এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

এক গ্রামে শ্রমিক লাগে ৬০০।  বেডা আছে ৫০০৷ মহাজনের কাছে শ্রমিক শর্ট ফেইষবুক থেকে নেওয়া ৷

 এক গ্রামে শ্রমিক লাগে ৬০০।  বেডা আছে ৫০০৷ মহাজনের কাছে শ্রমিক শর্ট৷ বেডা শ্রমিকদের ১০০০ টাকা মজুরি দেয়া লাগে।  ঐ টেকা দিয়ে পুরুষ শ্রমিকরা সংসার চালায়৷ মহাজন তো দেখল,  ব্যাপক মুশকিল৷ সে গ্রামের বেডিদের যাইয়া কইলো, তোরা জামাইর অত্যাচার সহ্য করতাছস কেন, জামাই তোগোরে খাওয়ার খোটা দেয়, ঠিক মত শপিং এর টেকা দেয় না,  আয় আমার কারখানায় কাম কর, তোগোরে টেকা দিমু, তোরা ঐ টেকা দিয়া শপিং করতে পারবি, রেস্টুরেন্টে ঘুরতে পারবি৷ জামাইর দিকে চাইয়া থাকতে হবে না, নিজে স্বাবলম্বী হবি, নিজের খরচ নিজে চালাবি৷ এখন বেডিগুলা নেমে গেছে কামলা দিতে৷ শ্রমিক হয়ে গেছে ১০০০, শ্রমিক লাগে ৬০০। শ্রমিকের দাম কমে গেছে৷ এইদিকে বেডিগুলা ২০০ টাকা মজুরি তেই কামলা দিতে রাজি হইয়া গেছে,  ওদের তো আর একাই পুরা ফ্যামেলি চালাইতে হবে না।  এখন বেডাগুলো যখন ১০০০ দাবি করল, মহাজন কয়, আরে যা ব্যাডা যাহ৷ ২৫০ টাকা মজুরি দিমু,  আইলে আয়,  না আইলে ভাগ।  আরো ৪০০ শ্রমিক সিরিয়ালে আছে৷ এখন ব্যাডাগুলো ২৫০ টাকায় কামলা দিতেই রাজি হয়ে গেল৷ এখন ২০০ + ২৫০ = ৪৫০ জামাই বৌ দুইজন মিলে কামাই করল৷ কিন্তু সংসার চালাইতে ১০০০ লাগে৷ তাই লিভিং স্ট্যান্ডার্ড কমাইয়া ফেলল৷ অথচ, জামাই যদি একা কামাই করতো,  তাহলে কিন্তু ১০০০ টাকাই কামাতে পারতো৷ 

এইদিকে লাগলো আরেক ভ্যাজাল। জামাইর ২৫০ টাকা দিয়া তো হচ্ছে না, সে বৌয়ের কামাইতে ভাগ দাবি করে বসল৷   সংসারের খরচ দেয়া তো জামাইর দায়িত্ব, বৌয়ের দায়িত্ব না৷ বৌ কামলা দিতে গেছে নিজে ভোগবিলাস করার জন্য, সংসারের খরচ দেয়ার জন্য না৷ এখন এই ট্যাকা নিয়া লাগলো বৌ জামাই মারামারি৷ সংসারে অশান্তি৷ কিসের পুরুষ মানুষ হইছে৷ সংসারের খরচ দেয়ার মুরোদ নাই, আবার বৌয়ের কামাই খাইতে চায়, কিসের পুরুষ সে৷ 

এরপরই একটা একটা করে সংসার ভাঙতে লাগলো৷ নারী এখন নিজে ২০০ টাকা কামাই করে,  নিজে খায় শুধু৷ পুরুষও নিযে ২৫০ টাকা কামাই করে, নিজে খায় শুধু৷ একার ইনকাম দিয়ে সংসার চালানো সম্ভব না৷ 

এইদিকে মহাজন তো লালে লাল৷ ব্যবসা চাংগা৷ অধিক প্রোডাকশন,  স্বল্প মজুরি, প্রচুর প্রফিট হচ্ছে৷ এই প্রফিট দিয়ে সে বান্ধা নারীবাদী ভাড়া রাখলো৷ নারীবাদী গুলো মহাজনের টাকায় মৌজ মাস্তি করতেছে, আর সাধারন নারীদেরকে বলতেছে, জামাইর সংসারে লাথি দিয়ে চলে আয়৷ মহাজনের কারখানায় কাম নে।  স্বাবলম্বী হ৷ পরাধীন থাকিস না৷ নিজের খরচ নিজে চালা৷ আর সাধারন নারীগুলো মগজ বন্ধক দিয়ে দিল।

শিশুর ছোট্ট পেট চিপস, চকলেট, কেক চানাচুর দিয়ে ভরবেন না

 শিশুর ছোট্ট পেট চিপস, চকলেট, কেক চানাচুর দিয়ে ভরবেন না। ❌

শিশু খেতে না চাইলে,

 অপেক্ষা করুন, 

খাবারের টেস্ট পরিবর্তন করে দিন,

খাবার বিরতি ২-৩ঘন্টা করুন

বাবুর পছন্দ কি সেটা একটু খেয়াল করুন

ওদের পেট এক মুষ্টির সমান, তাতে খুব কম খাবার আটে, তাই বা*জে খাবার দিয়ে পেট ভরালে রুচির ও স্বাস্থ্যের ২টারি ক্ষ*তি হবে।

