এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫

ডাকের মাছ, মাছের ডাক! @ অরিত্র ভট্টাচার্য্য। 

 #fishy_tale!


ডাকের মাছ, মাছের ডাক!


@ অরিত্র ভট্টাচার্য্য। 














"রানার চলেছে খবরের বোঝা কাঁধে/রানার,রানার চলেছে রানার!"


কিশোর কবি এই বিখ্যাত কবিতাটি লেখার পরে অনেক দশক কেটে গেছে৷ বর্তমান যুগে যোগাযোগ ব্যবস্থায় রানার বা পোস্ট অফিস দুজনের গুরুত্ত্বই কমতে কমতে এখন প্রায় তলানিতে৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও যে জিনিসের গুরুত্ব আজও কমেনি,বরং পৃথিবীর বিভিন্ন সংগ্রাহকদের কাছে বেড়েছে,সেটা হল পোস্টাল স্ট্যাম্প৷ হ্যাঁ,সেই স্ট্যাম্প যা ডাক ব্যবস্থার শুরু থেকে খামের গায়ে আটকানো হতো৷ যুগ পাল্টানোর সাথে এই পোস্টাল স্ট্যাম্পগুলোর ছবিও পাল্টেছে,তাই মনে করা হয় বিভিন্ন দেশের স্ট্যাম্প তাদের পরিবর্তিত কালচারের প্রতিফলন ঘটায়৷ যদিও এটি মাছের গ্রুপ এবং ভূমিকাটা বেশ লম্বাই হচ্ছে তবুও একটা ছোট্ট তথ্য দেওয়ার লোভ সামলাতে পারছি না এখানে৷ পৃথিবীর প্রথম স্ট্যাম্প হল ১৮৪০ সালের ইংল্যান্ডের পেনি ব্ল্যাক স্ট্যাম্প যাতে রাণী ভিক্টোরিয়ার যুবতী বয়সের ছবি দেওয়া ছিল৷ এর সাত বছর পরে আমেরিকায় বেন্জামিন ফ্রাঙ্কলিনের ছবি দেওয়া ৫ সেন্টের স্ট্যাম্প প্রচলিত হয়৷


যাক,গৌরচন্দ্রিকা বোধহয় একটু লম্বাই হল৷ এবার আমরা আমাদের পরিচিত আঁশটে গন্ধ পেতে চলেছি লেখায়৷ বিভিন্ন দেশের কালচারের সাথে বিভিন্নভাবে মাছ মিশে আছে৷ সেটা রোজকার খাদ্যতালিকায় হোক,রঙিন মাছের ক্ষেত্রেই হোক বা লোককথা,উপকথাতেই হোক৷ তো স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন দেশের স্ট্যাম্পে মাছের ছবির উপস্থিতিও খুব স্বাভাবিক৷ তো এই লেখায় আমরা দেখবো যে কিভাবে বিভিন্ন দেশের পোস্টাল স্ট্যাম্পে বিভিন্ন সময়ে মাছেদের ছবি উঠে এসেছে৷


পৃথিবীতে যেহেতু দেশের সংখ্যা একটু বেশীই,তাই আমাদের আলোচনার সুবিধার্থে আমরা মোটামুটি মহাদেশ হিসাবে ভাগ করে সেই মহাদেশের প্রধান প্রধান দেশগুলির মাছের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্পের ওপর নজর দেব৷ 'হোম সুইট হোম' নীতিতে বিশ্বাসী আমি নাহয় এশিয়া মহাদেশ এবং ভারত দিয়েই শুরু করি৷ কিন্তু প্রথমেই আপনাদের আশাহত করতে হবে৷ নদীমাতৃক দেশ হলেও আমাদের দেশে মাছের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্পের সংখ্যা মাত্র একটা,হ্যাঁ একটাই ১৯৭৫ সালে ছাপানো স্ট্যাম্প যেখানে চিঙড়ি,পমফ্রেড এবং কার্প জাতীয় মাছের ছবি আছে৷ সেই তুলনায় আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলির মাছের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্পের সংখ্যা অনেক বেশী৷ যেমন বাংলাদেশে ইলিশ ও পাবদা মাছের ছবি দেওয়া স্ট্যাম্প দেখা যায়৷ পাকিস্তানে কার্প জাতীয় মাছ, রুই (১৯৭৩), কাতলার ছবি দেওয়া স্ট্যাম্প আছে৷ সাথে আছে মহাশির (১৯৯৫) এর ছবি দেওয়া স্ট্যাম্প৷ শ্রীলঙ্কায় মাছের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্পের ভ্যারাইটি বেশ বেশী৷ চেরী বার্ব থেকে অর্নেট প্যারাডাইস, স্পটেড লোচ থেকে পাহাড়ি কার্পের ছবি ওদেশের স্ট্যাম্পে বেশ কমন৷ এই একদম প্রতিবেশী দেশগুলো ছেড়ে আমরা যদি এশিয়ার অন্য দেশগুলোর দিকে তাকাই তাহলে দেখবো যে ভিয়েতনাম,থাইল্যান্ড,ইরান এই দেশগুলিতে স্ট্যাম্পে মাছের ছবির প্রাচুর্য দেখা যায়৷ ভিয়েতনামে ১৯৮৪ সালে একটি ডেকরেটিভ মাছের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্পের সিরিজ বেরোয় যেখানে গোল্ডফিশ, এন্জেল, বেট্টা স্প্লেনডেনস, জেব্রা, ফ্লাইং ফিশ ও স্পটেড পরকুপাইন ফিশ এর ছবি দেখা যায়৷ থাইল্যান্ডে ঠিক একইরকম ভাবে একটি সিরিজ বেরোয় ১৯৬০ সালে যেখানে গোরামি, রেড টেইল শার্ক, ক্যাটফিসের ছবি থাকে৷ এছাড়াও ম্যাকরেল,কার্প জাতীয় মাছের স্ট্যাম্পও দেখা যায়৷ ইরানে আবার এরমই এক সিরিজ দেখা যায় কিন্তু সেটা মেরিন ফিশের৷ আমি সেগুলোর ল্যাটিন নামগুলোই দিচ্ছি৷ Chaetodontoplus septentrionalis, Carassius auratus, Chaetodon larvatus, Pomacanthus maculosus. এরপর চোখ রাখা যাক জাপানে যেখানে ১৯৬৬ সালে গোল্ডফিশের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্প বেরোয়৷ এছাড়াও স্টিকলব্যাক ফিশের আরেকটি স্ট্যাম্প দেখা যায়৷ কোরিয়ায় মাছের ছবির স্ট্যাম্প এর মধ্যে অন্যতম হল জায়ান্ট ওরফিশ আর স্যামন৷


