এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫

কালোজিরা

 কালোজিরা (ইংরেজি: Black Caraway, also known as Black Cumin, Nigella, Kalojeere, এবং Kalonji) একটি মাঝারি আকৃতির মৌসুমী গাছ, একবার ফুল ও ফল হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Nigella Sativa.


সাধারণত কালোজিরা নামে পরিচিত হলেও কালোজিরার আরো কিছু নাম আছে, যেমন- কালো কেওড়া, রোমান করিয়েন্ডার বা রোমান ধনে, নিজেলা, ফিনেল ফ্লাওয়ার, হাব্বাটুসউডা ও কালঞ্জি ইত্যাদি। 


০১। স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি :


এক চা-চামচ পুদিনাপাতার রস বা কমলার রস বা এক কাপ রঙ চায়ের সাথে এক চা-চামচ কালোজিরার  তেল মিশিয়ে দিনে তিনবার করে নিয়মিত সেবন। যা দুশ্চিন্তা দূর করে। এছাড়া কালোজিরা মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালোজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক। মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। কালোজিরা খেলে আমাদের দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এতে করে মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির হয়। যা আমাদের স্মৃতি শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।


০২। মাথা ব্যাথা নিরাময়ে :


১/২ চা-চামচ কালোজিরার তেল মাথায় ভালোভাবে লাগাতে হবে এবং এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দিনে তিনবার করে ২/৩ সপ্তাহ সেবন।


০৩। সর্দি সারাতে :


এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধু বা এক কাপ রং চায়ের সাথে মিশিয়ে দৈনিক ৩বার সেবন এবং মাথায় ও ঘাড়ে রোগ সেরে না যাওয়া পর্যন্ত মালিশ করতে হবে। এছাড়া এক চা-চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা-চামচ মধু ও দুই চা-চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে খেলে জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশি দূর হয়। সর্দি বসে গেলে কালোজিরা বেটে কপালে প্রলেপ দিন। একই সঙ্গে পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে কালোজিরা বেঁধে শুকতে থাকুন, শ্লেষ্মা তরল হয়ে ঝরে পড়বে। আরো দ্রুত ফল পেতে বুকে ও পিঠে কালিজিরার তেল মালিশ করুন।


০৪। বাতের ব্যাথা দুর করতে:


আক্রান্ত স্থানে ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে মালিশ করে; এক চা-চামচ কাঁচা হলুদের রসের সাথে সমপরিমাণ কালোজিরার তেল সমপরিমান মধু বা এক কাপ রং চায়ের সাথে দৈনিক ৩বার করে ২/৩ সপ্তাহ সেবন করুন।


০৫। বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ সারাতে :


আক্রান্ত স্থানে ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে মালিশ করে; এক চা-চামচ কাঁচা হলুদের রসের সাথে সমপরিমাণ কালোজিরার তেল, সমপরিমান মধু বা এককাপ রং চায়ের সাথে দৈনিক ৩বার করে ২/৩ সপ্তাহ সেবন করা।


০৬। হার্টের বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে :


এক চা-চামচ কালোজিরার তেল সহ এক কাপ দুধ খেয়ে দৈনিক ২বার করে ৪/৫ সপ্তাহ সেবন এবং শুধু কালোজিরার তেল বুকে নিয়মিত মালিশ করতে হবে।


০৭। ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখতে :


প্রতিদিন সকালে রসুনের দুটি কোষ চিবিয়ে খেয়ে এবং সমস্ত শরীরে কালোজিরার তেল মালিশ করে সূর্যের তাপে কমপক্ষে আধঘন্টা অবস্থান করতে হবে এবং এক চা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ প্রতি সপ্তাহে ২/৩ দিন সেবন করা যা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ রাখে। এছাড়া কালোজিরা বা কালোজিরা তেল বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে।


০৮। অর্শ রোগ নিরাময়ে :


এক চা-চামচ মাখন ও সমপরিমাণ তেল চুরন/তিলের তেল, এক চা-চামচ কালোজিরার তেল সহ প্রতিদিন খালি পেটে ৩/৪ সপ্তাহ সেবন করা।


০৯। শ্বাস কষ্ট বা হাঁপানি রোগ সারাতে:


যারা হাঁপানী বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমসসায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা উপশম হবে।এছাড়া এক কাপ চা-চামচ কালোজিরার তেল, এক কাপ দুধ বা রং চায়ের সাথে দৈনিক ৩ বার করে নিয়মিত সেবন করুন।


১০। ডায়বেটিক নিয়ন্ত্রণে:


ডায়াবেটিকদের রোগ উপশমে বেশ কাজে লাগে কালোজিরা। এক চিমটি পরিমাণ কালোজিরা এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়া এক কাপ চা-চামচ কালোজিরার তেল, এক কাপ রং চা বা গরম ভাতের সাথে মিশিয়ে দৈনিক ২বার করে নিয়মিত সেব্য। যা ডায়বেটিকস নিয়ন্ত্রণে একশত ভাগ ফলপ্রসূ।


১১। জৈব শক্তি বৃদ্ধির জন্য :


কালোজিরা নারী- পুরুষ উভয়ের যৌনক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন কালোজিরা খাবারে সাথে খেলে পুরুষের স্পার্ম সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তির সম্ভাবনা তৈরি করে। মধ্যপ্রাচ্যে প্রচলিত আছে যে, কালিজিরা যৌন ক্ষমতা বাড়ায় এবং পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তি দিতে সহায়তা করে। একচা-চামচ মাখন, এক চা-চামচ জাইতুন  তেল সমপরিমাণ কালোজিরার তেল ও মধুসহ দৈনিক ৩বার ৪/৫ সপ্তাহ সেবন করুন। তবে পুরানো কালোজিরা তেল স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।


১২। অনিয়মিত মাসিক/স্রাব রোগের ক্ষেত্রে :


এক কাপ কাঁচা হলুদের রস বা সমপরিমাণ আতপ চাল ধোয়া পানির সাথে এক কাপ চা-চামচ কালোজিরার তেল মিশিয়ে দৈনিক ৩ বার করে নিয়মিত সেবন করুন। যা শতভাগ কার্যকরী ।


১৩। দুগ্ধ দানকারি মা’দের দুধ বৃদ্ধির জন্য :


যেসব মায়েদের বুকে পর্যাপ্ত দুধ নেই, তাদের মহৌষধ কালোজিরা। মায়েরা প্রতি রাতে শোয়ার আগে ৫-১০ গ্রাম কালোজিরা মিহি করে দুধের সঙ্গে খেতে থাকুন। মাত্র ১০-১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এছাড়া এ সমস্যা সমাধানে কালোজিরা ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন। এছাড়া একচা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দৈনিক ৩বার করে নিয়মিত সেবন করুন। যা শতভাগ কার্যকরী।


১৪। ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে:


ত্বকের গঠনের উন্নতি ও ত্বকের প্রভা বৃদ্ধির জন্য কালোজিরা অত্যাবশ্যকীয়। এতে লিনোলেইক ও লিনোলেনিক নামের এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড থাকে যা পরিবেশের প্রখরতা, স্ট্রেস ইত্যাদি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করে এবং ত্বককে সুন্দর করে ও ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে।


· মধু ও কালোজিরার পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে আধাঘন্টা বা একঘন্টা রাখে ধুয়ে ফেলুন, এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে।


· যদি আপনার ব্রণের সমস্যা থাকে তাহলে আপেল সাইডার ভিনেগারের সাথে কালোজিরা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। নিয়মিত লাগালে ব্রণ দূর হবে।


· শুষ্ক ত্বকের জন্য কালোজিরার গুঁড়া ও কালোজিরার  তেলের সাথে তিলের তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এক সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন।


১৫। গ্যাষ্ট্রীক বা আমাশয় নিরাময়ে :


