এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বাংলাদেশ টেলিভিশনে গেলাম চেক আনতে। অনেকদিন আগে একটা নাটক লিখেছিলাম ওটার সম্মানী

 বাংলাদেশ টেলিভিশনে গেলাম চেক আনতে। অনেকদিন আগে একটা নাটক লিখেছিলাম ওটার সম্মানী।  ১১ জুলাই ১৯৮১'র  ঝিনুক নীরবে সহো - লিখে পেয়েছিলাম ছয়শ টাকা। অতো টাকা খরচ করবো কিভাবে মাথা নষ্ট! তখন রাজশাহী থেকে ঢাকার বাসভাড়া ছিল ১৭ টাকা। আমি তখন জানতাম না নাটক লিখলে টাকা পাওয়া যায়। আমাকে কন্ট্রাক্ট সই করার জন্য ডেকেছিলেন প্রযোজক জিয়া আনসারী। মা পঞ্চাশ টাকা দিয়ে ঢাকা পাঠালেন। কিন্তু জিয়া আনসারী আমাকে দেখে মহাবিরক্ত, কেন উনি নিজে আসতে পারলেন না! আমরাতো ওনাকে আসা-যাওয়ার খরচও দিতাম। আর তুমি কিনা তাঁর হয়ে কন্ট্রাক্ট করবে! কই অথারাইজেশন কোথায়? 

আমি তাঁর কথা বুঝতে পারি না। চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকি।

ঘোড়ার মতো দাঁড়িয়ে আছ কেন,অথারাইজেশন বের করো, উনি ধমকান। 

আমার অবস্থা দেখে সহকারি প্রযোজক নূর হোসেন দিলুর মায়া হয়। তিনি বলেন, আখতার ফেরদৌস রানার চিঠি এনেছ?

ভাই, আমিই তো আখতার ফেরদৌস রানা।

এ্যাঁ, চেয়ার ছেড়ে লাফ দিয়ে উঠে পড়েন জিয়া আনসারী, আপনি আখতার ফেরদৌস রানা? 

জি ভাই। 

বয়স কত?

বলি।

জিয়া ভাই আর দিলু ভাই মুখ চাওয়াচাওয়ি করেন।

প্রবেশ করেন মনোজ সেন গুপ্ত, তিনিও সহকারী প্রযোজক। 

এই মনোজ দ্যাখ তুই কার পান্ডুলিপি আমাকে গছিয়েছিস! তুই বললি ওটা ইউনিভার্সিটির প্রফেসরের লেখা...

সেই জন্যই ওটা সেই রকম স্ক্রিপ্ট স্যার, দুর্দান্ত ছিল,না? ডাকে যতগুলো পান্ডুলিপি এসেছে ওটাই সেরা মনোনীত হয়েছে কী সাধে - মনোজ বলেন। 

এই নে তোর আখতার ফেরদৌস রানা!

আমাকে দেখান জিয়া আনসারী। ভিরমি খান মনোজ। দিলুভাইয়ের মাথায় হাত।

আপনি কি ছাত্র, মনোজ প্রশ্ন করেন।

ইউনিভার্সিটি প্যাডে লিখেছিলেন কেন? আমরা তাই মনে করেছি আপনি শিক্ষক, দিলু ভাই বলেন।

অফসেট কাগজতো বাজারে পাওয়া যায় না, তাই একজন স্যারের কাছ থেকে প্যাড চেয়ে নিয়ে লিখেছি, যেন সুন্দর হয়।

এখন যান জিএম'কে গিয়ে বোঝান আপনি সেই মদ্দ...

জিয়া ভাই ওনার কী দোষ, মনোজ প্রতিবাদ করেন। 

তাহলে তুই ওরে জিএম এর সামনে নিয়ে যা, গিয়ে বল সে প্রফেসর না স্টুডেন্ট। আমার সম্পর্কে কামাল ভাইয়ের ধারণা কী জানিস না?

খুব খারাপ!

এখন নাক টিপলে যার দুধ বাইর হয়- তারে সামনে নিয়া ক্যামনে কই সে-ই ঐ রানা...

স্যারের কাছে আমি নিয়া যামু? 

তোরা দুই হারামজাদাই আমার চোখের সামবে থেকে দূর হ!

দিলু ভাই আর মনোজ কেটে পড়ে।

এখন তো কেউ নাই সত্যি সত্যি বলেন তো ঐটা কি আপনার লেখা?

জি ভাই আমার লেখা...

কিরা কাটো! 

আল্লাহর কসম

তুই এই বয়সে এতো ভারি জিনিস ক্যামনে লিখলি... শোন আমি অক্ষন তোরে জিএম এর সামনে নিমু। আমারে যেমনে যেমনে যা যা কইলি তাই তাই কইবি...

জি

যদি উল্টাপাল্টা কিছু কস আমার পি-তে বি! পি-তে বি মানে জানস?

পোঁদে বাঁশ ভাই...

হা হা হা...

তিনি তাঁর ভয় তাড়াবার জন্য অট্টহাসি দেন। তারপর আমার হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে চলেন জি এম এর রুমে...

আমি জিয়া ভাইয়ের সে-ই দরজার সামনে আজ চুপ করে  দাঁড়িয়ে থাকলাম। চল্লিশ বছর আগে দাঁড়ালে তাঁর প্রাণখোলা হাসির অর্ধেকটা শুনতে পেতাম। বন্ধ দরজার জন্য। 

তারপর যেন শুনতে পাই আলীমুজ্জামান দিলু ভাই ডাকছেন, অ্যাই রানা স্ক্রিপ্ট কবে দিবি? 

