এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস : দক্ষিণ এশিয়া

 ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস : দক্ষিণ এশিয়া

• প্রস্তর যুগ ৫০,০০০-৩৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• মেহেরগড় ৭০০০-৩৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• হরপ্পা ও মহেঞ্জদর সভ্যতা ৩৩০০-১৭০০খ্রীষ্টপূর্ব

• হরপ্পা সংস্কৃতি ১৭০০-১৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

. বৈদিক যুগ ১৫০০-৫০০ খ্রীষ্টপূর্ব

. লৌহ যুগ ১২০০-৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• ষোড়শ মহাজনপদ ৭০০-৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• মগধ সাম্রাজ্য ৫৪৫খ্রীষ্টপূর্ব

• মৌর্য সাম্রাজ্য ৩২১-১৮৪খ্রীষ্টপূর্ব

• মধ্যকালীন রাজ্যসমূহ ২৫০ খ্রীষ্টপূর্ব

• চোল সাম্রাজ্য ২৫০খ্রীষ্টপূর্ব

• সাতবাহন সাম্রাজ্য  ২৩০খ্রীষ্টপূর্ব

• কুষাণ সাম্রাজ্য৬০-২৪০ খ্রীষ্টাব্দ

• বাকাটক সাম্রাজ্য ২৫০-৫০০ খ্রীষ্টাব্দ

• গুপ্ত সাম্রাজ্য ২৮০-৫৫০ খ্রীষ্টাব্দ

• পাল সাম্রাজ্য ৭৫০-১১৭৪ খ্রীষ্টাব্দ

• রাষ্ট্রকুট ৭৫৩-৯৮২

• ইসলামের ভারত বিজয় ৭১২

• সুলতানী আমল ১২০৬-১৫৯৬

• দিল্লি সালতানাত ১২০৬-১৫২৬

• দক্ষিণাত্য সালতানাত ১৪৯০-১৫৯৬

• হৈসল সাম্রাজ্য ১০৪০-১৩৪৬

• কাকতীয় সাম্রাজ্য ১০৮৩-১৩২৩

• আহমন সাম্রাজ্য ১২২৮-১৮২৬

. বিজয়নগর সাম্রাজ্য ১৩৩৬-১৬৪৬

. মুঘল সাম্রাজ্য ১৫২৬-১৮৫৮

. মারাঠা সাম্রাজ্য ১৬৭৪-১৮১৮

. শিখ রাষ্ট্র ১৭১৬-১৮৪৯

. শিখ সাম্রাজ্য ১৭৯৯-১৮৪৯

. ব্রিটিশ ভারত ১৮৫৮–১৯৪৭

. ভারত ভাগ ১৯৪৭

. স্বাধীন ভারত ১৯৪৭–বর্তমান 

. জাতীয় ইতিহাসঃ

. বাংলাদেশ • ভুটান • ভারত

. মালদ্বীপ • নেপাল • পাকিস্তান • শ্রীলঙ্কা

. আঞ্চলিক ইতিহাস

. আসাম • বেলুচিস্তান • বঙ্গ

. হিমাচল প্রদেশ • উড়িষ্যা • পাকিস্তানের অঞ্চল সমূহ

. পাঞ্জাব • দক্ষিণ ভারত • তিব্বত

. বিশেষায়িত ইতিহাস

. টঙ্কন • রাজবংশ • অর্থনীতি ভারততত্ত্ব

• ভাষাবিজ্ঞানের ইতিহাস • সাহিত্য • নৌসেনা

• সেনা • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি • সময়রেখা

এই বাক্সটি: দেখুনসম্পাদনা

এই নিবন্ধটি ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পূর্ববর্তী ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস-সম্পর্কিত। ১৯৪৭-পরবর্তী ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ইতিহাস নিবন্ধটি। এছাড়া পাকিস্তান বা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন যথাক্রমে পাকিস্তানের ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস। দক্ষিণ ভারত, অবিভক্ত বাংলা ও পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন যথাক্রমে দক্ষিণ ভারতের ইতিহাস, বাংলার ইতিহাস ও পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস।

অব্যবহিত পরবর্তীতেই একাধিক বৈদেশিক শাসনে আওতায় চলে আসে উত্তর-পূর্বের এই অঞ্চল। এগুলির মধ্যে ৫৪৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ প্রতিষ্ঠিত হখামনি পারসিক সাম্রাজ্য ৩২৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ মহামতি আলেকজান্ডারের রাজত্বকাল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া পাঞ্জাব ও গান্ধার অঞ্চলে ব্যাকট্রিয়ার প্রথম ডিমেট্রিয়াস কর্তৃক ১৮৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে স্থাপন করেন ইন্দো-গ্রিক রাজ্য। প্রথম মিনান্ডারের আমলে গ্রিকো-বৌদ্ধ যুগে এই রাজ্য বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির চরমে পৌঁছায়।


খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় ও চতুর্থ শতাব্দীতে মৌর্য সাম্রাজ্যের অধীনে উপমহাদেশে রাজনৈতিক ঐক্য সাধিত হয়। পরবর্তী দশ শতাব্দীকালে একাধিক ক্ষুদ্রকায় রাজ্য ভারতের বিভিন্ন অংশ শাসন করে। চতুর্থ খ্রিষ্টাব্দে উত্তর ভারত পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হয় এবং পরবর্তী প্রায় দুই শতাব্দীকাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের যাবৎ এই ঐক্য বজায় থাকে। এই যুগটি ছিল হিন্দুধর্মসংস্কৃতির পুনর্জাগরণের কাল। ভারতের ইতিহাসে এই যুগ "ভারতের সুবর্ণ যুগ" নামে অভিহিত । এই সময় ও পরবর্তী কয়েক শতাব্দীতে দক্ষিণ ভারতে রাজত্ব করেন চালুক্য, চোল, পল্লব ও পাণ্ড্য রাজন্যবর্গ। তাদের রাজত্বকাল দক্ষিণ ভারতের নিজস্ব এক সুবর্ণ যুগের জন্ম দেয়। এই সময়ই ভারতীয় সভ্যতা, প্রশাসন, সংস্কৃতি তথা হিন্দু ও বৌদ্ধধর্ম এশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ৭৭ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ কেরলের সঙ্গে রোমান সাম্রাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্যের কথাও জানা যায়।


