এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৭-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৭-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জাতি উদযাপন করল মহান বিজয় দিবস- সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে বীর শহিদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পূর্ব তিমুরের সফররত সিডেন্টের শ্রদ্ধা নিবেদন।


আগামী বছরের শেষ দিকে অথবা ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে পারে জাতীয় নির্বাচন – বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা। 


১৯৭১ সালের স্বাধীনতাকে পূর্ণতা দিয়েছে চব্বিশের বিজয় – মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার। 


নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যকে স্বাগত জানালো বিএনপি। 


রমজান মাসে সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ভোজ্য তেলের উপর আরোপিত সব ধরনের কর প্রত্যাহার।


যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্কুলে গুলিতে অন্তত তিনজন নিহত। 


কুয়ালালামপুরে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়াকাপ নারী টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলংকাকে ২৮ রানে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ।

গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ পদ্ধতি।

 গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ পদ্ধতি।


গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ পদ্ধতি ও বাজার সম্ভাবনা

টমেটো এখন এক দামি সবজি। অসময়ে হলে তো কথাই নেই, গ্রীষ্মকালীন টমেটো শীতের চেয়ে অন্তত চার-পাঁচ গুণ দামে বিক্রি হবে। শীতেও চাষ করে ভালো লাভ করা যেতে পারে যদি আগাম চাষ করা যায়। সে জন্য যেসব জাত আগাম ভালো ফল দেয় সেসব জাত চাষ করতে হবে। অসময়ে বা গরমকালে ফল ধরে এমন জাতও আগাম লাগানো যেতে পারে। বর্তমানে অধিক ফলন দেয় ও আকর্ষণীয় রঙ হয় এমন অনেক হাইব্রিড জাতের বীজ এ দেশে পাওয়া যাচ্ছে। সেসব জাতের বীজ কিনে চাষ করতে এখনই লেগে পড়তে পারেন।


আগাম জাতঃ


আগাম টমেটো চাষ করার জন্য প্রধান প্রধান জাত হচ্ছে বিনাটমেটো ৩, বিনাটমেটো ৪, বারিটমেটো ৪, বারিটমেটো ৫ এবং বারিটমেটো ৬ (চৈতী)। গ্রীষ্মকালীন টমেটো পলিথিনের ছাউনিতে এসব জাত চাষ করা হয়। একটি ছাউনি ২০ মিটার ´২.৩ মিটার আকৃতির হলে ভালো। ৩০ সেন্টিমিটার চওড়া ২টি বীজতলায় লম্বালম্বিভাবে ১টি করে ছাউনির ব্যবস্থা করে নিতে হবে। ছাউনির খুঁটির উভয় পাশের উচ্চতা ১৫০ সেন্টিমিটার এবং মাঝখানের খুঁটির উচ্চতা ২১০ সেন্টিমিটার হতে হবে। জমি নৌকার ছইয়ের আকৃতি করে পলিথিন দিয়ে ছাউনি দিতে হয়। ২টি ছাউনির মাঝে ৭৫ সেন্টিমিটার চওড়া নিকাশ নালা রাখলে ভালো হয়। প্রতিটি ছাউনিতে ২টি বীজতলা রাখতে হবে।


বীজতলাঃ


জমি থেকে বীজতলার উচ্চতা ২০ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার রাখা দরকার। ২টি বীজতলার মাঝে ৩০ সেন্টিমিটার চওড়া নালা রাখতে হয়। প্রতিটি ছাউনিতে ৪টি সারি রাখতে হবে।


চারা রোপণঃ


২৫-৩০ দিন বয়সের চারা প্রতি বেডে ২ সারিতে রোপণ করতে হয়। সারি থেকে সারির দূরত্ব ৬০ সেন্টিমিটার এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৪০ সেন্টিমিটার রাখলে ভালো হবে।


আগাম ফসল: 


