এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

কুড়াল হারানো সেই সৎ কাঠুরে অনেকদিন পর তার স্ত্রীকে নিয়ে বনে বেড়াতে গেছে।

 কুড়াল হারানো সেই সৎ কাঠুরে অনেকদিন পর তার স্ত্রীকে নিয়ে বনে বেড়াতে গেছে।


কাঠুরের স্ত্রী সেই নদীটি দেখতে ইচ্ছা প্রকাশ করলো।নদীর ধারে গিয়ে হঠাৎ কাঠুরের স্ত্রী পানিতে পড়ে ডুবে গেল। কাঠুরে কান্না শুরু করেছে।


তার কান্না শুনে আবারও সেই জলপরীটা এলো এবং নদীতে বউ ডুবে যাওয়ার বিষয়টি বললো। তারপর জলপরী নদীতে ডুব দিয়ে অতি রূপবতী রাজকন্যার মতো এক মেয়েকে পানি থেকে তুলে বলল, "এই কি তোমার স্ত্রী?"


কাঠুরে বলল, "জ্বি এই আমার স্ত্রী।" জলপরী বলল, "ভালো করে দেখে তারপর বলো।"


কাঠুরে বলল, "আর দেখতে হবে না। এই আমার স্ত্রী।" 


জলপরী বলল, " আগের বার তোমার সততা দেখে মুগ্ধ

হয়েছিলাম।  এখন তুমি এটা কী করলে? রূপবতী মেয়ে দেখে নিজের স্ত্রীকে ভুলে গেলে?" 


তখন কাঠুরে বলল, "আমি বাধ্য হয়ে বলেছি এইটাই আমার স্ত্রী। যদি না বলতাম, আপনি এরচেয়ে একটু কম সুন্দর আরেকটা মেয়ে তুলতেন।


আমি যদি বলতাম এই মেয়ে না। আপনি সবশেষে আমার স্ত্রীকে তুলতেন এবং আগের বারের মতো আমার সততায় মুগ্ধ হয়ে তিনজনকেই আমাকে দিয়ে দিতেন।এই কারণে প্রথমবারই বলেছি এটা আমার স্ত্রী।\


আমি নিতান্তই গরিব মানুষ। তিন বউকে পালবো

কীভাবে?আর একটা বউকেই সামলাতে পারিনা, সেখানে তিনটা বউ হলে তো আমাকেই নদীতে ঝাপ দিয়ে আ'ত্ম'হ'ত্যা করতে হবে।


এবারও কাঠুরের সততা দেখে জলপরী মুগ্ধ হলো এবং পানি থেকে তুলে তিনটাকে তো দিলোই সাথে নিজেও তাকে বিবাহের  দিলো! সৎ কাঠুরিয়া ৪ স্ত্রী নিয়ে ঘরে ফিপ্রস্তাবরলো!🤭


[ নিত্যনতুন এরকম রম্য অণুগল্প পেতে পেজটি ফ'লো করে রাখুন! ]#গল্পটা তোমার আমার

ছুটি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ছুটি

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

বালকদিগের সর্দার ফটিক চক্রবর্তীর মাথায় চট্ করিয়া একটা নূতন ভাবোদয় হইল; নদীর ধারে একটা প্রকাণ্ড শালকাষ্ঠ মাস্তুলে রূপান্তরিত হইবার প্রতীক্ষায় পড়িয়া ছিল; স্থির হইল, সেটা সকলে মিলিয়া গড়াইয়া লইয়া যাইবে।


যে ব্যক্তির কাঠ, আবশ্যক-কালে তাহার যে কতখানি বিস্ময় বিরক্তি এবং অসুবিধা বোধ হইবে, তাহাই উপলব্ধি করিয়া বালকেরা এ প্রস্তাবে সম্পূর্ণ অনুমোদন করিল।


কোমর বাঁধিয়া সকলেই যখন মনোযোগের সহিত কার্যে প্রবৃত্ত হইবার উপক্রম করিতেছে এমন সময়ে ফটিকের কনিষ্ঠ মাখনলাল গম্ভীরভাবে সেই গুঁড়ির উপরে গিয়া বসিল; ছেলেরা তাহার এইরূপ উদার ঔদাসীন্য দেখিয়া কিছু বিমর্ষ হইয়া গেল।


একজন আসিয়া ভয়ে ভয়ে তাহাকে একটু-আধটু ঠেলিল, কিন্তু সে তাহাতে কিছুমাত্র বিচলিত হইল না; এই অকাল-তত্ত্বজ্ঞানী মানব সকল প্রকার ক্রীড়ার অসারতা সম্বন্ধে নীরবে চিন্তা করিতে লাগিল।


ফটিক আসিয়া আস্ফালন করিয়া কহিল, “দেখ্, মার খাবি। এইবেলা ওঠ্।”


সে তাহাতে আরো একটু নড়িয়াচড়িয়া আসনটি বেশ স্থায়ীরূপে দখল করিয়া লইল।


এরূপ স্থলে সাধারণের নিকট রাজসম্মান রক্ষা করিতে হইলে অবাধ্য ভ্রাতার গণ্ডদেশে অনতিবিলম্বে এক চড় কষাইয়া দেওয়া ফটিকের কর্তব্য ছিল – সাহস হইল না। কিন্তু, এমন একটা ভাব ধারণ করিল, যেন ইচ্ছা করিলেই এখনি উহাকে রীতিমত শাসন করিয়া দিতে পারে, কিন্তু করিল না; কারণ, পূর্বাপেক্ষা আর-একটা ভালো খেলা মাথায় উদয় হইয়াছে, তাহাতে আর-একটু বেশি মজা আছে। প্রস্তাব করিল, মাখনকে সুদ্ধ ঐ কাঠ গড়াইতে আরম্ভ করা যাক।


মাখন মনে করিল, ইহাতে তাহার গৌরব আছে; কিন্তু অন্যান্য পার্থিব গৌরবের ন্যায় ইহার আনুষঙ্গিক যে বিপদের সম্ভাবনাও আছে, তাহা তাহার কিংবা আর-কাহারও মনে উদয় হয় নাই।


ছেলেরা কোমর বাঁধিয়া ঠেলিতে আরম্ভ করিল – ‘মারো ঠেলা হেঁইয়ো, সাবাস জোয়ান হেঁইয়ো।’ গুঁড়ি এক পাক ঘুরিতে-না-ঘুরিতেই মাখন তাহার গাম্ভীর্য গৌরব এবং তত্ত্বজ্ঞান-সমেত ভূমিসাৎ হইয়া গেল।


খেলার আরম্ভেই এইরূপ আশাতীত ফল লাভ করিয়া অন্যান্য বালকেরা বিশেষ হৃষ্ট হইয়া উঠিল, কিন্তু ফটিক কিছু শশব্যস্ত হইল। মাখন তৎক্ষণাৎ ভূমিশয্যা ছাড়িয়া ফটিকের উপরে গিয়া পড়িল, একেবারে অন্ধভাবে মারিতে লাগিল। তাহার নাকে মুখে আঁচড় কাটিয়া কাঁদিতে কাঁদিতে গৃহাভিমুখে গমন করিল। খেলা ভাঙিয়া গেল।


