এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৬-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৬-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উদযাপিত - সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির।


কেবল একটা নির্বাচনের জন্য ২ হাজারেরও বেশি মানুষ শহিদ হননি - বললেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।


চাঁদপুরে ৭ খুনের কারণ শিগগিরই উদঘাটন করা হবে - বলেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড - আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে দমকল বাহিনীর ১৮টি ইউনিট।


কাজাখস্তানে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৩৮ জনের প্রাণহানি।


নতুন নতুন শর্ত আরোপ করে গাজায় যুদ্ধবিরতি বিলম্বিত করছে  ইসরাইল - অভিযোগ হামাসের।


সেঞ্চুরিয়নে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে আজ স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার মোকাবেলা করবে পাকিস্তান।

বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

প্রডাক্ট লাইফ সাইকেল বা পণ্যের জীবনচক্র,,,,,,

 প্রডাক্ট লাইফ সাইকেল বা পণ্যের জীবনচক্র



ধরুন, একটা নতুন প্রডাক্ট বাজারে এলো। শুরুতে কেউ চেনে না, বিক্রিও কম। ধীরে ধীরে লোকে জানতে পারল, পছন্দ করতে শুরু করল। বিক্রি বাড়তে লাগল। একসময় বিক্রি পিকে! তারপর, হয়ত নতুন কোন প্রডাক্ট এলো, অথবা লোকের পছন্দ বদলে গেল। বিক্রি আবার কমতে লাগল। 


শেষমেশ, প্রডাক্টটা আর কেউ কিনছে না। বাজার থেকে উঠে গেল।


এই যে একটা প্রডাক্টের "জন্ম" থেকে "মৃত্যু"—এই পুরো প্রক্রিয়াটাকেই বলে "প্রডাক্ট লাইফ সাইকেল" (Product Life Cycle—PLC)।


একজন ব্যবসায়ীর জন্য এই লাইফ সাইকেল বোঝা অনেক জরুরি। কারণ, প্রতিটা ধাপে কীভাবে প্রডাক্টকে টিকিয়ে রাখতে হবে, বিক্রি বাড়াতে হবে, সেটা বুঝতে এই লাইফ সাইকেল অনেক সাহায্য করে।


মার্কেটিং বিশেষজ্ঞরা সাধারণত পণ্যের জীবনচক্রকে ৪টি ধাপে ভাগ করেন—ইনট্রোডাকশন, গ্রোথ, ম্যাচিউরিটি ও ডিক্লাইন। তবে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ৪ ভাগের মধ্যে আটকে থাকলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস বাদ পড়ে যায়। তারা পণ্যের জীবনচক্রকে ৭টি ভাগে ভাগ করেন। বাকি তিনটি ভাগ হল: ডেভেলপমেন্ট, স্যাচুরেশন ও আফটার লাইফ। 


এখানে পণ্যের জীবনচক্রকে নিচের ৭টি ধাপে ভাগ করে আলোচনা করা হল:


১. নতুন পণ্য উন্নয়ন

২. পরিচিতি

৩. বৃদ্ধি

৪. পরিপক্বতা

৫. স্থিতি

৬. পতন

৭. পরবর্তী জীবন


যদি একটি সফল পণ্য তৈরি করতে চান, তাহলে পণ্যের জীবনচক্র গভীর ভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি। একটি পণ্য কখন জনপ্রিয় হবে এবং কখন তার চাহিদা কমতে শুরু করবে, তা বুঝতে পারলে বিজনেসের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা অনেক সহজ হয়।

.


# ধাপ ১: নতুন পণ্য উন্নয়ন (New product development)


টিম: স্টেকহোল্ডার, বিজনেস অ্যানালিস্ট, মার্কেটার, ডেভেলপার

উদ্দেশ্য: একটি মূল্যবান ও কার্যকর পণ্য তৈরি

সমাপ্তির মানদণ্ড: পণ্য বাজারে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত

চ্যালেঞ্জ: প্রচুর সময়, অর্থ এবং মানবসম্পদ প্রয়োজন


এটি পণ্যের জীবনচক্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই পর্যায়ে পণ্যের ধারণা জন্ম নেয় এবং সেটিকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। ঠিক করা হয় পণ্যটি কেমন হবে, কীভাবে তৈরি হবে? কাদের জন্য এবং কীভাবে বাজারে বিক্রি করা হবে? 


নতুন পণ্য উন্নয়নের ধাপে আইডিয়া তৈরি, বাজার ও প্রতিযোগী নিয়ে গবেষণা, স্টেকহোল্ডার ও ফোকাস গ্রুপের মাধ্যমে আইডিয়া যাচাই এবং ধারণা বিকাশের মত কাজ অন্তর্ভুক্ত থাকে।


পণ্য উন্নয়নের ধাপটিতে অনেক সময়, অর্থ এবং মানবসম্পদ প্রয়োজন হয়। এই ধাপের মূল লক্ষ্য হল এমন একটি কার্যকর পণ্য তৈরি করা যা নির্দিষ্ট গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করবে এবং ব্যবসায়িক প্রয়োজন মেটাবে।

.