এবার এশিয়া ছেড়ে একটু পশ্চিমে, ইউরোপে পা বাড়ানো যাক৷ ইউরোপের সর্ববৃহৎ দেশ,রাশিয়ায় প্রধান যে তিনটি মাছের স্ট্যাম্প দেখা যায় সেগুলি হলো বাল্টিক সাগরের ঈলমাছ, পিকারেল এবং বৈকাল হ্রদের স্টার্জিয়ন৷ অদ্ভূদভাবে জার্মানির স্ট্যাম্পের মাছগুলো আমাদের বড্ডো চেনা৷ যেমন মধু খলসে, রেমিরেজি, বার্ব, টেট্রা৷ ইংল্যান্ডে আবার দেখা যায় সামুদ্রিক মাছের আধিক্য যেমন স্যামন, হেরিং, কর্নিশ সার্ডিন,স্পাইনি ডগফিশ ও উল্ফফিশ৷ এদের মধ্যে শেষের দুটি বিলুপ্তপ্রায়,তাই স্ট্যাম্পেই 'Threatened' কথাটি উল্লেখ করা আছে৷ ফ্রান্স ও স্পেন এই দুই দেশের স্ট্যাম্পেই কমন মাছটি হল স্যামন৷


এবার আসা যাক সেই মহাদেশে যেটা আমাদের,মাছ পুষিয়েদের কাছে হয়তো সবচেয়ে জনপ্রিয়,আফ্রিকা! আফ্রিকার কেনিয়ায় ২০০৬ সালে ছাপানো হয় একাধিক নাইল পার্চের স্ট্যাম্প৷ সাথে রয়েছে আমাদের পরিচিত হ্যাপলোক্রোমিস৷ তবে মাছের ছবির স্ট্যাম্প সবচেয়ে বেশী আছে উগান্ডা, নাইজিরিয়া আর দক্ষিণ আফ্রিকায়৷ উগান্ডায় তেলাপিয়া, সার্পে টেট্রা, বার্ব, মার্বেলড লাঙফিস, সোর্ডফিস এদের ছবি দেখা যায়৷ নাইজিরিয়ায় আবার ক্যাটফিসের বিভিন্ন প্রজাতিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যেমন ইলেকট্রিক ক্যাটফিস৷ তার সাথে আছে তেলাপিয়া, নাইজার পার্চ, চিঙড়ি আর লঙ নেক ক্রোকার ফিস৷ দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০০১ সালে মেরিন মাছের ছবি সম্বলিত একটি স্ট্যাম্পের সিরিজ বের করা হয় যা বেশ জনপ্রিয় হয়৷ তার মধ্যে অন্যতম হল পাউডার ব্লু সার্জিয়ন, মুরিশ আইডল, কোরাল বিউটি, গ্যালজিওন ফিস৷ মরোক্কোর স্ট্যাম্পে দেখতে পাওয়া যায় ঈল, ব্লু ফিশ আর মেরিন লবস্টারের ছবি৷ জিম্বাবোয়েতে কিন্তু মাছের থেকে মাছ ধরার ছবি স্ট্যাম্পে বেশী প্রাধান্য পেয়েছে৷ সাথে আছে ইস্টার্ন বটল নোজ ফিসের একটা সুন্দর স্ট্যাম্প৷


কিন্তু মাছপুষিয়েদের মানচিত্রে সেভাবে জায়গা করতে না পারলেও মাছের স্ট্যাম্পের প্রাচুর্যে বোধহয় অন্য সব দেশকে ছাপিয়ে গেছে ওশিয়ানিয়া মহাদেশের অতি পরিচিত দেশগুলো৷ যার মধ্যে অন্যতম হল অষ্ট্রেলিয়া৷ চারপাশ সমুদ্রবেষ্টিত হওয়ার জন্যই হয়তো এদেশে সামুদ্রিক মাছের রমরমা বেশী৷ এদেশে স্ট্যাম্পে জায়গা পাওয়া মাছগুলোর মধ্যে প্রধান হল কোরাল ফিশ, স্পটেড সুইটলিপস, এনোমেনি ফিস, ব্লু লাইনড সার্জিয়ন, কোরাল রেবিট ফিস৷ এছাড়াও আছে হামবাগ ফিশ, ক্র্যাব আইড গোবি, ব্ল্যাক মার্লিন, টাইগার শার্ক৷ শুধুমাত্র মাছের ছবি নয়,সাথে সচেতনতার পাঠও পড়ায় এই স্ট্যাম্প৷ তাই টাইগার ফ্ল্যাটহেড, প্যাটাগরিয়ান টুথফিস, ব্লু গ্রিনাডিয়ার এই মাছগুলোর স্ট্যাম্পে লেখা "Sustainable fish"৷ প্রতিবেশী দেশ নিউজিল্যান্ডও দৌড়ে খুব একটা পিছিয়ে নেই৷ এদেশের স্ট্যাম্পে দেখা যায় বিভিন্ন প্রজাতির ট্রাউটের ছবি,যেমন ব্রুক ট্রাউট, ব্রাউন ট্রাউট, রেনবো ট্রাউট৷ সাথে রয়েছে স্কারলেট প্যারট ও সোর্ডফিস৷ এই সামুদ্রিক মাছগুলোর সাথে সাথে স্থানীয় মিষ্টিজলের মাছেদেরকেও যে এই দেশ ভোলেনি তার প্রমাণ পাওয়া যায় একটা সিরিজে যেখানে আছে টর্ডেন্ট ফিশ, লঙফিন ঈল, রিওফিন বুলি ইত্যাদি মাছ৷ পাপুয়া নিউগিনির স্ট্যাম্পে আবার আমরা দেখি আমাদের কিছু পরিচিত মাছের ছবি,যেমন প্যারাডাইস গোরামি, রেনবো, গোবি৷ ফিজিতে যে স্ট্যাম্পগুলো দেখি সেগুলো হল ক্লাউন ট্রিগার ফিশ, কড, ইয়োলো ফিন টুনা, ঈল মাছের৷


