এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪

ফেইসবুক থেকে নেওয়া গল্প

 ভীড় ছিল ট্রেনে। আমি সীট না পেয়ে দাঁড়িয়ে আছি। ঘড়িতে তখন রাত সাড়ে আটটা। দেখলাম পঁচিশ ছাব্বিশ বছরের একটি ছেলে আমার দিকে অনেকক্ষণ ধরেই তাকিয়ে আছে। প্রায় ছ ফিট লম্বা, দেখতে হিরো টাইপ, হাতে একটা বালা। যখনই ছেলেটির চোখে চোখ পড়ছে,তখনই  দেখছি আমার দিকে দেখছে একদৃষ্টে। ব্যাপারটা বুঝতে না পেরে আমি ঘুরে দাঁড়ালাম, যাতে ও আর না আমার দিকে তাকায়। ব্যাপারটা আমার কাছে বেশ সন্দেহজনক ছিল। অপরিচিত কেউ একজন এভাবে ফলো করছে দেখে ব্যাপারটা ভালো ঠেকল না।


ভীড় বাড়তে লাগল। ভাবলাম ভালোই হল। ছেলেটির গতি প্রকৃতি ভালো লাগছিল না আমার। মনের মধ্যে একটা খটকা তৈরি হলো। ভাবছিলাম কেন তাকাচ্ছিল ও? চোখ দুটো বেশ সন্দিহান। ভীড়টা বেড়ে যেতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে পিছন ফিরে তাকাবার চেষ্টা করতে আর দেখতে পেলাম না ছেলেটিকে।


যাইহোক, আমার এ বিষয়ে এত না ভাবলেও চলে। হয়তো আমার লেখা পড়ে। তাই হয়তো চিনতে পেরেছে। খারাপ চিন্তা ছেড়ে ভালো চিন্তাই করতে শুরু করেছি তখন। মানুষকে খারাপ ভাবা ঠিক নয়। নিজের মত করে অনেক কিছুই ভেবে নিই আমরা, পরে দেখা যায় আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভুল থাকে।

ঠিক এমনটাই  ভাবছি, হঠাৎ আমি তাকিয়ে দেখি ছেলেটি একদম আমার পাশে। আমি বুঝতে পারিনি কখন আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। মুখের দিকে তাকাতেই দেখি, আমাকে আপাদ মস্তক দেখছে। হঠাৎ করেই আমার হাতটা চেপে ধরল, বেশ শক্ত করেই। আমি কিছু বলতে যাব,তার আগেই বলল,


-এড়িয়ে যাচ্ছেন আমাকে?


জিজ্ঞেস করলাম,


-কে আপনি?


-আমাকে আপনি বলছেন? আমাকে কি সত্যিই চিনতে পারলেন না স্যার?


স্যার বলতেই ধাতস্ত হলাম একটু। বললাম,


-চিনতে পারলাম না তো?


-আপনার ক্লাসের সব থেকে খারাপ ছেলেটা। টেনের টেস্ট পরীক্ষার সময় খাতা কেড়ে নিয়েছিলেন বলে আমি বলেছিলাম, আপনাকে দেখে নেব স্যার, সেই  খারাপ ছেলেটাই আমি।  বলতে পারেন ক্লাসের সব থেকে বদ ছেলেটা। জানেন স্যার এখনও মনে পড়লেই খুব লজ্জা লাগে। আজ আপনাকে সামনে দেখে খুব আনন্দ হচ্ছে। 


স্মৃতি হাতড়াতে গিয়ে মনে পড়ল রোগা পাতলা চেহারার তালপাতার সেপাইকে। বললাম,তুই মানে সেই...


-হ্যাঁ স্যার আমি সৌম্য। অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে আছি। আপনি চিনতে পারেন নি বলেই হয়তো বুঝতে পারেন নি। আমি আপনাকে ঠিক চিনতে পেরেছি। দশ বছর আগে আপনাকে দেখেছিলাম। তারপর আজ দেখছি। আপনার লেখা পড়ি। ক্লাসে আপনার পড়া হয়তো শুনতাম না, এখন আপনার লেখা পড়ে মনের শক্তি পাই। পড়াশোনায় তো ভালো ছিলাম না, তাই আপনাকে মেসেজ করতে সাহস পাইনি। বিশ্বাস করুন স্যার স্কুলের সব স্যারকেই মনে আছে। আপনাকেও খুব মিস করি।বলতে বলতেই ভীড়ের মধ্যেই প্রণাম করতে গেলে বুকে টেনে নিই। মনে মনে বলি এত ভালোবাসা, এত সম্মান পায়ে রাখি কী করে? জিজ্ঞেস করলাম,


-করিস কী?


বলল,


-পোস্টিং পাঞ্জাবে। সেনাবাহিনীতে আছি।

আশীর্বাদ করবেন স্যার। জীবনে আপনাদের  অবদান যেন ভুলতে না পারি। একটা আর্জি আছে স্যার, আমাদের মত এই সাধারণ ছেলেদের নিয়ে একদিন  লিখবেন আপনার কলমে।আমি পাঞ্জাব থেকে পড়ব আর আমার সব সহকর্মী বন্ধুদের শোনাব, বলব আমার স্যার লিখেছে। 


চোখটা ভিজে যাচ্ছিল আমার। ট্রেন হাওড়া ঢুকল। নামলাম দুজনেই। ওর সাথে ওর বড় লাগেজ। আবার প্রণাম করতে গেলে, আমি বলি থাক রে। বলল, "স্যার আপনার পা দুটো ছুঁতে দিন অন্তত , এই প্রণামটা আমার সব স্যারদের জন্য। আপনাদের আশীর্বাদ না থাকলে এত দূর আসতে পারতাম? বাবা মায়ের পরেই তো আপনারা।" শিক্ষকতার জীবনে এই গুলোই তো আসল পাওয়া। বললাম, স্যালুট দেশ নায়ক। তোমরাই তো আমাদের রিয়েল হিরো।

(রিপোস্ট)

ঘটনা:৭ নভেম্বর,২০২২


কলমে:সরজিৎ ঘোষ।

ছবি সংগৃহীত।

পৃথিবীর এমনই একটি দেশ যার এক প্রান্তে যখন সন্ধ্যা অন্যপ্রান্তে তখন সকাল,,, জ্ঞান বিজ্ঞান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 " পৃথিবীর এমনই একটি দেশ যার এক প্রান্তে যখন সন্ধ্যা অন্যপ্রান্তে তখন সকাল


"

পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে, পুরো একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা। ফলে এক দেশে সকাল হলে তার বিপরীত পাশের দেশে রাত। কিন্তু যদি ধরুন এমন হয় একই দেশে যদি এমন ঘটনা ঘটে তাহলে কেমন হবে বলুন তো। যখন দেশের একপ্রান্তের মানুষ ঘুম থেকে উঠে সকালের প্রাতরাশ করছেন তখন অন্যপ্রান্তে রাতের খাবার খাচ্ছেন।


