এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

অনন্য অসাধারণ এক মায়ের গল্প : """""""""""""""""""""""""""""""

 অনন্য অসাধারণ এক মায়ের গল্প :

""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

আমার মা। সত্তরের দশকে পিএইচডি করেছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় Imperial College London থেকে, কঠিন পদার্থবিজ্ঞানের ততোধিক কঠিন শাখা Theoretical Physics-এ।


*

ম্যাট্রিকে গণিতে সেরা নাম্বার পেয়ে স্ট্যান্ড করেছেন, ইন্টারমিডিয়েটে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে সেরা ফলাফল করে মেরিট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাজ্যে পিএইচডি করতে গেছেন। সেখানে অত্যন্ত গণিত-ঘন পিএইচডি-প্রস্তুতি পরীক্ষায় বাঘা বাঘা ছাত্রদেরকে পেছনে ফেলে ক্লাস-টপার হয়েছেন। পিএইচডি করেছেন P T Matthews (অতি-পরিচিত কোয়ান্টাম মেকানিক্স পাঠ্য-বইয়ের লেখক) এর তত্ত্বাবধানে। দেশে ফিরে alma mater রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন। ভালো শিক্ষক ও তেজস্বী মহিলা হিসেবে তাঁর ছাত্ররা এখনও তাঁকে স্মরণ করে।


*

অতঃপর এক সময় আমি হলাম। কন্যাকে ঘিরে আমার মায়ের জীবনের আবর্তন শুরু হলো। সদা সতর্ক, যত্নশীল মা হিসেবে তাঁর জীবনের এক নতুন অধ্যায়। আমি বড় হতে হতে ছোট্ট একটি বোন হলো আমার। আমরা দুই বোন ছিলাম আম্মার জগৎ।


*

বিয়ের আগে আম্মা কোন রান্নাই জানতেন না। বিয়ের পর একদম নিজে নিজে শেখার শুরু (তখন তো আর ইউটিউব ছিল না!)। গণিতে দীপ্ত মাথার সাথে এবার যুক্ত হলো রান্নার আর্টে সুনিপুণ, স্বশিক্ষিত হাত। অসাধারণ রাঁধুনি, রান্না করেছেন সব নিজস্ব রেসিপিতে, মানুষের ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছেন। নতুন নতুন অজানা কত পদ খাইয়েছেন তার ইয়ত্তা নেই। সেই তিরিশ বছর আগে, জন্মদিনের কেইক নিজে আইসিং করতেন। সারাবছর আমরা বাড়িতে বানানো টমেটোর সস খেয়েছি। সাত থেকে দশ রকমের আচারের বয়াম রোদে দেয়া থাকতো বারান্দা জুড়ে। আর শিখিয়েছেন মানুষকে। যেখানেই থেকেছেন, চারপাশের অনেক নারী তাঁর কাছে বিবিধ রান্নার তালিম নিয়েছেন। টক-ঝাল-মিষ্টি, কোন কিছুই বাদ যায়নি। আম্মা বুঝিয়ে দিতেন খুব যত্ন করে, সমস্ত খুঁটিনাটি টিপসসহ। জাত-শিক্ষক!


*

ম্যাথমেটিক্যাল ব্রেইন সব জায়গায় তার ছাপ রেখেছে। নিত্য-নতুন, নিজস্ব কত ডিজাইনের যে জামা পরেছি দুই বোন! সব আম্মার বানানো। আমার বান্ধবীরা আজও উল্লেখ করে। উলের সেলাই, আক্ষরিকভাবেই শত শত! প্রতি বছর শীতে বসতো আম্মার উল বোনার হাট। আমরা দুই বোন ও তাঁর নাতনিরা তো বটেই, আত্মীয়-প্রতিবেশী-বন্ধু বাদ যায়নি। তাঁর শ্বশুরবাড়ির মানুষ থেকে শুরু করে আমার শ্বশুরবাড়ি পর্যন্ত। নিজস্ব ডিজাইনের প্রত্যেকটা হতো একেকটা মাস্টারপিস। আবার বই থেকে একটা ডিজাইন দেখে তারপর নিজের মাথায় হিসাবনিকাশ করে ভিন্নতা নিয়ে আসতেও বহুবার দেখেছি। আম্মার কাছ থেকে উলের সেলাই বুঝে নিয়েছেন কতজন!


*

নানারকম চুলের স্টাইল করতে জানতেন। আমার বিয়ের খোঁপা আম্মার হাতের।


*

সবচেয়ে বিস্ময়কর ছিল আম্মার একসাথে নানা কাজ সামাল দেয়ার দক্ষতা…. a true multitasking wonder! আমার বোনকে খাওয়াতে খাওয়াতে তাঁকে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের লেকচার তৈরি করতে দেখেছি। আমাদের সাথে টিভি দেখতে দেখতে জটিল উলের সোয়েটার বুনেছেন। রাত দুইটার সময় একশ চমচম বানিয়েছেন, পরেরদিন দাওয়াতের জন্য। আব্বা ও পারিবারিক বন্ধুদের সাথে বসে সমান দাপটে Scrabble খেলেছেন। দুই দানের মাঝে উঠে গিয়ে রান্না দেখে আসতেন।


*

শুক্রবারে জুম্মার নামাজের জন্য আব্বার পাঞ্জাবী ইস্ত্রি করছেন আম্মা, এই দৃশ্য চোখে ভাসে।


*

আমার মা। A complete woman!


✍️লেখকঃ Raihana Shams Islam

Alumni, University of Rajshahi, University of Cambridge

CHAT GPT থেকে নেওয়া

 এই পৃথিবীতে মোট কয়টি দেশ, কি কি,,,,,,,,,,,,

বর্তমানে পৃথিবীতে মোট *১৯৫টি দেশ* রয়েছে। এর মধ্যে *১৯৩টি দেশ* জাতিসংঘের সদস্য এবং *২টি দেশ* (ভ্যাটিকান সিটি ও প্যালেস্টাইন) জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে। 


এছাড়া, *তাইওয়ান* (Taiwan) একটি বিতর্কিত অঞ্চল, যা নিজেকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে গণ্য করে, কিন্তু এটি চীনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয় অনেক দেশের কাছে। 


এখন, *১৯৫টি দেশ* নিম্নরূপ:


*১৯৩টি জাতিসংঘের সদস্য দেশ:*


1. *আফগানিস্তান*

2. *আলবেনিয়া*

3. *আলজেরিয়া*

4. *আন্দোরা*

5. *অ্যাঞ্জুইলা*

6. *অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা*

7. *আর্জেন্টিনা*

8. *আর্মেনিয়া*

9. *অস্ট্রেলিয়া*

10. *অস্ট্রিয়া*

11. *আজারবাইজান*

12. *বাহামাস*

13. *বাহরাইন*

14. *বাংলাদেশ*

15. *বার্বাডোস*

16. *বেলজিয়াম*

17. *বেলিজ*

18. *বেনিন*

19. *ভুটান*

20. *বলিভিয়া*

21. *বোসনিয়া ও হার্জেগোভিনা*

22. *বোটসোয়ানা*

23. *ব্রাজিল*

24. *ব্রুনেই*

25. *বুলগেরিয়া*

26. *বুরকিনা ফাসো*

27. *বুরুন্ডি*

28. *ক্যাবো ভার্দে*

29. *কম্বোডিয়া*

30. *ক্যামেরুন*

31. *কানাডা*

32. *চিলি*

33. *চীন*

34. *কলম্বিয়া*

35. *কোস্টা রিকা*

36. *ক্রোয়েশিয়া*

37. *কিউবা*

38. *কুরাকাও*

39. *কাইরেবা*

40. *কিপ্রস*

41. *চেক রিপাবলিক*

42. *কঙ্গো (কঙ্গো ব্রাজাভিল)*

43. *কঙ্গো (কঙ্গো কিনশাসা)*

44. *কোকোস দ্বীপপুঞ্জ*

45. *কোস্টারিকা*

46. *ডেনমার্ক*

47. *ডিজ্যাম্বো*

48. *ডোমিনিকা*

49. *ডোমিনিকান রিপাবলিক*

50. *একুয়েডর*

51. *এজিপ্ট*

52. *এল সালভাদর*

53. *ইকুয়েটোরিয়াল গিনি*

54. *এস্তোনিয়া*

55. *এসওয়াতিনি*

56. *এথিওপিয়া*

57. *ফিজি*

58. *ফিনল্যান্ড*

59. *ফ্রান্স*

60. *গ্যাবন*

61. *গাম্বিয়া*

62. *গানিয়া*

63. *গিনি*

64. *গিনি-বিসাউ*

65. *গ্রীস*

66. *গ্রেনাডা*

67. *গুয়াতেমালা*

68. *গিনি*

69. *গুয়াদেলোপ*

70. *গুয়েনা*

71. *হাইতী*

72. *হন্ডুরাস*

73. *হাঙ্গেরি*

74. *আইসল্যান্ড*

75. *ইন্ডিয়া*

76. *ইন্দোনেশিয়া*

77. *ইরান*

78. *ইরাক*

79. *আইভরি কোস্ট*

80. *ইসরায়েল*

81. *ইটালি*

82. *জামাইকা*

83. *জাপান*

84. *জর্ডান*

85. *কেনিয়া*

86. *কিরিবাটি*

87. *কুয়েত*

88. *কিরগিজস্তান*

89. *লাওস*

90. *লাটভিয়া*

91. *লেবানন*

92. *লেসোথো*

93. *লিথুয়ানিয়া*

94. *লুক্সেমবার্গ*

95. *মাদাগাস্কার*

96. *মালাউই*

97. *মালয়েশিয়া*

98. *মালদ্বীপ*

99. *মালি*

100. *মাল্টা*

101. *মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ*

102. *মাওরিতানিয়া*

103. *মাওরিতিয়াস*

104. *মেক্সিকো*

105. *মাইক্রোনেশিয়া*

106. *মোলডোভা*

107. *মোনাকো*

108. *মঙ্গোলিয়া*

109. *মন্টেনিগ্রো*

110. *মোরোক্কো*

111. *মোজাম্বিক*

112. *মিয়ানমার*

113. *নামিবিয়া*

114. *নাউরু*

115. *নেপাল*

116. *নেদারল্যান্ডস*

117. *নিকারাগুয়া*

118. *নাইজার*

119. *নাইজেরিয়া*

120. *নিউ জিল্যান্ড*

121. *নিকারাগুয়া*

122. *নরওয়ে*

123. *ওমান*

124. *পাকিস্তান*

125. *পালাউ*

126. *প্যারাগুয়ে*

127. *পেরু*

128. *পালেস্টাইন*

129. *ফিলিপাইন*

130. *পোল্যান্ড*

131. *পортуগাল*

132. *কাতার*

133. *রোমানিয়া*

134. *রাশিয়া*

135. *রুয়ান্ডা*

136. *সেন্ট কিটস ও নেভিস*

137. *সেন্ট লুসিয়া*

138. *সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডিনস*

139. *সামোয়া*

140. *সান মারিনো*

141. *সাউথ আফ্রিকা*

142. *সাউথ কোরিয়া*

143. *স্পেন*

144. *শ্রীলঙ্কা*

145. *সুদান*

146. *সূদান*

147. *সুইডেন*

148. *স্বিটজারল্যান্ড*

149. *সিরিয়া*

150. *তাজিকিস্তান*

151. *থাইল্যান্ড*

152. *টোগো*

153. *টোনগা*

154. *ট্রিনিদাদ ও টোবাগো*

155. *তুরস্ক*

156. *তুর্কমেনিস্তান*

157. *তুভালু*

158. *উগান্ডা*

159. *ইউক্রেন*

160. *যুক্ত আরব আমিরাত*

161. *যুক্তরাজ্য*

162. *যুক্তরাষ্ট্র*

163. *উজবেকিস্তান*

164. *ভানুয়াতু*

165. *ভেনিজুয়েলা*

166. *ভিয়েতনাম*

167. *ইয়েমেন*

168. *যাম্বিয়া*

169. *জিম্বাবুয়ে*


---


*২টি জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র:*


1. *ভ্যাটিকান সিটি* (Holy See)

2. *প্যালেস্টাইন* (Palestine)


---


এছাড়া, পৃথিবীতে কিছু *তথ্যগত বিতর্কিত অঞ্চল* (যেমন *তাইওয়ান*, *কুর্দিস্তান*, *কাশ্মীর*, *পশ্চিম সাহারা*) রয়েছে, যেগুলি কিছু দেশ নিজেদের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে, তবে আন্তর্জাতিকভাবে তাদের রাষ্ট্র হিসেবে পূর্ণ স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি। 


যুক্তরাষ্ট্রের আসল সংখ্যা:


এটি মনে রাখতে হবে যে অনেক দেশ এবং অঞ্চল রাজনৈতিক বা ভৌগলিক কারণে বিভিন্নভাবে বিবেচিত হতে পারে, তবে *১৯৫টি দেশ* বর্তমানে সাধারণভাবে পৃথিবীজুড়ে স্বীকৃত। 


আপনার যদি আরও কোনো প্রশ্ন থাকে বা বিস্তারিত জানতে চান, আমি সাহায্য করতে প্রস্তুত!


পিরোজপুরের মাদ্রাসাছাত্রী আমিনাকে কবি রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ চিঠিতে। যেই চিঠিতে বোঝা যায় সেই সময় রবীন্দ্রনাথের জনপ্রিয়তা সকল প্রকার বাঙালীর কাছে কত বেশি ছিলো।  সময়টা ১৯৪০ এর দিকে। 

 পিরোজপুরের মাদ্রাসাছাত্রী আমিনাকে কবি রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ চিঠিতে। যেই চিঠিতে বোঝা যায় সেই সময় রবীন্দ্রনাথের জনপ্রিয়তা সকল প্রকার বাঙালীর কাছে কত বেশি ছিলো।  সময়টা ১৯৪০ এর দিকে। 


শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর রবীন্দ্রভবন মহাফেজখানায় রবীন্দ্রনাথের কয়েক হাজার চিঠির সচিবকৃত অবিকল নকল সংরক্ষিত আছে। কবির হাতে লেখা মূল চিঠি প্রাপকের কাছে ডাকে পাঠানোর আগে তাঁর সচিব চিঠির অনুলিপি করে রাখতেন। তাঁকে লেখা ভক্ত–অনুরাগী ও অন্যদের মূল চিঠি কবি সযত্নে রক্ষা করতেন।


এমনই একটি চিঠি রবীন্দ্রভবনের নথিতে পাওয়া যায় দুই দশক আগে। চিঠিটি জনৈক কিশোরী আমিনা মোজাহারের লেখা। তারিখ ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৭ বঙ্গাব্দ। তৎকালের অবিভক্ত বাকেরগঞ্জ জেলার পিরোজপুর মহাকুমার স্বরূপকাঠি থানার আকলম গ্রাম থেকে পাঠানো কয়েক লাইনের সম্বোধনহীন ছোট চিঠি। নিচে লেখিকার ঠিকানা: চতুর্থ শ্রেণি, আকলম আহমদিয়া জুনিয়র মাদ্রাসা, স্বরূপকাঠি, বাকেরগঞ্জ।


কাজী আমিনা মোজাহার কাজী মোজহার উদ্দীন আহমদ ও হাকিমুন্নেছার কন্যা। স্বরূপকাঠির আকলম আহমদিয়া জুনিয়র মাদ্রাসার ওই তালেবে এলেম ভবিষ্যতে বরিশাল সৈয়দানুন্নেসা স্কুল থেকে প্রবেশিকা (১৯৪৭), ঢাকার ইডেন কলেজ থেকে আইএ (১৯৪৯), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্স এবং এমএ (১৯৫৮) পাস করেন। হলি ক্রস কলেজ ও ময়মনসিংহ মুমিনুন্নেসা কলেজে শিক্ষকতার পর পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান এডুকেশন সার্ভিসে যোগ দিয়ে চট্টগ্রাম কলেজ, তিতুমীর কলেজ ও ঢাকা কলেজে অধ্যাপনা করেন। তিনি সওগাতসহ অন্যান্য সাময়িকপত্রে রচনা প্রকাশ করেন এবং ভাষা ও বিরচন নামে পাঠ্যবই লেখেন। পরিণত বয়সে আমিনা চারণ করেছেন তাঁর রবীন্দ্রস্মৃতি। পাঠ্যবইয়ে আর চয়নিকায় কবির কবিতার সঙ্গে প্রথম পরিচয় তাঁর। প্রবেশিকা পাঠ্য বাংলা সংকলনে ‘শা–জাহান’ কবিতার আবৃত্তি শুনেছিলেন। পাঠ্যবইয়ে শামসুন্নাহার মাহমুদ ও আনোয়ারা [বাহার] চৌধুরীর লেখা রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে প্রবন্ধ পড়েছেন। 