এবার আমাদের শেষ গন্তব্য হল ট্রাম্পজেঠুর দেশ৷ যদিও সেখানে মাছের ছবিওয়ালা স্ট্যাম্পের সংখ্যা বেশী নয়৷ উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মিলিয়ে মিশিগান,কিউবা, ভেনেজুয়েলা,গায়ানা এই সব প্রদেশে তুলনায় এই ধরণের স্ট্যাম্প বেশী দেখা যায় যেগুলো মোটামুটি ওই ট্রাউট, স্যামন, কড,টুনা, ক্যাটফিশের মধ্যে ঘোরাফেরা করে৷ শুধু ভেনেজুয়েলায় পিরানহা মাছের ছবিযুক্ত একটা স্ট্যাম্প পাওয়া যায়৷


তো এই হল আমাদের মাছেদের ছবির গপ্পো৷ দেশভেদে মাছের ধরণ অন্য অন্য হলেও সমগ্র পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে,যার মধ্যে কিছু আমি আপনাদের বল্লাম, স্ট্যাম্পে মাছেদের উপস্থিতি এটাই প্রমাণ করে যে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে, জীবিকায় ও শখে মাছ কতটা গুরুত্ত্বপূর্ণ৷ আবার বিভিন্ন স্ট্যাম্পে বিলুপ্তপ্রায় মাছেদের ছবি মৎস্যপ্রেমী ও পরিবেশপ্রেমী হিসাবে আমাদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দেয়৷ আশা করি এই লেখা আমাদের আরো সচেতন করতে পারবে৷ সাথে রইল বিভিন্ন দেশের স্ট্যাম্পের কিছু ছবি৷


থাইরয়েড থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

 থাইরয়েড থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়



থাইরয়েড সমস্যা প্রধানত দেখা যায় স্ট্রেস, ডায়েটের সমস্যা। ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করলেই রেহাই পাবেন থাইরয়েড সমস্যা থেকে।


আয়োডিন ও খনিজসমৃদ্ধ খাবার থাইরয়েডের জন্য অনেক বেশি উপকারী। তাই যে খাবারে এই উপাদানগুলো বেশি থাকে যেমন, দুধ, পনির, দই এই ধরনের দুগ্ধজাতীয় খাবার থাইরয়েডের জন্য অনেক বেশি উপকারী। আয়োডিন সাপ্লিমেন্টও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।


আপনার থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে কোনও ভাবেই চিনি খাবেন না। অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে টি-৩ ও টি-৪ এই দুটি হরমোন উত্পন্ন হয়ে। যা স্বাস্থ্য়ের পক্ষে খারাপ।


যখন আমাদের দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়োডিন থাকে না তখন থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে পারে না। যা হাইপোথাইরয়েডিজম-এর দিকে পরিচালিত হয়ে। তাই আয়োডিন যুক্ত খাবার খান।


মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। থাইরয়েডের সমস্যা কম থাকে।


প্রতিদিনের খাবারে আয়রন কম পরিমাণে থাকলেও থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিতে পারে।


হরমোন উৎপাদনের ভারসাম্যতা বজায় রাখতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অনেক উপকারী। এতে বিপাক ক্রিয়ার উন্নতি হয়। এ ছাড়া এটি শরীরের ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং শরীর থেকে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ বের করে পুষ্টি শোষণে সহায়তা করে।


আদায় বিভিন্ন রকম খনিজ যেমন- পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে। তাই এটি থাইরয়েডের সমস্যার জন্য অনেক কার্যকর। থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত আদা চা পান করা অনেক উপকারী।


থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ভিটামিন বি খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে ভিটামিন বি১২ হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই যেগুলো খাবারে এই ভিটামিন বেশি থাকে যেমন, ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, বাদাম এগুলো প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অন্তভুক্ত করতে হবে যাতে এগুলি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি সরবরাহ করতে পারে।


ভিটামিন ডি এর অভাবেও অনেক সময় থাইরয়েডের সমস্যা হয়ে থাকে। আর একমাত্র সূর্যের আলোতেই শরীর ভিটামিন ডি প্রস্তুত করতে পারে। তাই দিনে অন্তত পক্ষে ১৫ মিনিট সূর্যের আলোয় থাকতে হবে। ভিটামিন ডি বেশি পরিমাণে থাকে এমন কিছু খাবার হচ্ছে- স্যালমন, ম্যাকারেল, দুগ্ধজাতীয় দ্রব্য, কমলালেবুর রস, ডিমের কুসুম ইত্যাদি।


যোগ ব্যয়াম ও ধ্যান থাইরয়েড গ্রন্থিতে রক্ত প্রবাহকে সঠিক রাখে।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৮-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৮-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় ‘প্রতিবেশ কেন্দ্রিক’ দর্শন অনুসরণের আহ্বান পরিবেশ উপদেষ্টার। 


দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত জামায়াত আন্দোলন চালিয়ে যাবে - বললেন দলের আমীর।


এ বছর জাতিসংঘ সম্মেলনে রোহিঙ্গাদেরকে তাদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা বিষয়ক প্রতিনিধি।


ভবিষ্যতে যাতে কেউ গণমাধ্যমে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেলক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


ইসরাইলের মন্ত্রিসভায় গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির অনুমোদন - কার্যকর হবে আগামীকাল।


চট্টগ্রামে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রংপুর রাইডার্স ও দুর্বার রাজশাহী নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

বিদেশী ব্যাবসায়ে বাংলাদেশী লোক না নেওয়র অনুরোধ

 এতদিন যাবৎ বেবসা করি কোনোদিন আমার হোটেল থেকে একটা জিনিস কমেনা। আর বাংগালি লোক চাকরিতে রাখার পর থেকে একবছর ধরে কোনোকিছুর হিসাব মিলাইতে পারিনা। প্রতিদিন আলু সিদ্ধ করি ৫ কেজি। সারাদিন বেচাকিনার পর সন্ধ‍্যার সময় দেখি আধাকেজির হিসাব মিলেনা। গাজর সিদ্ধ করার আগেই স্টকরুম থেকে দুইটা তিনটা করে নাই হয়ে যায়। বাধ‍্য হয়ে কালকে সিসি ক‍্যামরা লাগাইছি। আজকে হিসাব করে আলু সিদ্ধ দিছি ১২০টা। প্রতি প্লেটে ৩টা করে দিছি। ৩৮ প্লেটে গেছে ১১৪ আলু। স্টক গোণা দিয়ে দেখি দুইটা আলু আছে। বাকি চাইরটা নাই।


ক‍্যামরা দিয়া দেখলাম কামরুজ্জামান ডিশওয়াশিন করতেছে। কিন্তুরিক তার মুখ লড়ে। আমি সাথে সাথে গিয়া গলা চাইপা ধরলাম। জোর করে হা করায়া দেখি কোন ফাঁকে কিচেন থেকে আলু চুরি করে খাইতেছে। মুখের ভিতর আঙুল দিয়ে তিনটা আলু বাইর করছি। একটা ততক্ষণে খাইয়া ফালাইছে।


প্রবাসী ভাইদের অনুরোধ করব কখনো বাংলা প্রবাসী দেশি লোককে ব‍্যবসায় ঢুকাবেন না এবংকি নিজের জিম্মায় নিয়েও কোনোখানে চাকরি দিবেন না। আপনার ব‍্যবসা বানিজ‍্য রেপুটেশাম সব দংস করে দিবে।


ওসমান গণি

সুইজারল‍্যান্ড প্রবাসী




তাবিজ ব্যাবহার করা শিরক,,,,, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের দোয়া ও আমল ফেইসবুক থেকে নেওয়া  

 ✅ তাবিজ ব্যাবহার করা শিরক 

তাবিজের ব্যাপারী, ধর্ম ব্যবসায়ীদের থেকে সাবধান সচেতন সতর্ক হোন।  

📚 (আহমাদ: ১৬৭৬৩, ১৬৭৭, মিশকাত: ৩৫১) 


শিরক সবচেয়ে বড় পাপ‼️

📗(সূরা লোকমান: ১৩)


✅হাশরের মাঠে সব পাপ ক্ষমা হতে পারে, শিরক ব্যাতীত 

📚 (মিশকাত: ২৩৩৬, সূরা নিসা: ১১৬)


✅তাবিজ ব্যবহার নিষেধ 

 عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ تَعَلَّقَ تَمِيمَةً فَلاَ أَتَمَّ اللهُ لَهُ وَمَنْ تَعَلَّقَ وَدَعَةً فَلاَ وَدَعَ اللهُ لَهُ.


উক্ববাহ ইবনু আমির (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, 

যে ব্যক্তি তাবিজ ব্যবহার করবে আল্লাহ তাকে পূর্ণতা দিবেন না। আর যে কড়ি ব্যবহার করবে আল্লাহ তাকে মঙ্গল দান করবেন না 

📚 (আহমাদ :১৬৭৬৩, হাদীস সহীহ)।


عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقْبَلَ إِلَيْهِ رَهْطٌ فَبَايَعَ تِسْعَةً وَأَمْسَكَ عَنْ وَاحِدٍ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ بَايَعْتَ تِسْعَةً وَتَرَكْتَ هَذَا قَالَ إِنَّ عَلَيْهِ تَمِيمَةً فَأَدْخَلَ يَدَهُ فَقَطَعَهَا فَبَايَعَهُ وَقَالَ مَنْ عَلَّقَ تَمِيمَةً فَقَدْ أَشْرَكَ-


উক্ববাহ ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। একদা রাসূল (ﷺ)-এর খিদমতে একদল লোক উপস্থিত হল। অতঃপর রাসূল (ﷺ) দলটির ৯ জনকে বায়‘আত করালেন এবং একজনকে বায়‘আত করালেন না। তারা বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আপনি ৯ জনকে বায়‘আত করালেন আর একজনকে ছেড়ে দিলেন? 

রাসূল (ﷺ) বললেন, 

তার সাথে একটি তাবিজ রয়েছে। তখন লোকটি হাত ভিতরে ঢুকিয়ে তাবিজ ছিড়ে ফেললেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ) তাকেও বায়‘আত করালেন এবং বললেন, যে ব্যক্তি তাবিজ ব্যবহার করল সে শির্ক করল’ 

📚 (আহমাদ :১৬৭৭১, হাদীস সহীহ)।


শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫

আমার বিয়ের বয়স আজ প্রায় ১৫ বছর হল! বাচ্চা ৩ টা

 আমার বিয়ের বয়স আজ প্রায় ১৫ বছর হল! বাচ্চা ৩ টা!