শুধু তাই নয় এই দেশের অর্ধেক অংশে যখন দিন হয়, তখন অন্য অর্ধেক অংশে থাকে রাত। এটা পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে সকাল এবং রাত একসঙ্গে থাকে। সময় অনুযায়ী এখানকার একটি অংশে যখন কেউ সকালের চা খাচ্ছেন, আবার অন্য জায়গায় কেউ হয়তো খেতে বসেছেন রাতের খাবার।


শুনলে অবাক হবেন, এই দেশটির অর্ধেক অংশে যখন দিন, তখন অন্য অংশে হয় রাত। তবে সারা বছরই যে এরকম প্রক্রিয়া চলতে থাকে এমন কোন ব্যাপার নেই। এই প্রবণতা থাকে মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত, প্রায় ৭৬ দিন।বলতে পারবেন, কোন সেই দেশ? নামটি শুনলে কিন্তু খানিক অবাকই হবেন। সেই দেশটি হল রাশিয়া। আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশও এই রাশিয়া। রাশিয়ার একটি শহর হল মর্মস্ক। এখানে গ্রীষ্মকাল দীর্ঘস্থায়ী। সেই সময় দিনরাতের অনুভূতি এখানে একেবারে থেমে যায়। সূর্য খুব উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং মানুষ দিন ও রাতের অনুভূতি একেবারে ভুলে যান। রাশিয়ার এই শহরটিতে সূর্য কখনো অস্ত যায় না, সেটি কেবল আকাশজুড়ে ঘুরে চলে।


রাশিয়া বিশ্বের সর্বপ্রথম বৃহত্তম দেশ এবং  শীতলতম দেশ বলে এ দেশে সারাবছর হিমশীতল এবং শৈত্যপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করে থাকে। অতিরিক্ত আর্কটিক বরফাচ্ছন্নের, অতি উচ্চভূমি এবং রুশ প্রকৃতির দ্বারা শৈত্যপ্রবাহ সৃষ্টি হয় এবং প্রায় সারাদিন শৈত্যপ্রবাহ চলতে থাকে। রাশিয়ার সাইবেরিয়া এলাকায় সারাদিন ঠান্ডা ও শৈত্যপ্রবাহ থাকে এবং পশ্চিম-দক্ষিণাংশে গরম থাকে।


From  জ্ঞানওবিজ্ঞান ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


সংগৃহীত পোস্ট 🌹



রিক্সা_আবিষ্কার পঙ্গু স্ত্রীকে শহর দেখানোর ইচ্ছা থেকে রিকশা আবিষ্কার। 👉🏻 রিকশা জাপানে উদ্ভাবিত হলেও সেটির নকশা করেছিলেন জোনাথন স্কোবি বা জোনাথন গোবলে নামের একজন মার্কিন খ্রিস্টান মিশনারী

 #রিক্সা_আবিষ্কার


পঙ্গু স্ত্রীকে শহর দেখানোর ইচ্ছা থেকে রিকশা আবিষ্কার।


👉🏻 রিকশা জাপানে উদ্ভাবিত হলেও সেটির নকশা করেছিলেন জোনাথন স্কোবি বা জোনাথন গোবলে নামের একজন মার্কিন খ্রিস্টান মিশনারী । 

পারকার এফ ক্যালভিনের লেখা জোনাথন গোবলে ইন জাপান বইয়ে এমনটাই দাবি করা হচ্ছে।


👉🏻মি. জোনাথন ধর্ম প্রচারের কাজে জাপানের ইয়োকোহামা শহরে থাকতেন। তার স্ত্রী এলিজা গোবলে হাঁটতে চলতে পারতেন না।

স্ত্রীকে ইয়োকোহামা শহর ঘুরিয়ে দেখাতে মি. স্কোবি ১৮৬৯ সালে দুই চাকার সামনে হাতল বিশিষ্ট বাহনের নকশা আঁকেন এবং কাঠ দিয়ে তৈরি করেন। 

সেই বাহনের নাম তিনি দেন জিনরিকশা। 

যা কালের বিবর্তনে রিকশা নামেই পরিচিতি পায়।


👉🏻 দুই চাকার এই হাতে টানা বাহনটি রিকশার প্রাথমিক সংস্করণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট নিবন্ধন পায়।

তারপর সেটির অনুকরণে জাপানে এই বাহনটি নির্মাণ শুরু হয়। তবে এটি কোন মানুষ পরিবহনে নয় বরং ব্যবহৃত হতো মালপত্র পরিবহনের জন্য।


👉🏻 আবার এমনটাও বলা হয় যে, ১৮৮৮ সালে একজন মার্কিন ব্যাপ্টিস্ট রিকশা আবিষ্কার করেছেন।

উইলিয়াম ই লুইসের থ্রু দ্য হার্টল্যান্ড অন ইউএস বইয়ে বলা হয়েছে, রিকশা আবিষ্কার হয়েছিল ১৮৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের ওরচেস্টারে। সেখানকার এক কামার অ্যালবার্ট টোলম্যান দক্ষিণ আমেরিকান মিশনারীর চলাচলে সুবিধার জন্য রিকশাটি আবিষ্কার করেছিলেন বলে জানা যায়।


👉🏻 আবার বার্লিংটন কাউন্টি হিস্ট্রিকাল সোসাইটির গবেষণায় বলা হয়েছে, মার্কিন গাড়ি নির্মাতা জেমস বার্চের জাদুঘরে এ ধরণের একটি রিকশার মডেল প্রথম প্রদর্শন করতে দেখা যায়। সেটাও ১৮৬৭ সালের দিকে। মি. বার্চ দাবি করেছিলেন, এটি তার ডিজাইন করা বাহন।

সংগৃহীত



 সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১২-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১২-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


পার্বত্য চট্টগ্রামে যোগাযোগ ত্বরান্বিত করতে প্রযুক্তি বিকাশের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করতে চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা ও অব্যাহত বিনিয়োগের আশ্বাস জাপানের ।


ভারতের প্রতি নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে সরকার - মন্তব্য স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার।


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারের চেয়ে নির্বাচনকে বেশী গুরুত্ব দিচ্ছে - সংস্কার তাদের অধীনে করতে চায় ।


শেখ হাসিনাকে পলাতক দেখিয়ে বিচারে বাধা নেই - বলেছেন আইসিটি’র চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক ব্যারিস্টার টবি ক্যাডম্যান।


বাংলাদেশ যখন ইতিবাচক ধারার দিকে এগোচ্ছে তখন ফ্যাসিস্টরা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে - বললেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির।


যুদ্ধ বিধ্বস্ত গাজা ও ওয়েষ্ট ব্যাংকের জন্য চারশ’ ৭ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছে জাতিসংঘ।


আজ সেন্ট কিটসে তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪

ইউরোপের জন্য যা কখনো করবেন না 

 🇪🇺 ইউরোপের জন্য যা কখনো করবেন না 🙏

১. লোন করে বা সুদের উপরে টাকা নিয়ে এডভান্স করবেন না।

২. ভিসা না হওয়া অব্দি কর্ম/চাকরি ছেড়ে দিবেন না ।

৩. এজেন্সি যে সময় দিবে তার থেকে কিছু দিন কম বেশি লাগতে পারে। ধৈর্য না থাকলে ফাইল জমা দিবেন না।

