এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

২০২৪ শেষ হয়ে যাচ্ছে, ২০২৫ চলে আসতেছে! বাট আমরা অনেকেই আগের কোনো একটা বছরেই আটকে আছি, 

 ২০২৪ শেষ হয়ে যাচ্ছে, ২০২৫ চলে আসতেছে! বাট আমরা অনেকেই আগের কোনো একটা বছরেই আটকে আছি, আমার কেনো জানি মনে হয় আমি ২০২০ এই আটকে আছি, বাট ২০২০ গেলো যে সেটারও ৪ বছর হতে লাগলো। তবে যাই হউক নতুন বছরে সবারই টার্গেট থাকে ভালো কিছু করার, অন্ততঃ আগের বছরের চাইতে আরো ভালোভাবে সবকিছু করার ইচ্ছা থাকে। 


কিন্তু সমস্যা হলো এমন ইচ্ছা কিন্তু ২০২৩ এর শেষের দিকেও ছিলো, ২৪ এর জন্যেও আমরা প্ল্যান করেছিলাম। বাট অধিকাংশ প্ল্যানই হয়তো আমাদের মনমতো হয়নি, অথবা একদমই কিছু হয়নি। আপনি এরকম হলে হতাশ হবেন না, এবার ২০২৫ এর প্ল্যানিং একটু ডিফারেন্ট হবে। কারণ ২০২৩ আর ২০২৪ এর মধ্যে একটা ডিফারেন্স আছে, যেটা হলো এখন আমাদের এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট অনেক অ্যাক্সেসেবল হয়ে গেছে। 


যদিও ২০২৩ এর শেষের দিকেও এগুলো ছিলো বাট তখন আমরা এতো সিরিয়াসলি নেই নাই, অথবা জিনিসগুলো এতোটা ম্যাচিউরডও ছিলো না।  আমি আগে একটা পোস্টে এআই বা স্পেসেফিকভাবে বললে চ্যাটজিপিটি আমাদের খুবই ভালো একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতে পারে সেটা নিয়ে পোস্ট করেছিলাম (পোস্ট না দেখলে কমেন্টে দেওয়া লিঙ্ক থেকে দেখে নিবেন)। আজকেও আমি চ্যাটিজিপিট ইউজ করে কিভাবে আপনার ২০২৫ সালটা প্ল্যান করতে পারেন সেটা সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করবো। 


আমাদের লাইফে সবারই কোনো না কোনো টার্গেট থাকে, আবার অনেক দায়িত্বও থাকে। মাঝেমধ্যে এই দায়িত্ব পূরণ করতে গিয়ে নিজের অনেক টার্গেট অ্যাচিভ করা সম্ভব হয় না। আমাদের অনেকের সেইম হয়েছে এই ২০২৪ সালেও। তবে ২০২৫ এ যাতে আমাদের সেইম সমস্যা না হয় তাই আপনি আপনার কি কি টার্গেট আছে, আপনি কি কি করতে চাচ্ছেন সেগুলো সব চ্যাটিজিপিটিতে এক্সপ্লেইন করে বলতে পারেন। সেইসাথে এই টার্গেটগুলো আপনি কতটুকু অ্যাচিভ করতে পেরেছেন বা আদৌ কিছু করতে পেরেছেন কিনা সেটা বলবেন। তারপর টার্গেট ঠিকঠাকমতো এচিভ না হলে কি কারণে হয়নি সেটা বিস্তারিত বলবেন। 


ধরেন আপনার ফুল টাইম জব আছে, জবের পাশাপাশি আপনি নতুন কিছু লার্নিং এ সময় দিতে চান, নিজের পার্সোনাল প্রোজেক্ট করতে চান, রেগুলার এক্সারসাইজ করতে চান, ব্লগ লিখতে চান, খেলাধুলা করতে চান। আপনার কিছু কাজ মাস্ট করতেই হবে, এগুলোকে স্কিপ করা যাবে না। আবার পাশাপাশি সময় বের করে আপনি আপনার অন্যান্য আরো কিছু কাজও আপনার লাইফে ফিট করাতে চাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে আপনি যেটা করতে পারেন সেটা হচ্ছে আপনার এই প্ল্যানগুলোকে আপনার মতো করে সর্বোচ্চ বেস্ট উপায়ে চ্যাটিজিপিটি থেকে অপ্টিমাইজ করে নিতে পারেন। 


যেসব কাজ আপনার মাস্ট করতে হবে সেগুলোর কথা জানাতে পারেন, সেগুলোতে কতটুকু সময় আর কখন সময় খরচ করতে হয় সেগুলো জানাতে পারেন। তারপর সেসব কাজ কন্সিডারেশনে নিয়ে আপনার অন্যান্য বাকি কাজগুলোর জন্য প্ল্যান তৈরি করে দিতে বলতে পারেন। কোন কাজটা কিভাবে করলে, কখন করলে, আগেরবার কেনো হয়নি সেটা বললে আপনার মতো করে সম্পুর্ন পার্সোনালাইজড, আপনার উইকনেস এবং স্ট্রেংদথ কন্সিডারেশনে নিয়ে বিস্তারিত প্ল্যান পাবেন। যদি চান তাহলে দিন অনুযায়ী আপনাকে বিস্তারিত রুটিন পর্যন্ত করে দিতে পারবে চ্যাটজিপিটি।


তাহলে আর দেরী কেনো, আজকেই নেমে পড়ুন আপনার লাইফের জন্য সম্পূর্ণ পার্সোনালাইজড প্ল্যানিং রেডি করতে! আর হ্যা প্ল্যান রেডি করে জানুয়ারির ১ তারিখের জন্য বসে থাকবেন না, এখনি প্ল্যানগুলো অ্যাপ্লাই করে দেখার চেষ্টা করবেন কোনটা কাজ করছে আর কোনটা করছে না। নতুন বছর শুরু হওয়ার আগেই প্ল্যানমতো কাজ করে প্রয়োজনীয় অ্যাডজাস্টমেন্ট করে নতুন বছর শুরু হওয়ার আগেই আপনার জন্য বেস্ট এবং আপনার জন্য অপ্টিমাইজড প্ল্যান রেডি করে ফেলুন!

বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা। এটি সকলের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্যবহুল একটি নিবন্ধগ্রন্থ। 

 বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা। এটি সকলের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্যবহুল একটি নিবন্ধগ্রন্থ। ভ্রমণ, বিনোদন বা গবেষণার জন্য বইটি খুবই সহায়ক হবে বলে মনে করি। চিড়িয়াখানা কী? এর উৎপত্তি ও ইতিহাস, বাংলাদেশের বিভিন্ন চিড়িয়াখানার অবস্থান, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত নানান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সন্নিবেশ রয়েছে বইটিতে। দর্শকদের মনোরঞ্জন বা গবেষণার জন্য আবদ্ধ চিড়িয়াখানাগুলোর পাশাপাশি নানান জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল হিসাবে বাংলাদেশে রয়েছে অনেকগুলো সাফারিপার্ক, অভয়ারণ্য ও জাতীয় উদ্যান। সঙ্গত কারণেই লেখক উক্ত বইটিতে সেগুলোকেও সংযুক্ত করার চেষ্টা করেছেন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে। চিড়িয়াখানার অবকাঠামো, প্রাণিসংখ্যা বা অন্যান্য তথ্যগুলোর সংযোজন-বিয়োজন, পরিবর্তন বা পরিবর্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া। তাই সবগুলো পরিসংখ্যান সবসময় নাও মিলতে পারে। তবে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত প্রত্যেকটি মানুষ বইটি পড়ে মুগ্ধ হবে বলে মনে করি। 

.

বিষয় : ফিচারগ্রন্থ

বই : বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা

লেখক : হালিম নজরুল

প্রকাশক : প্রতিভা প্রকাশ

মুদ্রিত মূল্য : ২২৫/-

.

বইটি অর্ডার করতে পারেন আমাদের ইনবক্সে অথবা রকমারী, বাতিঘর, পিবিএস, বইফেরী, ধী, ওয়াফিলাইফ, প্রথমা, বই বাজার, বিডি বুকস, ই-বইঘর, পাঠক পয়েন্ট, বইয়ের দুনিয়া, বইসদাই, বই প্রহর-সহ যে কোনো অনলাইন শপে।

.

শো-রুম : প্রতিভা প্রকাশ, রুম নং ১৪ (২য় তলা)

সেঞ্চুরি আর্কেড শপিং সেন্টার

১২০ আউটার সার্কুলার রোড, সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা-১২১৭

0258316638, 01912-601494, 01710-320861 (হোয়াটসঅ্যাপ)

আকাশবাণী কলকাতা গীতাঞ্জলি, (DTH বাংলা ও News on AIR Appও শোনা যাবে)

 আকাশবাণী কলকাতা গীতাঞ্জলি, (DTH বাংলা ও News on AIR Appও শোনা যাবে)

অনুষ্ঠান সূচী

প্রথম অধিবেশন

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৪, মঙ্গলবার

সকাল

৬.০০ সুভাষিত –  ভগিনী নিবেদিতার রচনা থেকে পাঠ

৬.০৫ সঙ্গীতাঞ্জলি

৬.৩০ আজকের চাষবাস –‘কৃষি সুপারিশ’, বলবেন স্বাগতা মণ্ডল মল্লিক

৬.৪০ আপনার স্বাস্থ্য – ধারাবাহিক কথিকা – ‘শীতকালীন শাকসবজি ও ফলমূলের পুষ্টিগুন’, বলবেন পুষ্টিবিদ পল্লবী চট্টোপাধ্যায় (শুনবেন তৃতীয় পর্ব)।

৬.৪৫ প্রাত্যহিকী – উপস্থাপনায় শৈলেন চক্রবর্তী

৭.২৫ বাংলা সংবাদ

৭.৩৫ স্থানীয় সংবাদ

৭.৪৫ রবীন্দ্রসঙ্গীত - শিল্পী নুতন সেন

৮.০০ জানা অজানা – কথিকা – ‘শীতঘুম’ বলবেন ডাঃ নিত্য গোপাল বসু

৮.০৫ নজরুল গীতি - শিল্পী সুদক্ষিণা বসু

৮.২০ উত্তরণ - দৃষ্টিতে বিশেষভাবে সক্ষম মিলন মান্ডির সাক্ষাৎকার, স্টুডিওর বাইরে থেকে রেকর্ড করে এনেছেন অরুশ্রী চট্টোপাধ্যায় (শুনবেন প্রথম পর্ব)

৮.৩০ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনুষ্ঠান – ঠুমরি-দাদরা পরিবেশনায় দেবযানী চট্টোপাধ্যায়, মিশ্র ভৈরব ঠুমরি, দেশি ঠুমরি ও গৌরী ভৈরব দাদরা

৯.০০ গানের ভেলা – উপস্থাপনায় শৈলেন চক্রবর্তী 

৯.১৫ বাংলা সংবাদ

৯.২৫ জেলার চিঠি

৯.৩০ গানের ভেলার পরবর্তী অংশ

১০.০০ গানের ভেলা – উপস্থাপনায় সৌগত চট্টোপাধ্যায়

১১.০০ যুববাণী অনুষ্ঠান – ‘খেলাধুলা’, উপস্থাপনা স্বপ্নময় চক্রবর্তী ও সৌরিক ঘোষ, জাতীয় উপভোক্তা দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠান স্টুডিওর বাইরে থেকে রেকর্ড করে এনেছেন অদ্রিজা অধিকারী।

দুপুর

১২.০০ গানের ইন্দ্রধনু – অতুলপ্রসাদী, দ্বিজেন্দ্রগীতি ও রজনীকান্তের গান, উপস্থাপনা - অনিরুদ্ধ ঘোষ এবং গোপা নন্দী

১২.৩০ গ্রামীণ সংবাদ

১২.৩৩ পরবর্তী অংশ গানের ইন্দ্রধনু

১.০০ আধুনিক গান - শিল্পী মান্না দে

১.১৫ লোকগীতি – শিল্পী দেবাশীষ রায়

১.৩০ বাংলা সংবাদ

১.৪০ স্থানীয় সংবাদ

১.৪৫ মাননীয়েষু – উপস্থাপনায় সৌগত চট্টোপাধ্যায়

২:২০ আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তি

২.৩০ সাঁওতালী অনুষ্ঠান

৩.০০ প্রথম অধিবেশনের সমাপ্তি

৩.০০ ডি টি এইচ বাংলা পরিষেবা এবং এফ এম ১০৭ মেগাহার্টজে নাটক – আশ্রয়, রচনা - হরি মতওয়ানি, বেতার নাট্যরূপ - গীতা গঙ্গোপাধ্যায়, প্রযোজনা - বিশ্বনাথ দাস

দ্বিতীয় অধিবেশন

৫.০০ ক্রীড়াঙ্গন – উপস্থাপনায় রক্তিম বরণ ময়রা,   বাইরে ঘুরে - স্টুডিওর বাইরে থেকে অনুষ্ঠান রেকর্ড করে এনেছেন অঞ্জন চট্টোপাধ্যায়