রিয়াজ উদ্দিন বাদশা আমাকে দেখে ছুটে আসছেন। 

হাবীব আহসান এসে হাত বগলদাবা করে আঁতেলের মতো বললেন,অতিরিক্ত  মানুষ মানে এক ধরণের অপচয় রানা! 

কিংবা আতিকুল হক চৌধুরী দূর থেকে মনে হয় আমার ঘামের গন্ধ পাচ্ছেন বলে নাকে রুমাল নিচ্ছেন।

খ. ম হারূন এসে বললেন,আপনার আক্কেল এতো কম কেন? কার্ফুর মধ্যে আপনি কেন বাড়িতে এলেন স্ক্রিপ্ট দিতে! শোনেননি শ্যুট এ্যাট সাইট চলছে...

ভাই আমি তো আপনার মতো সুন্দর মানে ফর্সা না, কালো বলে আর্মি আমাকে দেখতেই পাবে না।

উনি রাগে উল্টোদিকে হাঁটা দিলেন।

মোস্তফা কামাল সৈয়দ এসে বললেন, ফেরা ধারাবাহিকের প্রধান চরিত্রে কে?

কেশব চট্টোপাধ্যায়।

তিনি কী করবেন?

পন্ডিতমশায়।

কামাল ভাই নাক ডললেন। তাঁর ভয়, উল্টোপাল্টা কিছু যদি লেখি। তখন কলকাতার নাটকে মসুলমান মানে আবদুল। আর আবদুুল মানে চাকর। আমি আবার তেমন কিছু করি কি-না!

মোস্তাফিজুর রহমান কাছে এসে চুলগুলো এলোমেলো করে দিয়ে বললেন, রানা খুব ভালো লেখে তোমার চিন্তা নেই কামাল! 

আবদুল্লাহ আল মামুন এলেন। শুধু দাঁড়ালেন। আমাকে দেখলেন। ঠোঁট টিপে হাসলেন। গালে টোল পড়লো!

অপারেশন ডাল-ভাত

 🔴 সম্পূর্ণটা পড়ার অনুরোধ জানাচ্ছি...... 


🔹একটা কথা বলি,, আজকে ২০২৪-এ এসেও যদি BDR হ/ত্য| কান্ডের বিচার না হয় তবে আশা করা যায় এই বাংলাদেশ থেকে জুলুমের কালো হাত তো উঠবেই না বরং আরো নতুন নতুন জুলুমের শিকার হবে এই মুসলিম উম্মাহ্.... আর যদি এই ঘটনার বিচার হয় তাহলে ইংশাআল্লাহ্ আশা করা যায় অন্যান্য ঘটনারও বিচার অতিদ্রুত দেখবে এই উম্মাহ্.... (২০১৩-এর ৫ই মে,শাপলার হ/ত্য| কান্ডের বিচার),,,(জামায়াত শীর্ষক নেতাদের ফাঁসির বিচার),,,(আওয়ামীজমের বিরুদ্ধে কথা বলায় হত্যা/গুম/নির্যাতনের বিচার),,,(দেশের বরেণ্য আলেম-উলামাদের খুন/গুম/নির্যাতনের বিচার),,,(আওয়ামী ফিসিস্টের সকল বাহিনীর বিচার) সহ আরও অনেক লুকায়িত ঘটনার বিচার.....


🔻

২০০৯ সালে যা হয়েছিল সেটা কোনো বিদ্রোহ ছিল না,, যেটার নাম দেওয়া হয় "অপারেশন ডাল-ভাত"। এটা ছিল একটা পূর্ব পরিকল্পিত হ/ত্য| কান্ড। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল " দেশের গর্ব সেনাবাহিনীকে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়া " এবং এই কাজে তারা সফলও হয়েছিল। ১জন মেজর জেনারেল,,, ২জন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল,,, ১৬জন কর্নেল,,,১২জন লেফটেন্যান্ট কর্নেল,,,২৫জন মেজর,,, ১জন ক্যাপ্টেন...তাঁদের মূল্য এই জাতি না বুঝলেও, #আওয়ামী_দোষর ও #ডান্ডিয়া ঠিকই বুঝেছিল যে, "এই একটা চৌকস বড় অংশ যদি খতম করা যায় তাহলে সেনাবাহিনী অবশ্যই আমাদের পায়ের নিচে এসে যাবে"...!! হয়েও ছিল তাই। ২০০৯ সালের হ/ত্য|র ফসল আজকের এই ভীতু/কাপুরষ/গাদ্দার সেনাবাহিনীর উপরস্থ অফিসার (গুটিকয়েক বাদে) আর যারা জুনিয়র অফিসার এবং সেনা রয়েছে তারা তো হুকুমের গোলাম,,হ্যা বললে হ্যা.... না বললে না.....!! 


✅ এ জাতি যে কত বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল তার একটা ছোট উদাহরণ বলি,,, ২০০৯ সালে যখন পিলখানা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়, তখন কিছু দেশ প্রেমিক সেনা অফিসার একশন নিতে চেয়েছিল। তখন ড|ন্ডিয়| সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধান কে সরাসরি হুমকি দিয়েছিল যে, "যদি কোন সেনা অফিসার কোনো একশনে যায় তাহলে ড|ন্ডিয়|ন ডিফেন্স মিনিস্ট্রি সরাসরি তাদের সেনা ঢুকিয়ে দিবে" অর্থাৎ আমরা ২০০৯ সালেই ভ|রতের তাবেদারী রাজ্যে পরিণত হতাম...!! 

(এই তথ্যটা অত্যন্ত গোপনীয় ছিল,,,, যদি সুষ্ঠু তদন্ত হয় তাহলে আশা করা যায় এই তথ্যটাও আপনারা পাবেন ইংশাআল্লাহ্.....) বিশ্বাস করা না করা আপনার দায়িত্ব...... 


