এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫

বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ:- ১। সীমানা নির্ধারন ২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক ৩। পাইলিং ক) পাইল পয়েন্ট সেন্টার করা খ) বোরিং করা গ) খাচা বাধা ঘ) ব্লক দেওয়া ঙ) ওয়েল্ডিং করা চ) খাচা ঢুকানো ছ) ঢালায় ৪। মাটি কাটা ৫। ড্রেসি, লেভেলিং, কম্পেকশন ৬। সোলিং, সিসি ঢালায় ৭। সাটারিং রড বাধায় সহ পাইল ক্যাপ বা ফুটিং ঢালায় ৮। সাটারিং রড বাধায় সহ সট কলাম, ম্যাট ঢালায় ৯। সাটারিং রড বাধায় সহ আন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক ঢালায় ১০। মাটি, বালি ভরাট ও কম্পেকশন ১১। লেভেলিং, সোলিং, সাটারিং রড বাধায় সহ গ্রেডবীম ঢালায়, কিউরিং ১২। বালি ভরাট ও কম্পেকশন ১৩। গ্রাউন ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল ক) রড বাইন্ডিং খ) সাটারিং গ) সল চেক ঘ) ঢালায় ১৪। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং ১৫। গ্রাউন ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ ক) সাটারিং খ) রড বাইন্ডিং গ) লেভেলিং ঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেক চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক ছ) ঢালায় জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া ১৬। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল ক) রড বাইন্ডিং খ) সাটারিং গ) সল চেক ঘ) ঢালায় ১৭। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং ১৮। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ ক) সাটারিং খ) রড বাইন্ডিং গ) লেভেলিং ঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেক চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক ছ) ঢালায় (ছাদের ঢালাইয়ের সময় ইলেকট্রিক পাইপ লাইন গুলো চেক) জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া ১৯। চিলাকুটার কলাম ক) রড বাইন্ডিং খ) সাটারিং গ) সল চেক ঘ) ঢালায় ২০। লিফ্ট মেশিন রুম অভার হেড পানি ট্যাংক ক) সাটারিং খ) রড বাইন্ডিং গ) লেভেলিং ঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেক চ) ঢালায় ছ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া ২১। জলছাদ ক) ছাদ চিপিং খ) পানি দিয়ে ধোয়া গ) চুন ফোটানো ঘ) চুন চালা ঙ) খোয়া, সুরকি, চুন দিয়ে শুকনা অবস্থায় কাটা চ) রসুন, তেতুল, চিটাগুড় মেশানো পানি দিয়ে ভেজানো ছ) কম পক্ষে সাতটা কাটা দেওয়া জ) ভাল ভাবে পচানো ঝ) রেইন ওয়াটার পাইপের দিকে ঢাল দিয়ে বিছানো ঞ) ভাল ভাবে পিটানো ট) হালোট দেওয়া ঠ) সিমেন্ট ও চুন দিয়ে তালের ব্রাস দিয়ে ফিনিশিং দেওয়া ড) খড়, কচুরী পানা চট দিয়ে পানি দিয়ে ছাদ ঠান্ডা রাখা ঢ) প্যরাপেট গাথুনী ও প্লাষ্টার ২২। গাথুনী করা ক) গাথুনীর লে- আউট দেওয়া খ) ক্লাইন্ট লেন্ডওনার দিয়ে চেক গ) ইট ভেজানো ঘ) সঠিক অনুপাতে মসলা মিশানো ঙ) কিউরিং করা ২৩। লিন্টেল ক) সাটারিং খ) রড বাইন্ডিং গ) লেভেলিং ঘ) ঢালায় ঙ) কিউরিং ২৪। ফলস স্ল্যাব ক) সাটারিং খ) রড বাইন্ডিং গ) লেভেলিং ঘ) ঢালায় ঙ) কিউরিং ২৫। লিন্টেল, ফলস স্ল্যাবের উপর গাথুনী ২৬। চৌকাঠ, গ্রীল, রেলিং ফিটিং ক) সল চেক ২৭। ইলেকট্রিক ওয়াল পাইল ও ইস্টীল বক্স ফিটিং ক) গুরুপ কাটা খ) পাইপ জ্যাম গ) ইস্টীল বক্স ফিটিং ২৮। প্লাষ্টার ক) গাথুনী পরিষ্কার ও ভেজানো খ) বালি চালা ও ধৌয়া গ) সঠিক অনুপাতে মসলা মিশানো ঘ) সিলিং, বীম, কলাম চিপিং ঙ) প্লাষ্টার চ) কিউরিং ২৯। টাইলস চয়েজ ক্লাইন্ট, ল্যান্ডওনার ৩০। ওয়াল টাইলস ক) স্যানিটারী ইন্টারনাল ওয়ারিং খ) পেসার চেক গ) ভাটিক্যাল পাইপ ঘ) টাইলস ফিটিং ঙ) কিউরিং চ) পয়েন্টিং ৩১। ফ্লোর টাইলস ক) চিপিং খ) পানি দিয়ে ধোয়া গ) ডিস টেলিফোন ক্যাবল দেওয়া ঘ) বাথ রুমের ফ্লোরে স্লোপ দেওয়া ঙ) কিউরিং চ) পয়েন্টিং ৩২। বেসিন সিংক ফিটিং ৩৩। মার্বেল গ্রানাট ফিটিং ৩৪। রং ক) পাথর ও ৩২০ পেপার দিয়ে ঘোষা খ) পরিষ্কার গ) সিলার ঘ) পুটি ঙ) ঘোষা চ) ফাস্ট কোট ছ) সেকেন্ড কোট জ) ফাইনাল কোট ৩৫। পলিশিং ক) ভাল ভাবে ঘোষা খ) আস্তর দেওয়া গ) পুটি কাটা ঘ) পলিশ করা ৩৬। থাই ফিটিং ক) আউটার লাগানো খ) গ্লাস পাল্লা ফিটিং গ) সিলিকন গাম দেওয়া ৩৭। দরজার পাল্লা ফিটিং ৩৮। ইলেকট্রিক ক্যাবল টানা ৩৯। সুইচ সকেট, ব্রকার লাগানো ৪০। গ্রাউন্ট ফ্লোরে ৬"~৮" লাইন টানা ৪১। পিট করা, মিটার পিট, মাষ্টার পিট করা ৪২। বাউন্ডারী ওয়াল করা ৪৩। মেন গেইট লাগানো ৪৪। কোম্পানীর নাম সহ লোগো লাগানো ৪৫। বাগান করা ৪৬। স্যানিটারী ফিটিং ফিকসার লাগানো ৪৭। লিফ্ট, সাব ইস্টেশন, জেনারেটর ফিটিং ৪৮। ওয়াসা কানেকশন ৪৯। ইলেকট্রিক কানেকশন ৫০। ধোয়া পুছা পরিষ্কার করে আনুষ্ঠানিক ভাবে হেন্ড ওভার দেওয়া

 বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ:-


১। সীমানা নির্ধারন

২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক

৩। পাইলিং 

ক) পাইল পয়েন্ট সেন্টার করা

খ) বোরিং করা

গ) খাচা বাধা

ঘ) ব্লক দেওয়া

ঙ) ওয়েল্ডিং করা

চ) খাচা ঢুকানো

ছ) ঢালায়

৪। মাটি কাটা

৫। ড্রেসি, লেভেলিং, কম্পেকশন

৬। সোলিং, সিসি ঢালায়

৭। সাটারিং রড বাধায় সহ পাইল ক্যাপ বা ফুটিং ঢালায়

 ৮। সাটারিং  রড বাধায় সহ সট কলাম, ম্যাট ঢালায়

 ৯। সাটারিং  রড বাধায় সহ আন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক ঢালায়

 ১০। মাটি,  বালি ভরাট ও কম্পেকশন

 ১১। লেভেলিং, সোলিং, সাটারিং রড বাধায় সহ গ্রেডবীম ঢালায়, কিউরিং

 ১২। বালি ভরাট ও কম্পেকশন

 ১৩। গ্রাউন ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল

                ক) রড বাইন্ডিং

                খ)  সাটারিং

                গ) সল চেক

                 ঘ) ঢালায়

 ১৪। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং

 ১৫। গ্রাউন ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ

                ক) সাটারিং

                খ) রড বাইন্ডিং

                 গ) লেভেলিং

                 ঘ) বীম ও ছাদে রড                  ঙ) আউট লাইন চেক

                 চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক

                 ছ) ঢালায়

                  জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া

 ১৬। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল

                ক) রড বাইন্ডিং

                খ)  সাটারিং

                গ) সল চেক

                 ঘ) ঢালায়

 ১৭। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং

 ১৮। ফাস্ট টু সিক্স  ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ

                ক) সাটারিং

                খ) রড বাইন্ডিং

                 গ) লেভেলিং

                 ঘ) বীম ও ছাদে রড                  

ঙ) আউট লাইন চেক

                 চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক

                 ছ) ঢালায়  (ছাদের ঢালাইয়ের সময় ইলেকট্রিক পাইপ লাইন গুলো চেক)                   জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া  

