এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৫

স্বামীর উপর স্ত্রীর হকসমূহ:,,,,,,,, ইমাম উদ্দিন চাচার ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #স্বামীর উপর স্ত্রীর হকসমূহ:

১. স্ত্রীর জন্য মাসে কত টাকা খরচ করা জরুরি? এবং খরচের কোয়ালিটি কেমন হবে?

২. বছরে কত জোড়া কাপড় কিনে দিতে হবে?

৩. প্রসাধনীর জন্য কত টাকা ব্যায় করতে হব?

৪. কত ঘর বিশিষ্ট বাসায় রাখতে হবে?

৫. কতদিন পর পর সহবাস করা জরুরি?

৬. কোন স্বামী যদি স্ত্রীকে পূর্ণ তৃপ্তি দিতে না পারে, অর্থাৎ স্ত্রীর অর্গাজম করাতে না পারে, এতে কি পুরুষের গুনাহ হবে? স্ত্রীকে অর্গাজম করিয়ে দেওয়া কি একজন পুরুষের উপর জরুরি?

৭. স্ত্রী যখন চাইবে, তখনই কি তার সাথে সহবাস করা জরুরি?

৮. স্ত্রীর অন্য ঘরের সন্তান লালন-পালন করা কি দায়িত্ব?

৯. অধিক বিবাহ করার জন্য স্ত্রীর অনুমতি নেয়া কি জরুরি?

১০. স্ত্রীর জন্য স্থায়ী বাড়ি করে দেয়া, স্থাবর সম্পত্তি লেখে দেয়া বা গহনা-গাটি কিনে দেয়া কি জরুরি?


#উত্তর:

#একজন স্বামীর উপর স্ত্রীর প্রতি কতটুকু হক আাদায় করা ওয়াজিব? আর কতটুকু মুস্তাহাব? নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: 

#১নং হক: মোহর আদায় করা। 

মোহরের সর্বনিম্ন পরিমান ২.৬ ভরি রূপা, যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৩০০০ টাকা, এতটুকু দেওয়া জরুরী। এর থেকে বেশি ধার্য্য করতে পারবে। সামর্থের চেয়ে বেশি আথবা অধিক বেশি মোহর ধার্য্য করা মাকরূহ। 


#২নং হক: বাসস্থানের ব্যবস্থা করা।(ভাড়ার বাড়ি হোক অথবা মালিকানা) 

পরিমান: একটা বেডরুম, একটা কিচেন, আর একটা বাথরুম। আর থাকার জন্য কাথা,বালিশ, বিছানা যা লাগবে। এর থেকে বেশি ব্যবস্থা করলে সেটা মুস্তাহাব।( স্ত্রী যদি সেপারেট চায় তাহলে সেপারেট দিতে হবে) ।


#৩নং হক: নফকা দেওয়া ( ভরণ-পোষন)  

নফকা হলো তিনটি জিনিস :

১.খাদ্য 

২. বস্ত্র 

৩.চিকিৎসা


(এছাড়া অন্যান্য যত খরচ আছে , যেমন: গহনা বানিয়ে দেওয়া, মাঝে মাঝে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া, দামী দামী জামাকাপড় ও প্রোসাধনি কিনে দেওয়া, বড়ো মোবাইল কিনে দেওয়া, রেস্টুরেন্টে খেতে নিয়ে যাওয়া,  বিয়ের বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যাওয়া, বাপের বাড়ি নিয়ে যাওয়া, হজ্জ ওমরা করানো, তার পক্ষ থেকে কোরবানি দেওয়া, সদক্বা ফিতর আদায় করা, তার অন্য ঘরের সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব নেওয়া, স্থাবর কোন সম্পত্বি লিখে দেওয়া বা বাড়ি বানিয়ে দেওয়া ইত্যাদি কোনটাই হক না। কোনটাই জরুরী না। যদি কেউ করে তাহলে হবে মুস্তাহাব। একান্তই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।) 


১.খাদ্য: একদিনের পুর্ণ খাবারের ব্যবস্থা করা। পরিমাণ: আধা সা'অ। যার বর্তমান মূল্য ১০০টাকা। সেই হিসেবে মাসে খানা বাবদ ৩০০০ টাকা খরচ করা ওয়াজিব। ( যদি সন্তান থাকে তার হিসাব ভিন্ন) এর থেকেও বেশি খরচ করলে সেটা হবে মুস্তাহাব। একান্তই এহসান। 


২-বস্ত্র: পরিমান হলো, রানিং তিন সেট পোশাকের ব্যবস্থা করা। শীতবস্ত্র দেওয়া এবং পারলে নামাজের জন্য এক সেট পোশাকের ব্যবস্থা করা। কোন একটি ব্যবহারের অযোগ্য হলে আবার ব্যবস্থা করা। এতটুকু জরুরী। এর থেকেও যদি বেশি জামাকাপড় কিনে দেয় তাহলে সেটা হবে গিফ্ট হাদিয়া। যদি মোহরের নিয়ত করে, মোহরও আদায় হয়ে যাবে।

 

৩. চিকিৎসা: যদি স্ত্রী এমন অসুস্থ হয় যার কারণে সহবাস বন্ধ না থাকে, সেই চিকিৎসা করানো স্বামীর দায়িত্ব।‌ আর যদি এমন অসুস্থ হয় যার কারণে স্ত্রীর সাথে সহবাস বন্ধ থাকে, ওই চিকিৎসার ব্যায় বহন করা স্বামীর উপর জরুরী না। যদি করে তা হবে মুস্তাহাব, সওয়াব পাবে। এক্ষেত্রে স্ত্রী নিজের মোহরের টাকা বা নিজের সম্পত্তি থেকে খরচ করবে।


#বাসস্থান এবং উল্লেখিত তিনটি হকের কোয়ালিটি কেমন হবে? : 

বাসস্থান, খাদ্য, বস্ত্র ও চলাচলের ক্ষেত্রে স্ত্রীর বাবার বাড়ীর কোয়ালিটি এবং স্বামীর কোয়ালিটির মাঝামাঝি হবে।


#বি:দ্র: উল্লেখিত তিনটি হক স্বামীর উপর ঐ সময়ই জরুরী যখন স্ত্রী তার বাড়িতে তার বাধ্য হয়ে থাকবে। যদি স্ত্রী স্বামীর অবাধ্য হয়ে বাবার বাড়িতে বা বোনের বাসায় অথবা অন্য কোথাও অবস্থান করে, তাহলে তখন স্বামীর উপর এই হকগুলো আদায় করা জরুরী না। 


#৪নং হক: সহবাস করা: যদি স্ত্রীর সম্মতি না থাকে, তাহলে চার মাসে কমপক্ষে একবার সহবাস করা ওয়াজিব । যদি এর থেকে বেশি করে তাহলে সেটা স্বামীর ইচ্ছা। স্ত্রীর অর্গাজম করে দেওয়া জরুরী না। তবে মুস্তাহাব হলো, নিজের বীর্য আউট হয়ে যাওয়ার পরেও ভিতরে কিছুক্ষণ রেখে দিবে। সাথে সাথে নেমে যাবে না। যাতে স্ত্রী তৃপ্ত হতে পারে। তবে যদি এর থেকেও বেশি সহবাস করে এবং অর্গাজম করিয়ে দেয়, উত্তম হবে। উল্লেখ্য, স্বামী যখনই করতে চাইবে তখনই দিতে হবে। স্ত্রী যখন চাইবে তখনই সাড়া দেওয়া জরুরি না। 