এক চা-চামচ তেলসমপরিমাণ মধু সহ দিনে ৩বার করে ২/৩ সপ্তাহ সেবন করুন।


১৬। জন্ডিস বা লিভারের বিভিন্ন সমস্যার দুর করতে :


একগ্লাস ত্রিপলার শরবতের সাথে এক চা-চামচ কালোজিরার তেল দিনে ৩বার করে ৪/৫ সপ্তাহ সেবন করুন।


১৭। রিউমেটিক এবং পিঠেব্যাথা দুর করার জন্য:


কালোজিরার থেকে যে তেল বের করা হয় তা আমাদের দেহে বাসা বাঁধা দীর্ঘমেয়াদী রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা কমাতে বেশ সাহায্য করে। এছাড়াও সাধারণভাবে কালোজিরা খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।


১৮। শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি করতে কালোজিরা:


দুই বছরের অধিক বয়সী শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে। শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে কালোজিরা। দুই বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের কালোজিরার তেল সেবন করা উচিত নয়। তবে বাহ্যিক ভাবে ব্যবহার করা যাবে।


১৯। মাথা ব্যথা দুর করতে:


মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক ৩/৪ বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়।


২০। স্বাস্থ্য ভাল রাখতে:


মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়।


২১। হজমের সমস্যা দুর করতে:


হজমের সমস্যায় এক-দুই চা-চামচ কালোজিরা বেটে পানির সঙ্গে খেতে থাকুন। এভাবে প্রতিদিন দু-তিনবার খেলে এক মাসের মধ্যে হজমশক্তি বেড়ে যাবে। পাশাপাশি পেট ফাঁপাভাবও দূর হবে।


২২। লিভারের সুরক্ষায়:


লিভারের সুরক্ষায় কালোজিরার ভেষজটি অনন্য। লিভার ক্যান্সারের জন্য দায়ী আফলাটক্সিন নামক বিষ ধ্বংস করে ।


২৩। চুল পড়া বন্ধ করতে:


কালোজিরার খেয়ে যান, চুল পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে। ফলে চুল পড়া বন্ধ হবে। আরো ফল পেতে চুলের গোড়ায় এর তেল মালিশ করতে থাকুন।


২৪। দেহের সাধারণ উন্নতিঃ


নিয়মিত কালোজিরা সেবনে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে সতেজ করে ও সার্বিকভাবে স্বস্থ্যের উন্নতি সাধন করে। এছাড়া অরুচি, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, আমাশয়, জন্ডিস, জ্বর, শরীর ব্যথা, গলা ও দাতে ব্যথা, পুরাতন মাথা ব্যথা, মাইগ্রেন, চুলপড়া, খোসপঁচড়া, শ্বেতি, দাদ, একজিমা, সর্দি, কাশি, হাঁপানিতেও কালোজিরা অব্যর্থ ঔষধ হিসেবে কাজ করে।এটি মূত্র বর্ধক ও উচ্চরক্তচাপ হ্রাসকারক,গ্যাসট্রিক, আলসার প্রতিরোধক, ভাইরাস প্রতিরোধক, টিউমার এবং ক্যান্সার প্রতিরোধক, ব্যাকটেরিয়া এবং কৃমিনাষক, রক্তের রক্ষাকারক, যকৃতের বিষক্রিয়ানাষক, এলার্জি প্রতিরোধক, বাতব্যথা নাশক। অরুচি, উদরাময়, শরীর ব্যথা, গলা ও দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, চুলপড়া, সর্দি, কাশি, হাঁপানি নিরাময়ে কালোজিরা সহায়তা করে। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কালোজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে। চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি, মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী। জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দুর করার জন্য কালোজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায় এবং দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্য কাজ করে। এছাড়া শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না। তিলের তেলের সঙ্গে  কালোজিরা বাঁটা বা কালোজিরার  তেল মিশিয়ে ফোড়াতে লাগালে ফোড়ার উপশম হয়।


২৫। দাঁত ব্যথা নিরাময়ে:


দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালোজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে।


২৬। শান্তিপূর্ণ ঘুমের প্রয়োজনে:


তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপূর্ণ নিদ্রা হয়।


২৭। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কালোজিরা:


কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোন জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বস্থ্যের উন্নতি করে। ১ চামচ কালোজিরা অথবা কয়েক ফোটা কালোজিরার তেল ও ১ চামচ মধুসহ প্রতিদিন সেবন করলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।


২৮।পারকিনসন্স রোগের প্রতিকারে


কালোজিরায় থাইমোকুইনিন থাকে যা পারকিনসন্স ও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্তদের দেহে উৎপন্ন টক্সিনের প্রভাব থেকে নিউরনের সুরক্ষায় কাজ করে।


২৯। চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে


কালোজিরার তেল চুলের কোষ ও ফলিকলকে চাঙ্গা করে ও শক্তিশালী করে যার ফলে নতুন চুল সৃষ্টি হয়। এছাড়াও কালোজিরার তেল চুলের গোড়া শক্ত করে ও চুল পড়া কমায়।


৩০। কিডনির পাথর ও ব্লাডার


২৫০ গ্রাম কালোজিরা ও সমপরিমাণ বিশুদ্ধ মধুর সাথে কালোজিরা উত্তমরূপে গুঁড়ো করে মধুর সাথে মিশ্রিত করে দুই চামচ মিশ্রণ আধাকাপ গরম পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন আধাকাপ তেল সহ পান করতে হবে। কালোজিরার টীংচার মধুসহ দিনে ৩/৪ বার ১৫ ফোটা সেবন করতে পারেন।


৩১। চোখের ব্যথা দুর করতে


রাতে ঘুমোবার আগে চোখের উভয়পাশে ও ভুরুতে কালোজিরা তেল মালিশ করুন এবং এককাপ গাজরের রসের সাথে একমাস কালোজিরা তেল সেবন করুন। নিয়মিত গাজর খেয়ে ও কালোজিরা টীংচার সেবন আর তেল মালিশে উপকার হবে। প্রয়োজনে নির্দেশিত হোমিও ও বায়োকেমিক ওষুধ সেবন।


৩২। উচ্চ রক্তচাপ


যখনই গরম  পানীয় বা চা পান করবেন তখনই কালোজিরা কোন না কোন ভাবে সাথে খাবেন। গরম খাদ্য বা ভাত খাওয়ার সময় কালোজিরা ভর্তা খান। এ উভয়পদ্ধতির সাথে রসুনের তেল সাথে নেন। সারা দেহে রসুন ও কালোজিরা তেল মালিশ করুন। কালোজিরা, নিম ও রসুনের তেল একসাথে মিশিয়ে মাথায় ব্যবহার করুন। ভালো মনে করলে পুরাতন রোগীদের ক্ষেত্রে একাজটি ২/৩ দিন অন্তরও করা যায়।


৩৩। ডায়রিয়া


মুখে খাবার স্যালাইন ও হোমিও ওষুধের পাশাপাশি ১ কাপ দই ও বড় একচামচ কালোজিরা তেল দিনে ২ বার ব্যবস্থেয়। এর মূল আরকও পরীক্ষনীয়।


৩৪। জ্বর :


সকাল-সন্ধ্যায় লেবুর রসের সাথে ১ চামচ কালোজিরা তেল পান করুন আর কালোজিরার নস্যি গ্রহন করুন। কালোজিরা ও লেবুর টীংচার (অ্যাসেটিকঅ্যাসিড) সংমিশ্রন করে দেয়া যেতে পারে।


৩৫। স্নায়ুবিক উত্তেজনা


কফির সাথে কালোজিরা সেবনে দূরীভূত হয়।


৩৬। উরুসদ্ধি প্রদাহ :


স্থানটি ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিয়ে ৩ দিন সন্ধ্যায় আক্রান্ত স্থানে কালোজিরা তেল লাগান এবং পর দিন সকালে ধুয়ে নিন।