গ্রীষ্মকালীন টমেটোর জন্য টমাটোটোন নামক হরমোন প্রয়োগের প্রয়োজন হয়। হ্যান্ড স্প্রেয়ারের সাহায্যে ৫ চা চামচ (প্রতি লিটার পানিতে) টমাটোটোন শুধু ফুটন্ত ফুলে ৮ থেকে ১০ দিন অন্তর ২ বার স্প্রে করতে হয়। এ প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে সারা বছর টমেটো চাষ করা সম্ভব। টমাটোটোন দ্বারা উৎপাদিত ফলে বীজ হয় না।


পোকা দমনঃ‌


শোষক পোকা এবং জাবপোকা গাছের রস শোষণ করে। শোষক পোকা দমনের জন্য ম্যালাথিয়ন, সেভিন কিংবা নেক্সিয়ন এবং জাবপোকা দমনের জন্য এফিডান ডাস্টিং (৫%) কিংবা সেফস, নেক্সিয়ন ও ডাইব্রম ব্যবহার করতে হয়।


রোগ দমনঃ


টমেটোর ৩টি রোগ গুরুত্বপূর্ণ। ঢলে পড়া রোগ, টমেটো মোজাইক ভাইরাস এবং ফিউজেরিয়াম উইল্ট। ঢলে পড়া রোগে গাছে ফুল আসার আগেই ঢলে পড়ে। এ রোগে আক্রান্ত গাছ ধ্বংস করা, আক্রান্ত জমিতে পরবর্তী ৪-৫ বছর টমেটো, আলু, মরিচ ও বেগুন চাষ না করা এবং প্রতিরোধী জাত ব্যবহার করা। মোজাইক রোগে পাতা কুঁকড়ে যায়, গাছ ও ফলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। এজন্য আক্রান্ত গাছ ধ্বংস করতে হয়। সুস্থ গাছে কীটনাশক ওষুধ ছিটানোর ব্যবস্থা দ্বারা ভাইরাস বহনকারী পোকার আগমন প্রতিরোধ করতে হয়। ফিউজেরিয়াম উইল্ট রোগে গাছ ঢলে পড়ে। পাতা হলুদাভ হয় এবং পাতা ভেতরের দিকে বেঁকে আসে। এ রোগ মাটির মাধ্যমে ছড়ায়। এ রোগে আক্রান্ত গাছ ধ্বংস করতে হয়।


শস্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণঃ


রোপণের ২-৩ মাস পর থেকে ফল সংগ্রহ শুরু করা যায়। রঙিন নয় এরূপ টমেটো ১০ থেকে ১৫.৫০ সে. তাপে ৩০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। পাকা টমেটো ৫০০ সে. তাপে ১০ দিন পর্যন্ত রাখা যায়।

সংগৃহীত 

তথ্য সূত্রঃ Ajker Krishi

আলু চাষে সার প্রয়োগ ও পরিচর্যা 

 আলু চাষে সার প্রয়োগ ও পরিচর্যা 


নিয়ম মেনে আলু চাষে সঠিক পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ এবং পরিচর্যা করলে বাম্পার ফলন পাওয়া যায়। সেই সাথে আলু চাষ করার জন্য নিদিষ্টকিছু সারও প্রয়োগ করতে হয়। অনেক চাষিই সার প্রয়োগের সঠিক নিয়ম না জেনে আলুতে সার প্রয়োগ করেন।এতে করে আলুর তেমন ভালো ফলন হয় না। 


👉সার প্রয়োগের নিয়ম: গোবর, অর্ধেক ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম, ও জিংক সালফেট, (প্রয়োজন মোতাবেক) রোপণের সময় জমিতে মিশিয়ে দিতে হবে। বাকি ইউরিয়া রোপণের ৩০-৩৫ পর অর্থাৎ দ্বিতীয় বার মাটি তোলার সময় প্রয়োগ করতে হবে। অম্লীয় বেলে মাটির জন্য ৩৫০ গ্রাম/শতক ম্যাগনেশিয়াম সালফেট এবং বেলে মাটির জন্য বোরণ প্রতি শতকে ৩৫ গ্রাম প্রয়োগ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়। 