৭১২ খ্রিষ্টাব্দে আরব সেনানায়ক মুহাম্মদ বিন কাশিম দক্ষিণ পাঞ্জাবের সিন্ধ ও উত্তর পাঞ্জাবের মুলতান অধিকার করে নিলে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমান শাসনের সূচনা ঘটে।এই অভিযানের ফলে দশম থেকে পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে মধ্য এশিয়া থেকে সংগঠিত একাধিক অভিযানের ভিত্তিভূমি সজ্জিত করে। এরই ফলস্রুতিতে ভারতীয় উপমহাদেশে দিল্লি সুলতানি ও মুঘল সাম্রাজ্যের মতো মুসলমানি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়। মুঘল শাসনে উপমহাদেশের প্রায় সমগ্র উত্তরাঞ্চলটি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। মুঘল শাসকরা ভারতে মধ্যপ্রাচ্যের শিল্প ও স্থাপত্যকলার প্রবর্তন ঘটান। মুঘলদের সমকালেই দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্ব পশ্চিম ভারতে বিজয়নগর সাম্রাজ্য, অহোম রাজ্য এবং বাংলা, মারাঠা সাম্রাজ্য ও একাধিক রাজপুত রাজ্যের মতো বেশ কিছু স্বাধীন রাজ্যের উন্মেষ ঘটে। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ধীরে ধীরে মুঘলদের পতন শুরু হয়। এর ফলে আফগান, বালুচ ও শিখরা উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম হয়।অবশেষে ব্রিটিশরা সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার উপরে নিজেদের শাসন কায়েম করে।


অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে ও পরবর্তী শতাব্দীতে ধীরে ধীরে ভারত ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীনে চলে যায়। ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের নামে অভিহিত সিপাহী বিদ্রোহেরপ্রেক্ষিতে কোম্পানির শাসনে অসন্তুষ্ট ব্রিটিশ সরকার সরাসরি ভারতকে ব্রিটিশ রাজের প্রত্যক্ষ শাসনে নিয়ে আসেন। এই সময়টি ছিল ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অবনমনের এক অধ্যায়। যদিও পাশ্চাত্য আধুনিক শিক্ষার প্রসার এই যুগেই বাংলার মাটিতে নবজাগরণের জন্ম দেয়।


বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দেশব্যাপী এক স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেয়। অবশেষে, ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ গ্রেট ব্রিটেনের অধীনতাপাশ ছিন্ন করে ধর্মের ভিত্তিতে ভারত বিভক্ত হয়। উপমহাদেশের পূর্ব ও পশ্চিমাংশের মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চলগুলি নিয়ে পাকিস্তান ও অবশিষ্ট অঞ্চল ভারতীয় প্রজাতন্ত্র নামে পরিচিত হয়। পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চল ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে আত্ম-প্রতিষ্ঠা করে।


প্রাগৈতিহাসিক যুগ

বৈদিক ও বেদোত্তর যুগঃ


লিচ্ছবি রাজ্যের রাজধানী বৈশালী। লিচ্ছবি ছিল অরোয়াদের পর পৃথিবীর দ্বিতীয় গণতান্ত্রিক রাজ্য।

বৈদিক সংস্কৃতে মৌখিকভাবে রচিত হিন্দুদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ বেদকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আর্য সভ্যতাই ছিল বৈদিক যুগের ভিত্তি। বেদ বিশ্বের প্রাচীনতম প্রাপ্ত গ্রন্থগুলির অন্যতম। এই গ্রন্থ মেসোপটেমিয়া ও প্রাচীন মিশরের ধর্মগ্রন্থগুলির সমসাময়িক। বৈদিক যুগের সময়কাল ১৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ। এই সময়েই হিন্দুধর্ম ও প্রাচীন ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপাদানের মূল ভিত্তিগুলি স্থাপিত হয়। গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলকে কেন্দ্র করে সমগ্র উত্তর ভারতে বৈদিক সভ্যতাকে ছড়িয়ে দেয় আর্যরা। ভারতীয় উপমহাদেশে ইন্দো-আর্যভাষী উপজাতিগুলির অনুপ্রবেশের ফলে প্রাগৈতিহাসিক পরবর্তী হরপ্পা সভ্যতার পতন ঘটে এবং বিদ্যমান স্থানীয় সভ্যতার উপরেই স্থাপিত হয় বৈদিক সভ্যতা। স্থানীয় বাসিন্দারা আর্যদের কাছে দস্যু নামে পরিচিত হয়।


আদি বৈদিক সমাজ ছিল গ্রামকেন্দ্রিক। ফলত এই যুগে পরবর্তী হরপ্পা সভ্যতার নগরায়ণের ধারণাটি পরিত্যক্ত হয়।ঋগ্বেদোত্তর যুগে, আর্য সমাজ অধিকতর কৃষিভিত্তিক হয়ে পড়ে এবং এই সময়েই সমাজে বর্ণাশ্রম প্রথার উদ্ভব ঘটে। মনে করা হয়, হিন্দুদের আদি ধর্মগ্রন্থ বেদ ছাড়াও সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ ও মহাভারতের আদি সূত্রগুলি এই যুগেই নিহিত ছিল। বিভিন্ন পুরাতাত্ত্বিক খননের ফলে প্রাপ্ত মৃৎপাত্রগুলিতে আদি ইন্দো-আর্য সভ্যতার কিছু নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া যায়। প্রাচীন ভারতের কুরু রাজ্যে,  কৃষ্ণ ও রক্ত ধাতব ও চিত্রিত ধূসর ধাতব সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়। ১০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে উত্তর-পশ্চিম ভারতে লৌহ যুগের সুচনা হয়। এই সময়ে রচিত অথর্ববেদে প্রথম লৌহের উল্লেখ মেলে। উক্ত গ্রন্থে লৌহকে "শ্যাম অয়স" বা কালো ধাতু বলে চিহ্নিত করা হয়। চিত্রিত ধূসর ধাতব সভ্যতা উত্তর ভারতে ১১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।বৈদিক যুগেই ভারতে বৈশালীর মতো একাধিক গণরাজ্য স্থাপিত হয়। এগুলি খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দী এমনকি কোনো কোনো অঞ্চলে চতুর্থ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্তও স্থায়ী হয়েছিল। এই যুগের পরবর্তী পর্যায়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে রাজ্যস্থাপন ও রাজ্যবিস্তারের সংগ্রাম শুরু হয়। এই রাজ্যগুলিই পরিচিত হয় মহাজনপদ নামে।


পাদটীকা: ইতিহাস সম্পর্কিত লেখাগুলো বিভিন্ন সুত্র থেকে সংগৃহীত।




আমাদের গোয়াল ঘর,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "এই হিসাব যদি মাথায় ডুকাতে পারেন তাহলে দুধের গাভীর খামার করে কখনো লসে পড়বেন না,তবে এলাকা ভিত্তিক দুধের চাহিদা ও দাম ঠিক থাকতে হবে,


 *ধরুন একটি গাভীর ওজন ৪০০ কেজি এবং সে দুধ দেয় ১৪ কেজি,


 *তাহলে এই গাভীকে কত কেজি দানাদার দিতে হবে?

উত্তরঃ সাত কেজি + 


*কত কেজি ঘাস দিতে হবে ?

উত্তরঃ ২০ কেজি + 


*এই গাভীর জন্য কত মেঘাজুল শক্তি দরকার?