ফটিক গোটাকতক কাশ উৎপাটন করিয়া লইয়া একটা অর্ধনিমগ্ন নৌকার গলুইয়ের উপরে চড়িয়া বসিয়া চুপচাপ করিয়া কাশের গোড়া চিবাইতে লাগিল।


এমন সময় একটা বিদেশী নৌকা ঘাটে আসিয়া লাগিল। একটি অর্ধবয়সী ভদ্রলোক কাঁচা গোঁফ এবং পাকা চুল লইয়া বাহির হইয়া আসিলেন। বালককে জিজ্ঞাসা করিলেন, “চক্রবর্তীদের বাড়ি কোথায়।”


বালক ডাঁটা চিবাইতে চিবাইতে কহিল, “ঐ হোত্থা।” কিন্তু কোন্ দিকে যে নির্দেশ করিল, কাহারও বুঝিবার সাধ্য রহিল না।


ভদ্রলোকটি আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, “কোথা।”


সে বলিল, “জানি নে।” বলিয়া পূর্ববৎ তৃণমূল হইতে রসগ্রহণে প্রবৃত্ত হইল। বাবুটি তখন অন্য লোকের সাহায্য অবলম্বন করিয়া চক্রবর্তীদের গৃহের সন্ধানে চলিলেন।


অবিলম্বে বাঘা বাগ্‌দি আসিয়া কহিল, “ফটিকদাদা, মা ডাকছে।”


ফটিক কহিল, “যাব না।”


বাঘা তাহাকে বলপূর্বক আড়কোলা করিয়া তুলিয়া লইয়া গেল; ফটিক নিষ্ফল আক্রোশে হাত পা ছুঁড়িতে লাগিল।


ফটিককে দেখিবামাত্র তাহার মা অগ্নিমূর্তি হইয়া কহিলেন, “আবার তুই মাখনকে মেরেছিস!’


ফটিক কহিল, “না, মারি নি।”


“ফের মিথ্যে কথা বলছিস!”


“কখ্খনো মারি নি। মাখনকে জিজ্ঞাসা করো।”


মাখনকে প্রশ্ন করাতে মাখন আপনার পূর্ব নালিশের সমর্থন করিয়া বলিল, “হাঁ, মেরেছে।”


তখন আর ফটিকের সহ্য হইল না। দ্রুত গিয়া মাখনকে এক সশব্দ চড় কষাইয়া দিয়া কহিল, “ফের মিথ্যে কথা!”


মা মাখনের পক্ষ লইয়া ফটিককে সবেগে নাড়া দিয়া তাহার পৃষ্ঠে দুটা-তিনটা প্রবল চপেটাঘাত করিলেন। ফটিক মাকে ঠেলিয়া দিল।


মা চীৎকার করিয়া কহিলেন, “অ্যাঁ, তুই আমার গায়ে হাত তুলিস!”


এমন সময়ে সেই কাঁচাপাকা বাবুটি ঘরে ঢুকিয়া বলিলেন, “কী হচ্ছে তোমাদের।”


ফটিকের মা বিস্ময়ে আনন্দে অভিভূত হইয়া কহিলেন, “ওমা, এ যে দাদা, তুমি কবে এলে।” বলিয়া গড় করিয়া প্রণাম করিলেন।


বহুদিন হইল দাদা পশ্চিমে কাজ করিতে গিয়াছিলেন। ইতিমধ্যে ফটিকের মার দুই সন্তান হইয়াছে, তাহারা অনেকটা বাড়িয়া উঠিয়াছে, তাহার স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে, কিন্তু একবারও দাদার সাক্ষাৎ পায় নাই। আজ বহুকাল পরে দেশে ফিরিয়া আসিয়া বিশ্বম্ভরবাবু তাঁহার ভগিনীকে দেখিতে আসিয়াছেন।


কিছুদিন খুব সমারোহে গেল। অবশেষে বিদায় লইবার দুই-একদিন পূর্বে বিশ্বম্ভরবাবু তাঁহার ভগিনীকে ছেলেদের পড়াশুনা এবং মানসিক উন্নতি সম্বন্ধে প্রশ্ন করিলেন। উত্তরে ফটিকের অবাধ্য উচ্ছৃঙ্খলতা, পাঠে অমনোযোগ, এবং মাখনের সুশান্ত সুশীলতা ও বিদ্যানুরাগের বিবরণ শুনিলেন।


তাঁহার ভগিনী কহিলেন, “ফটিক আমার হাড় জ্বালাতন করিয়াছে।”


শুনিয়া বিশ্বম্ভর প্রস্তাব করিলেন, তিনি ফটিককে কলিকাতায় লইয়া গিয়া নিজের কাছে রাখিয়া শিক্ষা দিবেন।


বিধবা এ প্রস্তাবে সহজেই সম্মত হইলেন।


ফটিককে জিজ্ঞাসা করিলেন, “কেমন রে ফটিক, মামার সঙ্গে কলকাতায় যাবি ?”


ফটিক লাফাইয়া উঠিয়া বলিল, “যাব।”


যদিও ফটিককে বিদায় করিতে তাহার মায়ের আপত্তি ছিল না, কারণ তাঁহার মনে সর্বদাই আশঙ্কা ছিল – কোন্ দিন সে মাখনকে জলেই ফেলিয়া দেয় কি মাথাই ফাটায়, কি কী একটা দুর্ঘটনা ঘটায়, তথাপি ফটিকের বিদায়গ্রহণের জন্য এতাদৃশ আগ্রহ দেখিয়া তিনি ঈষৎ ক্ষুন্ন হইলেন।


‘কবে যাবে’ ‘কখন যাবে’ করিয়া ফটিক তাহার মামাকে অস্থির করিয়া তুলিল; উৎসাহে তাহার রাত্রে নিদ্রা হয় না।


অবশেষে যাত্রাকালে আনন্দের ঔদার্য-বশত তাহার ছিপ ঘুড়ি লাটাই সমস্ত মাখনকে পুত্রপৌত্রাদিক্রমে ভোগদখল করিবার পুরা অধিকার দিয়া গেল।


কলিকাতায় মামার বাড়ি পৌঁছিয়া প্রথমত মামীর সঙ্গে আলাপ হইল। মামী এই অনাবশ্যক পরিবারবৃদ্ধিতে মনে মনে যে বিশেষ সন্তুষ্ট হইয়াছিলেন তাহা বলিতে পারি না। তাঁহার নিজের তিনটি ছেলে লইয়া তিনি নিজের নিয়মে ঘরকন্না পাতিয়া বসিয়া আছেন, ইহার মধ্যে সহসা একটি তেরো বৎসরের অপরিচিত অশিতি পাড়াগেঁয়ে ছেলে ছাড়িয়া দিলে কিরূপ একটা বিপবের সম্ভাবনা উপস্থিত হয়। বিশ্বম্ভরের এত বয়স হইল, তবু কিছুমাত্র যদি জ্ঞানকাণ্ড আছে।