⭕ সময় এখনই,,, যদি এই ঘটনার সঠিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত সাপেক্ষে বিচারকার্য পরিচালনা করা হয় তাহলে এই জাতি [(থলের বিড়ালগুলো বের হওয়া),,(রাঘব বোয়াল গুলোর হদিস পাওয়া),,(কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বের হওয়া) এরকম] কয়েকটা প্রচলিত প্রবাদের বাস্তবতার সাক্ষী হবে ইংশাআল্লাহ্.....এবং আশা করা যাবে এর দ্বারা এই জাতি/এই উম্মাহ্ শহীদদের জন্য,, তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য কিছু হলেও করতে পারছে....🥹


২০০৯ সালের পিলখানায় BDR হ/ত্য| কান্ডে শহীদীন বীরসেনানী কর্মকর্তাদের তালিকাঃ


১) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ


২) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: জাকির হোসেন

৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল বারী


৪) কর্নেল মো: মজিবুল হক

৫) কর্নেল মো: আনিস উজ জামান

৬) কর্নেল মোহাম্মদ মসীউর রহমান

৭) কর্নেল কুদরত ইলাহী রহমান শফিক

৮) কর্নেল মোহাম্মাদ আখতার হোসেন

৯) কর্নেল মো: রেজাউল কবীর

১০) কর্নেল নাফিজ উদ্দীন আহমেদ

১১) কর্নেল কাজী এমদাদুল হক

১২) কর্নেল বিএম জাহিদ হোসেন

১৩) কর্নেল সামসুল আরেফিন আহাম্মেদ

১৪) কর্নেল মো: নকিবুর রহমান

১৫) কর্নেল কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন

১৬) কর্নেল গুলজার উদ্দিন আহমেদ

১৭) কর্নেল মো: শওকত ইমাম

১৮) কর্নেল মো: এমদাদুল ইসলাম

১৯) কর্নেল মো: আফতাবুল ইসলাম


২০) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এনশাদ ইবন আমিন

২১) লেফটেন্যান্ট কর্নেল শামসুল আজম

২২) লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী রবি রহমান, এনডিসি

২৩) লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া মোহাম্মদ

২৪) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: বদরুল হুদা

২৫) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এলাহী মঞ্জুর চৌধুরী

২৬) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: এনায়েতুল হক, পিএসসি

২৭) লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু মুছা মো. আইউব

২৮) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: সাইফুল ইসলাম

২৯) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: লুৎফর রহমান

৩০) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান

৩১) লেফটেন্যান্ট কর্নেল লুৎফর রহমান খান


৩২) মেজর মো: মকবুল হোসেন

৩৩) মেজর মো: আব্দুস সালাম খান

৩৪) মেজর হোসেন সোহেল শাহনেওয়াজ

৩৫) মেজর কাজী মোছাদ্দেক হোসেন

৩৬) মেজর আহমেদ আজিজুল হাকিম

৩৭) মেজর মোহাম্মদ সালেহ

৩৮) মেজর কাজী আশরাফ হোসেন

৩৯) মেজর মাহমুদ হাসান

৪০) মেজর মুস্তাক মাহমুদ

৪১) মেজর মাহমুদুল হাসান

৪২) মেজর হুমায়ুন হায়দার

৪৩) মেজর মো: আজহারুল ইসলাম

৪৪) মেজর মো: হুমায়ুন কবীর সরকার

৪৫) মেজর মো: খালিদ হোসেন

৪৬) মেজর মাহবুবুর রহমান

৪৭) মেজর মো: মিজানুর রহমান

৪৮) মেজর মোহাম্মদ মাকসুম-উল-হাকিম

৪৯) মেজর এস এম মামুনুর রহমান

৫০) মেজর মো: রফিকুল ইসলাম

৫১) মেজর সৈয়দ মো: ইদ্রিস ইকবাল

৫২) মেজর আবু সৈয়দ গাযালী দস্তগীর

৫৩) মেজর মুহাম্মদ মোশারফ হোসেন

৫৪) মেজর মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম সরকার

৫৫) মেজর মোস্তফা আসাদুজ্জামান

৫৬) মেজর তানভীর হায়দার নূর


৫৭) ক্যাপ্টেন মো: মাজহারুল হায়দার


আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা শহীদদের জান্নাতে উঁচু মাক্বাম দান করুক,, আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন..... 


⭕ যত পারেন শেয়ার করুন ⭕ এর শেষ দেখেই ছাড়বো ইংশাআল্লাহ্....☝️ ইনকিলাব জিন্দাবাদ....

স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম অ্যাকশন ছবির নির্মান শুরু হয় তাঁর হাত ধরেই। 

 স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম অ্যাকশন ছবির নির্মান শুরু হয় তাঁর হাত ধরেই। তিনি সামাজিক ছবির সুনিপুণ নির্মাতাও বটে। একের পর এক ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় সব চলচ্চিত্র পরিচালনা করে গেছেন। সুস্হ-বিনোদনমূলক গল্পনির্ভর চলচ্চিত্রের এই অন্যতম সফল নির্মাতা। একজন ভালো মানুষ, একজন ভালো অভিনেতা, একজন ভালো চলচ্চিত্র নির্মাতা জহিরুল হক। স্বনামখ্যাত চিত্রপরিচালক ও অভিনেতা জহিরুল হক-এর জন্মবার্ষিকী আজ..