কোন বিকল্প দেবেন না❌

বিকল্প বলতে, ধরুন আপনার বাবু ঘরের খাবার কোনোভাবেই খাচ্ছে না। আপনি একটা কেক দিলেন, সে খুব ভালো ভাবে খেয়ে নিল। আপনি ভাববেন থাক খেয়েছেতো। এই যে ভুল একবার করলে সে বুঝে যাবে, সে না খেলেই বিকল্প পাবে। খওায়া আরো কমবে।

অনেক বাবা মাই সন্তানকে বাইরের খাবার দিচ্ছেন না তবে অতি আদরে অনেক দাদা, দাদি বা নানা, নানি এসব বা*জে খাবার দিচ্ছে। দয়াকরে এসব করবেন না। আদর করতে গিয়ে ক্ষ*তি করা একদমি ঠিকনা।

ধন্যবাদ।

টবে ঢেঁড়স চাষ পদ্ধতি।

 টবে ঢেঁড়স চাষ পদ্ধতি।


ঢেঁড়স লেডিস ফিঙ্গার এবং ভেন্ডি নামেও পরিচিত। শহরের বাসা-বাড়ির ছাদে বা বারান্দায় বড় বড় টবে, মাটির চাঁড়িতে, ড্রামে সিমেন্টের বস্তা কিংবা একমুখ খোলা কাঠের বাক্সে সার মাটি ভরে অনায়াসেই ঢেঁড়শ চাষ করা যায়।


ঢেঁড়শে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে, তাছাড়া ভিটামিন -এ সহ অন্যান্য উপাদানও কিছু কিছু রয়েছে। বাংলাদেশে যে কোন সময় ঢেঁড়শ লাগানো যায়।


টবের মাটি তৈরি:


গাছের বৃদ্ধি এবং ঢেঁড়শের ভাল ফলনের জন্য মাটি অবশ্যই উর্বর, হালকা এবং ঝুরঝুরে হতে হবে। টবের মাটি ঝুরঝুরা রাখতে হলে সমপরিমাণে দো-আঁশ মাটি ও জৈব সারের সাথে কিছু কোকোপিট একসাথে ভালভাবে মেশাতে হবে। এঁটেল মাটিতে জৈব সারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। সাধারণভাবে প্রতি টবের মাটিতে চা চামচের ৪ চামচ টিএসপি সার ও ৫ - ৬ চা চামচ সরিষার খৈল মেশানো যেতে পারে।


জাত:


ঢেঁড়শের নানা জাত রয়েছে। এর মধ্যে বারি ঢেঁড়স -১, বারি ঢেঁড়স -২, পুশা শাওনি, কাবুলী ডোয়ার্ফ, লক্ষৌ ডোয়ার্ফ, লং গ্রীন, লং হোয়াইট, পেন্টাগ্রীণ

জাপানী প্যাসিফিক গ্রীন, শ্রাবণী, সাওয়ানী এগুলো চাষযোগ্য জাত।

কাবুলী ডোয়ার্ফ ও জাপানী প্যাসিফিক গ্রীন এ দুটো জাত সারা বৎসর ব্যাপী চাষ করা যায়।


========================================

কোকোপিটে উৎপাদিত সকল প্রকার সবজির চারা, মালচিং পেপার ও বীজ দেশের যে কোন প্রান্তে পেতে কল করুনঃ

সরকার এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেড

যশোর

মোবাইলঃ ০১৭৫২০৭৩৩৩১/০১৭৪৬৭৭৬৬১৬

===========================================


সময়:


সারা বছরই চাষ করা যায়। তবে সাধারণতঃ গ্রীষ্মকালে এর চাষ করা হয়। ফাল্গুন চৈত্র ও আশ্বিন-কার্তিক মাস বীজ বোনার উপযুক্ত সময়।


বীজ বপন:


প্রথমে বীজকে ২৪ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর নির্বাচিত টবের প্রতিটিতে ৩ থেকে ৪ টি করে বীজ বুনে দিতে হবে। কিছু দিন পর চারা বের হলে সবল ও শক্তিশালী একটি চারা রেখে বাকি চারা উপড়ে ফেলতে হবে।


পরিচর্যা:


ঢেঁড়শ গাছ পানি সহ্য করতে পারে না। গাছের গোড়ায় দাঁড়ানো পানি তাড়াতাড়ি সরিয়ে দিতে হবে। প্রত্যেকটা টবে পানি যাতে না বেধে থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে।


গাছ ১০ থেকে ১২ সেঃ মিঃ বড় হলে টবের কিনার ঘেঁসে ১ চা চামচ ইউরিয়া ও ১ চা-চামচ মিউরেট অব পটাশ মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।


রোগবালাই:


শুঁয়া পোকা কচি কাণ্ড ছিদ্র করে গাছের ক্ষতি করে। ভাইরাস (মোজাইক) রোগ ঢেঁড়শে প্রায়ই দেখা যায়। এ রোগে পাতা হলদে হয়ে কুঁচকে যায়। রোগাক্রান্ত গাছ তুলে মাটিতে পুঁতে দিতে হয়।