👉সারের নাম সারের পরিমাণ (গ্রাম/শতক)

ইউরিয়া ১০০০গ্রাম

টিএসপি ৫৩০গ্রাম

এমওপি ৯৫০গ্রাম

জিপসাম ৪৫০গ্রাম

জিংক সালফেট ৩৫গ্রাম

ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (অমৱীয় বেলে মাটির জন্য) ৩৫০গ্রাম

বোরণ (বেলে মাটির জন্য) ৩৫গ্রাম

গোবর ৪০ কেজি 


👉সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা: সেচ ব্যবস্থা মাটি আদ্রতার উপর নির্ভরশীল। প্রয়োজনে কম বেশি হতে পারে। 


👉প্রথম দিতে হবে বীজ আলু রোপণের ২০-২৫ দিনের মধ্যে (স্টোলন বের হওয়ার সময়)।

👉দ্বিতীয় সেচ দিতে হবে বীজ আলু বপনের ৪০-৪৫ দিনের মধ্যে (শুটি বের হওয়া পর্যন্ত)।  

👉আর তৃতীয় সেচ দিতে হবে আলু বীজ বপনের ৬০- ৬৫ দিনের মধ্যে (শুটির বৃদ্ধি পায়)। দেশের উত্তরাঞ্চলে বেশি ফলন পেতে হলে ৮ থেকে ১০ দিন পর গোড়ায় মাটি দেওয়া প্রয়োজন।

ইডলি একটি জনপ্রিয় দক্ষিণ ভারতীয় খাবার যা মূলত ভাত এবং ডাল দিয়ে তৈরি করা হয়।

 ইডলি একটি জনপ্রিয় দক্ষিণ ভারতীয় খাবার যা মূলত ভাত এবং ডাল দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি খুবই স্বাস্থ্যকর এবং হালকা খাবার। নিচে ইডলি তৈরির সহজ রেসিপি দেওয়া হলো:😋🤤👇


উপকরণ:


1. ইডলি রাইস - ২ কাপ


2. উড়াদ ডাল (সাদা ডাল) - ১ কাপ


3. মেথি দানা - ১ চা চামচ


4. লবণ - স্বাদ অনুযায়ী


5. পানি - প্রয়োজন মতো


প্রস্তুত প্রণালী:


1. ভেজানো:


ইডলি রাইস এবং মেথি দানা একসঙ্গে ভিজিয়ে রাখুন ৬-৮ ঘণ্টা।


উড়াদ ডাল আলাদা ভিজিয়ে রাখুন ৬-৮ ঘণ্টা।


2. পেস্ট তৈরি:


ভিজানো উড়াদ ডাল প্রথমে মিহি করে পিষে নিন।


তারপর ইডলি রাইস এবং মেথি দানাও মিহি করে পিষে নিন।


উভয় মিশ্রণ একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পাতলা কিন্তু ঘন ব্যাটার তৈরি করুন।


3. ফারমেন্টেশন:


ব্যাটার ঢেকে রেখে ৮-১০ ঘণ্টা (গরম আবহাওয়ায়) বা রাতে ফারমেন্ট হতে দিন।


4. ইডলি স্টিম করা:


ইডলি মোল্ডে সামান্য তেল লাগান।


ব্যাটার ফারমেন্ট হয়ে গেলে তাতে লবণ মিশিয়ে নিন।


মোল্ডে ব্যাটার ঢেলে ইডলি স্টিমারে ১০-১২ মিনিট স্টিম করুন।


5. পরিবেশন:


গরম ইডলি পরিবেশন করুন নারকেল চাটনি এবং সাম্বারের সঙ্গে।


টিপস:


ফারমেন্টেশনের সময় ব্যাটার খুব গরম জায়গায় রাখবেন না, এতে ব্যাটার খারাপ হয়ে যেতে পারে।


ইডলি আরও নরম ও ফ্লাফি করতে ইডলি রাইসের পরিবর্তে পোলাও রাইসও ব্যবহার করতে পারেন।


আনন্দ করুন মজাদার ইডলি দিয়ে!



