এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

মাইকেল মধুসূদন দত্তের দশটি জনপ্রিয় কবিতা।

 ☘️  মাইকেল মধুসূদন দত্তের দশটি জনপ্রিয় কবিতা।

✅ কেউ বিষ খেলে কী করবেন ??

 জানা থাকলে বেঁচে যাবে অনেক জীবন!

পরিবারের কারো সঙ্গে ঝগড়া বিবাদ করে রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে যে কেউ দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে৷ 


আবার কেউ মানসিকভাবে আঘাত পেয়ে রাগের বশবর্তী হয়ে জীবন ধ্বংসকারী কোন ওষুধ পান করে৷ এছাড়াও বড়দের অসতর্কতার কারণে বাচ্চারা ভুলবশত বিষ পান করে।


প্রায়ই বিষপানের রোগী পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে উলেখযোগ্য: কীটনাশক পান করা, অনেক পরিমাণে ঘুমের ঔষধ খাওয়া, কেরোসিন পান করা, ধুতরার বীজ খাদ্যের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া, কোনো ঔষধ ভুলক্রমে বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলা, বিষাক্ত মদ্যপান বা অতিরিক্ত মদপান ইত্যাদি৷ 


বিষপানের রোগী আসা মাত্র বিষপানের ধরণ সম্পর্কে আন্দাজ করা সম্ভব৷ সাধারণভাবে বিষপানের পর দেরী না করে নিম্নরূপ ব্যবস্থা নিতে হবে এবং হাসপাতালে পাঠাতে হবেঃ-

১) রোগী শ্বাস নিতে না পারলে তাকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দিতে হবে।

২) সজ্ঞান রোগীকে সর্বপ্রথম একগ্লাস পানি বা দুধ পান করানো ভালো। কারণ এতে বিষ পাতলা হয়ে যায় ও বিষের ক্ষতির প্রভাব কমে আসে৷ 

৩) শিশুদের ক্ষেত্রে আধা গ্লাসের মতো পানি বা দুধ রোগীকে পান করানো ভালো৷ ৪) অজ্ঞান রোগীকে তরল দেয়া যাবে না৷ তাকে সুবিধাজনক স্থানে শুইয়ে দিতে হবে।


রোগীকে বমি করানো উচিত কিনা তার সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ কারণ সকল বিষপানের পর বমি করানো যাবে না৷ রোগীর শরীরে খিঁচুনি থাকলে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় রোগীকে বমি করানো যাবে না৷ কিছু বিষ যা প্রবেশের সময় মুখ, মুখগহ্বর ও অন্ননালীতে প্রদাহের বা দগ্ধতার সৃষ্টি করে অথবা ফুসফুসে প্রবেশ করে সংক্রমণের সৃষ্টি করে এরূপ বিষপানের রোগীকে কোনক্রমেই বমি করানো উচিত নয়৷ কারণ বমি করার সময় উল্লেখিত পদার্থগুলো পুনরায় ক্ষতিসাধন করে ক্ষতের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।


পোড়া ও ক্ষত সৃষ্টিকারী বিষঃ

----------------------------

১) অম্ল বা এসিড।

২) ক্ষার বা এলকালি

৩) গৃহে ব্যবহৃত বিশোধক

৪) গোসলখানা পায়খানা নর্দমা পরিষ্কারকারক বিশোধক।


প্রদাহ সৃষ্টিকারী বিষঃ

----------------------

১) কেরোসিন

২) তারপিন তেল

৩) রঙ এবং রঙ পাতলাকারক দ্রব্য

৪) পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়াম জাতীয় দ্রব্য।


রোগী কোন ধরনের বিষ পান করেছে তা রোগীর মুখ, মুখগহ্বর ও শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করলে অতি সহজেই অনুমান করা যায়ঃ-

১) পোড়া ও ক্ষত সৃষ্টিকারী বিষপানে রোগীর মুখ ও মুখগহ্বরে পোড়া ক্ষত বা ফোসকা দেখা যাবে।

২) কেরোসিন জাতীয় বিষপানে রোগীদের শ্বাসে উক্ত দ্রব্যের গন্ধ পাওয়া যাবে।


৪ ঘণ্টার ভেতর বিষ খেয়ে থাকলে এবং জ্ঞান থাকলে রোগীকে নিম্নলিখিতভাবে বমি করানো যেতে পারেঃ

১) মুখের মধ্যে আঙুল প্রবেশ করিয়ে বমি করানো যায়।খারাপ স্বাদযুক্ত ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম স্বল্প গরম দুধসহ বা স্বল্প গরম লোনা পানি পান করালে অনেকেরই সহজে বমি হয়ে যায়৷ 

২) তিতা কোন দ্রব্য মুখের মধ্যে দিয়েও বমি করানো যেতে পারে


বমি করানোর সময় বিশেষভাবে নজর দিতে হবে যেন বমিকৃত কোনো জিনিস বা পানীয় ফুসফুসে প্রবেশ না করে৷ এজন্য বমি করানোর সময় রোগীর মাথা নিচের দিকে ও মুখ পাশে কাত করিয়ে রাখতে হবে৷ হাসপাতালে রোগীকে বিষ অপসারণের ক্ষেত্রে রাইলস টিউবের (একটি বিশেষ নল) সাহায্যে করা যেতে পারে৷


বিষের বিরুদ্ধে কার্যকর ঔষধ প্রয়োগঃ কিছু বিষকে নিষ্ক্রিয় করার ঔষধ রয়েছে৷ রোগী কোন বিষ দ্বারা আক্রান্ত তা জানতে পারলে সেই বিষকে নিষ্ক্রিয় করা ঔষধ প্রয়োগ করে রোগীর অবস্থার উন্নতি করা সম্ভব৷ এক্ষেত্রে চিকিৎ্সকের পরামর্শ নিতে হবে৷

১. বঙ্গভাষা 

(চতুর্দশপদী কবিতাবলী)


হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;-

তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,

পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ

পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।

কাটাইনু বহু দিন সুখ পরিহরি।

অনিদ্রায়, নিরাহারে সঁপি কায়, মনঃ,

মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি;-

কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন!

স্বপ্নে তব কুললক্ষ্মী কয়ে দিলা পরে-

``ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি,

এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি?

যা ফিরি, অজ্ঞান তুই, যা রে ফিরি ঘরে!''

পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে

মাতৃ-ভাষা-রূপে খনি, পূর্ণ মণিজালে॥


২. কপোতাক্ষ নদ 

(চতুর্দশপদী কবিতাবলী)


সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে |

সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে ;

সতত ( যেমতি লোক নিশার স্বপনে

শোনে মায়া-যন্ত্রধ্বনি) তব কলকলে

জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে!---

বহু দেশে দেখিয়াছি বহু নদ-দলে,

কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?

দুগ্ধ-স্রোতোরূপী তুমি জন্ম-ভূমি-স্তনে!

আর কি হে হবে দেখা?---যত দিন যাবে,

প্রজারূপে রাজরূপ সাগরেরে দিতে

বারি-রূপ কর তুমি; এ মিনতি, গাবে

বঙ্গজ-জনের কানে, সখে, সখা-রীতে

নাম তার, এ প্রবাসে মজি প্রেম-ভাবে

লইছে যে তব নাম বঙ্গের সঙ্গীতে!