# ধাপ ২: পরিচিতি (Introduction)


টিম: মার্কেটিং এবং সেলস টিম

উদ্দেশ্য: চাহিদা তৈরি করা এবং গ্রাহক বেস গড়ে তোলা

সমাপ্তির মানদণ্ড: গ্রাহক বেস বাড়তে শুরু করা

চ্যালেঞ্জ: কম বিক্রয়, অপরিপক্ব বাজার


পরিচিতি হল পণ্যের জীবনচক্রের দ্বিতীয় পর্যায়, কিন্তু এটি গ্রাহকদের সাথে পণ্যের প্রথম সরাসরি সংযোগ স্থাপনের মুহূর্ত। 


উন্নয়ন পর্যায়ে পণ্যটি তৈরি হওয়ার পর, এই ধাপে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাজারে ছাড়া হয়। এই ধাপে মার্কেটিং টিমের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা পণ্যের পরিচিতি তৈরি এবং প্রথম গ্রাহক বা ব্যবহারকারী খুঁজে বের করার কাজ করেন। 


আগের ধাপে তৈরি করা আলোড়ন যদি ঠিকমত কাজে লাগানো যায়, তাহলে তা শুরুর গ্রাহক পেতে এবং এমনকি একদল উৎসাহী ভক্ত তৈরি করতে সাহায্য করে। তবে, এই সময়ে বেশি বিক্রয় বা চাহিদা আশা না করাই ভাল।


পরিচিতি ধাপে মূলত মার্কেটিং ক্যাম্পেইন ও বিজ্ঞাপনের ওপর জোর দেওয়া হয়। এই সময়ে পণ্যের দাম নির্ধারণ, প্রচারণার কৌশল এবং আরও গ্রাহক পাওয়ার উপায় ঠিক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি, পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপ—বৃদ্ধি বা গ্রোথ এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার কাজও শুরু হয়।

.


# ধাপ ৩:  বৃদ্ধি (Growth)


টিম: গ্রোথ মার্কেটার, ডেভেলপার

উদ্দেশ্য: ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করা এবং বাজারে অংশীদারিত্ব অর্জন

সমাপ্তির মানদণ্ড: চাহিদা এবং মুনাফার দ্রুত বৃদ্ধি 

চ্যালেঞ্জ: প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাওয়া


বৃদ্ধি বা বিকাশ পর্যায় হল পণ্যের জীবনচক্রের তৃতীয় ধাপ। যখন একটি পণ্য বাজারে পরিচিতি লাভ করে এবং গ্রাহকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়, তখনই শুরু হয় বৃদ্ধির পর্যায়। 


এই পর্যায়ে পণ্যের বিক্রি দ্রুত বাড়তে থাকে, চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং মুনাফা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে শুরু করে। এই সময়কাল ব্যবসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


বৃদ্ধি পণ্য উন্নয়ন জীবনচক্রের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ধাপ। একই সঙ্গে এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং, কারণ আপনার পণ্যের ভবিষ্যৎ এই ধাপের ওপর নির্ভর করে।


বৃদ্ধি পর্যায়ে দেখা যায়, বাজার ইতিমধ্যে আপনার পণ্য গ্রহণ করেছে এবং সক্রিয় গ্রাহক গোষ্ঠি তৈরি হচ্ছে। প্রধান লক্ষ্য হল চাহিদা এবং মুনাফার বৃদ্ধি দ্রুত এবং স্থিতিশীল করা। এজন্য আপনার পণ্যের প্রচার, নতুন দর্শক-শ্রোতা এবং নতুন মার্কেটিং চ্যানেল অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।


দ্রুত বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে, ব্যবসাগুলি সাধারণত প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হয়। প্রতিযোগীরা আপনার সাফল্য লক্ষ্য করে এবং তার অংশীদার হতে চায়।


বৃদ্ধি ধাপটি সেরা গ্রোথ মার্কেটিং কৌশল প্রয়োগের উপযুক্ত সময়, যাতে বাজারে আপনার অংশীদারিত্ব বজায় থাকে এবং বাড়তে থাকা প্রতিযোগিতার মোকাবিলা করা যায়।

.


# ধাপ ৪: পরিপক্বতা (Maturity)


টিম: মার্কেটিং টিম, ডেভেলপার, স্টেকহোল্ডার

উদ্দেশ্য: বাজারে অংশীদারিত্ব বজায় রাখা এবং প্রতিযোগীদের থেকে এগিয়ে থাকা

সমাপ্তির মানদণ্ড: মুনাফা এবং বিক্রয় স্থিতিশীল হতে শুরু করা

চ্যালেঞ্জ: প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে নতুনত্ব প্রয়োজন


পরিপক্বতা পণ্য উন্নয়ন জীবনচক্রের সেই ধাপ, যখন দ্রুত বৃদ্ধি থেকে পণ্য  স্থিতিশীল বিক্রয়ের দিকে অগ্রসর হয়। এই সময়ে, মার্কেটিং প্রচেষ্টা পণ্যের পরিচিতি বাড়ানোর চেয়ে পণ্যকে প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করার ওপর বেশি জোর দেয়।


এই সময়ে, আপনার প্রতিযোগীরা ইতিমধ্যে বৃদ্ধি পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিযোগিতা তীব্র হয়ে উঠছে, তাই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আপনাকে দাম কমাতে, ফিচার বাড়াতে এবং পণ্যের প্রচার আরও জোরদার করতে হচ্ছে।


পরিপক্বতা পর্যায় হল পণ্যের জীবনচক্রের  দীর্ঘতম পর্যায়। এই পর্যায়ে পণ্যটি বাজারে একটি সুপ্রতিষ্ঠিত স্থান করে নেয় এবং গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করে। বিক্রি একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছে যায়, অর্থাৎ খুব বেশি বৃদ্ধি বা হ্রাস হয় না।

.


