রান্ত অংশ পোকাসহ তুলে ধ্বংস করতে হবে।


খুব জোরে পানি স্প্রে করেও প্রাথমিক অবস্থায় এ পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


💠💠দমন ব্যবস্থাপনা 

১.  বাগানে জন্মানো আগাছা ও অন্যান্য পোষক উদ্ভিদ তুলে বাগান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।


 ২. গ্রীষ্মকালে (বিশেষত সেপ্টেম্বর-অক্টেবর মাসে)  বাগান ভালো করে চাষ দিতে হবে বা পূর্ববর্তী বছরে আক্রান্ত গাছসমূহের গোড়ার মাটি কোদাল দিয়ে আলগা ও এপিঠ-ওপিঠ করে দিতে হবে যাতে মাটির নিচে থাকা ডিম উপরে উঠে আসে এবং পাখি ও অন্যান্য শিকারী পোকার কাছে তা উন্মুক্ত হয়, তাছাড়া রোদে পোকার ডিম নষ্ট হয়ে যায়। 


৩. যেহেতু নিম্ফগুলো গাছ বেয়ে ওপরে উঠে তাই নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ হতেই গাছের গোড়ায় মাটি থেকে ১ মিটার উঁচুতে ৮-১০ ইঞ্চি চওড়া প্লাস্টিকের পিচ্ছিল  ব্যান্ড গাছের চতুর্দিকে আবৃত করে দিলে এরা বার বার ওঠার ব্যর্থ চেষ্টা করে পরিশ্রান্ত হয়ে মারা যায়। অনেক সময় প্লাস্টিকের পিচ্ছিল ব্যান্ডের নিচের অংশে নিম্ফগুলো জমা হয়। এ অবস্থায় এদের সহজেই পিটিয়ে বা একসাথে করে আগুনে পুড়িয়ে মারা সম্ভব অথবা জমাকৃত পোকার উপর কীটনাশক ¯েপ্র করে দমন করা যায়। এসময় নিম্ফগুলোকে গাছে উঠা হতে নিবৃত করতে পারলে এ পোকার আক্রমণ পুরোপুরিভাবে দমন করা সম্ভব। 


৪. যদি কোনো কারণে নিম্ফগুলো গাছ বেয়ে উপরে উঠে যায় তবে শুধুমাত্র গাছের আক্রান্ত অংশে (Spot application) সংস্পর্শ ও পাকস্থলী (Contact and stomach) কীটনাশক বিধি মোতাবেক প্রয়োগ করা প্রয়োজন। তবে প্রাথমিকভাবে অল্প কিছু পরিমাণ নিম্ফ গাছ বেয়ে উপরে উঠে গেলে কেবলমাত্র গুঁড়া সাবান মিশ্রিত পানি (প্রতি লিটার পানিতে ৫ গ্রাম হারে) স্প্রে করে এ পোকার আক্রমণ রোধ করা সম্ভব। 


তবে ব্যাপকভাবে আক্রমণের ক্ষেত্রে কীটনাশক প্রয়োগের বিকল্প নেই। যেহেতু এ পোকাটির বহিরাবরণ ওয়াক্সি পাউডার জাতীয় পদার্থ দিয়ে সুরক্ষিত থাকে সেহেতু পরীক্ষিত কীটনাশক ছাড়া এটি দমন করা দুরূহ।  এ ক্ষেত্রে প্রথমে ক্লোরপাইরিফস (ডারসবান ২০ ইসি বা এ জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ মিলি. হারে) এবং তার ৩-৪ দিন পর কার্বারাইল (সেভিন ৮৫ এসপি বা এ জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে) আক্রান্ত অংশে ¯স্প্রে করতে হবে।


👉প্রতি ১৫ দিন অন্তর ২-৩ বার এভাবে স্প্রে করলে এ পোকা সম্পূর্ণভাবে দমন করা সম্ভব।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর                    🥊 ধূমকেতু 🥊 কবিতার অংশবিশেষ। 

 বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর 

                  🥊 ধূমকেতু 🥊 কবিতার অংশবিশেষ। 


আমি যুগে যুগে আসি, আসিয়াছি পুনঃ মহাবিপ্লব হেতু 

          এই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধুমকেতু! 