স্বাভাবিকভাবেই ১৫ বছর আগের রূপ যৌবন না থাকারই কথা!

তার উপর বাচ্চাগুলো সিজারিয়ান! তাই এখন আর বউ এর প্রতি আকর্ষণ নাই বললেই চলে!

বউকে এখন বুয়ার মতই লাগে!


সকাল থেকে সবগুলো বাচ্চাকে নাস্তা করাও, স্কুলে পাঠাও, ঘরের বাকী সবার নাস্তা বানাও! এরমাঝে দুপুরে খাবারের মেন্যু ঠিক করো! তারপর দুপুরের রান্না শুরু! এর মাঝে বাচ্চারা স্কুল থেকে আসা শুরু করে! আবার কাউকে নিয়েও আসতে হয়!

দুপুরের খাবারের পর্ব শেষ হতে না হতে আবার বিকেলের নাস্তা!


বাচ্চাদের পড়া, রাতের খাবার, খুচরা বাজার, অসুস্থ সদস্যদের সেবা! এভাবে অনবরত দিনরাত্রি চলে!

আর মিঃ দেখেন যে সব ঠিকঠাকমতো চলছে!

নিজের খেদমত, বাচ্চাদের দেখাশোনা, বাবা মায়ের খেদমত সবই চলছে! শুধুমাত্র সামান্য ব্যত্যয় ঘটলেই সিংহ পুরুষের গর্জন শুরু হয়! একটা সময় মনেই হয়না এই মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে পছন্দ করে ঘরে আনা হয়েছে! মনে হয়, ২/৩ টা কাজের মানুষ রাখলেই এই কাজগুলো সঠিকভাবে আঞ্জাম দেয়া যায়!


লাবণ্য হারিয়ে যাওয়া শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মহিলাটিকে আর লাস্যময়ী লাগেনা! ঘরের চাইতে বাইরে সময় কাটানোই শ্রেয় মনে হয়! যারা ধর্ম চর্চা করেন, তারা খুঁজে খুঁজে স্বামীর অধিকারের আয়াত এবং হাদীস বের করেন!

কিন্তু স্ত্রী অধিকারের আয়াত ও হাদীস এড়িয়ে চলেন।

কখনো কখনো অসহ্য বেদনায় কষ্ট মুখ দিয়ে উদগীরণ হলে সিংহ পুরুষের হুংকার - বের হয়ে যাও ঘর থেকে,

দরজা খোলা আছে!

শুধু মেয়েটি বলতে পারেনা "আমার ১৫ বছর আগের আমাকে ফেরত দাও।"


নিদারুণ বাস্তবতা থেকে কথাগুলা লিখা।কেমন লাগলো, পড়ার পর প্লিজ কমেন্টে জানাবেন অবশ্যই।

জীবনে যে-কোনো শখ বা আহ্লাদ পূরণের নির্দিষ্ট একটা সময় থাকে।

 জীবনে যে-কোনো শখ বা আহ্লাদ পূরণের নির্দিষ্ট একটা সময় থাকে। সঠিক সময়টা একবার পেরিয়ে গেলে শখ হয়ত পূরণ হয় ঠিকই, তবে তৃপ্তিটা ঠিক পাওয়া যায় না।


১৭ বছর বয়সে যে বিরিয়ানিটা খেতে অমৃতের মতো লাগে, ৩২ বছর বয়সে এসে সেটা ভালো নাও লাগতে পারে।


১৮ বছর বয়সে সমবয়সী কারো সাথে পাঞ্জাবি বা শাড়ি পরে রিকশায় ঘুরতে ভীষণ রোমান্টিক লাগে, ৩৬ এ পা দিয়ে একই কাজ করতে রোমান্টিক লাগবেই তার কোনো গ্যারান্টি নাই। 


২১ বছর বয়সে ভার্সিটির বন্ধুবান্ধব নিয়ে সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গেলে যেই আনন্দ পাওয়া যাবে, ৪০ পার করে সেই আনন্দ পাওয়া নাও যেতে পারে। 


একদিন নিজের ছাদে বাগান করব, এই আশায় বসে থেকে যেই মানুষটা বারান্দার টবে কোনো গোলাপের চারা লাগাল না, ছাদ হওয়ার পর দেখা গেল সেই মানুষটার আর বাগান করার সময়ই নেই। 


একদিন চাকরি করে বাবা-মাকে দামী দামী জিনিস কিনে দেয়ার স্বপ্ন দেখা মানুষটা চাকরি করে টাকা কামাবে ঠিকই, কিন্তু ততদিনে মা-বাবা এই দুনিয়ায় নাও থাকতে পারে। 


জীবনের ছোটখাট সাধ আহ্লাদ খুব দামী জিনিস। এগুলোই একটা মানুষের হৃদয়কে জীবিত রাখে, সতেজ রাখে, প্রাণবন্ত রাখে। মানুষের হৃদয় একটু একটু করে মরে যায় ইচ্ছা পূরণের অভাবের নীরব হাহাকারে! এজন্য সময় থাকতেই এসব শখ পূর্ণ করে ফেলতে হয়। 


অনেক টাকা জমলে একদিন খাব, এই চিন্তা না করে অল্প কিছু টাকা জমিয়ে এখনি খেয়ে আসুন পছন্দের কাচ্চিটা। বিশ্বাস করুন, জীবনের শ্রেষ্ঠ স্বাদটা পাবেন।


দেরি না করে পছন্দের মানুষটাকে আজকেই রিকশা ডেটিংয়ের অফারটা দিয়ে দেখুন। রাজি হলে শাড়ি বা পাঞ্জাবি পরে হুডখোলা রিকশায় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে শহরময় ঘুরে বেড়ান। লিখে নিন, লাইফের সেরা রোমান্সটা পাবেন।


পকেটে কিছু টাকা হলেই বন্ধুর ঘাড়ে হাত রেখে বলে বসুন, চল ব্যাটা, সাজেক যাব। আজকেই যাব, এক্ষণি যাব। ব্যাগ গুছিয়ে নে, বাস ধরতে হবে।


নিজের ছাদে বাগান হবে, এই আশায় বসে না থেকে ভাড়া বাসার বারান্দার টবেই লাগিয়ে ফেলুন পছন্দের গোলাপের চারাটা। টিউশানির টাকায় কম দামেই কিনে ফেলুন বাবা-মায়ের জন্য শার্ট বা শাড়ি, হোক না সুতি, শখ পূরণটাই বড় কথা! 