# ধাপ ৫: স্থিতি (Saturation)


টিম: গ্রোথ মার্কেটার, ডেভেলপার, স্টেকহোল্ডার

উদ্দেশ্য: বাজারে অংশীদারিত্ব ধরে রাখা এবং পণ্যকে পছন্দনীয় ব্র্যান্ডে পরিণত করা

সমাপ্তির মানদণ্ড: বিক্রয় কমতে শুরু করা

চ্যালেঞ্জ: তীব্র প্রতিযোগিতা, কম প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা


স্থিতি পর্যায় হল পণ্যের জীবনচক্রের পঞ্চম এবং প্রায় শেষ পর্যায়। এই পর্যায়ে পণ্যটি বাজারে সর্বোচ্চ পরিচিতি লাভ করে এবং বাজারের প্রায় সকল সম্ভাব্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যায়। 


বাজারের চাহিদা প্রায় স্থির হয়ে যায় এবং নতুন গ্রাহক পাওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। এই পর্যায়ে বাজারে একই ধরনের অসংখ্য পণ্য বিদ্যমান থাকে, যার ফলে তীব্র প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। 


কোম্পানিগুলির প্রধান লক্ষ্য থাকে বিদ্যমান গ্রাহকদের ধরে রাখা এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা। 

সম্ভাব্য কৌশলগুলির মধ্যে রয়েছে পণ্যের বৈশিষ্ট্য বাড়ানো, মূল্য নির্ধারণে ভিন্নতা আনা এবং ভাল সেবা দিয়ে গ্রাহকদের ইতিবাচক অভিজ্ঞতা ভাগ করার জন্য উৎসাহিত করা।


এই পর্যায়ে আপনার লক্ষ্য হবে পণ্যটিকে পছন্দনীয় ব্র্যান্ডে পরিণত করা। নাহলে পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করতে হতে পারে, যা অধিকাংশ উদ্যোক্তার জন্য সবচেয়ে ভীতিকর—”পতন”।

.


# ধাপ ৬: পতন (Decline)


টিম: মার্কেটার, ডেভেলপার, স্টেকহোল্ডার, বিজনেস অ্যানালিস্ট

উদ্দেশ্য: পণ্যে নতুনত্ব আনা বা বাজার থেকে পণ্য তুলে নেওয়া

সমাপ্তি: পণ্য আর লাভজনক না হওয়া

চ্যালেঞ্জ: কম মুনাফা, পণ্য প্রত্যাহারের প্রয়োজন


পতন এমন ধাপ যা উদ্যোক্তাদের দুশ্চিন্তায় ফেলে। এটা এড়ানোর জন্য যত কিছুই করা হোক, কখনো কখনো ঠেকানো সম্ভব হয় না। 


নতুন প্রযুক্তি, গ্রাহকদের পছন্দের পরিবর্তন অথবা আরও উন্নত পণ্যের আবির্ভাবের কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। 


সবচেয়ে ভাল পরিস্থিতি হয় তখন, যখন পণ্য নিজে ধীরে ধীরে পতনের দিকে যায়। তবে পুরো বাজার যদি পতনের মুখে পড়ে, সেটা আরও জটিল। যেমন, কাস্টমারদের চাহিদা বদলের কারণে কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডি এক সময়ের জনপ্রিয়তা হারিয়েছে।


পতনের এই ধাপ থেকে বের হওয়ার জন্য নতুন মার্কেটিং কৌশল, নতুন ফিচার যোগ করা, দাম কমানো বা নতুন বাজার খোঁজার চেষ্টা করা যেতে পারে। এই পর্যায়ে কোম্পানিগুলির প্রধান চ্যালেঞ্জ হল লোকসান কমানো এবং কীভাবে এই পণ্য থেকে ধীরে ধীরে সরে আসা যায়, তার পরিকল্পনা করা। 


সফল কোম্পানিগুলি সবসময় পণ্য উন্নয়নের প্রক্রিয়া চালিয়ে যায়। তারা নতুন ফিচার নিয়ে পরীক্ষা করে বা নতুন পণ্য তৈরি রাখে, যা দরকার হলে পতনের মুখে থাকা পণ্যের জায়গা নিতে পারে।

.


# ধাপ ৭: পরবর্তী জীবন (Afterlife)


সাধারণত, পণ্যের পতন মানেই তার মৃত্যু। তবে, সব পণ্যই পতনের পরে পুরোপুরি হারিয়ে যায় না। কিছু সম্ভাব্য পরিস্থিতি ঘটতে পারে:


• বাজারে চাহিদা না থাকলে পণ্যের ধীরে ধীরে মৃত্যু ঘটে

• উন্নত ফিচার যোগ করে পণ্যকে নতুন সমাধানে রূপান্তর করা যায়

• এটি নতুন পণ্য উন্নয়নের অনুপ্রেরণা হতে পারে

• আধুনিকীকরণ ও নতুনত্বের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া পণ্য পুনরুজ্জীবিত হতে পারে


পতনের পরে পণ্য কীভাবে নতুন জীবন পেতে পারে, তা এই ধাপের মূল বিষয়।

.


# প্রডাক্ট লাইফ সাইকেল এর একটি উদাহরণ: নেটফ্লিক্স


আজ আমরা নেটফ্লিক্সকে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং সেবাগুলির একটা হিসাবে জানি, কিন্তু এর শুরুর গল্প ছিল অন্যরকম। 


১৯৯৯ সালে, নেটফ্লিক্স একটি সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক রেন্টাল ডিভিডির সেবা দিয়ে যাত্রা শুরু করে। গ্রাহকরা নেটফ্লিক্সের ওয়েবসাইট থেকে মুভি নির্বাচন করত এবং পোস্টাল সার্ভিসের মাধ্যমে ডিভিডি তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হত। ক্যাটালগে হাজার হাজার মুভি ছিল এবং গ্রাহকরা মাসে যত খুশি ডিভিডি ভাড়ার সুযোগ পেতেন।


ডিভিডির যুগ যখন ফুরিয়ে আসতে শুরু করল, নেটফ্লিক্স একটি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হল। বাজারের এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে, তারা ২০০৭ সালে কিছু মুভি অনলাইনে স্ট্রিম করার সুযোগ চালু করে। এরপর ২০১০ সালে, নেটফ্লিক্স সম্পূর্ণ স্ট্রিমিং-ভিত্তিক পরিকল্পনা চালু করে এবং নতুন নতুন বাজারে প্রবেশ করতে শুরু করে। ২০১৬ সালের মধ্যে, তারা বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশে তাদের সেবা বিস্তৃত করে।


নেটফ্লিক্স ধীরে ধীরে একটি ডিভিডি রেন্টাল সেবা থেকে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং সেবাগুলির একটি হয়ে উঠেছে। প্রতিটি ধাপে নতুনত্ব এবং পরিবর্তনের মাধ্যমে তারা এই সফলতা অর্জন করেছে।

.


