এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

কমপক্ষে ০১ বার পড়ুন সবগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ আমল...

 কমপক্ষে ০১ বার পড়ুন সবগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ আমল....❤️


১.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ 

২.জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহওয়া আহলুহু 

৩.লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ জলিমিন।

৪.আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিন নাবিয়িল উম্মিয়ি ওয়ালা আলি ওয়াসাল্লিম তাসলিমা। 

৫.বিসমিল্লাহি ফি সাবিলিল্লাহ ওয়ালা মিল্লাতি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। 

৬.আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিন শাররি বাসার। 

৭.আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিন আযাবিল কবর। 

*আউযুবিকা মিন আযাবিল জাহান্নাম। 

*আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহিয়া ওয়ালা মামাতি। 

*আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসিহিদ দা'জ্জা'ল। 

৮.আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়িনা মুহাম্মদ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। 

৯.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফিয়ান ওয়ারিঝকান ত্বইবান ওয়া আমালান মুতাকাব্বালান। 

১০.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসালুকাল জান্নাতা ওয়া আউযুবিকা মিনান্নার। 

১১.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা রিদ্ধাকাওয়াল জান্নাত। 

১২.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খতিমা। 

১৩.আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা মিন ফাদলিক। 

১৪.আল্লাহুমা ইন্নি আস আলুকা হুব্বাকা হুব্বা মান  ইউহিব্বুক। 

১৪.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন জান্নাতুল ফেরদাউস। 

১৫.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফিতনাতিল দুনিয়া আমিন.... 🌸❤️


- পড়া শেষে আলহামদুলিল্লাহ।❤️🌸

শবে বরাত সম্পর্কে বিভ্রান্ত হতে হবে না। এই লেখাটি সুন্দর সমাধান দেবে, ইনশাআল্লাহ।

 শবে বরাত সম্পর্কে বিভ্রান্ত হতে হবে না। এই লেখাটি সুন্দর সমাধান দেবে, ইনশাআল্লাহ।

.

☑ শবে বরাত কি মর্যাদাপূর্ণ?

.

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা শাবানের মধ্যরাতে (১৪ তারিখ দিবাগত রাত, যা শবে বরাত নামে প্রচলিত) তাঁর সৃষ্টির প্রতি (দয়ার) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক/বিদ্বেষপোষনকারী ব্যতীত সবাইকে ক্ষমা করে দেন।’’ [ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৫৬৬৫; বিভিন্ন সম্পূরক ও শাহিদ হাদিসকে সামনে রেখে এই হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন—শায়খ আলবানি (সিলসিলা সহিহাহ: ১১৪৪), শায়খ শুয়াইব আরনাউত্ব (তালিক মুসনাদে আহমাদ: ৬৬৪২) এবং অন্যান্য অনেক মুহাদ্দিস]

.

এই হাদিস অনুযায়ী, আল্লাহ সকল মুসলিমের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন—দুই শ্রেণি ছাড়া। তারা হলো: হিংসা-বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যক্তি ও আল্লাহর সাথে শির্ককারী (মুশরিক)। অতএব, শবে বরাতে আল্লাহ কর্তৃক ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার অন্তর্ভুক্ত হতে চাইলে এই দুটো (হিংসা ও শির্ক) জঘন্য কাজ ত্যাগ করা অপরিহার্য। তবে, এই হাদিসটির অন্যান্য বর্ণনাসূত্রে আরও কিছু গুনাহের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তির কথা এসেছে, যারা এই ক্ষমার আওতায় আসতে পারবে না। তারা হলো: মদপানকারী, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী, আত্মহত্যাকারী, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, অহংকারবশত টাখনুর নীচে কাপড় পরিধানকারী (পুরুষ)। সুতরাং, এই রাতের সাধারণ ক্ষমার অন্তর্ভুক্ত হতে এই গুনাহগুলো থেকেও বেঁচে থাকা জরুরি।

.

🕗 শবে বরাতের রোজা:

.

অত্যন্ত দুর্বল হাদিসে এই রাতের রোজার কথা এসেছে। এরকম দুর্বল হাদিসের দলিল দিয়ে এই রাতে রোজা রাখাকে সুন্নাত বলা যাবে না। তবে, যেহেতু নবিজি শাবান মাসে খুব বেশি পরিমাণে রোজা রাখতেন (সহিহ বুখারি: ১৯৬৯), সেহেতু এই মাসের যেকোনো দিনেই রোজা রাখা উত্তম। আর, প্রতি চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ (আইয়ামে বীযের) রোজা রাখা তো সুন্নাত। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে যারা রোজা রাখতে ইচ্ছুক, তাদের নিয়ত থাকবে—তাঁরা আইয়ামে বীযের নফল রোজা অথবা শাবান মাসের সাধারণ কোনো নফল রোজা রাখছেন। 

.

⚠️ যে বিষয়গুলো জানা দরকার:

.

(১) খুব ভালো করে বুঝুন—শবে বরাতে পালনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো আমল সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। তবে, এই রাতটির ফজিলত বা মর্যাদা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। যেহেতু রাতটির মর্যাদা আছে, সেহেতু এই রাতে যেকোনো নফল ইবাদত করা বৈধ এবং মুস্তাহাব (উত্তম); এমনটিই বলেছেন—ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল, ইমাম আউযাঈ, ইমাম নববি, ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ, ইমাম ইবনু রজবসহ অন্যান্য আলিমগণ। রাহিমাহুমুল্লাহ। এজন্য, কেউ চাইলে এই রাতে দু‘আ, দরুদ, নামাজ, রোজা, যিকর, তিলাওয়াত, ইস্তিগফার, কবর যিয়ারত ইত্যাদি নফল আমল করতে পারেন। কিন্তু এগুলোর কোনোটিকেই নির্দিষ্ট করে ‘‘শবে বরাতের আমল’’ মনে করে করা যাবে না।

.

বিপরীতে, অনেক ইমাম এই রাতকে আলাদা গুরুত্ব দিয়ে ইবাদত করা বিদ‘আত মনে করতেন। তাঁদের মাঝে অন্যতম হলেন—ইমাম আত্বা, ইমাম ইবনু আবি মুলাইকা, ইমাম মালিক, ইমাম আবদুর রহমান প্রমুখ রাহিমাহুমুল্লাহ। সালাফদের অনেকের কাছে এই রাতটির বিশেষত্ব ছিলো না। তাঁরা এ সংক্রান্ত হাদিসকে দুর্বল সাব্যস্ত করতেন।  

.

তাহলে আলিমগণের মাঝে দুটো মত পেলাম। 

.

প্রথম মত: শবে বরাতের কোনো বিশেষ আমল সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত নয়, কিন্তু এই রাতটির মর্যাদা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। এজন্য এই রাতে “শবে বরাতের আমল” মনে না করে যেকোনো নেক আমল করা যাবে। এটিই অধিকাংশ আলিমের মত।

.

দ্বিতীয় মত: এই রাতের বিশেষ আমল নেই এবং এই রাতটিও বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ নয়। তাঁদের মতে, এ সংক্রান্ত সব হাদিস দুর্বল। আলিমগণের একটি অংশ মত দিয়েছেন।

.

যেহেতু দুটো মতের পক্ষেই নির্ভরযোগ্য আলিমগণের অবস্থান ছিলো এবং আছে, সেহেতু এ নিয়ে কারও উপর আক্রমণাত্মক হওয়া উচিত নয়। এটি এমন ইখতিলাফ (মতভিন্নতা), যেটি নিন্দনীয় নয়। 

.

(২) এই রাতে গোসল করার ফজিলতের কথা হাদিসে আসেনি। ‘‘সওয়াব হবে’’ মনে করে এই রাতে গোসল করলে তা বিদ‘আতি কাজ হবে।

.