১৯। চিলাকুটার কলাম

                ক) রড বাইন্ডিং

                খ)  সাটারিং

                গ) সল চেক

                 ঘ) ঢালায়

 ২০। লিফ্ট মেশিন রুম অভার হেড পানি ট্যাংক

                ক) সাটারিং

                খ) রড বাইন্ডিং

                 গ) লেভেলিং

                 ঘ) বীম ও ছাদে রড                 

                 ঙ) আউট লাইন চেক

                 চ) ঢালায়                   

                  ছ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া  

২১। জলছাদ

                  ক) ছাদ চিপিং

                   খ) পানি দিয়ে ধোয়া

                    গ) চুন ফোটানো

                    ঘ) চুন চালা

                    ঙ) খোয়া, সুরকি, চুন দিয়ে

                         শুকনা অবস্থায় কাটা

                     চ) রসুন, তেতুল, চিটাগুড়

                         মেশানো পানি দিয়ে

                         ভেজানো

                     ছ) কম পক্ষে সাতটা কাটা

                          দেওয়া

                    জ) ভাল ভাবে পচানো

                    ঝ) রেইন ওয়াটার পাইপের

                         দিকে ঢাল দিয়ে বিছানো

                    ঞ) ভাল ভাবে পিটানো

                     ট) হালোট দেওয়া

                     ঠ) সিমেন্ট ও চুন দিয়ে

                          তালের ব্রাস দিয়ে

                          ফিনিশিং দেওয়া

                     ড) খড়, কচুরী পানা চট দিয়ে

                          পানি দিয়ে ছাদ ঠান্ডা

                           রাখা

                    ঢ) প্যরাপেট গাথুনী ও প্লাষ্টার

 ২২। গাথুনী করা

                ক) গাথুনীর লে- আউট দেওয়া

                খ) ক্লাইন্ট লেন্ডওনার দিয়ে চেক

                গ) ইট ভেজানো

                ঘ) সঠিক অনুপাতে মসলা

                     মিশানো

                ঙ) কিউরিং করা

 ২৩। লিন্টেল

                ক) সাটারিং

                খ) রড বাইন্ডিং

                 গ) লেভেলিং

                 ঘ) ঢালায়

                 ঙ) কিউরিং

 ২৪। ফলস স্ল্যাব                   

                ক) সাটারিং

                খ) রড বাইন্ডিং

                 গ) লেভেলিং

                 ঘ) ঢালায়

                 ঙ) কিউরিং

 ২৫। লিন্টেল, ফলস স্ল্যাবের উপর গাথুনী

 ২৬। চৌকাঠ, গ্রীল, রেলিং ফিটিং

                 ক) সল চেক

 ২৭। ইলেকট্রিক ওয়াল পাইল ও ইস্টীল বক্স ফিটিং

               ক) গুরুপ কাটা

               খ) পাইপ জ্যাম

               গ) ইস্টীল বক্স ফিটিং

 ২৮। প্লাষ্টার

                ক) গাথুনী পরিষ্কার ও ভেজানো

                খ) বালি চালা ও ধৌয়া

                গ) সঠিক অনুপাতে মসলা

                     মিশানো

                 ঘ) সিলিং, বীম, কলাম চিপিং

                 ঙ) প্লাষ্টার

                  চ) কিউরিং

 ২৯। টাইলস চয়েজ ক্লাইন্ট, ল্যান্ডওনার

 ৩০। ওয়াল টাইলস

            ক) স্যানিটারী ইন্টারনাল ওয়ারিং

            খ) পেসার চেক

            গ) ভাটিক্যাল পাইপ

             ঘ) টাইলস ফিটিং

             ঙ) কিউরিং

             চ) পয়েন্টিং

 ৩১। ফ্লোর টাইলস

         ক) চিপিং

         খ) পানি দিয়ে ধোয়া

          গ) ডিস টেলিফোন ক্যাবল দেওয়া

          ঘ) বাথ রুমের ফ্লোরে স্লোপ দেওয়া

          ঙ) কিউরিং

          চ) পয়েন্টিং

 ৩২। বেসিন সিংক ফিটিং

 ৩৩। মার্বেল গ্রানাট ফিটিং

 ৩৪। রং

         ক) পাথর ও ৩২০ পেপার দিয়ে ঘোষা

         খ) পরিষ্কার

          গ) সিলার

          ঘ) পুটি

          ঙ) ঘোষা

           চ) ফাস্ট কোট

           ছ) সেকেন্ড কোট

           জ) ফাইনাল কোট

 ৩৫। পলিশিং

           ক) ভাল ভাবে ঘোষা

           খ) আস্তর দেওয়া

           গ) পুটি কাটা

           ঘ) পলিশ করা

 ৩৬। থাই ফিটিং

           ক) আউটার লাগানো

            খ) গ্লাস পাল্লা ফিটিং

            গ) সিলিকন গাম দেওয়া

 ৩৭। দরজার পাল্লা ফিটিং

 ৩৮। ইলেকট্রিক ক্যাবল টানা

 ৩৯। সুইচ সকেট, ব্রকার লাগানো

 ৪০। গ্রাউন্ট ফ্লোরে ৬"~৮" লাইন টানা

 ৪১। পিট করা, মিটার পিট, মাষ্টার পিট করা

 ৪২। বাউন্ডারী ওয়াল করা

 ৪৩। মেন গেইট লাগানো

 ৪৪। কোম্পানীর নাম সহ লোগো লাগানো

 ৪৫। বাগান করা

 ৪৬। স্যানিটারী ফিটিং ফিকসার লাগানো

 ৪৭। লিফ্ট, সাব ইস্টেশন, জেনারেটর ফিটিং

 ৪৮। ওয়াসা কানেকশন

 ৪৯। ইলেকট্রিক কানেকশন

 ৫০। ধোয়া পুছা পরিষ্কার করে আনুষ্ঠানিক ভাবে হেন্ড ওভার দেওয়া


গাথুনী এবং প্লাস্টারের হিসাব (টাইমলাইনে রেখে দিন)

 গাথুনী এবং প্লাস্টারের হিসাব (টাইমলাইনে রেখে দিন)



১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।

০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।

গাথুনী এর প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।

নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।

০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।

এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।

ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।

* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।

* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।

* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।

* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)

মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm

100 cm = 1 m (মিটার)Convert

1″ = 25.4 mm

1″ = 2.54 cm

39.37″ = 1 m

12″ = 1′ Fit

3′ = 1 Yard (গজ)

1 Yard = 36″

72 Fit = 1 bandil.

রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি

10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta

12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta

16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta

20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta

22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta

25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta

রডের ওজন

৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।

১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।

১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।

১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।

২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।

২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।

২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।

উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .

8 mm -7 feet -1 kg

10 mm -5 feet- 1kg


ফলো দিয়ে সাথে থাকুন।

যৌন মিলনে মেয়েরা কিভাবে পুরুষকে উত্তেজিত করবে?,,,, গাছ গাছড়ার বনাজি ঔষুধ ও কুরআনী চিকিৎসা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যৌন মিলনে মেয়েরা কিভাবে পুরুষকে উত্তেজিত করবে?

----------------------------------------------------------------------------

আপনার সংগীকে বারে বারে চুমু দিন । তার শরিরে আলতভাবে হাত বুলাতে থাকুন । তাকে জরিয়ে ধরে আদর করুন । তার সারা শরিরে চুমু দিতে থাকুন । তাকে আলতভাবে কামড় দিন । এই প্রক্রিয়াগুলো চালিয়ে যান । দেখবেন সে উত্তেজিত হয়ে উঠবে।

প্রথমেই স্ত্রী স্বামীর যৌনতা সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক জ্ঞান রাখতে হবে। তারপর অগ্রসর হবেন।


A) মিলনের প্রস্তুতিঃ

১. বেশিরভাগ মেয়ে সারাদিন কাজের শেষে ঘর্মাক্ত শরীরে স্বামীর সাথে শুতে যায়। কিন্তু স্বামী সর্বদা আশা করে স্ত্রী সতেজ অবস্থায় তার শয্যাসঙ্গী হবে। তাই পরিচ্ছন্ন অবস্থায় বিছানায় যাবে। 


২. সহবাসের রাত্রিগুলিতে সাজসজ্জা ও পোশাকের ব্যাপারে স্বামীর পছন্দের গুরুত্ব দিবে।


৩. অন্যান্য দিনে অন্তর্বাস পরিধান না করলেও সহবাসের রাত্রিতে ব্লাউজের নিচে বক্ষবন্ধনী ও নিম্নাঙ্গে প্যান্টি পরা উচিৎ। এর ফলে স্বামী মিলনে বাড়তি উত্তেজনা অনুভব করে।


৪. যে সব মেয়ের গুপ্তাঙ্গে ঘন চুল আছে, তারা অনেকেই চুল কেটে রাখতে চায়। গুপ্তাঙ্গের চুলের ব্যাপারে স্বামীর ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেবে। স্বামী যদি চুল অপছন্দ করে, তাহলে ছেঁটে রাখবে। আর ইসলাম নিয়ম হচ্ছে ৪০ দিনের ভিতর কাটা।


৫. মুখের গন্ধের ব্যাপারে সচেতন হবে। সম্ভব হলে বিছানায় যাবার আগে দাঁত মেজে নিবে।


B) মিলনের আগেঃ

১. স্বামী উত্তেজিত হলে তার একমাত্র লক্ষ্য থাকে স্ত্রীর যোনিপথে প্রবেশ, অন্য কিছুর ধৈর্য্য তার তখন থাকে না। পর্যাপ্ত প্রেম সত্যেও বেশিরভাগ পুরুষ তখন মধুর প্রেমক্রীড়া করতে পারে না, ফলে মিলনের সময়টা কমে আসে। তাই স্ত্রীর উচিত স্বামীকে কাম চরিতার্থ করার পাশাপাশি প্রেম ক্রীড়ায় উৎসাহিত করা। এজন্য উচিৎ স্বামীকে আলিঙ্গন ও চুম্বনের মাধ্যমে তার ভেতরের প্রেমিক সত্তাকে জাগ্রত করে তোলা।


২. চুম্বনের সময় পরস্পরের জিহ্বা নিয়ে খেলবে, জিহ্বা দিয়ে জিহ্বায় আঘাত করবে। আর স্ত্রীর উচিৎ জিহ্বার লড়াইয়ে জয় লাভ করা এবং স্বামীর মুখের অভ্যন্তরে সূচালো করে জিহ্বা প্রবিষ্ট করে দেওয়া। যৌনাঙ্গের পাশাপাশি মুখের এই মিলন অত্যন্ত আনন্দদায়ক। আর বলা হয়, সহবাসে স্বামীর পুরুষাঙ্গ স্ত্রীতে প্রবেশ করে, আর স্ত্রীর জিহ্বা স্বামীতে প্রবেশ করবে, এই সুন্দর বিনিময়ে অর্জিত হবে স্বর্গসুখ।


৩. সাধারণত দেখা যায়, স্বামী উত্তেজনার বশে স্ত্রীর কাপড় খুলছে, কিন্তু স্ত্রী নিশ্চুপ। পরে স্বামী বেচারাকে নিজের উত্তেজনা বিসর্জন দিয়ে নিজের কাপড় খোলায় মনোযোগ দিতে হয়। কিন্তু স্ত্রীর উচিৎ, স্বামী যখন তার কাপড় খুলবে, তখন ধীরে ধীরে স্বামীর কাপড় খোলার দিকেও মনোযোগ দেওয়া। এই পারস্পরিক সৌহার্দ্য মিলনের আনন্দ যে কতগুণ বাড়িয়ে দেবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।