ঐ বামন বিধি সে আমারে ধরিতে বাড়িয়েছিল রে হাত

মম অগ্নি-দাহনে জ্বলে পুড়ে তাই ঠুঁটো।জগন্নাথ! 


আমি জানি জানি ঐ স্রষ্টার ফাঁকি সৃষ্টির ঐ চাতুরী 

তাই বিধিও নিয়মে লাথিমেরে ঠুকি বিধাতার বুকে -

        হাতুড়ি, 

আমি জানি জানি ঐ ভুয়ো ঈশ্বর দিয়ে যা হয়নি হবে 

          তা'ও! 

তাই বিপ্লব আনি বিদ্রোহ করি, নেচে নেচে দিই গোঁফে

        তা'ও! 

তোর নিযুত নরকে ফুঁ দিয়ে নিবাই মৃত্যুর মুখে থুথু দি, 

মম যে যত রাগে রে তারে তত কাল আগুনের কাতুকুতু

       দি। 

ঐ চিতাগ্নিতে জগদীশ্বর পুড়ে ছাই হবে, হে সৃষ্টি জান কি     

     তা? 

বল কি?  বল কি?  ফের বল ভাই আমি শয়তান- মিতা! 

হোহো ভগবানে আমি পোড়াব বলিয়া জ্বালিয়েছি বুকে 

          চিতা। 

আজিও ব্যথিত সৃষ্টির বুকে ভগবান কাঁপে ত্রাসে, 

স্রষ্টার চেয়ে সৃষ্টি পাছে যা বড় হয়ে তাকে গ্রাসে!

নারায়ণগড় রাজবাড়ি

 নারায়ণগড় রাজবাড়ি


পাল রাজাদের সাড়ে সাত'শ বছরের প্রাচীন রাজবাড়ী। এখানে এখনও রাজার বংশধররা বসবাস করেন। ২০১৮ সালে মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি নামে একটি বাংলা সিনেমার কিছু দৃশ্য এই রাজবাড়ীতেই চিত্রায়িত হয়েছিল। এই রাজবাড়ী পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ের হাঁদলা গ্রামে অবস্থিত। এটি হাঁদলা রাজগড় নামেও পরিচিত। 


এখানে পাশেই এক নামকরা নবরত্ন শিব মন্দির আছে। জনৈক গন্ধর্ব পাল ১২৬৪ সালে উৎকল রাজের অধীনে এখানে রাজকার্য্য বা জমিদারী প্রতিষ্ঠা করেন। 


১৮৪৪ সালে পৃথিবী বল্লভ পাল ছিলেন শেষ রাজা বা জমিদার। জমিদার বাড়ীর মূল ফটকের দ্বিতলের ছাউনিটি দেখার মত। আর মন্দির টি দাক্ষিণাত্যের কাখর রীতির অনুকরণে।


তথ্য ও ছবি সংগৃহীত।

শিলাইদহ, কুমারখালী, কুষ্টিয়া। কিভাবে যাওয়া যায়

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ী


📌শিলাইদহ, কুমারখালী, কুষ্টিয়া।


কিভাবে যাওয়া যায়

কুষ্টিয়া শহর হতে রবীন্দ্রনাথ এর কুটি বাড়ির দূরুত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। কুষ্টিয়া শহর হতে অটো রিক্সা, সিএনজি ও ইজি বাইক ও অন্যান্য বাহন যোগে সহজেই এবং খুবই কম খরচে শিলাইদহ কুটি বাড়ি যাওয়া যায়।


শিলাইদহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায় অবস্থিত একটি এলাকা। এখানে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর স্মৃতি বিজড়িত কুঠিবাড়ি অবস্থিত। রবীন্দ্রনাথ তাঁর যৌবনকালের একটি উল্লেখযোগ্য সময় এখানে কাটিয়েছেন। শিলাইদহ কুঠীবাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পদ্মা নদী।


কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার একটি গ্রাম শিলাইদহ। পদ্মা নদীর কোল ঘেঁষে গ্রামটির পূর্ব নাম খোরশেদপুর। রবীন্দ্রনাথের দাদা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর ১৮০৭ সালে এ অঞ্চলের জমিদারি পান। পরবর্তিতে ১৮৮৯ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে জমিদার হয়ে আসেন। এখানে তিনি ১৯০১ সাল পর্যন্ত জমিদারী পরিচালনা করেন। এ সময় এখানে বসেই তিনি রচনা করেন তার বিখ্যাত গ্রন্থ সোনার তরী, চিত্রা, চৈতালী, গীতাঞ্জলি ইত্যাদি। এখানে রবীন্দ্রনাথের সাথে দেখা করতে এসেছেন জগদীশ চন্দ্র বসু, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, প্রমথ চৌধুরীসহ আরো অনেকে।

সাপ্তাহিক ছুটিঃ রবিবার

নাইন টেন টাইস্কোপ সুলতানা বিবিয়ানা

 উপেনটি বাইস্কোপ

নাইন টেন টাইস্কোপ

সুলতানা বিবিয়ানা

সাহেব বাবুর বৈঠকখানা।

বাবু বলেছেন যেতে

পান সুপারি খেতে।

পানের ভিতর মৌরি বাটা

ইস্কাপনের ছবি আঁটা। 

আমার নাম যদুমণি 

যেতে হবে অনেকখানি।


- একটি ছড়া, এক টুকরো শৈশব। বাঙালি ছেলেমেয়েদের স্মৃতিতে জায়গা করে নেওয়া এই ছড়া একসময় সবার মুখে মুখে ছিল। খেলার নিয়ম একদম সাদামাটা— দুজনের হাত ‘ভি’-এর মতো খুলে রেখে অন্যরা বৃত্তাকারে ঘুরত। ছড়াটি আবৃত্তি করতে করতে যখন থামা হতো, তখন এক ব্যক্তি ধরা পড়ত ফাঁকে। এই খেলায় শিশুরা যেমন মজা পেত, তেমনি অজান্তেই মুখস্থ করে ফেলত বাংলার সামাজিক ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায়ের কথা।


ছড়ার মাঝেই উঠে আসে একটি লাইন—“সাহেব বাবুর বৈঠকখানা।” এই বৈঠকখানা ছিল বাংলায় ঔপনিবেশিক শাসকদের এক বিশেষ সংস্কৃতির কেন্দ্র। ইংরেজ ও পর্তুগিজ সাহেবরা তাঁদের বিশ্রাম ও আনন্দ-উল্লাসের জন্য তৈরি করেছিলেন এই বৈঠকখানাগুলো। তবে এগুলো শুধুই সাহেবদের বৈঠকখানা ছিল না, এখানে ছিল শোষণের এক নির্মম চিত্র। 


“বাবু বলেছেন যেতে, পান সুপারি খেতে।” এই আমন্ত্রণ ছিলো নারীদের প্রতি। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি সহজ আমন্ত্রণ মনে হলেও, এই লাইনটি বাংলার মেয়েদের প্রতি সাহেবদের ব্যবহার এবং সামাজিক নিপীড়নের গভীর চিত্রকে ইঙ্গিত করে। ঐতিহাসিক গবেষণায় দেখা যায়, সেই সময় বাংলার গ্রামীণ মেয়েরা সাহেবদের লালসার শিকার হতেন। “পান সুপারি খেতে” ডাকা মানে সাহেবদের বৈঠকখানায় ভুলিয়ে নিয়ে যাওয়া। কখনো গ্রামবাসীদের বাধ্য করা হতো তাঁদের মেয়েদের সমর্পণ করতে। এই কাজ বলপূর্বকও করা হতো। মেয়েদের ক্রীতদাস হিসেবে বিক্রিও করা হতো। সাহেবদের এই বৈঠকখানাগুলো যেন বাংলার নারীদের জন্য লাঞ্ছনার প্রতীক হয়ে উঠেছিল।  


“পানের ভিতর মৌরি বাটা, ইস্কাপনের ছবি আঁটা”-এই লাইনটি সাহেবদের বৈঠকখানার বিলাসবহুল পরিবেশের কথা বলে। পান ও মৌরি ছিল তৎকালীন উচ্চশ্রেণির বিলাসিতার প্রতীক। “ইস্কাপনের ছবি” সাহেবদের দ্বারা আনা বিদেশি জিনিসপত্র, যেমন– শিল্পকর্ম বা বৈঠকখানার সজ্জাকে নির্দেশ করে। সহজেই অনুমিত হয় বৈঠকখানা পরিবেশটি সম্পূর্ণরূপে স্থানীয় দেশীয় সংস্কৃতির বাইরে ছিল।