শুঁয়া পোকার আক্রমণ থেকে ঢেঁড়শ গাছকে বাঁচাতে হলে প্রতি লিটার পানিতে ১ মিঃ লিঃ ডায়াজিনন-৮০, নুভাক্রণ-৪০, একালাক্স-২৫ এর যে কোনটি অথবা ১ লিটার পানিতে ১ মিলি লিটার সিমবুশ-১০ মিশিয়ে সপ্রে করতে হবে।


ফসল সংগ্রহ:


বীজ বোনার ৬-৮ সপ্তাহের মধ্যে এবং ফুল ফোটার ৩-৫ দিনের মধ্যে ফল আসা শুরু হয়। জাত ভেদে ফল ৮-১০ সেমি. লম্বা হলেই সংগ্রহ করতে হয়।

থাইরয়েড থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়।

 থাইরয়েড থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়।থাইরয়েড সমস্যা প্রধানত দেখা যায় স্ট্রেস, ডায়েটের সমস্যা। ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করলেই রেহাই পাবেন থাইরয়েড সমস্যা থেকে।

আয়োডিন ও খনিজসমৃদ্ধ খাবার থাইরয়েডের জন্য অনেক বেশি উপকারী। তাই যে খাবারে এই উপাদানগুলো বেশি থাকে যেমন, দুধ, পনির, দই এই ধরনের দুগ্ধজাতীয় খাবার থাইরয়েডের জন্য অনেক বেশি উপকারী। আয়োডিন সাপ্লিমেন্টও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

আপনার থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে কোনও ভাবেই চিনি খাবেন না। অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে টি-৩ ও টি-৪ এই দুটি হরমোন উত্পন্ন হয়ে। যা স্বাস্থ্য়ের পক্ষে খারাপ।

যখন আমাদের দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়োডিন থাকে না তখন থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে পারে না। যা হাইপোথাইরয়েডিজম-এর দিকে পরিচালিত হয়ে। তাই আয়োডিন যুক্ত খাবার খান।

মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। থাইরয়েডের সমস্যা কম থাকে।

প্রতিদিনের খাবারে আয়রন কম পরিমাণে থাকলেও থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

হরমোন উৎপাদনের ভারসাম্যতা বজায় রাখতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অনেক উপকারী। এতে বিপাক ক্রিয়ার উন্নতি হয়। এ ছাড়া এটি শরীরের ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং শরীর থেকে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ বের করে পুষ্টি শোষণে সহায়তা করে।

আদায় বিভিন্ন রকম খনিজ যেমন- পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে। তাই এটি থাইরয়েডের সমস্যার জন্য অনেক কার্যকর। থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত আদা চা পান করা অনেক উপকারী।

থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ভিটামিন বি খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

বিশেষ করে ভিটামিন বি-১২ হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই যেগুলো খাবারে এই ভিটামিন বেশি থাকে যেমন, ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, বাদাম এগুলো প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অন্তভুক্ত করতে হবে যাতে এগুলি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি সরবরাহ করতে পারে।

ভিটামিন ডি এর অভাবেও অনেক সময় থাইরয়েডের সমস্যা হয়ে থাকে। আর একমাত্র সূর্যের আলোতেই শরীর ভিটামিন ডি প্রস্তুত করতে পারে। তাই দিনে অন্তত পক্ষে ১৫ মিনিট সূর্যের আলোয় থাকতে হবে। 

ভিটামিন ডি বেশি পরিমাণে থাকে এমন কিছু খাবার হচ্ছে- স্যালমন, ম্যাকারেল, দুগ্ধজাতীয় দ্রব্য, কমলালেবুর রস, ডিমের কুসুম ইত্যাদি।

যোগ ব্যয়াম ও ধ্যান থাইরয়েড গ্রন্থিতে রক্ত প্রবাহকে সঠিক রাখে।

সংগৃহীত স্বাস্থ্য টিপস

মিলিবাগ/ছাতরা পোকা।

 মিলিবাগ/ছাতরা পোকা।


পোকা চেনার উপায় :


দুধের মত সাদা বর্ণের এবং মোম জাতীয় পাউডার দ্বারা নরম দেহ আবৃত থাকে।


এরা কচি ফল, পাতা ও ডালের রস চুষে নেয়, ফলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে। পোকার আক্রমণে পাতা, ফল ও ডালে সাদা সাদা তুলার মত দেখা যায়। অনেক সময় পিঁপড়ার উপস্থিতি দেখা যায়। এদের আক্রমণে অনেক সময় পাতা ঝরে যায় এবং ডাল মরে যায়।


জৈবিক দমন:


* সাবানযুক্ত পানি স্প্রে করা যায় অথবা আধাভাঙ্গা নিমবীজের পানি (১ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম নিমবীজ ভেঙ্গে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ছেঁকে নিতে হবে) আক্রান্ত গাছে ১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করলে পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


* এছাড়াও সাবানের গুঁড়া (৫গ্রাম) ও নিমের পাতার রস প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। আক্রান্ত অংশ পোকাসহ তুলে ধ্বংস করতে হবে।


* খুব জোরে পানি স্প্রে করেও প্রাথমিক অবস্থায় এ পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


* এছাড়াও জৈব বালাইনাশক হিসাবে নিম তেল ২ মি.লি অথবা বায়োক্লিন বা বায়োট্রিন ১ মি.লি ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা যায়।


রাসায়নিক দমন:


* আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো অথবা ইমিটাফ) ১ মি.লি ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।