৩. কবি 

(চতুর্দশপদী কবিতাবলী)


কে কবি--- কবে কে মোরে? ঘটকালি করি,

শবদে শবদে বিয়া দেয় যেই জন,

সেই কি সে যম-দমী? তার শিরোপরি

শোভে কি অক্ষয় শোভা যশের রতন?

সেই কবি মোর মতে, কল্পনা সুন্দরী

যার মনঃ-কমলেতে পাতেন আসন,

অস্তগামি-ভানু-প্রভা-সদৃশ বিতরি

ভাবের সংসারে তার সুবর্ণ-কিরণ।

আনন্দ, আক্ষেপ ক্রোধ, যার আজ্ঞা মানে

অরণ্যে কুসুম ফোটে যার ইচ্ছা-বলে;

নন্দন-কানন হতে যে সুজন আনে

পারিজাত কুসুমের রম্য পরিমলে;

মরুভূমে--- তুষ্ট হয়ে যাহার ধেয়ানে

বহে জলবতী নদী মৃদু কলকলে!


৪. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 

(চতুর্দশপদী কবিতাবলী)


বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে।

করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে,

দীন যে, দীনের বন্ধু !-- উজ্জল জগতে

হেমাদ্রির হেম-কান্তি অম্লান কিরণে।

কিন্তু ভাগ্য-বলে পেয়ে সে মহা পর্বতে,

যে জন আশ্রয় লয় সুবর্ণ চরণে,

সেই জানে কত গুণ ধরে কত মতে

গিরীশ। কি সেবা তার সে সুখ সদনে !

দানে বারি নদীরূপ বিমলা কিঙ্করী।

যোগায় অমৃত ফল পরম আদরে

দীর্ঘ-শিরঃ তরু-দল, দাসরূপ ধরি।

পরিমলে ফুল-কুল দশ দিশ ভরে,

দিবসে শীতল শ্বাসী ছায়া, বনেশ্বরী,

নিশায় সুশান্ত নিদ্রা, ক্লান্তি দূর করে।


৫. কমলে কামিনী 

(চতুর্দশপদী কবিতাবলী)


কমলে কামিনী আমি হেরিনু স্বপনে

কালিদহে | বসি বামা শতদল-দলে

( নিশীথে চন্দ্রিমা যথা সরসীর জলে

মনোহরা|)  বাম করে সাপটি হেলনে

গজেশে, গ্রাসিছে তারে উগরি সঘনে |

গুঞ্জরিছে অলিপুঞ্জ অন্ধ পরিমলে,

বহিছে দহের বারি মৃদু কলকলে|---

কার না ভোলে রে মনঃ, এ হেন ছলনে!

কবিতা-পঙ্কজ-রবি, শ্রীকবিকঙ্কণ,

ধন্য তুমি বঙ্গভূমে!যশঃ-সুধাদানে

অমর করিলা তোমা অমরকারিণী

বাগ্ দেবী!ভোগিলা দুখ জীবনে, ব্রাহ্মণ,

এবে কে না পূজে তোমা, মজি তব গানে?----

বঙ্গ-হৃদ-হ্রদে চণ্ডী কমলে কামিনী||


৬. অন্নপূর্ণার ঝাঁপি

 (চতুর্দশপদী কবিতাবলী)


মোহিনী-রূপসী-বেশে ঝাঁপি কাঁখে করি,

পশিছেন, ভবানন্দ, দেখ তব ঘরে

অন্নদা!বহিছে শূন্যে সঙ্গীত-লহরী,

অদৃশ্যে অপ্সরাচয় নাচিছে অম্বরে|----

দেবীর প্রসাদে তোমা রাজপদে বরি,

রাজাসন, রাজছত্র, দেবেন সত্বরে

রাজলক্ষ্মী; ধন-স্রোতে তব ভাগ্যতরি

ভাসিবে অনেক দিন, জননীর বরে|

কিন্তু চিরস্থায়ী অর্থ নহে এ সংসারে;

চঞ্চলা ধনদা রমা, ধনও চঞ্চল;

তবু কি সংশয় তব, জিজ্ঞাসি তোমারে?

তব বংশ-যশঃ-ঝাঁপি---- অন্নদামঙ্গল---

যতনে রাখিবে বঙ্গ মনের ভাণ্ডারে,

রাখে যথা সুধামৃতে চন্দ্রের মণ্ডলে||


৭. রসাল ও স্বর্ণ-লতিকা


রসাল কহিল উচ্চে স্বর্ণলতিকারে;--

“শুন মোর কথা, ধনি, নিন্দ বিধাতারে!

নিদারূণ তিনি অতি;

নাহি দয়া তব প্রতি;

তেঁই ক্ষুদ্র-কায়া করি সৃজিলা তোমারে|

মলয় বহিলে, হায়,

নতশিরা তুমি তায়,

মধুকর-ভরে তুমি পড় লো ঢলিয়া;

হিমাদ্রি সদৃশ আমি,

বন-বৃক্ষ-কুল-স্বামী,

মেঘলোকে উঠে শির আকাশ ভেদিয়া!

কালাগ্নির মত তপ্ত তপন তাপন,---

আমি কি লো ডরাই কখন?

দূরে রাখি গাভী-দলে,

রাখাল আমার তলে

বিরাম লভয়ে অনুক্ষণ,--

শুন, ধনি, রাজ-কাজ দরিদ্র পালন!

আমার প্রসাদ ভুঞ্জে পথ-গামী জন|

কেহ অন্ন রাঁধি খায়

কেহ পড়ি নিদ্রা যায়

এ রাজ চরণে|

শীতলিয়া মোর ডরে

সদা আসি সেবা করে

মোর অতিথির হেথা আপনি পবন!

মধু-মাখা ফল মোর বিখ্যাত ভুবনে!

তুমি কি তা জান না, ললনে?

দেখ মোর ডাল-রাশি,

কত পাখী বাঁধে আসি

বাসা এ আগারে!

ধন্য মোর জনম সংসারে!

কিন্তু তব দুখ দেখি নিত্য আমি দুখী;

নিন্দ বিধাতায় তুমি, নিন্দ, বিধুমুখি!”

যুদ্ধার্থ গম্ঙীরতার বাণী তব পানে!

সুধা-আশে আসে অলি,

দিলে সুধা যায় চলি,---

কে কোথা কবে গো দুখী সখার মিলনে?

“ক্ষুদ্র-মতি তুমি অতি”

রাগি কহে তরুপতি,

“নাহি কিছু অভিমান? ধিক্ চন্দ্রাননে!”

নীরবিলা তরুরাজ; উড়িল গগনে

যমদূতাকৃতি মেঘ গম্ভীর স্বননে;

আইলেন প্রভঞ্জন,

সিংহনাদ করি ঘন,

যথা ভীম ভীমসেন কৌরব-সমরে|

আইল খাইতে মেঘ দৈত্যকুল রড়ে:

ঐরাবত পিঠে চড়ি

রাগে দাঁত কড়মড়ি,

ছাড়িলেন বজ্র ইন্দ্র কড় কড় কড়ে!

