এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫

ধানের আগাছা নাশক: নাম ও গ্রুপ

 ধানের আগাছা নাশক: নাম ও গ্রুপ

ধান চাষে আগাছা দমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আগাছা ধান গাছের সাথে পুষ্টি ও জলের জন্য প্রতিযোগিতা করে, ফলে ফলন কমে যায়। এই সমস্যা মোকাবেলায় কৃষকরা আগাছানাশক ব্যবহার করেন।


আগাছানাশক কী?


আগাছানাশক হল এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা নির্দিষ্ট কিছু উদ্ভিদকে (আগাছা) মেরে ফেলে, কিন্তু ফসলকে ক্ষতি করে না।


ধানের আগাছা নাশকের ধরন:


ধানের আগাছা নাশককে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:


প্রি-ইমারজেন্ট আগাছানাশক: ধানের বীজ বপনের আগে বা পরে জমিতে প্রয়োগ করা হয়। এটি জমিতে অঙ্কুরিত হওয়া আগাছাকে নষ্ট করে।

পোস্ট-ইমারজেন্ট আগাছানাশক: ধানের চারা উঠার পরে আগাছা দেখা দিলে প্রয়োগ করা হয়। এটি বড় হয়ে ওঠা আগাছাকে নষ্ট করে।

ধানের আগাছা নাশকের কিছু সাধারণ নাম ও গ্রুপ:


প্রিটাইলাক্লোর

বুটাক্লোর

মেট্রিবুজিন

ইমাজাপিক


আগাছা নাশক ব্যবহারের সময় সতর্কতা:


সঠিক মাত্রা: আগাছানাশকের নির্দেশিত মাত্রা অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে। অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহার করলে ধান গাছও নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

সঠিক সময়: আগাছানাশক প্রয়োগের সঠিক সময় মেনে চলতে হবে।

সুরক্ষা সরঞ্জাম: আগাছানাশক প্রয়োগের সময় হাতে গ্লাভস, মুখে মাস্ক এবং চোখে চশমা পরতে হবে।

পরিবেশ সুরক্ষা: আগাছানাশক ব্যবহারের পর হাত ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। আগাছানাশকের প্যাকেট সঠিকভাবে ফেলে দিতে হবে।

কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ:


আগাছানাশক ব্যবহার করার আগে স্থানীয় কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তারা আপনার জমির ধরন, আগাছার প্রকারভেদ এবং অন্যান্য কারণ বিবেচনা করে সঠিক আগাছানাশক এবং তার মাত্রা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন।


আগাছা দমনের অন্যান্য উপায়:


জৈব পদ্ধতি: কম্পোস্ট, গোবর ইত্যাদি জৈব সার ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বাড়ানো।

যান্ত্রিক পদ্ধতি: হাতে নিড়ানি, কুলতি ইত্যাদি যান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে আগাছা দমন করা।

ফসলচক্র: বিভিন্ন ধরনের ফসল পরপর চাষ করে আগাছার বৃদ্ধি রোধ করা।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৩-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৩-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


পাচার হওয়া হাজার হাজার কোটি টাকা দেশে ফিরিয়ে আনতে বিদেশী বন্ধুদের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ - সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ব্যস্ত দিন পার করেন প্রধান উপদেষ্টা।


আগামী মাসে দুবাইয়ে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড গভর্ণমেন্ট সামিট-২০২৫-এ যোগদানে আমন্ত্রিত হলেন প্রধান উপদেষ্টা।


রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান পেতে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস UNHCR-এর।


গণ-অভ্যুত্থানের সময় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও গণহত্যার বিচারের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা আবেদন খারিজ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইসিটি -- বিচারে কোনো বাধা নেই।


মূল্য বৃদ্ধি ঠেকাতে ১০ লাখ টন চাল ও গম আমদানি করবে সরকার - বললেন খাদ্য উপদেষ্টা।


যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিনে ইসরাইলী বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ১০ জন ফিলিস্তিনী নিহত ও ৪০ জন আহত।


গতকাল চট্টগ্রামে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ- BPL-এ ঢাকা ক্যাপিটালস ও ফরচুন বরিশালের নিজ নিজ খেলায় জয়লাভ।

বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৫

এক আতর ব্যবসায়ী নিজের মেয়ে বিয়ে দিবেন। খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে এক ছেলের সাথে নিজের মেয়ের বিয়ে দিলেন,,,,, ফেইসবুক গল্প

 এক আতর ব্যবসায়ী নিজের মেয়ে বিয়ে দিবেন। খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে এক ছেলের সাথে নিজের মেয়ের বিয়ে দিলেন। 


বিয়ে শেষে মেয়ে শ্বশুরবাড়ি গেল। যাবার কিছুদিন পর সে তার বাবার সাথে যোগাযোগ করলো এবং জানালো তার নতুন বাড়িতে প্রচুর গন্ধ। যেহেতু সে ছোটবেলা থেকে আতরের মাঝেই বড় হয়েছে তাই সে আতরের সুঘ্রাণেই অভ্যস্ত। তার বাবা তাকে উপদেশ দিলেন ধৈর্য্য ধরে চেষ্টা করে যেতে এবং তার নতুন সংসারেও আতরের ঘ্রাণ ছড়িয়ে দিতে। 