বিশেষত, তেরো-চৌদ্দ বৎসরের ছেলের মতো পৃথিবীতে এমন বালাই আর নাই। শোভাও নাই, কোনো কাজেও লাগে না। স্নেহও উদ্রেক করে না, তাহার সঙ্গসুখও বিশেষ প্রার্থনীয় নহে। তাহার মুখে আধো-আধো কথাও ন্যাকামি, পাকা কথাও জ্যাঠামি এবং কথামাত্রই প্রগল্ভতা। হঠাৎ কাপড়চোপড়ের পরিমাণ রক্ষা না করিয়া বেমানানরূপে বাড়িয়া উঠে; লোকে সেটা তাহার একটা কুশ্রী স্পর্ধাস্বরূপ জ্ঞান করে। তাহার শৈশবের লালিত্য এবং কণ্ঠস্বরের মিষ্টতা সহসা চলিয়া যায়; লোকে সেজন্য তাহাকে মনে মনে অপরাধ না দিয়া থাকিতে পারে না। শৈশব এবং যৌবনের অনেক দোষ মাপ করা যায়, কিন্তু এই সময়ে কোনো স্বাভাবিক অনিবার্য ত্রুটিও যেন অসহ্য বোধ হয়।


সেও সর্বদা মনে মনে বুঝিতে পারে, পৃথিবীর কোথাও সে ঠিক খাপ খাইতেছে না; এইজন্য আপনার অস্তিত্ব সম্বন্ধে সর্বদা লজ্জিত ও ক্ষমাপ্রার্থী হইয়া থাকে। অথচ এই বয়সেই স্নেহের জন্য কিঞ্চিৎ অতিরিক্ত কাতরতা মনে জন্মায়। এই সময়ে যদি সে কোনো সহৃদয় ব্যক্তির নিকট হইতে স্নেহ কিংবা সখ্য লাভ করিতে পারে তবে তাহার নিকট আত্মবিক্রীত হইয়া থাকে। কিন্তু তাহাকে স্নেহ করিতে কেহ সাহস করে না; কারণ সেটা সাধারণে প্রশ্রয় বলিয়া মনে করে। সুতরাং তাহার চেহারা এবং ভাবখানা অনেকটা প্রভুহীন পথের কুকুরের মতো হইয়া যায়।


অতএব, এমন অবস্থায় মাতৃভবন ছাড়া আর-কোনো অপরিচিত স্থান বালকের পক্ষে নরক। চারি দিকের স্নেহশূন্য বিরাগ তাহাকে পদে পদে কাঁটার মতো বিঁধে। এই বয়সে সাধারণত নারীজাতিকে কোনো-এক শ্রেষ্ঠ স্বর্গলোকের দুর্লভ জীব বলিয়া মনে ধারণা হইতে আরম্ভ হয়, অতএব তাঁহাদের নিকট হইতে উপেক্ষা অত্যন্ত দুঃসহ বোধ হয়।


মামীর স্নেহহীন চক্ষে সে যে একটা দুর্গ্রহের মতো প্রতিভাত হইতেছে, এইটে ফটিকের সব চেয়ে বাজিত। মামী যদি দৈবাৎ তাহাকে কোনো-একটা কাজ করিতে বলিতেন তাহা হইলে সে মনের আনন্দে যতটা আবশ্যক তার চেয়ে বেশি কাজ করিয়া ফেলিত – অবশেষে মামী যখন তাহার উৎসাহ দমন করিয়া বলিতেন, “ঢের হয়েছে, ঢের হয়েছে। ওতে আর তোমায় হাত দিতে হবে না। এখন তুমি নিজের কাজে মন দাও গে। একটু পড়ো গে যাও।” – তখন তাহার মানসিক উন্নতির প্রতি মামীর এতটা যত্নবাহুল্য তাহার অত্যন্ত নিষ্ঠুর অবিচার বলিয়া মনে হইত।


ঘরের মধ্যে এইরূপ অনাদর, ইহার পর আবার হাঁফ ছাড়িবার জায়গা ছিল না। দেয়ালের মধ্যে আটকা পড়িয়া কেবলই তাহার সেই গ্রামের কথা মনে পড়িত।


প্রকাণ্ড একটা ধাউস ঘুড়ি লইয়া বোঁ বোঁ শব্দে উড়াইয়া বেড়াইবার সেই মাঠ, ‘তাইরে নাইরে নাইরে না’ করিয়া উচ্চৈঃস্বরে স্বরচিত রাগিণী আলাপ করিয়া অকর্মণ্যভাবে ঘুরিয়া বেড়াইবার সেই নদীতীর, দিনের মধ্যে যখন-তখন ঝাঁপ দিয়া পড়িয়া সাঁতার কাটিবার সেই সংকীর্ণ স্রোতস্বিনী, সেই-সব দল-বল উপদ্রব স্বাধীনতা, এবং সর্বোপরি সেই অত্যাচারিণী অবিচারিণী মা অহর্নিশি তাহার নিরুপায় চিত্তকে আকর্ষণ করিত।


জন্তুর মতো একপ্রকার অবুঝ ভালোবাসা – কেবল একটা কাছে যাইবার অন্ধ ইচ্ছা, কেবল একটা না দেখিয়া অব্যক্ত ব্যাকুলতা, গোধূলিসময়ের মাতৃহীন বৎসের মতো কেবল একটা আন্তরিক ‘মা মা’ ক্রন্দন – সেই লজ্জিত শঙ্কিত শীর্ণ দীর্ঘ অসুন্দর বালকের অন্তরে কেবলই আলোড়িত হইত।


স্কুলে এতবড়ো নির্বোধ এবং অমনোযোগী বালক আর ছিল না। একটা কথা জিজ্ঞাসা করিলে সে হাঁ করিয়া চাহিয়া থাকিত। মাস্টার যখন মার আরম্ভ করিত তখন ভারকান্ত গর্দভের মতো নীরবে সহ্য করিত। ছেলেদের যখন খেলিবার ছুটি হইত তখন জানালার কাছে দাঁড়াইয়া দূরের বাড়িগুলার ছাদ নিরীক্ষণ করিত; যখন সেই দ্বিপ্রহর-রৌদ্রে কোনো-একটা ছাদে দুটি একটি ছেলেমেয়ে কিছু-একটা খেলার ছলে ক্ষণেকের জন্য দেখা দিয়া যাইত তখন তাহার চিত্ত অধীর হইয়া উঠিত।


একদিন অনেক প্রতিজ্ঞা করিয়া অনেক সাহসে মামাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, “মামা, মার কাছে কবে যাব।” মামা বলিয়াছিলেন, “স্কুলের ছুটি হোক।”


কার্তিক মাসে পূজার ছুটি, সে এখনো ঢের দেরি।


একদিন ফটিক তাহার স্কুলের বই হারাইয়া ফেলিল। একে তো সহজেই পড়া তৈরি হয় না, তাহার পর বই হারাইয়া একেবারে নাচার হইয়া পড়িল। মাস্টার প্রতিদিন তাহাকে অত্যন্ত মারধোর অপমান করিতে আরম্ভ করিলেন। স্কুলে তাহার এমন অবস্থা হইল যে, তাহার মামাতো ভাইরা তাহার সহিত সম্বন্ধ স্বীকার করিতে লজ্জা বোধ করিত। ইহার কোনো অপমানে তাহারা অন্যান্য বালকের চেয়েও যেন বলপূর্বক বেশি করিয়া আমোদ প্রকাশ করিত।


