এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ফানিপোষ্ট : (না পড়লে মিস করবেন 🤣🤣 রিয়াদ হোসে রাজিব ফেইসবুক পেইজ

 ফানিপোষ্ট : (না পড়লে মিস করবেন 🤣🤣)

ক্লাসরুমে এবং পরীক্ষার খাতায় ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া কিছু অদ্ভুত উত্তর।


১.

বিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্ন এসেছে, পানিতে বাস করে এমন ৫টি প্রাণীর নাম লিখ।


ছাত্র লিখল...ব্যাঙ, ব্যাঙের বাবা, মা, বোন আর দুলাভাই।


২.

ইতিহাস ক্লাসে স্যার সুমিকে দাঁড় করালেন, "বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?"


সুমি: স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!


স্যার: কে বলেছে বইয়ে নেই। এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে ১৫৪২-১৬০৫।


সুমি: এটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ? আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন!


৩.

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে।


শিক্ষক: আমি টেবিলটা ছুঁয়েছি, টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি — এভাবে একটা যুক্তি দেখাও তো।


দুজন ছাত্র হাত তুলল।


১ম ছাত্র: যেমন ধরুন স্যার, আপনি মুরগি খেয়েছেন, মুরগি কেঁচো খেয়েছে, সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন।


২য় ছাত্র: আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।


৪.

বিজ্ঞান পরীক্ষার রেজাল্টের খাতা দেওয়ার দিন শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, "ব্যাকটেরিয়ার চিত্র আঁকতে বলা হয়েছিল। তুই সাদা খাতা জমা দিয়েছিস কেন?"


ছাত্র নির্বিকারভাবে জবাব দিল, স্যার, আমি ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন্তু আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না!


৫.

ড্রইং পরীক্ষায় বিড়াল আঁকতে দেওয়া হয়েছে। ক্লাস ফাইভের মেয়ে গম্ভীর মুখে বিরাট এক বিড়াল আঁকছে পাতা জুড়ে। নিচে ডানদিকে লিখেছে পি টি ও। টিচার অবাক। জিজ্ঞেস করলেন, "ড্রইং খাতায় পি টি ও কেন?"


ছাত্রী জানাল, "আমার মা বলে দিয়েছেন উত্তর এক পাতায় না ধরলে ওই কথা লিখতে হয়। আমার বিড়াল এত বড় হয়েছে যে সেই অনুপাতে একটি পেল্লায় লেজ দরকার। সেই লেজ এই পাতায় আঁটবে না। তাই আমি ঠিক করেছি পি টি ও লিখে পরের পাতায় মনের সাধ মিটিয়ে লেজখানা আঁকব।


৬.

শিক্ষক: "উত্তম" শব্দের বিপরীত শব্দ বলো।


ছাত্রী: (মুচকি হেসে) সুচিত্রা।


৭.

অন্যমনস্ক এক ছাত্রীকে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, "এই মেয়ে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো।"


মেয়েটি হকচকিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, "কে? আমি?"


শিক্ষক বললেন, "গুড। হয়েছে, বসো।"


৮.

শিক্ষক: আচ্ছা দুধ থেকে ছানা তৈরির একটি সহজ উপায় বল।


ছাত্র: ভীষন সহজ স্যার। গাভীকে তেঁতুল খাওয়ালেই হবে।


৯.

শিক্ষক: তোমার কাছে দেয়াশলাই বা গ্যাস লাইট নেই। আগুন জ্বালাবে কীভাবে?


ছাত্র: স্যার রবি সিম সামনে রেখে বলবো জ্বলে ওঠো আপন শক্তিতে!


১০.

শিক্ষকঃ বল তো সবচেয়ে হাসিখুশি প্রাণী কোনটি?


ছাত্র: হাতি স্যার!


শিক্ষক: কেন?


ছাত্র: দেখেন না, হাতি খুশিতে সব সময় তার দাঁত বের করে রাখে।


১১.

শিক্ষক: সন্ধি কাকে বলে?


ছাত্র: স্যার, প্রথমটুকু পারি না, শেষেরটুকু পারি।


শিক্ষক: আচ্ছা, শেষেরটুকুই বল।


বল্টু: স্যার, শেষেরটুকু হলো...তাকে সন্ধি বলে।


১২.

শিক্ষক: তুই কি বলবে Dialog নাকি Paragraph?


ছাত্র: Dialog বলব স্যার।


শিক্ষক: ঠিক আছে বল।


ছাত্র: চৌধুরী সাহেব! আমরা গরিব হতে পারি, কিন্তু আমরা মানুষ, আমাদেরও ইজ্জত আছে।


(শিক্ষক রেগে গিয়ে খপ করে ছাত্রের চুলের মুঠি ধরে ফেললেন)


ছাত্র: তোর সাহস তো কম না, বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াস। জানিস, তোর ওই হাত আমি কেটে ফেলতে পারি?


১৩.

শিক্ষক: যারা একেবারে নির্বোধ এবং গাধা তারা ছাড়া সবাই বসে পড়।


সকলে বসে পড়লেও শুধু সবুজ একা দাঁড়িয়ে আছে।


শিক্ষক: কিরে, ক্লাসে তুই একাই নির্বোধ আর গাধা?


সবুজ: না স্যার, আপনি একা দাঁড়িয়ে আছেন, এটা ভাল দেখাচ্ছে না, তাই..🤣😂😂


-নিয়মিত স্ট্যাটাস/কবিতা /গল্প / ও ফানি আপডেট গুলো সবার আগে পেতে ফলো করে রাখুন...👉 Riyad Hossain Huzaifa

কাজের মেয়ের গ*র্ভে আমার সন্তান পর্ব -১ shopno ciya 99% ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কাজের মেয়ের গ*র্ভে আমার সন্তান পর্ব -১

আমি পরিচয় গোপনের স্বার্থে  তার নামটা বললাম না । আমার বর্তমান বয়স ৩২ বছর। ঘটনাটা আজ থেকে ৫ বছর আগের তখন আমার বয়স ২৭ বছর। পেশায় আমি একজন ডাক্তার চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ। আমি গ্রামের ছেলে , বাবা মা মারা যাওয়ার পর সমস্ত কিছু বেঁচে কলকাতায় নিউটাউনে একটা ফ্ল্যাট কিনে সেখানেই বসবাস শুরু করেছি। আগে যেখানে থাকতাম সেখানে কাজ করার জন্য একজন মাসি ছিল। কিন্তু নতুন জায়গায় উঠে এসে প্রবলেমে পড়ে গেলাম। এক সপ্তাহ হয়ে গেলেও কাজের লোক পাচ্ছি না। পশের ফ্ল্যাটে একজন ৪৫ বছরের মেয়ে কাজ করে। তাকে অনেক বলার পরেও সে রাজি হল না। সে বলল সে অলরেডি দুটো বাড়ির কাজ করছে আর নতুন কাজ নিতে পারবে না। আমি বললাম অন্য যদি কেউ থাকে তার সাথে একটু যোগাযোগ করিয়ে দিতে।


দুদিন পর রাত আটটা নাগাদ ড্রয়িং রুমে বসে টিভি দেখছিলাম, হঠাৎ কলিং বেল বেজে উঠলো। দরজা খুলে দেখি সেই কাজের মাসি। সাথে অন্য আর একটা মেয়ে আছে । মাসি বলল দাদাবাবু আপনার কাজের লোকের প্রয়োজন বললেন তাই মিনতি কে নিয়ে এলাম। ওর একটা কাজের খুব প্রয়োজন। কিন্তু একটা শর্ত আছে…… আমি জিজ্ঞাসা করলাম কি শর্ত। ওর থাকার কোন জায়গা নেই আপনি যদি ওকে এখানে থাকতে দেন তাহলে। আমি বললাম না না তা কি করে হয়…. কথাটা বলা শেষ হবার আগেই মিনতি আমার দুই পা জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলো।