(৩) এই রাত ভাগ্যরজনী নয়। ভাগ্যরজনী বা ভাগ্যের রাত হলো, লাইলাতুল কদর। প্রত্যেক যুগের আলিমগণ স্পষ্টভাবে বলেছেন, ভাগ্যরজনী হলো লাইলাতুল কদর, যাকে আমরা শবে কদর বলি। শবে কদর শব্দের অর্থই হলো, “কদরের রাত”। শব অর্থ রাত আর কদর অর্থ: ভাগ্য। সুরা কদরের তাফসিরে এ ব্যাপারে বিস্তারিত পাবেন।

আলিমগণ বলেন, মূলত “শবে বরাত” পরিভাষাটি হওয়া উচিত ছিলো ‘‘শবে বারাআত’’ বা ‘‘লাইলাতুল বারাআত’’। শব/লাইলাতুন অর্থ রাত আর বারাআত অর্থ মুক্তি। অর্থাৎ ‘‘মুক্তির রাত’’। যেহেতু এই রাতে অসংখ্য মুসলিমের (গুনাহ থেকে) মুক্তির সুসংবাদ দেওয়া হয়, তাই এই নামকরণ যৌক্তিক। কিন্তু ‘‘শবে বারাআত’’-এর জায়গায় ‘‘শবে বরাত’’ পরিভাষাটি প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে। সুতরাং ‘শবে বরাত’ মানে ভাগ্যরজনী ভেবে বিভ্রান্ত হবেন না। ভাগ্যরজনী একটিই, তা হলো—লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। 

.

আমরা যেটিকে “শবে বরাত” বলি, হাদিসে সেটিকে ‘‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’’ বা “মধ্য শাবানের রাত” বলা হয়েছে। 

.

(৪) এই রাত উপলক্ষে হৈ-হুল্লোড় করা, আতশবাজি ফোটানো, হালুয়া-রুটি করা—এগুলোর কোনোটিই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। কোনো সওয়াব বা ইবাদতের নিয়ত ব্যতীত কেবল এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের মুসলিম সংস্কৃতির অংশ হিসেবে কেউ যদি হালুয়া-রুটি বা অন্য কোনো খাবারের আয়োজন করে, তবে সেটি বিদ‘আত কিংবা নিন্দনীয় হবে না। কিন্তু সমস্যা হলো: মানুষ সংস্কৃতি আর ইবাদতের পার্থক্য বুঝে না। তারা এসব কাজকেও ইবাদত মনে করে। তাই, এগুলো থেকে দূরে থাকাই সতর্কতার দাবি।

.

(৫) ‘‘শবে বরাতের নামাজ’’ বলতে বিশেষ পদ্ধতির নির্দিষ্ট সংখ্যক রাকাতের কোনো নামাজ নেই। তবে, যেহেতু এই রাতের বিশেষ মর্যাদা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত, তাই কেউ চাইলে সাধারণভাবে নফল নামাজ পড়তে পারেন, অন্য সময় যেভাবে পড়েন। আরেকটি কাজ করা যেতে পারে। সেটি হলো: ইশা এবং ফজরের নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা। হাদিসে এসেছে, এই দুই নামাজ জামাতে পড়লে সারা রাত নামাজ আদায়ের নেকি হয়। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ১৩৭৭]

.

সারকথা: শবে বরাতের নির্দিষ্ট কোনো আমল সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়, তবে শবে বরাত (মধ্য শাবানের রাত)-এর বিশেষত্ব ও মর্যাদা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। সুতরাং রাতটি মর্যাদাপূর্ণ হওয়ায় কেউ চাইলে যেকোনো নফল আমল করতে পারেন। এটি মুস্তাহাব (উত্তম) হিসেবে গণ্য হবে। তবে, এগুলোর কোনোটিকেই ‘‘শবে বরাতের রোজা’’ বা “শবে বরাতের নামাজ” হিসেবে নির্দিষ্ট বা সংজ্ঞায়িত করা যাবে না। অধিকাংশ ইমাম এই মতই দিয়েছেন। 

.

আল্লাহু আলামু বিস সওয়াব।

.

#Tasbeeh

মাইক্রোগ্রিন**– একটি সময়োপযোগী কৃষি প্রযুক্তি! জন্ম বাংলার প্রাকৃতিক পরিবেশ

 # **মাইক্রোগ্রিন**– একটি সময়োপযোগী কৃষি প্রযুক্তি!

> এখন খাদ্যে ভেজাল ও কীটনাশকের কারণে সবাই-ই নিজেদের শাকসবজি নিজেরাই উৎপাদনের চিন্তা করেন। কিন্তু নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেকেই এটা পারেননা। কারো জায়গা নেই, আবার কারো সময় নেই। আর শাকসবজি ফলাতে একইসাথে জ্ঞান ও দক্ষতাও দরকার।


**তবে চিন্তার কিছু নেই। আপনি শাকসবজি ফলাতে না পারলেও মাইক্রোগ্রিন ঠিকই চাষ করতে পারবেন। একটি স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির নাম মাইক্রোগ্রিন। এর মাধ্যমে খুব সহজেই পরিবারের প্রতিদিনকার সবুজ খাবার ও ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করতে পারবেন।**


শহরে শাকসবজি ফলাতে ছাদ লাগেই। কিন্তু মাইক্রোগ্রিনের জন্য শুধু জানালা কিংবা বারান্দার কাছে অল্প একটু জায়গা হলেও চলে। মাইক্রোগ্রিন চাষের জন্য বিশেষ ঋতুর প্রয়োজন নেই। বাড়িতে যেকোন সময়ে চাষ করতে পারবেন। বেশিরভাগ শাকসবজি খাওয়ার উপযোগী হতে কয়েকমাস যাবৎ সময় লাগে। সেখানে মাইক্রোগ্রিন মাত্র ৭-১০ দিনেই কাঁচা বা রান্না করে খাওয়ার উপযুক্ত হয়ে যায়।


**বাচ্চারা সহ যেকোন বয়সের মানুষ মাইক্রোগ্রিন উৎপাদন করতে পারে। এর জন্য কোন বীজ কতদিনে এবং কোন প্রক্রিয়ায় অঙ্কুরিত হয় তা জানতে হবে। আর বীজের অঙ্কুরোদগম ও পরিচর্যা নিয়ে খানিকটা পড়াশোনা করতে হবে। ইউটিউবে ‘হাউ টু গ্রো মাইক্রোগ্রিন’ সার্চ করলেই অনেক টিউটোরিয়াল ভিডিও পাবেন।**


আশির দশকের দিকে ক্যালিফোর্নিয়ার শেফরা মাইক্রোগ্রিনের জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করেছিল। তারা ১০-১৪দিন বয়সী গাছ যেগুলোর সদ্য ২-৩টি পাতা গজিয়েছে, সেগুলো তুলে শিকড় বাদ দিয়ে খাবারে পরিবেশন করত। পরে গবেষণায় এর পুষ্টিগুণ নিয়ে নানা তথ্য উদঘাটিত হয়ে আসে। সদ্য অঙ্কুরিত গাছের মধ্যে থাকে অসংখ্য পুষ্টি উপাদান। মাইক্রোগ্রিনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও মিনারেল।


**মাইক্রোগ্রিন হচ্ছে সবজি বা ভেষজ উদ্ভিদের কম বয়সী চারা। এই চারাগাছ এক বা দুই সপ্তাহ বয়সেই কাঁচা খেতে হয়। মাইক্রোগ্রিন চাষের উদ্দেশ্য ভরপেট খাওয়া নয়, পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা। শাকসবজিতে যে পরিমাণ পুষ্টি মাইক্রোগ্রিনে তা কয়েকগুণ বেশি পাওয়া যেতে পারে।**


*ছোলা, ধনিয়া, পালং, তিল, বাঁধাকপি, কুমড়া, মূলা, গম, মুগ, মসুর, মেথি, সরিষা, ক্যাপসিকাম, সিম, সূর্যমুখী, আলফাআলফা, বিট, ব্রকোলি, মৌরি, রোজেলা, মটরশুঁটি, শালগম, অমরান্থ, আরুগুলা, তোকমা, তিসি ইত্যাদি বীজ দিয়ে মাইক্রোগ্রিন বানানো হয়।*


*সব শাকসবজির মাইক্রোগ্রিন হয় না। যেসব সবজি ও শাক চারা অবস্থায় কাঁচা খাওয়া যায় সেসবের বীজই একাজে ব্যবহার হয়।*


সাধারণত অঙ্কুরিত হওয়ার সাত বা থেকে বিশ দিনের মধ্যে খাওয়ার উপযোগী হয় মাইক্রোগ্রিন। চারায় যখন দুটি করে পাতা গজায় তখন থেকেই ওটা মাইক্রোগ্রিন। একাধিক ট্রেতে কয়েক ধরনের মাইক্রোগ্রিন একসঙ্গে চাষ শুরু করলে কিছু দিন পরপরই আহরণ করতে পারবেন।