ঊরু ভাঙ্গি কুরুরাজে বধিলা যেমতি

ভীম যোধপতি;

মহাঘাতে মড়মড়ি

রসাল ভূতলে পড়ি,

হায়, বায়ুবলে

হারাইলা আয়ু-সহ দর্প বনস্থলে!

ঊর্দ্দ্বশির যদি তুমি কুল মান ধনে;

করিও না ঘৃণা তবু নীচশির জনে!

এই উপদেশ কবি দিলা এ কৌশলে||


৮. সমাধি-লিপি     


দাঁড়াও, পথিক-বর, জন্ম যদি তব

বঙ্গে! তিষ্ঠ ক্ষণকাল! এ সমাধিস্থলে

(জননীর কোলে শিশু লভয়ে যেমতি

বিরাম) মহীর পদে মহানিদ্রাবৃত

দত্তকুলোদ্ভব কবি শ্রীমধুসূদন!

যশোরে সাগরদাঁড়ী কবতক্ষ-তীরে

জন্মভূমি, জন্মদাতা দত্ত মহামতি

রাজনারায়ণ নামে, জননী জাহ্নবী!


[স্ত্রী হেনরিয়েটার মৃত্যুর তিন দিন পরেই কলকাতা জেনারেল হাসপাতালে কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত পরলোক গমন করেন। তাঁকে কলকাতার লোয়ার সার্কুলার রোড ক্রিশ্চিয়ান সেমেটারিতে সমাহিত করা হয়।তাঁর বিখ্যাত সমাধি-লিপি তিনি নিজেই লিখে গিয়েছিলেন।]


৯. ঈশ্বরী পাটনী 

(চতুর্দশপদী কবিতাবলী)


“সেই ঘাটে খেয়া দেয় ঈশ্বরী পাটনী |”

                 -অন্নদামঙ্গল |


কে তোর তরিতে বসি, ঈশ্বরী পাটনি?

ছলিতে তোরে রে যদি কামিনী কমলে,---

কোথা করী, বাম করে ধরি যারে বলে,

উগরি, গ্রাসিল পুনঃ পূর্ব্বে সুবদনী?

রূপের খনিতে আর আছে কি রে মণি

এর সম? চেয়ে দেখ, পদ-ছায়া-ছলে,--

কনক কমল ফুল্ল এ নদীর জলে---

কোন্ দেবতারে পূজি, পেলি এ রমণী?

কাঠের সেঁউতি তোর, পদ-পরশনে

হইতেছে স্বর্ণময়!এ নব যুবতী---

নহে রে সামান্যা নারী, এই লাগে মনে;

বলে বেয়ে নদী-পারে যা রে শীঘ্রগতি|

মেগে নিস্, পার করে, বর-রূপ ধরে

দেখায়ে ভকতি, শোন্, এ মোর যুকতি!


১০. মেঘনাদ ও বিভিষণ

 ( মেঘনাদবধ কাব্য থেকে, ষষ্ঠ সর্গের অংশবিশেষ )


"এতক্ষণে"--অরিন্দম কহিলা বিষাদে

"জানিনা কেমনে আসি লক্ষণ পশিল

রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব

একাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,

সহোদর রক্ষশ্রেষ্ঠ?--শূলী-শম্ভূনিভ

কুম্ভকর্ণ?ভ্রাতৃপুত্র বাসব বিজয়ী?

নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?

চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?

কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরুজন তুমি

পিতৃতুল্য|ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে,

পাঠাইব রামানুজে শমন-ভবনে,

লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে|"

   উত্তরিলা বিভীষণ;--"বৃথা এ সাধনা,

ধীমান্!রাঘবদাস আমি; কি প্রকারে

তাঁহার বিপক্ষ কাজ করিব, রক্ষিতে

অনুরোধ?" উত্তরিলা কাতরে রাবণি;--

"হে পিতৃব্য, তব বাক্যে ইচ্ছি মরিবারে!

রাঘবের দাস তুমি? কেমনে ও মুখে

আনিলে ও কথা, তাত, কহ তা দাসেরে!

স্থপিলা বিধুরে বিধি স্থানুর ললাটে;

পড়ি কি ভূতলে শশী যান গড়াগড়ি

ধুলায়? হে রক্ষোরথি, ভুলিলে কেমনে

কে তুমি? জনম তব কোন্ মহাকুলে?

কেবা সে অধম রাম? স্বচ্ছ সরোবরে

করে ফেলি রাজ হংস পঙ্কজ কাননে;

যায় কি সে কভু, পঙ্কিল সলিলে,

শৈবালদলের ধাম? মৃগেন্দ্র কেশরী

কবে, হে বীর-কেশরী, সম্ভাষে শৃগালে

মিত্রভাবে? অজ্ঞ দাস, বিজ্ঞতম তুমি,

অবিদিত নহে কিছু তোমার চরণে|

ক্ষুদ্রমতি নর, শূর, লক্ষণ; নহিলে

অস্ত্রহীন যোধে কি সে সম্বোধে সংগ্রামে?

কহ, মহারথি, একি মহারথিপ্রথা?

নাহি শিশু লঙ্কাপুরে, শুনি না হাসিবে

এ কথা! ছাড়হ পথ; আসিব ফিরিয়া

এখনি! দেখিব আজি, কোন্ দেববলে,

বিমুখে সমরে মোরে সৌমিত্রি কুমতি!

দেব-দৈত্য-নর-রণে, স্বচক্ষে দেখেছ,

রক্ষঃশ্রেষ্ঠ, পরাক্রম দাসের! কি দেখি

ডরিবে এ দাস হেন দুর্বল মানবে?

নিকুম্ভিলা-যজ্ঞাগারে প্রগল্ ভে  পশিল

দম্ভী; আজ্ঞা কর দাসে, শাস্তি নরাধমে|

তব জন্মপুরে, তাত, পদার্পণ করে

বনবাসী! হে বিধাতঃ, নন্দন-কাননে

ভ্রমে দুরাচার দৈত্য? প্রফুল্ল কমলে

কীটবাস? কহ, তাত, সহিব কেমনে

হেন অপমান আমি,--ভ্রাতৃ পুত্র তব?

তুমিও, হে রক্ষোমণি, সহিছ কেমনে?"

   মহামন্ত্রবলে যথা নম্রশিরঃ ফণী,

মলিনবদন লাজে, উত্তরিলা রথী

রাবণ-অনুজ, লক্ষি রাবণ-আত্মজে;--

"নহি দোষী আমি, বত্স; বৃথা ভর্ত্স মোরে

তুমি! নিজ কর্ম দোষে হায় মজাইলা

এ কনক-লঙ্কা রাজা, মজিলা আপনি!

বিরত সতত পাপে দেবকুল; এবে

পাপপূর্ণ লঙ্কা পুরী; প্রলয়ে যেমতি

বসুধা, ডুবিছে লঙ্কা এ কাল-সলিলে!

রাঘবের পদাশ্রয়ে রক্ষার্থে আশ্রয়ী

তেঁই আমি! পরদোষে কে চাহে মজিতে?"