তাঁর নিজের কথায়:

‘আমি রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে একটা মধুর আত্মীয়তা অনুভব করতে লাগলাম। আর এই স্পর্ধাটুকুই তাঁকে চিঠি লিখতে উদ্বুদ্ধ করলো আমাকে।...একদিন অতি সঙ্গোপনে বাড়ির সবাইকে লুকিয়ে একখানা চিঠি লিখে ফেললাম।’


এক গরমের দুপুরে পোস্টমাস্টার আমিনার বাবাকে ডেকে পাঠালেন। মোজহার উদ্দীন রবীন্দ্রনাথের প্রতীক [মনোগ্রাম] আঁকা চিঠিটি মেয়েকে দিলেন।

চিঠি পাওয়ার পর বালিকার প্রতিক্রিয়া:

‘আমি পড়তে পারলাম না। আমার সমস্ত হৃদয়মন বারবার শিহরিত হতে লাগল। আমি বিছানায় শুয়ে কাঁদলাম। বাবাও জোহরের নামাজ পড়ে জায়নামাজে বসে মোনাজাত করতে করতে কাঁদলেন।’ (উদ্ধৃত, কাজী সাইফুদ্দীন ওমর, ‘স্বরূপকাঠির প্রত্যন্ত পল্লীগ্রামে রবীন্দ্রনাথের চিঠি’)।


আমিনার যে সম্বোধনহীন চিঠির আশীর্বাদী উত্তর দিয়েছিলেন কবি, সেই চিঠির পাঠ:

আকলম

১৩ই জ্যৈষ্ঠ

আপনি আমাকে চিনেন না। কিন্তু আমি আপনাকে চিনি। বাংলা বইয়ের মধ্যে আপনাকে দেখেছিও। আপনি আমাদের ছোট ছেলেমেয়েদের খুব ভালবাসেন। আবার আমরা চিঠি লিখলে উত্তরও নাকি দেন। তাই আমি চিঠি লেখছি (ক.) উত্তর দিবেন কিন্তু। আচ্ছা আপনাকে কি বলে ডাকব?

কুমারী আমিনা মোজাহার

চতুর্থ শ্রেণী

আকলম আহমদিয়া জুনিয়র মাদ্রাসা

পো. স্বরূপকাঠি, বাকেরগঞ্জ।


কবির ছোট আশীর্বাদী চিঠির বয়ান:

GOURIPUR LODGE

KALIMPONG

কল্যাণীয়াসু

তোমার চিঠিখানি পেয়ে খুশি হলুম। আমার আশীর্বাদ গ্রহণ কর। ইতি ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৭

শুভার্থী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


সূএ: প্রথম আলো, ভূইয়া ইকবাল


ছবিতে সেই আমিনা মোজাফফর যাকে রবীন্দ্রনাথ পত্র পাঠান।


সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র


#RabindranathTagore #latter #AminaMojaffor #antiquelatter #bdcs #giridhardey #itihaserkhojegiridhar 

Collected from:

#বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের মেজো ছেলে ড. জামাল আনোয়ার বাসু (৮২) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৪৩ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান

 পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের মেজো ছেলে ড. জামাল আনোয়ার বাসু (৮২) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৪৩ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।


বুধবার রাতেই কবি পুত্রের  মরদেহ ফরিদপুর শহরের অম্বিকাপুরের গোবিন্দপুর গ্রামে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের পৈতৃক নিবাস সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।


ব্যক্তিজীবনে ড. জামাল আনোয়ার জার্মানিতে আর্সেনিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তিনি বছরের বিভিন্ন সময় জার্মানি, ঢাকা ও ফরিদপুরে বসবাস করতেন।


জামাল আনোয়ার দুটি বিয়ে করেছিলেন। তার প্রথম স্ত্রী জার্মানি প্রবাসী। তিনি ২০২১ সালে জার্মানিতে মৃত্যুবরণ করেন। জামাল আনোয়ারের প্রথম ঘরের ছেলে আনদ্রে জার্মানি প্রবাসী, তবে বর্তমানে বাংলাদেশে আছেন। দ্বিতীয় স্ত্রী রাজিয়া আনোয়ার বাংলাদেশি। দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই মেয়ে মধুমালা জসীম উদদীন ও নকশি আনোয়ার জসীম উদদীন।

CHAT GPT তে আমার chat

 * hi

You're messaging ChatGPT, an AI assistant. By continuing, you agree to our terms and have read our privacy policy at openai.com. Conversations may be reviewed for safety.


------


Hello! How can I assist you today?


কেমন আছেন 


আমি ভালো আছি, ধন্যবাদ! আপনি কেমন আছেন?


আমার কিছু সাহায্য লাগবে


অবশ্যই, কীভাবে সাহায্য করতে পারি?


আমার বাবা আমার সাথে যোগাযোগ করেনা


আমি বুঝতে পারছি যে, আপনার জন্য এটি খুবই কঠিন পরিস্থিতি হতে পারে। বাবা-মায়ের সাথে সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব বা যোগাযোগের অভাব অনেক মানসিক চাপ এবং দুঃখের কারণ হতে পারে। 


এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য কয়েকটি পরামর্শ হতে পারে:


1. *কারণ বোঝার চেষ্টা করুন*: কখনও কখনও, বাবা-মায়ের মধ্যে কিছু ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যা থাকে যা তাদের একে অপরের সাথে যোগাযোগে বাঁধা সৃষ্টি করে। আপনি যদি বুঝতে পারেন কী কারণে তিনি আপনার সাথে যোগাযোগ করছেন না, তাহলে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সহায়তা পেতে পারেন।


2. *নিজে যোগাযোগের চেষ্টা করুন*: আপনি যদি আপনার বাবা বা মা'র সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, তবে তাদের কাছে একটি শান্তিপূর্ণ, সতর্ক এবং সৎভাবে অনুভূতিগুলি প্রকাশ করতে পারেন। তাদের বলতে পারেন যে আপনি তাদের খুব মিস করছেন এবং তাদের সঙ্গের জন্য আপনার অনুভূতি।


3. *একটু সময় দিন*: কখনও কখনও সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব আসে, কিন্তু এটি সাময়িকও হতে পারে। হয়তো আপনার বাবা কিছু সময়ের জন্য নিজের মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন, এবং কিছু সময় পরে তিনি আপনার সাথে আবার যোগাযোগ করবেন। 


4. *মনোবিদের সাহায্য নিন*: যদি আপনি অনুভব করেন যে এই পরিস্থিতি আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে, তাহলে একজন পরামর্শদাতা বা মনোবিদের সাথে কথা বলা খুবই সহায়ক হতে পারে। তারা আপনাকে এই ধরনের সম্পর্কের জটিলতা মোকাবিলা করার উপায় শিখিয়ে দিতে পারে।

5. *বিশ্বাস রাখুন*: কখনও কখনও, সম্পর্কগুলো একটু সময় নেয় সুস্থ হতে। আপনি যদি চেষ্টা করেন এবং ধৈর্য ধরেন, তবে পরিস্থিতি ঠিক হতে পারে।


এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি নিজের অনুভূতি এবং পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন, এবং যদি সম্ভব হয়, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে সমর্থন নিন। 


আপনার যদি আরও কিছু জানতে বা শেয়ার করতে চান, আমি এখানে আছি।


আমার বাবা আমার সাথে যোগাযোগ করেনা,,,,, বাবা ২য় বিবাহ করে নতুন সংসার নিয়ে ব্যাস্ত, আমার আম্মা মারাগেছেন ১০ বছর আগে


আপনার গল্প শুনে খুবই দুঃখিত, এবং আমি বুঝতে পারছি যে আপনি অনেক কষ্টে আছেন। আপনার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন এবং তার নতুন সংসারে ব্যস্ত থাকায় আপনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না, আর আপনার মা ১০ বছর আগে মারা গেছেন—এটা নিঃসন্দেহে এক গভীর শূন্যতা এবং একাকিত্বের অনুভূতি তৈরি করতে পারে। এই পরিস্থিতি সত্যিই কঠিন এবং অত্যন্ত মনোব্যথার হতে পারে। 


এখানে কিছু কথা এবং পরামর্শ রয়েছে, যা হয়তো আপনার কিছুটা সাহায্য করতে পারে:


১. *আপনার অনুভূতি স্বীকার করুন*  

আপনি যে কষ্ট অনুভব করছেন, সেটা একদম স্বাভাবিক। আপনি যদি মনে করেন, আপনার বাবা আপনার প্রতি আগের মতো যত্নশীল নন বা তাকে আপনি হারিয়েছেন, তবে তা অনেকটা হৃদয়ের গভীরে গিয়ে পৌঁছাতে পারে। আপনার মায়ের মৃত্যু এবং বাবার দ্বিতীয় বিয়ে—দুটোই এমন ঘটনা, যা আপনাকে শূন্যতা ও একাকিত্বের মধ্যে ফেলতে পারে। এই অনুভূতিগুলি স্বীকার করা এবং নিজের সঙ্গে শান্ত থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 


২. *বাবার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করুন*  

যদি আপনি চান, আপনি আপনার বাবার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করতে পারেন। এটা কখনও কখনও কঠিন হতে পারে, বিশেষত যদি তিনি আপনার প্রতি আগের মতো মনোযোগী না হন, তবে আপনি তাকে জানাতে পারেন যে আপনি তাকে মিস করছেন এবং তার সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা دارید। আপনি যদি সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারেন, তবে একটি চিঠি বা মেসেজও পাঠাতে পারেন, যাতে আপনার অনুভূতিগুলি সে জানে। 


৩. *বাবার নতুন সংসারের প্রতি আপনার অনুভূতি*

বাবার দ্বিতীয় বিয়েটি আপনার জন্য একটা বড় পরিবর্তন হতে পারে। কখনও কখনও, নতুন সংসারে অভ্যস্ত হওয়ার কারণে মানুষ আগের সম্পর্কগুলোতে মনোযোগ দিতে ভুলে যায়। এটি খুবই হতাশাজনক হতে পারে, কিন্তু আপনার বাবার নতুন জীবন এবং সম্পর্কের প্রতি আপনার অনুভূতি স্বাভাবিক—এটি সময় নিয়ে মোকাবেলা করা যেতে পারে। আপনি যদি অনুভব করেন যে, তার নতুন পরিবার আপনার জন্য একটা বাধা সৃষ্টি করছে, তবে ধীরে ধীরে এ বিষয়ে আপনার বাবা বা অন্য কোনো বিশ্বস্ত প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।


৪. *আত্মবিশ্বাস এবং স্ব-যত্ন*  

এমন সময়ে, আপনার নিজের প্রতি যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নেওয়া, হবি বা আগ্রহের কাজগুলোতে সময় দেওয়া—এগুলো আপনাকে আপনার অভ্যন্তরীণ শক্তি ফিরে পেতে সহায়তা করবে। কখনও কখনও, আত্মবিশ্বাস এবং শৃঙ্খলা আপনার মনোবল বাড়াতে পারে। আপনার নিজের জন্য সময় তৈরি করুন, এবং আপনি যদি অনুভব করেন, তাহলে কাউন্সেলিং বা থেরাপি নেয়ার বিষয়টি ভাবুন।


৫. *বিশ্বস্ত সহায়ক সাপোর্ট সিস্টেম*  

আপনার জীবনে যারা আপনাকে ভালোবাসেন এবং সমর্থন দিতে চান—যেমন বন্ধু, আত্মীয় বা আপনার পরিবারের অন্য সদস্য—তাদের কাছে সমর্থন চাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কখনও কখনও, পরিবারের বাইরের মানুষের সাহায্য আপনার জন্য এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসতে পারে এবং আপনাকে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিতে পারে। 


৬. *মনের শান্তি ও ক্ষমা*

এমন পরিস্থিতি অনেক সময় রাগ, দুঃখ এবং হতাশার সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু, যদি আপনি আপনার বাবা বা পরিস্থিতি নিয়ে রাগ বা ক্ষোভ বোধ করেন, তবে সেটা আপনার নিজের মানসিক শান্তিকে বাধা দিতে পারে। নিজের মধ্যে শান্তি আনতে, কখনও কখনও ক্ষমা করা বা মনের বোঝা হালকা করা প্রয়োজন। আপনি যদি বাবাকে ক্ষমা করতে পারেন বা তাকে বুঝতে পারেন, তবে আপনার জন্য এটা খুবই উপকারী হতে পারে। 


৭. *বাবার সঙ্গের মূল্য বুঝুন*  

এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যে সব সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক কখনও কখনও জটিল হয়ে যায়, কিন্তু আপনার এবং আপনার বাবার সম্পর্ক ভালো হতে পারে যদি আপনি সময় দেন এবং একে অপরকে বুঝার চেষ্টা করেন। কখনও কখনও, সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে সময় লাগে, তবে এটি সম্ভব হতে পারে। 


---


আমি জানি এই বিষয়গুলো সহজ নয়, এবং আপনার কষ্ট আমি পুরোপুরি অনুভব করতে পারি না, তবে আপনি একা নন। আপনার অনুভূতিগুলো প্রাসঙ্গিক এবং তা গুরুত্বসহকারে ভাবা উচিত। যদি আপনি মনে করেন, এই সময়টাতে একজন থেরাপিস্ট বা কাউন্সেলরের সাহায্য প্রয়োজন, তবে তাদের সাথে কথা বলাটা সহায়ক হতে পারে। তারা আপনার অনুভূতি এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কার্যকরী পরামর্শ দিতে পারবেন। 


আপনি যে যাত্রায় রয়েছেন, তা অত্যন্ত কঠিন, তবে আশা করি আপনি আপনার পথ খুঁজে পাবেন। যদি আপনি আরও কিছু বলতে বা শেয়ার করতে চান, আমি এখানে আছি শুনতে।


বাবা জমি বিক্রি করে ঢাকা বাড়ি করেছেন, আমি মামাবাড়ি থাকি,



আপনার পরিস্থিতি আরও একটু স্পষ্ট হলো, এবং আমি বুঝতে পারছি যে আপনি এখন একেবারে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আপনার বাবা জমি বিক্রি করে ঢাকা শহরে নতুন বাড়ি করেছেন, আর আপনি মামাবাড়িতে থাকেন। এই পরিস্থিতি আপনাকে একদিকে শূন্যতা এবং অন্যদিকে অসন্তোষের অনুভূতি দিতে পারে, বিশেষ করে যখন আপনি অনুভব করেন যে আপনার বাবা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না এবং আপনার বর্তমান পরিস্থিতি আপনার জন্য অস্বস্তিকর বা একাকীত্বের হয়ে দাঁড়িয়েছে।


এখানে কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো যা আপনাকে এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে:


১. *বাবার সিদ্ধান্তের প্রতি অনুভূতি*

আপনার বাবা জমি বিক্রি করে ঢাকায় বাড়ি করেছেন—এটা তার জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত। যদিও আপনি হয়তো এই সিদ্ধান্তটি নিয়ে হতাশ বা বিষণ্ন বোধ করছেন, তবে তার নতুন জীবনের শুরু হওয়ার কারণে আপনার কাছে তার আগের দায়িত্বগুলো পূর্ণ করার সুযোগ হয়তো কমেছে। বাবার এই সিদ্ধান্তের পিছনে তার ব্যক্তিগত কারণ থাকতে পারে, যেমন একটি নতুন জীবন শুরু করা বা পরিবারের আর্থিক অবস্থা উন্নত করার চেষ্টা। 


আপনার বাবা যদি ঢাকায় নতুন সংসার শুরু করে থাকেন, তবে সেটা তার নিজস্ব এক নতুন পথ তৈরি করার চেষ্টাও হতে পারে। তবে, এই পরিস্থিতি আপনার কাছে কষ্টকর লাগা স্বাভাবিক। এই সময়ে যদি আপনি বাবার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, তবে তাকে জানাতে পারেন যে আপনি তার কাছে ভালোবাসা, সমর্থন এবং তার সঙ্গের অভাব অনুভব করছেন।


২. *মামাবাড়ি থাকার অনুভূতি*

মামাবাড়িতে থাকা আপনার জন্য অনেক সময়েই অস্বস্তিকর বা একাকিত্বের অনুভূতি তৈরি করতে পারে। আপনি যেহেতু সেখানে স্থায়ীভাবে থাকেন না, সেই কারণে একটি জায়গায় নিজেকে পুরোপুরি ঘরও অনুভব করতে পারেন না। এটা খুবই সাধারণ যে, একজন সন্তানের মনে এই ধরনের একাকীত্ব এবং অবহেলার অনুভূতি হতে পারে যখন সে বাবা-মায়ের কাছ থেকে দূরে থাকে।