৩৭। আঁচিল


হেলেঞ্চা দিয়ে ঘষে কালোজিরা তেল লাগান। হেলেঞ্চা মুল আরক মিশিয়ে নিলেও হবে। সাথে খেতে দিন হোমিও ওষুধ


সকাল রোগের প্রতিষেধক : মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়।


সতর্কতা :


গর্ভাবস্থায় ও দুই বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের কালোজিরার তেল সেবন করা উচিত নয়। তবে বাহ্যিক ভাবে ব্যবহার করা যাবে।



গ্রীর ইনভার্টারের রিমোটের সব কয়টি বাটনের কাজ।

গ্রীর ইনভার্টারের রিমোটের সব কয়টি বাটনের কাজ।


Mode button- মোড বাটনে ক্লিক করলে   প্রথমে আসবে অটো মোড, রুমের টেম্পারেচার দেখে এসি কুল, ফ্যান, ড্রাই মোডে চলবে।  এই মোডে এসি চালানোর দরকার নাই।  বিল বেশি আসবে।


Cool mode-এই মোড হচ্ছে এসির ডিফল্ট মোড, কুল মোডে সেট টেম্পারেচার ২৬ রাখবেন। 


Dry mode- এটি বর্ষাকালের মোড, রুম যখন স্যাতস্যাতে হবে, ভেজা ভেজা ভাব থাকবে রুমে তখন এই মোড চালু করতে হয়। কম্প্রোসার তখন কম ওয়াটে চালু হবে, ইনডোর ফ্যান লো স্পিডে থাকবে তখন।


Fan mode- এই মোডে শুধু ইনডোরের ফ্যান চলবে। এসি ঠান্ডা বা গরম কিছুই দিবে না এই মোডে।


Heat mode- যাদের এসিতে Heat ফিচার আছে তারা এই মোডে শীতের সময় গরম বাতাস পাবেন এই মোডে। এই মোড কিন্তু সব রিমোটেই আছে, কিন্তু সব এসিতে হিট ফিচার নাই।


Fan button-ফ্যানের স্পিড কমানো, বাড়ানোর কাজ করে এই বাটন।

যত বেশি দাগ ততবেশি স্পিড, Auto লেখা উঠলে তখন ফ্যানও অটো করবে। মানে কুলিংয়ের সময় ফ্যানের স্পিড কমবে, বাড়বে।


On/off button-এসিকে অন/অফ করা এই বাটনের কাজ।


left/right swing button-এসির বাতাসকে ডানে/বামে করতে এই বাটনে ক্লিক করতে হয়। 


 Up/Down swing button-এসির বাতাসকে উপর নিচে করতে এই বাটন ব্যবহার হয়।


Turbo button - রুম টেম্পারেচার বেশি হলে, রুম দ্রুত/বেশি ঠান্ডা করতে চাইলে এই বাটন অন করতে হয়। এই বাটন সবসময় অন করা ঠিক না।


Up Arrow button- সেট টেম্পারেচার বাড়াতে এই বাটন ব্যবহার করা হয়।


Down Arrow button- সেট টেম্পারেচার কমাতে এই বাটন ক্লিক করতে হয়। 


Sleep button-এই বাটনে ক্লিক করলে এসির সেট করা টেম্পারেচার প্রতি ঘন্টায় ১ ডিগ্রি করে বাড়বে। মানে, ইউজার সেট টেম্পারেচার ১৮ রেখে Sleep button অন করে রিমোট রেখে দিলো, তাহলে এসিটি ১ ঘন্টা পর সেট টেম্পারেচার ১৯ করবে। ২ ঘন্টা পর ২০, এভাবে ২৫ পর্যন্ত যাবে। 

যারা সেট টেম্পারেচার ২৫-২৬ রাখেন, এই মোড তাদের জন্য না।


I feel button- ইউজারের সেট করা টেম্পারেচার থেকে এসিটি যদি কম/বেশি ঠান্ডা দেয়, তখন এই বাটন চালু করে রিমোটকে এসির দিকে রেখে, ইউজারের কাছাকাছি রাখলে, ইউজার তার সেট করা কমফোর্টেবল কুলিং পাবে। এই সেটিংয়ে এসি তার মেইন সেন্সরকে না পড়ে, রিমোটে থাকা সেন্সরের চাহিদামতো কুলিং কম/বেশি করে। রুমে কমফোর্টেবল কুলিং থাকলে এই ফিচার অফ রাখা উচিত।


Timer On- এই বাটন অন করে রাখলে সেট করা টাইমে এসি অন হবে। 


Timer Off-সেট করা টাইমে এসি অফ হবে। 


Clock Button-এই বাটন দিয়ে অন/অফ টাইম সেট করা হয়। 


Health button-গাছ হচ্ছে হেল্থ ফিচার, এই ফিচার অন করলে এসি আয়ন উৎপাদন করে রুমের বাতাসে হিউমিডিটির ভারসাম্য ঠিক রাখে, এবং রুমে থাকা জীবাণুকে ধব্বংস করে। 


হেল্থ মোডে আরেকটি ফিচার আছে, যেটির নাম হচ্ছে স্ক্যাভিগিনিং ফিচার।

রুম থেকে বেড স্মেল ধূর করা করা এই ফিচারের কাজ।


Quiet button- এই বাটনে ফ্যান স্পিড লোতে থাকবে, এসির ইনডোরে সাউন্ড কমবে, তবে এই বাটনে বিদ্যুতের বিল বেশি আসবে।


Wifi Button-এই বাটন দিয়ে এসিকে মোবাইল দিয়েও অপারেট করা যাবে। 

এজন্য ঘরে ওয়াইফাই থাকতে হবে, মোবাইলে gree+ অ্যাপ ইনস্টল করতে হবে। 


Temp- এই বাটনে ক্লিক করলে সেট টেম্পারেচার, রুম টেম্পারেচার এবং আউটডোরের টেম্পারেচার দেখা যায়।


Light button- এই বাটনে ক্লিক করে এসির ডিসপ্লের লাইটকে অন/অফ করা যায়।


X fan feature- ফ্যান বাটনকে ৩ সেকেন্ড প্রেস করে রাখলে,  রিমোটের সেট টেম্পারেচারের বামপাশে যে ফ্যানটি দেখা যায়, ঐটিই x fan feature.


 এসিকে কুল মোডে চালু করার পর, এসির কুলিং চালু হলে, এসির ইনডোরের কয়েল ভিজে যায়, এবং পানি উৎপন্ন হয়, এই পানি পুরোপুরি ড্রেন লাইন দিয়ে বের হয় না, কিছু পানি এসিতে থাকে। পানির সাথে ধুলোও থাকে। x fan  চালু রাখলে, রিমোট দিয়ে এসি বন্ধ করার পরও, ৩ মিনিট ইনডোর ফ্যান চালু থাকে, এবং এই পানি/ভেজা কয়েলকে শুকিয়ে ফেলে।

এতে করে এসিতে ব্যাড স্মেল হয় না।

আর ভেজা কয়েলে রাশ পড়ে না, তাতে ইনডোর কয়েলে লিকেজ হওয়ার সম্ভাবনা ও কমে।


Self clean/Frost Clean- এসিকে রিমোট দিয়ে বন্ধ করে নিবেন, এরপর ফ্যান বাটন আর মোড বাটনকে একসাথে ৫ সেকেন্ড প্রেস করে রাখবেন। এসির ডিসপ্লেতে cl লেখা উঠবে। এরপর রিমোট রেখে দিন, এসি নিজে থেকে সেল্ফ ক্লিন হয়ে আগের মোডে চলে যাবে। সেল্ফ ক্লিনের আগে ফিল্টার পরিষ্কার করে নিবেন, সেল্ফ ক্লিনের সময় আওয়াজ হবে, ভয়ের কিছু নাই।


Se Mode- ইউজার যদি মনে করে তার এসিটি কম বিদ্যুৎ নিয়ে চালু থাকুক, ঠান্ডা কম দিলেও সমস্যা নাই। তাহলে Se mode অন করে নিবেন। 

বেশি গরমে se মোড না।


temp+clock বাটন একসাথে চেপে ধরলে/প্রেস করলে Se mode আসবে।


F/C মোড-রিমোটে যদি সেলসিয়াসের পরিবর্তে ফারেনহাইট সেট হয়ে যায়, তাহলে Mode button আর Up arrow button কে একসাথে ক্লিক করতে হবে।


Child lock- এসির রিমোটকে যদি লক করে রাখতে হয়, তাহলে Up arrow button+Down arrow buttonকে একসাথে প্রেস করলে/ চেপে ধরলে রিমোট লক/আনলক হবে।


আরও কিছু জানা বাকি  থাকলে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে 👉 Washing Machine  & AC USER  OF BANGLADESH


ডাকের মাছ, মাছের ডাক! @ অরিত্র ভট্টাচার্য্য। 

 #fishy_tale!