৪. স্বামীকে যে স্ত্রী উপলব্ধি করাতে পারে যে তার রূক্ষ শরীরও স্পর্শকাতর, সেই প্রকৃত রমণী। স্বামী যেমন স্ত্রীর গায়ে হাত বুলায়, স্ত্রীর স্তন চুম্বন করে, তেমন করে স্ত্রী যদি স্বামীর সর্বাঙ্গে হাত বুলায়, চুম্বন করে, বিশেষ করে বাহুতে, বুকে ও পিঠে। আরেকটি কাজ আছে যা পুরুষকে অত্যন্ত আহ্লাদিত করে, তা হলো তার গলার নিচে ও বুকে চুম্বন।


C) মিলনের সময়ঃ

মিলনের সময় কী করা উচিৎ তা এভাবে ক্রমিক নম্বর দিয়ে বর্ণনা করা সম্ভব নয়, কারণ তা নির্ভর করবে স্বামী ও স্ত্রীর পারস্পরিক বৈশিষ্টের উপর। 

প্রথম কর্মপ্রণালী সকলের জন্যঃ

১. সঙ্গমের সময় স্বামীকে যথা সম্ভব কাছে টেনে রাখবে, যেন বুকের মাঝে মিশিয়ে ফেলতে চাইছে।


২. অধিক পরিমাণে চুম্বন করবে, স্বামীর বাহু, কাঁধ, গলা, মুখে। আর স্বামী যেরূপ স্ত্রীর যোনিতে তার বিশেষ অঙ্গ প্রবেশ করিয়েছে, সেরূপ স্বামীর মুখে চুম্বনের মাধ্যমে গভীরভাবে জিহ্বা প্রবেশ করিয়ে দিবে।


৩. সঙ্গম করা স্বামীর জন্য অত্যত পরিশ্রমের কাজ। তাই মাঝে মাঝে নিবিড় চুম্বনের মাধ্যমে স্বামীকে কিছু মুহূর্তের জন্য বিরতি দিবে।


দ্বিতীয় কর্মপ্রণালী নীরস মেয়েদের জন্য। 

নীরস বলতে যাদের সাথে সহবাসে স্বামী বেশি আনন্দ পায় না। 

১) যদি অনুচ্চ স্তন (যা নির্দেশ করে অল্প যোনিরস), 

২) সাধারণের অধিক ঋতুস্রাব (যা নির্দেশ করে যোনিরসে পুরুষের আনন্দের উপকরণ কামরসের ঘাটতি), 

৩) যোনিমুখে পুরুষের বাহু/পায়ের লোম অপেক্ষা ঘন চুল (যা নির্দেশ করে যোনিপথের স্বাভাবিক কোমলতার অভাব)- বৈশিষ্ট্য তিনটির অন্তত দুইটি থাকে, তবে সেই রমণী নীরস। 


নীরস রমণীর করণীয়ঃ

১. স্বামী যদি খর্ব হয় (পুরুষাঙ্গ পাঁচ আঙ্গুলের কম), তাহলে কোন সমস্যা নেই, বরং স্বামী পুর্ণাঙ্গ আনন্দ পাবে। তাই দুশ্চিন্তা না করে সহবাসে মনোনিবেশ করবে।


২. স্বামী সাধারণ হলে (পুরুষাঙ্গ ছয় সাত ইঞ্চি দীর্ঘ) স্ত্রীর উচিৎ হবে সহবাসের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়া, তা না হলে স্বামীকে সম্পূর্ণ সুখ দিতে পারবে না। নিজে নিজেকে সুরসুরি দিলে অনুভূতি কম হয়, কিন্তু অন্য কেউ দিলে অধিক অনুভব করা যায়, সেরূপ স্ত্রী যদি নিজে কোমর চালনা করে সহবাস কার্য চালায়, তাহলে স্বামীর অধিক আনন্দ হয়।


⭕ সব মহিলাদের কাছে এটা পৌঁছান যাতে করে তারা পুরুষকে উত্তেজিত করতে পারে।

⭕ এটি শেয়ার করতে লজ্জা করবেন না। ধন্যবাদ

✅ বিঃদ্রঃ পোষ্ট টা কেমন লেগেছে আপনার? কমেন্ট (Comment) করতে ভুলবেন না যেন।

#গাছ_গাছড়ার_বনাজী_ঔষধ_ও_কোরআনী_চিকিৎসা #লাইক #গুডলাইফ 

#everyone #everyonefollowers #everyonehighlights #entertainment #followers #পেজে #লাইক #কমেন্ট #শেয়ার করে পাশে থাকুন।

https://www.facebook.com/gacha.gacharar.banaji.ausadha

মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে চলুন

 মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে, তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন। যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন। বলতে চাইবেন না। কথা বলতে চাওয়া , দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা, তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।


একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।


 "তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই..."হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক, সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না। 


অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।

আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা। 

নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।

"অনুভূতি দিয়ে কিছু হয় না। মনের ভাব প্রকাশের জন্য শব্দ প্রয়োজন, বাক্য প্রয়োজন।" ছোটোবেলার পড়া এই সহজ ব্যাকরণ টা এইবারে আয়ত্ব করে নিন। ঝগড়াঝাটির স্কিলটা নিজে থেকেই কমিয়ে দিন। শব্দ-বাক্যের ঘনঘটা কমে আসলে মন খারাপগুলো থিঁতিয়ে যায়।


নিজের কাছে পরাজিত হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারলে দেখবেন এই উঠে দাঁড়ানোটা ভয়ঙ্কর শক্ত ।  এর মধ্যে ছিঁটেফোঁটা বাড়তি ইমোশন থাকবে না।

যেখানে আপনি গুরুত্ব পাচ্ছেন না সেখান থেকে চুপচাপ সরে আসুন। ঈগলের মতো সাহস করে সম্পর্কের সুতো গুলো এক এক করে নিজেই ছিঁড়ে ফেলুন। কোনো মেকি বাঁধন রাখবেন না। যে কাজটা করতে যাচ্ছেন তাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন জেনেও করুন একটা সুন্দর ভবিষ্যতের দায়ে। নিজের শান্তি বজায় রাখার জন্য একপ্রকার মরিয়া হয়ে উঠুন।

এক বুড়োর বুড়ো না হওয়ার গল্প :======

 এক বুড়োর বুড়ো না হওয়ার গল্প :=======


আমি বুড়ো হতে চাই না। এই বুড়ো টুড়ো আমার একদম না-পসন্দ । কিন্তু পৃথিবীটা এত জোরে ঘুরছে যে ফট করে এক একটা বছর পেরিয়ে যাচ্ছে । বয়স Naturally  বেড়ে যাচ্ছে । বয়সের পেছনে লাথি মারতে ইচ্ছে করছে। 


এই কারনে সকালে ঘুম থেকে ওঠেই প্রথমে বিছানা কে কষে একটা লাথি মারি। ওই বিছানা টা বহুত শয়তান। বলে -- আরে,  আর একটু শুয়ে থাকো। আরাম করো। আমি কিন্তু বেশ ভালোই জানি --- আরাম হারাম হ্যায় ! যত আরাম --তত বুড়ো । 


অনেক ভেবে আমি একটা ফর্মুলা বের করেছি। ফর্মুলা টা খুব Simple ----সব সময় ভাবতে হবে :: Hey man,  never become old-- you are always ever green gold. 


