এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

সুজির লুচি রেসিপি বানিয়ে নিন সহজ পদ্ধতি

 সুজির লুচি রেসিপি বানিয়ে নিন সহজ পদ্ধতিতে 👍

বাঙালি হয়ে লুচির লোভ সামলানো কিন্তু খুবই মুশকিল গতানুগতিকভাবে লুচি না বানিয়ে একটু নতুন পদ্ধতিতে সুজির লুচি বানিয়ে নিতে হলে অবশ্যই এই সুজির লুচি রেসিপিটি দেখে নিতে হবে।


সুজির লুচি  উপকরণ:

১ কাপ সুজি (১৫০ গ্রাম)

৩ কাপ জল

২ কাপ (২৫০ গ্রাম) ময়দা

১ চা চামচ আজয়াইন

২ চা চামচ তেল

১ চা চামচ ঘি

১/২ চা চামচ হিং

স্বাদমতো নুন

 ১ চা চামচ চিনি

তেল

ময়দা

তেল


সুজির লুচি রান্নার পদ্ধতি:


১. সুজির লুচি বানানোর জন্য প্রথমে নিয়ে নিতে হবে ১ কাপ সুজি (১৫০ গ্রাম)। এবার এর মধ্যে ৩ কাপ জল গরম করে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।


নোট- এখানে সুজি আর জলের পরিমাণটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১:৩ অনুপাতে এই সুজি এবং জল মিশিয়ে নিতে হবে।


২. সুজি টা খুব সুন্দর করে মেশানো হয়ে গেলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঢেকে রেখে দিতে হবে।


৩. এবার একটি পাত্রে ওই একই কাপের ১.৫ কাপ ময়দা নিয়ে নিতে হবে। এবার এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ১ চা চামচ আজয়াইন (এটি দেওয়ার সময় হাতে একটু ঘষে দেবেন তাহলে এর গন্ধটা সুন্দরভাবে বের হয়)।


নোট যাদের গ্যাস অম্বলের সমস্যা থাকে তাদের এইভাবে লুচি রান্না করে খেলে অতটা সমস্যা হয় না।


৪. এবার একটি ছোট প্যান এ ২ চা চামচ সাদা তেল, ১ চা চামচ ঘি, 1/২ চামচ হিং নিয়ে ভালো করে গরম করে নিতে হবে। হিং থেকে সুন্দর গন্ধ বেরোনো শুরু হলে এই মিশ্রণ ময়দার মধ্যে দিয়ে নিতে হবে।


নোট- এইভাবে ময়দা মায়ান দিলে লুচি অনেকক্ষণ খাস্তা থাকে।


৫. এরপর ময়দার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে সামান্য নুন এবং ১ চা চামচ চিনি। যেহেতু তেলটা গরম ছিল তাই প্রথমে একটি চামচ দিয়ে ময়দার সাথে এটা ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে, এর পরে হাত দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। (মেশানোর সময় চেষ্টা করবেন যাতে কোনরকম ডেলা না থাকে, যদি দেখেন ময়দা গুলো হাতে চাপলে হালকা হালকা লেগে যাচ্ছে তখন বুঝতে হবে ঠিকমত ময়ান দেওয়া হয়ে গেছে)।


৬. এবার যে সুজিত ভেজানো ছিলো সেটা ময়দার মধ্যে দিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এই সময় হাতে সুজি লেগে যাবে সে ক্ষেত্রে আরো ১ কাপ ময়দা দিয়ে মেখে নিতে হবে। ময়দা নরম করে মাখা হয়ে গেলে এর ওপরে আরো সামান্য একটু তেল দিয়ে ভালো করে ঠেসে মেখে এটাকে ঢেকে রাখতে হবে প্রায় ৫ থেকে ৭ মিনিট।


নোট- আপনারা ময়দার ওপরে সামান্য তেল দিয়েও রাখতে পারেন।


৭. ময়দা দু'ভাগ করে ছোট ছোট করে লেচি কেটে নিতে হবে এবং বেলার সুবিধার জন্য একটু গোল করে নিতে হবে। এবার খুব সামান্য ময়দা ছড়িয়ে ছোট ছোট করে রেখা লেচি গুলিকে বেলে নিতে হবে (আপনারা চাইলে সামান্য তেল দিও ব্যবহার করতে পারেন) বেলার সময় খেয়াল রাখবেন এটা যেন খুব পাতলা না হয় আবার খুব মোটাও না হয়।


৮. এবার একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে নিয়ে গরম করে নিতে হবে (তেল যেন খুব বেশি গরম না হয় মাঝারি থেকে একটু বেশি গরম হলেই হবে)। এবার এর মধ্যে একে একে লুচি গুলি দিয়ে ভেজে নিতে হবে।


৯. প্রথমে লুচি গুলো দেয়ার পর ৩ থেকে ৪ সেকেন্ড অপেক্ষা করে একটি জালি দিয়ে হালকা হালকা করে সবদিক টা চাপলে দেখবেন লুচি গুলো বলের মত ফুলে উঠবে। এক দিকটা ভাজা হয়ে গেলে উল্টে অপরদিকটাও ভেজে নিতে হবে।


১০. ভাজা হয়ে গেলে এটাকে একটি জালির সাহায্যে তুলে একটা পেপার টাওয়াল এর ওপরে রেখে দিতে হবে তাতে অতিরিক্ত তেলটা পেপারে টেনে নেবে। এখানে লুচি বেলার ৩০ সেকেন্ড পরে আপনারা লুচিগুলো ভেজে নেবেন সেক্ষেত্রে লুচি গুলো খুব ভালোভাবে ফুলবে।