মাইক্রোগ্রিনের জন্য কমার্সিয়াল ট্রে পাওয়া যায় অনলাইন মার্কেটে। তবে যেকোন টব, ট্রে বা অন্য পাত্রেও এটার চাষ করা সম্ভব। ধানের বীজতলার জন্য যেমন অল্প জায়গা লাগে, তেমনি একটি পরিবারের মাইক্রোগ্রিন ফলাতেও খুব অল্প জায়গা যথেষ্ট হয়।


বীজ কেনা ছাড়া মাইক্রোগ্রিনে খরচ আর কিছুই নেই বলতে গেলে। বাজারের খুচরা প্যাকেটজাত বীজ দিয়ে মাইক্রোগ্রিন ফলাতে গেলে বেশি খরচ পড়বে। দীর্ঘমেয়াদে যারা চাষ করতে চান তারা বেশি করে খোলা বীজ পাইকারি কিনে নিতে পারেন।


**বীজ থেকে সদ্য অঙ্কুরিত মাইক্রোগ্রিনে সবরকম পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের মাইক্রোগ্রিন মিশিয়ে মিষ্টি, টক, ঝাঝালো ইত্যাদি স্বাদের এবং সবুজ, লাল, বেগুনি, সাদা ইত্যাদি রঙের বৈচিত্র্য আনা যায়।**


সকাল-বিকাল নাস্তার উপরে মাইক্রোগ্রিন ছড়িয়ে খাওয়া যায়। চারাগুলো গোড়া থেকে কাচি দিয়ে কেটে সরাসরি ছড়িয়ে দিতে পারেন আপনার খাবারের বাটিতে। এটা সব ধরনের রেসিপিতেই ব্যবহার করতে পারেন। তবে রান্না করলে এর পুষ্টিগুণ কিছুটা ব্যাহত হয়।


Muhammad Rahat

মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে পড়িনি একটু পড়েই দেখুন না। জাযাকাল্লাহ। FAIROZ NUSIBA ফেইসবুক থেকে নেওয়া

মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে পড়িনি

একটু পড়েই দেখুন না। জাযাকাল্লাহ।


পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি - 


"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।" 


يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي


তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,


يَغْسِلُونَني


আমাকে গোসল করাবে,


يَكْفِنُونَنِي


(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,


يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي


আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,


يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)


আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,


وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي


আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,


بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي


অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,


وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ


কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,


أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا


আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,


مَفَاتِيحِي


আমার চাবির গোছাগূলো,


كِتَابِي


আমার বইপত্র,


حَقِيبَتِي


আমার ব্যাগ,


أَحْذِيَتِي


আমার ‍জুতোগুলো,


وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي


হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,


تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ


এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,


وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ


এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,


وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ


অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,


وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها


আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,


وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ


আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,


بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها


অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,


القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......


ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)


وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!


আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!


لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟


কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?


وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....


কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,


وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!


যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,


وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!


তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!


وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!


আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!


لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....


এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,


فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....


এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…


فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:


অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,


1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ


১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,


2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....


২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,


3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!


৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!


اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....


মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,


لَقدْ زَالَ عِندَكَ:


তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):


1ــ الجَمَالُ


১. সৌন্দর্য্য


2ــ والمَالُ


২. ধনসম্পদ


3ــ والصَحَّةُ


৩. সুস্বাস্থ্য


4ــ والوَلَدُ


৪. সন্তান-সন্তদি


5ــ فَارقَت الدَّور


৫. বসতবাড়ি


6ــ القُصُورُ


৬. প্রাসাদসমূহ


7ــ الزَوجُ


৭. জীবনসঙ্গী


وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ


তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,


وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ


শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,


وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟


আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?


هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ


*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*


لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :


এজন্য ‍তুমি যত্নবান হও,


1ــ الفَرَائِضِ


১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি


2ــ النَّوَافِلِ


২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি


3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ


৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি


4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ


৪. ভালো কাজের প্রতি


5ــ صَلاةُ اللَّيلِ


৫. রাতের নামাজের প্রতি


لَعَلَّكَ تَنْجُو....


যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….


إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....


এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,


قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))


আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))


لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....


তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?


كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))


আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))


ولَمْ يَقُلْ :


তারা বলবে না,


لِأعتَمَرَ


উমরাহ পালন করতাম,


أو لِأُصَلَّي


অথবা, সালাত আদায় করতাম,


أو لِأصُومُ


অথবা, রোজা রাখতাম,


قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ


আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,


فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.


আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।

-সংগৃহীত

ফানিপোষ্ট : (না পড়লে মিস করবেন) স্বপ্ন সারথী ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ফানিপোষ্ট : (না পড়লে মিস করবেন 🤣🤣)

ক্লাসরুমে এবং পরীক্ষার খাতায় ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া কিছু অদ্ভুত উত্তর।


১.

বিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্ন এসেছে, পানিতে বাস করে এমন ৫টি প্রাণীর নাম লিখ।


ছাত্র লিখল...ব্যাঙ, ব্যাঙের বাবা, মা, বোন আর দুলাভাই।


২.

ইতিহাস ক্লাসে স্যার সুমিকে দাঁড় করালেন, "বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?"


সুমি: স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!


স্যার: কে বলেছে বইয়ে নেই। এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে ১৫৪২-১৬০৫।


সুমি: এটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ? আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন!


৩.

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে।


শিক্ষক: আমি টেবিলটা ছুঁয়েছি, টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি — এভাবে একটা যুক্তি দেখাও তো।


দুজন ছাত্র হাত তুলল।


১ম ছাত্র: যেমন ধরুন স্যার, আপনি মুরগি খেয়েছেন, মুরগি কেঁচো খেয়েছে, সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন।


২য় ছাত্র: আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।


৪.

বিজ্ঞান পরীক্ষার রেজাল্টের খাতা দেওয়ার দিন শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, "ব্যাকটেরিয়ার চিত্র আঁকতে বলা হয়েছিল। তুই সাদা খাতা জমা দিয়েছিস কেন?"


ছাত্র নির্বিকারভাবে জবাব দিল, স্যার, আমি ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন্তু আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না!


৫.

ড্রইং পরীক্ষায় বিড়াল আঁকতে দেওয়া হয়েছে। ক্লাস ফাইভের মেয়ে গম্ভীর মুখে বিরাট এক বিড়াল আঁকছে পাতা জুড়ে। নিচে ডানদিকে লিখেছে পি টি ও। টিচার অবাক। জিজ্ঞেস করলেন, "ড্রইং খাতায় পি টি ও কেন?"


ছাত্রী জানাল, "আমার মা বলে দিয়েছেন উত্তর এক পাতায় না ধরলে ওই কথা লিখতে হয়। আমার বিড়াল এত বড় হয়েছে যে সেই অনুপাতে একটি পেল্লায় লেজ দরকার। সেই লেজ এই পাতায় আঁটবে না। তাই আমি ঠিক করেছি পি টি ও লিখে পরের পাতায় মনের সাধ মিটিয়ে লেজখানা আঁকব।


৬.

শিক্ষক: "উত্তম" শব্দের বিপরীত শব্দ বলো।


ছাত্রী: (মুচকি হেসে) সুচিত্রা।


৭.

অন্যমনস্ক এক ছাত্রীকে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, "এই মেয়ে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো।"


মেয়েটি হকচকিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, "কে? আমি?"


শিক্ষক বললেন, "গুড। হয়েছে, বসো।"


৮.

শিক্ষক: আচ্ছা দুধ থেকে ছানা তৈরির একটি সহজ উপায় বল।


ছাত্র: ভীষন সহজ স্যার। গাভীকে তেঁতুল খাওয়ালেই হবে।


৯.

শিক্ষক: তোমার কাছে দেয়াশলাই বা গ্যাস লাইট নেই। আগুন জ্বালাবে কীভাবে?


ছাত্র: স্যার রবি সিম সামনে রেখে বলবো জ্বলে ওঠো আপন শক্তিতে!


১০.

