এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

ছবিতে দেখা যাচ্ছে রকেটের মত একটি জাহাজ জঙ্গলে পরিত্যক্ত পড়ে আছে ! 

 ছবিতে দেখা যাচ্ছে রকেটের মত একটি জাহাজ জঙ্গলে পরিত্যক্ত পড়ে আছে ! 

এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের হাইড্রোফয়েল জাহাজ "রাকেটা", যা বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে প্রযুক্তিগত দক্ষতার এক অনন্য উদাহরণ। ১৯৫৭ সালে এটি বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল হাইড্রোফয়েল হিসেবে চালু হয়। রাশিয়ান শব্দ "রকেট" থেকে নামকরণ করা এই জাহাজ স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত উদ্ভাবন ও অগ্রগতির প্রতীক হয়ে উঠেছিল।


হাইড্রোফয়েল প্রযুক্তি হলো এমন এক ধরনের প্রযুক্তি যা কোনো জাহাজকে পানির নিচে ডানা ব্যবহার করে পানির উপরে দ্রুতগতিতে চলতে সাহায্য করে। ফলে ঘর্ষণ কমে গিয়ে অনেকটা স্মুথলি এসব নৌযানগুলো চলতে পারতো ! বিশ্বের সর্বপ্রথম সফল  হাইড্রোফয়েল "Raketa"  ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতি তুলতে পারত। মানে পানির উপরে এটি একরকম উড়ত বলা যায় ! এর ভিতরে ছিল আধুনিক, প্রশস্ত কেবিন, প্যানোরামিক জানালা, এবং হালকা অ্যালুমিনিয়ামের কাঠামো। এটি শক্তিশালী ডিজেল ইঞ্জিন দ্বারা চালিত হত, যা এটিকে দ্রুত এবং কার্যকর করে তুলত। তখনকার যুগে এসব শুধু সোভিয়েত ইউনিয়নেই যেন সম্ভব ছিল! রাকেতা জাহাজগুলো প্রধানত ভলগা এবং দিনিপার নদীর মতো বড় নদীগুলিতে ব্যবহার হত, যা শহর ও গ্রামগুলোর মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করত। 


কেন হারিয়ে গেল রাকেটা? 


অত্যন্ত দ্রুতগতির হওয়ার কারণে ঘন্টা প্রতি এটির জ্বালানি কনজামপশন ছিল অনেক বেশি। তাছাড়া এর রক্ষণাবেক্ষণের জটিলতাও ছিল এবং আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামার কারণে ২০ শতকের শেষভাগে এগুলোর জনপ্রিয়তা কমে যায়। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়লে অধিকাংশ পাবলিক যানবাহনগুলোর ফান্ডিং বন্ধ হয়ে যায়। এতে রাকেটার মতো দক্ষ নৌযানের বিলুপ্তি ঘটে। আজকের দিনে, ছবিতে দেখা এই ধরনের পরিত্যক্ত রাকেটা প্রকৃতির আগ্রাসনে আচ্ছন্ন হয়ে আছে এবং নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক সাহসী সামুদ্রিক ইতিহাসের। এখনো রাশিয়ার ভলগা পোর্টে ও জঙ্গলে গাছপালার আড়ালে এই জাহাজগুলো দেখা যায়। ইতিহাসপ্রেমী এবং অন্বেষকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু এই রাকেটা সোভিয়েত প্রকৌশলের  উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সৃজনশীলতার প্রতিফলন! 


~জাওয়াদ ওসমান , Scienspectra



মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। 

 মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। 


উপায়গুলো হচ্ছে:-


১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।


২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।

মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।


৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।

চিনি পরিহারের পর দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।


উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।

সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।

তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।”


.


ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিন এন্টি-ক্যান্সারের এই পোষ্টটি।


#সংগৃহীত

ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না।

 😱ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না।


✅ওয়ারিশ সনদ পত্র।

✅পারিবারিক ভাগবন্টন রেজিষ্ট্রেশন দলিল

✅নামজারি খতিয়ান। তারপর অন্যান্য কিছু বিষয় দেখতে হবে। 


যেমন বিক্রেতা যে সুত্রে মালিক হলো তার পূর্বের মালিক কোন সুত্রে মালিক তার দলিল খতিয়ান কপি যাচাই বাছাই করে নিবে। 