৪. ভিসা পাবার আগে পুরো টাকা দিবেন না। ভিসা না হলে এডভান্স টাকা কি করনীয় তা না জেনে টাকা দিবেন না।

৫. সাগর পথে যাবেন না ।

৬. বাংলাদেশ থেকে গেইম দিয়ে এশিয়ার কোন দেশে গিয়ে ইউরোপ গেইম দিবেন না ।

৭. দ্রুত ভিসা লাগবে বা ভিসা না হলে জীবন শেষ, এমন পরিস্থিতি থাকলে ইউরোপ এপ্লাই করবেন না।

৮. যে দেশ গুলোর ভিসা কঠিন সেই দেশে জন্য আবেদন করবেন না ।

৯. বেশি লোভ করবেন না।

১০. পরিবারের একান্ত আদর-যত্নের মানুষ থাকলে না ভেবে ফাইল জমা করবেন না। ভিসা পাওয়ার আগ পর্যন্ত ইউরোপ যাচ্ছেন বলে এলাকায় বলে বেড়াবেন না।

১১. যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে কাজ-কর্ম করতে প্রস্তুত না থাকলে এপ্লাই করবেন না।

১২. ইউরোপ এসে ২-৪ মাস কাজ না পেলে চলার ব্যবস্থা না থাকলে আসবেন না।

১৩. পরিবার ছেড়ে দুরে থেকে এসে কষ্টের কাজ করার ইচ্ছা না থাকলে আসবেন না।

১৪. পরিবারের দামি সব সম্পদ বিক্রি করে আসবেন না।

১৫. নিজের, পরিবারের বা দেশের ঝুকি হয় এমন কিছু করে ইউরোপ আসবেন না।

১৬. এজেন্ট//এজেন্সি সম্পর্কে ভালো মত না জেনে ফাইল জমা দিবেন না। আর জমা দিলে যেভাবে বলবে মেনে নিবেন, তাদের মত কাজ করতে দিবেন।

১৭. ডিপ্রেশন/ টেনশন/হায়-হোতাশ করলে ইউরোপের জন্য জমা না দিয়ে মিডলইস্টে চলে যাবেন।

১৮. একসাথে একাধিক এজেন্সিতে ফাইল জমা দিবেন না।

১৯. ফাইল জমা দিয়ে ইউরোপ কনফার্ম আসতেছেন এমন কিছু সবাইকে বলবেন না। ভিসা না পেলে বেশি কষ্ট পাবেন।

২০. আপনার এজেন্সিকে সময়-সুযোগ দিয়ে ঠান্ডা মাথায় প্রসেস সম্পন্ন করুন।

©ফেসবুক পোস্ট

গৃহদাহ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু,,, অনার্স তৃতীয় পর্ব

 অনার্স তৃতীয় বর্ষ♥️ 


👉👉গৃহদাহ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু ♥️♥️


গৃহদাহ’ শরৎচন্দ্রের এক অমর সৃষ্টি। এ উপন্যাস আবহমান বাংলার প্রণয় সঙ্কটে ভুগতে থাকা তিনজন নর-নারীর ত্রিভুজ প্রেমের আখ্যান। ‘গৃহদাহ’ উপন্যাসে শরৎচন্দ্র সমসাময়িক বাঙালির আত্মিক বৈশিষ্ট্য, পারিপার্শ্বিক অবস্থা, ব্যক্তিমানসের পারস্পরিক সম্পর্ক, তাদের প্রেম-পরিণয়, বিশ্বাসকে তুলে ধরতে চেয়েছেন। সমাজ-সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় ন্যায়-নীতি যে কীভাবে সম্পূর্ণরূপে এ সমাজের হাতে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে, তা এ উপন্যাসের মূল উপজীব্য।


এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মূলত অচলা। তাকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান দুটি চরিত্র- মহিম এবং সুরেশ। পুরো কাহিনী বর্ণিত হয়েছে অচলার মনোজাগতিক সিদ্ধান্তহীনতাকে কেন্দ্র করে। অচলার চিত্তজাগতিক দোলাচলবৃত্তি ও সিদ্ধান্তহীনতা নষ্ট করেছে তার মনোভারসাম্য, দগ্ধ করেছে তার অন্তরালয়। অচলা আসলে কাকে চায়? মহিম, নাকি সুরেশ? এই অন্তর্দ্বন্দ্ব কেন্দ্রিক অচলার চারিত্রিক সিদ্ধান্তহীনতার সমাপ্তি পাঠক কখনোই খুঁজে পাবেন না। মাঝখানে পাবেন অচলা চরিত্রের প্রতি দগ্ধ-বিদগ্ধ ক্ষোভ-হতাশা আর ভারসাম্যহীনতা।


ভালোবেসে মহিমকে বিয়ে করে অচলা সুখী হতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি। শহুরে আধুনিকা অচলা গ্রামীণ পরিবেশে তার ভালোবাসার মহিমকে খুঁজে পায়নি। এ সুযোগে তার সাক্ষাৎ হয়েছে মহিমেরই ধনাঢ্য বন্ধু সুরেশের সঙ্গে। সেখান থেকেই মহিম-অচলার প্রেমত্রিভুজের আরেক কোণে যুক্ত হয় সুরেশ। অষ্টাদশ পরিচ্ছেদে সুরেশের কাছে অচলার সংলাপে ধরা পড়েছে সিদ্ধান্তহীনতাজাত তার এই চিত্তদাহ,

“সুরেশবাবু, আমাকে তোমরা নিয়ে যাও- যাকে ভালোবাসিনে, তার ঘর করবার জন্যে আমাকে তোমরা ফেলে রেখে দিয়ো না।”

সমগ্র উপন্যাস জুড়ে শরৎচন্দ্র পাঠককে চরম উৎকণ্ঠা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং ভারসাম্যহীন অবস্থানে রেখেছেন। স্বামী মহিমের প্রতি যে অচলার সম্মান বিদ্যমান রয়েছে, তার প্রমাণ উপন্যাসের বিভিন্ন অংশ থেকে জানা যায়। কিন্তু একইসাথে প্রাণচঞ্চল সুরেশের জন্য তার হৃদয়ের প্রধান অংশ থেকেছে সদা তৃষিত। দোলাচলে থাকা অচলার ব্যক্তিক সঙ্কট সুরেশ-মহিমের দ্বৈরথ আকর্ষণে নিজেকে উদ্ধারের চেষ্টা করে।

অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে হাওয়াবদলে যাওয়ার সময়ে অচলা আহ্বান জানায় সুরেশকে, তা কি কেবল ভদ্রতাসুলভ? এ সিদ্ধান্ত পাঠকই নিতে পারবেন। সুরেশের প্রতি অচলা আকাঙ্ক্ষা পোষণ করত, তা স্পষ্ট হয়েছে এখানে। ট্রেনে অপরিচিত মেয়েটিকে কেনই বা অচলা স্বামী হিসেবে সুরেশকে পরিচয় করিয়ে দিল? পাঠকের একসময় মনে হবে, হয়তো চাইলেই অচলা এই দোলাচল অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে পারত। কিন্তু, আসেনি।