আমি কোনো রকমে মিনতিকে ছাড়িয়ে দাঁড় করালাম। জিজ্ঞাসা করলাম কি হলো কাঁদছো কেন এভাবে। মাসি বলল ও বাঁজা সেই কারণেই ওর স্বামী ওকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। এখন ওর যাবার কোন জায়গা নেই, যদি একটু দয়া করেন তাহলে মেয়েটা বেঁচে যাবে। এরকম একটা দুঃখের কথা শুনে আমি আর না বলতে পারলাম না। জিজ্ঞাসা করলাম সাথে জিনিসপত্র কিছু এনেছো? বলল না এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। তারপরে আমি মিনতিকে ফ্ল্যাটে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলাম।আমার ফ্ল্যাটটি যথেষ্ট বড়ো টোটাল চারটি রুম, দুটো বেডরুম, ‌একটা কিচেন…. আর একটা ছোট সার্ভেন্ট রুম। যাইহোক এবার আপনাদের একটু মিনতির শরীরের বর্ণনা দিই। মিনতির বয়স ২৫ বছর, হাইট পাঁচ ফুট , শরীরের রং শ্যাম বর্ণ, রোগা পাতলা শরীর, আর মাংস বলতে কিছুই নেই, শরীর এতটাই রোগ যে মনে হচ্ছে একটা কলাগাছে কেউ কাপড় জড়িয়ে রেখেছে। সুতরাং মুখের গঠন ভালো হলেও শারীরিক গঠনের কারণে মিনতিকে সুশ্রী বলা চলে না। ঘড়ির দিকে তাকালাম তখন সাড়ে আটটা বাজে। মিনতি কে বললাম ওদিকে রান্নাঘর সবকিছুই আছে যাও দুজনের রান্না চাপাও আমি একটু আসছি। এই বলে আমি বেরিয়ে গেলাম। ফিরলাম এক ঘন্টা পর।


একটা অনেক পুরনো শাড়ি পরে এসেছে মেয়েটা। যে শাড়িটা পড়ে ছিল সেটাও জায়গায় জায়গায় ছেড়া। তাই বাইরে থেকে মেয়েটার জন্য দুখানা শাড়ি সায়া ব্লাউজ , আর চার জোড়া Bra প্যা*ন্টি*র সেট। মিনতির হাতে সেগুলো দিয়ে বললাম এগুলো নাও স্নান করে কাপড় গুলো চেঞ্জ করে নিও । মেয়েটার চোখের কোনে কিছুটা জল ‌ । আমি রেগে বললাম আমি কান্না একদম পছন্দ করি না এখানে থাকতে হলে হাসি খুশিতে থাকতে হবে। যাও গিয়ে স্নান সেরে খাওয়া দাওয়া করে শুয়ে পড়ো ডাইনিং টেবিলের খাবার রাখা হয়েছিল আমি খাবার খেয়ে নিজের রুমে ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুম থেকে উঠলাম আটটা বেজে গেছে। নটা নাগাদ ফ্রেশ হয়ে ব্রেকফাস্ট করে আমি চেম্বারে চলে গেলাম। ফিরে আসলাম বারোটা নাগাদ। ফ্লাটে এসে চমকে যাই। গোটা ফ্ল্যাটটা সাজিয়ে গুছিয়ে সুন্দর করে রেখেছে মেয়েটা। খুশি হয়ে মিনতি প্রশংসা করি, মিনতি বললো এটাই তো ওর কাজ।........

.

.তার পর গোসল করে রুমে আসতেই....?  


(বাকি কথা পরের পাটে দিবো.)

গল্পঃ বহুরূপী_প্রেম ( প্রথম পর্ব )  লেখিকাঃ সাদিয়া ইসলাম কেয়া। ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাথরুমে গোসল করছে তুষি, ভুলবশত ভেতর থেকে দরজা লক করা হয়নি। রিল্যাক্স মুডে শরীরে সাবান মাখছে এমন সময় হুড়মুড় করে কে একজন দরজা ঠেলে বাথরুমের মেঝেতে উপুড় হয়ে পড়লো। 


বিদ্যুৎ গতিতে কাপড় দিয়ে শরীর ঢেকে যে পড়েছে তাকে টেনে তুলে দেখলো একটা ছেলে, দুই গালের ওপর ঠাস্ ঠাস্ দুটো চ,ড় মে,রে বললো– হতচ্ছাড়া পড়ার আর যায়গা নেই দুনিয়ায়, মারার জন্য আমার গোসলখানা খুঁজে পাইছো। 


ছেলেটার এমনিতেই লেজেগোবরে অবস্থা তার ওপর তুষির ডাইরেক্ট একশন। কি করবে কি বলবে কিছু ভেবে পাচ্ছেনা।


তুষি আবার ধম,ক দিয়ে বললো– এই উজবুক এখানে কি তোর?


ছেলেটা কনিষ্ঠা আঙ্গুলটি দেখিয়ে বোঝাতে চাইলো প্রস্রাব করতে এসেছিল।


তুষি ভেতর থেকে দরজা চেপে লাগিয়েছিল কিন্তু ছিটকিনি লাগায়নি। ছেলেটার নিম্নচাপ প্রবল ছিল বলে তারাহুরো করে দরজা ধাক্কা দিয়ে খুলেই হিমিকে দেখে হতভম্ব হয়ে ব্যালেন্স হারিয়ে পড়ে গেল। এই হলো মূল ঘটনা।


তুষি চোখ লাল করে দাঁতে দাঁত চেপে বললো– এমন যায়গায় কিক মেরে দিবো জীবনে আর হিসু করার দরকার হবেনা, সোজা স্বর্গে চলে যাবি একেবারে। 


তুষির হাবভাব দেখে ছেলেটা সময় থাকতে সটকে পড়লো।


তুষি নির্ভীক মনোভাবের চঞ্চল বুদ্ধিমতী মেয়ে, সোজাসাপটা কথায় ও বুদ্ধি বিচক্ষণতায় পরিবারের সবার কাছে খুব আদরের আর স্নেহের।


যা-ই হোক উপরে ঘটনা ছিল দশ বছর আগের, যখন তুষির বয়স ছিল দশ বছর, আর সেই ছেলেটা মানে অভির বয়স ছিল ষোলো।


এখনও তুষি তেমনই আছে কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে দেখতে শতগুণ বেশী রূপবতী হয়েছে। তুষির দিকে তাকালে চোখ ফেরানো দায়। রূপে গুণে তার তুলনা সে নিজে।


অভিও দেখতে সুদর্শন প্রানবন্ত লম্বাচওড়া তরুণ। কিন্তু সেই ঘটনার পরে থেকে আজ পর্যন্ত আর দেখা হয়নি দুজনের সাথে।


সেই দশ বছর আগে তুষিদের বাসায় অভিরা এসেছিল এই কারণে যে তুষি ও অভির বাবা খুব ভালো বন্ধু। তুষির বাবা শহরের নামকরা প্রথম সারির বিজনেসম্যান আর অভির বাবা সরকারি উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা। অভির বাবার অন্য কোথাও ট্রান্সফার হয়েছিল এবং সেখানে চলে যাবার আগে তুষির বাবা অভিদের দাওয়াত করেছিল তার বাসায়। তারপর ঘটেছিল সেই ঘটনা। 


দুজনেই হয়তো এখন ভুলে গেছে সে-সব।


সময়ের স্রোতে এতখানি ভেসে এসে অতীত আর কতটাই বা স্পষ্ট মনে থাকে! সবকিছু একসময় বাস্তবতার আড়ালে চাপা পড়ে যায়। 


অভির বাবার আবারও ট্রান্সফার হয়ে এই শহরে চলে এসেছে, অভিরা থাকে সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারে।


তুষিদের বাসা থেকে অফিসার্স কোয়ার্টার এক কিলোমিটারের কম হবে। বলতে গেলে কাছাকাছি।


অভির বাবা মা তুষিদের বাসায় দেখা করতে গেলেও অভির যাওয়া হয়নি তাই দশ বছর আগের সেই মেয়েটিকে নিয়ে তার কোনো স্মৃতি আর তাজা হয়নি। মা বাবা যাবার জন্য জোর করলেও অভি যাবার আগ্রহ দেখায়নি কারণ দশ বছর আগে বাবার বন্ধুর মেয়ে অতটা ভ,য়ঙ্কর ছিল, এখন নাজানি কতটা বেশি ভ,য়ঙ্কর!