Practically বয়স বাড়বে কিন্তু Mentally বয়স কে রুখে দেয়া যায় । সবুজ রঙে নিজেকে মাখিয়ে নেয়া যায় । বয়স সত্তর তো মন  পঁচিশ । খূব সোজা। গাছ গাছালি করো-- নিন্দা থেকে সরো-- বউকে জড়িয়ে ধরো-- হঠাও যত বাজে -- শরীর লাগাও কাজে ! 


উঠতি বয়সের সবুজ ছেলে মেয়ে গুলো দাদু ডাকলে ব্যথা পাই। উনিশ বছরের লাস্যময়ী মেয়েকে বলি -- শোনো অনন্যা, তুমি আমাকে ভালোবাসবে ? নির্বিষ মিশবে ? এই বুড়োর হাত ধরবে ? এক ঘন্টা আমার সাথে গল্প করবে ? আমাকে পঁচিশে ফেরাতে পারবে ? যদি পারো তবে " দাদু" ডাকো হাজার বার -- আপত্তি নেই ! 


আমার পাঁচ বছরের দুষ্টু নাতনি আমাকে বলে --- এই পিন্টু, চলে এসো। খাবার রেডি। 

আমি বেশ খুশি হই।  বলি -- আসছি দিদি -- এই আসছি। এত ভালো লাগে " পিন্টু " ডাকটা , কী বলবো ! সবুজ হয়ে যাই ।

এভাবে ইয়াং থাকি। হলদেটে হই না। সবুজে ভরপুর। কাটছে সকাল দুপুর , --মেজাজে । 


এখনো ধান্দা করি-- টাকার। Monthly  extra money-- সবচেয়ে দামি honey  !  পকেটে টাকা তো মনটা ফুরফুরে-- বয়স যায় উড়ে -- বউ ভালোবাসে -- পুত্রবধূ চা নিয়ে আসে -- পুত্র পাশে বসে -- ছোট্ট নাতনি খিলখিলিয়ে হাসে । 


যে গোমড়া, সে একটা বোকা দামড়া। সংসারে হাসতে হয়। যতই বুড়ি হোক , বউ কে জড়িয়ে ধরতে হয় । ছেলেকে বলতে হয় -- আগে আমি তোর বন্ধু, তারপর বাপ -- পুত্রবধূ কে বলতে হয় :: তুই আমার exactly  ভালো মেয়ে , কোন মাছ তোর খেতে ভালো লাগে , বলে দে , আজ বাজার থেকে সেই মাছ -ই আনবো ! আর নাতনি কে বলতে হয় -- বড় দি , তোমার একটা খেলনা চাই ? 

     


    আশ্চর্য! এভাবে বেঁচে দেখেছি -- বয়স যত বাড়ছে -- আমি তত ইয়াং হচ্ছি -- হতাশা সরছে-- আকাশ পরিস্কার-- বয়স পালাচ্ছে দুদ্দাড়! 

    বলেছিলাম না , বয়সের পেছনে লাথি ! মারতে পেরেছি ভাই। 


আমার সত্তর বছর" বয়স" টা বলছে -----তুই শালা নাম্বার ওয়ান নচ্ছার-- ছেড়ে দে -- আমি পালাই ! বাপরে তোর কী দম ! তুই শালা বয়সের যম ! চালিয়ে যা ! 


এ কথা সত্যি-- শরীর কে বিশ্বাস নেই। কখন যে নাভিশ্বাস উঠবে। আছে কোনো  Fixed Date!!

তাই ভাই বোনেরা, আর করবেন না লেট।  আমার সামান্য বুদ্ধি-বোধ -- তবুও সনির্বন্ধ অনুরোধ-- ভালো লাগলে কথা গুলো নিয়ে নিন , আর ভালো না লাগলে , এই শালা বুড়োকে ছুঁড়ে ফেলে দিন। 


দিচ্ছি না উপদেশ

আপাতত কথা শেষ -----------।              

------------------------ চলি  !!

সংগৃহীত

সুচিত্রা সেন উত্তমকুমার কে বললেন " তোকে আর একবার বানিয়ে দিই বল"? সেই মুহূর্তে উত্তমকুমার 

 সুচিত্রা সেন উত্তমকুমার কে বললেন " তোকে আর একবার বানিয়ে দিই বল"? সেই মুহূর্তে উত্তমকুমার নিজের প্রাণখোলা হাসি আর চাপতে পারলেন না। বললেন " আরে না,তোর সঙ্গে এমনি মজা করছিলাম। তুই কি আজকাল মজা- টজাও বুঝিস না,তোর চায়ে চুমুক দিলেই মন তোফা"। উত্তমকুমারের মুখে চায়ের প্রশংসা শুনে সুচিত্রা সেনের মুখে মুক্তঝরা হাসি, মনে হত সেই হাসিতে মেকআপ রুমে চাঁদের হাসি বাঁধ ভেঙেছে।


উত্তম- সুচিত্রা বাংলা চলচ্চিত্রের চিরকালের ব্লক বাস্টার জুটি। উত্তমকুমারের সাথে সুচিত্রা সেনের 'তুই' এর সম্পর্ক । হয়ত এমন হয়েছে কোনওদিন শ্যুটিং থাকলে তারা মেকআপ রুমে গল্প করছেন। হঠাৎ সুচিত্রা সেনের চা খাওয়ার ইচ্ছা হয়েছে। উত্তমকুমারের কাছে জানতে চাইলেন, উত্তম তুই চা খাবি? উত্তমকুমার সম্মতি জানালেন। সুচিত্রা সেন বাইরের চা খেতে একদম পছন্দ করতেন না। সেজন্য গরম জল,চা পাতা,দুধ চিনি এইসব রেডি করে রাখা হত। স্টুডিওতে তাঁর জন্য আলাদা করে চা তৈরি হত। চায়ের কাপ- প্লেটের ব্যাপারেও তিনি খুব খুঁতখুঁতে ছিলেন। টি পট, চায়ের কাপ, ডিশ দুধ চিনি সুন্দর করে একটা ট্রেতে নিয়ে আসা হত।