অচলা পরিবেশের প্রবাহে নিজেকে ভাসিয়ে দিয়েছে। সুরেশের কাছে স্বেচ্ছায় ধরা দিয়েছে। শেষতক অচলা আবার স্বামী মহিমের কাছেই তার শেষ আশ্রয়ের সন্ধান করেছে। অচলার নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের ঘটনা দিয়ে শরৎচন্দ্র প্রকৃতপক্ষে দাম্পত্য জীবনের পবিত্রতার প্রতিই ইঙ্গিত করেছেন।

উপন্যাসের অন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো মৃণালিনী এবং কেদারবাবু। উপন্যাসের পটপরিবর্তনে এদের ভূমিকা অনেক বেশি। যদিও খুব কম জায়গায় তাদের কথা উঠে এসেছে।

অচলাকে কেন্দ্র করে বৃত্তের চারপাশে ঘুরতে থাকা মহিম এবং সুরেশ চারিত্রিক দিক দিয়ে দুই মেরুর দুই বাসিন্দা। একদিকে চটপটে এবং উৎফুল্ল সুরেশ, যার কাছে ভালোবাসা অর্থ হলো হৃদয়ের চেয়ে শরীর বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে মহিম। পুরোটা গল্প জুড়ে সে ছিল নির্লিপ্ত। তাই তো মৃণালিনী বারবারই সন্দেহ করে বসেছেন, মহিমের আসলেই মন আছে কি না। নির্লিপ্ত মহিমের মধ্যে শরৎচন্দ্র ফুটিয়ে তুলেছেন নিম্নবিত্ত এবং নিরুপায় এক শিক্ষিত যুবকের স্ত্রীর প্রতি অসহায় ভালোবাসা। এক্ষেত্রে বলতে হয় উপন্যাসের নায়ক মূলত মহিম।

সামগ্রিক উপন্যাসের পর্যালোচনা থেকে বোঝা যায়, বাঙালি নারীর চরিত্র উদঘাটন করাই ছিল শরৎচন্দ্রের মূল উদ্দেশ্য। মহিম এবং সুরেশের প্রণয়ের দোলাচলে ভুগতে থাকা অচলাকে দিয়ে শরৎচন্দ্র বাঙালি সমাজের এক সামাজিক ব্যাধি তুলে এনেছেন। এটা করেছেন প্রথাগত সমাজকে রক্ষা করার তাগিদে, কেননা বঙ্কিমের মতো শরৎচন্দ্রও সামাজিক দায়বদ্ধতার বেড়াজাল মাড়াতে পারেননি। তাই অচলা-সুরেশ পরকীয়া প্রণয়ের পরিণতি বিচ্ছেদে; মিলনে নয়। ক্ষণে ক্ষণে পাল্টানো উপন্যাসের বৈপরীত্য বেশ চমকপ্রদ। সুরেশের মৃত্যুর পর পরকীয়ায় ভুগতে থাকা অচলা কতটা অসহায় এবং নিরুপায় হয়ে পড়ে, পাঠককে তা ভাবতে শেখাবে। শরৎচন্দ্রের ভাষায়, দোলাচলে অচলাদের আঁচলেই নির্মিত হয় সংসারের গৃহদাহ।

শরৎচন্দ্রের এ উপন্যাসের গতিপথ গতানুগতিক ধারায় চলেনি। লেখক এখানে ভিন্নমাত্রার ভাবনার ছায়া ফেলেছে। কলম চালিয়েছেন বাঙালি সমাজের এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক বিক্রিয়া নিয়ে। যুগে যুগে পাঠক গৃহদাহ পড়ে বিদগ্ধ হয়েছেন, জ্বলেছেন অন্তর্জ্বালায়। বৈদগ্ধ্যের চূড়ান্ত মুহূর্তে বই বন্ধ করে আকাশপানে চেয়ে কেউ কেউ হয়তো বলেছেন, “কেন এমন হলো?'” পাঠকের এই মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন শরৎচন্দ্রের লেখনীর সফলতারই জানান দিয়েছে।


(আলমাজ আলিফ)


বিয়ার পর কী হয় জানিস?,,,, বিয়ের গল্প ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 'বিয়ার পর কী হয় জানিস? শীত বাড়লে জামাইর আ*দর আরও বেশি বাইড়া যায়। ডেইলি গো"সল ফরজ কইরা ছাড়বো, তখন কী করবি? তখন তো ভোরে এই ঠান্ডা পানি দিয়াই তোর গোসল করা লাগবো, লাগবো না?'


লিপি কাঁথার ভেতর থেকে মুখ বের করে দাঁত কটমট করে তাকিয়ে নিয়ে বলে,


- 'ভাবি এই সাত-সকালে আমার গোসল নিয়া পড়লা কেন? যখন ফরজ হইব তখন আমি আমারটা দেখবো। এখন তোমার নিজের ফরজ আদায় করো গিয়া।'


- 'আমার আজকে ফরজ হয়নি।'


- 'কেন আজকে তো অনেক শীত।'


ভাবি ফিক করে হেঁসে লিপির কাঁথা টান দিয়ে সরিয়ে বললেন,


- 'আইজ আমি টাইট হইয়া রইছিলাম। এগুলো তোর জানা লাগবো না। তাড়াতাড়ি গিয়া গোসল কর।'


- 'কিন্তু কেন?'


- 'এহ এমন ভাব দেখাইতেছিস যেন কিচ্ছু জানিস না।'


লিপি বিছানায় উঠে বসে হাই তুলে গা মোড়া দিয়ে বললো,


- 'আমি আসলেই কিচ্ছু জানি না ভাবি।'


- 'কেন তোর বিয়ার আলাপ আইছে জানিস না?'


- 'তা তো জানি, কিন্তু এই ভোরবেলায় কী হইছে?'


- 'জামাই দেখতে আইব। তোর জামাই তো আবার মাস্টারমশাই। তাই স্কুলে যাওয়ার আগে এদিকে তোরে দেইখা যাইব।'


- 'আশ্চর্য বিয়ের আগেই এতো আমার জামাই জামাই করছো কেন ভাবি? আর এই লোক এতো অদ্ভুত কেন? কনে দেখতে আসবে, এটার জন্যও ছুটি নেয়া যায় না? এই ভোরবেলাই আসতে হইব। বুঝলাম না, এতো গুরুত্ব কম!' 


- 'বিকালে স্কুল ছুটির পর না-কি টিউশনি করায়। তাই সকালেই তোরে দেইখা বিয়ার ডেট ফেইলা যাইব।'


- 'এতো তাড়াহুড়া কেন?'