সে চেষ্টা করতে থাকে এবং আতর ঢালতেই থাকে।কিন্তু সমস্যা হয় তার নতুন পরিবারের লোকদের আতর ভালো লাগেনা। আতরের ঘ্রাণ তাদের কাছে নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসার মত লাগে। এ নিয়ে দিনের পর দিন চলতে থাকে কলহ। কারন মেয়ে তাদের কোনমতেই বুঝিয়ে উঠতে পারেনা যে তাদের ঘরের কোনে দিনের পর দিন যে ময়লা জমেছে তা পরিস্কার করা দরকার এবং আতর ঢালা দরকার। সে যতই বুঝায় তাদের কাছে ততই এটা বিরক্তিকর লাগে এবং তারা এর বিপরীতে নানা যুক্তিতর্ক দাড় করায়। কোন এক অদৃশ্য পর্দা যেন তাদের অন্তর বিবেক মস্তিষ্কে ঠিক ঘরের কোনের ময়লার মতই পড়ে ছিল। 


অনেকদিন পর মেয়ের বাবা মেয়ের বাসায় বেড়াতে আসে। এসে দেখে অবাক কান্ড। সে আশা করেছিল তার মেয়ে নিজের ঘ্রাণে তার নতুন ঘর ভরে ফেলবে কিন্তু সে ভাবেনি যে তার মেয়ে নিজেই এই দুর্গন্ধে ভরে যাবে। 


সে তার মেয়েকে যখন এই গন্ধের কথা জিজ্ঞাসা করে, তার মেয়ে প্রতিউত্তরে জানায় যে তার নাকে এখন আর কোন গন্ধ লাগেনা। সে ময়লার এই বিশাল স্তুপে আতর ঢালতে ঢালতে তার নিজের আতরের বোতল ই ফুরিয়ে গিয়েছে এবং ধৈর্য্য ধরতে ধরতে এতটাই সময় সে পাড় করে ফেলেছে যে এই গন্ধও তার এখন সহ্য হয়ে গিয়েছে। 


এতক্ষণে মেয়ের বাবা বুঝতে পারলেন যে, সব জায়গায় আসলে আতর ঢালতেই নেই। এবং গন্ধযুক্ত জায়গায় ধৈর্য্য ও ধরতে নেই। 

কারন এক পিপা আতর ঢেলে দিলেও নর্দমার গন্ধ দূর হয়না এবং ময়লায় ওপর আতর না ঢেলে, ধৈর্য্য না ধরে সেটা যথাসম্ভব দ্রুততার সাথে পরিস্কার করে ফেলতে হয়। 


তাহলে হয়তোবা বেচে যাওয়া আতরটুকু দিয়ে আপনি নিজেকে ছাড়িয়ে যেয়ে আশেপাশের মানুষকেও সুঘ্রাণ ছড়াতে পারবেন.........।।।।।।


সংগৃহীত

ডেসটিনি গ্রুপ ➖➖➖➖➖ দেশব্যাপী ডেসটিনি গ্রুপের সম্পদ:-

 ডেসটিনি গ্রুপ

➖➖➖➖➖

দেশব্যাপী ডেসটিনি গ্রুপের সম্পদ:-


ঢাকা বিভাগঃ

* ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার টঙ্গীতে

ডেসটিনি মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের

জন্য স্থাপনাসহ ৯.৫০ একর জমি ক্রয় করা হয়।

* রাজধানীর ফার্মগেটে আনন্দ ছন্দ সিনেমা হল

দুটির সরঞ্জামসহ প্রায় ৩১.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

* ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এলাকা মিরপুরে ডেসটিনি

মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে

১০৫ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

* দর্শকনন্দিত বৈশাখি টেলিভিশন ডেসটিনি গ্রুপের

একটি অঙ্গ প্রতিষ্টান।

* ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জে ডেসটিনি সিলভার

টাউন ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪১৮৩.৬২

শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

* রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র কাকরাইলে ডেসটিনি

গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড বিল্ডার্স- এর পক্ষ

থেকে ১৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

* ঢাকার সাভারের সাধাপুরে ডেসটিনি গ্রুপের অঙ্গ

প্রতিষ্ঠান সাস্কো প্রপার্টিজ লিঃ ২৩৮৩.০৬ শতাংশ জমি

ক্রয় করা হয়।

* ডেসটিনি গ্রুপের অন্যতম সহযোগী প্রতিষ্ঠান

নিহাজ জুটমিল। এটি রাজবাড়ী জেলার নিশ্চিন্তপুরে

১৬৩৫ শতাংশ জমিসহ ক্রয় করা হয়। বর্তমানে এটি চালু আছে।


চট্রগ্রাম বিভাগঃ

* ডেসটিনি-২০০০ লিঃ কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার

দয়ারামপুরে ১৫০ শতাংশ জায়গাসহ বন্দিশাহি

কোল্ডস্টোরেজ স্থাপনাসহ ক্রয় করা হয়।

* কক্সবাজারে ক্রয়কৃত ১০০ শতাংশ জমিতে ডেসটিনি

গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্টান কনফিগার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড

কনট্রাকশন লিঃ-এর ৫ তারা চেইন বীচ হোটেল

স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে।

* চট্রগ্রামের বাঁশখালীতে গাড়ী ইন্ড্রাস্ট্রি

স্থাপনের জন্য ১৮৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে

ডেসটিনি গ্রুপ।

* ডেসটিনি ইন্টরন্যাশনাল বিজনেস সেন্টার স্থাপন

করার জন্য চট্রগ্রামের প্রাণকেন্দ্র হালিশহরে

১০৪.৪৬ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়েছে।


রাজশাহী বিভাগ

* রাজশাহী বিভাগের বোয়ালিয়া উপজেলায় ডেসটিনি

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সেন্টার স্থাপন করার জন্য

৯৩.১৯ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়েছে।

* মেহেরপুরে ৪৩৬ শতাংশ জমিসহ হাইটেক ফুড

প্রডাক্টস রেডিমেন্ট ফ্যাক্টরির জায়গা ক্রয় করা হয়।


খুলনা বিভাগ

* খুলনা শহরে টাউন হলের পাশে ডেসটিনি

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সেন্টার স্থাপন করার জন্য

জমি ক্রয় করা হয়। জমির পরিমান ৫৪.৫৫ শতাংশ

* খুলনা বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বড় ডেসটিনি

মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতাল করার জন্য

৭০৯.৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।


বরিশাল বিভাগ

* বরিশালে ডেসটিনি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সেন্টার

স্থাপনের জন্য ১৫০ শতাংশ জমি ক্রয় ও ২৫ তলা দুটি

ভবনের পাইলিং-এর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।


সিলেট বিভাগ

* সিলেট বিভাগে ডেসটিনি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস

সেন্টার স্থাপন করার জন্য ৮১ শতাংশ জমি ক্রয়

করেছে ডেসটিনি গ্রুপ।


রংপুর বিভাগ

* রংপুর বিভাগে ডেসটিনি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস

সেন্টার স্থাপন করার জন্য ৯৬ শতাংশ জমি ক্রয়

করেছে ডেসটিনি গ্রুপ।


ঢাকা বিভাগ( টঙ্গী)

* ঢাকার গাজীপুরে মসলা ফ্যাক্টরির জন্য ২০২.১২৫ শতাংশ জমি ক্রয় করে ডেসটিনি গ্রুপ এবং আরো রয়েছে

১/ ঢাকার অন্যতম অভিজাত এলাকা বারিধারার জে ব্লকে ৭.১৪ শতাংশ জমির ওপর ৬ তলা ভবন ক্রয় করা হয় ডেসটিনি গ্রুপের অন্যতম অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বেস্ট এয়ার- এর জন্য।

২/ রাজধানী শিল্প এলাকা তেজগাঁও- এ ডেসটিনি মিডিয়া এন্ড পাবলিকেশন্স- এর জন্য একটি অত্যাধুনিক প্রিন্টিং প্রেস স্থাপন করা হয়।

৩/ ঢাকার অন্যতম বানিজ্যিক কেন্দ্র বাংলামোটরে

অবস্থিত নাসির ট্রেড সেন্টার- এ ৫,০০০ বর্গফুটের

অফিস স্পেস ক্রয় করা হয়।

৪/ ঢাকার অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা কাকরাইলে রাজমনি ঈশাঁখা হোটেলের পাশে ২৮.৬০ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

৫/ রাজধানীর গোপীবাগে কে. এম. দাস লেনে ৯.৯০ শতাংশ জমির উপর ৫ তলা ভবন ক্রয় করা হয়। এই ভবনের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও মেশিনারিজসহ ডেসটিনি প্রিন্টিং প্রেস অবস্থিত।

৬/ রাজধানীর বাণিজ্যিক এলাকা পল্টনে বায়তুল

মোকাররমের উত্তর গেটের বিপরীত পাশে ২৪.২৩ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

৭/ ঢাকা জেলার পাশে কেরানীগঞ্জ থানায় ডেসটিনি

গোল্ড ক্রেতা পরিবেশক ও বিনিয়োগ কারীদের জন্য ১৬৯০ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

৮/ ডেসটিনি-২০০০লিঃ ডায়মন্ড ক্রেতা ও

পরিবেশকদের জন্য কেরানীগঞ্জের মাওয়া রোডে ২২০০.৬০ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

৯/ ঢাকা জেলার অদূরে মাওয়া রোডে ডেসটিনি

ক্রেতা পরিবেশক ও বিনিয়োগ কারীদের জন্য ৯৩ শতাংশ বায়না করা হয়।

১০/ রাজধানীর বাণিজ্যিক এলাকা বিজয় নগর কাকরাইলে সাহারা টাওয়ারে ২য়, ৩ য়, ৬ ষ্ঠ,৮ম,১৩তম,১৪ তম ৬ টি ফ্লোর ক্রয় করা হয়।