গাছের জন্য ঘরোয়া পদ্ধতিতে বানানো ১০ জৈব পুষ্টির উৎস

 ✅✅গাছের জন্য ঘরোয়া পদ্ধতিতে বানানো ১০ জৈব পুষ্টির উৎস।✅✅


✅ কলার খোসা: পটাসিয়ামের জন্য পঁচিয়ে / শুকিয়ে গুঁড়ো করে সরাসরি মাটিতে বা তরল আকারে প্রয়োগ করা যায়।


✅ডিমের খোসা: ক্যালসিয়ামের জন্য গুঁড়া করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিন।


✅ইপসম সল্ট: ম্যাগনেসিয়ামের জন্য তরল আকারে প্রয়োগ করুন।


✅অ্যাকুরিয়ামের পুরোনো পানি: উপকারী পুষ্টি উপাদান দিয়ে পরিপূর্ণ এ পানি সরাসরি প্রয়োগ না করে ৭ দিন জমিয়ে রেখে ১:১ রেশিওতে নরমাল পানি মিশিয়ে প্রয়োগ করুন। সরাসরি প্রয়োগ করলে গাছ মারা যেতে পারে।


✅ কাঠের ছাই: পটাসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের জন্য মাটির নিচে সাথে মিশিয়ে দিন।


✅ আগাছার চা: পুষ্টি সমৃদ্ধ সারের দারুন কার্যকরী উৎস।


✅চাল ও ডাল ধোয়া পানি: নিয়মিত ব্যবহারে গাছ দারুন কিছু পুষ্টি পায়।


✅পেঁয়াজ খোসা: পটাসিয়ামের জন্য ৪-৫ দিন পানিতে ভিজিয়ে তরল আকারে প্রয়োগ করা যায়।


✅ ব্যবহৃত চা পাতা: নাইট্রোজেনের দারুন উৎস। 


✅ভাতের মাড়: ভাতের মাড়ের সাথে পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিলে গাছ দারুন পুষ্টি পায় এবং দ্রুত বৃদ্ধি পায়।


এ ছাড়া তরকারির খোসা, ঝড়ে পড়া পাতা, ভাতের মাড় ইত্যাদি ব্যবহারে আপনার গাছের প্রয়োজনীয় পুষ্টি মিটে যাবে।

ভালো থাকুক আপনার বাগান! 🌱

The plant box

বাড়ি আর জমি কখনো ১০০ বছরের বেশি এক মালিক সহ্য করে না...

 বাড়ি আর জমি কখনো ১০০ বছরের বেশি এক মালিক সহ্য করে না...

ওরা নিজেরাই মালিক বদল করে।

অথবা বলুন,

আপনি বাড়ি বদলান না, বরং বাড়ি নিজেই বদলায় মালিক।


এই বাড়িটা দেখুন...

যখন এটা তৈরি হচ্ছিল, তখন এর মালিক আর তার পরিবার কত পরিকল্পনা করেছিল।

"রান্নাঘর এখানে হবে,"

"বাথরুমের আকার এমন হওয়া উচিত,"

"ড্রয়িং রুমে এই সোফাটা দারুণ মানাবে।"