- 'এসব তোর বুঝা লাগবো না। তোর মা-মামী বলে দিছেন তাড়াতাড়ি গোসল করাইয়া রেডি করে দিতে।'


লিপি বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ায়। দেরি করলে মামী এসে গালাগাল শুরু করতে পারেন। এবাড়িতে এখন তার একমাত্র আপনজন এই লুবনা ভাবি। মামাতো ভাই সুজনের বউ। বিয়ে হয়েছে তাদের বছর চারেক আগে। একটা পুত্র সন্তান আছে। লিপির বিয়ে নিয়ে এখন তারা সকলেই বেশ চিন্তিত। মামা-মামীর মাথা খারাপ হবার জোগাড়। প্রতিটি বিয়ের আলাপ তাকে দেখা পর্যন্তই আগায়। দেখে আর এমুখো হয় না। সে দেখতে কি খারাপ? লিপি প্রায়ই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে ভালো করে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে, ভালোই লাগে। একটা গোলগাল মুখ। মাঝে মাঝে শ্যামলা লাগে, আবার প্রায়ই মনে হয় ফরসা। গালে অল্প কিছু ব্রণের দাগ আছে৷ লুবনা ভাবির কাছে এর চিকিৎসা একটাই। বিয়ে। বিয়ের পর বরের চু*মু খেলে না-কি এসব ব্রণ-ফ্রন আর থাকবে না৷ কথাটা বলেই উনি ফিক করে হাসেন। লিপি তখন কৃত্রিম রাগ দেখিয়ে দাঁত কটমট করে তাকায়। কখনও পিঠে কয়েকটা কিল-ঘুসি বসিয়ে দেয়। 


লুবনা ভাবির কথা অনুযায়ী লিপি ভীষণ সুন্দরী। যে ছেলে পাবে তার জীবন ধন্য। কিন্তু ওই ধন্য মানুষটিকে ওর মামা-মামী হন্যে হয়ে খুঁজেও পাচ্ছেন না৷ বহু আলাপ আনা হয়। তাকে দেখে ফেলে চলে যায়। ডি*ভোর্সি মায়ের নানাবাড়িতে বড়ো হওয়া মেয়ে। এমন জীবনবৃত্তান্ত বিয়ের জন্য মোটেও সুখকর নয়৷ এছাড়াও আরেকটা সমস্যা আছে লিপির। ওর ডান পা জ'ন্মগত একটু বাঁ'কা। এবিষয়ে লিপি স্কুলে এক স্যারের থেকে জেনেছিল এটাকে বলে ‘ক্লা'ব ফুট’। পায়ের পাতা গোড়ালির অস্থিসন্ধির হাড়ের অবস্থাগত তারতম্যের জন্য ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে থাকে, যার কারণে পা গলফ খেলার স্টিকের মতো দেখায়। তাই এর নামকরণ হয়েছে ক্লা'ব ফু'ট। হাঁটলে খুবই বিশ্রী লাগে। কিন্তু লিপির এই সমস্যা এতোটাও তীব্র নয়। গোড়ালিও এতো বাঁ'কা না। ব্যথাও করে না৷ কেবল হাঁটার সময় দেখতে ভীষণ বিশ্রী লাগে।


লিপি উঠে রান্নাঘরে গিয়ে বাশে বাঁধা বোতল থেকে বাঁ হাতের তালুতে দাঁত মাজার ছাঁই নেয়। লুবনা সাবান আর বালতি সহ সবকিছু নিয়ে এসে বললো,


- 'মাস্টারমশাইকে আড়াল থাইকা অগ্রীম ধন্যবাদ।'


লিপি দাঁতে আঙুল চালানো থামিয়ে ভ্রু কুঁচকে বললো,


- 'কেন?'


- 'আরে আজকে শনিবার না? আজকে তো বিকালে ছবি আছে। যদি মাস্টারমশাই বিকালে আইতেন তাইলে তো আমার ছবি দেখাই মাটি হইয়া যাইত।'


লিপি ফিক করে হেঁসে ফেললো।


- 'তুমি এতো ছবির পাগল ভাবি।'


লুবনা আসলেই ছবির পাগল৷ এক সপ্তাহ হলো একটা ছোট্ট টিভি এনে দিয়েছে সুজন। বউ পাশের বাড়ি প্রতি শুক্রবার-শনিবারে বিটিভিতে ছবি দেখতে চলে যাবে সেটা ভালো লাগে না তার। একটা টিভি এনে দিয়েছে, এটাই লুবনার কাছে কয়েকদিন থেকে সবচেয়ে বড়ো ঘটনা। 


দু'জন রান্নাঘরের পেছনের দরজা খুলে চাপাকলে চলে এলো। কলতলা পাকা করা। চারটি খুঁটি গেঁড়ে কাপড় দিয়ে গোসল করার জন্য আড়াল করেও দিয়েছে সুজন। 


লুবনা কলে চাপা দিয়ে বালতিতে পানি ভরছে। 


- 'আজকে শাড়ি পরাব তোকে। তোর ভাই আমার লাগি সাজগোজের সব আনছে৷ তোকে সাজাইয়া দিব।'


লিপি আঁজলা ভরে পানি নিয়ে কুলি করে বললো, 


- 'তুমি আমারে শাড়ি পরাইয়া সাজানোর জন্য পাগল কেন? ওইদিন গরমের মাঝে এমন করছো।'


লুবনা ফিক করে হেঁসে ফেললো। 


- 'বস গোসল করাইয়া দেই।'


- 'কেন আমি কি বাচ্চা। তোমার করাইয়া দেয়া লাগবে না। যাও, মেহমান আসলে তো নাশতা-টাশতা বানাতে হবে তোমার।'


লুবনা ওকে টেনে বসাতে বসাতে বললো,


- 'আজকে আমার রান্নাঘর থেকে ছুটি দিছে আম্মা। উনি সব করবে। আমার কাজ সইরে সুন্দর কইরা সাজাইয়া-গুছাইয়া ওর জামাইর সামনে নিয়া যাওয়া।'


লিপি ওর শাড়ির ফাঁকের নগ্ন পে*টে চি*মটি দিয়ে বললো,


- 'এতো জামাইর জামাই করছো যখন তুমি নিজেই বিয়ে বইসা যাও।'


- 'তাইলে আমার ইমতিয়াজের বাপের কি হইব?'


- 'কি আর হইব। দুই বউ যেরকম রাখে। তুমি দুই জামাই রাখবে। পারবা না?'


দু'জন পুনরায় খিলখিল করে হেঁসে উঠলো।

তখনই রান্নাঘর থেকে আলেয়া খাতুনের গলা শোনা গেল। 


- 'কিরে, তোরা এতো খিলখিল করতাছিস কেন। তাড়াতাড়ি গোসল কইরা রেডি হও।'


লুবনা জিভে কা*মড় দিয়ে বললো,


- 'হ আম্মা শেষ।' 


তারপর লিপির দিকে দাঁত কটমট করে ফিসফিসিয়ে বললো,


- 'মা'গী আমাকে বকা শোনাবি না-কি, তাড়াতাড়ি কর।'


আবার রান্নাঘর থেকে আলেয়া খাতুন বললেন,


- 'এইখানে খিলখিল করতাছো, ইমতিয়াজ কোথায় খবর আছেনি?'


- 'হ আম্মা, ওর বাপের লগে গেছে মাঠে গরু দিতে।'


- 'সুজনের আক্কেল কবে অইব। এইটুকু ছেলেরে নিয়া মাঠে যাইবে কেন? এতো পুতুপুতু করলে বাচ্চারা মানুষ হয় না, বুঝলা।'


লুবনা ফিসফিস করে বললো,


- 'হ সুজইন্নারে এরকম পুতুপুতু করে মনে অয় ন*ষ্ট করছেন।'


লিপি ফিক করে হেঁসে বললো,


- 'ভাইয়া নষ্ট? দাঁড়াও আসলে বইলা দিমু।'


- 'তো ন*ষ্ট না? এই শীতের মাঝে...।'


লিপি মুখ চেপে ধরল.... 