শিক্ষকঃ বল তো সবচেয়ে হাসিখুশি প্রাণী কোনটি?


ছাত্র: হাতি স্যার!


শিক্ষক: কেন?


ছাত্র: দেখেন না, হাতি খুশিতে সব সময় তার দাঁত বের করে রাখে।


১১.

শিক্ষক: সন্ধি কাকে বলে?


ছাত্র: স্যার, প্রথমটুকু পারি না, শেষেরটুকু পারি।


শিক্ষক: আচ্ছা, শেষেরটুকুই বল।


বল্টু: স্যার, শেষেরটুকু হলো...তাকে সন্ধি বলে।


১২.

শিক্ষক: তুই কি বলবে Dialog নাকি Paragraph?


ছাত্র: Dialog বলব স্যার।


শিক্ষক: ঠিক আছে বল।


ছাত্র: চৌধুরী সাহেব! আমরা গরিব হতে পারি, কিন্তু আমরা মানুষ, আমাদেরও ইজ্জত আছে।


(শিক্ষক রেগে গিয়ে খপ করে ছাত্রের চুলের মুঠি ধরে ফেললেন)


ছাত্র: তোর সাহস তো কম না, বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াস। জানিস, তোর ওই হাত আমি কেটে ফেলতে পারি?


১৩.

শিক্ষক: যারা একেবারে নির্বোধ এবং গাধা তারা ছাড়া সবাই বসে পড়।


সকলে বসে পড়লেও শুধু সবুজ একা দাঁড়িয়ে আছে।


শিক্ষক: কিরে, ক্লাসে তুই একাই নির্বোধ আর গাধা?


সবুজ: না স্যার, আপনি একা দাঁড়িয়ে আছেন, এটা ভাল দেখাচ্ছে না, তাই..🤣😂😂


-নিয়মিত স্ট্যাটাস/কবিতা /গল্প / ও ফানি আপডেট গুলো সবার আগে পেতে ফলো করে রাখুন...

অনগল্প  ছায়া_হবো_তোমার_হতে কাইয়ুম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আজ আবারও হোটলে একটা মেয়েকে নিয়ে আসলাম নিজের যৌ--ন খুদা মেটাতে!!!!  তবে সে নিজের ইচ্ছাতে আসিনি।  এসেছে আমার কাছে বাধ্য হয়ে।  তার একটা চাকরির খুবই দরকার।  আমি একটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানির সিইও।  আর তার চাকরিটা অনেক দরকার।  তাই নিজের শরীরটাকে আজ আমার কাছে বিলিয়ে দিলো !!!  আমার নাম রাফি,,  আর যে আজ অসহায়ের মতো নিজেকে বিলিয়ে দিলো তার নাম ইভা !!! 


--- তোমার রেজাল্ট দেখি অনেক ভালো !!!  তা তোমার চাকরিটা হবে ,,,  কিন্তু তোমার তো এর জন্য কিছু দেয়া লাগবে !!! 


--- স্যার,,  আমার পরিবারের কিছু দেয়ার মতো সার্মথ্য নেই !!! 


----- কে বলেছে তোমার দেয়ার মতো কিছু নেই !!!  তোমার আমাকে দেয়ার মতো অনেক কিছু আছে !!! 


------ মানে স্যার ??? 


_---- বুঝলে না ???  তোমার এই মাতাল করা শরীরটাই তো দেয়ার মতো অনেক কিছু !!! 


------ এসব আপনি কি বলছেন স্যার ??? 


----- হ্যা,  আমি ঠিকই বলছি ,,,  আমার সাথে শুধু এক রাত থাকলেই  তোমার চাকরি হবে !!! 


----- না স্যার,  এটা সম্ভব নয় !!! 


----- তুমিই ভেবে দেখো এত বড় কোম্পানিতে চাকরি করতে পারবে !!! 


------ স্যার,,  আমার চাকরিটা অনেক দরকার,,,  আমি এসব করতে পারবো না !!! 


----   যদি না পারো তবে চলে যাও !!!  (রেগে)


---- স্যার,,,  আমি এসব করতে পারবো না !!! 


----- তবে এখান থেকে চলে যাও !!!! তোমার কোনো চাকরি হবে না !!! 


তারপর কিছু সময় ইভা চুপ করে থাকে,,,  তারপর আমি বলে উঠি ,,, 


----- কি বলেছি শুনতে পাওনি ????  চলে যাও !!! 


------- স্যার,,  আমি রাজি,,  আপনার কথা শুনতে !!!!  


---- সত্যি,,  বলছো ???  


---- জি স্যার,,,  আমি আপনার সাথে থাকতে রাজি !!! শুধু আমাকে চাকরিটা দিন!! 


---- এই তো বুদ্ধিমান মেয়ের মতো কথা !!! তবে আজ আমার সাথে হোটলে চলো !!! 


----  স্যার,,  আজ নয়,,  কাল যাবো !!!! 


----- আবার কাল কেন ???   আজ গেলে কি সমস্যা ??? 


---- না,,  স্যার,,  কালকে আপনার সাথে থাকবো !!! 


---- আচ্ছা ,,,  তা বেশ।  কাল কিন্তু আসবে !!  


তারপর চেয়ার থেকে উঠে,,  তার কাছে গিয়ে,,  তার গায়ে হাত দিলাম।।  সাথে সাথে যেন তার শরীরটা কেঁপে উঠলো !!! 


----- কি করছেন স্যার এসব ??? 


----- কেন বুঝোনা বুঝি ??  কি করছি ???  তোমার এই লোভনীয় শরীরটা আমায় মাতাল করে দিচ্ছে  !!!! 


----  ছাড়ুন স্যার,,  এটা অফিস,,  সবাই দেখছে !!! 


----- কে দেখবে বলো তো??  এখানে শুধু তুমি আর আমি !!! 


তারপর সে এক প্রকার জোর করে আমার থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেয় ।।  তারপর তার কাগজগুলো তার ফাইলে ঢুকাতে থাকে।।  আর যেই না চলে যাবে,,  তখনি আমি বলে উঠি ..... 


---- তা কাল কিন্তু ফোন দিলে আসবে ???  


---- জি স্যার !!! 


তারপর দেখতে দেখতে ১ দিন চলে গেল !!!  আজ ইভার আসার কথা আমার কাছে !!!! হোটলে রুমও বুক করে রেখেছি !!!  তার অপেক্ষায় আছি গাড়ি নিয়ে !!!  


তারপর সে এলো ,,,  আজ তাকে দেখে যেন আরও বেশি সুন্দর লাগছে !!!  নিজেকে যেন কন্টোল করতে পারছি না !!!  তারপর তাকে গাড়িতে নিয়ে উঠলাম !!!  আর তাকে নিয়ে হোটলে নিয়ে গেলাম !!!  তারপর সে বলল ,,, 


ইভা : স্যার,,  আমার চাকরিটা হবে তো ???? 


রাফি :  আমি যা একবার বলি তাই করি ,,,  তোমার চাকরি হয়ে গিয়েছে !!! 


ইভা  ::  স্যার ,,,  আপনি কি সত্যিই আমার সাথে এসব করবেন ?? 


রাফি : না হলে কি তোমার চেহারা শুধু দেখে আমার খুদা মিটাবো ??? 


তারপর আমি তাকে হোটলের রুমে নিয়ে গিয়ে বিছানায় ফেলে তার শরীরের সকল কাপড় খুলে তার উপর হিংস্রভাবে ঝাপিয়ে পরি   ...... 


ইভা : স্যার,,  আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে !!!!  আমায় ছেড়ে দিন !!! 


------ কিছু পেতে হলে তো কিছু দিতে হবে তোমায় ইভা !!!  


তারপর পাগলের মতো তার শরীরের উপর নিযার্তন করা শুরু করলাম !!!   আজ যেন আমি তার শরীরের ঘ্রাণে আরও পাগল হয়ে যাচ্ছি  !!!  


সারারাত তার উপর অমানুষিক নির্যাতন করার পর তাকে ছেড়ে দিলাম !!!! সকালে উঠে সে কাদতে শুরু করলো !!! 


রাফি :  কি আবার কাঁদছো কেন ???  তোমার চাকরি তো হয়ে গিয়েছে !!! 


ইভা :  কিছু না,,  এমনি কাদছি !!! 


রাফি : কেন,,,  আবার কাদছো ??? 