ডাকের মাছ, মাছের ডাক!


@ অরিত্র ভট্টাচার্য্য। 














"রানার চলেছে খবরের বোঝা কাঁধে/রানার,রানার চলেছে রানার!"


কিশোর কবি এই বিখ্যাত কবিতাটি লেখার পরে অনেক দশক কেটে গেছে৷ বর্তমান যুগে যোগাযোগ ব্যবস্থায় রানার বা পোস্ট অফিস দুজনের গুরুত্ত্বই কমতে কমতে এখন প্রায় তলানিতে৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও যে জিনিসের গুরুত্ব আজও কমেনি,বরং পৃথিবীর বিভিন্ন সংগ্রাহকদের কাছে বেড়েছে,সেটা হল পোস্টাল স্ট্যাম্প৷ হ্যাঁ,সেই স্ট্যাম্প যা ডাক ব্যবস্থার শুরু থেকে খামের গায়ে আটকানো হতো৷ যুগ পাল্টানোর সাথে এই পোস্টাল স্ট্যাম্পগুলোর ছবিও পাল্টেছে,তাই মনে করা হয় বিভিন্ন দেশের স্ট্যাম্প তাদের পরিবর্তিত কালচারের প্রতিফলন ঘটায়৷ যদিও এটি মাছের গ্রুপ এবং ভূমিকাটা বেশ লম্বাই হচ্ছে তবুও একটা ছোট্ট তথ্য দেওয়ার লোভ সামলাতে পারছি না এখানে৷ পৃথিবীর প্রথম স্ট্যাম্প হল ১৮৪০ সালের ইংল্যান্ডের পেনি ব্ল্যাক স্ট্যাম্প যাতে রাণী ভিক্টোরিয়ার যুবতী বয়সের ছবি দেওয়া ছিল৷ এর সাত বছর পরে আমেরিকায় বেন্জামিন ফ্রাঙ্কলিনের ছবি দেওয়া ৫ সেন্টের স্ট্যাম্প প্রচলিত হয়৷


যাক,গৌরচন্দ্রিকা বোধহয় একটু লম্বাই হল৷ এবার আমরা আমাদের পরিচিত আঁশটে গন্ধ পেতে চলেছি লেখায়৷ বিভিন্ন দেশের কালচারের সাথে বিভিন্নভাবে মাছ মিশে আছে৷ সেটা রোজকার খাদ্যতালিকায় হোক,রঙিন মাছের ক্ষেত্রেই হোক বা লোককথা,উপকথাতেই হোক৷ তো স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন দেশের স্ট্যাম্পে মাছের ছবির উপস্থিতিও খুব স্বাভাবিক৷ তো এই লেখায় আমরা দেখবো যে কিভাবে বিভিন্ন দেশের পোস্টাল স্ট্যাম্পে বিভিন্ন সময়ে মাছেদের ছবি উঠে এসেছে৷


পৃথিবীতে যেহেতু দেশের সংখ্যা একটু বেশীই,তাই আমাদের আলোচনার সুবিধার্থে আমরা মোটামুটি মহাদেশ হিসাবে ভাগ করে সেই মহাদেশের প্রধান প্রধান দেশগুলির মাছের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্পের ওপর নজর দেব৷ 'হোম সুইট হোম' নীতিতে বিশ্বাসী আমি নাহয় এশিয়া মহাদেশ এবং ভারত দিয়েই শুরু করি৷ কিন্তু প্রথমেই আপনাদের আশাহত করতে হবে৷ নদীমাতৃক দেশ হলেও আমাদের দেশে মাছের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্পের সংখ্যা মাত্র একটা,হ্যাঁ একটাই ১৯৭৫ সালে ছাপানো স্ট্যাম্প যেখানে চিঙড়ি,পমফ্রেড এবং কার্প জাতীয় মাছের ছবি আছে৷ সেই তুলনায় আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলির মাছের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্পের সংখ্যা অনেক বেশী৷ যেমন বাংলাদেশে ইলিশ ও পাবদা মাছের ছবি দেওয়া স্ট্যাম্প দেখা যায়৷ পাকিস্তানে কার্প জাতীয় মাছ, রুই (১৯৭৩), কাতলার ছবি দেওয়া স্ট্যাম্প আছে৷ সাথে আছে মহাশির (১৯৯৫) এর ছবি দেওয়া স্ট্যাম্প৷ শ্রীলঙ্কায় মাছের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্পের ভ্যারাইটি বেশ বেশী৷ চেরী বার্ব থেকে অর্নেট প্যারাডাইস, স্পটেড লোচ থেকে পাহাড়ি কার্পের ছবি ওদেশের স্ট্যাম্পে বেশ কমন৷ এই একদম প্রতিবেশী দেশগুলো ছেড়ে আমরা যদি এশিয়ার অন্য দেশগুলোর দিকে তাকাই তাহলে দেখবো যে ভিয়েতনাম,থাইল্যান্ড,ইরান এই দেশগুলিতে স্ট্যাম্পে মাছের ছবির প্রাচুর্য দেখা যায়৷ ভিয়েতনামে ১৯৮৪ সালে একটি ডেকরেটিভ মাছের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্পের সিরিজ বেরোয় যেখানে গোল্ডফিশ, এন্জেল, বেট্টা স্প্লেনডেনস, জেব্রা, ফ্লাইং ফিশ ও স্পটেড পরকুপাইন ফিশ এর ছবি দেখা যায়৷ থাইল্যান্ডে ঠিক একইরকম ভাবে একটি সিরিজ বেরোয় ১৯৬০ সালে যেখানে গোরামি, রেড টেইল শার্ক, ক্যাটফিসের ছবি থাকে৷ এছাড়াও ম্যাকরেল,কার্প জাতীয় মাছের স্ট্যাম্পও দেখা যায়৷ ইরানে আবার এরমই এক সিরিজ দেখা যায় কিন্তু সেটা মেরিন ফিশের৷ আমি সেগুলোর ল্যাটিন নামগুলোই দিচ্ছি৷ Chaetodontoplus septentrionalis, Carassius auratus, Chaetodon larvatus, Pomacanthus maculosus. এরপর চোখ রাখা যাক জাপানে যেখানে ১৯৬৬ সালে গোল্ডফিশের ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্প বেরোয়৷ এছাড়াও স্টিকলব্যাক ফিশের আরেকটি স্ট্যাম্প দেখা যায়৷ কোরিয়ায় মাছের ছবির স্ট্যাম্প এর মধ্যে অন্যতম হল জায়ান্ট ওরফিশ আর স্যামন৷