এমন কত পরামর্শ, কত স্বপ্ন আঁকা হয়েছিল এই বাড়ি ঘিরে।


যখন তারা এই বাড়িতে থাকতে এসেছিল, তাদের মুখে আনন্দের দীপ্তি ছিল।

গর্ব করে অতিথিদের দেখিয়েছিল।

অতিথিরাও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিল।

কিন্তু ক’দিন পরেই হয়তো সেই মালিক বদলে গেল।

অন্য কেউ এসে উঠল।

তারপর আবার কেউ নতুন মালিক হয়ে এল।

এখন এই বাড়িটা পরিত্যক্ত, ভগ্নদশায়,

কাউকে নতুন মালিক বানানোর অপেক্ষায়।


শোনা যায়,

কোনো জমি বা বাড়ি ১০০ বছরের বেশি এক মালিকের হাতে থাকে না।

ওরা নিজেরাই বদলায় মালিক।


তাই ভ্রমে থেকো না যে, তুমি জমি-বাড়ির মালিক।

বাস্তবটা হলো,

জমি আর বাড়ি নিজেরাই বদলায় তাদের মালিক।



চা তো প্রায় সকলেই প্রতিদিন খান , ফোটানো চায়ের পাতা কি ফেলে দিচ্ছেন

 চা তো প্রায় সকলেই প্রতিদিন খান , ফোটানো চায়ের পাতা কি ফেলে দিচ্ছেন? পড়ুন প্রতিবেদন টি আর ফোটানো চায়ের পাতা কাজে লাগান আজ থেকেই -


বেশিরভাগ  মানুষই ফোটানো চায়ের পাতা ফেলে দেন।  ফোটানো সেই চা পাতার গুণ সম্পর্কে খুব একটা ধারণা অধিকাংশেরই নেই।  চা পাতাগুলো দিয়ে  হয় কন্ডিশনার, এক্সফোলিয়েটর, আবার ফুলগাছের সার 

সবই তৈরি করা যায়! কীভাবে জেনে নিই।


দিনে অন্তত বার তিনেক চা বানানোই হয়। চা না খেলে সকালের শুরুটা যেমন ভাল হয় না, তেমনই সারা দিনের ক্লান্তি কাটাতেও ভরসা সেই এক পেয়ালা চা। কিন্তু চা বানিয়ে ফেলার পর ব্যবহার করা চা পাতা নিয়ে কী করেন?  কিন্তু চা পাতার এমন কিছু ব্যবহার রয়েছে, যা জানলে সত্যিই অবাক হবেন। চা পাতা ফেলে দেওয়ার কথা আর ভুলেও ভাববেন না।


পানীয় তৈরি করা ছাড়া চা পাতা আর কোন কোন কাজে লাগে?


১) সার হিসাবে:


চা পাতায় রয়েছে নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় বেশ কিছু খনিজ। এগুলি গাছের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। চা পাতা পচে মাটির সঙ্গে মিশলে উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। তবে জেনে রাখা প্রয়োজন, ফোটানো চা পাতা গরম অবস্থায় মাটিতে দেওয়া যায় না। রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে সার হিসাবে মাটিতে দেওয়া যায়।


২) দুর্গন্ধ দূর করতে:


যে কোনও দুর্গন্ধ দূর করার ক্ষমতা রয়েছে চা পাতার। ঘরের এক কোণে বা জুতো রাখার আলমারিতে চা পাতা রাখাই যায়। ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংস থাকলেও অনেক সময়ে বিশ্রী গন্ধ বেরোয়। রাসায়নিক দেওয়া সুগন্ধি না রেখে সেখানে টি ব্যাগ রাখা যেতে পারে।


৩) স্ক্রাব হিসাবে:


ফোটানো চা পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখলে তা এক্সফোলিয়েটর হিসাবেও ব্যবহার করা যায়। সঙ্গে টক দই, মধু আর কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিলেই তা গায়ে মাখার জন্য প্রস্তুত। ত্বকে জমা মৃত কোষ, ধুলো-ময়লার পরত সরিয়ে ফেলতে ঘরোয়া এই টোটকা দারুণ কাজের।


৪) মশা, মাছি তাড়াতে:


চা পাতায় রয়েছে ট্যানিন। এই উপাদানটি মশা, মাছি, পিঁপড়ের মতো কীটপতঙ্গ দূরে রাখে। জানলা, দরজা কিংবা হেঁশেলের তাকে চা পাতা ছড়িয়ে রাখলে সহজে পোকামাকড় আসতে পারবে না।