  রুষিলা বাসবত্রাস! গম্ভীরে যেমতি

নিশীথে অম্বরে মন্দ্রে জীমূতেন্দ্র কোপি,

কহিলা বীরেন্দ্র বলী;--"ধর্মপথগামী,

হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতে

তুমি;--কোন্ ধর্মমতে, কহ দাসে, শুনি,

জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি,--এ সকলে দিলা

জলাঞ্জলি? শাস্ত্রে বলে, গুণবান্ যদি

পরজন, গুণহীন স্বজন, তথাপি

নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ, পরঃ পরঃ সদা!

এ শিক্ষা হে রক্ষোবর, কোথায় শিখিলে?

কিন্তু বৃথা গঞ্জি তোমা! হেন সহবাসে,

হে পিতৃব্য, বর্বরত কেন না শিখিবে?

গতি যার নীচ সহ, নীচ সে দুর্মতি|"


হাইড্রোজেন পার অক্সাইড 

 হাইড্রোজেন পার অক্সাইড 

------------------

হাইড্রোজেন পার অক্সাইড বাগানিদের কি কি কাজে আসে তা নিয়ে আজ কিছু লিখার চেষ্টা করবো।যাতে বাগানিরা এই ক্ষুদ্র জিনিস থেকে ও কিছু উপকার পেতে পারে।

H2O2এর মানে হলো এক্সটা অক্সিজেন। আমরা আমাদের বাগানের গাছের মাটিতে  মাসে একবার হলেও এই অক্সিজেন  দিতে পারি।বাগান একটি শখের বিষয় সাথে ধৈর্য ও থাকতে হয় যারা ধৈর্য  ধরে বাগান এর যত্ন নিবে তাদের গাছ গুলিই বেশি ভালো থাকবে।

হাইড্রোজেন পার অক্সাইড এর ব্যাবহার

--------------------------------------------------------

🔶১।বিজ জার্মিনেশন করার আগে এর মিশ্রন দিয়ে শোধন করে নিলে বিজ হবার চান্স ৯৯% পর্যন্ত হয়ে থাকে।এর জন্য ১ লিটার পানিতে হাফ চামচ হাইড্রোজেন পার অক্সাইড মিশিয়ে নিতে হবে।এখন বিজ গুলি এই মিশানো পানিতে ১ ঘন্টার মতো ভিজিয়ে তুলে ফেলতে হবে,তারপর নরমাল পানি দিয়ে ধুয়ে কিছুক্ষন রেখে দিতে হবে যাতে অতিরিক্ত পানি ঝরে যায় এরপর বিজ লাগালে সেই বিজ হবার চান্স সব থেকে বেশি হয়ে থাকে।


🔷২।আমাদের বাগানিদের অনেকের কিছু প্রিয় গাছ থাকে এবং এই গাছ গুলি সময় মতো প্রুনিং করতে হয়,কিন্তু প্রুনিং এর সময় আমরা আমাদের যন্ত্রপাতি গুলি জীবানুমুক্ত করি না এর জন্য আমাদের গাছ ভাইরাস,ব্যাকটেরিয়া,ফাংগাস আক্রমন করে  প্রিয় গাছ গুলি কে ক্ষতি করে ফেলে,এর জন্য প্রতিবার গাছ কাটার আগে তুলাতে লাগিয়ে যদি যন্ত্রগুলি পরিস্কার করে নিয়ে তারপর প্রুনিং করা হয় তাহলে প্রিয় গাছ হারানোর আর ভয় থাকবেনা।

 

🔶৩।বাগানের আগাছা পরিষ্কার করতে ও এর ব্যাবহার করা হয় এর জন্য সরাসরি  হাইড্রোজেন পার অক্সাইড আগাছার উপর স্প্রে করে দিলেই  হবে।


🔷৪।যদি কোন কারনে আমরা গাছে অতিরিক্ত পানি দিয়ে ফেলি এবং গাছ তার জন্য মারা যাবে এরকম মনে হয়   তাহলে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড দিয়ে ভালো করা যাবে,এর জন্য ১ লিটার পানিতে হাফ চামচ মিশিয়ে তা গাছের মাটিতে দিতে হবে। এতে গাছ এক্সটা অক্সিজেন পাবে এবং বিভিন্ন ভাইরাস ও ফাংগাস এর সাথে মোকাবেলা করবে। 

আর যদি অনেক বেশি ওভার ওয়াটারিং হয় তাহলে  আগে অন্য টবে দিয়ে ও মাটি পরিবর্তন করে তারপর হাইড্রোজেন পার অক্সাইড মিশ্রিত পানি ব্যাবহার করতে হবে।


🔶৫। যদি ফাংগাস আর মিলিবাগ থাকে তাও দুর হবে এইটা ব্যাবহার করে,এর জন্য ১ লিটার পানিতে ২ চামচ  মিশিয়ে গাছে স্প্রে করতে হবে।পুরা বাগানে একবারে না দিয়ে প্রথম দিন কিছু গাছের উপর দিয়ে দেখুন রেজাল্ট কেমন আসে তারপর রেজাল্ট ভালো হলে আপনার প্রিয় গাছ গুলিতে দিন।


🔷৬।আমরা বাগানে যে সমস্ত সার ব্যাবহার করি যেমন-গোবর,ভার্মি কম্পোষ্ট,এন পি কে,ডি এ পি,টি এস পি,পটাশ ইত্যাদি। এই সার গুলি ভালো ভাবে আরো কাজ করতে সাহায্য করবে হাইড্রোজেন  পার অক্সাইড  ব্যাবহার  করলে।এর জন্য ৫ লিটার পানিতে ১ চামচ মিশিয়ে বাগানে গাছের মাটিতে দিয়ে দিতে হবে আর এই কাজটি মাসে ১ বার করতে হবে।


🔶৭।আমরা কাটিং থেকে শিখড় বের হবার জন্য পানিতে রেখে দেই সেই পানিতে যদি হাইড্রোজেন পার অক্সাইড মিশিয়ে দিই তাহলে গাছের শিখড় তারাতারি হবে এবং পচন ও ধরবে না,এর জন্য ১ লিটার পানিতে  ১.৫ চামচ মিশিয়ে নিলেই হবে।


🔷৮।জার্মিনেশন ট্রে এবং পটিং গুলি যদি বিজ লাগানোর আগে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড  দিয়ে পরিষ্কার করে নেয়া হয় তাহলে ভাইরাস,ফাংগাস,ব্যাকটেরিয়ার আক্রমন হবার চান্স থাকবে না। 

তথ্য সমূহ গুগল হতে।#ছাদবাগান #followers #rooftop #pestcontrolservice #everyone#

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০২-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০২-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


টঙ্গীর তুরাগ তীরে আজ আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে বিশ্ব ইজেতেমার প্রথম পর্ব।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহাবিস্ফোরণ দেশকে পাল্টে দিয়েছে, জাগিয়েছে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় - মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করে বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


তরুণরা পাল্টে দিতে পারে পুরো বিশ্ব, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাতি - বলেছেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী জাতীয় কবিতা উৎসব - উদ্বোধন করলেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ আবু সাঈদ এর মা।


জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি ও শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হয় এমন কর্মসূচি থেকে বিরত থাকতে শিক্ষার্থীদের প্রতি সরকারের আহ্বান।


পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের ষড়যন্ত্র রুখতে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।


