এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

ইন্টারনেটের হোক সঠিক ব্যবহার নূরে আলম প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪,  অন্তর্জাল জ্ঞানের আধার।,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🟩🟥  ইন্টারনেটের হোক সঠিক ব্যবহার

নূরে আলম

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, 

অন্তর্জাল জ্ঞানের আধার। হাতের মুঠোয় এখন বিশ্বের তথ্য। তথ্যপ্রযুক্তির এই অগ্রগতি শিক্ষার্থীদের জন্য কল্যাণকর। তবে অতিরিক্ত ও অসচেতন ব্যবহার ডেকে আনতে পারে মারাত্মক ক্ষতি। লিখেছেন নূরে আলম


🟩🟥  ভারসাম্য আনো


চিরায়ত শিক্ষা, যেটি আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিখে থাকি ইন্টারনেট থেকে, প্রাপ্ত জ্ঞান তাকে প্রতিস্থাপন করতে পারে না। কারণ ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য আছে কিন্তু কোন তথ্য সত্য আর কোনটি মিথ্যা বা কোনটি কোন বয়সের মানুষের জন্য উপযোগী তা আমাদের শেখায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাগ্রহণকে অস্বীকার না করে বরং সে বিষয়কেই আরও বেশি করে জানতে ইন্টারনেটের সাহায্য নেওয়া যায়। এতে বাস্তবের শিক্ষা ও অন্তর্জালনির্ভর শিক্ষার মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় থাকবে।


🟩🟥  নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করো


ছাত্রজীবন হচ্ছে জীবনে নতুন কিছু শেখার শ্রেষ্ঠ সময়। ইন্টারনেটের ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন কিছু শিখতে পারো। হাতের কাছে ইউটিউব রয়েছে। এমন কোনো বিষয় নেই, যা সম্পর্কে ইউটিউবে ভিডিও নেই। গ্রাফিক ডিজাইন, ফটোশপের ব্যবহার, ভিডিও এডিটিং, সায়েন্স প্রজেক্ট নির্মাণ, ইংরেজিতে কথা বলা, ছবি আঁকা, সেলাইয়ের কাজ, রান্না শেখাসহ তোমার যা শিখতে ইচ্ছা করে তা সার্চ করে ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে শিখে নিতে পারো।

The Great Bangladesh 


🟩🟥  সংবাদপত্র পড়ো


দেশ, সমাজ ও বিশ্ব সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে সংবাদপত্র পড়ার কোনো বিকল্প নেই। ইন্টারনেট ব্যবহার করেও সংবাদপত্র পড়তে পারো। এজন্য যে পত্রিকা পড়তে চাও তার ই-পেপার ভার্সন সার্চ করলে সহজেই পেয়ে যাবে। এ ছাড়া প্রতিদিনের সাম্প্রতিকতম খবর জানতে পছন্দের নিউজপেপারের অনলাইন পোর্টালেও একবার করে ঢু মারতে পারো।


🟩🟥  পছন্দের বই পড়ো


ইন্টারনেটে নিজের পছন্দের বইয়ের নাম লিখে সার্চ করে বইয়ের পিডিএফ ভার্সন ডাউনলোড করে নিতে পারো। টেক্সট বই থেকে শুরু করে গল্প, কবিতা, উপন্যাস এবং আত্ম-উন্নয়নসহ অনেক বই খুঁজে পাবে। একটা চীনা প্রবাদে আছে, ‘একটা ভালো বই পড়া মানে নিজের বুকের ভেতর সবুজ বাগান স্থাপন করা’। তাই সরাসরি বই কিনতে না পারলেও ঘরে বসে ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে পড়তে পারো পছন্দের বই।


🟩🟥  ইন্টারনেট হোক নিরাপদ


ইন্টারনেটের ভালো ও মন্দ দুটো দিকই রয়েছে। মন্দ দিকটি পরিহার করে নিজেকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবে। বিভিন্ন রটনা সৃষ্টকারী তথ্য, বাজে ভিডিও বা অশ্লীল কনটেন্ট থেকে নিজেকে দূরে রাখবে। যেকোনো তথ্য শেয়ার করার আগে সেটি সত্য কি না যাচাই করে নেব। সত্যতা যাচাই ছাড়া হুজুগে পড়ে কোনো তথ্য শেয়ার করবে না।


🟩🟥  অযথা সময় নষ্ট নয়


বর্তমান সময়ে সন্তানের প্রতি অধিকাংশ বাবা-মায়ের একটাই অভিযোগ, ছেলেমেয়েরা বেশিক্ষণ মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এটা শুনে হয়তো তোমরা অনেকেই রাগ করো। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবে, বাবা-মা কখনো সন্তানের মন্দের জন্য কিছু বলেন না। নেটদুনিয়ার প্রতি অধিক আসক্তি আমাদের মগজকে সময়জ্ঞানশূন্য করে তোলে। যার ফলে আমরা ফেসবুকে বন্ধুদের সঙ্গে অযথা খোশগল্প, নিউজফিডে স্ক্রলিং বা ইউটিউবে একটার পর একটা ভিডিও দেখায় মেতে থাকি। এভাবে যে আমাদের অনেক মূল্যবান সময় নষ্ট হয়ে যায়, তা আমরা বুঝতেই পারি না। তাই ইন্টারনেটে অযথা সময় নষ্ট করবে না। জরুরি কাজগুলো সেরে অনলাইন থেকে বিদায় নেবে।


🟩🟥  খেলাধুলা ইন্টারনেটে নয়


অনেকেই ইন্টারনেটেই অ্যাপসভিত্তিক বিভিন্ন খেলায় আসক্ত হয়ে পড়ে। এটি ভীষণ ক্ষতিকারক। এতে সময় অপচয় ঘটায়। মেজাজ খিটখিটে করে ফেলে। মনোযোগ কমিয়ে দেয়। তা ছাড়া অনেক অ্যাপসে অবৈধ জুয়ার আয়োজন থাকে। এতে জড়িয়ে পড়লে আর্থিক ক্ষতিও হতে পারে। এগুলো তাই এড়িয়ে চলতে হবে। আর লুডু বা সিওসি বা অন্য যেকোনো খেলা যদি অনেক বেশি সময় ধরে খেলা হয়, তাহলে চোখের ক্ষতি হয়। ব্যাকপেইন, মাসলপেইন ইত্যাদি হতে পারে। এর থেকে খেলার মাঠে খেললে শরীর ভালো থাকে। নতুন নতুন বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। পেশি সঞ্চালিত হয় বলে স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। তাই ইন্টারনেটে খেলা থেকে মাঠে খেলার অভ্যাস করো।


🟩🟥  ভাষা শেখো


ইউটিউবে রয়েছে যেকোনো ভাষা শেখার অনেক অনেক ভিডিও। প্রাথমিকভাবে সেখান থেকে শিখতে পারো। তারপর সেই ভাষা শেখার জন্য খুঁজে নিতে পারো পছন্দের অনলাইন কোর্স। এমন কোর্সের সংখ্যা কম নয়। অনলাইনের কোর্স বলে যাতায়াতের ঝামেলা নেই। এমনকি দেশের বাইরের কোর্সও করতে পারো ইচ্ছে করলেই। পরীক্ষার ব্যবস্থাও থাকে অনলাইনেই। এর মাধ্যমে পাবে সনদও। নতুন একটি ভাষা শিখলে সহজেই অন্য দেশে পড়ার সুযোগ থাকে। তাই ইন্টারনেটে ভাষা শেখার সুযোগটি নিতে পারো।


সোর্স দেশ রুপান্তর

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

আজব_এক_গ্রাম এ এক আজব গ্রাম! কোনও ধাতব যন্ত্রপাতি ছাড়াই শুধুমাত্র হাত দিয়ে পাথর ভেঙে আর খুঁড়ে তৈরি করা হয়েছিল সাড়ে তিনশোটি বসবাসযোগ্য ঘরবাড়ি। 