৫) চুলের যত্নে:


শ্যাম্পু করার পর ঠিক মতো কন্ডিশনিং না করলে চুল নিষ্প্রাণ হয়ে ওঠে। দোকান থেকে কেনা কন্ডিশনার না মেখে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার দিয়েও চুলের যত্ন নিতে পারেন। এই রকমই একটি প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হল চা পাতা। ফোটানো চায়ের পাতা সিদ্ধ করে নিন। শ্যাম্পু করার পর সেই জল দিয়ে ধুয়ে নিলে চুল মোলায়েম হয়ে উঠবে ।

( সংগৃহীত : সূত্র... আনন্দবাজার & bjn Wall))

@highlight

দেশের প্রথম ছয় লেন বিশিষ্ট সেতু মধুমতি

 দেশের প্রথম ছয় লেন বিশিষ্ট সেতু মধুমতি


বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি নদীর নাম মধুমতি। এর উৎপত্তি পদ্মা থেকে। ১৮৭৮  সাল থেকে একটানা প্রায় ৯ দশক যাবত যেসব নদীর বুকচিরে বরিশাল-কোলকাতা নৌপথে স্টিমার চলতো, সেগুলোর মধ্যে মধুমতিও একটি। 


স্টিমার সার্ভিস বন্ধ হয়েছে বহু বছর আগে।

তবে মধুমতির নাম মুছে যায়নি এবং এখনো প্রবহমান রয়েছে। যদিও নদীর সেই জৌলুস আর নেই। মধুমতি এখন ভিন্ন নামে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।


দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা গোপালগঞ্জ ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা নড়াইলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত এই নদীতে নির্মিত হয়েছে দেশের প্রথম ৬ লেন বিশিষ্ট সেতু। 


সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে মাইলফলক স্থাপনকারী এ সেতু গোপালগঞ্জ ও নড়াইলের মধ্যে দূরত্ব বেশ কয়েক কিলোমিটার কমিয়ে এনেছে। ফলে সড়কপথে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল, বিভাগীয় শহর খুলনা ও আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর মোংলার দূরত্বও কমেছে।


এক_ছোট্ট_সাম্রাজ্য সময়টা ২০১২ সাল।

 এক_ছোট্ট_সাম্রাজ্য

সময়টা ২০১২ সাল। ইউরোপের কিছু আগ্রহী মানুষ হঠাৎ গিয়ে হাজির হলেন সিসিলিয়ান আইল্যান্ডে। যাবার আগে তারা শুনেছিলেন, কিন্তু সেখানে গিয়ে যা খুঁজে পেলেন তা জন্ম দিল এক নতুন ইতিহাসের। ইউরোপিয় অভিযাত্রীরা চাক্ষুস করলেন হারিয়ে যাওয়া এক প্রাচীন গ্রাম, শুধু গ্রামই নয় এক হারিয়ে যাওয়া সাম্রাজ্য। অনেক বছর আগেই এই সাম্রাজ্য আবিষ্কৃত হয়েছিল, হিসেব মতন তাও প্রায় একশো বছর আগে। তবে তা প্রচারের আলো পায়নি, ২০১২ সাল পর্যন্ত। ইউরোপীয় অভিযাত্রীদের  সেই অভিযান থেকেই শুরু হয়েছিল সারা পৃথিবীর সামনে সবচেয়ে ছোট প্রাচীন সাম্রাজ্যের নিদর্শন তুলে ধরার যাত্রা।