অভিনেতা পরিচালক

জহিরুল হক

(২৮ জানুয়ারি ১৯৪২- ২৫ নভেম্বর ১৯৯৩)

----------------------------------------------------------------

জহিরুল হক অভিনেতা, পরিচালক কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার ও সংলাপকার। 

জহিরুল হক ১৯৪২ সালের ২৮ জানুয়ারি, কুমিল্লা জেলার ভূরভুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তার শিক্ষাজীবনের শুরু শালগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে, যেখানে তিনি ১৯৫৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন (এসএসসি) পাস করেন। এরপরে তিনি ঢাকায় ল রিপোর্ট অফিসে কাজ শুরু করেন, যা তাকে উচ্চশিক্ষার খরচ বহন করতে সহায়তা করে। পরবর্তীতে তিনি জগন্নাথ কলেজে (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) পড়াশোনা করেন এবং সেখানে তার শিক্ষা জীবন এগিয়ে নেন।

ষাটের দশকের শুরু থেকে তিনি ঢাকার বিভিন্ন মঞ্চনাটকে অভিনয় করতেন এবং নাটক রচনা করতেন।

মঞ্চ থেকে এক সময় অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে আবির্ভাব ঘটে জহিরুল হক-এর। ১৯৬৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘আয়না ও অবশিষ্ট’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন । এছাড়াও তিনি আলিঙ্গন, সন্তান, রং বদলায়, পদ্মানদীর মাঝি, অরুণোদয়ের অগ্নিস্বাক্ষী, অনেক প্রেম অনেক জ্বালা, বসুন্ধরা, সারেং বউ, সূর্যদীঘল বাড়ি, ডুমুরেরফুল, ঘর জামাই, এখনই সময়, ঘরণী, মহানায়ক, প্রেম কাহিনী, সারেন্ডার, চোরের বউ, মাস্তান রাজা’সহ আরো অনেক ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন।

জহিরুল হক, টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেছেন।সংশপ্তক, ফেরা, তমা, ডুপ সাঁতার’সহ বহু টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন। টেলিভিশন নাটকের একজন দক্ষ অভিনেতা হিসেবে তিনি বেশ জনপ্রিয় ছিলেন।

সালমান শাহ অভিনীত 'তুমি আমার' ছবিটি পরিচালনার মাঝপথে ২৫ নভেম্বর ১৯৯৩ সালে জহিরুল হক পরলোকগমন করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৫১ বছর।

এই গুণি চিত্রপরিচালকের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।🌹

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৬-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৬-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টার কাছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন এবং বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন দাখিল - সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন শুধু বাংলাদেশের নয়, পৃথিবীর সম্পদ - মন্তব্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের।


প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অন্যদের ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে সরকার - জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


শেখ হাসিনা ভারতে বসে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালালে তার দায় সে দেশকেই নিতে হবে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


জনগণের শাসন নিশ্চিত করতে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে - বলেছেন তারেক রহমান। 


গাজায় ফিলিস্তিনীদের বিরুদ্ধে অমানবিকতা ও জাতিগত নিধন এড়ানোর ব্যাপারে সতর্ক করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব।


মিরপুরে বিপিএল-এর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে খুলনা টাইগার্সকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেছে চিটাগং কিংস।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৫-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৫-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টার কাছে জনপ্রশাসন  সংস্কার কমিশন এবং বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন দাখিল --- সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন শুধু বাংলাদেশে নয় পৃথিবীর সম্পদ --- মন্তব্য  ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের।


মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে  শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।


ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে বসে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালালে তার দায় সে দেশকেই নিতে হবে --- মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


শেখ হাসিনার বিচার এদেশের মাটিতেই হবে --- বলেছেন তারেক রহমান।


গাজা দখল করে এটিকে "মধ্যপ্রাচ্যের শান্তিভূমিতে" পরিণত করার কথা বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প --- আরব বিশ্বসহ বিভিন্ন দেশের প্রত্যাখ্যান ।


এবং মিরপুরে বিপিএল-এর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে  চিটাগং কিংসের মুখোমুখি খুলনা টাইগার্স।

গায়ক এবং গীতিকার দুজনেরই সান্ডিল্য গোত্র, তাই বন্ধু হতে হবে — 

 গায়ক এবং গীতিকার দুজনেরই সান্ডিল্য গোত্র, তাই বন্ধু হতে হবে — এমন এক অদ্ভুত সম্পর্কের প্রস্তাব দিলেন স্বয়ং গায়ক, যা সবার কাছে মনে হতে পারে অবিশ্বাস্য! সত্যিই, সঙ্গীতের জগতের মানুষদের মাঝে এমন এক বিশেষ বন্ধন রয়েছে, যা শুধুমাত্র অনুভব করা যায়, বোঝা নয়।


একদিন পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে আড্ডা জমেছিল। সেই বৈঠকখানায় পুলকবাবুর বাবার আঁকা তেল রঙের ছবি গুলি দেখে মুগ্ধ হয়ে গায়ক বললেন, “আপনিও তো আঁকেন?”


পুলকবাবু একটু হেসে বললেন, “না, আর এখন আর আঁকি না। এক সময়ে আঁকতাম, কিন্তু এখন আর সে কাজ করি না। আসলে, Jack of all trades হয়ে গেলে কোনো এক বিষয়ে Master হওয়া বেশ কঠিন। তাই গান লেখালিখি ছাড়া আর কিছুই করি না।"


গায়ক হাসি মুখে বললেন, “আর আমি গান গাই! আসুন, শুনুন না আমার গান!”