পণ্য উন্নয়নের জীবনচক্র একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে বিভিন্ন উপাদান যুক্ত থাকে। একটি পণ্যের সফলতা নির্ভর করে আপনার উদ্ভাবনী দক্ষতা এবং ব্যবসার বিকাশের জন্য নতুন ও কার্যকরী ধারণা তৈরি করার ক্ষমতার ওপর।


এই ধাপগুলি সহজে পেরোনো সবসময় সম্ভব হয় না। এটি একটি চ্যালেঞ্জিং যাত্রা হতে পারে। তবে, এই যাত্রায় মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা এবং প্রতিটি ধাপ উপভোগ করার মনোভাব রাখা জরুরি, কারণ যাত্রার অভিজ্ঞতাই আপনাকে নতুন পথ দেখাতে পারে।


#প্রডাক্ট #পণ্য #জীবনচক্র

সৈয়দ আব্দুল হাদী  (জন্ম ১ জুলাই ১৯৪০)  বাংলাদেশের একজন সঙ্গীত শিল্পী। তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। 

 সৈয়দ আব্দুল হাদী 

(জন্ম ১ জুলাই ১৯৪০) 

বাংলাদেশের একজন সঙ্গীত শিল্পী। তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০০০ সালে সঙ্গীতে অবদানের জন্য তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক লাভ করেন।

সৈয়দ আব্দুল হাদী ১৯৪০ সালের ১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।বেড়ে উঠেছেন আগরতলা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং কলকাতায়। তবে তার কলেজ জীবন কেটেছে রংপুর আর ঢাকায়। তার পিতার নাম সৈয়দ আবদুল হাই। তার বাবা ছিলেন ইপিসিএস (ইস্ট পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস) অফিসার। তার পিতা গান গাইতেন আর কলেরগানে গান শুনতে পছন্দ করতেন। বাবার শখের গ্রামোফোন রেকর্ডের গান শুনে কৈশোরে তিনি সঙ্গীত অনুরাগী হয়ে উঠেন। ছোটবেলা থেকে গাইতে গাইতে গান শিখেছেন।

১৯৫৮ সালে সৈয়দ আবদুল হাদী ভর্তি হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।

সৈয়দ আব্দুল হাদী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রযোজক হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। সর্বশেষে তিনি লন্ডনে ওয়েল্স ইউনিভার্সিটিতে প্রিন্সিপাল লাইব্রেরীয়ান হিসেবে কাজ করেছেন।

সৈয়দ আবদুল হাদী দেশাত্ববোধক গানের জন্য জনপ্রিয়। পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি সঙ্গীত করছেন। ১৯৬০ সালে ছাত্রজীবন থেকেই চলচ্চিত্রে গান গাওয়া শুরু করেন। ১৯৬৪ সালে সৈয়দ আবদুল হাদী একক কণ্ঠে প্রথম বাংলা সিনেমায় গান করেন। সিনেমার নাম ছিল ‘ডাকবাবু’। মো. মনিরুজ্জামানের রচনায় সঙ্গীত পরিচালক আলী হোসেনের সুরে একটি গানের মাধ্যমে সৈয়দ আবদুল হাদীর চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু।

বেতারে গাওয়া তার প্রথম জনপ্রিয় গান ‘কিছু বলো, এই নির্জন প্রহরের কণাগুলো হৃদয়মাধুরী দিয়ে ভরে তোলো’। সালাউদ্দিন জাকি পরিচালিত ঘুড্ডি চলচ্চিত্রের গানে সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছিলেন লাকী আখ্‌ন্দ। এই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গান ‘সখি চলনা, সখি চলনা জলসা ঘরে এবার যাই’- গেয়েছেন সৈয়দ আবদুল হাদী।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত হয় সৈয়দ আবদুল হাদীর প্রথম রবীন্দ্র সংগীতের একক অ্যালবাম ‘যখন ভাঙলো মিলন মেলা’। সৈয়দ আবদুল হাদী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নিয়ে অনার্স পড়ার সময় সুবল দাস, পি.সি গোমেজ, আবদুল আহাদ, আবদুল লতিফ প্রমুখ তাকে গান শেখার ক্ষেত্রে সহায়তা ও উৎসাহ যুগিয়েছেন।