উত্তর ১১০ মেঘাজুল,


*কত গ্রাম প্রোটিন দরকার?

উত্তরঃ ১৮০০ গ্রাম,


*এক কেজি উন্নত মানের ঘাসে কত মেঘাজুল শক্তি থাকে?

উত্তরঃ ২ মেঘাজুল,

২০*২=৪০ মেঘাজুল,


*এক কেজি দানাদারে কত মেঘাজুল শক্তি থাকে?

উত্তর ১০ মেঘাজুল,

১০*৭=৭০ মেঘাজুল,


*এক কেজি উন্নত মানের ঘাসে কত গ্রাম প্রোটিন থাকে?

উত্তরঃ ১৩ -২০ গ্রাম বা %

২০*২০= ৪০০ গ্রাম


*এক কেজি দানাদারে কত গ্রাম প্রোটিন থাকে?

উত্তরঃ ২০০ গ্রাম,

২০০*৭=১৪০০গ্রাম,


*১০০ কেজি বডি ওয়েটের জন্য কত মেঘাজুল শক্তি দরকার?

উত্তরঃ ১০ মেঘাজুল,

১০*৪=৪০ মেঘাজুল,


*এক কেজি দুধের জন্য কত মেঘাজুল শক্তি দরকার?

উত্তরঃ ৫ মেঘাজুল,

১৪*৫=৭০ মেঘাজুল,


*১০০ কেজি ওজনের জন্য কত গ্রাম প্রোটিন দরকার?

উত্তরঃ ১০০ গ্রাম,

৪০০ কেজি বডি ওয়েট=৪০০গ্রাম প্রোটিন,


*এক কেজি দুধের জন্য কত গ্রাম প্রোটিন দরকার?

উত্তরঃ ১০০ গ্রাম,

১০০*১৪=১৪০০ গ্রাম প্রোটিন,


শুকনো খড় কম দিলেও হবে,কারন এতে প্রোটিন মাত্র ৩ %,অথচ এর দাম কেজি প্রতি ২০-২২ টাকা,


অপর দিকে কাঁচা ঘাসে প্রোটিন থাকে ১৩-২০ % গ্রাম,অথচ নিজে চাষ করলে এর দাম পড়ে কেজি প্রতি মাত্র ২ টাকা,অথবা সামান্য কম বেশি হতে পারে,


লক্ষ করে দেখুন ২০ টাকার খড়ে পেলেন মাত্র ৩ গ্রাম প্রোটিন,আর ২ টাকার ঘাসে পেলেন ১৩-২০ % বা গ্রাম প্রোপিন,


আপনি যদি এই গাভীকে ২০ কেজির জায়গায় ২৫ কেজি বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ কাঁচা ঘাস দিতে পারেন তাহলে আপনার এই গাভীকে ৬ কেজি দানাদার দিলেও চলবে,এটি প্রমানিত,তাহলে আপনার খরচ কিছুটা কমে আসবে,এখানেই খামারের আসল লাভ,যে ভাবে পারেন খরচ কমাতে হবে,


এই হিসাব নিয়ে কারো অমত থাকলে জানাবেন,সংশোধন করে নেব,


শেয়ার করে নিজের টাইম লাইনে রেখে দিন।

ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার করবেন

 

আমাদের গোয়াল ঘর

গরুর খামারের এই প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জেনে রাখা জরুরী...!! 

 গরুর খামারের এই প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জেনে রাখা জরুরী...!! 

খামার করে কস্টিং খরচ যতো কমিয়ে রাখতে পারবেন ততটাই কিন্তু লাভের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।

তার জন্য কিছু কিছু দিক আমাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে😃😃


১.গরুর চোখের ভাষা বুঝতে হবে, নিয়মিত খাবার খাচ্ছে কিনা, জাবর কাটা ও শারীরিক কোন সমস্যা আছে কিনা এরপরে  প্রতি মাসে কতটুকু মাংস বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। 


২.ফার্মে অবশ্যই থার্মোমিটারের ব্যবস্থা রাখতে হবে, যেকোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে জ্বর সাধারণত ১০৪°/১০৮° পর্যন্ত হয়ে থাকে।

 

৩.নিজেকে অবশ্যই প্রাথমিক চিকিৎসা গুলো জানতে হবে, আর কোনগরু আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে আলাদা রাখতে হবে। 

৪.আমরা অনেকেই কৃমির ডোজ সম্পন্ন করতে অনিহা প্রকাশ করি, অবশ্যই গবাদিপশুর গোবর পরীক্ষা করে নিয়মিত ৩/৪ মাস পর পর ক্রিমির ডোজ সম্পন্ন করতে হবে। 

৫.ফার্মের রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই অবশ্যই ভ্যাকসিন করতে হবে। টিকার ডোজ  সম্পূর্ণ করা থাকলে ফার্মে অনেক রোগ বালাই কম হয়। 


৬.মোটাতাজাকরণ আর গাভী গরু হোক পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁচা ঘাস খাওয়াতে হবে, এতে আপনার দানাদার খাবার খরচ অনেক কম হবে।


৭.১২ থেকে ১৫ টি গরুর নিচে রাখাল রাখা যাবে না, পাঁচটি গাভির জন্য একটি রাখাল তা না হলে আপনার ফার্মের কস্টিং খরচ অনেক বেড়ে যেতে পারে। 


৮.ফার্ম নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং এবং গরুকে ১০ ঘণ্টা খাবার দিতে হবে এবং ১৪ ঘন্টা রেস্ট করতে দিতে হবে তাহলে পর্যাপ্ত পরিমাণ জাবর কাটবে এবং হজম শক্তি ভালো হবে এবং গরুকে ভয় দেখানো যাবেনা। 


৯.জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ফার্মে বাহিরে লোক প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না বিশেষ করে যাদের গরু আছে, কারণ ব্যক্তির মাধ্যমে রোগ জীবাণু ছড়াতে পারে। 


১০.নিয়মিত দুই থেকে তিন বেলা গরুর জন্য সাদা ফ্রেশ পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে কারণ গবাদিপশু সুস্থ রাখতে রাখতে পানির কোন বিকল্প নাই। 

১১.রাত দশটার পর অবশ্যই ফার্মের প্রত্যেকটা গরু জাবর কাটছে কিনা,নাকের সামনের মাসলটা ভিজা কিনা,  শরীরের লোম দাঁড়ানো কিনা, পেটের মধ্যে গ্যাস হয়েছে কিনা এই সমস্ত বিষয় কিন্তু অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। 


সাধারণত এই বিষয়গুলো  খেয়াল করলে আমাদের ফার্ম অনেকটাই নিরাপদ এবং গবাদীপশু সুস্থ রাখতে পারব ইনশাআল্লাহ। 

ধন্যবাদ সবাইকে, প্রয়োজনের শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন। 


গবাদি পশুর সম্বন্ধে যেকোনো পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন।