এই কথাগুলি শেষ হতেই, এক মুহূর্ত অপেক্ষা না করে পুলকবাবুর বাবার বিশাল অর্গ্যানের ডালাটা খুলে পায়ে ধরে বেলো করতে করতে গাওয়া শুরু করলেন। পরপর চার-পাঁচটা গান গাইলেন একটানে। সেই গানগুলো ছিল হৃদয়ের গভীর অনুভূতির প্রতিফলন, যা শুনতে শুনতে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গেলেন পুলকবাবু।


গান শেষ হওয়ার পর, স্নেহমিশ্রিত কণ্ঠে বললেন, “আপনি যেভাবে গান লেখার সাধনা করছেন, আমি সেভাবে গান গাওয়ার সাধনা করছি।”


এটাই ছিল সেই মুহূর্ত, যেখানে বন্ধুত্বের প্রথম সঞ্চার ঘটেছিল। পুলক বাবু তার হাতটা গায়কটির দিকে বাড়িয়ে বললেন, “আমরা দুজনেই এক গোত্রের। নিভৃতে সাধনা করে যাচ্ছি, একে অপরের কাছ থেকে কিছু শিখে। আর মজার ব্যাপার দেখুন, আপনি বন্দ্যোপাধ্যায়, আমি বন্দ্যোপাধ্যায়; আপনি সান্ডিল্য, আমি সান্ডিল্য; আপনি গীতিকার, আমি গায়ক। হয়তো বয়সে আমি একটু বড়, কিন্তু আসুন, আমরা বন্ধু হয়ে যাই।”


এই কথাগুলোর পর, সেই সঙ্গীত প্রেমী, আবেগ এবং অনুভূতির সাথে একাকার হয়ে থাকা তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি আমাদের সকলের হৃদয়ের মাঝে বাস করেন, পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনের অমূল্য বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন।


তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গীত জীবনে সেই বন্ধুত্বই যেন ছিল তাঁর জীবনের অমূল্য উপহার, যা যুগের পর যুগ, সুরের অমরত্বে প্রতিধ্বনিত হয়ে থাকবে।

______________________

©️ কিছু কথা ॥ কিছু সুর

গান গেয়ে বেড়াও! স্কুলে আসতে হবে না” 

 ॥ “...গান গেয়ে বেড়াও! স্কুলে আসতে হবে না” ॥


ভবানীপুরের 'মিত্র ইনস্টিটিউশন'-এর এক ছাত্র, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। ঈশ্বরপ্রদত্ত সুমধুর কণ্ঠ থাকা সত্ত্বেও সেদিন তাঁর জীবনপ্রবাহ অন্যরকম হতে পারত।

স্কুলের রেজিস্টার থেকে তাঁর নাম কাটা পড়েছিল গান গাওয়ার অপরাধে। শিক্ষক বলেছিলেন, “যাও, এবার গান গেয়ে বেড়াও, স্কুলে আসতে হবে না।” কিন্তু হেমন্তের সৌভাগ্য যে তাঁর বন্ধু সুভাষ মুখোপাধ্যায় ছিলেন। কবি সুভাষ শুধু বন্ধু ছিলেন না, ছিলেন হেমন্তের জীবনের পথপ্রদর্শক।


স্কুলের ফাংশনে সুযোগ পেতেন হেমন্তের বন্ধু সমরেশ রায়, কিন্তু হেমন্ত পেতেন না। পক্ষপাতিত্ব দেখে প্রতিবাদ করতেন সুভাষ। একদিন জেদ করে সুভাষ হেমন্তকে নিয়ে গেলেন রেডিও স্টেশনে। জোর করে অডিশনে দাঁড় করালেন। হেমন্ত গাইলেন, আর তাতেই যেন এক নতুন অধ্যায়ের শুরু।


কিন্তু এখানেই সমস্যার শেষ নয়। গান নিয়ে বাবার মানসিকতা ছিল কঠোর। মধ্যবিত্ত পরিবারে তখন গানবাজনার গুরুত্ব ছিল না, বরং তা অবজ্ঞার বিষয়। রেডিওতে গান গাওয়ার খবর শুনে হেমন্তের বাবা ক্ষোভে ফেটে পড়লেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, “ওইসব চলবে না। এই বয়সে আবার গানবাজনা কী!” হতাশ হেমন্ত মায়ের শরণাপন্ন হলেন। মায়ের অনুরোধে বাবার মন কিছুটা নরম হল।


কিন্তু এরপর প্রশ্ন উঠল, কী গান গাওয়া হবে? পছন্দের গান না থাকলেও তখনই হেমন্তের সুরের প্রতি ভালোবাসা জন্মেছে। যূথিকা রায়ের ‘তোমার হাসিতে জাগে’ ছিল তাঁর প্রিয় গান। বন্ধু সুভাষের কাছে গেলেন গান লেখার অনুরোধ নিয়ে। প্রথমে সুভাষ দ্বিধায় থাকলেও পরে লিখলেন, “আমার গানেতে এল চিরন্তনী...”। আরেকটি ভাটিয়ালি গান যোগ হল, “আকাশের আরশিতে ভাই...”।


যেদিন রেডিওতে হেমন্তের গান প্রচারিত হবে, সেদিন ভবানীপুরের বাতাস যেন অপেক্ষায় ছিল। লাইভ অনুষ্ঠান। কিন্তু বাড়িতে রেডিও ছিল না। তাতে কি? পাশের যে বাড়িতে রেডিও ছিল তারা জানলা খুলে দিলেন। বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে মা ছেলের গান শুনলেন। পাশের বাড়ির জানালা দিয়ে রেডিওর সুর ভেসে এলো—“এবার আপনাদের গান শোনাবেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।” সেদিন ভবানীপুরে সবাই শুনেছিল হেমন্তের গান। মানুষ বলেছিল, “পঙ্কজ মল্লিকের মতো গেয়েছিস।” এই ‘ছোট পঙ্কজ’-এর তকমা তাঁকে অনেকদিন বয়ে বেড়াতে হয়েছিল।


সেই হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, যাঁকে একসময় স্কুল থেকে প্রায় তাড়িয়েই দেওয়া হয়েছিল, পরবর্তীকালে তাঁর গান হয়ে উঠল প্রতিটি প্রজন্মের প্রিয়।


তাঁর কণ্ঠ আজও হৃদয়ে বেজে ওঠে—


“আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে।

পান্থ পাখির কুজন কাকলি ঘিরে

আগামী পৃথিবী কান পেতে শোনো,

আমি যদি আর নাই আসি হেথা ফিরে...”

