এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

তাওবার গল্প লেখক : ইবনু কুদামা মাকদিসি প্রকাশনী : দারুল আরকাম

 একজন সাহাবী ভুলবশত ইহুদিদেরকে একটি গোপন তথ্য জানিয়ে দেন!

.

ইহুদি গোত্র বনু কুরাইজা আবু লুবাবা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পছন্দ করতো। অবরুদ্ধ অবস্থায় তাদের কী করা উচিত, কী হবে এই ব্যাপারে তারা তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি গোপন তথ্য জানিয়ে দিলেন।

.

তিনি অবচেতনভাবেই এমনটা করেন। এমন না যে তিনি মুসলিমদের ধোঁকা দেবার জন্য তথ্য ফাঁস করেন।

.

কিন্তু, এই কাজটি করার পর তিনি অনুতপ্ত হন। সোজা চলে যান মসজিদে। মসজিদের একটি খুঁটিতে নিজেকে বেঁধে ফেলেন। প্রতিজ্ঞা করেন, তাঁর তাওবার ব্যাপারে যদি আল্লাহ কোনো আয়াত নাযিল না করেন, তাহলে তিনি এভাবেই থাকবেন।

.

মসজিদে সবাই নামাজে যাচ্ছে, নামাজ শেষে বাড়ি। কিন্তু, আবু লুবাবা খুঁটিতে বাঁধা। নামাজের ওয়াক্ত হলে তাঁর স্ত্রী তাঁর জন্য বাঁধন খুলে দেন, খাবার সময় খাবার দেন। বাকি পুরো সময় তিনি বাঁধা থাকতেন। ভুলের কারণে নিজেই নিজেকে শাস্তি দেন।

.

এভাবে কেটে গেলো কয়েকদিন।

.

অতঃপর একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুখবর জানালেন। আবু লুবাবা রাদিয়াল্লাহু আনহুর তাওবা কবুলের বিষয়টি আল্লাহ পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করেছেন। সরাসরি আয়াত নাযিল করে জানিয়ে দেন, আবু লুবাবার এমন অনুতপ্ত হৃদয়ের আকুতি আল্লাহ শুনেছেন।

.

কিয়ামত পর্যন্ত যতো মানুষ আসবে, তারা জানবে কুরআনে একজন সাহাবীর তাওবার ঘটনা আছে।

.

তাওবার গল্প হলো পাপী বান্দাদের জন্য অনুপ্রেরণার। এরচাইতে ভালো ‘মোটিভেশনাল স্টোরি’ হতে পারে না!

.

তাওবার গল্পগুলো পড়লে মনে হয়, আমাদেরকেও আল্লাহ মাফ করতে পারেন। এই আত্মবিশ্বাস আসে। আল্লাহর কাছে নিজের সব ভুল স্বীকার করার অনুভূতি জাগ্রত হয়।

.

তাওবার এমন প্রায় ১০০টি গল্প নিয়ে দারুল আরকাম থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘তাওবার গল্প’।

.

আজ থেকে প্রায় ৯০০ বছর পূর্বের লেখা বইটিতে আছে- নবীদের তাওবার গল্প, পূর্ববর্তী উম্মতের তাওবার গল্প, সাহাবীদের তাওবার গল্প, আলেমদের তাওবার গল্প, অমুসলিমদের তাওবার গল্প।

.

৩১০ পৃষ্ঠার বইটি পড়তে গিয়ে কখনো দেখবেন চোখের কোণে অশ্রু, কখনো আনন্দিত হবেন।

.

এই বইটি পড়ে আল্লাহর প্রতি সুধারণা তৈরি হবে, অনুশোচনা নিয়ে আপনিও তাওবা করতে উৎসাহিত হবেন।

.

কাউকে গল্প শুনানোর জন্য বা দ্বীনের দাওয়াত দেবার জন্য এই বইটি খুবই উপযোগী।

.