১১/ রাজধানীর কাকরাইল আলীস সেন্টারের ৩ টি

ফ্লোর ও ৩ টি দোকান ক্রয় করা হয়। যার আয়তন

১২,০৩৫ বর্গফুট।

১২/ রাজধানীর ৩৩ পুরানা পল্টনে ডেসটিনি ভবন

নির্মাণ করার জন্য ১৬.৪৮ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

১৩/ রাজধানীর ১৭৭ বিজয়নগর মাহাতাব সেন্টারের ২য় তলা,৩য় তলা,১১ তলা,

১৩/ রাজধানীর ১৭৭ বিজয়নগর মাহাতাব সেন্টারের ২য় তলা,৩য় তলা,১১ তলা,১৪ তলার সম্পূর্ণ অংশ এবং ২ টি কার পার্কিংসহ ২৭,৩০০ বর্গফুট অফিস স্পেস ক্রয় করা হয়।

১৪/ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় প্যাকেজিং কারখানার

জন্য ৫৯.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

১৫/ ফেনী জেলার প্রাণকেন্দ্র দেবপুর অবিস্থত ডেসটিনি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সেন্টার

নির্মান করার জন্য ৫৪ শতাংশ জায়গা ক্রয় করা হয়।

১৬/ চট্রগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্রে ইস্টান প্লাজা

নুর কমপ্লেক্সে ৯৬২ বর্গফুট অফিস স্পেস ক্রয় করা হয়।

১৭/ চট্রগ্রাম শহরের প্রাণ কেন্দ্রে সিঙ্গাপুর মার্কেটে ৫৬০৭.০৭ বর্গফুট অফিস স্পেস ক্রয় করা হয়।

১৮/ মেহেরপুর জেলা সদরে গাংনীতে ৪৩.৫০

শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

১৯/ রংপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র ২৫০০ বর্গফুট অফিস

স্পেস ক্রয় করা হয়।

২০/ বরিশালে দুর্গতদের জন্য সিডর সেন্টার

স্থাপনের জন্য ১৩২ শতাংশ জায়গা ক্রয় করা হয়।

২১/ খুলনার বাগেরহাটে দুর্গতদের জন্য সিডর

সেন্টার স্থাপনের জন্য ৫৪.৫৫ শতাংশ জায়গা ক্রয় করা হয়।

২২/ রাজধানীর ১ নং বিজয়নগরের পুরানা পল্টন

লেনে ১০১ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

২৩/ রাজধানীর বাড়ী-৬৭৩, রোড-৩২, ধানমন্ডিতে

৩,৭৪০.৯৪ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করা হয়।

২৪/ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ডেসটিনি

ডেভেলপার্সের জন্য ৬২৮ শতাংশ জমি ক্রয় করা

হয়।

২৫/ রাজধানীর ১৬/১, মোহাম্মদপুরে ২০.৬২ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

২৬/ রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুলে ৭২ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।

এছারা ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় ১৭.৯৪ শতাংশ ও সাভারে ২.১০ একর এবং সাভারের সিবিএইচ হ্যাচারিতে ৩.২৭একর, চট্রগ্রামের জালালাবাদের বায়েজিদ বোস্তামিতে ২৮০০ স্কয়ার ফিট অফিস ক্রয় করা হয়।

জৈব সারে নাইট্রোজেন, পটাসিয়াম,  ফসফরাস কি পরিমাণে থাকে জেনে নিন:

 জৈব সারে নাইট্রোজেন, পটাসিয়াম,  ফসফরাস কি পরিমাণে থাকে জেনে নিন:



একজন সবজি চাষী হিসেবে আপনার জানা উচিত:


১. মুরগির সার:

🔸নাইট্রোজেন (N): ১.১% - ১.৪%

🔸 ফসফরাস (P): ০.৮% - ১.১%

🔸পটাসিয়াম (K): ০.৫% - ০.৮%


২. ছাগলের সার:

🔸নাইট্রোজেন (N): ০.৭% - ১.১%

🔸ফসফরাস (P): ০.৩% - ০.৫%

🔸পটাসিয়াম (K): ০.৫% - ০.৮%


৩. শূকরের সার:

🔸নাইট্রোজেন (N): ০.৫% - ০.৮%

🔸ফসফরাস (P): ০.৪% - ০.৭%

🔸পটাসিয়াম (K): ০.৩% - ০.৫%


৪. খরগোশের সার:

🔸নাইট্রোজেন (N): ২.৪% - ৩.০%

🔸ফসফরাস (P): ১.৪% - ২.৪%

🔸 পটাসিয়াম (K): ০.৬% - ১.৫%


৫. ভেড়ার সার:

🔸নাইট্রোজেন (N): ০.৭% - ১.২%

🔸ফসফরাস (P): ০.৩% - ০.৫%

🔸পটাসিয়াম (K): ০.৫% - ০.৯%


৬. গরুর গোবর:

🔸নাইট্রোজেন (N)= ০.৫%- ১.৫%

🔸ফসফরাস (P)= ০.১৫%-০.২৫%

🔸পটাসিয়াম (K)= ০.৫%-১.৫%


এই মানগুলি খাদ্যাভ্যাস, প্রাণীর বয়স এবং বিছানাপত্রের উপাদানের মতো বিষয়গুলির উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।


সুপারিশ:


মুরগি এবং খরগোশের সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বেশি থাকে, যা গাছের পাতার বৃদ্ধি বৃদ্ধির জন্য এগুলিকে দুর্দান্ত করে তোলে।


ছাগল এবং ভেড়ার সারে একটি সুষম NPK অনুপাত থাকে, যা সামগ্রিক উদ্ভিদের স্বাস্থ্য এবং বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত।


শূকরের সার হালকা এবং সাধারণ সার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে গন্ধ কমাতে কম্পোস্টিংয়ের প্রয়োজন হতে পারে।


যেকোনো সার ব্যবহার করার সময়, অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদান সহ আপনার গাছগুলিকে পুড়িয়ে ফেলা এড়াতে সঠিকভাবে কম্পোস্ট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কেঁচো কে প্রাকৃতিক লাঙ্গল বলা হয়।

 🔸🔹কেঁচো কে প্রাকৃতিক লাঙ্গল বলা হয়।

কেঁচো প্রকৃতপক্ষে  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সবজি চাষের ক্ষেত্রে। এখানে তাদের কিছু অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে:


🔰সুবিধা:


১. মাটির বায়ুচলাচল: কেঁচো গর্ত করে, টানেল তৈরি করে যা মাটির বায়ুচলাচল, জলের অনুপ্রবেশ এবং শিকড়ের বৃদ্ধিকে উন্নত করে।


২. পুষ্টির সাইকেল চালানো: কেঁচো জৈব পদার্থকে ভেঙে ফেলে, পুষ্টির পুনর্ব্যবহার করে এবং উদ্ভিদের জন্য উপলব্ধ করে।


৩. মাটির গঠন: কেঁচো মাটির গঠন উন্নত করে, এর জল ধারণ ক্ষমতা এবং উর্বরতা বৃদ্ধি করে।


৪. ইকোসিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং: কেঁচো তাদের পরিবেশ পরিবর্তন করে, অন্যান্য জীবের জন্য বাসস্থান তৈরি করে।


৫. জীববৈচিত্র্য: কেঁচো জটিল খাদ্য জালকে সমর্থন করে জীববৈচিত্র্যে অবদান রাখে।


৬. কৃষি: কেঁচো ভার্মি কম্পোস্টিং-এ ব্যবহার করা হয়, যা কৃষির জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ কম্পোস্ট তৈরি করে।


৭. পরিবেশগত সূচক: কেঁচো মাটির স্বাস্থ্য এবং বাস্তুতন্ত্রের মানের সূচক হিসাবে কাজ করে।


🔰খরচ:


  ১. মাটির ক্ষয়: কেঁচো মাটির ক্ষয় ঘটাতে সাহায্য করতে পারে, যা মাটিকে জল এবং বায়ু ক্ষয়ের জন্য আরও সংবেদনশীল করে তোলে।


২. ফসলের ক্ষতি: বিরল ক্ষেত্রে, কেঁচো শস্যের ক্ষতি করতে পারে, যেমন আলফালফা বা ক্লোভার, শিকড়ের মধ্যে গুঁজে দিয়ে।


সামগ্রিকভাবে, কেঁচোগুলির উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সুবিধা রয়েছে এবং বাস্তুতন্ত্রে তাদের গুরুত্বকে বাড়াবাড়ি করা যায় না। এগুলি মাটির বাস্তুতন্ত্রের একটি মূল্যবান উপাদান এবং তাদের কার্যক্রম কৃষি উৎপাদনশীলতা এবং বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে।

টবের নাগা মরিচ/বোম্বাই মরিচ চাষ পদ্ধতি।

 টবের নাগা মরিচ/বোম্বাই মরিচ চাষ পদ্ধতি।


বোম্বাই মরিচ মূলত প্রচণ্ড ঝালের কারণে সর্বাধিক পরিচিত। সবার প্রিয়ও বলা চলে। একটু চেষ্টা করলেই ফলাতে পারবেন বোম্বাই মরিচ। বাসার ছাদে, বারান্দায়, ভবনের চারপাশে টবে বোম্বাই মরিচের ফলন ভালো হয়। তাই আজ থেকেই চেষ্টা করে দেখুন। চাষের নিয়ম-কানুন জেনে নিন এখনই-


বীজ বা চারা: 


যেকোনো বাজারে বীজ কিনতে পাওয়া যায়। তবে নতুনদের জন্য চারা কেনাই ভালো। নার্সারি, হর্টিকালচার সেন্টার বা গ্রামের হাট-বাজার থেকেও বোম্বাই মরিচের চারা কেনা যায়। তবে জাত ও চারার মান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এছাড়া বীজ থেকেও চারা উৎপাদন করে রোপণ করা যায়।