৫.৩০ বিদ্যার্থীদের জন্য - দ্বাদশ শ্রেণির জন্য ‘বিজনেস স্টাডিজ’ পাঠ , বলবেন বৈদ্যবাটী বনমালী ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক অভিনন্দন গোস্বামী এবং সঙ্গে দুজন শিক্ষার্থী

৬.০০ আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তি

৬.০৫ সাঁওতালী অনুষ্ঠান – লোকগীতি – রীনা মুর্মু ও সহশিল্পীবৃন্দ

৬.১০ সাঁওতালী সংবাদ

৬.১৫ সাঁওতালী অনুষ্ঠান - কথিকা – ‘মৃত্তিকা স্বাস্থ্য কার্ড স্কিম’, বলবেন দুর্গাদাস সরেন ,এরপর শুনবেন লোকগীতি পরিবেশনায় ফিলিপ মান্ডি, পূর্ণ চন্দ্র সরেন ও সহশিল্পীবৃন্দ

৬.৩৫ গ্রামীণ সংবাদ

৬.৪০ কৃষি কথার আসর – ‘সুন্দরবন কৃষ্টি মেলা ও লোকসংস্কৃতি উৎসব:২০২৪’, কুলতলী মিলন তীর্থ সমিতির দ্বারা আয়োজিত অনুষ্ঠান, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কুলতলী গ্রাম থেকে অনুষ্ঠান রেকর্ড করে এনেছেন সুব্রত চক্রবর্তী।

৭.১০ তরজা গান – উপস্থাপনায় মালতী সরদার ও সহশিল্পীবৃন্দ

৭.৩০ সমীক্ষা - বলবেন রৌলিনা সেনগুপ্ত

৭.৩৫ বাংলা সংবাদ

৭.৫০ স্থানীয় সংবাদ

রাত

৮.০০ খবরের আয়নায়

৮.১৫ শহর কলকাতা - স্টুডিওর বাইরে থেকে রেকর্ড করে এনেছেন অংশুমান চক্রবর্তী

৮.৩০ কথায় কাহিনী – গুরুজনের কথা, রচনা - প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়, প্রযোজনা – ডঃ মানস প্রতিম দাস

৮.৪৫ অর্থনীতির দুনিয়া – ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নে হস্তশিল্পের গুরুত্ব’, আলাপচারিতায় - অধ্যাপিকা পিঙ্গলা রায় চৌধুরী ও শর্মিষ্ঠা ঘোষ (শুনবেন দ্বিতীয় পর্ব)

৯.০০ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনুষ্ঠান - ঠুমরি-দাদরা পরিবেশনায় দেবযানী চট্টোপাধ্যায়, মাঝ খাম্বাজ ঠুমরি, তিলক কামোদ ঠুমরি ও মিশ্র দূর্গা দাদরা 

৯.৩০ শ্রবণী – কথিকা – ‘রবীন্দ্র ভাবনায় যীশু’, বলবেন অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য এবং ‘পৌষ উৎসব ও খ্রিষ্ট উৎসব’, বলবেন বিশ্বজিৎ রায়।

১০.০০ জলসাঘর – ‘আরোগ্য ও দুনিয়া ডট-কম’, বিষয় - শিশু থাকুক সুস্থ, অতিথি - ডাঃ অরুণালোক ভট্টাচার্য, উপস্থাপনায় বিশ্বজিৎ দাস এবং মল্লিকা মজুমদার।

১২.০০ দিল্লী কেন্দ্রের হিন্দী ও ইংরেজী সংবাদ

১২.১০ অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা

* প্রয়োজনে শেষমুহুর্তে অনুষ্ঠানের পরিবর্তন হতে পারে *

বেশি শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে Share করুন


আকাশবাণী কলকাতা সঞ্চয়িতা, (DTH বাংলা ও News on AIR Appও শোনা যাবে)

অনুষ্ঠান সূচী

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৪, মঙ্গলবার

প্রথম অধিবেশন

সকাল

৬.১৫ সুবদ্ধসঙ্গীত – খেয়াল পরিবেশনায় পন্ডিত সমরেশ চৌধুরী, রাগ- দেবগিরি বিলাওয়াল ও দেশি টোড়ী

৬.২৫ রবীন্দ্রসঙ্গীত - শিল্পী নুতন সেন

৬.৩৫ রামচরিত মানস - পর্ব ১২

৬.৪৫ ভজন - শিল্পী অনির্বাণ দাস

৭.১০ যুববানী অনুষ্ঠান - সুপ্রভাত - উপস্থাপনায় সায়রি ঘটক

৭.৩০ শুভা সবেরে – উপস্থাপনায় পূজা মিশ্র

৮.৩০ নজরুল গীতি - শিল্পী সুদক্ষিণা বসু

৮.৪৫ লোকগীতি - শিল্পী ভক্ত দাস বাউল

৯.১০ রসধারা - উপস্থাপনায় পূজা মিশ্র

১০.১৫ তরানে পুরানে - উপস্থাপনায় পূজা মিশ্র

১০.৩০ অঞ্জুমন - উপস্থাপনায় সারফরাজ আহমেদ

১১.০০ পাশ্চাত্য সঙ্গীত - উপস্থাপনায় উজমা জাহাঙ্গীর

দুপুর

১২.০০ সুরভী - উপস্থাপনায় পূজা মিশ্র

১২.২০ পাশ্চাত্য সঙ্গীত - উপস্থাপনায় উজমা জাহাঙ্গীর

১.১০ পাশ্চাত্য সঙ্গীত - উপস্থাপনায় উজমা জাহাঙ্গীর

২.৩০ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনুষ্ঠান - সানাই বাজিয়ে শোনাবেন  গওহর আলী খান ও সহশিল্পীবৃন্দ, রাগ – মধুমদ সারং

৩.০০ প্রথম অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা

দ্বিতীয় অধিবেশন

৫.১০ রবীন্দ্রসঙ্গীত - শিল্পী নুতন সেন

৫.২০ উর্বশী – উপস্থাপনায় চয়নিকা দত্ত

৬.১০ হিন্দি অনুষ্ঠান – উপস্থাপনায় চয়নিকা দত্ত

৭.১০ লোকগীতি – শিল্পী দেবাশীষ রায়

৭.৩০ দর্পন – উপস্থাপনায় চয়নিকা দত্ত

৮.০০ ছায়াছবির গান

৮.১৫ নানা রঙের গান

৯.১৬ স্পটলাইট

১০.১০ পাশ্চাত্য সঙ্গীত - হারমোনিকা বাজিয়ে শোনাবেন অনির্বাণ মিত্র

১০.৩০ পাশ্চাত্য সঙ্গীত - উপস্থাপনায় শ্রীরূপা সেন

১১.১০ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনুষ্ঠান – সেতার বাজিয়ে শোনাবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, রাগ - কৌশিকানাড়া ও মিশ্র ভৈরবী ধুন