পরের পার্ট পেতে লাইক দিয়ে সাথে থাকো

টমেটো ও মরিচ চাষের জন্য স্প্রে সিডিউল

 টমেটো ও মরিচ চাষের জন্য স্প্রে সিডিউল


🔶প্রথম স্প্রেঃ চারা রোপনের ১০-১২ দিন বয়স হতে শুরু করতে পারেন। 



ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

এডমায়ার ২০০এসএল/

ইমিটাফ ২০এসএল/

টিডো ২০এসএল/

গেইন ২০ এসএল/

এডক্লোপ ২০ এসএল/

টিডো প্লাস ৭০ ডাব্লিউ জি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৬ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন সাথে


অটোস্টিন৫০ডাব্লিউপি/ 

নোইন৫০ডাব্লিউপি /

ক্যালিবার৫০ডাব্লিউপি /

এমকোজিম৫০ডাব্লিউপি /

টার্বো৫০ডাব্লিউপি /

সিডাজিম৫০ডাব্লিউপি/

ফরাস্টিন৫০ডাব্লিউপি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶দ্বিতীয়_স্প্রেঃ

স্পাইরোটেট্রামেট গ্রুপের কীটনাশক 

মোভেন্টো ১৫০ ওডি

একটিক ২৪ এসসি

ব্রিনকা ২৫ এসসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


অথবা 

🔸স্প্রাইরোমেসিফেন গ্রুপের কীটনাশক 

🔸ওবেরন ২৪ এসসি

ভিস্তার ২৪ এসসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

সাথে 

🔸ম্যানকোজেব গ্রুপের যে কোন একটি ছত্রাকনাশক যেমন-

এগ্রিজেব ৮০ডব্লিউ পি

জ্যাজ ৮০ ডব্লিউ পি/

নেমিসপোর ৮০ ডব্লিউ পি/

পেনকোজেব ৮০ ডব্লিউ পি/

ইমপালা ৭০ ডব্লিউ জি/ যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে সকালে অথবা বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶তৃতীয়_স্প্রেঃ

এসিফেট গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

এসাটাফ৭৫ এসপি/

ফরচুনেট ৭৫ এসপি/

কুইনফেট ৭৫ এসপি/

পিলারফেট ৭৫ এসপি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

সাথে 

🔸কপার_হাইড্রোঅক্সাইড গ্রুপের বালাইনাশক 

জিবাল ৭৭ ডাব্লিউ পি 

চাম্পিয়ন ৭৭ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 


🔶চর্তুথ_স্প্রে 

(এবামেকটিন২%+ইমিডাক্লোপ্রিড ৩৬%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

লাহিব ৩৮ ডাব্লিউ ডিজি /

ফ্লের ৩৮ ডাব্লিউ ডিজি /

এবামিড ৩৮ ডাব্লিউ ডিজি/

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.১৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

অথবা

ইমিডাক্লোপ্রিড৬০+অ্যাসিটামিপ্রিড১০%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

ফেম ৭০ ডাব্লিউ ডিজি 

নীলিমা ৭০ ডাব্লিউ ডিজি 

গ্লোরী ২০ এসপি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে  ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

সাথে 


প্রপিকোনাজল গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

টিল্ট ২৫০ ইসি

প্রোটাফ ২৫০ ইসি

প্রাউড ২৫ ইসি

সাদিদ ২৫ ইসি

মিমগোল্ড ২৫ ইসি

প্রোটেন্ট ২৫ ইসি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 


🔶পঞ্চম_স্প্রেঃ

(পাইমেট্রোজিন৬০%+নাইটেনপাইরাম২০%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

সাবা ৮০ ডাব্লিজি/

স্পেলেন্ডর ৮০ডব্লিউজি/

পাইরাজিন ৭০ডব্লিউজি/

নাইজিন ৮০ ডব্লিউজি/

শিখা ৮০ ডব্লিউজি /

পাইমেট্রিকস ৮০ ডব্লিউজি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

সাথে 


(এজোক্সিস্ট্রবিন+সিপ্রোকোনাজল) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

কারিশমা ২৮ এসসি

তারেদ ২৮ এসসি

টিফঅফ ২৮ এসসি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶ষষ্ঠ_স্প্রেঃ

প্রোপাজাইট গ্রুপের বালাইনাশক যেমন-

ওমাইট ৫৭ ইসি

সুমাইট ৫৭ ইসি

ইমিমাইট ৫৭ ইসি

হানা ৪০ ইসি

জিরো মাইট ৪০ ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।  

সাথে 


🔸ম্যানকোজেব৬৩%+কার্বেন্ডাজিম ১২%) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

ম্যানসার ৭৫ ডাব্লিউপি/

গোল্ড হোপ ৭৫ডাব্লিউপি

যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।


🔶সপ্তম_স্প্রেঃ

(এবামেকটি১%+ বেটা সাইপামেথ্রিন২%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

এমিথ্রিন প্লাস ৩ ডাব্লিউ ডিজি 

ফসথ্রিন ৩ ডাব্লিউ ডিজি 

একামাইট প্লাস ৩ ডাব্লিউ ডিজি 

বিন্টা ৩ ডাব্লিউ ডিজি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


সাথে 

(টেবুকোনাজল৫০%+ট্রাইফ্লক্সিস্ট্রবিন২৫%) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

নারিভো ৭৫ ডাব্লিউ পি 

প্রোপেল৭৫ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 


🔶অষ্টম_স্প্রেঃ

এসিফেট+ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

অটোমিডা ৭০ ডাব্লিউ ডিজি /

কারেন্ট ৭০ ডাব্লিউপি

এসিমিডা ৫১.৮ এসপি

ঝটপট ৫১.৮ এসপি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


অথবা

(সাইপারমেথ্রিন১০%+ইমিডাক্লোপ্রিড১০%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

🔸পেসকিল গোল্ড ২০ইসি 

প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। সাথে 


(কাসুগামাইসিন৪%+কার্বেন্ডাজিম৫০%) গ্রুপের ছত্রাকনাশক 

সানপুমা ৫৪ ডব্লিউপি

নেকসুমিন ৫৪ ডাব্লিউ পি

কাসুকার ৫৪ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶নবম_স্প্রেঃ

এবামেকটি গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

ভার্টিমেক ১.৮ ইসি

টক্সিমাইট১.৮ ইসি

লাকাদ১.৮ ইসি

এবম১.৮ ইসি

সানমেকটিন ১.৮ ইসি

একামাইট ১.৮ ইসি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫০ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

সাথে 


(স্ট্রেপ্টোমাইসিন সালফেট৯%+ট্রেট্টাসাইক্লিন হাইড্রোক্লোরাইড১%) গ্রুপের বালাইনাশক যেমন