জান্নাত ডেইরি ফার্ম 

০১৯৫৩-২০১৮০৪ ইমো হোয়াটসঅ্যাপ।

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

কিছু রান্না ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 হোয়াইট সস 

""""""""""""""""""'

উপকরণঃ

বাটার অথবা তেল-১ টেবিল চামচ,ময়দা -১ টেবিল চামচ,চিনি -১চা চামচ , তরল দুধ -১/২ কাপ,রসুন কুচি +গোল মরিচ গুঁড়া+লবন -১/৪ চা চামচ করে 


প্রণালীঃ-

প্যানে বাটার গলে যাওয়ার পর ময়দা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে যোগ করতে হবে রসুন কুচি, গোল মরিচ গুঁড়া,লবন, চিনি। এরপর তরল দুধ দিয়ে অনবরত নাড়তে হবে। ঘন ক্রিমের মতো হয়ে এলে নামিয়ে নিতে হবে।(চুলার আঁচ লো রাখতে হবে)


তেল,ডিম ছাড়া শর্মা সস

"""""""""""""""""""""""'""""""""""""'

উপকরণঃ

টক দই(পানি ঝরানো) - ১/২ কাপ,রসুন বাটা -১/৪ চা চামচ,গুঁড়ো দুধ - ১ টেবিল চামচ,সরিষা বাটা -১/৪ চা চামচ ,গোল মরিচ গুঁড়া - ২ চিমটি পরিমাণ,চিনি - দেড় চা চামচ (স্বাদ মতো),লবণ - স্বাদ বুঝে,টমেটো সস -২ থেকে ৩ টেবিল চামচ

**ঝাল বাড়াতে চাইলে অল্প মরিচ গুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন।


প্রণালীঃ-

সব গুলো উপকরণ একত্রে চামচের সাহায্যে ভালো ভাবে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিলেই শর্মা সস তৈরি।


**ব্লেন্ডার ব্যবহার করতে চাইলে সবগুলো উপকরণ ৩০-৪০ সেকেন্ডের মতো ব্লেন্ড করে নিলেই হবে, সেক্ষেত্রে রসুন আর সরিষা আস্ত দেওয়া যাবে।

**টমেটো সস, সরিষা বাটা বাদ দিয়ে একই ভাবে ব্লেন্ড করে মেয়োনিজ তৈরি করতে পারেন।


মেয়োনিজ

""""'"""""'"""""'

উপকরণঃ 

ডিম(নরমাল টেম্পারেচার) -১ টি,সয়াবিন তেল -১ কাপের মতো (ডিমের সাইজের উপর নির্ভর করবে),গোল মরিচ গুঁড়া -আধা চা চামচ, চিনি -২ চা চামচ ,লবন - কোয়ার্টার (১/৪) চা চামচ,সিরকা অথবা লেবুর রস - ১ টেবিল চামচ


প্রণালীঃ- 

ব্লেন্ডারে তেল ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে  ভালো ভাবে ৩০ সেকেন্ডের ব্লেন্ড করে, আস্তে আস্তে তেল ঢালতে হবে। তেল একবারে ঢালা যাবে না। থেমে থেমে ৪,৫ বারে ঢালতে হবে।২মিনিটের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে মেয়োনিজ।


***মেয়োনিজ ১ সপ্তাহের মতো নরমাল ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়।

***মেয়োনিজের পারফেক্ট কনসিস্টেন্সি বোঝার উপায় হলো- ব্লেন্ডার উপুড় করে ধরলে সাথে সাথে গড়িয়ে পড়বে না, পড়লে আরেকটু তেল দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।


বার্গার/শর্মা সস

"""""""""""""""""""""""

উপকরণঃ 

ডিম -১ টি,চিনি - ১ টেবিল চামচ,লবন - আধা চা চামচ,সাদা সরিষা বাটা - আধা চা চামচ,তেল -১ কাপ বা কিছু টা কম,রসুন কুচি -১ চা চামচ,সিরকা -১টেবিল চামচ,গোল মরিচ গুঁড়া - আধা চা চামচ, গুঁড়া দুধ -১ টেবিল চামচ (অপশনাল),টমেটো সস - ৪ টেবিল চামচ


প্রণালীঃ-

মেয়োনিজ এর মতো একই পদ্ধতিতে ব্লেন্ড করে টমেটো সস এ্যাড করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে শর্মা সস।


@followers

জীবনের এই তিনটি ধাপে দুঃখ করবেন না:

 জীবনের এই তিনটি ধাপে দুঃখ করবেন না:


(১) প্রথম ক্যাম্প: ৫৮ থেকে ৬৫ বছর


কর্মক্ষেত্র থেকে আপনি দূরে সরে যান।

আপনার ক্যারিয়ারে যত সফল বা ক্ষমতাবানই হোন না কেন, এই সময় আপনাকে একজন সাধারণ ব্যক্তি হিসেবেই দেখা হবে।

তাই পুরোনো চাকরি বা ব্যবসার মানসিকতা এবং শ্রেষ্ঠত্বের অনুভূতি আঁকড়ে ধরে রাখবেন না।


(২) দ্বিতীয় ক্যাম্প: ৬৫ থেকে ৭২ বছর


এই সময় সমাজ ধীরে ধীরে আপনাকে দূরে সরিয়ে দেয়।

বন্ধু-বান্ধব এবং সহকর্মীদের সংখ্যা কমতে শুরু করবে। আগের কর্মস্থলে হয়তো খুব কম মানুষই আপনাকে চিনবে।

"আমি আগে ছিলাম..." বা "আমার এক সময় ছিল..." এই কথাগুলি বলার প্রয়োজন নেই, কারণ তরুণ প্রজন্ম আপনাকে চেনার প্রয়োজন মনে করবে না। এতে দুঃখ করবেন না।


(৩) তৃতীয় ক্যাম্প: ৭২ থেকে ৭৭ বছর


এই পর্যায়ে, পরিবারও আপনাকে ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে দেয়।

আপনার সন্তান-সন্ততি বা নাতি-নাতনি যতই থাকুক, বেশিরভাগ সময় আপনি হয়তো সঙ্গীর সাথে বা একাই থাকবেন।

যখন তারা মাঝে মাঝে দেখা করতে আসে, সেটিকে স্নেহের প্রকাশ হিসেবে দেখুন।

তারা কম দেখা করার জন্য তাদের দোষারোপ করবেন না, কারণ তারা তাদের জীবনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত।


এবং ৭৭-এর পর থেকে,

পৃথিবী আপনাকে ধ্বংস করতে চায়।

এই সময়ে মন খারাপ বা দুঃখ করবেন না, কারণ এটি জীবনের শেষ ধাপ, এবং সবাই একদিন এই পথেই যাবে।