এই তিনিটি ডকুমেন্ট জার কাছে না থাকবে তার দখলে থাকুক বা পারিবারিক মৌখিক বন্টন হউক আপনি ক্রয় করবেন না।  অনেকেই মৃত পিতা মাতার নামের সম্পত্তি অন্যান্য ভাইবোন ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে দেয় কেউ কেউ যতটুকু অংশ পাবে তার বেশি বিক্রি করে ফেলে কেউ কেউ আছেন ভালো পজিশনের  জমি বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আছেন ওয়ারিশদের অংশও বিক্রি করে ফেলেন। কেউ কেউ আছেন পারিবারিক মৌখিক ভাবে ভাগের অংশ বিক্রি করেন। 


মৌখিক ভাগ কোনো দলিল নয়। মৌলিক বন্টনের কোনো মূল্য নেই। মৌখিক কথার দাম নেই।  এক লোক দীর্ঘ বছর ধরে  পারিবারিক মৌখিক ভাগ করা জমি ভোগদখল করে আসছে  জমিটার মূল্য অন্যান্য জমির ছেয়ে অনেক বেশি বেশি দাম হওয়াতে তারই এক ভাই জমিটির অংশ দাবি করলো সবাই যতই বলে মৌখিক ভাগের কথা, ভাই তা মানতে রাজি নয় ভাই বোলতেছে মৌখিক ভাগ মানিনা পুনরায় ভাগবন্টন করতে হবে।  


তারা মৌখিক ভাগ না করে পারিবারিক বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করে নিলে ভাই কখনোই দাবী করলে তা আইন সম্মত হতো না। তাই বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 


ওয়ারিশ সনদ, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল, জার আছে তার সম্পত্তিতে কখনোই কোনো ওয়ারিশ ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে পারবেনা।  ওয়ারিশ সনদ পত্রটি প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক। বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশের সম্মত্তিতে বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করা হয়।   আবার দেখতে হবে ওয়ারিশ সনদ সঠিক কিনা, প্রত্যেক ওয়ারিশের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ্য আছে কিনা বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিলে প্রত্যেক ওয়ারিশের স্বাক্ষর নাম ঠিকানা সঠিক ভাবে উল্লেখ্য কিনা। 


অনেকেই বোনের অংশ না দিয়ে, বিক্রি করে দেন, জিনি ক্রয় করেন সেই লোক বিপদে পড়ে।  কারণ ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত ছিলো বিক্রেতা কোন সুত্রে সম্পত্তির মালিক, সেই সব ডোকোমেন্ট দেখা উচিত ছিলো।  পৈতৃক সম্পত্তি হলে বা ওয়ারিশ সম্পত্তি হলে ক্রয়ের আগে ওয়ারিশ সনদ, রেজিষ্ট্রেশন করা বন্টন নামা দলিল,নামজারি খতিয়ান।  এগুলো দেখা। এগুলো না দেখে ক্রয় করলে অন্যান্য ওয়ারিশরা অভিযোগ সালিস মামলা করলে জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন।


#ভূমিসেবা #ভাগবন্টন #দলিল #realestate #জমি_মাপা #landmeasure #jomidari #জমিদারি #virals #জমি_পরিমান #ওয়ারিশ #everyone #landscape #viralreelsシ #viralpost

সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল লেখক' এর কাছে দায়িত্ব দিয়েই ক্রেতার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। 

 সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল লেখক' এর কাছে দায়িত্ব দিয়েই ক্রেতার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কেননা পরবর্তীতে দলিলে ভুল পরিলক্ষিত হলে দলিল লেখক নয় এর মাশুল গুনতে হবে ক্রেতাকেই। তাই এতে ক্রেতার সচেতনতা আবশ্যক। সম্পত্তির দলিল লেখার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে ক্রেতার লক্ষ্য রাখা প্রয়োজনঃ-👇👇👇


১। দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা)

আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন কি না, আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত কি না তা যাচাই করে নিতে হবে৷


২। দলিলের ধরন যেমন- (ক) সাফ কবলা (খ) বায়না পত্র (গ) দানপত্র (ঘ) হেবার ঘোষনাপত্র ইত্যাদি খেয়াল করতে হবে৷


৩। ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছেন সেই প্রস্তাবিত জমির পরিমাণ, বিক্রয় মূল্য (বায়না দলিল হলে বায়নায় পরিশোধিত টাকা এবং বাকী টাকা) ইত্যাদি দেখে নিতে হবে।