ইদানিং দেখা যায়, পলিথিন দিয়ে মাটি থেকে একটু ওপরে গাছের কান্ড মুড়িয়ে রাখা হয়। পলিথিন মোড়ানোর ফলে মিলিবাগ মাটি থেকে গাছ বেয়ে উপরে উঠে কলোনি তৈরি করতে পারে না। ফলে গাছের ডালপালা মিলিবাগ মুক্ত থাকে।


♦️*ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন  আমাদের সাথে।

পায়ের তলায় তেল লাগানোর উপকারিতা:

 ✅পায়ের তলায় তেল লাগানোর উপকারিতা:

১। একজন মহিলার নানার ৮৭ বছর বয়সে মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু তার পিঠ বাঁকা হয়নি, গাঁটে ব্যথা হয়নি, মাথা ব্যথা বা দাঁতের সমস্যা হয়নি। তিনি বলেছিলেন, "কলকাতায় রেললাইনের কাজ করার সময় একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি আমাকে শিখিয়েছিলেন যে, ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল লাগালে শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকে।"

২। একজন ছাত্র জানিয়েছে, তার মায়ের পরামর্শে সে তেল লাগানোর অভ্যাস করেছিল। তার মায়ের দৃষ্টিশক্তি একসময় কমে গিয়েছিল, কিন্তু তেল লাগানোর মাধ্যমে ধীরে ধীরে তা স্বাভাবিক হয়ে যায়।

৩। এক ব্যবসায়ী চিত্রালে একবার ঘুমাতে না পারায় এক বৃদ্ধ রাত্রিকালীন প্রহরী তাকে পায়ের তলায় তেল লাগানোর পরামর্শ দেন। ফলস্বরূপ, তিনি গভীর ঘুমে ঢলে পড়েন।

৪। ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল লাগালে ক্লান্তি দূর হয় এবং গভীর ঘুম আসে।

৫। আমার পেটের সমস্যাও পায়ের তলায় তেল লাগানোর মাধ্যমে দুই দিনের মধ্যে সেরে গেছে।

৬। তেল লাগানোর এই অভ্যাসে সত্যিই জাদুর মতো কাজ করে!

৭। আমি ১৫ বছর ধরে এটি করছি। আমার সন্তানদেরও পায়ের তলায় তেল লাগাই, এতে তারা সুস্থ থাকে।

৮। পায়ে ব্যথা ছিল, তেল লাগিয়ে ব্যথা দূর হয়েছে।

৯। পায়ের ফোলাভাবও মাত্র দুই দিনে কমে গেছে।

১০। এটি ঘুমের ওষুধের থেকে ভালো কাজ করে।

১১। একজন থাইরয়েড রোগী তেল লাগানোর অভ্যাসে ধীরে ধীরে সুস্থতা লাভ করেছেন।

১২। বয়স ৯০-এর এক হাকিম আমাকে বাওয়াসিরের চিকিৎসায় তেল লাগানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। এটি শুধু বাওয়াসিরই নয়, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং শরীরের ক্লান্তিও দূর করেছে।

✅ ব্যবহার পদ্ধতি:

রাতে ঘুমানোর আগে সরিষার তেল, জলপাই তেল বা যে কোনো তেল পায়ের তলায় ২-৩ মিনিট ধরে ভালোভাবে মালিশ করুন। শিশুদেরও এই অভ্যাস গড়ে তুলুন।

প্রাচীন চীনা চিকিৎসা মতে, পায়ের নিচে প্রায় ১০০টি এক্যুপ্রেশার পয়েন্ট রয়েছে, যেগুলো মালিশের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখে।

♦️ ভালো লাগলে শেয়ার করুন:

এই সহজ অথচ কার্যকর পদ্ধতিটি সবার সাথে শেয়ার করুন। এটি আপনার জন্য সওয়াবের কাজ হবে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুন।

বস্তায় আদা চাষ নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন ও উত্তর।

 বস্তায় আদা চাষ নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন ও উত্তর।


১। মাটি প্রস্তুতি:


* মাটি ১২-১৫ কেজি পরিমাণ, পঁচা গোবর সার/ভার্মি কম্পোস্ট সার ৫ কেজি, সাদা বালু ৪-৫ কেজি, ছাই ১ কেজি, ও কার্বোফুরান গ্রুপের দানাদার কীটনাশক ২৫ গ্রাম।


এর সাথে টিএসপি ১০ গ্রাম , এম ও পি ১০ গ্রাম, জিংক ও বোরন সার ৫ গ্রাম করে মিশাতে পারেন।


এগুলো এক বস্তার মাটি তৈরির জন্য। এগুলো একসাথে ভালো করে মিশিয়ে বস্তায় ভরে নিতে হবে।


আপনার মাটি যদি বেলে দোআঁশ হয় তবে বালুর পরিমাণ কম দিতে হবে।


২। বীজ সংগ্রহ:


নিকটস্থ সার ও বীজের দোকান হতে ভালো জাতের বীজ সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়া বাজারের যে আদা আমরা খাই ঐ আদাই বীজ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ওখান থেকে ভালো দেখে আপনার পছন্দের আদাই চাষ করতে পারেন।


৩। পানি সেচ:


বৃষ্টিপাত না হলে বস্তায় হালকা ভাবে ঝাঝরি দিয়ে অল্প পরিমাণে সেচ দিতে হবে। তবে বৃষ্টি স্বাভাবিক মাত্রায় হলে সেচের প্রয়োজন হয় না। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে পানি যেন না জমে থাকে।