তাই যতদিন শরীর সুস্থ থাকে, জীবনটাকে আনন্দে পূর্ণ করে তুলুন।


আপনার যা ভালো লাগে তা খান,

পান করুন, খেলুন, এবং যা ইচ্ছে তাই করুন।


সুখে থাকুন, আনন্দে জীবন কাটান।


প্রিয় প্রবীণ নাগরিক বন্ধু ও বোনেরা,


উপরের লেখা লেখক অত্যন্ত সুন্দরভাবে লিখেছেন।

লেখকের জন্য অনেক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন।


৫৮-এর পর বন্ধুদের একটি গ্রুপ তৈরি করুন এবং মাঝে মাঝে নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময়ে মিলিত হন। টেলিফোনের মাধ্যমে সংযোগ বজায় রাখুন। পুরোনো জীবনের স্মৃতি শেয়ার করুন এবং একে অপরের সাথে আনন্দ ভাগ করুন।


সবসময় সুখে থাকুন। 💖💖


©

শিরোনামহীন,               শ্রাবন্তী জয়া দত্ত,

 শিরোনামহীন,

              শ্রাবন্তী জয়া দত্ত,


অল্প কথায় ,অল্প ভাললাগা,অল্প

প্রেমে পড়া,বেশ কিছুদিন মনের আয়নায় তার 

যখন তখন উপস্থিতি , কিছুটা হলেও বাড়তি অক্সিজেন  প্রতিদিনের জীবনে,,,,,

যে মানুষ টি সকাল  থেকে রাত অব্দি ঘরের দেয়ালে টাঙানো আয়নায় ভালোভাবে দেখা না 

নিজেকে,খানিক টা অন্যের অবহেলায় ,খানিক টা

নিজের অবহেলায় অযত্ন কে ই প্রাধান্য দিয়ে আসে 

দিন ,মাস বছর ধরে,

সে হঠাৎ করেই আয়নায় দাঁড়িয়ে বহুক্ষণ  দেখে নিজেকে, মনে অল্প খুশি র ঠান্ডা হয়ে দোল দিচ্ছে,

নিজের কাছেই সে  অবাক হয়ে যায়,,,,।


চুপচাপ গম্ভীর অথবা খিটখিটে মেজাজের মানুষ টি  আজ হঠাৎ করেই বদলাচ্ছে,বদল ঘটছে তার

মন,শরীরে আচার আচরণ কথা বার্তায়,,,,

কাজের ফাঁকে ,কিংবা রান্নার ফাঁকে সে খুন্তি নাড়তে নাড়তে হঠাৎ করেই প্রিয় গানের কয়েক টা 

লাইন গুন গুন করে গিয়ে যাচ্ছে অকপটে,,,,

এই অল্প কথায় ,অল্প ভাল লাগা,অল্প অল্প কল্পনা 

মনের ক্যানভাসে  এঁকে যায় নানান রঙের রামধনু,

এটাই চায় একটি মন আরেকটি মনের কাছে,,,।


চারটে দেয়াল মানেই নয় তো ঘর,

আমি আর তুমি কেন বদলে যাচ্ছি,দুরত্ব কেন বাড়ছে,পাশাপাশি বসে থাকা মন কেন  একসঙ্গে

কথা বলে না,কেন ঘোর  বর্ষা, কিংবা হেমন্তের ভোরের কুয়াশা  আমাদের মন কে ছুঁয়ে যায় না,,,

বসন্ত কে কেন উপভোগ করিনা দুজনে,,,

তবে কি এই অল্প অল্প টুকটাক কথার প্রেম কি চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছে,

আরে প্রেম যদি নাও হয়, আমারা তো ভালো বন্ধু হতে পারি,

হতে পারি একে অপরের অল্প কথা বলার সঙ্গী,

চাই না ওই আলমারির ভিতরে থরে থরে জমে থাকা শাড়ি ,জামাকাপড়ের মতো শত শত কথা,

একটু অল্প কথা বলা হলেই যথেষ্ট ,

কিন্তু কথাগুলো হবে একটু আধটু রোমান্টিক,

না না তোমাকে কিছু করতে হবে না,

অল্প কথার দল আমায় আবার নতুন করে বাঁচাতে শেখাবে, আনন্দ ও খুশি থাকবে আমার দুই ধারে,

ঠোঁটে কোণে লেগে থাকবে একটু মিষ্টি হাসি,

আর মোবাইলে নয় সময় কাটাতে ইচ্ছে করবে 

তোমার পাশে বসে,,,।


অল্প অল্প  হাল্কা সাজ, চোখে কাজল,হাল্কা মেকাপ, ঠোঁটে লিপস্টিক,কপালে একটি টিপ ব্যাস,পরনে শাড়ি কিংবা চুড়িদার , হাতে ঘড়ি 

এই অল্প সাজে হেঁটে যাই তোমার সঙ্গে

ওই চেনা রাস্তা দিয়ে ওই টুকটাক দরকারি প্রয়োজনীয় কথা বলতে বলতে,,,,,।

এই জানো এই অল্প সময় টুকুই আজকের দিনের 

কিছুটা অক্সিজেন এনে দিল,,,

বেশি কিছু আমাদের চাহিদা নেই,,,

ব্যাস এতটুকু অল্প কথা ,অল্প ভালোবাসা দিলেই

আমারা উজাড় করে দিতে পারি সবকিছু,,

অল্প চাহিদায় বেঁচে আছে কোটি কোটি  প্রাণ 

শুধু একটু আপনজনদের ভালোবাসা পাবার 

অপেক্ষায়।।

দোস্ত মালটা কে রে? রাফি:জানিনা। এলাকায় নতুন মনে হয়.... -আরে বাল রোজই তো ব্রীজে বসে কলেজ ছুটির টাইমে আড্ডা দেই

 দোস্ত মালটা কে রে?

রাফি:জানিনা। এলাকায় নতুন মনে হয়....

-আরে বাল রোজই তো ব্রীজে বসে কলেজ ছুটির টাইমে আড্ডা দেই। কিন্তু এই কালারের বোরকা পরা কোনো মেয়েকে তো দেখিনি, আজই প্রথম দেখলাম।

রাফি:যাই বল মালটা কিন্তু খাসা।

-মামা ফিগার দেখছিস? একদম উপরে ৩২ মাঝখানে ৩০ নিচে ৩৪।

রাফি: বলিসনা রে খাইতে ইচ্ছে করতেছে।

-এইযে সেক্সি ফিগারটা কে বানাইছে বয়ফ্রেন্ড? আমরা এলাকার ভাই আছি তো। আমাদের দিকে একটু নজর দাও। তুমি চাইলেই ৩২ কে ৩৬ করে দিতে পারবো।

.

সারাদিন বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজি করে ছেলেটা। স্কুল, কলেজের মেয়েদের ইভটিজিং করে। যাইহোক যে মেয়েগুলোকে একটু আগে ইভটিজিং করলো

তারা চলে যাওয়ার ১ ঘণ্টা পর রাজের ফোনে কল আসলো....