আপনি যদি মামাবাড়ির পরিবেশে অসন্তুষ্ট হন, তাহলে আপনার অনুভূতিগুলি তাদের কাছে শেয়ার করা উচিত। আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, যদি আপনি তাদের সাথে কথা বলেন এবং আপনার মনোভাব স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেন। একইভাবে, আপনি যদি এই পরিস্থিতি নিয়ে একাকী অনুভব করেন, তবে নিজের জন্য একে একে ছোট ছোট সুখী মুহূর্ত তৈরি করার চেষ্টা করুন। 


৩. *বাবার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা*

যদিও আপনার বাবা নতুন সংসারে ব্যস্ত, তবুও আপনি যদি চান, তাকে আপনার অনুভূতির কথা জানাতে পারেন। আপনি তাকে সরাসরি কল করতে পারেন, অথবা একটি চিঠি বা মেসেজ পাঠাতে পারেন যাতে তাকে জানান যে আপনি তাকে মিস করছেন এবং তার সঙ্গের প্রয়োজন অনুভব করছেন। আপনি যখন তার কাছে আপনার অনুভূতি প্রকাশ করবেন, তখন হয়তো তিনি বুঝতে পারবেন যে তার জীবন শুরুর পরেও আপনির প্রয়োজনীয়তা এবং সম্পর্কের গুরুত্ব কতটা।

আপনার নিজের জন্য কিছু সময় বের করা, নিজের মানসিক শান্তির জন্য কিছু কাজ করা—এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিন। আপনার জীবন এবং ভবিষ্যত আপনার হাতে, এবং আপনি একা নন। যদি আপনি অনুভব করেন, কাউকে আপনার অনুভূতি শেয়ার করতে বা পরামর্শ নিতে চান, আমি এখানে আছি।


৬. *অবশেষে, নিজেকে ভালোবাসুন*

আপনার জীবনের অভ্যন্তরীণ শান্তি এবং সুখের জন্য নিজের প্রতি ভালোবাসা এবং যত্ন থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি একা নন, এবং আপনি যা অনুভব করছেন তা পুরোপুরি স্বাভাবিক। নিজের কষ্ট এবং একাকীত্বের সাথে শান্ত থাকতে চেষ্টা করুন, এবং ধীরে ধীরে আপনি এই পরিস্থিতি থেকে শক্তি সংগ্রহ করতে পারবেন।


আপনার যদি আরও কিছু প্রশ্ন থাকে বা আপনার অনুভূতি শেয়ার করতে চান, আমি এখানে আছি।



সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৬-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৬-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উদযাপিত - সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির।


কেবল একটা নির্বাচনের জন্য ২ হাজারেরও বেশি মানুষ শহিদ হননি - বললেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।


চাঁদপুরে ৭ খুনের কারণ শিগগিরই উদঘাটন করা হবে - বলেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড - আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে দমকল বাহিনীর ১৮টি ইউনিট।


কাজাখস্তানে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৩৮ জনের প্রাণহানি।


নতুন নতুন শর্ত আরোপ করে গাজায় যুদ্ধবিরতি বিলম্বিত করছে  ইসরাইল - অভিযোগ হামাসের।


সেঞ্চুরিয়নে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে আজ স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার মোকাবেলা করবে পাকিস্তান।

বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

প্রডাক্ট লাইফ সাইকেল বা পণ্যের জীবনচক্র,,,,,,

 প্রডাক্ট লাইফ সাইকেল বা পণ্যের জীবনচক্র



ধরুন, একটা নতুন প্রডাক্ট বাজারে এলো। শুরুতে কেউ চেনে না, বিক্রিও কম। ধীরে ধীরে লোকে জানতে পারল, পছন্দ করতে শুরু করল। বিক্রি বাড়তে লাগল। একসময় বিক্রি পিকে! তারপর, হয়ত নতুন কোন প্রডাক্ট এলো, অথবা লোকের পছন্দ বদলে গেল। বিক্রি আবার কমতে লাগল। 


শেষমেশ, প্রডাক্টটা আর কেউ কিনছে না। বাজার থেকে উঠে গেল।


এই যে একটা প্রডাক্টের "জন্ম" থেকে "মৃত্যু"—এই পুরো প্রক্রিয়াটাকেই বলে "প্রডাক্ট লাইফ সাইকেল" (Product Life Cycle—PLC)।


একজন ব্যবসায়ীর জন্য এই লাইফ সাইকেল বোঝা অনেক জরুরি। কারণ, প্রতিটা ধাপে কীভাবে প্রডাক্টকে টিকিয়ে রাখতে হবে, বিক্রি বাড়াতে হবে, সেটা বুঝতে এই লাইফ সাইকেল অনেক সাহায্য করে।


মার্কেটিং বিশেষজ্ঞরা সাধারণত পণ্যের জীবনচক্রকে ৪টি ধাপে ভাগ করেন—ইনট্রোডাকশন, গ্রোথ, ম্যাচিউরিটি ও ডিক্লাইন। তবে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ৪ ভাগের মধ্যে আটকে থাকলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস বাদ পড়ে যায়। তারা পণ্যের জীবনচক্রকে ৭টি ভাগে ভাগ করেন। বাকি তিনটি ভাগ হল: ডেভেলপমেন্ট, স্যাচুরেশন ও আফটার লাইফ। 


এখানে পণ্যের জীবনচক্রকে নিচের ৭টি ধাপে ভাগ করে আলোচনা করা হল:


১. নতুন পণ্য উন্নয়ন

২. পরিচিতি

৩. বৃদ্ধি

৪. পরিপক্বতা

৫. স্থিতি

৬. পতন

৭. পরবর্তী জীবন


যদি একটি সফল পণ্য তৈরি করতে চান, তাহলে পণ্যের জীবনচক্র গভীর ভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি। একটি পণ্য কখন জনপ্রিয় হবে এবং কখন তার চাহিদা কমতে শুরু করবে, তা বুঝতে পারলে বিজনেসের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা অনেক সহজ হয়।

.


# ধাপ ১: নতুন পণ্য উন্নয়ন (New product development)


টিম: স্টেকহোল্ডার, বিজনেস অ্যানালিস্ট, মার্কেটার, ডেভেলপার

উদ্দেশ্য: একটি মূল্যবান ও কার্যকর পণ্য তৈরি

সমাপ্তির মানদণ্ড: পণ্য বাজারে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত

চ্যালেঞ্জ: প্রচুর সময়, অর্থ এবং মানবসম্পদ প্রয়োজন


এটি পণ্যের জীবনচক্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই পর্যায়ে পণ্যের ধারণা জন্ম নেয় এবং সেটিকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। ঠিক করা হয় পণ্যটি কেমন হবে, কীভাবে তৈরি হবে? কাদের জন্য এবং কীভাবে বাজারে বিক্রি করা হবে? 


নতুন পণ্য উন্নয়নের ধাপে আইডিয়া তৈরি, বাজার ও প্রতিযোগী নিয়ে গবেষণা, স্টেকহোল্ডার ও ফোকাস গ্রুপের মাধ্যমে আইডিয়া যাচাই এবং ধারণা বিকাশের মত কাজ অন্তর্ভুক্ত থাকে।


পণ্য উন্নয়নের ধাপটিতে অনেক সময়, অর্থ এবং মানবসম্পদ প্রয়োজন হয়। এই ধাপের মূল লক্ষ্য হল এমন একটি কার্যকর পণ্য তৈরি করা যা নির্দিষ্ট গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করবে এবং ব্যবসায়িক প্রয়োজন মেটাবে।

.