৪। বীজের আকার ও রোপন পদ্ধতি :


প্রতি বস্তায় ৩৫-৫০ গ্রামের ২-৩ টি কুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ মাটির ভিতরে ৩-৪ ইঞ্চি গভীরে লাগাতে হবে। বীজ লাগানোর পর মাটি দ্বারা ঢেকে দিতে হবে।


৫। সার প্রয়োগ:


চারা লাগানোর দু’মাস পরে চার চা চামচ সরিষার খৈল ও আধ চামচ ইউরিয়া এবং রোপনের যথাক্রমে ৮০-৯০ দিন দিন পর ৫ গ্রাম ইউরিয়া, ৫ গ্রাম এমওপি সার আবার ১১০-১২০ দিন পর ৩ গ্রাম ইউরিয়া ৫ গ্রাম এমওপি সার ও ৫ গ্রাম ডিএপি সার বস্তায় প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োগের সময় মাটিটা একটু খুঁড়ে আলগা করে দিতে হবে।


৬। বীজ বপনের সময়:


বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য (এপ্রিল- মে) বপনের উপযুক্ত সময়।


#বিঃদ্রঃ শুরুতেই অনেক বেশি পরিমাণে বস্তায় আদা চাষ না করে অল্প পরিমাণে চাষ করতে পারেন, প্রয়োজনে নিকটবর্তী উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ?

 হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ? সমাধানঃ-

হার্ট এর ওজন প্রায় 300 গ্রাম। 

✅ হার্টের কাজঃ

পুরো শরীরে ব্লাড পাম্প করা। হার্ট ১ মিনিটে প্রায় ৭২ বার পাম্প করে।

হার্ট, প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ বার পাম্প করে থাকে।

হার্ট একবার পাম্প করলো মানে পুরো বডি তে ব্লাড পৌঁছে গেলো।

✅ হার্ট এর অসুখ কী :-

হার্ট এর অসুখ মানে আর্টারি তে চর্বি জমে যাওয়া, কোলেষ্টেরোল জমে যাওয়া, ফ্যাট জমে  যাওয়া।

এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ধীরে ধীরে হার্ট এর ব্লাড সাপ্লাই ক্ষমতা কমে যায়।

এটাকেই বলা হয় হার্টের অসুখ।

বর্তমানে হার্টের অসুখ টি বিশ্বের সব চেয়ে বড় অসুখ।

যেদিন হার্টের ব্লাড সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে সেদিন  হার্ট টাও বন্ধ হয়ে যাবে, মানে হার্ট এট্যাক হয়ে যাবে।

হার্ট এর আর্টারি গুলো 3-4 mm মোটা হয়।

✅ হার্ট এ ব্লকেজ হতে কত সময় লাগে?

বছরের পর বছর ধরে ধীরে ধীরে হার্ট ব্লকেজ তৈরী হয়।

মানুষ জন্মের পর পর ই ব্লকেজ তৈরী শুরু হয় না।

18-20 বছর বয়স থেকে এই ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে।

70%, 80%, 90% ব্লকেজ তৈরী হতে কম করে 30-40 বছর সময় লাগে।

50% ব্লকেজ হয়ে গেলেও মানুষ কোনো কষ্ট অনুভব করে না।

কারণ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য আরও 50% বাকি থাকে।

✅ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য হার্ট এর প্রয়োজন 10%, 20%, 30% জায়গা।

10% প্রয়োজন যখন মানুষ বসে থাকে।

20% প্রয়োজন যখন হাঁটা চলা করে।

30% প্রয়োজন যখন মানুষ দৌড়ায়।

যেদিন মানুষের ব্লকেজ 70% এর বেশি হয়ে যায় সেদিন থেকে মানুষ হার্ট এর সমস্যা অনুভব করতে থাকে। সেদিন থেকে কষ্ট শুরু হয়ে যায়।

✅ যদি দৌড়ালে বুকে ব্যাথা অনুভব হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 70% ক্রস করেছে।

যদি হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হয় তাহলে বুঝতে হবে ব্লকেজ 80%।

যদি সামান্য 10 ধাপ হাঁটলেই ব্যাথা হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 90%।

✅ এখানে বোঝা গেলো হার্ট এর পেশেন্ট 70% ব্লকেজ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সমস্যা সাধারণত বুঝতে পারে না।

✅ হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হলে এই পর্যায়কে বলা হয় "এনজাইনা।"

2%/year ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে 20 বছর বয়সের পর থেকে।

*** আমার লিখা পড়ে হার্ট এর অসুখ সম্পর্কে বুঝতে সময় লাগলো মাত্র কয়েক মিনিট, কিন্তু আপনি যদি কোন হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক যান তাহলে উনারা আপনাকে এতো বিস্তারিত বোঝাবে না, শুধু বলবে আপনার "করোনারী আর্টারি ডিজিজ "এ আক্রান্ত।

✅ আধুনিক উপায়ে ব্লকেজ পরীক্ষা, যেটা ও সঠিক নয়ঃ

আধুনিক যুগের ক্যার্ডিওলোজিস্ট রা ব্লকেজ এর পার্সেন্টেজ বোঝার জন্য তার ঢুকিয়ে এনজিওগ্রাফিক করেন, যেটাতে রেজাল্ট আসে রাউন্ড ফিগার যেমন 70%, 80%, 90%।

আমাদের মতে যেটা সঠিক নয়। কারণ সঠিক হলে রাউন্ড ফিগার না হয়ে হতো 70.25%, 80.03%, 90.৮১%।

✅ হার্ট এট্যাক মানে কি?