১২.০০ দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা

বোম্বাই মরিচ---

 🫑🌶️বোম্বাই মরিচ---🫑🌶️

বোম্বাই মরিচ মূলত প্রচণ্ড ঝালের কারণে সর্বাধিক পরিচিত। সবার প্রিয়ও বলা চলে। একটু চেষ্টা করলেই ১ মাসে ফলাতে পারবেন বোম্বাই মরিচ। বাসার ছাদে, বারান্দায়, ভবনের চারপাশে টবে বোম্বাই মরিচের ফলন ভালো হয়। তাই আজ থেকেই চেষ্টা করে দেখুন। চাষের নিয়ম-কানুন জেনে নিন এখনই-


বীজ বা চারা: যেকোনো বাজারে বীজ কিনতে পাওয়া যায়। তবে নতুনদের জন্য চারা কেনাই ভালো। নার্সারি, হর্টিকালচার সেন্টার বা গ্রামের হাট-বাজার থেকেও বোম্বাই মরিচের চারা কেনা যায়। তবে জাত ও চারার মান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এছাড়া বীজ থেকেও চারা উৎপাদন করে রোপণ করা যায়।


চাষের নিয়ম: চারা টবে লাগানোর আগে মাটি তৈরি করে নিতে হবে। প্রতিটি ১০ ইঞ্চি টবের জন্য ২ ভাগ মাটি, ১ ভাগ গোবর, ২ চিমটি টিএসপি, ১ চিমটি ইউরিয়া, ১ চিমটি পটাশ সার, অল্প সরিষার খৈল দিয়ে ৪-৫ দিন মাটি রোদে শুকাতে হবে। তারপর এ মাটিতে চারা লাগাতে হবে।


যত্ন: চারা সবল না হলে দিনে ২-৩ বার ইউরিয়া মিশ্রিত পানি স্প্রে করতে হবে। সপ্তাহে ১ দিন মাটি আলগা করে দিতে হবে। আগাছা সরিয়ে দিতে হবে। ২০-২৫ দিনের মধ্যেই গাছে ফুল আসবে। সেই ফুল থেকে ধরবে বোম্বাই বা নাগা মরিচ।


পোকা দমন: মরিচ গাছে পোকা আক্রমণ করতে পারে। তবে ২-৪টা গাছ হলে পোকা-মাকড় হাতেই মেরে দমন করা যায়। গাছ বেশি হলে কীটনাশক ব্যবহার করা যায়। তবে শাক-সবজিতে কীটনাশক ব্যবহার না করাই ভালো।


ফলন: মরিচ যত বেশি দিন গাছে থাকবে; তত বেশি ঝাল হবে। নিচের শাখাগুলো কেটে ফেলতে হবে। না হলে মরিচের আকার হবে ছোট। গাছ কড়া রোদে রাখতে হবে, ছায়ায় থাকলে মরিচ ধরবে না। ১টি গাছ অনেক দিন ফল দেবে।

কাজী নজরুল সম্পর্কে যে ২০টি তথ্য আপনি না-ও জেনে থাকতে পারেন।

 কাজী নজরুল সম্পর্কে যে ২০টি তথ্য আপনি না-ও জেনে থাকতে পারেন।


কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ছিল বিচিত্র আর বহুবর্ণিল। তাঁর সেই জীবনের কতটুকুই-বা আমরা জানি? আজ নজরুলজয়ন্তীতে নজরুল-গবেষকদের লেখা বিভিন্ন বই ও পত্রিকা ঘেঁটে এখানে বিদ্রোহী কবি-সম্পর্কিত এমন ২০টি তথ্য তুলে ধরা হলো, যেগুলো আপনি না-ও জেনে থাকতে পারেন!


🌹১. নজরুলের জীবন কোনো নিয়মের জালে আটকা ছিল না। যখন যা ভালো লাগত, তিনি তা-ই করতেন। দিন নেই, রাত নেই হই হই রব তুলে উঠে পড়তেন কোনো বন্ধুর বাড়িতে। তারপর চলত অবিরাম আড্ডা আর গান!


🌹২. নজরুলের লেখার জন্য কোনো বিশেষ পরিবেশ লাগত না। গাছতলায় বসে যেমন তিনি লিখতে পারতেন, তেমনি ঘরোয়া বৈঠকেও তাঁর ভেতর থেকে লেখা বের হয়ে আসত।


🌹৩. নজরুল ইসলাম কোনো অনুষ্ঠানে গেলে ঝলমলে রঙিন পোশাক পরতেন। কেউ তাঁকে রঙিন পোশাক পরার কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলতেন, রঙিন পোশাক পরি অনেক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত তথ্য দিয়েছেন, নজরুল তাঁর ঝলমলে পোশাকের ব্যাপারে বলতেন, ‘আমার সম্ভ্রান্ত হওয়ার দরকার নেই। আমার তো মানুষকে বিভ্রান্ত করবার কথা!’


🌹৪. নজরুলের পাঠাভ্যাস ছিল বহুমুখী। তিনি পবিত্র কোরআন, গীতা, বাইবেল, বেদ, ত্রিপিটক, মহাভারত, রামায়ণ যেমন পড়তেন, তেমন পড়তেন শেলি, কিটস, কার্ল মার্ক্স, ম্যাক্সিম গোর্কিসহ বিশ্বখ্যাত লেখকদের লেখা। রবীন্দ্রনাথের ‘গীতবিতান’-এর সব কটি গান মুখস্থ করে ফেলেছিলেন তিনি!


🌹৫. বাংলা গানে নজরুলই একমাত্র ব‌্যক্তি, যিনি সব ধরনের বিষয় নিয়ে গান লিখেছেন। তাঁর গানের সংখ্যা অনেকে চার হাজার বললেও আসলে তিনি গান লিখেছিলেন প্রায় আট হাজারের মতো, যার অধিকাংশই সংরক্ষণ করা যায়নি।


🌹৬. বাঙালি কবিদের মধ্যে নজরুলই ছিলেন সবচেয়ে বেশি রসিক। তাঁর কথায় হাসির ঢেউ উঠত। হিরণ্ময় ভট্টাচার্য ‘রসিক নজরুল’ নামে একটি বই লিখেছেন। যাঁরা বইটি পড়েননি, তাঁদের পক্ষে বোঝা কষ্টকর নজরুল কী পরিমাণ রসিক ছিলেন! একটা উদাহরণ দেওয়া যাক, একবার এক ভদ্রমহিলা নজরুলকে খুব স্মার্টলি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনি কি পানাসক্ত?’ নজরুল বললেন, ‘না, বেশ্যাসক্ত!’ কবির কথায় ভদ্রমহিলার মুখ কালো হয়ে গেল। আর তক্ষুনি ব্যাখ্যা করলেন নজরুল, ‘পান একটু বেশি খাই। তাই বেশ্যাসক্ত, অর্থাৎ বেশি+আসক্ত = বেশ্যাসক্ত!’