বিজনেসম্যান বাবার একমাত্র মেয়ে বলে কলেজে অন্যরকম একটা পরিচিতি তুষির, ছোটখাটো একটা গ্যাঙ আছে তাদের নিয়ে নতুনদের একটু আধটু উত্যক্ত করে ক্যাম্পাসে।


সিনিয়ররা ক্রাশ খেয়ে চুপচাপ হজম করে নেয়, ভয়ে তুষির সামনে টুশব্দ করারও সাহস পায়না।

সবাই জানে তুষির সামনে প্রেম ভালোবাসা নিয়ে গেলে মান ইজ্জতের চাটনি বানিয়ে পুরো কলেজে বিলিয়ে দেবে।


তুষি যতখানি সুন্দরী তারচে দ্বিগুণ ঠোঁটকাটা স্বভাবের। যা মুখে আসে অমনি বলে দেবে সামনে যে-ই থাকুক। এসবের জন্য সিনিয়ররা তুষির ব্যাপারে নাক গলাতে আসেনা।


ক্যাম্পাসে বসে আড্ডা দিচ্ছিল তুষি ওর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে, কি একটা প্রয়োজনে অভিও কলেজের গেট পেরিয়ে ভেতরে আসলো। 


তুষির বন্ধু বান্ধবীদের চোখ পড়লো অভির ওপর। 


ফুলহাতা চেক শার্ট গায়ে, হাতা কনুই পর্যন্ত ভাজ করা। হাতে কালো ঘড়ি, পরনে জিন্স প্যান্ট, পায়ে কনভার্টস চোখে কালো সানগ্লাস। ফর্সা গায়ের রঙ তার ওপর প্রায় ছ'ফুট লম্বা, পোশাকআশাকে আরও আকর্ষণীয় লাগছে অভিকে।


সবাই ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে অভির দিকে। 


তুষির একটা বান্ধবী লিজা, নিজেকে আর সামলাতে না পেরে অভিকে উদ্দেশ্য করে বললো– ও হিরো, তুমি মনেহয় এফডিসি ভেবে ভুল করে কলেজে ঢুকে পড়েছো।


অভি ঘুরে দাড়িয়ে চোখের সানগ্লাস খুলে লিজার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো।


অভির হাসি দেখে লিজার ভিরমি খাবার উপক্রম।


এসব দেখে তুষির গা জ্বলে যাচ্ছে। দাঁত কটমট করে লিজাকে বললো– ছেলে দেখলে আর সহ্য হয়না তাইনা? একেবারে গলে পড়তে হবে। 


লিজা ফিসফিস করে বললো– এ তো ছেলে নয়রে, রাস্তা ভুল করে কলেজে ঢুকে পড়া বাংলা সিনেমার হিরো। 


তুষি বললো– তাই না? দাঁড়া দেখ তোর হিরোকে কীভাবে জিরো করি।


অভি দাড়িয়ে অপেক্ষা করছে কারো জন্য হয়তো। মোবাইল বের করে কাউকে কল দিচ্ছে হয়তো কিন্তু সংযোগ পাচ্ছেনা।


তুষি ওর বন্ধু রবিনের সানগ্লাসটি এনে চোখে পড়ে পায়ের ওপর পা তুলে তুড়ি বাজাতেই অভি তুষির দিকে তাকালো।


তুষি হাতের ইশারায় অভিকে ডাকতেই অভি এসে সামনে দাড়ালো।


তুষির পেছনে ওর বন্ধু বান্ধবীরা তুষিকে ঘিরে দাড়িয়ে আছে।


একটু ভাব নিয়ে তুষি বললো– নাম কি? 


তুষির এরকম আচরণ অভির ভালো লাগলোনা তাই সবার ওপর নজর বুলিয়ে তুষির প্রশ্নের বাঁকা জবাব দিলো অভি– নাম জেনে কি হবে, আমার নামে রেশন কার্ড দিবে নাকি?


অভির কথায় তুষির বন্ধু বান্ধবীরা হেসে উঠতেই তুষির চোখ রাঙ্গানিতে আবার সবাই চুপ হয়ে গেল।


তুষি বললো– নতুন নাকি? 


অভি বললো– হ্যা। 


– যাও দশ টাকার বাদাম নিয়ে আসো আমার জন্য – বলে পার্সব্যাগ থেকে দশ টাকার একটা নোট বের করে অভির দিকে বাড়িয়ে ধরলো তুষি।


অভি নুয়ে তুষির পা দেখতে লাগলো। তুষি অবাক হয়ে বললো– কি হলো কি দেখছো?


অভি বললো– না দেখলাম তোমার পা তো ঠিক আছে, ল্যাংড়া খোড়া হলে নাহয় দয়া করে এনে দিতাম। 


এবার তুষির মেজাজটা গরম হয়ে উঠলো, এই প্রথম কেউ এভাবে তুষির সাথে পা,ঙ্গা নিচ্ছে। তুষি কটমট করে বললো– এই যে বেশি সেয়ানাগিরী দেখিয়োনা, এখানে সবাই আমার কথায় চলে। 


অভি বললো– আচ্ছা তোমার বাবার নামটা কি বলোতো, অথবা তোমার বাসার এড্রেস? 


তুষি অবাক হয়ে বললো– মানে? 


অভি বললো– না মানে মিলিয়ে দেখতাম আগেপিছে তোমাদের বাসায় তোমার বাবার খাবার কোনদিন খেয়েছি কিনা।


তুষি আরও অবাক হয়ে বললো– মানে? 


– মানে হলো যারা তোমার কথায় চলে তারা হয়তো তোমার বাবার খায়, নয়তো ব্যক্তিত্বহীন। আমি আমার বাবার খাই এবং নিজের মর্জিতে চলি বুঝলে?


অভির কথা শুনে সবাই হা করে তাকিয়ে আছে।


অভি মুচকি হেসে তুষিকে বললো– এই যে ম্যাডাম ঝাল মরিচ, মা বাবা নিশ্চয়ই সুন্দর একটা নাম রেখেছে, তো নামটা কি জানতে পারি?


তুমি বললো– তুষি।


অভি বললো– তো মিস তুষি, আপনার যায়গায় কোনো ছেলে হলে এতক্ষণে নাক বরাবর মেরে দিতাম ঘু,ষি। 


অভির কথায় আবারও তুষির বন্ধু বান্ধবীরা হো হো করে হেসে উঠলো। 


সবার সামনে নিজের প্রেস্টিজ পাংচার হতে দেখে তুষির মগজে আগুন ধরে গেল। উঠে দাড়িয়ে অভির শার্টের কলার ধরে বললো– এত এটিটিউড, আমার সাথে পাঙ্গা নেবার মজা তো ভোগ করতেই হবে। এখান থেকে সোজা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি দাঁড়া।


অভির শার্টের কলার ছেড়ে দিয়ে রাগে ফসফস করতে করতে তুষি রবিনকে বললো– রবিন পোলাপান নিয়ে ওর ঠ্যাং ভে,ঙে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা কর...


চলবে...