চাষের নিয়ম: 


প্রতিটি চারা টবে লাগানোর আগে মাটি প্রস্তুত করে নিতে হবে। প্রতিটি ১০ ইঞ্চি টবের জন্য ১/৩ গোবর (২ ভাগ মাটি, ১ ভাগ গোবর), ২ চিমটি টিএসপি, ১ চিমটি ইউরিয়া, ১ চিমটি পটাশ সার, অল্প পরিমাণ সরিষার খৈল দিয়ে ৪-৫ দিন মাটি রোদে শুকাতে হবে। তারপর এ মাটিতে চারা লাগাতে হবে। চারা যদি সবল না হয় তাহলে দিনে ২-৩ বার ইউরিয়া মিশ্রিত পানি স্প্রে করলে চারা সবল হয়ে যাবে।


সপ্তাহে ১ দিন মাটি খুঁচিয়ে আলগা করে দিতে হবে। আগাছা দেখা দিলে সরিয়ে দিতে হবে। চারা লাগানোর ২০-২৫ দিনের মধ্যেই গাছে ফুল আসবে। আর সেই ফুল থেকে আস্তে আস্তে ধরতে শুরু করবে আপনাদের প্রিয় বোম্বাই/নাগা মরিচ। মরিচ যত বেশি দিন গাছে থাকবে তত ঝাল হবে।


খুব নিচের শাখাগুলো কেটে/ভেঙে ফেলতে হবে। এমনটি না করলে গাছের জোর কমে যাবে, মরিচের আকার হবে ছোট। গাছ কড়া রোদে রাখতে হবে, ছায়ায় থাকলে মরিচ ধরবে না। ১টা মরিচ গাছ অনেক দিন ফল দেবে। আর ১টা গাছে যে পরিমাণ মরিচ ধরে তা খেয়েই শেষ করা কঠিন।


পোকা দমন: 


মরিচ গাছে পোকা আক্রমণ করতে পারে। তবে ২-৪ টা গাছ হলে পোকা-মাকড় হাতেই মেরে দমন করা যায়। গাছ বেশি হলে কীটনাশক ব্যবহার করা যায়। তবে শাক-সবজিতে কীটনাশক ব্যবহার না করাই ভালো।


ফলন: 


মরিচ যত বেশি দিন গাছে থাকবে; তত বেশি ঝাল হবে। নিচের শাখাগুলো কেটে ফেলতে হবে। না হলে মরিচের আকার হবে ছোট। গাছ কড়া রোদে রাখতে হবে, ছায়ায় থাকলে মরিচ ধরবে না। ১টি গাছ অনেক দিন ফল দেবে।


বীজ নিতে ইনবক্সে নক দেন

আমাদের ডায়বেটিস-হার্ট ডিজিজের এই মহামারীর অনেকটাই ব্রিটিশদের শোষনের ফল।

 আমাদের ডায়বেটিস-হার্ট ডিজিজের এই মহামারীর অনেকটাই ব্রিটিশদের শোষনের ফল।



আমরা দক্ষিন এশিয়ানরা খুব সহজেই শরীরে চর্বি জমিয়ে ফেলি এবং খুব অল্প মাসল ধরে রাখি, এটাও ব্রিটিশ শাসনের ফল। এর জন্য আমাদের রক্ত-জন্মকে দোষ দিয়ে লাভ নেই।

খুব সম্ভবত ব্রিটিশরা যখন এই অঞ্চলে আসে তখন তাদের আর আমাদের গড় উচ্চতা প্রায় একই রকম ছিল। সুলতানী-নবাবী আমলে আমাদের পাতে ছিল প্রচুর মাছ, যথেষ্ট তেল, ঘি, মাখন, দুধ আর দধি। আমাদের বাড়িতে বাড়িতে ছিল প্রচুর গরু-ছাগল আর হাস-মুরগী। বাংলাদেশ ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী অঞ্চল। পুরো আমেরিকা লুট করে স্প্যানিশরা যা না করতে পেরেছে, এক বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান আর মিয়ানমার লুট করে তার অনেক বেশি করেছে ব্রিটিশরা। তাদের শিল্প বিপ্লব হয়েছে মূলত বাংলার কৃষকের রক্তে লাল পাউন্ডের ওপরে। ব্রিটিশ শাসন যখন শুরু হয় তখন সারা পৃথিবীত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাথাপিছু উৎপাদন ছিল বাংলাদেশে। প্রথম স্থানে ছিল দক্ষিণ ভারতের মহীশুর সালতানাত। মুঘলরা সারা ভারত থেকে যা খাজনা পেত তার অর্ধেক যেত এক বাংলা থেকে, এরপরেও এত সম্পদ ছিল আমাদের দেশে।

কিন্তু ব্রিটিশ শাসন শুরু হওয়ার কয়েক বছরের মধ্যে প্রথম যে বড় দুর্ভিক্ষটা ঘটে তা পৃথিবীর ইতিহাসের ভয়ংকরতম দুর্ভিক্ষগুলির একটা। ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামের এই মহাদুর্ভিক্ষে মারা যায় বাংলাদেশের প্রতি তিনজনে একজন মানুষ, মোট মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় এক কোটি!!!