৪। পক্ষ পরিচয় তথ্য যেমন- দলিল গ্রহীতা/প্রথম পক্ষ, দলিল দাতা/দ্বিতীয় পক্ষ, উভয় পক্ষের পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পেশা, ধর্ম ইত্যাদি। দলিল গ্রহীতার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং দাতার ক্ষেত্রে আগত খতিয়ান (সর্বশেষ জরিপ/নামজারি খতিয়ান) এর সাথে মিল রেখে নাম ঠিকানা লেখা হয়েছে কি না দেখতে হবে।


৫। স্বত্ত্বের বর্ণনা যেমন- জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ, পর্চা/খতিয়ান নম্বর ইত্যাদি৷


৬। জমির বিক্রেতা যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে তাহলে মূল মালিকের সাথে বিক্রেতা যোগসূত্র/সম্পর্ক সঠিক আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে৷


৭। দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন- জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, জেএল নম্বর, দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর এবং জমির শ্রেণি আগত খতিয়ানের সাথে মিল আছে কি না দেখে নিতে হবে। জমির তফশিল লেখার সময় প্রত্যেক দাগে মোট জমির পরিমাণ কত এবং অত্র বিক্রয় দলিলে উক্ত দাগের মধ্যে কত একর বা শতাংশ জমি বিক্রয় করা হচ্ছে তা প্রতি ক্ষেত্রে লিখে নিতে হবে৷ তবে উল্লেখ্য যে, কোন অবস্থাতেই কয়েকটি দাগের জমি একত্রে যোগ করে একর/শতাংশ লেখা উচিত হবে না৷


৮। ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে চাচ্ছে সেই জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কি না অর্থাত্‍ উত্তর, দক্ষিণ পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে৷


৯। জমি বিক্রেতা বা দলিল দাতা দলিলের ১ম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশ্বের নীচ থেকে উপরের দিকে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করবেন অথবা নিরক্ষর হলে নিজ নামের উপরে টিপ সহি প্রদান করেছেন কি না তা দেখতে হবে৷ এছাড়াও জমি বিক্রেতা বা দাতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে স্বাক্ষর বা টিপ সহি করবেন৷ তবে দলিলের প্রতি পৃষ্ঠায় দাতার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিলে ভালো হয়৷


১০। জমির বিক্রেতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে যে জায়গায় তার নিজ নাম স্বাক্ষর বা টিপ সহি করেছেন ঠিক তার নীচে উক্ত দলিলটির লেখক তার নাম স্বাক্ষর করবেন। এরপর কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী এবং অপর একজন জমির বিক্রেতাকে সনাক্ত করে সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর করবেন।


১১। দলিলে যতদূর সম্ভব কাটাকাটি, ঘষামাঝা, অষ্পষ্টতা এড়াতে হবে তবুও যদি কোনরূপ ভুল ক্রটি ঘষামাঝা কাটাকাটি হয়েও যায় তাহলে সেক্ষেত্রে উক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাঝা যুক্ত লাইন ও শব্দের ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত লিখে দলিল লেখককে তার নীচে স্বাক্ষর করতে হবে৷

এছাড়াও জমির ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে- বিভিন্ন জরিপের দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর যাতে দলিল লেখকের মাধ্যমে সঠিকভাবে লিখানো হয়৷ এজন্য জমির ক্রেতাকে জমি ক্রয় করার পূর্বেই তহসিল অফিস হতে জমির সঠিক দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর জেনে নিতে হবে৷ প্রয়োজনে খতিয়ানের সইমোহর নকল সংগ্রহ করতে হবে।


#ভূমি #landscape #জমিপরিমাণ #viralpost2024 #ভূমিসেবা #landservices #জমিদার #viralvideochallenge #দলিল #সম্পত্তি #viralvideoシ #viralreelsシ #jomidari #landscaping

ছবিটা আমার নজর কেড়েছে। সকলের জানা উচিৎ 


 ছবিটা আমার নজর কেড়েছে। সকলের জানা উচিৎ 


০১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।


০২. আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত; যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।


০৩. আপনার গলব্লাডার ভীত; যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।


০৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।


০৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ভাজা-পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।


০৬. ফুসফুস তখন ভীত; যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।


০৭. লিভার ভীত;  যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।


০৮. হৃদপিন্ড ভীত; যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।


০৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত; যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।


১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত; যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন। 


১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত; যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।


সুতরাং আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন।


#সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার গগন হরকরাঃ স্মরণীয় বরণীয় ----------------------------