অসহ্য বোধ হওয়াতে একদিন ফটিক তাহার মামীর কাছে নিতান্ত অপরাধীর মতো গিয়া কহিল, “বই হারিয়ে ফেলেছি।”


মামী অধরের দুই প্রান্তে বিরক্তির রেখা অঙ্কিত করিয়া বলিলেন, “বেশ করেছ! আমি তোমাকে মাসের মধ্যে পাঁচবার করে বই কিনে দিতে পারি নে।”


ফটিক আর-কিছু না বলিয়া চলিয়া আসিল – সে যে পরের পয়সা নষ্ট করিতেছে, এই মনে করিয়া তাহার মায়ের উপর অত্যন্ত অভিমান উপস্থিত হইল; নিজের হীনতা এবং দৈন্য তাহাকে মাটির সহিত মিশাইয়া ফেলিল।


স্কুল হইতে ফিরিয়া সেই রাত্রে তাহার মাথাব্যথা করিতে লাগিল এবং গা সির্ সির্ করিয়া আসিল। বুঝিতে পারিল, তাহার জ্বর আসিতেছে। বুঝিতে পারিল, ব্যামো বাধাইলে তাহার মামীর প্রতি অত্যন্ত অনর্থক উপদ্রব করা হইবে। মামী এই ব্যামোটাকে যে কিরূপ একটা অকারণ অনাবশ্যক জ্বালাতনের স্বরূপ দেখিবে তাহা সে স্পষ্ট উপলব্ধি করিতে পারিল। রোগের সময় এই অকর্মণ্য অদ্ভুত নির্বোধ বালক পৃথিবীতে নিজের মা ছাড়া আর-কাহারও কাছে সেবা পাইতে পারে, এরূপ প্রত্যাশা করিতে তাহার লজ্জা বোধ হইতে লাগিল।


পরদিন প্রাতঃকালে ফটিককে আর দেখা গেল না। চতুর্দিকে প্রতিবেশীদের ঘরে খোঁজ করিয়া তাহার কোনো সন্ধান পাওয়া গেল না।


সেদিন আবার রাত্রি হইতে মুষলধারে শ্রাবণের বৃষ্টি পড়িতেছে। সুতরাং তাহার খোঁজ করিতে লোকজনকে অনর্থক অনেক ভিজিতে হইল । অবশেষে কোথাও না পাইয়া বিশ্বম্ভরবাবু পুলিসে খবর দিলেন।


সমস্ত দিনের পর সন্ধ্যার সময় একটা গাড়ি আসিয়া বিশ্বম্ভরবাবুর বাড়ির সম্মুখে দাঁড়াইল। তখনো ঝুপ্ ঝুপ্ করিয়া অবিশ্রাম বৃষ্টি পড়িতেছে, রাস্তায় এক-হাঁটু জল দাঁড়াইয়া গিয়াছে।


দুইজন পুলিসের লোক গাড়ি হইতে ফটিককে ধরাধরি করিয়া নামাইয়া বিশ্বম্ভরবাবুর নিকট উপস্থিত করিল। তাহার আপাদমস্তক ভিজা, সর্বাঙ্গে কাদা, মুখ চক্ষু লোহিতবর্ণ, থর্ থর্ করিয়া কাঁপিতেছে। বিশ্বম্ভরবাবু প্রায় কোলে করিয়া তাহাকে অন্তঃপুরে লইয়া গেলেন।


মামী তাহাকে দেখিয়াই বলিয়া উঠিলেন, “কেন বাপু, পরের ছেলেকে নিয়ে কেন এ কর্মভোগ। দাও ওকে বাড়ি পাঠিয়ে দাও।”


বাস্তবিক, সমস্ত দিন দুশ্চিন্তায় তাঁহার ভালোরূপ আহারাদি হয় নাই এবং নিজের ছেলেদের সহিতও নাহক অনেক খিট্‌খিট্ করিয়াছেন।


ফটিক কাঁদিয়া উঠিয়া কহিল, “আমি মার কাছে যাচ্ছিলুম, আমাকে ফিরিয়ে এনেছে।”


বালকের জ্বর অত্যন্ত বাড়িয়া উঠিল। সমস্ত রাত্রি প্রলাপ বকিতে লাগিল। বিশ্বম্ভরবাবু চিকিৎসক লইয়া আসিলেন।


ফটিক তাহার রক্তবর্ণ চক্ষু একবার উন্মীলিত করিয়া কড়িকাঠের দিকে হতবুদ্ধিভাবে তাকাইয়া কহিল, “মামা, আমার ছুটি হয়েছে কি।”


বিশ্বম্ভরবাবু রুমালে চোখ মুছিয়া সস্নেহে ফটিকের শীর্ণ তপ্ত হাতখানি হাতের উপর তুলিয়া লইয়া তাহার কাছে আসিয়া বসিলেন।


ফটিক আবার বিড়্ বিড়্ করিয়া বকিতে লাগিল; বলিল, “মা, আমাকে মারিস নে মা। সত্যি বলছি, আমি কোনো দোষ করি নি।”


পরদিন দিনের বেলা কিছুক্ষণের জন্য সচেতন হইয়া ফটিক কাহার প্রত্যাশায় ফ্যাল্‌ফ্যাল্ করিয়া ঘরের চারি দিকে চাহিল। নিরাশ হইয়া আবার নীরবে দেয়ালের দিকে মুখ করিয়া পাশ ফিরিয়া শুইল।


বিশ্বম্ভরবাবু তাহার মনের ভাব বুঝিয়া তাহার কানের কাছে মুখ নত করিয়া মৃদুস্বরে কহিলেন, “ফটিক, তোর মাকে আনতে পাঠিয়েছি।”


তাহার পরদিনও কাটিয়া গেল। ডাক্তার চিন্তিত বিমর্ষ মুখে জানাইলেন, অবস্থা বড়োই খারাপ।


বিশ্বম্ভরবাবু স্তিমিতপ্রদীপে রোগশয্যায় বসিয়া প্রতি মুহূর্তেই ফটিকের মাতার জন্য প্রতীক্ষা করিতে লাগিলেন।


ফটিক খালাসিদের মতো সুর করিয়া করিয়া বলিতে লাগিল, “এক বাঁও মেলে না। দো বাঁও মেলে – এ – এ না।” কলিকাতায় আসিবার সময় কতকটা রাস্তা স্টীমারে আসিতে হইয়াছিল, খালাসিরা কাছি ফেলিয়া সুর করিয়া জল মাপিত; ফটিক প্রলাপে তাহাদেরই অনুকরণে করুণস্বরে জল মাপিতেছে এবং যে অকূল সমুদ্রে যাত্রা করিতেছে, বালক রশি ফেলিয়া কোথাও তাহার তল পাইতেছে না।


এমন সময়ে ফটিকের মাতা ঝড়ের মতো ঘরে প্রবেশ করিয়াই উচ্চকলরবে শোক করিতে লাগিলেন। বিশ্বম্ভর বহুকষ্টে তাহার শোকোচ্ছ্বাস নিবৃত্ত করিলে, তিনি শয্যার উপর আছাড় খাইয়া পড়িয়া উচ্চৈঃস্বরে ডাকিলেন, “ফটিক! সোনা! মানিক আমার!”