🌹৭. নজরুলের প্রেমে পড়েননি, এমন পুরুষ কিংবা নারী খুঁজে পাওয়া ভার। তাঁর চরম শত্রুরাও তাঁর ভালোবাসার শক্তির কাছে হার মেনেছেন। কবি বুদ্ধদেব বসু নজরুলকে প্রথম দেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে। তিনি লিখেছেন, ‘সেই প্রথম আমি দেখলাম নজরুলকে। এবং অন্য অনেকের মতো যথারীতি তাঁর প্রেমে পড়ে গেলাম!’ শুধু বুদ্ধদেব বসু নন, তাঁর স্ত্রী প্রতিভা বসুও নজরুলের প্রেমে পড়েছিলেন। সেই কাহিনি নিয়ে তিনি লিখেছেন ‘আয়না’ নামে একটি গল্প। কী অবাক কাণ্ড! স্বামী-স্ত্রী দুজনেই একই লেখকের প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছেন!


🌹৮. কাজী নজরুল ইসলাম প্রচুর পান ও চা খেতেন। লিখতে বসার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণ চা আর এক থালা পান নিয়ে বসতেন তিনি। পান শেষ করে চা, এরপর আবার চা শেষ করে পান খেতেন। তিনি বলতেন, ‘লেখক যদি হতে চান/ লাখ পেয়ালা চা খান!’


🌹৯. নজরুল ছিলেন সত্যিকারের হস্তরেখা বিশারদ। তিনি অনেকের হাত দেখে যা বলতেন, তা-ই ঘটতে দেখা গেছে। একবার এক লোককে বললেন, আপনার বিদেশযাত্রা আছে, লোকটি সত্যিই কয়েক দিনের মধ‌্যে বিদেশ চলে গেল! আরেকজনকে বললেন, ‘আপনি পৃথিবীর বাইরে চলে যেতে পারেন।’ পরে ওই লোকটির মৃত্যু ঘটেছিল!


🌹১০. মাঝেমধ্যে রাগান্বিত হলে নজরুল তাঁর সামনে যদি কোনো বই-খাতা পেতেন বা কাগজ পেতেন, তা ছিঁড়ে কুচি কুচি করে ফেলতেন।


🌹১১. অর্থের ব্যাপারে নজরুল ছিলেন ভয়াবহ বেহিসাবি। হাতে টাকা এলেই তা বন্ধুবান্ধব নিয়ে আমোদ-ফুর্তি করে শেষ করে দিতেন। আর বলতেন, ‘আমি আমার হাতের টাকা বন্ধুদের জন্য খরচ করছি। আর যখন ওদের টাকা হবে ওরাও আমার জন্য খরচ করবে, চিন্তার কোনো কারণ নেই।’


🌹১২. নজরুল তাঁর দুই পুত্রের ডাকনাম সানি (কাজী সব্যসাচী) আর নিনি (কাজী অনিরুদ্ধ) রেখেছিলেন তাঁর দুই প্রিয় মানুষ সান ইয়াত-সেন ও লেনিনের নামানুসারে।


🌹১৩. নজরুল তাঁর সন্তানদের খুবই ভালোবাসতেন। এমনকি তিনি তাঁদের নিজ হাতে খাওয়াতেন আর ছড়া কাটতেন, ‘সানি-নিনি দুই ভাই/ ব্যাঙ মারে ঠুই ঠাই।’ কিংবা ‘তোমার সানি যুদ্ধে যাবে মুখটি করে চাঁদপানা/ কোল-ন্যাওটা তোমার নিনি বোমার ভয়ে আধখানা।’


🌹১৪. নজরুল ছিলেন সত্যিকারের জনদরদি মানুষ। একটি ঘটনা দিয়ে তার প্রমাণ দেওয়া যেতে পারে। দক্ষিণ কলকাতার এক দরিদ্র হিন্দু মেয়ের বিবাহ। কোনোরকমে কন্যা বিদায়ের আয়োজন চলছে। নজরুল খবরটি পেলেন। তিনি দ্রুত বাজারে গেলেন। এক হিন্দু বন্ধুকে নিয়ে বিয়ের বাজার করলেন। তারপর ধুমধাম করে মেয়েটির বিয়ে হলো। মেয়ের বাবা নজরুলকে প্রণাম করে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, ‘আমরা আপনাকে ভুলব না কোনো দিন।’ এমনই ছিলেন কবি। তাঁর বাড়িতে সাঁওতাল, গারো, কোল—সবাই দল বেঁধে আসতেন। আপ্যায়িত হতেন উৎসবসহকারে।


🌹১৫. নজরুল কবিতা ও গানের স্বত্ব বিক্রি করে উন্নত মানের একটি ক্রাইসলার গাড়ি কিনতে পেরেছিলেন। এই গাড়ি ছিল সেই সময়ের সবচেয়ে বিলাসবহুল ও দামি।


🌹১৬. নজরুল ট্রেনের প্রথম শ্রেণির কামরা ভাড়া করে মাঝেমধ্যে প্রমোদভ্রমণে যেতেন।


🌹১৭. নজরুলের দৃষ্টিশক্তি ছিল অসামান্য। তিনি গভীর অন্ধকারেও বহুদূরের কোনো জিনিস স্পষ্ট দেখতে পেতেন।


🌹১৮. নজরুল ছিলেন অসম্ভব রকমের ক্রীড়াপ্রেমী। সময় পেলেই তিনি ফুটবল খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে ছুটতেন বন্ধুবান্ধব নিয়ে। যেদিন বাড়ি থেকে সোজা খেলা দেখতে যেতেন, সেদিন দুই পুত্র সানি আর নিনিকে সঙ্গে নিতেন। একবার খেলা দেখতে গেছেন। স্টেডিয়ামে পাশে বসে আছেন হুমায়ূন কবির। খেলা ভাঙার পর ভিড়ের মধ্যে দুই পুত্র খানিকটা আড়ালে চলে গেল। হঠাৎ পেছন থেকে নজরুলের হাঁকডাক শোনা গেল, ‘সানি কোথায়? নিনি কোথায়?’ মাঠসুদ্ধ লোক হাঁ হয়ে নজরুলকে দেখছে। এরই মধ্যে দুই পুত্রকে ঠেসে ধরে ট্যাক্সি করে বাড়ি নিয়ে এসে তিনি স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন।