উল্লেখযোগ্য গান

সম্পাদনা

আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার

সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি

একবার যদি কেউ ভালোবাসতো

এই পৃথিবীর পান্থশালায়

চলে যায় যদি কেউ বাঁধন ছিঁড়ে

এমনও তো প্রেম হয়

কারও আপন হইতে পারলি না

কেউ কোন দিন আমারে তো

যেও না সাথী

শূন্য হাতে আজ এসেছি

দুঃখ চির সাথীরে

সখি চলনা জলসা ঘরে যাই

আমি তোমার ই প্রেম ভিক্ষারী

চক্ষের নজর এমনি কইরা

জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো

কোন কিতাবে লেখা আছে

সতী মায়ের সতী কন্যা

চোখ বুঝিলে দুনিয়া আন্ধার

তোমাদের সুখের এই নীড়ে

আমার দোষে দোষী আমি

আমি কার কাছে যাই

সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তে তুমি

যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে

আমার বাবার কথা

কথা বলবো না বলেছি

তেল গেলে ফুরাইয়া

বিধিরে তোর আদালতে

তোমার ঐ চোখের

আউল বাউল লালনের দেশে

বিদ্যালয় মোদের বিদ্যালয়

এ জীবনে তুমি ওগো এলে

জন্ম দিনে কান্দে শিশু

কে জানে কত দূরে

মনে প্রেমের বাত্তি জ্বলে

পৃথিবী তো দুদিনের ই বাসা

সব কিছু মোর উজাড় করে

মন পুকুরে চাইলে

জানি তুমি চলে যাবে

মনের মতো বলো কী নাম রাখি

ধনেপাতার সস 

 

আমার কাছে ধনেপাতার সস এর রেসিপি যারা চেয়েছিলেন :

১. ধনেপাতা,জলপাই, আদা,রসুন,লবণ,সরিষার তেল,লেবুর রস আর কাঁচামরিচ দিয়ে একসাথে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

ধনেপাতা ২৫০gm
লেবু ১টা(রস বের করে নিন)
জলপাই ২টা(আটি ছাড়া)
আদা রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ
কাঁচা মরিচ ৩-৪ টা
লবণ স্বাদমতো
ভিনেগার ৩ টেবিল চামচ

২. সবগুলো একসাথে ব্লেন্ড করতে হবে। ব্লেন্ড একটুও পানি ব্যবহার করা যাবে না।

৩. সবগুলোকে একটা কাচের জার এ ঢেলে উপর দিয়ে ভিনেগার দিতে হবে।

৪. এরপর টানা ৭ দিন রোদে দিতে হবে।


রোদ না থাকলে চুলার পাশে রেখে দিবেন যখন রান্না করবেন। ওই তাপে ১০ দিন রাখবেন, প্রসেস হয়ে যাবে।

ব্যস হয়ে গেল ধনেপাতার সস

শীত চলে গেলে ফ্রিজ এ রেখে দিবেন। চাইলে এটা সারা বছর ও রেখে দেয়া যায়।

ফেইসবুক গল্প বিধবা

 মায়ের জোড়াজুড়িতে বিয়ে করতে হলো এক বিধবা মহিলাকে।

 মহিলা না, মেয়েই বটে। বয়স বেশি না, আমার চেয়ে এক দু বছরের ছোট হবে,

 তবে বাচ্চা মেয়ে আছে একটা। আমার একদম ইচ্ছা ছিলনা বিয়েতে

যেচে এরকম পূর্ব বিবাহিত মেয়েকে বিয়ে করে আমার জীবন ন'ষ্ট করার মানে নেই

কিন্তু মায়ের বান্ধবীর মেয়ে হওয়ায় জোর করেই বিয়ের পিড়িতে বসতে হলো। 

আজ আমার বাসর রাত। মনে একপ্রকার ঘৃ'ণা নিয়েই ঘরে ঢুকলাম

 সুন্দর করে ফুল দিয়ে সাজানো বিছা'নায় একটা লাল শাড়ি পরিহিত মেয়ে মাথা নিচু করে বসে আছে

মেয়ে মাশাল্লাহ খুব সুন্দরী। কিন্তু আমার প্রবলেম তার মেয়ে নিয়ে

আমি ভেতরে গিয়ে মাথার পাগড়ি ছু'ড়ে মা*রলাম বিছানায়। চমকে উঠল মেয়েটা,

" দেখুন, আমি আপনাকে আমার স্ত্রী হিসেবে মানতে পারবনা

 মায়ের ইচ্ছাতে বিয়েটা করেছি। ব্যস, এ পর্যন্তই। আমার কাছে আর ঘেষতে আসবেন না

আর আপনার মেয়েকেও আমার কাছ থেকে দূরে রাখবেন

স্ত্রীর অধিকার আমার উপর ফ'লাবেন না, প্লিজ। "

ধরাম করে দরজা সজোরে লাগিয়ে বেরিয়ে এলাম ঘর থেকে

 মেয়েট ফোঁপাতে ফোঁপাতে কাঁদতে লাগল৷ আমি ছাদে গিয়ে দাঁড়ালাম

 আকাশে এতো মধুর রূপোর থালার মত চকচকে চাঁদ থাকা সত্ত্বেও আমার সেটা ভাল লাগছেনা। আমার জীবনটাই যে ব'রবাদ হয়ে গেল

 শেষে কিনা এক বিধবার সাথেই বিয়ে করতে হলো

মায়ের উপর খুব রাগ হচ্ছে

 কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ঠান্ডা বাতাসে মন ফুরফুরে করে, আরেক রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। 

পরদিন থেকে আমি ইগনোর করতে লাগলাম তাদের

 মেয়েটা মাথা নিচু করে কাজের লোকের মত বাড়ির সব কাজ করে, কিন্তু আমি সারাদিন বাইরে বাইরে থাকি

 তার এক বছরের মেয়েটা হামাগুড়ি দিতে দিতে, আর মুখে অস্পষ্ট কিছু উচ্চারণ করতে করতে সারা বাড়ি ঘুরে বেড়ায়