সুদানে একটি সবজি বাজারে গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলায় অন্তত ৫৬ জনের প্রাণহানি।


আজ মালয়েশিয়ায় আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার মোকাবেলা করবে ভারত।

বাংলাদেশে কোনো চাষীকে খেজুরের গুড়ের দাম কোনো ব্যবসায়ী কেজি প্রতি ২৮০ টাকার বেশি কেও দেয়না কেও না।

 বাংলাদেশে কোনো চাষীকে খেজুরের গুড়ের দাম কোনো ব্যবসায়ী কেজি প্রতি ২৮০ টাকার বেশি কেও দেয়না কেও না।

১৮০-২৮০ টাকা দিয়ে থাকে গুড়ের প্রকার ও অঞ্চল ভেদে।

৬০০ টাকা ৭০০ টাকা ৮০০ টাকা শুধু অধিক মুনাফা কথার ঝুড়ি মিথ্যা মার্কেটিং ও চকচকে প্যাকেজিয়ের জন্য।

গুড় দাম বাড়ানোর জন্য আপনার কাস্টমাররাই দায়ী।  আপনারা মনে করেন দাম বেশি হলেই আসল  দাম কম হলেই ভেজাল।


আপনাকে বুঝতে হবে গুড় ফ্যাক্টরি তে তৈরি হয়না এটা প্রাকৃতিক খেজুরের রস থেকে তৈরি।


রসের তারতম্যের কারণে গুড়ের ঘ্রাণ স্বাদ মিষ্টতা শক্ত নরম বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য এর তারতম্য হতে পারে।


আপনি বলতে পারেন রস তো একই খেজুরের গাছের তাহলে প্রতিদিন সেইম গুড় কেন হবে না??

✅আপনি হয়ত জেনে অবাক হবেন আকাশ যদি মেঘলা হয় সেদিন গাছের রস ও ঘোলা হয় 

আবার ঠান্ডা কম না বেশি তার জন্য  রসের তারতম্য হতে পারে।


⚡অনেকেই এখন একটা মিথ্যা প্রচার করে খাঁটি গুড় মানেই নরম আর শক্ত মানেই আসল

এর চেয়ে মিথ্যাবাদী লোক আর হয়না কেন বলি তাহলে শুনুন

🟢একই রস থেকে ঝোলা বা লিকুইড গুড় তৈরি হচ্ছে

🟢আবার এই খেজুরের রস থেকেই বীজ গুড় বা সেমি সলিড গুড় তৈরি হচ্ছে

🟢 এই রস থেকেই দানাদার ঝোলা গুড় তৈরি হচ্ছে

🟢এই রস থেকে নরম ফয়েল পাটালি হচ্ছে

🟢 এই রস থেকে শক্ত গোল পাটালি আবার লম্বা পাটালি তৈরি হচ্ছে 


কেন হচ্ছে এত রকম গুড় শুধু রস থেকেই কোনো কিছুই মিক্স না করে শুধু জ্বাল দিয়ে?


ব্যাপার টা খুব সুন্দর এবং সহজ ও কারগরি দক্ষতা ও পরিশ্রম এর উপর নির্ভর করে।


যদি গাছ ৩-৪ দিন শুকান দেন তারপর  যে রস সংগ্রহ করবেন সেই রস থেকে যদি ঝোলা গুড় তৈরি করেন সেই গুড়ে দানা পড়ার সম্ভবনা খুব বেশি থাকে, যদি সেই গুড় থেকে গোল পাটালি বা লম্বা পাটালি তৈরি করেন সেই গুড় অন্যান্য দিনের চেয়ে অনেক বেশি শক্ত হবে


কিন্ত কিছু কিছু উদ্যোক্তা এত সুন্দর করে মানুষ কে মিথ্যা বলছে যে আমরা সপ্তাহে ১ দিন রস সংগ্রহ করি ৬ দিন জিরান দিয়ে থাকি আমাদের সব গুড় জিরান রসের

কিন্ত সেই গুড় আবার পুরুত্ব পাতলা করে ঠাস করে ভেংগে ফেলে বলছি আমাদের গুড় ১ নাম্বার দাম ৭০০-৯০০ বাকি সবার গুড় ভেজাল বাহ বাহ আর আমরা অন্ধের বিশ্বাস করে চাকচিক্য প্যাকেট আর পোশাক দেখেই কিনে ফেললাম


কিন্ত সেই গুড় হবার কথা ছিল প্রাকৃতিক ভাবেই শক্ত। 


✅গুড় শক্ত হতে পারে এটাই প্রাকৃতিক 

✅গুড় নরম হতে পারে এটাই প্রাকৃতিক 

✅গুড়ে দানা থাকতে পারে এটাই প্রাকৃতিক 

✅গুড়ে দানা না থাকতে পা।


কপি: মুরাদ ভাই।।।

শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সরিষার খৈলের তৈরি বুস্টার সার।

 সরিষার খৈলের তৈরি বুস্টার সার।


আমরা প্রায় সকল বাগানীরা সরিষার খৈল পচানো পানির সাথে পরিচিত। সাধারণত আমরা ৫-৭ দিন সরিষার খৈল পানিতে ভিজিয়ে রেখে পচাই। তারপর তার সাথে পানি মিশিয়ে গাছের মাটিতে দেই।  সরিষা খৈল যখন পানিতে পচানো হয় তখন সেই পানিতে বিভিন্ন উপাদান তৈরী হয় যা পরবর্তীতে মাটি হয়ে গাছে চলে যায় ও গাছের বৃদ্ধি,ফুল-ফল ধরানো,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ নানাবিধ উপকার করে। 


সরিষার খৈল পচানোর প্রক্রিয়াটাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ফার্মান্টেশন। international journal of chemical studies  এর গবেষণায় দেখা গিয়েছে সরিষার খৈলকে যতো বেশীদিন ফার্মান্টেশন প্রসেসে রাখা যাবে ততোই এর উপকারী উপাদান বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ আমাদের মাঝে যেই প্রচলিত মতবাদ আছে যে ৭-৮ দিনের মধ্যে খৈল ভেজানো পানি ব্যবহার করে ফেলতে হবে, এই প্রক্রিয়া থেকে এটা আপডেট। এ পদ্ধতিতে সরিষার খৈলকে যদি ৪০ দিন পর্যন্ত পচানো যায় তাহলে সেই পচানো পানিতে মাইক্রো ও ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট,যেমন-নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সালফার, ম্যাগিনেসিয়াম, কপার, জিংক সহ গাছের দরকারী সব উপাদান কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। 


পাশাপাশি আমরা বাজার থেকে ট্রাইকোডার্মা,বায়োডার্মা নামক যেই জৈব ফাংগিসাইড কিনে টবের মাটিতে প্রয়োগ করি সেই সিডিউমুনাস,ট্রাইকোডার্মা, রাইজোব্যাকটেরিয়াসহ গাছের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ফাংগি ও ব্যাংক্টেরিয়াগুলো ৪০ দিন পর সরিষা খৈল পচানো পানিতে উল্লেখযোগ্য হারে তৈরী হয়।


অর্থাৎ, আপনি যদি একটি ভালো মানের সরিষার খৈল ৩৫-৪০ দিন পর্যন্ত পানিতে পচিয়ে তারপর গাছের মাটিতে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে গাছের প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান, জৈব অনুজীব,ছাত্রাকনাশক ও কীটনাশক কয়েকগুণ বেশী পাবেন। 