গরম গরম এই ফুলকো সুজির লুচি  পরিবেশন করুন ছোলার ডাল বা আলুর দমের সাথে।

অনেক বছর আগের ঘটনা, একবার এক চাষী তার বাড়ির উঠোনে বসে বিশ্রাম করছিলেন। এমন সময় তার একমাত্র ছেলে ছুটে আসে এবং বাবাকে খবর দেয়, যে রাস্তার ধারের পুকুরে একটি ছেলে ডুবে যাচ্ছে।

 অনেক বছর আগের ঘটনা, একবার এক চাষী তার বাড়ির উঠোনে বসে বিশ্রাম করছিলেন। এমন সময় তার একমাত্র ছেলে ছুটে আসে এবং বাবাকে খবর দেয়, যে রাস্তার ধারের পুকুরে একটি ছেলে ডুবে যাচ্ছে। শুনে চাষী তৎক্ষণাৎ পুকুরের কাছে পৌঁছায়। গিয়ে দেখে তার ছেলের বয়সী একটি ছেলে জলে হাবুডুবু খাচ্ছে। 


পোশাক পরিচ্ছদ দেখে কোন শহরের ধনীর দুলাল বলে মনে হচ্ছে। সাথে বেশ কিছু বন্ধু বান্ধব থাকলেও তারা সাঁতার না জানায় পারে দাঁড়িয়ে বন্ধুর সাহায্যের জন্য চিৎকার করছে। চাষী আর একমুহূর্ত সময় নষ্ট না কোরে জলে ঝাপিয়ে পরে এবং ছেলেটিকে উদ্ধার করেন।


এই ঘটনার দিন দুয়েক পর হঠাৎ একদিন গ্রামের পথে ধুলো উড়িয়ে এক ঘোড়ায় টানা সুসজ্জিত গাড়ি, আগে পিছু অস্ত্রধারী অশ্বারোহী নিয়ে চাষীর বাড়ির সামনে এসে থামলো।


চাষী কিছুটা ভয় পেয়েছিল বৈকি। এরপর গাড়ি থেকে যে ব্যক্তি নেমে এলেন তার ব্যক্তিত্ব তার ঐশ্বর্যের পরিচয় বহন করে কিন্তু তার মুখের স্মিত হাসি চাষীকে কিছুটা আস্বস্ত করেন। 


তিনি স্মিত হেসে বলেনঃ--- "আপনি সেই মহানুভব যিনি আমার একমাত্র ছেলের জীবন বাঁচিয়ে ছিলেন?" 


কৃষক মৃদু হেসে বললেনঃ--- "আজ্ঞে হ্যা।" 


সেই ব্যক্তি এরপর গরিব চাষীর হাত ধরে অশ্রু সজল চোখে বলেনঃ--- "আপনার ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না। তবু বলুন আমি আপনার জন্য কি করতে পারি?" 


চাষী প্রথমে কিছু নিতে রাজি হয় না, শেষ মেষ অনেক অনুরোধের পর বলেনঃ--- "দেখুন আমার সেই ক্ষমতা নেই যে আমার ছেলেকে ভালো স্কুলে পড়াই। তাই যদি আপনি ওর একটা ভালো স্কুলে পড়ার ব্যবস্থা করেদেন তাহলেই আমি চির কৃতজ্ঞ থাকবো আপনার কাছে।" 


এই শুনে সেই ভদ্রলোক হেসে বললেনঃ--- "ঠিক আছে এই যদি আপনার ইচ্ছা হয় তবে আজ থেকে আপনার ছেলে আমার ছেলের সাথে একসাথে পড়াশুনো করবে, এবং ওকে আমি আমার বাড়িতে রেখে পড়াবো।"


এরপর অনেক বছর কেটে গেছে। চাষীর ছেলে আর ধনী দুলালের বন্ধুত্ব সময়ের সাথে আরো গভীর হয়েছে। দুজনেই অত্যন্ত মেধাবী, যদিও দুজনের পছন্দ ছিল সম্পূর্ন আলাদা। ধনীর দুলালের আকর্ষণ রাজনীতি, আর তার বন্ধুর চিকিৎসা বিজ্ঞান। স্নাতক হবার পর একজন মন দেয় অণুজীব নিয়ে গবেষণায়, আর একজন রাজনীতিতে।


গবেষক বন্ধুর এক একটা গবেষণা পত্র যখন চিকিৎসা দুনিয়ায় আলোড়ন ফেলছে। তখন আর এক বন্ধুর নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা আকৃষ্ট করছে ইংল্যান্ডের যুব সমাজকে।


এর মধ্যেই সেই রাজনীতিবিদ বন্ধু এক গভীর অসুখে আক্রান্ত হয়। অনেক বড় বড় চিকিৎসক যখন ব্যর্থ হয় ফিরে যায়, তখন সেই গবেষক বন্ধু এগিয়ে আসে।


দিন রাত এক করে নিজের তৈরি ওষুধে চিকিৎসা করতে থাকেন নিজের বন্ধুর। এবং সম্পূর্ন সুস্থ করে তোলেন নিজের প্রাণাধিক প্রিয় বন্ধুকে। কারণ তাকে ছাড়া তো আধুনিক বিশ্বের ইতিহাস লেখাই অসম্পূর্ন থাকতো।


জানেন এই দুজন কারা? 


সেই চাষীর ছেলে হলেন বিশ্ববন্দিত বিজ্ঞানী, পেনিসিলিনের আবিস্কারক স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং।


আর তার বন্ধুটি হলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।


বন্ধুত্বের কোনো শেষ নেই। বন্ধুত্ব, এক অমূল্য সৃষ্টি। বন্ধু ছাড়া জীবন সত্যিই অসম্পূর্ণ।

মাগো ওরা বলে – আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

 মাগো ওরা বলে

– আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ


“কুমড়ো ফুলে-ফুলে,

নুয়ে প’ড়েছে লতাটা,

সজনে ডাঁটায়

ভরে গেছে গাছটা,

আর আমি

ডালের বড়ি শুকিয়ে রেখেছি।

খোকা তুই কবে আসবি ?