#বি:দ্র: যদি স্বামীর লিঙ্গের আয়োতনে ছোট হওয়া বা টাইমিং কম হওয়ার কারনে স্ত্রী পূর্ণ তৃপ্তি না পায় অর্থাৎ স্বামী যদি স্ত্রীর অর্গাজম করে দিতে না পারে তাহলে স্বামী হক নষ্টকারী হয় না। তবে এক্ষেত্রে স্ত্রীর জন্য তার থেকে খোলা তালাক নিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করার অনুমতি আছে।  কিন্তু একথা কখনোই বলতে পারবে না যে, স্বামী আমার হক আদায় করতে পারে না। কারণ স্ত্রীর অর্গাজম করিয়ে দেয়া স্বামীর জন্য হক আদায়ের পর্যায়ে পড়েনা।


#৫নং হক: স্ত্রীর আরেকটি হক হলো, স্বামী মারা গেলে তার সম্পদের ৪/৮ ভাগের এক অংশ পাবে।


#সতর্কীকরণ: যদি কোনো স্বামী উল্লেখিত ফরজ হকগুলো আদায় করে, তাহলে হক আদায়কারী বলে বিবেচিত হবে। মুস্তাহাব হকগুলো আদায় না করার কারণে যদি স্ত্রী বলে যে, আমার স্বামী আমার হক আদায় করে না। সেই মহিলা ফাসেক,মাল'উন ও জাহান্নামী বলে বিবেচিত হবে। ভালো না লাগলে, না পোষালে তালাক নিয়ে  চলে যাবে। কিন্তু স্বামীর বিরুদ্ধে অপবাদ দিতে পারবে না।


#বি.দ্র.: এই হকগুলো ঐ সমস্ত ভাইদের জন্য, যাদের স্ত্রী মাত্র একটা। তবে যাদের একাধিক স্ত্রী আছে তাদের উপর আরও কিছু হক জরুরি। যা পরবর্তীতে আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ।

কলেবরের বৃদ্ধির কারণে দলিল উল্লেখ করা হলো না।


Ideal Marriage Bureau-IMB 

• IMB-র সদস্য হওয়ার জন্য ফরম পূরণ করুন:

  পুরুষের ফরম: t.ly/PBW9w

   নারীর ফরম: t.ly/2HZ_4

• যোগাযোগ অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ:

   wa.me/+8801722446038 (শুধু মেসেজ)

   wa.me/+8801712572359 (কল ও মেসেজ)

   wa.me/+8801709909501 (নারীদের যোগাযোগ)

• IMB সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ওয়েবসাইট দেখুন।


-----------------------_----------------------


#Many answers of questions about Rights of Wives in Islam are mentioned below:-


1. How much money do you have to spend monthly for the wife? How will the cost be quality?

2. How many pairs of clothes to buy in a year?

3. How much money is it important to spend on cosmetics?

3. How many rooms have to be kept?

4. How long is it important to have sex?

5. If a husband cannot give full satisfaction to a wife, that is, can a wife's orgasm, will it be a man's sin? Is it important for a man to have a wife orgasm? Then what to do for both?

6. Is it important to have sex with her whenever she wants? 

7. Is it important for the wife to raise the child from another husband?

6. Is it legal to force a wife to earn income?

9. Is it important to get a wife's permission to get married more?

10. Is it important for a permanent house for the wife, to write the property or buy jewellery?


#Answer :


How many rights are there for a wife on a husband, how many rights have in Sharia? How much is mustahab in it?

All the answers are discussed below:


#1st : Giving Mahr

The low amount of Mahr is 2.6 rupees, whose current price is 3000 taka. It's important to give that much. Anyone can give more than that. But more claim that husband's ability is Makruh.


#2nd : - Arranging the habitat. Whether to rent a house or own property.

Quantity: A bedroom, a kitchen, and a bathroom, bed cover, bed sheets, and what is needed for being there. (However, if the wife wants it individually then the husband has to pay. If anyone gives more than that it is mustahab.


#3rd : Giving Nafka (Bharan Poshan)

Nafka is three things

1 food

2 clothes

3 treatments


(Also, there are as many other expenses as there are to make jewellery, take them to restaurants to visit the wedding house, take them to their father's house, to make them Umrah, to sacrifice from him, to perform charity, to write any property, to make any house, etc., neither is necessary. If anyone does, then Mustahab is the manifestation of love.)


1) Food: Arrange food a day full. Amount: Half a row. The current price is 100 taka. As such, it is obligatory to spend 3000 taka for food every month (if you have a child, it will be different). If anyone spends more than that it will be mustahab. Such as desirable . 


2) Clothes: the amount is, arrange three running sets of clothes. Arranging a set of clothing for winter clothing and if possible. If any one is unusable, arrange again. That's all important. If you buy more clothes than this, it's a gift. If the mahar is intended, the power will be performed.

 

3) Treatment: If the wife is sick due to which the intercourse is not stopped, it is the responsibility of the husband to get the treatment. And if the wife gets sick, the husband doesn't have to have sex with his wife, it's not necessary for him to spend that treatment. If it is done, Mustahab will get thawab. In this case, the wife will spend her money from mahr or her own property.


What will be the quality of the habitat and the three mentioned right? 

In the case of residence, food, clothing and movement, there will be a middle class in the quality of the father's house and the quality of the husband.


#Note: The three mentioned rights husbands are urgent at that time when the wife is obedient to her house. If the wife disobeys her husband or sister's house or somewhere else, then it is not necessary to perform these rights on her husband.


#4th: To have sex: If the wife does not have consent, it is obligatory at least once in four months. It is not necessary to orgasm with a wife. However, the mustahab is that he will keep his semen inside for a while after his semen is out. Will not go down immediately. So that the wife can be satisfied. But it would be better if he had more sex and orgasm than this.

Note that, the husband must give whenever he wants. It is not necessary to respond whenever the wife wants.


#Note: If the husband does not get full satisfaction due to being small or timing for the husband's gender, that is, if the husband cannot perform the wife's orgasm, then the husband will not be humiliated. However, in this case, she is allowed to marry someone else with a divorce from her husband. But she can never say that my husband cannot realise my right. Because the husband who has performed the wife's orgasm does not fall into the court.


#No.5: Another right of the wife is, when the husband dies, she will get one part of the 4/8 share of his wealth.


#Warning: If a husband performs the mentioned issues, then he will be considered as the Judicial. If the wife says that my husband does not pay for my rights because he does not realise the hobbies as mustahab. That woman will be considered to be hanged, Mal'aun and hell. If she doesn't like it, she will get a divorce. But she can't slander against her husband.


#Note: These rights are for those poor brothers, whose wives are only one. But those who have more than one wife need some more. That will be discussed in the next program.


All the information is not mentioned in detail due to the bulkiness of discussion.

শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৩-০১-২০২৫ খ্রি:।

সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৩-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, এক দশমিক পাঁচ শতাংশ বেড়ে দেশে এখন মোট ভোটার  ১২ কোটি ৩৬ লাখের বেশি।


জনস্বার্থে কাজ করার ব্রত নিয়ে সমাজসেবায় এগিয়ে আসার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শর্ত পূরণে নয়, বরং রাজস্ব বাড়াতেই বিভিন্ন পণ্যের ওপর কর বাড়ানো হয়েছে - মন্তব্য অর্থ উপদেষ্টা ডক্টর সালেহউদ্দিনের।


ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে হওয়া সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা হবে - বললেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি।


 সারাদেশে চলছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ।


গাজায় ইসরাইলের সর্বশেষ বিমান হামলায় অন্তত ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত।


বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজ নিজ ম্যাচে দুর্বার রাজশাহী ও রংপুর রাইডার্সের জয় - চিটাগং কিংস - দুর্বার রাজশাহীর এবং ঢাকা ক্যাপিটালস - খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে খেলবে আজ।

রোজ সকালে মোরগের ডাকে সবার ঘুম ভাঙ্গতো।  তো, একদিন তার মালিক খুব বিরক্ত হয়ে তাকে হুমকি দিল যে, "আরেকদিন যদি সকালে ডেকে ঘুম ভাঙ্গাস তাহলে তোর সমস্ত পালক আমি তুলে  ফেলবো

 রোজ সকালে মোরগের ডাকে সবার ঘুম ভাঙ্গতো।  তো, একদিন তার মালিক খুব বিরক্ত হয়ে তাকে হুমকি দিল যে, "আরেকদিন যদি সকালে ডেকে ঘুম ভাঙ্গাস তাহলে তোর সমস্ত পালক আমি তুলে  ফেলবো ।"

ভয় পেয়ে গেল মোরগ! মনে মনে যুক্তি দাঁড় করালো প্রয়োজনে অনেক কিছুই করতে হয়। মোরগ মনে মনে বললো,,,, আমার উচিত সকাল বেলা ডাকাডাকি বন্ধ করে নীতির সঙ্গে আপোষ করে নিজেকে বাঁচানো। 

কাজেই মোরগ সকালে ডাকাডাকি বন্ধ করে দিল।


এক সপ্তাহ পর আবার তার মালিক ফিরে এসে তাকে হুমকি দিল, "তুই যদি মুরগির মতো গরগর শব্দ না করিস তাহলে গায়ের একটা পালকও থাকবে না "। মোরগ নীতির সাথে আপোষ করল আবারও মোরগ হয়ে মুরগির মতো গরগর করতে লাগলো। 


এক মাস চলে গেল, মালিক আবার আসলো। এবার দিল ভয়াবহ হুমকি। এখনই যদি তুই ডিম না পারিস তাহলে আমি আগামীকালই তোকে জবাই করব! বেচারা মোরগ কোন উপায় না পেয়ে কাঁদতে শুরু করল। চোখের জলে ভিজিয়ে দিল পুরো দেহ। কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল, ইশ! প্রথমবারই যদি আপোষ না করতাম। 


নীতির সাথে একটু আপোষ করলে এরকম একটার পর একটা আপোষ করে যেতে হয়। 

পরিস্থিতি যাই হোক না কেন কখনোই মন্দ নীতির সঙ্গে আপোষ করা যাবে না। প্রথমবার আপনি স্বেচ্ছায় আপোষ করবেন কিন্তু  নিশ্চিত থাকুন এর পরেরবার থেকে আপনি আপোষ করবেন কারণ আপনাকে আপোষ করতে বাধ্য করা হবে। 


বলা হয়ে থাকে," যদি আপনি আপোষের পথের পথিক হন তাহলে নীতিতে অবিচল মানুষদের কখনো অপবাদ দিবেন না, বলবেন না যে এরা উগ্র"। তারচেয়ে বরং নিজের দিকে নজর দিন। দেখুন কি এক গভীর চোরাবালিতে ডুবে গেছেন আপনি। 


দুনিয়ার সমস্ত মানুষ যদি একটি হারাম কাজ করে তারপরও ওইটা হারামই থেকে যাবে।

অন্য সবাই করছে আমিও একটু করি এরকম ভাববেন না। আপনার কাজের জবাবদিহিতা আপনাকে দিতেই হবে। নিজের খেয়াল খুশি মতো কোন পথে নয় বরং সেই পথে অবিচল থাকুন যে পথে আল্লাহ আপনাকে অবিচল থাকার আদেশ দিয়েছেন। 


একটা প্রবাদ আছে , " সিংহ ক্ষুধার্ত হলেও ঘাস খায় না। "

আপনার পেটে খাবার নেই, এ কারণে নীতির সাথে আপোষ করবেন না কখনোই। 

হালাল-হারামের যে অনুভূতি আপনার মনে আছে, খুব সাবধান! খুব সাবধানে তা জিইয়ে রাখুন।

মার্কিন মুলুকে ইউরোপীয়দের নাকে ঝামা ঘষে বিশ্ব কুস্তির আখড়ায় ভারতের জয়ধ্বজা উড়িয়েছিলেন ছ’ফুট দু’ ইঞ্চি লম্বা, একশো বত্রিশ কিলো ওজন, আটচল্লিশ ইঞ্চি বুকের ছাতিসম্পন্ন এক বিশ্বজয়ী বাঙালি। রাত দু- দফায় খেতেন তিন সের দুধ৷

 মার্কিন মুলুকে ইউরোপীয়দের নাকে ঝামা ঘষে বিশ্ব কুস্তির আখড়ায় ভারতের জয়ধ্বজা উড়িয়েছিলেন ছ’ফুট দু’ ইঞ্চি লম্বা, একশো বত্রিশ কিলো ওজন, আটচল্লিশ ইঞ্চি বুকের ছাতিসম্পন্ন এক বিশ্বজয়ী বাঙালি। রাত দু- দফায় খেতেন তিন সের দুধ৷

 খেতেন বাতাসার শরবত,তেমন খেতেন কাগজি বাদামের শরবতও৷ দুপুরে মাছ,ভাত‌ সঙ্গে আধ সের দুধের ক্ষীর । রাতে আবশ্য খেতেন বিশেষ একটা খাবার যার নাম আখনি৷ কয়েক সের (২থেকে ৫সের পর্যন্ত) খাসি বা মুরগির মাংস,দেড় সের বাটা বাদাম ও এক সের খাঁটি ঘি দিয়ে তৈরি হত ৷ হাঁড়ি করে কাঠের জ্বালের উনুনে চাপানো হত সকাল সাড়ে সাতটায়৷ হাঁড়ি নামত বিকেল পাঁচটায়৷ ঘন্টা দশেক ফোটার পর শক্ত মাংস গলে জল হয়ে যেত৷ জল মরে মরে ব্যঞ্জনটি এতটুকু হয়ে যেত৷ সেইটুকু ছিল আহার্য৷ বিশেষ খাবার তাঁকে খেতে হত কারণ তিনি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন,নিজের বাহুবলে বাঙালির দুর্নাম ঘুচিয়েছেন। 

© ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


চলুন ফ্ল্যাশ ব্যাকে ,বাঙালি নিশ্চিত ভাবে মনে রেখেছে ১৯২১ সালের ৩০ অগস্ট দিনটি। এক ঘণ্টা তিন মিনিটের সেই লড়াই মন্ত্রমুগ্ধের মত প্রত্যক্ষ করেছিল বিশ্ববাসী। সেই লড়াই আজও লোকগাথার মত ভারতীয়দের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। সান ফ্রানসিস্কোয় লাইট হেভিওয়েট ফ্রিস্টাইল বিভাগের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্যান্টেলকে হারিয়ে তাঁর শিরোপা নিজের দখলে করে নিয়েছিলেন এক সাহসী শক্তিশালী বঙ্গসন্তান। শুধু শক্তি নয়, উপস্থিত বুদ্ধি, ক্ষিপ্রতা এবং কৌশল— মল্লযুদ্ধের প্রতিটি বিভাগেই স্যান্টেলকে পরাস্ত করে বঙ্গসন্তন গোবর গোহ হয়েছিলেন নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। স্যান্টেলের মত গোবরের কাছে হেরেছেন জো স্ট্রেচার,জিবিস্কো,স্ট্র্যাংলার লুইসের মত প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন৷ বাঙালির চিরকালীন কুস্তি-আইকন, বিশ্বজয়ী গোবর গোহ,আসল নাম যতীন্দ্রচরণ গুহ

বাঙালির চিরকালীন কুস্তি-আইকন। ১৯১৩-১৯১৫ সালে দ্বিতীয় ইউরোপ সফরে স্কটল্যান্ডের সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কিংপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কুস্তিগির জিমি ক্যাম্পবেল, জিমি এসেনের মতো মল্লবীরদের হারিয়ে পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন গোবর গোহ।


কুস্তি ছিল তাঁর ধ্যান আর প্রাণ৷ কতজনকে তিনি হাতে পিঠে গড়ে মানুষ করেছেন,তালিম দিয়ে কুস্তিগির বানিয়েছেন তাঁর ঠিকানা পাটিগণিতে মেলাতে গেলে সংখ্যাটা কমপক্ষে কয়েকশো ছাড়িয়ে যাবে৷কালে-কালে তাদের অনেকে ভারতশ্রেষ্ঠ অপেশাদার কুস্তিগির হয়েছেন,তেমন পেশাদারি লড়াইয়ে সুনাম অর্জন করেছেন৷ কুস্তিগির গোবর সংস্কৃতিমনস্ক রুচিশীল বাঙালি যিনি রীতিমত সাহিত্য ও সংগীত চর্চা করতেন। ভারতীয় রাগসংগীতের তালিম নিতেন, বাজাতেন সেতারও। প্রিয় লেখক জর্জ বার্নাড শ এবং অস্কার ওয়াইল্ড। প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী মান্না দে'র ছোটকাকা কিংবদন্তি কৃষ্ণচন্দ্র দে'র বিশিষ্ট বন্ধু ।

© ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


স্বনামধন্য কুস্তিগির যতীন্দ্রচরণ গুহ‌ কে সবাই  একডাকে গোবরবাবু নামে জানতেন। ১৯, গোয়াবাগান স্ট্রিটে গোবরবাবুর আখড়া, বলতেন নিয়মিত ব্যায়াম না করলে সে আবার পুরুষ মানুষ নাকি।আখড়ায় বৈদ্যুতিক সংযোগ ছিল না,দুঃসহ গ্রীষ্মে ওই হাতের পাখা ভরসা৷ কুস্তির আখড়ার কঠোর প্রশিক্ষক গোবরবাবু। মেজোছেলে মানিক All India heavy weight গ্ৰুপে একবার সেরা কুস্তিগিরের শিরোপা জিতেছেন,লেখাপড়ায় খুব মেধাবী ছাত্র। কাস্টমসের বড় অফিসার হয়েছেন। তবে মানিকের পিতা শুধু ভারত নয় সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে শ্রদ্ধেয় ,সম্মানীয় যিনি নিজের বাহুবলের পরিচয়ে বাঙালির দুর্নাম ঘুচিয়েছেন৷  বিশ্ব কুস্তির আখড়ায় ভারতের জয়ধ্বজা উড়িয়েছিলেন। মজার কথা গোবরের কুস্তির প্রস্তুতির জন্য যখন পিতৃদেব রামচরণ প্রয়োজনে ভিনদেশি প্রশিক্ষক আনাচ্ছেন তখন তাঁর মাতুল চারুচন্দ্র মল্লিক প্রকাশ্যে বলে বেড়াতেন মাসে হাজার টাকা খরচ করে রাম ছেলেটাকে গুণ্ডা বানাচ্ছে! না সেই ছেলে গুণ্ডা হননি বরং বিশ্বজয়ী হয়েছেন। একমাত্র ভারতীয় যিনি স্বীকৃত মতে সেই সময় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কুস্তিগির হতে পেরেছিলেন৷ পালোয়ানি ঐতিহ্য ও পদ্ধতি মূলধন করে ভরা যৌবনে ইউরোপ-আমেকিরা চষে বেড়িয়েছেন,লড়েছেন অসংখ্য বিদেশির সঙ্গে,সেই আমলে আর কোনও মল্লবীর তাঁর মত অসংখ্য বিদেশীর সাথে মোকাবিলার সুযোগ পান নি৷ জালিওয়ানালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ করেন, তখন তিনি লন্ডনে। সেখানেই প্রকাশ্যে রবীন্দ্রনাথকে সমর্থন জানিয়ে ব্রিটিশ শাসকের বিরুদ্ধে নিজের মত প্রকাশ করেন।উত্তর কলকাতার গোয়াবাগান স্ট্রিটের নাম পরিবর্তন করে এখন গোবর গোহ সরণি। মান্না দে একসময়ে ভেবেছিলেন কুস্তিগির হবেন। গোবর গোহ তাঁর প্রশিক্ষক। All Bengal wrestling competition - এ প্রাথমিক রাউন্ড গুলো জিতে ফাইনালে রাউন্ডে পৌঁছেও গেলেও মান্না আর সেই লড়াই লড়েননি। অবশ্য গোবরবাবুর তিন ছেলে প্রতিষ্ঠিত কুস্তিগির হয়েছিলেন। মেজো ছেলে ভারত সেরা আর তাঁর পিতৃদেব বিশ্বসেরা। আজ বিশ্বজয়ী বাঙালি মল্লবীর গোবর গোহের প্রয়াণ দিবসে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি, আপনি প্রমাণ করে দিয়েছেন বাঙালির বাহুবল কম নয়, বাঙালি দূর্বল নয়, বাঙালি ভীরু নয়।

সংকলনে ✍🏻 অরুণাভ সেন।।

© ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


#gobargoho

#wrestling

#worldchampion 

#bengali 

#legenderry 

#Tribute

#dhrubotaraderkhonje 


গ্রন্থঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার,ফিরে ফিরে চাই,অজয় বসু, জীবনের জলসাঘর মান্না দে,আনন্দবাজার পত্রিকায় গৌতম ভট্টাচার্যের নিবন্ধ

বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৫

খেজুরের বিচি বা আঁটির তিনটি অংশ নিয়ে কুরআনের তিনটি আয়াত।

 ❇️❇️❇️❇️❇️❇️❇️❇️❇️❇️

💠 খেজুরের বিচি বা আঁটির তিনটি অংশ নিয়ে কুরআনের তিনটি আয়াত।


যে তিনটি অংশ আপনি খেজুরের প্রত্যেকটি বিচির মধ্যেই দেখতে পাবেন। আসুন দেখি আল্লাহ্ তা'আলা এই তিনটি অংশ নিয়ে কি বলেছেন এবং কি বুঝাতে চেয়েছেন ?