ফটিক যেন অতি সহজেই তাহার উত্তর দিয়া কহিল, “অ্যাঁ”।’


মা আবার ডাকিলেন, “ওরে ফটিক, বাপধন রে!”


ফটিক আস্তে আস্তে পাশ ফিরিয়া কাহাকেও লক্ষ্য না করিয়া মৃদুস্বরে কহিল, “মা,...এখন আমার ছুটি হয়েছে মা, এখন আমি বাড়ি যাচ্ছি.....আমি   বাড়ি  যাচ্ছি   মা....🥲

আটা বা ময়দার ৩ ধরনের রুটির খামির-

 আটা বা ময়দার ৩ ধরনের রুটির খামির-


১। শক্ত বা টাইট রুটি:- এই ধরনের রুটির খামির তৈরি করার জন্য ঠান্ডা পানি বা কুসুম গরম পানি দিয়ে ডো বা খামির তৈরি করতে হবে। ডো তে অবশ্যই সামান্য তেল ব্যবহার করতে হবে। এবং ডো বানানোর পর ১০ মিনিট রেস্টে রাখতে হবে। আর রুটি সেকে বাহিরে খোলা রাখলে অনেক শক্ত হয়ে যায়। তাই একটু ঠান্ডা করে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা যেতে পারে। 


২। উপরের চামড়া শক্ত কিন্তু ভিতরে নরম:- এক্ষেত্রে একটি পাত্রে আটা বা ময়দা নিয়ে গরম পানি দিয়ে ডো বানাতে হবে।  ডো তে সামান্য তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। না করলেও সমস্যা নাই। এই ক্ষেত্রেও খামিরটা ৫-১০ মিনিট রেস্টে রাখা ভালো। 


৩। একদম নরম তুলতুলে রুটি:- একটি পাত্রে পরিমান মতো পানি নিয়ে চুলায় ফুটতে দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে আটা দিয়ে নাড়তে থাকতে হবে। মাখা মাখা হয়ে গেলে ঢেকে দিয়ে চুলা অফ করে রাখতে হবে। ১০ মিনিট পর ভালো মতো ময়ান দিয়ে রুটি বানাতে হবে। এইক্ষেত্রে আর রেস্টে রাখার দরকার নাই। আর এই খামরে তেলেরও প্রয়োজন হয় না।


১ কাপ আটা দিয়ে ৪ টি মিডিয়াম চাইজের রুটি করা যায়। এবং ১ কাপ আটাতে পানি লাগে ১/২ কাপ। ( মেজারমেন্ট কাপ নিয়ে কাল ভিডিও থাকবে)


পরোটা:- 


শক্ত এবং ক্রিস্পি পরোটা খেতে চাইলে আটা একদম ঠান্ডা পানি দিয়ে ডো বানাতে হবে। আর ১ কাপ আটায় ২ টেবিল চামচ তেল দিলে ভালো হয়। পরোটার ভাজে তেল এবং আটার মিশন দেওয়া যেতে পারে। এতে পরোটা যেমন ফুলবে তেমনি ক্রিস্পি হবে। আরো মজাদার করার জন্য চিনি বা গুড়ো দুধ দিতে পারেন।


নরম পরোটা করার জন্য আটা গরম পানি দিয়ে ডো করে নিতে হবে। এই ক্ষেত্রে পরোটা ভাজার সময় চেপে চেপে দিলে কালার সুন্দর আসবে। হোটেলে সাধারণত এইবভাবে পরোটা বানায়।


চালের আটার রুটি: চালের আটার রুটি তৈরিতে ২ টি জিনিস ঠিক থাকলেই পারফেক্ট রুটি হবে। ১ম হলো ডো এবং ২য় হলো ময়ান। ডো তে পানি এবং আটার অনুপাত সঠিক হলে সুন্দর এবং সফট একটা ডো হবে। এরপর পালা ময়ানের। যত বেশি আটার খামির মথে নেওয়া যাবে তত বেশি মসৃন হবে এবং রুটি ফেটে যাবেনা। 


Smart Cooking পেইজের টিপস গুলো আপনাদের কেমন লাগে জানাবেন অবশ্যই। তাহলে আমিও অনুপ্রাণিত হবো ❤️

বিয়ে বাড়ির বোরহানি রেসিপি,,,,,,

 🍁🍁বিয়ে বাড়ির বোরহানি রেসিপি 


❤️ উপকরণ :

টক দই২ কাপ

চিনি২ টেবিল চামচ 

লবণস্বাদমতো 

পুদিনা পাতা  

ধনেপাতা 

কাঁচা মরিচ ২ টি

সাদা সরিষা  বাটা  ১/২  টেবিল চামচ 

ভাজা জিরাগুঁড়া ১/২ চা.চামচ 

সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১/২ চা.চামচ 

বিট লবণ ১/২ চা.চামচ

লেবুর রস  ১ টেবিল চামচ।

 


❤️ প্রস্তুত প্রনালী:

প্রথমে ব্লেন্ডারে কাঁচা মরিচ, পুদিনা পাতা, ধনেপাতা সামান্য পরিমাণ পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিব। তারপর এর মধ্যে দিয়ে দিব টক দই, চিনি,লবণ, বিট লবণ, জিরাগুঁড়া, গোলমরিচ গুঁড়া, সাদা সরিষা বাটা, লেবুর রস দিব। তারপর ভালো করে ব্লেন্ড করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে বিয়ে বাড়ির বোরহানি। 


Cp

বিটুমিনাস সড়কের এস্টিমেট:-

 📘 বিটুমিনাস সড়কের এস্টিমেট:-

----------------------------------

সড়কের এস্টিমেট  সমুহ:-

সড়কের দৈর্ঘ্য = ১৫০০'-০"

সড়কের প্রস্থে = ২০'-০"

সড়কের উচ্চতা = ১'-৬"

এজিং = ৩"

সাইট ড্রেসিং প্রস্থ = ১'-০"

বালি খোয়া মিক্র লেয়ার ১:১ উচ্চতা = ৬"

খোয়ার লেয়ার = ৪"


১. মাটি কাটা = ১৫০০'-০"x২০'-০"x১'-৬"

= ৪৫০০০ ঘনফুট


২. মাটি ড্রেসিং = ১৫০০'-০'x২০'-০"

= ৩০০০০ বর্গফুট


৩. ইটের ফ্লাট সোলিং = ১৫০০'-০'x১৯'-৬"

= ২৯২৫০ বর্গফুট

[এখানে ১৯'-৬" আসলো এই ভাবে

দুই ধারে এজিং এর জন্য ৩" করে যদি বাদ দেওয়া হয় তবে 

প্রস্থ = ২০'-০"-৩"x২

= ১৯'-৬"]


৪. হেরিং বোন বন্ড = ১৫০০'-০'x১৯'-৬"