এন্টিব্যাক ১০ এসপি

ডাইব্যাকটেরিয়া ১০ এসপি

প্লান্টোমাইসিন ১০ এসসি

ক্রিষ্টোমাইসিন ১০ এসসি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

অথবা

টিমসেন/০.৫ গ্রাম /লিটারে

বাহা ৭২ এসপি ০.২ গ্রাম /লিটারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶দশম_স্প্রেঃ

(পাইরিপ্রক্সিফেন ৫%+ফেনপ্রোপ্যাথ্রিন১৫%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন- 

জামির ২০ ইসি

ইউটার্ন২০ ইসি

খল্লাশ২০ ইসি

সুমোপ্রিম্প্ট২০ ইসি

ফেনভেট প্লাস২০ ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


অথবা

🔸ইথিওন গ্রুপের কীটনাশক 

সেথিওন৪৬.৫ ইসি

পিথিওন৪৬.৫ ইসি

ইথিওন৪৬.৫ ইসি

ইথিওসাল ৪৬.৫ ইসি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 

সাথে 


🔸বিসমাথিওজল গ্রুপের বালাইনাশক যেমন-

ব্যাকট্রোবান ২০ ডাব্লিউ পি 

ব্যাকট্রল২০ ডাব্লিউ পি 

অটোব্যাক ২০ ডাব্লিউ পি 

থায়াজল ২০ ডাব্লিউ পি 

রাদি ২০ ডাব্লিউ পি 

বিসমাজল২০ ডাব্লিউ পি 

কিমিয়া ২১.৫ ডাব্লিউ পি 

সানস্কোর ২১.৫ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।  অথবা 


🔶একাদশ_স্প্রেঃ

🔸সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক 

রিপকর্ড ১০ ইসি/

রেলোথ্রিন ১০ ইসি/

কট ১০ ইসি/

পেসকিল ১০ ইসি/

মিমসাইপার ১০ ইসি/

জেনেথ্রিন ১০ ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। সাথে 

     

(ডাইমেথোমর্ফ ৯%+মেনকোজেব ৬০%) গ্রুপের ছত্রাকনাশক 


একরোবেট এম জেড ৬৯ ডাব্লিউ পি/

হাছিন ৬৯ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ৪ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

অথবা


🔶দ্বাদশ_স্প্রেঃ

ক্লোরফেনাপির গ্রুপের কীটনাশক 

ইন্ট্রাপ্রিড ১০ এসসি 

ডাইমেনশন ১২ এসসি

ফেনজেট ৫০ এসসি

পিউনি ২০ ডাব্লিউ ডিজি 

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


অথবা

(বেটাসাইফ্লুথ্রিন+ইমিডাক্লোপ্রিড) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

সলোমন ৩০ ওডি

ফলমন ৯ ওসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


সাথে 

(এজোক্সিস্ট্রবিন২০%+ডাইফেনাকোনাজল১২.৫%) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

এমিস্টার টপ ৩২.৫ এসসি

এমিস্কোর৩২.৫ এসসি

রাই৩২.৫ এসসি

অক্সিফেন৩২.৫ এসসি

সানজক্সি৩২.৫ এসসি

মেমোরি প্লাস ৩২.৫ এসসি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶ত্রয়োদশ_স্প্রেঃ

অ্যাসিটামিপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক 

প্লাটিনাম২০ এসপি/

তুন্দ্রা ২০ এসপি/

নাইজ ২০ এসপি/

বিসমার্ক প্লাস ২০ এসপি/

মানিক ২০ এসপি/

চন্দ্রা ২০ এসপি/

জাফ ২০ এসপি/

সালভো ২০ এসপি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। সাথে 


(প্রপিকোনাজল+ডাইফেনোকোনাজল) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন- 

এক্সট্রা কেয়ার ৩০০ ইসি

পার্ক ৩০০ ইসি

ডিফার ৩০০ ইসি

ক্রুপসেপ ৩০০ ইসি

কম্বি-২ ৩০ ইসি

প্রোডিফেন ৩০ ইসি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


🔶চর্তুদশ_স্প্রেঃ

ডায়াফেনথিউরন গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

পেগাসাস ৫০ এসসি

পেনাল ৫০ এসসি

পোলাক ৫০ এসসি

ডায়ারন ৫০ এসসি প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।  সাথে 


কার্বেন্ডাজিম+ইপ্রোডিয়ন গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

শেলটার ৫২.৫ ডাব্লিউ পি 

হামা ৫২.৫ ডাব্লিউ পি 

ব্রিপ্রোডাজিম ৫২.৫ ডাব্লিউপি 

হাইপ্রোজিম ৫০ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।


🔶পঞ্চদশঃ

বাইফেথ্রিন৫%+পাইরিডাবান১০%+থায়াডির্কাব৫০% গ্রুপের কীটনাশক যেমন

এইম গোল্ড ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি 

নিড শর্ট ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি 

ওয়ান স্টপ ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি 

এডাম প্লাস ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি 

টেক শর্ট ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি 

হিট শট ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.২৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

সাথে 

🔷কপার_অক্সিক্লোরাইড গ্রুপের বালাইনাশক 

সানভিট ৫০ ডাব্লিউ পি 

ব্লিটক্স ৫০ ডাব্লিউ পি 

সালকক্স ৫০ ডাব্লিউ পি 

কপার ব্লু ৫০ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন


👉বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ

চারা রোপনের দুই থেকে তিন সপ্তাহ পরে থেকে ৭-১০ দিন পরপর স্প্রে করতে পারেন। 


👉মনে রাখবেন আপনার গাছের গ্রোথ রোগবালা ও পোকামাকড় দমনে স্প্রে প্রয়োজন অনুযায়ী করতে হবে। এখানে একটি সম্পূর্ণ পরিপূর্ণ সিডিউল দেখানো হয়েছে। সব স্প্রে করা লাগবে এমনটা নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে। 


👉কৃষি বিষয়ে তথ্য পরামর্শের জন্য নিকটস্থ উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।

মিলিবাগ পোকা দমনে করণীয় কী?

 মিলিবাগ পোকা দমনে করণীয় কী?



🦗পোকা চেনার উপায় : চুনের মত সাদা বর্ণের এবং মোম জাতীয় পাউডার দ্বারা নরম দেহ আবৃত থাকে।


ক্ষতির ধরণ : এরা কচি ফল, পাতা ও ডালের রস চুষে নেয়, ফলে গাছ দুর্বল হয়। পোকার আক্রমণে পাতা, ফল ও ডালে সাদা সাদা তুলার মত দেখা যায়। অনেক সময় পিঁপড়া দেখা যায়।এর আক্রমণে পাতা ঝরে যেতে থাকে এবং ডাল মরে যায়।এভাবে এক সময় পুরো গাছই মরে যায়।


💠💠ব্যবস্থাপনা :


আক্রান্ত গাছ টি, প্রথমেই অন্যান্য গাছ থেকে অনেক দূরে সরিয়ে ফেলতে হবে।


আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ইমিটাফ বা, এডমায়ার বা, টিডো বা, নাইট্রো ) 

১ লিটার পানিতে ২ মিলি কীটনাশক মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে আক্রান্ত স্থানে। 