 সুচিত্রা সেন নিজের হাতে চা বানিয়ে  উত্তমকুমার কে জিজ্ঞেস করতেন তাঁর কতটা দুধ, কতটা চিনি লাগবে। চা তৈরির পরে উত্তমকুমারের দিকে চা এগিয়ে কৌতুহলী দৃষ্টিতে প্রশ্ন ,খেয়ে দেখ তো কেমন হয়েছে। বলা বাহুল্য এই মুহূর্তটা মহানায়ক ধরতে জানতেন। তিনি জানতেন চা টা যদি খারাপ হয়েছে বলেন তাহলে সুচিত্রা সেনের মুখের অভিব্যক্তি বদলে যাবে।  


কোনওদিন সত্যি সত্যি রসিকতা করার জন্য চায়ে চুমুক দিয়ে উত্তমকুমার বললাম,ধুস এ চা মুখে দেওয়া যায় না। ব্যাস মুহুর্তের মধ্যে সুচিত্রা সেনের মুখ যেন আষাঢ়ের মেঘ। এইরকম অজস্র ঘটনার সাক্ষী উত্তমের অনুজ তরুণ কুমার। তাঁর কথায় রমাদির সম্মান,যশ, অর্থ কোনও কিছুর অভাব ছিল না। কিন্তু মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের মূল্যবোধ তিনি সযত্নে রক্ষা করতেন। অভিজাত পরিবারের বউ হিসেবে তাঁর চলাফেরা, কথাবার্তা, আতিথেয়তা সব বিষয়ে তিনি ব্যতিক্রমী একজন নারী। তরুণ কুমার বলেছেন তিনি প্রিয় রমাদি'র বাড়িতে গেলে তাঁকে নিয়ে কি করবেন ভেবে পেতেন না। শুধু বলতেন বুড়ো এটা খাও,ওটা খা। নিজের বাড়িতে কতবার তাঁকে চা করে খাইয়েছেন সুচিত্রা সেন।

.ভুলে যাবো -আমি আর্য, ভুলে যাবো -আমি ১৭৫৭, ভুলে যাবো -আমি ১৮৫শিরো}নাম :রিসেট  কলমে :খুরশিদ আলম ৭, হাজী শরীয়ত উল্লাহ, তিতুমীর, প্রীতিলতা।

 

০৭/০১/২০২৫

......................

.

ভুলে যাবো -আমি আর্য,

ভুলে যাবো -আমি ১৭৫৭,

ভুলে যাবো -আমি ১৮৫শিরো}নাম :রিসেট  কলমে :খুরশিদ আলম ৭,

হাজী শরীয়ত উল্লাহ,

তিতুমীর, প্রীতিলতা।

আমি ভুলে শিরোনাম :রিসেট 


কলমে :খুরশিদ আলম

০৭/০১/২০২৫

......................


ভুলে যাবো -আমি আর্য,

ভুলে যাবো -আমি ১৭৫৭,

ভুলে যাবো -আমি ১৮৫৭,

হাজী শরীয়ত উল্লাহ,

তিতুমীর, প্রীতিলতা।

আমি ভুলে যাবো -ফাঁসির মঞ্চে হাস্যজ্জ্বল কিশোর ক্ষুদিরাম।


বাঁশের কেল্লা ভুলে যাবো,

সৈয়দ আমির আলী ভুলে যাবো,

আমি সব ভুলে যাবো।

আমি ভুলে যাবো -সাঁওতাল বিদ্রোহ,

আমি ভুলে যাবো -রবীন্দ্রনাথ,

আমি ভুলে যাবো -মাস্টার দা সূর্যসেন,

আমি ভুলে যাবো -বাবরি চুলের বিদ্রোহী আমি নজরুল।


আমি ভুলে যাবো -লাহোর প্রস্তাব,

শের-ই বাংলা ফজলুল হক,

ভাসানি,

সোহরাওয়ার্দি।

সব ভুলে যাবো, সব।

আমি রিসেট দিয়ে আমার শিকড় ভুলে যাবো।

আমি ৪৭, ৪৮, ৫৪ ভুলে যাবো,

আমি ভুলে যাবো -তুখোড় স্লোগান ছিলাম আমি ৫৩ তে, ৫৪ তে, ৬৬ তে আর ৬৯ -এ।


যদি জন্ম ভুলে থাকা যায় -

আমি আমার জন্ম ভুলে যাবো,

আমার শুক্রাণু -ডিম্বাণু ভুলে যাবো।

আমি ছিলাম ৭০ এর নির্বাচন,

৭ই মার্চের সেই স্বাধীনতার বজ্রকণ্ঠ ডাক।

আমি ভুলে যাবো ত্রিশ লক্ষ সবুজ,

আমি ভুলে যাবো ১৬ই ডিসেম্বর,

আমি আমার মা'কে ভুলে যাবো,

যদি ভুলে থাকা যায়?


আমাকে রিসেট দিয়ে দাও,

আমি ভুলে যাই -

আমি-ই তোমাদের পিতা,

আমি-ই তোমাদের স্বাধীনতা,

আমি-ই তোমাদের শেখ মুজিবুর রহমান,

আমি-ই তোমাদের বাংলাদেশ। -ফাঁসির মঞ্চে হাস্যজ্জ্বল কিশোর ক্ষুদিরাম।


বাঁশের কেল্লা ভুলে যাবো,

সৈয়দ আমির আলী ভুলে যাবো,

আমি সব ভুলে যাবো।

আমি ভুলে যাবো -সাঁওতাল বিদ্রোহ,

আমি ভুলে যাবো -রবীন্দ্রনাথ,

আমি ভুলে যাবো -মাস্টার দা সূর্যসেন,

আমি ভুলে যাবো -বাবরি চুলের বিদ্রোহী আমি নজরুল।


আমি ভুলে যাবো -লাহোর প্রস্তাব,

শের-ই বাংলা ফজলুল হক,

ভাসানি,

সোহরাওয়ার্দি।

সব ভুলে যাবো, সব।

আমি রিসেট দিয়ে আমার শিকড় ভুলে যাবো।

আমি ৪৭, ৪৮, ৫৪ ভুলে যাবো,

আমি ভুলে যাবো -তুখোড় স্লোগান ছিলাম আমি ৫৩ তে, ৫৪ তে, ৬৬ তে আর ৬৯ -এ।


যদি জন্ম ভুলে থাকা যায় -

আমি আমার জন্ম ভুলে যাবো,

আমার শুক্রাণু -ডিম্বাণু ভুলে যাবো।

আমি ছিলাম ৭০ এর নির্বাচন,

৭ই মার্চের সেই স্বাধীনতার বজ্রকণ্ঠ ডাক।

আমি ভুলে যাবো ত্রিশ লক্ষ সবুজ,

আমি ভুলে যাবো ১৬ই ডিসেম্বর,

আমি আমার মা'কে ভুলে যাবো,

যদি ভুলে থাকা যায়?


আমাকে রিসেট দিয়ে দাও,

আমি ভুলে যাই -

আমি-ই তোমাদের পিতা,

আমি-ই তোমাদের স্বাধীনতা,শিরোনাম :রিসেট 


কলমে :খুরশিদ আলম

০৭/০১/২০২৫

......................