বাড়িতে শুধু আমরা তিনজনই থাকি। সারাদিন কাজ শেষে যখন বাড়ি ফিরি,

 তখন দেখি বাচ্চা মেয়েটা হামাগুড়ি দিতে দিতে আমার সামনে আসে

আমার দিকে তার মায়াবী চোখ দিয়ে তাকায়। বিরক্ত লাগে আমার তাকে দেখলে

আমি পাশ কাটিয়ে নিজের রুমে চলে যাই। ওর মা চুপচাপ আমায় খাবার

দিয়ে যায়,

একটা বারও মাথা উঁচু করে তাকায় না

আমিও কিছু না বলে চুপচাপ

 খেয়ে নেই

 আর নিজের কাজ নিজে করে যাই। ওরা আলাদা রুমে ঘুমায়

 আর আমি আলাদা রুমে ঘুমাই। 

একদিন বাড়ি ফিরে এসে নিজের রুমে গিয়ে দেখি সব লন্ড ভন্ড হয়ে আছে

নিশ্চয়ই ওই বাচ্চা মেয়েটা করেছে এইরকম। আমি চটে গেলাম

 আমার মাথায় র*ক্ত উঠে গেল। আমি রাগে ফোসাতে ফোসাতে

 চিৎকার দিয়ে উঠলাম, 

" আয়েশা....."

আমার বিধবা বউটা দৌড়াতে দৌড়াতে আসল রুমে

মাথা নিচু করে কাঁদো কাঁদো গলায় জিজ্ঞেস করল, 

" জি…জি, কি হয়েছে? "

" এই কি হাল হয়েছে আমার রুমের। কে করেছে এমন

 নিশ্চয়ই আপনার মেয়েটা। কতবার বলবো ওকে আমার থেকে দূরে রাখবেন৷ একটা কথা একবার বললে কানে যায়না? "

আয়েশা কাঁদতে কাঁদতে আমার পা'য়ে প'ড়ে গেল,

" এই…এই কি করছেন? "

" প্লিজ…প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন

 অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে। আর কোনোদিন হবেনা। প্লিজ। "

আয়েশার অশ্রুজল টপ টপ করে আমার পায়ে পড়ছে। যতসব আদিখ্যেতা

 আমি ঘর থেকে বেরিয়ে চলে গেলাম বাইরে। আবার ফিরে

 এলাম গভীর রাতের দিকে। আমি সোজা চলে গেলাম আমার ঘরে

 রুমে ঢুকেই আমি চমকে গেলাম। খুব সুন্দর করে পরিপাটি ভাবে গোছানো ঘর

 এমনকি আগের চেয়েও সুন্দর ভাবে। সেটা দেখে আমার মনটা একটু ভাল হলো

ক্লান্ত শ'রীরটা এ'লিয়ে দিলাম বি'ছানায়। লাইট, ফ্যান অফ করে শুয়ে পড়লাম

খুব ঠান্ডা পড়েছে। পিনপতন নীরবতার মাঝে হঠাৎ আমার কানে ভেসে আসল করুণ ফোঁপানির আওয়াজ

 বুঝতে পারলাম আয়েশা পাশের রুমে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। আমি তোয়াক্কা না করে শুয়ে পড়লাম।


চলবে..?


গল্প : #বিধবা

পর্ব- ০১

দিলখুশা ভুলভুলাইয়্যা টাওয়ার : নজরুল ইসলাম টিপু

 দিলখুশা ভুলভুলাইয়্যা টাওয়ার : নজরুল ইসলাম টিপু


কোন এক অজ্ঞাত ফটোগ্রাফার ১৮৮০ সালে বাংলাদেশের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা থেকে এই ছবিটি তোলেন। যার বর্তমান বাজার মূল্য শত হাজার কোটি টাকার চেয়েও বেশী। মূলত এটি হল ঢাকা শহরের দিলকুশা এলাকা। যেখানে বর্তমানে বঙ্গভবন, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, গুলিস্তান, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাণকেন্দ্র।


ছবিটির দিকে একবার ভাল করে তাকিয়ে দেখুন। দিগন্ত প্রসারিত খালি জমি, তৃণ ভূমি আর ছোট খাট জঙ্গল। তখনকার দিনে এখানে হাতি, হরিণ, গণ্ডার চরত। বিলাতি সাহেবেরা বন্দুক নিয়ে শিকারে যেতেন। বনভোজন করতেন। পরবর্তীতে নওয়াব খাজা আবদুল গনি ই. এফ, স্মিত নামের এক বিলাতি ভদ্রলোক থেকে জায়গাটি কিনে নেন।


ঢাকার নওয়াব পরিবার এটিকে বাগানে পরিণত করেন। যার নাম দেন 'দিলখুশা' যা হয়ে যায় 'দিলকুশা' হিসেবে। যার অর্থ 'মন প্রশান্তি-কারক'। এখানে একটি প্রাসাদ বানানো হয়, যার নাম দিলকুশা প্রাসাদ। এই বাগানের আকর্ষণ বাড়াতে, Dilkhusha Maze Tower তথা 'দিলকুশা গোলকধাঁধা টাওয়ার' বানানো হয়েছিল। এই টাওয়ারে চড়তে গেলে উঁচু গাছের বেড়ার মধ্য দিয়ে, লম্বা পথ ঘুরে যেতে হত। চলার পথ ভুল হলে একই পথে বারবার কিংবা বাহিরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। সে কারণে এই টাওয়ারকে 'ভুলভুলাইয়্যা' ভবন বলা হত।


ছবিটি ছিল সাদা-কালোতে তোলা। Philip Thornton নামে একজন ডিজিটাল আর্টিস্ট এটাকে রঙ্গিন রূপ দান করেন।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৫-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৫-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় সারাবিশ্বের সঙ্গে আজ দেশে উদযাপিত হচ্ছে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ বড়দিন’ -রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা। 


শুভ বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা বিনিময় - ধর্মের শান্তির বাণী নিজের মধ্যে ধারণ করার আহ্বান।


গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবে ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৪ এর খসড়ায় উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন।