 কুষ্টিয়ার গগন হরকরাঃ স্মরণীয় বরণীয়

---------------------------------------------------

কুষ্টিয়ার অমূল্য এক রতনের নাম গগন হরকরা। ডাকঘরের সামান্য কর্মচারি হয়েও দৃষ্টি কাড়তে পেরেছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।


শুধু দৃষ্টি আকর্ষণই নয়, প্রভাবিতও করেছিলেন কবিগুরুকে। সান্নিধ্য পেয়েছিলেন মহামতি লালন সাঁইজির। 


গগন হরকরা কার কাছ থেকে কিভাবে গানের দীক্ষা নিয়েছিলেন তা জানা সম্ভব হয়নি, তবে গগন লালনের গানের খুব ভক্ত ছিলেন। লালনও গগনের গান এবং গগনের সান্নিধ্য খুব পছন্দ করতেন।


কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গগনের কাছে গগন ও লালনের গান শুনতেন। গগনের গান ‘আমি কোথায় পাব তারের’ সুরে প্রভাবিত হয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি' লিখেছিলেন।


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার 'ডাকঘর' নাটকটি যে গগন হরকরার জীবন থেকে প্রভাবিত হয়ে লিখেছিলেন নাটকের গগেন্দ্রনাথ ঠাকুর চরিত্রটিই তা প্রমান করে। গগন হরকরা আনুমানিক ১৮৪৫ খ্রিষ্টাব্দে শিলাইদহের কসবা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।


তার পিতা-মাতা সম্বন্ধে তেমন কোনো তথ্য জানা সম্ভব হয়নি তবে তার একটি ছেলের নাম কিরণ চন্দ্র ছিল বলে জানা যায়। 


গগন প্রথমে কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন পাশাপাশি তৎকালীন শিলাইদহের ডাক ঘরের ডাক হরকরা’র চাকুরি করতেন। মৃত্যুর তারিখ অজ্ঞাত।


তথ্যসূত্রঃ 'জানা অজানা'

২৭ এপ্রিল ২০১৫


( কুষ্টিয়ায় স্থাপনকৃত গগন হরকরার ভাস্কর্য )


Cltd.


 খুব রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে। কিন্তু বিয়ে করেছিলেন পালিয়ে,,,,,,, ২০১৫ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৬৫ বছর বয়সে ঢাকুরিয়ার বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়।  আজ জন্মদিনে সাহিত্যিক সুচিত্রা ভট্টাচার্যকে জানাই শ্রদ্ধা।

 খুব রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে। কিন্তু বিয়ে করেছিলেন পালিয়ে। বয়স তখন মাত্র সতেরো। কলেজের ফার্স্ট ইয়ার। মেয়ের দুঃসাহস বাবা মানলেন না। বাড়ি থেকে একপ্রকার বের করে দিলেন। সদ্যবিবাহিত দুই তরুণ তরুণী উঠলেন নাজিরবাগানে একটা এক কামরার ঘরে। শুরু হল দারিদ্রের সাথে লড়াই।

একটা অদ্ভুত স্বভাব ছিল তাঁর। বিয়ের পর থেকেই কিছু বান্ধবীর সাথে গিয়ে প্রত্যেক দিন শ্মশানে বসে থাকতেন। জীবন মৃত্যুকে দেখতেন কাছ থেকে। কিছুদিনের মধ্যেই কেমিস্ট্রি নিয়ে লেডি ব্রেবোর্ন ভর্তি হলেন। কিন্তু মাতৃত্ব সামলাতে গিয়ে কলেজ ছাড়তে হল। পরে যোগমায়া দেবী কলেজে ভর্তি হলেন বাংলা নিয়ে। ১৯৭৯ সালে উত্তীর্ণ হলেন ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষায়। যোগ দেন ‘ওজন ও পরিমাপ’ দপ্তরে। লেখালিখির শখ তাঁর ছোট থেকেই। ইউনাইটেড মিশনারি গার্লস হাইস্কুলের স্কুল ম্যাগাজিনে বেরোয় তাঁর প্রথম লেখা। ছড়া, ‘চড়ুই’। তার দু’টো লাইন...‘‘কিচিরমিচির তোমার ডাকে মুগ্ধ হয়ে থাকি,/বড় ভাল লাগে আমার তোমাদের এই দল।’’