তাওবার গল্প

লেখক : ইবনু কুদামা মাকদিসি

প্রকাশনী : দারুল আরকাম

৫০% ছাড়ে বইটি অর্ডার করতে ভিজিট করুন: https://www.wafilife.com/?p=198686

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৯-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৯-০২-২০২৫ খ্রি:। 




আজকের শিরোনাম:


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুরসহ সারাদেশে চলছে যৌথ বাহিনীর ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ ।


গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে - বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


ছয়টি সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ - ঐকমত্যের ভিত্তিতে অতি জরুরি সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে এ মাসের মাঝামাঝি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু - জানালেন আইন উপদেষ্টা।


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্বে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে যাতে ভারতীয় গণমাধ্যম জড়িত - বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব।


মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলে একটি বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে অন্তত ৪১ জনের প্রাণহানি। 


আজ ঢাকায় শুরু হচ্ছে পাঁচদিনব্যাপী জাতীয় যুব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৮-০২-২০২৫ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুরসহ সারাদেশে আজ থেকে যৌথ বাহিনীর ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু --- জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


ছয়টি সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ --- ঐকমত্যের ভিত্তিতে অতি জরুরি সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে এ মাসের মাঝামাঝি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু --- জানালেন আইন উপদেষ্টা।


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্বে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে যাতে ভারতীয় গণমাধ্যম জড়িত --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে অব্যাহত সহায়তার আশ্বাস জাতিসংঘ মহাসচিবের।  


মালিতে সামরিক বাহিনীর কনভয়ের ওপর সশস্ত্র হামলায় অর্ধশতাধিক নিহত।


এবং ‘‘রান ফর ইউনিটি, রান ফর হিউম্যানিটি’’ প্রতিপাদ্যে রাজধানীতে আজ অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা আন্তর্জাতিক ম্যারাথন-২০২৫।

সরকারি রেশন পণ্য ও কাস্টমস পণ্য কম মূল্যে এখন আপনাদের জন্য   ❤️সততা পাইকারি স্টোর ,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সরকারি রেশন পণ্য ও কাস্টমস পণ্য কম মূল্যে এখন আপনাদের জন্য 

 ❤️সততা পাইকারি স্টোর  আসসালামু আলাইকুম ❤️

  ❤️

 👉৫০%  ডিসকাউন্টে ধামাকা অফার 🔥কেন পাবেন কম দামে ভালো পণ্য? জানতে 👉01792-047832 ☎ সরাসরি কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন অথবা মেসেজ করুন। এবং অর্ডার করুন এখনই 

০/ চিনি প্রতি কেজি ৬০ টাকা 

১/সয়াবিন তেল ৫ লিটার৫০০ টাকা

 ২/সরিষার তেল ৫ লিটার ৬০০ টাকা

 ৩/জিরা প্রতি কেজি ৪০০ টাকা

 ৪/এলাচ প্রতি কেজি ৬০০ টাকা

 ৫/পিয়াজ প্রতি কেজি ৪০টাকা

 ৬/রসুন প্রতি কেজি ৭০ টাকা

 ৭/আলু প্রতি কেজি ২০ টাকা

 ৮/দারচিনি প্রতি কেজি ৪০০ টাকা

 ৯/লবঙ্গ প্রতি কেজি ৪০০ টাকা

==========================

 ১০/কাজুবাদাম প্রতি কেজি ৮০০ টাকা

 ১১/কাঠ বাদাম প্রতি কেজি ৬০০ টাকা

 ১২/কিসমিস প্রতি কেজি ৪০০ টাকা

=========================

 ১৩/মিনিকেট চাউল প্রতি কেজি ৫০টাকা

 ১৪/বাসমতি চাউল প্রতি কেজি ৬০ টাকা

 ১৫/চিনিগুড়া চাউল প্রতি কেজি ৬০ টাকা

 ১৬/মসুরের ডাল প্রতি কেজি ৫০ টাকা

 ১৭/বুটের ডাল প্রতি কেজি ৫০ টাকা

 ১৮/সোলার ডাল প্রতি কেজি ৫০ টাকা

 ১৯/মুগ ডাল প্রতি কেজি ৭০ টাকা

==========================

 ২০/গুড়া দুধ প্রতি কেজি ২০০ টাকা

 ২১/চা পাতা প্রতি কেজি ২০০ টাকা

=====================

২২/মরিচের গুঁড়া প্রতি কেজি  ১৩০ টাকা 

২৩/হলুদের গুড়া প্রতি কেজি ১৩০ টাকা 

২৪/আদা প্রতি কেজি ১৩০ টাকা 

২৫/শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৩০ টাকা 

======================

২৬/ হুইল পাউডার ১ কেজি প্যাকেট ৭০ টাকা 

২৭/ রিং পাউডার ১ কেজি প্যাকেট ৭০ টাকা 

২৮/ নারিকেল প্রতি পিস ৩০ টাকা 

২৯/ ময়দা / আটা ৩০ টাকা কেজি 

৩০/কালোজিরা ১কেজি ৩০০ টাকা৷                      

 ৩১/খেজুরের গুড় প্রতি কেজি ১২০ টাকা                                           ৩২/মুরি প্রতি কেজি ৫০ টাকা।                                            ৩৩/খেজুর প্রতি কেজি ৬০০ টাকা                          ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি শুধুমাত্র   অফিসে আপনার নামে অর্ডারটা কনফার্ম করার জন্য প্রোডাক্টের মূল্য থেকে ২০% পেমেন্ট  করে অর্ডার  কনফার্ম করতে হবে, বাকি ৮০% টাকা ডেলিভারি ম্যান কে পরিশোধ করবেন ।

 আমরা বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার ভিতরে হোম ডেলিভারি করে থাকি..