মাত্র তেইশটা বাড়ি ছিল সেই আশ্চর্য সাম্রাজ্যে। এখনো অবধি খুঁজে পাওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানের মার্বেলের নমুনা রয়েছে সেই সবকটা বাড়ির আনাচে কানাচে। সিসিলিয়ান গ্রাম্য পরিবেশে ১৯শো শতকের গোড়ার দিকে আরকিওলজিস্টরা খুঁজে পেয়েছিলেন এই সাম্রাজ্য। পাহাড়ের ঢালে মাটি চাপা পড়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই একদিন নিজের অস্তিত্ব জানান দেয় এই ছোট্ট সাম্রাজ্য, যার নাম "ভিলা রোমানা দেল কাসাল"।


ঐতিহাসিকদের অনুমান আশ্চর্য এই সাম্রাজ্য তৈরি হয়েছিল আনুমানিক তৃতীয় থেকে চতুর্থ শতকের মাঝামাঝি কোনও এক সময়ে। ধ্বংস হয়ে যাবার পর প্রায় সাতশো বছরেরও বেশি সময় ধরে তা মাটিচাপা অবস্থায় পড়েছিল সিসিলিয়ান আইল্যান্ডের পাহাড়ের ঢালে। প্রাচীন রোমের সবচেয়ে ধনী কয়েকটি পরিবার মিলে স্থাপন করেছিল এই সাম্রাজ্য, গোপনে। উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের গোপন ধনসম্পত্তি এবং অনৈতিক জীবন যাপনকে রোমান সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে রাখা।  সেই সময়ের পৃথিবীর অন্যান্য বেশিরভাগ অঞ্চলের তুলনায় সিসিলিয়ান এই ছোট্ট গ্রামের বৈভব ছিল চোখে পড়ার মতন। পরবর্তীকালে রোমান সিনেট এবং সাম্রাজ্যের নজর পড়ে এই ছোট্ট গ্রামটির উপর। বিশেষ করে রাজনৈতিক কারণে, ক্ষমতা দখলের ঠান্ডা লড়াইকে কেন্দ্র করে। পাহড়ের গায়ে গড়ে ওঠা এখানকার অট্টালিকাগুলি ক্ষমতাশালী রোমানদের ঈর্ষার কারণ হয়ে উঠেছিল। তারাও এখানকার অপরূপ প্রকৃতির মোহে আবিষ্ট হয়ে ছুটে আসে এই গ্রামে। 


ইতিহাস জানে, এই সাম্রাজ্য দেখেছে বিখ্যাত সেই রোমান সাম্রাজ্যের পতন। নিজের শরীর দিয়ে সহ্য করেছে বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প, বন্যা এবং আগুনের প্রতাপ। যদিও রোমান সাম্রাজ্যের শত্রুরা এর  খোঁজ পায়নি কখনও।  অবশেষে ১১৬৯ সালে এক মারাত্মক ভূমিকম্পে প্রায় ধংসস্তুপে পরিণত হয় এই ঐতিহাসিক জায়গাটি। 


১৯শো শতকের গোড়ার দিকে এই সাম্রাজ্য যখন পুনোরুদ্ধার করা হয় তখন মাটির তলা থেকে সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় বেরিয়ে আসে প্রায় পঞ্চাশটি ঘর এবং  বিশাল আকারের স্নানাগার সমেত এক রাজকীয় অট্টালিকা। পৃথিবীর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানের মার্বেল এবং পাথরের কারুকার্য খুঁজে পাওয়া গেছে সেই অট্টালিকায়। তার প্রতিটি কোনায় খুঁজে পাওয়া যায় সেই সময়ের সমৃদ্ধশালী আর্টের নমুনা।


প্রাচীন আর্টের এই নমুনাগুলোতে কোথাও দেখতে পাওয়া যায় সেই সময়ের দৈনন্দিন জীবনের চিত্র, কোথাও শিকারকৃত অবস্থায় জন্তু জানোয়ারের ছবি, আবার কোথাও হোমারের মহাকাব্য। মার্বেলের উপর দক্ষতার সাথে সমস্ত কিছুর সচিত্র বিবরণ খুঁজে পাওয়া যায়।  