70% ব্লকেজ এর পর ধীরে ধীরে ব্লকেজ বাড়তে থাকে। এই ব্লকেজ এর উপর একটা পর্দা থাকে এবং ব্লকেজ বাড়ার সাথে সাথে পর্দাটির উপরেও চাপ তৈরী হতে থাকে।

এই চাপ বাড়তে বাড়তে একদিন হঠাৎ পর্দাটা ছিঁড়ে যায়।

পর্দা ছিঁড়ার সাথে সাথে পর্দার নিচে থাকা কেমিক্যাল রক্তে গিয়ে মিশে যার ফলে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়।

রক্ত জমাট বেঁধে গেলে এটাকে বলা হয় "ক্লট"।

এটি আর্টারির রাস্তা পুরো পুরি ব্লক করে দেয়। ব্লক 100% হয়ে যায়, হার্ট এ রক্ত পৌঁছতে পারে না তখন এটাকেই বলা হয় "হার্ট অ্যাটাক"।

✅ হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচার উপায়ঃ

ব্লকেজ 70%, 80%, 90% হয়ে গেলেও চেষ্টা করতে হবে ব্লকেজকে রুখে দেয়া।

ব্লকেজ না বাড়লে পর্দাটা ছিঁড়বে না, হার্ট অ্যাটাকও হবে না।

আরও ভালো হয় পর্দার নিচে জমে থাকা কিছু চর্বি যদি ধীরে ধীরে বের করে দেয়া যায়। সেজন্য নিয়মিত কমকরে হলেও ৪০ মিনিট হাঁটতে হবে। চর্বি জাতীয় খাদ্য বর্জন করতে হবে, ভাত, রুটি, মিষ্টি জাতীয় খাবার কমিয়ে দিতে হবে।

শরীরে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

✅ বুকে ব্যাথা অনুভব করলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তুলসীর ১৬ টি গুণাগুনঃ-

 আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তুলসীর ১৬ টি গুণাগুনঃ-তুলসী একটি মহা-মূল্যবান ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। এর পাতা, বীজ, ডাল সবকিছুই মানুষের উপকারে লাগে। আয়ুর্বেদে তুলসীকে ভেষজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। 

তুলসী সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মুত্রকর, হজমকারক ও এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বুদ্ধি ও স্মরণশক্তি বাড়াতে প্রতিদিন ৫-৭টা তুলসী পাতা খেতে পারেন। আসুন জেনে নিন এর ১৬ টি পুষ্টিগুণ-

১. জ্বর প্রতিরোধে-

জ্বর হলে পানির মধ্যে তুলসী পাতা, গোল মরিচ এবং মিশ্রী মিশিয়ে ভাল করে সেদ্ধ করুন। তুলসী পাতা, গোল মরিচ এবং মিশ্রী মিশিয়ে সিরাপ তৈরি করুন। দিনের মধ্যে তিন-চার বার সিরাপ খেলে জ্বর খুব তাড়াতাড়ি সেরে যাবে।

২. ডায়রিয়া হলে-

পেট খারাপ হলে তুলসীর ১০ টা পাতা সামান্য জিরের সঙ্গে পিষে ৩-৪ বার খেলে পায়খানা বন্ধ হয়ে যাবে।

৩. ত্বকের বলীরেখা ও ব্রন দূর করতে-

ত্বকের চমক বাড়ানো, ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান। স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ৫-৭ টা তুলসী পাতা চিবান। ত্বকের সমস্যা দূর করতে তিল তেলের মধ্যে তুলসী পাতা ফেলে হালকা গরম করে ত্বকে লাগান।

৪. মূত্রাশয়ের জ্বালা যন্ত্রনায়-

প্রস্রাবে জ্বালা হলে তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন। তুলসীর বীজ পানিতে ভিজালে পিচ্ছিল হয়। এই পানিতে চিনি মিশিয়ে শরবতের মত করে খেলে প্রস্রাবজনিত জ্বালা যন্ত্রনায় বিশেষ উপকার হয়।

৫. সর্দি-কাশিতে তুলসী-

ছেলেমেয়েদের সর্দি-কাশিতে তুলসী পাতার রস ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হয়। এসব ক্ষেত্রে কয়েকটি তাজা তুলসী পাতার রসের সাথে একটু আদার রস ও মধুসহ খাওয়ানো হয়। বাচ্চাদের সর্দি-কাশিতে এটি বিশেষ ফলপ্রদ। তাজা তুলসী পাতার রস মধু, আদা ও পিঁয়াজের রসের সাথে এক সাথে পান করলে সর্দি বের হয়ে যায় এবং হাপানিতে আরাম হয়।

৬. আমাশয়, রক্ত-

তুলসী পাতার রসে মধু মিশিয়ে খাওয়ালে বাচ্চাদের পেট কামড়ানো, কাশি ও লিভার দোষে উপকার পাওয়া যায়। এটি হজমকারক। প্রতিদিন সকালে ১৮০ গ্রাম পরিমান তুলসী পাতার রস খেলে পুরাতন জ্বর, রক্তক্ষয়, আমাশয়, পায়ু পথে রক্ত পরা রোগ ভালো হয়ে যায়।