_____________________________________________

পুস্তক ঋণ: “আমার স্বামী হেমন্ত”–বেলা মুখোপাধ্যায়।

অনুলিখন: কিছু কথা ॥ কিছু সুর।

লিখাটা একজন পুরুষের অথচ প্রতিটা লাইন প্রতিটা শব্দ মেয়েদের উৎসর্গ করে লেখা। 

 লিখাটা একজন পুরুষের অথচ প্রতিটা লাইন প্রতিটা শব্দ মেয়েদের উৎসর্গ করে লেখা। 


একটা ঘর ভর্তি কিছু মার্বেল ছড়িয়ে দিন আর একটা কোনায় রাখুন কয়েকটা ভারী কার্টন। 


এবার একজন একজন করে কয়েক জন পুরুষ এনে বলেন তুমি যে কোন একটা কাজ করবা। 


হয় একটা একটা করে মার্বেল কুড়াও না হয় পড়ে থাকা তিনটা ভারী কার্টন সরাও। 


আমি একজন পুরুষ হিসাবে বলছি। একটা একটা মার্বেল কুড়ানোর চেয়ে ভারী কার্টন সরানো আমার জন্য সহজ কাজ।  


না আমরা শুধু সহানুভুতি থেকে মেয়েদের জন্য ঘর ঠিক করে দেইনি l বরং আমরা জানি আমাদের ধৈর্য কম শক্তি বেশি।  


আমার না পারা কাজটা যে মেয়েটা করে দেয় তার কাজের গুরুত্ব আমার কাছে কতটুকু?


পুরুষ শাষিত এ সমাজে মেয়েটা নিজেও মাথা নিচু করে বলে সে নাকি কিছুই করে না। রাত ১২টার পরেও মশারি গুজতে গুজতে মেয়েটা ভাবে সে একটা গৃহিনী !


ঘুম থেকে উঠে সাজানো ডাইনিং দেখে চোখ দুটো চক চক করলেও দৃশ্যের আড়ালে থেকে যায় তার গরম চুলার ভাপ !


লবন কম অথবা ঝাল বেশি আমাদের দৃষ্টি না এড়ালেও গরম তেলে ফোস্কাটা পড়াটা ঠিকই থাকে দৃষ্টির আড়ালে ! 


যে নারী কিছুই করেনা সে নারীর সন্তানের দায়িত্বটা শুধু আপনাকে দেওয়া হোক। আপনি তখন কার্টনও সরাবেন মার্বেলও কুড়াবেন তবু বাচ্চার চিৎকার শুনতে ঘরে বসে থাকবেন না l


আমরা পুরুষ বেছে নিয়েছি আমাদের কাজ। আর দিন ভর যে নারী মার্বেল কুড়ায় সে নারীকে বলি অকর্মা ! 


যে নারীর স্বামী নাই আমি দেখেছি সে নারীকে মাটি কাটতে কিন্তু যে স্বামীর বউ নাই তাকে দেখি নাই ঘর বাড়ি সামলাতে ! 


ঘর বাচ্চা সামলানোর চেয়ে আরেকটা বিয়ে করা যে সহজ !


কারো এটো বাসন ধুতে শুধু শক্তি না, মমতাও লাগে। আপনি খাটলে বেতন পান সে খাটলে ভালবাসা পায় তো ? 


©আশিক রহমান❤️❤️❤️❤️❤️

লবন বেশি খেলে প্রেসার বাড়বে এমন কথা অনেকেই বলেন। লবন বলতে এক্ষেত্রে সোডিয়ামকে বুঝানো হয়।

 লবন বেশি খেলে প্রেসার বাড়বে এমন কথা অনেকেই বলেন।

লবন বলতে এক্ষেত্রে সোডিয়ামকে বুঝানো হয়।


কিন্তু বছরভর আমাদের জনসংখ্যার একটা বিরাট অংশ লো প্রেসারে ভুগে থাকেন। বিশ্বাস না হলে মেয়েদের জিজ্ঞেস করে দেখেন, লো প্রেসার অনেকেরই নিত্যসঙ্গী।


আমাদের অনেকেরই মেজাজ খিটখিটে থাকে ঘেমে যাওয়ার পর। এই খিটখিটে মেজাজ মূলত লবনের ঘাটতির জন্য হয়। গরমের দিনে স্ট্যামিনা কমে যায় শুধু গরমের জন্যই নয়, লবন বেরিয়ে যাওয়ার জন্যেও। 


শরীর থেকে অতিরিক্ত লবন বেরিয়ে গেলে হার্ট মাসল ঠিকভাবে সংকুচিত হতে পারে না ফলে আমরা হার্ট বিট মিস করতে পারি, এখান থেকে এমনকি হার্ট এটাকও হতে পারে এক্সট্রিম কেইসে।