= ২৯২৫০ বর্গফুট


৬. দুই ধারে ইটের এন্ড এজিং

= ১৫০০x২

= ৩০০০ ফুট


৭. বালি খোয়া মিক্র লেয়ার ১:১

= ১৫০০'-০"x১৯'-৬"x৬"

= ১৪৬২৫ ঘনফুট


৮. খোয়ার লেয়ার = ১৫০০'-০"x১৯'-৬"x৪"

= ৯৭৫০ ঘনফুট


৯. বিটুমিনাস Carpeting

= ১৫০০'-০'x১৯'-৬"

= ২৯২৫০ বর্গফুট


১০. ট্যাক কোট = ১৫০০'-০'x১৯'-৬"

= ২৯২৫০ বর্গফুট


১১. সিল কোট = ১৫০০'-০'x১৯'-৬"

= ২৯২৫০ বর্গফুট


১২. বালি দিয়ে রাস্তার উপরে Blinding

= ১৫০০'-০'x১৯'-৬"

= ২৯২৫০ বর্গফুট


১৩. সাইট ড্রেসিং = ১৫০০'-০'x১'-০"x২

= ৩০০০ বর্গফুট

মন ভালো করার সিনেমা,,,,,,

 মন ভালো করার সিনেমা


১. Sing Street (২০১৬) – ১৯৮০ দশকের ডাবলিনের এক কিশোর তার পছন্দের একজন মেয়েকে ইমপ্রেস করার জন্য একটি ব্যান্ড গঠন করে, জার্নি শুরু হয় নিজেকে খুঁজে পাবার।


২. The Peanut Butter Falcon (২০১৯) – ডাউন সিনড্রোম আক্রান্ত এক তরুণ পেশাদার রেসলার হওয়ার স্বপ্নে বেরিয়ে পড়ে, আর পথে গড়ে ওঠে কিছু অপ্রত্যাশিত বন্ধুত্ব।


৩. Hunt for the Wilderpeople (২০১৬) – নিউজিল্যান্ডের এক বিদ্রোহী ছেলে ও তার পালক কাকা বনের মাঝে পালিয়ে যায়, যেখানে পরিবার ও সম্পর্কের অদ্ভুত এক সৌন্দর্য দেখা যায়।


৪. The Way Way Back (২০১৩) – লাজুক এক কিশোর গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে ওয়াটার পার্কে কাজের মাধ্যমে নিজের আত্মবিশ্বাস খুঁজে পায়, আর বন্ধুদের সাথে গড়ে ওঠে আবেগময় সম্পর্ক।


৫. Yesterday (২০১৯) – বিশাল এক ব্ল্যাকআউটের পর একজন মিউজিসিয়ান নিজেকে এমন এক জগতে আবিষ্কার করে যেখানে The Beatles-এর অস্তিত্ব নেই, কিন্তু তাদের গানের মাধ্যমেই সে খুঁজে পায় খ্যাতি ও আনন্দ।


৬. Brittany Runs a Marathon (২০১৯) – এক নারীর মজার ও অনুপ্রেরণামূলক জার্নি, যিনি নিজের জীবনে পরিবর্তন আনতে ম্যারাথনে অংশ নেন।


৭. The Hundred-Foot Journey (২০১৪) – এক ভারতীয় পরিবার ফ্রান্সের এক গ্রামে রেস্টুরেন্ট খোলে এবং খাবারের মাধ্যমে দুটো ভিন্ন সংস্কৃতির অসম্ভব সুন্দর একটা কানেকশন ক্রিয়েট করে।


৮. About Time (২০১৩) – টাইম-ট্রাভেল নিয়ে এক রোমান্টিক গল্প, যা জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত এবং প্রিয় মানুষদের মূল্যায়ন করতে শেখায়।


৯. Blinded by the Light (২০১৯) – ১৯৮০ দশকের প্রেক্ষাপটে এক পাকিস্তানি-ব্রিটিশ কিশোরের গল্প, যার জীবন বদলে দেয় ব্রুস স্প্রিংস্টিনের মিউজিক।


১০. A Beautiful Day in the Neighborhood (২০১৯) – এক সাংবাদিকের জীবন পাল্টে যায় Fred Rogers-এর সাক্ষাৎকারের পর, যা কাইন্ডনেস ও মুগ্ধতা ছড়ানো এক মানবিক সম্পর্কের গল্প।


১১. Soul (২০২০) – পিক্সারের অ্যানিমেশন, যা জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তে আনন্দ এবং নিজ নিজ জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার গল্প বলে।


১২. Pride (২০১৪) – একদল সোসাল অ্যাক্টিভিস্ট এক খনিশ্রমিকদের সাথে একত্রিত হয়ে নির্মম এক কঠিন সময়ে বন্ধুত্ব ও উষ্ণতার গল্প গড়ে তোলে।


১৩. Begin Again (২০১৩) – নিউইয়র্কে দুই হারানো মানুষ একত্রে একটি অ্যালবাম তৈরি করে, আর এর মধ্য দিয়ে নিজেরাই নিজেদের খুঁজে পায়।


১৪. Julie and the Phantoms (২০২০) – এক কিশোরী তিনটি ভূতের সাথে ব্যান্ড গঠন করে, যেখানে হতে থাকে মজার মজার সব ঘটনা। সব মিলিয়ে এক অসাধারণ অনুভূতির গল্প।


১৫. The Fundamentals of Caring (২০১৬) – এক কেয়ারগিভার ও তার প্রতিবন্ধী রোগীর রোড ট্রিপ, যেখানে বন্ধুত্ব, হাসি ও আশার ছোঁয়া দেখা যায়।


এই সিনেমাগুলো আপনাকে মুগ্ধ করবে বলে দিতে পারি এবং মন ভালো করে দিবে।

- মোঃ শাহরিয়ার শাকিল


#collected

১ ডিমের চকোলেট ময়েস্ট কেকের রিসিপিঃ

 🍫 ১ ডিমের চকোলেট ময়েস্ট কেকের রিসিপিঃ-

👉 **উপকরণ:**  

**শুকনো উপকরণ:**  

- ময়দা – ১/২ কাপ (৬০ গ্রাম)  

- কোকো পাউডার – ২ টেবিল চামচ  

- বেকিং পাউডার – ১/২ চা চামচ  

- বেকিং সোডা – ১/৪ চা চামচ  

- লবণ – এক চিমটি  


👉**ভেজা উপকরণ:**  

- ডিম – ১টি  

- চিনি – ১/৩ কাপ (৬৫ গ্রাম)  

- তেল – ৩ টেবিল চামচ  

- বাটারমিল্ক – ১/৪ কাপ (১/৪ - ১/২  চামচ লেবুর রস বা ভিনেগার দিয়ে ১/৪ কাপ দুধ ৫ মিনিট রেখে তৈরি করুন)  

- গরম পানি – ১/৪ কাপ  

- কফি – ১ চা চামচ (গরম পানিতে গুলানো)  