তবে রহস্যের ব্যাপার হল ইউরোপের মাঝ বরাবর অবস্থিত রোমান অধ্যুষ্যিত এই ছোট্ট সাম্রাজ্যের শিল্পে আফ্রিকান প্রভাব চোখে পড়ার মতন। ঐতিহাসিকরা মনে করেন আফ্রিকান, বিশেষ করে ইজিপ্সিয়ান এবং নিউবিআন কারিগররাই বানিয়েছিলেন এই ছোট্ট সাম্রাজ্যের সবকিছু। তারাই ছিল এর আর্কিটেক্ট থেকে কারিগর। আসলে সেই সময়ে মূলত আফ্রিকা থেকে ক্রীতদাস সংগ্রহ করে আনা হত ইউরোপের বিভিন্ন জায়গায়। তারা বিভিন্ন শিল্পকর্মেও অত্যন্ত দক্ষ ছিল। তারাই নিজেদের কাজের গুনে এই সাম্রাজ্যকে স্থাপত্যের উৎকর্ষে পৌঁছে দিয়েছিলো।


১৯শো শতকের গোঁড়ায় খুঁজে পাবার পর থেকেই এই ছোট্ট সাম্রাজ্যের উপর চলেছে নানান গবেষণা। প্রত্নতাত্ত্বিকদের তত্ত্বাবধানে তার পরিচর্যাও চলেছে সমান তালে। অবশেষে ২০১২ সালে ইউরোপীয় অভিযাত্রীদের অভিযানের  পর থেকেই সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে জায়গাটি। ইউনেস্কো একে হেরিটেজ সাইটের মর্যাদাও দিয়েছে। এই সাম্রাজ্যের কারিগরদের আসল ইতিহাস জানা যদিও এখনও বাকি রয়েছে। আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি আমরা সেই সত্যও জানতে পারবো। মর্যাদা দিতে পারবো নামগোত্রহীন সেই সমস্ত সৃষ্টিকর্তাদের।

Collected





দারুন লোভনীয় টমেটো পরোটা বানানোর পদ্ধতি

 🌿 দারুন লোভনীয় টমেটো পরোটা বানানোর পদ্ধতি: ❤️


🍁☘️ উপকরণ:

• ৩টি টমেটো

• ১.৫ কাপ আটা

• ১ টুকরো আদা

• ৪-৫ কোয়া রসুন

• ২-৩টি কাঁচা লঙ্কা

• ২ টেবিল চামচ ধনে পাতা কুচি

• ৭ টেবিল চামচ সাদা তেল

• স্বাদ মত নুন


🍁☘️ প্রস্তুত প্রণালী:

🌿 1. টমেটো ফালি করে কেটে নিতে হবে। সঙ্গে আদা, রসুন কোয়া, নুন ও কাঁচা লংকা মিক্সার এ পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। আটা তে ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে শুকনো করে মেখে নিতে হবে। আটা কিছু টা ঝুরঝুরে হয়ে যাবে। টমেটো পেস্ট আটা তে যোগ করে মেখে নিতে হবে। এখানে কোনো প্রকার জল ব্যবহার হবে না। প্রয়োজনে বাড়তি আটা ব্যাবহার করতে হবে কারন সব টমেটোর রস সমান হয় না।


🌿 2. আটা মেখে নিয়ে সমান ভাগে লেচি কেটে নিতে হবে। পছন্দমত আকারে বা সাইজে পরোটা বেলে নিতে হবে।


🌿 3. তাওয়া গরম করে দুই পিঠ সেঁকে নিতে হবে ১ টেবিল চামচ তেল দুই পিঠ। পরোটা যাতে গরম থাকে ক্যাসারোল এ নীচে টিস্যু পেপার রেখে পরোটা রেখে দিতে হবে যদি সঙ্গে না খাওয়া হয়। আচার, যে কোনো সব্জি বা মাংস দিয়ে পরিবেশণ করা যায় এই পরোটা।


#rumisrecipes #viralpost #viralpost2024 #paratha

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...