 আমাদের কাছ থেকে কোন প্রকারের প্রবলেম ছাড়াই ঘরে বসে পণ্য অর্ডার করতে পারবেন ১০০% গ্যারান্টি সহকারে পন্য লোকেশনে হোম ডেলিভারি করে থাকি। 

❤️❤️🛍️

👉বিঃদ্রঃ এগুলো সরকারি রেশন এবং কাস্টমসের বাছাই করা ভাল মাল।সুতরাং না জেনে না বুঝে কেউ মন্তব্য করবেন না 

❤️❤️

ঠিকানা, 

চুয়াডাঙ্গা, দর্শনা,  জিরো পয়েন্ট, 

কাস্টমস অফিস, গেট নং ২ 

মোবাঃ ০১৭৯২-০৪৭৮৩২

শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বাংলা ছায়াছবির কিছু চির দিনের  সংলাপঃ

 বাংলা ছায়াছবির কিছু চির দিনের 

সংলাপঃ

১. ছেড়ে দে শয়তান ছেড়ে দে, কে আছো বাঁচাও!


২. শয়তান তুই আমার দেহ পাবি কিন্তু মন পাবি না!


৩. সাগর, ওরা তোর প্রেমিকাকে তুলে নিয়ে গেছে!


৪. পৃথিবীতে এমন কোন শক্তি নেই তোমার থেকে আমাকে আলাদা করতে পারে!


৫. মা,মা, তোমার রাজু ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছে!


৬. আজ যদি তোর বাবা বেঁচে থাকতো ..


৭. সেকি আপনার হাত দিয়ে তো রক্ত বের হচ্ছে!


৮. আজ যদি আপনি সঠিক সময়ে এসে গুন্ডাদের হাত থেকে না বাঁচাতেন তবে কিযে হতো! আসুন না আমাদের বাড়িতে এক কাপ চা খেয়ে যান।


৯. আমি ঠিক করেছি আমার বন্ধুর ছেলে ডেনির সাথেই তোর বিয়ে দেবো!


১০. তুমি বড় লোকের মেয়ে আমি সামান্য কৃষকের ছেলে সমাজ আমাদের মেনে নেবে না নদী!


১১. ছোটলোকের বাচ্চা বামন হয়ে আকাশের চাঁদ ছুঁতে চাস!


১২. চৌধুরী সাহেব আমরা গরীব হতে পারি কিন্তু ছোটলোক না।


১৩. ওরা আমাকে মেরে ফেলুক বাবা তবু তুই দলিলে সই করবি না।


১৪. মনে আছে আজ থেকে ২০ বছর আগে তুই আমার বাবাকে মেরেছিলি, ভাইকে মেরেছিলি, আমি তোকে ছাড়বোনা কুত্তার বাচ্চা!


১৫. মার খোকা, এই শয়তানটাকে মার, তোকে তোর মায়ের কসম।


১৬. হ্যান্ডস আপ, আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না।


১৭. ওগো শুনছো, আমি তোমার সন্তানের মা হতে চলছি ❤️


১৮, আহ ভাতিজা আহ  🌸 ডিপজল 


১৯,  চাচা, হেনা কোথায় 🌸 বাপ্পারাজ 


২০, আমি বিস্বাস করি নাআআ ❤️


২১,  আপনে আমার আম্মাজান 🌸 মান্না 


২২,  যে বাগানেই থাকো বসন্ত হয়ে থাকো 🌸 সোহেল রানা 


২৩, বল কত টাকা হলে তুই আমার মেয়ের জীবন থেকে চলে যাবি 


২৪,

আমার কথা না শুনলে তুই আমার মরা মুখ দেখবি।


২৫, আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না


২৬, তোমাকে আমার কাছ থেকে কেউ কেঁড়ে নিতে পারবে না


২৭, হ্যালো আমি চৌধুরী গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রী ঘেকে বলছি।


ভুল করে কিছু বাকি থাকলে আপনারা বলুন!