এরপর, ১৮৬৬ সালের উড়িষ্যার দুর্ভিক্ষ, ১৮৯৬-৯৮ সালে হওয়া বাংলার দুর্ভিক্ষে আবারো মারা যায় কয়েক লাখ মানুষ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় শুরু হয় আরেক ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ, পঞ্চাশের মন্বন্তর নামের এই মহাদুর্ভিক্ষে মারা যায় ১৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ মানুষ।

এই বড় বড় দুর্ভিক্ষগুলির ফাকে ফাকে ছোট ছোট আরো প্রায় ডজনখানেক দুর্ভিক্ষ হয় বাংলাদেশে, আর ব্রিটিশ ইন্ডিয়াতে হওয়া মোট দুর্ভিক্ষের সংখ্যা ৩০+।

এই দুর্ভিক্ষগুলিতে বেচে থেকে যারা বংশবিস্তার করতে পেরেছেন, আমরা তাদেরই বংশধর।

ড. মবিন সাঈদ বলেন, স্বাভাবিকভাবেই, ভয়ানক এই দুর্ভিক্ষগুলির সারভাইভারদের মধ্যে দুইটা মেজর এডাপটেশন ঘটেছে।

১) স্টারভেশন এডাপ্টেশন

২) ট্রমা এডাপ্টেশন

স্টারভেশন এডাপ্টেশনের ফলে শরীর খাবার পাওয়ামাত্রই আগে সেটা ফ্যাটে কনভার্ট করতে চায় যাতে ফের যদি না খেয়ে থাকা লাগে, তখন ঐ ফ্যাট পুড়িয়ে শরীর যেন টিকে থাকতে পারে। আবার একই সাথে শরীর চায় যথাসম্ভব কম মাসল ধরে রাখতে। কারন মাসল ধরে রাখা কস্টলি। মাসল ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলে, মাসল টিকিয়ে রাখতে বাড়তি প্রোটিন দরকার পড়ে। আমাদের পূর্বপুরুষ তো দুশো বছর ধরে ঠিকমত ভাতই খেতে পান নি, প্রোটিন তো অনেক দুরের কথা।

আবার, ট্রমা এডাপ্টেশনের ফলে শরীর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কর্টিসোল ডমিনেটেড থাকে, এজন্যও আমাদের পূর্বপুরুষ ঘন ঘন কার্বোহাইড্রেট খেতে চাইতেন, আর তা সহজেই ফ্যাটে কনভার্ট করে ফেলতেন। যে যত বেশি ফ্যাট জমাতে পেরেছে তখন, তার বেচে থাকার সম্ভাবনা ছিল তত বেশি। যার মাসল মাস যত বেশি, তার দুর্ভিক্ষের সময় খাবারও লেগেছে তত বেশি। সেদিক দিয়ে একটা মোটাসোটা পরিবারের চেয়ে একটা শুকনো পরিবারের দুর্ভিক্ষে টিকে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

এই এডাপ্টেশন করে টিকে যাওয়া আমাদের শরীর তাই এখনো খুব সহজে ফ্যাট জমায়, মাসল ভেঙ্গে ফেলে, খিটখিটে মেজাজে থাকে, অলসতা করে এবং ভাত দেখামাত্রই ভাতের ওপর ঝাপিয়ে পড়তে চায়। আমাদের বুদ্ধিমত্তা গেছে কমে, আমরা হয়ে গেছি সুযোগসন্ধানী।

ব্রিটিশরা যখন চলে যায়, তখন আমরা পথের ফকির, আমাদের শরীর হাড় জিরজিরে, আর পেটে একটা পুটলির মত ভুড়ি। আমরা অলস, আমরা শারীরিকভাবে দুর্বল। আমাদের পাতের সেই ঘি ভাত উধাও হয়ে গেছে আর এর ঠিক পরপরই শুরু হয়েছে সবুজ বিপ্লব।

ব্রিটিশরা আমাদের ডায়বেটিসে আক্রান্ত হবার রিলেটিভ রিস্ক ইউরোপিয়ানদের তুলনায় ৬০০% বাড়িয়ে দিয়ে গেছে, হার্টের রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বাড়িয়েছে ২৫০%।

হ্যা, আমরা টেকনোলজিক্যাল প্রগ্রেস আর ইংরেজী ভাষা পেয়েছি, কিন্তু বিনিময়ে হারিয়েছি আমাদের স্বাস্থ্য।


পৃথিবীর শেষ মানচিত্র 

 🔰পৃথিবীর শেষ মানচিত্র


🌍 


নুলারবার ক্লিফগুলি দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার নুলারবার সমভূমিতে ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি অনুভূমিক স্থান।


---> অবস্থান: খাড়া স্থানগুলি নুলারবার রোডহাউস থেকে ২০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। 