কবে ছুটি?”


চিঠিটা তার পকেটে ছিল

ছেঁড়া আর রক্তে ভেজা।


“মাগো, ওরা বলে

সবার কথা কেড়ে নেবে।

তোমার কোলে শুয়ে

গল্প শুনতে দেবে না।

বলো, মা, তাই কি হয়?

তাইতো আমার দেরি হচ্ছে।

তোমার জন্য

কথার ঝুড়ি নিয়ে

তবেই না বাড়ি ফিরবো।


ল‍ক্ষী মা,রাগ ক’রো না,

মাত্রতো আর ক’টা দিন।”

“পাগল ছেলে,”

মা পড়ে  আর হাসে,

“তোর ওপরে রাগ করতে পারি!”

নার০কেলের চিড়ে কোটে,

উরকি ধানের মুড়কি ভাজে,

এটা-সেটা আরও কত কী!

তার খোকা যে বাড়ি ফিরবে!

ক্লান্ত খোকা!


কুমড়ো ফুল

শুকিয়ে গেছে,

ঝ'রে পড়েছে ডাঁটা,

পুঁই লতাটা নেতানো-

“খোকা এলি?”

ঝাপসা চোখে মা তাকায়

উঠানে-উঠানে

যেখানে খোকার শব

শকুনীরা ব্যবচ্ছেদ করে।


এখন

মা’র চোখে চৈত্রের রোদ

পুড়িয়ে দেয় শকুনীদের।

তারপর

দাওয়ায় ব’সে

মা আবার ধান ভানে,

বিন্নি ধানের খই ভাজে,

খোকা তার

কখন আসে!  কখন আসে!


এখন

মার চোখে শিশির-ভোর

স্নেহের রোদে ভিটে ভ’রেছে।

প্রথমে শেখানো হলো ১৮ এর আগে বিয়ে করতে নেই।,,,, হালাল বিনোদন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রথমে শেখানো হলো ১৮ এর আগে বিয়ে করতে নেই। নানারকম শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি হয়। স্বামীর সাথে "বোঝাপড়া" ভালো হয় না। 


(তবে ১৮ এর আগে বয়ফ্রেন্ডের সাথে স্কুল পালিয়ে, কলেজ ড্রেসে পার্কের বেঞ্চে বাদাম- ঝালমুড়ির নিষ্পাপ প্রেমে সমস্যা নেই)

.

১৮ পার হলে বলা হলো গ্র‍্যাজুয়েশান কমপ্লিট করো। তা না হলে তো ইন্টারমেডিয়েট পাশ হয়ে থাকলে। 

.

গ্র‍্যাজুয়েশানের পাশের পর বিয়ে করতে চাইলে বলা হলো আগে মাস্টার্স, তারপর বিয়ে। 

.

মাস্টার্সও শেষ হলো। এখনই তো বিয়ের সময়। ছেলে-টেলে খোঁজা হোক। না! এখন জব খোঁজার সময়। আগে জব, তারপর বিয়ে। 

.

জবও হয়ে গেলো। তাহলে নিশ্চয় এখন বিয়ে? না এখনই না। কারণ, স্যালারি এতই অল্প যে পাত্রের স্যালারির সামনে মান ইজ্জত বলে কিছু থাকে না। তাহলে বিয়ে কবে? স্যালারি আরো বাড়ার পরে। হুমম...

.

অফিসে খুব ভালো পারফর্ম করে ডাবল প্রমোশনে স্যালারিও প্রায় ডাবল বেড়ে গিয়েছে। এখনই তাহলে বিয়ের সময়। ইয়েস! রাইট হেয়ার, রাইট নাউ। এক্ষুণি। এবার ছেলে খোঁজো। মেয়ের বয়সও ১৮ থেকে ঠেলতে ঠেলতে এখন ৩৫ এর কাছাকাছি। 

.

তা... কেমন ছেলে চাই? প্রতিষ্ঠিত, সুদর্শন, নিজের বাড়ি (ঢাকা বা কোনো বড় শহরে), আর ২০১৮ না হলেও ২০১৫/১৬ মডেলের একটা এলিয়ন বা প্রিমিও থাকলে চলে যাবে। 

.

এখন আবার পাত্র পছন্দ হয় না। কারণ, এই শর্ত মেলাতে গেলে যেসব ছেলে পাওয়া যাচ্ছে তারা প্রায়ই ৪০ এর কাছাকাছি। এদের মধ্যে আবার অনেকের আগের বউ এর সাথে "ছাড়াছাড়ি" হয়ে গিয়েছে। 


অনেকের আবার মদসহ অন্যান্য ছাইপাশের অভ্যেস আছে। এতসব মেনে নিয়ে কি আরেকজনের ঘরে বউ হয়ে যাওয়া যাবে? আর যেসব কমবয়েসী ছেলে পাওয়া যাচ্ছে তারা তো "প্রতিষ্ঠিত" নয়। 


হাজব্যান্ডের স্যালারি তার ওয়াইফের স্যালারির অর্ধেকেরও কম। এটা তো এই যুগের আধুনিক নারী হয়ে কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। নো ওয়ে! কাম অন, গাইজ! 

.

১৮ এর তরুণী আজ ৩৫ এর মহিলা। আচ্ছা, তখন যেসব এনজিও, স্কুলের ম্যাডাম- সের, সুশীল সেকুলার আংকেল- আন্টি "বাল্যবিবাহ" বলে এই মেয়েটার একের পর এক আসা বিয়ের প্রস্তাবগুলো ভেঙ্গে দিয়েছিলো, পড়াশুনা আর ক্যারিয়ারের অযুহাত দেখিয়ে সুপাত্র পেয়েও মেয়ের বাবাকে তাদের হাতে পাত্রস্থ করতে দেয় নি- সেই মানুষগুলো আজ কোথায়?