✒️ 🎯1. "নাক্বির" সূরা নিসা-124


-- "নাক্বির" মানে হলো খেজুরের বিচির পিঠের ঠিক মাঝখানে থাকা সূক্ষ্ম বিন্দুটি, যা দেখতে অনেকটা ছোট ছিদ্র বা বিন্দুর মত দেখায়! যা প্রতিটি খেজুরের বিচির পেছনেই দেখা যায়।


-- এই অংশটির উদাহরণ দিয়ে আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ-

-- وَمَن يَعْمَلْ مِنَ الصَّالِحَاتِ مِن ذَكَرٍ أَوْ أُنثَىٰ وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَأُولَٰئِكَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ وَلَا يُظْلَمُونَ نَقِيرًا ( النساء: 124)


-- কোনো পুরুষ কিংবা নারী আল্লাহর উপর আস্থাশীল বিশ্বাসী থাকা অবস্থায় যদি ভালো কাজ করে, তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের প্রতি ‘নাক্বির’ বা ঐ অতি ক্ষুদ্র বিন্দু পরিমাণও অবিচার বা জুলুম করা হবে না। ( তাদের অণু পরিমাণ অধিকারও হরণ করা হবে না )


-- অন্য আয়াতে আল্লাহ্ বলেনঃ

-- সূরা নিসা-77

-- সেই কর্ম ফলের দিন ধর্মভীরুগণ বা সৎকর্মশীলগণ খেজুরের বীজ পরিমাণ অত্যাচারিত হবে না।

💦🍂💦🍂💦🍂💦🍂💦🍂

++++++++++++++++++++


🎯2. "ফাতিল" সূরা বনী ইসরাইল-71


-- "ফাতিল" হলো সেই আলগা সুতা যা খেজুরের বিচির পেটের কাটা অংশে দেখা যায়।


-- এই অংশটির উদাহরণ দিয়ে আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ


-- فَمَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ فَأُولَٰئِكَ يَقْرَءُونَ كِتَابَهُمْ وَلَا يُظْلَمُونَ فَتِيلا (الإسراء: 71)


-- “যাদের আমলনামা তাদের ডান হাতে দেওয়া হবে, তারা নিজেদের আমলনামা পাঠ করবে এবং তাদের প্রতি ‘ফাতিল’ অর্থাৎ ঐ ক্ষুদ্র সুতা পরিমানও অবিচার বা জুলুম করা হবে না।

🍂💦🍂💦🍂💦🍂💦💦

++++++++++++++++++++


🎯3. "ক্বিতমির" সূরা ফাতির-13


-- "ক্বিতমির" হলো ঐ অতি হালকা এবং অতি পাতলা আবরণটি বা পর্দাটি যা দ্বারা খেজুরের বিচিটি আবৃত হয়ে থাকে কিংবা বেষ্টিত হয়ে থাকে।


-- এই অংশটির উদাহরণ দিয়ে আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ


-- وَالَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِهِ مَا يَمْلِكُونَ مِن قِطْمِيرٍ (فاطر: 13)


-- “আর তোমরা আল্লাহ ব্যতিত যাদের পেছনে দৌড়াও, তারা তো একটি খেজুরের বিচি বা আঁটির তুচ্ছ আবরণেরও মালিক নয়।“


-- অর্থাৎ মানুষ তাদের নিজ ক্ষমতাবলে আল্লাহর দেওয়া সৃষ্ট বস্তু সমূহের সাহায্য ছাড়া, একটি খেজুরের বিচি বা আঁটির তুচ্ছ আবরণ‌টিও তৈরি করতে পূর্ণ অক্ষম।


-- সুবহানাল্লাহ্, কি অসাধারণ এবং অনন্য আর নিখুঁত উপমা দিয়েছেন আল্লাহ্ তাঁর আলোচনা বর্ণনা করেছেন।


🎯🎯🎯🎯🎯🎯🎯

🎯(সংগৃহীত).     🎯

🎯🎯🎯🎯🎯🎯🎯

অ্যান্টিকাইথেরা: হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার এক বিস্ময়

 অ্যান্টিকাইথেরা: হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার এক বিস্ময়



১৯০১ সালের এক রহস্যময় দিন।

গ্রিসের অ্যান্টিকাইথেরা দ্বীপের কাছে ডুবুরি দল পানির নিচে একটি প্রাচীন জাহাজের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেলেন। কিন্তু সেখানে লুকিয়ে ছিল এমন এক বিস্ময়, যা পুরো পৃথিবীকে হতবাক করে দেয়। একটি যন্ত্র—প্রাচীন, কিন্তু ভয়ংকরভাবে আধুনিক!


➡️ যন্ত্রের নাম: অ্যান্টিকাইথেরা মেকানিজম

➡️ বয়স: প্রায় ২২০০ বছর

➡️ ক্ষমতা: সময়, সূর্য, চাঁদ এবং গ্রহের অবস্থান নির্ধারণ করা। এমনকি ভবিষ্যতের সূর্যগ্রহণও গণনা করতে পারত!


কৌতূহলের জন্ম দেয় যে প্রশ্নগুলো


💡 খ্রিস্টপূর্ব ১০০ সালের মানুষ কীভাবে তৈরি করল এমন উন্নত যন্ত্র?

💡 কেন এই প্রযুক্তির আর কোনো উদাহরণ পাওয়া যায়নি?

💡 এটি কি ভিনগ্রহের কোনো সহায়তায় তৈরি হয়েছিল? নাকি হারিয়ে যাওয়া কোনো সভ্যতার স্মৃতি?


অ্যান্টিকাইথেরা: সময়ের প্রেমপত্র


বিজ্ঞানীরা এখনো পুরোপুরি এর রহস্য উদঘাটন করতে পারেননি। এটি যেন ইতিহাসের অতল থেকে পাঠানো এক প্রেমপত্র, যা আমাদের বলছে—"তোমরা ইতিহাসের সবকিছু জানো না।"


আপনার কী মত?

👉 এটি কি নিছক প্রাচীন প্রযুক্তি, নাকি আমাদের অজানা কোনো রহস্যের ইঙ্গিত?

👉 এমন আরও কত বিস্ময় পৃথিবীর বুকে লুকিয়ে আছে?