গল্পঃ বহুরূপী_প্রেম ( প্রথম পর্ব ) 


লেখিকাঃ সাদিয়া ইসলাম কেয়া।

অধরা প্রেম  পর্ব_ ০১ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাসর রাতে হটাৎ 

স্বামীর হাতে একটা চিহ্ন 

দেখে ঘাবড়ে গেল প্রিয়ু। এটা কিভাবে সম্ভব? এ তো সেই চিরচেনা চিহ্ন যেটা সে নিজের হাতে দিয়েছিল তার জীবনের একমাত্র ভালবাসাকে। এটা  রিদ এর হাতে কিভাবে আসলো? 


আজ প্রিয়ুর সদ্য বিয়ে হয়েছে রিদের সাথে। খুব সাধারণ সাধাসিধা ছেলে রিদ। সদ্য সরকারি চাকুরি পেয়েছে ব্যাংকে। বাবা মা গ্রামে থাকেন জন্য একা একা থাকতে হয়। তাই মা জোড় করে বিয়ে দিয়েছে।


রিদ রুমে ঢুকেই ড্রেস চেঞ্জ করে হাফ হাতা গেঞ্জি পড়ে আসার সময় প্রিয়ু দেখে ফেলে চিহ্নটা। প্রিয়ুর দিকে এতসময়ও তাকায় নি রিদ । হ্যা, আরেঞ্জ ম্যারেজ তাদের। এর উপর প্রিয়ু তাকে আগেই বলেছে তাকে স্বীকার করবে না। কিন্তু এটা কি করে সম্ভব? যাকে সে সারাজীবন খুঁজে চলেছিল এই কি সেই কাম্য পুরুষটা তার? যাকে ছোটবেলা হারিয়েছিল সে? 


কিছুদিন আগে,,,,,


মেয়ের বয়স বেশি হয়ে যাচ্ছে জন্য ছেলে পক্ষ আসতে বলেছে প্রিয়ুর বাবা আজ। কিন্তু প্রিয়ুর মাথায় তো অন্য চিন্তা।।।


'পাত্রপক্ষের সামনে এসব অভদ্রতার মানে কি অপরিচিতা?'

মায়ের কথা শুনে আরো যেন ভড়কে গেল প্রিয়ু। মা রেগে থাকলেই তার পুরো নাম ধরে ডাকেন। 


কিছুক্ষণ আগে তাকে দেখতে আসা ছেলে পক্ষের সামনে সে বলে দিয়েছে সে আগে থেকে বিবাহিত। ছেলে পক্ষের সামনে মেয়ের এরকম একটা তথ্য আসলে কেউই বিয়েতে মত দেবে না এটা তো স্বাভাবিক। কিন্তু কথাটা বলেন হন হন করে রুমে অগ্রসর হল প্রিয়ু। পুরো নাম অপরিচিতা চৌধুরী। 


'কিরে কথা বলিস না কেন? তুই তো বিবাহিত, কোথায় তোর বর?' 

মায়ের কথায় এবার চোখ তুলে তাকালো প্রিয়ু। 

'তোমরা যাই বলো মা, ছোটকালে তো ঠিকই বিয়ে হয়েছিল আমার, বাচ্চামো করেই হোক। সে হারিয়ে গেছে আমার জীবন থেকে। তাকে আমি খুঁজা বাদ দিব?' 

'উফফ তোর পাগ*লামি ছাড়া কিছুই নয় এগুলো। বলে বলে আমি ধৈর্য রাখতে পারছি না আর।' 


তখনই দরজায় কাজের মেয়ে রত্না ধাক্কাচ্ছে শুনে প্রিয়ুর না পেছনে ফিরে দরজা খুললো। 

'কিরে?' 

'খালা, ছেলে যায় নাই গো, কয় এতে তার নাকি সমস্যা নাই।' 


ছেলে এরকম বলেছে শুনে প্রিয়ুর চোখ কপালে উঠে গেলো। 

কাজের মেয়েটি আবার বলল সে নাকি প্রিয়ুর সাথে একা কথা বলতে চায়। ,,,,,,,,,,


বেলকনিতে সামনা সামনি বসে আছে প্রিয়ু আর রিদ। এই প্রথম ছেলেটির দিকে তাকালো প্রিয়ু। দেখতে নিসন্দেহে সুদর্শন। সবুজ শার্ট আর অফ হোয়াইট প্যান্ট ইন করে ভদ্র পরিপাটি সাজে এসেছে উজ্জল শ্যামলা বর্ণের ছেলেটি। তবে এসে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে। 


প্রিয়ু মনে মনে ভাবলো, এই নাকি সে কথা বলবে, এসে তো নিজেই মাথা নিচু করে আছে। 


'এইযে!' 

এবার মাথা তুলে তাকালো রিদ। প্রথম প্রিয়ুর চোখে চোখ পড়লো তার। 

প্রিয়ু এক পলকের জন্য তার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকলো। চোখের মণিটা কালো নয় রিদের। একটু বাদামী বর্ণের। কেমন যেন মায়া আছে চোখটাতে, আর অনেক দুক্ষ। 


আবার নিজেকে ধাতস্থ  করে প্রিয়ু বলল, 

'আপনি বিয়ে করবেন বলেছেন নাকি?' 

'হুম।' 

'কিন্তু আমি তো বললাম তখন সবার সামনে যে,,,' 

'জানি। আর এটাও জানি সেটা ছোটকালের।' 


প্রিয়ু এবার রেগে গেলো। 

'ছোটকাল মানে? এখনো তার স্মৃতি আমার মনে আছে, এখনো তার দেয়া প্রতিটা জিনিস আমি আমার কাছে রাখি। এখনো প্রতিটা দিন আমি তার আশায় বসে আছি সে আসবে।' 


'রিলাক্স রিলাক্স, আমি তার জায়গা আপনার থেকে নিব না। আমি সারাজীবন কি খুঁজেছি জানেন? সত্যিকারের ভালবাসা। যে তার ছোটবেলার স্মৃতিটাকেই এতটা ভালবাসতে পারে, সে আমাকে কতটা ভালবাসবে,,, আর শুনুন আমিও তাকে খুঁজতে আপনার সহায়তা করব। বিয়ের পরেও। সমস্যা নেই।' 


'কিন্তু এতে আপনার লাভ?' 

'লাভ লসে কি জীবন চলে অপু?' 

হটাৎ চমকে উঠলো প্রিয়ু।' 

'কি নামে ডাকলেন আমাকে? অপু!!' (প্রিয়ুর এই ডাকটা খুব চেনা, তার সায়ন তাকে এই নামে ডাকতো) 

রিদ বলল, ' অপরিচিতা বলেছি। কেন সমস্যা নাম ধরে ডাকলে?' 

প্রিয়ু এবার শান্ত হল। হয়ত ভুল শুনেছে সেই। আজকাল সব সময় তার সায়নের কথাই মনে পড়ে। আজ কেন যেন মনে হচ্ছে সায়ন খুব কাছেই তার। প্রিয়ু নিজেও জানে এটা সম্ভব নয়। তার সায়ন যে আজ বহু বছর আগে তাকে ছেড়ে কোথায় হারিয়ে গেছে সেও জানেনা। 

'নাহ,আচ্ছা আপনি আসুন।' 

'আপনার মতের অপেক্ষায় থাকবো। বিশ্বাস করুন আমি অন্য ছেলেদের মত নই। যদি ভরসা করেন তবে জানাবেন।' 


রিদ পিছনে একবারও না ফিরে চলে গেছিলো সেদিন। প্রিয়ুর বাবা মা দুজনেরই রিদকে পছন্দ। প্রিয়ুর রাজি না থাকা স্বত্তেও বিয়ে হয়েই গেল।।।সেটা আজই।


অতীতের স্মৃতিচারণ করছিল তখন রিদের কথায় ব্যাঘাত ঘটলো প্রিয়ুর,,

'আপনি উপরে ঘুমান আমি নিচে ঘুমাই। বালিশটা দিন।' 