 কেউ বলবেন না যেনো, তারা ম'রে গিয়েছে। তারা বেঁচে আছে। তারা এখন নতুন ১৮ খুঁজছে। নতুন সুইট সিক্সটিনগুলোকে গ্রুমিং করিয়ে করিয়ে তাদের দল ভারি করছে। এদেরকে "মানুষ শয়তান" বললে কি খুব পাপ হয়ে যাবে?


Follow ~ হালাল শপ

জায়ফল (nutmeg)"

 "জায়ফল (nutmeg)"

রান্নার স্বাদ বাড়াতে জায়ফলের জুড়ি নেই। এই মসলার নিজস্ব স্বাদ আর গন্ধ রয়েছে। নবাবী আমল থেকে এই মসলা উপমহাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। সুগন্ধি এ মসলা শুধু রান্নায় স্বাদ বাড়ায় না, এর নানা ধরনের স্বাস্থ্যগুণও আছে। 

জায়ফলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগগুলি মস্তিষ্ক এবং হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও অবদান রাখতে পারে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এক চিমটি জায়ফল অন্তর্ভুক্ত করলে নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে।  যেমন-

হজমের উন্নতি ,ব্যথা কমায়,  ভালো ঘুম, মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরিমুখের স্বাস্থ্য, হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ইত্যাদি সারায়।


 ইম্পোর্টেড জায়ফল, সেরা গুনগত মানসম্পন্ন এই প্রডাক্ট পাচ্ছেন আপনার হাতের নাগালে থাকা কোম্পানি "Tulip Commodities" এ। 


আমরা এরকম মসলাজাতীয় পণ্য বিশ্বের উল্লেখযোগ্য দেশগুলো থেকে সরাসরি Import করে থাকি। 


অফলাইনে ডিলার পয়েন্টে, এবং অনলাইনে কাস্টমার পর্যায়ে আমরা এই পণ্যগুলো সরবরাহ করছি। 


অর্ডার করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 


 ☎️📞📱     01829-427716 


🏢আমাদের ঠিকানা: মাইপাড়া বাজার, পুঠিয়া, রাজশাহী । 


♻️সর্বোচ্চ মানের Imported-Essential Product 

পেতে 

    "Tulip ~ Commodities" এর সাথেই থাকুন,ধন্যবাদ।

বড় বড় সেতু বাঁকা হয় কেনো? 

 বড় বড় সেতু বাঁকা হয় কেনো? 

=================== 

বড় বড় সেতু বাঁকা হওয়ার কারণ মূলত প্রকৌশলগত নকশা এবং কার্যকারিতা সংক্রান্ত। এটি সেতুর স্থায়িত্ব, ভারবহন ক্ষমতা এবং নির্মাণের সুবিধার জন্য করা হয়। নিচে এর কয়েকটি কারণ ব্যাখ্যা করা হলো:


১. ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা এড়ানো

সরাসরি সেতু নির্মাণ সবসময় সম্ভব হয় না, বিশেষ করে নদী, পাহাড় বা শহরের মধ্যে যেখানে সরাসরি রাস্তা বা স্থানীয় কাঠামোর জন্য বাধা থাকে। বাঁকা নকশা এই ধরনের জায়গাগুলোর সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।


২. প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ

বাঁকা সেতু ভূমিকম্প বা তীব্র বাতাসের সময় আরও স্থিতিশীল থাকে। বাঁকা নকশা সেতুর বিভিন্ন অংশে চাপ সমানভাবে বিতরণ করতে সাহায্য করে, ফলে এটি শক্তিশালী হয়।


৩. চাপ ও ভারসাম্য বণ্টন

বাঁকা সেতুর মাধ্যমে গাড়ির ওজন বা অন্য চাপ সমানভাবে সেতুর উপর ছড়িয়ে পড়ে। এটি সেতুর বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত চাপ পড়া থেকে রক্ষা করে এবং সেতুর আয়ুষ্কাল বাড়ায়।


৪. স্থাপত্য নান্দনিকতা

বাঁকা সেতু দেখতে সুন্দর এবং আধুনিক নকশার উদাহরণ হতে পারে। শহর বা এলাকার নান্দনিক চাহিদা মেটানোর জন্য অনেক সময় সেতুকে বাঁকা করে ডিজাইন করা হয়।


৫. যান চলাচলের সুবিধা

বাঁকা সেতু কখনো কখনো পথের দিক পরিবর্তনের জন্য তৈরি করা হয়। এটি যানবাহনের চলাচলকে সহজ এবং নিরাপদ করে তোলে।


উদাহরণ:

পদ্মা সেতু এবং সিডনি হারবার ব্রিজের মতো বড় সেতুগুলোতেও এই ধরনের বাঁকা নকশা দেখা যায়।

পৃথিবীর অনেক জায়গায় নদী, সমুদ্র এবং পার্বত্য এলাকায় বাঁকা সেতু দেখা যায় এর কার্যকারিতার কারণে।

#bridge #naeemcivilnote #constructionindustry #structures #engineering #Bangladesh

চিকেন রেশমি কাবাব রেসিপি

 চিকেন রেশমি কাবাব রেসিপি

🌿উপকরণ:

চিকেন- ৫০০ গ্রাম(হাড় ছাড়া বুকের মাংস)।

লেবুর রস- ১ টে চামুচ।

টকদই- ১/৩ কাপ।

আদা বাটা- ১ টে চামুচ। 

রসুন বাটা- ১ টে চামুচ।

কাঠবাদাম  পেস্ট- ২ টে চামুচ। 

সয়া সস ১ টে চামুচ। 

চিলি সস ১ টে চামুচ। 

গোলমরিচ গুঁড়া- ১/২ চা চামুচ।

গরম মশলা গুঁড়া-১/২ চা চামুচ।

শুকনো মরিচ গুঁড়া-  ১/২ চা চামুচ। 

ফ্রেশ ক্রিম- ২৫০ গ্রাম।

চিনি-১/২ চা চামুচ।

ধনেপাতা

তেল- পরিমাণ মত (ভাজার জন্য)।

বাটার -১ চা চামুচ। 

লবণ- স্বাদমতো।

শাসলিকের কাঠি 

🌿প্রস্তুত প্রণালীঃ

শাসলিকের কাঠিগুলো পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে ১০/১৫মিনিট।এতে ভাজার সময় কাঠিগুলো পুড়ে যাবে না।


মুরগির বুকের হাড় ছাড়া মাংস মাঝারি সাইজের কিউব আকারে টুকরা করে কেটে ধুয়ে পানিঝরিয়ে নিতে হবে।

একটি বড়ো বাটিতে চিকেনের সাথে - টকদই, বাদাম পেস্ট, সস, আদা-রসুন বাটা, ক্রিম, লেবুর রস, লবণ, ধনেপাতা অন্যান্য গুঁড়া মসলা এবং লবণ মিশিয়ে মাখিয়ে ২/৩ ঘন্টার জন্য মেরিনেট করে রেখে দিতে হবে।  

ভেজানো কাঠিতে চিকেনের টুকরা গেঁথে নিতে হবে। এরপর ছড়ানো প্যানে একদম অল্প তেল গরম করে গেথে নেয়া চিকেনের কাঠিগুলো কয়েকটা৩/৪ টা করে  দিয়ে দিতে হবে ।মাঝারি আঁচে কিছু সময় পর পর কাবাবগুলো উল্টিয়ে দিয়ে ভেজে নিতে হবে।

গোল্ডেন ব্রাউন/সোনালী কালার হয়ে এলে নামিয়ে সামান্য বাটার ব্রাশ করে নিতে হবে তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে- চিকেন রেশমি কাবাব।

সয়াবিন তেল(Soyabean Oil

 "সয়াবিন তেল(Soyabean Oil)"

সয়াবিন তেল হল উদ্ভিজ্জ তেল, যা সয়াবিনের বীজ থেকে পাওয়া যায়। এটি সর্বাধিক ব্যবহৃত রান্নার তেলগুলির মধ্যে একটি এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত উদ্ভিজ্জ তেল। শুকানোর তেল হিসাবে, প্রক্রিয়াকৃত সয়াবিন তেলকে ছাপানোর কালি ( সয়া কালি ) এবং তেল রঙের জন্য ভিত্তি হিসাবেও ব্যবহার করা হয়।


ইম্পোর্টেড সয়াবিন তেল, সেরা গুনগত মানসম্পন্ন এই প্রডাক্ট পাচ্ছেন আপনার হাতের নাগালে থাকা কোম্পানি "Tulip Commodities" এ। 


আমরা এরকম  পণ্য বিশ্বের উল্লেখযোগ্য দেশগুলো থেকে সরাসরি Import করে থাকি। 


অফলাইনে ডিলার পয়েন্টে, এবং অনলাইনে কাস্টমার পর্যায়ে আমরা এই পণ্যগুলো সরবরাহ করছি।


অর্ডার করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 


 ☎️📞📱    01829-427716 


🏢আমাদের ঠিকানা: মাইপাড়া বাজার, পুঠিয়া, রাজশাহী । 


♻️সর্বোচ্চ মানের Imported-Essential Product 

পেতে 

    "Tulip ~ Commodities" এর সাথেই থাকুন,

 ধন্যবাদ।

ক্লাস সেভেন নাকি ক্লাস এইটের পাঠ্য বইতে আবুল মনসুর আহমদের একটি রম্য ট্রেজেডিক গল্প ছিল " আদু ভাই " নামে । এই আদু বছর পর বছর ফেল করে একই ক্লাসে পড়ে থাকত,,,,,,,,বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ক্লাস সেভেন নাকি ক্লাস এইটের পাঠ্য বইতে আবুল মনসুর আহমদের একটি রম্য ট্রেজেডিক গল্প ছিল " আদু ভাই " নামে । এই আদু বছর পর বছর ফেল করে একই ক্লাসে পড়ে থাকত । আদু ভাইয়ের সাথের বন্ধুরা পাশ টাশ করে একই স্কুলে টিচার হিসেবে এসেছে । কিন্তু আদু ভাই ক্লাস সেভেন থেকে ক্লাস এইটে পাশ করা হয়ে উঠে না । শেষে তার বিয়ে হয় , ছেলের সাথে ক্লাস সেভেনের পরীক্ষা দেয় এবং পাশ করে কিন্তু এই পাশ আদু ভাই দেখে যেতে পারেনি । তার কবরে মার্বেল পাথরে লিখা ছিল " টেবলেটে লেখা রয়েছে:

Here sleeps Adu Mia who was promoted

from Class VII to Class VIII. "


ছেলে বলল: বাবার শেষ ইচ্ছামতই ও ব্যবস্থা করা হয়েছে । এখানে বাস্তব এক আদু ভাইয়ের গল্প যা আমি ১৯৭৯ সালের ইত্তেফাকের মাধ্যমে জেনেছিলাম তখন । এই "বাস্তবের আদু ভাই" ছিলেন দাউদকান্দির। নাম আব্দুল মান্নান। তিনি পাকিস্তান আমলে (১৯৬০) সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন, তখনো এস এস সি নাম চালু হয়নি । সেই ১৯৬০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ১৬ এস এস সি দেন কিন্তু পাশ করতে পারেন নি । ১৯৭৬ এবং ১৯৭৭ সালে তিনি ক্লান্ত ছিলেন বলে পরীক্ষা দিতে পারেন নি । পরে তিনি ১৯৭৮ এবং ১৯৭৯ সালের পরীক্ষা দেন । দাউদকান্দির মজিদপুর বিদ্যালয়ের গৌরি পুর কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দেন । এবার তিনি পাশ করেন তৃতীয় বিভাগে । তার বর্তমান বয়স ( ১৯৭৯ সালে ) চল্লিশ বছর । এস এস সি পাশ করেন নি বলে বিয়ে থাও করতে পারেন নি । ---- এই খবর ছিল ৯ আগাস্ট ১৯৭৯ সালের ইত্তেফাকে । তখন আমাদের বন্ধুদের মাঝে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল এই ঘটনা!