🌹১৯. নজরুল বেশ দক্ষ দাবাড়ু ছিলেন। যেদিন বিশেষ কোনো কাজ থাকত না, সেদিন তিনি দাবা খেলতেন। খেলায় এমন মগ্ন হতেন যে খাওয়া-নাওয়ার খেয়ালও থাকত না। মাঝেমধ্যে নজরুলের বাড়িতে দাবার আসর বসাতে আসতেন কাজী মোহাতার হোসেন ও হেম সোম।


🌹২০. কলকাতায় নজরুলের তিনতলা বাড়ির সামনে ছিল একটা ন্যাড়া মাঠ। খেলা নিয়ে বহু কাণ্ড ঘটেছে ওই মাঠে। একবার জোর ক্রিকেট খেলা চলছে। নজরুল গ্যালারি অর্থাৎ বারান্দায় দাঁড়িয়ে খেলারত তাঁর দুই পুত্রকে জোর উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যে বড় পুত্র সানি এল ব্যাট করতে। প্রথম বলেই ছয়! নজরুলের সে কি দাপাদাপি! ঠিক পরের বল আসার আগে তিনি চিৎকার করে বলে উঠলেন, ‘সানি, ওই রকম আরেকটা মার।’ ব্যস বাবার কথায় উত্তেজিত হয়ে দিগ্‌বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ব্যাট চালাল পুত্র। ব্যাট অবশ্য বলে লাগল না। লাগল উইকেটকিপারের চোয়ালে! বেশ রক্তারক্তি অবস্থা! অবশেষে খেলা বন্ধ করা হলো।


এমনই নানা রঙের মানুষ ছিলেন নজরুল। যাঁর জীবনে দুঃখ-কষ্টের অভাব ছিল না, আবার রং-রূপেরও অভাব ছিল না। পৃথিবীর খুব কম মানুষই বোধ হয় এমন  মহাজীবনের অধিকারী হন। বুদ্ধদেব বসু যথার্থই বলেছিলেন, ‘কণ্ঠে তাঁর হাসি, কণ্ঠে তাঁর গান, প্রাণে তাঁর অফুরান আনন্দ—সব মিলিয়ে মনোলুণ্ঠনকারী এক মানুষ।’

💜❤️🤍💜

___ নজরুল অঞ্জলি ツ

(সংগৃহীত)

চিকেন মালাই কোফতা রেসিপি,,,,,

 ❤️👇চিকেন মালাই কোফতা রেসিপি 👇❤️


উপকরণ:

৫০০ বোনলেস চিকেন

১ চা চামচ আদা রসুনের পেস্ট

১ চা চামচ ক্রাশ করা লঙ্কা

১ চা চামচ গরম মশলা

১ চা চামচ জিরে পাউডার

১ চা চামচ নুন

১/২ চা চামচ গোলমরিচ

২-৩টি কাঁচা লঙ্কা

১/৪ কাপ পেঁয়াজ

১ টেবিল চামচ বাটার

১ টেবিল চামচ ফ্রেশ ক্রিম

ধনে পাতা

২টি ব্রেড স্লাইস


১/২ কাপ তেল

২ চা চামচ আদা রসুনের পেস্ট

২টি পেঁয়াজ

১০টি কাজু

৪টি কাঁচা লঙ্কা

এলাচ

জয়িত্রী

১/২ চা চামচ নুন

১/২ চা চামচ সাদা গোলমরিচ পাউডার

১/২ চা চামচ জিরে পাউডার

১/২ চা চামচ গোলমরিচ পাউডার

১/২ চা চামচ গরম মশলা

১/২ কাপ দই

২-৩ টেবিল চামচ ফ্রেশ ক্রিম

ধনে পাতা

২ চা চামচ কাসুরি মেথি

দারচিনি

তেজপাতা


পদ্ধতি:

প্রথমে একটি মিক্সিতে ৫০০ গ্রাম বোনলেস চিকেন, ১ টেবিল চামচ আদা রসুনের পেস্ট, ১ চা চামচ শুকনো লঙ্কার ক্রাশ করা, ১ চা চামচ গরম মশলা, ১ চা চামচ জিরে পাউডার, ১ চা চামচ নুন এবং ১/২ চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়া, ২/৩টি কাঁচা লঙ্কা, ১টি পেঁয়াজ (কাটা), ১ টেবিল চামচ বাটার/তেল, ১ টেবিল চামচ ফ্রেশ ক্রিম বা মালাই, ধনে পাতা, এবং ২টি ব্রেডের স্লাইস টুকরো করে দিয়ে দেবো। এবার সব কিছু একসাথে পেস্ট করে নেবো। আমার কোফতার মিশ্রণ রেডি। এবার হাতে একটু তেল মাখিয়ে নিয়ে কোফতার মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট আকারের বল বানিয়ে নেবো।


এবার একটি প্যানে তেল গরম করে কোফতাগুলো বেশ লাল লাল করে ভেজে নিয়ে তুলে সাইডে রাখব।

এবার আমরা হোয়াইট গ্রেভি তৈরি করব। তার জন্য প্যানে ১/২ কাপ তেল দিয়ে দেবো (আমরা কোফতা ফ্রাই করার জন্য যে তেলটি দিয়েছিলাম সেটাই এখানে নিয়ে ব্যবহার করব)। এবার তেল গরম হলে ২টি কাটা পেঁয়াজ, ১০-১২টি কাজু বাদাম, ৩/৪টি কাঁচা লঙ্কা দিয়ে এটিকে ফ্রাই করে নেবো যতক্ষণ না পেঁয়াজটা একটু সফট হয়ে যাচ্ছে। তারপর এটিকে তুলে দিয়ে ঠান্ডা করে মিক্সিতে দিয়ে দেবো, সাথে দেবো এক টুকরো জয়িত্রি, ৪/৫টি এলাচ, ১ টেবিল চামচ চামগোজ এবং একটু জল দিয়ে এর পেস্ট বানিয়ে নেবো।