ভুলে যাবো -আমি আর্য,

ভুলে যাবো -আমি ১৭৫৭,

ভুলে যাবো -আমি ১৮৫৭,

হাজী শরীয়ত উল্লাহ,

তিতুমীর, প্রীতিলতা।

আমি ভুলে যাবো -ফাঁসির মঞ্চে হাস্যজ্জ্বল কিশোর ক্ষুদিরাম।


বাঁশের কেল্লা ভুলে যাবো,

সৈয়দ আমির আলী ভুলে যাবো,

আমি সব ভুলে যাবো।

আমি ভুলে যাবো -সাঁওতাল বিদ্রোহ,

আমি ভুলে যাবো -রবীন্দ্রনাথ,

আমি ভুলে যাবো -মাস্টার দা সূর্যসেন,

আমি ভুলে যাবো -বাবরি চুলের বিদ্রোহী আমি নজরুল।


আমি ভুলে যাবো -লাহোর প্রস্তাব,

শের-ই বাংলা ফজলুল হক,

ভাসানি,

সোহরাওয়ার্দি।

সব ভুলে যাবো, সব।

আমি রিসেট দিয়ে আমার শিকড় ভুলে যাবো।

আমি ৪৭, ৪৮, ৫৪ ভুলে যাবো,

আমি ভুলে যাবো -তুখোড় স্লোগান ছিলাম আমি ৫৩ তে, ৫৪ তে, ৬৬ তে আর ৬৯ -এ।


যদি জন্ম ভুলে থাকা যায় -

আমি আমার জন্ম ভুলে যাবো,

আমার শুক্রাণু -ডিম্বাণু ভুলে যাবো।

আমি ছিলাম ৭০ এর নির্বাচন,

৭ই মার্চের সেই স্বাধীনতার বজ্রকণ্ঠ ডাক।

আমি ভুলে যাবো ত্রিশ লক্ষ সবুজ,

আমি ভুলে যাবো ১৬ই ডিসেম্বর,

আমি আমার মা'কে ভুলে যাবো,

যদি ভুলে থাকা যায়?


আমাকে রিসেট দিয়ে দাও,

আমি ভুলে যাই -

আমি-ই তোমাদের পিতা,

আমি-ই তোমাদের স্বাধীনতা,

আমি-ই তোমাদের শেখ মুজিবুর রহমান,

আমি-ই তোমাদের বাংলাদেশ।

আমি-ই তোমাদের শেখ মুজিবুর রহমান,

আমি-ই তোমাদের বাংলাদেশ।

50  বছরে "অমানুষ" (𝗔𝗠𝗔𝗡𝗨𝗦𝗛)

 50 বছরে "অমানুষ" (𝗔𝗠𝗔𝗡𝗨𝗦𝗛) =====================মহানায়ক এর প্রথম মুম্বাই যাত্রা যদি ভুলে যাই, উত্তম কুমারের প্রথম একক মুক্তি যা হিট হয়েছিল। হিন্দি দর্শক উত্তম কুমারকে গ্রহণ করবে কিনা সে সম্পর্কে পরিচালক আগে নিশ্চিত ছিলেন না ,কিন্তু মুক্তির পরে এটি খুব স্পষ্ট ছিল যে দর্শকরা অমানুষ-এ উত্তম কুমারকে পছন্দ করেছেন। 

এই সিনেমার সবচেয়ে বড় সম্পদ হল উত্তম কুমার যার দুর্দান্ত অভিনয় আজও মনকে ছুঁয়ে যায়, তার সাথে শর্মিলা ঠাকুরকে খুব ভালো মানিয়েছিল। ছবিতে খলনায়কের ভূমিকায় মহান অভিনেতা  উৎপল দত্তের আরেকটি দুর্দান্ত অভিনয়(শক্তি সামন্তের ছবিতে  উৎপল দত্তের ভিলেনের সাথে সাথে যে কমেডি টাইমিং গুলো  অসাধারণ লাগে)। অনিল চ্যাটার্জিও সহানুভূতিশীল পুলিশ হিসাবে ভালো লাগে । সাপোর্টিং কাস্ট সবই শক্তি সামন্তের ছাপ ছিল। যাদের আমরা তার সমস্ত ছবিতে দেখে আসি।

এখনো টিভির পর্দায় যখনই ছবিটা দেয় আর যখনই 


এই গানটি হয় তখন এমনি চোখ আটকে যায়....


https://youtu.be/-eUfoCFyLn8?si=m4gRxLE_RYY0W9Ud


📌ছবিটির মূল কাহিনীকার শক্তিপদ রাজগুরু। তিনি দীর্ঘদিন সুন্দরবনের বাদাবন এলাকায় ছিলেন। সেখানকার মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনকে তুলে ধরেছিলেন তার "নয়া বসত" উপন্যাসে। সেই উপন্যাস থেকেই শক্তি সামন্ত এই ছবি তৈরি করেন। ছবিটি বাংলা এবং হিন্দি দুটি ভাষায় আলাদা করে তৈরি হয়। দুুুুটো চলচ্চিত্রই ভাল সফল হয়েছিল। ছবিটি "এদুরিতা" নামে তেলুগু ভাষাতেও রিমেক হয়েছিল। নায়কের ভূমিকায় ছিলেন বিখ্যাত এন টি রামা রাও।


✴️এই ছবিটির শুটিং হয়েছিল সুন্দরবনের সন্দেশখালিতে। যে গ্রামে শুটিং হয়েছিল তার নাম ভাঙাতুষখালি। চলচ্চিত্রে সেই গ্রামের নাম দেখানো হয়েছিল ধনেখালি। শুটিং এর প্রয়োজনে এখানে প্রায় চল্লিশখানি ঘর, জমিদারবাড়ি, ডাক্তারখানা, বাজার, রাধাগোবিন্দর মন্দির, থানা , স্কুল তৈরি হয়। সেই রাধাগোবিন্দর মন্দির এবং উত্তমকুমার যে কাঠের বাংলোটীতে থাকতেন সেটি আজও আছে। আছে সেই লঞ্চটিও। শুটিং চলাকালীন সহজেই গ্রা্মের লোকের সাথে মিশে যেতেন উত্তমকুমার। বাচ্চাদের কোলে নিতেন। মানুষকে অর্থ দিয়ে সাহায্য পর্যন্ত করেছেন। তাই তো আজও ২৪ শে জুলাই তাঁর মৃত্যুদিনে সেখানে তার ছবিতে মালা দেয়া হয়, হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।


✴️যখন শক্তি সামন্ত বাংলা এবং হিন্দি উভয় ভাষায় অমানুষ ছবিটি করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন রাজেশ খান্না শক্তি সামন্তকে , হিন্দিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কিন্তু রাজেশ খান্না খুব ব্যস্ত থাকায়  হিন্দি সংস্করণের শুটিং কয়েক মাস লেট করতে বলেছিলেন, কিন্তু শক্তি জি,ভেবেছিলেন যে উত্তম কুমার নিজেও হিন্দি সংস্করণে অভিনয় করলে তিনি উভয় সংস্করণ সহজেই তৈরি করতে পারবেন। রাজেশ খান্না শুধুমাত্র তারিখ সংক্রান্ত সমস্যার কারণে এই ভূমিকা হারানোর জন্য খুব হতাশ হয়েছিলেন।