আরেকটি বিষয় হলো খৈল পচানোর পানিতে আপনাকে নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ করতে হবে। কারণ যেই অনুজীব জীবগুলো এই খৈল পচানোর রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবে তাদের সার্ভাইভ করার জন্য বা বেঁচে থেকে পচন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। আর অক্সিজেন সরবরাহের জন্য প্রতিদিন কয়েকবার পাত্রের ঢাকনা তুলে পাত্রের পানিকে বাঁশ বা কাঠের কাঠি দিয়ে ক্লকওয়াইজ ও এন্টিক্লকওয়াইজ ঘুরিয়ে নাড়িয়ে দিতে হবে এবং নাড়ানো শেষে আবার ঢাকনা নাড়িয়ে দিতে হবে। আর ফার্মান্টেশন প্রক্রিয়া সবচাইতে ভালো হয় মাটির পাত্রে। সরিষার খৈল পচানোর কাজটি মাটির কলসি বা মাটির পাত্রে করতে পারলে সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।


প্রয়োজনীয় উপকরণ:


১. খৈল ১ কেজি ।

২. পানি ১০ লিটার।

৩. মাটির পাত্র ( সম্ভব হলে )।

৪. কাঠ বা বাঁশের লাঠি।


উক্ত সার তৈরির পর আরও ১০ গুণ পানি যোগ করতে হবে। অর্থাৎ প্রথমে ১০ লিটার পানির সাথে আরও ৯০ লিটার পানি মেশাতে হবে। অর্থ্যাৎ মোট সারের পরিমাণ হবে ১০০ লিটার। এটা গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করতে হবে।

অবুঝ_বউ ১ম পর্ব  ❤আশিক❤ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 তিথিকে যখন বিয়ে করি তার বয়স তখন ১৪, সম্পর্কে আমার ফুফাত বোন, আমার দাদীর ইচ্ছায় বিয়েটা হয়েছিল, পরিবারের বড় ছেলে হওয়াই আমাকে এই কুরবানির শিকার হতে হয়েছিল, ওকে যখন বিয়ে করি আমার বয়স তখন ২৬, বুঝতেই পারছেন দুজন দুই গ্রহের বসিন্দা, দাদীও ছিল শেষ পর্যায়ে, কোন রকম হাটতে চলতে পারত, তাই একদিন বাবা ও আর ফুফুকে ডেকে এই কুরবানির ব্যাবস্থা করে। তার এক কথা নাতবউ দেখে যাবে, আর তিথির সাথেই আমার বিয়ে দিবে, তাইত এক প্রকার জোর করেই তিথির সাথে আমার বিয়েটা হয়েছিল।অনিচ্ছা সত্তেও দাদীর জোড়া-জোড়িতে বসর ঘরে ঢুকতে হয়েছিল, ঘরে ঢুকতেই রোবটের মত খাট থেকে নেমে সালাম করা শুরু করল, করছে ত করছেই, আমি কিছু বলছিনা, প্রায় দুই মিনিট করার পর ধমক দিয়ে বল্লাম কিরে কি করিস?

তিথি: সালাম করি,

তা ত দেখতেই পারতেছি এতক্ষণ ধরে সালাম করতে হয়?

নানী ত বলছে আপনি যখন আমাকে উঠাবেন তখন সালাম করা বাদ দিতে,

(ওর কথা শুনে ত আমার পেট ফেটে হাসি পাচ্ছে)

ত আর কি কি বলছে তর নানী?

আরও অনেক কথা বলছে,

কি কি বলছে? (পেটে হাসি চেপে রেখে)

বলছে আপনার বুকে মাথা রেখে রাতে ঘুমাতে, আপনি যদি আমাকে জড়িয়ে ধরেন আমি যেন বাধা না দেই, চিৎকার চেচামেচি যেন না করি, আপ...

হইছে এবার থাম, চল খাটে বসে পর,

নানী বলছে আমাকে কুলে করে নিয়ে যেতে,(তিথি)

কানের নিচে একটা চটকানা দিয়ে দাত ফালায়ে দিমু, ওরে কুলে করে খাটে নিতে হবে? যা খাটে যা,

ওওওও এইবার বুচ্ছি নানী কেন চিৎকার করতে না করছে,

কি বুজছস?(আমি)

এই যে আপনি আমাকে থাপ্পর মারবেন আমি ব্যাথা পাব, তাই যেন চিৎকার না করি, চিৎকার করলে ত মামা এসে আপনাকে মারবে, মনে নাই একদিন আপনি আমাকে মারতেছিলেন আর আমি চিৎকার করতেছিলাম তখন মামা এসে আপনাকে কি দৌড়ানিটা দিছিল, বলেই ফিক করে হেসে দিছে, আপনি মারেন আমি চিৎকার করবনা,

(ওর কথা শুনে আমি হাসব না কাদব ঠিক বুঝতেছিনা,)

কি হল মারেন না হলে কুলে করে বিছানায় নিয়ে যান,

ওই তর ত সাহস একদিনেই বেড়ে গেছে, আমার কথার উপর কথা বলিস? যা বিছানায় (ধমক দিয়ে, ও আবার আমায় খুব ভয় পায়)

(ভয়ে কাপতে কাপতে বিছানায় গেল)

আমিও বিছানায় গিয়ে হাতে থাকা একটা জামা ওর হাতে দিলাম, কিছুদিন আগেই ও আমায় ফোনে বলছিল ভাইয়া এবার আসার সময় আমার জন্য একটা হলুদ কালারের জামা নিয়ে আসবেন।ওটাই আজ দিলাম,

ভাইয়া এটা কি(তিথি)

খুলে দেখ,

ওয়াও অনেক সুন্দর হইছে ভাইয়া, THANK YOU বলেই গালে একটা চুমু দিল, আচ্ছা আপনি এমন কেন?

কেমন?(আমি)

এইযে ড্রেসটা এখন দিলেন আগে যদি দিতেন তাহলে এটা পড়েই আসতাম কি শাড়ী পড়াইছে, আমি পরবই না তারপরেও বলে বিয়েতে শাড়ী পরতে হয়, আচ্ছা ভাইয়া বিয়ে কি?

তর ওত কিছু জানতে হবেনা, শাড়ীটা খুলে এটা পড়ে আয়।শাড়ী পরে ঘুমাতে পারবিনা,

আচ্ছা(বলেই শাড়ী খুলতে লাগল)

ওই কি করিস?

কেন আপনি না বল্লেন এটা পরতে?

বলছি তাই বলে কি এখানে?

কেন কোন সমস্যা?

না কোন সমস্যা নাই, যা বাথরুমে গিয়ে হাত মুখ ধুয়ে ওখান থেকে কাপড় পরে আয়।

আচ্ছা(বলেই বাথরুমে চলে গেল)

কিছুক্ষণ পর ড্রেসটা পড়ে এসে বলতেছে ভাইয়া কেমন লাগছে আমাকে?

হুম সুন্দর লাগতেছে,

মামা মামী কে দেখিয়ে আসি?