এবার আবার প্যানে তেল গরম করে দেবো ২ ইঞ্চি দারচিনি, ২টি তেজপাতা, ২ চা চামচ আদা রসুনের পেস্ট দিয়ে ৩০-৪০ সেকেন্ড মতো একটু নাড়িয়ে চড়িয়ে নিয়ে দেবো। এরপর আমরা যে হোয়াইট গ্রেভি র পেস্টটি বানিয়েছিলাম সেটা দিয়ে দেবো, ৩/৪ মিনিট মতো রান্না করে নেবো পেস্টটি দিয়ে। সাথে দেবো কিছু মশলা যেমন ১/২ চা চামচ সাদা গোলমরিচ পাউডার ,১/২ চা চামচ ক্রাশ করা গোলমরিচ (গুঁড়া দেবেন না), ১/২ চা চামচ গরম মশলা এবং জিরে পাউডার এবং স্বাদ মতো নুন দিয়ে এটাকে যতক্ষণ না সাইড থেকে তেল ছাড়ছে ততক্ষণ রান্না করব। তারপর এর মধ্যে ১/২ কাপ ফেটানো দই দিয়ে দেবো, দিয়ে আবার এটাকে রান্না করব যতক্ষণ না তেল ছাড়ছে… দইটা একদম লো ফ্লেমে দেবেন এবং দেওয়ার সাথে সাথে একটু নেড়ে থাকবেন যাতে ফেটে না যায়। এরপর ২/৩ টেবিল চামচ ফ্রেশ ক্রিম দিয়ে একসাথে মিশিয়ে নেবো। যদি একটু গ্রেভি চান, তাহলে একটু জল দিয়ে দিতে পারেন এই পর্যায়ে। তারপর কোফতাগুলো দিয়ে দেবো এবং সাথে ২ চা চামচ কাসুরি মেথি হাতে ক্রাশ করে আবার ভালোভাবে মিশিয়ে নেবো, ফ্লেমটা লো করে ১০-১২ মিনিট ঢাকনা দিয়ে রান্না করে নেবো (খেয়াল রাখবেন যেন নিচ থেকে লেগে না যায়, যদি মনে হয় লেগে যাচ্ছে তবে একটু জল দিতে পারেন)।


ব্যাস এবার রেডি আমাদের চিকেন মালাই কোফতা। শেষে ধনেপাতা দিয়ে মিশিয়ে পরিবেশন করতে পারেন, গার্নিশের জন্য।


#আমাদেররান্নাঘর #chickenrecipes

সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৩-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৩-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফের মৃত্যুতে আজ পালিত হচ্ছে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক।


বঙ্গোপসাগরের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মিয়ানমারসহ সমুদ্র উপকূলীয় দেশগুলোতে শান্তি ও সম্প্রীতি অব্যাহত রাখার আহ্বান পররাষ্ট্র উপদেষ্টার।


পাহাড় কাটা, বায়ু দূষণ ও পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে অভিযান জোরদারের ঘোষণা পরিবেশ উপদেষ্টার।


বাংলাদেশকে একশো ১০ কোটি ডলারের বাজেট সহায়তা দেবে এডিবি ও বিশ্বব্যাংক।


দেশে চলতি মাসের প্রথম তিন সপ্তাহে প্রবাসী আয় এসেছে সাম্প্রতিককালের সর্বোচ্চ ২৪ হাজার কোটি টাকার বেশি।


ওয়াশিংটন তাইওয়ানকে আরও সামরিক সহায়তার ঘোষণা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রকে "আগুন নিয়ে খেলা" থেকে সতর্ক করেছে চীন।


একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথমবারের মতো হোয়াইট ওয়াশ করলো পাকিস্তান।

রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪

কবি হেলাল হাফিজের সংক্ষিপ্ত প্রেম কাহিনী...

 কবি হেলাল হাফিজের সংক্ষিপ্ত প্রেম কাহিনী...


হেলাল হাফিজের কবিতায় হেলেন নামে এক নারীর বহুল উপস্থিতি আছে, এই নারীকে কেন্দ্র করে তিনি বেশ কয়েকটি মর্মস্পর্শী কবিতা লিখেছেন। 


হেলেন ছিলেন তার প্রথম প্রেমিকা এবং হেলেনের ব্যাপারে তিনি অতিমাত্রায় সংবেদনশীলও ছিলেন, হেলেন প্রসঙ্গ উঠলে তিনি আত্মনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে একসময়ে কান্নাকাটিও করতেন। 


ওনার ছোট ভাই নেহাল হাফিজ আগেই আমাকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন আমি যেন হেলাল হাফিজকে হেলেন প্রসঙ্গে কোনো প্রশ্ন না করি। প্রথম সাক্ষাতে তাকে আমি হেলেন প্রসঙ্গে কিছু বলিওনি।


২০১২ সালের পহেলা মে নেহাল হাফিজকে আমি দ্বিতীয় দফায় কল করি এবং জানতে পাই হেলেনের মর্মান্তিক গল্প। 


হেলাল হাফিজের স্কুলজীবনে হেলেনের সাথে প্রেম হয়, তারা ছিলেন প্রতিবেশী। দীর্ঘ প্রেমের পর দুই পরিবারে ঘটনাটি জানাজানি হয়। হেলেনের বাবা ছিলেন দারোগা আর হেলাল হাফিজের বাবা স্কুলশিক্ষক। 


হেলাল হাফিজের বাবা দারোগার মেয়ের সাথে ছেলের বিয়ে দিতে চাননি, এ নিয়ে দুই পরিবারে বিরোধ ঘটে এবং হেলাল হাফিজ হেলেনকে বিয়ের ব্যাপারে কথাবার্তা বললে হেলেনও নির্বিকার থাকেন। পরে হেলেনের বিয়ে হয় ঢাকার একটি সিনেমা হলের (সম্ভবত মুন সিনেমা হল) মালিকের সাথে।


হেলেনের বিয়ে হয়ে যাবার পর হেলাল হাফিজ দশ-পনেরো দিন কারো সাথে কোনো ধরনের কথা বলেননি। তার ভাবি তার বিয়ের জন্য তাকে কোনো মেয়ের ছবি দেখালেই তিনি বলতেন, 'ভাবি, এই মেয়েটা দেখতে ঠিক আমার মায়ের মতো।'


এরপর তার ভাবি তাকে আর কোনো মেয়ের ছবি দেখাতে সাহস করেননি।


তীব্র দুঃখ বুকে চেপে নেত্রকোনা থেকে ঢাকায় পাড়ি জমান হেলাল হাফিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে লেখাপড়াও করেছেন। 


ব্যতিক্রমী ও সহজবোধ্য কবিতা লেখার ফলে তার খ্যাতি ক্যামপাস থেকে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ল দেশব্যাপী।


 ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয় তার আলোড়ন সৃষ্টিকারী কাব্যগ্রন্থ 'যে জলে আগুন জ্বলে'।


হেলেনের স্বামী বইমেলা থেকে অন্যান্য বইয়ের পাশাপাশি 'যে জলে আগুন জ্বলে' বইটিও কিনে বাসায় নিয়ে যান। 


হেলেন যখন দেখতে পেলেন বইটির পুরোটা জুড়ে বিধৃত আছে হেলেন-হেলাল প্রেমোপাখ্যান, আছে হেলালের কষ্টের ইতিবৃত্ত আর হেলেনের জন্য হেলালের শব্দে-শব্দে নিঃশব্দ হাহাকার; তখন ক্রমশ তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে, তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন।


 হেলেনের স্বামী দেশে-বিদেশে হেলেনের উচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেও হেলেন আর ভারসাম্য ফিরে পাননি। একপর্যায়ে স্বামীর কাছ থেকে হেলেন তালাকপ্রাপ্ত হন।


হেলেন এখন নেত্রকোনা(c)

শাবনূর,একটি পরিপূর্ণ প্রতিভাময় শিল্পীর নাম যাকে বাংলাদেশ কখনোই ভুলতে পারবে না!  