এবার এশিয়া ছেড়ে একটু পশ্চিমে, ইউরোপে পা বাড়ানো যাক৷ ইউরোপের সর্ববৃহৎ দেশ,রাশিয়ায় প্রধান যে তিনটি মাছের স্ট্যাম্প দেখা যায় সেগুলি হলো বাল্টিক সাগরের ঈলমাছ, পিকারেল এবং বৈকাল হ্রদের স্টার্জিয়ন৷ অদ্ভূদভাবে জার্মানির স্ট্যাম্পের মাছগুলো আমাদের বড্ডো চেনা৷ যেমন মধু খলসে, রেমিরেজি, বার্ব, টেট্রা৷ ইংল্যান্ডে আবার দেখা যায় সামুদ্রিক মাছের আধিক্য যেমন স্যামন, হেরিং, কর্নিশ সার্ডিন,স্পাইনি ডগফিশ ও উল্ফফিশ৷ এদের মধ্যে শেষের দুটি বিলুপ্তপ্রায়,তাই স্ট্যাম্পেই 'Threatened' কথাটি উল্লেখ করা আছে৷ ফ্রান্স ও স্পেন এই দুই দেশের স্ট্যাম্পেই কমন মাছটি হল স্যামন৷


এবার আসা যাক সেই মহাদেশে যেটা আমাদের,মাছ পুষিয়েদের কাছে হয়তো সবচেয়ে জনপ্রিয়,আফ্রিকা! আফ্রিকার কেনিয়ায় ২০০৬ সালে ছাপানো হয় একাধিক নাইল পার্চের স্ট্যাম্প৷ সাথে রয়েছে আমাদের পরিচিত হ্যাপলোক্রোমিস৷ তবে মাছের ছবির স্ট্যাম্প সবচেয়ে বেশী আছে উগান্ডা, নাইজিরিয়া আর দক্ষিণ আফ্রিকায়৷ উগান্ডায় তেলাপিয়া, সার্পে টেট্রা, বার্ব, মার্বেলড লাঙফিস, সোর্ডফিস এদের ছবি দেখা যায়৷ নাইজিরিয়ায় আবার ক্যাটফিসের বিভিন্ন প্রজাতিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যেমন ইলেকট্রিক ক্যাটফিস৷ তার সাথে আছে তেলাপিয়া, নাইজার পার্চ, চিঙড়ি আর লঙ নেক ক্রোকার ফিস৷ দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০০১ সালে মেরিন মাছের ছবি সম্বলিত একটি স্ট্যাম্পের সিরিজ বের করা হয় যা বেশ জনপ্রিয় হয়৷ তার মধ্যে অন্যতম হল পাউডার ব্লু সার্জিয়ন, মুরিশ আইডল, কোরাল বিউটি, গ্যালজিওন ফিস৷ মরোক্কোর স্ট্যাম্পে দেখতে পাওয়া যায় ঈল, ব্লু ফিশ আর মেরিন লবস্টারের ছবি৷ জিম্বাবোয়েতে কিন্তু মাছের থেকে মাছ ধরার ছবি স্ট্যাম্পে বেশী প্রাধান্য পেয়েছে৷ সাথে আছে ইস্টার্ন বটল নোজ ফিসের একটা সুন্দর স্ট্যাম্প৷


কিন্তু মাছপুষিয়েদের মানচিত্রে সেভাবে জায়গা করতে না পারলেও মাছের স্ট্যাম্পের প্রাচুর্যে বোধহয় অন্য সব দেশকে ছাপিয়ে গেছে ওশিয়ানিয়া মহাদেশের অতি পরিচিত দেশগুলো৷ যার মধ্যে অন্যতম হল অষ্ট্রেলিয়া৷ চারপাশ সমুদ্রবেষ্টিত হওয়ার জন্যই হয়তো এদেশে সামুদ্রিক মাছের রমরমা বেশী৷ এদেশে স্ট্যাম্পে জায়গা পাওয়া মাছগুলোর মধ্যে প্রধান হল কোরাল ফিশ, স্পটেড সুইটলিপস, এনোমেনি ফিস, ব্লু লাইনড সার্জিয়ন, কোরাল রেবিট ফিস৷ এছাড়াও আছে হামবাগ ফিশ, ক্র্যাব আইড গোবি, ব্ল্যাক মার্লিন, টাইগার শার্ক৷ শুধুমাত্র মাছের ছবি নয়,সাথে সচেতনতার পাঠও পড়ায় এই স্ট্যাম্প৷ তাই টাইগার ফ্ল্যাটহেড, প্যাটাগরিয়ান টুথফিস, ব্লু গ্রিনাডিয়ার এই মাছগুলোর স্ট্যাম্পে লেখা "Sustainable fish"৷ প্রতিবেশী দেশ নিউজিল্যান্ডও দৌড়ে খুব একটা পিছিয়ে নেই৷ এদেশের স্ট্যাম্পে দেখা যায় বিভিন্ন প্রজাতির ট্রাউটের ছবি,যেমন ব্রুক ট্রাউট, ব্রাউন ট্রাউট, রেনবো ট্রাউট৷ সাথে রয়েছে স্কারলেট প্যারট ও সোর্ডফিস৷ এই সামুদ্রিক মাছগুলোর সাথে সাথে স্থানীয় মিষ্টিজলের মাছেদেরকেও যে এই দেশ ভোলেনি তার প্রমাণ পাওয়া যায় একটা সিরিজে যেখানে আছে টর্ডেন্ট ফিশ, লঙফিন ঈল, রিওফিন বুলি ইত্যাদি মাছ৷ পাপুয়া নিউগিনির স্ট্যাম্পে আবার আমরা দেখি আমাদের কিছু পরিচিত মাছের ছবি,যেমন প্যারাডাইস গোরামি, রেনবো, গোবি৷ ফিজিতে যে স্ট্যাম্পগুলো দেখি সেগুলো হল ক্লাউন ট্রিগার ফিশ, কড, ইয়োলো ফিন টুনা, ঈল মাছের৷


এবার আমাদের শেষ গন্তব্য হল ট্রাম্পজেঠুর দেশ৷ যদিও সেখানে মাছের ছবিওয়ালা স্ট্যাম্পের সংখ্যা বেশী নয়৷ উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মিলিয়ে মিশিগান,কিউবা, ভেনেজুয়েলা,গায়ানা এই সব প্রদেশে তুলনায় এই ধরণের স্ট্যাম্প বেশী দেখা যায় যেগুলো মোটামুটি ওই ট্রাউট, স্যামন, কড,টুনা, ক্যাটফিশের মধ্যে ঘোরাফেরা করে৷ শুধু ভেনেজুয়েলায় পিরানহা মাছের ছবিযুক্ত একটা স্ট্যাম্প পাওয়া যায়৷


তো এই হল আমাদের মাছেদের ছবির গপ্পো৷ দেশভেদে মাছের ধরণ অন্য অন্য হলেও সমগ্র পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে,যার মধ্যে কিছু আমি আপনাদের বল্লাম, স্ট্যাম্পে মাছেদের উপস্থিতি এটাই প্রমাণ করে যে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে, জীবিকায় ও শখে মাছ কতটা গুরুত্ত্বপূর্ণ৷ আবার বিভিন্ন স্ট্যাম্পে বিলুপ্তপ্রায় মাছেদের ছবি মৎস্যপ্রেমী ও পরিবেশপ্রেমী হিসাবে আমাদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দেয়৷ আশা করি এই লেখা আমাদের আরো সচেতন করতে পারবে৷ সাথে রইল বিভিন্ন দেশের স্ট্যাম্পের কিছু ছবি৷


থাইরয়েড থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

 থাইরয়েড থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়



থাইরয়েড সমস্যা প্রধানত দেখা যায় স্ট্রেস, ডায়েটের সমস্যা। ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করলেই রেহাই পাবেন থাইরয়েড সমস্যা থেকে।


আয়োডিন ও খনিজসমৃদ্ধ খাবার থাইরয়েডের জন্য অনেক বেশি উপকারী। তাই যে খাবারে এই উপাদানগুলো বেশি থাকে যেমন, দুধ, পনির, দই এই ধরনের দুগ্ধজাতীয় খাবার থাইরয়েডের জন্য অনেক বেশি উপকারী। আয়োডিন সাপ্লিমেন্টও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।