আমাদের চারপাশে যত হাই ব্লাড প্রেসার দেখেন এর পেছনে লবনের চেয়ে চিনি, ধুমপান, ক্রনিক স্ট্রেস এবং ট্রান্স ফ্যাট অনেক বেশি দায়ী। বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষেরই গাদা গাদা প্রসেসড ফুড খাওয়ার মত টাকা নেই যে তারা বাড়তি সোডিয়াম খেয়ে হাই ব্লাড প্রেসারে মারা পড়বে।


কিন্তু, যারা অনেক বেশি বাইরের খাবার খান, আনুমানিক প্রতিদিন এক বা দুইবেলা, তাদের বাড়তি লবন খাওয়া ও তা থেকে হাইপারটেনশনে ভোগার সম্ভাবনা থাকে, তবুও আমি বলবো এখানে লবনই সব সমস্যার গোড়া না। খেয়াল করে দেখবেন এই লোকগুলিই স্মোক বেশি করে, বেশি স্ট্রেসে থাকে, সুগার বেশি খায়।


সুগার বেশি খেলে আপনি আবার অটোম্যাটিক সল্ট ক্রেইভিংয়ে ভুগবেন। কারন সুগার উচ্চ ঘনত্বে আপনার কিডনিতে পৌছালে কিডনি সোডিয়াম-পটাসিয়াম-ক্যালসিয়াম-ম্যাগনেসিয়াম শোষন করা কমিয়ে দিয়ে সেগুলি শরীর থেকে বের করে দিতে শুরু করে।


এইজন্য যারা সুগারওয়ালা খাবার খান, তাদেরকে প্রায়ই দেখা যায় বাড়তি লবন দেয়া ফ্যাটযুক্ত খাবারের খোজ করতে। সেই ফ্যাটের সাথেও থাকে আরো সুগার। ফলে লবন শরীরে থাকে না, আপনার আবার ক্ষুধা লাগে আবার খেতে হয়। এটা হচ্ছে ফুড ইন্ডাস্ট্রির দুষ্টচক্র।


আবার, সোডিয়াম যাদের কম, স্বাভাবিকভাবেই তাদের শরীরে ক্যালসিয়াম কম থাকবে, তেমনি, পটাসিয়াম যাদের কম তাদের শরীরে ম্যাগনেসিয়াম কম থাকবে।


তাই আমাদের ক্যালসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি ইস্যুর পেছনে সোডিয়াম ডেফিসিয়েন্সিও লুকিয়ে আছে কিনা এই চিন্তাটা রোগী দেখার সময় করা দরকার। যদি ভুল না করে থাকি, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই কথাটা প্রথমবারের মত আমিই বললাম।


এখন এজন্য শুধু ইচ্ছামত লবন বা সোডিয়াম খেলেই সমস্যা দূর হবে বিষয়টা তা নয়। আমার আগের লবন বিষয়ক পোস্টে বলেছি, সোডিয়ামঃপটাসিয়াম রেশিও থাকবে ১ঃ২ থেকে ১ঃ৪।

কিডনি ডিজিজ না থাকলে সোডিয়াম ২৩০০-৬০০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত খাওয়া যায়। যার স্ট্রেস ও ফিজিক্যাল এক্টিভিটি যত বেশি সে লবন খাবে তত বেশি।

সোডিয়ামের দ্বিগুন থেকে চারগুন পরিমান পটাসিয়াম খেতে হবে প্রতিদিন। এটার সবচেয়ে ভাল উৎস শাকসবজি।

সোডিয়াম-পটাসিয়াম রান্না করলে হাওয়া হয়ে উড়ে যায় বটে কিন্তু তার পরিমান খুব বেশি না। এক্ষেত্রে রান্নায় ভাল তেল(সরিষা/তিল/তিসি/অলিভ/কোকোনাট) ব্যবহার করলে কুকিং লস কম হয়।


তাহলে দেখা যাচ্ছে, চারটা কাজে লবন দরকার।

১)মাসল টোন, এনার্জি এন্ড স্ট্যামিনা

২)ব্লাড প্রেসার মেইনটেন্যান্স

৩)ক্ষুধা নিয়ন্ত্রন

৪)মেজাজ স্বাভাবিক রাখা

৫)স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট

খুব সহজেই Soil Test এর N ভেল্যু দেখে জেনে নিন মাটির অবস্থা....

 ✍️ খুব সহজেই Soil Test এর N ভেল্যু দেখে জেনে নিন মাটির অবস্থা....


✅ N value 2 বা এর কম হলে Very Soft মাটি বুঝতে হবে , যার ভার বহন ক্ষমতা প্রতি বর্গমিটারে মাত্র 2 টন।

✅ N value 2-5 হলে Soft মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 2-5 Ton/ Sqm.

✅ N value 5-9 হলে Medium মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 5-10 T/ Sqm

✅ N value 9-17 হলে Stiff বা শক্ত মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 10-20T/ Sqm

✅ N value 17-33, Very Stiff বা খুবই শক্ত মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 20-40 T/ Sqm

✅ N value 33 এর উপরে হলে Hard বা খুবই কঠিন মাটি বুঝতে হবে, যার ভার বহন ক্ষমতা বর্গমিটার 40 Ton এর উপরে 

👉 Reff.......BNBC, Soil & Foundation


📢 কতটুকু জমির জন্য কতটি বোরহোল করতে হবে❓

✅ ৩ কাঠা পর্যন্ত জমির জন্য ৩ টি। 

✅ ৩-৫ কাঠার জন্য ৫টি।

✅ ৫-১০ কাঠার জন্য ৮ টি বোরহোল প্রযোজ্য। 

👉 Reff..BUET, TESTING OF MATERIALS AND SERVICES.