.

রাজের মা:বাবা তুই কই?

-কি হইছে মা? তোমার গলা এমন শোনাচ্ছে কেন, কান্না করছো কেন?

রাজের মা:রোজা আর নেই। -মানে....

ফোনের ওপাশ থেকে মায়ের মুখে কথাটা শোনার পরে আকাশ ভেঙ্গে পরে রাজের মাথায়। রোজা তার একমাত্র আদরের ছোট বোন। রোজা ওর কলিজার টুকরা। সেই রোজা নাকি মারা গেছে। রাজ এটা কেমনে মানবে? এক দৌড়ে বাসায় আসে রাজ। পুরো আঙ্গিনা লোকজনে ভর্তি। কান্নার রোল পরে গেছে। রাজ নিজেও কাঁদছে। হঠাৎ পাশে থাকা রাজের বন্ধু রাফি জিজ্ঞেস করে....

রাফি:এ্যান্টি কিভাবে কি হলো?

-জানিনা বাবা। কলেজ থেকে একটু আগে ফিরলো। কান্না করতে করতে ঘরে ঢুকে আর বের হলোনা আমার রোজা।

রাফি:রাজ ভেঙ্গে পরিসনা। রোজার ঘরে চল তো। নিশ্চয় কোনো ক্লু পাওয়া যাবে। রাফি আর রাজ সোজা রোজার ঘরে যায়। ঘরে গিয়ে দেখতে পায় রোজার পড়ার টেবিলে একটা চিরকুট বই চাপা দেয়া। রাজ সেটা হাতে নিয়ে পড়তে থাকে। চিরকুটে লেখা ছিল....

.

জানিস ভাইয়া আমাকে অনেকে তোর বিরুদ্ধে রিপোর্ট দিতো তুই নাকি খারাপ। তুই নাকি মেয়েদের ডিস্টার্ব করিস। জানিস সেদিন আমার বান্ধবী তন্নীর সাথে এটা নিয়ে ঝগড়া হইছিল। তন্নী আমার সাথে কথা বলেনা। কথা না বললে আমার

কি? কেন ও আমার ভাইয়ার নামে মিথ্যে বদনাম করবে? আমার ভাইয়া কি সেরকম নাকি? আমার ভাইয়া ভাল ভাইয়া। আমার ভাইয়া পৃথিবীর সেরা ভাইয়া। ভাইয়া বিশ্বাস কর উপরের এই কথাগুলো এখন থেকে ১ ঘণ্টা আগেও আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতাম। কিন্তু আমি ভুল ছিলাম রে ভাইয়া। ভাইয়া জানিস তোর দেয়া আমার জন্মদিনের সেদিনের ট্রিটের টাকাটা আমি নষ্ট করিনি। তোর জন্য একটা ঘড়ি কিনেছিলাম। ড্রেসিংটেবিলের ড্রয়ারে রাখা আছে। কিন্তু প্লিজ এটা পরিসনা। আমার হাতে কেনা কিছু পরার অধিকার তুই হারিয়ে ফেলছিস ১ ঘণ্টা আগে। ও হ্যাঁ আসল কথাই তো বলিনি আমি সেই টাকা দিয়ে একটা নতুন বোরকা কিনেছিলাম। তুই তো জানিস বোরকা আমি অনেক পছন্দ করি যাই হোক এসব কথা তোকে বলে আর লাভ নাই।

.

 কলেজ থেকে আসার সময় ব্রীজের উপর নতুন যে, মেয়েকে দেখে তুই মাল, সেক্সি বলেছিলি সেটা আমি ছিলাম রে ভাইয়া। তোর দেয়া টাকা দিয়ে কেনা নতুন বোরকা পরেছিলাম বলে তুই আমাকে চিনতে পারিসনি। কিন্তু আমি তোকে আজ চিনতে পেরেছি রে ভাইয়া। খুব ভাল করে চিনতে পেরেছি। ভাইয়া বিশ্বাস কর আমি মানতে পারতেছিনা রে। আমার ভাইয়া এমন? আমি তোর মুখের দিকে কিভাবে তাকাবো বল ভাইয়া? তুই ঐ মুখ দিয়ে কি কি বলছিস আমায়। ভাইয়া রে আমি পারবনা রে। আমি এই মুখ তোকে দেখাতে পারবনা রে ভাইয়া। আমি সেজন্য চলে যাচ্ছি অনেক দূরে চলে যাচ্ছি। তুই বলতিস না আমি তোর কলিজার টুকরা।

.

 ভাইয়া রে আমি তোর বোন তাই তোর কাছে আমি কলিজার টুকরা। কিন্তু আর যাদের ইভটিজিং করিস তারাও তাদের ভাইয়ের কাছে কলিজার টুকরা। ভাইয়া আমি জানি তুই আমাকে না চিনে এসব বলেছিস। প্লিজ ভাইয়া আর কোনদিন কাউকে এসব বলবিনা। আমি তো চলেই যাচ্ছি আমাকে আর ফিরে পাবিনা। সব

মেয়েদের মাঝে আমাকে খুজে নিস তোর বোন হিসেবে। জানি এখন তুই কাঁদতেছিস। কাঁদিসনা ভাইয়া। আমিও সারা রাস্তা কান্না করছি। ভাল থাকিস ভাইয়া, আমাকে ক্ষমা করে দিস।

                                                  ........শিক্ষা.........

নিজের বোন কলিজার টুকরা অন্যের বোন মাল। এমনটা নয় রে ভাই, চলেন দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাই। বোন তো বোনই হোক সেটা অন্যকারো বোন। ভাই হিসেবে আমাদের দায়িত্ব প্রতিটা বোনের নিরাপত্তা দেয়া।আর এখন উপলব্ধি করতে পারি ফেসবুকে কুড়িয়ে পাওয়া ছোট বড় দুই-একটা বোনের জন্য। নিরাপদ থাকুক প্রতিটি বোন.


কপি পোস্ট

পারভেজ শিশির ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ রবিবার ​ রিয়্যাক্‌টেন্টসঃ ওদের চার বোনের নাম… বুদ্ধি, বিচার, অভিজ্ঞতা ও সজ্ঞা— জ্ঞানদেবীর চতুর্মাত্রিক চোখের মণি; ​

 রিভার্সিব্যল রিয়্যাকশ্যন

— পারভেজ শিশির

১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ রবিবার

রিয়্যাক্‌টেন্টসঃ

ওদের চার বোনের নাম…

বুদ্ধি, বিচার, অভিজ্ঞতা ও সজ্ঞা—

জ্ঞানদেবীর চতুর্মাত্রিক চোখের মণি;

রিয়্যাক্‌শ্যনঃ

বুদ্ধি মেয়েটি জানে,

বিশুদ্ধ বুদ্ধিই হলো সার্বিক ও নিশ্চিত জ্ঞানের উৎস...