যদুমণি / মণিমালা (যার নাম মণিমালা তারে দেব মুক্তার মালা) - তৎকালীন বাংলার নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে। “যদুমণি” আসলে সেই সব নারী, যাঁরা সাহেবদের বৈঠকখানায় যেতে বাধ্য হতেন। “যেতে হবে অনেকখানি” বলতে বোঝানো হয়েছে নারীদের পাড়ি দিতে হওয়া মানসিক ও সামাজিক দূরত্ব।  


ছড়াটির মূল রূপে “বাইস্কোপ” শব্দটি ছিল কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এটি সম্ভবত পরবর্তী সংযোজন, যখন হীরালাল সেনের হাত ধরে বাংলার সংস্কৃতিতে বায়োস্কোপ বা চলমান ছবির আবির্ভাব ঘটে। সেই সময়ের জনপ্রিয় বাইস্কোপ শব্দটি হয়তো ছড়াটির মূল ছন্দে নতুন সংযোজন হিসেবে যোগ হয়। যা ছড়াটিকে আধুনিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে। তবুও, বাইস্কোপ শব্দের সংযোজন ছড়ার মর্মার্থ বদলাতে পারেনি। বাইস্কোপ এখানে শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং ঔপনিবেশিক শাসকদের দ্বারা বাংলায় আনা বিদেশি সংস্কৃতির প্রতীক। 


“নাইন টেন টাইস্কোপ” ছন্দময় পংক্তিটি ব্রিটিশদের ইংরেজি সংখ্যার প্রতি বাংলার অভ্যস্ততার প্রতিফলন। ঔপনিবেশিক যুগে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার প্রসার এবং বিদেশি শব্দের প্রভাব বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতিতে প্রবেশ করেছিল।


সাহেবদের বৈঠকখানার চিত্র, গ্রামীণ মেয়েদের প্রতি অন্যায় আচরণ এবং তাদের রক্ষিতা হয়ে ওঠার কাহিনী যেন ছড়াটির প্রতিটি শব্দে মিশে আছে। শিশুতোষ খেলার এইসব ছড়ায় তৎকালীন সমাজব্যবস্থার নিষ্ঠুরতাকে পরিহাস করে রচিত।  খেলার ছড়া ও অভিনয়ের মাঝে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বারংবার উচ্চারিত হয়েছে নারীদের দীর্ঘ সংগ্রামের চিত্র। পূর্বনারীদের নিপীড়নের কথা মাথায় রেখে নতুন দিনে ঘুরে দাঁড়ানো নারীদের জন্য এসকল ছড়া যেন এক অলিখিত দলিল।  


লেখা ও সংগ্রহ - শ্রাবণী চক্রবর্ত্তী

পাখি পাকা পেঁপে খায় ছাড়াও আরো অনেক বাক্য আছে!

 পাখি পাকা পেঁপে খায় ছাড়াও আরো অনেক বাক্য আছে!

😜ঝট করে পড়ে ফ্যালো দেখিঃ---😜


★ নলিনী লালনের নোলক নাকে তাল তাকে থাক কাক তাকে খাক।

★ লালুর লড়াই রাবড়ি লড়েন।

★ হরলালের রেলগাড়ি

★ তেলে চুল তাজা জলে চুন তাজা

★ সূঁচে সুতো ছাতে ছুঁচো

★ লারা রোড রোলারে লর্ডসে যায়

★ লালা রি লোলা রি লিলারি লালারি লু

★ কাঁচা পেঁপে পাকা পেঁপে

★ বাবলা গাছে বাঘ বসেছে

★ পাতে পটল পড়লেও পড়তে পারে।

★ পাখি পাকা পেঁপে খায়

★ বারো হাঁড়ি রাবড়ি বড়ো বাড়াবাড়ি।

★ কাঁচা গাব পাকা গাব

★ লীনা নিলো নীলা লীলা নিলো না

★ দুর্যোধন জর্দা খেয়ে দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়

★ বাঘার বাড়ি বাবার গাড়ি

★ লরির ওপর রোলার

★ লীলা নিলি নালা নালী

★ লেনিন নিলেন লিনেন,লিনেন লেনিন নিলেন,নিলেন লেনিন লিনেন।

★ লালু লালা নিলী লিলি লীলা লীনা

★ করলার কলে বাড়ে কলেরার কলরব

★ শ্যমবাজারের শশী বাবু সকাল বেলায় সাইকেল চড়ে শশা খেতে খেতে সশরীরে স্বর্গে গেলেন।