# ধাপ ২: পরিচিতি (Introduction)


টিম: মার্কেটিং এবং সেলস টিম

উদ্দেশ্য: চাহিদা তৈরি করা এবং গ্রাহক বেস গড়ে তোলা

সমাপ্তির মানদণ্ড: গ্রাহক বেস বাড়তে শুরু করা

চ্যালেঞ্জ: কম বিক্রয়, অপরিপক্ব বাজার


পরিচিতি হল পণ্যের জীবনচক্রের দ্বিতীয় পর্যায়, কিন্তু এটি গ্রাহকদের সাথে পণ্যের প্রথম সরাসরি সংযোগ স্থাপনের মুহূর্ত। 


উন্নয়ন পর্যায়ে পণ্যটি তৈরি হওয়ার পর, এই ধাপে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাজারে ছাড়া হয়। এই ধাপে মার্কেটিং টিমের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা পণ্যের পরিচিতি তৈরি এবং প্রথম গ্রাহক বা ব্যবহারকারী খুঁজে বের করার কাজ করেন। 


আগের ধাপে তৈরি করা আলোড়ন যদি ঠিকমত কাজে লাগানো যায়, তাহলে তা শুরুর গ্রাহক পেতে এবং এমনকি একদল উৎসাহী ভক্ত তৈরি করতে সাহায্য করে। তবে, এই সময়ে বেশি বিক্রয় বা চাহিদা আশা না করাই ভাল।


পরিচিতি ধাপে মূলত মার্কেটিং ক্যাম্পেইন ও বিজ্ঞাপনের ওপর জোর দেওয়া হয়। এই সময়ে পণ্যের দাম নির্ধারণ, প্রচারণার কৌশল এবং আরও গ্রাহক পাওয়ার উপায় ঠিক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি, পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপ—বৃদ্ধি বা গ্রোথ এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার কাজও শুরু হয়।

.


# ধাপ ৩:  বৃদ্ধি (Growth)


টিম: গ্রোথ মার্কেটার, ডেভেলপার

উদ্দেশ্য: ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করা এবং বাজারে অংশীদারিত্ব অর্জন

সমাপ্তির মানদণ্ড: চাহিদা এবং মুনাফার দ্রুত বৃদ্ধি 

চ্যালেঞ্জ: প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাওয়া


বৃদ্ধি বা বিকাশ পর্যায় হল পণ্যের জীবনচক্রের তৃতীয় ধাপ। যখন একটি পণ্য বাজারে পরিচিতি লাভ করে এবং গ্রাহকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়, তখনই শুরু হয় বৃদ্ধির পর্যায়। 


এই পর্যায়ে পণ্যের বিক্রি দ্রুত বাড়তে থাকে, চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং মুনাফা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে শুরু করে। এই সময়কাল ব্যবসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


বৃদ্ধি পণ্য উন্নয়ন জীবনচক্রের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ধাপ। একই সঙ্গে এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং, কারণ আপনার পণ্যের ভবিষ্যৎ এই ধাপের ওপর নির্ভর করে।


বৃদ্ধি পর্যায়ে দেখা যায়, বাজার ইতিমধ্যে আপনার পণ্য গ্রহণ করেছে এবং সক্রিয় গ্রাহক গোষ্ঠি তৈরি হচ্ছে। প্রধান লক্ষ্য হল চাহিদা এবং মুনাফার বৃদ্ধি দ্রুত এবং স্থিতিশীল করা। এজন্য আপনার পণ্যের প্রচার, নতুন দর্শক-শ্রোতা এবং নতুন মার্কেটিং চ্যানেল অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।


দ্রুত বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে, ব্যবসাগুলি সাধারণত প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হয়। প্রতিযোগীরা আপনার সাফল্য লক্ষ্য করে এবং তার অংশীদার হতে চায়।


বৃদ্ধি ধাপটি সেরা গ্রোথ মার্কেটিং কৌশল প্রয়োগের উপযুক্ত সময়, যাতে বাজারে আপনার অংশীদারিত্ব বজায় থাকে এবং বাড়তে থাকা প্রতিযোগিতার মোকাবিলা করা যায়।

.


# ধাপ ৪: পরিপক্বতা (Maturity)


টিম: মার্কেটিং টিম, ডেভেলপার, স্টেকহোল্ডার

উদ্দেশ্য: বাজারে অংশীদারিত্ব বজায় রাখা এবং প্রতিযোগীদের থেকে এগিয়ে থাকা

সমাপ্তির মানদণ্ড: মুনাফা এবং বিক্রয় স্থিতিশীল হতে শুরু করা

চ্যালেঞ্জ: প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে নতুনত্ব প্রয়োজন


পরিপক্বতা পণ্য উন্নয়ন জীবনচক্রের সেই ধাপ, যখন দ্রুত বৃদ্ধি থেকে পণ্য  স্থিতিশীল বিক্রয়ের দিকে অগ্রসর হয়। এই সময়ে, মার্কেটিং প্রচেষ্টা পণ্যের পরিচিতি বাড়ানোর চেয়ে পণ্যকে প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করার ওপর বেশি জোর দেয়।


এই সময়ে, আপনার প্রতিযোগীরা ইতিমধ্যে বৃদ্ধি পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিযোগিতা তীব্র হয়ে উঠছে, তাই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আপনাকে দাম কমাতে, ফিচার বাড়াতে এবং পণ্যের প্রচার আরও জোরদার করতে হচ্ছে।


পরিপক্বতা পর্যায় হল পণ্যের জীবনচক্রের  দীর্ঘতম পর্যায়। এই পর্যায়ে পণ্যটি বাজারে একটি সুপ্রতিষ্ঠিত স্থান করে নেয় এবং গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করে। বিক্রি একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছে যায়, অর্থাৎ খুব বেশি বৃদ্ধি বা হ্রাস হয় না।

.


# ধাপ ৫: স্থিতি (Saturation)


টিম: গ্রোথ মার্কেটার, ডেভেলপার, স্টেকহোল্ডার

উদ্দেশ্য: বাজারে অংশীদারিত্ব ধরে রাখা এবং পণ্যকে পছন্দনীয় ব্র্যান্ডে পরিণত করা

সমাপ্তির মানদণ্ড: বিক্রয় কমতে শুরু করা

চ্যালেঞ্জ: তীব্র প্রতিযোগিতা, কম প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা


স্থিতি পর্যায় হল পণ্যের জীবনচক্রের পঞ্চম এবং প্রায় শেষ পর্যায়। এই পর্যায়ে পণ্যটি বাজারে সর্বোচ্চ পরিচিতি লাভ করে এবং বাজারের প্রায় সকল সম্ভাব্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যায়। 


বাজারের চাহিদা প্রায় স্থির হয়ে যায় এবং নতুন গ্রাহক পাওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। এই পর্যায়ে বাজারে একই ধরনের অসংখ্য পণ্য বিদ্যমান থাকে, যার ফলে তীব্র প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। 


কোম্পানিগুলির প্রধান লক্ষ্য থাকে বিদ্যমান গ্রাহকদের ধরে রাখা এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা। 

সম্ভাব্য কৌশলগুলির মধ্যে রয়েছে পণ্যের বৈশিষ্ট্য বাড়ানো, মূল্য নির্ধারণে ভিন্নতা আনা এবং ভাল সেবা দিয়ে গ্রাহকদের ইতিবাচক অভিজ্ঞতা ভাগ করার জন্য উৎসাহিত করা।


এই পর্যায়ে আপনার লক্ষ্য হবে পণ্যটিকে পছন্দনীয় ব্র্যান্ডে পরিণত করা। নাহলে পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করতে হতে পারে, যা অধিকাংশ উদ্যোক্তার জন্য সবচেয়ে ভীতিকর—”পতন”।

.


# ধাপ ৬: পতন (Decline)


টিম: মার্কেটার, ডেভেলপার, স্টেকহোল্ডার, বিজনেস অ্যানালিস্ট

উদ্দেশ্য: পণ্যে নতুনত্ব আনা বা বাজার থেকে পণ্য তুলে নেওয়া

সমাপ্তি: পণ্য আর লাভজনক না হওয়া

চ্যালেঞ্জ: কম মুনাফা, পণ্য প্রত্যাহারের প্রয়োজন


পতন এমন ধাপ যা উদ্যোক্তাদের দুশ্চিন্তায় ফেলে। এটা এড়ানোর জন্য যত কিছুই করা হোক, কখনো কখনো ঠেকানো সম্ভব হয় না। 


নতুন প্রযুক্তি, গ্রাহকদের পছন্দের পরিবর্তন অথবা আরও উন্নত পণ্যের আবির্ভাবের কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। 


সবচেয়ে ভাল পরিস্থিতি হয় তখন, যখন পণ্য নিজে ধীরে ধীরে পতনের দিকে যায়। তবে পুরো বাজার যদি পতনের মুখে পড়ে, সেটা আরও জটিল। যেমন, কাস্টমারদের চাহিদা বদলের কারণে কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডি এক সময়ের জনপ্রিয়তা হারিয়েছে।


পতনের এই ধাপ থেকে বের হওয়ার জন্য নতুন মার্কেটিং কৌশল, নতুন ফিচার যোগ করা, দাম কমানো বা নতুন বাজার খোঁজার চেষ্টা করা যেতে পারে। এই পর্যায়ে কোম্পানিগুলির প্রধান চ্যালেঞ্জ হল লোকসান কমানো এবং কীভাবে এই পণ্য থেকে ধীরে ধীরে সরে আসা যায়, তার পরিকল্পনা করা। 


সফল কোম্পানিগুলি সবসময় পণ্য উন্নয়নের প্রক্রিয়া চালিয়ে যায়। তারা নতুন ফিচার নিয়ে পরীক্ষা করে বা নতুন পণ্য তৈরি রাখে, যা দরকার হলে পতনের মুখে থাকা পণ্যের জায়গা নিতে পারে।

.