৭. চর্মরোগে-

তুলসী পাতা ও দুর্বার ডগা বেটে গায়ে মাখলে ঘামাচি ও চুলকানি ভাল হয়। যে কোনো চর্মরোগ বা ঘা দ্রুত কমাতে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান, কমে যাবে।

৮. ম্যালেরিয়া জ্বর-

তুলসীর পাতা ও শিকড় ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য বেশ উপকারী। ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক হিসেবে প্রতিদিন সকালে গোল মরিচের সাথে তুলসী পাতার রস খেতে দেয়া হয়। বসন্ত, হাম প্রভৃতির পুঁজ ঠিকমত বের না হলে তুলসী পাতার রস খেলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসবে।

৯. বক্ষপ্রদাহ ও উদারাময়-

তুলসী পাতার রসের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ক্রিমি রোগে বেশ উপকার পাওয়া যায়। শুষ্ক তুলসী পাতা সর্দি, স্বরভঙ্গ, বক্ষপ্রদাহ, উদারাময় প্রভৃতি রোগ নিরাময় করে থাকে।

১০. কানের ব্যথায়-

তুলসী পাতার রস ফোঁটা ফোঁটা করে কানে দিলে কানের ব্যথা ও কান থেকে পুঁজ পড়া রোগ সেরে যায়।

১১. বাত ব্যথায়-

অর্শ এবং অজীর্ণ রোগ সেরে যায়। বাত ব্যথায় আক্রান্ত স্থানে তুলসী পাতার রসে ন্যাকড়া ভিজিয়ে পট্টি দিলে ব্যথা সেরে যায়।

১২. বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ কামড়ালে-

বোলতা, ভীমরুল, বিছা প্রভৃতি বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ কামড়ালে ঐ স্থানে তুলসী পাতার রস গরম করে লাগালে জ্বালা-যন্ত্রণা কম হয়।

১৩. যৌনদূর্বলতা-

তুলসী পাতার রস, এলাচ গুঁড়া এবং এক তোলা পরিমাণ মিছরী মিশ্রণ পান করলে ধাতু পরা সমস্যা ভালো হয়। এটি অত্যন্ত ইন্দ্রিয় উত্তেজক। প্রতিদিন এক ইঞ্চি পরিমাণ তুলসী গাছের শিকড় পানের সাথে খেলে যৌনদূর্বলতা রোগ সেরে যায়।

১৪. শ্লেষ্মা ও মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে-

তুলসী পাতা গরম পানিতে সেদ্ধ করে সে পানিতে গড়গড়া করলে মুখ ও গলার রোগজীবাণু মরে, শ্লেষ্মা দূর হয় ও মুখের দুর্গন্ধও দূর হয়। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসী পাতা চেবান ৷

১৫. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে-

এটি উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে হৃদপিণ্ডের রক্ত সরবরাহের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এটি যকৃতের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

১৬. পোড়া দাগ-

শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালা কমবে। পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। সেখানে কোন দাগ থাকবে না।

এই ওষধি পাতা সারাবছরই ব্যবহার করা যায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ ঔষধি গাছ আমাদের পরিবেশে, বনে-ঝোপে প্রাকৃতিক পরিবেশে খুব বেশি আর টিকে নেই। তুলসী গাছের বাতাস ও যথেষ্ট উপকারী। আসুন পরিবেশ বাঁচাতে গাছ রক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

অত্যন্ত স্বল্প খরচে প্রাকৃতিকভাবে কৃষিপণ্য ও ফল-সবজি সংরক্ষণের টেকনোলজি: **জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার **

 # অত্যন্ত স্বল্প খরচে প্রাকৃতিকভাবে কৃষিপণ্য ও ফল-সবজি সংরক্ষণের টেকনোলজি: **জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার **


**ZECC হলো এমন একটি সহজ প্রযুক্তি, যা কোনো কেমিক্যাল বা বিদ্যুৎ ছাড়াই শীতলতা সৃষ্টি করে ফসল ফ্রেশ রাখে, যা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এটি কম খরচে তৈরি করা যায়। যেসব অঞ্চলে কৃষকরা বিদ্যুৎবিহীন কোল্ড স্টোরেজ খুঁজছেন, তাদের জন্য ZECC হতে পারে একটি টেকসই সমাধান।** 


বাংলাদেশসহ অনেক দেশে কৃষকদের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো ফসল কাটার পর সংরক্ষণ করা। সঠিক সংরক্ষণের অভাবে প্রচুর পরিমাণে ফলমূল ও শাকসবজি নষ্ট হয়ে যায়, যা কৃষকদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোল্ড স্টোরেজ কৃষকদের জন্য ব্যয়বহুল ও বিদ্যুৎনির্ভর হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রেই তা ব্যবহারযোগ্য নয়। এই সমস্যার সমাধান হতে পারে "জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার" (ZECC), যা অত্যন্ত কম খরচে কার্যকরভাবে কৃষিপণ্য সংরক্ষণে সাহায্য করতে পারে।


জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার (ZECC) কী?