আপনার থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে কোনও ভাবেই চিনি খাবেন না। অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে টি-৩ ও টি-৪ এই দুটি হরমোন উত্পন্ন হয়ে। যা স্বাস্থ্য়ের পক্ষে খারাপ।


যখন আমাদের দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়োডিন থাকে না তখন থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে পারে না। যা হাইপোথাইরয়েডিজম-এর দিকে পরিচালিত হয়ে। তাই আয়োডিন যুক্ত খাবার খান।


মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। থাইরয়েডের সমস্যা কম থাকে।


প্রতিদিনের খাবারে আয়রন কম পরিমাণে থাকলেও থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিতে পারে।


হরমোন উৎপাদনের ভারসাম্যতা বজায় রাখতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অনেক উপকারী। এতে বিপাক ক্রিয়ার উন্নতি হয়। এ ছাড়া এটি শরীরের ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং শরীর থেকে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ বের করে পুষ্টি শোষণে সহায়তা করে।


আদায় বিভিন্ন রকম খনিজ যেমন- পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে। তাই এটি থাইরয়েডের সমস্যার জন্য অনেক কার্যকর। থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত আদা চা পান করা অনেক উপকারী।


থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ভিটামিন বি খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে ভিটামিন বি১২ হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই যেগুলো খাবারে এই ভিটামিন বেশি থাকে যেমন, ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, বাদাম এগুলো প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অন্তভুক্ত করতে হবে যাতে এগুলি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি সরবরাহ করতে পারে।


ভিটামিন ডি এর অভাবেও অনেক সময় থাইরয়েডের সমস্যা হয়ে থাকে। আর একমাত্র সূর্যের আলোতেই শরীর ভিটামিন ডি প্রস্তুত করতে পারে। তাই দিনে অন্তত পক্ষে ১৫ মিনিট সূর্যের আলোয় থাকতে হবে। ভিটামিন ডি বেশি পরিমাণে থাকে এমন কিছু খাবার হচ্ছে- স্যালমন, ম্যাকারেল, দুগ্ধজাতীয় দ্রব্য, কমলালেবুর রস, ডিমের কুসুম ইত্যাদি।


যোগ ব্যয়াম ও ধ্যান থাইরয়েড গ্রন্থিতে রক্ত প্রবাহকে সঠিক রাখে।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৮-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৮-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় ‘প্রতিবেশ কেন্দ্রিক’ দর্শন অনুসরণের আহ্বান পরিবেশ উপদেষ্টার। 


দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত জামায়াত আন্দোলন চালিয়ে যাবে - বললেন দলের আমীর।


এ বছর জাতিসংঘ সম্মেলনে রোহিঙ্গাদেরকে তাদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা বিষয়ক প্রতিনিধি।


ভবিষ্যতে যাতে কেউ গণমাধ্যমে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেলক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


ইসরাইলের মন্ত্রিসভায় গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির অনুমোদন - কার্যকর হবে আগামীকাল।


চট্টগ্রামে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রংপুর রাইডার্স ও দুর্বার রাজশাহী নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

বিদেশী ব্যাবসায়ে বাংলাদেশী লোক না নেওয়র অনুরোধ

 এতদিন যাবৎ বেবসা করি কোনোদিন আমার হোটেল থেকে একটা জিনিস কমেনা। আর বাংগালি লোক চাকরিতে রাখার পর থেকে একবছর ধরে কোনোকিছুর হিসাব মিলাইতে পারিনা। প্রতিদিন আলু সিদ্ধ করি ৫ কেজি। সারাদিন বেচাকিনার পর সন্ধ‍্যার সময় দেখি আধাকেজির হিসাব মিলেনা। গাজর সিদ্ধ করার আগেই স্টকরুম থেকে দুইটা তিনটা করে নাই হয়ে যায়। বাধ‍্য হয়ে কালকে সিসি ক‍্যামরা লাগাইছি। আজকে হিসাব করে আলু সিদ্ধ দিছি ১২০টা। প্রতি প্লেটে ৩টা করে দিছি। ৩৮ প্লেটে গেছে ১১৪ আলু। স্টক গোণা দিয়ে দেখি দুইটা আলু আছে। বাকি চাইরটা নাই।


ক‍্যামরা দিয়া দেখলাম কামরুজ্জামান ডিশওয়াশিন করতেছে। কিন্তুরিক তার মুখ লড়ে। আমি সাথে সাথে গিয়া গলা চাইপা ধরলাম। জোর করে হা করায়া দেখি কোন ফাঁকে কিচেন থেকে আলু চুরি করে খাইতেছে। মুখের ভিতর আঙুল দিয়ে তিনটা আলু বাইর করছি। একটা ততক্ষণে খাইয়া ফালাইছে।


প্রবাসী ভাইদের অনুরোধ করব কখনো বাংলা প্রবাসী দেশি লোককে ব‍্যবসায় ঢুকাবেন না এবংকি নিজের জিম্মায় নিয়েও কোনোখানে চাকরি দিবেন না। আপনার ব‍্যবসা বানিজ‍্য রেপুটেশাম সব দংস করে দিবে।


ওসমান গণি

সুইজারল‍্যান্ড প্রবাসী




তাবিজ ব্যাবহার করা শিরক,,,,, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের দোয়া ও আমল ফেইসবুক থেকে নেওয়া  

 ✅ তাবিজ ব্যাবহার করা শিরক 

তাবিজের ব্যাপারী, ধর্ম ব্যবসায়ীদের থেকে সাবধান সচেতন সতর্ক হোন।  

📚 (আহমাদ: ১৬৭৬৩, ১৬৭৭, মিশকাত: ৩৫১) 


শিরক সবচেয়ে বড় পাপ‼️

📗(সূরা লোকমান: ১৩)


✅হাশরের মাঠে সব পাপ ক্ষমা হতে পারে, শিরক ব্যাতীত 

📚 (মিশকাত: ২৩৩৬, সূরা নিসা: ১১৬)


✅তাবিজ ব্যবহার নিষেধ 

 عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ تَعَلَّقَ تَمِيمَةً فَلاَ أَتَمَّ اللهُ لَهُ وَمَنْ تَعَلَّقَ وَدَعَةً فَلاَ وَدَعَ اللهُ لَهُ.


উক্ববাহ ইবনু আমির (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, 

যে ব্যক্তি তাবিজ ব্যবহার করবে আল্লাহ তাকে পূর্ণতা দিবেন না। আর যে কড়ি ব্যবহার করবে আল্লাহ তাকে মঙ্গল দান করবেন না 

📚 (আহমাদ :১৬৭৬৩, হাদীস সহীহ)।


عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقْبَلَ إِلَيْهِ رَهْطٌ فَبَايَعَ تِسْعَةً وَأَمْسَكَ عَنْ وَاحِدٍ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ بَايَعْتَ تِسْعَةً وَتَرَكْتَ هَذَا قَالَ إِنَّ عَلَيْهِ تَمِيمَةً فَأَدْخَلَ يَدَهُ فَقَطَعَهَا فَبَايَعَهُ وَقَالَ مَنْ عَلَّقَ تَمِيمَةً فَقَدْ أَشْرَكَ-


উক্ববাহ ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। একদা রাসূল (ﷺ)-এর খিদমতে একদল লোক উপস্থিত হল। অতঃপর রাসূল (ﷺ) দলটির ৯ জনকে বায়‘আত করালেন এবং একজনকে বায়‘আত করালেন না। তারা বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আপনি ৯ জনকে বায়‘আত করালেন আর একজনকে ছেড়ে দিলেন? 