সে আর আমার কোনো কথার জবাব না দিয়ে কাপড় পরে সেখান থেকে চলে গেল !!! 


আমিও আর এসব না ভেবে সেখান থেকে চলে গেলাম। পরদিন ইভার চাকরি হলো !!!  আর সে চাকরিতে জয়েনও করলো !!! 


 আর প্রায় সময়ই আমি তাকে বাধ্য করতাম আমার সাথে রাত কাটানোর জন্য।  তার কিছুই করার ছিল না,,,  সে শুধু নীরবে চোখ বন্ধ করে আমার শরীরের খুদা মিটাতো !!!  আর সকাল হলে শুধু কাদতো !!!   সে যে কেন এতো অসহায় আমার কাছে তা আমি নিজেও জানি না !!! 


কিছু দিন পর আমি আবার কোম্পানির কিছু করতে  ৬ মাসের জন্য বিদেশে গেলাম !!!  তারপর দেখতে দেখতে ৬ মাস চলে গেল !!!  আর দেশে চলে আসলাম !!!  


তারপর অফিসে এসে দেখি ইভা অফিসে নেই !!!  তারপর ২ দিন হয়ে গেলেও ইভা আর অফিসে আসেনি !!!  তারপর একজনকে জিজ্ঞেসা করলে সে বলে ৪ মাস আগে থেকেই সে হঠাৎ করে অফিসে আর আসে না !!! 


এদিকে তার ফোনে কল দিলেও আর সে ধরে না,,  সবসময় বন্ধ দেখায় !!!  তবে কি সে চাকরি ছেড়ে দিলো !!!  কিন্তু কেন !?? 


তারপর দেখতে দেখতে আরও ১ মাস চলে গেল !!!  আর আমি তার কথা অনেকটা ভুলেই গেলাম !!!  কিছু দিন পর আমার এক বন্ধুর মা একটু অসুস্থ বলে তাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম।  পরে আসার সময় হঠাৎ হাসপাতালের একটা রুমে দেখতে পাই ইভাকে !!! 


তারপর আমি সাথে সাথে সেখানে যাই !!!  গিয়ে দেখি একটা ছোট্ট বাচ্চা  ইভার পাশে বসে কাঁদছে !!!  বাচ্চাটা দেখতে এতো সুন্দর যা বলার বাইরে !!!  


তারপর আমি ডাক্তারকে বললাম,,,  ইভার কি হয়েছে ???   তারপর ডাক্তার যা বলল ,,,  তা শুনে আমার পা থেকে মাটি যেন সরে গেল !!!  


ডাক্তার বলল ,,, ---- ইভার নাকি ব্লাড ক্যান্সার,,,  আর সে নাকি তা ১ বছর ধরে ভুগছে !!!  আর সেই ছোট বাচ্চাটি হলো ইভার ছেলে যার বয়স ৪ বছর !!!   আর ইভা ৫ বছর আগে একটা ছেলেকে বিয়ে করেছিল,,  তার পরিবার অনেক বড়লোক ছিল বলে তাদের এই বিয়ে ইভার বাবা-মা মপনে নেয়নি!!! কিন্তু সে ৩ বছর আগে মারা যায় !!! 


আর এখন ইভা তার এই ৪ বছরের ছেলেটাকে নিয়ে আছে !!!  কিন্তু সে ১৫ দিন আগে কোমায় চলে যায় !!!  আর তার বেচে থাকার সম্ভবনা খুবই কম ,,,  হয়তো বা আর কিছুদিন বাঁচতে পারে !!! 


এসব কথাগুলো যেন শুনে আর চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না !!!  এজন্যই হয়তো বা সে এতো অসহায় ছিল !!!   তার জীবন ঘিরে শুধুই বেদনা ছিল !!! 


তারপর তার ছেলেকে কোলে নিয়ে আদুরে গলায় বললাম,,,  


----  বাবা,,  তুমি কাদছো কেন ???  তোমার কি হয়েছে ??  তোমার মা ভালো হয়ে যাবে !!! 


-তখন ছেলেটি বলে উঠে ,,, 

" জানো,  আমার মা বলেছিল,,  আমায় নিয়ে পার্কে গিয়ে একসাথে খেলবে ??  কিন্তু আজও আমার সাথে খেললো না !!! 


তার এই কথা শুনে অনেক কান্না করলাম আর  আজ আবার মনে পড়লো সেদিন ইভা বলেছিল,,  তার চাকরিটা খুবই দরকার,,  কিন্তু কেন তা কখনো বলেনি !!  কারণ তাকে যে কেউ ভালোবাসে না,,  সবাই ভালোবাসে তার শরীরটাকে !!!  


তারপর ইভার হাত ধরে শুধু চেয়ে রইলাম,,,  তার দিকে আর তাকে কথা দিলাম,,  যদি কখনো তার ঋণ পরিশোধ করে নিকের পাপের বোঝা কমাতে পারি !!!  তবুও সে আজ নীরব হয়ে শুয়ে আছে !!  জানি না,,  সে শুনতে পেল কিনা আমার দেয়া কথা !!! 


পরেরদিনই  ইভা মারা গেল ,,,,  আর তার জীবনের সকল কষ্টগুলো সাড়ে তিন হাত মাটির মাঝেই চাপা পড়ে গেল চিরদিনের জন্য !!, 


আজ দেখতে দেখতে ২০ বছর হয়ে গেল !!!! আজও একদিনের জন্যও তাকে ভুলিনি !!!  আজ তার ছেলের ২৪ বছর পূর্ণ হলো !!!  আজ আমি তার কাছে বাবা,, আর আমিই মা !!! আজ পর্যন্ত আমি  বিয়ে করিনি !!!  তার ছেলেকে ঘিরেই আমার সব সপ্ন !!!  তবুও যদি ইভা আমায় মাফ করে থাকে !!!  


❤সমাপ্ত❤️


#অনগল্প 

#ছায়া_হবো_তোমার_হতে

ভুল পর্ব ১ রহস্যময় লেখক সাহিত্য ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কেয়া আর আমি অ*ন্তর*ঙ্গ অবস্থায় খাটের ওপর আছি এমন সময় দোলা ভাবী আমাদের রুমে ঢুকেই আমাদের এই অ'বস্থায় দেখে থমকে গেল। 


আমি জলদি করে কেয়াকে আমার ও'পর থেকে ঠে'লে সরিয়ে গা*য়ে কম্বল জ*ড়িয়ে নিলাম, কেয়াও দোলা ভাবীকে দেখে ল'জ্জায় লাল হয়ে উঠলো। 


আমি দোলা ভাবীকে বললাম– ভাবী কিছু বলবেন? 


দোলা ভাবী থতমত খেয়ে বললো– না মানে ইয়ে আরকি... এই সময়ে এসে পড়াটা ঠিক হয়নি আমার।


বললাম সমস্যা নেই ভাবী, আর দরজা ল'ক করা হয়নি সেটাও খেয়াল করিনি।


দোলা ভাবী ল'জ্জায় লাল হয়ে আছে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে বললো– তোমরাও পারো, এখন কি এসবের সময়? রা'তের কাজ রাতে করবা।


আমি মুচকি হেসে বললাম– এসবের আবার নির্দিষ্ট সময় হয় নাকি ভাবী, যখন ইচ্ছে দিতে নিতে হয়। ভালোবাসা বি'নিময়ের কোনো সময় হয়না।


দোলা ভাবী একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো– এরকম যদি সবাই বুঝতো।


দোলা ভাবী দেখতে সুশ্রী, লম্বা সুন্দরী, সংসারে কোনকিছুর অভাব না থাকলেও সবসময় কেমন ম'নম'রা হয়ে থাকে। বিশেষ প্রয়োজনে কেয়ার কাছে আসে মাঝেমধ্যে তাছাড়া তেমন ঘরের বাহির হয়না।


আচ্ছা তোমরা তোমাদের সময় উ'পভোগ করো আমি যাচ্ছি এবার, বলে দোলা ভাবী চলে গেলেন। 


কেয়া উঠে গিয়ে দরজা বন্ধ করে আসতেই কেয়ার হাত ধরে টেনে বি'ছানায় ফে'লে কেয়ার ঠোঁ*টে আলতো করে কা*মড় দিয়ে বললাম– সারাক্ষণ শুধু আ'দর আর আ'দর চাই, অন্য কিছুর হুস থাকেনা তাইনা?