সাহিত্যিক বিমল কর এক বার ‘গল্পপত্র’ পত্রিকায় তাঁর লেখা দেখে বলেছিলেন, ‘‘তোমার কলমের জোর আছে। নিজের চেনা জগৎটা নিয়ে লেখো।" তিনি পরে বলেছিলেন ওটাই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল | জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি লিখতেন। চাকরি সূত্রে পরিচয় হয়েছিল অ্যাংলো ইন্ডিয়ান, চিনা, তিব্বতী মেয়েদের সঙ্গে। কাছ থেকে দেখেছিলেন তাদের জীবনযুদ্ধের গল্প। সেই অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছিলেন ‘আমি রাইকিশোরী’। তাঁর প্রত্যেকটা লেখার মধ্যে জড়িয়ে আছে বাস্তবের কোন অভিজ্ঞতা।

সাহিত্যের বাইরেও একটা জগত ছিল তাঁর। ভালোবাসতেন গীতা দত্তের গান। গন্ধরাজ, জুঁই ফুল। আর সমুদ্র। রান্নার হাতটিও ছিল চমৎকার। মটন, চিংড়ি, বিরিয়ানি, রাবড়ি, চাইনিজ সব রান্নাতেই ছিলেন সিদ্ধহস্ত। অভিনয়ও করতেন। গীতা দে'র পরিচালনায় অভিনয় করেছিলেন শাহজাহান নাটকে - পেয়ারি বাঈয়ের চরিত্রে। এর পর থেকে গীতা দে বলতেন, ‘‘ও আমার ছাত্রী।’’

লিখেছিলেন ২৪ টি উপন্যাস ও দুশোর উপর ছোটগল্প। গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘কাঁচের দেয়াল’, ‘কাছের মানুষ’, ‘দহন’, ‘হেমন্তের পাখি’, ‘নীলঘূর্ণি’, ‘অলীক সুখ’, ‘ভাঙনকালে’, ‘তিনকন্যা’, ‘এখন হৃদয়’, ‘অন্য বসন্ত’, ‘ভালো মেয়ে খারাপ মেয়ে’, ‘পালাবার পথ নেই’, ‘অচিন পাখি’, ‘জোনাথনের বাড়ির ভূত’, ‘মেঘ পাহাড়’, ‘প্রেম-অপ্রেম’, ‘অর্ধেক আকাশ’, ‘গভীর অসুখ’, ‘চার দেয়াল’, ‘১০১ প্রেমের গল্প’, ‘কেরালায় কিস্তিমাত’, ‘পরবাস’, ‘ঝাও ঝিয়েন হত্যারহস্য’, ‘জলছবি’, ‘আয়নামহল’, ‘একা’, ‘শেষবেলায়’। মিতিনমাসি তাঁর সৃষ্ট গোয়েন্দাচরিত্র। একসময় লেখালিখির জন্যে নিজের চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে তাঁর লেখা।


২০১৫ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৬৫ বছর বয়সে ঢাকুরিয়ার বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়। 


আজ জন্মদিনে সাহিত্যিক সুচিত্রা ভট্টাচার্যকে জানাই শ্রদ্ধা।



নবনীতা দেবসেন গোখলে মেমোরিয়াল গার্লস, লেডি ব্রেবোর্ন, প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেছেন। স্নাতকের পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

 নবনীতা দেবসেন গোখলে মেমোরিয়াল গার্লস, লেডি ব্রেবোর্ন, প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেছেন। স্নাতকের পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। 


বুদ্ধদেব বসুর প্রচেষ্টায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। বিভাগটি শুরু হয় পাঁচজন ছাত্র নিয়ে। একমাত্র ছাত্রী নবনীতা দেবসেন।


এর পর বিদেশে হার্ভার্ড, ইন্ডিয়ানা (ব্লুমিংটন) ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেছেন। পোস্ট ডক্টরেট করেন বার্কলে থেকে। লেখাপড়া শেষ করে ফিরে আসেন দেশের মাটিতে।


 ১৯৭৫-২০০২ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও কিছুকাল বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। তাঁকে তুলনামূলক সাহিত্যের প্রতিষ্ঠান মানা হয়। 


যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর ছিলেন।



রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রসবোধ ছিল অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও মার্জিত

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রসবোধ ছিল অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও মার্জিত। তিনি হাস্যকৌতুক অত্যন্ত পছন্দ করতেন এবং ব্যক্তিগত জীবনে কথোপকথনের মাধ্যমে প্রায়ই তাঁর রসবোধের পরিচয় দিতেন। এখানে তাঁর জীবনের কিছু মজার ঘটনা উল্লেখ করা হলো:


শান্তিনিকেতনে একদিন একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। সভাকক্ষে উপস্থিত কেউ কেউ ঘরটির সৌন্দর্য ও জাঁকজমক নিয়ে আলোচনা করছিলেন। রবীন্দ্রনাথ তখন মুচকি হেসে বললেন, "এ ঘরটিতে একটা বাঁ-দোর আছে।" সবাই হতবাক হয়ে তাঁর দিকে তাকিয়ে রইলেন। কবি তখন হেসে বললেন, "বাঁদর নয়, বলেছি বাঁ-দোর! দেখছ না, ঘরটির ডান দিকে একটি দরজা আছে, আবার বাঁ দিকেও একটি দরজা আছে!"