 শাবনূর,একটি পরিপূর্ণ প্রতিভাময় শিল্পীর নাম যাকে বাংলাদেশ কখনোই ভুলতে পারবে না!  

তাঁর অভিনয় শৈলী, তাঁর উচ্চারণ, তাঁর দৈহিক সৌন্দর্য, তাঁর চাঁদপানা মুখশ্রী গোলাপের মতো হাসি এবং তার নয়নযুগল পুরো যুবসম্প্রদায়কে বুঁদ করে রেখেছে কয়েক যুগ। তার রেশ এখনো কাটেনি, কাটবেও না কখনও। এই "শাবনূর" এপিসোড থেকে দর্শক বেরুতেও চায়নি, চাইবেও না। কারণ এমন প্রতিভার অধিকারী শত জনমে একজনই হয়। তাঁর সমসাময়িক অনেকেই আছেন কিন্তু কাছাকাছি কেউ নেই।


আমি বলা যায় প্রথম থেকেই তাঁর জন্য গাইছি। আশ্চর্যজনক কথা যে তাঁর সাথে আমার খুবই কম দেখা হয়েছে । আমি আমার মতো গেয়েছি তিনি তাঁর মতো অভিনয় করেছেন । কিন্তু যখন পিকচারাইজেশন দেখেছি তখন আমারই বিশ্বাস হয়নি যে এটা আমি গেয়েছি, মনে হয়েছে এটা যেন তাঁরই কণ্ঠ!  


এই যে একাকার হয়ে যাওয়া এই ক্রেডিট আমি শাবনূরকেই দিতে চাই। তিনি আসলে আমাদের কবরীর পরে ভার্সেটাইল যাকে বলে সেই উঁচুমানের মহানায়িকা। সিরিয়াস অভিনয়, হাসির অভিনয়, ছটফটে দুরন্ত কিশোরীর অভিনয় সবই দুর্দান্ত তবে তার ভয়ংকর সুন্দর চোখে যখন অশ্রু ঝরে তখন একটা কথাই মাথায় আসে "ফুল নেবো না অশ্রু নেবো ভেবে হই আকুল!"  


আগেই বলেছি ব্যক্তিগত জীবনে তার সাথে আমার খুব কম দেখা হয়েছে। আমার রেকর্ডিং স্টুডিও আর তাঁর কর্মক্ষেত্র আলাদা জায়গায় হওয়াতেই এমন হয়েছে। কিন্তু যখন তাকে দেখেছি, খেয়াল করেছি খুব সহজ সরল তাঁর উপস্থিতি। তাঁর কাঁচভাঙ্গা হাসি আমার মন কেড়ে নিয়েছে। সবারই বোধহয় এভাবে অনুভব হয় । সাধারণ ভাবে দেখা সাক্ষাৎ হলে মনে হয়েছে এই মেয়ে সিরিয়াস অভিনয় করে কিভাবে! 

আমার ছেলের বিয়েতে দাওয়াত দিতে গিয়েছিলাম তাঁর বাসায়। তখন তার আন্তরিক আতিথিয়েতা দেখে আমি মুগ্ধ! তখনও আমি নিরাভরণ শাবনূরকে দেখে চমকে উঠেছি তাঁর বিরল সৌন্দর্য ও চোখের চাহনিতে। 


আমি খুবই গর্বিত তাঁর চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের প্রায় পুরো সময়ই আমি সাথে ছিলাম। তাঁর অভিনীত একশো ভাগের নিরানব্বই ভাগ গানই আমার গাওয়া। আমাদের দুইদেহ এক প্রাণ বলা যায়।


জীবনে কখনো কোন চ্যানেলকে বলিনি আমাকে এমন একটা অনুষ্ঠান দেন। কিন্তু কয়েকটি চ্যানেলে স্বপ্রনোদিত হয়ে বলেছি শাবনূর ও আমাকে নিয়ে একটা প্রোগ্রাম সাজাতে,কিন্তু  কোন চ্যানেলই গা করে নাই। এই বাংলাদেশে মূল্যায়ন পাওয়া খুবই কঠিন তবে আমার বিশ্বাস একদিন আমার গান আর শাবনুরের অভিনয়ের সমন্বয় নিয়ে গবেষণা হবে তখন হয়তো তা দেখার জন্য হয়তো কোন একজন থাকবো না।


আমি আমাদের এই মহানায়িকার আনন্দিত সুখী সুদীর্ঘ জীবন কামনা করছি। শাবনূরের জন্মদিন উপলক্ষ্যে আমার পক্ষ থেকে রইলো অগণন শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।

২২/১২/২০২৪ হটসএ্যাপ কৃষি গ্রুপ

 স্যার আমাদের খাটো জিরা তিন ভাগের দুই ভাগিই গজাই নাই কৃষকের বাড়ি থেকে দেখে আসলাম তাঁরা এই বিজ ফেরত দিবে। তাই দয়া করে কোন সমাধান দিবেন কি??


আমার ময়মনসিংহে একই সমস্যা

স্যারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এ ব্যাপারে একটা জরুরী ভিত্তিতে সমাধান দেয়ার জন্য ডিলার খারাপ ব্যবহার করতেছে।


স্যার সুধু খারাপ ব্যাবহার না এতে করে যত ডিলারের কাছে ধান দিয়েছি তাঁরা কি আর ব্যাবস্যা করবে এই কম্পানির শাথে। এছাড়া ডিলার তাঁর  কৃষকে হারাবে তাঁর কাছ থেকে কোন মালিই নিবে না কম্পানির দৃরনাম।


স্যার দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি 

আমি পাতা কপি ফুল কপি লাউ বীজ 

বিক্রি করছি 

কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের বীজ এর আংকুরদগম এর 100 মধ্যে 2% হয় না ( দোকান দার বল্ল )


বীজ ফিরত নেওয়ার জন্য দোকান দার বল্ল 

বীজ ফিরত না নিলে আমাকে ঐ মার্কেট যদি কখনো পাই টাকা আদায় করবে বলে হুমকি দিছে 


এখন কি করবো স্যার?


বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...