না এত রাতে যেতে হবেনা, আর আজ থেকে মা বাবা কে আর মামা মামী ডাকবিনা,

কেন? কি ডাকব আঙ্কেল আন্টি?

না, মা বাবা বলেই ডাকবি, বিয়ের পর সব মেয়েরাই তার স্বামীর মা বাবাকে মা বাবা বলেই ডাকে,

যাহ আমি পারবনা, আমার লজ্জা লাগে,

এই দিকে আয়,

কেন মারবেন?

না আয়, শুন তকে কিছু কথা বলি, বিয়ের পর মেয়েদের কিছু জিনিস পরিবর্তন করতে হয়, তার স্বামীর বাবা মাকে মা বাবাই ডাকতে হয়, চঞ্চলতা কমাতে হয়, আর কথা কম বলতে হয়। মনে থাকবে?

হুম থাকবে,

ঠিক আছে এখন ঘুমা,বলেই আমি শুয়ে পরলাম,

(ও শুয়ে পরল, কিন্তু বালিশে না, আমার বুকেই)

কিরে খাটে কি বালিশের অভাব হইছে?

নানীত বলছে এভাবে ঘুমাতে,

ওর কান্ড কারখানা দেখে আর কিছু বল্লাম না,

সকালে ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ পড়তে গেলাম, নামাজ পড়ে হাটতে হাটতে বাজারে গেলাম চা খেতে, চা খেয়ে বাড়ি এসে দেখি সবাই কেমন কানাঘোসা করতেছে, আমি তোয়াক্কা না করে রুমে গেলাম, কিছুক্সন পর দাদী আসল, এসেই তিথিকে খুজা শুরু করল, আমায় বলতেছে

কি নাতি আমার নাতনিটারে কই রাখলা দেখি একটু কেমন হল,

তোমার নাতনী আগে যেমন ছিল তেমনি আছে,

তা কই আমার নাত বউ টা?

তোমার নাত বউ কে কি আমি পকেটে করে নিয়ে বসে আছি যে আমায় জিগ্গেস করতেছ?

কি বলিস, ও ত বের হইনাই আমরা ত মনে করলাম তুই রুমে তাই এদিকে আসিনাই,

কি বল আমি ত ওকে ঘরে রেখেই নামাজে গেলাম,

(তারপর সারা বাড়িতে ওকে খোজার ধুম পরে গেল, চিৎকার করে ডেকেউ কোন পাত্তা নে, কোথাও পাওয়া গেলনা,)

আমার মনে হঠাৎ সন্দেহ জাগল, ওকি তাহলে?

যেই ভাবা সেই কাজ দৌড়িয়ে পুকুর ঘাটের আম বাগানে গেলাম, যা ভাবছিলাম তাই, গাছ বান্দর গাছে বসে আম খাচ্ছে,

কিরে ওখানে কি করিস?

ভাইয়া আম খাচ্ছি খাবেন?

দারা তর আম খাওয়া বের করতেছি, আজ তর পা ভেঙে দিব, তরে যে এত মানুষ ডাকতেছে শুনিস নাই?(বলেই লাঠি খোজা শুরু করলাম)

শুনছিই ত,

শুনছস কথা বল্লিনা কেন?

আপনিই না কাল বল্লেন কথা কম বলতে.।


অবুঝ_বউ

১ম পর্ব

 ❤আশিক❤


চলবে...


পর্বটি ভালো লাগলে next লিখবেন

পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টের হরমোন কেন দরকার?

 পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টের হরমোন কেন দরকার?


টেস্টোস্টেরন পুরুষত্বের প্রধান স্টেরয়েড হরমোন যা এন্ড্রোজেন গ্রুপের। শরীরে স্ফূর্তি আনতেই হোক কিংবা যৌনজীবন সুখী রাখতে— পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের যথাযথ ক্ষরণ হওয়া ভীষণ জরুরি। 

পুরুষদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমতে থাকলে  একপর্যায়ে পুরুষত্বের অনেক বৈশিষ্ট্য হারিয়ে যায়, যাকে  অ্যান্ড্রোপজ বলে। 


গড়ে ৩০ বছর বয়স হওয়ার পরে এর মাত্রা প্রতিবছর ১% করে কমে; সাধারণত ৭০ বছর বয়স্ক পুরুষের শরীরে এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেক কমে যায়। এতে  যৌন দুর্বলতা দেখা দেয়। কর্মস্পৃহা অনেক কমে যায়।  কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলার পাশাপাশি অনেকে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন।  যৌবনের যে উৎসাহ-উদ্দীপনা, মনের জোর, সব জয় করার এক উদগ্র বাসনা; টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমার ফলে তা কোথায় যেন উবে যায়।  অনেকে কোনো কাজে একভাবে মনঃসংযোগ করতে পারেন না, স্মৃতিশক্তি ক্ষীণ হয়ে আসে; এমনকি অনেকে বিভিন্ন মাত্রার বিষণ্ণতায় ভুগতে পারেন। (সচেতনতামূলক পোস্ট)


শেষ বয়সে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পুনরায় টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে কতগুলো বিষয় খেয়াল রাখা উপকারী। যেমন- স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম ও শরীর চর্চা করা ইত্যাদি।  এ ক্ষেত্রে অনেকেই হরমোনের ইনজেকশন বা ওষুধের সাহায্য নেন, যা কোনও কোনও ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হতে পারে। অথচ স্বাভাবিক উপায়েও এই হরমোনের ক্ষরণ বাড়ানো যায়।


উদ্ভিজ দুধ: সয়া, আমন্ড, ওট্‌সের দুধ শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। যাঁদের ল্যাকটোজ়ে অ্যালার্জি রয়েছে, তাঁদের কাছে উদ্ভিজ দুধ কিন্তু ভাল বিকল্প হতেই পারে।


বেদানা: অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর বেদানা প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ শরীরে হরমোনের মাত্রা ওঠানামা করার অন্যতম বড় কারণ। নিয়মিত বেদানা খেলে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে টেস্টোস্টেরনের মাত্রার উপরেও।


তেলযুক্ত মাছ: রুই, কাতলা, আর, বোয়াল, চিতলের মতো তেলযুক্ত মাছ ওমেগা-৩-ফ্যাটি অ্যাসিড ভরপুর মাত্রায় থাকে। হৃদ্‌যন্ত্র ভাল রাখার পাশাপাশি ওমেগা-৩-ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরে টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে।


ডিম: অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ভিটামিন ডি-তে ভরপুর ডিম শরীরে টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে। ডিম প্রোটিনের ভাল উৎস। রোজ ডায়েটে ডিম রাখা ভীষণ জরুরি।


কলা: শরীরে টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করতে রোজের ডায়েটে কলা রাখতে পারেন। নিয়ম করে কলা খেলেও শরীর চাঙ্গা থাকে, শরীরে স্ফূর্তি আসে।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০১-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০১-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


বাংলা একাডেমিতে আজ শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী অমর একুশে বই মেলা - উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা।


টঙ্গীর তুরাগতীরে শুরু হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব - লাখো মুসল্লির জমায়েতে গতকাল অনুষ্ঠিত হলো দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ। 


জুলাই গণ-আন্দোলনে অতিরিক্ত বল প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল রাজনৈতিক নেতৃত্ব - মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এর প্রতিবেদনে প্রকাশ।


ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুঃস্বপ্ন থেকে সবাইকে শিক্ষা নেয়ার আহ্বান জানালেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর।


তিনজন ইসরাইলি জিম্মির বিনিময়ে আজ মুক্তি পাচ্ছে ১৮৩ জন ফিলিস্তিনি বন্দী।


মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালস- খুলনা টাইগার্সের এবং চিটাগং কিংস-ফরচুন বরিশালের মুখোমুখি হবে আজ।

কেন আমি বাড়িতে মুরগি পালি?