 #আজব_এক_গ্রাম

এ এক আজব গ্রাম! কোনও ধাতব যন্ত্রপাতি ছাড়াই শুধুমাত্র হাত দিয়ে পাথর ভেঙে আর খুঁড়ে তৈরি করা হয়েছিল সাড়ে তিনশোটি বসবাসযোগ্য ঘরবাড়ি। সময়টা খ্রিস্টপূর্ব আটশো বছর আগে। তিন হাজার বছর পর আজও খুঁজে পাওয়া যায় সেই প্রাচীন ঘরগুলোর অস্তিত্ব।

ইরানের উত্তর দিকে সীমান্তবর্তী একটি ছোট্ট গ্রাম মেয়মাদ যেখানে আজ থেকে প্রায় তিন হাজার বছর আগে প্রাণের দায়ে পালিয়ে আসা কিছু মানুষ নিজেদের বসবাসের জন্য বানিয়েছিলো কিছু ঘর। পাহাড়ের গায়ে ধাতব যন্ত্রপাতি ছাড়া শুধুমাত্র হাত দিয়ে পাথর ভেঙে তারা তৈরি করেছিল বেশ কিছু ঘরবাড়ি, এই গ্রাম। তাদের কাছে পাথর ভেঙে ঘর বানানোর কোনো সরঞ্জাম ছিল না। তারা কেউ স্থপতি ছিল না। তারা প্রত্যেকেই ছিল শাসকের তাড়া খাওয়া সাধারণ মানুষ। তবুও কোনো এক আশ্চর্য শক্তির বলে তারা এই কাজ করে দেখিয়েছিলো। বোধহয় সেই শক্তিরই অপর নাম প্রাণ শক্তি।

২০১২ সালে এই অঞ্চলে এক্সক্যাভেশনের সময় নতুন করে খুঁজে পাওয়া যায় এই গ্রামের অস্তিত্ব। খননকার্য থেকে প্রাপ্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এবং বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রত্নতত্ত্ববিদদের বিশ্বাস হয়, এই গ্রামে প্রথমবার মানুষের পদচিহ্ন পড়েছিলো প্রায় বারো হাজার বছর আগে। তারপর কোনও অজ্ঞাত কারণে তাদের বসতি অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়। আস্তে আস্তে তাদের বসতি কালের গর্ভে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

তবে তিন হাজার বছর আগে মানুষ নতুন করে এখানে এসে বসবাস শুরু করে। তারই অস্তিত্ব আজও গ্রামটির বুকে বর্তমান রয়েছে। তবে কালেরই কোনো অজ্ঞাত খেলার কারণে সেই বসতিও এই গ্রামে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কিন্তু কেন? তাও এক রহস্য যা লুকিয়ে রয়েছে প্রকৃতির বুকে। 

সূত্রঃ অন্তর্জাল

যারা বেকার আছেন, কৃষিতে কিছু করতে চান এই পোস্ট টা তার জন্য। 

 যারা বেকার আছেন, কৃষিতে কিছু করতে চান এই পোস্ট টা তার জন্য। 

          একটা পতিত জমি, সামান্য কিছু বিনিয়োগ আর একটু পরিশ্রম এর মাধ্যমে নিজের এবং পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পারেন।


      🎄 1 বিঘা জমি থেকে প্রতি সপ্তাহে ৫/৬ মন লতি বিক্রি করা যায়। যার বাজার মূল্য নূন্যতম ৬০০০/৮০০০ টাকা।


 লতিরাজ কচু আমাদের দেশে একটি অতি পরিচিত নাম। কচুর লতি মূলত পানি কচুই।যে সব জমিতে পানি আটকায় থাকে, ছায়া পড়ে, ফসল ভালো হয় না , সেসব জমিতে ও লতিরাজ কচু চাষ করার জন্য বেছে নিন।ধানের চেয়ে তিনগুন লাভ বেশি দিবে লতিরাজ কচু ইনশাআল্লাহ। 


↔️ লতিরাজ কচুর জীবনকাল ২৪০-৩০০ দিন। লতিরাজ কচু আমাদের দেশের সব অঞ্চলেই চাষ করা যায়।


লতিরাজ কচুর লতি উষ্ণ জলবায়ু পছন্দ করে।এ জাতের কচুর লতি চাষের জন্য জমি হতে হবে নিচু, মাঝারি নিচু  যেখানে বৃষ্টির পানি জমে। লতি কচু অল্প আলো বা ছায়াতেও ভাল জন্মাতে পারে। প্রখর রোদে ভাল ফলন হয়। প্রায় সব ধরনের মাটিতে কচুর লতির চাষ করা যায়। তবে পলি দো-আঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটিতে কচুর লতি চাষ করা উত্তম।


🎄লতিরাজ কচুর চারা  আগাম ফসলের জন্য আগস্ট-থেকে   জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত  লাগানোর উপুযুক্ত সময় ।


 তবে লতির কচু/লতিরাজ  বারি 1/3 বারো মাস চাষ করা যায়।


🎄🎄চারা রোপণের ৪৫ দিন পর থেকে ১০ মাস বয়স পর্যন্ত লতি সংগ্রহ করা যায়।

🎄🎄🎄২০০-২২০ দিন বয়সে কাঠকচু বিক্রির উপযুক্ত হয়। 


↔️ বাংলাদেশের অনেক জেলাতেই লতিরাজ কচু চাষ করে বেকার সমস্যার সমাধান ও ভাগ্য পরিবর্তন করেছে । লতিরাজ কচু চাষ পদ্ধতি জেনে বুঝে করলে আর্থিক ভাবে ভালো লাভবান হওয়া যায়। আমি নিজেই দীর্ঘদিন যাবৎ ভালো ইনকাম পাচ্ছি। তবে কষ্ট করার মন মানসিকতা থাকতে হবে। তাহলে ভালো ইনকাম সম্ভব।


↔️  লতিরাজ  বারি ওয়ান  / বারি  3/  পানি কচু /কাঠ কচুর চারা পেতে চান এবং সার্বিক সহযোগিতা পেতে যোগাযোগ করুন -

 01755854869 whatsapp,

01838326507 ইমু

ছাদকৃষির জন্য ১২ টি পরামর্শ

 🪴🌿🍆🌽🌶️ছাদকৃষির জন্য ১২ টি পরামর্শ🍆🌽🌶️🥕🍉

"ছাদ বাগানীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। টবে, ড্রামে গাছ লাগানো হয়। কেউ ফল, কেউবা সবজির গাছ লাগান। কেউ সফল হন। কেউ সফল হন না। ছোট ছোট কিছু ভুল বাগানীরা করে থাকেন। সে কারণে যত্ন নিলেও ফল আসে না। এখানে ছাদ বাগানীদের জন্য কিছু টিপস দেয়া হলো, যা মানলে সফলতা পাওয়া সহজ হতে পারে।


প্রথমেই মনে রাখতে হবে, টবে বা ড্রামে গাছ লাগালে তাকে খাবার দিতে হবে। প্রকৃতিতে বিদ্যমান গাছের মতো সে খাবার সংগ্রহ করতে পারে না। রোগ-বালাই হলো কিনা সেটাও বুঝে ব্যবস্থা নিতে হবে। ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে।


১. মাটির সাথে অবশ্যই কিছু কোকোপিট মেশাবেন। গাছের গোড়া স্যাতস্যাতে হতে দিবেন না। স্যাতস্যাতে হলে অসংখ্য রোগ হবে। মাটি ভেজা থাকবে তবে স্যাতস্যাতে না। কেকোপিট মেশালে পানি কম দিলেও হবে। কোকোপিট (নারকেলের ছোবলার গুড়া) পানি ধরে রাখে। অতি বৃষ্টি হলে গোড়ায় পানি জমতে দেয় না। হালকা হওয়ায় ছাদে ওজনের চাপ পড়ে না। এছাড়া কোকোপিটে কিছু পুষ্টি উপাদান আছে। যা গাছের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কোকোপিটে চারা দ্রুত গজায়, বড় হয়। মাটির চেয়ে কোকোপিটে চারা ভালো হয়।