Soil Test কি❓

সয়েল টেস্ট’ এর বাংলা অর্থ হলো মাটি পরীক্ষা, তবে ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় স্থাপনা বা বিল্ডিং এর ভূনিন্মস্থ মাটির পরীক্ষা করাকে ‘সয়েল টেস্ট’ বা ‘সাব-সয়েল ইনভেস্টিগেশন’ বলে।


Soil Test কেন করা হয়❓ 

ভূনিন্মস্থ মাটির নিরাপদ ভারবহন ক্ষমতা নিরুপণের জন্য সয়েল টেস্ট করা হয়। মনে রাখবেন যে কোন ধরনের স্থাপনা যেমন, আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক ভবন, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, হাসপাতাল, শপিং কমপ্লেক্স,  ব্রিজ-কালভার্ট, সড়ক-মহাসড়ক, রেললাইন, এয়ারপোর্ট, পাওয়ার প্লান্ট ইত্যাদি ডিজাইনের জন্য সয়েল টেস্ট অপরিহার্য।


তবে আমাদের দেশের মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা বর্গমিটারে ৯-১০ টন থাকে বলে প্রকৌশলীগন সাধারনত Light Structure (এক দুইতলা ভবন) এর জন্য সয়েল টেস্ট রেফার করেন না, এই হালকা ভবনগুলোর ফাউন্ডেশনে এর থেকে বেশি লোড আসে না। তবে অবশ্যই তিনের অধিক ভবনের জন্য সয়েল টেস্ট জরুরী।


মনে রাখবেন সয়েলটেস্ট ছাড়া ডিজাইন করা আর ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষধ খাওয়া একই কথা। ইহা ছাড়া ভূনিন্মস্থ মাটির বৈশিষ্ট্য জানা কারও পক্ষে সম্ভব নয়, একমাত্র সয়েল টেস্ট রিপোর্ট দেখেই একজন প্রকৌশলীর পক্ষে বলা সম্ভব স্থাপনা সুরক্ষার জন্য কি ধরনের ফাউন্ডেশন প্রয়োজন । 


Soil Test কিভাবে করা হয়❓ 

আমাদের দেশে সাধারনত ওয়াশ বোরিং পদ্ধতিতে সয়েল ইনভেস্টিগেশনের কাজ করা হয়। এই পদ্ধতিতে পানির সাহায্যে ২” ব্যাসের পাইপকে হ্যামারিং করে মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হয়। প্রতি ৫ ফুট বা ১.৫ মিটার পর পর মাটির নমুনা এবং ঘাতের সংখ্যা (N) কাউন্ট করা হয়।


প্রতি ৫ ফুট পর পর পরবর্তী ১.৫ ফুট বা ১৮ ইঞ্চি পাইপ মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো সময় N এর মান লিপিবদ্ধ করতে হয়, তবে এই ১৮ ইঞ্চির মধ্যে প্রথম ৬ ইঞ্চির জন্য ঘাত সংখ্যা বিবেচনায় নেওয়া হয়না। 

অর্থাৎ পরবর্তী ১২ ইঞ্চি প্রবেশের জন্য যতগুলো আঘাতের প্রয়োজন হয় সেই সংখ্যাই হলো N এর মান। যদি ১২ ইঞ্চি ঢুকাতে ১৫ বার ঘাতের প্রয়োজন হয় তবে N এর মান হবে ১৫। এই N এর মান মাটির লেয়ার ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়, যেমন প্রথম ১০-১৫ ফুটের মধ্যে N এর মান থাকে খুবই কম হয়। 

⏩ N এর মান ১৫ এর উপরে পেলে বুঝতে হবে শক্ত মাটি লেয়ার⏪


Soil Test করার সময় সর্তকতা সমূহ কি কি❓ 

✅ হ্যামারের ওজন ৬৩.৫ কেজি কিনা নিশ্চিত করতে হবে এবং ইহা ৩০ ইঞ্চি উচ্চতা থেকে ড্রপিং হচ্ছে কিনা? 

✅ প্রতি ৫ ফুট পর পর আলাদা আলাদ প্যাকেটে নমুনা মাটি সংরক্ষন করছে কিনা? 

✅ N Value সঠিকভাবে কাউন্ট এবং লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে কিনা? 

⏩ মাটি ভাল থাকলেও কমপক্ষে ৬০ ফুট পর্যন্ত স্যাম্পল কালেকশন করা উত্তম ⏪ 


Soil Test কাদের দিয়ে করাবেন❓ 

✅ যাদের নিজস্ব ল্যাব রয়েছে এবং 

✅ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সয়েল প্রকৌশলী রয়েছে। 


কোম্পানি ভেদে প্রতিটি বোরহোলের জন্য ৬ থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত নেওয়া হয়, তবে কেউ যদি মাত্র ৬ হাজার টাকায় করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয় তবে বুঝতে হবে আপনি তার কাছ থেকে কখনোই প্রকৃত রিপোর্ট পাবেন না। 

জেনে রাখুন BUET থেকে টেস্ট করালে শুধু মাত্র একটি বোরহোলের জন্য খরচ পরবে ৭০-৮০ হাজার টাকা, যেখানে Physical & Index Properties, Compaction and Density Tests, Direct Shear Tests, Triaxle Shear Tests, Strength and Deformation Characteristics, Permeability and Seepage Characteristics ইত্যাদি টেস্ট সমূহ করতে ৮-২০ হাজার টাকা চলে যাবে।


সুতরাং শুধু মাত্র ৫/৬ হাজার টাকায় কেবল মাত্র অন্যজনের কপি করা রিপোর্টই পাওয়া সম্ভব।


#soiltest #soilinvestigation #spt #মাটিপরীক্ষা #civilengineering  #civilengineer #housedesign #civil #architecture #architecturedesign #diploma #polytechnicstudents

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...