 কেন আমি বাড়িতে মুরগি পালি? 🐓


আমাদের বাড়িতে মুরগি পালন শুধু একটি শখ নয়, এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আনে বিশাল পরিবর্তন। চলুন দেখে নেই এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা:


1️⃣ তাজা ডিম: সকালে উঠেই নিজের পালিত মুরগির তাজা ডিম খাওয়ার মজাই আলাদা! বাজারের ডিমের উপর নির্ভর না করেও আমরা বিশুদ্ধ পুষ্টি পাই।


2️⃣ পরিবেশবান্ধব: মুরগির বিষ্ঠা চমৎকার প্রাকৃতিক সার। এটি আমাদের বাগানের সবজি ও ফুলের জন্য খুবই উপকারী।


3️⃣ খাদ্যের অপচয় রোধ: বাড়ির খাবার-দাবার বা উচ্ছিষ্ট মুরগিদের খাওয়ানো যায়, যা অপচয় কমায় এবং পরিবেশবান্ধব জীবনধারা গড়তে সাহায্য করে।


4️⃣ পারিবারিক আনন্দ: মুরগি পালন শুধু কাজ নয়, এটি আমাদের পরিবারের সবার মধ্যে একটি বিশেষ আনন্দ ও ভালোবাসা আনে। ছোটরা মুরগির যত্ন নেওয়া শিখে এবং প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে পারে।


5️⃣ স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিতকরণ: নিজের তত্ত্বাবধানে পালিত মুরগি থেকে মাংস বা ডিম পেলে তার গুণগত মানের বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকা যায়।


আপনারাও চাইলে বাড়িতে কিছু মুরগি পালন শুরু করতে পারেন। এটি শুধু একটি শখ নয়, বরং একটি স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব অভ্যাস! 🏡🐥


আপনার অভিজ্ঞতা থাকলে শেয়ার করুন।

ছি: ছি: ননী -পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ ও মূল্যায়ন!।। 

 ।। ছি: ছি: ননী -পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ ও মূল্যায়ন!।। 


ধন কে দেখলু তুই ননী সিনা মনকে চিনলু নাই। 

সুনাকে চিনলু বানাকে চিনলু মনুষ চিনলু নাই।

ধন নাই বলি মোর পাখে ননী তার কাছে উঠি গলু।

ধন আছে সিনা মন নাই তাকে তুই জানি না পারালু।গোটে দিন মিশা যগিদেলু নাহি কেড়ে কথা করি দেলু।

মুই গাঁ যা'ই করি আসলা বেলে কেন্তা পাছরি দেলু।

রে ছি ছি ছি ননী ছি ছি ছি।


***

সারেতে দিনরা সান হেইবা কাজে ফজল নেই রেলু

বানজারিনী মা'রা পাখে যাই নিয়ম করি রেলু 

গালাগালা যাক তোর হেবি বলি কেড়েকথা কহি রেলু 

মুই গাঁ যা'ই করি আসলা বেলে কেন্তা পাছরি দেলু।

রে ছি ছি ছি ননী ছি ছি ছি।

***


তোর কথা ধরি ঋণ বাড়ি ধারি সবোকথা করিথিলি,

মালি মুদি গুণ পামেদি পাজহাল সবকিছু দেই থিলি।

তাতে শ্রদ্ধ বলি রঙপাতা কানি, 

সঙ দেই রেলিঙ ঘরে, 

ভোজভাত লাগি, ছেলি মেন্ধা কিনি, রাখি দিলি আমার ঘরে,

নাশাই দেলু ননী সবই আশা মোরা,

ক্যা দুঃখ তুই দেলু,

মুই গাঁ যা'ই করি আসলা বেলে কেন্তা পাছরি দেলু।

রে ছি ছি ছি ননী ছি ছি ছি।


▪️▪️গানটি মূলত: উড়িয়ার একটি উপভাষায় রচিত, কোরাপুট- সম্বল পুরের আঞ্চলিক ভাষা। ▪️▪️

______________________________________________

(বাংলা) 


সম্পত্তি দেখলে মেয়ে কিন্তু মনটাকে দেখলে না তাকে চিনলে না।

সোনাদানাটাই  চিনলে কেবল, মানুষটাকে তার ভালোবাসাটা চিনলে না।

আমার কাছে ধন নেই বলে, আজ তার কাছে চলে যেতে পারলি!

ধনসম্পদ হয়তো আছে কিন্তু হৃদয় নেই তার;  তুমি বুঝতেও পারলে না!

একটা গোটা দিনও অপেক্ষা করতে পারলি না,এতো বড়ো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললি!

অথচ আমি যখন আমার গ্রাম থেকে ফিরলাম, তুমি কী করে সব ভুলে গেলে?

ওরে,  ছি ছি ছিরে  মেয়ে ছি ছি ছি, ধিক তোমারে।

***


সারাদিন সামর্থ্যের মধ্যে ছোট ছোট আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করতাম।

আমি তোমার মা-কে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলাম, ভালো রাখব।

অনেক বার বলেছি, আমার কাছে কেমন ছিলে তুমি

অথচ আমি যখন আমার গ্রাম থেকে ফিরলাম, তুমি কী করে সব ভুলে গেলে?

এটা লজ্জারে মেয়ে, ছিঃ ছিঃ 


***

তোমার জন্য এত ঋণ, বাড়ি অবধি বাঁধা রাখলাম।শুধু তোমায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে... 

তুমি যা চেয়েছ সবই করেছি।

তোমাকে সব রকম উপহার কিনে দিলাম।

রঙিন পাতায় ভালোবাসার স্মৃতি বুনেদিলাম। 

 ঘরেতে আমাদের বিয়ের ভোজ অনুষ্ঠানের জন্য একটি ছাগলও কিনে রাখলাম। 

অথচ এক লহমায় তুমি আমার সব আশা নষ্ট করে দিলে!

ননী, কেন তুমি আমাকে এই ব্যথা দিলে? কী দোষ ছিল আমার?  দারিদ্র?

আমি গ্রাম থেকে ফিরে দেখলাম, তুমি সব ভুলে গেছ?

তোকে ধিক্কার মেয়ে ধিক্কার.... 


    ~ গানটির ছত্রে ছত্রে বিষাদ। বিশ্বাস ভঙ্গের ক্রোধ ও বেদনা অথচ আমরা কত সহজে! 

লেখক, শিল্পী শুধু অর্থেই খুশি হন না। তিনি খুশি হন যথার্থ মূল্যায়নে। এ আমার তাঁর প্রতি ক্ষমা চাওয়া।🙏

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৮-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৮-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: হাওর অঞ্চলে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দে...