২. গাছের জন্য বিরিয়ানি হলো সরিষার খৈল-পচা পানি। মাটির হাড়িতে খৈল পচাতে হবে। কমপক্ষে ৫ দিন। ৭ দিন কিংবা বা ১৫ দিন হলে উত্তম। অল্প পানিতে পচিয়ে তার সাথে আরো পানি মিশিয়ে দিতে হবে। এটি গাছের জন্য অত্যন্ত উপকারী। একটু গন্ধ হয়, তাই অল্প একটু গুড় দিতে পারেন। ছাদে হাড়িতে পচালে বাসায় গন্ধ আসবে না। বৃষ্টির সময় খৈল-পচা পানি দেবেন না। পুকুরের নিচে থাকা পাক কাদা গাছের জন্য খুব উপকারী।


৩. আমরা জানি, মাটিতে অসংখ্য ক্ষতিকর ছত্রাক থাকে। যা গাছকে মেরে ফেলার জন্য যথেস্ট। তাই মাটি রেডি করার সময় কিছুটা বায়োডামা সলিট দিবেন। এটি উপকারী ছত্রাক। মাটিতে ক্ষতিকারক উপাদানগুলো মেরে ফেলে। আবার জৈব সারের কাজও করে। গাছের জন্য মাটি হবে ঝুরঝুরে, হালকা।


৪. যাই লাগান না কেন, ভালো জাতের বীজ কিনা নিশ্চিত হয়ে নেবেন। ভালো বীজে ভালো ফসল হবে। নতুবা যতই যত্ন নেন না কেন, সব পরিশ্রম বেলাশেষে জলে যাবে। বীজ থেকে নিজে চারা করা উত্তম। কারণ বাজার থেকে যে চারা কিনবেন সেটার জাত ভালো হবে সে নিশ্চয়তা কোথায়? ছত্রাকনাশক দিয়ে বীজ শোধন করে নেয়া উত্তম। পদ্ধতি হলো- ছত্রাকনাশক দেয়া পানিতে কিছুটা সময় বীজ ভিজিয়ে রাখতে হবে। ম্যানসার, মেটারিল দুটি ছত্রাকনাশক।


৫. গাছ বেশি তো ফলন বেশি- এটি ভুল ধারণা। অল্প জায়গায় বেশি গাছ লাগানো যাবে না। গাছ পাতলা করে লাগাতে হবে। বেশি লাগালে গাছ প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে না। একটি ফলের ক্রেটে মাত্র দুটি গাছ। একটি টবে একটি গাছ। ক্রেট বা টবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।


৬. ছাদে মাচা দেয়া সমস্যা। কারণ ঘুঁটি থাকে না। এ জন্য ফলের ক্রেটের চারপাশে লাঠি বেঁধে সহজে মাচা দেয়া যায়। লতাপাতা জাতীয় গাছ লাগানোর পাত্র একটু গভীর হলে উত্তম। গাছের জন্য সবচেয়ে বেশি ভালো জৈব সার হলো পাতা-পচা সার, তারপর ভার্মি কম্পোস্ট, তারপর গোবর সার। পাতা-পচা সার সহজলভ্য নয়। দাম বেশি। কিন্তু ভার্মি কম্পোস্ট সহজলভ্য। মাটির সঙ্গে মিনিমাম ৪০% জৈব সার দেয়া উত্তম।


৭. নিম কীটনাশককে ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় খুব অপছন্দ করে। এটি দিলে তারা বিরক্ত বোধ করে। গাছে বাসা বাঁধতে পারে না। প্রতি সাত দিনে একবার সব গাছের পাতায় নিম কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। মাসে একবার ইপসম সল্ট স্প্রে করে দেয়া উত্তম। একইভাবে মাসে একবার পানির সঙ্গে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড মিশিয়ে স্প্রে করা ভালো।


৮. ডাটা, পুইশাক, লালশাক, ধনেপাতা এসব লাগাতে পারেন। মাত্র ২৫ দিনে খেতে পারবেন। লালশাক লাগালে নেট দিয়ে ঘিরে দেবেন। শাকপাতা লাগালে দ্রুত আউটপুট পাবেন। যা আপনাকে প্রেরণা দেবে। পুইশাক গাছের পাতায় দাগ হলে পাতা কেটে দিন। অথবা ছত্রাকনাশক স্প্রে করেন। অথবা গাছ উঠিয়ে আবার লাগান। ইউরিয়া সার দিলে পুইশাক দ্রুত বাড়বে। শশা গাছের বৃদ্বির জন্য ডিএপি সার দিলে ভালো হবে। শশা গাছে ছাড়া ছাড়া ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হয়। খুব রোদ, গাছের গোড়ায় মালচিং করে দিয়ে উত্তম ফল মিলবে। মালচিং হলো গাছের গোড়ায় বিশেষ পলিথিন কিংবা শুকনো পাতা, খড় দিয়ে ঢেকে দেয়া।


৯. ফুল আসার পরে প্রানোফিক্স অথবা মিরাকুরান গাছের পাতায় শেষ বিকালে স্প্রে করবেন। বাসায় দুইটি গ্রুপের ছত্রাকনাশক রাখা ভালো। যেমন- ম্যানসার, মেটারিল। ১৫ দিনে একবার স্প্রে করবেন।  এগরোমিন্ড গোল্ড অনুখাদ্য বা অন্য কোনো অনুখাদ্য বাসায় রাখতে হবে। মাসে কমপক্ষে একবার স্প্রে করবেন। অতিরিক্ত গরম, বৃষ্টি, খাদ্যের অভাব, গাছ রোগাক্রান্ত, আবহাওয়া দ্রুত আপডাউন করা ইত্যাদি কারণে ফুল ঝরে পড়তে পারে। আবার পরাগায়ন না হলে ঝরে পড়তে পারে। এ জন্য হাতের মাধ্যমে পরাগায়ন করতে হবে। পুরুষ ফুলের পরাগদণ্ড নারী ফুলে গর্ভে ঘষে দিতে হবে।


১০. ছাদ বাগানে গাছ মারা যাওয়ার অন্যতম কারণ পানি বেশি বা কম দেয়া। যতটুকু লাগে ঠিক ততটুকু পানি দিতে হবে। কোন গাছের কি চাহিদা, রোগ একটু স্টাডি করলে সহজে সফল হতে পারবেন।


১১. গাছের পাতার নিচে খেয়াল করবেন। বেগুন গাছের পোকা মারার জন্য সেক্স ফোরেমান ফাঁদ লাগাবেন। ডগা ছিদ্র বা ফল ছিদ্র হলে সাইপারমেত্রিন গ্রুপের কীটনাশক দিতে হবে। একটি বেগুন গাছ অনেক দিন ফল দেয়। ঢেড়স গাছ বেশি রোদ পড়ে এমন জায়গায় লাগাবেন। বেগুন, ঢেড়স, লালশাক, পুইশাক, ধনেপাতা, ডাটা শাক- এসব গাছের খুব যত্ন করতে হয় না।


১২. রসুন আর লবঙ্গ বেটে সেই পানি গাছে স্প্রে করলে পোকা কম আসবে। মরিচ গাছে নেপথলিন বেঁধে দিন, পোকা কম আসবে। পাতা কোকড়ালে ভার্মিটেক কিংবা এবোম কীটনাশক দিন। কোকড়ানো পাতা ফেলে দিন। মরিচ গাছে দশ দিন পর পর ডায়মেথট গ্রুপের (যেমন টাফগর) কীটনাশক দিলে উপকার হবে। সবকিছু করছেন, তারপরও কাজ হচ্ছে না। এক্ষেত্রে গাছের জায়গা বদল করেন, উঠিয়ে অন্যত্র লাগান।"


শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

মানুষ‌কে অপমান না ক‌রেও সং‌শোধন করার অসাধারণ শিক্ষা। 

 মানুষ‌কে অপমান না ক‌রেও সং‌শোধন করার অসাধারণ শিক্ষা। 


হঠাৎ এক‌দিন রাস্তায় এক বৃ‌দ্ধের সা‌থে এক যুব‌কের দেখা। যুবক একটু আগ বা‌ড়ি‌য়ে গি‌য়ে স‌ম্বোধন ক‌রে  বৃদ্ধ‌কে জিজ্ঞাসা কর‌লেন, টিচার আমাকে চিন‌তে পে‌রে‌ছেন ? উত্ত‌রে বৃদ্ধ লোক‌ বল‌লেন না ! আমি তোমা‌কে চিন‌তে পা‌রি‌নি। অতপর বৃদ্ধ লোক জান‌তে চাই‌লেন তুমি কে?