- ভ্যানিলা এসেন্স – ১/২ চা চামচ  


👉 **প্রস্তুত প্রণালী:**  


1. **ওভেন প্রিহিট করুন:**  

   - ওভেন ১৭৫°C (৩৫০°F) এ প্রিহিট করুন। একটি ৬ ইঞ্চি কেক প্যান তেলে ব্রাশ করে পার্চমেন্ট পেপার দিয়ে সাজিয়ে রাখুন।  


2. **শুকনো উপকরণ মেশান:**  

   - একটি পাত্রে ময়দা, কোকো পাউডার, বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা ও লবণ মিশিয়ে নিন।  


3. **ভেজা উপকরণ তৈরি করুন:**  

   - একটি বড় পাত্রে ডিম ও চিনি নিয়ে হ্যান্ড উইস্ক বা বিটার দিয়ে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন যতক্ষণ না এটি ফোমি হয়ে ওঠে।  

   - এর মধ্যে তেল, বাটারমিল্ক, এবং ভ্যানিলা এসেন্স যোগ করুন। ভালোভাবে মেশান।  

   - গরম পানিতে গুলানো কফি মিশ্রণে যোগ করুন।  


4. **শুকনো এবং ভেজা উপকরণ মেশানো:**  

   - শুকনো উপকরণগুলো ধীরে ধীরে ভেজা মিশ্রণে যোগ করুন। স্প্যাটুলা দিয়ে হালকা হাতে মিশিয়ে নিন। খুব বেশি মিশাবেন না।  


5. **কেক বেক করুন:**  

   - প্রস্তুত কেক প্যানে মিশ্রণ ঢালুন।  

   - ওভেনে ২০-২৫ মিনিট বেক করুন। কেকের মাঝে একটি কাঠি ঢুকিয়ে পরীক্ষা করুন, পরিষ্কার বের হলে কেক তৈরি।  


6. **ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন:**  

   - কেক ঠান্ডা হলে প্যান থেকে বের করে নিন। ইচ্ছা করলে চকোলেট গ্যানাশ বা কফি ফ্লেভারের ক্রিম দিয়ে সাজাতে পারেন।  


👉**টিপস:**  

1- বাটারমিল্ক কেককে খুবই নরম এবং ময়েস্ট করে তোলে।  

2- কফির স্বাদ বাড়াতে চাইলে আরও ১ চা চামচ ইনস্ট্যান্ট কফি যোগ করতে পারেন।  

3- ওভারবেক করবেন না, কারণ এতে কেক শুকনো হয়ে যেতে পারে।  


😍আপনার কফি ফ্লেভার চকোলেট ময়েস্ট কেক উপভোগ করুন! ☕🍫

📌  কপি পেস্ট করা যাবে না।,,,,,,,

 ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

পাসপোর্ট ছবি তোলার নিয়ম 

 পাসপোর্ট ছবি তোলার নিয়ম 


পাসপোর্ট ছবি হলো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা পাসপোর্ট আবেদনের সময় সঠিকভাবে মেনে চলা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পাসপোর্ট ছবির নির্দিষ্ট কিছু নিয়মাবলী রয়েছে, যা না মানলে আপনার আবেদন বাতিল হতে পারে। এই নিবন্ধে পাসপোর্ট ছবি তোলার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।  


সম্পর্কিত আরও লেখা  পড়ুনঃ

👉https://linktr.ee/seohelpline


### পাসপোর্ট ছবির প্রয়োজনীয় মানদণ্ড**  


1. **ছবির আকার:**  

   পাসপোর্ট ছবির সাধারণত মাপ হতে হবে **৩.৫ সেন্টিমিটার × ৪.৫ সেন্টিমিটার**। প্রস্থ ও উচ্চতার এই মাপ আন্তর্জাতিক মানে নির্ধারিত।  


2. **ব্যাকগ্রাউন্ড:**  

   ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড অবশ্যই **সাদা রঙের** হতে হবে। এতে মুখ ও ছবির অন্যান্য বৈশিষ্ট্য স্পষ্টভাবে দেখা যায়।  


3. **মুখের অবস্থান:**  

   - মুখটি সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।  

   - মুখের ভঙ্গি স্বাভাবিক এবং চোখ খোলা থাকতে হবে।  

   - হাসি বা অন্য কোনো আবেগের চিহ্ন মুখে থাকা যাবে না।  


4. **পোশাক:**  

   - গাঢ় রঙের পোশাক পরা উচিত, যা সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের সঙ্গে কনট্রাস্ট সৃষ্টি করে।  

   - ইউনিফর্ম বা এমন পোশাক এড়িয়ে চলুন যা পেশাদার পরিচিতির সঙ্গে মেলে।  

   - মাথা ঢেকে রাখা যাবে না, তবে ধর্মীয় কারণে মাথা ঢাকার প্রয়োজন হলে তা ব্যতিক্রম হতে পারে।  


5. **আলোকসজ্জা:**  

   - ছবি তোলার সময় আলোকসজ্জা অবশ্যই সুষম হতে হবে।  

   - ছায়া বা অতিরিক্ত আলোর প্রতিফলন মুখে থাকা যাবে না।  


6. **চশমা ও আনুষঙ্গিক বস্তু:**  

   - যদি চশমা পরা হয়, তবে এটি স্বচ্ছ হতে হবে এবং চোখ সম্পূর্ণ স্পষ্ট দেখা যেতে হবে।  

   - সানগ্লাস বা রঙিন চশমা এড়িয়ে চলুন।  

   - কানের দুল বা অন্যান্য জিনিস যা ছবি থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিতে পারে, তা ব্যবহার করবেন না।  


7. **ছবির গুণগত মান:**  

   - ছবিটি উচ্চ রেজোলিউশনের হতে হবে।  

   - ছবিতে কোনো দাগ, স্ক্র্যাচ, বা ভাঁজ থাকা যাবে না।  

   - ছবিটি অবশ্যই মুদ্রণযোগ্য কাগজে এবং ফটোগ্রাফিক ফিনিশে প্রিন্ট করতে হবে।  

সম্পর্কিত আরও লেখা  পড়ুনঃ

👉https://linktr.ee/seohelpline


### **অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়**  


1. **শিশুর পাসপোর্ট ছবি:**  

   - শিশুর পাসপোর্ট ছবিতেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।  

   - শিশুর চোখ খোলা থাকতে হবে এবং মুখ স্বাভাবিক অবস্থায় থাকতে হবে।  


2. **অনলাইনে ছবি জমা:**  

   - অনলাইন পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে ছবি আপলোড করার সময় ফাইল ফরম্যাট (জেপিজি বা পিএনজি) ও ফাইল সাইজের (সাধারণত ১০০ কেবি - ২০০ কেবি) প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।  


3. **ছবির বৈধতা:**  

   - পাসপোর্ট আবেদনের জন্য তোলা ছবি ৬ মাসের বেশি পুরানো হওয়া যাবে না।  


### **উপসংহার**  

পাসপোর্ট ছবি তোলার ক্ষেত্রে ছোটখাটো ভুল পুরো আবেদন বাতিলের কারণ হতে পারে। তাই উপরের নিয়মগুলো অবশ্যই মেনে চলতে হবে। সঠিকভাবে ছবি তোলার মাধ্যমে আপনার পাসপোর্ট আবেদন সহজ এবং ঝামেলামুক্ত হবে।  


