এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

টবে ঢেঁড়স চাষ পদ্ধতি।

 টবে ঢেঁড়স চাষ পদ্ধতি।


ঢেঁড়স লেডিস ফিঙ্গার এবং ভেন্ডি নামেও পরিচিত। শহরের বাসা-বাড়ির ছাদে বা বারান্দায় বড় বড় টবে, মাটির চাঁড়িতে, ড্রামে সিমেন্টের বস্তা কিংবা একমুখ খোলা কাঠের বাক্সে সার মাটি ভরে অনায়াসেই ঢেঁড়শ চাষ করা যায়।


ঢেঁড়শে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে, তাছাড়া ভিটামিন -এ সহ অন্যান্য উপাদানও কিছু কিছু রয়েছে। বাংলাদেশে যে কোন সময় ঢেঁড়শ লাগানো যায়।


টবের মাটি তৈরি:


গাছের বৃদ্ধি এবং ঢেঁড়শের ভাল ফলনের জন্য মাটি অবশ্যই উর্বর, হালকা এবং ঝুরঝুরে হতে হবে। টবের মাটি ঝুরঝুরা রাখতে হলে সমপরিমাণে দো-আঁশ মাটি ও জৈব সারের সাথে কিছু কোকোপিট একসাথে ভালভাবে মেশাতে হবে। এঁটেল মাটিতে জৈব সারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। সাধারণভাবে প্রতি টবের মাটিতে চা চামচের ৪ চামচ টিএসপি সার ও ৫ - ৬ চা চামচ সরিষার খৈল মেশানো যেতে পারে।


জাত:


ঢেঁড়শের নানা জাত রয়েছে। এর মধ্যে বারি ঢেঁড়স -১, বারি ঢেঁড়স -২, পুশা শাওনি, কাবুলী ডোয়ার্ফ, লক্ষৌ ডোয়ার্ফ, লং গ্রীন, লং হোয়াইট, পেন্টাগ্রীণ

জাপানী প্যাসিফিক গ্রীন, শ্রাবণী, সাওয়ানী এগুলো চাষযোগ্য জাত।

কাবুলী ডোয়ার্ফ ও জাপানী প্যাসিফিক গ্রীন এ দুটো জাত সারা বৎসর ব্যাপী চাষ করা যায়।


========================================

কোকোপিটে উৎপাদিত সকল প্রকার সবজির চারা, মালচিং পেপার ও বীজ দেশের যে কোন প্রান্তে পেতে কল করুনঃ

সরকার এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেড

যশোর

মোবাইলঃ ০১৭৫২০৭৩৩৩১/০১৭৪৬৭৭৬৬১৬

===========================================


সময়:


সারা বছরই চাষ করা যায়। তবে সাধারণতঃ গ্রীষ্মকালে এর চাষ করা হয়। ফাল্গুন চৈত্র ও আশ্বিন-কার্তিক মাস বীজ বোনার উপযুক্ত সময়।


বীজ বপন:


প্রথমে বীজকে ২৪ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর নির্বাচিত টবের প্রতিটিতে ৩ থেকে ৪ টি করে বীজ বুনে দিতে হবে। কিছু দিন পর চারা বের হলে সবল ও শক্তিশালী একটি চারা রেখে বাকি চারা উপড়ে ফেলতে হবে।


পরিচর্যা:


ঢেঁড়শ গাছ পানি সহ্য করতে পারে না। গাছের গোড়ায় দাঁড়ানো পানি তাড়াতাড়ি সরিয়ে দিতে হবে। প্রত্যেকটা টবে পানি যাতে না বেধে থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে।


গাছ ১০ থেকে ১২ সেঃ মিঃ বড় হলে টবের কিনার ঘেঁসে ১ চা চামচ ইউরিয়া ও ১ চা-চামচ মিউরেট অব পটাশ মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।


রোগবালাই:


শুঁয়া পোকা কচি কাণ্ড ছিদ্র করে গাছের ক্ষতি করে। ভাইরাস (মোজাইক) রোগ ঢেঁড়শে প্রায়ই দেখা যায়। এ রোগে পাতা হলদে হয়ে কুঁচকে যায়। রোগাক্রান্ত গাছ তুলে মাটিতে পুঁতে দিতে হয়।

শুঁয়া পোকার আক্রমণ থেকে ঢেঁড়শ গাছকে বাঁচাতে হলে প্রতি লিটার পানিতে ১ মিঃ লিঃ ডায়াজিনন-৮০, নুভাক্রণ-৪০, একালাক্স-২৫ এর যে কোনটি অথবা ১ লিটার পানিতে ১ মিলি লিটার সিমবুশ-১০ মিশিয়ে সপ্রে করতে হবে।


ফসল সংগ্রহ:


বীজ বোনার ৬-৮ সপ্তাহের মধ্যে এবং ফুল ফোটার ৩-৫ দিনের মধ্যে ফল আসা শুরু হয়। জাত ভেদে ফল ৮-১০ সেমি. লম্বা হলেই সংগ্রহ করতে হয়।

কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...