★ পাখি কাঁপে ফাঁদে, পাপী কাঁদে ফাঁকে।

★ এক আনায় আনা যায় কত আনারস।

★ মালির মাথায় মালার ডালা, মালার হাতে মালির মালা।

★ রণে রানী লড়ে, লনে নারী নড়ে।

★ মাসি মারে মশা, মেসো মারে মাছি।

★ অস্ট্র উষ্ট্রের সাথে অষ্ট অশ্ব।

★ চাচী তুমি চাঁছা চটা চেঁছ না আচাঁছা চটা চেঁছ।

★ লাল ল্যানোলিন, নীল ল্যানোলিন।

★ নেরু রেনুর কান টানে,রেনু নেরুর নাক টানে।

★ টাকে কাক, তাকে কাপ।

★ মিতা আটা হাতে আতা কাটে।

★ গাছ কাটা কাটা খাঁজ, খাঁজ কাটা কাটা গাছ।

★ মনাকে মনার মা মানা করেছে,মনা মায়ের মানা না শুনে চলে গেছে।

★ চল চপলার চকিত চরণে করিছে চরণ বিচরণ।

★ কত না জনতা জানালো যতনে যতনে।

★ কালুদের কুচকুচে কালো কুকুর কাল কচুরিতে কামড় দিয়েছিল।

★ টিপুর টুপি টুপুর টাকে, টুপুর টাকা টিপুর ট্যাঁকে।

★ উৎকটকটমহাশঙ্করকিটকিটাম্বররায়চৌধুরী 

★ চারুচন্দ্র চক্রবর্তী চটি জুতো চরণে জড়ায়ে চট্টগ্রাম চলে গেছে।

★ পাঁক পুকুরের পশ্চিম পাড়ের পাঁচু পাইন পাঁচটি পুলিশ কে পটিয়ে পাঁচটি পাইপ পুঁতিল।

★ হেলিকপ্টারের প্রোপ্রাইটারের প্রপিতামহ প্রপেলারের চোটে পটলপ্রাপ্ত।

★ গড়ের মাঠে গরুর গাড়ি গড় গড়িয়ে যায়।

★ কাকেরা কা কা করিয়া কাকে কাকা কইছে?

★ রুলারে লড়াই।

★ রোমা রল্যা লেড় খায়।

রক্ত চন্দনকে  ‘লাল সোনা’ বলেও অভিহিত  করা  হয়

 “ রক্ত চন্দন “…♥️


রক্ত চন্দনকে  ‘লাল সোনা’ বলেও অভিহিত 

করা  হয়।  কারণ  সোনার  মতোই  মূল্যবান 

এই গাছ। খুবই বিরল প্রজাতির একটি গাছ 

রক্তচন্দন। দ.ভারতের শেষাচলম পাহাড়ের 

ওই ঘন  জঙ্গলেতেই  একমাত্র  পাওয়া যায়। 


দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু লাগোয়া অন্ধ্রপ্রদেশের চার জেলা— নেল্লোর, কুর্নুল, চিত্তোর এবং কাডাপ্পা জেলায় এই গাছ মেলে। পূর্বঘাট পর্বতের আবহাওয়া এই গাছের জন্য অনুকূল। গাছটির উচ্চতা ৮-১২ মিটার হয়। 


লাল চন্দন হলো এক ধরনের ‘এনডেমিক স্পিসিস’। ‘এনডেমিক স্পিসিস’ বলতে এমন একটি উদ্ভিদ বা প্রাণীর প্রজাতিকে বোঝায় যা একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। অর্থাৎ এই গাছ ওই অঞ্চল ছাড়া আর কোথাও পাওয়া যায় না। 