তবে কি তারা উটের প্রতি দৃষ্টিপাত করে না, কীভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে?   সূরাঃ আল-গাশিয়া, আয়াত নং - ১৭৷ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 তবে কি তারা উটের প্রতি দৃষ্টিপাত করে না, কীভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে? 

 সূরাঃ আল-গাশিয়া, আয়াত নং - ১৭ 



উট আল্লাহর এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। উট প্রকৃতির বিস্ময়গুলোর অন্যতম একটি প্রাণী। এটি ৫৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা থেকে শুরু করে মাইনাস ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে সক্ষম। আল্লাহ তাআলা তাকে সে ক্ষমতা দিয়েই সৃষ্টি করেছেন। সে জন্যই তাকে মরুর জাহাজ বলা হয়।


তারা গরম মরুভূমিতে হেঁটে চলতে পারে আর দীর্ঘ সময় পানি ছাড়াই বাঁচতে পারে! উট দীর্ঘ সময় ধরে প্রখর সূর্যের নিচে মরুভূমির উত্তপ্ত বালুর ওপর চলাফেরা করতে পারে। এটি মাসের পর মাস পানি পান না করেও বেঁচে থাকতে পারে। এমনকি বড় কাঁটাযুক্ত ক্যাকটাসও সহজেই খেয়ে ফেলে। উটের পিঠে প্রায় দেড়শ কেজি ওজন বোঝাই করেও এটি শত শত মাইল পাড়ি দিতে পারে। এর এই অনন্য শারীরিক গঠন ও ক্ষমতা প্রাণীবিজ্ঞানীদের কাছে এক বিস্ময়!


অন্য প্রাণীরা উটের মতো প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে না। প্রায় সব স্তন্যপায়ী প্রাণী, যার মধ্যে মানুষও রয়েছে, তাদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৯৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট)। যদি তাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে যায়, তাহলে তাদের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে।

 

যদি তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে, তাহলে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক এবং পরিপাকতন্ত্র গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে শরীরের কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। এ কারণেই স্তন্যপায়ী প্রাণীদের শরীর অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমানোর জন্য ঘাম ঝরিয়ে শরীরকে শীতল রাখে। কিন্তু মরুভূমিতে পানি পাওয়া কঠিন, তাই উটের শরীরে বিশেষ ব্যবস্থাপনা রয়েছে।

 

উটের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের বিশেষ ক্ষমতা সম্পর্কে আমরা জানি। সকালে উটের শরীরের তাপমাত্রা প্রায় ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। তারপর দিনের বেলায় যখন আবহাওয়া খুব গরম হয়ে যায়, তখন তার শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়। তবুও এটি খুব কম ঘাম ঝরায়, ফলে শরীরে পানির ঘাটতি হয় না।

 

উট প্রতিদিন উচ্চ তাপমাত্রার সম্মুখীন হয় উট। উট প্রতিদিন স্বাভাবিক থেকে উচ্চমাত্রার জ্বরের মতো তাপমাত্রা সহ্য করে। তাদের শরীরের ভিতরে এমন ব্যবস্থা রয়েছে যা প্রতিদিন এত উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করেও তাদের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোকে রক্ষা করতে সক্ষম।


উটের রক্তে প্রচুর পানি থাকে

 


উটের রক্তের মধ্যে উচ্চ পরিমাণে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা রয়েছে। যখন উট পানি পান করতে শুরু করে, তখন এটি মাত্র ১০ মিনিটে প্রায় ১৩০ লিটার পানি পান করতে পারে, যা প্রায় তিনটি জ্বালানি ট্যাংকের পানির সমপরিমাণ। অন্য কোনো প্রাণী যদি এত বেশি পানি একসঙ্গে পান করে, তাহলে তাদের রক্তে অতিরিক্ত পানি প্রবেশ করবে, যা তাদের রক্তকণিকাগুলোকে ফাটিয়ে দেবে। কিন্তু উটের রক্তকণিকার গঠন এমনভাবে তৈরি যে এটি উচ্চ চাপ সহ্য করতে পারে। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্য উটকে একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে সহায়তা করে।


উটের কুঁজ শরীরের তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখে

 