রাসূল (ﷺ) বললেন, 

তার সাথে একটি তাবিজ রয়েছে। তখন লোকটি হাত ভিতরে ঢুকিয়ে তাবিজ ছিড়ে ফেললেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ) তাকেও বায়‘আত করালেন এবং বললেন, যে ব্যক্তি তাবিজ ব্যবহার করল সে শির্ক করল’ 

📚 (আহমাদ :১৬৭৭১, হাদীস সহীহ)।


শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫

আমার বিয়ের বয়স আজ প্রায় ১৫ বছর হল! বাচ্চা ৩ টা

 আমার বিয়ের বয়স আজ প্রায় ১৫ বছর হল! বাচ্চা ৩ টা!

স্বাভাবিকভাবেই ১৫ বছর আগের রূপ যৌবন না থাকারই কথা!

তার উপর বাচ্চাগুলো সিজারিয়ান! তাই এখন আর বউ এর প্রতি আকর্ষণ নাই বললেই চলে!

বউকে এখন বুয়ার মতই লাগে!


সকাল থেকে সবগুলো বাচ্চাকে নাস্তা করাও, স্কুলে পাঠাও, ঘরের বাকী সবার নাস্তা বানাও! এরমাঝে দুপুরে খাবারের মেন্যু ঠিক করো! তারপর দুপুরের রান্না শুরু! এর মাঝে বাচ্চারা স্কুল থেকে আসা শুরু করে! আবার কাউকে নিয়েও আসতে হয়!

দুপুরের খাবারের পর্ব শেষ হতে না হতে আবার বিকেলের নাস্তা!


বাচ্চাদের পড়া, রাতের খাবার, খুচরা বাজার, অসুস্থ সদস্যদের সেবা! এভাবে অনবরত দিনরাত্রি চলে!

আর মিঃ দেখেন যে সব ঠিকঠাকমতো চলছে!

নিজের খেদমত, বাচ্চাদের দেখাশোনা, বাবা মায়ের খেদমত সবই চলছে! শুধুমাত্র সামান্য ব্যত্যয় ঘটলেই সিংহ পুরুষের গর্জন শুরু হয়! একটা সময় মনেই হয়না এই মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে পছন্দ করে ঘরে আনা হয়েছে! মনে হয়, ২/৩ টা কাজের মানুষ রাখলেই এই কাজগুলো সঠিকভাবে আঞ্জাম দেয়া যায়!


লাবণ্য হারিয়ে যাওয়া শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মহিলাটিকে আর লাস্যময়ী লাগেনা! ঘরের চাইতে বাইরে সময় কাটানোই শ্রেয় মনে হয়! যারা ধর্ম চর্চা করেন, তারা খুঁজে খুঁজে স্বামীর অধিকারের আয়াত এবং হাদীস বের করেন!

কিন্তু স্ত্রী অধিকারের আয়াত ও হাদীস এড়িয়ে চলেন।

কখনো কখনো অসহ্য বেদনায় কষ্ট মুখ দিয়ে উদগীরণ হলে সিংহ পুরুষের হুংকার - বের হয়ে যাও ঘর থেকে,

দরজা খোলা আছে!

শুধু মেয়েটি বলতে পারেনা "আমার ১৫ বছর আগের আমাকে ফেরত দাও।"


নিদারুণ বাস্তবতা থেকে কথাগুলা লিখা।কেমন লাগলো, পড়ার পর প্লিজ কমেন্টে জানাবেন অবশ্যই।

জীবনে যে-কোনো শখ বা আহ্লাদ পূরণের নির্দিষ্ট একটা সময় থাকে।

 জীবনে যে-কোনো শখ বা আহ্লাদ পূরণের নির্দিষ্ট একটা সময় থাকে। সঠিক সময়টা একবার পেরিয়ে গেলে শখ হয়ত পূরণ হয় ঠিকই, তবে তৃপ্তিটা ঠিক পাওয়া যায় না।


১৭ বছর বয়সে যে বিরিয়ানিটা খেতে অমৃতের মতো লাগে, ৩২ বছর বয়সে এসে সেটা ভালো নাও লাগতে পারে।


১৮ বছর বয়সে সমবয়সী কারো সাথে পাঞ্জাবি বা শাড়ি পরে রিকশায় ঘুরতে ভীষণ রোমান্টিক লাগে, ৩৬ এ পা দিয়ে একই কাজ করতে রোমান্টিক লাগবেই তার কোনো গ্যারান্টি নাই। 


২১ বছর বয়সে ভার্সিটির বন্ধুবান্ধব নিয়ে সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গেলে যেই আনন্দ পাওয়া যাবে, ৪০ পার করে সেই আনন্দ পাওয়া নাও যেতে পারে। 


একদিন নিজের ছাদে বাগান করব, এই আশায় বসে থেকে যেই মানুষটা বারান্দার টবে কোনো গোলাপের চারা লাগাল না, ছাদ হওয়ার পর দেখা গেল সেই মানুষটার আর বাগান করার সময়ই নেই। 


একদিন চাকরি করে বাবা-মাকে দামী দামী জিনিস কিনে দেয়ার স্বপ্ন দেখা মানুষটা চাকরি করে টাকা কামাবে ঠিকই, কিন্তু ততদিনে মা-বাবা এই দুনিয়ায় নাও থাকতে পারে। 


জীবনের ছোটখাট সাধ আহ্লাদ খুব দামী জিনিস। এগুলোই একটা মানুষের হৃদয়কে জীবিত রাখে, সতেজ রাখে, প্রাণবন্ত রাখে। মানুষের হৃদয় একটু একটু করে মরে যায় ইচ্ছা পূরণের অভাবের নীরব হাহাকারে! এজন্য সময় থাকতেই এসব শখ পূর্ণ করে ফেলতে হয়। 


অনেক টাকা জমলে একদিন খাব, এই চিন্তা না করে অল্প কিছু টাকা জমিয়ে এখনি খেয়ে আসুন পছন্দের কাচ্চিটা। বিশ্বাস করুন, জীবনের শ্রেষ্ঠ স্বাদটা পাবেন।


দেরি না করে পছন্দের মানুষটাকে আজকেই রিকশা ডেটিংয়ের অফারটা দিয়ে দেখুন। রাজি হলে শাড়ি বা পাঞ্জাবি পরে হুডখোলা রিকশায় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে শহরময় ঘুরে বেড়ান। লিখে নিন, লাইফের সেরা রোমান্সটা পাবেন।


পকেটে কিছু টাকা হলেই বন্ধুর ঘাড়ে হাত রেখে বলে বসুন, চল ব্যাটা, সাজেক যাব। আজকেই যাব, এক্ষণি যাব। ব্যাগ গুছিয়ে নে, বাস ধরতে হবে।


নিজের ছাদে বাগান হবে, এই আশায় বসে না থেকে ভাড়া বাসার বারান্দার টবেই লাগিয়ে ফেলুন পছন্দের গোলাপের চারাটা। টিউশানির টাকায় কম দামেই কিনে ফেলুন বাবা-মায়ের জন্য শার্ট বা শাড়ি, হোক না সুতি, শখ পূরণটাই বড় কথা! 