ওষুধ স্প্রে করার সঠিক সময়: বিকাল/সন্ধ্যা বেলায়। 

(রোদের ভেতরে কখনো কীটনাশক স্প্রে করা যাবে না।এতে পাতা বার্ন হয়ে যাবে।) 


যে ডাল গুলো বেশি মিলিবাগ আক্রান্ত সেই ডাল গুলো গাছ থেকে কেটে ফেলে দিতে হবে।


🔶🔶পূর্ব-প্রস্তুতি :


নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।গাছের ডাল গুলো রেগুলার চেক করুন।সাদা সাদা মতো কিছু দেখলে সেগুলো পরিষ্কার করে ফেলুন।

প্রতি ১০ / ১৫ দিন পর পর নিম তেল স্প্রে করুন সব গাছে।


💠💠মিলিবাগ দমনে ঘরোয়া উপায়:


সাবানযুক্ত পানি স্প্রে করা যায় (ডিটারজেন্ট বা লিকুইড ভিম বা স্যাম্পু মেশানো পানি বেশি ভালো হয়)

অথবা আধাভাঙ্গা নিমবীজের পানি (১ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম নিমবীজ ভেঙ্গে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ছেঁকে নিতে হবে) আক্রান্ত গাছে ১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করলে পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

এছাড়াও তামাকের গুড়া (১০গ্রাম), সাবানের গুঁড়া (৫গ্রাম) ও নিমের পাতার রস  প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। 

আক্রান্ত অংশ পোকাসহ তুলে ধ্বংস করতে হবে।


খুব জোরে পানি স্প্রে করেও প্রাথমিক অবস্থায় এ পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


💠💠দমন ব্যবস্থাপনা 

১.  বাগানে জন্মানো আগাছা ও অন্যান্য পোষক উদ্ভিদ তুলে বাগান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।


 ২. গ্রীষ্মকালে (বিশেষত সেপ্টেম্বর-অক্টেবর মাসে)  বাগান ভালো করে চাষ দিতে হবে বা পূর্ববর্তী বছরে আক্রান্ত গাছসমূহের গোড়ার মাটি কোদাল দিয়ে আলগা ও এপিঠ-ওপিঠ করে দিতে হবে যাতে মাটির নিচে থাকা ডিম উপরে উঠে আসে এবং পাখি ও অন্যান্য শিকারী পোকার কাছে তা উন্মুক্ত হয়, তাছাড়া রোদে পোকার ডিম নষ্ট হয়ে যায়। 


৩. যেহেতু নিম্ফগুলো গাছ বেয়ে ওপরে উঠে তাই নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ হতেই গাছের গোড়ায় মাটি থেকে ১ মিটার উঁচুতে ৮-১০ ইঞ্চি চওড়া প্লাস্টিকের পিচ্ছিল  ব্যান্ড গাছের চতুর্দিকে আবৃত করে দিলে এরা বার বার ওঠার ব্যর্থ চেষ্টা করে পরিশ্রান্ত হয়ে মারা যায়। অনেক সময় প্লাস্টিকের পিচ্ছিল ব্যান্ডের নিচের অংশে নিম্ফগুলো জমা হয়। এ অবস্থায় এদের সহজেই পিটিয়ে বা একসাথে করে আগুনে পুড়িয়ে মারা সম্ভব অথবা জমাকৃত পোকার উপর কীটনাশক ¯েপ্র করে দমন করা যায়। এসময় নিম্ফগুলোকে গাছে উঠা হতে নিবৃত করতে পারলে এ পোকার আক্রমণ পুরোপুরিভাবে দমন করা সম্ভব। 


৪. যদি কোনো কারণে নিম্ফগুলো গাছ বেয়ে উপরে উঠে যায় তবে শুধুমাত্র গাছের আক্রান্ত অংশে (Spot application) সংস্পর্শ ও পাকস্থলী (Contact and stomach) কীটনাশক বিধি মোতাবেক প্রয়োগ করা প্রয়োজন। তবে প্রাথমিকভাবে অল্প কিছু পরিমাণ নিম্ফ গাছ বেয়ে উপরে উঠে গেলে কেবলমাত্র গুঁড়া সাবান মিশ্রিত পানি (প্রতি লিটার পানিতে ৫ গ্রাম হারে) স্প্রে করে এ পোকার আক্রমণ রোধ করা সম্ভব। 


তবে ব্যাপকভাবে আক্রমণের ক্ষেত্রে কীটনাশক প্রয়োগের বিকল্প নেই। যেহেতু এ পোকাটির বহিরাবরণ ওয়াক্সি পাউডার জাতীয় পদার্থ দিয়ে সুরক্ষিত থাকে সেহেতু পরীক্ষিত কীটনাশক ছাড়া এটি দমন করা দুরূহ।  এ ক্ষেত্রে প্রথমে ক্লোরপাইরিফস (ডারসবান ২০ ইসি বা এ জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ মিলি. হারে) এবং তার ৩-৪ দিন পর কার্বারাইল (সেভিন ৮৫ এসপি বা এ জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে) আক্রান্ত অংশে ¯স্প্রে করতে হবে।


👉প্রতি ১৫ দিন অন্তর ২-৩ বার এভাবে স্প্রে করলে এ পোকা সম্পূর্ণভাবে দমন করা সম্ভব।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর                    🥊 ধূমকেতু 🥊 কবিতার অংশবিশেষ। 

 বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর 

                  🥊 ধূমকেতু 🥊 কবিতার অংশবিশেষ। 


আমি যুগে যুগে আসি, আসিয়াছি পুনঃ মহাবিপ্লব হেতু 

          এই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধুমকেতু! 


ঐ বামন বিধি সে আমারে ধরিতে বাড়িয়েছিল রে হাত

মম অগ্নি-দাহনে জ্বলে পুড়ে তাই ঠুঁটো।জগন্নাথ! 


আমি জানি জানি ঐ স্রষ্টার ফাঁকি সৃষ্টির ঐ চাতুরী 

তাই বিধিও নিয়মে লাথিমেরে ঠুকি বিধাতার বুকে -

        হাতুড়ি, 

আমি জানি জানি ঐ ভুয়ো ঈশ্বর দিয়ে যা হয়নি হবে 

          তা'ও! 

তাই বিপ্লব আনি বিদ্রোহ করি, নেচে নেচে দিই গোঁফে

        তা'ও! 

তোর নিযুত নরকে ফুঁ দিয়ে নিবাই মৃত্যুর মুখে থুথু দি, 

মম যে যত রাগে রে তারে তত কাল আগুনের কাতুকুতু

       দি। 

ঐ চিতাগ্নিতে জগদীশ্বর পুড়ে ছাই হবে, হে সৃষ্টি জান কি     

     তা? 

বল কি?  বল কি?  ফের বল ভাই আমি শয়তান- মিতা! 

হোহো ভগবানে আমি পোড়াব বলিয়া জ্বালিয়েছি বুকে 

          চিতা। 

আজিও ব্যথিত সৃষ্টির বুকে ভগবান কাঁপে ত্রাসে, 

স্রষ্টার চেয়ে সৃষ্টি পাছে যা বড় হয়ে তাকে গ্রাসে!

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...