তারপর যুবক‌ বল‌লো যে আমি একসময় আপনার ছাত্র ছিলাম। ও আচ্ছা! ব‌লে সেই বৃদ্ধ লোক‌ যুব‌কের কা‌ছে কুশলা‌দি জানার পর জিজ্ঞাসা কর‌লেন এখন  তু‌মি কি কর‌ছো? যুবক‌ অত‌্যন্ত বিন‌য়ের সা‌থে উত্ত‌রে বল‌লো আমি একজন শিক্ষক। বর্তমা‌নে শিক্ষকতা কর‌ছি। 


সা‌বেক ছা‌ত্রের মুখ থে‌কে এই কথা শু‌নে বৃদ্ধ শিক্ষ‌ক অত‌্যন্ত খু‌শি হ‌য়ে বললেন "আহ, কতই না ভালো, আমার মতো হ‌য়ে‌ছো তাহ‌লে?" 


হ্যাঁ ঠিক! আসলে আমি আপনার মত একজন শিক্ষক হতে পে‌রে‌ছি ব‌লে নি‌জে‌কে ধন‌্য ম‌নে কর‌ছি। তখন সেই যুবক এর পিছ‌নের কারণ বর্ণনা কর‌তে গি‌য়ে বল‌লো আপনি আমাকে আপনার মতো হতে অনুপ্রাণিত হ‌তে উদ্ধুদ্ধ করেছেন।


বৃদ্ধ শিক্ষক কিছুটা কৌতূহল দৃ‌ষ্টি নি‌য়ে যুবকের কা‌ছে  শিক্ষক হবার পিছ‌নের কারণ জান‌তে জান‌তে চাই‌লে, সেই যুবক‌ তার শিক্ষক হ‌য়ে উঠার গল্প বল‌তে গি‌য়ে 

বৃদ্ধ শিক্ষক‌কে ষ্মরণ ক‌রে দি‌লো স্কু‌লে ঘ‌টে যাওয়া সেই ঘটনা। সে দি‌নের  ঘটনা বর্ণনা কর‌তে গি‌য়ে যুবক‌ তখন বৃদ্ধ শিক্ষ‌ককে উ‌দ্দেশ‌্য ক‌রে বল‌লো; ম‌নে আছে টিচার,

 

একদিন আমার এক সহপা‌ঠি বন্ধু ‌যে আপনারও ছাত্র ছিল, সে একটি নতুন ঘড়ি নি‌য়ে ক্লা‌সে এসেছিল। তার ঘা‌ড়ি‌টি এতটাই সুন্দর ছিল যে  আমি লোভ সামলা‌তে পা‌রি‌নি।  সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ঘ‌ড়ি‌টি আমার  চাই। অতপর আমি তার প‌কেট থে‌কে ঘ‌ড়িট‌ি  চুরি করি।


কিছুক্ষণ পর আমার সেই বন্ধু তার ঘড়ির অনুপস্থিতি লক্ষ্য করে এবং অবিলম্বে আমাদের টিচার অর্থাৎ আপনার কাছে অভিযোগ করে। তার এই অ‌ভি‌যোগ শু‌নে  আপনি ক্লাসের উদ্দেশ্যে বলে‌ছি‌লেন, ‘আজ ক্লাস চলাকালীন সম‌য়ে এই ছাত্রের ঘড়িটি চুরি হয়েছে। যে চুরি করেছো, দয়া করে ঘা‌ড়ি‌টি ফিরিয়ে দাও।


হ‌্যাঁ আপনার বার্তা শু‌নেও  আমি ঘা‌ড়ি‌টি ফেরত দেইনি কারণ এ‌টি আমার কা‌ছে খুব লে‌াভনীয় ছিল। তারপর দরজা বন্ধ করে আপনি  সবাইকে বেঞ্চ ছে‌ড়ে উঠে দাঁড়ি‌য়ে ক্লাসরু‌মের ফ্লো‌রের ম‌ধ্যে একটি গোলাকার বৃত্ত তৈরি করতে বললেন। এবং সবাই‌কে চোখ বন্ধ কর‌তে নি‌র্দেশ দি‌লেন। এরপর ঘড়ি না পাওয়া পর্যন্ত আপনি এক এক করে আমাদের সবার পকেট খুঁজ‌তে লাগ‌লেন।


আমরা সবাই  আপনার নির্দেশ মতো দাঁ‌ড়ি‌য়ে রইলাম।

আপনি  এক এক ক‌রে পকেট চেক ক‌রে একটা সময় আপনি যখন আমার পকেটে হাত দি‌য়ে ঘ‌ড়ি‌টি খুঁ‌জে পে‌লেন তখন ভ‌য়ে  আমার সমস্ত শরীর কাঁপ‌তে ছিল। কিন্তুু সেই মুহূ‌র্তে ঘা‌ড়ি‌টি আমার প‌কে‌টে পাবার পরও আপনি কিছু ব‌লেন‌নি এবং শেষ ছাত্র পর্যন্ত সবার প‌কেট চেক কর‌ছি‌লেন। সব‌শে‌ষে আপ‌নি সবাই‌কে বললেন ঘ‌ড়ি পাওয়া গে‌ছে। এবার তোমরা সবাই চোখ খুল‌তে পা‌রো। ঘ‌ড়ি‌টি পাবার পর আমার সেই বন্ধু‌টি আপনার কা‌ছে জান‌তে চে‌য়ে‌ছিল ঘ‌ড়ি‌টি কার প‌কে‌টে পাওয়া গি‌য়ে‌ছিল? ‌কিন্তুু আপনি তা‌কে ব‌লে‌ছি‌লেন, ঘ‌ড়ি‌টি কার প‌কে‌টে পাওয়া গে‌ছে সে‌টি গুরুত্বপূর্ণ নয়। তোমার ঘ‌ড়ি পাওয়া গে‌ছে সে‌টি গুরুত্বপূর্ণ। 


সেই দি‌নের ঘটনা নি‌য়ে পরবর্তী‌তে আপনি আমার সা‌থে কো‌নো কথা ব‌লেন‌নি। এমন‌কি সে কাজের জন‌্য আপনি আমাকে  তিরস্কারও করেননি। নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার জন্য  আপ‌নি আমাকে স্কু‌লের কো‌নো কামরায় নিয়ে যাননি। সেই ঘটনা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে লজ্জাজনক দিন। অথচ  আপ‌নি অত‌্যন্ত বু‌দ্ধিমত্তার সা‌থে, কৌশল অবলম্বন ক‌রে  চু‌রি হওয়া ঘ‌ড়ি‌টি উদ্ধার কর‌লেন এবং আমার মর্যাদা চিরতরে রক্ষা করলেন। 


সে ঘটনার পর আমি অ‌নেক‌দিন অনু‌শোচনায় ভোগে‌ছি। ক্লা‌সে ঘ‌টে যাওয়া ঘটনার রেশ সে দিন চ‌লে গে‌লেও এর প্রভাব র‌য়ে যায় আমার ম‌নের ম‌ধ্যে। বি‌বে‌কের যু‌দ্ধে বার বার দং‌শিত হ‌য়ে‌ছি।  তারপর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম এই সব অ‌নৈ‌তিক কাজ আর কখ‌নো করব না। একজন ভা‌লো মানুষ হ‌বে‌া। একজন শিক্ষক হ‌বো। স‌ত্যিকার অ‌র্থে মানুষ গড়ার কা‌রিগর হ‌বো। আপনার কাছ থে‌কে  সে দিন আমি স্পষ্টভাবে বার্তা পেয়েছিলাম প্রকৃতপ‌ক্ষে কি ধর‌ণের একজন শিক্ষা‌বি‌দ হওয়া উ‌চিত। অপমান ছাড়াও  মানু‌ষকে সং‌শোধন করা যায় সে‌টি আপনার কাছ থে‌কে শি‌খে‌ছি। আপনার উদারতা এবং মহানুভবতা আজ আমা‌কে শিক্ষ‌কের মর্যাদায় আসীন ক‌রে‌ছে। 


সা‌বেক ছা‌ত্রের  কথাগু‌লো শু‌নে বৃদ্ধ শিক্ষক বল‌লেন হ‌্যাঁ সেই ঘটনা আমার ম‌নে আছে। চু‌রি হওয়া ঘ‌ড়ি আমি সবার পকেটে খুঁজেছিলাম। কিন্তুু  আমি তোমাকে মনে রাখিনি, কারণ সে সময় আমার চোখও  বন্ধ ছিল।


                      ছবি : প্রতিকী

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা – শামসুর রাহমান

 তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা

– শামসুর রাহমান


তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা,

তোমাকে পাওয়ার জন্যে

আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায় ?

আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন ?


তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা,

সাকিনা বিবির কপাল ভাঙলো,

সিঁথির সিঁদুর গেল হরিদাসীর।

তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা,

শহরের বুকে জলপাইয়ের রঙের ট্যাঙ্ক এলো

দানবের মত চিৎকার করতে করতে

তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা,

ছাত্রাবাস বস্তি উজাড় হলো। রিকয়েললেস রাইফেল

আর মেশিনগান খই ফোটালো যত্রতত্র।

তুমি আসবে ব’লে, ছাই হলো গ্রামের পর গ্রাম।

তুমি আসবে ব’লে, বিধ্বস্ত পাড়ায় প্রভূর বাস্তুভিটার

ভগ্নস্তূপে দাঁড়িয়ে একটানা আর্তনাদ করলো একটা কুকুর।

তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা,

অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিলো পিতামাতার লাশের উপর।


তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, তোমাকে পাওয়ার জন্যে

আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায় ?

আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন ?

স্বাধীনতা, তোমার জন্যে এক থুত্থুরে বুড়ো

উদাস দাওয়ায় ব’সে আছেন – তাঁর চোখের নিচে অপরাহ্ণের

দুর্বল আলোর ঝিলিক, বাতাসে নড়ছে চুল।

স্বাধীনতা, তোমার জন্যে

মোল্লাবাড়ির এক বিধবা দাঁড়িয়ে আছে

নড়বড়ে খুঁটি ধ’রে দগ্ধ ঘরের।


স্বাধীনতা, তোমার জন্যে

হাড্ডিসার এক অনাথ কিশোরী শূন্য থালা হাতে

বসে আছে পথের ধারে।

তোমার জন্যে,

সগীর আলী, শাহবাজপুরের সেই জোয়ান কৃষক,

কেষ্ট দাস, জেলেপাড়ার সবচেয়ে সাহসী লোকটা,

মতলব মিয়া, মেঘনা নদীর দক্ষ মাঝি,

গাজী গাজী ব’লে নৌকা চালায় উদ্দান ঝড়ে

রুস্তম শেখ, ঢাকার রিকশাওয়ালা, যার ফুসফুস

এখন পোকার দখলে

আর রাইফেল কাঁধে বনে জঙ্গলে ঘুড়ে বেড়ানো

সেই তেজী তরুণ যার পদভারে

একটি নতুন পৃথিবীর জন্ম হ’তে চলেছে –

সবাই অধীর প্রতীক্ষা করছে তোমার জন্যে, হে স্বাধীনতা।


পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে জলন্ত

ঘোষণার ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তুলে,

মতুন নিশান উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগ্বিদিক

এই বাংলায়

তোমাকেই আসতে হবে, হে স্বাধীনতা।


ছবি- হাঙ্গর নদী গ্রেনেড চলচিত্র হতে

চা প্রেমীদের জন্য ♥️ 5 টি ভিন্নস্বাদের চায়ের রেসিপি 

 চা প্রেমীদের জন্য ♥️

5 টি ভিন্নস্বাদের চায়ের রেসিপি ✌️ 👍


১.....তন্দুরি চা ❤️


উপকরণ:


দুধ - ১ কাপ জল

১.৫ চামচ চা পাতা

২টেবিল চামচ চিনি

২ চা চামচ লেমনগ্রাস

১ টেবিল চামচ পুদিনা পাতা

১ টেবিল চামচ চা মশলা 

২ চিমটে ১ টা মাটির ভাঁড় তন্দুরি ফ্লেভারের জন্য


পদ্ধতি: মাটির পাত্রটিকে আগুনের ঢিমে আঁচে বসিয়ে রাখুন দশ মিনিট। জল একটু ফুটে এলে তাতে চিনি, লেমনগ্রাস, পুদিনা পাতা ও চা মশলা মেশান। সব মশলা মিশে জল সম্পূর্ণ ফুটে এলে এ বার তাতে দুধ মেশান ও আরও দু’মিনিট আঁচে বসিয়ে রাখুন।

এ বার ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে চা ঢেলে রাখুন একটি কাচের পাত্রে। তারপর সাঁড়াশির সাহায্যে খুব সাবধানে একটা বড় মাটির পাত্রের মধ্যে ভাঁড়টা রাখুন এবং তার মধ্যে চা-টা ঢেলে দিন। এই অবস্থায় আরও কিছু ক্ষণ ফোটান। চা ফুটতে শুরু করবে খানিক ক্ষণের মধ্যেই। একয়েক মিনিট পর একটা পরিষ্কার মাটির ভাঁড়ে ঢেলে পরিবেশন করুন।


২....লেবু চা রেসিপি ❤️


প্রি-মিক্স তৈরির উপকরণ:


 • ৫ টেবিল চামচ চিনি

 • ২ চা চামচ বিট লবণ

 • ১ চা চামচ জলজিরা

 • ৩ পিস হাজমোলা


প্রি-মিক্স প্রস্তুত প্রণালী:

সব উপকরণ একসাথে মিহি গুঁড়ো করে একটি বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করুন।


চা তৈরির উপকরণ :


 • ২ কাপ জল

 • চা পাতা

 • ২ চা চামচ প্রি-মিক্স (প্রতি কাপের জন্য ১ চা চামচ)

 • ১/২ পিস গন্ধরাজ লেবু

 • প্রয়োজনমতো চিনি (যদি মিষ্টি বেশি পছন্দ হয়)


লেবু চা তৈরির পদ্ধতি:


 জল ফুটিয়ে নিন এবং গ্যাস বন্ধ করে দিন।ফুটন্ত জলে চা পাতা দিয়ে পাত্রটি ঢেকে রাখুন এবং ১ মিনিট রেখে দিন (বেশি সময় রাখলে চা তেতো হয়ে যাবে)।প্রতিটি কাপের জন্য ১ চা চামচ প্রি-মিক্স দিন।লেবুর রস চিপে প্রতিটি কাপের মধ্যে মেশান।চা ছেঁকে দুই কাপের মধ্যে ঢালুন এবং ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

আপনার মজাদার গন্ধরাজ লেবু চা তৈরি।


৩......লেমন আইস টি ❤️


উপকরণ

5 কাপ জল

2 টেবিল চামচ কালো চায়ের গুঁড়া, চায় পাতি

½ কাপ মধু

3 টেবিল চামচ লেবুর রস

বরফ কিউব, প্রয়োজন হিসাবে


পদ্ধতি:

একটা পাএে, জল ঢেলে মাঝারি আঁচে গরম করুন। জল ফুটতে দিন।চায়ের গুঁড়া, চিনি যোগ করুন এবং ভালভাবে মেশান।জল ফুটে উঠলে আগুন বন্ধ করে দিন। লেবুর রস যোগ করুন এবং ভালভাবে নাড়ুন।লেবু চা ছেঁকে নিন এবং ঘরের তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন।