উটের কুঁজ আসলে চর্বির সঞ্চয়স্থান, যা তাদের জন্য শক্তি ও পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করে। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার ও পানি সঞ্চিত থাকার পর, উট ছয় মাস পর্যন্ত পানি ও খাবার ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে। উটকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয়। তারা ১৮০-২৬০ কেজি ওজনের হতে পারে এবং সবসময় একটি প্রশান্ত ভাব নিয়ে পথ চলতে পারে। এত বড় ও শক্তিশালী প্রাণী হয়েও এটি অত্যন্ত শান্ত ও বিশ্বস্ত।


উট একটি স্বাধীনচেতা প্রাণী, এটি চাইলে হিংস্র হয়ে উঠতে পারত। কিন্তু তা না হয়ে এটি মানুষের প্রতি অনুগত ও বিশ্বস্ত থাকে, যা তথাকথিত বিবর্তনবাদের নিয়মকানুন ভেঙে দেয়।


কোরআনে উটের কথা


যদি আল্লাহ উটকে মানুষের উপযোগী করে সৃষ্টি না করতেন, তাহলে মরুভূমিতে কোনো সভ্যতা গড়ে উঠতে পারত না। আল্লাহ তাআলা কোরআনে উটের এই বিস্ময়কর ক্ষমতা সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন। উট সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসে বর্ণনা পাওয়া যায়। উট কাটাযুক্ত গাছপালা চিবিয়ে খেতে পারে, যা অন্য কোনো প্রাণী পারে না। অন্য কোনো প্রাণী যদি কাটাযুক্ত ক্যাকটাস খাওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের মাড়ি, গাল ও জিহ্বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কিন্তু উটের মুখের ভিতরে বিশেষ গঠন রয়েছে। এটির মুখের ভিতরে অসংখ্য ছোট ছোট শক্ত আঙুলের মতো অংশ রয়েছে, যা তাদের কাটাযুক্ত খাদ্য থেকে রক্ষা করে।


 

উটের চোখ বিশেষভাবে সুরক্ষিত। উটের চোখে দুটি স্তরের পাতা রয়েছে। এই বিশেষ গঠন মরুভূমির ধুলিঝড়ের মধ্যেও তাদের চোখ খোলা রাখতে সাহায্য করে। এটি সূর্যের প্রচণ্ড তাপ থেকেও চোখকে সুরক্ষিত রাখে এবং আর্দ্রতা বজায় রাখে। এছাড়া, উটের চোখের পাতা বাঁকানো থাকে, যা ধুলাবালি আটকে রাখে এবং চোখের দৃষ্টি স্বচ্ছ রাখে।


উট প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি, যার দেহগঠন ও ক্ষমতা কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। এটি শুধু মরুভূমিতে টিকে থাকার জন্য বিশেষভাবে তৈরি নয়, বরং এটি মানুষের জন্য এক আশ্চর্য দান। উটের শারীরিক গঠন, আচরণ ও অসাধারণ সহনশীলতা আমাদের আল্লাহর অসীম জ্ঞান ও শক্তির প্রতি গভীরভাবে চিন্তা করতে শেখায়। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন


প্রতিরক্ষামূলক ডবল চোখের পাতা:

উটের চোখের পাতা দুটি স্তর আছে- একটি পাতলা এবং স্বচ্ছ, অন্যটি মোটা এবং মাংসপেশী। বালি ঝড়ের সময়, একটি উট তার স্বচ্ছ চোখের পাতা বন্ধ করে দেয় যাতে বালি তার চোখে প্রবেশ না করে তাও দেখতে পায়। এর লম্বা ও ঘন চোখের পাতা ধুলোবালি থেকেও চোখকে রক্ষা করে।


সুবহানআল্লাহ! কি অসাধারণ নকশা, এবং কি অসাধারণ সৃষ্টি!


শবে-বরায়াতের ফজিলত সম্বন্ধে পবিত্র হাদীস শরীফ বর্ণনাকারী ১০ জন উচ্চ মর্যাদাশীল সাহাবা হচ্ছেন, ছারছিনা দরবারের ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 শবে-বরায়াতের ফজিলত সম্বন্ধে পবিত্র হাদীস শরীফ বর্ণনাকারী ১০ জন উচ্চ মর্যাদাশীল সাহাবা হচ্ছেন,


১/ হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

২/ হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৩/ হযরত আম্মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা।

৪/ হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৫/ হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৬/ হযরত আবু ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৭/ হযরত আবু মুসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৮/ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৯/ হজরত আবু সা'লাবা খুশানী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

১০/ হযরত উসমান ইবনে আবুল আস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

এছাড়াও ইমাম সূয়ুতি রহমাতুল্লাহ আলাইহি #দুররে_মানসুর নামক কিতাবে প্রায় ২০ টির মত হাদিস বর্ণনা করেছেন!