**ZECC এমন একটি প্রযুক্তি যা বাষ্পীয় শীতলীকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটিতে মূলত দুটি ইটের দেয়ালের মধ্যে বালু ভর্তি করে এবং তা নিয়মিত পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখা হয়। ফলে পানি বাষ্পীভূত হওয়ার সময় তাপ শোষণ করে ভিতরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়। এই চেম্বারের প্রধান কার্যপ্রণালী হলো বাষ্পীভবনের মাধ্যমে তাপমাত্রা কমানো। এই প্রক্রিয়ায় চেম্বারের ভেতরকার তাপমাত্রা আশপাশের পরিবেশের তুলনায় ১০-১৫°C কম থাকে।**


ভারতে মাঠপর্যায়ে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে ZECC ব্যবহার করে ফল ও সবজির সতেজকাল উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা যায়। 


তাদের গবেষণায় দেখা গেছে—


**- ব্রকলি: বাইরে ৭ দিন, ZECC-তে ১২ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব।**


**- কলা: বাইরে ৭ দিন, ZECC-তে ২০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব!**


**- টমেটো: বাইরের তাপমাত্রায় ৫-৭ দিন, ZECC-তে ১৫-২০ দিন সতেজ থাকে।**


**- আম: বাইরে ৬-৮ দিন ভালো থাকে, ZECC-তে ১৫ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।**


**- আলু বাইরে ৪৬ দিন, ZECC-তে ৯০ দিন ভাল থাকে। **


**- মরিচ বাইরে ৫ দিন, ZECC-তে ১০ দিন ভাল থাকে।**


**- পাতাযুক্ত সবজি যেমন লাল শাক, পালং শাক ZECC-এ ৩-৫ দিন পর্যন্ত সতেজ রাখা সম্ভব, যা বাইরে ১ দিনেই নষ্ট হতে পারে।**


এই কুলিং চেম্বার তৈরিতে কৃষকদের জন্য বাস্তবিক সুবিধাগুলো হচ্ছে—


**- এটি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব। এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে, তাই কোনো কেমিক্যাল কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগের প্রয়োজন হয় না।**


**- কম খরচে তৈরি করা সম্ভব। স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে এটি নির্মাণ করা যায়।**


**- ফসলের সংরক্ষণকাল বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা পণ্যের ভালো দাম পেতে পারে। ফলে কৃষকদের ক্ষতি কমে এবং লাভজনক কৃষি সম্ভব হয়।**


**- পুষ্টিমান অটুট থাকে। প্রচলিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণের চেয়ে এটিতে ফল ও সবজির স্বাদ ও পুষ্টিমান ভালোভাবে বজায় রাখে।**


**- কোনো দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন নেই, সাধারণ কৃষকরাও এটি তৈরি করতে পারেন।  **


**- শুধুমাত্র দৈনিক দুইবার পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে রাখলেই এটি কার্যকর থাকে। একবার তৈরি করলে অনেক বছর ধরে ব্যবহার করা যায়।  **


**- বিভিন্ন খামারজাত পণ্য সংরক্ষণেও ব্যবহারযোগ্য। শাকসবজি ও ফল ছাড়াও দুধ, দই, ফুল, রান্না করা খাবার, মাশরুম ইত্যাদি সংরক্ষণে এটি কার্যকর।  **


*ভারতের মিজোরামে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের উপর গবেষণায় দেখা গেছে, ZECC ব্যবহারের ফলে কৃষকরা তাদের বিক্রয়যোগ্য ফ্রেশ পণ্যের পরিমাণ ৩০-৪০% পর্যন্ত বাড়াতে পেরেছে। কৃষকরা তাদের ফসল সংরক্ষণ করতে পারায় তারা ভালো দামে বিক্রি করতে পেরেছে।*


বাংলাদেশে পচনশীল কৃষিপণ্য সংরক্ষণের অভাবে কৃষকরা প্রায়ই বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হন। প্রচলিত কোল্ড স্টোরেজ ব্যবস্থাপনা ব্যয়বহুল এবং বিদ্যুৎনির্ভর, যা অনেক কৃষকের নাগালের বাইরে। এই সমস্যার সমাধানে "জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার" (ZECC) একটি টেকসই ও কার্যকরী সমাধান হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।


ZECC নির্মাণের উপকরণ ও পদ্ধতি—


*- ইট*


*- জল শোষণকারী পদার্থ (বালি, খড় বা কাঠের গুঁড়া) *


*- সিমেন্ট*


*- কাঠ*


*- জিআই তার*


*- শিট*


*এছাড়াও, স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য উপকরণ যেমন কাদামাটি, বাঁশ, শুকনো ঘাস ও পাটের চট ইত্যাদি দিয়েও জিরো এনার্জি কুলিং চেম্বার তৈরি করা যায়। *


নির্মাণ পদ্ধতি:


*1. স্থান নির্বাচন: ছায়াযুক্ত স্থানে ZECC তৈরি করা হয়।*


*2. ইটের কাঠামো: দুই স্তরের ইটের দেয়াল তৈরি করা হয়, যার মধ্যে ৭.৫ সেমি ফাঁক থাকে।*


*3. বালু ভরাট: দেয়ালের মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গা বালু দিয়ে ভরাট করা হয়।*


*4. পানির ব্যবহার: বালুতে নিয়মিত পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখা হয়, যাতে বাষ্পীয় শীতলীকরণ প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে।*


*5. ছাদ নির্মাণ: রোদ ও বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা করতে টিনের ছাদ তৈরি করা হয়।*


*

*Muhammad Rahat

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...