# ধাপ ৭: পরবর্তী জীবন (Afterlife)


সাধারণত, পণ্যের পতন মানেই তার মৃত্যু। তবে, সব পণ্যই পতনের পরে পুরোপুরি হারিয়ে যায় না। কিছু সম্ভাব্য পরিস্থিতি ঘটতে পারে:


• বাজারে চাহিদা না থাকলে পণ্যের ধীরে ধীরে মৃত্যু ঘটে

• উন্নত ফিচার যোগ করে পণ্যকে নতুন সমাধানে রূপান্তর করা যায়

• এটি নতুন পণ্য উন্নয়নের অনুপ্রেরণা হতে পারে

• আধুনিকীকরণ ও নতুনত্বের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া পণ্য পুনরুজ্জীবিত হতে পারে


পতনের পরে পণ্য কীভাবে নতুন জীবন পেতে পারে, তা এই ধাপের মূল বিষয়।

.


# প্রডাক্ট লাইফ সাইকেল এর একটি উদাহরণ: নেটফ্লিক্স


আজ আমরা নেটফ্লিক্সকে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং সেবাগুলির একটা হিসাবে জানি, কিন্তু এর শুরুর গল্প ছিল অন্যরকম। 


১৯৯৯ সালে, নেটফ্লিক্স একটি সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক রেন্টাল ডিভিডির সেবা দিয়ে যাত্রা শুরু করে। গ্রাহকরা নেটফ্লিক্সের ওয়েবসাইট থেকে মুভি নির্বাচন করত এবং পোস্টাল সার্ভিসের মাধ্যমে ডিভিডি তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হত। ক্যাটালগে হাজার হাজার মুভি ছিল এবং গ্রাহকরা মাসে যত খুশি ডিভিডি ভাড়ার সুযোগ পেতেন।


ডিভিডির যুগ যখন ফুরিয়ে আসতে শুরু করল, নেটফ্লিক্স একটি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হল। বাজারের এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে, তারা ২০০৭ সালে কিছু মুভি অনলাইনে স্ট্রিম করার সুযোগ চালু করে। এরপর ২০১০ সালে, নেটফ্লিক্স সম্পূর্ণ স্ট্রিমিং-ভিত্তিক পরিকল্পনা চালু করে এবং নতুন নতুন বাজারে প্রবেশ করতে শুরু করে। ২০১৬ সালের মধ্যে, তারা বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশে তাদের সেবা বিস্তৃত করে।


নেটফ্লিক্স ধীরে ধীরে একটি ডিভিডি রেন্টাল সেবা থেকে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং সেবাগুলির একটি হয়ে উঠেছে। প্রতিটি ধাপে নতুনত্ব এবং পরিবর্তনের মাধ্যমে তারা এই সফলতা অর্জন করেছে।

.


পণ্য উন্নয়নের জীবনচক্র একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে বিভিন্ন উপাদান যুক্ত থাকে। একটি পণ্যের সফলতা নির্ভর করে আপনার উদ্ভাবনী দক্ষতা এবং ব্যবসার বিকাশের জন্য নতুন ও কার্যকরী ধারণা তৈরি করার ক্ষমতার ওপর।


এই ধাপগুলি সহজে পেরোনো সবসময় সম্ভব হয় না। এটি একটি চ্যালেঞ্জিং যাত্রা হতে পারে। তবে, এই যাত্রায় মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা এবং প্রতিটি ধাপ উপভোগ করার মনোভাব রাখা জরুরি, কারণ যাত্রার অভিজ্ঞতাই আপনাকে নতুন পথ দেখাতে পারে।


#প্রডাক্ট #পণ্য #জীবনচক্র

সৈয়দ আব্দুল হাদী  (জন্ম ১ জুলাই ১৯৪০)  বাংলাদেশের একজন সঙ্গীত শিল্পী। তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। 

 সৈয়দ আব্দুল হাদী 

(জন্ম ১ জুলাই ১৯৪০) 

বাংলাদেশের একজন সঙ্গীত শিল্পী। তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০০০ সালে সঙ্গীতে অবদানের জন্য তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক লাভ করেন।

সৈয়দ আব্দুল হাদী ১৯৪০ সালের ১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।বেড়ে উঠেছেন আগরতলা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং কলকাতায়। তবে তার কলেজ জীবন কেটেছে রংপুর আর ঢাকায়। তার পিতার নাম সৈয়দ আবদুল হাই। তার বাবা ছিলেন ইপিসিএস (ইস্ট পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস) অফিসার। তার পিতা গান গাইতেন আর কলেরগানে গান শুনতে পছন্দ করতেন। বাবার শখের গ্রামোফোন রেকর্ডের গান শুনে কৈশোরে তিনি সঙ্গীত অনুরাগী হয়ে উঠেন। ছোটবেলা থেকে গাইতে গাইতে গান শিখেছেন।

১৯৫৮ সালে সৈয়দ আবদুল হাদী ভর্তি হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।

সৈয়দ আব্দুল হাদী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রযোজক হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। সর্বশেষে তিনি লন্ডনে ওয়েল্স ইউনিভার্সিটিতে প্রিন্সিপাল লাইব্রেরীয়ান হিসেবে কাজ করেছেন।

সৈয়দ আবদুল হাদী দেশাত্ববোধক গানের জন্য জনপ্রিয়। পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি সঙ্গীত করছেন। ১৯৬০ সালে ছাত্রজীবন থেকেই চলচ্চিত্রে গান গাওয়া শুরু করেন। ১৯৬৪ সালে সৈয়দ আবদুল হাদী একক কণ্ঠে প্রথম বাংলা সিনেমায় গান করেন। সিনেমার নাম ছিল ‘ডাকবাবু’। মো. মনিরুজ্জামানের রচনায় সঙ্গীত পরিচালক আলী হোসেনের সুরে একটি গানের মাধ্যমে সৈয়দ আবদুল হাদীর চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু।

বেতারে গাওয়া তার প্রথম জনপ্রিয় গান ‘কিছু বলো, এই নির্জন প্রহরের কণাগুলো হৃদয়মাধুরী দিয়ে ভরে তোলো’। সালাউদ্দিন জাকি পরিচালিত ঘুড্ডি চলচ্চিত্রের গানে সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছিলেন লাকী আখ্‌ন্দ। এই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গান ‘সখি চলনা, সখি চলনা জলসা ঘরে এবার যাই’- গেয়েছেন সৈয়দ আবদুল হাদী।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত হয় সৈয়দ আবদুল হাদীর প্রথম রবীন্দ্র সংগীতের একক অ্যালবাম ‘যখন ভাঙলো মিলন মেলা’। সৈয়দ আবদুল হাদী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নিয়ে অনার্স পড়ার সময় সুবল দাস, পি.সি গোমেজ, আবদুল আহাদ, আবদুল লতিফ প্রমুখ তাকে গান শেখার ক্ষেত্রে সহায়তা ও উৎসাহ যুগিয়েছেন।