পরিবেশন করার সময়, বরফের টুকরো যোগ করুন এবং গ্লাসে লেবু আইস টি ঢেলে দিন।

লেবুর টুকরো বা পুদিনা পাতার স্প্রিগ দিয়ে সাজান।

ঠাণ্ডা লেবু আইস টি পরিবেশন করুন।


৪....মশলা চা ❤️

উপকরণ:


 • তেজপাতা – ১টা

 • দারচিনি – ১ ইঞ্চি (ছোট একটা স্টিক)

 • গোলমরিচ – ৬-৮টা

 • মেথি – ১/২ টেবিলচামচ

 • লবঙ্গ – ২টা

 • এলাচ – ২-৩টা

 • আদা – ১ ইঞ্চি

 • দুধ – পরিমাণ মতো

 • চা – পরিমাণ মতো

 • চিনি – পরিমাণ মতো


পদ্ধতি:

প্রথমে সব মশলা একসাথে গুঁড়ো করে নেব। এরপর একটা পাত্রে জল গরম করে সেই মশলা দিয়ে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নেব, যাতে মশলার ফ্লেভার জলের সঙ্গে মিশে যায়। তারপর পরিমাণমতো চা আর চিনি দিয়ে দেব। চা দেওয়ার পর যখন ফুটতে থাকবে, তখন দুধ ঢেলে দেব। তারপর আর একটু জ্বাল দিয়ে যখন দেখব ফুটছে, তখন নামিয়ে নেব।


৫.....কেশর চা /জাফরান চা ❤️


উপকরণ:


৪ কাপ দুধ

৫ চা চিনি

১ চা চামচ চা পাতা

১/২ চা চামচ কেশর

২ টা গোটা এলাচ

২ টো লবঙ্গ

১ টা ছোটো টুকরো দারচিনি

১/২ চা চামচ এলাচ গুঁড়ো 


পদ্ধতি:

প্রথমে একটা পাএে দুধ নিয়ে ওর মধ্যে এলাচি লবঙ্গ দারচিনি দিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে।

তারপর ওর মধ্যে কেশর চিনি এবং চা পাতা দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে এবং নামিয়ে একটা কাপে ছেঁকে নিতে হবে।তারপর ওর মধ্যে এলাচিগুঁড়া ও কেশর ছরিয়ে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে কেশর চা।



প্রয়োজনীয় কিছু টিপস জেনে রাখা ভালো 

 প্রয়োজনীয় কিছু টিপস জেনে রাখা ভালো :- ⤵️

🍂 পেঁয়াজু,আলু কিংবা বেগুনির চপ তৈরির বেসনের মিশ্রন বা গোলায় চালের গুড়া অথবা কর্ণ ফ্লাওয়ার দিলে চপ বা পেঁয়াজু মুচমুচে হয়।

🍂 কাপড়ে তেলের দাগ লাগলে দাগের উপর সাদা চক ঘষে তারপর ধুয়ে ফেলুন।তেলের দাগ চলে যাবে।

🍂 ডিম সেদ্ধ করার সময় পানিতে সামান্য বেকিং সোডা দিয়ে দিন।ডিমের খোসা ছাড়ানো সহজ হবে।

🍂 সবজি কাটার বোর্ড সাদা ভিনেগার দিয়ে মুছে নিন।তারপর পেঁয়াজ কাটুন।চোখে জল আসবে না।

🍂 ফ্রিজের ভিতরে ছোট একটা বাটিতে ভিনেগার রেখে দিন।ফ্রিজের দূর্গন্ধ দূর হবে। 

🍂 কমলার খোসা ও লবঙ্গ একসাথে জ্বাল দিলে রান্না ঘরের দূর্গন্ধ দূর হবে।

🍂 আবহাওয়া পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে ছোলা ও ডালে পোকা হওয়া শুরু করে।তাই এগুলোতে শুকনো হলুদ ও নিমপাতা দিয়ে রাখুন।

🍂 রান্নায় কম তেল ব্যবহার করতে চাইলে ননস্টিক প্যানের বিকল্প নেই।রান্নার সময় তেলের বোতল থেকে সরাসরি খাবারে তেল ঢালবেন না।এভাবে তেল বেশি পড়ে যায়।তাই টেবিল চামুচ দিয়ে তেল মেপে খাবারে দিলে তেলের ব্যবহার কমাতে পারবেন।

🍂 দুধ জ্বাল করার আগে হাড়িতে অল্প একটু পানি দিয়ে তারপর দুধ দিয়ে জ্বাল করে নিন।তাহলে আর হাড়ির নিচে লেগে যাবে না।

🍂 মাংস বা ভর্তা দিয়ে খাওয়ার চিতই পিঠা বানাতে আতপ চালের গুড়ার সাথে অর্ধেক পরিমাণ সেদ্ধ চালের গুড়া মিশিয়ে নিলে পিঠা স্বাদের ও হবে,আবার নরমও থাকবে অনেক সময়।

🍂 পাটিসাপটা পিঠা বানাতে চালের গুড়ার সাথে কিছুটা ময়দা,সুজি ও একটি ডিম দিয়ে বেটার বানান।পিঠা ভেঙে যাবে না,বানাতেও ভালো লাগবে,খেতে ও ভালো লাগবে।

🍂 ফ্রিজের ভিতরের আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন। 

🍂 মাছ কেটে ধুয়ে জল ঝড়িয়ে তাতে লেবুর রস,লবন এবং সামান্য হলুদ গুড়ো মাখিয়ে প্যাকেট করে রাখলে মাছে একদম গন্ধ থাকবে না।

🍂 দা-বটিতে মরিচা পড়লে দা-বটি ভিজিয়ে সিরিজ কাগজ দিয়ে ঘষে নিন।একটু সময় নিয়ে ঘষে ধুয়ে নিন।দেখবেন দা বটি নতুনের মতো ঝকঝকে হয়ে গেছে।

🍂 ফ্রিজ থেকে মাছ মাংসের প্যাকেট নামিয়ে লবন জলে ভিজিয়ে রাখলে খুব তাড়াতাড়ি প্যাকেটের মাছ মাংস ছাড়ানো যাবে।

🍂 ডিমের খোসা ভেঙে গুড়ো করে সেই গুড়ো দিয়ে পোড়া হাঁড়ি পাতিল ঘষে নিলে খুব সহজেই হাঁড়ি পাতিলের পোড়া দাগ উঠে যায়। 

🍂 বেসনের বরফি বানানোর সময় এতে সামান্য সুজি মিশিয়ে নিন।এতে বরফি দানাদার ও সুস্বাদু হবে।

🍂 ছোলা ভাটুরে বানানোর সময় ময়দার মধ্যে সামান্য সোডা দিয়ে মাখিয়ে নিলে তা অনেক নরম হবে।

🍂 রান্নাঘরে খুব তেলাপোকার উপদ্রব?রান্না ঘরের সিংকের নিচে এবং কোণা গুলোতে বরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন।তেলাপোকা রান্না ঘর ছেড়ে পালাবে।

🍂 পায়েস রান্নার সময় আগে চাল সেদ্ধ করে নিন।তারপর চিনি মেশান।আগে চিনি মিশালে চাল ফুটবে না।

🍂 ছাড়পোকা তাড়াতে মাঝে মধ্যে আসবাবপত্রে কেরোসিন তেলের প্রলেপ দিন।

🍂 সিংগাড়ার সেইপ সুন্দর করতে মোটা করে ডো বানান এবং সিংগাড়ার গায়ে ফোসকা পড়া এড়াতে আঁচ কমিয়ে সিংগাড়া ভাজুন।

🍂 তরকারির ঝোল খুব বেশি পাতলা হয়ে গেলে কিছুটা কর্ণ ফ্লাওয়ার পানিতে মিশিয়ে তরকারিতে দিয়ে দিন।ঝোল ঘন হবে,সাথে স্বাদও বাড়বে।

🍂 পেঁয়াজু,কাটলেট,পাকোড়া সহ এ ধরনের খাবার তৈরিতে ময়দার পরিবর্তে ব্যবহার করুন চালের গুড়া।এতে তেল কম শোষণ হবে।