যেহেতু, প্রাকৃতিকভাবে ‘এনডেমিক স্পিসিস’ বিশ্বের অন্য কোথাও পাওয়া যায় না তাই আন্তর্জাতিক বাজারে রক্ত চন্দনের চাহিদা আকাশছোঁয়া। 


মূলত, দুই ধরনের চন্দনকাঠ পাওয়া যায়। একটি সাদা, অন্যটি লাল। সাদা চন্দনে সুন্দর গন্ধ থাকলেও লাল বা রক্ত চন্দনে কোনও গন্ধ নেই। 


কিন্তু এই কাঠের বিশেষ গুণ রয়েছে। যার কারণে বিশ্ব জুড়ে এর বিপুল এই চাহিদার কারণেই এই কাঠ পাচার হয় বিপুল পরিমাণে। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সঙ্ঘ (আইইউসিএন) ২০১৮-য় এই গাছকে ‘প্রায় বিলুপ্ত’ শ্রেণির তালিকাভুক্ত করেছে। চোরা কাঠকারবারিদের পাল্লায় এই কাঠ এত বিপুল পরিমাণে কাটা এবং পাচার হয়েছে যে, সারা বিশ্বে আর মাত্র পাঁচ শতাংশ গাছ অবশিষ্ট রয়েছে। 


মূলত, আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে এই কাঠের বিপুল ব্যবহার হয়। হজম, ডায়রিয়াসহ বেশকিছু রোগের চিকিৎসায় এই কাঠ কাজে লাগে। এছাড়াও, মনে করা হয় রক্ত পরিশোধনের গুণ রয়েছে রক্তচন্দন কাঠের। নানা ওষধি গুণ ছাড়াও বিভিন্ন শিল্পেও এই কাঠের বিপুল চাহিদা রয়েছে। পূজা-অর্চনা এবং বিভিন্ন প্রসাধনী দ্রব্য তৈরিতেও এই কাঠের বিপুল চাহিদা রয়েছে। 


রক্তচন্দন থেকে পাওয়া নির্যাস বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। এতে বেশ কিছু ‘আর্থ মেটাল’ পাওয়া যায়। সেটিও বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। প্রাকৃতিকভাবে আগুন রোধ করতে সক্ষম। কারণ, রক্তচন্দনের কাঠ সহজে পোড়ানো যায় না। পূর্বঘাট এলাকা শুষ্ক হওয়ায় সেখানকার জঙ্গলে অনেক সময়েই দাবানলের ঘটনা ঘটে। 


এটি একটি দামী কাঠ। আন্তর্জাতিক বাজারে কেজি প্রতি সাত হাজারেরও বেশি টাকায় এই কাঠ বিক্রি শুরু হয়। ভারতে এই গাছ কাটা আইনত কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তবে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই কাঠ পাচার হয়। পাচার রোধে 'রেড স্যান্ডলার্স অ্যান্টি-স্মাগলিং টাস্ক ফোর্স'ও গঠন করা হয়েছে। 


অন্ধ্রপ্রদেশে প্রাকৃতিকভাবে রক্তচন্দনের দেখা পাওয়া গেলেও বর্তমানে ব্যবসায়িক চাহিদা এবং গাছের অস্তিত্ব সঙ্কটের কথা ভেবে অন্য রাজ্যেও এই গাছের চাষ করার চেষ্টা চলছে। আন্তর্জাতিক স্তরে, চিন, জাপান, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং অস্ট্রেলিয়ায় এই কাঠের বিপুল চাহিদা রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি চাহিদা চিনে। তাই সেই দেশেই সবচে বেশি পাচার হয় রক্ত চন্দন। আসবাব, ঘরসজ্জা এবং বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র তৈরিতে চিনে এই কাঠের চাহিদা খুব বেশি।


পুষ্পা কীভাবে এই কাঠ পাচার করে নিজের সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে তা ই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে  সিমেমার দুই পর্বের গল্পে। ব্যাপক সাড়া সেই সিনেমায়। আর আয়ও রক্ত চন্দনের মতোই সর্বকালের রেকর্ড ভাঙ্গা। মহিমা সেই লাল সোনাই।            

সূত্র... বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...