ছবি: দৈনিক ইত্তেফাক , ১৯৭৯ সাল ।

সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র (বিনয়)


#Adu_Bhai #truestory #Bangladesh #BDCS #giridhardey #itihaserkhojegiridhar #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর





আমরা অনেকেই জানি না বিষয়গুলো আবার অনেকেই দুএকটা জানি এখানে অনেকগুলো কারন লিখা আছে ব্যাখ্যা সহ আমরা জেনেই বিষয়গুলো এবং জানাটা অনেক দরকার,,,, ইয়াসিন আরাফাত ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমরা অনেকেই জানি না বিষয়গুলো আবার অনেকেই দুএকটা জানি এখানে অনেকগুলো কারন লিখা আছে ব্যাখ্যা সহ আমরা জেনেই বিষয়গুলো এবং জানাটা অনেক দরকার 


দারুল উলূম দেওবন্দ ও হক্বানী উলামায়ে কেরামের মতে, যে সমস্ত কারণে মাওলানা সাদ সাহেব বিতর্কিত এবং তাকে মানা যাবে না।


কারণগুলি নিম্নরূপঃ


১. ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখা হারাম। কারো পকেটে ক্যামেরা বিশিষ্ট মোবাইল রেখে নামায পড়লে তার নামায শুদ্ধ হবে না।


২. যেই উলামায়ে কেরাম ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখেন, তাঁরা উলামায়ে ছূ। বারবার কসম করে বলেন, তাঁরা হলেন উলামায়ে ছূ। এমন আলেমরা হল গাধা।


৩. মোবাইলে কুরআন শরীফ পড়া এবং শোনা, প্রস্রাবের পাত্র থেকে দুধ পান করার মতো। পেসাবদানী ছে পানি পিনা হাঁয়'।


৪. কুরআন শরীফ শিখিয়ে যাঁরা বেতন গ্রহণ করেন, তাঁদের বেতন বেস্যার উপার্জনের চেয়ে খারাপ। যেই ইমাম এবং শিক্ষকরা বেতন গ্রহণ করেন, তাদের আগে বেস্যারা জান্নাতে প্রবেশ করবেন।


৫. মাদরাসা গুলোতে যাকাত না দেয়া হোক। মাদরাসায় যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে না। সারা আলমের মাদরাসা গুলো যাকাত নিয়ে হারাম কাজ করতেছে।


৬. রাসূল স. এর বাই'আতের পর কেবল তিন জনের বাই'আত পূর্ণতা পেয়েছে, আর সবার বাই'আত অপূর্ণ। তিনজন হলেন, (ক) শাহ ইসমাঈল শহীদ রহ. (খ) মাও. মুহা. ইলিয়াছ রহ. (গ) মাও. মুহা. ইউসূফ রহ.।


৭. মাও. সা'আদ বিভিন্ন ইজতিমায় একাধিকবার সুন্নাতকে তিন প্রকার বলে বয়ানে বলে থাকেন, ইবাদাতের সুন্নাত, দাওয়াতের সুন্নাত এবং আচার-আচরণের সুন্নাত।


৮. দাওয়াতের পথ নবীর পথ, তাছাউফের পথ নবীর পথ নয়।


৯. আযান হল-তাশকীল, নামায হল-তারগীব আর নামাযের পরে আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া হল-তারতীব।


১০. রাসূল স. দাওয়াত ইলাল্লাহ'র কারণে ইশারের নামায দেরীতে পড়ছেন। অর্থাৎ নামাযের চেয়ে দাওয়াতের গুরুত্ব বেশি।


১১. হযরত ইউসূফ আ. 'উযকুরনী ইনদা রাব্বিক' বলে গাইরুল্লাহ'র দিকে নযর দেয়ার কারণে অতিরিক্ত সাত বছর জেলখানায় থাকতে হয়েছে।


১২. হযরত মুসা আ. দাওয়াত ছেড়ে দিয়ে কিতাব আনতে চলে গেছেন। দাওয়াত ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণে পাঁচলক্ষ সাতত্তর হাজার লোক মুরতাদ হয়েগেছেন।


১৩. হযরত যাকারিয়া আ. আল্লাহকে বাদ দিয়ে গাছের কাছে আশ্রয় চাইলেন ফলে শাস্তি ভোগ করতে হল।


১৪. হযরত মূসা আ. থেকে এক বড় ভুল হয়েগেছে (এই ইবারতাটা হুবাহু মওদুদী সাহবের ইবারত)। এবং তিনি অপরাধ করে বসছেন। এই জন্য তিনি ক্বওমকে ছেড়ে আল্লাহর সান্বিধ্য লাভের জন্য নির্জনতা গ্রহণ করলেন।


১৫. আমাদের কাজের (তাবলিগী) সাথে লেগে থাকা এবং মাওলানা ইলিয়াছ ও মাওলানা ইউসূফ সাহেবের কিতাব পড়বে, অন্য কোন কিতাব পড়বে না।