একবার রবীন্দ্রনাথ অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন। তাঁর ভক্ত সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে উৎসাহ দিয়ে বললেন, "আমরা আপনার শতবার্ষিকী উদযাপন করব।" রবীন্দ্রনাথ মৃদু হাসতে হাসতে উত্তর দিলেন, "শতবার্ষিকী? সেটা তো মাত্র পঁচিশ টাকা! এতে আমার কোনো মোহ নেই।" সবাই বিস্মিত হয়ে কারণ জানতে চাইলে তিনি ব্যাখ্যা করলেন, "শতবার্ষিকী মানে শত বার সিকি। আর শত সিকি মানে পঁচিশ টাকা—তাই তো?"


কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে একবার বিখ্যাত সংগীতশিল্পী গোপেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান পরিবেশিত হচ্ছিল। রবীন্দ্রনাথও শ্রোতার আসনে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে শ্রোতারা রবীন্দ্রনাথকে গান গাওয়ার অনুরোধ জানালেন। রবীন্দ্রনাথ হাসতে হাসতে বললেন, "গোপেশ্বরের পর এবার কি দাড়িশ্বরের পালা?"

চাঁদে প্রায় এক মিলিয়ন টন হিলিয়াম-৩ আইসোটোপ পাওয়া গেছে যা দিয়ে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা ১ হাজার বছর পর্যন্ত চালানো যাবে

 চাঁদে প্রায় এক মিলিয়ন টন হিলিয়াম-৩ আইসোটোপ পাওয়া গেছে যা দিয়ে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা ১ হাজার বছর পর্যন্ত চালানো যাবে!


চাঁদ নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ কখনই কমেনি। সম্প্রতি চাঁদের মাটিতে এক বিরল পদার্থ খুঁজে পাওয়া গেছে যার নাম হিলিয়াম-৩। এই পদার্থটি পৃথিবীতে খুব কম পরিমাণে থাকলেও চাঁদে রয়েছে এর বিশাল মজুদ। হিলিয়াম-৩ পারমাণবিক ফিউশন পদ্ধতিতে শক্তি উৎপাদনে ব্যবহার করা যাবে। কোনো প্রকার কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি ছাড়াই এ শক্তি উৎপাদন সম্ভব হবে এবং কোনো দীর্ঘমেয়াদি রেডিওঅ্যাকটিভ বর্জ্যও থাকবে না।


চাঁদে প্রায় এক মিলিয়ন টন হিলিয়াম-৩ থাকতে পারে, যা পৃথিবীর শক্তির চাহিদা হাজার বছর পর্যন্ত চালিয়ে নিতে সক্ষম। এই বিশাল পরিমাণ শক্তির সম্ভাবনা দেখে চীন চাঁদ থেকে হিলিয়াম-৩ সংগ্রহের জন্য একটি বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। তারা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে একটি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করতে চায় যেখানে তারা এই শক্তি উৎস সংগ্রহ করতে পারবে।


চীন ২০৩৫ সালের মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে এই গবেষণা কেন্দ্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে, যা প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলার খরচে বাস্তবায়িত হতে পারে। তবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এক বছরেই এই প্রকল্প হতে লাভ আসতে পারে। তবে এই খনিজ সংগ্রহের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে যেমন চাঁদের ধূলিকণা, রেডিয়েশন এবং খনির যন্ত্রপাতির স্থিতিশীলতা। তবে, চাঁদের সম্পদ নিয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং নৈতিক প্রশ্ন রয়েছে। চাঁদ আন্তর্জাতিক সম্পদ- এর মালিকানা, ব্যবহার এবং এর উপকারের বণ্টন নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনা প্রয়োজন।


চীন চাঁদ থেকে হিলিয়াম-৩ পৃথিবীতে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে আর এই প্রকল্প সফল হলে, চীন শক্তির বিশ্ব বাজারে একটি বড় অবস্থান প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।



বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...