✴️মুম্বাইয়ের বরখা সিনেমায় মুক্তির সময় একটি শো চলাকালীন পর্দায় আগুন ধরে যায়।


✴️প্রধান চরিত্রের জন্য শত্রুঘ্ন সিনহাকে যোগাযোগ করা হয়েছিল, কিন্তু করতে পারেননি।


#DevD

  ৬৬৭ ২০১২ সালের অক্টোবরে>, তিনি "রেড বুল স্ট্রাটোস" মিশনের অংশ হিসেবে পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৯ কিলোমিটার ওপরে হিলিয়াম বেলুনের সাহায্যে উঠেন। প্রায় ৩৯ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে পৃথিবীর দিকে ঝাঁপ দেন। এই উচ্চতা ছিলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তর যেখানে আকাশ পুরোপুরি কালো আর পৃথিবীকে অনেকটাই ক্ষুদ্র আর গোলাকৃতির দেখা যায়।


এই অভিযানের জন্য ফেলিক্সকে ছয় বছর ধরে প্রস্তুতি নিতে হয়েছিল। প্রথমে ভেবে ছিল এই ট্রেনিং মাত্র দুই বছরে শেষ হবে, কিন্তু ক্যাপসুল ও স্যুট তৈরি এবং অন্যান্য প্রস্তুতির জটিলতার কারণে সময় অনেক বেশি লেগে যায়। তার জন্য একটি বিশেষ হেলিয়াম বেলুন তৈরি করা হয়েছিল, যা ৩৩টি ফুটবল মাঠের সমান বড় ছিল। বেলুনটি এতই নাজুক ছিল যে এটা কন্ট্রোলের জন্য ২০ জন লোকের সাহায্য লাগত।


তার স্যুটটিও ছিলো খুব বিশেষভাবে তৈরি করা কারণ এটি ঠান্ডা (মাইনাস ৭২° সেলসিয়াস) থেকে তাকে বাঁচাবে এবং শরীরের ভেতরে চাপ বজায় রাখবে।। কিন্তু স্যুটটি ছিল খুব অস্বস্তিকর। পরে তাকে অনেকটা সময় শ্বাস নিতে কষ্ট হতো, কারণ এটা বাইরের জগৎ থেকে তাকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রাখত। স্যুটের ভেতরে এতটা সময় কাটানোর মানসিক প্রস্তুতি নিতে তাকে অনেক মাস ধরে মানসিক ও শারীরিক প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে।


ঝাঁপ দেওয়ার পর প্রথম কয়েক মিনিট ছিল সবচেয়ে কঠিন। লাফ দেওয়ার পর প্রথমে তিনি স্বাভাবিকভাবে পড়তে থাকেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার শরীর একদিকে ঘুরতে শুরু করে এবং তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এরপর তিনি বিপরীত দিকে ঘুরতে থাকেন, এবং ক্রমশ এই ঘোরার গতি খুব বেশি বেড়ে যায়। এই সময় তার জন্য পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে, কারণ এত উচ্চতায় ঘোরার কোনো প্রোটোকল বা পূর্ব অনুশীলন ছিল না।


কিন্তু যখন তিনি বায়ুমণ্ডলের ঘন স্তরে যা আর্মস্ট্রং লাইন নামে পরিচিত সেখানে প্রবেশ করেন, তখন বাতাসের চাপ বাড়তে থাকে। সেই ঘন বাতাস তাকে শরীরের ঘূর্ণন বন্ধ করতে এবং স্থির হতে সাহায্য করে। এই সময় তার গতি ছিল শব্দের গতির চেয়েও বেশি, প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৮৪৪ মাইল প্রতি ঘণ্টা (১৩৫৭ কিমি/ঘণ্টা) যা শব্দের গতির চেয়ে ৭৫ মাইল বেশি। এটি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যক্তি যিনি অভিকর্ষ বলের প্রভাবে শব্দের গতিবেগের থেকেও দ্রুত চলেছিলেন।

তোমরা ভুলেই গেছ মল্লিকাদির নাম - অভিনন্দন -                  শুভ জন্মদিন            শিল্পী ফরিদা পারভীন

 তোমরা ভুলেই গেছ মল্লিকাদির নাম -


অভিনন্দন -


                 শুভ জন্মদিন

           শিল্পী ফরিদা পারভীন

---------------------------------------------------

শিরোনামে উল্লিখিত হৃদয়ে ঝড় তোলা ওই এক গানেই বাজিমাত।ব্যস, রাতারাতি বিখ্যাত বনে যান শিল্পী ফরিদা পারভীন।  


জন্ম বনলতা সেনখ্যাত নাটোরের সিংড়া থানার শাওঁল গ্রামে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ সালে।


শাওঁল হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সুন্দর একটি গ্রাম 'কলম' এর অংশ।কলম গ্রামের মতো এত সুন্দর গ্রাম নাকি আজো তামাম উত্তরবঙ্গে নেই।


এই প্রসঙ্গে ঐ অঞ্চলের একটি ছন্দ-প্রবাদের উদ্ধৃতি দেয়া যেতে পারে - 'বিল দেখতে চলন, গ্রাম দেখতে কলম'। সেই সুন্দর গ্রামাঞ্চলেই তাঁর জন্ম। 


ফরিদা পারভীন বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য কণ্ঠশিল্পী। তিনি মূলত পল্লীগীতি গেয়ে থাকেন বিশেষ করে লালন সঙ্গীতের জন্য বেশি জনপ্রিয়। জন্ম নাটোরে হলেও বড় হয়েছেন কুষ্টিয়ায়।


১৯৬৮ সালে তিনি রাজশাহী বেতারে নজরুল সঙ্গীতের জন্য নির্বাচিত হন। নজরুলসঙ্গীত দিয়ে শুরু করলেও তিনি পরবর্তীতে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন ১৯৭৩ সালের দিকে।


প্রখ্যাত গীতিকার, অধ্যাপক ও কন্ঠশিল্পী আবু জাফর তাঁর প্রথম স্বামী। একপর্যায়ে ছিঁড়ে যায় সম্পর্কের সে সূতো। পরবর্তীতে বিশিষ্ট বাঁশিশিল্পী গাজী আবদুল হাকিমের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। 


দীর্ঘদিনের নিরলস সাধনা ও পথ পরিক্রমায় বাংলাদেশের পল্লীগীতি ও লালনগীতিকে যে তিনি দেশে বিদেশে উচ্চ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই।


ফেসবুক পরিবারের পক্ষে তাঁর জন্য রইল শুভ কামনা আজকের এই বিশেষ দিনটিতে।


-- মেসবা খান

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...