স্ব-ইন্দ্রিয় দ্বারাই সে বুঝতে পারে

এ জ্ঞান পরিবর্তনশীল,

‘এ জ্ঞান, এ বাহ্য জ্ঞান সীমাবদ্ধ,

স্বক্রিয় শুধু আত্মা...!'

অনেকগুলোর মধ্যে এর একটি গুণ – বুদ্ধি

সূর্য, ভিসুভিয়াস এবং লালন কি জানে,

এ জ্ঞান অসঠিক, অসঙ্গত এবং অযথার্থ?

জ্ঞানের প্রকৃত রূপ কি আদৌ দেখা সম্ভব, চর্মচক্ষু্তে, স্পর্শে...!

প্রাসাদ, মহাসমুদ্র, পর্বত

এ সবের ধারণা সাধারণ মানুষের নিকট প্রাঞ্জল নয়...

মনের বিভিন্ন ধারণার যোগ বিয়োগ গুন ভাগ থেকে,

পঙ্খীরাজ ঘোড়া, আলাদিনের প্রদীপ,

সোনার হরিণ অথবা স্বপ্নলোকের চাবি,

ইত্যাদির দুরাশাও তার মনে আসে না...

তার বদলে তার মনে অসাধারণ সব ধারণা ধাক্কা খায়,

সময়ের অসীমতা, শক্তির নিত্যতা, পরম আত্মা—

সূর্যোদয়াস্ত, দেহ-মাটি, একতারা...

এগুলো সুস্পষ্ট ও প্রাঞ্জল বলেই

স্ব্তঃসিদ্ধ এগুলো তার কাছে,

'স্পুন-রিভার অ্যানথোলোজি'র মতো সত্য-কথন...!

মিথ্যাচরণ মিশ্রিত নয়, একেবারে নির্ভেজাল জলের মত তরল।

ক্যাটালিস্টঃ

'ধুসর পথিক' মাসাধিক পুরোনো খবরের কাগজের টিস্যুটার,

ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাওয়া শব্দগুলো পড়ে...

“কোনো সত্যই সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ নয়,

হলে সে সত্যের কোনো অস্তিত্বই থাকেনা”

উপরে নীচে সে কয়েকবার মাথা নাড়ে।

অভিজ্ঞতা অন্য দুবোনের সাথে বুদ্ধিদিদির কথা শুনছিলো,

সে বলে বসলো,

“তুমি দাও আকার, আমি দিই উপাদান,

সময়বিহীন সাধনার তো কোনো মূল্যই নেই...”

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিবিহীন লালনকে

বুকের মধ্যে প্রতিপালন করো;

তুমিই হবে নিরবিচ্ছিন্ন অন্ধকার সমুদ্রে আলোক-স্তম্ভ,

দিক্‌হারা নাবিক তোমার উপর চোখ রাখবেই...!

অভিজ্ঞতার সংলাপ শেষ হতেই,

বিচার ও সজ্ঞার চোখ চাওয়া-চাওয়ি;

সাদা নীলাভ সুতীব্র আলোয় চারদিক থৈ থৈ করতে লাগলো…

প্রোডাক্‌ট্‌সঃ

সময় সময় এমন অবস্থাও ঘটে পৃথিবীতে,

হয় সুস্থীর থাকে অথবা অদর্শনযোগ্য গতিতে ছুটতে থাকে সব ধরণের কাল,, ভবিষ্যত-বর্তমান-অতীত...

সময় আসে মহাজগতের সীমানা প্রাচীর ছোঁয়ার, যেখানে বিলীন হয় সময়, সমর্পিত হয় কারো কাছে…

এক্সোস্পিরিচুয়্যেল এ্যানার্‌জিঃ

স্বাভিমান আত্মসমর্পণের প্রাচীরভেদী আন্তরিক মনোবাঞ্ছা পূরণের অভিপ্রায়ে প্রায়শঃই মানব-সন্তান প্রিয়োতি প্রিয়জনের অন্তরাত্মায় প্রতিঘাত করে থাকে, জানিনে এতে কোন্‌ কি ফলাফল আবির্ভূত হয়...! চেষ্টিত জ্ঞানেও সুরুচি হয় না, তবে কিভাবে কোথায় সেই পরমাকাঙ্ক্ষিত প্রভূর দরশন লব্ধ হবে, এই ভাবনায় কালাতিক্রান্ত হতে থাকে... মহাপ্রভূ, তুমি কখন দেবে তোমার অজানিত, চিরকালীন অভূতপূর্ব গৃহাশ্রয়, তবেই সকল মনোদৈহিক কাল-যন্ত্রণার অবসান হতে পারতো...!

একটি শিশিরের শব্দিতা প্রযোজনা © ২০২৪

চমৎকার ফাপা নলের মতো দেখতে চিমনির মতো স্থাপনাটি মুলত একটি আগ্নেয়ক্ষেত্র যা অগ্নুৎ্পাতের ফলে গঠিত অংশ৷ অপুর্ব সুন্দর এই আগ্নেয়ক্ষেত্রটি ইয়মেনের ধামার শহরের পূর্বেদিকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার অবধি বিস্তৃত। রহস্যময় আগ্নেয়ক্ষেত্রটিতে অসংখ্য স্ট্রাটোভোলকানো, লাভা প্রবাহ বিদ্যমান। ব্যাসাল্টিক লাভা প্রবাহ পুরোনো রাইওলিটিক প্রবাহর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে

 চমৎকার ফাপা নলের মতো দেখতে চিমনির মতো স্থাপনাটি মুলত একটি আগ্নেয়ক্ষেত্র যা অগ্নুৎ্পাতের ফলে গঠিত অংশ৷ অপুর্ব সুন্দর এই আগ্নেয়ক্ষেত্রটি ইয়মেনের ধামার শহরের পূর্বেদিকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার অবধি বিস্তৃত। রহস্যময় আগ্নেয়ক্ষেত্রটিতে অসংখ্য স্ট্রাটোভোলকানো, লাভা প্রবাহ বিদ্যমান। ব্যাসাল্টিক লাভা প্রবাহ পুরোনো রাইওলিটিক প্রবাহর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে । মুলত আগ্নেয়গিরিটি আরব উপদ্বীপের ১৯৩৭ সালে ঘটিত অগ্ন্যুৎপাতের জন্য দায়ী করা হয়। আগ্নেয়ক্ষেত্রের বিস্তৃত মাঠটি ইয়েমেনের রাজধানী শহর সানা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। ইয়েমেন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ। এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। সুউচ্চ পর্বতমালা ইয়েমেনের উপকূলীয় সমভূমিকে অভ্যন্তরের জনবিরল মরুভূমি থেকে পৃথক করেছে। মরুভূমির দেশ হওয়ায় ইয়েমেনের জনসংখ্যা একেবারেই অল্প। দেশের ভূমির অর্ধেকের বেশি অংশ বসবাসের অযোগ্য। এখানকার আরবেরা বেশির ভাগই গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাস করতে ভালবাসে। গবেষণা বলছে প্রাচীনকালে এখানে অনেকগুলি সমৃদ্ধ সভ্যতার অবস্থান ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে এলাকাটির গুরুত্ব হ্রাস পায় এবং এক হাজার বছরেরও বেশি সময় এটি একটি দরিদ্র ও অবহেলিত দেশ হিসেবে বিরাজ করছিল। বিংশ শতাব্দীর শেষে এসে এখানে খনিজ তেল আবিষ্কার হলে ইয়েমেনের অর্থনৈতিক উন্নতি ও জনগণের জীবনের মান উন্নয়নের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ১৯৯০ সালে ইয়েমেন আরব প্রজাতন্ত্র যেটি মুলত উত্তর ইয়েমেন এবং গণপ্রজাতন্ত্রী ইয়েমেন, যেটি মুলত দক্ষিণ ইয়েমেন দেশ দুইটিকে একত্রিত করে ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র গঠন করা হয়। সানা’আ ইয়েমেন প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। ইয়েমেনের পশ্চিমে লোহিত সাগর এবং দক্ষিণে এডেন উপসাগর। এটি আফ্রিকা মহাদেশ থেকে বাব এল মান্দেব প্রণালীর মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন। দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বে সৌদি আরব এবং পূর্বে ওমান অবস্থিত। সৌদি আরব ও ওমান ইয়েমেনের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ইয়েমেনের আয়তন ৫,২৭,৯৭০ বর্গকিমি। তবে আরব বসন্তের পর দেশটি দারিদ্র সীমার নিচে নেমে আসে। ২০১৭ সালে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দুর্ভিক্ষ হয়। বর্তমানে ইয়েমেন শাসকগোষ্ঠী তাদের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে কাজ করছে।


অনুবাদ ও গ্রন্থনা করেছেন: জুলফিকার, উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য তথ্য বাতায়ন থেকে।

শচীন দেববর্মণ, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় কে প্রশ্ন করলেন " কী রকম খাইলা"? ভানু প্রত্যুত্তরে জানালেন উপাদেয়।

 শচীন দেববর্মণ, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় কে প্রশ্ন করলেন " কী রকম খাইলা"? ভানু প্রত্যুত্তরে জানালেন উপাদেয়।

কর্তা শুনে বললেন " মুরগির মাংসটা কেমন খাইলা"?

ভানু আরও বিগলিত ভাবে উত্তর দিলেন " অপূর্ব এমন আর খাই নাই"। কথায় কথায় শচীন কর্তা জানালেন সেদিন ওই মাংস রান্না করেছিলেন ভারতীয় সংগীত জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র মহম্মদ রফি!


ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় শচীন দেব বর্মণের গান শুনতে ভালবাসতেন, চাকরি পাওয়ার পরে প্রথম মাসের বেতনে কিনে ফেলেছিলেন কর্তার গানের রেকর্ড। নিজের তখন গ্ৰামাফোন না থাকলেও দিদির ছিল ওই গ্ৰামোফোনে গান শুনতেন। ঘোর ইস্টবেঙ্গল সমর্থক উভয়েই। ইস্টবেঙ্গলের খেলা থাকলে মাঠে দুজনের দেখা কথাবার্তা হত। কর্তার সহধর্মিণী( মীরা) ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাসমেট। দুজনেই ঢাকার জগন্নাথ কলেজের পড়ুয়া। 


১৯৫৯-৬০ সালের কথা,ভানু তখন একটা ছবির জন্য বোম্বেতে দিন ১০- ১৫ ছিলেন। পরিচিত, ঘনিষ্ঠ, বাঙালিদের বাড়িতে নিমন্ত্রণ পেয়েছেন। একদিন দাদামণি( অশোককুমার) এর বাড়িতে গেলে তাঁর স্ত্রী না খাইয়ে ছাড়বেন না।  দাদামণি সেই সময় বাড়িতে না থাকলেও কিশোরকুমার এসেছিলেন। দাদামণির স্ত্রী শোভা বললেন " ভালোই হয়েছে, তুইও ভানুর সঙ্গে খেয়ে যা,আর ওকে যাবার পথে হোটেলে পৌঁছে দিস,দেখি রান্নার কতদূর হল"।


কিশোরকুমার, ভানুকে পরামর্শ দিলেন তাড়াতাড়ি পালিয়ে চলুন,বউদি সাতদিনের বাসি মাছ খাওয়াবে। সত্যিই সেইসময়ে ফ্রিজ খুব কম লোকের বাড়িতে ছিল। যদিওবা থাকত ফ্রিজে রেখে সাতদিন ধরে খাওয়ার রেওয়াজ ছিল না। দাদামনির বাড়িতে অবশ্য সাতদিনের বাসি মাছ খেতে হয়। তবে ভানুর কথায় তেমন বিস্বাদ লাগে নি ‌।


 

অন্য আর দিন  শচীন কর্তার বাড়িতে খাওয়ার নিমন্ত্রণ। অনেকক্ষণ আড্ডার পরে খাওয়া দাওয়া হল। শচীন দেববর্মণ ভানুর কাছে জানতে চাইলেন " কী রকম খাইলা"?

সহসা জবাব উপাদেয়।

কর্তা জানতে চাইলেন মুরগির মাংস কেমন হয়েছিল। ভানু জানালেন খুব ভাল খেয়েছেন। সব শুনে মুখ খুললেন শচীন কর্তা " কে রাঁধসে জানো"?

ভানু একটু আত্মবিশ্বাসী, নিশ্চয়ই মীরা! কারণ শচীন জায়া কে চিনতেন,সে ভাল রান্না করে । দুজনেই আগে থেকে দুজনকে চেনেন। কলেজে এক ক্লাসে পড়তেন। কিন্তু শচীন কর্তার জানালেন " না সকালে রফি আইসা রাইন্ধা দিয়া গ্যাসে "।


ভানু বিস্মিত,হতবাক ভারতের বিখ্যাত গায়ক মহম্মদ রফি তিনি মাংস রান্না করেছেন। শচীন কর্তা নিজের মুখে বললেন " রফিরে কইলাম কলকাতার থিইক্যা আমার অনেক দিনের পুরনো বন্ধু খাইতে আইবো,রফি শুইন্যা নিজেই রাইন্ধা দিয়া গ্যালো "।  

কিশোরকুমার সব জানতেন একদিন ভানুকে বলেই ফেললেন" আপনি অসাধ্য সাধন করেছেন - দাদামনি,শচীনদা এরা কাউকে কোন দিন খাইয়েছে বলে তো শোনা যায় না "।


#kishorekumar 


পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার,ভানু সমগ্ৰ সম্পাদনা গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়

#highlight  Abhijit Abhisinchan Roy

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...