এবার কেয়া উল্টে আমার ও'পর উঠে বললো– এরকম একটা সু'ইট জামাইর আদর পেলে হুশ তো উড়ে যাবেই।


কেয়ার মুখ চেপে ধরে বু'কের মা'ঝখানে একটা চু*মু খেয়ে বললাম– চুপ একদম, আ'দর করতে দাও হুম।


তারপর কম্বলের ভেতর ডুব মে*রে কেয়ার সারা শ*রী*রে আ'দর দিতে লাগলাম আর কেয়াও উ'পভো'গ করতে লাগলো খুব।


আমরা পালিয়ে এসে বিয়ে করেছি, বাসা নিয়ে আছি দুজন, আপাতত আমার কাজবাজ নেই তাই সারাক্ষণ কেয়াকে সময় দিতে পারছি অফুরন্ত। পরিবার ছেড়ে এসে কেয়ার মনে যে ক'ষ্ট সেটা ভুলিয়ে রাখার জন্যই কেয়াকে খুব আ'দরে রাখি সারাক্ষণ।


আমাদের ইচ্ছে একটা বেবি নেয়ার, বেবি হলে হয়তো সবাই মেনে নিবে আমাদের। 


প্রতিবারই শা*রীরি'ক মে'লামে'শার পরে আমরা আনন্দিত হই যে এবার বুঝি কেয়া বে'বি ক'নসিভ করবে, কিন্তু পরে টেস্টের রিপোর্ট আসে নে'গেটিভ।


আমি কেয়াকে বলি সমস্যা নেই বউ, রুমে তো আমরা দুজনেই, য'তক্ষণ বে'বি না হচ্ছে মিশন চলবে আ'নলিমি'টেড।


কেয়া মিষ্টি হেসে বলে– দু'ষ্ট বর একটা। 


আমি জিভ দিয়ে কেয়ার গাল চেটে বলি– মি'ষ্টি বউ একটা। 


কেয়া মুচকি মুচকি হাসে।


আজ দোলা ভাবি আমাদের দাওয়াত করেছেন। তাই আমি আর কেয়া তার বাসায় গেলাম। দোলা ভাবির বাসায় খাওয়া দাওয়া শেষ করেই আমি আর কেয়া ঘরে চলে আসছি।এতটাই ক্লান্ত হয়ে ছিলাম যে, কেয়া  ঠিকমতো দরজা টাও লাগায়নি।


বি'ছানায় যাওয়ার সাথেই কেয়া ঘুমে বেহুস।আমার চোখে ঘুম ঘুম ভাব।একটু পরেই দেখি কে যেন আমার নিচের অং*শে আ'ন্ডার উপর হাত দিচ্ছে। 


আমি ঘুমের মাঝেই উঠে বসি।আমার সামনে দেখি দোলা ভাবি।আমি বলে উঠি, দোলা ভাবি আপনি। তখনি দোলা ভাবি আমার মুখ চেপে ধরে। এবং আমার হাত টেনে নি'চে পাশের রু'মের দিকে নিয়ে যান।


আমার দুচোখের ঘুম যেন পালিয়েছে।সে আমাকে টানতে টানতে তার ফ্লা*টে নিয়ে আসে।এতখোন পর আমি দোলা ভাবিকে খেয়াল করলাম।সে সুধু পে'টি'কোট আর ব্লা'উ*জ পরা।


আমাকে দোলা ভাবি বলতে থাকে,প্লিজ  আমাকে একবার সু'খী করে দেও,প্লিজ তুমি তো জান তোমার ভাই অনেক রাত করে বাসায় আসে,এবং এসেই ক্লান্ত শরিল নিয়ে ঘুমিয়ে পরে। 


আমার প্রতি যেন তার কোন ক'ত্যব্য নেই।এই বলে দোলা ভাবি আমাকে জ*রিয়ে ধরে আছেন।আমি পিছনে সরে বলি, কিন্তু ভাবি কেয়া এসব জানে। দোলা ভাবি বলে কিছু জানবে না,সেটা তুমি আমার উপর ছেরে দাও।


এই বলে আমাকে টা'ন দিয়ে দোলা ভাবি খা*টের উপর ফে*লে দেয়।সত্যি বলতে আমিও দোলা ভাবির এই ফি*গার দেখে নিজেকে খুবি ক*ষ্টে এতক্ষনে আ'টকে রেখেছি। দোলা ভাবি বললো, তোমাদের ওইভাবে দেখে নিজেকে আর সা'মলাতে পারি নি ।আর তোমার ও*টা আমি দেখেছি। এত ব'ড় আর এতো হ*ট টা'ইপের হয় আমি আগে দেখিনি। প্লিজ তুমি আর না কর।


আমি মনে হয় পা*গল হয়ে গেলাম।টান দিয়ে ছি'রে ফে'ললাম ব্লা*উ*জ। এবং সাথে সাথে দোলা ভাবিকে  করলাম লি*প কি'স।দোলা ভাবি  আমার দিকে কেমন নেশার চোখে তাকিয়ে আছেন।

চলবে....


ভুল

পর্ব ১

রহস্যময় লেখক

নেক্সট পার্টগুলো সবার আগে গ্রুপে দেওয়া হবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে গ্রুপে জয়েন করুন।এটা রাইটারের নিজের গ্রুপ।

👉রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

সিনিয়র_বিধবা_মেয়ে  #part_1 ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #সিনিয়র_বিধবা_মেয়ে 

#part_1

বাসে ওঠে পিছনে গিয়ে একটা ছিটে বসলাম। বসে বাইরে তাকিয়ে রইলাম। একটু পর সামনের বাস স্টেশন থেকে একটা মেয়ে উঠলো। স্বাভাবিক ভাবে মেয়েটার দিকে তাকালাম। তারপর চোখ ফিরিয়ে নিলাম। আবার বাইরে তাকিয়ে আছি। একটু পর আবার মেয়েটার দিকে তাকালাম। ভালো করে তাকালাম। বাহ! কি সুন্দরী একটা মেয়ে। পরীর চেয়ে সুন্দর মনে হচ্ছে। মেয়েটা সুন্দর একটা নেকাব পড়ে আছে। কালো নেকাব। কালো বোরকা। পুরো কালো নেকাবে ডাকা মুখটা মধ্যে চোখটাকে সাদা দেখাচ্ছে।)


হেল্পারঃ আরে মিয়া কখন থেকে ডাকছি বাড়া দেন।


আমিঃ এই নেন।


হেল্পার একটু সামনে গিয়ে মেয়েটার কাছ থেকে বাড়া চাইলো।হেল্পারঃ আপা বাড়া দেন।


মেয়েঃ এই নেন।


হেল্পারঃ বাড়া কিন্তু দশ টাকা।


মেয়েঃ দশ টাকা কেনো। সব সময়তো যাই পাঁচ টাকা করে। এখন কেনো দশ টাকা দিতে হবে?


হেল্পারঃ আমরাওতো এখান দিয়ে গাড়ি চালায়।


বিষয়টা আমার নজরে গেলো। আমি ছিট থেকে ওঠে মেয়েটা কাছে গেলাম। গিয়ে বললাম


আমিঃ কি সমস্যা?