🍂 নিমপাতা সেদ্ধ বা ভেজানো জল দিয়ে ঘর মুছুন।পোকামাকড়ের উপদ্রপ কমবে।নিমপাতা তোষক বা গদির নিচে রাখুন।পোকামাকড় হবে না।

🍂 কাপড় থেকে চা-কফির দাগ তুলতে পেয়ারা থেতো করে মাখিয়ে কিছুক্ষণ পর সাবান লাগিয়ে ধুয়ে নিন।চায়ের দাগ উঠে যাবে।

🍂 তরকারিতে ঝাল বেশি হয়ে গেলে আটা/ময়দার বল বানিয়ে তরকারিতে দিয়ে অল্প আঁচে কিছু সময় জ্বাল দিন।অল্প সময় জ্বাল দেয়ার পর আটার বলগুলো উঠিয়ে নিন।দেখবেন ঝাল অনেকটাই কমে গেছে 😊


#collected

জীবন আরো গুছিয়ে তুলতে প্রতিদিন যে কাজগুলি করতে পারেন _____

 জীবন আরো গুছিয়ে তুলতে প্রতিদিন যে কাজগুলি করতে পারেন _____


আমরা অনেকে স্বভাবতই পরিপাটি, অনেকে আবার সেরকম গোছালো না। তবে খুব গোছালো না হলেও কিছু অভ্যাস ও রুটিন বানিয়ে দৈনন্দিন জীবনকে অনেকটাই ঝামেলামুক্ত ও পরিপাটি রাখা সম্ভব।


একটু একটু করে এসব পরিবর্তনের সাথে অভ্যস্ত হয়ে গেলে আপনি নিজের জন্য সবচেয়ে ভাল উপায়গুলি আবিষ্কার করতে পারবেন। 


এখানে থাকছে তেমনই  ৮টি কৌশল।

.


🔴 ১.জরুরি জিনিসপত্র এক জায়গায় রাখুন 🔴


চাবি, ওয়ালেট, মোবাইল, হেডফোন ও প্রতিদিন দরকার হয় এমন জিনিসপত্র একসাথে দরজার কাছে কোথাও রাখুন। যাতে বের হওয়ার সময় সহজেই নিতে পারেন ও ঘরে ফিরে সব গুছিয়ে রাখতে পারেন। তাহলে অন্তত দরকারি কোনো কিছু হারিয়ে অফিসে বা কাজে যেতে দেরি হবে না। 


ছোট ছোট অনুষঙ্গ, যেমন চাবি ও ফোন, রাখার জন্য সুন্দর বাক্স বা হোল্ডার কিনতে পারেন। ঘরে ঢোকার পথে এনট্রেন্স টেবিল কিংবা দেয়ালে লাগানো চাবির অর্গানাইজার খুব কাজে দেবে, আর জায়গাও বাঁচাবে। 

.


 🔴 ২.টু-ডু লিস্ট তৈরি করুন 🔴


প্রতিদিন একটি করে টু-ডু লিস্ট বানান, এতে আগের দিনের বাকি থাকা কাজ ও নতুন কাজ লিখে নিন। 


লিস্ট বানানো যদি আপনার দক্ষতার মধ্যে নাও পড়ে, যদি শুধু বড় প্রজেক্টগুলিই লিখে রাখার অভ্যাস থাকে, তাহলেও সেটা প্রতিদিন দেখুন। 


কী কী কাজ শেষ করেছেন, ট্র্যাক করুন। কোনো কাজ যদি অপ্রাসঙ্গিক বা অপ্রয়োজনীয় মনে হয় তাহলে বাদ দিন। এতে করে আপনার ফলপ্রসূতা বাড়বে। অপ্রয়োজনীয় কাজে আটকে থাকবেন না। 


দিনের শুরুতে অথবা শেষে টু-ডু লিস্ট বানান। দিনের মাঝে লিস্ট বানালে সে অনুযায়ী কাজ করা কঠিন হবে, কারণ দিনের অনেকটাই ততক্ষণে শেষ হয়ে যাবে। আর পরের দিনটি কেমন যাবে, কী করলে ভাল হবে, সে সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা তখন পাওয়া যায় না। 

.


🔴৩.কাগজ ব্যবহার কমান 🔴


প্রয়োজনীয় বিল ও স্টেটমেন্ট অনলাইনে ও ইমেইলে ডেলিভারি নিন। এতে ঘরে অপ্রয়োজনীয় কাগজের পরিমাণ কমবে, ঘর এলোমেলো হবে না। 


বিলের পেমেন্ট এখন আমরা বেশিরভাগ সময় অনলাইনেই করি, তাই বিলও অনলাইনে নেওয়াই ভাল। 


নিয়মিত সেভিংস অ্যাকাউন্টের দিকে নজর রাখুন, আয় ও ব্যয় চেক করুন। এতে করে আগের দিন কোথায় কত টাকা খরচ করেছেন তা জানতে পারবেন। অতিরিক্ত টাকা খরচের প্রবণতা অনেক কমবে এর কারণে। তাছাড়া প্রতিদিন সকালে সেভিংস এর দিকে তাকালে সঞ্চয়ের মনোভাব বাড়বে।


🔴৪. সবসময় একটা নোটপ্যাড সাথে রাখুন 🔴


জীবনকে গোছালো করে তুলতে একটা পকেট সাইজ নোটবুক অত্যন্ত দরকারি ভূমিকা রাখবে আপনার জীবনে। শপিং লিস্ট, ছোটখাটো কাজ, টু-ডু লিস্ট, নানারকম চিন্তাভাবনা লিখে রাখুন এই নোটবুকে, এটা সবসময় নিজের সাথে রাখুন।


ছোট এই নোটবুক সহজে যেকোনো জায়গায় নেওয়া যায়, সুবিধামত ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া ডিভাইসের মত চার্জ দেওয়ার ঝামেলাও নেই। আমাদের সরাদিন যখন-তখন কিছু একটা লেখার দরকার হতে পারে, এমন সময়ে এই নোটবুক কাজে আসবে। 


অনেকে নোট করার জন্য মোবাইলে অ্যাপে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন বেশি। কিন্তু মোবাইল অ্যাপের কথা খুব জরুরি বিষয় না হলে আমাদের মনে পড়ে না। অন্যদিকে, নোটপ্যাড যেহেতু ধরা যায় ও ব্যাগ খুললেই চোখে পড়ে, আপনার নিজে থেকেই প্রয়োজনীয় অনেক কিছু লিখে রাখতে মন চাইবে। তাই সম্ভব হলে, পরের বার বের হওয়ার সময় একটি নোটবুক সাথে নিন।

.


🔴৫.ওয়ালেট ডিক্লাটার করুন 🔴


আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী ওয়ালেট। এটি গোছানোর অভ্যাস গড়ে তোলা সবচেয়ে সহজ, সময়ও বেশি লাগে না। যখনই সময় পাবেন, যেমন টিভি দেখা বা যাতায়াতের সময় বসে বসে ওয়ালেটটি গুছিয়ে ফেলতে পারেন। 


প্রথমেই দরকারি রিসিটগুলি যত্ন করে রাখুন। অপ্রয়োজনীয়গুলি ফেলে দিন। তারপর কার্ড গুছিয়ে নিন। বেশি ব্যবহার করা হয় এমন কার্ডগুলি সামনে রাখুন। খুচরা টাকা ও কয়েন বের করে একটি জার বা কন্টেইনারে রাখুন। 

.


🔴৬.মিল প্ল্যান করুন 🔴


পরবর্তী কয়েক দিনের খাবারের পরিকল্পনা আগে থেকে করে রাখাই মিল প্ল্যান। প্রতিদিন অথবা কিছুদিন পরপর মিল প্ল্যান চেক করুন, যাতে প্ল্যানের সাথে মিল রেখে চলতে পারেন। প্রতিদিন চেক করা সবচেয়ে ভাল, এতে করে তা অভ্যাসে পরিণত হবে। দরকার অনুযায়ী যেকোনো সময় এই লিস্ট আপডেট করে নিতে পারবেন। 


প্রতিদিন মিল প্ল্যান করলে কবে কোন খাবার বানাবেন সেটা মাথায় থাকবে, সে অনুযায়ী শপিং লিস্ট বানালে অপ্রয়োজনীয় খরচের হাত থেকেও বেঁচে যাবেন। যেসব জিনিসপত্র কিনে ফেলেছেন, তা লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে দিন। সবশেষে, কেনাকাটা ও রান্নাবান্নার জন্য সময় শিডিউল করুন। 

.