আপনার মতামত শেয়ার করুন এবং "আলোকিত পৃথিবী"-র সঙ্গেই থাকুন। রহস্যের পথে একসঙ্গে হাঁটি।

#অ্যান্টিকাইথেরারহস্য #প্রাচীনবিস্ময় #আলোকিতপৃথিবী #রহস্যজনকসভ্যতা

বীজতলার ঠান্ডা জনিত সমস্যা(Cold injury) #লক্ষণঃ

 বীজতলার ঠান্ডা জনিত সমস্যা(Cold injury)

#লক্ষণঃ

        চারা সাদা হয়ে যায়, বৃদ্ধি থেমে যায়।

#কারণঃ

        বাতাসের তাপমাত্রা ১৪° সেলসিয়াসের নিচে 

        এবং মাটির তাপমাত্রা ১০° এর নিচে নেমে গেলে 

        ধানের চারার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হয়

        সঠিকভাবে ক্লোরোফিল উৎপাদন হয় না যার 

        ফলে ধানের চারার পাতা সাদা হয়ে যায়।

#ব্যবস্থাপনাঃ

        ১। সকাল বেলা কাটি/রশ্মি টেনে চারার পাতায় 

            লেগে থাকা শিশির ভেঙ্গে দিবেন।

        ২। সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত  বীজতলা 

             স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখবেন।

        ৩। শৈত্য প্রবাহের সময় বীজতলায় ৩-৫ 

            সেন্টিমিটার পানি রাখুন এবং সন্ধ্যায়  

            বীজতলায় পানি ঢুকিয়ে সকালে তা বের 

            করে দিবেন। পুকুর বা খাল বা ডোবার পানি 

            দেওয়া যাবে না এক্ষেত্রে গভীর নলকূপের 

            পানি দিতে হবে 

        ৪। প্রতি শতক বীজতলার জন্য ২ লিটার পানিতে 

            কুইক পটাশ ৫ গ্রাম+গেইভেট/সালফক্স ৫ গ্রাম

            ভালোভাবে মিশিয়ে স্প্রে করুন।

#সাবধানতাঃ

         ১। ছায়াযুক্ত স্থানে বীজতলা তৈরি করবেন না । 

         ৩। শৈত্যপ্রবাহের সময় বীজ বপন করবেন না ।

         ৪। অতিরিক্ত শুকনো স্থানে বীজতলা করবেন না

#করনীয়ঃ

         ১। সম্ভব হলে শুকনো বীজতলা তৈরি করুন 

             শুকনা বীজতলায় অঙ্কুরিত বীজ বপন

             করে তার উপর অল্প পরিমানে ঝুড়ঝুড়ে মাটি 

             ছিটিয়ে দিয়ে পুরো বীজতলা সাদা পলিথিন

             দিয়ে ঢেকে রাখুন । 

          ২। আদর্শ বীজতলা(৩×১মিটার) তৈরি করুন ।

              বীজতলার বেড নালা থেকে কমপক্ষে ১৫ 

             সেন্টিমিটার উঁচু রাখুন এবং দুই বেডের 

             মাঝখানে ৫০ সেন্টিমিটার ফাঁকা রাখুন।

          ৩। সারাদিন রৌদ্রের আলো পরে এমন স্থানে

               বীজতলা তৈরি করুন।

           ৪। ভেজা বীজতলায় বীজ বপনের পর 

                ধানের নাড়া পোড়ানো ছাই ছিটিয়ে দিন।


এছাড়াও বীজতলার চারায় সিডলিং ব্লাইট এবং বাকানী/গোড়া পঁচা রোগসহ অন্যান্য ছত্রাকজনীত রোগ থেকে রেহাই পেতে পাইরোক্লোস্ট্রোবিন/এজোক্সিট্রবিন/ কার্বেনডাজিম+ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে 2 গ্রাম হারে স্প্রে করুন।


লেখাঃ সোহেল রানা 

উপসহকারী কৃষি অফিসার

আজ নতুন কিছু শিখি 🍀🪻 কচুরিপানা, টোপাপানা , দমনের জন্য যেসকল আগাছা নাশক ঔষধ প্রয়োগ করবেন

 আজ নতুন কিছু শিখি

🍀🪻 কচুরিপানা, টোপাপানা , দমনের জন্য যেসকল আগাছা নাশক ঔষধ প্রয়োগ করবেন !


🍀🪻 কচুরিপানা, টোপাপানা, ক্ষুদিপানা কেন দমন করবেন ?

শীতের মৌসুমে পানি শুকালেও টোপাপানা, কচুরিপানা, ক্ষুদিপানা স্থায়ীভাবে জমিতে থেকে চাষের জায়গা দখল করলে #ফসল রোপণ অসম্ভব হয় । তাই এই সকল জমিতে বিভিন্ন ফসল যেমন: বীজতলা ,ধান রোপণ ইত্যাদি চাষ বা রোপণের জন্য অবশ্যই টোপাপানা, কচুরিপানা, ক্ষুদিপানা আগাছা মারতে হবে , আর এই আগাছা গুলি দমনে প্রয়োজন হয় আগাছানাশক ঔষধ ।


🍀🪻 টোপাপানা, #কচুরিপানা, ক্ষুদিপানা দমনে সচরাচর ব্যবহৃত আগাছা নাশক :

  -  বাংলাদেশের অধিকাংশ কৃষক টোপাপানা, কচুরিপানা, ক্ষুদিপানা মারার জন্য “ প্যারাকোয়াট অথবা গ্লাইফোসেট ” যুক্ত #আগাছানাশক ব্যবহার করেন কিন্তু এগুলি এর বিরুদ্ধে তেমন কার্যকর নয়, কারণ এর ব্যবহারে কচুরিপানাগুলোর পাতা মারা যায় কিন্তু কিছুদিন পাতাগুলি নতুন করে জন্মায়। 


🍀🪻 নিচে কার্যকর আগাছা নাশকের উল্লেখ করা হলো:


  -  টোপাপানা, কচুরিপানা, ক্ষুদিপানার বিরুদ্ধে সব থেকে কার্যকর আগাছা নাশক হলো “ ২ ,৪-ডি সোডিয়াম সল্ট ” অথবা “ ২, ৪-ডি এ্যামাইন সল্ট ” সমৃদ্ধ আগাছা নাশক।  -  


     -       ২, ৪-ডি সোডিয়াম সল্ট

     -       ২, ৪-ডি এ্যামাইন সল্ট


এই দুইটির যেকোনো একটা প্রয়োগ করলে ৭ দিনের ভিতরে সমস্ত টোপাপানা, কচুরিপানা, ক্ষুদিপানা মরে ও পচে সাফ হয়ে যায়। 


🍀🪻২,৪ ডি সোডিয়াম সল্ট, অথবা ২, ৪-ডি এ্যামাইন সল্ট যুক্ত আগাছা নাশকের নাম :


     -       রেজর ৮০ ডব্লিউপি (ক্লীন এগ্রো)

     -       লাইক ৪৮ এস এল (সুইট এগ্রোভেট লি:)

     -       ২,৪-ডি উইডার (ম্যাকডোনাল্ড ক্রপ কে: লি: )


🍀🪻২, ৪-ডি সোডিয়াম সল্ট, অথবা ২, ৪-ডি এ্যামাইন সল্টের কাজ :