মনে রাখবেন, একদিন সব হবে - এই আশায় যে নিজেকে বঞ্চিত করে, তার জীবনে কিছুই হয় না। তার জীবন কাটে বিষন্নতা আর অপেক্ষায়, শেষ হয় আফসোস আর হতাশা দিয়ে।

৫ হাজার টাকায় জাদুপিসি


  ৫ হাজার টাকায় জাদুপিসি


June 20, 2023


৫ হাজার টাকায় জাদুপিসি

হাসান জাকির : দেশের মোট জনগোষ্ঠীর বড় অংশ এখনও রয়েছে  কম্পিউটার ডিভাইসের আওতার বাইরে। ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে, বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে কম্পিউটার থাকা জরুরি। কিন্তু দামের কারণে সবার জন্য কম্পিউটার কেনা সত্যিই কষ্টসাধ্য। এ অবস্থা সমাধান দিতে দুই তরুণের স্বপ্নের প্রকল্প ‘জাদুপিসি’।

 জাদুপিসি হচ্ছে সাশ্রয়ী দামের ডেস্কটপ কম্পিউটার। লিনাক্সনির্ভর কাস্টমাইজড অপারেটিং সিস্টেম ‘স্বপ্ন ওএস’ চালিত এ পিসি শিশু শিক্ষার্থীসহ কম্পিউটার কেনার যাদের সামর্থ্য নেই, তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। প্রচলিত কম্পিউটারে যা যা করা যায়, এ পিসিতেও তার সবাই করা সম্ভব। এর মধ্যে ওয়েব ব্রাউজিং, পেইন্টিং, ওয়ার্ড ফাইলে লেখালেখি থেকে শুরু করে প্রোগ্রামিং কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিকসনির্ভর কাজ অনায়াসে করা যাবে ডিভাইসটিতে।

জাদুপিসি বৃত্তান্ত


জাদুপিসি মিনি ও জাদুপিসি ডেস্কটপ সংস্করণে এখন মিলবে কম্পিউটারটি। জাদুর বাক্স নামে জাদুপিসিতে আইওটি এবং রোবটিকস শেখার জন্য রয়েছে বিশেষ প্যাকেজ। এআরএমভিত্তিক সিঙ্গেল বোর্ড এ কম্পিউটারে রয়েছে কোয়াড কোর প্রসেসর। ১.৮ গিগাহার্টজ গতির কোর্টেক্স এ৫৩ প্রসেসর চালিত কম্পিউটারটিতে রয়েছে তিনটি ইউএসবি পোর্ট, একটি এইচডিএমআই পোর্ট, একটি মাইক্রো এসডি স্লট এবং একটি ল্যান পোর্ট। পিসিটে ১৯ ইঞ্চি টিএফটি এলইডি মনিটরের সঙ্গে যুক্ত হয়, যার রেজ্যুলেশন ১৩৬৬ বাই ৭৮৬ পিক্সেল। লিনাক্সনির্ভর স্বপ্ন ওএস চালিত পিসিটিতে রয়েছে প্রিইনস্টল শিক্ষামূলক সফটওয়্যার। ডিভাইসটিতে পাবেন ৪ জিবি ডিডিআরথ্রি র‍্যাম, ৩২/৬৪ জিবি স্টোরেজ, যা এক টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যায়। এটি কিবোর্ড, মাউস, সাউন্ড কার্ড, হেডফোন সমর্থন করে। ওয়াই-ফাই সমর্থিত সাশ্রয়ী দামের এ কম্পিউটারটি অল-ইন-ওয়ান সংস্করণ আনার ঘোষণা দিয়েছেন নির্মাতারা। মূল জাদুপিসির দাম ৫ হাজার টাকা। মনিটর, মাউস, কিবোর্ড তথা পূর্ণাঙ্গ সেটআপসহ ডিভাইসটি কিনতে খরচ পড়বে মাত্র ১২ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকা।


২০১৪ সালে জাদুপিসির যাত্রা শুরু হয়। স্কুল-সংক্রান্ত প্রকল্পের কাজে স্পেকট্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়ামের পরিচালক খন্দকার আসিফ হাসানের সঙ্গে দেখা করেন জাদুপিসির প্রতিষ্ঠাতা মাসরুর হান্নান। তিনি দেখেন ‘অ্যান্ড্রয়েড ডঙ্গল’ ডিভাইসে স্কুল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার পিএইচপিতে বানিয়ে ইনস্টলের চেষ্টা করছেন আসিফ হাসান। তবে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস হওয়ায় পিএইচপি ইনস্টলে ঝামেলা হচ্ছিল। মাসরুর বলেন, যন্ত্রটি আমি আসিফ ভাইয়ের কাছ থেকে বাসায় এনে টিভিতে যুক্ত করে বুঝতে পারি, এটি দিয়ে কম্পিউটার বানানো সম্ভব। তখনই আমার মাথায় গেড়ে বসে জাদুপিসি। তবে ডিভাইসটি দিয়ে কম্পিউটার বানানোর কাজ মোটেও সহজ ছিল না। বিভিন্নভাবে চেষ্টা করি, আশাভঙ্গ হয় আমার। আমি এটা বাদ দিই। এর পর আমি পড়াশোনার জন্য যুক্তরাজ্যে যাই। এবার যুক্তরাজ্যে গিয়ে আমি ফের জাদুপিসি নিয়ে চেষ্টা করি, কিন্তু কিছুই হয় না। মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ২০১৮ সালে দেশে ফিরি।