তার দিকে অপলক তাকিয়ে আছে প্রিয়ু। আবার জিজ্ঞেস করলে এবার বালিশটা তার দিকে বাড়িয়ে দিল প্রিয়ু। 


সে এখনো ভেবে যাচ্ছে আসলেই কি এটা তার সায়ন? কিন্তু রিদের বাবা মা সবাই তো,,, না এটা তো হতে পারে না। বার বার ভাবনায় বিচলিত হতে হতে সময় কাটলো। কিছু সময় পর বিছানা থেকেই নিচে তাকালো প্রিয়ু। রিদ নিচে বালিশে মাথা দিয়ে অন্য পাশ ফিরে ঘুমাচ্ছে। হাতটার দিকে নজর যেতেই আবার বাম হাতের কবজির জায়গাটা দেখলো প্রিয়ু। হ্যা সেই দাগটা। ছোটবেলায় সায়নের সাথে পরিচয় হওয়ার প্রথম দিন প্রিয়ু সায়নকে দিয়েছিলো।


চুপিসারে নিচে নামলো প্রিয়ু। ধীরে ধীরে রিদের কাছে গিয়ে হাতটা আরো ভাল করে কাছে থেকে দেখতে লাগলো। হ্যা এই দাগটা দিয়েই তো তাদের ভালবাসার শুরু।। কিন্তু রিদ!!!! প্রিয়ু ভেবে কূল পাচ্ছে না। চুপচাপ আবার বিছানায় গেল যেন রিদ না উঠে পড়ে। সে মনস্থির করলো সকালে রিদকে জিজ্ঞেস করবেই। এজন্যই কি বিবাহিত শুনেও রিদ তাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে? আজ রাতটা বড়ই দীর্ঘ হতে যাচ্ছে প্রিয়ুর জন্য। 


এদিকে অন্য পাশ ফিরে ঘুমন্ত রিদের চোখ জোড়া খুলে গেল সহসা। কেমন একটা হাসি দিল যেন সে। 


চলবে

অধরা প্রেম 


পর্ব_ ০১

কাঁচা ছোলা আধ্যাতিক এবং আয়ুর্বেদিক ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১.যৌনশক্তি বাড়াতে: যৌনশক্তি বাড়াতে এর ভূমিকা যথেষ্ট গরুত্বপূর্ণ। রাতে ছোলা ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে প্রতিদিন খেলে যৌনশক্তি বাড়বে।শ্বাসনালিতে জমে থাকা পুরোনো কাশি বা কফ ভালো হওয়ার জন্য কাজ করে শুকনা ছোলা ভাজা। ছোলা বা বুটের শাকও শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। প্রচুর পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ রয়েছে এই ছোলায় ও ছোলার শাকে। ডায়াটারি ফাইবার খাবারে অবস্থিত পাতলা আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

২.ডাল হিসেবে: ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।

৩.হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে: অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

৪.রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে: আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্টভাল রাখতেও সাহায্য করে।

৫.রক্ত চলাচল: অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়।

৬.ক্যান্সার রোধে: কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক এসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে এ্যজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়।আর তা্ই নিয়মিত ছোলা খান এবং সুস্হ থাকুন।

৭.ডায়াবেটিসে উপকারী : ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল।  

৮.অস্থির ভাব দূর করে ছোলা : ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।

৯.জ্বালাপোড়া দূর করে ছোলা : সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়।

১০.ব্যথা দূর করে ছোলা : এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী।  

*ছোলার আরও কিছু উপকারিতা নিচে দেয়া হলো-

যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের ছোলা, টক দই, সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকের ডায়েটেশিয়ানরা। কেননা ছোলার আঁশ শরীরে ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রোটিনের চাহিদা পূরণে আমাদের মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ডাল সবই খেতে হয়। যার মধ্যে প্রাণিজ প্রোটিন ফার্স্ট ক্লাস আর সেকেন্ড ক্লাস প্রোটিন হিসেবে আমরা ডাল ও বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। যাঁদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, তাঁদের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করা বাদ দেয়া যাবে না। সেই জন্য মাছ, মাংস কমিয়ে প্রোটিনের সেই চাহিদা যদি ছোলা থেকে পূরণ করা যায় তবে সহসাই রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারবেন।

ছোলা আমাদের দেশে সাধারণত দুভাবে খাওয়া হয়। একটি হচ্ছে আস্ত ছোলা, যেটাকে আমরা অনেক সময় ভেজে খাই বা সিদ্ধ করে খাই। আরেকটি হচ্ছে ছোলার ছাতু। আমাদের গ্রামাঞ্চলে অনেক সময় ছোলাকে গুঁড়ো করে এই ছাতু ব্যবহার করা হয়। যাঁদের ওজন বাড়ানো প্রয়োজন হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে এবং বাচ্চাদের খাবারে এই ছোলার ছাতু ব্যবহার হয়ে থাকে।

ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। ছোলায় আমিষের পরিমাণ মাংস বা মাছের আমিষের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্য তালিকায় ছোলা থাকলে মাছ-মাংস পরিমাণে কম থাকলেও চলে। আমাদের দেশের মত উন্নয়নশীল দেশে ছোলাকে মাছ বা মাংসের বিকল্প হিসাবেও ভাবা যেতে পারে। ছোলার ডাল, তরকারিতে ছোলা, সেদ্ধ ছোলা ভাজি, ছোলার বেসন, ছোলা ভুনা— নানান উপায়ে ছোলা খাওয়া যায়।

প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। খাওয়ার পর খুব তাড়াতাড়িই হজম হয়ে গ্লুকোজ হয়ে রক্তে চলে যায় না; বেশ সময় নেয়। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগই পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়।

প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়াও আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেশিয়াম। এ সবই শরীরের জন্য কাজে লাগে। ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠ কাঠিন্যে উপকারী। খাবারের আঁশ হজম হয় না। একইভাবে খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই মলের পরিমাণ বাড়ে এবং মল নরম থাকে। 

এতে কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর হয়। মলত্যাগ করা সহজ হয়। নিয়মিত মলত্যাগ হয়ে যায় বলে ক্ষতিকর জীবাণু খাদ্যনালীতে থাকতে পারে না। ফলে খাদ্যনালীর ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কমে। খাদ্যের আঁশ রক্তের চর্বি কমাতেও সহায়ক। 

আরও নানান শারীরিক উপকারিতা আছে খাদ্য-আঁশে। দেরীতে হজম হয়, এরূপ একটি খাবার হচ্ছে ছোলা। ছোলা দীর্ঘক্ষণ ধরে শরীরে শক্তি যোগান দিতে সক্ষম। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলা থেকে প্রায় ৩৬০ ক্যালরিরও বেশি শক্তি পাওয়া যায়। ছোলা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

*ছোলার অপকারিতা:

কাঁচা ছোলার উপকারিতা সবারই জানা। তবে যে কোনো কিছুই হোক, নিয়ম করে খাওয়াটা জরুরি। না হয় হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কাঁচা ছোলারও অপকারিতা রয়েছে। কাঁচা ছোলার অপকারিতা ও কিভাবে এটি খাওয়া উচিত তা নিচে দেয়া হলো-

১. কাঁচা ছোলা ভেজে খেতে আমরা সবাই খুব পছন্দ করি। কিন্তু এটা একেবারেই ঠিক নয়। অনেকেরই ওজন বৃদ্ধি পায়, মোটা হয়ে যায় বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারা কাঁচা ছোলা খেতে পারেন। কিন্তু কোনোভাবেই কাঁচা ছোলা ভেজে খাবেন না।

২. যাদের বমির সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য কাঁচা ছোলা খাবেন না।