মনে রাখবেন, একদিন সব হবে - এই আশায় যে নিজেকে বঞ্চিত করে, তার জীবনে কিছুই হয় না। তার জীবন কাটে বিষন্নতা আর অপেক্ষায়, শেষ হয় আফসোস আর হতাশা দিয়ে।

৫ হাজার টাকায় জাদুপিসি


  ৫ হাজার টাকায় জাদুপিসি


June 20, 2023


৫ হাজার টাকায় জাদুপিসি

হাসান জাকির : দেশের মোট জনগোষ্ঠীর বড় অংশ এখনও রয়েছে  কম্পিউটার ডিভাইসের আওতার বাইরে। ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে, বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে কম্পিউটার থাকা জরুরি। কিন্তু দামের কারণে সবার জন্য কম্পিউটার কেনা সত্যিই কষ্টসাধ্য। এ অবস্থা সমাধান দিতে দুই তরুণের স্বপ্নের প্রকল্প ‘জাদুপিসি’।

 জাদুপিসি হচ্ছে সাশ্রয়ী দামের ডেস্কটপ কম্পিউটার। লিনাক্সনির্ভর কাস্টমাইজড অপারেটিং সিস্টেম ‘স্বপ্ন ওএস’ চালিত এ পিসি শিশু শিক্ষার্থীসহ কম্পিউটার কেনার যাদের সামর্থ্য নেই, তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। প্রচলিত কম্পিউটারে যা যা করা যায়, এ পিসিতেও তার সবাই করা সম্ভব। এর মধ্যে ওয়েব ব্রাউজিং, পেইন্টিং, ওয়ার্ড ফাইলে লেখালেখি থেকে শুরু করে প্রোগ্রামিং কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিকসনির্ভর কাজ অনায়াসে করা যাবে ডিভাইসটিতে।

জাদুপিসি বৃত্তান্ত


জাদুপিসি মিনি ও জাদুপিসি ডেস্কটপ সংস্করণে এখন মিলবে কম্পিউটারটি। জাদুর বাক্স নামে জাদুপিসিতে আইওটি এবং রোবটিকস শেখার জন্য রয়েছে বিশেষ প্যাকেজ। এআরএমভিত্তিক সিঙ্গেল বোর্ড এ কম্পিউটারে রয়েছে কোয়াড কোর প্রসেসর। ১.৮ গিগাহার্টজ গতির কোর্টেক্স এ৫৩ প্রসেসর চালিত কম্পিউটারটিতে রয়েছে তিনটি ইউএসবি পোর্ট, একটি এইচডিএমআই পোর্ট, একটি মাইক্রো এসডি স্লট এবং একটি ল্যান পোর্ট। পিসিটে ১৯ ইঞ্চি টিএফটি এলইডি মনিটরের সঙ্গে যুক্ত হয়, যার রেজ্যুলেশন ১৩৬৬ বাই ৭৮৬ পিক্সেল। লিনাক্সনির্ভর স্বপ্ন ওএস চালিত পিসিটিতে রয়েছে প্রিইনস্টল শিক্ষামূলক সফটওয়্যার। ডিভাইসটিতে পাবেন ৪ জিবি ডিডিআরথ্রি র‍্যাম, ৩২/৬৪ জিবি স্টোরেজ, যা এক টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যায়। এটি কিবোর্ড, মাউস, সাউন্ড কার্ড, হেডফোন সমর্থন করে। ওয়াই-ফাই সমর্থিত সাশ্রয়ী দামের এ কম্পিউটারটি অল-ইন-ওয়ান সংস্করণ আনার ঘোষণা দিয়েছেন নির্মাতারা। মূল জাদুপিসির দাম ৫ হাজার টাকা। মনিটর, মাউস, কিবোর্ড তথা পূর্ণাঙ্গ সেটআপসহ ডিভাইসটি কিনতে খরচ পড়বে মাত্র ১২ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকা।


২০১৪ সালে জাদুপিসির যাত্রা শুরু হয়। স্কুল-সংক্রান্ত প্রকল্পের কাজে স্পেকট্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়ামের পরিচালক খন্দকার আসিফ হাসানের সঙ্গে দেখা করেন জাদুপিসির প্রতিষ্ঠাতা মাসরুর হান্নান। তিনি দেখেন ‘অ্যান্ড্রয়েড ডঙ্গল’ ডিভাইসে স্কুল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার পিএইচপিতে বানিয়ে ইনস্টলের চেষ্টা করছেন আসিফ হাসান। তবে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস হওয়ায় পিএইচপি ইনস্টলে ঝামেলা হচ্ছিল। মাসরুর বলেন, যন্ত্রটি আমি আসিফ ভাইয়ের কাছ থেকে বাসায় এনে টিভিতে যুক্ত করে বুঝতে পারি, এটি দিয়ে কম্পিউটার বানানো সম্ভব। তখনই আমার মাথায় গেড়ে বসে জাদুপিসি। তবে ডিভাইসটি দিয়ে কম্পিউটার বানানোর কাজ মোটেও সহজ ছিল না। বিভিন্নভাবে চেষ্টা করি, আশাভঙ্গ হয় আমার। আমি এটা বাদ দিই। এর পর আমি পড়াশোনার জন্য যুক্তরাজ্যে যাই। এবার যুক্তরাজ্যে গিয়ে আমি ফের জাদুপিসি নিয়ে চেষ্টা করি, কিন্তু কিছুই হয় না। মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ২০১৮ সালে দেশে ফিরি।


দেশে ফিরে জাদুপিসি নিয়ে আবার আমার উন্মাদনা শুরু হয়। জাদুপিসির জন্য অ্যান্ড্রয়েডের মতো একটি অপারেটিং সিস্টেম দাঁড় করানোর চেষ্টা করি। দুই বছর চেষ্টা করে ফের ব্যর্থতা। কিন্তু ২০২২ সালে জাদুপিসির মোড় ঘুরে যায়। বাংলাদেশে বসে মাসরুর হান্নান যখন বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন, তখন দক্ষিণ আফ্রিকায় বসে একই কাজ সফলতার সঙ্গেই করছেন আরেক বাংলাদেশি রাগীব এহসান। তরুণ এ উদ্ভাবক আফ্রিকার পিছিয়ে পড়া শিশুদের প্রযুক্তি সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন। তিনি লিনাক্সনির্ভর ‘স্বপ্নওএস’ নামে চমৎকার একটি অপারেটিং সিস্টেম দাঁড় করিয়েছেন। খোঁজ পাওয়ার পর মাসরুর হান্নান তাঁদের ডিভাইসটি রাগীবকে পাঠান। আমন্ত্রণ জানান জাদুপিসির টিমে যোগ দিতে। মাসরুর বলেন, রাগীবের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্নের সঙ্গে যুক্ত হয়।

রাগীবের যোগ দেওয়ার আগে অ্যান্ড্রয়েডকে ঠিকমতো কাস্টমাইজ না করতে পারায় ৫০০ ইউনিট জাদুপিসি ধ্বংস করতে বাধ্য হন মাসরুর। তবে রাগীব যুক্ত হওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ায় জাদুপিসি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নাভিদ মাহবুব ও মাসরুর হান্নানের অর্থায়নে ভালোভাবে এগিয়ে চলছে জাদুপিসি। এ ছাড়া সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা রাগীব এহসানের স্বপ্ন তো আছেই, সঙ্গে প্রধান পণ্য কর্মকর্তা তাহমিদ আবির। আগামী মাসেই ডেভেলপারদের জন্য ১ হাজার জাদুপিসি বাজারে আনতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে একটি পরীক্ষামূলক স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং, রোবটিকস নিয়ে ৫০টিরও বেশি স্কুলে কাজ করার কথা জানান তিনি। জাদুপিসির সঙ্গে রয়েছে একটা করে জাদুর বাক্স রোবটিকস কিট, যার মাধ্যমে শিশুরা রোবটিকসও শিখতে পারবে।


লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ

চলতি বছর কোম্পানিটি ১০ হাজার ইউনিট  জাদুপিসি বিক্রি করতে চায়। ২০২৬ সালের মধ্যে এক কোটি মানুষের হাতে জাদুপিসি পৌঁছে দিতে চায় তারা। মাসরুর হান্নান বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও  কম্পিউটার সুবিধার বাইরে। অথচ ২০৪১ সালে যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের হাতে কম্পিউটার তুলে দেওয়ার বিকল্প নেই। আমাদের চাওয়া, প্রত্যেকটি শিশু স্কুলে যাক, তাদের হাতে বইয়ের পাশাপাশি থাকুক কম্পিউটার ডিভাইস। আর সেই কম্পিউটার ডিভাইস হোক জাদুপিসি। জাদুপিসির স্ক্রিনে তারা বিশ্বকে আবিষ্কার করুক। স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট প্রজন্ম দেশকে তুলে ধরুক নতুন উচ্চতায়। সূত্র : সমকাল


নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...