মেয়েঃ দেখেন না ভাই পাঁচ টাকার বাড়া দশ টাকা চাচ্ছে।


আমিঃ হেল্পার সে কিন্তু আমার পরে বাসে ওঠছে। নামবে আমার আগে। আমি বাড়া দিলাম পাঁচ টাকা। আর ওনার কাছ থেকে চাচ্ছেন দশটাকা। আপনার সমস্যা কি?(হেল্পারকে নামার স্টেশন বলার সময় আমি শুনি কোন স্টেশনে নামবে।)


হেল্পারঃ সরি স্যার।


আমিঃ মেয়ে মানুষ পাইলে বেশি বাড়া নিতে ইচ্ছে করে। না!। চড় থাবড়া দুইটা লাগাইলে দুইটা লাগালে আর মন চাইবেনা।


হেল্পারঃ সরি স্যার আর হবে না।


(এই বলে হেল্পার চলে গেলো। আমি আমার ছিটে এসে বসলাম। বসে মেয়েটার দিকে তাকালাম। মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি মেয়েটার চোখের দিকে তাকাই। দুজনের চোখ একসাথে হয়। মেয়েটা চোখ সরিয়ে ফেলে। সামনের এক স্টেশনে মেয়েটা নেমে যায়।)


(আমি আনাস। ঢাকাতে থাকি আসলে ঢাকায় আমার সব। ছোট বেলা থেকে এখানে। বাড়ি নরসিংদী। আরেকটা দুঃখের বিষয় হচ্ছে আমার এই পৃথিবীতে আমার বোন ছাড়া কেউ নাই। আমার বয়স যখন ১৮ তখন এক এক্সিডেন্ট আমার মা বাবা মারা যায়।আমি আর আমার ছোট বোন এক সাথে বড় হইছি। আমার এক ক্লোজ ফ্রেন্ডের সাথে বোনকে বিয়ে দিয়ে দেই। আমি এক প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। কদিন আগে মাত্র চাকরিটা পাইছি। বেতন ২৫ হাজার। আমার বাসায় আমি একাই থাকি। ভুয়া এসে রান্না করে দিয়ে যায়। আর আমার সব চেয়ে কাছের জিনিস হলো সিগারেট। প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ টা সিগারেট না খেলে হয় না। ছোট বোন কত বলল বিয়ে করে ফেলতে। আমি বললাম দেখা যাক। চাকরি পাইছি এক মাস। এক মাসের মাথায় বাস দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন মেয়েটাকে দেখলাম।)


(আমি আমার স্টেশনে এসে নেমে অফিসে চলে যাই। অফিসে আমার কাজ হচ্ছে। কাগজ পত্র আনা নেয়া করা। কাজটা একটু কঠিন হলেও আমার করতে ভালই লাগে। কারণ সবার সাথে কথা বলা যায়। সবার সাথে মজা করা যায়। অন্যা দিনের মতো কাজ শেষ করে বাসায় চলে আসলাম। আমি ভাবতেছি মেয়েটা কথা। মেয়েটাকি কি অপরুপ সুন্দর। তার সাথে কি আবার দেখা হবে?। ধুর আমারই ভুল হইছে। মেয়েটার বাড়ি কোথায় নেমে সেটা দেখার দরকার ছিলো। সে কি আর সামনে পড়বে। এই বলে আমি একটা সিগারেট ধরাইয়া খেতে থাকি। পরদিন আমি বাস দিয়ে যাই। না মেয়েটা আর বাসে ওঠলো না। এভাবে আরো এক ১৫ দিন চলে যায়। আস্তে আস্তে তার চেহারাটা মন থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে। ১৫দিনে যতবার বাসে ওঠছি এক সেকেন্ডর জন্য এই মেয়েটার কথা মনে পড়ছে। ১৬ তম দিনের মাথায় আমি বাস দিয়ে যাচ্ছি। বাসের ঠিক মাঝখানে বসে আছি। যে স্টেশন থেকে মেয়েটা ওঠছিলো। সেই স্টেশন থেকে একটা মেয়ে ওঠলো বাসে। আমি স্বাভাবিক ভাবে মেয়ের দিকে তাকাই। তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নেই। আমার কি যেনো মনে পড়লো আবার তাকাই মেয়েটার দিকে। ভালো করে তাকাই। আমার মুখটা উজ্জ্বল হয়ে যায়। আরে এতো ঐ মেয়েটা। মেয়েটা আস্তে আস্তে আমি যেই ছিটে বসলাম সেই ছিটের সামনে এসে দাড়ালো বাস ভর্তি মানুষ কোনো ছিট খালি নাই। এবার ভালো করে মেয়েটাকে দেখলাম। মনে হয় হাঁপাচ্ছে। আজকে মেয়েটা আগের ড্রেস পরে আসে। তাই চিনতে কষ্ট হলো না। আমি ছিট থেকে ওঠে বললাম।)আমিঃ আপনি এখানে বসেন।


মেয়েঃ না আমি ঠিক আছি। অসুবিধা নাই আপনি বসেন।


আমিঃ না প্লিজ বসেন।


মেয়েটা আস্তে আস্তে বসলো বসে বলল।


মেয়েঃ থ্যানকস।


আমিঃ ওয়েলকাম।


(মেয়েটা বসার সময় আমার সামনে দিয়ে যায়। সেই সময় মেয়েটার শরীরের পারফিউমের গন্ধ নাকে আসে। বাহ!কি সুন্দর গন্ধ। আমি কিছুক্ষন দাড়িয়ে মেয়েটার দিকে তাকালাম। দেখে মনে কি যেনো ভাবতাছে। আমি বুঝলাম মনে হয় আমাকে চিন্তে পারছে। কাছ থেকে বুঝতে পারলাম মেয়েটার বয়স ২৫-২৬এর ভিতরে হবে। আমার থেকে বড়। ধুর এখন কি হইছে। ভালো লাগছে সেটা বড় কথা।


রাসুলুল্লাহ সাঃ তো ২৫ বছর বয়সে ৪০বছর বয়সি মেয়ে খাদিজা রাঃ কে বিয়ে করছে।


এসব চিন্তা আমি করতেছি।মেয়েঃ এইযে একটু সাইড দিবেন।


আমিঃ সিউর সিউর।


আজকে মেয়েটা কোথায় যায় সেটা আমি দেখবই। তাই আমি ও নেমে যায় মেয়েটার পিছনে। নেমে এক দোকানে গিয়ে সিগারেট কিনে ধরাইলাম। আর মেয়ের দিকে চোখ রাখতাছি। দেখলাম মেয়েটা একটা রিকসা ওঠলো। আমি একটা রিকশা ডাক দিয়ে বললাম।


আমিঃ ঐ রিকশা যাবেন?


রিকশা ওলাঃ হুম যামো কোথায় যাবেন?


আমিঃ সামনের রিকশাটা দেখতোসোনা ঐ ফোলো করো।


রিকশা ওলাঃ ঠিক আছে ওঠেন।


রিকশা ওলা ঠিক মতই সামনের রিকশা টাকে ফোলো করছে। ১০ মিনিট যাওয়ার পর মেয়েটা রিকশা থেকে নেমে একটা ব্যাংকে ঢুকে গেলো। আমি ও মেয়েটা পিছন পিছন ব্যাংকে ঢুকলাম। দেখি মেয়েটা ব্যাংকের একটা অফিসে গিয়ে চেয়ারে বসলো। আমি বুজলাম তাহলে মেয়েটা এখানে কাজ করে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি অফিসের আর ৫ মিনিট বাকি। আমি তাড়াতাড়ি অফিসে যাই। গিয়ে অফিসের কাজ শেষ করে গেলাম সেই ব্যাংকে। গিয়ে একটা ফরম নেই ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য। ফরম ফিলাপ করে বললাম কোথায় জমা দিবো। বলল ঐ খানে আমি সেখানে গেলাম। গিয়ে ছেলেটির দিকে তাকালাম। আমি বললাম


আমিঃ এই নেন স্যার।


স্যারঃ স্যার না ভাই বলবে।


আমিঃ ওকে


++


(ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ভালো লাগলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে মেসেঞ্জারে নক করবেন যাতে একসেপ্ট করতে সুবিধা হয়।)


(ভাই আমাকে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলো।

পরে বলল ঐযে অফিসটা দেখছেন। সেখানে গিয়ে দেখবেন একটা মেয়ে বসা আছে। তার কাছে এটা জমা দিবেন। কথাটা শুনে আমার মুখটা উজ্জ্বল হয়ে গেলো আরে এতো ঐ অফিস যেখানে আমার ভালোলাগার মানুষটা বসে আছে।


আমি ফরমটা নিয়ে সেই অফিসের সামনে গেলাম।)


#চলবে.....