৩. তেল, মসলা দিয়ে তৈরি করা ছোলা খেতেও অনেকেই পছন্দ করে থাকি। যাকে চানা মসলাও বলা হয়ে থাকে। যাদের ওজন বেশি তারা এ ধরনের ছোলা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ অতিরিক্ত তেল মসলা তাদের জন্য খুবই ক্ষতিকারক।

৪. যাদের হজম শক্তি কম থাকে, তারা কাঁচা ছোলা সহজে হজম করতে পারে না। এছাড়াও যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে। যাদের রক্তের ডায়ালসিস চলছে, যাদের শরীরে কিটেনিন ও ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেশি রয়েছে তারা যেকোনো রকমের ছোলা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫. কাঁচা ছোলা রাতে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকাল বেলা এ কাঁচা ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার করে পেঁয়াজের সঙ্গে চিবিয়ে খেতে হবে। যারা প্রথম অবস্থায় কাঁচা ছোলা খাওয়া শুরু করতে চান তারা ভেজানো ছোলা কিছু সময় সেদ্ধ করেও খেতে পারেন। এ ছোলা বাড়িতে ডালের মতো রান্না করেও খেতে পারেন।

B.H.A.Reg.No.2579

                          (94)

(L.M.A.F)Certificate

               (R.M.P)Course:Rural Medical Practioner Registration:016005 Roll01110         

https://www.sistedubd.com

অণু- প্রথম খন্ড  লেখিকা-লামিয়া রহমান মেঘলা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বড়ো আপুর ভাসুরের ফু**লসজ্জা খাটে বউ সাজে বসে আছি। হাত পা ভ**য়ে কাঁপা-কাঁপি শুরু হয়ে গেছে। তার পায়ের জুতার শব্দে আমার অন্তর আ**ত্মা কেঁপে উঠছে। 

বিয়ে মানুষের হয় কিন্তু আমার মতো এমন বিয়ে হয়ত কারোর হয় নি ।

নির্ঝর (আপুর ভাসুর) যতো এগিয়ে আসছে বুকের মাঝের উ*থাল পা*থাল তত বেড়ে চলেছে সাথে ভ*য়। 

কি করা উচিত আমার ! আমার ইচ্ছে হচ্ছে এক ছুটে দৌড় দি। 

দেখতে দেখতে সময় চলে এলো  নির্ঝর এখন রুমে। আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি সে রুমের দরজা বন্ধ করেছে। 

বুকের মাঝে এবার ঝড় শুরু হয়েছে। 

ধীর গতিতে নির্ঝর আমার দিকে এগিয়ে আসছে। ও আমার ঘোমটা তুললে সব শেষ। আমিও শেষ আমার অন্তর আ*ত্মা ও শে*ষ। 

হুট করে অনুভব হলো কেউ আমার গ*লা ভিশন জো*রে চে*পে ধরেছে। 

এতোটা সময় চোখ বন্ধ ছিল কিন্তু দম আ*টকে আসায় জলদি চোখ খু*লে নির্ঝরের লাল বর্নের চোখ দু'টো দেখতে পেলাম রাগে ফর্সা মুখটা লাল হয়ে গেছে। 

এদিকে আমার দ**ম যায় যায়। 

আমি হাত দিয়ে তার হাতটা ছাড়াতে যাব তখন সে আমারে আরও শক্ত করে ধরলো। 

--তুই একটা বার তোর বড়ো বোনের কথা ভাবলি না এতোটা স্বার্থপর হলি তুই। নিজের বড়ো বোনের ভাসুর কে বিয়ে করে নিলি। 

আরে কতো মিনতি করেছিলাম তোর কাছে আমি বিয়ে করব না। 

আমি তোকে বলেছিলাম এই বিয়ে করলে আমি তোর জীবন ন*রক বানিয়ে দিবো তুই শুনলি না বিয়েটা তুই করে নিলি। 

এক নাগারে কথা গুলো বলে আমার গলা*টা ছেড়ে দিলো। 

আমি ছাড়া পেয়ে ভীষন শুকনো কাশি দিতে লাগলাম। 

আমার দ*ম আ*টকে আসছে। পানির প্রয়োজন। 

নির্ঝর সামনে থেকে আমার এ অবস্থা দেখে আমার মুখে পাশে থাকা পানির জগ থেকে সব পানি ঢেলে দিলো। 

হটাৎ এভাবে পানি নাকে মুখে যাওয়া তে বেশি দম আটকে আসছে। 

আমি উঠতে যেয়ে বাঁধা পেলাম নির্ঝর তার সমস্ত শক্তি দিয়ে আমাকে চে*পে ধ*রেছে বিছনার সাথে। 

আমি জানতাম নির্ঝর এর ব্যবহার এমনি হবে। কিন্তু আমিও যে নিরুপায় ছিলাম। 

ও কি কখনো আসল সত্যি জানতে চাইবে না। 

ও কি সারা জীবন আমায় ভুল বুঝবে। 

আমার চোখ দিয়ে অনবরত পানি পরছে। 

নির্ঝর আমার থেকে সরে এসে আমার টেনে দাঁড় করায় শোয়া থেকে। 

এবং আমকে বলে,

--এভাবে ভিজে অবস্থায় আজ এখানে সারা রাত দাঁড়িয়ে থাকবি। 

তোকে আমি মেনে নিবো না তোর যেখানে ইচ্ছে সেখানে গিয়ে ম*র। 

কথাটা বলে নির্ঝর বিছনায় ছায়ার দিকে পিঠ দিয়ে শুয়ে পরলো। 

এদিকে ছায়া কাঁ*দতে আছে। 

কাঁদতে কাঁদতে দেয়াল ঘেঁসে বসে পরে। 

--কি করেছি আমি? কার জন্য করেছি? আপনার জন্য!  কেউ আমার কথাটা ভাবে না সবাই স্বার্থ নিয়ে চলল আমাকে এই ন*রকে ফেলে দিলো। 

৫ দিন আগের কথা, 

আমাদের পরিবারে ৪ জন মানুষ আমরা আমি বড়ো আপু তপা, মা আর বাবা। 

তপা আপু নিরব ভাইয়াকে ভালোবাসে ওদের বিয়েটা হবে ঠিক হবার পর নিরব ভাইয়ের মা আমাকে তার বড়ো ছেলের বউ হিসাবে চেয়েছিল। 

নিরব চৌধুরী এবং নির্ঝর চৌধুরী। 

দুজন ভাই। নির্ঝর পেশায় ডক্টর এবং নিরব পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। 

নির্ঝর ভাইয়ার প্রতি আমি একটু দুর্বল অনেক আগে থেকে,  তাই আমিও রাজি হই। কিন্তু বিয়ের আগের দিন নির্ঝর এসে আমাকে খুব করে রিকোয়েস্ট করে যেন এ বিয়েটা না করি। 

আমি ওনার কথায় রাজি হয়ে যায়। 

এটা বে**মানান দেখায় যদিও বড়ো আপুর ভাসুরের সাথে বিয়ে। 

কিন্তু তাও আমার পরিবার এবং নির্ঝর এর পরিবার উভয় এর সম্মতিতে আমাদের বিয়েটা ঠিক হয়৷। 

নির্ঝর বেরোতে আমি মাকে বলি এই বিয়ে আমি করতে চাই না। 

আর তার পর যেটা হলো সেটা আমার কল্পনার বাইরে ছিল৷। আমি কখনো ভাবি নি আমার সামনে এভাবে এরকম সত্যি আসবে। 