**আপনার অভিজ্ঞতা বা প্রশ্ন থাকলে মন্তব্যে জানান।**  


সম্পর্কিত আরও লেখা  পড়ুন

কিছু ইংরেজি শব্দ

 ⭕Nothing to do → কিছু করার নাই।

⭕Nothing to see → কিছু দেখার নাই।

⭕Nothing to say → কিছু বলার নাই।


⭕No need to eat → খাওয়ার প্রয়োজন নাই।

⭕No need to say →  বলার প্রয়োজন নাই।

⭕No need to see →  দেখার প্রয়োজন নাই।


⭕please come →  অনুগ্রহ করে আসুন।

⭕Please read → অনুগ্রহ করে পড়ুন।

⭕Please listen →  অনুগ্রহ করে শুনুন।


⭕Go to Dhaka →  ঢাকা যাও।

⭕Go to macca →  মক্কায় যাও।

⭕Go to China → চায়নায় যাও।


⭕Don't go to Dhaka → ঢাকায় যেও না।

⭕Don't go to China →  চায়নায় যেও না।


⭕To read → পড়তে।

⭕To know → জানতে।

⭕To play → খেলতে।

⭕To write →  লিখতে।


⭕practice reading → পড়ার চর্চা করো।

⭕Practice writing → লেখার চর্চা করো।

⭕Practice playing → লেখার চর্চা করো।


⭕Let me eat →  আমাকে খেতে দাও।

⭕Let me do → আমাকে করতে দাও।

⭕Let me say → আমাকে বলতে দাও।


⭕It is bad to say → এটা বলা খারাপ।

⭕It is bad to see → এটা দেখা খারাপ।

⭕It is bad to listen → এটা শুনা খারাপ।


⭕Something to do → কিছু করার আছে।

⭕Something to say → কিছু বলার আছে।

⭕Something to eat → কিছু খাওয়ার আছে।


⭕Let's not do it →  চলো আমরা এটা না করি।

⭕Let's not see it → চলো আমরা এটা না দেখি।

⭕Let's not eat it →  চলো আমরা এটা না খাই।


⭕It is time to eat →  এখন খাওয়ার সময় হয়েছে।

⭕It is time to go → এখন যাওয়ার সময় হয়েছে।

⭕It is time to recite →  এখন তেলাওয়াতের সময় হয়েছে।


⭕Try to say →  বলার চেষ্টা করো।

⭕Try to learn → শেখার চেষ্টা করো।

⭕Try to listen →  শোনার চেষ্টা করো।


7

বিভিন্ন রকম সুস্বাদু সস তৈরি রেসিপি দেওয়া হয়েছে 

 🥫😋 বিভিন্ন রকম সুস্বাদু সস তৈরি রেসিপি দেওয়া হয়েছে 🥫


১. চকলেট সস


উপকরণ:

- ১ কাপ চকলেট চিপস (ডার্ক বা মিল্ক)

- ১/২ কাপ দুধ

- ২ টেবিল চামচ চিনি

- ১ টেবিল চামচ মাখন


প্রণালী:

1. একটি প্যানে দুধ এবং চিনি মিশিয়ে হালকা আঁচে গরম করুন।

2. দুধ গরম হয়ে গেলে, চকলেট চিপসগুলো যোগ করুন এবং ভালো করে মিশিয়ে নিন।

3. মাখন যোগ করে কিছু সময় কষাতে থাকুন যতক্ষণ না সসটি মসৃণ হয়ে আসে।

4. চকলেট সস প্রস্তুত। এটি আইসক্রিম, কেক বা প্যানকেকের সাথে পরিবেশন করতে পারেন।


-------------------------🥫😋❣️-----------------------


২. লেমন বাটার সস


উপকরণ:

- ১/৪ কাপ লেবুর রস

- ১/৪ কাপ মাখন

- ২ টেবিল চামচ মধু বা চিনি

- ১ চা চামচ লবণ

- ১/২ চা চামচ মরিচ গুঁড়া


প্রণালী:

1. একটি প্যানে লেবুর রস, মাখন, মধু, লবণ এবং মরিচ গুঁড়া মিশিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করুন।

2. মাখন গলে গেলে সসটি ভালোভাবে মিশিয়ে কিছু সময় রান্না করুন যতক্ষণ না সসটি কিছুটা ঘন হয়।

3. সসটি তৈরি হয়ে গেলে গরম গরম পরিবেশন করুন।


--------------------------🥫😋❣️-----------------------


৩. রেড চিলি সস


উপকরণ:

- ৫-৬টি শুকনো লাল মরিচ

- ২টি রসুনের কোয়া

- ১ টেবিল চামচ চিনি

- ১ টেবিল চামচ ভিনেগার

- ১/২ কাপ পানি

- লবণ স্বাদ অনুযায়ী


পণালী:

1. শুকনো মরিচগুলো ১০-১৫ মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।

2. মরিচগুলো ভিজে গেলে, রসুন, চিনি, ভিনেগার, লবণ এবং পানি দিয়ে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।

3. একটি প্যানে মিশ্রণটি কিছু সময় রান্না করুন যতক্ষণ না সসটি ঘন হয়।

4. রেড চিলি সস তৈরি হয়ে গেলে গরম বা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।


--------------------------🥫😋❣️-----------------------


৪. হোয়াইট সস (বেশি করে বেচেল সস)


উপকরণ:

- ২ টেবিল চামচ মাখন

- ২ টেবিল চামচ ময়দা

- ১ কাপ দুধ

- ১/২ চা চামচ লবণ

- ১/৪ চা চামচ সাদা মরিচ গুঁড়া


প্রণালী:

1. একটি প্যানে মাখন গলিয়ে নিন।

2. মাখন গললে ময়দা যোগ করুন এবং হালকা আঁচে ২ মিনিট মেশান।

3. ধীরে ধীরে দুধ যোগ করে ভালো করে ফেটিয়ে নিন যাতে কোনো গুটি না পড়ে।

4. সাদা মরিচ গুঁড়া এবং লবণ যোগ করে সসটি ঘন হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।

5. সসটি পরিবেশন করুন।


--------------------------🥫😋❣️-----------------------


৫. কাঁচা মরিচের সস


উপকরণ:

- ৫টি কাঁচা মরিচ (স্বাদ অনুযায়ী বাড়াতে পারেন)

- ২ টেবিল চামচ ভিনেগার

- ১/৪ কাপ পানি

- ১ টেবিল চামচ চিনি

- লবণ স্বাদ অনুযায়ী


প্রণালী:

1. কাঁচা মরিচগুলো ভালোভাবে ধুয়ে কেটে ফেলুন।

2. মরিচ, পানি, ভিনেগার, চিনি এবং লবণ একটি ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করুন।

3. পেস্টটি একটি প্যানে নিয়ে কয়েক মিনিট রান্না করুন।

4. সসটি ঘন হলে, ঠাণ্ডা করে সসটি পরিবেশন করুন।


এগুলো সবই সহজে তৈরি করা যায় এবং আপনি এগুলো বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে উপভোগ করতে পারেন।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...