এবার আমরা হজরত আবুবকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হতে বর্ণিত একটি হাদিস দেখে নেই।

عن ابي بكر ن الصديق رضي الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قوموا ليلة النصف من شعبان فانها ليلة مباركة فان الله ينادي فيها هل من مستغفر فاغفره

অর্থাৎ হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হতে বর্ণিত, হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, "তোমরা শা'বান মাসের ১৫ ই তারিখের রাতে জাগ্রত থেকে ইবাদতে মগ্ন হও। যেহেতু ওই রাতটি বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ। ওই রাতে আল্লাহ তাআলা ডেকে বলেন: তোমাদের মধ্যে কেউ ক্ষমা প্রার্থী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। (সুবহানাল্লাহ)

উপরোক্ত হাদিসটি বাংলাদেশের দেওবন্দী আলেমদের মাথার তাজ, হযরত মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ:) তিনি তার কিতাবে উল্লেখ করেছেন।

(চলতে থাকবে ইনশাআল্লাহ)

অহকার মোহাম্মদ শামসুল হুদা ফাতহি 

৯ ই শা'বান

০৮/০২/২০২৫


এটা কোনো এডিট করা কিংবা ফটোশপড ছবি না। 

 এটা কোনো এডিট করা কিংবা ফটোশপড ছবি না।


ছবিটিতে প্রথম পলকেই যা দেখছেন- তাও সত্যিনা। ছবিটা একটা বিভ্রম। কোনো পাথর এখানে শুণ্যে ভাসছেনা। বরং পাথরের কিছু অংশ পানিতে ডুবে আছে। 

এটাই সত্য যে - আমরা চোখে যা দেখি, তা যেমন সবসময়ই সত্য নয় ।  ঠিক তেমনি আমার হাত দিয়ে যা স্পর্শ করি, সেটাও অনেক সময় বিভ্রম।


আমরা মাথার উপর আকাশ দেখি বলেই  আকাশকে উপরের দিকে এবং পৃথিবীকে নিচে বলে মনে করি।  অথচ সত্যি হলো -  বাস্তবে কোন উপর  বা নিচ নেই। আকাশ পৃথিবীকে চারদিকে ঘিরে রেখেছে। আমরা যাকে  অ্যান্টার্কটিকের হিমশীতলতা বলে মনে করি।  তা আসলে মহাকাশের গভীর শীতলতার তুলনায় উত্তপ্ত এক অগ্নিসাগর।


আমরা আমাদের চোখে সূর্যকে প্রতিদিন পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে দেখি।  অথচ বাস্তব সত্য  সম্পূর্ণ এর বিপরীত।  পৃথিবীই সূর্যের চারপাশে ঘোরে। ঠিক তেমনি- আমরা আকাশে চাঁদকে বৃহত্তম গ্রহ( উপগ্রহ)  হিসেবে দেখি।  অথচ এটি আসলে সবচেয়ে ছোট গ্রহ।


আমরা লোহাকে স্পর্শ করলে অনুভব করি এটি একটি   ইনটেগ্রেটেড সলিড পদার্থ।  অথচ বাস্তবে এটি এক ধরনের ক্ষুদ্র কণার সমষ্টি ছাড়া আর কিছুই নয়। এই কণাগুলো শুধুমাত্র একটা  শূন্যস্থানকে পূর্ণ করে রাখে। আর  প্রতিটি কণার মধ্যে তফাত প্রায় ততটুকু, যতটুকু আকাশের নক্ষত্রের মধ্যে।  বিজ্ঞানীরা   তাই মনে করেন। 


আমরা যা কঠিন এবং একত্রিত মনে করি, তা আসলে কণার মধ্যে বৈদ্যুতিক চুম্বকীয় আকর্ষণ শক্তির ফল। আমরা আসলে লোহার পরিবর্তে এক কণা সমূহের পারষ্পরিক আকর্ষণ শক্তিটাকেই আঙুল দিয়ে অনুভব করি।

রঙের জগৎটা আরো বেশি ইল্যুশন।  গোটা দুনিয়ার রঙের ভুবন- আলোর রিফ্লেকশান।  আলোও নাই, রঙ ও নাই। অন্ধ চোখে তাই কোনো রঙ নাই।  যে চুম্বনকে আমরা ভালোবাসার প্রতীক বলে ভাবি- তা  শারীরিক হরমোনের খেলা।