ভারতকে পাঠানো কূটনৈতিক নোটের কোনো জবাব না দিলে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে নতুন দিল্লীকে আরেকটি অনুস্মারক চিঠি দেবে ঢাকা।


ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আট মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে ২১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান শুরু।


আশুলিয়ায় ছয় শিক্ষার্থীকে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলার মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি।


গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলী হামলায় একদিনে ২১ জনের মৃত্যু।


আজ থেকে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে বিজয় দিবস হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা।

মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

পুরুষ হওয়া অত সোজা নয়, একটু বড় হওয়ার পর হঠাৎ করেই বুঝে যায় খুব তাড়াতাড়ি বড় হতে হবে, পুরো সংসারের দায়িত্ব নিতে হবে ।

 পুরুষ হওয়া অত সোজা নয়, একটু বড় হওয়ার পর হঠাৎ করেই বুঝে যায় খুব তাড়াতাড়ি বড় হতে হবে, পুরো সংসারের দায়িত্ব নিতে হবে ।


ঘর বানানোর জন্য পুরুষকে ঘর ছেড়ে বাইরে যেতে হয় বছরের পর বছর, মৃত্যুর আগে অব্দি হয়তো কখনো পাকাপাকিভাবে বাড়ি ফেরা হয় না ।


নির্বাক সৈনিকের মত লড়ে যায় বহুরূপীর মতো বিভিন্ন রূপে কখনো দাদা, কখনো ভাই, কখনো বা স্বামী , কখনো বাবা ।


পুরুষকে কখনো কাঁদতে দেখবেন না, কারণ সে জানে কাঁদলে সান্ত্বনা  দেওয়ার মতো কাউকে পাশে পাওয়া যায় না । বিভিন্ন কারণে যদি স্ত্রীর সাথে ঝগড়াও হয়ে যায় সে সে হয়তো চুপ করে থাকে বা এক বেলা না খেয়ে থাকে তবু তার কোন বাপের বাড়ি হয় না যেখানে গিয়ে সে তার অভিমানটা  প্রকাশ করতে পারবে ।


যতই শিক্ষার ডিগ্রী থাকুক পুরুষের সম্মানটা তার উপার্জন এবং মূলধনের উপরে নির্ভর করে ।


পুরুষরা সমাজ, পরিবার ও সম্পর্কের ভিত গড়ে তোলে, অথচ তাদের আবেগ, সংগ্রাম ও স্বাস্থ্যের কথা অনেক সময় উপেক্ষা করা হয়।তাদের ত্যাগ, দায়িত্ব ও ভালোবাসাকে সম্মান জানাই।


আপনারা আমাদের জীবনে আলো হয়ে থাকুন। নিজের যত্ন নিন, আপনার অনুভূতিগুলোকে সম্মান দিন।

অনুরোধ করব শেযার দিবেন হাজারোও পুরুষের জন্য। তাই অনুরোধ করবো শেয়ার দিবেন।

বীজ জার্মিনেশন করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি

 বীজ জার্মিনেশন করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি !

মরিচ,টমেটো,বেগুন,ক্যাপসিকাম,পিয়াজ বা কপি জাতীয় সবজি গুলো কিভাবে জার্মিনেশন করবো?


প্রায় আমরা সবাই যারা বাড়ির আঙ্গিনায় বেলকনি ও ছাদ কৃষির সাথে সংযুক্ত সবাই এই ভুল গুলো করি!


মরিচ,টমেটো,বেগুন,ক্যাপসিকাম,পিয়াজ বা কপি এই গুলোর চিরকূট টা একটু পাতলা হয়।


আপনারা অনেক সময় এই গুলো ভিজিয়ে দেন।ভিজিয়ে দেওয়ার ফলে বীজ গুলো পছে যায়।এই ধরণের ভুল গুলো আর করবেন না।


মরিচ, টমেটো,পিয়াজ বেগুন,কপি বা পাতলা যে বীজ গুলো আছে।সে গুলো নিয়ে প্রথমে হাল্কা ২/৩ ঘন্টা রোদে দিয়ে আবার ১ ঘন্টা ঠান্ডা স্থানে রাখতে হবে।

তারপর বীজ তলা অথবা সীট ট্রে তে আপনারা যেখানে দেন বীজ গুলো রোপন করে দিবেন।


রোপণ করার পর আপনাদের মনে আরেকটা প্রশ্ন আসে কতদিন পর এটাকে আমরা মেইন ফিল্ডে অথবা টবে স্থানান্তর করবো।অনেক সময় ওয়েদার এর উপর ডিপেন্ড করে ২৫/৩৫ দিন এর ভিতর মূল জায়গায় স্থানান্তর করবো এতে করে চারা অনেক টা সতেজ ভাবে বেড়ে উঠে।৩০/৩৫ দিনে স্থানান্তর এর যোগ্য হয়ে যায়।


★মাচা জাতীয় সবজির ক্ষেত্রে যদি আমরা আসি★

মিষ্টি কুমড়া,লাউ,বিন্দু লাউ,

ঝিঙ্গা ,চিচিংগা,করলা,শসা,বরবটি,সিম,তরমুজ এটা আবার ২/৩ ঘন্টা রোদে দিলেন। আবার ১ ঘন্টা ছায়ায় রেখে দিবেন।


চাইলে সরাসরি মেইন ফিল্ডে বা টবে দিতে পারেন আবার চাইলে সীড ট্রে তে বীজ তৈরী করে নিতে পারেন।