উল্লেখযোগ্য গান

সম্পাদনা

আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার

সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি

একবার যদি কেউ ভালোবাসতো

এই পৃথিবীর পান্থশালায়

চলে যায় যদি কেউ বাঁধন ছিঁড়ে

এমনও তো প্রেম হয়

কারও আপন হইতে পারলি না

কেউ কোন দিন আমারে তো

যেও না সাথী

শূন্য হাতে আজ এসেছি

দুঃখ চির সাথীরে

সখি চলনা জলসা ঘরে যাই

আমি তোমার ই প্রেম ভিক্ষারী

চক্ষের নজর এমনি কইরা

জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো

কোন কিতাবে লেখা আছে

সতী মায়ের সতী কন্যা

চোখ বুঝিলে দুনিয়া আন্ধার

তোমাদের সুখের এই নীড়ে

আমার দোষে দোষী আমি

আমি কার কাছে যাই

সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তে তুমি

যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে

আমার বাবার কথা

কথা বলবো না বলেছি

তেল গেলে ফুরাইয়া

বিধিরে তোর আদালতে

তোমার ঐ চোখের

আউল বাউল লালনের দেশে

বিদ্যালয় মোদের বিদ্যালয়

এ জীবনে তুমি ওগো এলে

জন্ম দিনে কান্দে শিশু

কে জানে কত দূরে

মনে প্রেমের বাত্তি জ্বলে

পৃথিবী তো দুদিনের ই বাসা

সব কিছু মোর উজাড় করে

মন পুকুরে চাইলে

জানি তুমি চলে যাবে

মনের মতো বলো কী নাম রাখি

ধনেপাতার সস 

 

আমার কাছে ধনেপাতার সস এর রেসিপি যারা চেয়েছিলেন :

১. ধনেপাতা,জলপাই, আদা,রসুন,লবণ,সরিষার তেল,লেবুর রস আর কাঁচামরিচ দিয়ে একসাথে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

ধনেপাতা ২৫০gm
লেবু ১টা(রস বের করে নিন)
জলপাই ২টা(আটি ছাড়া)
আদা রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ
কাঁচা মরিচ ৩-৪ টা
লবণ স্বাদমতো
ভিনেগার ৩ টেবিল চামচ

২. সবগুলো একসাথে ব্লেন্ড করতে হবে। ব্লেন্ড একটুও পানি ব্যবহার করা যাবে না।

৩. সবগুলোকে একটা কাচের জার এ ঢেলে উপর দিয়ে ভিনেগার দিতে হবে।

৪. এরপর টানা ৭ দিন রোদে দিতে হবে।


রোদ না থাকলে চুলার পাশে রেখে দিবেন যখন রান্না করবেন। ওই তাপে ১০ দিন রাখবেন, প্রসেস হয়ে যাবে।

ব্যস হয়ে গেল ধনেপাতার সস

শীত চলে গেলে ফ্রিজ এ রেখে দিবেন। চাইলে এটা সারা বছর ও রেখে দেয়া যায়।

ফেইসবুক গল্প বিধবা

 মায়ের জোড়াজুড়িতে বিয়ে করতে হলো এক বিধবা মহিলাকে।

 মহিলা না, মেয়েই বটে। বয়স বেশি না, আমার চেয়ে এক দু বছরের ছোট হবে,

 তবে বাচ্চা মেয়ে আছে একটা। আমার একদম ইচ্ছা ছিলনা বিয়েতে

যেচে এরকম পূর্ব বিবাহিত মেয়েকে বিয়ে করে আমার জীবন ন'ষ্ট করার মানে নেই

কিন্তু মায়ের বান্ধবীর মেয়ে হওয়ায় জোর করেই বিয়ের পিড়িতে বসতে হলো। 

আজ আমার বাসর রাত। মনে একপ্রকার ঘৃ'ণা নিয়েই ঘরে ঢুকলাম

 সুন্দর করে ফুল দিয়ে সাজানো বিছা'নায় একটা লাল শাড়ি পরিহিত মেয়ে মাথা নিচু করে বসে আছে

মেয়ে মাশাল্লাহ খুব সুন্দরী। কিন্তু আমার প্রবলেম তার মেয়ে নিয়ে

আমি ভেতরে গিয়ে মাথার পাগড়ি ছু'ড়ে মা*রলাম বিছানায়। চমকে উঠল মেয়েটা,

" দেখুন, আমি আপনাকে আমার স্ত্রী হিসেবে মানতে পারবনা

 মায়ের ইচ্ছাতে বিয়েটা করেছি। ব্যস, এ পর্যন্তই। আমার কাছে আর ঘেষতে আসবেন না

আর আপনার মেয়েকেও আমার কাছ থেকে দূরে রাখবেন

স্ত্রীর অধিকার আমার উপর ফ'লাবেন না, প্লিজ। "

ধরাম করে দরজা সজোরে লাগিয়ে বেরিয়ে এলাম ঘর থেকে

 মেয়েট ফোঁপাতে ফোঁপাতে কাঁদতে লাগল৷ আমি ছাদে গিয়ে দাঁড়ালাম

 আকাশে এতো মধুর রূপোর থালার মত চকচকে চাঁদ থাকা সত্ত্বেও আমার সেটা ভাল লাগছেনা। আমার জীবনটাই যে ব'রবাদ হয়ে গেল

 শেষে কিনা এক বিধবার সাথেই বিয়ে করতে হলো

মায়ের উপর খুব রাগ হচ্ছে

 কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ঠান্ডা বাতাসে মন ফুরফুরে করে, আরেক রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। 

পরদিন থেকে আমি ইগনোর করতে লাগলাম তাদের

 মেয়েটা মাথা নিচু করে কাজের লোকের মত বাড়ির সব কাজ করে, কিন্তু আমি সারাদিন বাইরে বাইরে থাকি

 তার এক বছরের মেয়েটা হামাগুড়ি দিতে দিতে, আর মুখে অস্পষ্ট কিছু উচ্চারণ করতে করতে সারা বাড়ি ঘুরে বেড়ায়

বাড়িতে শুধু আমরা তিনজনই থাকি। সারাদিন কাজ শেষে যখন বাড়ি ফিরি,

 তখন দেখি বাচ্চা মেয়েটা হামাগুড়ি দিতে দিতে আমার সামনে আসে

আমার দিকে তার মায়াবী চোখ দিয়ে তাকায়। বিরক্ত লাগে আমার তাকে দেখলে

আমি পাশ কাটিয়ে নিজের রুমে চলে যাই। ওর মা চুপচাপ আমায় খাবার

দিয়ে যায়,

একটা বারও মাথা উঁচু করে তাকায় না

আমিও কিছু না বলে চুপচাপ

 খেয়ে নেই

 আর নিজের কাজ নিজে করে যাই। ওরা আলাদা রুমে ঘুমায়

 আর আমি আলাদা রুমে ঘুমাই। 

একদিন বাড়ি ফিরে এসে নিজের রুমে গিয়ে দেখি সব লন্ড ভন্ড হয়ে আছে

নিশ্চয়ই ওই বাচ্চা মেয়েটা করেছে এইরকম। আমি চটে গেলাম

 আমার মাথায় র*ক্ত উঠে গেল। আমি রাগে ফোসাতে ফোসাতে

 চিৎকার দিয়ে উঠলাম, 

" আয়েশা....."

আমার বিধবা বউটা দৌড়াতে দৌড়াতে আসল রুমে

মাথা নিচু করে কাঁদো কাঁদো গলায় জিজ্ঞেস করল, 

" জি…জি, কি হয়েছে? "

" এই কি হাল হয়েছে আমার রুমের। কে করেছে এমন

 নিশ্চয়ই আপনার মেয়েটা। কতবার বলবো ওকে আমার থেকে দূরে রাখবেন৷ একটা কথা একবার বললে কানে যায়না? "

আয়েশা কাঁদতে কাঁদতে আমার পা'য়ে প'ড়ে গেল,

" এই…এই কি করছেন? "

" প্লিজ…প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন

 অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে। আর কোনোদিন হবেনা। প্লিজ। "

আয়েশার অশ্রুজল টপ টপ করে আমার পায়ে পড়ছে। যতসব আদিখ্যেতা

 আমি ঘর থেকে বেরিয়ে চলে গেলাম বাইরে। আবার ফিরে

 এলাম গভীর রাতের দিকে। আমি সোজা চলে গেলাম আমার ঘরে

 রুমে ঢুকেই আমি চমকে গেলাম। খুব সুন্দর করে পরিপাটি ভাবে গোছানো ঘর

 এমনকি আগের চেয়েও সুন্দর ভাবে। সেটা দেখে আমার মনটা একটু ভাল হলো

ক্লান্ত শ'রীরটা এ'লিয়ে দিলাম বি'ছানায়। লাইট, ফ্যান অফ করে শুয়ে পড়লাম

খুব ঠান্ডা পড়েছে। পিনপতন নীরবতার মাঝে হঠাৎ আমার কানে ভেসে আসল করুণ ফোঁপানির আওয়াজ

 বুঝতে পারলাম আয়েশা পাশের রুমে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। আমি তোয়াক্কা না করে শুয়ে পড়লাম।


চলবে..?


গল্প : #বিধবা

পর্ব- ০১

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...