১৬. হযরত মূসা আ. কর্তৃক হযরত হারুন আ. কে নিজের স্থলাভিষিক্ত বানানো উচিত হয় নি।


১৭. সকাল সকাল কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করা এবং নফল নামায পড়ার একটা অর্থ বুঝে আসে কিন্তু আল্লাহ আল্লাহ জিকির কী অর্জন হয়? কিছুই হয় না।


১৮. এ-তাবলীগী কাজ, এছাড়া দীনের যত কাজ আছে-দীনি ইলম শিখানো, দীনি ইলম শিখা, আত্মশুদ্ধি, কিতাবাদি রচনা করা; কোনটাই নবুওয়াতী কাজ না।


১৯. মাদরাসার শিক্ষকগণ মাদরাসায় খিদমাত করার কারণে দুনিয়াবী ধ্যান্দায় জড়িয়ে পড়ছে, এই জন্য তাদের দীনের মেহনতে সময় দেয়া দরকার।


২০. কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলা বান্দাকে জিজ্ঞাস করবেন, তা’লীমে বসছিলে কি না, গাস্ত করছিলে কি না?


২১. প্রত্যেক সাহাবী অপর সাহাবীর ‍বিরুদ্ধাচরণ করছেন।


২২. হিদায়েতের সম্পর্ক যদি আল্লাহর হাতে হতো, তাহলে নবী পাঠাতেন না।


২৩. আপনাদের কাছে সবচাইতে বড় গোনাহ চুরি-যেনা, এর চাইতে বড় গোনাহ হল, খুরুজ না হওয়া। তাই হযরত কা’ব ইবনে মালেকের সাথে পঞ্চাশ দিন পর্যন্ত কথা-বার্তা বন্ধ রাখা হয়।


২৪. কুরআন শরীফ বুঝে-শুনে তেলাওয়াত করা ওয়াজিব। না বোঝে তেলাওয়াত করলে ওয়াজিব তরকের গোনাহ হবে। ইত্যাদি ইত্যাদি।


সুত্র...... সা'দ সাহেবের আসল রূপ


-------------------------------------------

শতবছর আগে দ্বীন ও ইসলামের দাওয়াতি কাজকে তরান্বিত করতে মাওলানা ইলিয়াস (রাহ.) দিল্লির নিজামুদ্দিন মসজিদ থেকে তাবলিগের কাজ শুরু করেন। 

মাওলানা ইলিয়াস (রাহ.)-এর ছেলে মাওলানা ইউসুফ(রাহ.), তাহার ছেলে মাওলানা হারুন (রাহ.), তারই ছেলে হলেন বিতর্কিত মাওলানা সাদ কান্ধলভী।


দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের বর্তমান মুরব্বী সাদ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় কুরআন, হাদিস, ইসলাম, নবি-রাসুল ও নবুয়ত এবং মাসআলা-মাসায়েল নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।


তিনি তার এ সব আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য দেওবন্দসহ বিশ্ব আলেমদের কাছে বিতর্কিত হয়েছেন। তাঁর বিতর্কিত মন্তব্যগুলো ‘সা’আদ সাহেবের আসল রূপ’ নামে একটি ছোট্ট বই আকারে প্রকাশ করেছেন জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার মুহাদ্দিস, তাবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বী এবং দ্বন্দ্ব নিরসনে ভারত সফরকারী ৫ সদস্যের অন্যতম মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক।


তাঁর লিখিত ‘মাওলানা সাদ সাহেবের আপত্তিকর’ কুরআন-হাদিস বিরোধী বক্তব্যগুলো তুলে ধরা হলো-


> ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকা

>> ভোটের সময় চিহ্ন হিসাবে (আঙুলে) যে রং লাগানো হয়, তার কারণে নামাজ হয় না। তাই ভোট না দেয়া উচিত।


> কুরআন শরীফের ভুল ব্যাখ্যা

>> বিভিন্ন আয়াতে তিনি বলেন, মুফাসসিরিন এই আয়াতের কোনো এক তাফসির করেছেন, ওলামা কোনো এক তাফসির করে থাকেন, কিন্তু আমি এই তাফসির করে থাকি। এটা শুনো। এটাই সঠিক তাফসির!


> ইসলাম ও ওলামাদের বিরোধীতা

>> ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখা হারাম এবং পকেটে ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রেখে নামাজ হয় না। যে আলেমগণ ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখাকে ‘জায়েজ’ বলেন, তারা ‘ওলামায়ে ছু’। বার বার কসম খেয়ে তিনি বলেন, তারা হলো ‘ওলামায়ে ছু’। এমন আলেমরা হলো গাধা! গাধা! গাধা!


> জাহেলি ফতোয়া

>> মোবাইলে কুরআন শরীফ পড়া এবং শোনা; প্রস্রাবের পাত্র থেকে দুধ পান করার মতো! (নাউজুবিল্লাহ)


> মাদরাসা মসজিদের বেতন বেশ্যার উপার্জনের চেয়ে খারাপ

>> কুরআন শরিফ শিখিয়ে বেতন গ্রহণ করেন, তাদের বেতন বেশ্যার উপার্জনের চেয়েও খারাপ। যে ইমাম এবং শিক্ষক বেতন গ্রহণ করেন, বেশ্যারা তাদের আগে জান্নাতে যাবে!