  -  ২, ৪-ডি সোডিয়াম সল্ট, অথবা ২, ৪-ডি এ্যামাইন সল্ট এই দুইটি উপাদান দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বা চওড়া পাতা জাতীয় উদ্ভিদ নির্মূল করে।


🍀🪻সুবিধা :

  -  এটি ব্যবহারে কেবলমাত্র দ্বিবীজপত্রী #উদ্ভিদ মারে তাই এটিকে একবীজপত্রী ফসলের আগাছা নাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায় ।


  -  এটি কচুরিপানা,টোপাপানা ,ক্ষুদিপানাকে একদম পচিয়ে দেয় তাই মৃত আগাছাকে অন্য জায়াগায় সরানোর প্রয়োজন হয় না।

ইপসম সল্ট (ম্যাগনেসিয়াম সালফেট),,,,,

 ইপসম সল্ট (ম্যাগনেসিয়াম সালফেট)



এপসম সল্ট হচ্ছে একটি রাসায়নিক যৌগ যেখানে ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ও অক্সিজেন রয়েছে। ইপসম সল্ট বা ম্যাগনেশিয়াম সালফেট গাছের জন্য বেশ উপকারী একটি জিনিস। এর ব্যবহার জানা থাকলে গাছের অনেক সমস্যার সহজেই সমাধান করা যায়।


ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে গাছে কিছু লক্ষণ দেখা যায়। যার মাধ্যমে বুঝতে হবে গাছে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হয়েছে। আসুন জেনে নিই লক্ষণ গুলো:

* পুরোনো গাছ ঝিমিয়ে পড়লে

*  টবে বসানো নতুন চারা ঝিমিয়ে পড়লে

* গাছের পাতার রং ফ্যাকাশে বা হলুদ হয়ে গেলে

*  গাছের পাতা কুঁকড়ে গেলে

* গাছের বৃদ্ধি কমে গেলে

* গাছ দুর্বল হয়ে গেলে

*  গাছের ফুল, ফল কম হলে বা ছোট হলে

এইসব লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে গাছে ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের অভাব হয়েছে।


ব্যবহার: ৩ ভাবে এপসম সল্ট গাছে ব্যবহার করা যায়। 


১. স্প্রে এর মাধ্যমে পাতায় ব্যবহার

২. পানিতে মিশিয়ে টবের মাটিতে ব্যবহার

৩. রিপটিং এর সময় সরাসরি মাটিতে ব্যবহার।


১. স্প্রে এর মাধ্যমে পাতায় ব্যবহারের নিয়ম 


এক লিটার পানিতে ১ টেবিল চামচ এপসম সল্ট নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে পাতায় ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।

* মাসে ১ বার। গাছের যতই সমস্যা থাকুক না কেন ১ বারের বেশি স্প্রে করা যাবে না।

* ভোর বেলা অথবা সন্ধ্যার সময় এই স্প্রে করতে হবে।

কখনোই রোদ্রের মাঝে স্প্রে করা যাবে না।


এপসম সল্ট স্প্রে করার ৩ দিন আগে ও ৩ দিন পরে অন্য কোনো সার বা কীটনাশক বা অন্য কোনো কিছু গাছে স্প্রে করা যাবে না।


২. টবের মাটিতে ব্যবহারের নিয়ম 


এক লিটার পানিতে ২ টেবিল চামুচ এপসম সল্ট নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে টবের মাটিতে দিতে হবে।


* অথবা সরাসরি টবের মাটিতেও দেয়া যাবে। সেক্ষেত্রে টবের ওপরের মাটি আগে নিড়ানি (টবের ওপরের মাটি খুঁচিয়ে নেয়া) দিয়ে নিতে হবে। তারপর ১০ ইঞ্চি / ১২ ইঞ্চি টবের জন্য ১ চামচ এবং এর ছোট টবে হাফ চা চামুচ এপসম সল্ট দিতে হবে। এরপর মাটির সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে পানি দিয়ে দিতে হবে।

* মাসে ১ বার ব্যবহার করতে হবে।


৩. রিপটিং এর সময় সরাসরি মাটিতে ব্যবহারের নিয়ম 


রিপটিং শক অর্থাৎ টবে নতুন কোনো চারা বসালে বা পুরোনো কোনো গাছ বড় টবে রিপটিং করার সময় অনেক সময় গাছ ঝিমিয়ে পরে। এটা রিপটিং শকের কারণে হয়ে থাকে।


 ব্যবহারের নিয়ম : প্রতি টবের মাটির সাথে ১/২ চামচ এপসম সল্ট ব্যবহার করতে হবে।


* সব ধরনের গাছে যেমন ইন্ডোর প্ল্যান্ট,আউটডোর প্ল্যান্ট, ফুল গাছ , ফল গাছ , সবজি গাছে দেয়া যাবে।


সতর্কতা:


যে সবজি গুলো সরাসরি বা রান্না করে খাওয়া হয় যেমন বিভিন্ন ধরণের শাক, শশা, ধনিয়া পাতা ইত্যাদি তে এপসম সল্ট স্প্রে না করে মাটিতে দেয়া ভালো।


উপকারিতা :


* গাছের সালোক সংশ্লেষণে ইপসম সল্ট বেশ ভালো কাজ করে।


* এটির প্রয়োগে ফলের মিষ্টতা বাড়ে। সেইসঙ্গে ফল, ফুল ঝরে পড়াও কমায়।


* অনেক সময় টবের মাটি থেকে গাছ নাইট্রোজেন ও ফসফরাস নিতে পারে না। ইপসম সল্ট এ ক্ষেত্রে ভালো মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।


* টবে আগাছা হতে দেয় না।


*  কিছু পোকার আক্রমণের হাত থেকে গাছকে রক্ষা করে, এটি গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।


*গাছের পাতার রং সুন্দর এবং উজ্জ্বল (চকচকে) হয়।


*গাছকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।


*  ফুলের রং গাড়ো এবং উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।


* ফুল ও ফলের আকার বড় হতে সাহায্য করে।


* শিম জাতীয় গাছের পচন রোধ করে ইপসম সল্ট।


🪴 ইপসম সল্ট ৯০ টাকা কেজি 


🪴 ভার্মি কম্পোস্ট ১০ টাকা কেজি 


🪴 হাড়ের গুড়া ৪৫ টাকা কেজি 


🪴 শিং কুচি ৯৫ টাকা কেজি 


🪴 নিম খৈল ৯৫ টাকা কেজি

#তরমুজ_আবাদে_কৃষক_ভাইদের_জন্য_স্প্রে_সিডিউলঃ

 #তরমুজ_আবাদে_কৃষক_ভাইদের_জন্য_স্প্রে_সিডিউলঃ


তরমুজের চারার গজানোর ৭-১০ দিন বয়স হতে ৬-৭ দিন পরপর স্প্রে পর্যায়ে ক্রমে করতে পারেন। 