🔴৬.আগের রাতে পরদিন পরার কাপড় বের করে রাখুন


পরের দিন অফিসে বা কাজে পরে যাওয়ার জামাকাপড় আগের রাতে তৈরি করে রাখলে অনেকখানি সময় বেঁচে যাবে। সকালে নিজে তৈরি হওয়ার সময় জামাকাপড় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতেও সময় লাগে। তাছাড়া সন্তান থাকলে তাদেরকেও স্কুলের জন্য তৈরি করতে অনেকটা সময় দরকার হয়। 


এ কারণে আগের দিন জামাকাপড় বের করে রাখুন। তাহলে সকালবেলা আলমারি বা ওয়্যারড্রোবের সামনে দাঁড়িয়ে কী পরবেন সেটা ভাবতে হবে না। 

.


🔴৭.রুটিন মেনে চলুন 🔴


টু-ডু লিস্ট তৈরির সময় কখন কাজগুলি করবেন তারও একটি পরিকল্পনা বানান। তাহলে টু-ডু লিস্টের কাজ শেষ করা সহজ হবে। 


যেসব কাজকে ভয় পান, বা করতে অস্বস্তি বোধ হয়, সেগুলিও নির্ধারিত সময়ে হয়ে যাবে। আর প্রতিদিন কোনো একটা কাজ করার ফলে আপনার মনও ভাল থাকবে, কাজে আরো আগ্রহ পাবেন।


🔴৮.প্লেটগ্লাস ধুয়ে রাখুন 🔴


অনেকেই আপনাকে দিনের শুরুতে বিছানা গুছিয়ে রাখতে বলবে। এতে করে আপনার দিনের শুরুটা ইতিবাচক হবে। 


এরকমই আরো একটা কাজ আছে, গোছালো থাকতে এর চর্চা করতে পারেন। এটা করতে হবে আগের রাতে। তা হল প্লেটগ্লাস, হাড়িপাতিল ধুয়ে রাখা। সপ্তাহের প্রতিদিনই যদি রান্নাবান্না করেন, তাহলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অপরিষ্কার হাড়িপাতিল, প্লেটগ্লাস ধুয়ে নিন। তাহলে এগুলি জমে যাবে না। 


এরকম  ছোট  ছোট  অভ্যাসগুলিই    আপনার  দৈনন্দিন  জীবন  সহজ  করার   পাশাপাশি   বড়  সাফল্যের   দিকে  নিয়ে  যাবে   এবং  অনেক  সমস্যা  ও  সময়ের  অপচয়  থেকে  রেহাই   পাবেন!

সংগৃহীত

২০২৫ হবে তোমার বছর:


 ২০২৫ হবে তোমার বছর:


নতুন বছরের শুরুতে আমরা সবাই কিছুটা অনুপ্রাণিত এবং নতুনভাবে ভাবতে শুরু করি। ২০২৫ আসছে, এবং এটি তোমার বছর হতে চলেছে। তবে সফলতার জন্য শুধুমাত্র বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করা যথেষ্ট নয়; তোমার মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখা, আত্মবিশ্বাসী হওয়া, এবং নিজের প্রতি যত্ন নেওয়া প্রথমে গুরুত্বপূর্ণ। আসুন, ২০২৫ কে আরও সুন্দর, প্রগতিশীল এবং আনন্দময় করে তোলার জন্য কিছু কার্যকরী পরিকল্পনা জানি।


১. নিজের প্রতি দয়ালু হওয়া শুরু করো


২০২৫-এ প্রথম কাজটি হবে নিজেকে ভালোবাসা। অনেক সময় আমরা নিজের প্রতি কঠোর হই, নিজেকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করি, বা ভুলে যাই যে আমরা যেভাবে আছি, সেভাবেই মূল্যবান। নিজেকে এক মিনিটের জন্য থামিয়ে ভালোবাসো। ছোট ছোট সাফল্য উদযাপন করো, নিজের জন্য সময় বের করো এবং তোমার অনুভূতিগুলোকে গুরুত্ব দাও। নিজের প্রতি সদয় হওয়া মানে, নিজের মনের এবং শরীরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।


২. আত্মবিশ্বাস তৈরি করো—একটি ধাপে ধাপে যাত্রা


আত্মবিশ্বাস একদিনে আসে না, এটি প্রতিদিনের ছোট ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে তৈরি হয়। ২০২৫-এ নিজেকে বিশ্বাস করো—তুমি যেভাবে আছো, তেমনটাই তুমি যথেষ্ট। প্রথমে নিজের শক্তির প্রতি মনোযোগী হও, তারপর ধীরে ধীরে সেই শক্তি কাজে লাগাও। কোনো কাজের জন্য ভয় বা সন্দেহ না করে, চেষ্টা করো। প্রতিটি সফলতা (বড় বা ছোট) তোমার আত্মবিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করবে।


৩. মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দাও


সেলফ-কেয়ার শুধুমাত্র শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও জরুরি। ২০২৫-এ, মানসিক চাপ কমানোর জন্য কিছু সময় নিজের জন্য রাখো। প্রতিদিন ৫ মিনিট ধ্যান, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, বা একটি ভালো বই পড়া তোমার মনের শান্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। মানসিক চাপ কমানো এবং নিজের অনুভূতিগুলোর সাথে যুক্ত থাকা—এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি কখনো মনে হয়, তুমি একা, ভেঙে পড়েছো বা কিছুতেই সামলাতে পারছো না—তাহলে সাহায্য চাও। একে অপরকে সমর্থন করার মধ্যে শক্তি রয়েছে।


৪. নতুন কিছু শিখো এবং নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করো


২০২৫ সালে নিজেকে আরও উন্নত করতে চাইলে, নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করো। এটি তোমার আত্মবিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জীবনকে নতুনভাবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে। সেটা হতে পারে নতুন কোনো স্কিল শেখা, পুরনো শখের প্রতি আগ্রহ পুনরুদ্ধার করা, বা কোনো কোর্সের মাধ্যমে নতুন কিছু জানার চেষ্টা করা। নতুন অভিজ্ঞতা এবং শেখা তোমাকে আরও শক্তিশালী এবং সৃজনশীল করে তুলবে।


৫. সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলা


তোমার চারপাশে যারা রয়েছেন, তাদের সাথে সুস্থ এবং ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫-এ, শুধু নিজেকে নয়, অন্যদেরও ভালো রাখতে চেষ্টা করো। এমন বন্ধুত্ব এবং সম্পর্ক বজায় রাখো যা তোমাকে সাপোর্ট করে এবং ভালো থাকার শক্তি দেয়। একে অপরকে সাহস দেয়া, সাফল্য উদযাপন করা, এবং কঠিন সময়ে একে অপরকে সাহায্য করা—এটাই সত্যিকারের সম্পর্ক।


৬. প্রত্যাশা না রাখার মনোভাব গড়ে তোলা


২০২৫ সালে নিজের প্রতি সৎ হওয়া এবং প্রতিদিন যেভাবে তুমি আছো, সেভাবেই নিজেকে গ্রহণ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তুমিই তোমার নিজের সর্বোত্তম সংস্করণ। মনে রেখো, কোনো সাফল্য বা অর্জন একদিনে আসে না—এটি দীর্ঘ পথ চলার ফল। সুতরাং, নিজেদের জন্য বড় প্রত্যাশা রাখার চেয়ে, নিজের উন্নতি এবং খুশি দেখার দিকে মনোযোগ দাও।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৮-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৮-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: হাওর অঞ্চলে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দে...