Follow.. Najrul Islam Akash 

ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করবেন।

গল্পে গল্পে Parts of speec, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌸গল্পে গল্পে Parts of speech🌸


Noun আর তার ভাইয়েরা মোট ৮ জন । তাদের বাড়ির নাম হল Sentence ভিলা । সমাজের মানুষ তাদের Parts of speech বলে ডাকে । এক বাড়িতেই (Sentence) তারা ৮ ভাই থাকে । তবে তাদের কাজকর্ম এক না ।


১ম ভাইয়ের নাম হল Noun । তার কাজ হল সব কিছুর নাম বলা । বাড়িতে যা যা দরকার শাকসবজি, গোশত, মাছ সবকিছুর নাম বলা ।


২য় ভাইয়ের নাম হল Pronoun । Noun বাড়িতে না থাকলে সে noun এর কাজ করে দেয় । Noun এর অনুপস্থিতিতে Noun এর সব কাজ Pronoun ই করে ।


৩য় ভাইয়ের নাম হল Adjective । Noun ও Pronoun এর পিছনে গোয়েন্দাগিরি করা । তাদের দোষ-গুণ লিখে রাখাই হল Adjective এর কাজ ।


৪র্থ ভাইয়ের নাম হল Verb । তার কাজ হল সবার কাজ বলে দেওয়া । খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, গোসল সব কাজ বলে দেওয়া ।


৫ম ভাইয়ের নাম হলো Adverb । তার কাজ হল ৩য় ও ৪র্থ ভাই (Verb, Adjective) এর নজরদারি করা । তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা । মাঝেমধ্যে সে নিজের অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করে ।


৬ষ্ঠ ভাইয়ের নাম হল Preposition । ভাইদের মাঝে সম্পর্কের বন্ধন তৈরি করাই তার কাজ ।

(Noun ➕ Verb➕Pronoun, Noun➕ Noun)


৭ম ভাইয়ের নাম হল Conjunction । তার কাজ Preposition এর কাজের চেয়ে বড় । সে এক বাড়ির সাথে অন্য বাড়ির আত্মীয়তার সম্পর্ক সৃষ্টি করে এবং তারা সবাই মিলে সেই বাড়িতে দাওয়াত খায় ।

(Sentence ➕ Sentence)


৮ম ভাইয়ের কাজটা খুবই দারুণ ! তার নাম Interjection । সে আনন্দে-দুঃখে সব সময় সবার পাশে থাকে । সবার আবেগ প্রকাশ করাই তার একমাত্র কাজ।

গল্প_১৪ই_ফেব্রুয়ারি, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 --১৪ ফেব্রুয়ারিতে তোমার শরীর চাই আমার কান্তা। 


--সম্পর্কের '৩' মাস হলো তাতেই এই কথা বলছো। কেমন Boyfriend তুমি হ‍্যা।


--আমি রোমান্টিক বয়ফ্রেন্ড তোমার বুঝছো। 


কান্তা: প্লিজজ হাসিব বিয়ের পরে যা ইচ্ছে তাই করিও।  সবে মাত্র আমাদের সম্পর্ক শুরু হলো। 


হাসিব : জানতাম এই কথাই বলবা। 


কান্তা : এমন করেনা সোনা আমার। আমি তো শুধুমাত্র তোমারি।


হাসিব : তাহলে আমি যা চাইতেছি দিয়ে দাও। 


কান্তা : আচ্ছা আমি ভেবে দেখি। 


হাসিব : ভেবে দেখা দেখির সময় নেই। আমি চাইতেছি তোমার দিতেই হবে। 


কান্তা : আমার সঙ্গে এই সব করার পরে যদি সম্পর্ক না রাখো তখন কি হবে। 


হাসিব : এইইই বিশ্বাস আমার প্রতি তোমার। 


কান্তা : বিশ্বাস না কররে কি ভালোবাসতাম বলো। 


হাসিব : তাহলে ১৪ই ফেব্রুয়ারিতে চলোনা জান ডেটে যাই প্লিজজজ প্লিজজজ। 


" boyfriend এর এমন রিকুয়েস্টে শেষ পযর্ন্ত কান্তা রাজি হয় ডেটে যাওয়ার জন্যে?


কান্তা : ঠিক আছে আমি রাজি। কিন্তু আমাদের বিয়েটা কবে হবে শুনি। 


হাসিব : সময় হোক বিয়ে করবো। 


কান্তা : আচ্ছা জান। 


হাসিব : রেডি থাকিও কিন্তু ১৪ তারিখে। 


কান্তা : হুমম।


--এর পরে সেই ১৪ তারিখে কান্তা তার নিজের শরীর টা  boyfriend হাসিবের হাতে তুলে দেয়। যা হাসিব পাগলের মতো ভোগ করতে থাকে? 


হাসিব : উফফফ জান তুমি সেই একটা জিনিস। 


কুন্তা : যাহহ দুষ্টু একটা। আমার লজ্জা করে। 


হাসিব : ওরে আমার লজ্জাবতি girlfriend?


কান্তা : হুম। 


"এর পর ১৪ ফেব্রুয়ারি হাসিব ও কান্তা দুজনেই বেশ রোমান্স করে ঘুরে বেড়ায়। 


"এর ঠিক ৪মাস পরে কান্তা হঠাৎ করেই একদিন মাথা ঘুড়ে পরে যায়। আর সঙ্গে সঙ্গে তাকে ডাক্তার দেখানো হলে ডাক্তার বলে।


ডাক্তার : আপনাদের মেয়ে গর্ভবতী। 


--কিন্তু ডাক্তার আমাদের মেয়ের তো এখন পযর্ন্ত বিয়েই হয়নি তাহলে গর্ভবতী কিভাবে হয়। 


ডাক্তার : সেটা আপনাদের মেয়েকেই জিঙ্গেস করুন? 


"এই কথা শুনে কান্তার বাবা কান্তাকে জিঙ্গেস করে"


--এই সব কি কান্তা। ডাক্তার যা বলতেছে সব কি সত্যিই নাকি মিথ্যা। 


কান্তা : বাবা সব সত্যি। আমি একটি ছেলেকে ভালোবাসি আর ওর সঙ্গেই আমি...? 


কথাটি শেষ হতে না হতেই কান্তার গালে ঠাসসস ঠাসস করে থাপ্পড় পরে যায়। 


--ঠাসসস! ঠাসস! এই জন্যে তোকে পরাশুনা করাচ্ছি। এখন সমাজে মুখ দেখাবো কিভাবে আমি।


"কথাটি বলেই কান্তাকে রুমের ভিতরে বন্ধ করে বাহিরে চলে আসে। আর এই ফাকে কান্তা boyfriend কে ফোন দেয়। 


কান্তা : হ‍্যালো......হাসিব আমি প্রেগনেন্ট তোমার বাচ্ছা আমার পেটে। কিছু  একটা করো। 


হাসিব : কিইই বলো এই সব। রুম ডেটের পর তুমি ওষুধ খাওনাই। 


কান্তা : নাহ। 


হাসিব : ভালো খুব ভালো। 


কান্তা : চলো আমরা পালিয়ে যাই। 


হাসিব : আমার পক্ষে সম্ভব না। এছারা আমার পরাশুনা এখনো শেষ হয়নি। 


কান্তা : তাহলে আমার কি হবে এখন। 


হাসিব : আমি জানিনা। 


কান্তা : জানোনা মানে। তোমার সন্তান আমার পেটে এখন বলতেছো জানো না। 


হাসিব : আমি তোমাকে পেটে সন্তান নিতে বলছি নাকি। ফোন রাখো আমাকে ডিস্টাপ করবে না।   


কান্তা : প্লিজজজ এমন করিওনা। তুমি এমন করলে আমার মৃত্যু ছারা পথ থাকবেনা। 


হাসিব : যা ইচ্ছে হয় করো। 


--এই বলে হাসিব ফোনটি কেটে দিয়ে বন্ধ করে রাখে। এই দিকে কান্তা ফোন দিতে দিতে পাগল হয়ে যায় কিন্তু হাসিবের ফোনে আর কল ডুকেনা। 


"শেষ মেশ কোন উপায় না পেয়ে কান্তা গলায় ওরনা টাঙ্গিয়ে  আত্মহত্যা করে। 


এই কান্তার মতো পাগলামি কখনোই করবেন না।  সমস্যা হয়েছে পরিবারের কাছে সব খুলে বলুন অবশ্যই সমাধান বের হবে।


এই হলো ১৪ ফেব্রুয়ারিতে ভালোবাসা বিনিময়ে একটি অসুন্দর সুন্দর দৃশ্য। 


#গল্প_১৪ই_ফেব্রুয়ারি


মন ছুয়ে যাওয়া গল্প পেতে এখনি নীল লেখায় চাপ দিয়ে আমার আইডি ফলো করে রাখুন : বগুড়া ট্রিওয়াল্ড নার্সারি  👈

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...