ইতিহাসতো আরো বেশি জটিল এবং বিভ্রম। ঐতিহাসিক সত্য হলো-  ইতিহাসবিদরা প্রতিটি যুগে যারা ক্ষমতার পাদপ্রদীপের আলোয় থাকেন-  তাদের কলমে সেই শক্তিশালী মানুষদের কথাই লিখেন। সেজন্য আফ্রিকান প্রবাদে বলা হয়- "যতদিন পর্যন্ত  হরিণ লিখতে জানবেনা, ততদিন পর্যন্ত ইতিহাসে শিকারীকেই গৌরবান্বিত করা হবে"।


বৃটিশ বই পুস্তকে লর্ড ক্লাইভ তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হিরো। উমাইয়া যুগে ইয়াজিদের চেয়ে বড় বীর আর নেই। শত দেশকে কলোনি বানিয়ে সম্পদ লুঠে রাণী হলেন মহারাণী ভিক্টোরিয়া। 


আদিবাসী আমেরিকানরা  কলম্বাসকে জলে ভাসা অবস্থায় আবিষ্কার করলো।  সেই কলম্বাসই তাদের মারলো, লুঠ করলো, দাস বানালো এবং আমেরিকা আবিষ্কারক হিসাবে ইতিহাসে নাম লেখালো। ইতিহাস কি অদ্ভূত!! ইতিহাস কি বিভ্রম!!!


সংবাদপত্র যাকে বীরপুরুষ বলে ধারণা দেয়া হয়- হতে পারে সে একজন কাপুরুষ। কোনো প্রেমিক হতে পারে বড় প্রতারক। যে সবচেয়ে দানবীর সেই হতে পারে আত্মীয় স্বজনের সম্পদ লুণ্ঠনকারী। এই লেখার শেষ পর্যায়ে এসে জানলাম- স্নেহময়ী সন্তানই মা হন্তাকারী। হয়তোবা হতে পারে , নেপথ্যে অন্য কেউ। দৃশ্যমান ঘটনার অন্তরালে লুকিয়ে থাকতে পারে অন্য কারো দুরভিসন্ধি। আর যে কোনো  খ্যাতি, মোহ , প্রতিপত্তির অন্তরালে রয়ে যায় - সেই হয়তোবা হতে পারে কোনো অভাগা, কোনো এতিম, কোনো দুঃস্থ, কোনো পীড়িতের  আশা-ভরসার বাতিঘর। 


তাই সত্য বড় কঠিন। সঠিক সত্য জানা আরো বেশি কঠিন। সেজন্য যে কোনো কিছু   বাহ্যিকভাবে বিচার করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো তাই বড়ই  শিশুসুলভ আচরণ। ব্রেণের অনুরণনে যেটা আছে সেটা অনেকেই মুখের ভাষায় প্রকাশ করেনা। কারণ- মুখের ভাষা আর চিন্তার ভাষা একনা। কোনো অব্যক্ত হৃদয়ে লুকিয়ে থাকা  মর্মস্পর্শী অনুভূতি অনুধাবনের চেয়ে   মহাকাশের  কোনো গভীরে  একটি তারকায় পৌঁছানোও অনেক সহজ।


কে বলতে পারে-  আমি সব সত্যটা বুঝে ফেলেছি?

কে সাহস করে দাবি করতে পারে-  আমি নিজেকে জানি?

এটাই একমাত্র সত্য যে-  আমরা সবকিছুই জানি না।  এমনকি আমাদের কানে যা শুনে এবং চোখে যা দেখে  তাও না।


আমাদের অজ্ঞতার কারণেই-   প্রত্যেক দল তার নিজস্ব মতামত নিয়ে গর্বিত হয়।  এবং মনে করে তার মতামতই  সঠিক। সেই একমাত্র সত্য। আমরা কবে জানব যে-  যা  আমরা জানি, তা আসলে  কিছুই জানি না।


যদি আমরা আমাদের অজ্ঞতা উপলব্ধি করতে পারতাম এবং আমাদের সীমাবদ্ধতা মেনে নিতাম। তবে আমাদের হৃদয়ে দয়া এবং ভালোবাসার দরজা খুলে যেতো। এবং পৃথিবীতে প্রতিটি  মানুষ  তখন সহমর্মিতার সিম্ফনিতে, ভালোবাসার অনুরণনে, সৌহার্দ্যের বন্ধনে এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারতো।


সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৮-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শেখ হাসিনা ও ফ্যাসিবাদী দলের নেতাদের সম্পত্তিতে হামলা না করতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান - উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা কঠোর হাতে দমনের নির্দেশ।


রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকসহ বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে শিগগিরই পদক্ষেপ নেবে সরকার – যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।


চলতি মাসের মধ্যে প্রস্তুত হবে জুলাই গণহত্যা মামলার একাধিক তদন্ত প্রতিবেদন– গণমাধ্যমকে জানালেন আইসিটির চিফ প্রসিকিউটর।


১৮৩ জন ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে আজ আরও ৩ জন ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দিচ্ছে হামাস।


চিটাগং কিংসকে ৩ উইকেটে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বার বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের শিরোপা জিতলো ফরচুন বরিশাল।

মৃ'তেরা কিভাবে বুঝতে পারে যে তারা মা'রা গেছে? 

 #*** মৃ'তেরা কিভাবে বুঝতে পারে যে তারা মা'রা গেছে? 

 "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!!!"

         মৃ'ত ব্যক্তি বুঝতে পারে না যে সে শুরুতেই মা'রা গেছে। মৃ'ত্যু পরবর্তী ----আত্মীয় স্বজনের কান্নাকাটি, গোসল, কাফনের কাপড় পরানো    এমন কি তাকে কব'রস্থ করা পর্যন্ত  নিজেকে সে মনে করে মৃ'ত্যুর স্বপ্ন দেখছে। তার মনে সবসময় স্বপ্ন দেখার ছাপ থাকে। তখন সে চিৎ'কার করে কিন্তু কেউ তার চিৎ'কার শুনতে পায় না।

 পরবর্তীতে, যখন সবাই ছত্র'ভ'ঙ্গ হয়ে যায় এবং মাটির নিচে একা থাকে, আল্লাহ তার আ'ত্মা'কে পুনরুদ্ধার করেন। সে তার চোখ খোলে এবং তার "খারাপ স্বপ্ন" থেকে জেগে ওঠে। প্রথমে তিনি খুশি এবং কৃতজ্ঞ যে তিনি যা দেখেছিলেন তা কেবল একটি দুঃস্বপ্ন ছিল এবং এখন সে তার ঘুম থেকে জেগে উঠেছে। তারপর সে তার শরীরকে স্পর্শ করতে শুরু করে, যা সবেমাত্র একটি কাপড়ে মোড়ানো হয়েছে, অবাক হয়ে প্রশ্ন করে;

"আমার জামা কোথায়, আমার অন্তর্বাস কোথায়?"

তারপর তিনি বলতে থাকেন: " আমি কোথায়, এই জায়গাটি কোথায়, কেনো সর্বত্র ময়লা-কাদার গন্ধ, আমি এখানে কী করছি?    তারপর সে বুঝতে শুরু করে যে সে আন্ডারগ্রাউন্ড, এবং সে যা অনুভব করছে তা স্ব'প্ন নয়! হ্যাঁ, তিনি সত্যিই মা'রা গেছেন।

তিনি যতটা সম্ভব জোরে চিৎকার করেন, ডাকেন: তার আত্মীয়রা যারা তাকে বাঁচাতে পারে:

"রাজ্জাক..!!!"

"আব্দুল্লাহ..!!!"

"খাদিজা....!!!!"

"আয়েশা....!!!!"

কেউ তার উত্তর দেয় না। তখন তার মনে পড়ে যে এই মুহূর্তে আল্লাহই একমাত্র ভরসা। তখন তিনি কাঁদেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন-------

"ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর ইয়া আল্লাহ...!!!

 সে এমন এক অবিশ্বাস্য ভয়ে চিৎকার করে যা সে তার জীবদ্দশায় আগে কখনো অনুভব করেনি।

যদি সে একজন নেক মানুষ হয়,তবে হাস্যোজ্জ্বল মুখের দুইজন ফেরেশতা তাকে সান্ত্বনা দিতে বসবে, তারপর তার সর্বোত্তম সেবা করবে।

 যদি সে খারাপ লোক হয় তবে দুইজন ফেরেশতা তার ভয় বাড়িয়ে দেবে এবং তার কুৎসিত কাজ অনুযায়ী তাকে নির্যাতন শুরু করবে।

হে আল্লাহ, আমাদের গুনাহ ক্ষমা করুন, নেক কাজের তৌফিক এবং ঈমান নিয়ে পরকালে পাড়ি দেওয়া  নসিব দান করুন। আমিন।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬ আজকের সংবাদ শিরোনাম আগামী বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারিতে, এইচএসসি জুনে --- জানালেন শিক...