> কাওমি মাদরাসা বন্ধ করার অপচেষ্টা

>> মাদরাসাগুলোতে জাকাত না দেয়া হোক। মাদরাসায় জাকাত দিলে জাকাত আদায় হবে না।


> আওলিয়াদের সঙ্গে শত্রুতা

>> রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পর কেবল তিনজ লোকের ‘বাইআত’ পূর্ণতা পেয়েছে। আর বাকি সবার বাইআত অপূর্ণ। সেই ৩ জন হলেন- শাহ ইসমাঈল শহীদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস এবং মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ।


> সুন্নাত সম্পর্কে জাহেলি মন্তব্য

>> মাওলানা সাদ সাহেব আযমগড়ের ইজতেমায় এবং অন্যান্য ইজতেমায় একাধিকবার সুন্নাতকে ‘৩ প্রকার’ বলে বর্ণনা করেছেন- ইবাদতের সুন্নাত, দাওয়াতের সুন্নাত এবং আচার-অভ্যাসের সুন্নাত।


> নবিওয়ালা কাজের বিরোধীতা

>> ‘দাওয়াতের পথ’ হলো নবির পথ, ‘তাসাউফের পথ’ নবির পথ না।


> ভ্রান্ত আকিদা

>> আজান হলো ‘তাশকিল’ (প্ল্যান-পরিকল্পনা)। নামাজ হলো ‘তারগীব’ (পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্বুদ্ধকরণ)। আর নামাজের পর আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া হলো ‘তারতীব’ (পরিকল্পনার মূল বাস্তবায়ন)।


>> রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাওয়াত ইলাল্লাহর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইশার নামাজকে পর্যন্ত বিলম্ব করে পড়েছেন। অর্থাৎ নামাজের চেয়ে দাওয়াতের গুরুত্ব বেশি।


>> হজরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম ‘তোমার প্রভুর কাছে আমার কথা বল’ বলে গাইরুল্লাহর দিকে দৃষ্টি দেয়ার কারণে তাকে অতিরিক্ত ৭ বছর জেলখানায় থাকতে হয়েছে।


>> হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম আল্লাহকে ছেড়ে গাছের কাছে আশ্রয় চাইলেন। ফলে শাস্তি ভোগ করতে হলো।


>> মুজিজার সম্পর্ক কেবল দাওয়াতের সঙ্গে। নবুয়াতের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।


>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম থেকে বড় এক ভুল হয়ে গেছে এবং তিনি এক অপরাধ করে ফেলেছেন- জামাআত এবং কাওমকে ছেড়ে তিনি আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্য ‘নির্জনতা’ অবলম্বন করেছেন।


>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম কর্তৃক হজরত হারুন আলাইহিস সালামকে নিজের স্থলাভিষিক্ত বানানোও অনুচিৎ কাজ হয়েছে।


>> হেদায়েতের সম্পর্ক যদি আল্লাহর হাতে হতো; তাহলে তিনি নবি পাঠাতেন না।


>> কুরআন শরীফ বুঝে-শুনে তেলাওয়াত করা ওয়াজিব। তরজমা না জেনে তেলাওয়াত করলে তরকে ওয়াজিবের গোনাহ হবে।


>> আপনাদের কাছে সবচাইতে বড় গোনাহ- চুরি, যিনা। ঠিকই এটা বড় গোনাহ; তবে তার চাইতে বড় গোনাহ হলো খুরুজ না হওয়া। তাই হজরত কা’ব ইবনে মালেকের সঙ্গে ৫০ দিন পর্যন্ত কথাবার্তা বন্ধ রাখা হয়।


>> জিকিরের অর্থ আল্লাহ আল্লাহ বা অন্যান্য তাসবিহ পড়া নয়; জিকিরের আসল অর্থ আল্লাহর আলোচনা করা।


> আল্লাহ তাআলার হুকুমের সমালোচনা

>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম দাওয়াত ছেড়ে দিয়ে (আল্লাহর হুকুমে) কিতাব আনতে চলে গেছেন। দাওয়াত ছেড়ে (কিতাব আনতে) চলে যাওয়ার কারণে ৫ লাখ ৭৭ হাজার লোক মুরতাদ হয়ে গেল।


> তাবলিগের নতুন ধারা

>> আমাদের কাজের সঙ্গে লেগে থাকা সাথীরাই কেবল মাওলানা ইলিয়াস এবং মাওলানা ইউসুফ সাহেবের মালফুজাতই পড়বে। এগুলো ছাড়া (ফাজায়েলে আমল ও ফাজায়েলে সাদাকাতসহ) অন্য কিতাবাদি পড়বে না।


> জিকিরের অস্বীকার

>> সকাল-সকাল কুরআন তেলাওয়াত করা এবং নফল নামাজ পড়ার তো একটা অর্থ বুঝে আসে। কিন্তু আল্লাহ আল্লাহ বলে জিকির করে কী অর্জন হয়? কিছুই অর্জন হয় না!


>> এই এক তাবলিগই নবুয়তের কাজ। এ ছাড়া দ্বীনের যত কাজ আছে- দ্বীনি ইলম শিখানো, দ্বীনি ইলম শেখা, আত্মশুদ্ধি, কিতাবাদি রচনা করা কোনোটাই নবুয়তের কাজ না।


>> মাদরাসার উস্তাদরা বেতন নেয়ার কারণে দুনিয়াবি ধান্দায় জড়িয়ে আছে। এ কারণে দ্বীনের খেদমতের জন্যও তাদের কিছু সময় দেয়া উচিৎ।


> আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা অপবাদ

>> কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা বান্দাকে জিজ্ঞাসা করবেন, তা’লিমে বসেছিলে কি না? গাশ্‌ত করেছিলে কি না?


> সাহাবায়ে কেরামের ওপর মিথ্যা অপবাদ

>> প্রত্যেক সাহাবী অপর সাহাবীর বিরুদ্ধাচরণই করেছেন।


উল্লেখিত কুরআন-হাদিস বহির্ভূত আলোচনার জন্য ওলামায়ে দেওবন্দসহ বিশ্ব মুসলিমের অন্যতম আলেমগণ তাঁকে ক্ষমা চাওয়া এবং তাওবার আহ্বান জানান।


এসব গোমরাহী কথা-বার্তার অডিও রেকর্ড দারুল উলুম দেওবন্দে সংরক্ষিত আছে।


সুতরাং, এ  কারণে উনাকে মানা হারাম।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...