---> বৈশিষ্ট্য: খাড়া স্থানগুলি ৬০-১২০ মিটার উঁচু এবং চুনাপাথর, স্ফটিক শিলা এবং বায়ুপ্রবাহিত বালির শক্ত স্তর দিয়ে তৈরি। কিছু স্তরে সামুদ্রিক জীবাশ্মও রয়েছে।


---> গঠন: প্রায় ৬৫ মিলিয়ন (৬.৫ কোটি) বছর আগে অস্ট্রেলিয়া অ্যান্টার্কটিকা থেকে পৃথক হওয়ার সময় খাড়া স্থানগুলি তৈরি হয়েছিল যা আজও রয়ে গেছে।


কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণের জন্য রসুন কীভাবে ব্যবহার করবেন How to Use Garlic for Pest Control

 Guide: How to Use Garlic for Pest Control

নির্দেশিকা: কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণের জন্য রসুন কীভাবে ব্যবহার করবেন
 1. ইঁদুরের জন্য:

 পদ্ধতি: যেখানে ইঁদুর সক্রিয় সেখানে রসুনের কুঁচি বা রসুনের পেস্ট গুঁড়ো করে রাখুন।
 প্রভাব: রসুনের তীব্র ঘ্রাণ ইঁদুরদের তাড়িয়ে দেয় এবং তাদের আপনার বাড়িতে প্রবেশ করতে নিরুৎসাহিত করে।
 2. মাছিদের জন্য:

 প্রণালী: রসুনের সাথে পানি ব্লেন্ড করে মিশ্রণটি ছেঁকে নিন।  যেখানে মাছি জড়ো হয় সেখানে স্প্রে করুন।
 প্রভাব: মাছিরা রসুনের গন্ধ দ্বারা তাড়ানো হয় এবং চিকিত্সা করা জায়গাগুলি এড়িয়ে যায়।
 3. উকুন জন্য:

 পদ্ধতি: রসুনকে পেস্টে গুঁড়ো করে, জল দিয়ে পাতলা করে, আক্রান্ত স্থানে লাগান।
 প্রভাব: রসুন শ্বাসরোধ করে এবং উকুন দূর করে, চুল বা ত্বক থেকে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
 4. তেলাপোকার জন্য:

 পদ্ধতি: রসুনের কুঁচি গুঁড়ো করে কোণে এবং এমন জায়গায় রাখুন যেখানে ঘন ঘন তেলাপোকা থাকে।  বিকল্পভাবে, জলের সাথে গুঁড়ো রসুন মিশিয়ে মিশ্রণটি স্প্রে করুন।
 প্রভাব: তেলাপোকা রসুন দ্বারা নিরুৎসাহিত হয় এবং চিকিত্সা করা এলাকাগুলি এড়িয়ে যায়।
 5. টিকটিকি জন্য:

 পদ্ধতি: জানালার সিল, দরজা এবং যেখানে প্রায়ই টিকটিকি দেখা যায় সেখানে রসুন গুঁড়ো রাখুন।
 প্রভাব: রসুনের তীব্র গন্ধ টিকটিকিকে এই এলাকায় প্রবেশ বা থাকতে নিরুৎসাহিত করে।
 6. মশার জন্য:

 পদ্ধতি: জলের সাথে রসুনের তেল মিশিয়ে আপনার বাড়ির চারপাশে, গাছপালা বা মশা থাকে এমন জায়গায় স্প্রে করুন।
 প্রভাব: তীক্ষ্ণ রসুনের গন্ধ মশাকে তাড়ায়, স্প্রে করা জায়গা থেকে দূরে রাখে।
 রসুন একটি প্রাকৃতিক, পরিবেশ-বান্ধব কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ সমাধান যা ক্ষতিকারক রাসায়নিক ছাড়াই কার্যকরভাবে কাজ করে!

1. For Mice:


Method: Place crushed garlic cloves or garlic paste in areas where mice are active.

Effect: The strong scent of garlic repels mice and discourages them from entering your home.

2. For Flies:


Method: Blend garlic with water and strain the mixture. Spray it in areas where flies gather.

Effect: Flies are repelled by the smell of garlic and will avoid the treated areas.

3. For Lice:


Method: Crush garlic into a paste, dilute with water, and apply it to the affected area.

Effect: The garlic suffocates and repels lice, helping to clear them from hair or skin.

4. For Cockroaches:


Method: Crush garlic cloves and place them in corners and areas where cockroaches frequent. Alternatively, mix crushed garlic with water and spray the mixture.

Effect: Cockroaches are deterred by garlic and will avoid treated areas.

5. For Lizards:


Method: Place crushed garlic in windowsills, doorways, and places where lizards are often seen.

Effect: The strong smell of garlic discourages lizards from entering or staying in these areas.

6. For Mosquitoes:


Method: Mix garlic oil with water and spray it around your home, on plants, or in areas where mosquitoes are common.

Effect: The pungent garlic aroma repels mosquitoes, keeping them away from the sprayed area.

Garlic is a natural, eco-friendly pest control solution that works effectively without harmful chemicals!


নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...