আর আমাকে এই বিয়েটা করতে হবে। 

কথা গুলো ভাবতে ভাবতে আমি দেয়াল ঘেঁসে এক কোনে চুপচাপ বসে রইলাম। 

জীবনে একটা খুব বড়ো একটা মোড় নিয়েছে। 

যাকে এতোটা ভালোবেসে এসেছি সে আমার জীবন সঙ্গী তো হলো কিন্তু শ*ত্রু হিসাবে। 

নির্ঝর আমাকে সত্যি কখনো মেনে নিবে না। 

আর আমি কখনো সুখী হবো না। 

আমার জীবনের সুখ পাখি গুলো উড়াল দিয়েছে। 

আমর কিছুই করার নাই শুধু চোখ মেলে দেখা ছাড়া।। 

শুধু একটা কথাই ভাবা ইস যদি ওকে একটা বার বলতে পারতাম। 

শুধু একটা বার।। 

চিৎ*কার করে নির্ঝর আমি কেন এগুলো করেছি। 

সারাটা রাত চোখের পানি দুটো গাল বেয়ে টপটপ করে পেরেছে। 

শেষ রাতের দিকে হালকা ঝিমাই পরছিলাম। 

কিন্তু অতিরিক্ত কা*ন্নার ফলে চোখ দুটো ফুলে গেছে তাই চোখ খুলে তাকালাম। 

কি ভিশন য*ন্ত্রণা ফজরের আজান দিলো শুনলাম। 

উঠে ওয়াশরুমে চলে এলাম। 

মাত্র কিছু ঘন্টার ব্যবধানে আমার অবস্থা কি থেকে কি হয়েছে। 

নিজেকে দেখে নিজের বড্ড করুনা হচ্ছে। 

গোসল করে ওজু করে নামাজ আদায় করে নিলাম। 

নামাজ শেষে তাকিয়ে দেখি নির্ঝর উঠে খাটের নিচে পা ঝুলিয়ে বসে আছে। 

কিছুই বললাম না তাকে দেখে পেস নামাজ টা তার জায়গায় রেখে বেরিয়ে আসতে গেলে বাঁধা পেলাম। 

কেউ পেছন থেকে হাত ধরে রেখেছে৷। 

আমি পেছনে তাকালাম অবাক হয়ে। 

--কোথায় যাচ্ছো। 

--জি বাইরে।। --

--না যাবে না। 

কথাটা বলে আমাকে টে*নে নিয়ে বিছনায় বসালো। 

আমি তার দিকে আপাতত অবাক দৃষ্টি নিক্ষেপ করেছি। 

সে আমার চোখের নিচে একটা মলম লাগিয়ে দিলো। 

এবং একটা ড্রপ দিলো চোখ।। 

হালকা জ্বালা করছে আমার চোখ কিন্তু কিছু সময় পর শান্ডি পেলাম।। 

এবং অটোমেটিক ঘুম চলে এলো। 

ছায়া কে ঘুমাতে দেখে নির্ঝর শান্ত ভাবে কিছু সময় তাকিয়ে থেকে রুম থেকে বেরিয়ে যায়। 

,

,

,

সকাল ১০ টা,

খাবার টেবিলে সবাই বসে। 

এমন সময় নির্ঝর আর ছায়া নামলো উপর থেকে। 

খুব সুন্দর পরিপাটি ভাবে।। যেন ওদের মতো বিবাহিত দম্পতির দেখা মেলা খুবই মুস্কিল। 

নিচে নেমে সবার সাথে নির্ঝর হেসে হেসে কথা বলছে যেন নির্ঝর এর থেকে খুশি ব্যক্তি দুনিয়াতে নেই। 

নির্ঝর এর এই রুপ দেখে ছায়া অনেক অবাক হচ্ছে । 

--ছায়া খাবার সেরে তৈরি হয়ে নেও নির্ঝর এর সাথে কলেজ যাবে। (রেহানা বেগম নির্ঝর এর মা)  

ছায়া শাশুড়ী মায়ের কথায় এক গাল হাসি দেয়। 

ছায়া ভেবেছিল ওর কপালে হয়ত এই ইন্টার পর্যন্ত ই পড়ালেখা আছে নির্ঝর এর যে অবস্থা তাতে কিছুই আসা করে নি ছায়া। 

কিন্তু শাশুড়ী মায়ের কথা শুনে বেশ খুশি হচ্ছে ছায়া। 

খাবার শেষ করে উপরে গিয়ে কাপড় পাল্টে রেডি হয়ে নির্ঝর এর সাথে বেরিয়ে যায় ছায়া। গাড়িতে নির্ঝর একটা কথাই বলে,

--আমার মা বাবা যেন কখনো একটা বারের জন্য আন্দাজ না করতে পারে তোমার সাথে আমার সম্পর্ক ভালো নাই। 

ভীষন রা*গী হয়ে কথাটা বলে ।

আমি মাথা নিচু করে শুধু শুনি হ্যা না উত্তর দেবার ইচ্ছে নাই। 

নিজেকে কেমন ফ্যাকাসে মনে হয়। 

রং গুলো মুছে গেছে। 

দেখতে দেখতে কলেজে পৌঁছে গেলাম। 

গাড়ি থেকে নামতে নির্ঝর আমার দিকে তাকিয়ে বলল,

--নিতে আসবো এখান থেকে আমি না আসলে  নড়লে খবর আছে। 

আমি চুপচাপ মাথা নাড়িয়ে ঘরে চলে এলাম। 

নির্ঝর চলে গেল তার গন্তব্যে, 

চলবে?

তোর_উঠানে_বিকাল_ছায়া❤️

অণু- প্রথম খন্ড 

লেখিকা-লামিয়া রহমান মেঘলা

তাওবার গল্প লেখক : ইবনু কুদামা মাকদিসি প্রকাশনী : দারুল আরকাম

 একজন সাহাবী ভুলবশত ইহুদিদেরকে একটি গোপন তথ্য জানিয়ে দেন!

.

ইহুদি গোত্র বনু কুরাইজা আবু লুবাবা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পছন্দ করতো। অবরুদ্ধ অবস্থায় তাদের কী করা উচিত, কী হবে এই ব্যাপারে তারা তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি গোপন তথ্য জানিয়ে দিলেন।

.

তিনি অবচেতনভাবেই এমনটা করেন। এমন না যে তিনি মুসলিমদের ধোঁকা দেবার জন্য তথ্য ফাঁস করেন।

.

কিন্তু, এই কাজটি করার পর তিনি অনুতপ্ত হন। সোজা চলে যান মসজিদে। মসজিদের একটি খুঁটিতে নিজেকে বেঁধে ফেলেন। প্রতিজ্ঞা করেন, তাঁর তাওবার ব্যাপারে যদি আল্লাহ কোনো আয়াত নাযিল না করেন, তাহলে তিনি এভাবেই থাকবেন।

.

মসজিদে সবাই নামাজে যাচ্ছে, নামাজ শেষে বাড়ি। কিন্তু, আবু লুবাবা খুঁটিতে বাঁধা। নামাজের ওয়াক্ত হলে তাঁর স্ত্রী তাঁর জন্য বাঁধন খুলে দেন, খাবার সময় খাবার দেন। বাকি পুরো সময় তিনি বাঁধা থাকতেন। ভুলের কারণে নিজেই নিজেকে শাস্তি দেন।

.

এভাবে কেটে গেলো কয়েকদিন।

.

অতঃপর একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুখবর জানালেন। আবু লুবাবা রাদিয়াল্লাহু আনহুর তাওবা কবুলের বিষয়টি আল্লাহ পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করেছেন। সরাসরি আয়াত নাযিল করে জানিয়ে দেন, আবু লুবাবার এমন অনুতপ্ত হৃদয়ের আকুতি আল্লাহ শুনেছেন।

.

কিয়ামত পর্যন্ত যতো মানুষ আসবে, তারা জানবে কুরআনে একজন সাহাবীর তাওবার ঘটনা আছে।

.

তাওবার গল্প হলো পাপী বান্দাদের জন্য অনুপ্রেরণার। এরচাইতে ভালো ‘মোটিভেশনাল স্টোরি’ হতে পারে না!

.