যখন আপনারা চারা করবেন তখন এটা মাথায় রাখবেন যে সব বীজ ভিজানো দরকার নেই।যেমন মোটা সীডস যে গুলো করলা ঝিঙ্গা অথবা চিচিঙ্গা এই গুলো ২/৩ ঘন্টা ভিজিয়ে দিতে পারেন।আবার না ভিজালেও হয় এটা কোন সমস্যা নেই।


তরমুজ এর ক্ষেত্রে মনে রাখবেন ৫/৬ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে চটের যে বস্তা গুলো আছে সেটার ভিতর মুড়িয়ে আপনার বাসার যে তোশক টা আছে অথবা গরম কোন জায়গায় রেখে দিবেন অংকুরিত হওয়া পর্যন্ত হাল্কা অংকুরিত হলে নিয়ে নিবেন।চাইলে গোবরের স্তুপেও রেখে দিতে পারেন।খেয়াল রাখবেন এটা যেনো কাচা গোবরের স্তপ না হয় অবশ্যই শুকনা গোবর হতে হবে।


মাচা জাতীয় সবজির ক্ষেত্রে ১৫/২০ দিনের ভিতর সীডস স্ট্রে থেকে মেইন জায়গায় টবে অথবা মাঠে স্থানান্তরিত করতে হবে। গ্রীস্মকালে এটা ১৫ দিনের মধ্যেই হয়ে যায়। তবে যখন হাল্কা ঠান্ডা ঠান্ডা ৫ দিন একটু লেট হয় ১৫/২০ দিনের ভিতর উপযোগী হয়ে উঠে।


★কন্দ জাতীয় সবজি★


গাজর,বীটরুট,ওল কপি,মুলা এই গুলো সরাসরি মুল জমিতে মাঠি প্রস্তুত করে লাগাতে পারেন।তিবে গাজর মুলার ক্ষেত্রে একটু খেয়াল রাখবেন মাটি টা যদি ঝরঝর না হয় তাহলে ফলের আকৃতি সুন্দর হয় না।


★ধনিয়া পাতার ক্ষেত্রে★

১০/১২ ঘন্টা সীডস টা ভিজিয়ে নিতে হবে এর পর সরাসরি রোপণ যোগ্য স্থানে চিঠিয়ে দেন।অথবা লাইন করে দিন।


বিঃ দ্রঃ অনেক সময় আপনাদের প্রশ্ন থাকে হাইব্রিড সীডস গুলো শোধন করা থাকে নাকি থাকে না?

সত্যি বলতে বেশির ভাগ সময় হাইব্রিড বীজ গুলো কোডিং করা থাকে এবং শোধন করা থাকে অনেক সময় যারা চাষ সম্পর্কে জেনে করতে চায় তারা

১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম কার্বান্ডাজিম গ্রুপের যেকোম ওষুধ নিয়ে ওটাকে গোলে ০.৩০ অথবা ১ ঘন্টা রেখে অইটাকে সীডস ট্রে তে অথবা বীজ তলায় দিতে পারেন তখন বীজ আরো পরিপূর্ণ ভাবে তৈরী হয়


শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিলাম ধন্যবাদ।

গরুর মাংসের কালা ভুনা রেসিপি

 🥰গরুর মাংসের কালা ভুনা রেসিপি 🥰


🌹গরুর মাংস- ২ কেজি

আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ

রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ

ধনিয়া গুঁড়া- ১ টেবিল চামচ

জিরার গুঁড়া- ১ চা চামচ

সবুজ এলাচ- ৪টি

তারা মৌরি- ১টি

তেজপাতা- ২টি

দারুচিনি গুঁড়া- কোয়ার্টার চা চামচ

পেঁয়াজ বাটা- আধা কাপ

মরিচ গুঁড়া- দেড় টেবিল চামচ

চিনি- ১ টেবিল চামচ

লবণ- স্বাদ মতো

সরিষার তেল- ২ টেবিল চামচ


🌹কালাভুনার বিশেষ মসলা তৈরির উপকরণ

লবঙ্গ- ৭-৮টি

গোলমরিচ- ১০-১২টি

জয়ত্রী- অর্ধেক

রাঁধুনি জিরা- ১ চা চামচ

কালোজিরা- ২ চা চামচ

অন্যান্য উপকরণ

সয়াবিন বা সরিষার তেল- ১ কাপ

শুকনা মরিচ- ৫টি

মিহি পেঁয়াজ কুচি- ২ কাপ


🌹প্রস্তুত প্রণালি

মাংসের মসলা তৈরির সব উপকরণ একসঙ্গে গুঁড়া করে নিন। মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে হাঁড়িতে নিতে নিন। মাংস মাখার সব উপকরণ ও কালাভুনার মসলা দিয়ে মাংস মেখে আধা কাপ পানি যোগ করুন। হাঁড়ি ঢেকে চুলায় দিয়ে দিন। ৪৫ মিনিটের মতো মিডিয়াম থেকে সামান্য বেশি আঁচে রান্না করুন মাংস। মাঝে মাঝে নেড়ে দেবেন। ৪৫ মিনিট পর চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।  

চুলায় প্যান চাপিয়ে তেল দিন শুকনা মরিচ ও পেঁয়াজ কুচি ভাজুন। পেঁয়াজ বাদামি হয়ে গেলে রান্না করে রাখা মাংস দিয়ে দিন। চুলার আঁচ কমিয়ে দেবেন। ৫ মিনিট কষিয়ে নিন মাংস। আধা কাপ পানি দিন। চুলার আঁচ সামান্য বাড়িয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। পানি শুকিয়ে তেল ভেসে উঠলে চুলা বন্ধ করে নামিয়ে নিতে হবে। কালা ভুনা রেডি। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন। 

©️

ভালো লাগলে শেয়ার করে রেখে দিবেন আপনার আইডিতে পড়ে কাজে লাগতে পারে ধন্যবাদ 💝

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...