#প্রথম_স্প্রেঃ

অটোস্টিন৫০ডাব্লিউপি/ 

নোইন৫০ডাব্লিউপি /

ক্যালিবার৫০ডাব্লিউপি /

এমকোজিম৫০ডাব্লিউপি /

গোল্ডাজিম৫০এসসি/

বেনডাজিম৫০ডাব্লিউপি /

আরবা৫০ডাব্লিউপি /

টার্বো৫০ডাব্লিউপি /

সিডাজিম৫০ডাব্লিউপি /

ফরাস্টিন৫০ডাব্লিউপি 


সাথে

ক্লোরোপাইরিফস+সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক 

সেতারা৫৫ইসি

নাইট্রো৫৫ইসি

সাবসাইড৫৫ইসি

এসিমিক্স৫৫ইসি

ক্লোরোসাইরিন৫৫ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১-২ মিলি হারে লিটারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 


#দ্বিতীয়_স্প্রেঃ


#ম্যানকোজেব৬৩%+কার্বেন্ডাজিম১২%) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন-

ম্যানসার ৭৫ ডাব্লিউপি/

কমপ্যানিয়ন ৭৫ ডাব্লিউপি/

কেমামিক্স৭৫ডাব্লিউপি/

কারকোজেব ৭৫ ডাব্লিউপি/

গোল্ড হোপ ৭৫ডাব্লিউপি

যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। সাথে 


#ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

এডমায়ার ২০০এসএল/

ইমিটাফ ২০এসএল/

টিডো ২০এসএল/

গেইন ২০ এসএল/

এডক্লোপ ২০ এসএল/

জাদীদ ২০০ এসএল/

ইমপেল ২০ এসএল/

কৃষক বন্ধু ২০০ এসএল/

কনফিডর ৭০ ডাব্লিউ জি/

গেইন সুপার  ৭০ ডাব্লিউ জি/

টিডো প্লাস ৭০ ডাব্লিউ জি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৬ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন অথবা


#এসিফেট_ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

অটোমিডা ৭০ ডাব্লিউ ডিজি /

কারেন্ট ৭০ ডাব্লিউপি

এসিমিডা ৫১.৮ এসপি

ঝটপট ৫১.৮ এসপি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#তৃতীয়_স্প্রেঃ


#ম্যানকোজেব গ্রুপের যে কোন একটি ছত্রাকনাশক যেমন-

এগ্রিজেব ৮০ডব্লিউ পি

জ্যাজ ৮০ ডব্লিউ পি/

নেমিসপোর ৮০ ডব্লিউ পি/

হেমেনকোজেব ৮০ ডব্লিউ পি/

কাফা৮০ডব্লিউপি/

নেকজেব৮০ডব্লিউপি/

টাইকোজেব৮০ডব্লিউপি/

পেনকোজেব৮০ডব্লিউপি/

ইমপালা৭০ডব্লিউজি/ যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে সকালে অথবা বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। সাথে


#অ্যাসিটামিপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক 

প্লাটিনাম২০এসপি/

তুন্দ্রা২০এসপি/

নাইজ২০এসপি/

বিসমার্ক প্লাস২০এসপি/

মানিক২০এসপি/

চন্দ্রা২০এসপি/

জাফ২০এসপি/

সালভো২০এসপি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#চর্তুথ_স্প্রেঃ 

#বায়ো_এনভির ও 

#বায়ো_ক্লিন দুটোই একসাথে প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 


#পঞ্চম_স্প্রেঃ

এন্ট্রাকল৭০ডাব্লিউপি

ফিয়েস্তা_জেড_৭৮ যে

সাথে

#ক্লোরফেনাপির গ্রুপের কীটনাশক 

ইন্ট্রাপ্রিড১০এসসি 

ডাইমেনশন১২এসসি

ফেনজেট৫০এসসি

পিউনি২০ডাব্লিউডিজি 

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#ষষ্ঠ_স্প্রেঃ

#এসিফেট গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

এসাটাফ৭৫ এসপি/

ফরচুনেট ৭৫ এসপি/

সিনোফেট৭৫ এসপি/

হেসিফেট৭৫ এস পি/

কুইনফেট ৭৫ এসপি/

পিলারফেট ৭৫ এসপি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

অথবা

#স্পাইরোটেট্রামেট গ্রুপের কীটনাশক 

মোভেন্টো১৫০ওডি

একটিক২৪এসসি

ব্রিনকা২৫এসসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

সাথে

#কপার_হাইড্রোঅক্সাইড গ্রুপের বালাইনাশক 

জিবাল৭৭ডাব্লিউপি 

চাম্পিয়ন৭৭ডাব্লিউপি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 


#সপ্তম_স্প্রেঃ 

(এবামেকটি১%+ বেটা সাইপামেথ্রিন২%) গ্রুপের কীটনাশক যেমন-

এমিথ্রিন প্লাস ৩ ডাব্লিউ ডিজি 

ফসথ্রিন ৩ ডাব্লিউ ডিজি 

ভেনজা ৩ ডাব্লিউ ডিজি 

আয়েশা ৩ ডাব্লিউ ডিজি 

একামাইট প্লাস ৩ ডাব্লিউ ডিজি 

বিন্টা ৩ ডাব্লিউ ডিজি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।


সাথে          

(ডাইমেথোমর্ফ৯%+মেনকোজেব৬০%)

একরোবেট এম জেড ৬৯ ডাব্লিউ পি/

হাছিন ৬৯ ডাব্লিউ পি যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ৪ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।


অষ্টম_স্প্রেঃ

#মেনকোজেব_মেটালেক্সিল গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন

#রিডোমিল_গোল্ড 

#করমিল_এমজেড 

#নাজাহ

সাথে


#সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক 

রিপকর্ড১০ইসি/

রেলোথ্রিন১০ইসি/

কট১০ইসি/

সুরক্ষা১০ইসি/

সাইপেরিন১০ইসি/

শেফা১০ইসি/

সানমেরিন১০ইসি/

পেসকিল১০ইসি/

মিমসাইপার১০ইসি/

জেনেথ্রিন১০ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#নবম_স্প্রেঃ

#কপার_অক্সিক্লোরাইড গ্রুপের বালাইনাশক 

সানভিট৫০ডাব্লিউপি 

ব্লিটক্স৫০ডাব্লিউপি 

সালকক্স৫০ডাব্লিউপি 

কপার_ব্লু৫০ডাব্লিউপি যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন

সাথে

এবামেকটি এমামেকটিন বেনজোয়েট গ্রুপের কীটনাশক 

সিয়েনা 

নেইমার 


#দশম_স্প্রেঃ

#বায়ো_শিল্ড ও

#বায়ো_চমক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন।


#একাদশ_স্প্রেঃ

#কার্বেন্ডাজিম_ইপ্রোডিয়ন গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন

শেলটার৫২.৫ ডাব্লিউপি 

হামা৫২.৫ ডাব্লিউপি 

ব্রিপ্রোডাজিম৫২.৫ ডাব্লিউপি 

হাইপ্রোজিম৫০ডাব্লিউপি যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। সাথে

#এমামেকটিন_বেনজোয়েট গ্রুপের কীটনাশক যেমন

প্রোক্লেম৫এসজি

লিভা৫এসজি

সাহাম৫এসজি

ওয়াল্ডার৫এসজি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

কালিগঞ্জ লালমনিরহাট

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দে...