তাওবার গল্পগুলো পড়লে মনে হয়, আমাদেরকেও আল্লাহ মাফ করতে পারেন। এই আত্মবিশ্বাস আসে। আল্লাহর কাছে নিজের সব ভুল স্বীকার করার অনুভূতি জাগ্রত হয়।

.

তাওবার এমন প্রায় ১০০টি গল্প নিয়ে দারুল আরকাম থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘তাওবার গল্প’।

.

আজ থেকে প্রায় ৯০০ বছর পূর্বের লেখা বইটিতে আছে- নবীদের তাওবার গল্প, পূর্ববর্তী উম্মতের তাওবার গল্প, সাহাবীদের তাওবার গল্প, আলেমদের তাওবার গল্প, অমুসলিমদের তাওবার গল্প।

.

৩১০ পৃষ্ঠার বইটি পড়তে গিয়ে কখনো দেখবেন চোখের কোণে অশ্রু, কখনো আনন্দিত হবেন।

.

এই বইটি পড়ে আল্লাহর প্রতি সুধারণা তৈরি হবে, অনুশোচনা নিয়ে আপনিও তাওবা করতে উৎসাহিত হবেন।

.

কাউকে গল্প শুনানোর জন্য বা দ্বীনের দাওয়াত দেবার জন্য এই বইটি খুবই উপযোগী।

.

তাওবার গল্প

লেখক : ইবনু কুদামা মাকদিসি

প্রকাশনী : দারুল আরকাম

৫০% ছাড়ে বইটি অর্ডার করতে ভিজিট করুন: https://www.wafilife.com/?p=198686

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৯-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৯-০২-২০২৫ খ্রি:। 




আজকের শিরোনাম:


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুরসহ সারাদেশে চলছে যৌথ বাহিনীর ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ ।


গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে - বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


ছয়টি সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ - ঐকমত্যের ভিত্তিতে অতি জরুরি সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে এ মাসের মাঝামাঝি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু - জানালেন আইন উপদেষ্টা।


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্বে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে যাতে ভারতীয় গণমাধ্যম জড়িত - বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব।


মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলে একটি বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে অন্তত ৪১ জনের প্রাণহানি। 


আজ ঢাকায় শুরু হচ্ছে পাঁচদিনব্যাপী জাতীয় যুব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৮-০২-২০২৫ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুরসহ সারাদেশে আজ থেকে যৌথ বাহিনীর ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু --- জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


ছয়টি সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ --- ঐকমত্যের ভিত্তিতে অতি জরুরি সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে এ মাসের মাঝামাঝি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু --- জানালেন আইন উপদেষ্টা।


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্বে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে যাতে ভারতীয় গণমাধ্যম জড়িত --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে অব্যাহত সহায়তার আশ্বাস জাতিসংঘ মহাসচিবের।  


মালিতে সামরিক বাহিনীর কনভয়ের ওপর সশস্ত্র হামলায় অর্ধশতাধিক নিহত।


এবং ‘‘রান ফর ইউনিটি, রান ফর হিউম্যানিটি’’ প্রতিপাদ্যে রাজধানীতে আজ অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা আন্তর্জাতিক ম্যারাথন-২০২৫।

সরকারি রেশন পণ্য ও কাস্টমস পণ্য কম মূল্যে এখন আপনাদের জন্য   ❤️সততা পাইকারি স্টোর ,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সরকারি রেশন পণ্য ও কাস্টমস পণ্য কম মূল্যে এখন আপনাদের জন্য 

 ❤️সততা পাইকারি স্টোর  আসসালামু আলাইকুম ❤️

  ❤️

 👉৫০%  ডিসকাউন্টে ধামাকা অফার 🔥কেন পাবেন কম দামে ভালো পণ্য? জানতে 👉01792-047832 ☎ সরাসরি কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন অথবা মেসেজ করুন। এবং অর্ডার করুন এখনই 

০/ চিনি প্রতি কেজি ৬০ টাকা 

১/সয়াবিন তেল ৫ লিটার৫০০ টাকা

 ২/সরিষার তেল ৫ লিটার ৬০০ টাকা

 ৩/জিরা প্রতি কেজি ৪০০ টাকা

 ৪/এলাচ প্রতি কেজি ৬০০ টাকা

 ৫/পিয়াজ প্রতি কেজি ৪০টাকা

 ৬/রসুন প্রতি কেজি ৭০ টাকা

 ৭/আলু প্রতি কেজি ২০ টাকা

 ৮/দারচিনি প্রতি কেজি ৪০০ টাকা

 ৯/লবঙ্গ প্রতি কেজি ৪০০ টাকা

==========================

 ১০/কাজুবাদাম প্রতি কেজি ৮০০ টাকা

 ১১/কাঠ বাদাম প্রতি কেজি ৬০০ টাকা

 ১২/কিসমিস প্রতি কেজি ৪০০ টাকা

=========================

 ১৩/মিনিকেট চাউল প্রতি কেজি ৫০টাকা

 ১৪/বাসমতি চাউল প্রতি কেজি ৬০ টাকা

 ১৫/চিনিগুড়া চাউল প্রতি কেজি ৬০ টাকা

 ১৬/মসুরের ডাল প্রতি কেজি ৫০ টাকা

 ১৭/বুটের ডাল প্রতি কেজি ৫০ টাকা

 ১৮/সোলার ডাল প্রতি কেজি ৫০ টাকা

 ১৯/মুগ ডাল প্রতি কেজি ৭০ টাকা

==========================

 ২০/গুড়া দুধ প্রতি কেজি ২০০ টাকা

 ২১/চা পাতা প্রতি কেজি ২০০ টাকা

=====================

২২/মরিচের গুঁড়া প্রতি কেজি  ১৩০ টাকা 

২৩/হলুদের গুড়া প্রতি কেজি ১৩০ টাকা 

২৪/আদা প্রতি কেজি ১৩০ টাকা 

২৫/শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৩০ টাকা 

======================

২৬/ হুইল পাউডার ১ কেজি প্যাকেট ৭০ টাকা 

২৭/ রিং পাউডার ১ কেজি প্যাকেট ৭০ টাকা 

২৮/ নারিকেল প্রতি পিস ৩০ টাকা 

২৯/ ময়দা / আটা ৩০ টাকা কেজি 

৩০/কালোজিরা ১কেজি ৩০০ টাকা৷                      

 ৩১/খেজুরের গুড় প্রতি কেজি ১২০ টাকা                                           ৩২/মুরি প্রতি কেজি ৫০ টাকা।                                            ৩৩/খেজুর প্রতি কেজি ৬০০ টাকা                          ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি শুধুমাত্র   অফিসে আপনার নামে অর্ডারটা কনফার্ম করার জন্য প্রোডাক্টের মূল্য থেকে ২০% পেমেন্ট  করে অর্ডার  কনফার্ম করতে হবে, বাকি ৮০% টাকা ডেলিভারি ম্যান কে পরিশোধ করবেন ।

 আমরা বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার ভিতরে হোম ডেলিভারি করে থাকি..

 আমাদের কাছ থেকে কোন প্রকারের প্রবলেম ছাড়াই ঘরে বসে পণ্য অর্ডার করতে পারবেন ১০০% গ্যারান্টি সহকারে পন্য লোকেশনে হোম ডেলিভারি করে থাকি। 

❤️❤️🛍️

👉বিঃদ্রঃ এগুলো সরকারি রেশন এবং কাস্টমসের বাছাই করা ভাল মাল।সুতরাং না জেনে না বুঝে কেউ মন্তব্য করবেন না 

❤️❤️

ঠিকানা, 

চুয়াডাঙ্গা, দর্শনা,  জিরো পয়েন্ট, 

কাস্টমস অফিস, গেট নং ২ 

মোবাঃ ০১৭৯২-০৪৭৮৩২

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...