দেশে ফিরে জাদুপিসি নিয়ে আবার আমার উন্মাদনা শুরু হয়। জাদুপিসির জন্য অ্যান্ড্রয়েডের মতো একটি অপারেটিং সিস্টেম দাঁড় করানোর চেষ্টা করি। দুই বছর চেষ্টা করে ফের ব্যর্থতা। কিন্তু ২০২২ সালে জাদুপিসির মোড় ঘুরে যায়। বাংলাদেশে বসে মাসরুর হান্নান যখন বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন, তখন দক্ষিণ আফ্রিকায় বসে একই কাজ সফলতার সঙ্গেই করছেন আরেক বাংলাদেশি রাগীব এহসান। তরুণ এ উদ্ভাবক আফ্রিকার পিছিয়ে পড়া শিশুদের প্রযুক্তি সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন। তিনি লিনাক্সনির্ভর ‘স্বপ্নওএস’ নামে চমৎকার একটি অপারেটিং সিস্টেম দাঁড় করিয়েছেন। খোঁজ পাওয়ার পর মাসরুর হান্নান তাঁদের ডিভাইসটি রাগীবকে পাঠান। আমন্ত্রণ জানান জাদুপিসির টিমে যোগ দিতে। মাসরুর বলেন, রাগীবের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্নের সঙ্গে যুক্ত হয়।

রাগীবের যোগ দেওয়ার আগে অ্যান্ড্রয়েডকে ঠিকমতো কাস্টমাইজ না করতে পারায় ৫০০ ইউনিট জাদুপিসি ধ্বংস করতে বাধ্য হন মাসরুর। তবে রাগীব যুক্ত হওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ায় জাদুপিসি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নাভিদ মাহবুব ও মাসরুর হান্নানের অর্থায়নে ভালোভাবে এগিয়ে চলছে জাদুপিসি। এ ছাড়া সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা রাগীব এহসানের স্বপ্ন তো আছেই, সঙ্গে প্রধান পণ্য কর্মকর্তা তাহমিদ আবির। আগামী মাসেই ডেভেলপারদের জন্য ১ হাজার জাদুপিসি বাজারে আনতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে একটি পরীক্ষামূলক স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং, রোবটিকস নিয়ে ৫০টিরও বেশি স্কুলে কাজ করার কথা জানান তিনি। জাদুপিসির সঙ্গে রয়েছে একটা করে জাদুর বাক্স রোবটিকস কিট, যার মাধ্যমে শিশুরা রোবটিকসও শিখতে পারবে।


লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ

চলতি বছর কোম্পানিটি ১০ হাজার ইউনিট  জাদুপিসি বিক্রি করতে চায়। ২০২৬ সালের মধ্যে এক কোটি মানুষের হাতে জাদুপিসি পৌঁছে দিতে চায় তারা। মাসরুর হান্নান বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও  কম্পিউটার সুবিধার বাইরে। অথচ ২০৪১ সালে যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের হাতে কম্পিউটার তুলে দেওয়ার বিকল্প নেই। আমাদের চাওয়া, প্রত্যেকটি শিশু স্কুলে যাক, তাদের হাতে বইয়ের পাশাপাশি থাকুক কম্পিউটার ডিভাইস। আর সেই কম্পিউটার ডিভাইস হোক জাদুপিসি। জাদুপিসির স্ক্রিনে তারা বিশ্বকে আবিষ্কার করুক। স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট প্রজন্ম দেশকে তুলে ধরুক নতুন উচ্চতায়। সূত্র : সমকাল


কাজী সাহেব,নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না, 

 বিয়ের দেনমোহর মাত্র ১০০১ টাকা !!!


কাজী সাহেব,নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না, বিয়ে পড়াচ্ছেন আজ ১৪বছর ধরে- এমন অদ্ভুত কথা কখনো শোনেন নাই। দেনমোহর মাত্র ১০০১ টাকা? কনে পক্ষের মুরুব্বিদের মুখে কথা নাই। 

ছেলে পক্ষের মুরুব্বিরা অবাক! এটা হয় না-কি ? উভয় পক্ষ বরের ওপর চরম বিরক্ত, নানাভাবে তাকে বুঝানোর চেষ্টা চলছে। হট্টগোল দেখে বিয়ের মঞ্চ থেকে নেমে এলো কনে, এক মুরুব্বি এগিয়ে গেলেন মেয়ের কাছে। 

মাঃ ছেলে বলছে দেনমোহর মাত্র ১০০১টাকা।

কনে, হ্যাঁ জানি; এটা আমার'ই ডিসিশান।

কি বলছো তুমি ? ১০০১টাকায় বিয়ে দেবো ? আমাদের মেয়ে কি এত শস্তা?

তোমরা কি আমাকে বিয়ে দিচ্ছো নাকি বিক্রি করছো?

না, বিক্রি হবে কেন?

তা'হলে সস্তা-দামীর কথা উঠলো কেনো ? আচ্ছা; বলো- আমার দাম কত ? ঠিক কত টাকা হলে তোমাদের মনে হয় আমাকে দিয়ে দেয়া যায় ?

তোমার দাম আবার কি ? মানুষের কোন দাম ঠিক করা যায় না-কি ? মানুষ অমূল্য।

মানুষ অমূল্য বলেই আমরা কোন দাম ঠিক করিনি; একটা প্রতীকী দেনমোহর ধার্য করেছি মাত্র।

দেনমোহর একটা সিকিউরিটি মানি; তোমার সিকিউরিটির চিন্তা আমরা করবো না ?

আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেছি; 

এখন ভালো চাকুরী করছি। আমার সিকিউরিটি হাসবেন্ডের কাছ থেকে নিতে হবে কেন? আমি নিজের খরচ নিজেই চালাতে পারবো, ইনশাআল্লাহ্ 

কিন্তু ইসলামী শরীয়াহ্ ?

শোন! তোমরা এখন একটা বড় অ্যামাউন্ট ঠিক করলে কি হবে ? ও কি সেটা এখন দিতে পারবে ? ওর পুরো সেভিংস বিয়েতে খরচ হয়ে গেছে আর ও কখনো'ই ওর বাবার কাছ থেকে টাকা নেবে না। তা'হলে ? 

ইসলামী শরীয়াহ্ বলে সংসার শুরুর আগেই দেনমোহর শোধ করতে হবে। বাংলাদেশের কতজন মেয়ে দেনমোহরের টাকা পায় ? গহনা বাবদ কিছু উসুল দেখায়; যেই গহনা আসলে গিফট দেবার কথা আর বাকিটা কাগজে কলমেই থেকে যায়।

এই হিপোক্রেসির কি দরকার?

পরে যদি কিছু হয় ?

ডিভোর্সের কথা বলছো ? আমি বিয়ের আগেই ডিভোর্সের কথা ভাবি না। হাসবেন্ড আমাকে পছন্দ করছে না কিন্তু বড় দেনমোহরের ভয়ে ডিভোর্স ও দিচ্ছে না। 

এই দয়ার জীবন আমি চাই না। যদি কখনো আমাদের মাঝে দূরত্ব আসে; তা'হলে আমি স্বেচ্ছায় ওকে ছেড়ে দিবো। যে মানুষটাকেই আমি পেলাম না; তার টাকা নিয়ে বাকি জীবন চালাবো- এতটা খারাপ অবস্থা আমার আসবে না ইনশাআল্লাহ। 

আমার একটা আত্মসম্মান আছে। আর সম্মান নিয়েই বেঁচে থাকতে চাই।

সম্পর্ক নিয়ে,যারা অশান্তিতে আছেন লেখাটি তাদের জন্য।

 সম্পর্ক নিয়ে,যারা অশান্তিতে আছেন লেখাটি তাদের জন্য।


▪️সম্পর্কের প্রথমে হলো বিশ্বাস। 

এই বিশ্বাসটাই একটা সম্পর্কের মূল, যে সম্পর্কে বিশ্বাস নেই সে সম্পর্ক টিকে থাকে না।


▪️সম্পর্কের দ্বিতীয় হলো সন্মান। 

যে সম্পর্কে সন্মান নেই একজন একজনকে সন্মান দেয় না, সে সম্পর্ক টিকে থাকে না।


▪️সম্পর্কের তৃতীয় হলো সেক্রিফাইস। 

এই সেক্রিফাইস টা যদি দু'জন দু'জনকে সেক্রিফাইস করতে না পারে, সে সম্পর্ক টিকে থাকে না।


▪️সম্পর্কের মধ্যে তৃতীয় ব্যাক্তি।

সম্পর্কের মধ্যে তৃতীয় মানুষকে সুযোগ দিবেন না।

তাহলে ওই সম্পর্ক টিকে থাকবে না।


এবার আসি মূল কথায়⬇️


▪️একটা সম্পর্কের মধ্যে উপরের ৪টি কথাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

বিবাহিত জীবন শুরু করা খুবই কষ্টকর,যদি আপনি উপরের তিনটি কথা মানতে না পারেন।


▪️বিবাহিত জীবনে নানান সমস্যা হবে সবকিছুকে দোষ ভেবে আলাদা হয়ে যাবেন না। দোষ কোথায় সেটা খোঁজার চেষ্টা করুন। দেখবেন নিজেই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। 


▪️আপনি জানেন আপনার দোষ তারপর ও আপনি চুপ থাকেন, দেখবেন অনেক সহজ হয়ে গেছে সবকিছু। 


▪️এক/দুই কথায় সম্পর্কের মধ্যে তৃতীয় মানুষকে আসতে দিবেন না।নিজেরা বসে সমাধান করার চেষ্টা করুন।


▪️কখনো ডিভোর্সের কথা কখনো মাথায় ও আনবেন না।ডিভোর্সে কখনো শান্তি আনতে পারে না।আপনি মনে করেন যে, ডিভোর্স দিলে হয়তো আমি মুক্তি পেয়ে যাবো,আসলে তা কখনো হয় না,সমাজের এক/দুইটা ডিভোর্সী ভাই/বোন দেরকে প্রশ্ন করে দেখুন যে তারা কেমন আছেন? তাদের নিজ পরিবার এবং সমাজের মানুষের সাথে কেমন সম্পর্ক এবং সমাজ তাদেরকে কোন চোখে দেখে সেটা একবার কল্পনা করুন,নিজেই তার প্রমাণ পেয়ে যাবেন। 


▪️আপনাদের সম্পর্কের মধ্যে কি সমস্যা?  কি কারণে বিছিন্ন হতে চাচ্ছেন এগুলোর সমাধান খুঁজুন। ওই বিষয় গুলো ত্যাগ করতে চেষ্টা করুন, দেখবেন সমাধান আপনার হাতেই।

রাগ / অহংকার / জেদ এগুলো ত্যাগ করে প্রিয় মানুষের সাথে সংসার করতে শিখুন। দেখবেন পৃথিবীতে আপনার মতো সুখী মানুষ আর কেউ হবে না।


▪️এসব কথা গুলো যদি আপনি মানতে না পারেন,তাহলে আপনার জন্য সংসার নয়।আপনি কখনোই কোথাও সুখী হবেন না।


▪️ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল সম্পর্কের মানুষ গুলো।ভালো থাকুক প্রিয় মানুষ গুলো।

❤️🥀

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...